Sunday, May 5, 2013
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের
দাবি মেনে নিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন বিরোধী নেতা খালেদা
জিয়া। সেই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে
নিজের বাড়িতে চায়ের দাওয়াতও দিয়েছেন তিনি।
সংলাপের
প্রস্তাবকে ‘নাটক’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেছেন, সরকার সঙ্কটে পড়েছে তাই
জনগণের দৃষ্টি ফেরাতে হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী নতুন নাটক শুরু করেছেন। এ
নাটকের নাম- ডায়ালগ। বিরোধী দলের সমাবেশ বানচালে এই নাটক করছে সরকার।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়া সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে
বলেন, সরকার সংলাপের কথা বলছে, আমি যদি বলি ২৪ ঘণ্টা এখানে অবস্থান করবো,
আপনারা অবস্থান করবেন? ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সরকারকে এখানে আসতে হবে। এ সময়
উপস্থিত সবাই হাত তুলে, স্লোগান দিয়ে তাকে সমর্থন জানান। তখন সরকারকে সময়
বেঁধে দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, হেফাজতের একটি পূর্বঘোষিত কর্মসূচি আছে। তাই
আমরা ২৪ ঘণ্টা নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ঘোষণার জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময়
দিচ্ছি। এ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া আবার বলেন, ৪৮ ঘণ্টা
পরে ডাক দিলে আবার আপনারা হাজির হবেন তো? উপস্থিত জনতা আবারও হাত তুলে
খালেদা জিয়ার সঙ্গে অঙ্গীকার করেন। তখন খালেদা জিয়া বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
দাবি না মানলে এমন কর্মসূচি দেয়া হবে, যাতে সরকার বিদায় নেবে অথবা ভয়ে
পালিয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার পর যখন আসবো তখন আর অনুমতির অপেক্ষা করবো না। গতকাল
রাজধানীর শাপলা চত্বরে ১৮ দল আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এ সময়সীমা বেঁধে দেন।
খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী সঙ্কটে তাই সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন,
ফটোসেশন করতে চান, হয়তো চায়ের দাওয়াতও দিতে পারেন। আমিই চায়ের আমন্ত্রণ
দিচ্ছি। আসুন সেখানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনা করি। তিনি
বলেন, আমরা বলতে চাই- বর্তমান পরিস্থিতিতে ডায়ালগ যথেষ্ট নয়। ডায়ালগের তেমন
কিছুই নেই। সরকারকে পরিষ্কার বলতে হবে- নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন,
সংবিধান সংশোধন করে সংসদে বিল আনুন। গতকালের মতো বলুন- দেশের স্বার্থে,
দেশের মানুষের স্বার্থে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন
হবে। সংলাপের পরিবেশ তৈরি করুন। আমরা আলোচনায় প্রস্তুত।

বেশভূষার মতো কথা পাল্টান তিনি
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেশভূষার মতো কথা পাল্টান। তিনি সৌদি আরবে গেলে হিজাব পরেন, ভারতে গেলে তিলক পরেন। উনাকে বিশ্বাস করা যায় না। তিনি যদি মুসলমান হন তবে মহানবীর বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদের গ্রেপ্তার করবেন। তিনি বলেন, রানা প্লাজা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক কথা বলেছেন। সংসদে মিথ্যাচার করেছেন। কিন্তু রানা যুবলীগের নেতা। স্থানীয় আওয়ামী লীগের এমপির সঙ্গে তার কোলাকুলির দৃশ্য দেশবাসী দেখেছে। সে রানা প্লাজা ৫ দিন আগে বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হরতাল বিরোধী মিছিল করতে তাদের জোর করে সেখানে জড়ো করে বাইরে তালা লাগানো হয়েছিল। এটা কোন দুর্ঘটনা নয়, একটি হত্যাকাণ্ড। সরকার তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল, মানুষের আন্দোলনের কারণে গ্রেপ্তার করেছে। রানাকে গ্রেপ্তার করা হলেও এমপিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। রানাকে রিমান্ডে জামাই আদরে রাখা হয়েছে। সে এখন হুমকি দিচ্ছে সবাইকে দেখে নেবে।
সাভারে ব্যর্থ সরকার
খালেদা জিয়া বলেন, সাভার ট্রাজেডি পরবর্তীতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। তারা বিদেশীদের সাহায্য নেয়নি, নিজেরাও সাহায্য করেনি। স্থানীয় লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। অথচ সরকার মৃত্যুর সঠিক হিসাব পর্যন্ত দেয়নি। সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধ, গ্যাস কিছুই পৌঁছানো হয়নি। মানুষই সেগুলো সরবরাহ করেছে। স্থানীয় এনাম মেডিকেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। এখন মানুষের দৃষ্টি আছে, সে দৃষ্টি সরলে সেটুকুও পাবে না। তিনি বলেন, সরকার শোক দিবস ঘোষণা করেই ক্ষান্ত কিন্তু কোন ছুটি দেননি। সংসদ চলেছে, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও দলীয় কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। সেদিন কেন ছুটি ঘোষণা করা হয়নি সরকারের কাছে জবাব চাই। খালেদা জিয়া বলেন, সরকার আমাদের সমাবেশ না করে দুর্গতদের সহযোগিতা করতে বলেছে। পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা লোক ভাড়া করে সমাবেশ করি না। আপনারাই হল-মার্ক, ডেসটিনি, শেয়ারবাজারের টাকা বের করুন, জনগণের কাজে লাগবে। পদ্মা সেতু দুর্নীতির টাকা গেছে লন্ডনে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনরাই থাকেন। আমরা বলছি, ওই টাকা উদ্ধার করুন, মানুষের কাজে লাগান।
আপনার কি মনে পড়ে?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিরোধী নেতা বলেন, এখন বড় বড় কথা বলেন- ১৯৯১-৯৬ পর্যন্ত কি আন্দোলন করেছেন আপনার কি মনে পড়ে? ওই সময় কি বক্তব্য দিয়েছিলেন, কেমন নৈরাজ্য চালিয়েছিলেন? সে সময়ের পত্রিকাগুলো খুলে দেখুন। আপনারা হাসতে হাসতে মানুষ খুন করতে পারেন। তাই আপনার মুখে মানবতার কথা মানায় না। খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে কিন্তু তাদের সময়েই দেশ বারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আজ আওয়ামী লীগ দেশের সব কিছু খেয়ে ফেলেছে। ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পর হিন্দুদের বাড়িঘর জমি তারাই দখল করেছিল। এবারও ক্ষমতায় এসেই রামুতে বৌদ্ধদের ওপর আওয়ামী লীগই নৈরাজ্য চালিয়েছে। তাই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। মূলহোতাকে প্রধানমন্ত্রী বিদেশে সফরসঙ্গী করেছেন। এভাবেই খুনি ও সন্ত্রাসীদের আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত করে। আজকের প্রধানমন্ত্রীই এক সময় লগিবৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা, গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, একটি লাশের বদলে ১০টি লাশ ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা মামলাও দেইনি। কিন্তু এখন কথায় কথায় মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে হুকুমের আসামি হিসেবে। হরতালে বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এখনও তার বিচার হয়নি।
ইলিয়াস আলীকে ফেরত চাই
খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ মানবতার কথা বলে কিন্তু আমাদের ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমকে গুম করেছে। ইলিয়াসের ছোট সন্তানগুলো প্রতিদিন কাঁদছে। সরকারের তৈরি করা বাহিনীই তাদের গুম করেছে। আমরা তাকে সুস্থ শরীরে ফেরত চাই। মনে করবেন না, আপনারা ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পেয়ে গেছেন। খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে এখন পর্যন্ত কত লোক নিখোঁজ হয়েছে সব হিসাব আমাদের কাছে আছে। এ সরকারের লোকজনই তাদের তুলে নিয়ে হত্যা করেছে।
হেফাজত নয় আওয়ামী লীগই জঙ্গি
খালেদা জিয়া বলেন, হেফাজতে ইসলামের দাবিকে আমরা সমর্থন করি। আমরাও সমর্থন দেবো। যদি ধর্মদ্রোহীদের শাহবাগ থেকে না সরায় তবে আলেমদের সরানো চিন্তা করবেন না। এবার তারা যেতে আসবে না। আলেমরা রাজনীতি করেন না, তারা ধর্মকে ভালবেসে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু সরকার বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা নাকি জঙ্গি। এদেশে জঙ্গিদের কোন স্থান নেই। যদি থাকলে আওয়ামী লীগেই আছে। জঙ্গিনেতা আবদুর রহমান হচ্ছে মির্জা আজমের বোনজামাই। জঙ্গিরা আওয়ামী লীগের আত্মীয়। তিনি বলেন, আলেমরা দেশকে ভালবাসে। হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচি পালনের অধিকার আছে। তাদের বাধা দেবেন না। বাধা দিয়ে সঙ্কটের সৃষ্টি হবে। আমরা বলেছি, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। আওয়ামী লীগই সন্ত্রাসী দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের পর, ১৯৯৬-০১ এবং বর্তমানে সন্ত্রাস করছে। আওয়ামী লীগ একটি গণবিরোধী ও সন্ত্রাসী দল।
প্রশাসনে দলীয়করণ, বিচারবিভাগ প্রশ্নবিদ্ধ
সরকার প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। পুলিশ দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করেছে। র্যাব-পুলিশের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে আজ দেশে-বিদেশে। কি উচ্চ আদালত, কি নিম্ন আদালত পুরো বিচারবিভাগকে ধ্বংস করা হয়েছে। কাকে রিমান্ডে দিতে হবে, কার জামিন নামঞ্জুর করতে হবে তা বিচারকদের ফোনে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। নির্দেশ দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীর অফিস। তিনি বলেন, আজ দেশের অবস্থা এত খারাপ যে ডাক দিলেই দেশের মানুষে যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য তৈরি। কিন্তু আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী তাই আলোচনার কথা বলেছি।
এটাই কি গণতন্ত্র!
আমাদের দলীয় কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ১৫৬ জন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিটিংয়ে আমাদের নেতাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। সিনিয়র নেতা নজরুল ইসলাম খান, যুবদল নেতা আবদুস সালাম আজাদ ও আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমরা মিছিল করলে পুলিশ বোমা ও গুলি মারে আর মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল দেখামাত্র গুলি করবে। পাগল ছাড়া কেউ এমনটা বলতে পারে না। আমাদের চিফ হুইপের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়েছিল তা দেশবাসী দেখেছে। যে পুলিশ সে কাজ করেছিল প্রধানমন্ত্রী তাকেই প্রমোশন দিয়েছেন। এখন সবাই বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাগল-উন্মাদ, আগে উচ্চ আদালত প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিল রংহেডেড। তাদের হাতে কি দেশ নিরাপদ থাকতে পারে? তিনি বলেন, আমরা বিরোধী দল কিন্তু সংসদে কথা বলার সুযোগ দেয়া হয় না। রাস্তায়ও মিছিল মিটিং করতে দেয়া হয় না। অন্যকিছু দল তাদের অফিসেও যেতে পারে না। এটাই কি গণতন্ত্র? বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার বিপদে পড়লে গলার স্বর নরম হয়। গত চার বছর আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিয়েছি। কিন্তু আমাদের নেতাদের মিথ্যা মামলা গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেক সিনিয়র নেতা ও জামায়াতের বহু নেতা এখন কারাগারে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিন।
শাহবাগে তোতাপাখির বুলি
শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, কিছু ছেলে তরুণ প্রজন্মের নামে সরকারের কথা বলছেন। তারা নিজেদের চাকরির কথা বলছে না, দুর্নীতির কথা বলছে না, লুটপাটের কথা বলছে না, পদ্মা সেতুর কথা বলছে না। তারা দেশ ও দেশের মানুষের কথা বলছে না। শাহবাগে তরুণদের তোতা পাখির মতো একটি বুলি শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা সেটাই বলছেন। তারা কাদের হয়ে কথা বলছে তা এখন দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার। তারা মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করছে। শাহবাগে তাদের অবস্থানের কারণে সেখান দিয়ে গাড়ি চলতে পারে না। সেখানে দু’টি হাসপাতাল আছে। রোগীদের অসুবিধা হয়। তিনি বলেন, আমাদের সমাবেশের কারণে সাভারে উদ্ধারকাজে অসুবিধা হয়। তাহলে শাহবাগে তরুণরা কিভাবে দিনের পর দিন বসে আছে? সরকার কেন তাদের জামাই আদরে লালন-পালন করছে দেশবাসী জানতে চায়।
সরকারকে ফেলতে চাইনি
খালেদা জিয়া বলেন, আমরা সরকারকে ফেলতে চাইনি। নইলে কোন বিল্ডিংয়ে নয় সরকারকেই ধাক্কা দিতাম, সরকার পড়ে যেতো। তাই সরকারকে বলতে চাই, যে কয়টা দিন ক্ষমতায় আছেন পাগল-ছাগল মন্ত্রীদের বাদ দেন। তিনি তো কেবল পাগল নন, একজন বড় রাজাকার। তিনি বলেন, সরকার মানবতাবিরোধী বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চায়। আমরা বলেছি, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার হবে। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের যত যুদ্ধাপরাধী আছে তাদেরও বিচার হবে।
গার্মেন্ট শিল্প মহাসঙ্কটে
তিনি বলেন, দেশের গার্মেন্ট শিল্প আজ মহাসঙ্কটে, বিপদের মধ্যে পড়েছে। আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের কারণে বিদেশীরা সেখানে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না। কয়েকদিন আগে একজন রাষ্ট্রদূত আমাকে বলেছেন, একজন বিদেশী বায়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে এসেছিলেন। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি দেখে সোজা কম্বোডিয়া চলে গেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ছে দিনে দিনে। অথচ কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। শ্রমিকদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু সরকার তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও বাড়িভাড়া বাড়িয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে হাউজিং ব্যবসা আজ ধ্বংসের মুখে। সরকার ঘরে ঘরে চাকরি দেয়নি, ঘরে ঘরে বেকার বাড়িয়েছে। এখন মধ্যপ্রাচ্য থেকে শূন্যহাতে লোক ফিরে আসছে। এ সরকারকে কোন দেশই বিশ্বাস করে না।
এ সরকার গণহত্যাকারী
বিরোধী নেতা বলেন, এ সরকার গণহত্যাকারী। তারা রাজনীতিবিদ, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও হত্যা করছে। গ্যাস দুর্নীতির একটি বড় প্রমাণ পেয়ে গিয়েছিল বলেই সাগর-রুনিকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের বাসার কিছুই হারায়নি, কেবল ল্যাপটপটি নিয়ে গেছে সরকার। খালেদা জিয়া, দৈনিক আমার দেশে সরকারের লুটপাট ও দুর্নীতির যে সংবাদ ছাপা হয়েছে তাতে সরকার ভয় পেয়েছে। তারা অমানুষের মতো সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মাহমুদুর রহমান ও পত্রিকাটির কর্মচারীদের মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পরিবেশবাদীরা প্রতিবাদ করুন
বাগেরহাটে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎপ্রকল্পকে পরিবেশ বিপর্যয়কারী উল্লেখ করে খালেদা জিয়া পরিবেশবাদীদের প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি অনুরোধ প্রতিবাদ করুন আমরা সমর্থন দেবো। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল নয়, তাই তারা বিদেশীদের সঙ্গে গোপন চুক্তি করেছে। যা সংসদেও উপস্থাপন করা হয়নি। কিন্তু দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়া সে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। তিনি বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আজকের যুবসমাজ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। এখন দেশরক্ষার যুদ্ধে তাদের নামতে হবে। খুব শিগগিরই রাজপথে আবার দেখা হবে।
অন্য নেতারা যা বলেছেন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, এদেশের মানুষ আর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাজরীন ফ্যাশনসে অনেক শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। সরকার সাভারে মানুষ সৃষ্ঠ রানা প্লাজার ট্র্যাজেডি ঘটিয়েছে। এর বিচার একদিন এদেশের মানুষ করবে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আলোচনার ডাক দিয়ে এক কদম এগিয়েছেন, এখন আপনাকে আরও দু’কদম এগোতে হবে। কারণ আলোচনার ডাক দিলেই আলোচনা হয় না। প্রধানমন্ত্রীই এক সময় বলেছিলেন, এজেন্ডা ছাড়া আলোচনা হয় না। এখন আমরা সেটাই বলতে চাই। কি নিয়ে আলোচনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন? এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হতে হবে। এমকে আনোয়ার বলেন, সাভারের রানা প্লাজা ধসের পরপরই প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। কারণ তিনি ব্যথা অনুভব করেননি। ব্যথা অনুভব করলে শপথ অনুষ্ঠান দু’দিন পিছিয়ে দিতেন। জনগণই প্রধানমন্ত্রীকে মাইনাস করেছে। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেন, হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিতে বাধা দিলে বিএনপি বসে থাকবে না। তাদের সঙ্গে বিএনপিও যোগ দেবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি কেয়ারটেকার সরকার বাতিল করেছেন। সুতরাং আপনাকেই আবার কেয়ারটেকার সরকার আনতে হবে। এটা আপনার দায়িত্ব। জোটের শরিক এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিসের জন্য আলোচনা চান। আপনি তত্ত্বাবধায়কের জন্য আন্দোলন করেছেন। আপনিই আবার এ ব্যবস্থা বাতিল করেছেন। সুতরাং আপনাকে একইভাবে ওই ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে নিয়ে টিটকারি করে কথা বলেছেন। আমি তাকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, সেনাবাহিনীকে নিয়ে কখনও টিটকারি করে কথা বলবেন না। বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি আজকের মিটিং না করে সেই টাকা সাভারে ক্ষতিগ্রস্তদের দিতে বলেছেন। আমরাও চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু আপনি টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনছেন। এই অস্ত্র দিয়ে কাকে মারবেন? আপনাকে বলি, অক্সিজেন নিয়ে আসুন। আপনাকে সহযোগিতা করা হবে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ’র নেতৃত্বে ড্যাব, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদল, শ্রমিকদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের ১০টি টিম সমাবেশে শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করে। সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব আবদুল সালাম ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব বরতকত উল্লাহ বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা মকবুল আহমাদ, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, শামসুল ইসলাম এমপি, এনডিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, আমিনীর ছেলে মাওলানা মারুফ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মসিউর রহমান, ফজলুল হক মিলন, মজিবর রহমান সরোয়ার, আসাদুল হাবিব দুলু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জামায়াত-শিবিরের শোডাউন
রাজধানীর মতিঝিলে ১৮ দলের সমাবেশে শোডাউন করছেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মঞ্চের আশপাশের জায়গা দখল করে নিয়েছেন তারা। গতকাল দুপুরের পর থেকেই তারা সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। এই সমাবেশকে ঘিরে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরছে জামায়াত-শিবির। সমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়েছেন। মঞ্চের ডান পাশের রাস্তায় জামায়াত-শিবির অবস্থান নিয়েছে। সেখানে তারা দলের আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মিছিল করছেন। এছাড়াও নটর ডেম কলেজের রাস্তার মাঝখানে অবস্থান নিয়েছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতাদের ছবিসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান তুলছেন দলের নেতাকর্মীরা। জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম ও নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছবি বেশি প্রদর্শিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেয়ার দাবি তুলেছে জামায়াত-শিবির। এছাড়াও দলের নেতারা বক্তব্য দেয়া শুরু করলে একযোগে স্লোগান দিতে থাকেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মঞ্চে ছিলেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ, এমপি হামিদুর রহমান আযাদ, কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জব্বার।
জনসমুদ্র শাপলা চত্বর
রাজধানী শাপলা চত্বরে ১৮ দলের সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই পরিণত হয় জনসমুদ্রে। লোকারণ্য হয়ে যায় পুরো মতিঝিল এলাকা। সকালের হাজারো মানুষের সমাবেশ দুপুর গড়াতেই লাখো মানুষে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের ঢেউ শাপলা চত্বর থেকে উত্তর দিকে ফকিরেরপুল, পশ্চিম দিকে দৈনিক বাংলা পেরিয়ে পুরানা পল্টন এবং দক্ষিণ দিকে ইত্তেফাক মোড়ে গিয়ে উপচে পড়ে। শাপলা চত্বরের আশপাশের গলিতেও নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। প্রশাসন থেকে বেঁধে দেয়া জায়গা পর্যন্ত সমাবেশের মাইক লাগানো হলেও জনতার ঢল এর বাইরে চলে যায়। সমাবেশ চলাকালে ওই সব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। সরকার থেকে পরিবহন বন্ধ করে দেয়ার ভয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে বিএনপি-জামায়াতের হাজার হাজার নেতাকর্মী কয়েক দিন আগেই রাজধানীতে চলে আসেন। সন্ধ্যায় শাপলা চত্বরে সমাবেশের অনুমতির পর থেকেই নেতাকর্মীরা মঞ্চের আশপাশে অবস্থান নেন। সকাল গড়াতেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তবে সকাল দিকে ছাত্রশিবিরের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। তারা জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন বহন করেন। স্লোগানে স্লোগানে মাতিয়ে রাখেন সমাবেশস্থল। সকাল থেকেই প্রকৃতির রূপও ছিল অন্য রকম। ছিল না ঠা ঠা রোধ। একটু পরপর মতিঝিলের আকাশে মেঘগুলো ছাতার মতো ছায়া ধরে সমাবেশে। মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপস্থিত নেতাকর্মীদের তেতে ওঠা শরীরে জুড়িয়ে দিয়েছিল। বেলা ১২টা থেকে শুরু হয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঢল। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন দিকে দিয়ে শাপলা চত্বরের সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও বাসে করে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেন। শাপলা চত্বর লাগোয়া পশ্চিমমুখী করে সমাবেশ মঞ্চ তৈরি করা হয়। মঞ্চের ডানপাশে অবস্থান নেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বামপাশে অবস্থান নেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পৃথক রঙের টুপি পরে সমাবেশে যোগ দেন। তেজগাঁও থেকে আসা বিএনপির কয়েক শ’ নেতাকর্মীর একটি মিছিল সবার হাতে হাতে পাকা ধানের শীষ বহন করে সবার দৃষ্টি কাড়েন। খিলগাঁও এলাকা থেকে একটি মিছিল কয়েক শ’ হাত লম্বা একটি দলীয় পতাকা বহন করে সমাবেশে যোগ দেয়। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবি সংবলিত ব্যানার নিয়ে আসেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিভিন্ন ব্যানারে ছেয়ে ওই এলাকা। খালেদার বক্তব্য নির্বিঘ্নে দেখার জন্য সমাবেশস্থলে কয়েক জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়।
বিভিন্ন সংগঠনের চিকিৎসাসেবা
সমাবেশে অসহ্য গরমে তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব, ন্যাশনাল ডক্টর’স ফোরাম (এনডিএফ) ও শিবিরের কয়েকটি সংগঠন। রূপালী ব্যাংকের সামনে ছাত্রশিবির মেডিকেল জোন নামে একটি বুথ বসায়। বুথে আসা অসুস্থ লোকদের সেবা দেন রাজধানীর বিভিন্ন মেডিকেলে কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে ওর স্যালাইন, পানি, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। নটর ডেম কলেজের সামনে একটি বুথ বসায় এনডিএফের চিকিৎসকরা। সেখান থেকে তারা একইভাবে চিকিৎসা সেবা দেন। এছাড়া এনডিএফের কয়েকটি এম্বুলেন্স সমাবেশের চারপাশে ঘুরে ঘুরে সার্বক্ষণিক সেবা দেয়।
জাসাসের সংগীত পরিবেশন
মূল সমাবেশ বেলা ২টায় শুরু হলেও সকাল থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরের মঞ্চকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের ভিড় জমতে থাকে। নেতাকর্মীদের সংগীত পরিবেশন করে উজ্জীবিত করে রাখেন জাসাসের শিল্পীরা। বেলা ১টা পর্যন্ত চলে তাদের পরিবেশনা। সমাবেশে সংগীত পরিবেশন করেন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ও কণ্ঠশিল্পী মনির খান, রিজিয়া পারভীন, নাসিরসহ বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পী। তারা দেশাত্মবোধকসহ জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে গান পরিবেশন করেন।

বেশভূষার মতো কথা পাল্টান তিনি
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেশভূষার মতো কথা পাল্টান। তিনি সৌদি আরবে গেলে হিজাব পরেন, ভারতে গেলে তিলক পরেন। উনাকে বিশ্বাস করা যায় না। তিনি যদি মুসলমান হন তবে মহানবীর বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদের গ্রেপ্তার করবেন। তিনি বলেন, রানা প্লাজা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক কথা বলেছেন। সংসদে মিথ্যাচার করেছেন। কিন্তু রানা যুবলীগের নেতা। স্থানীয় আওয়ামী লীগের এমপির সঙ্গে তার কোলাকুলির দৃশ্য দেশবাসী দেখেছে। সে রানা প্লাজা ৫ দিন আগে বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হরতাল বিরোধী মিছিল করতে তাদের জোর করে সেখানে জড়ো করে বাইরে তালা লাগানো হয়েছিল। এটা কোন দুর্ঘটনা নয়, একটি হত্যাকাণ্ড। সরকার তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল, মানুষের আন্দোলনের কারণে গ্রেপ্তার করেছে। রানাকে গ্রেপ্তার করা হলেও এমপিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। রানাকে রিমান্ডে জামাই আদরে রাখা হয়েছে। সে এখন হুমকি দিচ্ছে সবাইকে দেখে নেবে।
সাভারে ব্যর্থ সরকার
খালেদা জিয়া বলেন, সাভার ট্রাজেডি পরবর্তীতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। তারা বিদেশীদের সাহায্য নেয়নি, নিজেরাও সাহায্য করেনি। স্থানীয় লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। অথচ সরকার মৃত্যুর সঠিক হিসাব পর্যন্ত দেয়নি। সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধ, গ্যাস কিছুই পৌঁছানো হয়নি। মানুষই সেগুলো সরবরাহ করেছে। স্থানীয় এনাম মেডিকেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। এখন মানুষের দৃষ্টি আছে, সে দৃষ্টি সরলে সেটুকুও পাবে না। তিনি বলেন, সরকার শোক দিবস ঘোষণা করেই ক্ষান্ত কিন্তু কোন ছুটি দেননি। সংসদ চলেছে, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও দলীয় কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। সেদিন কেন ছুটি ঘোষণা করা হয়নি সরকারের কাছে জবাব চাই। খালেদা জিয়া বলেন, সরকার আমাদের সমাবেশ না করে দুর্গতদের সহযোগিতা করতে বলেছে। পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা লোক ভাড়া করে সমাবেশ করি না। আপনারাই হল-মার্ক, ডেসটিনি, শেয়ারবাজারের টাকা বের করুন, জনগণের কাজে লাগবে। পদ্মা সেতু দুর্নীতির টাকা গেছে লন্ডনে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনরাই থাকেন। আমরা বলছি, ওই টাকা উদ্ধার করুন, মানুষের কাজে লাগান।
আপনার কি মনে পড়ে?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিরোধী নেতা বলেন, এখন বড় বড় কথা বলেন- ১৯৯১-৯৬ পর্যন্ত কি আন্দোলন করেছেন আপনার কি মনে পড়ে? ওই সময় কি বক্তব্য দিয়েছিলেন, কেমন নৈরাজ্য চালিয়েছিলেন? সে সময়ের পত্রিকাগুলো খুলে দেখুন। আপনারা হাসতে হাসতে মানুষ খুন করতে পারেন। তাই আপনার মুখে মানবতার কথা মানায় না। খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে কিন্তু তাদের সময়েই দেশ বারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আজ আওয়ামী লীগ দেশের সব কিছু খেয়ে ফেলেছে। ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পর হিন্দুদের বাড়িঘর জমি তারাই দখল করেছিল। এবারও ক্ষমতায় এসেই রামুতে বৌদ্ধদের ওপর আওয়ামী লীগই নৈরাজ্য চালিয়েছে। তাই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। মূলহোতাকে প্রধানমন্ত্রী বিদেশে সফরসঙ্গী করেছেন। এভাবেই খুনি ও সন্ত্রাসীদের আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত করে। আজকের প্রধানমন্ত্রীই এক সময় লগিবৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা, গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, একটি লাশের বদলে ১০টি লাশ ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা মামলাও দেইনি। কিন্তু এখন কথায় কথায় মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে হুকুমের আসামি হিসেবে। হরতালে বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এখনও তার বিচার হয়নি।
ইলিয়াস আলীকে ফেরত চাই
খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ মানবতার কথা বলে কিন্তু আমাদের ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমকে গুম করেছে। ইলিয়াসের ছোট সন্তানগুলো প্রতিদিন কাঁদছে। সরকারের তৈরি করা বাহিনীই তাদের গুম করেছে। আমরা তাকে সুস্থ শরীরে ফেরত চাই। মনে করবেন না, আপনারা ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পেয়ে গেছেন। খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে এখন পর্যন্ত কত লোক নিখোঁজ হয়েছে সব হিসাব আমাদের কাছে আছে। এ সরকারের লোকজনই তাদের তুলে নিয়ে হত্যা করেছে।
হেফাজত নয় আওয়ামী লীগই জঙ্গি
খালেদা জিয়া বলেন, হেফাজতে ইসলামের দাবিকে আমরা সমর্থন করি। আমরাও সমর্থন দেবো। যদি ধর্মদ্রোহীদের শাহবাগ থেকে না সরায় তবে আলেমদের সরানো চিন্তা করবেন না। এবার তারা যেতে আসবে না। আলেমরা রাজনীতি করেন না, তারা ধর্মকে ভালবেসে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু সরকার বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা নাকি জঙ্গি। এদেশে জঙ্গিদের কোন স্থান নেই। যদি থাকলে আওয়ামী লীগেই আছে। জঙ্গিনেতা আবদুর রহমান হচ্ছে মির্জা আজমের বোনজামাই। জঙ্গিরা আওয়ামী লীগের আত্মীয়। তিনি বলেন, আলেমরা দেশকে ভালবাসে। হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচি পালনের অধিকার আছে। তাদের বাধা দেবেন না। বাধা দিয়ে সঙ্কটের সৃষ্টি হবে। আমরা বলেছি, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। আওয়ামী লীগই সন্ত্রাসী দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের পর, ১৯৯৬-০১ এবং বর্তমানে সন্ত্রাস করছে। আওয়ামী লীগ একটি গণবিরোধী ও সন্ত্রাসী দল।
প্রশাসনে দলীয়করণ, বিচারবিভাগ প্রশ্নবিদ্ধ
সরকার প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। পুলিশ দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করেছে। র্যাব-পুলিশের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে আজ দেশে-বিদেশে। কি উচ্চ আদালত, কি নিম্ন আদালত পুরো বিচারবিভাগকে ধ্বংস করা হয়েছে। কাকে রিমান্ডে দিতে হবে, কার জামিন নামঞ্জুর করতে হবে তা বিচারকদের ফোনে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। নির্দেশ দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীর অফিস। তিনি বলেন, আজ দেশের অবস্থা এত খারাপ যে ডাক দিলেই দেশের মানুষে যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য তৈরি। কিন্তু আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী তাই আলোচনার কথা বলেছি।
এটাই কি গণতন্ত্র!
আমাদের দলীয় কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ১৫৬ জন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিটিংয়ে আমাদের নেতাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। সিনিয়র নেতা নজরুল ইসলাম খান, যুবদল নেতা আবদুস সালাম আজাদ ও আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমরা মিছিল করলে পুলিশ বোমা ও গুলি মারে আর মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল দেখামাত্র গুলি করবে। পাগল ছাড়া কেউ এমনটা বলতে পারে না। আমাদের চিফ হুইপের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়েছিল তা দেশবাসী দেখেছে। যে পুলিশ সে কাজ করেছিল প্রধানমন্ত্রী তাকেই প্রমোশন দিয়েছেন। এখন সবাই বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাগল-উন্মাদ, আগে উচ্চ আদালত প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিল রংহেডেড। তাদের হাতে কি দেশ নিরাপদ থাকতে পারে? তিনি বলেন, আমরা বিরোধী দল কিন্তু সংসদে কথা বলার সুযোগ দেয়া হয় না। রাস্তায়ও মিছিল মিটিং করতে দেয়া হয় না। অন্যকিছু দল তাদের অফিসেও যেতে পারে না। এটাই কি গণতন্ত্র? বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার বিপদে পড়লে গলার স্বর নরম হয়। গত চার বছর আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিয়েছি। কিন্তু আমাদের নেতাদের মিথ্যা মামলা গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেক সিনিয়র নেতা ও জামায়াতের বহু নেতা এখন কারাগারে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিন।
শাহবাগে তোতাপাখির বুলি
শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, কিছু ছেলে তরুণ প্রজন্মের নামে সরকারের কথা বলছেন। তারা নিজেদের চাকরির কথা বলছে না, দুর্নীতির কথা বলছে না, লুটপাটের কথা বলছে না, পদ্মা সেতুর কথা বলছে না। তারা দেশ ও দেশের মানুষের কথা বলছে না। শাহবাগে তরুণদের তোতা পাখির মতো একটি বুলি শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা সেটাই বলছেন। তারা কাদের হয়ে কথা বলছে তা এখন দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার। তারা মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করছে। শাহবাগে তাদের অবস্থানের কারণে সেখান দিয়ে গাড়ি চলতে পারে না। সেখানে দু’টি হাসপাতাল আছে। রোগীদের অসুবিধা হয়। তিনি বলেন, আমাদের সমাবেশের কারণে সাভারে উদ্ধারকাজে অসুবিধা হয়। তাহলে শাহবাগে তরুণরা কিভাবে দিনের পর দিন বসে আছে? সরকার কেন তাদের জামাই আদরে লালন-পালন করছে দেশবাসী জানতে চায়।
সরকারকে ফেলতে চাইনি
খালেদা জিয়া বলেন, আমরা সরকারকে ফেলতে চাইনি। নইলে কোন বিল্ডিংয়ে নয় সরকারকেই ধাক্কা দিতাম, সরকার পড়ে যেতো। তাই সরকারকে বলতে চাই, যে কয়টা দিন ক্ষমতায় আছেন পাগল-ছাগল মন্ত্রীদের বাদ দেন। তিনি তো কেবল পাগল নন, একজন বড় রাজাকার। তিনি বলেন, সরকার মানবতাবিরোধী বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চায়। আমরা বলেছি, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার হবে। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের যত যুদ্ধাপরাধী আছে তাদেরও বিচার হবে।
গার্মেন্ট শিল্প মহাসঙ্কটে
তিনি বলেন, দেশের গার্মেন্ট শিল্প আজ মহাসঙ্কটে, বিপদের মধ্যে পড়েছে। আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের কারণে বিদেশীরা সেখানে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না। কয়েকদিন আগে একজন রাষ্ট্রদূত আমাকে বলেছেন, একজন বিদেশী বায়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে এসেছিলেন। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি দেখে সোজা কম্বোডিয়া চলে গেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ছে দিনে দিনে। অথচ কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। শ্রমিকদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু সরকার তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও বাড়িভাড়া বাড়িয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে হাউজিং ব্যবসা আজ ধ্বংসের মুখে। সরকার ঘরে ঘরে চাকরি দেয়নি, ঘরে ঘরে বেকার বাড়িয়েছে। এখন মধ্যপ্রাচ্য থেকে শূন্যহাতে লোক ফিরে আসছে। এ সরকারকে কোন দেশই বিশ্বাস করে না।
এ সরকার গণহত্যাকারী
বিরোধী নেতা বলেন, এ সরকার গণহত্যাকারী। তারা রাজনীতিবিদ, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও হত্যা করছে। গ্যাস দুর্নীতির একটি বড় প্রমাণ পেয়ে গিয়েছিল বলেই সাগর-রুনিকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের বাসার কিছুই হারায়নি, কেবল ল্যাপটপটি নিয়ে গেছে সরকার। খালেদা জিয়া, দৈনিক আমার দেশে সরকারের লুটপাট ও দুর্নীতির যে সংবাদ ছাপা হয়েছে তাতে সরকার ভয় পেয়েছে। তারা অমানুষের মতো সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মাহমুদুর রহমান ও পত্রিকাটির কর্মচারীদের মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পরিবেশবাদীরা প্রতিবাদ করুন
বাগেরহাটে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎপ্রকল্পকে পরিবেশ বিপর্যয়কারী উল্লেখ করে খালেদা জিয়া পরিবেশবাদীদের প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি অনুরোধ প্রতিবাদ করুন আমরা সমর্থন দেবো। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল নয়, তাই তারা বিদেশীদের সঙ্গে গোপন চুক্তি করেছে। যা সংসদেও উপস্থাপন করা হয়নি। কিন্তু দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়া সে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। তিনি বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আজকের যুবসমাজ মুক্তিযুদ্ধ করেনি। এখন দেশরক্ষার যুদ্ধে তাদের নামতে হবে। খুব শিগগিরই রাজপথে আবার দেখা হবে।
অন্য নেতারা যা বলেছেন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, এদেশের মানুষ আর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাজরীন ফ্যাশনসে অনেক শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। সরকার সাভারে মানুষ সৃষ্ঠ রানা প্লাজার ট্র্যাজেডি ঘটিয়েছে। এর বিচার একদিন এদেশের মানুষ করবে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আলোচনার ডাক দিয়ে এক কদম এগিয়েছেন, এখন আপনাকে আরও দু’কদম এগোতে হবে। কারণ আলোচনার ডাক দিলেই আলোচনা হয় না। প্রধানমন্ত্রীই এক সময় বলেছিলেন, এজেন্ডা ছাড়া আলোচনা হয় না। এখন আমরা সেটাই বলতে চাই। কি নিয়ে আলোচনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন? এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হতে হবে। এমকে আনোয়ার বলেন, সাভারের রানা প্লাজা ধসের পরপরই প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। কারণ তিনি ব্যথা অনুভব করেননি। ব্যথা অনুভব করলে শপথ অনুষ্ঠান দু’দিন পিছিয়ে দিতেন। জনগণই প্রধানমন্ত্রীকে মাইনাস করেছে। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেন, হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিতে বাধা দিলে বিএনপি বসে থাকবে না। তাদের সঙ্গে বিএনপিও যোগ দেবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি কেয়ারটেকার সরকার বাতিল করেছেন। সুতরাং আপনাকেই আবার কেয়ারটেকার সরকার আনতে হবে। এটা আপনার দায়িত্ব। জোটের শরিক এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিসের জন্য আলোচনা চান। আপনি তত্ত্বাবধায়কের জন্য আন্দোলন করেছেন। আপনিই আবার এ ব্যবস্থা বাতিল করেছেন। সুতরাং আপনাকে একইভাবে ওই ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে। কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে নিয়ে টিটকারি করে কথা বলেছেন। আমি তাকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, সেনাবাহিনীকে নিয়ে কখনও টিটকারি করে কথা বলবেন না। বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি আজকের মিটিং না করে সেই টাকা সাভারে ক্ষতিগ্রস্তদের দিতে বলেছেন। আমরাও চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু আপনি টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনছেন। এই অস্ত্র দিয়ে কাকে মারবেন? আপনাকে বলি, অক্সিজেন নিয়ে আসুন। আপনাকে সহযোগিতা করা হবে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ’র নেতৃত্বে ড্যাব, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদল, শ্রমিকদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের ১০টি টিম সমাবেশে শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করে। সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব আবদুল সালাম ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব বরতকত উল্লাহ বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা মকবুল আহমাদ, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, শামসুল ইসলাম এমপি, এনডিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, আমিনীর ছেলে মাওলানা মারুফ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মসিউর রহমান, ফজলুল হক মিলন, মজিবর রহমান সরোয়ার, আসাদুল হাবিব দুলু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জামায়াত-শিবিরের শোডাউন
রাজধানীর মতিঝিলে ১৮ দলের সমাবেশে শোডাউন করছেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মঞ্চের আশপাশের জায়গা দখল করে নিয়েছেন তারা। গতকাল দুপুরের পর থেকেই তারা সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। এই সমাবেশকে ঘিরে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরছে জামায়াত-শিবির। সমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়েছেন। মঞ্চের ডান পাশের রাস্তায় জামায়াত-শিবির অবস্থান নিয়েছে। সেখানে তারা দলের আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে মিছিল করছেন। এছাড়াও নটর ডেম কলেজের রাস্তার মাঝখানে অবস্থান নিয়েছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতাদের ছবিসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান তুলছেন দলের নেতাকর্মীরা। জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম ও নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছবি বেশি প্রদর্শিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেয়ার দাবি তুলেছে জামায়াত-শিবির। এছাড়াও দলের নেতারা বক্তব্য দেয়া শুরু করলে একযোগে স্লোগান দিতে থাকেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মঞ্চে ছিলেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ, এমপি হামিদুর রহমান আযাদ, কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জব্বার।
জনসমুদ্র শাপলা চত্বর
রাজধানী শাপলা চত্বরে ১৮ দলের সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই পরিণত হয় জনসমুদ্রে। লোকারণ্য হয়ে যায় পুরো মতিঝিল এলাকা। সকালের হাজারো মানুষের সমাবেশ দুপুর গড়াতেই লাখো মানুষে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের ঢেউ শাপলা চত্বর থেকে উত্তর দিকে ফকিরেরপুল, পশ্চিম দিকে দৈনিক বাংলা পেরিয়ে পুরানা পল্টন এবং দক্ষিণ দিকে ইত্তেফাক মোড়ে গিয়ে উপচে পড়ে। শাপলা চত্বরের আশপাশের গলিতেও নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। প্রশাসন থেকে বেঁধে দেয়া জায়গা পর্যন্ত সমাবেশের মাইক লাগানো হলেও জনতার ঢল এর বাইরে চলে যায়। সমাবেশ চলাকালে ওই সব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। সরকার থেকে পরিবহন বন্ধ করে দেয়ার ভয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে বিএনপি-জামায়াতের হাজার হাজার নেতাকর্মী কয়েক দিন আগেই রাজধানীতে চলে আসেন। সন্ধ্যায় শাপলা চত্বরে সমাবেশের অনুমতির পর থেকেই নেতাকর্মীরা মঞ্চের আশপাশে অবস্থান নেন। সকাল গড়াতেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তবে সকাল দিকে ছাত্রশিবিরের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। তারা জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন বহন করেন। স্লোগানে স্লোগানে মাতিয়ে রাখেন সমাবেশস্থল। সকাল থেকেই প্রকৃতির রূপও ছিল অন্য রকম। ছিল না ঠা ঠা রোধ। একটু পরপর মতিঝিলের আকাশে মেঘগুলো ছাতার মতো ছায়া ধরে সমাবেশে। মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপস্থিত নেতাকর্মীদের তেতে ওঠা শরীরে জুড়িয়ে দিয়েছিল। বেলা ১২টা থেকে শুরু হয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঢল। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন দিকে দিয়ে শাপলা চত্বরের সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও বাসে করে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যোগ দেন। শাপলা চত্বর লাগোয়া পশ্চিমমুখী করে সমাবেশ মঞ্চ তৈরি করা হয়। মঞ্চের ডানপাশে অবস্থান নেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বামপাশে অবস্থান নেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পৃথক রঙের টুপি পরে সমাবেশে যোগ দেন। তেজগাঁও থেকে আসা বিএনপির কয়েক শ’ নেতাকর্মীর একটি মিছিল সবার হাতে হাতে পাকা ধানের শীষ বহন করে সবার দৃষ্টি কাড়েন। খিলগাঁও এলাকা থেকে একটি মিছিল কয়েক শ’ হাত লম্বা একটি দলীয় পতাকা বহন করে সমাবেশে যোগ দেয়। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবি সংবলিত ব্যানার নিয়ে আসেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিভিন্ন ব্যানারে ছেয়ে ওই এলাকা। খালেদার বক্তব্য নির্বিঘ্নে দেখার জন্য সমাবেশস্থলে কয়েক জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়।
বিভিন্ন সংগঠনের চিকিৎসাসেবা
সমাবেশে অসহ্য গরমে তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব, ন্যাশনাল ডক্টর’স ফোরাম (এনডিএফ) ও শিবিরের কয়েকটি সংগঠন। রূপালী ব্যাংকের সামনে ছাত্রশিবির মেডিকেল জোন নামে একটি বুথ বসায়। বুথে আসা অসুস্থ লোকদের সেবা দেন রাজধানীর বিভিন্ন মেডিকেলে কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে ওর স্যালাইন, পানি, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। নটর ডেম কলেজের সামনে একটি বুথ বসায় এনডিএফের চিকিৎসকরা। সেখান থেকে তারা একইভাবে চিকিৎসা সেবা দেন। এছাড়া এনডিএফের কয়েকটি এম্বুলেন্স সমাবেশের চারপাশে ঘুরে ঘুরে সার্বক্ষণিক সেবা দেয়।
জাসাসের সংগীত পরিবেশন
মূল সমাবেশ বেলা ২টায় শুরু হলেও সকাল থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরের মঞ্চকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের ভিড় জমতে থাকে। নেতাকর্মীদের সংগীত পরিবেশন করে উজ্জীবিত করে রাখেন জাসাসের শিল্পীরা। বেলা ১টা পর্যন্ত চলে তাদের পরিবেশনা। সমাবেশে সংগীত পরিবেশন করেন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ও কণ্ঠশিল্পী মনির খান, রিজিয়া পারভীন, নাসিরসহ বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পী। তারা দেশাত্মবোধকসহ জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে গান পরিবেশন করেন।
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1410)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ▼ 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment