Thursday, November 7, 2013
হরতালে শিক্ষার্থীদের সমস্যা বিবেচনায় রাখতে হবে by নজরুল ইসলাম
হরতালে শিক্ষার্থীদের সমস্যা বিবেচনায় রাখতে হবে by নজরুল ইসলাম

যুগান্তর
: রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে শিক্ষার্থীরা নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হয়।
শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি হ্রাসে রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে করণীয় কী?
প্রফেসর নজরুল ইসলাম : আমাদের দেশে এটা একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে গেছে যে, বিভিন্ন সমস্যার কারণে রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিরোধী দলে যারা থাকেন, তারা তাদের কর্মসূচি হিসেবে হরতালকে বেছে নেন। হরতাল যদি করতেই হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের যাতে সমস্যা না হয়, সেটা বিবেচনায় রেখেই করতে হবে। অর্থাৎ বড় যেসব পরীক্ষা হয়, সেগুলোর নির্ধারিত তারিখ আগেই জানা থাকে। সেই তারিখগুলো যেন হরতালের মধ্যে না পড়ে তা বিবেচনায় রাখতে হবে। হরতালের মতো কর্মসূচি আহ্বান না করলেই সবচেয়ে ভালো হয়। হরতাল যদি হয়ই সেটা যেন কোনো অবস্থাতেই সহিংস ঘটনায় পরিণত না হয়। এতে কিশোর-তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ তো অবশ্যই পড়ে এবং অন্যদের ওপরও এর নানারকম প্রভাব পড়ে। সে জন্য হরতাল পরিহার করার চিন্তা করা উচিত। হরতাল পরিহার করতে না পারলে পরীক্ষার সময়গুলো বাদ দিয়ে যেন হরতাল হয়, সেদিকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
যুগান্তর : বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার মান কতটা বেড়েছে বলে আপনি মনে করেন?
নজরুল ইসলাম : দেশে পাবলিক পরীক্ষায় বিশেষত বিভিন্ন পর্যায়ের স্কুল সমাপনী পরীক্ষায় অথবা কলেজ পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। আমাদের দেশে একটা ঐতিহ্য বা ধারা ছিল- অস্বাভাবিক উঁচু হারে পরীক্ষায় পাস- এটা ছিল না। গত কয়েক বছরে এসব পরীক্ষায় পাসের হার অনেক বেড়েছে। স্কুল-কলেজের পরীক্ষায় পাসের হার বাড়তেই পারে। কিন্তু সেটা যেন অতি উচ্চ হারে না হয় এবং অস্বাভাবিক না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। পরীক্ষা একটা মান যাচাইয়ের কাজ। সেই মান যদি সঠিকভাবে যাচাই করতে না পারা যায়, তাহলে তো পাস দেখিয়ে খুব একটা লাভ নেই। সুতরাং এ ব্যাপারে আমাদের আরেকটু সচেতন হতে হবে- পাসের হার যেন মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
যুগান্তর : শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশে বর্তমানে প্রচলিত সৃজনশীল পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি?
নজরুল ইসলাম : স্কুল শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বা চিন্তা শক্তির বিকাশে বিদ্যমান সৃজনশীল পদ্ধতি অতীতের রচনামূলক পদ্ধতির তুলনায় কিছুটা কার্যকর বলা যেতে পারে। তবে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা হতে পারে। বর্তমানে প্রচলিত সৃজনশীল পদ্ধতি চলতে দেয়া উচিত। বিদ্যমান সৃজনশীল পদ্ধতি যেন আরও গ্রহণযোগ্যতা পায় সে জন্য গবেষণা হওয়া উচিত।
যুগান্তর : দীর্ঘ সময় পর কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার প্রক্রিয়া চালু হলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ঠিকমতো চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণে মনিটরিং কমিটির কার্যক্রমে কী ধরনের পরিবর্তন আনা দরকার, যাতে নিয়ম অমান্য করার অল্প সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া যায়?
নজরুল ইসলাম : ১৯৯০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিপুলভাবে প্রসার লাভ করেছে। এখন তো প্রায় ৮০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংখ্যার বিবেচনায় এটি একটি বৈপ্লবিক অগ্রগতি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর যে সংখ্যা- এটিও একটি বিশাল অর্জন। এ ক্ষেত্রে এবং সর্বক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষার মান যেন ক্ষুণ্ন না হয় এবং শিক্ষার মান যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এবং শিক্ষার্থী বৃদ্ধির পাশাপাশি যখন শিক্ষার মান অর্জিত না হয় বা মান প্রতিষ্ঠিত না হয় তখন আমরা খুবই শংকিত হই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যে দ্রুত হারে বেড়েছে, সেটার সঙ্গে তাল রেখে সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না এবং মনিটরিং যদি না হয় তাহলে মান সংরক্ষণ বা মান অর্জন সম্ভব হবে না। কতগুলো নিয়মনীতির আওতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হওয়ার কথা। সেই নিয়মনীতি-শৃংখলা যদি ভঙ্গ করা হয় সেক্ষেত্রে শাস্তির ব্যবস্থা থাকা উচিত এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তও সরকার নিতে পারে- এরকম সিদ্ধান্ত নেয়াও হয়েছে দু-এক ক্ষেত্রে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মনিটরিং ব্যবস্থা এবং নিয়ম ভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ- এটি আরও সুদৃঢ় হওয়া উচিত- সরকারের পক্ষ থেকে এবং ইউজিসির পক্ষ থেকে। কারণ মনিটরিং যদি ঠিকমতো না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মানের ব্যাপারে অত্যন্ত উদাসীন। তবে এখানে বলা সঙ্গত হবে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার মান নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক ও যতœবান থাকে। সেটা একটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু আমরা শংকিত হই যখন দেখি অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নয়। কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে হয়, দুর্নিবারভাবে মানকে উপেক্ষা করে এবং তা শুধুই বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। এটাও মনে হচ্ছে যে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণভাবে মুনাফা সৃষ্টির লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। সেটা হওয়া উচিত নয় এবং হতে দেয়া উচিত নয়।
যুগান্তর : রাজধানীর পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলো অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু নদীগুলোই দূষণের শিকার। নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য করণীয় কী?
নজরুল ইসলাম : আমরা জানি, ঢাকা একটি ভাগ্যবান শহর। কারণ এর চারপাশে নদী আছে। দক্ষিণে তো বুড়িগঙ্গা যথেষ্ট চওড়া নদী ছিল। বুড়িগঙ্গার প্রশস্ততা কিছুটা কমেছে, কিন্তু এর নাব্য অনেক কমে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, এর পানিতে অতিমাত্রায় দূষণ পাওয়া যাচ্ছে। বুড়িগঙ্গাকে এই অর্থে নদী বলা যায়- এর মধ্য দিয়ে নৌযান চলাচল করে। কিন্তু এর পানি এতই দূষিত যে, নদীর যে অন্যান্য ব্যবহার আছে সেগুলো আর এখানে হয় না। ঢাকা ওয়াসা বুড়িগঙ্গা থেকে কিছু পানি সংগ্রহ করে। এত দূষিত পানি সংগ্রহ না করাই ভালো। এ নদীর পানি দূষণের কারণে এর আশপাশের জনগণের (যারা এর পানি কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করে) জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ে। যারা দূষিত জেনেও বুড়িগঙ্গার পানি ব্যবহার করে, তাদের নানারকম ঝুঁকি থেকে যায়।
বুড়িগঙ্গার দূষণের অন্যতম কারণ ট্যানারির বর্জ্য। এসব বর্জ্যরে কারণে বুড়িগঙ্গার পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়। এ ছাড়া বস্তি এবং অন্যান্য আবাসিক এলাকার নানারকম বর্জ্যরে মাধ্যমে বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হয়। ঢাকা ওয়াসার অপরিশোধিত তরল বর্জ্যও বুড়িগঙ্গায় গিয়ে পড়ে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখতে হবে। এগুলোকে প্রবহমান রাখতে হবে, এদের নাব্য বাড়াতে হবে, যাতে নদীগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনসহ অন্যান্য নাগরিক সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ের সব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে হবে।
যুগান্তর : যানজটের কারণে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যানজট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী হতে পারে?
নজরুল ইসলাম : যানজটের কারণে রাজধানী ঢাকার জনগণের দুর্ভোগ কী করে বেড়ে যায়, এটি আমরা সবাই জানি। এ সমস্যা নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা চলছে। এ সমস্যার সমাধানে নানারকম পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা ও যানজট নিয়ে সবচেয়ে বড়, ব্যাপক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাটির নাম হল এসটিপি বা স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান। এটি ছিল বৃহত্তর ঢাকার কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ হয় ২০০৬ সালে। কিন্তু তখন তা অনুমোদন পায়নি বা তৎকালীন সরকার এটি অনুমোদনের ব্যবস্থা করেনি। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এটির অনুমোদন দিলেও এর বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তাদের সময়ও ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর উল্লিখিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা পুনঃঅনুমোদন দিয়েছে এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসটিপিতে উল্লিখিত কিছু বিষয়কে আরও অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল। এর মধ্যে গণপরিবহন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা যায়। গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির অংশ হিসেবে কমিউটার ট্রেন সার্ভিস চালু হয়েছে। এ ট্রেন সার্ভিস আংশিক চালু হলেও তা কার্যকরভাবে সফল হয়নি। বৃত্তাকার নৌপথ সম্পর্কেও একই কথা বলা যায়। এসটিপির আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনা হল বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি- যার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত। এ প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গণপরিবহনবিষয়ক আরেকটি বড় প্রকল্প হল মেট্রোরেল। এটি হতে পারে আন্ডারগ্রাউন্ড রেল বা ওভারগ্রাউন্ড রেল অর্থাৎ পাতাল দিয়ে হতে পারে; মাথার ওপর দিয়েও হতে পারে। এটি বিভিন্ন দেশের শহরে আছে। ঢাকায় ইতিমধ্যে এক কোটি মানুষ বসবাস করছে, বৃহত্তর ঢাকা দেড় কোটিরও বেশি মানুষের শহরাঞ্চল। এরকম একটি শহরে মেট্রোরেল, কমিউটার ট্রেন সার্ভিস, বাস র্যাপিড ট্রানজিট- অর্থাৎ ব্যাপক রকমের গণপরিবহন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে যানজট বা পরিবহন সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এর পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন ব্যবস্থাপনার (ট্রাফিক অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট) দিকেও জোর দিতে হবে। ফুটপাতগুলোকে চলাচলের উপযোগী রাখতে হবে। ফুটপাতের কোনো অংশ যাতে বেদখলে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মনুষ্যচালিত রিকশা ও সাইকেল ধরনের যানবাহনের জন্য আলাদা লেন থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এ শহরে প্রায় ছয়-সাত লাখ রিকশা আছে। তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে পরিবহন পরিকল্পনা করতে হবে। বর্তমানে ব্যক্তিগত গাড়িকে যে অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে, তা কমিয়ে গণপরিবহন ও মনুষ্যচালিত পরিবহনকে অগ্রাধিকার প্রদান করা উচিত। সার্বিকভাবে পরিবহন ব্যবস্থাপনাটি কার্যকর করা উচিত।
যুগান্তর : অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট জটিলতা দূরীকরণে কী করতে হবে?
নজরুল ইসলাম : নগরায়ণ অবশ্যই হতে হবে পরিকল্পিতভাবে। রাজধানীর ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সার্বিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে- এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু রাজউকের সেই ক্ষমতাও বোধহয় নেই। তাদের জনবলও নেই। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে রাজউকের আর্থিক কোনো সংকট আছে বলে মনে হয় না। কারণ রাজউক যেভাবে জমি ও হাউজিংয়ের ব্যবসা করছে সেখানে তাদের অর্থ সমাগম খুব ভালো। কিন্তু যা হচ্ছে না তা হল, সঠিক ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। রাজউক যেহেতু পরিকল্পনা করতে পারে না, তাই তারা অন্যকে দিয়ে পরিকল্পনা করায়। রাজউক অন্যকে দিয়ে যে পরিকল্পনাটা করায় তা সঠিক হতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, রাজধানীর সঠিক উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সব ধরনের পরিকল্পনাই করতে হবে। পরিকল্পনার বিকল্প কিছুই হতে পারে না। অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণ বন্ধ করতে হবে।
যুগান্তর : সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার ফলে নাগরিক দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এসব সমস্যার সমাধান হচ্ছে না কেন?
নজরুল ইসলাম : রাজধানীর অধিবাসীদের সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসে। সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের জন্য একটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংস্থা থাকা উচিত। সেটি আমাদের নেই। আমি বিভিন্ন সময়ে প্রস্তাব দিয়েছি সব সেবাদানকারী সংস্থার সমন্বয়ে করতে পারবে- এ রকম একটি ক্ষমতাসম্পন্ন সংস্থা নতুন করে তৈরি করতে হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন উচ্চ মেধাসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি নির্বাচিত হয়ে আসবেন- হয়তো এমপিদের মধ্য থেকে একজন অথবা একজন সিনিয়র মন্ত্রী। তিনি একজন উপ-প্রধানমন্ত্রী পদাধিকারী হতে পারেন। অবশ্য এ রকম ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। সে ক্ষেত্রে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে একজন সিনিয়র মন্ত্রীকে রাজধানীর সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া উচিত। একই সঙ্গে ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ক্ষমতা ও সুযোগ দিতে হবে। ম্যানিলা, ব্যাংকক, টরেন্টো- এসব শহরের আদলে মেট্রো গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা চালু করা যায়। যেহেতু আমাদের দেশের সমস্যাটা প্রকট আকার ধারণ করেছে, সে জন্য অন্য দেশে না থাকলেও আমাদের দেশের উপযোগী নতুন সংস্থা চালু করতে হবে। এ সংস্থা সরাসরি কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে না। বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়ে কাজটির সমন্বয় সাধন করবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব যাতে বেশি থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
যুগান্তর : প্লট-ফ্ল্যাট নিয়ে রাজউক যেভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে, এতে রাজউকের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ার আশংকা আছে কি?
নজরুল ইসলাম : রাজউকের ম্যান্ডেটের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং উন্নয়ন অনুমোদন ও তদারকি করা। শুরু থেকেই অবশ্য রাজউক (বা তৎকালীন ডিআইটি) নাগরিকদের আবাসনের জন্য প্লট প্রস্তুতকরণ, প্লট বরাদ্দকরণ, মৌলিক সেবা সংযোগ ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। এ কার্যক্রমের অধীনে তারা গুলশান, বনানী, উত্তরা, বারিধারা উন্নয়ন করেছে। বর্তমানে পূর্বাচল, ঝিলমিল ইত্যাদি মডেল টাউনশিপ উন্নয়ন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজউকের পাশাপাশি বেসরকারি ভূমি উন্নয়ন ও আবাসন সংস্থাগুলোও একই ধরনের কাজ করছে। সে বিবেচনায় প্লট ও ফ্ল্যাট সরবরাহে রাজউকের দায়িত্ব অনেকটা হ্রাস পেতে পারে। তবে একেবারে বন্ধ করা সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে রাজউকের বিশ্বাসযোগ্যতা এখনও বেসরকারি কোম্পানির তুলনায় বেশি। অবশ্যই রাজউকের মূল কাজ হওয়া উচিত নগর পরিকল্পনায় মনোযোগী হওয়া এবং সে জন্য তার দক্ষতা ও জনবল বৃদ্ধি করা। দ্বিতীয়ত, রাজউকের দায়িত্ব হচ্ছে বেসরকারি পর্যায়ে নগর উন্নয়ন, আবাসন উন্নয়ন ইত্যাদি যথাযথভাবে তদারক করা এবং উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা।
যুগান্তর : বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা যাতে ওপরের দিকে থাকে তার জন্য সামগ্রিকভাবে কী করণীয়?
নজরুল ইসলাম : বাসযোগ্য শহরের আন্তর্জাতিক তালিকায় ঢাকার অবস্থান সর্বনিুে। তালিকার নিচের অবস্থানের উন্নতি করতে হলে অন্যান্য (বাকি ১৩৯) নগরীর তুলনায় উন্নয়ন প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিযোগিতায় সব ক’টি সূচকেই উন্নয়ন আবশ্যক। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর। সামগ্রিক নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার মান বাড়াতে হবে, পরিকল্পনা সংস্থা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর দক্ষতা বাড়াতে হবে। নগর উন্নয়নের জন্য অর্থ-সম্পদও বাড়াতে হবে। সর্বোপরি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি হ্রাস ছাড়া অবস্থার উন্নয়ন হবে না। ঢাকার জন্য একটি শক্তিশালী সমন্বয়কারী সংস্থা গঠন করা অত্যন্ত জরুরি। এই সংস্থা যেমন হবে সব সম্পৃক্ত মহলের প্রতিনিধিত্বমূলক, তেমনি এর নেতৃত্বে থাকবেন একজন দক্ষ ও ধীমান নেতা। আগেই উল্লেখ করেছি, এরকম ব্যক্তির পদমর্যাদাও উচ্চতম পর্যায়ের হতে হবে।
যুগান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ।
নজরুল ইসলাম : ধন্যবাদ।
প্রফেসর নজরুল ইসলাম : আমাদের দেশে এটা একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে গেছে যে, বিভিন্ন সমস্যার কারণে রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিরোধী দলে যারা থাকেন, তারা তাদের কর্মসূচি হিসেবে হরতালকে বেছে নেন। হরতাল যদি করতেই হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের যাতে সমস্যা না হয়, সেটা বিবেচনায় রেখেই করতে হবে। অর্থাৎ বড় যেসব পরীক্ষা হয়, সেগুলোর নির্ধারিত তারিখ আগেই জানা থাকে। সেই তারিখগুলো যেন হরতালের মধ্যে না পড়ে তা বিবেচনায় রাখতে হবে। হরতালের মতো কর্মসূচি আহ্বান না করলেই সবচেয়ে ভালো হয়। হরতাল যদি হয়ই সেটা যেন কোনো অবস্থাতেই সহিংস ঘটনায় পরিণত না হয়। এতে কিশোর-তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ তো অবশ্যই পড়ে এবং অন্যদের ওপরও এর নানারকম প্রভাব পড়ে। সে জন্য হরতাল পরিহার করার চিন্তা করা উচিত। হরতাল পরিহার করতে না পারলে পরীক্ষার সময়গুলো বাদ দিয়ে যেন হরতাল হয়, সেদিকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
যুগান্তর : বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার মান কতটা বেড়েছে বলে আপনি মনে করেন?
নজরুল ইসলাম : দেশে পাবলিক পরীক্ষায় বিশেষত বিভিন্ন পর্যায়ের স্কুল সমাপনী পরীক্ষায় অথবা কলেজ পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। আমাদের দেশে একটা ঐতিহ্য বা ধারা ছিল- অস্বাভাবিক উঁচু হারে পরীক্ষায় পাস- এটা ছিল না। গত কয়েক বছরে এসব পরীক্ষায় পাসের হার অনেক বেড়েছে। স্কুল-কলেজের পরীক্ষায় পাসের হার বাড়তেই পারে। কিন্তু সেটা যেন অতি উচ্চ হারে না হয় এবং অস্বাভাবিক না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। পরীক্ষা একটা মান যাচাইয়ের কাজ। সেই মান যদি সঠিকভাবে যাচাই করতে না পারা যায়, তাহলে তো পাস দেখিয়ে খুব একটা লাভ নেই। সুতরাং এ ব্যাপারে আমাদের আরেকটু সচেতন হতে হবে- পাসের হার যেন মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
যুগান্তর : শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশে বর্তমানে প্রচলিত সৃজনশীল পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি?
নজরুল ইসলাম : স্কুল শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বা চিন্তা শক্তির বিকাশে বিদ্যমান সৃজনশীল পদ্ধতি অতীতের রচনামূলক পদ্ধতির তুলনায় কিছুটা কার্যকর বলা যেতে পারে। তবে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা হতে পারে। বর্তমানে প্রচলিত সৃজনশীল পদ্ধতি চলতে দেয়া উচিত। বিদ্যমান সৃজনশীল পদ্ধতি যেন আরও গ্রহণযোগ্যতা পায় সে জন্য গবেষণা হওয়া উচিত।
যুগান্তর : দীর্ঘ সময় পর কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার প্রক্রিয়া চালু হলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ঠিকমতো চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণে মনিটরিং কমিটির কার্যক্রমে কী ধরনের পরিবর্তন আনা দরকার, যাতে নিয়ম অমান্য করার অল্প সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া যায়?
নজরুল ইসলাম : ১৯৯০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিপুলভাবে প্রসার লাভ করেছে। এখন তো প্রায় ৮০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংখ্যার বিবেচনায় এটি একটি বৈপ্লবিক অগ্রগতি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর যে সংখ্যা- এটিও একটি বিশাল অর্জন। এ ক্ষেত্রে এবং সর্বক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষার মান যেন ক্ষুণ্ন না হয় এবং শিক্ষার মান যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এবং শিক্ষার্থী বৃদ্ধির পাশাপাশি যখন শিক্ষার মান অর্জিত না হয় বা মান প্রতিষ্ঠিত না হয় তখন আমরা খুবই শংকিত হই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যে দ্রুত হারে বেড়েছে, সেটার সঙ্গে তাল রেখে সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না এবং মনিটরিং যদি না হয় তাহলে মান সংরক্ষণ বা মান অর্জন সম্ভব হবে না। কতগুলো নিয়মনীতির আওতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হওয়ার কথা। সেই নিয়মনীতি-শৃংখলা যদি ভঙ্গ করা হয় সেক্ষেত্রে শাস্তির ব্যবস্থা থাকা উচিত এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তও সরকার নিতে পারে- এরকম সিদ্ধান্ত নেয়াও হয়েছে দু-এক ক্ষেত্রে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মনিটরিং ব্যবস্থা এবং নিয়ম ভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ- এটি আরও সুদৃঢ় হওয়া উচিত- সরকারের পক্ষ থেকে এবং ইউজিসির পক্ষ থেকে। কারণ মনিটরিং যদি ঠিকমতো না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মানের ব্যাপারে অত্যন্ত উদাসীন। তবে এখানে বলা সঙ্গত হবে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার মান নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক ও যতœবান থাকে। সেটা একটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু আমরা শংকিত হই যখন দেখি অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নয়। কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে হয়, দুর্নিবারভাবে মানকে উপেক্ষা করে এবং তা শুধুই বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। এটাও মনে হচ্ছে যে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণভাবে মুনাফা সৃষ্টির লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। সেটা হওয়া উচিত নয় এবং হতে দেয়া উচিত নয়।
যুগান্তর : রাজধানীর পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলো অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু নদীগুলোই দূষণের শিকার। নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য করণীয় কী?
নজরুল ইসলাম : আমরা জানি, ঢাকা একটি ভাগ্যবান শহর। কারণ এর চারপাশে নদী আছে। দক্ষিণে তো বুড়িগঙ্গা যথেষ্ট চওড়া নদী ছিল। বুড়িগঙ্গার প্রশস্ততা কিছুটা কমেছে, কিন্তু এর নাব্য অনেক কমে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, এর পানিতে অতিমাত্রায় দূষণ পাওয়া যাচ্ছে। বুড়িগঙ্গাকে এই অর্থে নদী বলা যায়- এর মধ্য দিয়ে নৌযান চলাচল করে। কিন্তু এর পানি এতই দূষিত যে, নদীর যে অন্যান্য ব্যবহার আছে সেগুলো আর এখানে হয় না। ঢাকা ওয়াসা বুড়িগঙ্গা থেকে কিছু পানি সংগ্রহ করে। এত দূষিত পানি সংগ্রহ না করাই ভালো। এ নদীর পানি দূষণের কারণে এর আশপাশের জনগণের (যারা এর পানি কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করে) জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ে। যারা দূষিত জেনেও বুড়িগঙ্গার পানি ব্যবহার করে, তাদের নানারকম ঝুঁকি থেকে যায়।
বুড়িগঙ্গার দূষণের অন্যতম কারণ ট্যানারির বর্জ্য। এসব বর্জ্যরে কারণে বুড়িগঙ্গার পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়। এ ছাড়া বস্তি এবং অন্যান্য আবাসিক এলাকার নানারকম বর্জ্যরে মাধ্যমে বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হয়। ঢাকা ওয়াসার অপরিশোধিত তরল বর্জ্যও বুড়িগঙ্গায় গিয়ে পড়ে। ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখতে হবে। এগুলোকে প্রবহমান রাখতে হবে, এদের নাব্য বাড়াতে হবে, যাতে নদীগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখার জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনসহ অন্যান্য নাগরিক সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ের সব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে হবে।
যুগান্তর : যানজটের কারণে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যানজট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কী হতে পারে?
নজরুল ইসলাম : যানজটের কারণে রাজধানী ঢাকার জনগণের দুর্ভোগ কী করে বেড়ে যায়, এটি আমরা সবাই জানি। এ সমস্যা নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা চলছে। এ সমস্যার সমাধানে নানারকম পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা ও যানজট নিয়ে সবচেয়ে বড়, ব্যাপক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাটির নাম হল এসটিপি বা স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান। এটি ছিল বৃহত্তর ঢাকার কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ হয় ২০০৬ সালে। কিন্তু তখন তা অনুমোদন পায়নি বা তৎকালীন সরকার এটি অনুমোদনের ব্যবস্থা করেনি। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এটির অনুমোদন দিলেও এর বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তাদের সময়ও ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর উল্লিখিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা পুনঃঅনুমোদন দিয়েছে এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসটিপিতে উল্লিখিত কিছু বিষয়কে আরও অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল। এর মধ্যে গণপরিবহন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা যায়। গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির অংশ হিসেবে কমিউটার ট্রেন সার্ভিস চালু হয়েছে। এ ট্রেন সার্ভিস আংশিক চালু হলেও তা কার্যকরভাবে সফল হয়নি। বৃত্তাকার নৌপথ সম্পর্কেও একই কথা বলা যায়। এসটিপির আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনা হল বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি- যার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত। এ প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গণপরিবহনবিষয়ক আরেকটি বড় প্রকল্প হল মেট্রোরেল। এটি হতে পারে আন্ডারগ্রাউন্ড রেল বা ওভারগ্রাউন্ড রেল অর্থাৎ পাতাল দিয়ে হতে পারে; মাথার ওপর দিয়েও হতে পারে। এটি বিভিন্ন দেশের শহরে আছে। ঢাকায় ইতিমধ্যে এক কোটি মানুষ বসবাস করছে, বৃহত্তর ঢাকা দেড় কোটিরও বেশি মানুষের শহরাঞ্চল। এরকম একটি শহরে মেট্রোরেল, কমিউটার ট্রেন সার্ভিস, বাস র্যাপিড ট্রানজিট- অর্থাৎ ব্যাপক রকমের গণপরিবহন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে যানজট বা পরিবহন সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এর পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন ব্যবস্থাপনার (ট্রাফিক অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট) দিকেও জোর দিতে হবে। ফুটপাতগুলোকে চলাচলের উপযোগী রাখতে হবে। ফুটপাতের কোনো অংশ যাতে বেদখলে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মনুষ্যচালিত রিকশা ও সাইকেল ধরনের যানবাহনের জন্য আলাদা লেন থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এ শহরে প্রায় ছয়-সাত লাখ রিকশা আছে। তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে পরিবহন পরিকল্পনা করতে হবে। বর্তমানে ব্যক্তিগত গাড়িকে যে অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে, তা কমিয়ে গণপরিবহন ও মনুষ্যচালিত পরিবহনকে অগ্রাধিকার প্রদান করা উচিত। সার্বিকভাবে পরিবহন ব্যবস্থাপনাটি কার্যকর করা উচিত।
যুগান্তর : অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট জটিলতা দূরীকরণে কী করতে হবে?
নজরুল ইসলাম : নগরায়ণ অবশ্যই হতে হবে পরিকল্পিতভাবে। রাজধানীর ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) সার্বিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে- এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু রাজউকের সেই ক্ষমতাও বোধহয় নেই। তাদের জনবলও নেই। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে রাজউকের আর্থিক কোনো সংকট আছে বলে মনে হয় না। কারণ রাজউক যেভাবে জমি ও হাউজিংয়ের ব্যবসা করছে সেখানে তাদের অর্থ সমাগম খুব ভালো। কিন্তু যা হচ্ছে না তা হল, সঠিক ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। রাজউক যেহেতু পরিকল্পনা করতে পারে না, তাই তারা অন্যকে দিয়ে পরিকল্পনা করায়। রাজউক অন্যকে দিয়ে যে পরিকল্পনাটা করায় তা সঠিক হতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, রাজধানীর সঠিক উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সব ধরনের পরিকল্পনাই করতে হবে। পরিকল্পনার বিকল্প কিছুই হতে পারে না। অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণ বন্ধ করতে হবে।
যুগান্তর : সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার ফলে নাগরিক দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এসব সমস্যার সমাধান হচ্ছে না কেন?
নজরুল ইসলাম : রাজধানীর অধিবাসীদের সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসে। সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের জন্য একটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংস্থা থাকা উচিত। সেটি আমাদের নেই। আমি বিভিন্ন সময়ে প্রস্তাব দিয়েছি সব সেবাদানকারী সংস্থার সমন্বয়ে করতে পারবে- এ রকম একটি ক্ষমতাসম্পন্ন সংস্থা নতুন করে তৈরি করতে হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন উচ্চ মেধাসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি নির্বাচিত হয়ে আসবেন- হয়তো এমপিদের মধ্য থেকে একজন অথবা একজন সিনিয়র মন্ত্রী। তিনি একজন উপ-প্রধানমন্ত্রী পদাধিকারী হতে পারেন। অবশ্য এ রকম ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। সে ক্ষেত্রে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে একজন সিনিয়র মন্ত্রীকে রাজধানীর সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া উচিত। একই সঙ্গে ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ক্ষমতা ও সুযোগ দিতে হবে। ম্যানিলা, ব্যাংকক, টরেন্টো- এসব শহরের আদলে মেট্রো গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা চালু করা যায়। যেহেতু আমাদের দেশের সমস্যাটা প্রকট আকার ধারণ করেছে, সে জন্য অন্য দেশে না থাকলেও আমাদের দেশের উপযোগী নতুন সংস্থা চালু করতে হবে। এ সংস্থা সরাসরি কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে না। বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়ে কাজটির সমন্বয় সাধন করবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব যাতে বেশি থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
যুগান্তর : প্লট-ফ্ল্যাট নিয়ে রাজউক যেভাবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে, এতে রাজউকের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ার আশংকা আছে কি?
নজরুল ইসলাম : রাজউকের ম্যান্ডেটের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং উন্নয়ন অনুমোদন ও তদারকি করা। শুরু থেকেই অবশ্য রাজউক (বা তৎকালীন ডিআইটি) নাগরিকদের আবাসনের জন্য প্লট প্রস্তুতকরণ, প্লট বরাদ্দকরণ, মৌলিক সেবা সংযোগ ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। এ কার্যক্রমের অধীনে তারা গুলশান, বনানী, উত্তরা, বারিধারা উন্নয়ন করেছে। বর্তমানে পূর্বাচল, ঝিলমিল ইত্যাদি মডেল টাউনশিপ উন্নয়ন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজউকের পাশাপাশি বেসরকারি ভূমি উন্নয়ন ও আবাসন সংস্থাগুলোও একই ধরনের কাজ করছে। সে বিবেচনায় প্লট ও ফ্ল্যাট সরবরাহে রাজউকের দায়িত্ব অনেকটা হ্রাস পেতে পারে। তবে একেবারে বন্ধ করা সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে রাজউকের বিশ্বাসযোগ্যতা এখনও বেসরকারি কোম্পানির তুলনায় বেশি। অবশ্যই রাজউকের মূল কাজ হওয়া উচিত নগর পরিকল্পনায় মনোযোগী হওয়া এবং সে জন্য তার দক্ষতা ও জনবল বৃদ্ধি করা। দ্বিতীয়ত, রাজউকের দায়িত্ব হচ্ছে বেসরকারি পর্যায়ে নগর উন্নয়ন, আবাসন উন্নয়ন ইত্যাদি যথাযথভাবে তদারক করা এবং উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা।
যুগান্তর : বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা যাতে ওপরের দিকে থাকে তার জন্য সামগ্রিকভাবে কী করণীয়?
নজরুল ইসলাম : বাসযোগ্য শহরের আন্তর্জাতিক তালিকায় ঢাকার অবস্থান সর্বনিুে। তালিকার নিচের অবস্থানের উন্নতি করতে হলে অন্যান্য (বাকি ১৩৯) নগরীর তুলনায় উন্নয়ন প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিযোগিতায় সব ক’টি সূচকেই উন্নয়ন আবশ্যক। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর। সামগ্রিক নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার মান বাড়াতে হবে, পরিকল্পনা সংস্থা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর দক্ষতা বাড়াতে হবে। নগর উন্নয়নের জন্য অর্থ-সম্পদও বাড়াতে হবে। সর্বোপরি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি হ্রাস ছাড়া অবস্থার উন্নয়ন হবে না। ঢাকার জন্য একটি শক্তিশালী সমন্বয়কারী সংস্থা গঠন করা অত্যন্ত জরুরি। এই সংস্থা যেমন হবে সব সম্পৃক্ত মহলের প্রতিনিধিত্বমূলক, তেমনি এর নেতৃত্বে থাকবেন একজন দক্ষ ও ধীমান নেতা। আগেই উল্লেখ করেছি, এরকম ব্যক্তির পদমর্যাদাও উচ্চতম পর্যায়ের হতে হবে।
যুগান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ।
নজরুল ইসলাম : ধন্যবাদ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
November
(403)
-
▼
Nov 07
(9)
- কোটি পৃথিবীর মহাবিশ্ব!
- নির্বাচনী জনমত জরিপ নিষিদ্ধের দাবি কংগ্রেসের
- হরতালে শিক্ষার্থীদের সমস্যা বিবেচনায় রাখতে হবে by ...
- আদালতের রায় উপেক্ষা করে ভিসিবিরোধী আন্দোলন! by ফরি...
- বিএনপি কি জামায়াতের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে? by নুরুল ই...
- ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- হরতালের নৃশংসতা থেকে রক্ষা করুন
- ২২ বছরে নিহত ২৫১৯
- এবং হরতালের ক্ষয়ক্ষতি
-
▼
Nov 07
(9)
-
▼
November
(403)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment