Tuesday, September 15, 2009
আমরাই পারি পৃথিবী বদলে দিতে -নেলসন ম্যান্ডেলা বক্তৃতা by মুহাম্মদ ইউনূস
আমরাই পারি পৃথিবী বদলে দিতে -নেলসন ম্যান্ডেলা বক্তৃতা by মুহাম্মদ ইউনূস
পৃথিবীর সবচেয়ে দারুণ মানুষটির সামনে দাঁড়াতে পেরে আজ আমি রোমাঞ্চিত। আজ এত একান্তভাবে তাঁকে শুভ জন্মদিন বলতে পেরে আমি গর্বিত। আপনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন; আপনি জানেন না আমরা কে, আমরা কোথায় বেড়ে উঠেছি, কিন্তু আপনি ছুঁয়ে গেছেন আমাদের জীবন।
আমরা, তরুণেরা দেখেছি আপনি শিরদাঁড়া খাড়া করে দাঁড়িয়েছেন, আমাদেরও শিখিয়েছেন মেরুদণ্ড শক্ত করে দাঁড়াতে। আপনি সংস্কারহীন হয়েছেন, আমাদেরও তা করতে প্রাণিত করেছেন। আপনি আমাদের মানুষকে ভালোবাসার প্রেরণা যুগিয়েছেন, প্রেরণা দিয়েছেন শান্তিকে আলিঙ্গন করতে ও সাহসী হতে। আপনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন উদ্ধত হতে। অনুপ্রাণিত করেছেন শত্রুর মোকাবিলা করতে, তারপর তাদের দিকে নিঃশর্ত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে, তাদের ভালোবেসে শান্তিময় জীবন কাটাতে। আপনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন আপসহীন হতে, সেই সঙ্গে অপেক্ষা করতে বলেছেন সন্ধির মুহূর্তের, পরস্পরকে জড়িয়ে ধরার অপূর্বমুহূর্তের। আপনি মানবিকতার সর্বোত্তম প্রকাশ। আপনি অনুপ্রাণিত করেছেন সমগ্র পৃথিবীকে।
আজ আপনার ৯১তম জন্মদিনে আপনার সঙ্গে এক মঞ্চে থাকাটা আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। একই পৃথিবীর অংশীদার আমরা। আমি ধন্য। সারা জীবন এই মুহূর্তটি আমাকে আলোড়িত করবে।
আপনি মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন তার ক্ষুদ্রতা থেকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানুষকে করেছেন সম্মানিত, দিয়েছেন আত্মমর্যাদা। মানুষের উদ্যমের প্রতীক আপনি। আপনি চিরদিনের জন্য মানুষের নৈতিক শক্তির এক অনন্য উচ্চতা স্থাপন করেছেন, দেখিয়েছেন কতটা নৈতিক উচ্চতায় উঠতে পারে মানুষ। চিরকাল আপনি থাকবেন অনুপ্রেরণার উত্স হয়ে। নিজস্ব সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন আপনি; পৃথিবী দেখেছে আপনার সংগ্রাম, দূর থেকে দেখেছি আমরাও। আমাদেরও ছিল নিজস্ব লড়াই—ছিল স্বাধীনতাযুদ্ধ, ছিল নিজেদের নায়ক; তবুও আপনিও ছিলেন প্রেরণা হয়ে।
স্বাধীনতার লগ্নে বাংলাদেশ ব্যাপক দারিদ্র্যে নিপতিত ছিল। বিধ্বস্ত ছিল যুদ্ধ ও রক্তপাতে। দারিদ্র্যই ছাপিয়ে উঠেছিল সব কিছু—তার পরই এলো চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ।
অর্থনীতির তরুণ শিক্ষক হিসেবে আমি ছাত্রদের বোঝাচ্ছিলাম অর্থনীতি কত চমত্কার বিষয়, কী দারুণ এর তত্ত্বগুলো। আর শ্রেণীকক্ষের বাইরে দুর্ভিক্ষ প্রচণ্ড হয়ে উঠছে। তখনই এল হতাশা, ‘কী হবে এসব তত্ত্ব দিয়ে, যদি তা মানুষের কাজেই না লাগে?’
তখন প্রয়োজন ছিল একটি সাহসী পদক্ষেপের, পাঠ্যবইয়ের বাইরে এসে মানবীয় উদ্যম ও স্বাভাবিক যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে বিচার করে দেখা যে, পাঠ্যবইয়ের সাহায্য ছাড়াই কিছু করা যায় কি না?
ঋণদাতাদের থাবা থেকে আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের মুক্ত করার চেষ্টা করছিলাম—এটাই ছিল আমাদের শুরুর ইতিহাস।
গ্রামের কয়েকজন মানুষ মিলে ২৭ মার্কিন ডলার ঋণ নেয়। কারও পরামর্শ ছাড়াই আমি তাদের এই ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই, যাতে তারা মহাজনদের ঋণ শোধ করে তাদের থাবা থেকে মুক্ত হতে পারে। মানুষের উদ্দীপনা আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করল। মনে হলো যদি মাত্র ২৭ ডলারেই মানুষকে এত সুখী করা যায়, তাহলে আরও এগোই না কেন?
এ ধারণা নিয়ে আমার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ব্যাংকটির কাছে গেলাম। মহাজনদের বদলে ব্যাংক কি এই ঋণ দিতে পারে না? কিন্তু তারা এটাকে আমলে নিল না। তারা বলল, এটা হয় না, এটা অসম্ভব।
মাদিবা, আপনি শিখিয়েছেন কিছুই অসম্ভব নয়। তাই আমরা যাত্রা শুরু করলাম এবং অসম্ভবকে সম্ভব করলাম।
আমি হলাম জামানতদার, ক্রমে শক্তিশালী হয়ে উঠল গ্রামীণ ব্যাংক, যা কখনোই ধসে পড়েনি। এখন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে সারা পৃথিবীতে আমাদের শাখা আছে। যারা বলেছিল আমাদের মডেল ধসে পড়বে, তারাই ধসে পড়েছে।
ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ, আমরা দেখেছি সংসারে নারীদের মাধ্যমে টাকা এলে সেটা বেশি কার্যকর হয়। আমরা যত বেশি ঋণ দিতে থাকলাম তত বেশি রোষের সম্মুখীন হলাম, বিরোধের মুখোমুখি হলাম। শুরুতে আমাদের প্রতিপক্ষ ছিল পুরুষ, শিগগিরই তারা পরিণত হলো ধর্মীয় প্রতিপক্ষে।
লোকজন বলত, আমরা তাদের সংস্কৃতি ধ্বংস করছি। নারীদের থাকা উচিত ঘরের ভেতর, সংসার চালানো তাদের কাজ নয়। তারা বলত, ‘মেয়েদের হাতে টাকা দিয়ে তোমরা আমাদের সংস্কৃতি নষ্ট করছ, তাদের হাতে টাকা থাকা উচিত নয়।’
আমি বলতাম, ‘তোমরা তোমাদের সংস্কৃতি নিয়ে থাক, আমি বিকল্প সংস্কৃতি তৈরি করছি।’
তখন আমার খুব মনে হতো, যেকোনো সংস্কৃতিই অর্থহীন, যদি তা প্রতিনিয়ত কোনো প্রতিসংস্কৃতির মুখোমুখি না হয়। মানুষ সংস্কৃতি তৈরি করে, সংস্কৃতি মানুষ তৈরি করে। এটি দ্বিমুখী চলাচল। যখন মানুষ সংস্কৃতির পেছনে লুকায়, তখন তা মৃত সংস্কৃতি।
এখন প্রায় আশি লক্ষ মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা, এদের ৯৭ শতাংশই নারী। তারা তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠায়। আমরা কেবল আশা করেছিলাম, তারা অন্তত প্রাথমিক শিক্ষাটা শেষ করবে। কিন্তু অসম্ভবও সম্ভব হয়ে উঠল। তারা শুধু প্রাথমিক শিক্ষাই শেষ করল না, উচ্চবিদ্যালয়েও গেল। গ্রামীণ ব্যাংক তাদের সাহস জোগাল, বৃত্তির ব্যবস্থা করল যাতে তারা স্নাতক হতে পারে।
যাতে তাদের এখানেই থামতে না হয় তার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক শিক্ষাঋণের ব্যবস্থা করল। গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষাঋণ নিয়ে ৩৮ হাজার ছাত্র এখন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিত্সা, প্রকৌশলবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশোনা করছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পিএইচডিও অর্জন করেছে।
এদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছে চাকরি চান। কারণ, বাংলাদেশে চাকরি পাওয়া কঠিন। আমি তাদের বলি, তোমরা হলে গ্রামীণ ব্যাংকের সন্তান, তোমাদের অন্যদের মতো করে ভাবা উচিত নয়। আমি তাদের একটি শপথ করতে বলি এবং প্রতিদিন সকালে সেই শপথ আওড়াতে বলি, ‘আমি জীবনে কখনো চাকরি খুঁজব না, আমার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে অন্যের জন্য চাকরি সৃষ্টি করা। আমি চাকরি সন্ধানী নই, চাকরিদাতা।’
আমি বলি, তোমরা বিশেষ কেউ। কারণ, তোমাদের মায়েরা একটি ব্যাংকের মালিক, সেটা হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক। টাকা তোমাদের জন্য সমস্যা নয়। আমি তাদের বলি, ‘তোমাদের মায়েদের ব্যাংক তোমাদের জন্য প্রচুর টাকা গচ্ছিত রেখেছে, পড়াশোনার সময় তোমরা শুধু পরিকল্পনা করবে—কী করে এ টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবে, যাতে অন্যদের জন্য তোমরা চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পার।’
সহকর্মীদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে নারীরাই আমাদের পরিচালনা পর্ষদে বসেন, সিদ্ধান্ত নেন। নিজেদের সম্পদ থেকেই অর্থায়ন হয়। আমরা ভেবে দেখেছি, অর্থায়নের জন্য দাতাদের ওপর নির্ভর করতে হলে আমরা স্থবির হয়ে পড়ব। তাই আমরা মানুষের কাছ থেকে টাকা জমা নিলাম, সেখান থেকেই গরিব মহিলাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করলাম।
এখন আমাদের রয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ও তরুণ একটি প্রজন্ম, যারা বেড়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবারে।
একদিন আমি এক গ্রামে গিয়ে এক মহিলাকে পেলাম, যিনি ১৫ বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর সঙ্গে চটপটে একটি মেয়ে। মেয়েটির সঙ্গে তিনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাঁরই মেয়ে। সে এখন ডাক্তার। ব্যাপারটি আমাকে নাড়া দিল। মহিলাটি তাঁর মেয়েকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়তে পাঠিয়েছিলেন, পাশ করে মেয়েটি কাছের শহরে রোগী দেখে। মা-মেয়ে দুজনকে একসঙ্গে দেখে আমার শুধু একটি কথাই মনে এল—মেয়েটির মা-ও একজন চিকিত্সক হতে পারতেন। তাঁর কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু কেউ তাঁকে সে সুযোগটি দেয়নি। তিনি কখনো স্কুলে যাননি। তিনি শুধু একটি সুযোগই পেয়েছেন—গ্রামীণ ব্যাংকে যোগদানের সুযোগ। তারপর তিনি মেয়েটিকে স্কুলে পাঠিয়েছেন, শিক্ষাঋণ নিয়ে ডাক্তারি পড়িয়েছেন। এটাই ছিল দুজনের মধ্যে তফাত্। কিন্তু এটাই জীবনে কত বিশাল ফারাক তৈরি করেছে।
তাদের দিকে তাকালে সহজেই বোঝা যায়, দারিদ্র্য ব্যক্তিগত নয়। সমস্যা গরিবদের নয়—তারা অন্য যে কারও মতো যেকোনো কিছু করতে সক্ষম। কিন্তু সমাজ তাদের কখনো সে সুযোগটি দেয়নি। সমাজব্যবস্থাই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে। ব্যাংক গরিবদের ঋণ দিতে চায় না। তারা মনে করে গরিবদের ঋণ দিলে তা কখনো উশুল হবে না। কিন্তু আজ সারা বিশ্বে গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রকল্প প্রমাণ করেছে, গরিবরাও ঋণের টাকা ফেরত দেয়।
‘অন্যান্য ব্যাংক কেন এটা করে না?’—এ বিষয়ে তাদের কোনো সদুত্তর নেই। দারিদ্র্যের শিকড় এখানেই প্রোথিত। কিছু প্রতিষ্ঠান মনে করে, গরিবরা চিরদিন গরিবই থাকবে, আর একদল উন্নতি করবে। আমরা যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে পারি, তবেই মানুষ তাদের সৃজনশীলতা দেখাতে পারবে, সন্তানেরা হবে তাদের পিতাদের চেয়ে বেশি সক্ষম।
সমস্যা আছে নীতিনির্ধারণেও। সরকার ও দাতারা গরিবদের যা দেয়, দান হিসেবে দেয়। কিন্তু এটা কোনো সমাধান নয়। দান দারিদ্র্যকে জমাট করে তোলে, মানুষকে আটকে ফেলে। মানুষের ভেতর থেকে দায়িত্ববোধ মুছে দেয়, উদ্যোগকে নিরুত্সাহিত করে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে গরিব মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা, তাদের সহযোগিতা করা, যাতে তারা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করাই হচ্ছে মানুষের জীবন। এটা মানুষকে চ্যালেঞ্জ নিতে উদ্বুদ্ধ করে।
প্রতিষ্ঠিত কিছু ধারণাও এর পেছনে দায়ী। যেমন ধরুন ব্যবসার যে ধারণা। ব্যবসার উদ্দেশ্য দাঁড়িয়েছে টাকা তৈরি করা, সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করা। অস্বীকার করা যাবে না যে, যারা এ ধরনের ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করেছে, তারা মানুষকে শুধু টাকা তৈরির একমাত্রিক হাতিয়ার হিসেবে গণ্য করেছে। কিন্তু মানুষমাত্রই বহুমাত্রিক, তাদের অনেক কিছু প্রয়োজন। তাহলে অর্থনৈতিক তত্ত্বেই বা কেন তাদের অন্য দিকগুলোকে অগ্রাহ্য করে তাদের একমাত্রিক বলে বিবেচনা করা হবে। এখানেই ছিল ভুল।
আমাদের ভেতরে স্বার্থপরতা আছে। এর ওপরই টাকা তৈরির ব্যবসাগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এর দ্বারা চালিত হই বলেই আমরা সবকিছু নিজেদের জন্য চাই। আমি অন্য একধরনের ব্যবসার কথা প্রস্তাব করছি, যার ভিত্তি হবে ‘নিঃস্বার্থপরতা’, আমাদের সবার ভেতরেই যা আছে। এর নাম দিতে চাই সামাজিক ব্যবসা। আমি জানি, কিছু লোক এতে বিনিয়োগে আগ্রহী। কেউ ভাবতে পারে, আমি নির্বোধের মতো কথা বলছি। কিন্তু অনেক মানুষ এখানে হাজার হাজার ডলার বিনিয়োগ করছে। কেউ তাদের নির্বোধ ভাবে না। তাহলে আমাকে কেন এ রকম ভাবা হবে?
আমার মনে হয়, সামাজিক ব্যবসা খুবই যুক্তিযুক্ত। আমরা যদি এটা করতে পারতাম, তবে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। দারিদ্র্য বিমোচনে, পুষ্টি উন্নয়নে, খাবার পানির ব্যবস্থা করতে এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে আমরা সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারি।
বাংলাদেশে আমরা কিছু কাজ করেছি। যখনই আমি কোথাও কোনো সমস্যা দেখি, সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান খুলি। সারা জীবন আমি তা-ই করেছি। গরিবদের ঋণ পাওয়ার সমস্যা দূর করার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছি গ্রামীণ ব্যাংক। আমার জন্য নয়, মানুষের জন্য। আমি এর মালিক নই, মালিক হচ্ছে ঋণগ্রহীতারা। এটা তাদের প্রচুর সাহায্য করে।
শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য আমরা বাংলাদেশে গ্রামীণ ডানোন নামে একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করেছি। এখান থেকে আমরা কোনো লভ্যাংশ নিই না। অপুষ্ট শিশুদের জন্য পুষ্টির ব্যবস্থা করতে এটা করা হয়েছে। আয়রন, ভিটামিন, জিঙ্ক, আয়োডিন পুষ্টির সব উপাদান এতে [এ দই-এ] আছে। এটি সুস্বাদুও। শিশুরা এটি পছন্দ করে, আমি করি, আপনারাও পছন্দ করবেন। কোনো শিশু যদি টানা আট-নয় মাস প্রতি সপ্তাহে দুই কাপ করে এই দই খায়, তাহলে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার মতো সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি সে পাবে।
মাননীয় শ্রোতাগণ, আমরাও কেন এটা করি না। এখানে উপস্থিত যে কেউ এটা করতে পারেন। যে কেউ একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করে বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেন। উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলীর কেউ একজন যদি একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করেন, তবে পাঁচজন লোকের চাকরির ব্যবস্থা হবে। এভাবেই বেকারত্ব কমবে।
আমি আপনি মিলে যদি এ রকম একটি করে সামাজিক ব্যবসা খুলি, তবে অনেকের চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। আমরা যদি নিজেরাই আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারি, তবে আমাদের সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না। যদি পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে একটি বীজ তৈরি হয়। যেখানেই প্রয়োজন সেখানেই আমরা এই বীজ রোপণ করব, যতক্ষণ না বেকার সমস্যার সমাধান হয়, এই বীজ ছড়িয়ে যাব।
সামাজিক ব্যবসায় আমি টাকা বানাতে চাই না, আমি শুধু মানুষের স্বাস্থ্যসুবিধা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই। এটা মানসিকতার পরিবর্তন ঘটায়। আমরা যদি এই বদলে যাওয়া মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে পারি, তবে দারুণ একটি সমাজ পাব। প্রত্যেক কোম্পানিই একটি করে সামাজিক ব্যবসা খুলতে পারে। অনেক জায়গায় কোম্পানি তাদের কার্যক্রম চালাতে চায় না। কারণ, সেখানে ব্যবসা চালানো অতটা লাভজনক নয়। যদি সেই কোম্পানি সেখানে একটি সামাজিক ব্যবসা চালু করে, তবে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং সেখানকার লোকজন এমন অনেক সেবা পাবে, যেগুলো আগে সেখানে ছিল না। এটা টাকা বানানোর জন্য হবে না, হবে সামাজিক ব্যবসার জন্য। আমরা যদি প্রতিষ্ঠান ও প্রচলিত ধারণাগুলোকে বদলাতে পারি, তবে একটা বদলে যাওয়া পৃথিবী পাব।
বর্তমান অর্থনৈতিক দুর্দশা এটাই প্রমাণ করে যে প্রচলিত কাঠামো ভালোভাবে কাজ করছে না। পরিবর্তনের জন্য আদর্শ সময় এটাই, এটাই জেগে ওঠার সময় এবং কোন বিষয়গুলোতে পরিবর্তন জরুরি, সেটা উপলব্ধি করার সময়। আমরা গুরুতর কিছু সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি—অর্থনৈতিক সমস্যা, খাদ্য সমস্যা, জ্বালানি সমস্যা, পরিবেশসংক্রান্ত সমস্যা, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। এটাই কি জেগে ওঠার সেরা সময় নয়?
আমরা জানি কোন বিষয়গুলো বদলাতে হবে। এই নভেম্বরে আমরা বার্লিন দেয়াল পতনের ২০ বছর পালন করব। সেই দেয়াল কোনো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মারণাস্ত্র বা অপ্রতিরোধ্য কোনো সেনাবাহিনী দ্বারা ধ্বংস হয়নি। সেই দেয়াল চূর্ণ করেছে কিছু একতাবদ্ধ মানুষ, যাদের অনেকের কোলে ছিল তাদের সন্তানেরা। এটাকেই আমরা মানুষের শক্তি বলে থাকি।
যদি কিছু মানুষ এ রকম পরাক্রমশালী একটি দেয়াল ধূলিস্মাত্ করে দিতে পারে, তবে দারিদ্র্য কেন পৃথিবী থেকে দূর করা যাবে না? দারিদ্র্যের দেয়ালও ভেঙে দিতে পারে মানুষের মিলিত শক্তি। এটা খুবই সম্ভব।
এ বছর মানুষের চাঁদে যাওয়ার ৪০তম বার্ষিকী। মানুষ কখনো ভাবেনি এরকমটি হবে। তারা এটাকে এক ধরনের পাগলামো মনে করত। কিন্তু ৪০ বছর আগে সব মানুষের চোখের সামনে এটা ঘটেছে। আমরা যদি চাঁদে যেতে পারি, তবে আমাদের দরিদ্র প্রতিবেশীর কাছে কেন যেতে পারব না তার দারিদ্র্য নিরসনের জন্য? এটাই যুগে যুগে মানুষ করেছে।
সব সময় মানুষ তা করত। কারণ, তারা এটা করার প্রয়োজনীয়তাটুকু বুঝতে পারত। কারণ, এটাকে অসম্ভব বলে প্রতীয়মান হতো। আপনি যদি মনে করেন, দারিদ্র্যমুক্ত পৃথিবী গড়া অসম্ভব, তাহলে সে চেষ্টাই করা উচিত। কারণ, করার জন্য উপযুক্ত কাজ এটাই।
মাদিবার ৯১তম জন্মদিনে এখানে আমরা একত্র হয়েছি, যিনি ইতি টেনেছেন বর্ণবৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার—সবাই মনে করত, এটা কখনোই হতে পারে না। তিনি এটাকে সম্ভব করে তুলে অসম্ভবকে সাধন করেছেন। আমরা সাম্রাজ্যবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি, মুক্তি পেয়েছি দাসত্ব ও বর্ণবৈষম্য থেকেও, যেগুলোর প্রত্যেকটিই অসম্ভব মনে হতো। আসুন, আমরা আরেকটি অসম্ভবের দিকে হাত বাড়াই, উত্সাহ-আনন্দ নিয়ে কাজটি শেষ করি, দারিদ্র্যমুক্ত একটি পৃথিবী গড়ে তুলি। চলুন, আমরা আমাদের মনের মতো একটি পৃথিবী গড়ে তুলি।
মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই আফ্রিকাতেই। আসুন, আফ্রিকা থেকে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকেই প্রথম দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলি, যেখানে কোনো দরিদ্র লোক থাকবে না। আসুন দ্রুত এটা করি, ২০ বছরের মধ্যেই। আপনারা হাসছেন। কারণ, এটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছে। যদিও অসম্ভব মনে হচ্ছে, কিন্তু এটাকে সম্ভব করার মতো সব উপাদানই এখানে আছে। আমরা শপথ নিই, আমরা এটা করবই। আসুন আমরা পরিকল্পনা করি, ২০ বছর পর দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার পর আমরা কী করব? যেমন ধরেন, আমরা বিজ্ঞাপন দিতে পারি, যদি কেউ দক্ষিণ আফ্রিকায় একজন দরিদ্র লোক খুঁজে পায়, তবে তাকে এক মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী থাকব, কেউ এই পুরস্কার দাবি করতে পারবে না। কারণ কেউ কোনো দরিদ্র লোক দক্ষিণ আফ্রিকায় খুঁজে পাবে না।
আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাতেই প্রথম দারিদ্র্য জাদুঘর চালু করব। আমাদের শিশুরা সেখানে দেখতে যাবে—কেমন ছিল দরিদ্র মানুষের জীবন। আসুন, আমরা এটাকে সম্ভব করে তুলি। ধন্যবাদ।
সপ্তম নেলসন ম্যান্ডেলা বার্ষিক বক্তৃতা, জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা। ১১ জুলাই ২০০৯
ইংরেজি থেকে অনুবাদ তামিম ইয়ামীন
মুহাম্মদ ইউনূস: নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
আমরা, তরুণেরা দেখেছি আপনি শিরদাঁড়া খাড়া করে দাঁড়িয়েছেন, আমাদেরও শিখিয়েছেন মেরুদণ্ড শক্ত করে দাঁড়াতে। আপনি সংস্কারহীন হয়েছেন, আমাদেরও তা করতে প্রাণিত করেছেন। আপনি আমাদের মানুষকে ভালোবাসার প্রেরণা যুগিয়েছেন, প্রেরণা দিয়েছেন শান্তিকে আলিঙ্গন করতে ও সাহসী হতে। আপনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন উদ্ধত হতে। অনুপ্রাণিত করেছেন শত্রুর মোকাবিলা করতে, তারপর তাদের দিকে নিঃশর্ত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে, তাদের ভালোবেসে শান্তিময় জীবন কাটাতে। আপনি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন আপসহীন হতে, সেই সঙ্গে অপেক্ষা করতে বলেছেন সন্ধির মুহূর্তের, পরস্পরকে জড়িয়ে ধরার অপূর্বমুহূর্তের। আপনি মানবিকতার সর্বোত্তম প্রকাশ। আপনি অনুপ্রাণিত করেছেন সমগ্র পৃথিবীকে।
আজ আপনার ৯১তম জন্মদিনে আপনার সঙ্গে এক মঞ্চে থাকাটা আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। একই পৃথিবীর অংশীদার আমরা। আমি ধন্য। সারা জীবন এই মুহূর্তটি আমাকে আলোড়িত করবে।
আপনি মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন তার ক্ষুদ্রতা থেকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানুষকে করেছেন সম্মানিত, দিয়েছেন আত্মমর্যাদা। মানুষের উদ্যমের প্রতীক আপনি। আপনি চিরদিনের জন্য মানুষের নৈতিক শক্তির এক অনন্য উচ্চতা স্থাপন করেছেন, দেখিয়েছেন কতটা নৈতিক উচ্চতায় উঠতে পারে মানুষ। চিরকাল আপনি থাকবেন অনুপ্রেরণার উত্স হয়ে। নিজস্ব সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন আপনি; পৃথিবী দেখেছে আপনার সংগ্রাম, দূর থেকে দেখেছি আমরাও। আমাদেরও ছিল নিজস্ব লড়াই—ছিল স্বাধীনতাযুদ্ধ, ছিল নিজেদের নায়ক; তবুও আপনিও ছিলেন প্রেরণা হয়ে।
স্বাধীনতার লগ্নে বাংলাদেশ ব্যাপক দারিদ্র্যে নিপতিত ছিল। বিধ্বস্ত ছিল যুদ্ধ ও রক্তপাতে। দারিদ্র্যই ছাপিয়ে উঠেছিল সব কিছু—তার পরই এলো চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ।
অর্থনীতির তরুণ শিক্ষক হিসেবে আমি ছাত্রদের বোঝাচ্ছিলাম অর্থনীতি কত চমত্কার বিষয়, কী দারুণ এর তত্ত্বগুলো। আর শ্রেণীকক্ষের বাইরে দুর্ভিক্ষ প্রচণ্ড হয়ে উঠছে। তখনই এল হতাশা, ‘কী হবে এসব তত্ত্ব দিয়ে, যদি তা মানুষের কাজেই না লাগে?’
তখন প্রয়োজন ছিল একটি সাহসী পদক্ষেপের, পাঠ্যবইয়ের বাইরে এসে মানবীয় উদ্যম ও স্বাভাবিক যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে বিচার করে দেখা যে, পাঠ্যবইয়ের সাহায্য ছাড়াই কিছু করা যায় কি না?
ঋণদাতাদের থাবা থেকে আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের মুক্ত করার চেষ্টা করছিলাম—এটাই ছিল আমাদের শুরুর ইতিহাস।
গ্রামের কয়েকজন মানুষ মিলে ২৭ মার্কিন ডলার ঋণ নেয়। কারও পরামর্শ ছাড়াই আমি তাদের এই ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই, যাতে তারা মহাজনদের ঋণ শোধ করে তাদের থাবা থেকে মুক্ত হতে পারে। মানুষের উদ্দীপনা আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করল। মনে হলো যদি মাত্র ২৭ ডলারেই মানুষকে এত সুখী করা যায়, তাহলে আরও এগোই না কেন?
এ ধারণা নিয়ে আমার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ব্যাংকটির কাছে গেলাম। মহাজনদের বদলে ব্যাংক কি এই ঋণ দিতে পারে না? কিন্তু তারা এটাকে আমলে নিল না। তারা বলল, এটা হয় না, এটা অসম্ভব।
মাদিবা, আপনি শিখিয়েছেন কিছুই অসম্ভব নয়। তাই আমরা যাত্রা শুরু করলাম এবং অসম্ভবকে সম্ভব করলাম।
আমি হলাম জামানতদার, ক্রমে শক্তিশালী হয়ে উঠল গ্রামীণ ব্যাংক, যা কখনোই ধসে পড়েনি। এখন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে সারা পৃথিবীতে আমাদের শাখা আছে। যারা বলেছিল আমাদের মডেল ধসে পড়বে, তারাই ধসে পড়েছে।
ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ, আমরা দেখেছি সংসারে নারীদের মাধ্যমে টাকা এলে সেটা বেশি কার্যকর হয়। আমরা যত বেশি ঋণ দিতে থাকলাম তত বেশি রোষের সম্মুখীন হলাম, বিরোধের মুখোমুখি হলাম। শুরুতে আমাদের প্রতিপক্ষ ছিল পুরুষ, শিগগিরই তারা পরিণত হলো ধর্মীয় প্রতিপক্ষে।
লোকজন বলত, আমরা তাদের সংস্কৃতি ধ্বংস করছি। নারীদের থাকা উচিত ঘরের ভেতর, সংসার চালানো তাদের কাজ নয়। তারা বলত, ‘মেয়েদের হাতে টাকা দিয়ে তোমরা আমাদের সংস্কৃতি নষ্ট করছ, তাদের হাতে টাকা থাকা উচিত নয়।’
আমি বলতাম, ‘তোমরা তোমাদের সংস্কৃতি নিয়ে থাক, আমি বিকল্প সংস্কৃতি তৈরি করছি।’
তখন আমার খুব মনে হতো, যেকোনো সংস্কৃতিই অর্থহীন, যদি তা প্রতিনিয়ত কোনো প্রতিসংস্কৃতির মুখোমুখি না হয়। মানুষ সংস্কৃতি তৈরি করে, সংস্কৃতি মানুষ তৈরি করে। এটি দ্বিমুখী চলাচল। যখন মানুষ সংস্কৃতির পেছনে লুকায়, তখন তা মৃত সংস্কৃতি।
এখন প্রায় আশি লক্ষ মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা, এদের ৯৭ শতাংশই নারী। তারা তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠায়। আমরা কেবল আশা করেছিলাম, তারা অন্তত প্রাথমিক শিক্ষাটা শেষ করবে। কিন্তু অসম্ভবও সম্ভব হয়ে উঠল। তারা শুধু প্রাথমিক শিক্ষাই শেষ করল না, উচ্চবিদ্যালয়েও গেল। গ্রামীণ ব্যাংক তাদের সাহস জোগাল, বৃত্তির ব্যবস্থা করল যাতে তারা স্নাতক হতে পারে।
যাতে তাদের এখানেই থামতে না হয় তার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক শিক্ষাঋণের ব্যবস্থা করল। গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষাঋণ নিয়ে ৩৮ হাজার ছাত্র এখন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিত্সা, প্রকৌশলবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশোনা করছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পিএইচডিও অর্জন করেছে।
এদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছে চাকরি চান। কারণ, বাংলাদেশে চাকরি পাওয়া কঠিন। আমি তাদের বলি, তোমরা হলে গ্রামীণ ব্যাংকের সন্তান, তোমাদের অন্যদের মতো করে ভাবা উচিত নয়। আমি তাদের একটি শপথ করতে বলি এবং প্রতিদিন সকালে সেই শপথ আওড়াতে বলি, ‘আমি জীবনে কখনো চাকরি খুঁজব না, আমার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে অন্যের জন্য চাকরি সৃষ্টি করা। আমি চাকরি সন্ধানী নই, চাকরিদাতা।’
আমি বলি, তোমরা বিশেষ কেউ। কারণ, তোমাদের মায়েরা একটি ব্যাংকের মালিক, সেটা হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক। টাকা তোমাদের জন্য সমস্যা নয়। আমি তাদের বলি, ‘তোমাদের মায়েদের ব্যাংক তোমাদের জন্য প্রচুর টাকা গচ্ছিত রেখেছে, পড়াশোনার সময় তোমরা শুধু পরিকল্পনা করবে—কী করে এ টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবে, যাতে অন্যদের জন্য তোমরা চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পার।’
সহকর্মীদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে নারীরাই আমাদের পরিচালনা পর্ষদে বসেন, সিদ্ধান্ত নেন। নিজেদের সম্পদ থেকেই অর্থায়ন হয়। আমরা ভেবে দেখেছি, অর্থায়নের জন্য দাতাদের ওপর নির্ভর করতে হলে আমরা স্থবির হয়ে পড়ব। তাই আমরা মানুষের কাছ থেকে টাকা জমা নিলাম, সেখান থেকেই গরিব মহিলাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করলাম।
এখন আমাদের রয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ও তরুণ একটি প্রজন্ম, যারা বেড়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবারে।
একদিন আমি এক গ্রামে গিয়ে এক মহিলাকে পেলাম, যিনি ১৫ বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর সঙ্গে চটপটে একটি মেয়ে। মেয়েটির সঙ্গে তিনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাঁরই মেয়ে। সে এখন ডাক্তার। ব্যাপারটি আমাকে নাড়া দিল। মহিলাটি তাঁর মেয়েকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়তে পাঠিয়েছিলেন, পাশ করে মেয়েটি কাছের শহরে রোগী দেখে। মা-মেয়ে দুজনকে একসঙ্গে দেখে আমার শুধু একটি কথাই মনে এল—মেয়েটির মা-ও একজন চিকিত্সক হতে পারতেন। তাঁর কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু কেউ তাঁকে সে সুযোগটি দেয়নি। তিনি কখনো স্কুলে যাননি। তিনি শুধু একটি সুযোগই পেয়েছেন—গ্রামীণ ব্যাংকে যোগদানের সুযোগ। তারপর তিনি মেয়েটিকে স্কুলে পাঠিয়েছেন, শিক্ষাঋণ নিয়ে ডাক্তারি পড়িয়েছেন। এটাই ছিল দুজনের মধ্যে তফাত্। কিন্তু এটাই জীবনে কত বিশাল ফারাক তৈরি করেছে।
তাদের দিকে তাকালে সহজেই বোঝা যায়, দারিদ্র্য ব্যক্তিগত নয়। সমস্যা গরিবদের নয়—তারা অন্য যে কারও মতো যেকোনো কিছু করতে সক্ষম। কিন্তু সমাজ তাদের কখনো সে সুযোগটি দেয়নি। সমাজব্যবস্থাই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে। ব্যাংক গরিবদের ঋণ দিতে চায় না। তারা মনে করে গরিবদের ঋণ দিলে তা কখনো উশুল হবে না। কিন্তু আজ সারা বিশ্বে গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রকল্প প্রমাণ করেছে, গরিবরাও ঋণের টাকা ফেরত দেয়।
‘অন্যান্য ব্যাংক কেন এটা করে না?’—এ বিষয়ে তাদের কোনো সদুত্তর নেই। দারিদ্র্যের শিকড় এখানেই প্রোথিত। কিছু প্রতিষ্ঠান মনে করে, গরিবরা চিরদিন গরিবই থাকবে, আর একদল উন্নতি করবে। আমরা যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে পারি, তবেই মানুষ তাদের সৃজনশীলতা দেখাতে পারবে, সন্তানেরা হবে তাদের পিতাদের চেয়ে বেশি সক্ষম।
সমস্যা আছে নীতিনির্ধারণেও। সরকার ও দাতারা গরিবদের যা দেয়, দান হিসেবে দেয়। কিন্তু এটা কোনো সমাধান নয়। দান দারিদ্র্যকে জমাট করে তোলে, মানুষকে আটকে ফেলে। মানুষের ভেতর থেকে দায়িত্ববোধ মুছে দেয়, উদ্যোগকে নিরুত্সাহিত করে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে গরিব মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা, তাদের সহযোগিতা করা, যাতে তারা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করাই হচ্ছে মানুষের জীবন। এটা মানুষকে চ্যালেঞ্জ নিতে উদ্বুদ্ধ করে।
প্রতিষ্ঠিত কিছু ধারণাও এর পেছনে দায়ী। যেমন ধরুন ব্যবসার যে ধারণা। ব্যবসার উদ্দেশ্য দাঁড়িয়েছে টাকা তৈরি করা, সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করা। অস্বীকার করা যাবে না যে, যারা এ ধরনের ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করেছে, তারা মানুষকে শুধু টাকা তৈরির একমাত্রিক হাতিয়ার হিসেবে গণ্য করেছে। কিন্তু মানুষমাত্রই বহুমাত্রিক, তাদের অনেক কিছু প্রয়োজন। তাহলে অর্থনৈতিক তত্ত্বেই বা কেন তাদের অন্য দিকগুলোকে অগ্রাহ্য করে তাদের একমাত্রিক বলে বিবেচনা করা হবে। এখানেই ছিল ভুল।
আমাদের ভেতরে স্বার্থপরতা আছে। এর ওপরই টাকা তৈরির ব্যবসাগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এর দ্বারা চালিত হই বলেই আমরা সবকিছু নিজেদের জন্য চাই। আমি অন্য একধরনের ব্যবসার কথা প্রস্তাব করছি, যার ভিত্তি হবে ‘নিঃস্বার্থপরতা’, আমাদের সবার ভেতরেই যা আছে। এর নাম দিতে চাই সামাজিক ব্যবসা। আমি জানি, কিছু লোক এতে বিনিয়োগে আগ্রহী। কেউ ভাবতে পারে, আমি নির্বোধের মতো কথা বলছি। কিন্তু অনেক মানুষ এখানে হাজার হাজার ডলার বিনিয়োগ করছে। কেউ তাদের নির্বোধ ভাবে না। তাহলে আমাকে কেন এ রকম ভাবা হবে?
আমার মনে হয়, সামাজিক ব্যবসা খুবই যুক্তিযুক্ত। আমরা যদি এটা করতে পারতাম, তবে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। দারিদ্র্য বিমোচনে, পুষ্টি উন্নয়নে, খাবার পানির ব্যবস্থা করতে এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে আমরা সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারি।
বাংলাদেশে আমরা কিছু কাজ করেছি। যখনই আমি কোথাও কোনো সমস্যা দেখি, সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান খুলি। সারা জীবন আমি তা-ই করেছি। গরিবদের ঋণ পাওয়ার সমস্যা দূর করার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছি গ্রামীণ ব্যাংক। আমার জন্য নয়, মানুষের জন্য। আমি এর মালিক নই, মালিক হচ্ছে ঋণগ্রহীতারা। এটা তাদের প্রচুর সাহায্য করে।
শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য আমরা বাংলাদেশে গ্রামীণ ডানোন নামে একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করেছি। এখান থেকে আমরা কোনো লভ্যাংশ নিই না। অপুষ্ট শিশুদের জন্য পুষ্টির ব্যবস্থা করতে এটা করা হয়েছে। আয়রন, ভিটামিন, জিঙ্ক, আয়োডিন পুষ্টির সব উপাদান এতে [এ দই-এ] আছে। এটি সুস্বাদুও। শিশুরা এটি পছন্দ করে, আমি করি, আপনারাও পছন্দ করবেন। কোনো শিশু যদি টানা আট-নয় মাস প্রতি সপ্তাহে দুই কাপ করে এই দই খায়, তাহলে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার মতো সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি সে পাবে।
মাননীয় শ্রোতাগণ, আমরাও কেন এটা করি না। এখানে উপস্থিত যে কেউ এটা করতে পারেন। যে কেউ একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করে বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেন। উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলীর কেউ একজন যদি একটি সামাজিক ব্যবসা শুরু করেন, তবে পাঁচজন লোকের চাকরির ব্যবস্থা হবে। এভাবেই বেকারত্ব কমবে।
আমি আপনি মিলে যদি এ রকম একটি করে সামাজিক ব্যবসা খুলি, তবে অনেকের চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। আমরা যদি নিজেরাই আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারি, তবে আমাদের সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না। যদি পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে একটি বীজ তৈরি হয়। যেখানেই প্রয়োজন সেখানেই আমরা এই বীজ রোপণ করব, যতক্ষণ না বেকার সমস্যার সমাধান হয়, এই বীজ ছড়িয়ে যাব।
সামাজিক ব্যবসায় আমি টাকা বানাতে চাই না, আমি শুধু মানুষের স্বাস্থ্যসুবিধা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই। এটা মানসিকতার পরিবর্তন ঘটায়। আমরা যদি এই বদলে যাওয়া মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে পারি, তবে দারুণ একটি সমাজ পাব। প্রত্যেক কোম্পানিই একটি করে সামাজিক ব্যবসা খুলতে পারে। অনেক জায়গায় কোম্পানি তাদের কার্যক্রম চালাতে চায় না। কারণ, সেখানে ব্যবসা চালানো অতটা লাভজনক নয়। যদি সেই কোম্পানি সেখানে একটি সামাজিক ব্যবসা চালু করে, তবে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং সেখানকার লোকজন এমন অনেক সেবা পাবে, যেগুলো আগে সেখানে ছিল না। এটা টাকা বানানোর জন্য হবে না, হবে সামাজিক ব্যবসার জন্য। আমরা যদি প্রতিষ্ঠান ও প্রচলিত ধারণাগুলোকে বদলাতে পারি, তবে একটা বদলে যাওয়া পৃথিবী পাব।
বর্তমান অর্থনৈতিক দুর্দশা এটাই প্রমাণ করে যে প্রচলিত কাঠামো ভালোভাবে কাজ করছে না। পরিবর্তনের জন্য আদর্শ সময় এটাই, এটাই জেগে ওঠার সময় এবং কোন বিষয়গুলোতে পরিবর্তন জরুরি, সেটা উপলব্ধি করার সময়। আমরা গুরুতর কিছু সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি—অর্থনৈতিক সমস্যা, খাদ্য সমস্যা, জ্বালানি সমস্যা, পরিবেশসংক্রান্ত সমস্যা, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। এটাই কি জেগে ওঠার সেরা সময় নয়?
আমরা জানি কোন বিষয়গুলো বদলাতে হবে। এই নভেম্বরে আমরা বার্লিন দেয়াল পতনের ২০ বছর পালন করব। সেই দেয়াল কোনো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মারণাস্ত্র বা অপ্রতিরোধ্য কোনো সেনাবাহিনী দ্বারা ধ্বংস হয়নি। সেই দেয়াল চূর্ণ করেছে কিছু একতাবদ্ধ মানুষ, যাদের অনেকের কোলে ছিল তাদের সন্তানেরা। এটাকেই আমরা মানুষের শক্তি বলে থাকি।
যদি কিছু মানুষ এ রকম পরাক্রমশালী একটি দেয়াল ধূলিস্মাত্ করে দিতে পারে, তবে দারিদ্র্য কেন পৃথিবী থেকে দূর করা যাবে না? দারিদ্র্যের দেয়ালও ভেঙে দিতে পারে মানুষের মিলিত শক্তি। এটা খুবই সম্ভব।
এ বছর মানুষের চাঁদে যাওয়ার ৪০তম বার্ষিকী। মানুষ কখনো ভাবেনি এরকমটি হবে। তারা এটাকে এক ধরনের পাগলামো মনে করত। কিন্তু ৪০ বছর আগে সব মানুষের চোখের সামনে এটা ঘটেছে। আমরা যদি চাঁদে যেতে পারি, তবে আমাদের দরিদ্র প্রতিবেশীর কাছে কেন যেতে পারব না তার দারিদ্র্য নিরসনের জন্য? এটাই যুগে যুগে মানুষ করেছে।
সব সময় মানুষ তা করত। কারণ, তারা এটা করার প্রয়োজনীয়তাটুকু বুঝতে পারত। কারণ, এটাকে অসম্ভব বলে প্রতীয়মান হতো। আপনি যদি মনে করেন, দারিদ্র্যমুক্ত পৃথিবী গড়া অসম্ভব, তাহলে সে চেষ্টাই করা উচিত। কারণ, করার জন্য উপযুক্ত কাজ এটাই।
মাদিবার ৯১তম জন্মদিনে এখানে আমরা একত্র হয়েছি, যিনি ইতি টেনেছেন বর্ণবৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার—সবাই মনে করত, এটা কখনোই হতে পারে না। তিনি এটাকে সম্ভব করে তুলে অসম্ভবকে সাধন করেছেন। আমরা সাম্রাজ্যবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি, মুক্তি পেয়েছি দাসত্ব ও বর্ণবৈষম্য থেকেও, যেগুলোর প্রত্যেকটিই অসম্ভব মনে হতো। আসুন, আমরা আরেকটি অসম্ভবের দিকে হাত বাড়াই, উত্সাহ-আনন্দ নিয়ে কাজটি শেষ করি, দারিদ্র্যমুক্ত একটি পৃথিবী গড়ে তুলি। চলুন, আমরা আমাদের মনের মতো একটি পৃথিবী গড়ে তুলি।
মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই আফ্রিকাতেই। আসুন, আফ্রিকা থেকে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকেই প্রথম দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলি, যেখানে কোনো দরিদ্র লোক থাকবে না। আসুন দ্রুত এটা করি, ২০ বছরের মধ্যেই। আপনারা হাসছেন। কারণ, এটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছে। যদিও অসম্ভব মনে হচ্ছে, কিন্তু এটাকে সম্ভব করার মতো সব উপাদানই এখানে আছে। আমরা শপথ নিই, আমরা এটা করবই। আসুন আমরা পরিকল্পনা করি, ২০ বছর পর দারিদ্র্যমুক্ত হওয়ার পর আমরা কী করব? যেমন ধরেন, আমরা বিজ্ঞাপন দিতে পারি, যদি কেউ দক্ষিণ আফ্রিকায় একজন দরিদ্র লোক খুঁজে পায়, তবে তাকে এক মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী থাকব, কেউ এই পুরস্কার দাবি করতে পারবে না। কারণ কেউ কোনো দরিদ্র লোক দক্ষিণ আফ্রিকায় খুঁজে পাবে না।
আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাতেই প্রথম দারিদ্র্য জাদুঘর চালু করব। আমাদের শিশুরা সেখানে দেখতে যাবে—কেমন ছিল দরিদ্র মানুষের জীবন। আসুন, আমরা এটাকে সম্ভব করে তুলি। ধন্যবাদ।
সপ্তম নেলসন ম্যান্ডেলা বার্ষিক বক্তৃতা, জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা। ১১ জুলাই ২০০৯
ইংরেজি থেকে অনুবাদ তামিম ইয়ামীন
মুহাম্মদ ইউনূস: নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1389)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 15
(28)
- শিয়ালদহ থেকে আজমির পর্যন্ত প্রতিদিন চলবে এক্সপ্রেস...
- সবুজ বিপ্লবের জনক নোবেলজয়ী নরম্যান বরলগ আর নেই
- নিট খাতে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান
- নতুন কমিটির প্রতি দাবাড়ুদের অনাস্থা
- ফাইনালেই প্রতিশোধ চায় ভারত
- আত্মহত্যার ঝুঁকিতে সেমেনিয়া
- এ দলের সফরসূচিতে পরিবর্তন
- কিউবার বিপ্লবী নেতা আলমেইদার জীবনাবসান
- জেট এয়ারওয়েজের বিমান চলাচল শুরু
- ভারতে সরকারের মোট খরচের ৭৫ শতাংশ হয় মন্ত্রীদের বিদ...
- নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খুশি পন্টিং
- ইংল্যান্ডকে ধসিয়ে দিলেন লি
- এ দলের ক্রিকেটারদের আলাদা দলবদল
- বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি বেইনস আর নেই
- ৯/১১-এর হামলায় নিহতদের স্মরণ করল বিশ্ববাসী
- সামুদ্রিক পাখি ফিজি পেট্রেলের দেখা মিলল আবার
- সুঁই-সিরিঞ্জের বদলে কলম -চারদিক by আবদুল কুদ্দুস
- সংসদীয় কমিটি সাজিয়ে রাখার জিনিস নয় -জবাবদিহি by মল...
- তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা by হাসিব বিন জামান
- আমরাই পারি পৃথিবী বদলে দিতে -নেলসন ম্যান্ডেলা বক্ত...
- ভারত ও পাকিস্তানের পাল্টাপাল্টি রকেট ও গুলি ছোড়ার ...
- একের পর এক পশুমৃত্যুর রহস্য কী -চিড়িয়াখানায় বাঘ-সি...
- রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালক নিয়োগ অগ্রহণযোগ্য -রাষ্ট...
- মধ্যপ্রাচ্য রবার্ট ফিস্ক ফিরে দেখা: সিরিয়া-ইরাক সম...
- সময়চিত্র আসিফ নজরুল বিচার বিভাগ: অসামান্য মানুষের ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘আসি বলে চলে গেল...’ মুস্তাফা জামান আ...
- ঈদে পরিবহন-ভোগান্তি নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরার বন্দোবস্ত...
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন মোড় পারস্পরিক সহযোগিত...
-
▼
Sep 15
(28)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment