Thursday, March 12, 2015
অপেক্ষা শুধু সময়ের by মাসুদ মজুমদার
অপেক্ষা শুধু সময়ের by মাসুদ মজুমদার
অধিকার
আদায়ের লড়াই সব সময় নিয়মতান্ত্রিক পথে এগোয় না। সময় মেপে কিংবা দিনক্ষণ
নির্ধারণ করে এর সাফল্য-ব্যর্থতার অঙ্ক মেলানো যায় না। পৃথিবীতে বহু
আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। কখনো কোথাও সাফল্য-ব্যর্থতা
নিরূপণের মানদণ্ডের একক কোনো ধারণা ছিল না। আজো নেই। মাঝে মধ্যে
স্বপ্নভঙ্গের কারণও ঘটে। তবে বিজয়ীর পক্ষে ইতিহাস চর্চার ধারা এখনো সক্রিয়;
কিন্তু জনগণের বিজয় অবশ্যম্ভাবী- তা দু’দিন আগে কিংবা পরে। বাংলাদেশে
গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের পক্ষে জনগণের লড়াইয়ের ইতিহাস একেবারে
সংক্ষিপ্ত নয়। স্বাধীনতার স্বপ্নভঙ্গের প্রেক্ষাপটে তাৎক্ষণিক মওলানা
ভাসানী, জাসদ, জাতীয় লীগ, চৈনিক ধারার বামপন্থী দলসহ সব বিরোধী দল
গণতন্ত্রের দাবিটি সামনে নিয়ে আসে। সেই সময় জাতীয় সরকার গঠনের দাবিটিও
উপেক্ষিত হয়েছিল। এর প্রথম পর্বটি ছিল তেয়াত্তর থেকে পঁচাত্তরের পটপরিবর্তন
পর্যন্ত। রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার প্রাক্কালে সেই আন্দোলনের ধরন ছিল ভিন্ন
মেজাজের। আওয়ামী লীগ রক্ত মাড়িয়ে ক্ষমতা পেয়েছে বা অর্জন করেছে এটা
সর্বজনস্বীকৃত। আবার রক্ত ঝরিয়ে বিদায় নিয়েছে এটাও মিথ্যা নয়। এরশাদবিরোধী
গণতন্ত্রের লড়াইয়ের আগে বাকশাল থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের সময়টার স্বরূপ
আলাদা। সময়টাও অনেক দীর্ঘ নয়। জিয়ার বিরুদ্ধেও ক্ষমতার লড়াই ছিল, সেটা ছিল
সামরিক ছাউনিকেন্দ্রিক, জনগণকেন্দ্রিক নয়। তিয়াত্তর-চুয়াত্তরের পর রাজপথের
গণ-আন্দোলন কার্যত শুরু হয়েছিল বিরাশি সাল থেকে। যেদিন এরশাদ নির্বাচিত
বিচারপতি সাত্তার সরকারকে বন্দুকের জোরে উপড়ে ফেলে ক্ষমতা দখল করেছিল,
কার্যত প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল সেদিন থেকে। ছিয়াশি সালে এসে সেই আন্দোলন নতুন
গতি পায়। আবার কিছু দিনের মাথায় আওয়ামী লীগ-জামায়াতের নির্বাচনী ডিগবাজির
কারণে হোঁচটও খায়। কিন্তু খালেদা জিয়া ছিলেন আন্দোলনের ফলাফল নির্ণয় ও
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সুফল ঘরে তোলার ব্যাপারে আপসহীন। তিনি আপস মানেননি
বলেই সেদিন গণতন্ত্রে উত্তরণ সম্ভব হয়েছিল। তার সেই আপসহীন অবস্থানের সুফল
জনগণ হাতে পায় নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পথ ধরে। গণনন্দিত তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থার বাস্তব ভ্রুণটিরও জন্ম নেয় বিচারপতি সাহাবুদ্দীন সরকারের
দলনিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়ার প্রেক্ষিতে। এখন
এরশাদও বলতে বাধ্য হচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার চেয়েও বড় স্বৈরাচার।
প্রথমবার ক্ষমতাচর্চায় শেখ হাসিনা অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেননি। তখনো ভুলে যাননি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েই তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। হিজাব পরা মুনাজাতরত ছবিটি জনগণ আস্থায় নিয়েছিল। যদিও সেই আমলে সৃষ্ট গডফাদারদের দায় তারও ছিল। সে সময় বিরোধী দলও সরকার পদত্যাগের আন্দোলন করেনি। দ্বিতীয়বার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর প্রথম দু’বছরও কোনো আন্দোলন ছিল না। তৃতীয় বর্ষে ঠাণ্ডামাথায় তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা উপড়ে ফেলার পর বিরোধী দলের বোধোদয় ঘটে। তারা হঠাৎ টের পেয়ে যায় সরকার গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে। তার পরও আবেদন নিবেদনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থার পক্ষে পুনঃ জনমত গঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। দাবি মানার আলটিমেটাম দেয় কমপক্ষে তিনবার। সে আন্দোলনও কোনোভাবেই সরকার পতনের আন্দোলন ছিল না। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও জননন্দিত তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা বাতিলের বিরুদ্ধে সেই আন্দোলন ছিল ষোলোআনা নিয়মতান্ত্রিক। পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ ছিল, ইস্যুভিত্তিক বক্তব্যও ছিল। কিন্তু পদত্যাগের দাবিটি ছিল দাবি আদায়ে চাপ সৃষ্টির কৌশল মাত্র। সরকার সেই আবেদন-নিবেদন উপেক্ষা করেছে, বিএনপি জোটও লগি-বৈঠার মতো কোনো তাণ্ডব সৃষ্টি করেনি। গানপাউডার দিয়ে মানুষ মারেনি।
সব বিরোধী দলের দাবি উপেক্ষা করে সংবিধান ও আদালতের রায়ের বরাতে জনমত উপেক্ষা করে নতুন জাতীয় নির্বাচন যখন ঘোষণা করা হলো, তখন তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি পুরোপুরি উপেক্ষিত হলো। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করার গণদাবিটিও বিবেচনায় নেয়া হলো না। বিরোধী দল শেষ পর্যন্ত জাতীয় স্বার্থে ছাড় দেয়ার মানসিকতা নিয়ে অনুরোধ জানাল- তত্ত্বাবধায়ক নামে না হোক, নিরপেক্ষ অবয়বের একটি গ্রহণযোগ্য ধারণা অন্তত গ্রহণ করা যায়। বুদ্ধিজীবীরা বিকল্প পথ খুঁজে পাওয়ার ফর্মুলাও দিয়েছিলেন। জাতিসঙ্ঘ প্রতিনিধি তারানকোর কয়েকটি ফর্মুলাও ছিল, যা বিরোধী দল ইতিবাচকভাবে দেখেছে, কিন্তু সরকার কারো কোনো কথায় ও পরামর্শে সামান্যতমও ছাড় দিতে রাজি হয়নি। একটি টেলিফোন ও তাৎক্ষণিক একটি আমন্ত্রণ রক্ষা করতে না পারার বিষয়টি সংলাপ না করার অজুহাত বানানো হলো। সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকে নির্বাচন পেছানোর একটা ধারণাও জনসমক্ষে ছিল, সরকার কিছুই মানেনি। জোর করে ভোটারবিহীন নির্বাচনের পথ ধরে ক্ষমতা দখল করেছে।
এটা স্পষ্ট, বিশ্বসম্প্রদায় ও জনগণ কর্তৃক উপেক্ষিত হলেও আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতা দখলে রাখার বল-ভরসা পেয়েছিল ভারতীয় কংগ্রেসের কাছ থেকে। তাই বিরোধী দলকে এবং জনগণকে আমলে নেয়ার কোনো পরোয়াই করল না। বরং সব কূটনৈতিক মধ্যস্থতা উপেক্ষা করে ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের দিয়ে জাতীয় পার্টিকে পোষ মানানো হলো, রওশন ও এরশাদকে ডামি বিরোধী দল বানানো হলো। যেনতেন একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচনের পথে পা বাড়াল- এ জন্য ভারতের কংগ্রেস সরকারকে উকিলও নিয়োগ করল। সুজাতা সিং এলেন সরকারের সব অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানাতে। পঙ্কজ শরণরা খোলা ময়দানে দালালি শুরু করলেন। একতরফা নির্বাচনে বৈধতা দেয়ার আশ্বাসও দিয়ে গেলেন ভারতীয় কূটনীতিক সুজাতা সিং। তিনি এখন পতিত কূটনীতিক। আজ বিণা সিক্রিরা একেক দেশে একেক গণতন্ত্রের ফেরি করছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যায় এই বিণা সিক্রির দ্বৈতনীতি সবার চোখ খুলে দেয়ার কথা। বিণা সিক্রিরা কি ভারতের একেক রাজ্যের জন্য একেক ধরনের গণতন্ত্র চান? হিন্দুপ্রধান ভারতকে নিয়ে তারা আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের সবক দেন। জাত-পাতে পিষ্ট ভারতীয় সমাজে নমশূদ্ররা বঞ্চিত শ্রেণী। মুসলমানকে প্রায়ই কচুকাটা করা হয়। শিখরা ড্রাইভার ও সৈনিক হয়ে বাঁচতে চাইছে। খ্রিষ্টানদেরও পুড়িয়ে মারা হয়। এই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ভারত আমাদের গেলাতে চায়। সংখ্যানুপাত বিবেচনায় নিলে কোনো বিশেষ ধর্মাবলম্বীরাই শুধু নয়, বাংলাদেশে কথিত সব সংখ্যালঘু স্বর্গে আছেন। তাদের ধর্মকর্ম পাহারা দেয় এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ও প্রকৃত আলেম ওলামারা। যাদের জঙ্গি কিংবা অন্য নামে চিহ্নিত করে তারা খুশি হয়। ভোটব্যাংক সৃষ্টিকারী গুণ্ডারা কোনো ধর্মাবলম্বীর জন্য নিরাপদ নয়। বিণা সিক্রিরা হয়তো ভাবেন বাংলাদেশ তাদের করদরাজ্য, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ভারতীয় প্রেসক্রিপশন উপেক্ষা করেই সে সময় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাক্সার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দল মত নির্বিশেষে সব বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দিয়ে আসছিলেন। তাতেও আওয়ামী লীগ কর্ণপাত করেনি বরং সবাইকে অপমান করেছে। সুদখোর, কার খালু বলে ব্যঙ্গ করেছে। দুই আনার মন্ত্রী, কাজের বুয়া মর্জিনা বলে বিদ্রুsপ করেছে। তারা গুরুত্ব দেয়নি জাতিসঙ্ঘ দূত তারানকোর দূতিয়ালি এবং মধ্যস্থতা করার প্রস্তাবকেও। ফলে জনগণের পক্ষে বিএনপি জোট এবং অন্যান্য বিরোধী দল একতরফা নির্বাচন বয়কট করে ও জনগণকে বয়কটের আহ্বান জানায়। সেই বয়কট শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ আন্দোলনে রূপ নেয়। ফলে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ও বাস্তবে ভোটারবিহীন অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মহড়া দেয়া হয়। তাতে বৈধতার দৃষ্টিতে সরকার হয়ে দাঁড়াল আগাগোড়া প্রশ্নবিদ্ধ।
সে সময় জনপ্রতিরোধ ও রোষের মুখে আওয়ামী লীগ নেত্রী বলতে বাধ্য হয়েছিলেন একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন শেষে সব দলের সাথে আলোচনা করে পরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। বিএনপি জোট আন্দোলন থেকে সরে এসে অপেক্ষায় থাকে। নাগরিক, সুশীল ও পেশাজীবী সমাজও প্রহর গুনতে থাকে। এই দুর্বলতার ফাঁক দিয়েই সরকার উল্টো ছোবল মারা শুরু করে। প্রশ্নবিদ্ধ সরকার নিজেদের অবস্থান ও প্রতিশ্রুতি দুটোই ভুলে যেতে চেষ্টা করে। উপরন্তু বিরোধী দলকে একেবারে নিশ্চিহ্ন ও নাই করে দেয়ার জন্য ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা সাজায়। এর মাধ্যমে অবশিষ্ট গণতন্ত্রটুকুও বধ করে বসে। ফলে বিএনপি জোট এক বছর অপেক্ষার পর রাজপথে প্রতিবাদী হতে গিয়ে হামলা, মামলা, গ্রেফতার, গুলি, গুমসহ সব ধরনের জুলুম-পীড়নের মুখে পড়ে। দলীয় অফিস বন্ধ করে দেয়া শুরু হয়। বাসায় বাসায় তল্লাশি চালানো ও গণগ্রেফতার চলে। রাজপথে মিছিল এবং মাঠে জনসভা করার অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়। আপসহীন খালেদা জিয়া তৃতীয়বারের মতো রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। বালির ট্রাকের প্রাচীর, মরিচের গুঁড়া এবং কার্যত গৃহবন্দী অবস্থান থেকেও প্রমাণ করেন গণতন্ত্রের স্বার্থে তিনি শেষ পর্যন্তও ছাড় দেয়ার মতো নেত্রী নন।
চৌদ্দ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা ও দলীয় নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার একক কৃতিত্ব না হলেও খালেদা জিয়ার অর্জনটাই মুখ্য। একইভাবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে নজিরবিহীন প্রতিরোধ ও জুলুম-পীড়ন অগ্রাহ্য করে তিনি আবার গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। এটা তার গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার উল্লেখযোগ্য তৃতীয়বারের মতো দৃঢ় অবস্থান। তার আপসহীন অবস্থানের প্রথম অর্জন ছিল নব্বই সালে। কালো মানুষের নেতা, সাদা মানুষের প্রেরণা ও বাদামি মানুষের জন্য উপমা ইতিহাসে কৃষ্ণ সুন্দর নেলসন ম্যান্ডেলা ছাড়া আর কোনো রাজনীতিবিদ এত দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথে প্রতিবাদী অবস্থানে থাকেননি। আমরা খালেদা জিয়ার রাজনীতির অনুগত কর্মী নই। তার রাজনৈতিক কর্মকৌশল ও সাফল্য-ব্যর্থতা সমালোচনার ঊর্র্ধ্বে নয়। তাই বলে তাকে জঙ্গি, তালেবান নেত্রী, আলকায়েদার প্রতিনিধি বলা শুধু নির্লজ্জ মিথ্যাচার নয়, নায়কের বিরুদ্ধে খলনায়কের একধরনের হুঙ্কার মাত্র। অনেক দ্বিমত নিয়েও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহাসড়কে থাকা একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আমরা সময়ের সাক্ষ্যদাতা মাত্র। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় আমরা দুই নেত্রীর পক্ষে কলম যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। এক-এগারোর সরকার দুই নেত্রীকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র শুরু করলে আমরাই প্রতিবাদী হয়ে বাঁক ঘুরে দাঁড়াই। অথচ আমরা না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ। আমরা খালেদা জিয়াকে লেনসন ম্যান্ডেলার সাথে এক মাপে তুলছি না। তবে খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে আপসহীন নেত্রী এবং তার আন্দোলনের সময়টাও কম দীর্ঘ নয়। তার দল পরিচালনা ও রাষ্ট্রপরিচালনার ব্যাপারে সবার প্রশ্ন থাকতে পারে। তার অনেক কৌশলও সমালোচিত হতে পারে কিন্তু এ দেশে গণতন্ত্রের জন্য তার অবদান অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
একে একে সব ক’টি প্রতিবাদী এবং যুক্তিবাদী কণ্ঠকেও যখন সরকার নানাভাবে আড়ষ্ট করে দিয়েছে। মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে অদৃশ্য কালো হাতে। ভিন্ন মত পদদলিত। বুদ্ধিজীবীরাও যখন খামোশ হয়ে গেছেন। রাষ্ট্রশক্তি ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানও যখন দলকানা, পেশাজীবীরাও যখন সত্যের পথে দৃঢ়তা দেখাতে সক্ষমতা হারিয়ে বসেছেন, তখনো খালেদা জিয়া মাথা নত করেননি। আজ রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সঙ্কট চিহ্নিত। সঙ্কট নিরসনে কূটনৈতিক চাপও দৃষ্টিগ্রাহ্য। সরকার যে সঙ্কট স্বীকার করতে চায়নি, সে সঙ্কট এখন তাদের তাড়া করছে। সেই সঙ্কটকে দেশের জনগণ ও বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে সব মহল অংশীদারিত্বমূলক কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন। তবে মুখ্য ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের হয়রানি ও পরোয়ানা মাথায় বেগম জিয়া অনড় অবস্থানে স্থির না থাকলে গণতন্ত্রের স্বপ্ন, জনগণের ভোটের অধিকার ক্ষমতার পদপিষ্ট হয়ে ধুলায় গড়াগড়ি খেতেই থাকবে। সেই অবস্থা অব্যাহত রাখার সরকারি চেষ্টার এখনো অন্ত নেই। কিন্তু পাহারাদারের ভূমিকায় খালেদা জিয়ার অবস্থানও দুর্বল নয়। প্রধানমন্ত্রী আর কঠোর হবেন কোথায়! দেশের কারাগারগুলোতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেশের আশি শতাংশের বেশি মানুষ পরিবর্তনকামী হয়ে উঠেছে- এরা সবাই বিএনপি জোটভুক্ত নয়। সবার ধারণা, আপনি অনৈতিকভাবে ক্ষমতার জোর খাটাচ্ছেন, দেশের এত মানুষকে বিগড়ে যেতে দিয়ে আপনি ক্ষমতাচর্চা করবেন কিভাবে। কত দিনই বা সেটা সম্ভব। আপনার প্রতিপক্ষ খালেদা জিয়াও তো সব কিছু দিয়ে দিতে প্রস্তুত হয়ে আছেন। চার্চিল তার জাতিকে মেধা, শারীরিক যোগ্যতা ও প্রাণটাও দিতে চেয়েছিলেন। খালেদা জিয়া আজ যে পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আছেন, তাতে রসিকতা করেও বলা যায়, গণতন্ত্রের স্বার্থে বাংলাদেশে পৌরুষ নিয়ে আপসহীন অবস্থানে আছেন একজন, তার নাম খালেদা জিয়া। তাই আজকের দিনটা অঙ্ক মিলাবার নয়, সাফল্য-ব্যর্থতা পরিমাপের নয়- সঙ্কটের অর্থবহ উত্তরণ ঘটিয়ে গণতন্ত্রকে বিকশিত করার প্রতিশ্রুতিটি আরো শাণিত করার দিন।
সবশেষে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ভাষায় বলতে চাই- ‘জেদের ভাত কুত্তা দিয়ে আর কত খাওয়াবেন’, নথ খসাতেই হবে। তাহলে লোক হাসাচ্ছেন কেন। জনগণের সময় গোনার মধ্যে প্রতিহিংসার দাউ দাউ জ্বলা আগুন নেভান। নয়তো সবাইকে পুড়ে মরতে হবে।
প্রথমবার ক্ষমতাচর্চায় শেখ হাসিনা অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেননি। তখনো ভুলে যাননি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েই তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। হিজাব পরা মুনাজাতরত ছবিটি জনগণ আস্থায় নিয়েছিল। যদিও সেই আমলে সৃষ্ট গডফাদারদের দায় তারও ছিল। সে সময় বিরোধী দলও সরকার পদত্যাগের আন্দোলন করেনি। দ্বিতীয়বার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর প্রথম দু’বছরও কোনো আন্দোলন ছিল না। তৃতীয় বর্ষে ঠাণ্ডামাথায় তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা উপড়ে ফেলার পর বিরোধী দলের বোধোদয় ঘটে। তারা হঠাৎ টের পেয়ে যায় সরকার গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে। তার পরও আবেদন নিবেদনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থার পক্ষে পুনঃ জনমত গঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। দাবি মানার আলটিমেটাম দেয় কমপক্ষে তিনবার। সে আন্দোলনও কোনোভাবেই সরকার পতনের আন্দোলন ছিল না। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও জননন্দিত তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা বাতিলের বিরুদ্ধে সেই আন্দোলন ছিল ষোলোআনা নিয়মতান্ত্রিক। পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ ছিল, ইস্যুভিত্তিক বক্তব্যও ছিল। কিন্তু পদত্যাগের দাবিটি ছিল দাবি আদায়ে চাপ সৃষ্টির কৌশল মাত্র। সরকার সেই আবেদন-নিবেদন উপেক্ষা করেছে, বিএনপি জোটও লগি-বৈঠার মতো কোনো তাণ্ডব সৃষ্টি করেনি। গানপাউডার দিয়ে মানুষ মারেনি।
সব বিরোধী দলের দাবি উপেক্ষা করে সংবিধান ও আদালতের রায়ের বরাতে জনমত উপেক্ষা করে নতুন জাতীয় নির্বাচন যখন ঘোষণা করা হলো, তখন তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি পুরোপুরি উপেক্ষিত হলো। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করার গণদাবিটিও বিবেচনায় নেয়া হলো না। বিরোধী দল শেষ পর্যন্ত জাতীয় স্বার্থে ছাড় দেয়ার মানসিকতা নিয়ে অনুরোধ জানাল- তত্ত্বাবধায়ক নামে না হোক, নিরপেক্ষ অবয়বের একটি গ্রহণযোগ্য ধারণা অন্তত গ্রহণ করা যায়। বুদ্ধিজীবীরা বিকল্প পথ খুঁজে পাওয়ার ফর্মুলাও দিয়েছিলেন। জাতিসঙ্ঘ প্রতিনিধি তারানকোর কয়েকটি ফর্মুলাও ছিল, যা বিরোধী দল ইতিবাচকভাবে দেখেছে, কিন্তু সরকার কারো কোনো কথায় ও পরামর্শে সামান্যতমও ছাড় দিতে রাজি হয়নি। একটি টেলিফোন ও তাৎক্ষণিক একটি আমন্ত্রণ রক্ষা করতে না পারার বিষয়টি সংলাপ না করার অজুহাত বানানো হলো। সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকে নির্বাচন পেছানোর একটা ধারণাও জনসমক্ষে ছিল, সরকার কিছুই মানেনি। জোর করে ভোটারবিহীন নির্বাচনের পথ ধরে ক্ষমতা দখল করেছে।
এটা স্পষ্ট, বিশ্বসম্প্রদায় ও জনগণ কর্তৃক উপেক্ষিত হলেও আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতা দখলে রাখার বল-ভরসা পেয়েছিল ভারতীয় কংগ্রেসের কাছ থেকে। তাই বিরোধী দলকে এবং জনগণকে আমলে নেয়ার কোনো পরোয়াই করল না। বরং সব কূটনৈতিক মধ্যস্থতা উপেক্ষা করে ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের দিয়ে জাতীয় পার্টিকে পোষ মানানো হলো, রওশন ও এরশাদকে ডামি বিরোধী দল বানানো হলো। যেনতেন একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচনের পথে পা বাড়াল- এ জন্য ভারতের কংগ্রেস সরকারকে উকিলও নিয়োগ করল। সুজাতা সিং এলেন সরকারের সব অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানাতে। পঙ্কজ শরণরা খোলা ময়দানে দালালি শুরু করলেন। একতরফা নির্বাচনে বৈধতা দেয়ার আশ্বাসও দিয়ে গেলেন ভারতীয় কূটনীতিক সুজাতা সিং। তিনি এখন পতিত কূটনীতিক। আজ বিণা সিক্রিরা একেক দেশে একেক গণতন্ত্রের ফেরি করছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যায় এই বিণা সিক্রির দ্বৈতনীতি সবার চোখ খুলে দেয়ার কথা। বিণা সিক্রিরা কি ভারতের একেক রাজ্যের জন্য একেক ধরনের গণতন্ত্র চান? হিন্দুপ্রধান ভারতকে নিয়ে তারা আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের সবক দেন। জাত-পাতে পিষ্ট ভারতীয় সমাজে নমশূদ্ররা বঞ্চিত শ্রেণী। মুসলমানকে প্রায়ই কচুকাটা করা হয়। শিখরা ড্রাইভার ও সৈনিক হয়ে বাঁচতে চাইছে। খ্রিষ্টানদেরও পুড়িয়ে মারা হয়। এই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ভারত আমাদের গেলাতে চায়। সংখ্যানুপাত বিবেচনায় নিলে কোনো বিশেষ ধর্মাবলম্বীরাই শুধু নয়, বাংলাদেশে কথিত সব সংখ্যালঘু স্বর্গে আছেন। তাদের ধর্মকর্ম পাহারা দেয় এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ও প্রকৃত আলেম ওলামারা। যাদের জঙ্গি কিংবা অন্য নামে চিহ্নিত করে তারা খুশি হয়। ভোটব্যাংক সৃষ্টিকারী গুণ্ডারা কোনো ধর্মাবলম্বীর জন্য নিরাপদ নয়। বিণা সিক্রিরা হয়তো ভাবেন বাংলাদেশ তাদের করদরাজ্য, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ভারতীয় প্রেসক্রিপশন উপেক্ষা করেই সে সময় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাক্সার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দল মত নির্বিশেষে সব বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দিয়ে আসছিলেন। তাতেও আওয়ামী লীগ কর্ণপাত করেনি বরং সবাইকে অপমান করেছে। সুদখোর, কার খালু বলে ব্যঙ্গ করেছে। দুই আনার মন্ত্রী, কাজের বুয়া মর্জিনা বলে বিদ্রুsপ করেছে। তারা গুরুত্ব দেয়নি জাতিসঙ্ঘ দূত তারানকোর দূতিয়ালি এবং মধ্যস্থতা করার প্রস্তাবকেও। ফলে জনগণের পক্ষে বিএনপি জোট এবং অন্যান্য বিরোধী দল একতরফা নির্বাচন বয়কট করে ও জনগণকে বয়কটের আহ্বান জানায়। সেই বয়কট শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ আন্দোলনে রূপ নেয়। ফলে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ও বাস্তবে ভোটারবিহীন অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মহড়া দেয়া হয়। তাতে বৈধতার দৃষ্টিতে সরকার হয়ে দাঁড়াল আগাগোড়া প্রশ্নবিদ্ধ।
সে সময় জনপ্রতিরোধ ও রোষের মুখে আওয়ামী লীগ নেত্রী বলতে বাধ্য হয়েছিলেন একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন শেষে সব দলের সাথে আলোচনা করে পরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। বিএনপি জোট আন্দোলন থেকে সরে এসে অপেক্ষায় থাকে। নাগরিক, সুশীল ও পেশাজীবী সমাজও প্রহর গুনতে থাকে। এই দুর্বলতার ফাঁক দিয়েই সরকার উল্টো ছোবল মারা শুরু করে। প্রশ্নবিদ্ধ সরকার নিজেদের অবস্থান ও প্রতিশ্রুতি দুটোই ভুলে যেতে চেষ্টা করে। উপরন্তু বিরোধী দলকে একেবারে নিশ্চিহ্ন ও নাই করে দেয়ার জন্য ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা সাজায়। এর মাধ্যমে অবশিষ্ট গণতন্ত্রটুকুও বধ করে বসে। ফলে বিএনপি জোট এক বছর অপেক্ষার পর রাজপথে প্রতিবাদী হতে গিয়ে হামলা, মামলা, গ্রেফতার, গুলি, গুমসহ সব ধরনের জুলুম-পীড়নের মুখে পড়ে। দলীয় অফিস বন্ধ করে দেয়া শুরু হয়। বাসায় বাসায় তল্লাশি চালানো ও গণগ্রেফতার চলে। রাজপথে মিছিল এবং মাঠে জনসভা করার অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়। আপসহীন খালেদা জিয়া তৃতীয়বারের মতো রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। বালির ট্রাকের প্রাচীর, মরিচের গুঁড়া এবং কার্যত গৃহবন্দী অবস্থান থেকেও প্রমাণ করেন গণতন্ত্রের স্বার্থে তিনি শেষ পর্যন্তও ছাড় দেয়ার মতো নেত্রী নন।
চৌদ্দ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা ও দলীয় নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার একক কৃতিত্ব না হলেও খালেদা জিয়ার অর্জনটাই মুখ্য। একইভাবে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে নজিরবিহীন প্রতিরোধ ও জুলুম-পীড়ন অগ্রাহ্য করে তিনি আবার গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। এটা তার গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার উল্লেখযোগ্য তৃতীয়বারের মতো দৃঢ় অবস্থান। তার আপসহীন অবস্থানের প্রথম অর্জন ছিল নব্বই সালে। কালো মানুষের নেতা, সাদা মানুষের প্রেরণা ও বাদামি মানুষের জন্য উপমা ইতিহাসে কৃষ্ণ সুন্দর নেলসন ম্যান্ডেলা ছাড়া আর কোনো রাজনীতিবিদ এত দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথে প্রতিবাদী অবস্থানে থাকেননি। আমরা খালেদা জিয়ার রাজনীতির অনুগত কর্মী নই। তার রাজনৈতিক কর্মকৌশল ও সাফল্য-ব্যর্থতা সমালোচনার ঊর্র্ধ্বে নয়। তাই বলে তাকে জঙ্গি, তালেবান নেত্রী, আলকায়েদার প্রতিনিধি বলা শুধু নির্লজ্জ মিথ্যাচার নয়, নায়কের বিরুদ্ধে খলনায়কের একধরনের হুঙ্কার মাত্র। অনেক দ্বিমত নিয়েও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহাসড়কে থাকা একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আমরা সময়ের সাক্ষ্যদাতা মাত্র। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় আমরা দুই নেত্রীর পক্ষে কলম যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। এক-এগারোর সরকার দুই নেত্রীকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র শুরু করলে আমরাই প্রতিবাদী হয়ে বাঁক ঘুরে দাঁড়াই। অথচ আমরা না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ। আমরা খালেদা জিয়াকে লেনসন ম্যান্ডেলার সাথে এক মাপে তুলছি না। তবে খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে আপসহীন নেত্রী এবং তার আন্দোলনের সময়টাও কম দীর্ঘ নয়। তার দল পরিচালনা ও রাষ্ট্রপরিচালনার ব্যাপারে সবার প্রশ্ন থাকতে পারে। তার অনেক কৌশলও সমালোচিত হতে পারে কিন্তু এ দেশে গণতন্ত্রের জন্য তার অবদান অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
একে একে সব ক’টি প্রতিবাদী এবং যুক্তিবাদী কণ্ঠকেও যখন সরকার নানাভাবে আড়ষ্ট করে দিয়েছে। মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে অদৃশ্য কালো হাতে। ভিন্ন মত পদদলিত। বুদ্ধিজীবীরাও যখন খামোশ হয়ে গেছেন। রাষ্ট্রশক্তি ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানও যখন দলকানা, পেশাজীবীরাও যখন সত্যের পথে দৃঢ়তা দেখাতে সক্ষমতা হারিয়ে বসেছেন, তখনো খালেদা জিয়া মাথা নত করেননি। আজ রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সঙ্কট চিহ্নিত। সঙ্কট নিরসনে কূটনৈতিক চাপও দৃষ্টিগ্রাহ্য। সরকার যে সঙ্কট স্বীকার করতে চায়নি, সে সঙ্কট এখন তাদের তাড়া করছে। সেই সঙ্কটকে দেশের জনগণ ও বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে সব মহল অংশীদারিত্বমূলক কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন। তবে মুখ্য ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের হয়রানি ও পরোয়ানা মাথায় বেগম জিয়া অনড় অবস্থানে স্থির না থাকলে গণতন্ত্রের স্বপ্ন, জনগণের ভোটের অধিকার ক্ষমতার পদপিষ্ট হয়ে ধুলায় গড়াগড়ি খেতেই থাকবে। সেই অবস্থা অব্যাহত রাখার সরকারি চেষ্টার এখনো অন্ত নেই। কিন্তু পাহারাদারের ভূমিকায় খালেদা জিয়ার অবস্থানও দুর্বল নয়। প্রধানমন্ত্রী আর কঠোর হবেন কোথায়! দেশের কারাগারগুলোতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেশের আশি শতাংশের বেশি মানুষ পরিবর্তনকামী হয়ে উঠেছে- এরা সবাই বিএনপি জোটভুক্ত নয়। সবার ধারণা, আপনি অনৈতিকভাবে ক্ষমতার জোর খাটাচ্ছেন, দেশের এত মানুষকে বিগড়ে যেতে দিয়ে আপনি ক্ষমতাচর্চা করবেন কিভাবে। কত দিনই বা সেটা সম্ভব। আপনার প্রতিপক্ষ খালেদা জিয়াও তো সব কিছু দিয়ে দিতে প্রস্তুত হয়ে আছেন। চার্চিল তার জাতিকে মেধা, শারীরিক যোগ্যতা ও প্রাণটাও দিতে চেয়েছিলেন। খালেদা জিয়া আজ যে পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আছেন, তাতে রসিকতা করেও বলা যায়, গণতন্ত্রের স্বার্থে বাংলাদেশে পৌরুষ নিয়ে আপসহীন অবস্থানে আছেন একজন, তার নাম খালেদা জিয়া। তাই আজকের দিনটা অঙ্ক মিলাবার নয়, সাফল্য-ব্যর্থতা পরিমাপের নয়- সঙ্কটের অর্থবহ উত্তরণ ঘটিয়ে গণতন্ত্রকে বিকশিত করার প্রতিশ্রুতিটি আরো শাণিত করার দিন।
সবশেষে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ভাষায় বলতে চাই- ‘জেদের ভাত কুত্তা দিয়ে আর কত খাওয়াবেন’, নথ খসাতেই হবে। তাহলে লোক হাসাচ্ছেন কেন। জনগণের সময় গোনার মধ্যে প্রতিহিংসার দাউ দাউ জ্বলা আগুন নেভান। নয়তো সবাইকে পুড়ে মরতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 12
(25)
- উপহার দিয়ে যায় কাক
- সুযোগ এখনও ফুরিয়ে যায়নি -ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
- পোড়া শরীরেই চলে গেল ফুটফুটে মরিয়ম
- সিসিইউতে মান্না- ফোনকারী সেই ব্যক্তিকে চিনেন না by...
- ভাঙনের দ্বীপে সাফল্যের আলো by মাসুদ মিলাদ
- সঙ্কট সমাধানে সংলাপ শুরুর আহ্বান -অ্যালায়েন্সের উদ...
- সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং : শীর্ষ স্থানে...
- অপেক্ষা শুধু সময়ের by মাসুদ মজুমদার
- কে বড় স্বৈরাচার? by এম আবদুল্লাহ
- এবার ইসরাইলি চর হত্যার ভিডিও প্রকাশ
- পাকিস্তানে মুত্তাহিদ পার্টির কার্যালয় সিলগালা
- ভারতের ভ্রাম্যমাণ শিক্ষক
- ভারত ফেলনা নয় by কুলদীপ নায়ার
- ভারতের ভ্রাম্যমাণ শিক্ষক
- সোহরাওয়ার্দীতে অন্য রকম চিত্র by মাহমুদ মানজুর
- বিনিয়োগে ধস by হামিদ বিশ্বাস
- শিক্ষাই হওয়া উচিত প্রধান অগ্রাধিকার -সাক্ষাৎকারে :...
- বিদ্যুৎ ভবনে গুলি- অস্ত্র তোমার বাহকেই পরিচয়
- সুপ্রিম কোর্টের ফতোয়ার রায় পাঠ্যপুস্তকে নিতে হবে...
- মিয়ানমারের জাতিগত সংঘাতে ভারত-চীনের ইন্ধন!
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে বোঝাবুঝির অভাব by সৈয়দ মু...
- আশ্চর্য গুহা ইয়ার ওয়াং ডং by মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর ...
- আপনার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা আরও দ্রুত করবেন যেভা...
- জঙ্গিবাদের রাজনীতি ও একটি বিশ্লেষণ by রাশেদা বেগম ...
- দেশকে রাজনীতিশূন্য করার পাঁয়তারা by মো: শায়খুল ইসলাম
-
▼
Mar 12
(25)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment