Saturday, August 24, 2013
১৫০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয়
১৫০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয়

গত চার বছরে কেনা
সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, সামরিক
হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান, ক্ষেপণাস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের রাডার
উল্লেখযোগ্য।
সশস্ত্র বাহিনীর কেনাকাটার ব্যাপারে জানতে চেয়ে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে গত ১ মার্চ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের কাছে লিখিতভাবে তথ্য চাওয়া হয়। জবাবে আইএসপিআর থেকে ২৫ মার্চ লিখিতভাবে জানানো হয়, ‘বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট হওয়ায় উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।’
এর আগে গত বছরের ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে তিন বাহিনীর জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার তথ্য জানান। এ বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি সামরিক সরঞ্জাম কেনার কথা জানান।
সামরিক খাতের এই কেনাকাটা নিয়ে একাধিক সামরিক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাঁরা প্রথম আলোকে বলেন, বাহিনী থাকলে সরঞ্জাম কিনতেই হবে। আমাদের প্রতিরক্ষা-নীতি হবে আত্মরক্ষামূলক। তবে সম্ভাব্য আক্রমণকারী আঘাত হানার পরে আমরা প্রত্যাঘাত করব, নাকি আগেভাগেই হামলা চালিয়ে তাকে অকার্যকর করে দেব, সেটা ঠিক করতে হবে।
অবসরে যাওয়া একজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, সাড়ে চার বছরে সরকার যেসব কেনাকাটা করেছে, তাতে কিছু ব্যক্তির আশা-আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটছে। প্রতিরক্ষা নীতি না থাকায় এসব কেনাকাটা সমন্বিতভাবে হয়নি। তিনি বলেন, এ জন্য কোনো দিকনির্দেশনা থাকলে তা প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে বা সংসদে অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই করা হয়নি। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য প্রতিরক্ষানীতি না করে আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কথা বলে একেক সময়ে সরকারের ইচ্ছানুযায়ী কেনাকাটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি এ ধরনের কেনাকাটায় স্বচ্ছতাও জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বাড়ানো উচিত। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা দরকার। তবে রাশিয়া থেকে যে চড়া সুদে ঋণ নেওয়া হয়েছে, সেটা না করলেই ভালো হতো। এর আগে এত চড়া সুদে কখনো ঋণ নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এই ঋণের অর্থ তো সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই যাবে।
যত কেনাকাটা: অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১২-১৩ অর্থবছর—এই চার বছরে তিন বাহিনীর জন্য ১৮৮ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার ১০৪ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কেনা হয়েছে সেনাবাহিনীর জন্য। এ বাহিনীর জন্য চার বছরে পাঁচ হাজার ৪০৭ কোটি ২৭ লাখ টাকার সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। নৌবাহিনীর জন্য চার হাজার ৯৭৫ কোটি ৪৯ লাখ ও বিমানবাহিনীর জন্য চার হাজার ৭২২ কোটি ১৩ লাখ টাকার সরঞ্জাম কেনা হয়।
এসব কেনাকাটার বাইরে রাশিয়া থেকে ঋণ নিয়ে আট হাজার কোটি টাকার ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়া যান (এপিসি), পন্টুন সেতু, প্রশিক্ষণ বিমান, সামরিক হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০ কিস্তিতে ১০ বছর ধরে বার্ষিক ৪ শতাংশ সুদে এ ঋণের অর্থ পরিশোধ করা হবে। এ চুক্তির আওতায় অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনা হবে ২০১৭ সালের মধ্যে।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সামরিক বাহিনীর উন্নয়নের নামে ২২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া আরও প্রায় ১০০ কোটি ডলার খরচ করে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় দুটি ডুবো যুদ্ধজাহাজ (সাবমেরিন) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কুতুবদিয়া চ্যানেলের পাশে সাবমেরিন ঘাঁটি করার জন্য জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
এবারের বাজেটে সামরিক খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ২২৯ কোটি টাকা। এর আগের বছর ছিল ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা।
সেনাবাহিনী: বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেনাবাহিনীর ২৬০টি সাঁজোয়া যান, ১৮টি সামরিক উদ্ধার যান, ১৫টি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স, ৪৪টি তৃতীয় প্রজন্মের ট্যাংক, দুটি হেলিকপ্টার, ১৮টি স্বয়ংক্রিয় কামান ও সামরিক রাডার কেনা হয়।
২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৭৯ কোটি ৮২ লাখ টাকায় জাপান থেকে কেনা হয় ১৮৪টি তিন টনের ট্রাক। পরের বছর রাশিয়া থেকে কেনা হয় ১২০টি সাঁজোয়া যান (আরমার্ড পার্সোনাল ক্যারিয়ার—এপিসি), ১০টি সামরিক উদ্ধার যান (আরমার্ড রিকভারি ভেহিকেল—এআরভি) ও ১০টি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স। কেনা এসব সরঞ্জামের দাম ৫১০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরে চীন থেকে কেনা হয় এক হাজার ২০১ কোটি ৮১ লাখ টাকায় এমবিটি ২০০০ মডেলের ৪৪টি চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাংক ও তিনটি সামরিক উদ্ধার যান। ফ্রান্সের তৈরি ইউরোকপ্টার ব্র্যান্ডের দুটি হেলিকপ্টার কেনা হয় ১৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকায়। ওই বছর চীন থেকে রাডার কেনা হয় ১৩৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা খরচ করে। পরের বছর সার্বিয়া থেকে ১৮টি স্বয়ংক্রিয় কামান (সেলফ-প্রোপেলড গান—এসপিগান) কেনা হয় ৫৪১ কোটি ৩৪ লাখ টাকায়। রাশিয়া থেকে ২২২ কোটি সাত লাখ টাকায় কেনা হয় ১১৩টি ট্যাংক বিধ্বংসী সরঞ্জাম। একই বছর রাশিয়া থেকে ৬৫১ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় কেনা হয় ১৪০টি সাঁজোয়া যান, পাঁচটি উদ্ধার যান ও পাঁচটি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স।
সূত্র জানায়, এ ছাড়া সেনাবাহিনীর জন্য আরও দুটি বিমান, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ রাডার, কিছু বেতার সম্প্রচারকেন্দ্র, মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম, বেশ কিছু ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, স্বল্প পাল্লার ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড উইপন, এপিসিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে।
নৌবাহিনী: সরকারের চার বছরে নৌবাহিনীতে ১৬টি নতুন জাহাজ যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কেনা হয়েছে আর চীনের সহায়তায় খুলনা শিপইয়ার্ডে তৈরি করা হচ্ছে ছোট আকারের পাঁচটি জাহাজ। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইতালি থেকে ১৬৩ কোটি টাকায় কেনা হয় দুটি মেরিটাইম হেলিকপ্টার। একই দেশ থেকে ১৪১ কোটি টাকায় কেনা হয় এমকে-১ ক্ষেপণাস্ত্র। পরের বছর ৮৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকায় চীন থেকে দুটি বড় টহল জাহাজ (এলপিসি) ও পাঁচটি ছোট টহল জাহাজ কেনা হয়। ১৩৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকায় যুক্তরাজ্য থেকে কেনা হয় দুটি জাহাজ ও একটি জরিপ জাহাজ। এ ছাড়া ৩০২ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় চীন থেকে ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৫৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় কেনা হয় রাডার যন্ত্রপাতি। ২০১০-১১ অর্থবছরে নৌবাহিনীর জন্য জার্মানি থেকে আনা হয় ডরনিয়ার ব্র্যান্ডের দুটি মেরিটাইম এয়ারক্রাফট। এর দাম ২৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। গত ৩ জুন নৌবাহিনীর প্রধান কুর্মিটোলায় বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাঁটিতে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওই বছর এক হাজার ৬৫৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকায় চীন থেকে কেনা হয় আরও দুটি যুদ্ধজাহাজ। এ বছর ৬৫২ কোটি টাকায় কেনা হয় আরও দুটি ফ্রিগেট।
কেনাকাটায় স্বচ্ছতার ব্যাপারে জানতে চাইলে নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব গত ৩ জুন সাংবাদিকদের বলেন, নৌবাহিনীর কেনাকাটায় সব সময় স্বচ্ছতা ছিল। কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
বিমানবাহিনী: ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিমানবাহিনীর জন্য ৩৩২ কোটি টাকায় চীন থেকে কেনা হয় স্বল্পপাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা পদ্ধতি (এসএইচওআরএডি)। এফ-৭ বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা স্থাপনে খরচ করা হয় ২০৪ কোটি টাকা। এ সময় এফ-৭ বিমানের জন্য চীন থেকে এবং মিগ-২৯ বিমানের জন্য রাশিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য খরচ করা হয় ২৭২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরে এক হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয় চতুর্থ প্রজন্মের ১৬টি যুদ্ধবিমান এফ-৭ বিজি১ এবং ৩৪৫ কোটি টাকায় রাশিয়ার তৈরি এমআই-১৭১এসএইচ হেলিকপ্টার। ৯ এপ্রিল এগুলো বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের বছর চারটি মিগ-২৯-এর রক্ষণাবেক্ষণে খরচ করা হয় ১১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ছাড়া চীন থেকে বিমান প্রতিরক্ষা রাডার কেনায় খরচ করা হয় আরও ২১৫ কোটি আট লাখ টাকা।
প্রতিরক্ষানীতি নেই: সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশে কোনো প্রতিরক্ষানীতি নেই। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে প্রতিরক্ষানীতি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর থেমে যায়। বর্তমান সরকারের আমলেও প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে এ নিয়ে শুধু আলোচনাই হয়েছে। তবে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ নামে পাঁচ বছর মেয়াদি চার ধাপের একটি পরিকল্পনা নেয় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। প্রথম ধাপে ২০১১ থেকে ২০১৫, দ্বিতীয় ধাপ ২০১৬ থেকে ২০২০, তৃতীয় ধাপ ২০২১ থেকে ২০২৫ এবং চতুর্থ ধাপ ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে বাস্তবায়িত হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদনও দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে যেসব কেনাকাটা হচ্ছে, তা প্রথম ধাপের অংশ বলে জানা গেছে।
কতটা যৌক্তিক: প্রতিরক্ষানীতি না থাকার পরও বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কতটুকু যৌক্তিক? সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ এ প্রশ্নের জবাবে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কী কিনব, তা নির্ভর করবে আমাদের প্রতিরক্ষানীতির ওপর। তবে কেনাকাটার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবশ্যই থাকতে হবে, যাতে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে। নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে প্রতিরক্ষার জন্য ব্যয় করতে হবে। এর প্রয়োজন আছে।’
দেশে কোনো প্রতিরক্ষানীতি নেই। তার পরও কোন উদ্দেশ্য সামনে রেখে এ ধরনের কেনাকাটা হচ্ছে? জানতে চাইলে প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান ইদ্রিস আলী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিরক্ষানীতি না থাকলেও প্রতিটি বাহিনীতে নিজস্ব কার্য পদ্ধতি আছে, আছে ‘ফোর্সেস গোল’। সেই লক্ষ্য নিয়েও কেনাকাটা হচ্ছে। এই ১৫ হাজার কোটি টাকার কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ছিল বলে মনে করেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তার চাহিদা অনুসারেই কেনাকাটা করে থাকে। এ ক্ষেত্রে যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, তবেই সংসদীয় কমিটি হস্তক্ষেপ করতে পারে।
তবে রাশিয়ার সঙ্গে আট হাজার কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনার চুক্তির পর গত ২১ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক বলেন, ‘সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতার অবকাশ নেই। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হচ্ছে।’
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এয়ার কমোডর (অব.) ইসফাক ইলাহী চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, একটি বাহিনী থাকলে তার সক্ষমতা থাকতেই হবে। না হলে বাহিনী রেখে লাভ কী? সক্ষমতার জন্য দরকার সামরিক সরঞ্জাম। তবে এসব সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি, যা সাধারণ মানুষ চিন্তাও করতে পারে না। তবে দাম যাই হোক না কেন, কেনাকাটা অবশ্যই স্বচ্ছ হওয়া চাই, যাতে মানুষের কোনো সন্দেহ না থাকে।
গত ২৯ জানুয়ারি লন্ডনে প্রকাশিত দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সামরিক খাতে বাংলাদেশের দুর্নীতির ঝুঁকি রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা-সম্পর্কিত গোপন বিষয়গুলো সম্পর্কে সংসদে যেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয় না, তেমনি নিরাপত্তা খাতের বার্ষিক হিসাবের নিরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়েও কোনো বিতর্কের প্রমাণ মেলে না।’
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর একাংশের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের সময় টিআইবির চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল বলেছিলেন, ‘সামরিক খাতের কেনাকাটা নিয়ে কোনো তথ্য জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয় না। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতারও অভাব রয়েছে। এ নিয়ে সংসদেও কখনো কোনো আলোচনা করা হয় না।’
সশস্ত্র বাহিনীর কেনাকাটার ব্যাপারে জানতে চেয়ে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে গত ১ মার্চ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের কাছে লিখিতভাবে তথ্য চাওয়া হয়। জবাবে আইএসপিআর থেকে ২৫ মার্চ লিখিতভাবে জানানো হয়, ‘বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট হওয়ায় উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।’
এর আগে গত বছরের ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে তিন বাহিনীর জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার তথ্য জানান। এ বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি সামরিক সরঞ্জাম কেনার কথা জানান।
সামরিক খাতের এই কেনাকাটা নিয়ে একাধিক সামরিক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাঁরা প্রথম আলোকে বলেন, বাহিনী থাকলে সরঞ্জাম কিনতেই হবে। আমাদের প্রতিরক্ষা-নীতি হবে আত্মরক্ষামূলক। তবে সম্ভাব্য আক্রমণকারী আঘাত হানার পরে আমরা প্রত্যাঘাত করব, নাকি আগেভাগেই হামলা চালিয়ে তাকে অকার্যকর করে দেব, সেটা ঠিক করতে হবে।
অবসরে যাওয়া একজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, সাড়ে চার বছরে সরকার যেসব কেনাকাটা করেছে, তাতে কিছু ব্যক্তির আশা-আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটছে। প্রতিরক্ষা নীতি না থাকায় এসব কেনাকাটা সমন্বিতভাবে হয়নি। তিনি বলেন, এ জন্য কোনো দিকনির্দেশনা থাকলে তা প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে বা সংসদে অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই করা হয়নি। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য প্রতিরক্ষানীতি না করে আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কথা বলে একেক সময়ে সরকারের ইচ্ছানুযায়ী কেনাকাটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি এ ধরনের কেনাকাটায় স্বচ্ছতাও জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বাড়ানো উচিত। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা দরকার। তবে রাশিয়া থেকে যে চড়া সুদে ঋণ নেওয়া হয়েছে, সেটা না করলেই ভালো হতো। এর আগে এত চড়া সুদে কখনো ঋণ নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এই ঋণের অর্থ তো সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই যাবে।
যত কেনাকাটা: অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১২-১৩ অর্থবছর—এই চার বছরে তিন বাহিনীর জন্য ১৮৮ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার ১০৪ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কেনা হয়েছে সেনাবাহিনীর জন্য। এ বাহিনীর জন্য চার বছরে পাঁচ হাজার ৪০৭ কোটি ২৭ লাখ টাকার সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। নৌবাহিনীর জন্য চার হাজার ৯৭৫ কোটি ৪৯ লাখ ও বিমানবাহিনীর জন্য চার হাজার ৭২২ কোটি ১৩ লাখ টাকার সরঞ্জাম কেনা হয়।
এসব কেনাকাটার বাইরে রাশিয়া থেকে ঋণ নিয়ে আট হাজার কোটি টাকার ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়া যান (এপিসি), পন্টুন সেতু, প্রশিক্ষণ বিমান, সামরিক হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০ কিস্তিতে ১০ বছর ধরে বার্ষিক ৪ শতাংশ সুদে এ ঋণের অর্থ পরিশোধ করা হবে। এ চুক্তির আওতায় অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনা হবে ২০১৭ সালের মধ্যে।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সামরিক বাহিনীর উন্নয়নের নামে ২২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া আরও প্রায় ১০০ কোটি ডলার খরচ করে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় দুটি ডুবো যুদ্ধজাহাজ (সাবমেরিন) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কুতুবদিয়া চ্যানেলের পাশে সাবমেরিন ঘাঁটি করার জন্য জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
এবারের বাজেটে সামরিক খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ২২৯ কোটি টাকা। এর আগের বছর ছিল ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা।
সেনাবাহিনী: বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেনাবাহিনীর ২৬০টি সাঁজোয়া যান, ১৮টি সামরিক উদ্ধার যান, ১৫টি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স, ৪৪টি তৃতীয় প্রজন্মের ট্যাংক, দুটি হেলিকপ্টার, ১৮টি স্বয়ংক্রিয় কামান ও সামরিক রাডার কেনা হয়।
২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৭৯ কোটি ৮২ লাখ টাকায় জাপান থেকে কেনা হয় ১৮৪টি তিন টনের ট্রাক। পরের বছর রাশিয়া থেকে কেনা হয় ১২০টি সাঁজোয়া যান (আরমার্ড পার্সোনাল ক্যারিয়ার—এপিসি), ১০টি সামরিক উদ্ধার যান (আরমার্ড রিকভারি ভেহিকেল—এআরভি) ও ১০টি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স। কেনা এসব সরঞ্জামের দাম ৫১০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরে চীন থেকে কেনা হয় এক হাজার ২০১ কোটি ৮১ লাখ টাকায় এমবিটি ২০০০ মডেলের ৪৪টি চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাংক ও তিনটি সামরিক উদ্ধার যান। ফ্রান্সের তৈরি ইউরোকপ্টার ব্র্যান্ডের দুটি হেলিকপ্টার কেনা হয় ১৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকায়। ওই বছর চীন থেকে রাডার কেনা হয় ১৩৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা খরচ করে। পরের বছর সার্বিয়া থেকে ১৮টি স্বয়ংক্রিয় কামান (সেলফ-প্রোপেলড গান—এসপিগান) কেনা হয় ৫৪১ কোটি ৩৪ লাখ টাকায়। রাশিয়া থেকে ২২২ কোটি সাত লাখ টাকায় কেনা হয় ১১৩টি ট্যাংক বিধ্বংসী সরঞ্জাম। একই বছর রাশিয়া থেকে ৬৫১ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় কেনা হয় ১৪০টি সাঁজোয়া যান, পাঁচটি উদ্ধার যান ও পাঁচটি এপিসি অ্যাম্বুলেন্স।
সূত্র জানায়, এ ছাড়া সেনাবাহিনীর জন্য আরও দুটি বিমান, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ রাডার, কিছু বেতার সম্প্রচারকেন্দ্র, মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম, বেশ কিছু ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, স্বল্প পাল্লার ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড উইপন, এপিসিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার সরকারি সিদ্ধান্ত রয়েছে।
নৌবাহিনী: সরকারের চার বছরে নৌবাহিনীতে ১৬টি নতুন জাহাজ যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কেনা হয়েছে আর চীনের সহায়তায় খুলনা শিপইয়ার্ডে তৈরি করা হচ্ছে ছোট আকারের পাঁচটি জাহাজ। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইতালি থেকে ১৬৩ কোটি টাকায় কেনা হয় দুটি মেরিটাইম হেলিকপ্টার। একই দেশ থেকে ১৪১ কোটি টাকায় কেনা হয় এমকে-১ ক্ষেপণাস্ত্র। পরের বছর ৮৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকায় চীন থেকে দুটি বড় টহল জাহাজ (এলপিসি) ও পাঁচটি ছোট টহল জাহাজ কেনা হয়। ১৩৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকায় যুক্তরাজ্য থেকে কেনা হয় দুটি জাহাজ ও একটি জরিপ জাহাজ। এ ছাড়া ৩০২ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় চীন থেকে ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৫৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় কেনা হয় রাডার যন্ত্রপাতি। ২০১০-১১ অর্থবছরে নৌবাহিনীর জন্য জার্মানি থেকে আনা হয় ডরনিয়ার ব্র্যান্ডের দুটি মেরিটাইম এয়ারক্রাফট। এর দাম ২৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। গত ৩ জুন নৌবাহিনীর প্রধান কুর্মিটোলায় বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাঁটিতে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওই বছর এক হাজার ৬৫৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকায় চীন থেকে কেনা হয় আরও দুটি যুদ্ধজাহাজ। এ বছর ৬৫২ কোটি টাকায় কেনা হয় আরও দুটি ফ্রিগেট।
কেনাকাটায় স্বচ্ছতার ব্যাপারে জানতে চাইলে নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব গত ৩ জুন সাংবাদিকদের বলেন, নৌবাহিনীর কেনাকাটায় সব সময় স্বচ্ছতা ছিল। কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি।
বিমানবাহিনী: ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিমানবাহিনীর জন্য ৩৩২ কোটি টাকায় চীন থেকে কেনা হয় স্বল্পপাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা পদ্ধতি (এসএইচওআরএডি)। এফ-৭ বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা স্থাপনে খরচ করা হয় ২০৪ কোটি টাকা। এ সময় এফ-৭ বিমানের জন্য চীন থেকে এবং মিগ-২৯ বিমানের জন্য রাশিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য খরচ করা হয় ২৭২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরে এক হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয় চতুর্থ প্রজন্মের ১৬টি যুদ্ধবিমান এফ-৭ বিজি১ এবং ৩৪৫ কোটি টাকায় রাশিয়ার তৈরি এমআই-১৭১এসএইচ হেলিকপ্টার। ৯ এপ্রিল এগুলো বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের বছর চারটি মিগ-২৯-এর রক্ষণাবেক্ষণে খরচ করা হয় ১১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ছাড়া চীন থেকে বিমান প্রতিরক্ষা রাডার কেনায় খরচ করা হয় আরও ২১৫ কোটি আট লাখ টাকা।
প্রতিরক্ষানীতি নেই: সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশে কোনো প্রতিরক্ষানীতি নেই। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে প্রতিরক্ষানীতি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর থেমে যায়। বর্তমান সরকারের আমলেও প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে এ নিয়ে শুধু আলোচনাই হয়েছে। তবে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ নামে পাঁচ বছর মেয়াদি চার ধাপের একটি পরিকল্পনা নেয় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। প্রথম ধাপে ২০১১ থেকে ২০১৫, দ্বিতীয় ধাপ ২০১৬ থেকে ২০২০, তৃতীয় ধাপ ২০২১ থেকে ২০২৫ এবং চতুর্থ ধাপ ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে বাস্তবায়িত হবে। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদনও দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে যেসব কেনাকাটা হচ্ছে, তা প্রথম ধাপের অংশ বলে জানা গেছে।
কতটা যৌক্তিক: প্রতিরক্ষানীতি না থাকার পরও বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কতটুকু যৌক্তিক? সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ এ প্রশ্নের জবাবে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কী কিনব, তা নির্ভর করবে আমাদের প্রতিরক্ষানীতির ওপর। তবে কেনাকাটার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবশ্যই থাকতে হবে, যাতে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে। নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে প্রতিরক্ষার জন্য ব্যয় করতে হবে। এর প্রয়োজন আছে।’
দেশে কোনো প্রতিরক্ষানীতি নেই। তার পরও কোন উদ্দেশ্য সামনে রেখে এ ধরনের কেনাকাটা হচ্ছে? জানতে চাইলে প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান ইদ্রিস আলী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিরক্ষানীতি না থাকলেও প্রতিটি বাহিনীতে নিজস্ব কার্য পদ্ধতি আছে, আছে ‘ফোর্সেস গোল’। সেই লক্ষ্য নিয়েও কেনাকাটা হচ্ছে। এই ১৫ হাজার কোটি টাকার কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ছিল বলে মনে করেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তার চাহিদা অনুসারেই কেনাকাটা করে থাকে। এ ক্ষেত্রে যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, তবেই সংসদীয় কমিটি হস্তক্ষেপ করতে পারে।
তবে রাশিয়ার সঙ্গে আট হাজার কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনার চুক্তির পর গত ২১ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক বলেন, ‘সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতার অবকাশ নেই। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হচ্ছে।’
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এয়ার কমোডর (অব.) ইসফাক ইলাহী চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, একটি বাহিনী থাকলে তার সক্ষমতা থাকতেই হবে। না হলে বাহিনী রেখে লাভ কী? সক্ষমতার জন্য দরকার সামরিক সরঞ্জাম। তবে এসব সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি, যা সাধারণ মানুষ চিন্তাও করতে পারে না। তবে দাম যাই হোক না কেন, কেনাকাটা অবশ্যই স্বচ্ছ হওয়া চাই, যাতে মানুষের কোনো সন্দেহ না থাকে।
গত ২৯ জানুয়ারি লন্ডনে প্রকাশিত দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সামরিক খাতে বাংলাদেশের দুর্নীতির ঝুঁকি রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা-সম্পর্কিত গোপন বিষয়গুলো সম্পর্কে সংসদে যেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয় না, তেমনি নিরাপত্তা খাতের বার্ষিক হিসাবের নিরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়েও কোনো বিতর্কের প্রমাণ মেলে না।’
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর একাংশের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের সময় টিআইবির চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল বলেছিলেন, ‘সামরিক খাতের কেনাকাটা নিয়ে কোনো তথ্য জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয় না। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতারও অভাব রয়েছে। এ নিয়ে সংসদেও কখনো কোনো আলোচনা করা হয় না।’
প্রথম আলোর ১০৬টি পাঠকের মন্তব্য
- ২৩১২অর্থহীন এই ব্যয়, এই দেশের বা দেশের জনসাধারণের কি কাজে আসবে? এই অর্থ যদি শহরের ও গ্রামের রাস্তা মেরামত, পরিষ্কার প্রকল্পে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্প, তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন এবং বেকার নিরসনে কাজে লাগান যেত তাহলে হয়ত দেশ অনেকটাই এগিয়ে যেত। আফসস, এদেশের রাজনীতিবিদেরা নিজ স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতে পারে না :(
- ১১৮it won't help the regular citizen but it will help the pocket of AL leaders........ they will pocket enough money for the upcoming election from this deal.
- ১২১৭ঠিকই বলেছেন। আর্মি আগে ভাল ছিল, এ সরকারের আমলে কেমন জানি হয়ে গেছে। আজমি ভাইয়ের ন্যায় চৌকস আর্মিদেরকে অপসারন করেছে। দুর্নিতীর সম্ভাবনা আছে।
- ২৮৩০মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে আমাদের এই সব সরকার নেই। একটি জাতি কতটুকু শক্তিশালী ,মর্যাদা সম্পন্ন তা তার সামরিক শক্তি দিয়ে বুঝা যায়। আমাদের সমুদ্র সীমানাও বেড়েছে। সরকার সিদ্বান্তটি যৌক্তিক। পদ্মা ব্রিজ ওয়ালারা, বাস্তবতা ফিরে আসুন। ভাবখানা এমন যে সরকারে সমালোচনা করলেই মারাত্নক দেশপ্রেমিক আর বুদ্ধিজীবী হওয়া যায়।
- ১০২do not blame only to politicians, how about us ? when a government opens new transport system, new electricity plat etc. what we do ? on the name of politics we simply vandalize those things in protest, so are we good ?
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১০:৪৯ via phone২৯১২দেশে এখনো পাকি দালাল আছে বুঝা যায়। আমান আজমির আর্মিতে নিয়োগটাই তো ছিল দুর্নীতি। বাংলাদেশ আর্মির নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকের সন্তান আর্মিতে ঢুকতে পারবে না। গোয়াজম পাকি নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তার ছেলে কিভাবে আর্মিতে নির্ধারিত সময়ের এক মাস পরে ঢুকতে পারে? কিভাবে উচ্চমাধ্যমিকে তৃতীয় শ্রেণী পাওয়া আজমি আর্মির ফর্ম তুলতে পারে? কিভাবে সাঁতার না জানা সত্ত্বেও আজমি একের পর এক প্রমশান পায়? কিভাবে গোআজম একজন পাকি সিভিলিয়ান হয়েও ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে রাত যাপন করে ছেলের সাথে (নাগরিকত্ব পাওয়ারও অনেক আগে)? আর গো আজম কিভাবে মাত্র পৌনে চার বছর কারমাইকেল কলেজে খণ্ডকালিন লেকচারার থাকার পরও (পূর্ণকালীন লেকচারার ও হইতে পারে নাই) নামের আগে অধ্যাপক লাগায়?)
- ১০১আমাদের নিরাপত্তার জন্য এত ব্যয়বহুল অস্ত্র কেনার সামর্থ থাকলেও সাহিনাদের নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নাই কেন? কেন শাহিনাদের বাচাতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ইন্ডিয়া বা যুক্তরাজ্য থেকে ধার নেওয়ার কথা আসে । যেহেতু আমাদের চতুর্পাশে ভারত তাই ইহার দশগুণ অস্ত্র কিনলেও ফেলানিরা ঝুলবে কাটা তারে ভবিষ্যতেও ।
- ৪৪এখন তো ঘরের শত্রু বিভীষণে পরিণত হয়েছে, তাদের তাড়াতে, গদি কন্টকমুক্ত রাখতে অস্ত্রের প্রযোজন আছে না ?
- ১৯১০Well, I believe it's a good to make our defense strong.
- ৭১নৌবাহিনীর জন্য দুরপাললার যুদ্ধজাহাজ কেনার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছি। কারণ আমাদের নতুন সমুদ সিমার শেষ পযন্ত যাওয়ার উপযোগি কোন জাহাজ নাই। যা আছে তা দিয়ে আধেকটা যাওয়া যায়। আমাদের সমুদ সিমা অরখিত আবসথায় আছে। বিদেশি জাহাজ তাদের ময়লা আবজনা সব আমাদের সমুদে ফেলতেছে।
- ২৩This is stupid!! The period for fighting with other country is over.... no country attacks or will attack other country now a days. i have spoken lot of defense people this time and all of them are fade up with thier job - lot already left their job. so it's better to work for improving their job facilities then to buying new weapons. Out of 15000 crore minimum 3 thousand crore will be in AL's pocket. as they did during their last tenure (procuring worthless mig 29). we need to spend money for improving general people's life style, improving the health service, transportation , job opprotunities, tackle crime. All the positive comments are coming from the ......... military guys. This country people never accept such wastage of money. This is ridiculus.
- ৩১০In terms of percentage of GDP, Bangladesh spends the least on Military expense among all the South Asian countries. Here is the south asian countries by military expenditures: Sri Lanka: 3.5% of the GDP Pakistan: 2.7% of the GDP India: 2.5% of the GDP Nepal: 2.0% of the GDP Bangladesh: 1.5% of the GDP Source: http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_countries_by_military_expenditures But there must be a defence policy before spending on weapons for example spending 1,538 crore taka on 4th Generation F7BGI (it is a 3rd generation fighter actually) is a complete waste. Rather we should invest more on Air Defence. We also need relatively a stronger Navy to protect our vast sea territory. So, the spending on Navy is justifiable. Although, the report claims that two ships were bought from china at a cost of 1,659 crore taka which is not true I think, and purchasing two old frigates at a cost of 652 crore taka this year is still not confirmed. I think the reporter confused himself with the information. Finally, I agree with the agreement of defence technology transfer with Belarus and I must say that its now time to invest on Research and Development so that we can build weapons locally like the small warship we built last time. This will save our money and create more job opportunities.
- ৪১1. the info is not correct given by author, we have bought 2 chinese old frigate at good condition at very low cost which will be heavily modified with more advance weapons. it will reduce cost by 1.5 times if we bought newly build warship of its kind. 2. F-7BGI has been bought to replace A-5iii and F-7MB for ground attack role, their life time has expired. 3. you will see 5 layer air defence system by 2023-2025.
- ১৭১০Nice information. We need strong defense system. Thanks Govt. for enriching our defense forces .
- ৩০সুন্দর একটি তথ্য বহুল মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।
- ৩২some people is disgusting , they always say AL want destroy army . when they get news AL making our army strong they try 2 find corruption or say we no need army . when this kind people will be Bangladeshi ? when they will love Bangladesh ? whey will see positive ?
-
- ১২২সামরিক ব্যয়ের প্রয়োজন আছে এবং সেটা করতেই হবে। ওই টাকা দিয়ে কি করা যেত কথা অবান্তর।
- ২০Sadiq , you always thinking negative why ? any government will come they will make padma bridge . we need strong and smart army 4 our safety .
- ১৭১৪এই রিপোট লিখার সময় যে সব বিশেষগগের মতামত নেওয়া হয়েছে তারা কেউ বলেনি এইসব সামরিক সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন নাই। হয়তো বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট হওয়ায় প্রকাশ করা হয়নি। আমরা নেগেটিভ ভাবে না দেখে এটাও আওয়ামি লীগ সরকারের সাফল্য হিসাবে দেখতে পারি।
- ২৮০সামরিক দিক দিয়ে শক্তিশালী হওয়া ছাড়া উপায় নেই। তবে স্বাস্থ্যখাত( প্রেশার বাড়লে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যেন যেতে না হয়) এবং দেশের সবচেয়ে গরীব মানুষগুলার চিকিতসা ব্যয় কিভাবে সামাল দেয়া যায় সেগুলাও মাথায় রাখা দরকার, শিক্ষাখাত কেও যেন কম গুরুত্ব দেয়া না হয়, ইদানীং সার্টিফেকটধারী তৈরি হচ্ছে অনেক, কিন্তু শিক্ষিত হচ্ছে কয়জন সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। আমাদের দেশে নামেই ভার্সিটি তৈরি হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের দেশের সব ভার্সিটিগুলাতে নিয়মিত গবেষণা হচ্ছে কি? ভার্সিটি মানে নিশ্চয় খালি পরীক্ষা না, এখানে তো আন্তর্জাতিক মানের অনেক গবেষণা হওয়ার কথা, অনেক পেপার বের হওয়ার কথা নিয়মিত, যেগুলা বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য হবে। গবেষণা না হয়ে মারামারি করে ই তো অনেক সময় চলে যায়। সকল দিকে যেন মনোযোগ দেয়া হয়। সমন্বিত উদ্যোগ অনেক বেশি প্রয়োজন। আমাদের দেশটা অনেক ছোট দেশ। এই ছোট দেশ এ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ না করলে সব জগাখিচুড়ি পাকিয়ে যাবে। মিয়ানমার এবং ভারতের প্রতিবেশি দেশ হিসেবে সামরিক খাতে ব্যয় কে অপ্রয়োজনীয় ভাবাটাই বোকামি। তবে যা কেনা হচ্ছে, তা সামরিক বিশেষজ্ঞ রাই বলতে পারবে ঠিক আছে কিনা। সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা খালি বুঝতে চাইব যে , সীমান্তে বিএসএফ বা নাসাকা যেন বাড়াবাড়ি করার আগে ভয় পায়। সমুদ্র সীমায় আমাদের জেলেরা যেন নির্ভয়ে মাছ ধরতে পারে। জলদস্যুরা যেন বাংলাদেশের জাহাজ কে এটাক করার আগে দুইবার ভাবে। সেগুলা পেলেই জনতা খুশি। সব দিকেই মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১১:৪৯ via computer৭৩আমাদের সামরিক শক্তিকে ভয় পায় বলেই বিএস এফ সীমান্তে জীবন্ত টার্গেট প্র্যাকটিস করে।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ০৬:৫১ via computer১২১০Just want to know how much perchantages goes govt pocket....
- ৮৩Arms purchase deal of Tk 15,104 crore, without letting the people/parliament know about this? What does this indicate? How long people can condone this type of arrogance of this government?
- ০০It never happens (making military expenditures public). This is not due arrogance of the govt; this is what Bangladesh armed forces do not want to be disclosed.
- ১১১০এতে করে আসলেই কিছু ব্যক্তির চিন্তাভাবনার এবং আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে, এতে করে জনগনের চুড়ান্ত ক্ষতি সাধিত হবে।
- ১০২যে বা যাহারা যতই বলুক না কেন, এতো টাকা খরচ করে সরঞ্জাম কিনার কি দরকার? আমরা কার সাথে যুদ্ধ করবো? আমাদের তো কোন শত্রু নেই। তাহলে বলবো আমাদের আশে পাশে ঘাপ্টি মেরে আছে কিছু শত্রু যারা চাইলে অনেক কিছুই করতে সক্ষম সরাসরি হোক আর ইন-ডিরেক্ট হোক। আমাদের বাহিনী আছে এবং তা আমাদের প্রাইড ও তাই তাদের সক্ষমতা অর্জন করা খুব দরকার, তবে এই কেনাকাটার প্রক্রিয়া টা স্বচ্ছ যেমন হওয়া দরকার ঠিক দরকার একটা ভিশন এর উপরে ভিত্তি করে এগিয়ে নেওয়া। যেমন আমাদের নৌ- বাহিনীর জন্যে সাব মেরিন অবশ্যই দেশের ইতিহাসে মাইলফলক হতে যাবে তবে তা পারমাণবিক নয়। এখন যারা আমাদের ঘাটাতে চাইবে তারা একবার হলেও ভাববে আমাদের দিকে এগিয়ে আসার আগেই।
- ৭২We need to understand few things. 1. our armed forces weapons and equipments are now very old. To keep it up to date we need to improve and increase fire power. 2. we are spending only 1.5% of our GDP. 3. Both of our neighbors are increasing their firepower heavily, specially upcoming superpower India after china. I am not saying that we will have war with them but who knows after 15 to 20 years what will happen. 4. our armed forces are trying to keep things secret because you can win half battle by just knowing enemy strength, so whoever will be the enemy, our armed forces are trying to keep them blind about our strength as much as possible, if we disclose it in public then all will know our strength and weakness. 5. according to official, BD will pay to russia from earnings of UN mission. 6. When you convert USD purchase amount into BDT, please also convert BD economy size into BDT too. for your help, now BD economy is $122 billion USD, now do the math.
- ৫০Well said bro... in case of war or criminal activity, it will not wise to get help from others if we can manage ourselves alone with strong defense.
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১২:০২ via phone৩০Our neigbers secret agents are everywhere in Bangladesh. So although we don't know our & their strength, they know everything.
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ০৮:১০ via phone৩২We can not fight with our neighbours, good relatioship with neighbours always good. Yes we believe we need better naval force, our fishing industries , off shore area unprotected. But heavy arms in land area suspicious. Shopping spree before departure of govt, carring wrong messages, Purchasing from old suviet countries are more suspicious because they are no more old socialist govt. Their govt is in transition of capitalist structure systems,They are fighting with corruption as well. These huge arms shopping no doubt will carry controvercy,rather than necesity of the of our defence
- ৩০Forgot to mention 1 more thing, for taking that credit from Russia, they will pass technology to Bangladesh which is very importand, it is not easy get just deal if you are not very close ally.
- ৬১০ভারত তার নিজের টাকায় দেশের প্রযুক্তি তে বিমানবাহি যুদ্ধজাহাজ বানালেও আপনারা কটাক্ষ করে বলেন "গরিবের ঘোড়া রোগ" . এবার আপনাদের এই " বার্ষিক ৪ শতাংশ সুদে অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয় " কে আপনারা কি বলবেন ???
- ১২৪এইটা ভারতের প্রতি এলারজি থেকেই বলা। আর এই এলারজি জন্য ভারতও বহুলাংশে দায়ি।
- ১৪৬যদি সামরিক সরন্জাম কিনতে হয়, তবে সেটা কিনতে হবে আমাদের দাতা দেশগুলো থেকে। সে সন দেশে আমাদের তৈরী পোষাক যায়, তার মধ্যে আমেরিকাই প্রধান। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, ক্যানাডা, অস্ট্রেলিয়া সহ ইউরোপের অনেক দেশেই যায়। ওসব দেশ বাদ দিয়ে অখ্যাত দেশ থেকে অস্র কেনার আসল কারন কি? কমিশন????
- ১২২bro, plz do not talk what you do not know, if you buy from those countries our purchase cost will increase by 2 to 3 times. Which unpopular country are talking about from whom we are buying weapons ? first study on defence related issues.
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১১:৫৩ via computer৫১একই ধরনের সামরিক সরঞ্জাম দাতা দেশগুলো থেকে কিনতে গেলে যেমন খরচ অনেক বেশী হয় তেমনি ওরা সরাসরি জেনে ফেলে আমাদের সামরিক শক্তির পরিমান। এছাড়া দাতা দেশগুলো আমাদের অস্ত্র সম্ভার নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পেয়ে যাবে।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১২:১৪ via tablet২২Quality of weapon is not important here priority goes to the country who can understand the percentage deal . which is really very important for awamilegue before the upcoming election .
- ০১.............বন্ধুত্ব মানে সীমাবদ্ধতা নয় @ইবনে নিজান, সব কাজে বিরোধিতা করা মানে বোকামি করার সামিল.
- ১২৫এর আগে এত চড়া সুদে কখনো ঋণ নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এই ঋণের অর্থ তো সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই যাবে।
- ৭১২১৫,০০০ কোটি টাকার ২০% কত হয়? ৩,০০০ কোটি টাকা। এই বিপুল কমিশন কাদের পকেটে যাচ্ছে বা যাবে তা খুব ভালভাবে বোঝা যায় কেন এই সরকার ক্ষমতা ছাড়তে একেবারেই ইচ্ছুক নয়। তারা ক্ষমতায় না থাকলে এই বিপুল পরিমান কমিশন অন্যদের পকেটে চলে যাবে না? তবে সবচেয়ে বিস্মযকর ও বিমূঢ় করে দেবার মত ব্যপার হচ্ছে জনগনের স্বার্থরক্ষার কথা বলে জনগনের টাকার এরকম অপচয় - বিশেষ করে আমাদের প্রধান প্রতিবেশীর সাথে যুদ্ধের যেখানে দুরতম কোন সম্ভবনা নেই - সেখানে এরকম হঠকারী কান্ড কিভাবে কোন বিবেচনায় সম্ভব? তবে কি এই সরকার বুঝে গেছে যে ঘর পুড়ে গেলে যা পাওয়া যায় তাই লাভ? এনারা কি 'নির্নয় লে লিয়া হ্যায় কে বহুত দের নেহী ইয়ে দেশ ছোড়নে কো'? কি জানি?
- ২১ভাইজান, ভিন্দেশী ভাষায় কী লিখলেন বুজলাম না। পারসেন্টেজ ভাগাভাগির বৈঠকে কি আপনারে ডাকা হইছিল? এত কথা জানেন কিমুন কইরা? সশস্র বাহিনীর লোকজনের সাথে একটু আলাপ করে জেনে নিয়েন, অস্রের অপূর্ণটা নিয়ে তাদের আক্ষেপ কত? তাদের প্রশিক্ষন আরে ব্যবহৃতব্য অস্রের মধ্যে তফাৎ কত? তাছাড়া আর্মির কেনাকাটায় পলিটিশিয়ানরা কতটুকু ভাগ বসাইতে পারে একটু জেনে নিয়েন। এগুলো খাম্বা না, ফাইটার, ট্যাঙ্ক, ম্যারিন বোট।
- ৭১০আমাদের দেশের জন্য এত বড় সশস্ত্র বাহিণী রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই। এদের খোর পোষের পেছনে এত টাকা ব্যয় করা অর্থহীন। এখান থেকে কিছু টাকা ব্যয় করলেই দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের গবেষনাগার স্থাপন করা যায়। সশস্ত্র বাহিণীর আকার ছোট করে দেশে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে; যেন প্রয়োজনীয় মুহুর্তে আপামর জনসাধারণ যুদ্ধে অংশ নিতে পারে।
- ৮০এতো বড় সামরিক বাহীনির বেশীর ভাগ ই জাতি সংঘ শান্তি মিশনে নিয়োজিত। যার ফলে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতেছি শুধুমাত্র সামরিক বাহীনির মাধ্যমেই। আর আপনি কি জানেন যে, বাংলাদেশ ই বিশ্বের সবচেয়ে বেশী আর্মি প্রেরনকারী রাষ্ট্র। তাই বেশী বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য আমাদের সামরিক বাহিনী আরো বড় করা দরকার।
- ১০1. same people will say government did nothing to our armed forces when we will face difficulties. 2. you do not support expense of 5,00,000 armed forces size but supporting arms training of 16 crore people ? then some of them will start terrorism with the training. What a Logic ! ! ! i am impressed
- ১৪৩দেশের সার্বভৌমত্ত রক্ষা তথা প্রতিরক্ষা বিভাগকে শক্তিশালী করার জন্য অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয় করা যেতেই পারে।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ০৯:৩৩ via computer১৬১নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে প্রতিরক্ষার জন্য ব্যয় করতে হবে। এর প্রয়োজন আছে।সক্ষমতার জন্য দরকার সামরিক সরঞ্জাম।তবে দাম যাই হোক না কেন, কেনাকাটা অবশ্যই স্বচ্ছ হওয়া চাই, যাতে মানুষের কোনো সন্দেহ না থাকে।
- ৩০saiful @ আপনার কাছে এটম বোমা আছে ওইটা মারার দরকার নাই, আছে জানলেই আরেক জন আপনার সাথে লাগতে আসার আগে দশ বার চিন্তা করব। এত করার পরও প্রতিবেশি দেশের মন ভরে না প্রতিদিন গুলি করে মানুষ মারে। কারণ আপনার দেশ দুবল।
- ২১অস্ত্র। এক আতঙ্কের নাম। একটা ভয়। এই অস্ত্রই না আবার দেশের জন্য আতঙ্কের হয়ে পড়ে !
- ৫০Our force must have the capability. Military competencies required for military equipment. We are purchasing on n on but no goal. Bangladesh is sovereign country. But there is no Defense Policy for the country yet. But why????? Military shopping shud follow Defense Policy.
-
- ৬১Ok we will dismiss our armed forces, can you guarenty us our national safety not just short term but also long term like about 20 years ?
- ৬১you should be happy that at least this sector is getting good shape which is rare case of Bangladesh
- ১০শুধু মায়ানমার এর কথা চিন্তা করুন, তারা কতবার আমাদের সমুদ্রসীমা লংঘন করেছে। আমরা ধাওয়া না দিয়ে আলোচনার মাধ্রমে সমাধান করার চেষ্টা করেিছ। কিন্তু জবাব দেয়ার মতো উপযুক্ত ফায়ার পাওয়ার থাকলে তারা সমুদ্রসীমা লংঘন করার সাহস পেতনা।
- ২১WE HAVE HEARD THE TERMS/WORDS - TENDER BANIJJO, NIYOG BANIJJO ETC. NOW WE ARE WAITING TO HEAR THE WORD - KROY BANIJJO.
- ৩৬২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১২-১৩ অর্থবছর—এই চার বছরে তিন বাহিনীর জন্য ১৮৮ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার ১০৪ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। তাছাড়া ইতপূর্বকার অস্ত্র ক্রয় এবং ভবিষ্যৎ ক্রয় পরিকল্পনার বিশাল ফিরিস্তি দেখে অবাক লাগে কারন এগুলো কেনার পর রক্ষনাবেক্ষনের জন্যও বেয় করতে হবে প্রচুর অর্থ । আমাদের মত গরিব দেশে অর্থ বেয়ের আরও অনের প্রাইওরিটি আছে বলে আমি মনে করি ।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১০:০৭ via computer১১৬AL is much better than BNP. They want to do something for country.
- ১৫১আমাদের সেনাবাহিনীর হাতে যদি পর্যাপ্ত সামরিক সরাঞ্জাম না থাকে তা হলে বাহিনী রেখে লাভ কি ? আমরা কার সাথে যুদ্ধ করব? আসে পাশে তাকালেই দেখতে পাবেন।
- ১১০@সৌরভ রায় (কোলকাতা)২০১৩-০৮-২৪ ০৮:৫১ via computer আপনারা যেভাবে সিমান্তে পেশী শক্তি দেখান আর মানুষ মারেন, তাতে অস্ত্র না কিনে কি কোন উপায় আছে? আমাদের দেশে একটি প্রবাদ আছে “বেড়ায় খেত খায়”
- ০৫চোরা কারবারি বন্ধ হলেই সীমান্তে গুলি বর্ষণ বন্ধ হবে. BSF কখনোই বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ করে এ্ই হত্যা করে না .
- ২৭একটি দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র ক্রয় করা অবশ্যই প্রশংসনিয়। কিন্তু যে দেশের মানুষ শীতের সময় গরম কাপড়ের অভাবে মারা যায়, বিনা চিকিতসায় মারা যায়, যে দেশে আজও মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরন হয়না সে দেশে ১৫০০০ কোটি টাকার অস্ত্র ক্রয় হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদেরকে বাচতে সহায়তা করুন, আমাদের মৌলিক চাহিদি পুরনে সহায়তা করুন। কোন সভ্য দেশই এখন যুদ্ধ চায়না। আর আমাদেরতো তেলের খনি নেই যে আমেরিকা আমাদের উপর আক্রমন চালাবে রাষায়নিক অস্ত্র আছে বলে !!!!
- ২১that totally nonsense ! ! we spend only 1.5% GDP in defence, why are you obsessed with this 1.5% ? what about 98.5% of GDP ? use them properly then you will not see any type of that situation, if you can not take care of 98.5% GDP properly, do not talk about 1.5%
- ৮০যুদ্ধ করি বা না করি নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে প্রতিরক্ষার জন্য ব্যয় করতে হবে । তবে তা েগাপনে করাটা ঠিক হয় নি ..... কারন আগে একই ভাবে অস্ত্র কিনে অভিজুগ উঠেচিল । এবার ও সেই একই প্রশন .. কমিশন নয় তু ????????? অবশ্য এটা বাংলাদেশের কালচার .......।
- ৬১Hope to know that awamileague government has changed its policy regarding Armed Forces...!! Good for the country and people...Hope we will be more secured from any outside attack...It would be nice if we could secure our border more...
- ৮২সাবাশ ......... পতিরক্ষা ছাড়া দেশ , হাট পা হীন পঙ্গুর মতো ।
- ৭৫এজননই পরতিবেশি দেশগুলু আওয়ামিলিগ সরকারকে কিছুটা হলেও ভয় পায় | সেনা বাহিনির শ্বংখলা বজায় রাখতে হবে | এ| সরকার সফলতার সাথে মিয়ানমার এর নিকট থেকে ১১১০০০ বরগ কিলমিটারের সমুধর বিশাল এলাকা জয় করে দেশের আয়তন বাড়িয়ে দেশকে মৎস ও খনিজ সমপদে সমরিধধ করেছে | তবে কেনা কাটায় সছচতা থাকা উচিত|
- ৩০sob i thik ache, ja dorkar ta kinuk :) Proti bochor shoto koti taka r gola barud expire hoi jai, ogula agun a jalai dewa hoi.
- ১৭It will be discovered after Awami govt. that all of them (weapon) are so obsolete which are kind of trash & 50% commission in govt. pocket. Why they buy from Russia only? I am positive there are some very sweet honey for these types of deal.
- ৫১কারন রাশিয়া হচ্ছে এমন একটি দেশ যারা বাংলাদেশকে সব সময় সাপোর্ট করেছে ...... ৭১ সালে আমেরিকান নৌ বাহিনীর বিরুধে জবাবটা রাশিয়াই দিয়েছিল..........।
- ০০mohammad , read history , Russia was always our good friend , they saved us 4m USA navy in 1971 .
- ০২দেশও আমাদের সেনাবাহিনীও আমাদের। তার প্রয়োজনও মেটাতে হবে আমাদেরকেই। কিন্তু ষেঅল কোটি মানুষের বিপুল অনিশ্চয়তার মাঝে কতোটা জবাবদিহিতার মানদণ্ড ধরে রাখে নৈতিকতার বিচারে। ষোলকোটি মানুষ যদি তাদের সিনা চেতিয়ে স্ব-দেশ স্ব-জন এবং স্ব-কালকে রক্ষা করতে না পারে তবে কোন সেনাবাহিনী আছে তা করবে বা করতে পারে? শিক্ষা স্বাস্থ্য জনপরিষেবা যেখানে এখনো আধুনিক পৃথিবী থেকে লক্ষ যোজন দূরে সেখানে ধার করে বিলাস করবার রাষ্ট্রীয় নৈতিকতা আদৌ মানা সম্ভব? গাছেরটা খাওয়া আর তলারটার কুড়াবার নীতিতে এগিয়ে চলা বাহিনী স্বচ্ছতা ছাড়া গণতান্ত্রিকতার দায় কতোটা মেটাতে পারে? গর্ব যেমন আমরা করি তেমনি কালো ইতিহাসও কম নয়, সেটা বিবেচনায় না নিয়ে স্বচ্ছতাকে পাশ কাটিয়ে চলতে গেলে লক্ষ্য হাসিলের সম্ভাবনা বরাবরই কম। আর এটা রাষ্ট্রে মৌলনীতিরও পরিপন্থি বটে।
- ৫০আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমরা বার্মার সাথে ভবিষ্যতে সামরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ব, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সামরিক intervention এর কোনো বিকল্প দেখছিনা, আমি মনে করি আমাদের বিমান বাহিনীকে আরো সম্মৃদ্ধশালী করা উচিত, modern warfare এ যুদ্ধ বিমানের বিকল্প নেই. আমাদের এ কথাও মনে রাখা উচিত যে UN এর peace mission গুলিতে আমরা আমাদের সমরাস্ত্র ব্যবহার করতে পারি এমং এর জন্য আমরা উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবো
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১১:২৬ via phone৮০এইখানে যারা বলছেন সামরিক সরঞ্জাম কিনে কি হবে, যুদ্ধ কার সাথে করব ইত্যাদিইত্যাদি..। আল্লাহ না করুক যদি বাংলাদেশ কোনদিন আক্রান্ত হয় ঠিক তারাই বলবেন সামরিক খাতে বাজেটে বরাদ্দ টাকা দিয়ে কি ঘাশ কাটা হয় নাকি, টাকা গেসে কই ব্লা ব্লা.. অথচ দক্ষিণ এশিয়াতে বাংলাদেশ সামরিক খাতে জিডিপি পারসেনটেজ হিশেবে সবচেয়ে কম খরচ করে। এমনকি নেপালের মত দেশের চাইতেও কম পারসেনটেজ খরচ করে। Sri Lanka: 3.5% of the GDP, Pakistan: 2.7% of the GDP, India: 2.5% of the GD, Nepal: 2.0% of the GDP, Bangladesh: 1.5% of the GDP Source: http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_countries_by_military_expenditures অস্ত্র ছাড়া আর্মি কি হাত পা নাক মুখ দিয়ে দেশ রক্ষা করবে কামান, রাইফেল, বিমানের বিরুদ্ধে? ডাবল স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন না করে দেশের স্বার্থ বুঝেন।
- ৩০যারা বলছেন সামরিক সরঞ্জাম কিনে কি হবে, তাদের উদ্দেশ্য আমার আর একটু কথা । ঘড়ে তরকারি কাটতে বটি লাগে হাত দিয়ে তা কাটা যায় না বা পাসের বাড়ির আন্টি আপনার তরকারি প্রতিদিন কেটে দেবে না .... দেশের সুরক্ষার বাবস্থা দেশকেই করতে হবে ।
- ১২We have need first infrastructure development for increase our GDP growth. No need unnecessary purchase Military arms & equipment's. We are a peaceful nation & we always want a peaceful world..
- ০২we may want peace without arms, does others think like us ?
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১১:৪৩ via computer১৬so painful...our army is also corrupted!!! They're sucking people's blood money!!!
- ৪০সংবাদের শিরোনামটিই ছিল আতংকের। পড়ে দেখি স্বাভাবিক। একটি দেশে সেনাবাহিনী থাকলে অস্ত্র লাগবেই। একটি দেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মত দুর্নীতিবাজ থাকলে দুর্নীতি হবেই। কোনটাই অস্বাভাবিক নহে।
- ২১আচ্ছা এই টাকা দিয়ে সিংগাপুরের হসপিটালের মত একটা হসপিটাল করা যেতনা? ওরকম একটা হসপিটাল হলে আমাদের রুগ্ন রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী নেতা নেত্রীদের সিংগাপুর ব্যাংককে যেয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর দরকার পরত না?
- ১১I do strongly support to strengthen the state defence as a whole. But the problem is that we do spend the hard-earning money of the public to buy weapons that are normally obsolete - demo is MIG 29!!! Why do not we spend money on the latest military equipment??? The concerning point is also to buy from Russia because civil service along with the government of Russia is like our big brother in terms of corruption - they are much more corrupted. I do not also understand why we should buy weapons from Belarus with which we have just started to make relations. Please note that when we buy weapons from any country, it is the selling country that also gains more than the buying country!
- ০১রাডার (Rudder) না, রেডার। A rudder is a device used to steer a ship, boat, submarine, hovercraft, aircraft, or other conveyance that moves through a medium (generally air or water). On an aircraft the rudder is used primarily to counter adverse yaw and p-factor and is not the primary control used to turn the airplane. A rudder operates by redirecting the fluid past the hull or fuselage, thus imparting a turning or yawing motion to the craft. In basic form, a rudder is a flat plane or sheet of material attached with hinges to the craft's stern, tail, or after end. Radar is an object detection system which uses radio waves to determine the range, altitude, direction, or speed of objects. It can be used to detect aircraft, ships, spacecraft, guided missiles, motor vehicles, weather formations, and terrain. The radar dish or antenna transmits pulses of radio waves or microwaves which bounce off any object in their path. The object returns a tiny part of the wave's energy to a dish or antenna which is usually located at the same site as the transmitter.
- ২১মিয়ানমার এবং ভারতের প্রতিবেশি দেশ হিসেবে সামরিক খাতে ব্যয় কে অপ্রয়োজনীয় ভাবাটাই বোকামি। সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা খালি বলতে চাইব যে , সীমান্তে বিএসএফ বা নাসাকা যেন বাড়াবাড়ি করার আগে ভয় পায়। সমুদ্র সীমায় আমাদের জেলেরা যেন নির্ভয়ে মাছ ধরতে পারে। জলদস্যুরা যেন বাংলাদেশের জাহাজ কে এটাক করার আগে দুইবার ভাবে।
- ২২আমাদের দেসের ৪০%মানুষ এখন দরিদ্র। আর অস্র কেনায় খরচ হচ্ছে এত্ত টাকা। মানতেই পারছিনা।
- ৩২ভিনদেশে কোনো শত্রুরতো কোনো আলামত নাই ( অন্তত অস্র যুদ্ধ করার মতোন ) .. তাহলে কি শুধুমাত্র ঘরের শত্রুকে মারতেই ১৫ হাজার কোটি টাকার অস্র ?? কেনোরে বাবা লাঠি , চাকু , ছুরি , রামদা এগুলো দিয়েইতো ভালো কাজ চলে ।
- ১০আমরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে এত ভাবছি, শাহিনাদের নিরাপত্তার কথা কে ভাববে?
- ২৪বাংলাদেশ মনে হয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে! অথবা এই সমস্ত ব্যয় অপ্রয়জনীয় ভাবে বিমান বন্দর বানানোর উছিলা দিয়ে অর্থ লুটপাট করার পথ সুগম করার মত নতুন লুটপাটের পথ। এই ভাবেই আমাদের ভবিষ্যত লুটপাট করে নিচ্ছে ওরা।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১২:৪৬ via computer০০Dr. Bijon I know you are well educated person. But apnar comments dekhe mone hoy apni asole AL er...nije educated hoye kivabe bolen je akti desh er morjada r evaluation hoye military power diye..ai sob bad diye parle desh er jonno valo kichu korun..ar valo ke valo ar karap ke karap bolte sikhun..don't take my comments as advice
- ৩০সশস্ত্র বাহিনীর কেনাকাটার ব্যাপারে জানতে চেয়ে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে গত ১ মার্চ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের কাছে লিখিতভাবে তথ্য চাওয়া হয়। জবাবে আইএসপিআর থেকে ২৫ মার্চ লিখিতভাবে জানানো হয়, ‘বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট হওয়ায় উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।’ - যেইনা সমরশক্তি! তার আবার গোপনীয়তা! সবাই যেখানে নিজেদের সমরাস্ত্র নিয়ে যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়ে নিজেদের শক্তি বিশ্বের সামনে প্রদর্শন করতে উঠে পড়ে লাগে, সেখানে এদেশের কর্মকর্তারা কি এমন বাহাদূরী গোপনীয়তা বুঝাচ্ছেন - তা বোধগম্য নয়। তবে নিজেদের উদ্ভাবিত সমরাস্ত্র হয়ে থাকলে তার গোপনীয়তার বিষয়টি না হয় গুরুত্ব পেত। অনেকেই মনে করছে পদ্মা সেতুর মত কোন ঘটনা ঘটলো কিনা তা জানার অধিকার দেশের জনগণের রয়েছে।
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১২:৫৯ via computer২১জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেলারুশ সফরের সময় দুই পক্ষের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি হয় বলে জানা যায়। তবে সরকারিভাবে এসব চুক্তির কথা স্বীকার করা হয়নি। ----------সামরিক বাহিনীর সব প্রকাশ করা উচিত নয়, আপনারা কি এই বিষয়ও বোঝেন না
- ০০The Parliament should have been informed by the govt. about these purchase. Without the oversight of the parliamentary committee, there is always chance of corruption. And the bottom line is if the money is paid from tax payer's pocket, they have the right to know where it will be spent.
- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক২০১৩-০৮-২৪ ১৩:০৮ via computer০০বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা নীতি নাই এখনো, শুনতে কেমন কেমন লাগে।
- ০১বেলারুশ থেকে মানধাতা আমলের অসএ কেনার কোন মানে নেই । অযথা পয়সা জলে ফেলা !
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
August
(269)
-
▼
Aug 24
(18)
- ঐশীকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ by ইমরান আলী
- নির্বাচন অনিশ্চিত করা কারও জন্যই উচিত হবে না by মা...
- উত্তরাধিকারের রাজনীতিতে কার জয়, কার পরাজয়? by বদিউ...
- শিক্ষা আইন নিয়ে কিছু কথা by মোঃ মুজিবুর রহমান
- কালো আইন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা by ফরহ...
- বাংলাদেশের অনিশ্চিত যাত্রা by আলী রীয়াজ
- ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন হত্যা দিবস by আবু তালহা
- ১৫০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম ক্রয়
- টানা ৭২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ জাবি ভিসি by রিয়াজুল ইসলাম দীপু
- নারায়ণগঞ্জে বাসমালিকদের ঘোষণা- শামীম ওসমানের শ্যা...
- প্রতিহিংসার রাজনীতিতে দগ্ধ দেশ ও মানুষ by নূরে আলম...
- দুই নেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ- সংলাপের তাগিদ জাতিসংঘ ম...
- খুনি একজনই by নূরুজ্জামান
- খুনের আলামত পরীক্ষায় কেবল ঐশী জড়িত
- বাঁচতে চাও? তবে ফিনিক্স হও by শিহাবুর রহমান
- ফের অনৈতিক কাজে মেতেছেন মডেল ইমা!
- ফিরিয়ে দিলেন পরিণীতি
- ২০১৩ সেরা আবেদনময়ী কেটি পেরি
-
▼
Aug 24
(18)
-
▼
August
(269)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
Hi my friends I see you talk about military spending does anyone know exact amount in USD you pay for সার্বিয়া থেকে ১৮টি স্বয়ংক্রিয় কামান (সেলফ-প্রোপেলড গানÑএসপিগান) I don't know Bengali language and I used translate who is not so I would appreciate answer and also some links to pictures of delivered Nora self propelled guns in Bangladesh if you have such pictures. Tanks in advance.
ReplyDelete