Tuesday, January 19, 2016
বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্ম by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম
বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্ম by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম
স্বাধীনতার ঘোষণা। শব্দগুলো হুবহু এ রকম নয়; কিন্তু আমি সহজ করে উপস্থাপন করার জন্য এ রকম করে সাজিয়েছি উদ্বৃতি চিহ্নের মধ্যে। ‘আমি মেজর জিয়া; আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি। আমি মেজর জিয়া; আমি আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি। আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, দখলদার বাহিনীর হাত থেকে আমাদের দেশকে মুক্ত করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ ইতোমধ্যই শুরু হয়ে গেছে। স্বাধীনতাকামী দেশবাসী এবং মানবতাবাদী বিশ্ববাসীর প্রতি আমার আহ্বান, আমাদের এই যুদ্ধে আপনারা আমাদের পাশে দাঁড়ান; এই যুদ্ধে আমাদের সহায়তা করুন; আমাদের সরকার এবং রাষ্ট্রকে আপনারা স্বীকৃতি দিন।’ ২৭ মার্চ ১৯৭১, চট্টগ্রাম মহানগরের উপকণ্ঠের তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানের কালুরঘাট সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এরূপ কথাগুলোই নিজের কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন। তার আগের দিন, ঘড়ির কাঁটা ২৬ মার্চ ১৯৭১-এর আগমন ঘোষণা করেছিল, তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পিএসসি, ব্যাটালিয়নের সৈনিকদের সামনে একটি শূন্য ড্রামের ওপর দাঁড়িয়ে উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন অনেকটা এ রকম, ‘আমরা বিদ্রোহ করলাম; আমরা মুক্তিযুদ্ধ শুরু করলাম।’ ব্যাটালিয়নের সবাই উচ্চস্বরে সম্মতি দিয়েছিল।
বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে, সম্মানিত পাঠকের বরাবর আমার বিনীত নিবেদন এই কলাম। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ায় তার জন্ম। তার বাবা মনসুর রহমান ছিলেন সরকারি দফতরে চাকরিরত একজন রসায়নবিদ। মায়ের নাম ছিল জাহানারা খাতুন (প্রকাশ রানী)। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জিয়া ছিলেন দ্বিতীয়। তার শৈশবের কিছুকাল বগুড়ার গ্রামে ও কিছুকাল কলকাতা শহরে কাটে। ভারত বিভাজনের পর তিনি প্রথমে পরিবারের সাথে পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন অতঃপর তার বাবার সাথে করাচি চলে যান। সেখান থেকে তিনি পরবর্তী ধাপের লেখাপড়া শেষ করেন এবং ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুল-এ যোগ দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনে যেমন অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্যে, ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ছয় দফা উপস্থাপনের দিনটি অথবা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটি, অধিকতর স্মরণীয় এবং অধিকতর উজ্জ্বল; তেমনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্যে ২৬ ও ২৭ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার দিনটি অথবা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের দিনটি অধিকতর স্মরণীয় এবং অধিকতর উজ্জ্বল। জিয়াউর রহমান যেহেতু সেনাবাহিনীতে ছিলেন, সেহেতু স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে আমার মতো ক্ষুদ্র ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই শুরু। ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুল থেকে কমিশন পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তার সাথে আরো বাঙালি তরুণ ছিলেন, যারা একই দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন; এদের একজনকে অনেকেই সহজে চিনবেন যথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম সেনাবাহিনী প্রধান বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ বীর উত্তম। কমিশনের পরদিন থেকে জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় তিনি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন এবং বীরত্বের সাথে বর্তমান পাকিস্তানের লাহোরের কাছে ভারতীয় সীমান্তে প্রতিরক্ষা যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধের পরে ১৯৭১-এর আগে, জিয়াউর রহমান চারটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমান পাকিস্তানের কোয়েটার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করে পিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। দ্বিতীয়ত, তিনি পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুলে একজন প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তৃতীয়ত, সেনাবাহিনীর মনোনীত হয়ে তিনি ছয় মাসের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে জার্মানি যান। চতুর্থত, তিনি ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলোশহরে নবপ্রতিষ্ঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে উপ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৫-এর পরে ১৯৭১-এর আগে সময়টা ছিল উত্তাল। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবিনামা উপস্থাপন করেন। ১৯৬৮-এর শেষাংশ থেকে পুরো ১৯৬৯ ছিল গণ-আন্দোলনের বছর। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর ছিল তৎকালীন পাকিস্তানব্যাপী সাধারণ নির্বাচন; যেই নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ ভূমিধস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। নির্বাচনের ফলাফলের তাৎপর্য ছিল এই যে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ছয় দফার ভিত্তিতে স্বাধিকার চান তথা পাকিস্তানের সংবিধানকে সংশোধন করে নতুন শাসনতান্ত্রিক কাঠামো চান। তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের রায়কে উপেক্ষা করেন এবং মানতে অস্বীকার করেন। এই ষড়যন্ত্রমূলক আচরণের প্রথম আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল ১ মার্চ ১৯৭১ তারিখে, যেদিন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা সরকার আসন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশনকে স্থগিত ঘোষণা করে। এরপর আসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ।
ওপরের দু’টি অনুচ্ছেদের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে উঠছিলেন। তিনি ক্রমেই জনগণের আকাক্সক্ষাকে নিজের হৃদয়ে স্থান দিয়েছিলেন। নিজে সামরিক কর্মকর্তা হলেও শৃঙ্খলার কঠিন বেড়াজালে আবদ্ধ হলেও তিনি নিজেকে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণের জন্য কী খেদমত করা যায় সে প্রসঙ্গে চিন্তাভাবনা শুরু করার সুযোগ ও পরিবেশ পেয়েছিলেন। আমার চাকরি জীবনে, ১৯৯৩ সালের মে থেকে ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমি চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে ১০ মাইল উত্তরে ভাটিয়ারির বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব মেয়াদের শেষ ছয় মাস আমি ব্যস্ত ছিলাম একটি অতিরিক্ত কাজে। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদর দফতরের উল্টো দিকে একটি পুরনো একতলা দালানকে সংস্কার করে সেখানে স্থাপন করা হচ্ছিল এক মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পুরো চট্টগ্রাম জেলা ছিল ১ নম্বর সেক্টরের অধীন। সেই ১ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে উদ্ভাসিত রাখার জন্য আমরা ওই মুক্তিযুদ্ধ-জাদুঘর স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মুক্তিযোদ্ধা লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রম এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান বীর উত্তমের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায়, আমার সার্বিক নেতৃত্বে ও পরিচালনায় ওই জাদুঘরটি স্থাপিত হয়। ওই জাদুঘরের নাম স্মৃতি অম্লান। সেই জাদুঘর স্থাপনের কাজ করতে গিয়ে আমরা অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও মেজর জিয়াউর রহমানের অনেক কিছু জানতে পারি। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকেই মেজর জিয়া সন্ধ্যার পরে রাতের বেলা একটি টয়োটা কারে করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় যেতেন। উদ্দেশ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা বাহিনীদের চোখ এড়িয়ে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনগণকে নিয়ে কী করা যায়, সে পরিকল্পনা করা। ওই টয়োটা কারের মালিক, ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসে, চট্টগ্রাম সেনানিবাসের কর্তৃপক্ষের কাছে, মিউজিয়ামে প্রদর্শনের নিমিত্তে, ওই কারটি অফেরতযোগ্য উপহারস্বরূপ দেন। সেনানিবাসের স্বাভাবিক বিধিনিষেধ মানা সাপেক্ষে, যে কেউ ইচ্ছা করলে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে প্রবেশের বায়েজিদ বোস্তামি গেট দিয়ে প্রবেশ করলেই, এক শ’ গজ মাত্র যাওয়ার পর ওই মিউজিয়ামের একতলা ভবনটি দেখতে পাবেন এবং তার সামনে কারটি দণ্ডায়মান দেখতে পাবেন।
১৯৭১-এর ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম অপারেশনাল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সভাপতিত্ব ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন তৎকালীন কর্নেল এম এ জি ওসমানী। মেজর জিয়া সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭১-এর জুন-জুলাই মাসে যখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজনে প্রথম ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করতে হলো, তখন লে. কর্নেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স গঠন করা হয়। জেড ফোর্স বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত এবং উত্তর-পূর্ব এলাকায় যুদ্ধ করে। ঢাকা পতনের চার দিন আগেই জেড ফোর্স বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশ শত্রুমুক্ত করে। আরো অনেকের সাথে তিনি বীর উত্তম খেতাব পান। প্রথম তিন মাস তিনি জেড ফোর্স থেকে রূপান্তরিত হওয়া ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, কুমিল্লা সেনানিবাসে। কুমিল্লা সেনানিবাসের তৎকালীন নাম ছিল ময়নামতি সেনানিবাস। এখনো সর্ব দক্ষিণের প্রবেশপথ দিয়ে সেনানিবাসে ঢুকতে গেলেই হাতের বাঁয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ দেখা যাবে, যেটি জিয়াউর রহমানের নির্দেশে তিন মাসের মধ্যেই স্থাপিত হয়েছিল। ১৯৭২ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপ-সেনাবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন। যদিও তিনি জিয়াউর রহমান থেকে কনিষ্ঠ ছিলেন, তথাপি সফিউল্লাহকেই তৎকালীন সরকার সেনাবাহিনী প্রধান নিয়োগ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে বঙ্গবন্ধু হত্যা ঘটনার পর সমগ্র দেশে ও প্রশাসনে অনেক কিছু ওলট-পালট হয়। প্রায় তিন বছর চার মাস আট দিন চাকরির পর, তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লাহকে (বীর উত্তম) সরিয়ে তার জায়গায় মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে (বীর উত্তম) সেনাবাহিনী প্রধান নিয়োগ করা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালী চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের নেতৃত্বে একটি কু অনুষ্ঠিত হয়। এই কু-এর নেতৃবৃন্দ ৩ নভেম্বর শুরু হওয়া মাত্রই জিয়াউর রহমানকে নিজ বাসভবনে বন্দী করেন। জিয়াউর রহমান কোনো প্রকার অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে চাননি; তিনি সেনাবাহিনী প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন; এই শূন্যস্থানে ৫ নভেম্বর তারিখে খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম সেনাবাহিনী প্রধান হয়ে যান। ইতোমধ্যে ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লব সাধিত হয়। স্বাধীনতাকামী, জাতীয়তাবাদী, মুক্তিযুদ্ধমুখী সাধারণ সৈনিকেরা তৎকালীন জাসদের ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করেই জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন এবং সেনাবাহিনী প্রধানের পদে তিনি আবার আসীন হন। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুনরুজ্জীবনের দিন। বিশৃঙ্খলা থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর কাঠামো অস্তিত্ব এবং আনুগত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিন মাস আগে খন্দকার মোশতাকের জারি করা মার্শাল ল শাসন মোতাবেক, মোস্তাক ছিলেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ ছিলেন অন্যতম উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। ৭ নভেম্বরের পর নতুন প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম হলেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং নতুন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলেন অন্যতম উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। কালক্রমে, দেশের প্রশাসন জিয়াউর রহমানের প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে গণভোটের মাধ্যমে, পরে প্রকাশ্য নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে অতি প্রত্যুষে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারি সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে একটি সেনাবিদ্রোহের ফলে জিয়াউর রহমান শহীদ হন। বীর উত্তম জিয়াউর রহমান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশে অনেকগুলো দূরদর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
এই সংক্ষিপ্ত কলামে অনেক কিছু লেখা যাবে না। তারপরও তারিখের ধারাবাহিতকা বজায় না রেখেই আমি এ রকম কিছু দূরদর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ কাজ বা কিছু সিদ্ধান্ত বা কিছু অর্জনের কথা বর্তমান প্রজন্মের উপকারার্থে তথা এই কলামের সম্মানিত পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করছি।
এক. ১৯৭২-এ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রক্ষীবাহিনী জনগণের মানসপটে একটি ভীতিকর বাহিনী ছিল এবং তৎকালীন সেনাবাহিনীর মানসপটে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনী ছিল। সেনাবাহিনী প্রধান হওয়ার পরপরই জিয়াউর রহমানের তৎপরতায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, রক্ষীবাহিনীকে ভেঙে দেয়া হবে না বরং তাদেরকে দেশের সেবার জন্য নতুন সুযোগ দেয়া হবে। রক্ষীবাহিনীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে একীভূত বা আত্তীকরণ তথা ইন্টিগ্রেট করা হয়। পরিহাসের বিষয় যদিও এই মুহূর্তে (২০০৯ থেকে ২০১৬) জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ সমালোচনাকারীদের মধ্যে, সাবেক রক্ষীবাহিনীর ও পরে সেনাবাহিনীর কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অফিসার আছেন।
দুই. ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সাংগঠনিক পর্যায় ছিল ব্যাটালিয়ন, তার ওপরে ব্রিগেড এবং তার ওপরে সেনাবাহিনীর সদর দফতর। জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-এর শুরুতেই নবম পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক স্তরকে এক ধাপ ওপরে নিয়ে যান।
তিন. জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জন যেমন সেনাসদস্য ও জনগণের সম্মিলিত প্রয়াস ছিল, তেমনই দুর্যোগকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্বও যৌথভাবে সামরিক বাহিনী ও জনগণকে পালন করতে হবে। অতএব জনগণকে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তার জন্য তিনি ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি বা ভিডিপি নামে একটি সংগঠন সৃষ্টি করেন এবং ১০ বছরের মধ্যে এক কোটি বাংলাদেশীকে ভিডিপিতে প্রশিক্ষণ দেবেন এই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেন। ভিডিপি প্রশিক্ষণের মৌলিক অংশ ছিল একেবারেই প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ, অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ এবং দ্বিতীয় অংশ ছিল জীবিকা নির্বাহের উন্নতির জন্য একটি সেকেন্ডারি পেশা যথা হাঁস-মুরগি পালন যথা ক্ষেত-খামারকরণ ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ।
চার. জিয়াউর রহমান পর্যায়ক্রমে সামরিক আইন শাসনকে শিথিল করেন এবং আড়াই বছরের মাথায় এটি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রত্যাহার করেন।
পাঁচ. ১৯৭৫ সালে আনীত বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে যে বহুদলীয় গণতন্ত্র নিষিদ্ধ হয়েছিল, জিয়াউর রহমান পুনরায় সেই বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং বাকশাল হওয়ার আগে যেসব রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে বিদ্যমান ও সক্রিয় ছিল, সবগুলোকে নতুনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ দেন। তিনি নতুন রাজনৈতিক দল চালু করার অনুমতি দেন এবং উদ্যোগও নেন। বহুদলীয়, সংসদ নির্বাচন এবং সর্বজনীন ভোটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বন্দোবস্ত করেন। সংবাদপত্রের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।
ছয়. বিদেশ সম্পর্কের অঙ্গনে, জিয়াউর রহমান সার্কের (বা দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা) স্বপ্নদ্রষ্টা। অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স, নন-অ্যালাইন মুভমেন্ট এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস- এই তিনটি সংগঠনেই বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেন। তিনি আল কুদস কমিটির সদস্য ছিলেন।
সাত. শিল্পাঙ্গনে, পূর্বে অনুসৃত জাতীয়করণ নীতি স্থগিত করেন। ব্যক্তি উদ্যোগে শিল্প প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান ঢাকা মহানগরের মতিঝিলে অবস্থিত শিল্পভবন নামক বহুতল দালানটি জিয়াউর রহমানের আমলেই করা।
আট. সরকারি কর্মকাণ্ডের সম্প্রসার ঘটান। তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেন। শিশু অ্যাকাডেমি জিয়াউর রহমানেরই উদ্যোগ।
নয়. তিনি পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শিশু হাসপাতল, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন।
দশ. মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার অন্যতম নির্দশনস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয় সম্মান হিসেবে ‘একুশে পদক’ প্রদান প্রবর্তন করেন।
এগারো. বহুধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি সম্মানের নির্দশনস্বরূপ তিনি চীন থেকে, অতিশ দীপঙ্কর ও শ্রীজ্ঞানের দেহভস্ম বাংলাদেশে আনেন এবং একটি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করে রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগরের রামপুরায় অবস্থিত টেলিভিশন ভবনে, তৎকালীন বেতার ও তথ্য বিভাগের পদস্থ অফিসারদের এক সমাবেশে জেনারেল জিয়াউর রহমান বলেছিলেন (দৈনিক বাংলা ১৪ মার্চ ১৯৭৬): ‘আমরা সকলে বাংলাদেশী। আমরা প্রথমে বাংলাদেশী এবং শেষেও বাংলাদেশী। এই মাটি আমাদের, এই মাটি থেকে আমাদের অনুপ্রেরণা আহরণ করতে হবে। জাতিকে শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। ঐক্য, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, নিষ্ঠা ও কঠোর মেহনতের মাধ্যমেই তা সম্ভব।’ ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের সাংবাদিক ‘সুজান গ্রিন’, ঢাকা থেকে পাঠানো এক ডেসপাচে লিখেছিলেন, ‘সাম্যের প্রতীক ও সৎ লোকরূপে ব্যাপকভাবে গণ্য জিয়াউর রহমান, স্বনির্ভর সংস্কার কর্মসূচি শুরু করে বাংলাদেশের ভিক্ষার ঝুলি ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন।’ মালয়েশিয়া দৈনিক ‘বিজনেস টাইমস’-এ প্রকাশিত ওই ডেসপাচে বলা হয় : ‘অতীতে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত করেছিল যে মহাপ্লাবী সমস্যাগুলো, রাষ্ট্রপতি জিয়া কার্যত সেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (দৈনিক ইত্তেফাক, ৪ নভেম্বর ১৯৭৯)।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরোক্ষ নেতৃত্বে, প্রবাসী সরকারের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে, রণাঙ্গনের লাখো মুক্তিযোদ্ধার জ্যেষ্ঠতম অধিনায়কদের অন্যতম ছিলেন সেক্টর কমান্ডার ও ফোর্স কমান্ডার মেজর, পরবর্তীকালে লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান। একান্ত শৃঙ্খলা অনুরাগী দেশপ্রেমিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলেই উপ-সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আন্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। পরিবেশ এবং জনআকাক্সক্ষা যখন তাকে জাতির চালকের আসনে বসায়, তখনো, বীর উত্তম জিয়াউর রহমান একান্তই আন্তরিক দেশপ্রেমিকতার সাথে দেশের সেবা করেন। তিনি ছিলেন সামরিক জেনারেল, রূপান্তরিত হয়েছিলেন একজন রাজনীতিবিদে এবং সঙ্গতভাবেই উন্নীত হয়েছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদায়। এতদসত্ত্বেও চিরন্তন ঘোষণা হবে এরূপ : জিয়াউর রহমান একজন মানুষ ছিলেন; মানুষ হিসেবে তারও ভুলভ্রান্তি ছিল; ভুলভ্রান্তি থাকাই স্বাভাবিক; কিন্তু তার অর্জন ছিল অনেক বেশি, অনেক মহৎ ও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯ জানুয়ারি বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে আমরা তার বিদেহী আত্মার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি; তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:), চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে, সম্মানিত পাঠকের বরাবর আমার বিনীত নিবেদন এই কলাম। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ায় তার জন্ম। তার বাবা মনসুর রহমান ছিলেন সরকারি দফতরে চাকরিরত একজন রসায়নবিদ। মায়ের নাম ছিল জাহানারা খাতুন (প্রকাশ রানী)। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জিয়া ছিলেন দ্বিতীয়। তার শৈশবের কিছুকাল বগুড়ার গ্রামে ও কিছুকাল কলকাতা শহরে কাটে। ভারত বিভাজনের পর তিনি প্রথমে পরিবারের সাথে পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন অতঃপর তার বাবার সাথে করাচি চলে যান। সেখান থেকে তিনি পরবর্তী ধাপের লেখাপড়া শেষ করেন এবং ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুল-এ যোগ দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনে যেমন অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্যে, ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ছয় দফা উপস্থাপনের দিনটি অথবা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটি, অধিকতর স্মরণীয় এবং অধিকতর উজ্জ্বল; তেমনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্যে ২৬ ও ২৭ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার দিনটি অথবা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের দিনটি অধিকতর স্মরণীয় এবং অধিকতর উজ্জ্বল। জিয়াউর রহমান যেহেতু সেনাবাহিনীতে ছিলেন, সেহেতু স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে আমার মতো ক্ষুদ্র ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই শুরু। ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুল থেকে কমিশন পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তার সাথে আরো বাঙালি তরুণ ছিলেন, যারা একই দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন; এদের একজনকে অনেকেই সহজে চিনবেন যথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম সেনাবাহিনী প্রধান বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ বীর উত্তম। কমিশনের পরদিন থেকে জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় তিনি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন এবং বীরত্বের সাথে বর্তমান পাকিস্তানের লাহোরের কাছে ভারতীয় সীমান্তে প্রতিরক্ষা যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধের পরে ১৯৭১-এর আগে, জিয়াউর রহমান চারটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমান পাকিস্তানের কোয়েটার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করে পিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। দ্বিতীয়ত, তিনি পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমি কাকুলে একজন প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তৃতীয়ত, সেনাবাহিনীর মনোনীত হয়ে তিনি ছয় মাসের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে জার্মানি যান। চতুর্থত, তিনি ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলোশহরে নবপ্রতিষ্ঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে উপ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৫-এর পরে ১৯৭১-এর আগে সময়টা ছিল উত্তাল। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবিনামা উপস্থাপন করেন। ১৯৬৮-এর শেষাংশ থেকে পুরো ১৯৬৯ ছিল গণ-আন্দোলনের বছর। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর ছিল তৎকালীন পাকিস্তানব্যাপী সাধারণ নির্বাচন; যেই নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ ভূমিধস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। নির্বাচনের ফলাফলের তাৎপর্য ছিল এই যে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ছয় দফার ভিত্তিতে স্বাধিকার চান তথা পাকিস্তানের সংবিধানকে সংশোধন করে নতুন শাসনতান্ত্রিক কাঠামো চান। তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের রায়কে উপেক্ষা করেন এবং মানতে অস্বীকার করেন। এই ষড়যন্ত্রমূলক আচরণের প্রথম আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল ১ মার্চ ১৯৭১ তারিখে, যেদিন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা সরকার আসন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশনকে স্থগিত ঘোষণা করে। এরপর আসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ।
ওপরের দু’টি অনুচ্ছেদের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে উঠছিলেন। তিনি ক্রমেই জনগণের আকাক্সক্ষাকে নিজের হৃদয়ে স্থান দিয়েছিলেন। নিজে সামরিক কর্মকর্তা হলেও শৃঙ্খলার কঠিন বেড়াজালে আবদ্ধ হলেও তিনি নিজেকে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণের জন্য কী খেদমত করা যায় সে প্রসঙ্গে চিন্তাভাবনা শুরু করার সুযোগ ও পরিবেশ পেয়েছিলেন। আমার চাকরি জীবনে, ১৯৯৩ সালের মে থেকে ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আমি চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে ১০ মাইল উত্তরে ভাটিয়ারির বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব মেয়াদের শেষ ছয় মাস আমি ব্যস্ত ছিলাম একটি অতিরিক্ত কাজে। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদর দফতরের উল্টো দিকে একটি পুরনো একতলা দালানকে সংস্কার করে সেখানে স্থাপন করা হচ্ছিল এক মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পুরো চট্টগ্রাম জেলা ছিল ১ নম্বর সেক্টরের অধীন। সেই ১ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে উদ্ভাসিত রাখার জন্য আমরা ওই মুক্তিযুদ্ধ-জাদুঘর স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মুক্তিযোদ্ধা লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বীর বিক্রম এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান বীর উত্তমের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায়, আমার সার্বিক নেতৃত্বে ও পরিচালনায় ওই জাদুঘরটি স্থাপিত হয়। ওই জাদুঘরের নাম স্মৃতি অম্লান। সেই জাদুঘর স্থাপনের কাজ করতে গিয়ে আমরা অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও মেজর জিয়াউর রহমানের অনেক কিছু জানতে পারি। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকেই মেজর জিয়া সন্ধ্যার পরে রাতের বেলা একটি টয়োটা কারে করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় যেতেন। উদ্দেশ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা বাহিনীদের চোখ এড়িয়ে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনগণকে নিয়ে কী করা যায়, সে পরিকল্পনা করা। ওই টয়োটা কারের মালিক, ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসে, চট্টগ্রাম সেনানিবাসের কর্তৃপক্ষের কাছে, মিউজিয়ামে প্রদর্শনের নিমিত্তে, ওই কারটি অফেরতযোগ্য উপহারস্বরূপ দেন। সেনানিবাসের স্বাভাবিক বিধিনিষেধ মানা সাপেক্ষে, যে কেউ ইচ্ছা করলে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে প্রবেশের বায়েজিদ বোস্তামি গেট দিয়ে প্রবেশ করলেই, এক শ’ গজ মাত্র যাওয়ার পর ওই মিউজিয়ামের একতলা ভবনটি দেখতে পাবেন এবং তার সামনে কারটি দণ্ডায়মান দেখতে পাবেন।
১৯৭১-এর ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম অপারেশনাল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সভাপতিত্ব ও নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন তৎকালীন কর্নেল এম এ জি ওসমানী। মেজর জিয়া সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭১-এর জুন-জুলাই মাসে যখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজনে প্রথম ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করতে হলো, তখন লে. কর্নেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স গঠন করা হয়। জেড ফোর্স বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত এবং উত্তর-পূর্ব এলাকায় যুদ্ধ করে। ঢাকা পতনের চার দিন আগেই জেড ফোর্স বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশ শত্রুমুক্ত করে। আরো অনেকের সাথে তিনি বীর উত্তম খেতাব পান। প্রথম তিন মাস তিনি জেড ফোর্স থেকে রূপান্তরিত হওয়া ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, কুমিল্লা সেনানিবাসে। কুমিল্লা সেনানিবাসের তৎকালীন নাম ছিল ময়নামতি সেনানিবাস। এখনো সর্ব দক্ষিণের প্রবেশপথ দিয়ে সেনানিবাসে ঢুকতে গেলেই হাতের বাঁয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ দেখা যাবে, যেটি জিয়াউর রহমানের নির্দেশে তিন মাসের মধ্যেই স্থাপিত হয়েছিল। ১৯৭২ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপ-সেনাবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন। যদিও তিনি জিয়াউর রহমান থেকে কনিষ্ঠ ছিলেন, তথাপি সফিউল্লাহকেই তৎকালীন সরকার সেনাবাহিনী প্রধান নিয়োগ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে বঙ্গবন্ধু হত্যা ঘটনার পর সমগ্র দেশে ও প্রশাসনে অনেক কিছু ওলট-পালট হয়। প্রায় তিন বছর চার মাস আট দিন চাকরির পর, তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লাহকে (বীর উত্তম) সরিয়ে তার জায়গায় মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে (বীর উত্তম) সেনাবাহিনী প্রধান নিয়োগ করা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালী চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের নেতৃত্বে একটি কু অনুষ্ঠিত হয়। এই কু-এর নেতৃবৃন্দ ৩ নভেম্বর শুরু হওয়া মাত্রই জিয়াউর রহমানকে নিজ বাসভবনে বন্দী করেন। জিয়াউর রহমান কোনো প্রকার অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে চাননি; তিনি সেনাবাহিনী প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন; এই শূন্যস্থানে ৫ নভেম্বর তারিখে খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম সেনাবাহিনী প্রধান হয়ে যান। ইতোমধ্যে ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লব সাধিত হয়। স্বাধীনতাকামী, জাতীয়তাবাদী, মুক্তিযুদ্ধমুখী সাধারণ সৈনিকেরা তৎকালীন জাসদের ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করেই জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন এবং সেনাবাহিনী প্রধানের পদে তিনি আবার আসীন হন। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুনরুজ্জীবনের দিন। বিশৃঙ্খলা থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর কাঠামো অস্তিত্ব এবং আনুগত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিন মাস আগে খন্দকার মোশতাকের জারি করা মার্শাল ল শাসন মোতাবেক, মোস্তাক ছিলেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ ছিলেন অন্যতম উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। ৭ নভেম্বরের পর নতুন প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম হলেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং নতুন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলেন অন্যতম উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। কালক্রমে, দেশের প্রশাসন জিয়াউর রহমানের প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে গণভোটের মাধ্যমে, পরে প্রকাশ্য নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে অতি প্রত্যুষে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারি সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে একটি সেনাবিদ্রোহের ফলে জিয়াউর রহমান শহীদ হন। বীর উত্তম জিয়াউর রহমান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশে অনেকগুলো দূরদর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
এই সংক্ষিপ্ত কলামে অনেক কিছু লেখা যাবে না। তারপরও তারিখের ধারাবাহিতকা বজায় না রেখেই আমি এ রকম কিছু দূরদর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ কাজ বা কিছু সিদ্ধান্ত বা কিছু অর্জনের কথা বর্তমান প্রজন্মের উপকারার্থে তথা এই কলামের সম্মানিত পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করছি।
এক. ১৯৭২-এ প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রক্ষীবাহিনী জনগণের মানসপটে একটি ভীতিকর বাহিনী ছিল এবং তৎকালীন সেনাবাহিনীর মানসপটে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনী ছিল। সেনাবাহিনী প্রধান হওয়ার পরপরই জিয়াউর রহমানের তৎপরতায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, রক্ষীবাহিনীকে ভেঙে দেয়া হবে না বরং তাদেরকে দেশের সেবার জন্য নতুন সুযোগ দেয়া হবে। রক্ষীবাহিনীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে একীভূত বা আত্তীকরণ তথা ইন্টিগ্রেট করা হয়। পরিহাসের বিষয় যদিও এই মুহূর্তে (২০০৯ থেকে ২০১৬) জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ সমালোচনাকারীদের মধ্যে, সাবেক রক্ষীবাহিনীর ও পরে সেনাবাহিনীর কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অফিসার আছেন।
দুই. ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সাংগঠনিক পর্যায় ছিল ব্যাটালিয়ন, তার ওপরে ব্রিগেড এবং তার ওপরে সেনাবাহিনীর সদর দফতর। জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-এর শুরুতেই নবম পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক স্তরকে এক ধাপ ওপরে নিয়ে যান।
তিন. জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জন যেমন সেনাসদস্য ও জনগণের সম্মিলিত প্রয়াস ছিল, তেমনই দুর্যোগকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্বও যৌথভাবে সামরিক বাহিনী ও জনগণকে পালন করতে হবে। অতএব জনগণকে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তার জন্য তিনি ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি বা ভিডিপি নামে একটি সংগঠন সৃষ্টি করেন এবং ১০ বছরের মধ্যে এক কোটি বাংলাদেশীকে ভিডিপিতে প্রশিক্ষণ দেবেন এই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেন। ভিডিপি প্রশিক্ষণের মৌলিক অংশ ছিল একেবারেই প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ, অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ এবং দ্বিতীয় অংশ ছিল জীবিকা নির্বাহের উন্নতির জন্য একটি সেকেন্ডারি পেশা যথা হাঁস-মুরগি পালন যথা ক্ষেত-খামারকরণ ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ।
চার. জিয়াউর রহমান পর্যায়ক্রমে সামরিক আইন শাসনকে শিথিল করেন এবং আড়াই বছরের মাথায় এটি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রত্যাহার করেন।
পাঁচ. ১৯৭৫ সালে আনীত বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে যে বহুদলীয় গণতন্ত্র নিষিদ্ধ হয়েছিল, জিয়াউর রহমান পুনরায় সেই বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং বাকশাল হওয়ার আগে যেসব রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে বিদ্যমান ও সক্রিয় ছিল, সবগুলোকে নতুনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ দেন। তিনি নতুন রাজনৈতিক দল চালু করার অনুমতি দেন এবং উদ্যোগও নেন। বহুদলীয়, সংসদ নির্বাচন এবং সর্বজনীন ভোটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বন্দোবস্ত করেন। সংবাদপত্রের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।
ছয়. বিদেশ সম্পর্কের অঙ্গনে, জিয়াউর রহমান সার্কের (বা দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা) স্বপ্নদ্রষ্টা। অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স, নন-অ্যালাইন মুভমেন্ট এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস- এই তিনটি সংগঠনেই বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেন। তিনি আল কুদস কমিটির সদস্য ছিলেন।
সাত. শিল্পাঙ্গনে, পূর্বে অনুসৃত জাতীয়করণ নীতি স্থগিত করেন। ব্যক্তি উদ্যোগে শিল্প প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান ঢাকা মহানগরের মতিঝিলে অবস্থিত শিল্পভবন নামক বহুতল দালানটি জিয়াউর রহমানের আমলেই করা।
আট. সরকারি কর্মকাণ্ডের সম্প্রসার ঘটান। তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেন। শিশু অ্যাকাডেমি জিয়াউর রহমানেরই উদ্যোগ।
নয়. তিনি পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শিশু হাসপাতল, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন।
দশ. মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার অন্যতম নির্দশনস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রীয় সম্মান হিসেবে ‘একুশে পদক’ প্রদান প্রবর্তন করেন।
এগারো. বহুধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি সম্মানের নির্দশনস্বরূপ তিনি চীন থেকে, অতিশ দীপঙ্কর ও শ্রীজ্ঞানের দেহভস্ম বাংলাদেশে আনেন এবং একটি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করে রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগরের রামপুরায় অবস্থিত টেলিভিশন ভবনে, তৎকালীন বেতার ও তথ্য বিভাগের পদস্থ অফিসারদের এক সমাবেশে জেনারেল জিয়াউর রহমান বলেছিলেন (দৈনিক বাংলা ১৪ মার্চ ১৯৭৬): ‘আমরা সকলে বাংলাদেশী। আমরা প্রথমে বাংলাদেশী এবং শেষেও বাংলাদেশী। এই মাটি আমাদের, এই মাটি থেকে আমাদের অনুপ্রেরণা আহরণ করতে হবে। জাতিকে শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। ঐক্য, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, নিষ্ঠা ও কঠোর মেহনতের মাধ্যমেই তা সম্ভব।’ ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের সাংবাদিক ‘সুজান গ্রিন’, ঢাকা থেকে পাঠানো এক ডেসপাচে লিখেছিলেন, ‘সাম্যের প্রতীক ও সৎ লোকরূপে ব্যাপকভাবে গণ্য জিয়াউর রহমান, স্বনির্ভর সংস্কার কর্মসূচি শুরু করে বাংলাদেশের ভিক্ষার ঝুলি ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন।’ মালয়েশিয়া দৈনিক ‘বিজনেস টাইমস’-এ প্রকাশিত ওই ডেসপাচে বলা হয় : ‘অতীতে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত করেছিল যে মহাপ্লাবী সমস্যাগুলো, রাষ্ট্রপতি জিয়া কার্যত সেগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (দৈনিক ইত্তেফাক, ৪ নভেম্বর ১৯৭৯)।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরোক্ষ নেতৃত্বে, প্রবাসী সরকারের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে, রণাঙ্গনের লাখো মুক্তিযোদ্ধার জ্যেষ্ঠতম অধিনায়কদের অন্যতম ছিলেন সেক্টর কমান্ডার ও ফোর্স কমান্ডার মেজর, পরবর্তীকালে লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান। একান্ত শৃঙ্খলা অনুরাগী দেশপ্রেমিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলেই উপ-সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আন্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। পরিবেশ এবং জনআকাক্সক্ষা যখন তাকে জাতির চালকের আসনে বসায়, তখনো, বীর উত্তম জিয়াউর রহমান একান্তই আন্তরিক দেশপ্রেমিকতার সাথে দেশের সেবা করেন। তিনি ছিলেন সামরিক জেনারেল, রূপান্তরিত হয়েছিলেন একজন রাজনীতিবিদে এবং সঙ্গতভাবেই উন্নীত হয়েছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদায়। এতদসত্ত্বেও চিরন্তন ঘোষণা হবে এরূপ : জিয়াউর রহমান একজন মানুষ ছিলেন; মানুষ হিসেবে তারও ভুলভ্রান্তি ছিল; ভুলভ্রান্তি থাকাই স্বাভাবিক; কিন্তু তার অর্জন ছিল অনেক বেশি, অনেক মহৎ ও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯ জানুয়ারি বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে আমরা তার বিদেহী আত্মার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি; তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:), চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 19
(20)
- অবসরের পরও রায় লেখা সংবিধান পরিপন্থী: প্রধান বিচারপতি
- অভিজ্ঞতায় আমিই সবার সেরা : হিলারি
- নিষেধাজ্ঞামুক্ত ইরান: কিছু বিচার-বিবেচনা by আলী রীয়াজ
- বহুত্ববাদী ভারত হিন্দুত্ববাদী না হোক by কুলদীপ নায়ার
- শার্লি এবদোর সমালোচনায় জর্ডানি রানির পাল্টা কার্টুন
- একটু ঘুমাতে চাই
- শিক্ষক আন্দোলন ও পদ মানক্রম বিতর্ক by মিজানুর রহম...
- গণতন্ত্র, জিয়া ও বিএনপি by সুশীল বড়ুয়া
- একজন জাতীয়তাবাদী সৈনিক জিয়া by এমাজউদ্দীন আহমদ
- বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্ম by সৈয়দ মুহাম...
- এক মত ও বহু মত by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- নদীর দুই তীর মিলছে একই স্বপ্নে! by বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- ভুলে ভরা এক উন্নয়নের মডেল by মাহা মির্জা
- কৃষি-অন্তঃপ্রাণ এক অর্থনীতিবিদের বিদায় by শাইখ সিরাজ
- নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংসের আশঙ্কা সুজনের
- আক্রমণাত্মক হিলারি-স্যান্ডার্স, প্রেসিডেন্ট নির্বা...
- জাপা দুই টুকরো
- সিরিয়ায় কয়েক শ মানুষকে অপহরণ আইএসের
- পৃথিবীকে বাঁচানোর মহাপ্রকল্প
- পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: সুজন
-
▼
Jan 19
(20)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment