Friday, March 9, 2012
হালের শবপোড়া মড়াদাহের দল by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
হালের শবপোড়া মড়াদাহের দল by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ প্রথম আলোয় প্রকাশিত অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ‘ভাষাদূষণ নদীদূষণের মতোই বিধ্বংসী’ উপসম্পাদকীয়টি বড়ই সময়োচিত। আমাদের কখনো কখনো নিদ্রাকৃষ্ট সমাজে শুধু তোলপাড় হয়নি, জনস্বার্থে হাইকোর্ট ভাষার বিকৃতি রোধে নির্দেশনা জারি করেছেন।
অধ্যাপক ইসলাম তাঁর প্রবন্ধে তিনটি উদাহরণ দিয়েছেন:
১. ঢাকার স্টক মার্কেট-বিপর্যয় এখন অনেকের কাছে উদ্বেগের কারণ। এ রকম এক উদ্বিগ্ন স্টক মার্কেট বিশেষজ্ঞ একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বললেন, ‘স্টক মার্কেট ক্রাইসিসের রিজনগুলো ইনভেস্টিগেট করতে হবে। যেসব বিগ অ্যাক্টর ও প্লেয়ার ব্যাকগ্রাউন্ডে রোল প্লে করছে, যাদের নাম ইব্রাহিম সাহেব তাঁর রিপোর্টে রিভিল করেছেন, তাদের প্রপার পানিশমেন্ট দিতে হবে।’
২. কলাভবনে আমার কক্ষের বাইরের বারান্দায় দাঁড়ানো কিছু ছেলেমেয়ে খুব গন্ডগোল করছিল। আমি বেরিয়ে তাদের কারণ জিজ্ঞেস করলে একটি মেয়ে বলল, ‘স্যার, আমাদের টিচার হঠাৎ ক্লাস পসপোন করে দিছে। সে তো একটা নোটিশ দিলে পারত।’
আমি আর ভয়ে শিক্ষকের নাম জিজ্ঞেস করলাম না। আমার থেকে বয়সে বড় শিক্ষকও অনেক আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে!
৩. একটি এফএম রেডিও থেকে এক আরজের আপ্লুত আহ্বান শোনা গেল এক দুপুরে, ‘ফ্রেন্ডসরা, এই অফার কিন্তু ভ্যালিড টিল ফর্টিনথ। সো মনে রেখো। লাইক ইটস আ ফাটাফাটি ইভেন্ট। সো সেন্ড করো...’
১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের এক সেমিনারে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আজকে শিক্ষিত দুজন বাঙালি যখন কথা বলে, তারা ইংরেজির মিশ্রণ ও আঞ্চলিকতাদুষ্ট ভাষায় কথা বলে। এটি উচ্ছৃঙ্খলতা।’
১ মার্চ, ২০১২ সমকাল-এ প্রকাশিত গল্পকার ও উন্নয়নকর্মী নূরনবী শান্ত তাঁর প্রবন্ধ ভাষার স্বাধীনতা ও প্রমিত বাংলায় চমৎকার এক প্রশ্ন করেন: ‘প্রশ্নটা এই, বাংলা ভাষার একটি সুনির্দিষ্ট রূপ না থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কীরূপে হাজির হবে বাংলা? ধরা যাক, উইলিয়াম রাদিচে যদি সিলেটি বাংলা শিখতেন, ক্লিনটন বি সিলি শিখতেন ঢাকা নগরের এখনকার একশ্রেণীর তরুণ প্রজন্মের বাংলা এবং তাঁরা দুজনেই যদি বাংলা ভাষাবিষয়ক কোনো আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে উপস্থিত হতেন, তাহলে তাঁরা কোন বাংলা উপস্থাপন করতেন? সুইডেনের কবি টমাস ট্রান্সটোমার যদি এখন বাংলা সাহিত্যের রসাস্বাদনের অভিপ্রায়ে শিখতে চান, কোন বাংলা শিখবেন?’
উপসংহারে তিনি ভাষা পরিকল্পনার সুপারিশ করে বলেন, ‘শুধু ভাষাশহীদদের মর্যাদা রক্ষার জন্য নয়, বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতির উচ্চাসন নিশ্চিত করার স্বার্থেই একটি সুচিন্তিত বাংলা ভাষা পরিকল্পনা এখনই জরুরি।’ একুশে ফেব্রুয়ারির ৬০ বছর পরও রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থপরতার উদগ্র তৎপরতায় আমরা যেমন গণতন্ত্রের উত্তরণে ও স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নে অনীহা দেখিয়েছি, তেমনি ভাষা-নীতি প্রণয়নে বা পরিকল্পনায় আমরা কোনো দৃষ্টি দিইনি।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ডেসটিনিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। আর এ বিষয়ে কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলা একাডেমী প্রমিত বানানরীতি তৈরি করেছে। তারা এটা কাউকে মানাতে বাধ্য করতে পারে না।’
হাইকোর্টের নির্দেশ সম্পর্কে তিনি বলেন: ‘এটা একটা ভালো উদ্যোগ। তবে আইন করে তো সবকিছু হয় না। অন্তত ভাষার ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও জটিল। সমাজের মধ্যে একটা প্রক্রিয়া জারি থাকতে হয়। হাইকোর্ট বলে দিয়েছে বলেই ভুল বানানগুলো ঠিক হয়ে যাবে, উচ্চারণ ঠিক হয়ে যাবে, বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে বলা বন্ধ হয়ে যাবে, ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার হবে, তা নয়। এ জন্য ভাষার প্রতি আমাদের সবার মমত্ববোধ জাগাতে হবে। তাহলেই শুদ্ধ বানান চর্চা করা সম্ভব হবে। এতে করে নতুন প্রজন্ম থেকে শুরু করে সবাই বাংলা বানান শেখার প্রতি আগ্রহী হবে।’
ভাষার কৌলীন্য নিয়ে বড়াই করা একটা পুরোনো ব্যাপার। ভাষার শুদ্ধতা বা পবিত্রতা রক্ষার জন্য পক্ষালন প্রস্তাবও অনেক পুরোনো।
যখন সংস্কৃত বা লাতিন ভাষার রবরবা ছিল, তখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত যদি বিশুদ্ধ ভাষার জন্য নির্দেশাবলি দিয়ে তাঁর বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে নির্বাহ করতেন, তখন কি ভার্নাকুলার ভাষাগুলোর জন্ম হতো? স্প্যানিশ, ফরাসি বা পর্তুগিজ ভাষা কি আজকের প্রতিপত্তি পেত? দক্ষিণ এশিয়ায় অহমিয়া থেকে হিন্দি পর্যন্ত যেসব আঞ্চলিক ভাষা আজ বিদ্যমান, তাদের স্ফুর্তি সম্ভব হতো?
জনহিতকর নির্দেশনা দানে সিদ্ধহস্ত আমাদের উচ্চ আদালত যে ক্রিয়াশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসার্হ বটে। আমরা আশা করব, ভাষাদূষণের যে উপদ্রব আমরা ঠেকাতে যাচ্ছি, সে ব্যাপারে আদালতের নির্দেশ আমাদের সহায়ক হবে।
আকাদেমি ফ্রাঁসেজের মতো আমরা যদি বাংলা ভাষার শুদ্ধিকরণ করতে চাই, তাহলে আমাদের স্বনির্ভর হয়ে সেসব শব্দের ওপর নির্ভর করতে হবে, যেগুলো অভিধানে দেশি বলে চিহ্নিত। আটপৌরে কাজ চালানোর জন্য আমাদের হাতে যথেষ্ট শব্দ থাকলেও বিশ্বায়নের যুগে সেসব বড়ই অপ্রতুল। ‘বাংলায় দেশি শব্দ’ প্রবন্ধে আমি দেখিয়েছি যে ব্যবসা-বাণিজ্য, যানবাহন, অসুখ-বিসুখ, শাকসবজি, পিঠা-পায়েস নারীর অলংকার, শিশুর খেলনার যে শব্দ আছে, তাতে কায়ক্লেশে এই বর্তমান যুগেও আমরা জীবন্ত ফসিল সমাজ হিসেবে জীবন চালিয়ে যেতে পারব। তবে সে হবে এমন আটপৌরে ও দেশি ব্যাপার যে আমরা সব রক্তচক্ষু ও ভ্রুকুটি অস্বীকার করে যেসব বিদেশি ভাষাকে স্বাগত জানানোর জন্য আঁইঢাঁই করব এবং তা না পারলে আমাদের পেটে ফাঁপ ধরবে। আমি মাতৃভাষার সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ গ্রন্থের ভূমিকায় বলি, ‘যার কথায় টান নেই তাকে লোকে ভিন্ন চোখে দেখে। প্রায় মানুষের আঞ্চলিক ভাষার প্রতি একটি মমত্ববোধ থাকে। আবার যখন শিক্ষা ও সাহিত্য তার কাছে পৌঁছায়, প্রায়শ রাজধানীর ভাষায়, তখন সেই ভাষা তার আদর্শ হয়ে ওঠে, আর তাকে সে অনুসরণ করার প্রয়াস পায়।’
রবীন্দ্রনাথ তাঁর শব্দতত্ত্ব-এ লিখেছেন, ‘কলিকাতা অঞ্চলের উচ্চারণকেই আদর্শ ধরিয়া লইতে হইবে। কারণ, কলিকাতা রাজধানী। কলিকাতা সমস্ত বঙ্গভূমির সংক্ষিপ্তসার।’ অবশ্য তাঁর নিজের জীবনে তিনি লক্ষ করেছিলেন পূর্ববঙ্গের ‘সাথে’ শব্দটির কাছে কলকাতার ‘সঙ্গে’ শব্দটি হার মানতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ঢাকা ও কলকাতার বাংলায় যে বেশ কিছু বিশিষ্টতা গড়ে উঠেছে, তা সহজেই লক্ষ করা যায়।
‘গেলুম’, ‘পড়লুম’ ইত্যাদি কলকাতার একান্ত আঞ্চলিক ভঙ্গি ঢাকার ভাষায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। মুসলমান অধ্যুষিত রাজধানীর ভাষায় স্বাভাবিক কারণে আরবি, ফারসি শব্দের চল অনেক বেশি।
ঢাকা রাজধানী বলে তার ভাষায় আঞ্চলিকতার প্রভাব ক্রমেই কমে আসছে এবং এখানকার কথ্য ভাষা, মনে হয়, লিখিত ভাষার অনুসরণ করার চেষ্টা করছে। লিখিত ভাষা তার সাহিত্যিক সৌকর্যগুণে স্থানীয় ব্যাপক বা আঞ্চলিক ভাষার ওপর কর্তৃত্ব করতে পারছে এবং মোটামুটি গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। আমাদের জেলাওয়ারি আনুগত্য মাঝেমধ্যে যেমন মাথাচাড়া দেয়, আমাদের ভাগ্য ভালো, আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় অন্য কোনো লিপিমালা নেই।
আমি মাতৃভাষার সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ গ্রন্থের ভূমিকায় আরও বলি, ‘আমাদের ভাষায় শব্দের ভাঙচুরে অনেক জঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে। শব্দের বানানে, উচ্চারণে ও ব্যবহারে এক পীড়াদায়ক যথেচ্ছাচার বর্তমান। এই এলো ভাষাকে দৃঢ় ও সংহত না করে আমাদের উপায় নেই। ভাষায় শৈথিল্য ও বিশৃঙ্খলা থাকবে, আর আচরণে ও চরিত্রে শৃঙ্খলা শোভা পাবে, এ আশা দুরাশা। ফরাসি ভাষার দুরূহ ব্যাকরণ ও ব্যতিক্রম-সিদ্ধ বর্ণ-প্রকরণের চরিত্র রক্ষার জন্য আকাদেমি ফ্রাঁসেজ যে নিরন্তর ব্যর্থ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, অনুরূপ প্রাতিষ্ঠানিক খবরদারির কথা আমি বলব না। ব্যাকরণের গণ্ডি ভেঙে শব্দের তথ্য-সীমা পেরিয়ে প্রাণবান ভাষা ও সৃজনশীল লেখক নতুন ভাব ও ব্যঞ্জনার সৃষ্টি করে। কিন্তু ভাষা যখন নদীর চরের চরিত্র পায়, তখনই দুর্ভাবনা। যেসব প্রতিষ্ঠান আমাদের বিশ্বাস ও চিন্তাকে অনুক্ষণ প্রভাবান্বিত করছে—বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশন—তারাই তো লক্ষ রাখবে ভাষায় একটা উঁচু মান রক্ষা করা হচ্ছে কি না। যথেচ্ছাচারকে আশকারা না দিয়ে তারা যদি ভ্রুকুটি করে, তাহলে বর্তমান বেবন্দেজ অবস্থার কিছু উন্নতি হলেও হতে পারে।’
‘বিংশ শতাব্দীর বাংলায় নতুন শব্দ’ প্রবন্ধে আমি বলি, আমেরিন্ডিয়ানদের ভাষা ছাড়া প্রায় প্রত্যেক ভাষায় নবশব্দের প্রবর্তনা দেখা যায়। পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ বাংলাদেশের ভাষায় বদ্বীপের শিকস্তি-পয়স্তি চরিত্র বিদ্যমান। নানান অ-বাংলা ভাষার ঢল বাংলা ভাষার ওপর বয়ে যায় বহিরাক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে। যখন মহাশক্তিধর আর্য ভাষা সংস্কৃতের প্রভাব বাংলা ভাষার ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তখন বাংলা ভাষার গতি-প্রকৃতি ঠিক শক্ত হয়ে ওঠেনি। বাংলা ভাষায় অন্যান্য ভাষার তুলনায় সংস্কৃত ভাষার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে তুর্কিদের আগমনের পর বাংলা ভাষায় আরবি, ফারসি বা তুর্কি ভাষার প্রভাব বাড়তে থাকে। ওই তিনটি ভাষার মধ্যে ফারসির প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি, তারপর আরবির এবং তারপর তুর্কির।
ষোড়শ শতাব্দীতে প্রথমে পর্তুগিজ এবং পরে ইংরেজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও দিনেমাররা এ দেশে জলদস্যু, বণিক, মিশনারি বা ভাড়াটে সৈনিক হিসেবে আসে। পর্তুগিজরা বহুদিন ধরে এ দেশে দোভাষীর কাজ করে। স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের মেলামেশা ছিল অবাধ। বাংলা ভাষায় তিন-চার শ পর্তুগিজ শব্দ এখনো আমরা ব্যবহার করি। পর্তুগিজ ভাষার পর ইউরোপীয় ভাষার মধ্যে ইংরেজি ভাষার প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
ওই প্রবন্ধের উপসংহারে আমি বলি, ‘বিংশ শতাব্দীতে বাংলায় যে কয়েক সহস্র নতুন শব্দের বিস্তার ঘটেছে, তা শতাব্দীর শেষে আজ আমাদের বিস্ময়ের উদ্রেক করে না। ওসব নতুন শব্দ আমাদের ব্যবহারসহ হয়ে গেছে। একবিংশ শতাব্দীতে ইনফোটেকনোলজি (তথ্যপ্রযুক্তি) ও ন্যানো-টেকনোলজির (ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রযুক্তি কি বলা যাবে?) বদৌলতে যখন মহাবিশ্বের দিগন্ত বিস্তারিত হবে এবং সহস্রাধিক আবিষ্কৃত ও উদ্ভাবিত সামগ্রীর প্রয়োজন ও ব্যবহার বাড়বে, তখন বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার কী আকার ধারণ করবে, সে এক দারুণ দূরকল্পনার বিষয়।’
আমি ‘টক পিজিন’ প্রবন্ধে বলি, ‘যখন দুই বা ততোধিক ভিন্নভাষী গোষ্ঠীর মধ্যে কাজসারা ভাব প্রকাশের প্রয়োজন হয়, কিন্তু অন্তরঙ্গ সম্পর্কের প্রয়োজন দেখা দেয় না, তখন পিজিনের জন্ম হয়। ভাষাবিদেরা বলেন, পিজিনের প্রথম জন্ম হয় পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে। যখন ইউরোপের ক্রুজেডাররা ভাঙা ভাঙা ইতালিয়ান ভাষা ব্যবহার করতে শুরু করে। ক্রুজেডারদের মধ্যে ফরাসিভাষীদের প্রাধান্য থাকায় সেই পিজিনকে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলা হতো। পরে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার অর্থের ব্যাপ্তি ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে, বিশেষ করে কূটনৈতিক মহলে ফরাসি ভাষার একসময় বড় প্রাধান্য ছিল, আজকাল যেমন রয়েছে ইংরেজির।’
ঔপনিবেশিক যুগের প্রথম অবস্থায় ইউরোপীয় কর্তাব্যক্তিরা তাদের ভৃত্যদের সঙ্গে বা প্রভুরা তাদের দাসদের সঙ্গে সহজ করে নিজেদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সেই ভাষা রদবদল করে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করত। ইউরোপীয়রাও সেই পরিবর্তিত বুলিকে কাজে লাগাত এই ভেবে যে তাদের আসল ভাষা স্থানীয়দের পক্ষে শেখা সম্ভব নয়। ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষার নানান ভাঙচুরে পিজিনের জন্ম হয়েছে উত্তর আমেরিকায়, বিশেষ করে ক্যারাবিয়ান অঞ্চলে। যখন এ ধরনের পিজিন কোনো দেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বা মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তখন তাকে পিজিন না বলে ক্রেওল বলা হয়। বর্বর ইউরোপীয়দের ভাষা ব্যবহার করতে চীনাদের আত্মসম্মানে বাধত। কূটনৈতিকভাবে উভয় পক্ষ দূরত্ব বজায় রাখতে চায় বলে ইউরোপীয়দের সংস্পর্শে যে চীনা পিজিনের জন্ম হয়, তার শব্দসংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। যেকোনো পিজিনে একটা শব্দের একাধিক অর্থ হয়। ব্যাকরণ সহজ। শব্দের বানানও বদলে সহজ হয়।
আমি একবার পিজিনের বাংলা করেছিলাম ব্যাপারি ভাষা। কেউ কেউ বাংলা ভাষার মধ্যেও পিজিনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করেন।
পিজিনকে ‘বেবিটক’ বা বাচ্চাদের বুলি, কিচিরমিচির, ভাঙা ইংরেজি, বর্বর, জারজ সংকর বা অপভাষা বলে ওপরতলার লোক পছন্দ না করলেও তার স্বাভাবিকতায় অন্য আঞ্চলিক ভাষাকে ছাড়িয়ে নিজস্ব শক্তিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। রক্ষণশীলদের আপত্তি ও বাধা সত্ত্বেও পিজিনে বাইবেলের অনুবাদ হয়েছে। পার্লামেন্টের ভাষা ইংরেজি হলেও পিজিনে সাংসদেরা কথা বলতে পারেন ও বলেন। পিজিনে খবরের কাগজও প্রকাশিত হচ্ছে আজকাল।
টাইম টক পিজিনে টাইম, কিন্তু তাড়াতাড়ি হারিয়াপ, দেরি বিহাইনটাই,ম সকাল মর্নিং টাইম, বিকেল আপিনুন, রাত্রি নাইট। আমার সবচেয়ে মজা লেগেছিল কমনওয়েলথ-প্রধান রানির বড় ছেলে প্রিন্স চার্লস যখন টক পিজিনে হলেন নম্বর ওয়ান পিকিনিনি বিলং কুইন।
পণ্ডিতদের চোখ রাঙানিতে ভয়কাতুরে ভাষার কোনো উন্নতি হতো না। পণ্ডিতদের আইন-সংহিতার পর যেমন আইন বদ্ধ হয়ে পড়ে, তেমন পণ্ডিতদের স্বৈরশাসনে ভাষার স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
একসময় ছিল বাংলায় শুরু কথাটা বলা যেত না, কারণ সেটা ছিল মুসলমানি ভাষা। বাংলায় মুসলমানি ভাষায় শব্দের বেশ চল ছিল, যেগুলোকে আদালতি ভাষাও বলা হতো। এখনো পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান লেখককে ‘কাফন’ ও ‘কাবিন’ শব্দ মানে করে দিতে হয়। রক্ষণশীল মুসলমান লেখক ‘হামদ’ বা ‘নাত’-এর মানে করতে চায় না, তারা অননুবাদীয় বলে।
শব্দের গ্রহণযোগ্যতা অনেক সময় অকারণে ঘটে। ব্যবহারকারীর মর্জি বা মেজাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিস্টওয়াচের রাবীন্দ্রিক অনুবাদ ‘কবজিঘড়ি’ টিকল না, হাতঘড়ি টিকটিক করছে। শাসনতন্ত্র কথাটা এখন অচলমুদ্রা। ‘সংবিধান’ চালু ও সহজতর মনে হয়।
আমার ভাষার জ্ঞান এত গভীর নয় যে সাহস করে কোনো সংস্কারের জন্য আমি সুপারিশ করতে পারব। স্বগতোক্তি করে বলি, আমরা কেবল নিপাতনে সিদ্ধ শব্দেরই ব্যবহার গ্রহণ করব তা-ই নয়, তরুণদের শব্দ ব্যবহারে সব নতুনত্বকে অর্বাচীন বা উচ্ছৃঙ্খল বলে যেন নাসিকা কুঞ্চন না করি। তাদের ‘খ্যাত’ বা ‘আঁতেল’ শব্দটি ফেলে দিতে পারব না। তাদের আঁতলেমি মাতলামি সহ্য করতে হবে। আর ভাষায় শব্দদূষণের জন্য আমরা না-ই বা আইন তৈরি করলাম। আমরা বহু আইন বানিয়েছি এবং আইন-লঙ্ঘনকে অবরোধ হিসেবে বিধান দিয়েছি। কিন্তু আমরা আইন মানাতে পারিনি তেমনভাবে। আমরা অচিন্তনীয় কঠোরতায় সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দিয়েছি এমন সব বিষয়ে, যা দেখে বিবেচক আইনপ্রণেতারা বিস্মিত হচ্ছেন। এক ফরাসি আইন দার্শনিক বলেন, ‘নতুন আইন তৈরি করার সময় দুর্ভাবনায় আইনপ্রণেতার হাত কাঁপা উচিত।’
সংবিধানের বহু আবর্জনা পঞ্চদশ সংশোধনীর সম্মার্জনীতে পরিষ্কার করা হয়েছে। আইনপ্রণেতারা এত ভারী ভারী বিষয়ে নিবিষ্ট ছিলেন যে এই সুযোগে বাংলার বানান বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার যে একটা সুযোগ ছিল, সেটা তাদের স্মারণে আসেনি। আমরা কার্যত সংবিধান প্রদত্ত বাংলা বানান অনুসরণ করছি না। এই অনানুসরণ কি সংবিধান লঙ্ঘন হিসেবে আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া যায়? ভাবার বিষয় বৈকি।
বোঝা, বলা, পড়া ও লেখা—ভাষার এই চারটি দক্ষতার মধ্যে শেষোক্তটি সবচেয়ে কঠিন। বলা তুলনামূলকভাবে সহজ। অসচেতন দ্রুত উচ্চারণে বা অতি দ্রুত হড়বড় উচ্চারণের সময় শব্দের তোড় শাস্ত্র মেনে আসে না। আঞ্চলিক, অশিষ্ট বা অপশব্দ জিবাগ্রে স্থান করে নেয়। কয়েক বছর আগে জাপানে অশ্লীল ভাষার এক অভিধান দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অপরাধজগতের ভাষার অর্থ-ব্যঞ্জনা তদন্তকারী গোয়েন্দাদের অবশ্যই বুঝতে হবে। ইদানীং ভাষার ব্যবহারে যে ইতি-নেতি আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে হুজ্জুতে বাঙালির আরেক খুনসুটি যে বাঙালির ভাষার প্রতি দরদ কেবল রাজনৈতিক মুদ্রার কারণে। বাঙালি এখনো মাতৃভাষা সর্বস্তরে প্রচলন করতে পারেনি।
ইংরেজি এখন রাজভাষা নয়, কিন্তু এখনো তা বঙ্কিমচন্দ্রের বর্ণনায় ‘বহু বিদ্যার আধার, এক্ষণে আমাদের জ্ঞানোপার্জনের একমাত্র সোপান।’ অনেকের কাছে তা অর্থোপার্জনেরও ভাষা। সেই ভাষার দাপট আমাদের শিরোধার্য, যদিও আমরা বলে থাকি, ‘একুশ মানে কারও কাছে মাথা নত না করা।’ ক্রান্তিকালের ঝঞ্ঝাট নিয়ে এ ব্যাপারে আর তিক্ততা না বাড়ানোই ভালো।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিদ্যাসাগর অনুসারী রীতিকে সোমপ্রকাশ পত্রিকায় ব্যঙ্গ করে বলা হয়, ‘ভট্টাচার্যের চানা’, সেই রীতির ব্যত্যয়কারীদের অন্যরা বলবেন, ‘শবপোড়া মড়াদাহের দল’। শেষোক্ত দলের একজনের কথা শিরোধার্য ভেবে উদ্ধৃতি করে এ লেখা শেষ করি: ‘যে রচনা সকলেই বুঝিতে পারে, এবং পড়িবা মাত্র যাহার অর্থ বোঝা যায়, অর্থগৌরব থাকিলে তাহাই সর্বোৎকৃষ্ট রচনা।...বলিবার কথাগুলো পরস্ফুিট করিয়া বলিতে হইবে। যতটুকু বলিবার আছে সবটুকু বলিবে—তজ্জন্য এংরেজি, ফার্সি, আরবি, সংস্কৃত, গ্রাম্য, বন্য যে ভাষার শব্দ প্রয়োজন, তাহা গ্রহণ করিবে, অশ্লীল ভিন্ন কাহাকেও ছাড়িবে না।’
১. ঢাকার স্টক মার্কেট-বিপর্যয় এখন অনেকের কাছে উদ্বেগের কারণ। এ রকম এক উদ্বিগ্ন স্টক মার্কেট বিশেষজ্ঞ একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বললেন, ‘স্টক মার্কেট ক্রাইসিসের রিজনগুলো ইনভেস্টিগেট করতে হবে। যেসব বিগ অ্যাক্টর ও প্লেয়ার ব্যাকগ্রাউন্ডে রোল প্লে করছে, যাদের নাম ইব্রাহিম সাহেব তাঁর রিপোর্টে রিভিল করেছেন, তাদের প্রপার পানিশমেন্ট দিতে হবে।’
২. কলাভবনে আমার কক্ষের বাইরের বারান্দায় দাঁড়ানো কিছু ছেলেমেয়ে খুব গন্ডগোল করছিল। আমি বেরিয়ে তাদের কারণ জিজ্ঞেস করলে একটি মেয়ে বলল, ‘স্যার, আমাদের টিচার হঠাৎ ক্লাস পসপোন করে দিছে। সে তো একটা নোটিশ দিলে পারত।’
আমি আর ভয়ে শিক্ষকের নাম জিজ্ঞেস করলাম না। আমার থেকে বয়সে বড় শিক্ষকও অনেক আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে!
৩. একটি এফএম রেডিও থেকে এক আরজের আপ্লুত আহ্বান শোনা গেল এক দুপুরে, ‘ফ্রেন্ডসরা, এই অফার কিন্তু ভ্যালিড টিল ফর্টিনথ। সো মনে রেখো। লাইক ইটস আ ফাটাফাটি ইভেন্ট। সো সেন্ড করো...’
১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের এক সেমিনারে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আজকে শিক্ষিত দুজন বাঙালি যখন কথা বলে, তারা ইংরেজির মিশ্রণ ও আঞ্চলিকতাদুষ্ট ভাষায় কথা বলে। এটি উচ্ছৃঙ্খলতা।’
১ মার্চ, ২০১২ সমকাল-এ প্রকাশিত গল্পকার ও উন্নয়নকর্মী নূরনবী শান্ত তাঁর প্রবন্ধ ভাষার স্বাধীনতা ও প্রমিত বাংলায় চমৎকার এক প্রশ্ন করেন: ‘প্রশ্নটা এই, বাংলা ভাষার একটি সুনির্দিষ্ট রূপ না থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কীরূপে হাজির হবে বাংলা? ধরা যাক, উইলিয়াম রাদিচে যদি সিলেটি বাংলা শিখতেন, ক্লিনটন বি সিলি শিখতেন ঢাকা নগরের এখনকার একশ্রেণীর তরুণ প্রজন্মের বাংলা এবং তাঁরা দুজনেই যদি বাংলা ভাষাবিষয়ক কোনো আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে উপস্থিত হতেন, তাহলে তাঁরা কোন বাংলা উপস্থাপন করতেন? সুইডেনের কবি টমাস ট্রান্সটোমার যদি এখন বাংলা সাহিত্যের রসাস্বাদনের অভিপ্রায়ে শিখতে চান, কোন বাংলা শিখবেন?’
উপসংহারে তিনি ভাষা পরিকল্পনার সুপারিশ করে বলেন, ‘শুধু ভাষাশহীদদের মর্যাদা রক্ষার জন্য নয়, বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতির উচ্চাসন নিশ্চিত করার স্বার্থেই একটি সুচিন্তিত বাংলা ভাষা পরিকল্পনা এখনই জরুরি।’ একুশে ফেব্রুয়ারির ৬০ বছর পরও রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থপরতার উদগ্র তৎপরতায় আমরা যেমন গণতন্ত্রের উত্তরণে ও স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নে অনীহা দেখিয়েছি, তেমনি ভাষা-নীতি প্রণয়নে বা পরিকল্পনায় আমরা কোনো দৃষ্টি দিইনি।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ডেসটিনিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। আর এ বিষয়ে কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলা একাডেমী প্রমিত বানানরীতি তৈরি করেছে। তারা এটা কাউকে মানাতে বাধ্য করতে পারে না।’
হাইকোর্টের নির্দেশ সম্পর্কে তিনি বলেন: ‘এটা একটা ভালো উদ্যোগ। তবে আইন করে তো সবকিছু হয় না। অন্তত ভাষার ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও জটিল। সমাজের মধ্যে একটা প্রক্রিয়া জারি থাকতে হয়। হাইকোর্ট বলে দিয়েছে বলেই ভুল বানানগুলো ঠিক হয়ে যাবে, উচ্চারণ ঠিক হয়ে যাবে, বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে বলা বন্ধ হয়ে যাবে, ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার হবে, তা নয়। এ জন্য ভাষার প্রতি আমাদের সবার মমত্ববোধ জাগাতে হবে। তাহলেই শুদ্ধ বানান চর্চা করা সম্ভব হবে। এতে করে নতুন প্রজন্ম থেকে শুরু করে সবাই বাংলা বানান শেখার প্রতি আগ্রহী হবে।’
ভাষার কৌলীন্য নিয়ে বড়াই করা একটা পুরোনো ব্যাপার। ভাষার শুদ্ধতা বা পবিত্রতা রক্ষার জন্য পক্ষালন প্রস্তাবও অনেক পুরোনো।
যখন সংস্কৃত বা লাতিন ভাষার রবরবা ছিল, তখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত যদি বিশুদ্ধ ভাষার জন্য নির্দেশাবলি দিয়ে তাঁর বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে নির্বাহ করতেন, তখন কি ভার্নাকুলার ভাষাগুলোর জন্ম হতো? স্প্যানিশ, ফরাসি বা পর্তুগিজ ভাষা কি আজকের প্রতিপত্তি পেত? দক্ষিণ এশিয়ায় অহমিয়া থেকে হিন্দি পর্যন্ত যেসব আঞ্চলিক ভাষা আজ বিদ্যমান, তাদের স্ফুর্তি সম্ভব হতো?
জনহিতকর নির্দেশনা দানে সিদ্ধহস্ত আমাদের উচ্চ আদালত যে ক্রিয়াশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসার্হ বটে। আমরা আশা করব, ভাষাদূষণের যে উপদ্রব আমরা ঠেকাতে যাচ্ছি, সে ব্যাপারে আদালতের নির্দেশ আমাদের সহায়ক হবে।
আকাদেমি ফ্রাঁসেজের মতো আমরা যদি বাংলা ভাষার শুদ্ধিকরণ করতে চাই, তাহলে আমাদের স্বনির্ভর হয়ে সেসব শব্দের ওপর নির্ভর করতে হবে, যেগুলো অভিধানে দেশি বলে চিহ্নিত। আটপৌরে কাজ চালানোর জন্য আমাদের হাতে যথেষ্ট শব্দ থাকলেও বিশ্বায়নের যুগে সেসব বড়ই অপ্রতুল। ‘বাংলায় দেশি শব্দ’ প্রবন্ধে আমি দেখিয়েছি যে ব্যবসা-বাণিজ্য, যানবাহন, অসুখ-বিসুখ, শাকসবজি, পিঠা-পায়েস নারীর অলংকার, শিশুর খেলনার যে শব্দ আছে, তাতে কায়ক্লেশে এই বর্তমান যুগেও আমরা জীবন্ত ফসিল সমাজ হিসেবে জীবন চালিয়ে যেতে পারব। তবে সে হবে এমন আটপৌরে ও দেশি ব্যাপার যে আমরা সব রক্তচক্ষু ও ভ্রুকুটি অস্বীকার করে যেসব বিদেশি ভাষাকে স্বাগত জানানোর জন্য আঁইঢাঁই করব এবং তা না পারলে আমাদের পেটে ফাঁপ ধরবে। আমি মাতৃভাষার সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ গ্রন্থের ভূমিকায় বলি, ‘যার কথায় টান নেই তাকে লোকে ভিন্ন চোখে দেখে। প্রায় মানুষের আঞ্চলিক ভাষার প্রতি একটি মমত্ববোধ থাকে। আবার যখন শিক্ষা ও সাহিত্য তার কাছে পৌঁছায়, প্রায়শ রাজধানীর ভাষায়, তখন সেই ভাষা তার আদর্শ হয়ে ওঠে, আর তাকে সে অনুসরণ করার প্রয়াস পায়।’
রবীন্দ্রনাথ তাঁর শব্দতত্ত্ব-এ লিখেছেন, ‘কলিকাতা অঞ্চলের উচ্চারণকেই আদর্শ ধরিয়া লইতে হইবে। কারণ, কলিকাতা রাজধানী। কলিকাতা সমস্ত বঙ্গভূমির সংক্ষিপ্তসার।’ অবশ্য তাঁর নিজের জীবনে তিনি লক্ষ করেছিলেন পূর্ববঙ্গের ‘সাথে’ শব্দটির কাছে কলকাতার ‘সঙ্গে’ শব্দটি হার মানতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ঢাকা ও কলকাতার বাংলায় যে বেশ কিছু বিশিষ্টতা গড়ে উঠেছে, তা সহজেই লক্ষ করা যায়।
‘গেলুম’, ‘পড়লুম’ ইত্যাদি কলকাতার একান্ত আঞ্চলিক ভঙ্গি ঢাকার ভাষায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। মুসলমান অধ্যুষিত রাজধানীর ভাষায় স্বাভাবিক কারণে আরবি, ফারসি শব্দের চল অনেক বেশি।
ঢাকা রাজধানী বলে তার ভাষায় আঞ্চলিকতার প্রভাব ক্রমেই কমে আসছে এবং এখানকার কথ্য ভাষা, মনে হয়, লিখিত ভাষার অনুসরণ করার চেষ্টা করছে। লিখিত ভাষা তার সাহিত্যিক সৌকর্যগুণে স্থানীয় ব্যাপক বা আঞ্চলিক ভাষার ওপর কর্তৃত্ব করতে পারছে এবং মোটামুটি গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। আমাদের জেলাওয়ারি আনুগত্য মাঝেমধ্যে যেমন মাথাচাড়া দেয়, আমাদের ভাগ্য ভালো, আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় অন্য কোনো লিপিমালা নেই।
আমি মাতৃভাষার সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ গ্রন্থের ভূমিকায় আরও বলি, ‘আমাদের ভাষায় শব্দের ভাঙচুরে অনেক জঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে। শব্দের বানানে, উচ্চারণে ও ব্যবহারে এক পীড়াদায়ক যথেচ্ছাচার বর্তমান। এই এলো ভাষাকে দৃঢ় ও সংহত না করে আমাদের উপায় নেই। ভাষায় শৈথিল্য ও বিশৃঙ্খলা থাকবে, আর আচরণে ও চরিত্রে শৃঙ্খলা শোভা পাবে, এ আশা দুরাশা। ফরাসি ভাষার দুরূহ ব্যাকরণ ও ব্যতিক্রম-সিদ্ধ বর্ণ-প্রকরণের চরিত্র রক্ষার জন্য আকাদেমি ফ্রাঁসেজ যে নিরন্তর ব্যর্থ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, অনুরূপ প্রাতিষ্ঠানিক খবরদারির কথা আমি বলব না। ব্যাকরণের গণ্ডি ভেঙে শব্দের তথ্য-সীমা পেরিয়ে প্রাণবান ভাষা ও সৃজনশীল লেখক নতুন ভাব ও ব্যঞ্জনার সৃষ্টি করে। কিন্তু ভাষা যখন নদীর চরের চরিত্র পায়, তখনই দুর্ভাবনা। যেসব প্রতিষ্ঠান আমাদের বিশ্বাস ও চিন্তাকে অনুক্ষণ প্রভাবান্বিত করছে—বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশন—তারাই তো লক্ষ রাখবে ভাষায় একটা উঁচু মান রক্ষা করা হচ্ছে কি না। যথেচ্ছাচারকে আশকারা না দিয়ে তারা যদি ভ্রুকুটি করে, তাহলে বর্তমান বেবন্দেজ অবস্থার কিছু উন্নতি হলেও হতে পারে।’
‘বিংশ শতাব্দীর বাংলায় নতুন শব্দ’ প্রবন্ধে আমি বলি, আমেরিন্ডিয়ানদের ভাষা ছাড়া প্রায় প্রত্যেক ভাষায় নবশব্দের প্রবর্তনা দেখা যায়। পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ বাংলাদেশের ভাষায় বদ্বীপের শিকস্তি-পয়স্তি চরিত্র বিদ্যমান। নানান অ-বাংলা ভাষার ঢল বাংলা ভাষার ওপর বয়ে যায় বহিরাক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে। যখন মহাশক্তিধর আর্য ভাষা সংস্কৃতের প্রভাব বাংলা ভাষার ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তখন বাংলা ভাষার গতি-প্রকৃতি ঠিক শক্ত হয়ে ওঠেনি। বাংলা ভাষায় অন্যান্য ভাষার তুলনায় সংস্কৃত ভাষার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে তুর্কিদের আগমনের পর বাংলা ভাষায় আরবি, ফারসি বা তুর্কি ভাষার প্রভাব বাড়তে থাকে। ওই তিনটি ভাষার মধ্যে ফারসির প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি, তারপর আরবির এবং তারপর তুর্কির।
ষোড়শ শতাব্দীতে প্রথমে পর্তুগিজ এবং পরে ইংরেজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও দিনেমাররা এ দেশে জলদস্যু, বণিক, মিশনারি বা ভাড়াটে সৈনিক হিসেবে আসে। পর্তুগিজরা বহুদিন ধরে এ দেশে দোভাষীর কাজ করে। স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের মেলামেশা ছিল অবাধ। বাংলা ভাষায় তিন-চার শ পর্তুগিজ শব্দ এখনো আমরা ব্যবহার করি। পর্তুগিজ ভাষার পর ইউরোপীয় ভাষার মধ্যে ইংরেজি ভাষার প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
ওই প্রবন্ধের উপসংহারে আমি বলি, ‘বিংশ শতাব্দীতে বাংলায় যে কয়েক সহস্র নতুন শব্দের বিস্তার ঘটেছে, তা শতাব্দীর শেষে আজ আমাদের বিস্ময়ের উদ্রেক করে না। ওসব নতুন শব্দ আমাদের ব্যবহারসহ হয়ে গেছে। একবিংশ শতাব্দীতে ইনফোটেকনোলজি (তথ্যপ্রযুক্তি) ও ন্যানো-টেকনোলজির (ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রযুক্তি কি বলা যাবে?) বদৌলতে যখন মহাবিশ্বের দিগন্ত বিস্তারিত হবে এবং সহস্রাধিক আবিষ্কৃত ও উদ্ভাবিত সামগ্রীর প্রয়োজন ও ব্যবহার বাড়বে, তখন বাংলা ভাষার শব্দভান্ডার কী আকার ধারণ করবে, সে এক দারুণ দূরকল্পনার বিষয়।’
আমি ‘টক পিজিন’ প্রবন্ধে বলি, ‘যখন দুই বা ততোধিক ভিন্নভাষী গোষ্ঠীর মধ্যে কাজসারা ভাব প্রকাশের প্রয়োজন হয়, কিন্তু অন্তরঙ্গ সম্পর্কের প্রয়োজন দেখা দেয় না, তখন পিজিনের জন্ম হয়। ভাষাবিদেরা বলেন, পিজিনের প্রথম জন্ম হয় পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে। যখন ইউরোপের ক্রুজেডাররা ভাঙা ভাঙা ইতালিয়ান ভাষা ব্যবহার করতে শুরু করে। ক্রুজেডারদের মধ্যে ফরাসিভাষীদের প্রাধান্য থাকায় সেই পিজিনকে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলা হতো। পরে লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার অর্থের ব্যাপ্তি ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে, বিশেষ করে কূটনৈতিক মহলে ফরাসি ভাষার একসময় বড় প্রাধান্য ছিল, আজকাল যেমন রয়েছে ইংরেজির।’
ঔপনিবেশিক যুগের প্রথম অবস্থায় ইউরোপীয় কর্তাব্যক্তিরা তাদের ভৃত্যদের সঙ্গে বা প্রভুরা তাদের দাসদের সঙ্গে সহজ করে নিজেদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সেই ভাষা রদবদল করে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করত। ইউরোপীয়রাও সেই পরিবর্তিত বুলিকে কাজে লাগাত এই ভেবে যে তাদের আসল ভাষা স্থানীয়দের পক্ষে শেখা সম্ভব নয়। ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষার নানান ভাঙচুরে পিজিনের জন্ম হয়েছে উত্তর আমেরিকায়, বিশেষ করে ক্যারাবিয়ান অঞ্চলে। যখন এ ধরনের পিজিন কোনো দেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বা মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তখন তাকে পিজিন না বলে ক্রেওল বলা হয়। বর্বর ইউরোপীয়দের ভাষা ব্যবহার করতে চীনাদের আত্মসম্মানে বাধত। কূটনৈতিকভাবে উভয় পক্ষ দূরত্ব বজায় রাখতে চায় বলে ইউরোপীয়দের সংস্পর্শে যে চীনা পিজিনের জন্ম হয়, তার শব্দসংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। যেকোনো পিজিনে একটা শব্দের একাধিক অর্থ হয়। ব্যাকরণ সহজ। শব্দের বানানও বদলে সহজ হয়।
আমি একবার পিজিনের বাংলা করেছিলাম ব্যাপারি ভাষা। কেউ কেউ বাংলা ভাষার মধ্যেও পিজিনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করেন।
পিজিনকে ‘বেবিটক’ বা বাচ্চাদের বুলি, কিচিরমিচির, ভাঙা ইংরেজি, বর্বর, জারজ সংকর বা অপভাষা বলে ওপরতলার লোক পছন্দ না করলেও তার স্বাভাবিকতায় অন্য আঞ্চলিক ভাষাকে ছাড়িয়ে নিজস্ব শক্তিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। রক্ষণশীলদের আপত্তি ও বাধা সত্ত্বেও পিজিনে বাইবেলের অনুবাদ হয়েছে। পার্লামেন্টের ভাষা ইংরেজি হলেও পিজিনে সাংসদেরা কথা বলতে পারেন ও বলেন। পিজিনে খবরের কাগজও প্রকাশিত হচ্ছে আজকাল।
টাইম টক পিজিনে টাইম, কিন্তু তাড়াতাড়ি হারিয়াপ, দেরি বিহাইনটাই,ম সকাল মর্নিং টাইম, বিকেল আপিনুন, রাত্রি নাইট। আমার সবচেয়ে মজা লেগেছিল কমনওয়েলথ-প্রধান রানির বড় ছেলে প্রিন্স চার্লস যখন টক পিজিনে হলেন নম্বর ওয়ান পিকিনিনি বিলং কুইন।
পণ্ডিতদের চোখ রাঙানিতে ভয়কাতুরে ভাষার কোনো উন্নতি হতো না। পণ্ডিতদের আইন-সংহিতার পর যেমন আইন বদ্ধ হয়ে পড়ে, তেমন পণ্ডিতদের স্বৈরশাসনে ভাষার স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
একসময় ছিল বাংলায় শুরু কথাটা বলা যেত না, কারণ সেটা ছিল মুসলমানি ভাষা। বাংলায় মুসলমানি ভাষায় শব্দের বেশ চল ছিল, যেগুলোকে আদালতি ভাষাও বলা হতো। এখনো পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান লেখককে ‘কাফন’ ও ‘কাবিন’ শব্দ মানে করে দিতে হয়। রক্ষণশীল মুসলমান লেখক ‘হামদ’ বা ‘নাত’-এর মানে করতে চায় না, তারা অননুবাদীয় বলে।
শব্দের গ্রহণযোগ্যতা অনেক সময় অকারণে ঘটে। ব্যবহারকারীর মর্জি বা মেজাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিস্টওয়াচের রাবীন্দ্রিক অনুবাদ ‘কবজিঘড়ি’ টিকল না, হাতঘড়ি টিকটিক করছে। শাসনতন্ত্র কথাটা এখন অচলমুদ্রা। ‘সংবিধান’ চালু ও সহজতর মনে হয়।
আমার ভাষার জ্ঞান এত গভীর নয় যে সাহস করে কোনো সংস্কারের জন্য আমি সুপারিশ করতে পারব। স্বগতোক্তি করে বলি, আমরা কেবল নিপাতনে সিদ্ধ শব্দেরই ব্যবহার গ্রহণ করব তা-ই নয়, তরুণদের শব্দ ব্যবহারে সব নতুনত্বকে অর্বাচীন বা উচ্ছৃঙ্খল বলে যেন নাসিকা কুঞ্চন না করি। তাদের ‘খ্যাত’ বা ‘আঁতেল’ শব্দটি ফেলে দিতে পারব না। তাদের আঁতলেমি মাতলামি সহ্য করতে হবে। আর ভাষায় শব্দদূষণের জন্য আমরা না-ই বা আইন তৈরি করলাম। আমরা বহু আইন বানিয়েছি এবং আইন-লঙ্ঘনকে অবরোধ হিসেবে বিধান দিয়েছি। কিন্তু আমরা আইন মানাতে পারিনি তেমনভাবে। আমরা অচিন্তনীয় কঠোরতায় সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দিয়েছি এমন সব বিষয়ে, যা দেখে বিবেচক আইনপ্রণেতারা বিস্মিত হচ্ছেন। এক ফরাসি আইন দার্শনিক বলেন, ‘নতুন আইন তৈরি করার সময় দুর্ভাবনায় আইনপ্রণেতার হাত কাঁপা উচিত।’
সংবিধানের বহু আবর্জনা পঞ্চদশ সংশোধনীর সম্মার্জনীতে পরিষ্কার করা হয়েছে। আইনপ্রণেতারা এত ভারী ভারী বিষয়ে নিবিষ্ট ছিলেন যে এই সুযোগে বাংলার বানান বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার যে একটা সুযোগ ছিল, সেটা তাদের স্মারণে আসেনি। আমরা কার্যত সংবিধান প্রদত্ত বাংলা বানান অনুসরণ করছি না। এই অনানুসরণ কি সংবিধান লঙ্ঘন হিসেবে আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া যায়? ভাবার বিষয় বৈকি।
বোঝা, বলা, পড়া ও লেখা—ভাষার এই চারটি দক্ষতার মধ্যে শেষোক্তটি সবচেয়ে কঠিন। বলা তুলনামূলকভাবে সহজ। অসচেতন দ্রুত উচ্চারণে বা অতি দ্রুত হড়বড় উচ্চারণের সময় শব্দের তোড় শাস্ত্র মেনে আসে না। আঞ্চলিক, অশিষ্ট বা অপশব্দ জিবাগ্রে স্থান করে নেয়। কয়েক বছর আগে জাপানে অশ্লীল ভাষার এক অভিধান দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। অপরাধজগতের ভাষার অর্থ-ব্যঞ্জনা তদন্তকারী গোয়েন্দাদের অবশ্যই বুঝতে হবে। ইদানীং ভাষার ব্যবহারে যে ইতি-নেতি আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে হুজ্জুতে বাঙালির আরেক খুনসুটি যে বাঙালির ভাষার প্রতি দরদ কেবল রাজনৈতিক মুদ্রার কারণে। বাঙালি এখনো মাতৃভাষা সর্বস্তরে প্রচলন করতে পারেনি।
ইংরেজি এখন রাজভাষা নয়, কিন্তু এখনো তা বঙ্কিমচন্দ্রের বর্ণনায় ‘বহু বিদ্যার আধার, এক্ষণে আমাদের জ্ঞানোপার্জনের একমাত্র সোপান।’ অনেকের কাছে তা অর্থোপার্জনেরও ভাষা। সেই ভাষার দাপট আমাদের শিরোধার্য, যদিও আমরা বলে থাকি, ‘একুশ মানে কারও কাছে মাথা নত না করা।’ ক্রান্তিকালের ঝঞ্ঝাট নিয়ে এ ব্যাপারে আর তিক্ততা না বাড়ানোই ভালো।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিদ্যাসাগর অনুসারী রীতিকে সোমপ্রকাশ পত্রিকায় ব্যঙ্গ করে বলা হয়, ‘ভট্টাচার্যের চানা’, সেই রীতির ব্যত্যয়কারীদের অন্যরা বলবেন, ‘শবপোড়া মড়াদাহের দল’। শেষোক্ত দলের একজনের কথা শিরোধার্য ভেবে উদ্ধৃতি করে এ লেখা শেষ করি: ‘যে রচনা সকলেই বুঝিতে পারে, এবং পড়িবা মাত্র যাহার অর্থ বোঝা যায়, অর্থগৌরব থাকিলে তাহাই সর্বোৎকৃষ্ট রচনা।...বলিবার কথাগুলো পরস্ফুিট করিয়া বলিতে হইবে। যতটুকু বলিবার আছে সবটুকু বলিবে—তজ্জন্য এংরেজি, ফার্সি, আরবি, সংস্কৃত, গ্রাম্য, বন্য যে ভাষার শব্দ প্রয়োজন, তাহা গ্রহণ করিবে, অশ্লীল ভিন্ন কাহাকেও ছাড়িবে না।’
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1335)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
March
(2875)
-
▼
Mar 09
(84)
- আমাদের চলচ্চিত্র by আতাউর রহমান
- শিক্ষা ভাবনা ২০০৯: সেক্যুলার জাতি গড়ার রণকৌশল by ...
- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরঃ প্রত্যাশা ও কিছু প্রশ্ন b...
- রাষ্ট্রীয় হেফাজতে শ্রমিকনেতার মৃত্যুঃ কোনোভাবেই গ...
- সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের অকল্পনীয় ঔদ্ধত্যঃ সরকারকে অ...
- কিছু বলতে চাই by ড. মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন
- তুষারপাতের নীরব সৌন্দর্য by কাজী জহিরুল ইসলাম
- এই নগরীর দিনরাত্রিঃ শীতের প্রকোপে দিশেহারা by রেজো...
- পাঠ্যবই নিয়ে হ-য-ব-র-লঃ ক্লাস শুরু অনিশ্চিত
- অচল হয়ে পড়েছে টেকনাফ নদীবন্দরঃ ক্ষমতার পেশি আস্ফ...
- মহাজোট সরকারের এক বছরঃ শিল্পখাতে ধস by আবুল কাসেম ...
- রং চড়ানো ইতিহাস-৩ by মাহমুদ শামসুল হক
- কথার প্যাঁচে ঝামেলা পাকাচ্ছে সরকার by শাহ আহমদ রেজা
- বাংলাদেশ এখন যেখানে দাঁড়িয়ে by বদরুদ্দীন উমর
- বিদেশ সফরে রেকর্ডঃ ঘর সামলাবে কে?
- খসড়া ছাড়াই বৈঠক শেষঃ তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি অ...
- বিকল্প কর্মসূচির কথাই ভাবতে হবে-আবার হরতাল
- সরকারের কার্যকর উদ্যোগ দরকার-বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা
- চারদিক-গোপীনাথের রথযাত্রা by সালেহীন রাহাত
- সরল গরল-পঞ্চদশ সংশোধনী আদালতে চ্যালেঞ্জযোগ্য by মি...
- পঞ্চদশ সংশোধনী-বাঙালি জাত্যভিমান ও উপেক্ষিত আদিবাস...
- পারিবারিক সহিংসতা-আইনি কপটতা বন্ধ করতে হবে by আইরি...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-দীর্ঘদিনের সন্দেহ অবিশ্বাস কাটাতে...
- সংখ্যায় বাড়ুক, মানেও এগিয়ে যাক-ঢাকায় নতুন শিক্ষাপ্...
- এই মৃত্যু কি এড়ানো যেত না?-চট্টগ্রামে পাহাড়ধস
- ধর্ম-ইসলাম নারীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে by মুহাম্মদ আব...
- কে এফ রুস্তামজির চোখে ১৯৭১-শুরুতেই রাজনৈতিক ও সামর...
- বিশৃঙ্খলা রোধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিন-মিছিলে সর...
- কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই-ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী...
- চারদিক-খেয়ালি বাউল পাগলা কানাই
- অল্প কথায়-ষাট বছরে দাউদ হায়দার by হাসান ফেরদৌস
- বাজারে নতুন
- যা নিয়ে আছি-বারবার পড়ি রবীন্দ্রনাথ
- নেশার পেছনে মগজের প্ররোচনা? by শেখআবদুল হাকিম
- হালুমের গাছের চারা
- টাইগার স্যার by মোস্তাক চৌধুরী
- কত্তো বড় ডিম!
- এক ঘড়া ছড়া by আখতার হুসেন
- ইতিহাসের বাঁক বদল by মেহেদি রাসেল
- সুপারম্যান by দিলওয়ার হাসান
- হালের শবপোড়া মড়াদাহের দল by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
- হেমন্তগোধূলি by কাইয়ুম চৌধুরী
- আমাদের কাইয়ুম স্যার by আবুল মনসুর
- স্বাস্থ্য রক্ষায় ইসলামী বিধান by শাহীন হাসনাত
- শেন স্টোন ইসলামের ছায়ায় by জহির উদ্দিন বাবর
- এতিমদের প্রতি দায়িত্ব by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- বাংলার 'অভিন্ন রূপ' by আসিফ আহমেদ
- রাহুল ও কংগ্রেস ব্যর্থ হলো কেন? by প্রতাপ ভানু মেহতা
- পাকিস্তানিদের প্রচণ্ড ক্রোধ ছিল পত্রিকার ওপর by কা...
- ধর নির্ভয় গান-কোমর বেঁধে বাঁচাতে হবে বড় আদরের এই দ...
- টাঙ্গাইলে তামাক চাষ-সুফলা মাটি শস্যেই হোক শ্যামল
- কীর্তিমতী নারী-নারীশক্তির জয়গান
- পুলিশের পোশাকে সন্ত্রাসী-অন্য সন্দেহও অমূলক নয়
- রাজনৈতিক কর্মসূচিতে জনদুর্ভোগ-এ অবস্থার নিরসন প্রয়োজন
- চরাচর-ভাসমান খাঁচায় মাছের চাষ by বনরূপা
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৬৫)-তারুণ্যপ্রসূত বিপ্লব...
- নতুনের জন্য জায়গা ছাড়ুন by আবু এন এম ওয়াহিদ
- শেকড়ের ডাক-তিস্তা ও ট্রানজিট : আমাদেরও কি মমতা হতে...
- বহে কাল নিরবধি-স্বাভাবিক মৃত্যু নিশ্চিত করুন by এম...
- শীর্ষ ধনীর হ্যাটট্রিক
- সর্বজনীন পারিবারিক আইনের দাবি
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত-দেনমোহর পরিশোধ by স্বপ...
- 'কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হয়ে যাবে'
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন-ইয়াবা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ...
- জোট সম্প্রসারণ : জামায়াতের প্রভাবমুক্ত ঘোষণাপত্র ত...
- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত-মহাসমাবেশে বাধা দি...
- ব্যাপক প্রস্তুতি বিএনপির-পুরোদমে প্রচার আজ থেকে
- ডেটলাইন ১২ মার্চ-মহাসমাবেশ বন্ধ করতে পুলিশকে আওয়াম...
- নির্বাচনের পথ কাঁটায় ভরা by আহমেদ দীপু
- ট্রেনের ধাক্কায় একই পরিবারের ছয়জন নিহত
- রাজনীতিতে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের নারীরা এগিয়ে
- নারীরা যেকোনো ক্ষেত্রে যোগ্যতা প্রমাণে সক্ষম: প্রধ...
- ‘চলো চলো ঢাকা চলো-বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তার ৯১
- চট্টগ্রাম নগরের প্রবেশপথে টার্মিনাল, যানজট by একরা...
- কে এফ রুস্তামজির চোখে ১৯৭১-শুরুতেই রাজনৈতিক ও সামর...
- সময়চিত্র-১২ মার্চ ঘিরে আশঙ্কা by আসিফ নজরুল
- হে ইলিশ by ইমরান উজ-জামান
- প্রযুক্তির ৫ উদ্ভাবন
- ইরানে সম্ভাব্য হামলা-ইসরায়েলের পথে যেসব বাধা by মা...
- ধেয়ে আসছে সৌরঝড়
- জন্মদিন-আশিতেও দীপ্ত আত্মানুসন্ধান by আশীষ-উর-রহমান
- সাক্ষাৎকার: আশা ভোঁসলে-ঢাকায় শেষ গান করছি by মেহেদ...
- প্রাথমিক বাছাইয়ে বিবেচিত ১৬টি ব্যাংক। আছে রাজনৈতিক...
- বিদ্যুৎ-পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে অনির্ধারিত আলোচনা-উপদ...
-
▼
Mar 09
(84)
-
▼
March
(2875)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment