Wednesday, January 20, 2016
আমরা অনড় নই , সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্যারান্টি চাই -একান্ত সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
আমরা অনড় নই , সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্যারান্টি চাই -একান্ত সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
নয়া দিগন্ত : দীর্ঘ দিন পর ৫ জানুয়ারির বর্ষপূর্তিতে আপনারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলেন। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার কি অবসান ঘটতে যাচ্ছে?
মির্জা ফখরুল : এটা বলা খুব মুশকিল। কারণ বর্তমান সরকারের আচরণ কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক বলা যায় না। এ কারণে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। কখনো তারা গণতান্ত্রিক কার্যক্রমে কিছুটা ছাড় দেয় আবার কখনো শক্ত অবস্থানে থাকে। একদমই কোনো সুযোগ থাকে না। কিছু দিন আগে পর্যন্ত আমাদের ঘরোয়া কর্মসূচি পালন করতে পারতাম না। এখন পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর থেকে এই সুযোগ কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। তাও এটি কতদিন থাকবে তা আমরা জানি না।
নয়া দিগন্ত : পৌরসভা নির্বাচন থেকে তাহলে বিএনপির কী অর্জন হলো?
মির্জা ফখরুল : পৌরসভা নির্বাচন থেকে আমাদের অর্জন হলো, আমরা জনগণের কাছে যেতে পারছি। কিছুটা সুযোগ পাচ্ছি। যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল আমরা কোথাও যেতে পারছিলাম না, আমাদের নেতাকর্মীরা বেরুতে পারছিল না, সে জায়গায় এরা প্রকাশ্য এসে রাজনীতির কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : সরকার তো বলছে পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলকও হয়েছে।
মির্জা ফখরুল : সরকারের কথায় তো আমরা সঠিক বিচার করতে পারব না। কারণ, এই সরকারের চরিত্র আমরা জানি। এটি পুরোপুরিভাবে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকার এবং যে নির্বাচনের মাধ্যমে এরা ক্ষমতায় আছে সে নির্বাচনের কোনো নৈতিক বৈধতা নেই। এ কারণে এরা সবসময় অস্থিরতায় থাকে এবং আস্থাহীনতায় ভোগে। যে কারণে বিরোধী দলের ওপর তারা বেশি করে চড়াও হয়। সে কারণে এরা বলে নির্বাচন ভালো হয়েছে। পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর হবে এটা আমরা আশা করিনি। আমরা বলেছিলাম, নির্বাচনে যাচ্ছি আন্দোলনের অংশ হিসেবে। অর্থাৎ এটাকে নিয়ে আমরা জনগণের কাছে যাবো এবং তাদের সামনে আমাদের কথাগুলো বলব। সে ক্ষেত্রে আরেকবার আমাদের লাভ হয়েছে, আমরা বাইরে আসতে পেরেছি, আবারো জনগণের সামনে প্রমাণ করতে পেরেছি এদের সময় নির্বাচন কিভাবে হচ্ছে। আমাদের যে দাবি নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ সরকার দরকার, তা আবারো প্রতিষ্ঠিত হলো। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার দরকার। আমাদের তো ইংল্যান্ড আমেরিকা দিয়ে চিন্তা করলে চলবে না। এমনকি ভারত দিয়ে তুলনা করলে চলবে না। এই নির্বাচনে প্রমাণ হলো নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে না।
নয়া দিগন্ত : বর্তমান নির্বাচন কমিশনের তো মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে। শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কী আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না?
মির্জা ফখরুল : বিষয়টাকে আমরা অনড়ভাবে দেখতে চাই না। আমরা বলছি নির্বাচনের সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে। অর্থাৎ সেই সরকার সরাসরি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করবে না। নির্বাচন কমিশন কিন্তু এখন পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের বাজেট, অর্থ সবকিছু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করে। যেহেতু তাদের লোকবল কম, তাদের প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। যখন একটি সরকার থাকে তখন প্রশাসন সে সরকারের অনুগত থাকে। এটাই প্রশাসনের চরিত্র। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দলীয় সরকারের অধীনে যেহেতু প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকতে পারে না, সে কারণে কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণা এসেছে।
নয়া দিগন্ত : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে তাহলে কী আপনার এখনো অনড়?
মির্জা ফখরুল : না, কথাগুলো এভাবে বললে হবে না। প্রথমে বলেছি আমরা অনড় নই। ধরে নিই, যদি এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, সরকার নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য। এক্ষেত্রে আলোচনা, সমঝোতা এবং সংবিধানের ব্যাপার রয়েছে। এ কারণে আমরা বলছি, এ নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে আমরা একটা জায়গায় আসতে পারি কি না, যেখান থেকে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আমরা পাবো। মূল কথা হলো নিরপেক্ষ নির্বাচনের গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে।
নয়া দিগন্ত : সেই সংলাপের সম্ভাবনা কতটুকু?
মির্জা ফখরুল : আমরা তো বারবার বলছি। সরকারপক্ষ তো সারা দিচ্ছে না। কত ধরনের শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। এসব শর্ত দিয়ে তো সংলাপ হবে না। সংলাপ করতে হলে খোলামনে আসতে হবে।
নয়া দিগন্ত : যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের প্রস্তাব আসে, সে ক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান কী হবে।
মির্জা ফখরুল : যদির ভিত্তিতে কোনো রাজনীতিবিদ বক্তব্য দিতে পারে না। কারণ এতে অনেক ভুল বোঝাবুঝি বা সমস্যা হতে পারে। আমরা বলতে চাই, নির্বাচনের জন্য যদি একটি অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যেখানে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে, তাহলে আমরা যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে রাজি আছি। শর্ত হচ্ছে নিরপেক্ষ এবং যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন হতে হবে।
নয়া দিগন্ত : সংলাপও হচ্ছে না আবার কিছুটা পরিবেশ ফিরে পাচ্ছেন, এখন কি বিএনপি দল পুনর্গঠনের দিকে যাবে?
মির্জা ফখরুল : দল পুনর্গঠনের চিন্তাভাবনা আমরা প্রথম থেকেই করছি, কিন্তু সরকারের আচরণের কারণে তা আমরা ফলপ্রসূ করতে পারিনি। ভয়ভীতি, দমন, পীড়নের কারণে সভা সমাবেশ আমরা করতে পারিনি। এখন আমরা সাংগঠনিক কাজ শুরু করেছি। দ্রুত এসব প্রক্রিয়া শেষ করে কাউন্সিল করতে চাই।
নয়া দিগন্ত : সাংগঠনিক কার্যক্রমের অভাবে তৃণমূলে এক ধরনের হতাশা আছে বলে মনে করা হয়।
মির্জা ফখরুল : দেখুন, আমি খোলামেলাভাবে বলতে চাই সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর। আজকে যদি আমার থানার প্রেসিডেন্ট বা জেলার প্রেসিডেন্ট বা সেক্রেটারি জেলে থাকেন তাহলে তো সাংগঠনিক কার্যক্রম থমকে যাবে। আমরা কর্মসূচি দেয়ার পর দফায় দফায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনো বহু নেতাকর্মী জেলে রয়েছে। প্রায় ছয় হাজারের মতো নেতাকর্মী জেলে রয়েছে। এটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়। মুক্ত পরিবেশ ছাড়া আমরা কোনোভাবেই সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে পারব না।
নয়া দিগন্ত : জোটের মধ্যে কিন্তু বিরোধ দেখা যাচ্ছে। ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ জোট থেকে বের হয়ে গেছে।
মির্জা ফখরুল : দেখুন, বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি নতুন নয়। বহু আগে থেকেই এমন জোট গঠন হয়, জোট ভাঙে। জোট থেকে বেরিয়ে যায়, আবার জোটে আসে। সংসদীয় গণতন্ত্র আছে এমন রাজনীতিতে এটা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। ভারতে রাজ্য সরকারে যে জোট থাকে, জাতীয় নির্বাচনে আবার সে জোট থাকছে না, ভেঙে যাচ্ছে। এটা হতেই পারে। জোট গঠন বা ভেঙে যাওয়া সংসদীয় রাজনীতির একটা বৈশিষ্ট্য।
নয়া দিগন্ত : ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছেন বিএনপি ভাঙনের দিকে যেতে পারে। সেরকম শঙ্কা আছে কি?
মির্জা ফখরুল : এগুলো কথার কথা। আমরা যারা রাজনীতি করি তারা বহু কথা বলি, যা আমরা নিজেরাও মনে করি না। যার পেছনে কোনো অর্থ থাকে না। রাজনীতির কারণে বলতে হয়, তাই বলা। এ ছাড়া বিএনপি ভাঙার চেষ্টা সবসময় হয়ে এসেছে। আগেও হয়েছে এখনো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরকার খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এমনকি জোট ভাঙার জন্য চেষ্টা করে তারা সফল হয়নি। আমরা ক্ষমতা থেকে প্রায় আট বছর বাইরে। বিএনপির প্রথমসারির বা পরিচিত মুখ কাউকে দল থেকে বের করতে পারেনি। আবার ২০ দলের যারা প্রধান শক্তি তাদেরও জোট থেকে বের করতে পারেনি। আবার যারা বেরিয়ে গেছে তাদের একটা গ্রুপ কিন্তু জোটে থেকে যাচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : জোটের প্রসঙ্গে আরেকটি দিক সামনে চলে এসেছে জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে সরকার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান কী।
মির্জা ফখরুল : যদি রাজনৈতিকভাবে চিন্তা করি তাহলে আমি মনে করি, জামায়াত নিষিদ্ধ করা আওয়ামী লীগের জন্য লাভ হবে না। এ কারণে লাভ হবে না, জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করা রাজনৈতিক দল। দলটি পাকিস্তান আমল থেকে রাজনীতি করে আসছে। দলটি সাংবিধানিক রাজনীতি করে। এই দলকে যদি আপনি নিষিদ্ধ করে দেন; এই দলের আদর্শভিত্তিক একটি বড় কর্মীবাহিনী আছে। এই কর্মীবাহিনী কোথায় যাবে? এই কর্মীবাহিনী হয় আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যাবে অথবা তারা অন্য দলের সাথে যুক্ত হবে। তাতে তো আওয়ামী লীগের লাভ হবে না। কারণ আওয়ামী লীগের রাজনীতি আর জামায়াতের রাজনীতি এক নয়। এমনকি কাছাকাছিও নয়। সুতরাং এতে আওয়ামী লীগের লাভ হবে বলে মনে হয় না। যে কারণে আমার মনে হয় মুখে তারা যাই বলুক নিষিদ্ধ করব; আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে নিষিদ্ধ করবে বলে আমার মনে হয় না। সংসদীয় রাজনীতিতে অনেক যোগ বিয়োগ আছে। কোন দল থাকলে লাভ হবে কোন দল থাকলে হবে না। আসলে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিএনপি -জামায়াতের জোটকে ভেঙে ফেলা। এই জোট ভোটের রাজনীতির যোগ বিয়োগে তাদের জন্য ক্ষতিকর। এটাই তাদের আসল সমস্যা। এ কারণে তারা চায় এই জোট ভাঙতে।
নয়া দিগন্ত : বিএনপি জাতীয়তাবাদী ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসের রাজনীতি করছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপ্রবাহে বিএনপি কি নতুন বিন্যাসের চিন্তা করছে?
মির্জা ফখরুল : বিএনপির নতুন বিন্যাসের প্রয়োজন নেই। আপনি যদি বিএনপির ঘোষণাপত্র, মেনিফেস্টো দেখেন- বিএনপির খুব স্পষ্ট কথাবার্তা বলা আছে। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসের রাজনীতি করে, ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসে রাজনীতি করে, উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতি করে। এই দিকটি খুব স্পষ্ট। এ ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এ ক্ষেত্রে বিএনপির রাজনীতিতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় যদি গণতান্ত্রিক রাজনীতি থাকে।
নয়া দিগন্ত : আপনি নিজেও বিএনপির রাজনীতিতে পরিবর্তনের কথা বলেছেন সেটি কেমন?
মির্জা ফখরুল : আমি পরিবর্তনের কথা বলেছি রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে। আমরা যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিই এবং যেভাবে প্রচার করি, তা এখন প্রযুক্তিনির্ভর হওয়া উচিত। কারণ দুনিয়া বদলে গেছে। প্রযুক্তি এমন জায়গায় গেছে, এখন আর জনসভা করার দরকার হয় না। ধরুন ম্যাডামের বক্তব্যের জন্য টেলিভিশনে যদি আমরা আধা ঘণ্টার সময় পাই। সবগুলো চ্যানেলে তার বক্তব্য প্রচার করা হয়, তাহলে তো জনসভার কাজ হয়ে যায়। তাহলে তো লোক জরো করে এনে বক্তব্য দেয়ার দরকার হয় না। এই দিকগুলোর কথা আমি বলছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এখন পুরনো চিন্তার মধ্যে আছি। এখন যদি ম্যাডামের টুইটার বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আমরা প্রচার চালাতে পারি। এখন তো গ্রামের নারীদের হাতে টেলিফোন আছে। এ ধরনের প্রচারণায় সুবিধা হবে বেশি ফল পাওয়া যাবে, খরচ কম হবে। বেশি লোকের কাছে পৌঁছানো যাবে। কিন্তু এসব জায়গায় এখন পর্যন্ত আমরা যেতে পারছি না। আবার নানারকম আইনি বিধি-নিষেধও আছে, সেগুলোয় মাথায় রাখতে হচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় জঙ্গিবাদী ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিএনপি পৃষ্ঠপোষকতা করে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী।
মির্জা ফখরুল : এই ইস্যুটাই একটি নোংরা রাজনীতি। বিএনপি কোনো মতেই, কোনো দিনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে ছিল না এবং বিশ্বাসও করে না। বিএনপি একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এ দলের তো কোনো গুপ্তহত্যায় জড়ানোর প্রয়োজন নেই। এটাই হচ্ছে মূল কথা। এসব হচ্ছে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ। যারা করছে তারা বাংলাদেশে উগ্রবাদ তৈরি হচ্ছে, জঙ্গিবাদ তৈরি হচ্ছে- এ ধরনের কথাবার্তা বলে। এখানে আইএস আছে, জঙ্গিবাদ আছে- এসব বলে লাভ কার ক্ষতি কার? সবচেয়ে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের। যদি সত্যিই এ ধরনের জঙ্গিবাদ এ দেশে আনা হয়, তাহলে সবচেয়ে ক্ষতি হবে বাংলাদেশের মানুষের।
বাংলাদেশ একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের মানুষ শান্তিতে সবাইকে নিয়ে বাস করতে চায়। এখানে সব ধর্মের মানুষ এক সাথে থাকে। এখানে যেমন ব্লগাররা আছে, তেমনি কট্টর ধর্মবিশ্বাসী লোকজনও আছে। আগে তো কখনো শুনিনি এদের মারামারি করতে হবে। কিছু স্বার্থান্বেষী লোক এগুলো করাচ্ছে, বাংলাদেশকে উগ্রবাদী ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করার জন্য। আমরা কখনো এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে পারি না। আমরা বারবার বলেছি, যখন গণতন্ত্রকে সঙ্কোচন করবেন, মুখ বন্ধ করবেন তার সুযোগ উগ্রবাদীরা নেবে।
নয়া দিগন্ত : জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বিএনপি কী ভুমিকা রাখতে চায়?
মির্জা ফখরুল : বিএনপি একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে। এ ধরনের প্রবণতা প্রতিরোধ করতে একটি জাতীয় ঐকমত্য দরকার। সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বসতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝতে হবে। এ দেশে আলেম-ওলামাদের সমাজে বড় ধরনের ভূমিকা আছে। তাদের সাথে বসেন, কথা বলেন। মানুষের কাছে কথা চলে যাক সন্ত্রাসের এই পথ সঠিক পথ নয়। এই পথ ইসলামের নয়। যারা ইসলামের কথা বলে ভুল দিকে পরিচালিত করতে চায় তাদের পথ ইসলামের পথ নয়। এই কথাটা সবাইকে একসাথে বলতে হবে। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে এই প্রবণতাকে বন্ধ করা যেতে পারে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কেন তরুণেরা আইএসে যোগ দিচ্ছে তা ভেবে দেখা দরকার। কারণ তাদের সামনে বিকল্প কোনো দর্শন নেই। বিকল্প রাজনীতি নেই। তারা ও দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। এত অন্যায় অবিচার দেখে তারা হতাশা থেকে ওদিকে ঝুঁকছে। আপনি যদি গণতন্ত্রকে সামনে আনতে পারেন, তাহলে কোনো দিন এরা ও দিকে যাবে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ দিন। কথা বলতে দিন। মতামতকে গুরুত্ব দিন। সুন্দর নির্বাচন দিন। যদি কেউ জানে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে তার পক্ষে এনে সরকার গঠন করতে পারব, তখন কেন সে অন্য দিকে যাবে।
নয়া দিগন্ত : আপনি জাতীয় ঐক্যের কথা বললেন। কিন্তু ক্ষমাতসীন দলের নেতারা বলছেন মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে বিএনপির বর্তমান অবস্থান জাতীয় ঐক্যের পথে অন্তরায়- আপনার বক্তব্য কী?
মির্জা ফখরুল : ওরা এ কথা আজীবন বলে আসছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশে আর কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। ওরা ছাড়া আর কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি? আসলে এটা তাদের মাইন্ডসেট। মনের মধ্যে ঢুকে আছে। ওরাই প্রভু, ওরাই জমিদার, ওরাই তালুকদার, ওরাই সব। বাকি আর কেউ কিছু না। আমি একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা। আমি বিএনপি করি কেন? জিয়াউর রহমান কী ছিলেন? রণাঙ্গনে লড়াই করা মুক্তিযোদ্ধা বিএনপিতে বেশি আছে। তারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে। এ ধরনের কথা বলার অর্থ হচ্ছে মূল ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়া।
নয়া দিগন্ত : মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের কথা বললেন কিন্তু তাকে তো পাকিস্তানের গুপ্তচর বলা হচ্ছে। এমনকি তার কবর সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানা যাচ্ছে। বিষয়টি কিভাবে দেখেন?
মির্জা ফখরুল : সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত হবে আত্মহত্যার শামিল। আমি মনে করি, তাদের যদি এ ধরনের দুরভিসন্ধি থাকে, বাংলাদেশের মানুষ কখনো এটা মেনে নেবে না।
নয়া দিগন্ত : আমরা দেখছি সরকার উন্নয়নের কথা বলছে। এমনও বলা হচ্ছে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আরো কয়েক টার্ম সরকারের ক্ষমতায় থাকা দরকার।
মির্জা ফখরুল : আসলে সরকার তাদের পুরনো আশা দেখছে। ১৯৭৫ সালে যখন তারা একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করে, তখন তাদের কথা এরকমই ছিল। তারা গণতন্ত্রের বদলে একটি রেজিমেন্টেড পলিটিকস দরকার বলে মনে করেছিল। গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন দিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধান করতে চায়। বাস্তবতা হচ্ছে, যে রাজনৈতিক দর্শন এখন পৃথিবী থেকে বাদ হয়ে গেছে সমাজতন্ত্র বা একদলীয় শাসন, আওয়ামী লীগ সেটি ধরে রাখতে চায়। আমাদের দেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে গণতন্ত্রমনা। এমন দেশে এ ধরনের রাজনীতি হবে আত্মহত্যার রাজনীতি। এগুলো বলে সরকার আরো জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। যদি সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে তা প্রমাণ হবে।
আর উন্নয়ন তো গণতন্ত্র ছাড়া সম্ভব নয়। সরকারের মধ্যে যদি জনগণের মতের প্রতিফলন না থাকে তা হলে তো উন্নয়ন হবে না। এখন যে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে তা কোন ধরনের উন্নয়ন। আমরা দেখছি ঢাকা শহরের মধ্যে দৃশ্যমান কয়েকটি ওভারব্রিজ , মেট্রোরেলের কাজ শুরু করা হচ্ছে। এগুলোর সাথে সাধারণ জনগণের সম্পর্ক খুব কম। গোটা বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা কিন্তু ঢাকায় একটি ফ্লাইওভার হলে কি উন্নয়ন হবে? রেলওয়ে একেবারে ডুবতে বসেছে। শিক্ষা এখন সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে গেছে। সাধারণ মানুষ কোনো স্বাস্থ্যসেবা পায় না। তা হলে কোথায় উন্নয়ন হচ্ছে। দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিদেশীরা চলে যাচ্ছে। দেশী বিনিয়োগকারীরা অন্য দেশে বিনিয়োগ করছে । এমন হাজার দিক আছে। সিপিডি কয়েক দিন আগে বলেছে, বাংলাদেশ শান্ত অবস্থায় থাকলেও অর্থনীতির গতি নেই। শুধু কথা বলে বা নানা ধরনের তথ্য দিয়ে উন্নয়ন হয় না।
নয়া দিগন্ত : প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিএনপি কি কোনো মূল্যায়ন করছে?
মির্জা ফখরুল : আমাদের কাছে মনে হয় শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা পৃথিবীতে ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। সে পরিবর্তনের কারণে নানা ধরনের আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরব সম্প্রতি একটি জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এর লক্ষ্য স্পষ্ট নয়। ইরান ও ইয়েমেনে দেশটির সাথে বিরোধ চলছে। সিরিয়া নিয়ে নানা স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থির। একইভাবে বাংলাদেশে ভূ-রাজনীতিতে অনেক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। চীন ও ভারত এখন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আবার রাশিয়ার তৎপরতা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্র্যাগমেটিক চিন্তাভাবনা খুব জরুরি। সেদিক থেকে বিএনপি চিন্তা করছে। আপনি তুরস্কের কথা বলতে পারেন। তুরস্ক কিন্তু আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে। কারণ তুরস্কে গণতন্ত্র আছে। নিয়মিত সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হচ্ছে। আবার ইরানের সাথে পশ্চিমা দেশগুলো পারমাণবিক চুক্তি করেছে, যা এ অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। আবার পাকিস্তান পশ্চিম এবং চীনের সাথে এমনকি ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আঞ্চলিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতির দিকে এখন আমাদের দৃষ্টি দেয়া দরকার। পররাষ্ট্রনীতিতে নিজ দেশের স্বার্থ বড় কথা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিজের স্বার্থ দেখা হচ্ছে ভালো রাজনীতি। আমরা সে চেষ্টা করছি।
নয়া দিগন্ত : বিএনপি চেয়ারপারসন সম্প্রতি জনসভায় সুশাসন নিশ্চিত করার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের কারোর ওপর কোনো ক্ষোভ নেই। এর মাধ্যমে তিনি কী বার্তা দিতে চান?
মির্জা ফখরুল : তিনি সঠিক কথাই বলেছেন। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দেয়ার কথা বলেছেন। দেশ আজ নানাভাবে বিভক্ত। মানুষের মধ্যে বিভেদ বিভাজন থাকলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। এই বিভক্তি মানুষের কর্মস্পৃহা নষ্ট করেছে। এ কারণে তিনি রিকনসিলিয়েশেনের কথা বলছেন। বিএনপি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দল। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী দল। কোনো বিপ্লবী দল নয়।
মির্জা ফখরুল : এটা বলা খুব মুশকিল। কারণ বর্তমান সরকারের আচরণ কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক বলা যায় না। এ কারণে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। কখনো তারা গণতান্ত্রিক কার্যক্রমে কিছুটা ছাড় দেয় আবার কখনো শক্ত অবস্থানে থাকে। একদমই কোনো সুযোগ থাকে না। কিছু দিন আগে পর্যন্ত আমাদের ঘরোয়া কর্মসূচি পালন করতে পারতাম না। এখন পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর থেকে এই সুযোগ কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। তাও এটি কতদিন থাকবে তা আমরা জানি না।
নয়া দিগন্ত : পৌরসভা নির্বাচন থেকে তাহলে বিএনপির কী অর্জন হলো?
মির্জা ফখরুল : পৌরসভা নির্বাচন থেকে আমাদের অর্জন হলো, আমরা জনগণের কাছে যেতে পারছি। কিছুটা সুযোগ পাচ্ছি। যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল আমরা কোথাও যেতে পারছিলাম না, আমাদের নেতাকর্মীরা বেরুতে পারছিল না, সে জায়গায় এরা প্রকাশ্য এসে রাজনীতির কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : সরকার তো বলছে পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলকও হয়েছে।
মির্জা ফখরুল : সরকারের কথায় তো আমরা সঠিক বিচার করতে পারব না। কারণ, এই সরকারের চরিত্র আমরা জানি। এটি পুরোপুরিভাবে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকার এবং যে নির্বাচনের মাধ্যমে এরা ক্ষমতায় আছে সে নির্বাচনের কোনো নৈতিক বৈধতা নেই। এ কারণে এরা সবসময় অস্থিরতায় থাকে এবং আস্থাহীনতায় ভোগে। যে কারণে বিরোধী দলের ওপর তারা বেশি করে চড়াও হয়। সে কারণে এরা বলে নির্বাচন ভালো হয়েছে। পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর হবে এটা আমরা আশা করিনি। আমরা বলেছিলাম, নির্বাচনে যাচ্ছি আন্দোলনের অংশ হিসেবে। অর্থাৎ এটাকে নিয়ে আমরা জনগণের কাছে যাবো এবং তাদের সামনে আমাদের কথাগুলো বলব। সে ক্ষেত্রে আরেকবার আমাদের লাভ হয়েছে, আমরা বাইরে আসতে পেরেছি, আবারো জনগণের সামনে প্রমাণ করতে পেরেছি এদের সময় নির্বাচন কিভাবে হচ্ছে। আমাদের যে দাবি নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ সরকার দরকার, তা আবারো প্রতিষ্ঠিত হলো। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার দরকার। আমাদের তো ইংল্যান্ড আমেরিকা দিয়ে চিন্তা করলে চলবে না। এমনকি ভারত দিয়ে তুলনা করলে চলবে না। এই নির্বাচনে প্রমাণ হলো নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে না।
নয়া দিগন্ত : বর্তমান নির্বাচন কমিশনের তো মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে। শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কী আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না?
মির্জা ফখরুল : বিষয়টাকে আমরা অনড়ভাবে দেখতে চাই না। আমরা বলছি নির্বাচনের সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে। অর্থাৎ সেই সরকার সরাসরি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করবে না। নির্বাচন কমিশন কিন্তু এখন পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের বাজেট, অর্থ সবকিছু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করে। যেহেতু তাদের লোকবল কম, তাদের প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। যখন একটি সরকার থাকে তখন প্রশাসন সে সরকারের অনুগত থাকে। এটাই প্রশাসনের চরিত্র। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দলীয় সরকারের অধীনে যেহেতু প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকতে পারে না, সে কারণে কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণা এসেছে।
নয়া দিগন্ত : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে তাহলে কী আপনার এখনো অনড়?
মির্জা ফখরুল : না, কথাগুলো এভাবে বললে হবে না। প্রথমে বলেছি আমরা অনড় নই। ধরে নিই, যদি এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, সরকার নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য। এক্ষেত্রে আলোচনা, সমঝোতা এবং সংবিধানের ব্যাপার রয়েছে। এ কারণে আমরা বলছি, এ নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে আমরা একটা জায়গায় আসতে পারি কি না, যেখান থেকে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আমরা পাবো। মূল কথা হলো নিরপেক্ষ নির্বাচনের গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে।
নয়া দিগন্ত : সেই সংলাপের সম্ভাবনা কতটুকু?
মির্জা ফখরুল : আমরা তো বারবার বলছি। সরকারপক্ষ তো সারা দিচ্ছে না। কত ধরনের শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। এসব শর্ত দিয়ে তো সংলাপ হবে না। সংলাপ করতে হলে খোলামনে আসতে হবে।
নয়া দিগন্ত : যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের প্রস্তাব আসে, সে ক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান কী হবে।
মির্জা ফখরুল : যদির ভিত্তিতে কোনো রাজনীতিবিদ বক্তব্য দিতে পারে না। কারণ এতে অনেক ভুল বোঝাবুঝি বা সমস্যা হতে পারে। আমরা বলতে চাই, নির্বাচনের জন্য যদি একটি অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যেখানে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে, তাহলে আমরা যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে রাজি আছি। শর্ত হচ্ছে নিরপেক্ষ এবং যেকোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন হতে হবে।
নয়া দিগন্ত : সংলাপও হচ্ছে না আবার কিছুটা পরিবেশ ফিরে পাচ্ছেন, এখন কি বিএনপি দল পুনর্গঠনের দিকে যাবে?
মির্জা ফখরুল : দল পুনর্গঠনের চিন্তাভাবনা আমরা প্রথম থেকেই করছি, কিন্তু সরকারের আচরণের কারণে তা আমরা ফলপ্রসূ করতে পারিনি। ভয়ভীতি, দমন, পীড়নের কারণে সভা সমাবেশ আমরা করতে পারিনি। এখন আমরা সাংগঠনিক কাজ শুরু করেছি। দ্রুত এসব প্রক্রিয়া শেষ করে কাউন্সিল করতে চাই।
নয়া দিগন্ত : সাংগঠনিক কার্যক্রমের অভাবে তৃণমূলে এক ধরনের হতাশা আছে বলে মনে করা হয়।
মির্জা ফখরুল : দেখুন, আমি খোলামেলাভাবে বলতে চাই সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর। আজকে যদি আমার থানার প্রেসিডেন্ট বা জেলার প্রেসিডেন্ট বা সেক্রেটারি জেলে থাকেন তাহলে তো সাংগঠনিক কার্যক্রম থমকে যাবে। আমরা কর্মসূচি দেয়ার পর দফায় দফায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনো বহু নেতাকর্মী জেলে রয়েছে। প্রায় ছয় হাজারের মতো নেতাকর্মী জেলে রয়েছে। এটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়। মুক্ত পরিবেশ ছাড়া আমরা কোনোভাবেই সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে পারব না।
নয়া দিগন্ত : জোটের মধ্যে কিন্তু বিরোধ দেখা যাচ্ছে। ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ জোট থেকে বের হয়ে গেছে।
মির্জা ফখরুল : দেখুন, বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি নতুন নয়। বহু আগে থেকেই এমন জোট গঠন হয়, জোট ভাঙে। জোট থেকে বেরিয়ে যায়, আবার জোটে আসে। সংসদীয় গণতন্ত্র আছে এমন রাজনীতিতে এটা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। ভারতে রাজ্য সরকারে যে জোট থাকে, জাতীয় নির্বাচনে আবার সে জোট থাকছে না, ভেঙে যাচ্ছে। এটা হতেই পারে। জোট গঠন বা ভেঙে যাওয়া সংসদীয় রাজনীতির একটা বৈশিষ্ট্য।
নয়া দিগন্ত : ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছেন বিএনপি ভাঙনের দিকে যেতে পারে। সেরকম শঙ্কা আছে কি?
মির্জা ফখরুল : এগুলো কথার কথা। আমরা যারা রাজনীতি করি তারা বহু কথা বলি, যা আমরা নিজেরাও মনে করি না। যার পেছনে কোনো অর্থ থাকে না। রাজনীতির কারণে বলতে হয়, তাই বলা। এ ছাড়া বিএনপি ভাঙার চেষ্টা সবসময় হয়ে এসেছে। আগেও হয়েছে এখনো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরকার খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এমনকি জোট ভাঙার জন্য চেষ্টা করে তারা সফল হয়নি। আমরা ক্ষমতা থেকে প্রায় আট বছর বাইরে। বিএনপির প্রথমসারির বা পরিচিত মুখ কাউকে দল থেকে বের করতে পারেনি। আবার ২০ দলের যারা প্রধান শক্তি তাদেরও জোট থেকে বের করতে পারেনি। আবার যারা বেরিয়ে গেছে তাদের একটা গ্রুপ কিন্তু জোটে থেকে যাচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : জোটের প্রসঙ্গে আরেকটি দিক সামনে চলে এসেছে জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীকে সরকার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান কী।
মির্জা ফখরুল : যদি রাজনৈতিকভাবে চিন্তা করি তাহলে আমি মনে করি, জামায়াত নিষিদ্ধ করা আওয়ামী লীগের জন্য লাভ হবে না। এ কারণে লাভ হবে না, জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করা রাজনৈতিক দল। দলটি পাকিস্তান আমল থেকে রাজনীতি করে আসছে। দলটি সাংবিধানিক রাজনীতি করে। এই দলকে যদি আপনি নিষিদ্ধ করে দেন; এই দলের আদর্শভিত্তিক একটি বড় কর্মীবাহিনী আছে। এই কর্মীবাহিনী কোথায় যাবে? এই কর্মীবাহিনী হয় আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যাবে অথবা তারা অন্য দলের সাথে যুক্ত হবে। তাতে তো আওয়ামী লীগের লাভ হবে না। কারণ আওয়ামী লীগের রাজনীতি আর জামায়াতের রাজনীতি এক নয়। এমনকি কাছাকাছিও নয়। সুতরাং এতে আওয়ামী লীগের লাভ হবে বলে মনে হয় না। যে কারণে আমার মনে হয় মুখে তারা যাই বলুক নিষিদ্ধ করব; আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে নিষিদ্ধ করবে বলে আমার মনে হয় না। সংসদীয় রাজনীতিতে অনেক যোগ বিয়োগ আছে। কোন দল থাকলে লাভ হবে কোন দল থাকলে হবে না। আসলে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিএনপি -জামায়াতের জোটকে ভেঙে ফেলা। এই জোট ভোটের রাজনীতির যোগ বিয়োগে তাদের জন্য ক্ষতিকর। এটাই তাদের আসল সমস্যা। এ কারণে তারা চায় এই জোট ভাঙতে।
নয়া দিগন্ত : বিএনপি জাতীয়তাবাদী ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসের রাজনীতি করছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির গতিপ্রবাহে বিএনপি কি নতুন বিন্যাসের চিন্তা করছে?
মির্জা ফখরুল : বিএনপির নতুন বিন্যাসের প্রয়োজন নেই। আপনি যদি বিএনপির ঘোষণাপত্র, মেনিফেস্টো দেখেন- বিএনপির খুব স্পষ্ট কথাবার্তা বলা আছে। বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসের রাজনীতি করে, ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসে রাজনীতি করে, উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতি করে। এই দিকটি খুব স্পষ্ট। এ ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এ ক্ষেত্রে বিএনপির রাজনীতিতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয় যদি গণতান্ত্রিক রাজনীতি থাকে।
নয়া দিগন্ত : আপনি নিজেও বিএনপির রাজনীতিতে পরিবর্তনের কথা বলেছেন সেটি কেমন?
মির্জা ফখরুল : আমি পরিবর্তনের কথা বলেছি রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে। আমরা যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিই এবং যেভাবে প্রচার করি, তা এখন প্রযুক্তিনির্ভর হওয়া উচিত। কারণ দুনিয়া বদলে গেছে। প্রযুক্তি এমন জায়গায় গেছে, এখন আর জনসভা করার দরকার হয় না। ধরুন ম্যাডামের বক্তব্যের জন্য টেলিভিশনে যদি আমরা আধা ঘণ্টার সময় পাই। সবগুলো চ্যানেলে তার বক্তব্য প্রচার করা হয়, তাহলে তো জনসভার কাজ হয়ে যায়। তাহলে তো লোক জরো করে এনে বক্তব্য দেয়ার দরকার হয় না। এই দিকগুলোর কথা আমি বলছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এখন পুরনো চিন্তার মধ্যে আছি। এখন যদি ম্যাডামের টুইটার বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আমরা প্রচার চালাতে পারি। এখন তো গ্রামের নারীদের হাতে টেলিফোন আছে। এ ধরনের প্রচারণায় সুবিধা হবে বেশি ফল পাওয়া যাবে, খরচ কম হবে। বেশি লোকের কাছে পৌঁছানো যাবে। কিন্তু এসব জায়গায় এখন পর্যন্ত আমরা যেতে পারছি না। আবার নানারকম আইনি বিধি-নিষেধও আছে, সেগুলোয় মাথায় রাখতে হচ্ছে।
নয়া দিগন্ত : সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় জঙ্গিবাদী ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিএনপি পৃষ্ঠপোষকতা করে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী।
মির্জা ফখরুল : এই ইস্যুটাই একটি নোংরা রাজনীতি। বিএনপি কোনো মতেই, কোনো দিনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে ছিল না এবং বিশ্বাসও করে না। বিএনপি একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এ দলের তো কোনো গুপ্তহত্যায় জড়ানোর প্রয়োজন নেই। এটাই হচ্ছে মূল কথা। এসব হচ্ছে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ। যারা করছে তারা বাংলাদেশে উগ্রবাদ তৈরি হচ্ছে, জঙ্গিবাদ তৈরি হচ্ছে- এ ধরনের কথাবার্তা বলে। এখানে আইএস আছে, জঙ্গিবাদ আছে- এসব বলে লাভ কার ক্ষতি কার? সবচেয়ে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের। যদি সত্যিই এ ধরনের জঙ্গিবাদ এ দেশে আনা হয়, তাহলে সবচেয়ে ক্ষতি হবে বাংলাদেশের মানুষের।
বাংলাদেশ একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের মানুষ শান্তিতে সবাইকে নিয়ে বাস করতে চায়। এখানে সব ধর্মের মানুষ এক সাথে থাকে। এখানে যেমন ব্লগাররা আছে, তেমনি কট্টর ধর্মবিশ্বাসী লোকজনও আছে। আগে তো কখনো শুনিনি এদের মারামারি করতে হবে। কিছু স্বার্থান্বেষী লোক এগুলো করাচ্ছে, বাংলাদেশকে উগ্রবাদী ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করার জন্য। আমরা কখনো এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে পারি না। আমরা বারবার বলেছি, যখন গণতন্ত্রকে সঙ্কোচন করবেন, মুখ বন্ধ করবেন তার সুযোগ উগ্রবাদীরা নেবে।
নয়া দিগন্ত : জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বিএনপি কী ভুমিকা রাখতে চায়?
মির্জা ফখরুল : বিএনপি একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে। এ ধরনের প্রবণতা প্রতিরোধ করতে একটি জাতীয় ঐকমত্য দরকার। সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বসতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝতে হবে। এ দেশে আলেম-ওলামাদের সমাজে বড় ধরনের ভূমিকা আছে। তাদের সাথে বসেন, কথা বলেন। মানুষের কাছে কথা চলে যাক সন্ত্রাসের এই পথ সঠিক পথ নয়। এই পথ ইসলামের নয়। যারা ইসলামের কথা বলে ভুল দিকে পরিচালিত করতে চায় তাদের পথ ইসলামের পথ নয়। এই কথাটা সবাইকে একসাথে বলতে হবে। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে এই প্রবণতাকে বন্ধ করা যেতে পারে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কেন তরুণেরা আইএসে যোগ দিচ্ছে তা ভেবে দেখা দরকার। কারণ তাদের সামনে বিকল্প কোনো দর্শন নেই। বিকল্প রাজনীতি নেই। তারা ও দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। এত অন্যায় অবিচার দেখে তারা হতাশা থেকে ওদিকে ঝুঁকছে। আপনি যদি গণতন্ত্রকে সামনে আনতে পারেন, তাহলে কোনো দিন এরা ও দিকে যাবে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ দিন। কথা বলতে দিন। মতামতকে গুরুত্ব দিন। সুন্দর নির্বাচন দিন। যদি কেউ জানে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে তার পক্ষে এনে সরকার গঠন করতে পারব, তখন কেন সে অন্য দিকে যাবে।
নয়া দিগন্ত : আপনি জাতীয় ঐক্যের কথা বললেন। কিন্তু ক্ষমাতসীন দলের নেতারা বলছেন মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে বিএনপির বর্তমান অবস্থান জাতীয় ঐক্যের পথে অন্তরায়- আপনার বক্তব্য কী?
মির্জা ফখরুল : ওরা এ কথা আজীবন বলে আসছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশে আর কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। ওরা ছাড়া আর কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি? আসলে এটা তাদের মাইন্ডসেট। মনের মধ্যে ঢুকে আছে। ওরাই প্রভু, ওরাই জমিদার, ওরাই তালুকদার, ওরাই সব। বাকি আর কেউ কিছু না। আমি একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা। আমি বিএনপি করি কেন? জিয়াউর রহমান কী ছিলেন? রণাঙ্গনে লড়াই করা মুক্তিযোদ্ধা বিএনপিতে বেশি আছে। তারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে। এ ধরনের কথা বলার অর্থ হচ্ছে মূল ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়া।
নয়া দিগন্ত : মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের কথা বললেন কিন্তু তাকে তো পাকিস্তানের গুপ্তচর বলা হচ্ছে। এমনকি তার কবর সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানা যাচ্ছে। বিষয়টি কিভাবে দেখেন?
মির্জা ফখরুল : সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত হবে আত্মহত্যার শামিল। আমি মনে করি, তাদের যদি এ ধরনের দুরভিসন্ধি থাকে, বাংলাদেশের মানুষ কখনো এটা মেনে নেবে না।
নয়া দিগন্ত : আমরা দেখছি সরকার উন্নয়নের কথা বলছে। এমনও বলা হচ্ছে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আরো কয়েক টার্ম সরকারের ক্ষমতায় থাকা দরকার।
মির্জা ফখরুল : আসলে সরকার তাদের পুরনো আশা দেখছে। ১৯৭৫ সালে যখন তারা একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করে, তখন তাদের কথা এরকমই ছিল। তারা গণতন্ত্রের বদলে একটি রেজিমেন্টেড পলিটিকস দরকার বলে মনে করেছিল। গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন দিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধান করতে চায়। বাস্তবতা হচ্ছে, যে রাজনৈতিক দর্শন এখন পৃথিবী থেকে বাদ হয়ে গেছে সমাজতন্ত্র বা একদলীয় শাসন, আওয়ামী লীগ সেটি ধরে রাখতে চায়। আমাদের দেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে গণতন্ত্রমনা। এমন দেশে এ ধরনের রাজনীতি হবে আত্মহত্যার রাজনীতি। এগুলো বলে সরকার আরো জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। যদি সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে তা প্রমাণ হবে।
আর উন্নয়ন তো গণতন্ত্র ছাড়া সম্ভব নয়। সরকারের মধ্যে যদি জনগণের মতের প্রতিফলন না থাকে তা হলে তো উন্নয়ন হবে না। এখন যে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে তা কোন ধরনের উন্নয়ন। আমরা দেখছি ঢাকা শহরের মধ্যে দৃশ্যমান কয়েকটি ওভারব্রিজ , মেট্রোরেলের কাজ শুরু করা হচ্ছে। এগুলোর সাথে সাধারণ জনগণের সম্পর্ক খুব কম। গোটা বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা কিন্তু ঢাকায় একটি ফ্লাইওভার হলে কি উন্নয়ন হবে? রেলওয়ে একেবারে ডুবতে বসেছে। শিক্ষা এখন সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে গেছে। সাধারণ মানুষ কোনো স্বাস্থ্যসেবা পায় না। তা হলে কোথায় উন্নয়ন হচ্ছে। দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিদেশীরা চলে যাচ্ছে। দেশী বিনিয়োগকারীরা অন্য দেশে বিনিয়োগ করছে । এমন হাজার দিক আছে। সিপিডি কয়েক দিন আগে বলেছে, বাংলাদেশ শান্ত অবস্থায় থাকলেও অর্থনীতির গতি নেই। শুধু কথা বলে বা নানা ধরনের তথ্য দিয়ে উন্নয়ন হয় না।
নয়া দিগন্ত : প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিএনপি কি কোনো মূল্যায়ন করছে?
মির্জা ফখরুল : আমাদের কাছে মনে হয় শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা পৃথিবীতে ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। সে পরিবর্তনের কারণে নানা ধরনের আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরব সম্প্রতি একটি জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এর লক্ষ্য স্পষ্ট নয়। ইরান ও ইয়েমেনে দেশটির সাথে বিরোধ চলছে। সিরিয়া নিয়ে নানা স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থির। একইভাবে বাংলাদেশে ভূ-রাজনীতিতে অনেক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। চীন ও ভারত এখন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আবার রাশিয়ার তৎপরতা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্র্যাগমেটিক চিন্তাভাবনা খুব জরুরি। সেদিক থেকে বিএনপি চিন্তা করছে। আপনি তুরস্কের কথা বলতে পারেন। তুরস্ক কিন্তু আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে। কারণ তুরস্কে গণতন্ত্র আছে। নিয়মিত সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হচ্ছে। আবার ইরানের সাথে পশ্চিমা দেশগুলো পারমাণবিক চুক্তি করেছে, যা এ অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। আবার পাকিস্তান পশ্চিম এবং চীনের সাথে এমনকি ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আঞ্চলিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতির দিকে এখন আমাদের দৃষ্টি দেয়া দরকার। পররাষ্ট্রনীতিতে নিজ দেশের স্বার্থ বড় কথা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিজের স্বার্থ দেখা হচ্ছে ভালো রাজনীতি। আমরা সে চেষ্টা করছি।
নয়া দিগন্ত : বিএনপি চেয়ারপারসন সম্প্রতি জনসভায় সুশাসন নিশ্চিত করার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের কারোর ওপর কোনো ক্ষোভ নেই। এর মাধ্যমে তিনি কী বার্তা দিতে চান?
মির্জা ফখরুল : তিনি সঠিক কথাই বলেছেন। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দেয়ার কথা বলেছেন। দেশ আজ নানাভাবে বিভক্ত। মানুষের মধ্যে বিভেদ বিভাজন থাকলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। এই বিভক্তি মানুষের কর্মস্পৃহা নষ্ট করেছে। এ কারণে তিনি রিকনসিলিয়েশেনের কথা বলছেন। বিএনপি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দল। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী দল। কোনো বিপ্লবী দল নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1334)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 20
(20)
- জাপার ঝড়ে নতুন মোড়- রওশনকে বশে রেখেই দলে নিয়ন্ত্র...
- পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২১
- বর্ষার আগেই জাতীয় নির্বাচন! by মাসুদ মজুমদার
- অ্যালার্জিজনিত হাঁপানি by অধ্যাপক ডা: জি এম ফারুক
- আরব বসন্তের ৫ বছর- তুলনামূলক সফল তিউনিসিয়া by সুমা...
- ইসরাইলে দুই ধর্মের মানুষ দুই রকম আইন : মার্কিন রাষ...
- আক্রমণাত্মক হিলারি-স্যান্ডার্স
- বুগতি হত্যা মামলা থেকে খালাস মোশাররফ
- ফের এরশাদের ‘ঘর’ ভাঙছে? by সোহরাব হাসান
- আমরা অনড় নই , সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্যারান্টি চাই -এক...
- চীনা উদ্যোগের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ by মিংকাং লিউ ...
- ‘ট্রাম্প বর্ণবাদী, ভাঁড় ও মূর্খ’ -ব্রিটিশ পার্লামে...
- গোলাম হোসেন স্যারের চেয়ার by মলয় ভৌমিক
- ইরানের অবরোধমুক্তি- সংঘাতের বিপরীতে শান্তি ও কূটন...
- শহীদ আসাদের অমরতা by হায়দার আকবর খান রনো
- মানুষই মানবজাতির জন্য হুমকি -বিবিসির অনুষ্ঠানে হকিং
- ভারতীয় ঋণের শর্ত এবার আরও কঠিন by রাহীদ এজাজ
- তবুও নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চলানোর ঘোষণা ইরানের
- তেলের উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান : দাম আরও কমবে বিশ্ববাজারে
- জাপার নতুন মহাসচিব, প্রত্যাখ্যান সংসদীয় বোর্ডের- দ...
-
▼
Jan 20
(20)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment