Saturday, August 24, 2013
কালো আইন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা by ফরহাদ মজহার
কালো আইন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা by ফরহাদ মজহার
মাহমুদুর
রহমান একবার আদালত অবমাননার দায়ে জেল খেটেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন।
দ্বিতীয়বারও তিনি গ্রেফতার হয়েছেন, রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো
হয়েছে। তার মতাদর্শ ও রাজনীতির বিরোধীরা এতে পুলকিত হয়েছেন, তার সমর্থকরা
তার পক্ষে লড়ে গেছেন। এই দুই পক্ষের বাইরেও অনেকে রয়েছেন যারা শুধু
মাহমুদুর রহমান কেন, যে কোনো ব্যক্তির নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার নীতি
অলংঘনীয় গণ্য করেন। তারা মাহমুদুর রহমানের মতাদর্শ ও রাজনীতির বিরোধী, সেটা
তারা বলেছেনও, কিন্তু তার অধিকার রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ গণ্য করেছেন। তারা
সেই নীতির জায়গায় দাঁড়িয়েই গ্রেফতার ও দমন-পীড়নের নিন্দা করেছেন। যদি তা না
করা হয় তাহলে রাষ্ট্র একটি ভীতিকর নিপীড়নের যন্ত্র হয়ে ওঠে; আর
ক্ষমতাসীনরা সেই যন্ত্রের যথেচ্ছ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে
অস্থিতিশীল করে তোলে। রাষ্ট্র বা সরকারের বাইরের কেউ নয়, সরকার নিজেও সমাজ ও
রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। যারা এখন ক্ষমতায়, তারা বিতাড়িত হলে
বিরোধী পক্ষও উল্টা তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একই আচরণ করতে পারে।
সাধারণভাবে নাগরিক ও মানবিক অধিকার সরাসরি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে
জড়িত। রাষ্ট্র গড়বার গোড়ায় বা ভিত্তিতে যদি এই অধিকারগুলো স্বীকৃত না থাকে
তাহলে নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্র বা সরকারের কাছে দয়াভিক্ষা করে এই অধিকার
কায়েম করা যায় না।
বাংলাদেশে নাগরিক ও মানবিক অধিকার লংঘন এবং তাকে কেন্দ্র করে সমাজে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার যে ধরন আমরা লক্ষ্য করি, তার অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটি দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যে কোনো নাগরিকের নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষা কেন বা কী কারণে সংস্কৃতি, রাজনীতি, সরকার ও রাষ্ট্রের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সে ব্যাপারে সমাজে সচেতনতা খুবই কম। এই পরিস্থিতি ভীতিকর। ফলে এ ধরনের অধিকার লংঘনের ঘটনা যখন ঘটে তখন সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আসলে কী, সেই দিকগুলো অস্পষ্ট থেকে যায়। আইন নিয়ে যখন আমরা কথা বলি তখন আমরা শুধু আইন নিয়েই কথা বলি। আইনের দিক থেকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা, গ্রেফতার করা, আদালতে তোলা ও বিচার সম্পন্ন করার একটা প্রক্রিয়া আছে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট আইন থাকুক বা না থাকুক সেই প্রক্রিয়া মানাও নাগরিক ও মানবিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। অভিযুক্তের পক্ষে ও বিপক্ষে নোংরা, কুৎসিত ও অশালীন তর্কবিতর্কের অধিক সমাজ আর অগ্রসর হতে পারে না। যারা মাহমুদুর রহমানের সমালোচক, তারা অবশ্যই তার সমালোচনা করবেন এবং তার পক্ষের যারা তার উত্তরও দেবেন। কিন্তু রাষ্ট্র যখন সংবিধান ও আইনের অধীনে কোনো নাগরিককে অভিযুক্ত করে তখন তর্কের প্রসঙ্গ শুধু অভিযুক্ত নয়, একই সঙ্গে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও সরকারও বটে। যে কারণে কোনো কালো আইনে নাগরিকদের গ্রেফতার করলে আমরা কালো আইনের সমালোচনা করি এবং সে আইন প্রত্যাহারের দাবি জানাই। আইনের শাসনের অর্থ কালো আইনের শাসন নয়, ঠিক একইভাবে সংবিধান মেনে চলার অর্থ নাগরিক ও মানবিক অধিকার লংঘনকারী সংবিধান মেনে চলাও নয়। সেটা হতে পারে না। যেহেতু ‘আইন’ আছে, সে আইনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করলেই গণতান্ত্রিক নীতিনৈতিকতার জায়গা থেকে অভিযুক্ত ‘দোষী’ হবে তার কোনো কথা নেই। খোদ আইনটি কালো আইন কি-না সেটাও বিচার্য।
অভিযুক্তের ভূমিকা ও মতাদর্শের পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনা চলুক, ক্ষতি নেই। মতাদর্শিক পার্থক্য ও রাজনৈতিক বিরোধিতা একটি সমাজের স্বাস্থ্যের লক্ষণ, রুগ্ণতার নয়। কিন্তু সবার আগে বুঝতে হবে একটি সমাজের রাজনৈতিক বিকাশের মাত্রা ও গতিশীলতা নির্ভর করে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে সঠিক প্রশ্নগুলো ধরতে পাড়া, তোলা এবং তার মীমাংসার জন্য আন্তরিক তর্কবিতর্কের সংস্কৃতি বিকশিত করার সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্যরে ওপর। যেমন ‘আদালত অবমাননা’র যে ঔপনিবেশিক আইন আমাদের দেশে বহাল রয়েছে তা গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি-না। সুনির্দিষ্টভাবে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না করলে আদালতের সমালোচনা কিভাবে ‘আদালত অবমাননা’ হয়? কোনো বিচারকের নীতিগর্হিত ভূমিকার সমালোচনা করলে সেটা ‘আদালত অবমাননা’ হয় কি-না। আরও গোড়ার প্রশ্ন, বিচারকরা কি আইন ও সংবিধানের ঊর্ধ্বে? তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপায় কী? এগুলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার গোড়ার প্রশ্ন। কিন্তু কংক্রিট সমস্যা হয়ে হাজির হওয়ার পরও গোড়ার প্রশ্নগুলো আমরা তুলি না, বা তুলতে পারি না। আমার ধারণা ছিল, মাহমুদুর রহমান নানা কারণে বিস্তর শত্র“ তৈরি করেছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে সমাজে একটি শক্তিশালী পক্ষ থাকা অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়, যারা বিচারবুদ্ধি নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে কিভাবে তাকে শায়েস্তা করা যায় সেই দিকটা নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন। কিন্তু মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান খানের গ্রেফতার কেন্দ্র করে সমাজে যে প্রতিক্রিয়া দেখছি তাতে স্পষ্ট যে সমাজের অসুখ অনেক গভীরে। এর চিকিৎসা কিভাবে সম্ভব সেটা আমি নিশ্চিত নই। এই অসুখ বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাবে, সেটাও আমি অনুমান করতে পারছি না।
একজন মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের প্রধানকে অপহরণের চেষ্টা এবং কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া ৫৪ ধারায় গ্রেফতার, রিমান্ড চাওয়া এবং আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা না করে প্রতিপক্ষরা যে যুক্তি তুলে ধরছেন সেটা হল ‘অধিকার’ তাদের প্রতিবেদনে ৬১ জনের শহীদ হওয়ার কথা বলেছে, এটা মিথ্যা। অতএব তথ্যপ্রযুক্তি আইন (Information & Communication Technology Act, 2006) অনুযায়ী তাকে শাস্তি পেতে হবে। যদি এই তথ্য হেফাজতিদের সমাবেশ সম্পর্কে না হয়ে যারা এ কথা বলছেন তাদের পক্ষের সমাবেশ হতো আর যারা মারা গেছে তারা টুপিওয়ালা মাদ্রাসার আলেম-ওলামা ছাত্র না হতো, তাহলে কিন্তু এই সংখ্যা নিয়ে বিবাদ হতো না। কারণ এর আগে ‘অধিকার’ বহু সংখ্যাই হাজির ও প্রচার করেছে, কিন্তু কেউই তাদের সততা বা সাধুতার প্রশ্ন তুলে ৫৪ ধারায় অধিকারের সম্পাদককে ধরে নিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করেননি। আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, যে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে অধিকারের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’ আছে বলে দাবি করা হয়েছে, এখনও আদালতে তাকে পেশ করা হয়নি। তার আগেই তাকে গ্রেফতার শুধু নয়, তার অফিস থেকে কম্পিউটার ও অন্যান্য জিনিস গোয়েন্দা পুলিশ জব্দও করেছে। তর্কের খাতিরে ধরা যাক, অধিকার সঠিক সংখ্যা দেয়নি। তার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে হবে কেন? সরকার তথ্যপ্রযুক্তি আইনের যে ৫৭ ধারার কথা বলছে সেটা কি কালো আইন নয়? এই আইনের যে অপব্যবহার হবে সেটা পরিষ্কার। কালো আইন সম্পর্কে যারা সচেতন তারা এ আইনের বিরুদ্ধে লেখালিখি করেছেন। পাস হওয়ার শুরু থেকেই। এই কালো আইনটির বিরুদ্ধে জনমতও প্রবল। তারপরও আদিলুরের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারত, জামিন দিয়ে মামলা চলতে পারত। কিন্তু লজ্জার বিষয়, সংখ্যার তত্ত্ব দিয়ে তাকে গ্রেফতার, নির্যাতন ও দমন-পীড়নের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন অনেকে।
ইতিমধ্যে এই কালো আইনটিকে আরও কালো করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে কয়েকটি অপরাধ জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করার জন্য সংশোধিত আইনে ন্যূনতম ৭ বছর ও সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২০০৬ সালে বানানো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছর সাজার বিধান ছিল।
নতুন সংশোধন অনুযায়ী কোনো পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করতে পারবে। আগে এ আইনে কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে পুলিশকে সাইবার ট্রাইব্যুনালের কন্ট্রোলারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হতো। যে কোনো পুলিশ হলেই হবে না। কমপক্ষে সাব-ইন্সপেক্টর র্যাংকের হতে হবে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী পুলিশকে এ ধরনের কোনো আগাম অনুমতি নিতে হবে না, অভিযোগ পেলে যাকে খুশি তাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে। পুলিশ অপরাধ আমলে নিয়ে নিজেই মামলা করতে পারবে। আদিলুর রহমান খানকে গ্রেফতার করার সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ৬৯ বিধান অনুযায়ী আগাম অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। সেই অনুমোদন ছিল না বলে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে হয়েছে। এখন এসব অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়ে সরাসরি পুলিশকেই গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যাতে তারা দমন-পীড়ন চালাতে পারে। পুলিশ এখন কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারবে। আগে এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ জামিনযোগ্য ছিল। এখন এ আইনের অধীনে অভিযুক্ত হয়ে কেউ গ্রেফতার হলে তিনি আর জামিনও পাবেন না।
অনেকে সঙ্গত প্রশ্ন তুলেছেন, এর আগে অন্যরা কেউ আড়াই হাজার, কেউ তিন হাজার মারা গিয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের ধরা হল না, অধিকারকে ধরা হল কেন? অধিকার বলেছে, এই সংখ্যাই শেষ নয়, তাদের তথ্য সংগ্রহ চলছে এবং তা আরও অনেক বেশি হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত ছিল অধিকারকে সঠিক তথ্য নির্ণয়ে সহযোগিতা করে সরকারের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’র অভিযোগের ফয়সালা করে। অধিকার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়েছে, এতে সরকারের বরং স্বস্তিবোধ করা উচিত ছিল। অধিকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের মূল উদ্দেশ্য তথ্যের সঠিকতা নিয়ে বিতর্ক নয়, বরং চলমান তদন্তকে বন্ধ করা। সেই কালোরাতে আরও কত শহীদ হয়েছে, সেই তদন্ত চলতে থাকলে সেটা বর্তমান সরকারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এটা সরকার ঠিকই বুঝেছে। সরকারের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞের অভিযোগ রয়েছে। সেই কালোরাতে নিহতদের তথ্য সংগ্রহ সেই অভিযোগের প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে।
বিপদ অন্যভাবেও ঘটতে পারে, যার নজির অনেকেই এখন দিচ্ছেন। যেমন আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে দুঃশাসনের সেই সময় (Reign of Terror 2001-2006) শিরোনামে ‘অন্ধকারের খণ্ড চিত্র’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে পাঁচ বছরে ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এই ‘দাবি’ কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে? যদি তার তালিকা সরকার চায়, আওয়ামী লীগ কি সেটা দিতে সক্ষম? দিতে ব্যর্থ হলে কি ওয়েবসাইটের কর্তাকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার ও মামলা করা হবে? বলাবাহুল্য, অধিকারের সংখ্যা ঢালাও কোনো সংখ্যা নয়। ওপরে নজির দিয়েছি এ কারণে যে, সংখ্যা নিয়ে কূটতর্ক বিস্তর করা যায়। মূল কথা হচ্ছে, আসলে শাপলা চত্বরে দেশের কতজন নাগরিক শহীদ ও হতাহত হয়েছেন, তার সঠিক চিত্র সরকার প্রকাশ করতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে এর ফয়সালা না করার পক্ষে কোনো যুক্তি নেই। অথচ সরকার মানবাধিকার কর্মীর ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত হওয়ার পথ গ্রহণ করেছে। আদিলুর রহমান খানকে গ্রেফতার করার যে কৈফিয়ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়েছেন, কূটনৈতিক মহলে তা গ্রহণযোগ্য হয়নি।
মূল তর্কের বিষয়টা মোটেও সংখ্যার ঠিক বা বেঠিকতার বিষয় নয়, এটা আমাদের বুঝতে হবে। পুরোটাই রাজনৈতিক এবং এর পেছনে মানবাধিকার কর্মীদের শায়েস্তা করা যেমন, একই সঙ্গে ভীতি ও আতংক তৈরিই উদ্দেশ্য। মানবাধিকার লংঘনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে ছেদ ঘটাতে চায় ক্ষমতাসীনরা। মূল প্রশ্নটা নাগরিক ও মানবিক অধিকারের মামলা। সুনির্দিষ্টভাবে এ ক্ষেত্রে ইস্যুটা হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং তার সাম্প্রতিক সংশোধনী। কোনো অভিযোগ ছাড়া ৫৪ ধারায় নাগরিকদের গ্রেফতার করার ক্ষমতা পুলিশকে দিতে আমরা রাজি কি-না। রিমান্ডে পুলিশি নির্যাতনের মধ্য দিয়ে অপরাধের স্বীকৃতি আদায়ের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমাজে একটি জনমত আছে, কিন্তু তাকে একটি রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে আমরা হাজির করতে পারিনি। সমাজে চিন্তা ও মতাদর্শিক তর্কাতর্কি থাকুক, কিন্তু সব ধরনের কালো আইনের বিরোধিতা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এখনই না করা হয় তাহলে সরকারবিরোধী তথ্য, মত বা বক্তব্য প্রকাশ করা অসম্ভব হয়ে উঠবে। সরকারি দমন-পীড়ন মতপ্রকাশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। আমরা হুমকির মধ্যেই বাস করছি। সরকার সাইবার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আসলে নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। আগে বলেছি, সমাজের রাজনৈতিক বিকাশের মাত্রা ও গতিশীলতা নির্ভর করে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে সঠিক প্রশ্নগুলো ধরতে পারা, তোলা এবং তার মীমাংসার জন্য আন্তরিক তর্কবিতর্কের সংস্কৃতি বিকশিত করার সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্য অর্জনের ওপর। এদিক থেকে আমরা জাহেলিয়া বা অজ্ঞানতার অন্ধকারে ডুবে রয়েছি। নইলে রাষ্ট্রের পক্ষে সংবিধান বদলিয়ে এবং একের পর এক কালো আইন জারি করে দানব হয়ে ওঠা সম্ভব হতো না। এ পরিস্থিতি রাতারাতি বদলে যাবে আশা করা বাতুলতা। রাষ্ট্রীয় দমন-নিপীড়ন ভোগ করতে হবে আরও অনেককে। সব পক্ষেই। মাহমুদুর রহমান ও আদিলুর রহমান খান যেমন, তেমনি ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, মশিউর রহমান, বিপ্লব অধিকারী শুভ্র ও রাসেল পারভেজও একই তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এ গ্রেফতার হয়েছেন। তাহলে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে তো সমাজে একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে ওঠাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক। কিন্তু খেয়াল করলে দেখব, এ আইনের হাত থেকে প্রত্যকে যার যার নিজের পক্ষের ব্যক্তিদের রেহাই দিতে রাজি, কিন্তু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যখন তার প্রয়োগ ঘটছে তখন তাতে পুলকিত ও উল্লসিত হয়ে উঠছে। যদি আরও গোড়ায় যাই তাহলে দেখব সমাজে আমাদের আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা, তর্কবিতর্ক হয়েছে খুবই কম। যেমন চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। বিভিন্নজনে বিভিন্নভাবে এই ‘স্বাধীনতা’ ব্যাপারটা বোঝে। নিজের জন্য ‘স্বাধীনতা’ কিন্তু প্রতিপক্ষের জন্য দমন-পীড়ন। খুবই বিকৃত একটি সমাজে আমরা বাস করছি। চিন্তা ও মতপ্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নের কোনো সার্বজনীন মীমাংসাসূত্র নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর দার্শনিক, সাংবিধানিক আর আইনি অর্থ ও বিচারের সঙ্গে ইউরোপের মিল নেই। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ফলে সব দেশের জন্য একই পাজামা বানানোর দরকার নেই। সেই ক্ষেত্রে উচিত হচ্ছে, আমাদের নিজেদের ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, দায়িত্ববোধ ইত্যাদি বিবেচনা করে একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ মত তৈরির চেষ্টা করা, যাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও সীমা আমরা বেঁধে দিতে পারি। ব্যক্তিগতভাবে আমি মানবিক মর্যাদার নীতিকে অলংঘনীয় গণ্য করে চিন্তা ও মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সেটা বই, ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম কিংবা সাইবার স্পেইস যাই হোক, যতক্ষণ ব্যক্তি হিসেবে আমি আমার প্রকাশভঙ্গি দ্বারা অপরের মর্যাদা ক্ষুণ্ন না করছি, ততক্ষণ নাগরিক হিসেবে আমার চিন্তা ও মতের স্বাধীনতার ওপর রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ একটি সমাজের বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে আমি মনে করি। সেক্ষেত্রে ‘মানবিক মর্যাদা’ বলতে আমরা কী বুঝব তা নিয়ে পরের কোনো একটি লেখায় তর্ক হতে পারে। তবে ‘যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ’-এর নামে রাষ্ট্র যখন চিন্তা ও মতের স্বাধীনতা নানা অজুহাতে খর্ব করে, তার বিরোধিতা করা দরকার। আমি মনে করি না অধিকারের সমস্যা সংখ্যার ঠিক-বেঠিকের মামলা। যারা অধিকারের সংখ্যা ভুল দাবি করছেন, তারা স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে তার ফয়সালা করতে ভয় পাচ্ছেন কেন? শেখ হাসিনার দাবি মিথ্যা হয়ে যাবে বলে? তাতে মন্ত্রীর মিথ্যা কথন ধরা পড়ে যাবে। তাই না? এ ছাড়া আর কী কারণ থাকতে পারে? গোড়ায় সমস্যাটা চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকারেরই প্রশ্ন। সে জন্য বলি, ব্যক্তি নিয়ে কথা না বলে ধারণাগত দিক নিয়ে কথা বললে আমরা আরও কাছাকাছি আসতে পারব। সেই তর্কের মধ্য দিয়েই যেতে রাজি হলে সমাজের বিভিন্ন পক্ষের কাছাকাছি আসার আদৌ কোনো বাস্তব শর্ত আছে কি-না সেটাও বোঝা যাবে। আমরা গর্তের কোথায় পড়ে আছি, হয়তো তারও একটা হদিস করা যাবে।
আজ হোক কাল হোক এই ময়লা গর্ত থেকে তো বেরিয়ে আসতে হবে। তাই না?
বাংলাদেশে নাগরিক ও মানবিক অধিকার লংঘন এবং তাকে কেন্দ্র করে সমাজে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার যে ধরন আমরা লক্ষ্য করি, তার অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটি দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যে কোনো নাগরিকের নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষা কেন বা কী কারণে সংস্কৃতি, রাজনীতি, সরকার ও রাষ্ট্রের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সে ব্যাপারে সমাজে সচেতনতা খুবই কম। এই পরিস্থিতি ভীতিকর। ফলে এ ধরনের অধিকার লংঘনের ঘটনা যখন ঘটে তখন সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আসলে কী, সেই দিকগুলো অস্পষ্ট থেকে যায়। আইন নিয়ে যখন আমরা কথা বলি তখন আমরা শুধু আইন নিয়েই কথা বলি। আইনের দিক থেকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা, গ্রেফতার করা, আদালতে তোলা ও বিচার সম্পন্ন করার একটা প্রক্রিয়া আছে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট আইন থাকুক বা না থাকুক সেই প্রক্রিয়া মানাও নাগরিক ও মানবিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। অভিযুক্তের পক্ষে ও বিপক্ষে নোংরা, কুৎসিত ও অশালীন তর্কবিতর্কের অধিক সমাজ আর অগ্রসর হতে পারে না। যারা মাহমুদুর রহমানের সমালোচক, তারা অবশ্যই তার সমালোচনা করবেন এবং তার পক্ষের যারা তার উত্তরও দেবেন। কিন্তু রাষ্ট্র যখন সংবিধান ও আইনের অধীনে কোনো নাগরিককে অভিযুক্ত করে তখন তর্কের প্রসঙ্গ শুধু অভিযুক্ত নয়, একই সঙ্গে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও সরকারও বটে। যে কারণে কোনো কালো আইনে নাগরিকদের গ্রেফতার করলে আমরা কালো আইনের সমালোচনা করি এবং সে আইন প্রত্যাহারের দাবি জানাই। আইনের শাসনের অর্থ কালো আইনের শাসন নয়, ঠিক একইভাবে সংবিধান মেনে চলার অর্থ নাগরিক ও মানবিক অধিকার লংঘনকারী সংবিধান মেনে চলাও নয়। সেটা হতে পারে না। যেহেতু ‘আইন’ আছে, সে আইনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করলেই গণতান্ত্রিক নীতিনৈতিকতার জায়গা থেকে অভিযুক্ত ‘দোষী’ হবে তার কোনো কথা নেই। খোদ আইনটি কালো আইন কি-না সেটাও বিচার্য।
অভিযুক্তের ভূমিকা ও মতাদর্শের পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনা চলুক, ক্ষতি নেই। মতাদর্শিক পার্থক্য ও রাজনৈতিক বিরোধিতা একটি সমাজের স্বাস্থ্যের লক্ষণ, রুগ্ণতার নয়। কিন্তু সবার আগে বুঝতে হবে একটি সমাজের রাজনৈতিক বিকাশের মাত্রা ও গতিশীলতা নির্ভর করে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে সঠিক প্রশ্নগুলো ধরতে পাড়া, তোলা এবং তার মীমাংসার জন্য আন্তরিক তর্কবিতর্কের সংস্কৃতি বিকশিত করার সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্যরে ওপর। যেমন ‘আদালত অবমাননা’র যে ঔপনিবেশিক আইন আমাদের দেশে বহাল রয়েছে তা গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি-না। সুনির্দিষ্টভাবে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না করলে আদালতের সমালোচনা কিভাবে ‘আদালত অবমাননা’ হয়? কোনো বিচারকের নীতিগর্হিত ভূমিকার সমালোচনা করলে সেটা ‘আদালত অবমাননা’ হয় কি-না। আরও গোড়ার প্রশ্ন, বিচারকরা কি আইন ও সংবিধানের ঊর্ধ্বে? তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উপায় কী? এগুলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার গোড়ার প্রশ্ন। কিন্তু কংক্রিট সমস্যা হয়ে হাজির হওয়ার পরও গোড়ার প্রশ্নগুলো আমরা তুলি না, বা তুলতে পারি না। আমার ধারণা ছিল, মাহমুদুর রহমান নানা কারণে বিস্তর শত্র“ তৈরি করেছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে সমাজে একটি শক্তিশালী পক্ষ থাকা অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়, যারা বিচারবুদ্ধি নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে কিভাবে তাকে শায়েস্তা করা যায় সেই দিকটা নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন। কিন্তু মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান খানের গ্রেফতার কেন্দ্র করে সমাজে যে প্রতিক্রিয়া দেখছি তাতে স্পষ্ট যে সমাজের অসুখ অনেক গভীরে। এর চিকিৎসা কিভাবে সম্ভব সেটা আমি নিশ্চিত নই। এই অসুখ বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাবে, সেটাও আমি অনুমান করতে পারছি না।
একজন মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের প্রধানকে অপহরণের চেষ্টা এবং কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া ৫৪ ধারায় গ্রেফতার, রিমান্ড চাওয়া এবং আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা না করে প্রতিপক্ষরা যে যুক্তি তুলে ধরছেন সেটা হল ‘অধিকার’ তাদের প্রতিবেদনে ৬১ জনের শহীদ হওয়ার কথা বলেছে, এটা মিথ্যা। অতএব তথ্যপ্রযুক্তি আইন (Information & Communication Technology Act, 2006) অনুযায়ী তাকে শাস্তি পেতে হবে। যদি এই তথ্য হেফাজতিদের সমাবেশ সম্পর্কে না হয়ে যারা এ কথা বলছেন তাদের পক্ষের সমাবেশ হতো আর যারা মারা গেছে তারা টুপিওয়ালা মাদ্রাসার আলেম-ওলামা ছাত্র না হতো, তাহলে কিন্তু এই সংখ্যা নিয়ে বিবাদ হতো না। কারণ এর আগে ‘অধিকার’ বহু সংখ্যাই হাজির ও প্রচার করেছে, কিন্তু কেউই তাদের সততা বা সাধুতার প্রশ্ন তুলে ৫৪ ধারায় অধিকারের সম্পাদককে ধরে নিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করেননি। আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, যে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে অধিকারের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’ আছে বলে দাবি করা হয়েছে, এখনও আদালতে তাকে পেশ করা হয়নি। তার আগেই তাকে গ্রেফতার শুধু নয়, তার অফিস থেকে কম্পিউটার ও অন্যান্য জিনিস গোয়েন্দা পুলিশ জব্দও করেছে। তর্কের খাতিরে ধরা যাক, অধিকার সঠিক সংখ্যা দেয়নি। তার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে হবে কেন? সরকার তথ্যপ্রযুক্তি আইনের যে ৫৭ ধারার কথা বলছে সেটা কি কালো আইন নয়? এই আইনের যে অপব্যবহার হবে সেটা পরিষ্কার। কালো আইন সম্পর্কে যারা সচেতন তারা এ আইনের বিরুদ্ধে লেখালিখি করেছেন। পাস হওয়ার শুরু থেকেই। এই কালো আইনটির বিরুদ্ধে জনমতও প্রবল। তারপরও আদিলুরের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারত, জামিন দিয়ে মামলা চলতে পারত। কিন্তু লজ্জার বিষয়, সংখ্যার তত্ত্ব দিয়ে তাকে গ্রেফতার, নির্যাতন ও দমন-পীড়নের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন অনেকে।
ইতিমধ্যে এই কালো আইনটিকে আরও কালো করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে কয়েকটি অপরাধ জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করার জন্য সংশোধিত আইনে ন্যূনতম ৭ বছর ও সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২০০৬ সালে বানানো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছর সাজার বিধান ছিল।
নতুন সংশোধন অনুযায়ী কোনো পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করতে পারবে। আগে এ আইনে কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে পুলিশকে সাইবার ট্রাইব্যুনালের কন্ট্রোলারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হতো। যে কোনো পুলিশ হলেই হবে না। কমপক্ষে সাব-ইন্সপেক্টর র্যাংকের হতে হবে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী পুলিশকে এ ধরনের কোনো আগাম অনুমতি নিতে হবে না, অভিযোগ পেলে যাকে খুশি তাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে। পুলিশ অপরাধ আমলে নিয়ে নিজেই মামলা করতে পারবে। আদিলুর রহমান খানকে গ্রেফতার করার সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ৬৯ বিধান অনুযায়ী আগাম অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। সেই অনুমোদন ছিল না বলে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে হয়েছে। এখন এসব অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়ে সরাসরি পুলিশকেই গ্রেফতারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যাতে তারা দমন-পীড়ন চালাতে পারে। পুলিশ এখন কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারবে। আগে এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ জামিনযোগ্য ছিল। এখন এ আইনের অধীনে অভিযুক্ত হয়ে কেউ গ্রেফতার হলে তিনি আর জামিনও পাবেন না।
অনেকে সঙ্গত প্রশ্ন তুলেছেন, এর আগে অন্যরা কেউ আড়াই হাজার, কেউ তিন হাজার মারা গিয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের ধরা হল না, অধিকারকে ধরা হল কেন? অধিকার বলেছে, এই সংখ্যাই শেষ নয়, তাদের তথ্য সংগ্রহ চলছে এবং তা আরও অনেক বেশি হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরকারের উচিত ছিল অধিকারকে সঠিক তথ্য নির্ণয়ে সহযোগিতা করে সরকারের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’র অভিযোগের ফয়সালা করে। অধিকার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়েছে, এতে সরকারের বরং স্বস্তিবোধ করা উচিত ছিল। অধিকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের মূল উদ্দেশ্য তথ্যের সঠিকতা নিয়ে বিতর্ক নয়, বরং চলমান তদন্তকে বন্ধ করা। সেই কালোরাতে আরও কত শহীদ হয়েছে, সেই তদন্ত চলতে থাকলে সেটা বর্তমান সরকারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এটা সরকার ঠিকই বুঝেছে। সরকারের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞের অভিযোগ রয়েছে। সেই কালোরাতে নিহতদের তথ্য সংগ্রহ সেই অভিযোগের প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে।
বিপদ অন্যভাবেও ঘটতে পারে, যার নজির অনেকেই এখন দিচ্ছেন। যেমন আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে দুঃশাসনের সেই সময় (Reign of Terror 2001-2006) শিরোনামে ‘অন্ধকারের খণ্ড চিত্র’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে পাঁচ বছরে ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এই ‘দাবি’ কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে? যদি তার তালিকা সরকার চায়, আওয়ামী লীগ কি সেটা দিতে সক্ষম? দিতে ব্যর্থ হলে কি ওয়েবসাইটের কর্তাকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার ও মামলা করা হবে? বলাবাহুল্য, অধিকারের সংখ্যা ঢালাও কোনো সংখ্যা নয়। ওপরে নজির দিয়েছি এ কারণে যে, সংখ্যা নিয়ে কূটতর্ক বিস্তর করা যায়। মূল কথা হচ্ছে, আসলে শাপলা চত্বরে দেশের কতজন নাগরিক শহীদ ও হতাহত হয়েছেন, তার সঠিক চিত্র সরকার প্রকাশ করতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে এর ফয়সালা না করার পক্ষে কোনো যুক্তি নেই। অথচ সরকার মানবাধিকার কর্মীর ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত হওয়ার পথ গ্রহণ করেছে। আদিলুর রহমান খানকে গ্রেফতার করার যে কৈফিয়ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়েছেন, কূটনৈতিক মহলে তা গ্রহণযোগ্য হয়নি।
মূল তর্কের বিষয়টা মোটেও সংখ্যার ঠিক বা বেঠিকতার বিষয় নয়, এটা আমাদের বুঝতে হবে। পুরোটাই রাজনৈতিক এবং এর পেছনে মানবাধিকার কর্মীদের শায়েস্তা করা যেমন, একই সঙ্গে ভীতি ও আতংক তৈরিই উদ্দেশ্য। মানবাধিকার লংঘনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে ছেদ ঘটাতে চায় ক্ষমতাসীনরা। মূল প্রশ্নটা নাগরিক ও মানবিক অধিকারের মামলা। সুনির্দিষ্টভাবে এ ক্ষেত্রে ইস্যুটা হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং তার সাম্প্রতিক সংশোধনী। কোনো অভিযোগ ছাড়া ৫৪ ধারায় নাগরিকদের গ্রেফতার করার ক্ষমতা পুলিশকে দিতে আমরা রাজি কি-না। রিমান্ডে পুলিশি নির্যাতনের মধ্য দিয়ে অপরাধের স্বীকৃতি আদায়ের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমাজে একটি জনমত আছে, কিন্তু তাকে একটি রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে আমরা হাজির করতে পারিনি। সমাজে চিন্তা ও মতাদর্শিক তর্কাতর্কি থাকুক, কিন্তু সব ধরনের কালো আইনের বিরোধিতা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এখনই না করা হয় তাহলে সরকারবিরোধী তথ্য, মত বা বক্তব্য প্রকাশ করা অসম্ভব হয়ে উঠবে। সরকারি দমন-পীড়ন মতপ্রকাশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। আমরা হুমকির মধ্যেই বাস করছি। সরকার সাইবার জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আসলে নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। আগে বলেছি, সমাজের রাজনৈতিক বিকাশের মাত্রা ও গতিশীলতা নির্ভর করে সংবিধান, আইন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির দিক থেকে সঠিক প্রশ্নগুলো ধরতে পারা, তোলা এবং তার মীমাংসার জন্য আন্তরিক তর্কবিতর্কের সংস্কৃতি বিকশিত করার সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্য অর্জনের ওপর। এদিক থেকে আমরা জাহেলিয়া বা অজ্ঞানতার অন্ধকারে ডুবে রয়েছি। নইলে রাষ্ট্রের পক্ষে সংবিধান বদলিয়ে এবং একের পর এক কালো আইন জারি করে দানব হয়ে ওঠা সম্ভব হতো না। এ পরিস্থিতি রাতারাতি বদলে যাবে আশা করা বাতুলতা। রাষ্ট্রীয় দমন-নিপীড়ন ভোগ করতে হবে আরও অনেককে। সব পক্ষেই। মাহমুদুর রহমান ও আদিলুর রহমান খান যেমন, তেমনি ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, মশিউর রহমান, বিপ্লব অধিকারী শুভ্র ও রাসেল পারভেজও একই তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এ গ্রেফতার হয়েছেন। তাহলে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে তো সমাজে একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে ওঠাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক। কিন্তু খেয়াল করলে দেখব, এ আইনের হাত থেকে প্রত্যকে যার যার নিজের পক্ষের ব্যক্তিদের রেহাই দিতে রাজি, কিন্তু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যখন তার প্রয়োগ ঘটছে তখন তাতে পুলকিত ও উল্লসিত হয়ে উঠছে। যদি আরও গোড়ায় যাই তাহলে দেখব সমাজে আমাদের আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা, তর্কবিতর্ক হয়েছে খুবই কম। যেমন চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। বিভিন্নজনে বিভিন্নভাবে এই ‘স্বাধীনতা’ ব্যাপারটা বোঝে। নিজের জন্য ‘স্বাধীনতা’ কিন্তু প্রতিপক্ষের জন্য দমন-পীড়ন। খুবই বিকৃত একটি সমাজে আমরা বাস করছি। চিন্তা ও মতপ্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্নের কোনো সার্বজনীন মীমাংসাসূত্র নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর দার্শনিক, সাংবিধানিক আর আইনি অর্থ ও বিচারের সঙ্গে ইউরোপের মিল নেই। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ফলে সব দেশের জন্য একই পাজামা বানানোর দরকার নেই। সেই ক্ষেত্রে উচিত হচ্ছে, আমাদের নিজেদের ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, দায়িত্ববোধ ইত্যাদি বিবেচনা করে একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ মত তৈরির চেষ্টা করা, যাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও সীমা আমরা বেঁধে দিতে পারি। ব্যক্তিগতভাবে আমি মানবিক মর্যাদার নীতিকে অলংঘনীয় গণ্য করে চিন্তা ও মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সেটা বই, ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম কিংবা সাইবার স্পেইস যাই হোক, যতক্ষণ ব্যক্তি হিসেবে আমি আমার প্রকাশভঙ্গি দ্বারা অপরের মর্যাদা ক্ষুণ্ন না করছি, ততক্ষণ নাগরিক হিসেবে আমার চিন্তা ও মতের স্বাধীনতার ওপর রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ একটি সমাজের বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে আমি মনে করি। সেক্ষেত্রে ‘মানবিক মর্যাদা’ বলতে আমরা কী বুঝব তা নিয়ে পরের কোনো একটি লেখায় তর্ক হতে পারে। তবে ‘যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ’-এর নামে রাষ্ট্র যখন চিন্তা ও মতের স্বাধীনতা নানা অজুহাতে খর্ব করে, তার বিরোধিতা করা দরকার। আমি মনে করি না অধিকারের সমস্যা সংখ্যার ঠিক-বেঠিকের মামলা। যারা অধিকারের সংখ্যা ভুল দাবি করছেন, তারা স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে তার ফয়সালা করতে ভয় পাচ্ছেন কেন? শেখ হাসিনার দাবি মিথ্যা হয়ে যাবে বলে? তাতে মন্ত্রীর মিথ্যা কথন ধরা পড়ে যাবে। তাই না? এ ছাড়া আর কী কারণ থাকতে পারে? গোড়ায় সমস্যাটা চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকারেরই প্রশ্ন। সে জন্য বলি, ব্যক্তি নিয়ে কথা না বলে ধারণাগত দিক নিয়ে কথা বললে আমরা আরও কাছাকাছি আসতে পারব। সেই তর্কের মধ্য দিয়েই যেতে রাজি হলে সমাজের বিভিন্ন পক্ষের কাছাকাছি আসার আদৌ কোনো বাস্তব শর্ত আছে কি-না সেটাও বোঝা যাবে। আমরা গর্তের কোথায় পড়ে আছি, হয়তো তারও একটা হদিস করা যাবে।
আজ হোক কাল হোক এই ময়লা গর্ত থেকে তো বেরিয়ে আসতে হবে। তাই না?
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
August
(269)
-
▼
Aug 24
(18)
- ঐশীকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ by ইমরান আলী
- নির্বাচন অনিশ্চিত করা কারও জন্যই উচিত হবে না by মা...
- উত্তরাধিকারের রাজনীতিতে কার জয়, কার পরাজয়? by বদিউ...
- শিক্ষা আইন নিয়ে কিছু কথা by মোঃ মুজিবুর রহমান
- কালো আইন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা by ফরহ...
- বাংলাদেশের অনিশ্চিত যাত্রা by আলী রীয়াজ
- ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন হত্যা দিবস by আবু তালহা
- ১৫০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয়
- টানা ৭২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ জাবি ভিসি by রিয়াজুল ইসলাম দীপু
- নারায়ণগঞ্জে বাসমালিকদের ঘোষণা- শামীম ওসমানের শ্যা...
- প্রতিহিংসার রাজনীতিতে দগ্ধ দেশ ও মানুষ by নূরে আলম...
- দুই নেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ- সংলাপের তাগিদ জাতিসংঘ ম...
- খুনি একজনই by নূরুজ্জামান
- খুনের আলামত পরীক্ষায় কেবল ঐশী জড়িত
- বাঁচতে চাও? তবে ফিনিক্স হও by শিহাবুর রহমান
- ফের অনৈতিক কাজে মেতেছেন মডেল ইমা!
- ফিরিয়ে দিলেন পরিণীতি
- ২০১৩ সেরা আবেদনময়ী কেটি পেরি
-
▼
Aug 24
(18)
-
▼
August
(269)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment