Saturday, March 7, 2020
এর চেয়ে ভয়াবহ কোনো কথা আমি আর শুনবো না কোনো দিন by আহসান কবির
এর চেয়ে ভয়াবহ কোনো কথা আমি আর শুনবো না কোনো দিন by আহসান কবির
![]() |
| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান |
পাকিস্তানিরা
দ্বিধান্বিত ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে। বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে
ঝোলানোর জন্য পাকিস্তানি জান্তা তাঁর বিরুদ্ধে প্রথমে আগরতলা ষড়যন্ত্র
মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য) দিয়েছিল। গণআন্দোলনের মুখে এই
মামলা থেকে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের পঁচিশ মার্চ রাতে
গ্রেফতারের পর পাকিস্তানে নিয়েও তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছিল। ফাঁসি
দেওয়াটাই ছিল পাকিস্তানি জান্তার মুখ্য উদ্দেশ্য। স্বাধীনতার পর বিশ্ব
জনমতের চাপে বঙ্গবন্ধু মক্তি পান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল
বাংলাদেশের মানুষরাই। শহীদ কাদরী তাঁর ‘হন্তারকদের প্রতি’ কবিতায় লিখেছেন–
‘বাঘ কিংবা ভালুকের মতো নয়,
বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা হাঙরের দল নয়
না, কোনো উপমায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না
তাদের পরনে ছিল ইউনিফর্ম
বুট, সৈনিকের টুপি,
বঙ্গবন্ধুর সাথে তাদের কথাও হয়েছিলো,
তারা ব্যবহার করেছিল
এক্কেবারে খাঁটি বাঙালির মতো
বাংলা ভাষা। অস্বীকার করার উপায় নেই
ওরা মানুষের মতো
দেখতে, এবং ওরা মানুষই
ওরা বাংলা মানুষ
এর চেয়ে ভয়াবহ কোনো কথা আমি আর শুনবো না কোনো দিন।’
যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এই ভয়াবহ কথা শুনতে শুনতে আমাদের দিন যাবে। আড্ডা, গল্প, খাদ্য,মোমবাতি সব ফুরোবে,বঙ্গবন্ধু কখনও ফুরিয়ে যাবেন না। হয়তো কেউ আসবেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নতুন কোনও কবিতা লিখে,কেউ সঙ্গে করে আনবেন সূর্যোদয়ের মতো নতুন কোনও গান। কেউ দেখাবেন নতুন গবেষণায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের নতুন কোনও দিক। বঙ্গবন্ধু ছিলেন,আছেন এবং থাকবেন বাংলাদেশ এবং বাঙালির হৃদয়ে অমলিন।
-----দুই.-----
অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বিভাজন শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালেই। মুক্তিবাহিনী এবং মুজিব বাহিনীর কথা যেমন শোনা যায় তেমনি খন্দকার মোশতাকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। তাজউদ্দীন আহমদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন খন্দকার মোশতাকসহ আরও কেউ কেউ। খন্দকার মোশতাক,মাহবুবুল আলম চাষী,তাহের উদ্দীন ঠাকুর প্রমুখ পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠন করতে চেয়েছিলেন,আমেরিকান অ্যাম্বেসি ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাঁদের বিশেষত মোশতাকের যোগাযোগ ছিল ৭১ থেকেই। মোশতাকের প্রচারণা ছিল এমন-‘স্বাধীনতা আগে না শেখ মুজিব আগে? আমাদের শেখ মুজিবকেই আগে দরকার। যারা শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে স্বাধীনতা চায় তাদের চিনে রাখা দরকার!’ অনেকেই মোশতাকের এই প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য যার ‘প্রায় অপরিহার্য’ প্রয়োজন ছিল,তাঁকেই চলে যেতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভা থেকে। চলনে বলনে,জীবনাচরণে তাজউদ্দীন আহমদকে ধরে নেওয়া হতো ‘শৃঙ্খলাপরায়ণ কমিউনিস্ট মনোভাবাপন্ন’ রাজনীতিবিদ হিসেবে। অনেকেই তাজউদ্দীন সম্পর্কে বলতেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অনুগত কমিউনিস্ট’! পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেছিলেন, ‘শেখ মুজিবকে ইমোশনাল অ্যাপ্রোচে কাবু করা যায়। কিন্তু তাঁর পেছনে ফাইল বগলে নিয়ে যে ‘নটোরিয়াস’ লোকটি দাঁড়িয়ে থাকে তাকে (তাজউদ্দীনকে) কাবু করা শক্ত।’ স্বাধীনতার পর ‘মোশতাক চক্র’কে বঙ্গবন্ধু ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষমা পেলে দ্বিগুণ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। মোশতাকের সঙ্গে শারীরিক গড়নে বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরের দারুণ মিল ছিল। যে মোশতাক বঙ্গবন্ধুর বাবা-মা’র মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিলেন, কবর দিতে কবরে নেমে বলেছিলেন- ‘আমাকেও কবর দিয়ে দাও’– সেই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে আগাগোড়া জড়িত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আখ্যা দিয়েছিলেন ‘সূর্যসৈনিক’ হিসেবে। প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য ডটারস টেল’-এ শেখ হাসিনা মোশতাকের প্রতি বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস প্রসঙ্গে বলেছেন-‘মা আমার (বঙ্গবন্ধু) কিছু হলে তোরা মোশতাক চাচার কাছে যাস!’
------তিন.-----
স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের’। ৭২ সালেই প্রথম এবং বড় বিভাজন দৃশ্যমান হয়। যারা বেসামরিক প্রশাসনে ছিলেন তাদের খুব কম অংশই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে এসে বেসামরিক প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু প্রথমেই এক ‘নীরব ষড়যন্ত্রের’ সম্মুখীন হন। যা কিছুই করতে চান নেমে আসতে থাকে প্রশাসনিক স্থবিরতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জাসদের (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) মারমুখো সদস্যরা। উল্লেখ্য, ন্যাপ (মোজাফফর) ও সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) এই দুই দল ছিল আওয়ামী লীগের প্রতি বন্ধু মনোভাবাপন্ন। ‘মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা’র জন্য কিছু ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ ছিল, যাদের বেশিরভাগ সক্রিয় সদস্য কোনও না কোনোভাবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিল। জাসদ,পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি,ভাসানীর ন্যাপ সহ সব দলের বিরুদ্ধাচরণ দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির তৈরি করে। খেটে খাওয়া খুব সাধারণ মানুষেরাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পেশাগতভাবে ছাত্র এবং সেনা,নৌ,বিমান ও ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) সদস্যদের উল্লেখযোগ্য অংশ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। জাসদ গঠনের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের বড় একটি অংশ চলে যায় বিরোধী শিবিরে।
মুক্তিবাহিনী ছাড়াও কাদেরিয়া বাহিনী,হেমায়েত বাহিনী ছিল মুক্তিযুদ্ধে, যাদের অবদান অসামান্য। সিরাজ শিকদারের দল ১৯৭১ এ মুক্তিবাহিনীর মতাদর্শের সঙ্গে একমত না হলেও যুদ্ধ করেছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) গড়ে উঠেছিল ইন্ডিয়ান জেনারেল উবানের নেতৃত্বে। বিএলএফ পরে মুজিববাহিনী নামে পরিচিত হয়। এই বাহিনীর চার আঞ্চলিক নেতা ছিলেন মনোজ (শেখ ফজলুল হক মনি), সরোজ (সিরাজুল আলম খান), রাজু (আবদুর রাজ্জাক) ও তপন (তোফায়েল আহমেদ)। এই চারজন মানুষ তখন ইন্ডিয়ান সরকারের প্রটোকল পেতেন বলে মহিউদ্দীন আহমেদ তার বইতে (জাসদের উত্থান পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি) লিখেছেন। ট্রানজিট ও মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই করার জন্য এই চারজনের নেতৃত্বে চারটি ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়েছিল। ব্যারাকপুরের অধিনায়ক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ এবং তার প্রধান সহকারী ছিলেন নুরে আলম জিকু। জলপাইগুড়ির পাঙ্গা ট্রেনিং ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন সিরাজুল আলম খান এবং সহকারী ছিলেন মনিরুল ইসলাম। মেঘালয়ের তুরা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন সিরাজুল আলম খান এবং তার সহকারী ছিলেন সৈয়দ আহমেদ। আগরতলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি এবং তার সহকারী ছিলেন আ স ম আব্দুর রব। কাজী আরেফ ছিলেন বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর গোয়েন্দা প্রধান এবং শাজাহান সিরাজ ছিলেন বিএলএফের সঙ্গে প্রবাসী সরকারের যোগাযোগ রক্ষা করার দায়িত্বে। বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে বিভিন্নজন তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণে বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন। স্বাধীনতার পর মুজিব বাহিনীর চার ট্রেনিং ক্যাম্পের আট অধিনায়ক ও উপ-অধিনায়কই বঙ্গবন্ধুকে প্রথম বিভাজনের মুখোমুখি করেছিলেন বলে আমি মনে করি। কারণ, ছাত্রলীগ দুই দলে বিভক্ত হয়ে সমাবেশ ডাকে। বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের যে অংশের সমাবেশে যান,আব্দুর রাজ্জাক,তোফায়েল আহমেদ ও শেখ ফজলুল হক মনি ছিলেন সেই অংশে। বাকিরা বিভাজিত হন এবং জাসদ গঠন করেন। তবে একথা অনস্বীকার্য, বিভাজনের পর আওয়ামী লীগ এবং জাসদ অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিই দুর্বল হয়েছে। ক্ষমতা চলে গেছে মূলত সেনানির্ভর ‘রাজনীতিবিদদের’ হাতে, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানিকরণেই সচেষ্ট ছিলেন।
-----চার.------
সাধারণ মানুষ,রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের বাইরে মুক্তিযোদ্ধাদের ভেতর পেশাগতভাবে সেনা,নৌ,বিমান ও ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)-এর সদস্যরা ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ১২০ জন অফিসার এবং ১৭ হাজারের মতো সৈনিক। কিন্তু পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসার (১১০০-এর মতো) ও সৈনিকের সংখ্যা ছিল ২৭ থেকে ২৮ হাজারের ভেতর। সেনা,বিমান ও নৌবাহিনীতে পাকিস্তান প্রত্যাগত সৈন্যরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায়,মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও সৈনিকদের দুই বছরের সিনিয়রিটি পাকিস্তান প্রত্যাগতদের উষ্মার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য জড়িত ছিল তাদের কেউ কেউ ১৯৭১-এর অক্টোবর-নভেম্বরে পাকিস্তান থেকে ভারতে গিয়েছিলেন যুদ্ধে অংশ নিতে, যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ঘাতকরা যখন হামলে পড়েছিল বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে তখন তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যরা কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি কিংবা চায়নি।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর প্রধান,উপ-প্রধান,নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার পরিবর্তে মোশতাক সরকারের বশ্যতা স্বীকার করেছিল। সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা এই হত্যাকাণ্ডের কথা জেনেও নীরব ছিলেন। তাদের ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধু নিহত হলে তারাই লাভবান হবেন এবং হয়েছিলেনও। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার দায় জেনারেল শফিউল্লাহও এড়াতে পারেন না। তিনি মাঝে মাঝে জিয়াউর রহমানের দোষ দেন। তবে জিয়া ও এরশাদের সময় তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন! জেনারেল শফিউল্লাহকে সেনাপ্রধান বানানোর পরামর্শ বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন জেনারেল ওসমানী। ওসমানী সাহেব বাকশাল করার সময় আওয়ামী লীগ থেকে সরে এসেছিলেন।আবার তিনিই মোশতাক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা হয়েছিলেন! এখানেই শেষ নয়। তিনি জিয়াউর রহমানের বিপক্ষে আওয়ামী লীগের হয়ে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন! শেষমেশ গঠন করেছিলেন জনতা দল!
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দিন তাঁর জন্য কোনও মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার এগিয়ে আসেননি। এসেছিলেন এবং নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসার কর্নেল জামিল। কর্নেল জামিলের দাফনের সময় একখণ্ড সাদা কাপড়ও জোটেনি তার। ধার করা বিছানার চাদরে মুড়িয়ে তাঁকে নামানো হয়েছিল কবরে।
-----পাঁচ.-----
মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল রক্ষীবাহিনী। রক্ষীবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও কর্মস্থল তৈরি,পোশাক, রেশন এসব নিয়ে সেনা,নৌ,বিমান ও বিডিআর সদস্যদের ভেতর স্পষ্টত বৈরিতা ছিল। রক্ষীবাহিনীর সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের ‘সৎছেলে’ হিসেবে ভাবা শুরু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময়ে রক্ষীবাহিনীর প্রধান দুই কর্মকর্তা দেশের বাইরে ছিলেন। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে মূল অফিস এবং সাভারে রক্ষীবাহিনীর প্রশিক্ষণস্থল থাকলেও এরা গোলাবিহীন ট্যাংক দেখে ভয় পেয়ে যায় এবং বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সমর্থ হয়নি। রক্ষীবাহিনীর উপ-প্রধানরা মোশতাকের বশ্যতা স্বীকার করে। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা শেষমেশ রক্ষীদের দেখে অবাক হয়। তারা ভেবেছিল এদের মনে হয় প্রচুর গোলাবারুদ ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র আছে। শেষমেশ রক্ষীদের সেনাবাহিনীতেই আত্তীকরণ করা হয় এবং রক্ষীবাহিনীর স্থাপনাগুলো (সাভার,ভাটিয়ারি ও শেরেবাংলা নগর) চলে যায় সেনাবাহিনীর হাতে!
যার কারণে রক্ষীবাহিনী সৃষ্টি বদনাম সৃষ্টি ছাড়া তাঁর জন্য কিছুই করতে পারেনি।
------ছয়.-----
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর মোশতাকের মতো আওয়ামী লীগের আরও কিছু নেতা পাওয়া গিয়েছিল। যে অধ্যাপক ইউসুফ আলী মুজিবনগর সরকারের হয়ে সবাইকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ শুনিয়ে শপথ করাতেন তিনি চলে যান মোশতাকের ছায়াতলে। তাহের উদ্দীন ঠাকুর, মাহবুবুল আলম চাষীরা আগে থেকেই ছিলেন মোশতাকের পদানত। সোহরাব হোসেনও গিয়েছিলেন মোশতাকের মন্ত্রী হতে,পারেননি। কিন্তু কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম, রিয়াজউদ্দীন আহমেদ ভোলা মিঞার মতো আরও অনেকে মোশতাক মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ঘাতকরা ১৫ আগস্ট তাজউদ্দীন সাহেবের কাছেও গিয়েছিল। তাজউদ্দীন সাহেব বেইমানি করেননি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। বেইমানি করেননি সৈয়দ নজরুল, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীরা। বেইমানি করেননি সামাদ আজাদ, তোফায়েল আহমেদ, জিল্লুর রহমান কিংবা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মতো নেতারা। পরিণামে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল জেলে, বাকিরাও বিভিন্ন মেয়াদে জেলে যেতে বাধ্য হন। আওয়ামী লীগ স্মরণকালের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পড়েছিল তখন। যে মালেক উকিল বলেছিলেন, দেশ ফেরাউনের হাত থেকে মুক্ত হয়েছে তাকেই বানাতে হয়েছিল আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান। আর মোশতাক সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ওসমানী সাহেবকে দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের মনোনয়ন।
নিয়তি এই যে শেষমেশ বঙ্গবন্ধুকে তাঁর স্বপ্নের দেশেই হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর আহ্বানে সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তাদের কয়েকজন কোনও না কোনোভাবে তাঁর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জেনারেল ওসমানী, ব্রিগেডিয়ার রউফ, জেনারেল জিয়াউর রহমান, ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, কর্নেল শাফায়াত জামিল, ফারুক, রশীদ, আকবর, মেজর হুদা, মহিউদ্দীন, নুরসহ অনেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা জানতেন। সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা এটাও অনুধাবন করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা চলে গেলে বেনিফিসিয়ারি হবেন তারাই। মুনতাসীর মামুন তার ‘ষড়যন্ত্রের রাজনীতি-দুই রাষ্ট্রপতি হত্যা’ বইয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘আসলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের সায় ছিল এই হত্যাকাণ্ডে। এটি আজ পরিষ্কার। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার দায় সেনাবাহিনীরই!’
স্বাধীনতার ঊনপঞ্চাশ বছর পরেও বাংলাদেশ পায়নি কাঙ্ক্ষিত ‘ঐক্য’। আজও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। দেশ যদি পৌঁছে যায় বিভেদের শেষ সীমানায়,দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে দেশটা যদি ক্রমশ পাকিস্তান,আফগানিস্তান,নাইজেরিয়া বা সিরিয়ার দিকেই হাঁটা শুরু করে,আমরা বিশ্বাস করি তখনও বঙ্গবন্ধু- আপনি হয়ে উঠবেন আসল অনুপ্রেরণাদাতা। আমাদের কানে বাজবে সেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ কবিতা-আর আমি যদি আদেশ দিবার নাও পারি,তোমাদের যার যা কিছু আছে তা-ই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলো। মনে রাখবা, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না!
সহায়ক গ্রন্থ:
১. মহিউদ্দীন আহমদের সাক্ষাৎকার
২. বিএনপি-সময় অসময়, মহিউদ্দীন আহমদ
৩. ষড়যন্ত্রের রাজনীতি-দুই রাষ্ট্রপতি হত্যা, মুনতাসীর মামুন
৪. রক্ষীবাহিনীর সত্য মিথ্যা, আনোয়ার উল আলম
৫. তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা, লে. কর্নেল (অব.) এম এ হামিদ পিএসসি।
লেখক: রম্যলেখক
‘বাঘ কিংবা ভালুকের মতো নয়,
বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা হাঙরের দল নয়
না, কোনো উপমায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না
তাদের পরনে ছিল ইউনিফর্ম
বুট, সৈনিকের টুপি,
বঙ্গবন্ধুর সাথে তাদের কথাও হয়েছিলো,
তারা ব্যবহার করেছিল
এক্কেবারে খাঁটি বাঙালির মতো
বাংলা ভাষা। অস্বীকার করার উপায় নেই
ওরা মানুষের মতো
দেখতে, এবং ওরা মানুষই
ওরা বাংলা মানুষ
এর চেয়ে ভয়াবহ কোনো কথা আমি আর শুনবো না কোনো দিন।’
যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এই ভয়াবহ কথা শুনতে শুনতে আমাদের দিন যাবে। আড্ডা, গল্প, খাদ্য,মোমবাতি সব ফুরোবে,বঙ্গবন্ধু কখনও ফুরিয়ে যাবেন না। হয়তো কেউ আসবেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নতুন কোনও কবিতা লিখে,কেউ সঙ্গে করে আনবেন সূর্যোদয়ের মতো নতুন কোনও গান। কেউ দেখাবেন নতুন গবেষণায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের নতুন কোনও দিক। বঙ্গবন্ধু ছিলেন,আছেন এবং থাকবেন বাংলাদেশ এবং বাঙালির হৃদয়ে অমলিন।
-----দুই.-----
অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বিভাজন শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালেই। মুক্তিবাহিনী এবং মুজিব বাহিনীর কথা যেমন শোনা যায় তেমনি খন্দকার মোশতাকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। তাজউদ্দীন আহমদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন খন্দকার মোশতাকসহ আরও কেউ কেউ। খন্দকার মোশতাক,মাহবুবুল আলম চাষী,তাহের উদ্দীন ঠাকুর প্রমুখ পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠন করতে চেয়েছিলেন,আমেরিকান অ্যাম্বেসি ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাঁদের বিশেষত মোশতাকের যোগাযোগ ছিল ৭১ থেকেই। মোশতাকের প্রচারণা ছিল এমন-‘স্বাধীনতা আগে না শেখ মুজিব আগে? আমাদের শেখ মুজিবকেই আগে দরকার। যারা শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে স্বাধীনতা চায় তাদের চিনে রাখা দরকার!’ অনেকেই মোশতাকের এই প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য যার ‘প্রায় অপরিহার্য’ প্রয়োজন ছিল,তাঁকেই চলে যেতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভা থেকে। চলনে বলনে,জীবনাচরণে তাজউদ্দীন আহমদকে ধরে নেওয়া হতো ‘শৃঙ্খলাপরায়ণ কমিউনিস্ট মনোভাবাপন্ন’ রাজনীতিবিদ হিসেবে। অনেকেই তাজউদ্দীন সম্পর্কে বলতেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অনুগত কমিউনিস্ট’! পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেছিলেন, ‘শেখ মুজিবকে ইমোশনাল অ্যাপ্রোচে কাবু করা যায়। কিন্তু তাঁর পেছনে ফাইল বগলে নিয়ে যে ‘নটোরিয়াস’ লোকটি দাঁড়িয়ে থাকে তাকে (তাজউদ্দীনকে) কাবু করা শক্ত।’ স্বাধীনতার পর ‘মোশতাক চক্র’কে বঙ্গবন্ধু ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষমা পেলে দ্বিগুণ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। মোশতাকের সঙ্গে শারীরিক গড়নে বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরের দারুণ মিল ছিল। যে মোশতাক বঙ্গবন্ধুর বাবা-মা’র মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিলেন, কবর দিতে কবরে নেমে বলেছিলেন- ‘আমাকেও কবর দিয়ে দাও’– সেই মোশতাকই বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে আগাগোড়া জড়িত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আখ্যা দিয়েছিলেন ‘সূর্যসৈনিক’ হিসেবে। প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য ডটারস টেল’-এ শেখ হাসিনা মোশতাকের প্রতি বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস প্রসঙ্গে বলেছেন-‘মা আমার (বঙ্গবন্ধু) কিছু হলে তোরা মোশতাক চাচার কাছে যাস!’
------তিন.-----
স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের’। ৭২ সালেই প্রথম এবং বড় বিভাজন দৃশ্যমান হয়। যারা বেসামরিক প্রশাসনে ছিলেন তাদের খুব কম অংশই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে এসে বেসামরিক প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু প্রথমেই এক ‘নীরব ষড়যন্ত্রের’ সম্মুখীন হন। যা কিছুই করতে চান নেমে আসতে থাকে প্রশাসনিক স্থবিরতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জাসদের (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) মারমুখো সদস্যরা। উল্লেখ্য, ন্যাপ (মোজাফফর) ও সিপিবি (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) এই দুই দল ছিল আওয়ামী লীগের প্রতি বন্ধু মনোভাবাপন্ন। ‘মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা’র জন্য কিছু ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ ছিল, যাদের বেশিরভাগ সক্রিয় সদস্য কোনও না কোনোভাবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিল। জাসদ,পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি,ভাসানীর ন্যাপ সহ সব দলের বিরুদ্ধাচরণ দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির তৈরি করে। খেটে খাওয়া খুব সাধারণ মানুষেরাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পেশাগতভাবে ছাত্র এবং সেনা,নৌ,বিমান ও ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) সদস্যদের উল্লেখযোগ্য অংশ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। জাসদ গঠনের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের বড় একটি অংশ চলে যায় বিরোধী শিবিরে।
মুক্তিবাহিনী ছাড়াও কাদেরিয়া বাহিনী,হেমায়েত বাহিনী ছিল মুক্তিযুদ্ধে, যাদের অবদান অসামান্য। সিরাজ শিকদারের দল ১৯৭১ এ মুক্তিবাহিনীর মতাদর্শের সঙ্গে একমত না হলেও যুদ্ধ করেছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) গড়ে উঠেছিল ইন্ডিয়ান জেনারেল উবানের নেতৃত্বে। বিএলএফ পরে মুজিববাহিনী নামে পরিচিত হয়। এই বাহিনীর চার আঞ্চলিক নেতা ছিলেন মনোজ (শেখ ফজলুল হক মনি), সরোজ (সিরাজুল আলম খান), রাজু (আবদুর রাজ্জাক) ও তপন (তোফায়েল আহমেদ)। এই চারজন মানুষ তখন ইন্ডিয়ান সরকারের প্রটোকল পেতেন বলে মহিউদ্দীন আহমেদ তার বইতে (জাসদের উত্থান পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি) লিখেছেন। ট্রানজিট ও মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই করার জন্য এই চারজনের নেতৃত্বে চারটি ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়েছিল। ব্যারাকপুরের অধিনায়ক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ এবং তার প্রধান সহকারী ছিলেন নুরে আলম জিকু। জলপাইগুড়ির পাঙ্গা ট্রেনিং ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন সিরাজুল আলম খান এবং সহকারী ছিলেন মনিরুল ইসলাম। মেঘালয়ের তুরা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন সিরাজুল আলম খান এবং তার সহকারী ছিলেন সৈয়দ আহমেদ। আগরতলা ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি এবং তার সহকারী ছিলেন আ স ম আব্দুর রব। কাজী আরেফ ছিলেন বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর গোয়েন্দা প্রধান এবং শাজাহান সিরাজ ছিলেন বিএলএফের সঙ্গে প্রবাসী সরকারের যোগাযোগ রক্ষা করার দায়িত্বে। বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে বিভিন্নজন তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণে বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন। স্বাধীনতার পর মুজিব বাহিনীর চার ট্রেনিং ক্যাম্পের আট অধিনায়ক ও উপ-অধিনায়কই বঙ্গবন্ধুকে প্রথম বিভাজনের মুখোমুখি করেছিলেন বলে আমি মনে করি। কারণ, ছাত্রলীগ দুই দলে বিভক্ত হয়ে সমাবেশ ডাকে। বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের যে অংশের সমাবেশে যান,আব্দুর রাজ্জাক,তোফায়েল আহমেদ ও শেখ ফজলুল হক মনি ছিলেন সেই অংশে। বাকিরা বিভাজিত হন এবং জাসদ গঠন করেন। তবে একথা অনস্বীকার্য, বিভাজনের পর আওয়ামী লীগ এবং জাসদ অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিই দুর্বল হয়েছে। ক্ষমতা চলে গেছে মূলত সেনানির্ভর ‘রাজনীতিবিদদের’ হাতে, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানিকরণেই সচেষ্ট ছিলেন।
-----চার.------
সাধারণ মানুষ,রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের বাইরে মুক্তিযোদ্ধাদের ভেতর পেশাগতভাবে সেনা,নৌ,বিমান ও ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)-এর সদস্যরা ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ১২০ জন অফিসার এবং ১৭ হাজারের মতো সৈনিক। কিন্তু পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসার (১১০০-এর মতো) ও সৈনিকের সংখ্যা ছিল ২৭ থেকে ২৮ হাজারের ভেতর। সেনা,বিমান ও নৌবাহিনীতে পাকিস্তান প্রত্যাগত সৈন্যরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায়,মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও সৈনিকদের দুই বছরের সিনিয়রিটি পাকিস্তান প্রত্যাগতদের উষ্মার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য জড়িত ছিল তাদের কেউ কেউ ১৯৭১-এর অক্টোবর-নভেম্বরে পাকিস্তান থেকে ভারতে গিয়েছিলেন যুদ্ধে অংশ নিতে, যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ঘাতকরা যখন হামলে পড়েছিল বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে তখন তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যরা কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি কিংবা চায়নি।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর প্রধান,উপ-প্রধান,নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করার পরিবর্তে মোশতাক সরকারের বশ্যতা স্বীকার করেছিল। সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা এই হত্যাকাণ্ডের কথা জেনেও নীরব ছিলেন। তাদের ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধু নিহত হলে তারাই লাভবান হবেন এবং হয়েছিলেনও। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার দায় জেনারেল শফিউল্লাহও এড়াতে পারেন না। তিনি মাঝে মাঝে জিয়াউর রহমানের দোষ দেন। তবে জিয়া ও এরশাদের সময় তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন! জেনারেল শফিউল্লাহকে সেনাপ্রধান বানানোর পরামর্শ বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন জেনারেল ওসমানী। ওসমানী সাহেব বাকশাল করার সময় আওয়ামী লীগ থেকে সরে এসেছিলেন।আবার তিনিই মোশতাক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা হয়েছিলেন! এখানেই শেষ নয়। তিনি জিয়াউর রহমানের বিপক্ষে আওয়ামী লীগের হয়ে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন! শেষমেশ গঠন করেছিলেন জনতা দল!
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দিন তাঁর জন্য কোনও মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার এগিয়ে আসেননি। এসেছিলেন এবং নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসার কর্নেল জামিল। কর্নেল জামিলের দাফনের সময় একখণ্ড সাদা কাপড়ও জোটেনি তার। ধার করা বিছানার চাদরে মুড়িয়ে তাঁকে নামানো হয়েছিল কবরে।
-----পাঁচ.-----
মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল রক্ষীবাহিনী। রক্ষীবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও কর্মস্থল তৈরি,পোশাক, রেশন এসব নিয়ে সেনা,নৌ,বিমান ও বিডিআর সদস্যদের ভেতর স্পষ্টত বৈরিতা ছিল। রক্ষীবাহিনীর সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের ‘সৎছেলে’ হিসেবে ভাবা শুরু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময়ে রক্ষীবাহিনীর প্রধান দুই কর্মকর্তা দেশের বাইরে ছিলেন। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে মূল অফিস এবং সাভারে রক্ষীবাহিনীর প্রশিক্ষণস্থল থাকলেও এরা গোলাবিহীন ট্যাংক দেখে ভয় পেয়ে যায় এবং বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সমর্থ হয়নি। রক্ষীবাহিনীর উপ-প্রধানরা মোশতাকের বশ্যতা স্বীকার করে। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা শেষমেশ রক্ষীদের দেখে অবাক হয়। তারা ভেবেছিল এদের মনে হয় প্রচুর গোলাবারুদ ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র আছে। শেষমেশ রক্ষীদের সেনাবাহিনীতেই আত্তীকরণ করা হয় এবং রক্ষীবাহিনীর স্থাপনাগুলো (সাভার,ভাটিয়ারি ও শেরেবাংলা নগর) চলে যায় সেনাবাহিনীর হাতে!
যার কারণে রক্ষীবাহিনী সৃষ্টি বদনাম সৃষ্টি ছাড়া তাঁর জন্য কিছুই করতে পারেনি।
------ছয়.-----
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর মোশতাকের মতো আওয়ামী লীগের আরও কিছু নেতা পাওয়া গিয়েছিল। যে অধ্যাপক ইউসুফ আলী মুজিবনগর সরকারের হয়ে সবাইকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ শুনিয়ে শপথ করাতেন তিনি চলে যান মোশতাকের ছায়াতলে। তাহের উদ্দীন ঠাকুর, মাহবুবুল আলম চাষীরা আগে থেকেই ছিলেন মোশতাকের পদানত। সোহরাব হোসেনও গিয়েছিলেন মোশতাকের মন্ত্রী হতে,পারেননি। কিন্তু কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম, রিয়াজউদ্দীন আহমেদ ভোলা মিঞার মতো আরও অনেকে মোশতাক মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ঘাতকরা ১৫ আগস্ট তাজউদ্দীন সাহেবের কাছেও গিয়েছিল। তাজউদ্দীন সাহেব বেইমানি করেননি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। বেইমানি করেননি সৈয়দ নজরুল, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীরা। বেইমানি করেননি সামাদ আজাদ, তোফায়েল আহমেদ, জিল্লুর রহমান কিংবা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মতো নেতারা। পরিণামে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল জেলে, বাকিরাও বিভিন্ন মেয়াদে জেলে যেতে বাধ্য হন। আওয়ামী লীগ স্মরণকালের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পড়েছিল তখন। যে মালেক উকিল বলেছিলেন, দেশ ফেরাউনের হাত থেকে মুক্ত হয়েছে তাকেই বানাতে হয়েছিল আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান। আর মোশতাক সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ওসমানী সাহেবকে দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের মনোনয়ন।
নিয়তি এই যে শেষমেশ বঙ্গবন্ধুকে তাঁর স্বপ্নের দেশেই হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর আহ্বানে সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তাদের কয়েকজন কোনও না কোনোভাবে তাঁর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জেনারেল ওসমানী, ব্রিগেডিয়ার রউফ, জেনারেল জিয়াউর রহমান, ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ, কর্নেল শাফায়াত জামিল, ফারুক, রশীদ, আকবর, মেজর হুদা, মহিউদ্দীন, নুরসহ অনেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা জানতেন। সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা এটাও অনুধাবন করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা চলে গেলে বেনিফিসিয়ারি হবেন তারাই। মুনতাসীর মামুন তার ‘ষড়যন্ত্রের রাজনীতি-দুই রাষ্ট্রপতি হত্যা’ বইয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘আসলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের সায় ছিল এই হত্যাকাণ্ডে। এটি আজ পরিষ্কার। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার দায় সেনাবাহিনীরই!’
স্বাধীনতার ঊনপঞ্চাশ বছর পরেও বাংলাদেশ পায়নি কাঙ্ক্ষিত ‘ঐক্য’। আজও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। দেশ যদি পৌঁছে যায় বিভেদের শেষ সীমানায়,দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে দেশটা যদি ক্রমশ পাকিস্তান,আফগানিস্তান,নাইজেরিয়া বা সিরিয়ার দিকেই হাঁটা শুরু করে,আমরা বিশ্বাস করি তখনও বঙ্গবন্ধু- আপনি হয়ে উঠবেন আসল অনুপ্রেরণাদাতা। আমাদের কানে বাজবে সেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ কবিতা-আর আমি যদি আদেশ দিবার নাও পারি,তোমাদের যার যা কিছু আছে তা-ই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলো। মনে রাখবা, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না!
সহায়ক গ্রন্থ:
১. মহিউদ্দীন আহমদের সাক্ষাৎকার
২. বিএনপি-সময় অসময়, মহিউদ্দীন আহমদ
৩. ষড়যন্ত্রের রাজনীতি-দুই রাষ্ট্রপতি হত্যা, মুনতাসীর মামুন
৪. রক্ষীবাহিনীর সত্য মিথ্যা, আনোয়ার উল আলম
৫. তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা, লে. কর্নেল (অব.) এম এ হামিদ পিএসসি।
লেখক: রম্যলেখক
![]() |
| আহসান কবির |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট


No comments:
Post a Comment