Friday, January 18, 2013
একানত্ম সাৰাতকারে এইচএম এরশাদ
একানত্ম সাৰাতকারে এইচএম এরশাদ
ৰমতাগ্রহণের এক বছর পূর্ণ করেছে মহাজোট সরকার। সরকারের অন্যতম অংশীদার
জাতীয় পার্টি। মহাজোটে থেকে জাতীয় সংসদে ২৯ আসনের প্রতিনিধিত্ব এ দলটির।
যার নেতৃত্বে আছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
যিনি সাবেক সেনাপ্রধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন
করেছেন তিনি। প্রায় নয় বছর ছিলেন দেশের দুর্দ- প্রতাপশালী রাষ্ট্রকর্তা।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোট গঠন করে জাতীয়
পার্টি। বিজয় নিশ্চিত করতে মহাজোটের পৰ থেকে দেয়া হয় নানা প্রতিশ্রম্নতি।
তিনটি আসনে জয় লাভ করেন এরশাদ। ইতোমধ্যে সরকারের পেরিয়ে গেছে এক বছর।
মহাজোটের অন্যতম শরিক হিসেবে কিভাবে দেখেন সরকারের এক বছর? তা জানতেই
জনকণ্ঠ মুখোমুখি হয় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের। প্রায় এক
ঘণ্টার সাৰাতকারে উঠে এসেছে নানা বিষয়। কথা বলেছেন, সরকারের সফলতা,
ব্যর্থতা ও করণীয় প্রসঙ্গে। এসেছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, দ্রব্যমূল্য
নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজিসহ অনেক কিছু। বিরোধী দলের সমালোচনা,
আন্দোলনের হুমকি, সংসদ বর্জন, সরকারের ভারত সফরে অর্জন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার
ব্যবস্থার পাশাপাশি জন্মনিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ উন্নয়নে করণীয় নিয়েও কথা
বলেছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবন, শেষ ইচ্ছা, অপূর্ণতা, আগামী নির্বাচন নিয়েও
খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক এ রাষ্ট্রপ্রধান। কথা বলেছেন ১৪ দল ও মহাজোট
নিয়েও। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুনর্বাসনের অভিযোগের ব্যাখ্যাও
দিয়েছেন তিনি। মহাজোট সরকারের আরও কত সময় ৰমতায় থাকা উচিত এমন ধারণাও
দিয়েছেন। জাতীয় পার্টিকে কোথায় নিতে চান তিনি সে কথাও বলেছেন সাৰাতকারে।
দলকে সংগঠিত করার নানা উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন। বিভিন্ন সেক্টরে করণীয়
নিয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন এরশাদ। তাঁর সেই ব্যতিক্রমী সাৰাতকার গ্রহণ
করেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি উত্তম চক্রবর্তী ও স্টাফ রিপোর্টার
রাজন ভট্টাচার্য। ছবি তুলেছেন আমাদের আলোকচিত্রী শেখ মামুন।
নিম্নে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের সাৰাতকারের পুরো বিবরণ দেয়া হলো।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোট সরকারের এক বছরের মূল্যায়ন?
এরশাদ : তুলনামূলক বিবেচনায় বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের চেয়ে মহাজোট সরকারের গত এক বছরে সাফল্য অনেক। দুর্নীতি কমে এসেছে। শীর্ষ দুর্নীতিগ্রসত্ম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বদনাম এখন আর আগের মতো নেই। দুর্নীতিগ্রসত্ম দেশের পরিচিতি থেকে মুক্তি মিলছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। দু'দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হয়েছে। কোপেনহেগেন সম্মেলনে পরিবেশসংক্রানত্ম বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সারা পৃথিবীর মানুষ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর জোরালো বক্তব্যের পর এখন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি বাংলাদেশের দিকে। আমরা উপকৃত হয়েছি। ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনরোধে কাজ করার জন্য আমরা আর্থিক সাহায্য পেয়েছি। এখন থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে নিজেদের রৰা করতে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে। সরকার ৰমতায় আসার আগে যে প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো, সারে ভর্তুকি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন গত এক বছরে তার সবকিছুই অর্জন সম্ভব হয়েছে। কৃষি কাজে ভতর্ুকি দেয়ার কারণে কৃষি উৎপাদিত সব পণ্যের দাম কমেছে। এ সবকিছুই সরকারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ী কৃষিৰেত্রে সরকারের সুপরিকল্পনা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সব দিক বিবেচনা করলে মহাজোট সরকারের গত এক বছর ছিল সার্থকতার বছর। এক কথায় বলা যেতে পারে গত এক বছর বিগত সরকারের চেয়ে উন্নতমানের সরকার ছিল। ছিল সার্থকতার বছর। বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। ব্যর্থতার চেয়ে সফলতার পালস্না ভারি।
উত্তম চক্রবর্তী : সরকারের এক বছরে সফলতা-ব্যর্থতা?
এরশাদ : মহাজোট সরকারের এক বছরে দেশে একটি রাজনৈতিক গুণগত পরিবর্তন লৰ্য করা যাচ্ছে। দেশজুড়ে শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘাতের রাজনীতি নেই। এ অবস্থা চলমান থাকলে নির্বাচনী ইশতেহার বাসত্মবায়ন সম্ভব হবে। ব্যর্থতার দিক বিবেচনা করলে ২/১টি জায়গায় সরকারের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সন্ত্রাস দমনে উদ্যোগ নিয়েছেন। সন্ত্রাস কিছুটা কমে আসলেও টেন্ডার ও চাঁদাবাজি কমেনি। জিনিসপত্রের দাম আগে কমলেও আবারও বাড়তে শুরম্ন করেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণেও উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জিনিসপত্রের দাম কমাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যাতে সবকিছুই সহনীয় পর্যায়ে থাকে। চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের পৰ থেকে নেয়া হয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে নির্বাচনের প্রতিশ্রম্নতি রৰার চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার। আশা করি আগামীতেও এর ধারাবাহিকতা থাকবে। টেন্ডার-চাঁদাবাজির দিকে সরকারের দৃষ্টি দেয়া উচিত। এ দু'টি কাজ দমন করতে পারেনি সরকার। আমি মনে করি সরকারের দুর্বল পয়েন্ট এ দু'টিই। তাছাড়া ৰমতায় আসার পরপরই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে আসে। কিন্তু আবারও তা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। সরকার এ ব্যাপারে আবারও পদৰেপ নিয়েছে। আশা করি পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে আসবে। তাছাড়া মহাজোট সরকারের এক বছরে দেশে কোন হরতাল ছিল না; ছিল না সংঘাত। সংঘর্ষের রাজনীতি চোখে পড়েনি। শানত্মিতে রাজনীতি করা সম্ভব হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল।
রাজন ভট্টাচার্য : প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দ্বিপাৰিক চুক্তির প্রেৰিতে দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। এর প্রেৰিতে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : দেশ বিক্রি হলো কোথায়? সংসদে এসে এ কথা বলুক বিরোধী দল। কারণ দেশ তো গয়না নয়। যে চাইলেই বিক্রি করে দেয়া যায়। ভারতের সঙ্গে একটা যৌথ ইশতেহার স্বাৰর হয়েছে। এর মানে ভারত সরকার উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে রাজি এবং আলোচনা করলে আমরা হয়ত একটা সুফল পাব। আমি মনে করি, ভারতের সঙ্গে আলোচনা একটা বিরাট ধরনের ব্রেক থ্রো ঘটেছে। যা উন্নয়নের মাইলফলক রচনা করতে পারে। আনত্মর্জাতিক সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও তিসত্মার পানি বণ্টনের বিষয়টি এখনও সুরাহা হয়নি। এছাড়া উত্থাপিত আরও কয়েকটি বিষয় আলোচনা ছাড়া সমাধান হবে না। এখন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, এসব বিষয় নিয়ে বিসত্মারিত আলোচনা হতে পারে। আলোচনা হলে আমার মনে হয় ভারত আমাদের পজিটিভলি সাহায্য করবে। কারণ ভারতের সে রকম মানসিকতা আমি লৰ্য করেছি।
রাজন ভট্টাচার্য : এ ব্যাপারে বিএনপি-জামায়াতসহ ইসলামী দলগুলো আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। আপনি কি মনে করেন?
এরশাদ : আন্দোলন করতে হলে পয়েন্ট দরকার। আন্দোলন করার জন্য একটা ৰেত্র প্রয়োজন। আমার কথা হলো কি নিয়ে আন্দোলন করবে বিএনপি? চারদলীয় জোট সরকারের আমলে জিনিসপত্রের দাম ছিল আকাশছোঁয়া। বর্তমান সরকার ৰমতায় আসার পর জিনিসপত্রের দাম কমেছিল। এখন যদিও কিছুটা বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের পৰ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই আমাকে এ কথা বলেছেন। ইতোমধ্যে রেশনিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিএনপির সময় ঘটেছিল চরম অবনতি। এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যতটুকু ঘাটতি আছে তা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। বলতে গেলে বিএনপি সরকারের আমলে পাঁচ বছর একটা অরাজকতার মধ্যে ছিলাম। সেখান থেকে দেশকে তুলে আনা কঠিন কাজ। এর পরেও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তা করেছেন। কোন অনিশ্চয়তা নেই। কাল কি হবে? কি হতে পারে? এমন কোন পরিস্থিতি নেই। মানুষের মনে শানত্মি আছে। মোটামুটি প্রশাসন চলছে। সব দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। সংসদ চলছে। মানুষের মনে ফিরে এসেছে আস্থা। তাহলে আন্দোলন কেন? দেশ বিক্রির অভিযোগে আন্দোলন সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে এখনও কোন চুক্তি স্বাৰর হয়নি। যে আমাদের মূল্যবান কিছু চলে গেছে বা যেতে বসেছে। এর কিছুই হয়নি। এখনও সবকিছুই আমাদের হাতে। আমরা শুধু বসার জন্য চুক্তি করেছি। এর মধ্যে আছে তিসত্মার পানি, কোন্ কোন্ পণ্য ভারতে বিনাশুল্কে যেতে পারে, দ্বিপাৰিক সম্পর্কোন্নয়ন, সমুদ্রসীমা নির্ধারণসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে। ভারতের সহযোগিতা ছাড়া বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে না পারলে অনেক জটিলতাই থেকে যাবে। তাছাড়া বিএনপি পোর্ট ব্যবহারের বিরোধিতা করছে। আমার কথা হলো অন্য দেশ পোর্ট ব্যবহার করতে পারলে ভারতের ব্যবহারের ৰেত্রে অসুবিধা কোথায়? পোর্টের ব্যবহার যত বাড়বে তত দেশের আর্থিক আয় বাড়বে। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নজির আছে, অন্য দেশকে পোর্ট ব্যবহারের অনুমতি দেয়ায় সে দেশের পুরো অর্থনীতি পাল্টে যাবার।
রাজন ভট্টাচার্য : নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি কোন্ পর্যায়ে?
এরশাদ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার শেষ হয়েছে। এখন আমার মনে হয় সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরম্ন করবে। সরকারও বলছে যুদ্ধারাধীদের বিচারের কাজ শুরম্নর বিষয়ে। আমি আইনমন্ত্রীর কাছে বার বার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরম্ন করার কথা শুনেছি। তিনি বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। কথা হলো কিভাবে করবেন, কেমন করে করবেন, কারা যুদ্ধাপরাধী আমরা সে বিষয়টি জানি না। তবে সরকারের বিভিন্ন তরফ থেকে এ বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে; তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। আমি মনে করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আগেই হওয়া উচিত ছিল। তবে বর্তমান সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ আছে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে কিনা? সন্দেহের কারণ হলো, কারা যুদ্ধাপরাধী, তাদের বিরম্নদ্ধে যথেষ্ট সাৰী-প্রমাণ আছে কিনা? সেজন্য মানুষের মনে সন্দেহ থাকতে পারে। তবে সরকার যেহেতু এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর_ফলে আমার মনে হয়, বিচার হওয়ার সম্ভাবনাও যথেষ্ট। আমার ধারণা নেই বিচারের জন্য সাৰী কতটা আছে। ১৯৭১ সালে খবরের কাগজে যুদ্ধাপরাধের মতো অনেক ঘটনাই প্রকাশিত হয়েছে। বিচারের জন্য খবরের কাগজের কাটিং যথেষ্ট কিনা আমার ধারণা নেই। সেজন্য মনে সন্দেহ হয় বিচার করতে পারবে কিনা। তবে এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান খুব পজিটিভ মনে হয়। তারা বিচার করবেই। এতে মনে হয় সরকারের কাছে অপরাধীদের ব্যাপারে যথেষ্ট প্রমাণসহ তথ্য থাকতে পারে। যার মাধ্যমে প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের প্রমাণ করতে সরকার সৰম হবে।
উত্তম চক্রবর্তী : বিচার করতে গিয়ে বিরোধী দলের কেউ অভিযুক্ত হয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করতে পারে। এ প্রেৰাপটে আপনার মতামত?
এরশাদ : বিচারে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিরোধী দলের পৰ থেকে কেউ অভিযুক্ত হলে আন্দোলনের সৃষ্টি হতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কোন বিষয় নয়। তবে অভিযুক্ত হয়ে আন্দোলনে নামলে তা দৃঢ় হবে না। মানুষ গ্রহণ করবে না। কেননা সবাই যদি বলে তিনি যুদ্ধাপরাধী, আদালতে প্রমাণ হয় তা হলে আন্দোলনের কি আছে। আমি মনে করি এ বিষয়ে তাদের আন্দোলনের পয়েন্ট মানুষ গ্রহণ করবে না। বিচার হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি দলকে নিয়ে কিছু করতে পারবে না।
রাজন ভট্টাচার্য : ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির দূরত্ব আছে কি না?
এরশাদ : ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কোন টানাপোড়েন নেই; নেই বিরোধ। তবে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সরাসরি কোন যোগাযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির যোগাযোগ। ১৪ দলের সঙ্গে সরাসরি কোন যোগাযোগ নেই এ কথা সত্য। তবে তারা মহাজোটে আছে। অতএব ১৪ দলের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। ১৪ দলের সঙ্গে মতবিরোধের কোন উপায় নেই; হওয়া উচিতও নয়। যেহেতু আমাদের লৰ্য একটাই_ সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা করা; মহাজোটের দেয়া প্রতিশ্রম্নতি পালন করা। কারও সঙ্গে বিরোধ নয়। আমরা সে লৰ্যকে সামনে রেখে একযোগে কাজ করে যাচ্ছি। ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির দূরত্ব কমাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই যথেষ্ট। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ডেকে একসঙ্গে বসালে দূরত্ব আর থাকে না। যে কোন বিষয়ে আমরা একসঙ্গে আলোচনা করতে পারি। সবার মতামত তুলে ধরতে পারি। তখন আর কোন দূরত্ব থাকে না। সবাই এক হয়ে যাই। যেহেতু লৰ্য একটাই_ সমস্যা সমাধান করে দেশটাকে সুন্দরভাবে চালানো। তাই মহাজোট নেত্রী ইচ্ছা করলেই এর সমাধান দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীই একমাত্র একসঙ্গে বসার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। ইতোমধ্যে সে প্রক্রিয়া শুরম্ন হয়েছে। আশা করি তা অব্যাহত থাকবে।
রাজন ভট্টাচার্য : বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার বিষয়ে আপনার মনত্মব্য?
এরশাদ : বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় আমি সনুত্মষ্ট। জাতির জনক হত্যাকা-ের রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে গোটা জাতি আজ দায়মুক্ত হলো। স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার কাজ শেষ হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী কোন হসত্মৰেপ করেননি। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার শুরম্ন করতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে বিচার কাজ শুরম্ন হয়। বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। সকল হত্যাকা-ের বিচার হওয়া উচিত। তাই মানুষ বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছে। তাছাড়া বড় কথা হলো, বিচার সম্পন্ন করতে স্পেশাল কোন ট্রাইবু্যনাল গঠন করা হয়নি। এখানেই প্রমাণিত হয় বিচার প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল। তাছাড়া সরকারের পৰ থেকে বিচার বিভাগের ওপর কোন প্রকার চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। আদালতের এ রায় বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
উত্তম চক্রবর্তী : রাষ্ট্রপতি ছিলেন। মহাজোট সরকারে রাষ্ট্রপতি হওয়ার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেছিলেন আপনি। পাননি। এ বিবেচনায় আপনার জীবনের অপূর্ণতা?
এরশাদ : জীবনের অপূর্ণতা দলকে শক্তিশালী করতে না পারা। দলকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে অপূর্ণতা পূরণ করতে চাই। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা। তাই লৰ্য পূরণে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করি সফল হব। আমার মৃতু্যর পর জাতীয় পার্টির পৰ থেকে যেন জন্ম ও মৃতু্যদিবস পালন করা হয়। দলকে সে অবস্থানে রেখে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধু ও জিয়া নেই। প্রতিবছর তাঁদের মৃতু্য ও জন্মদিন দলের পৰ থেকে পালন করা হচ্ছে। আমি সে অবস্থানে দলকে রেখে যেতে চাই। যেন মৃতু্যর পর দলের নেতাকর্মীরা নানা আয়োজনে আমাকে স্মরণ করে। আমি যতদিন আছি দলকে শক্তিশালী করার প্রয়াস চালিয়ে যাব; যাতে করে মহাজোটের হাতকে শক্তিশালী করতে পারি।
উত্তম চক্রবর্তী : জরম্নরী অবস্থার নামে সেনাবাহিনী ৰমতা নিলে দেশ পিছিয়ে যায়? জরম্নরী অবস্থার নামে ৰমতা গ্রহণের ব্যাপারে আপনার অবস্থান?
এরশাদ : নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যে প্রেৰাপটে জরম্নরী অবস্থা জারি হয়েছিল সেটা আমার মনে হয় যৌক্তিক ছিল। নির্বাচনী ফলাফল চার দলের পৰে নিতে এক কোটি ৪০ লাখ ভুয়া ভোটার করা হয়। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ছিল না। সেদিক বিবেচনা করে বলব, জরম্নরী অবস্থা ও ১/১১-এর ভূমিকা আমাদের দেশকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে রৰা করেছিল। বিএনপি অভিযোগ করলেও ১/১১ আওয়ামী লীগের সৃষ্টি নয়। বিএনপি ১/১১-এর জন্য দায়ী। কারণ নির্বাচনের আগে ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি করে বিএনপি। আওয়ামী লীগ নয়, জাতীয় পার্টিও নয়। কেন করেছিল? নির্বাচনে জয়ী হতেই জাল ভোটার তৈরি করে তারা। উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের নতুন পদ সৃষ্টি করেছিল তারাই। আগে এসব পদ ছিল না। উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচন কর্মকর্তা যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল; তারা সবাই ছিল ছাত্রশিবির কর্মী। বিএনপির কারণেই ১/১১ ও জরম্নরী অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। তারা নির্বাচনের মাধ্যমে বিরোধী দলকে পরাজিত করতে ছেয়েছিল। সর্বৰেত্রেই ছিল দলীয়করণের প্রভাব। এমন পরিবেশ সৃষ্টি করার কারণেই ১/১১ আসতে বাধ্য হয়েছিল। তাছাড়া চারদলীয় জোট রাষ্ট্রপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করেছিল। এটা কোন সময় হতে পারে না। অর্থাৎ তারা সব দিকেই চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ৰমতায় আসার। এমন ব্যবস্থা করেছিল নির্বাচনে বিরোধী দলের জয়ী হওয়ার কোন উপায় থাকবে না। পাবলিক সার্ভিস কমিশনে বিএনপির অযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। বিএনপি হলেই তারা চাকরি পেয়েছিল। বাংলাদেশের প্রশাসনকে ২০/৩০ বছরের জন্য ধ্বংস করেছে বিএনপি।
রাজন ভট্টাচার্য : বিরোধী দলের অভিযোগ, বর্তমান সরকার সেনা সমর্থনে ৰমতায় এসেছে। বেনিফিসিয়ারি সরকার বলেও অভিযোগ করা হয়। এ অভিযোগের প্রেৰিতে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : বেনিফিসিয়ারি আমরা কেউ নই। বেনিফিসিয়ারি দেশের জনগণ। যে ছকের নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল সেভাবে নির্বাচন হলে আবারও ৰমতায় আসত চারদলীয় জোট। আবারও লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হতো। বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচার হতো। এ অবস্থা থেকে দেশ রৰা পেয়েছে। এজন্য আমি বলি জনগণ উপকৃত হয়েছে। অাঁতাত করে আমরা ৰমতায় আসিনি। তারা আবারও ৰমতায় এলে জনগণের দুর্ভোগের শেষ ছিল না। মহাজোট সরকার ৰমতায় আসায় জনগণ উপকৃত হয়েছে। আশা করি জনস্বার্থে কাজ করে যাবে সরকার।
উত্তম চক্রবর্তী : তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে আপনার মতামত?
এরশাদ : আমি সব সময়ই তত্তা্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছি। এক কথা বার বার বলে আসছি, পৃথিবীর কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রচলন নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মানেই রাজনীতিবিদদের কপালে বিরাট একটা কলঙ্কের তিলক। এ তিলক ও কলঙ্ক যত তাড়াতাড়ি মুছে ফেলা যায় ততই গণতন্ত্র সুষ্ঠু পথে চালিত হতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই। পাশর্্ববর্তী দেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রচলন নেই। আমরা গণতন্ত্রের কথা বলছি অথচ নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে পারছি না_ এভাবে তো গণতন্ত্র চলতে পারে না। রাজনীতিবিদ দিয়ে আমরা দেশ চালাতে পারি। তবে নির্বাচনের জন্য রাজনীতিবিদদের ওপর আস্থা না রাখতে পারলে তারা দেশ চালাবে কি করে? পৃথিবীতে আমরা প্রতিষ্ঠিত করছি, রাজনৈতিক নেতাদের হাতে নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়। নির্বাচনের ব্যাপারে নেতাদের বিশ্বাস করা যাবে না। অর্থাৎ নির্বাচন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু করতে দেশের রাজনীতিবিদরা যোগ্য নয়। রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে যদি নির্বাচন সুষ্ঠু করা না যায়, তাহলে সুষ্ঠুভাবে আমরা দেশ চালাব কি করে? অতএব তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চিরকালের জন্য শেষ হওয়া উচিত। যে কোন মূল্যে এ ব্যবস্থা মুছে দিতে হবে। আমাদের দেশেও এর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
রাজন ভট্টাচার্য : মহাজোটের ঐক্য অটুট রেখে আগামী নির্বাচন নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?
এরশাদ : দেশের স্বার্থে আমাদের আবার ৰমতায় আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সাল পর্যনত্ম কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন। চলছে ২০১০ সাল । আরও ১০ বছর ৰমতায় থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা সম্ভব। কারণ আমাদের সরকারের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। মন্ত্রীরা স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের বিরম্নদ্ধেও কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই; লুটপাট নেই। এটা সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। একটা লুটেরা রাজত্ব আমরা অতিক্রম করে চলে আসছি। এখন যেখানে লুটপাট নেই; মন্ত্রীদের বিরম্নদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই এবং দেশের মানুষ শানত্মিতে থাকলে অবশ্যই ২০২১ সাল পর্যনত্ম মহাজোট ৰমতায় থাকবে। তবে সরকারের কর্মকা-ে সচেতন থাকতে হবে। বিরোধী দল যেন সরকারের কর্মকা- নিয়ে কোন ইসু্য সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
উত্তম চক্রবর্তী : আগামীতে জাপার একক নির্বাচনের শক্তি অর্জনের নেপথ্য কারণ?
এরশাদ : আমি এককভাবে নির্বাচন করার কথা বলিনি। মহাজোটে থেকে নির্বাচন করার কথা বলেছি। মোট কথা হলো, মহাজোটে দুর্বল নয়; শক্তিশালী পার্টনার হয়ে থাকতে চাই। জাতীয় পার্টি দুর্বল হলে মহাজোট শক্তিশালী হবে না। মহাজোটকে সাহায্য করতে পারব না। তাই শক্তি অর্জন করতে চাই সর্বৰেত্রে। যাতে করে মহাজোট আরও শক্তিশালী হয়। আমরা শক্তিশালী হলে সফলতা অনেক আসবে। যেসব এলাকায় বিরোধী দলের আসন আছে সেখানে আমরা শক্তি অর্জন করতে পারলে বিরোধী দলের অনেক আসন তো নিয়েও আসতে পারি। জাতীয় পার্টি শক্তিশালী হলে মহাজোট শক্তিশালী হবে। উদ্দেশ্য এটাই। আমরা সত্যিকার অর্থে একটা শক্তিশালী দলে রূপ নিতে পারলে মহাজোটকে আরও শক্তিশালী করতে পারি। আওয়ামী লীগের এককভাবে নির্বাচন করার শক্তি আছে। তারা ৩০০ নয়, প্রয়োজনে তিন হাজার প্রার্থী দিতে পারবে। এর পরেও তারা জোট করেছে। জোটের রাজনীতি এখন সর্বৰেত্রে প্রচলিত আছে। এজন্যই আমরা জোট করে এগিয়ে যেতে চাই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন জোটভুক্ত রাজনীতির প্রচলন।
উত্তম চক্রবর্তী : তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ সম্পর্কে বলুন?
এরশাদ : জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয়ভাবে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যেক জেলা উপজেলা পর্যায়ে কাউন্সিল হচ্ছে। প্রথম বারের মতো নির্বাচিত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়বে; আসবে যোগ্য নেতৃত্ব। তাছাড়া আমরা যেখানে যাই সাধারণ মানুষের বক্তব্য_ জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা আছে। কিন্তু যোগ্য প্রার্থী নেই। এ কারণে নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল আসে না জাতীয় পার্টির পৰে। আবার অনেক এলাকা আছে যেখানে জাতীয় পার্টির যোগ্য প্রার্থী থাকলেও সমর্থক কিংবা ভোট চাওয়ার লোক নেই। দলকে সংগঠিত করতে এসব বিষয় আমরা গুরম্নত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তাছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যেতে প্রথম বারের মতো ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে নয়টি করে কমিটি গঠন করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমরা ঘরে ঘরে জাতীয় পার্টিকে পেঁৗছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। কারণ মহাজোটের পৰে যে দলেরই প্রার্থী হোক না কেন, জাতীয় পার্টির পৰে যেন কর্মী বাহিনী ব্যাপকভাবে কাজ করতে পারে। ইতোমধ্যে দেশের ৩৮টি জেলায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে ২২ জেলায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও যুব সংহতি, ছাত্র সমাজ, শ্রমিক পার্টিসহ জাতীয় পার্টির ছাত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনগুলো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
রাজন ভট্টাচার্য : ১/১১ পর জাতীয় রাজনীতিতে কাঙ্ৰিত পরিবর্তন কতটুকু?
এরশাদ : বড় দুঃখের কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের জন্য ১/১১ যে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিল তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। বলা চলে পুরো সুযোগটাই ব্যর্থ হয়েছে। রাজনীতিতে নতুন গুণগত পরিবর্তন আনা যেত। রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করা যেত। কিন্তু কিছুই হয়নি। পুরনো আদলেই চলছে রাজনীতি। অর্থাৎ বিরোধী দল সংসদে আসবে না। তারা বাইরে থাকবে। এটা সুষ্ঠু রাজনীতির পরিচায়ক নয়। বিরোধী দল সরকারের অংশ। তাদের কর্তব্য সংসদে গিয়ে জনগণের কথা বলা। সরকারের ভুলত্রম্নটি জনগণের সামনে তুলে ধরা। তাহলে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর চুলচেরা বিশেস্নষণ ও আলোচনা হয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিরোধী দল সংসদে আসছে না। বাইরে থেকে সরকারের সমালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর শেষে দেশে ফেরার পর বিএনপির পৰ থেকে বলা হয়েছে সফর পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ব্যাখ্যা নেই। সংসদে এসে এ কথা বললে জনগণ জানতে পারত কেন সফর ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে নানা কথা বলা হচ্ছে। মোট কথা হলো প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক সংস্কৃতির কোন পরিবর্তন হলো না। মানুষের মধ্যেও তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোটে মূল্যায়ন ও পাওয়া-না পাওয়ার বেদনা আছে কি না?
এরশাদ : আমার জীবনে পাওয়ার কিছুই বাকি নেই। আমার হারানো সম্মান ফিরে পেয়েছি। মানুষের ভালবাসা ফিরে পেয়েছি। জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি নয় বছর। এর চেয়ে বড় সম্মান তো আমাকে আর কেউ দিতে পারবে না। সে সম্মান আমি এখনও সমাজের কাছে পাই। সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেখানেই যাই মানুষ আমাকে সেভাবেই সম্মান করে। আমার বসার ব্যবস্থা সেভাবেই করা হয়। তাই এই বয়সে পাওয়ার আর কিছু নেই। চাওয়ারও কিছু নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন আমাকে দিয়ে দেশের বিশেষ কোন উপকার হতে পারে তাহলে দায়িত্ব দিতে পারেন। দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। ব্যক্তিগতভাবে আমার চাওয়ার কিছু নেই।
রাজন ভট্টাচার্য : ভিশন-২০২১ বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টির ভূমিকা ?
এরশাদ : দেশে এখন শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিবেশ যদি বজায় রাখা যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সাল পর্যনত্ম যে প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন তা বাসত্মবায়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি। আমরা মহাজোটের একটা বৃহৎ অংশ। যৌথভাবে নির্বাচনী নানা প্রতিশ্রম্নতি দেয়া হয়েছে মানুষকে। দেশের স্র্বােথ আমরা কাজ করছি। ১৪ দল তথা মহাজোট সরকারের উদ্দেশ্য একটাই জনকল্যাণে কাজ করা। দেশের স্বার্থ রৰা করা। উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা আজ দেশের মানুষের। সে লৰ্যকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারকে বিভিন্ন কর্মকা-ে সহযোগিতা করে আসছি। প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতা চাইলে আমি প্রস্তুত। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রম্নতি বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টি সবের্াতভাবে সহযোগিতা করবে। প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর শেষে দেশে ফেরার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে আমাকে ডাকা হয়। জাতীয় পার্টির পৰে আমি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হই। ভিশন-২০২১ বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টির পৰ থেকে সহযোগিতা করে যাব।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোটের শরিকদের সঙ্গে সরকারের ভুলত্রম্নটি ও কর্মকা- নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করেন কিনা?
এরশাদ : এটা তোমার একার কথা নয়; অনেকের কথা এটা। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করেন তখন আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেদিন থেকেই শরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রৰার সূচনা হয়েছে। তারপর জ্যোতি বসু যখন মারা গেলেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরা কলকাতা গেলাম। প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে তখন মহাজোট নেতাদের নিয়ে কলকাতা যান। অর্থাৎ জনগণের মনে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল তা অনুভব করতে পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেভাবেই তিনি অগ্রসর হচ্ছেন। এখন মহাজোটকে সাথে নিয়েই চলছেন প্রধানমন্ত্রী।
উত্তম চক্রবর্তী : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের কি ধরনের পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন?
এরশাদ : প্রতি মিনিটে দেশে সাতটি শিশু জন্ম নিচ্ছে। এর মধ্যে মারা যাচ্ছে দু'টি। থাকছে পাঁচটি। দিনে ৭/৮ হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে। দেশে জমির পরিমাণ কম। খাদ্য উৎপাদন বাড়লে কত বাড়ানো সম্ভব? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাত্রাতিরিক্ত জন্মহার বন্ধের নজির আছে। আমাদের দেশে সরকারী উদ্যোগে এ ব্যাপারে পদৰেপ নিলে সুফল আসবে। এজন্য সরকারের দৃষ্টি দেয়া জরম্নরী। চেষ্টা করলে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ এনজিওদের হাতে ছেড়ে দিলে হবে না। সরকারী উদ্যোগে বিভিন্ন কাজ হাতে নিতে হবে। সরকারপ্রধানের প্রতিদিন এ বিষয়ে পরিসংখ্যান নেয়া উচিত। জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে জোরদার করা প্রয়োজন। তাছাড়া উপজেলাকেন্দ্রিক তালিকা তৈরি করতে হবে। তালিকায় থাকবে প্রতিদিন কয়টি শিশু জন্ম নিচ্ছে, কত মারা যাচ্ছে, কতজন বিবাহযোগ্যসহ সার্বিক তথ্য। প্রতি সপ্তাহে বা মাসে এসব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে জানানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। এছাড়া বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণের কোন বিকল্প নেই। জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রথম পদৰেপ এটি হতে পারে।
নানা কারণে আমাদের দেশের পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের ৰেত্রে আমাদের অনেক অবদান আছে। কারণ আমরা বনায়ন ধ্বংস করে ফেলেছি। ২৫ ভাগের মধ্যে মাত্র আট ভাগ বন আছে আমাদের দেশে। করাতকলগুলোতে অসংখ্য কচি কচি গাছ পড়ে থাকার দৃশ্য চোখে পড়ে। তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। ধ্বংসের দিকে সুন্দরবন। অবাধে গাছ চুরি হচ্ছে সুন্দরবন থেকে। পাচার কচ্ছে কাঠ। এজন্য সুন্দরবনের প্রতি সরকারের কঠোর দৃষ্টি দেয়া উচিত। না হলে সত্যিকারভাবে পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা আমাদের দেশে প্রকট আকার ধারণ করবে। পরিবেশ বিপর্যয়ের আরেক কারণ ইটের ভাঁটি। প্রতিবছর দেশে ২০০ কোটি ইট তৈরি হচ্ছে। এক কোটি ইট করতে ৭০ বিঘা জমির উর্বর মাটি প্রয়োজন হয়। প্রতিটি ভাঁটির ২১০০ ফারেনহাইট উত্তাপ ছড়ায়। ধোঁয়ায় ফসল নষ্ট হচ্ছে। আইনে নিষিদ্ধ হলেও কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইট। উজাড় করা হচ্ছে বন। তাছাড়া একবার যেখানে ইটের ভাঁটি হয় সেখানে আর ফসল উৎপাদন হয় না। এসব কারণে আসত্মে আসত্মে মাটির উর্বরতা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর কোন দেশেই ইট দিয়ে বাড়ি নির্মাণের রেওয়াজ নেই। সিমেন্ট দিয়ে বস্নক করে অথবা পাথর দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হয় অনেক দেশে। সরকারী উদ্যোগে ইটের ভাঁটি বন্ধ করে দেয়া উচিত। সিমেন্ট দিয়ে বাড়ি করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
উপকূল রৰায় বনায়ন জরম্নরী। এতে ঝড়ের প্রকোপ গাছের ওপর দিয়ে যাবে। মাটির বাঁধ থাকে না। তবুও এর প্রয়োজন আছে। পাঁচ বছরের জন্য সরকারীভাবে আইন করে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত। অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোন গাছ কাটা যাবে না। তাছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে গাছ কাটতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। গাছ কাটা মানুষ হত্যার অপরাধের সমান; সরকারীভাবে এমন কঠোর আইন তৈরি করতে হবে। তাহলে গাছ কাটা বন্ধ হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবাধে গাছ কাটার রেওয়াজ নেই। তাছাড়া বিশেষ কোন প্রয়োজন ছাড়া কেউ গাছ কাটে না।
রাজন ভট্টাচার্য : কথা আছে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের যারা পুনর্বাসনসহ সহযোগিতা করেছিলেন তাদের মধ্যে আপনিও একজন। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : আমি যখন ৰমতা গ্রহণ করি তখন বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের অনেকেই চাকরিতে ছিল। ছিল ইনডেমনিটি এ্যাক্ট। সংসদে আমাদের ১৫১টি আসন ছিল। আমাদের একক মেজরিটি ছিল না। ঘাটতি ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ৰেত্রেও। আমরা ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের চেষ্টা করেও শেষ পর্যনত্ম সফল হতে পারিনি। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ ৰমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করার পৰে আমরা রায় দিয়েছিলাম। আওয়ামী লীগ যখন আমাদের সঙ্গে সংসদে ছিল তখন তাদের পৰে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরম্ন করার বিষয়ে কোন দাবি ছিল না। খুনীদের চাকরি দেয়ার বিষয়টি নিয়েও কোন আলোচনা হয়নি। এর প্রেৰিতে আমি বলব, আগের ধারাবাহিকতা রৰা করেছি। যেহেতু কোন দাবি আমার কাছে আসেনি এ কারণে সেদিকে কোন দৃষ্টি আমি দেইনি। মূলত কথা হচ্ছে দাবি না থাকার কারণে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুনর্বাসনের ধারাবাহিকতা আমি রৰা করেছি।
নিম্নে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের সাৰাতকারের পুরো বিবরণ দেয়া হলো।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোট সরকারের এক বছরের মূল্যায়ন?
এরশাদ : তুলনামূলক বিবেচনায় বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের চেয়ে মহাজোট সরকারের গত এক বছরে সাফল্য অনেক। দুর্নীতি কমে এসেছে। শীর্ষ দুর্নীতিগ্রসত্ম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বদনাম এখন আর আগের মতো নেই। দুর্নীতিগ্রসত্ম দেশের পরিচিতি থেকে মুক্তি মিলছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। দু'দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হয়েছে। কোপেনহেগেন সম্মেলনে পরিবেশসংক্রানত্ম বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সারা পৃথিবীর মানুষ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর জোরালো বক্তব্যের পর এখন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি বাংলাদেশের দিকে। আমরা উপকৃত হয়েছি। ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনরোধে কাজ করার জন্য আমরা আর্থিক সাহায্য পেয়েছি। এখন থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে নিজেদের রৰা করতে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে। সরকার ৰমতায় আসার আগে যে প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো, সারে ভর্তুকি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন গত এক বছরে তার সবকিছুই অর্জন সম্ভব হয়েছে। কৃষি কাজে ভতর্ুকি দেয়ার কারণে কৃষি উৎপাদিত সব পণ্যের দাম কমেছে। এ সবকিছুই সরকারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ী কৃষিৰেত্রে সরকারের সুপরিকল্পনা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সব দিক বিবেচনা করলে মহাজোট সরকারের গত এক বছর ছিল সার্থকতার বছর। এক কথায় বলা যেতে পারে গত এক বছর বিগত সরকারের চেয়ে উন্নতমানের সরকার ছিল। ছিল সার্থকতার বছর। বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। ব্যর্থতার চেয়ে সফলতার পালস্না ভারি।
উত্তম চক্রবর্তী : সরকারের এক বছরে সফলতা-ব্যর্থতা?
এরশাদ : মহাজোট সরকারের এক বছরে দেশে একটি রাজনৈতিক গুণগত পরিবর্তন লৰ্য করা যাচ্ছে। দেশজুড়ে শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘাতের রাজনীতি নেই। এ অবস্থা চলমান থাকলে নির্বাচনী ইশতেহার বাসত্মবায়ন সম্ভব হবে। ব্যর্থতার দিক বিবেচনা করলে ২/১টি জায়গায় সরকারের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সন্ত্রাস দমনে উদ্যোগ নিয়েছেন। সন্ত্রাস কিছুটা কমে আসলেও টেন্ডার ও চাঁদাবাজি কমেনি। জিনিসপত্রের দাম আগে কমলেও আবারও বাড়তে শুরম্ন করেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণেও উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জিনিসপত্রের দাম কমাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যাতে সবকিছুই সহনীয় পর্যায়ে থাকে। চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের পৰ থেকে নেয়া হয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে নির্বাচনের প্রতিশ্রম্নতি রৰার চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার। আশা করি আগামীতেও এর ধারাবাহিকতা থাকবে। টেন্ডার-চাঁদাবাজির দিকে সরকারের দৃষ্টি দেয়া উচিত। এ দু'টি কাজ দমন করতে পারেনি সরকার। আমি মনে করি সরকারের দুর্বল পয়েন্ট এ দু'টিই। তাছাড়া ৰমতায় আসার পরপরই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে আসে। কিন্তু আবারও তা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। সরকার এ ব্যাপারে আবারও পদৰেপ নিয়েছে। আশা করি পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে আসবে। তাছাড়া মহাজোট সরকারের এক বছরে দেশে কোন হরতাল ছিল না; ছিল না সংঘাত। সংঘর্ষের রাজনীতি চোখে পড়েনি। শানত্মিতে রাজনীতি করা সম্ভব হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল।
রাজন ভট্টাচার্য : প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দ্বিপাৰিক চুক্তির প্রেৰিতে দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। এর প্রেৰিতে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : দেশ বিক্রি হলো কোথায়? সংসদে এসে এ কথা বলুক বিরোধী দল। কারণ দেশ তো গয়না নয়। যে চাইলেই বিক্রি করে দেয়া যায়। ভারতের সঙ্গে একটা যৌথ ইশতেহার স্বাৰর হয়েছে। এর মানে ভারত সরকার উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে রাজি এবং আলোচনা করলে আমরা হয়ত একটা সুফল পাব। আমি মনে করি, ভারতের সঙ্গে আলোচনা একটা বিরাট ধরনের ব্রেক থ্রো ঘটেছে। যা উন্নয়নের মাইলফলক রচনা করতে পারে। আনত্মর্জাতিক সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও তিসত্মার পানি বণ্টনের বিষয়টি এখনও সুরাহা হয়নি। এছাড়া উত্থাপিত আরও কয়েকটি বিষয় আলোচনা ছাড়া সমাধান হবে না। এখন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, এসব বিষয় নিয়ে বিসত্মারিত আলোচনা হতে পারে। আলোচনা হলে আমার মনে হয় ভারত আমাদের পজিটিভলি সাহায্য করবে। কারণ ভারতের সে রকম মানসিকতা আমি লৰ্য করেছি।
রাজন ভট্টাচার্য : এ ব্যাপারে বিএনপি-জামায়াতসহ ইসলামী দলগুলো আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। আপনি কি মনে করেন?
এরশাদ : আন্দোলন করতে হলে পয়েন্ট দরকার। আন্দোলন করার জন্য একটা ৰেত্র প্রয়োজন। আমার কথা হলো কি নিয়ে আন্দোলন করবে বিএনপি? চারদলীয় জোট সরকারের আমলে জিনিসপত্রের দাম ছিল আকাশছোঁয়া। বর্তমান সরকার ৰমতায় আসার পর জিনিসপত্রের দাম কমেছিল। এখন যদিও কিছুটা বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের পৰ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই আমাকে এ কথা বলেছেন। ইতোমধ্যে রেশনিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিএনপির সময় ঘটেছিল চরম অবনতি। এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যতটুকু ঘাটতি আছে তা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। বলতে গেলে বিএনপি সরকারের আমলে পাঁচ বছর একটা অরাজকতার মধ্যে ছিলাম। সেখান থেকে দেশকে তুলে আনা কঠিন কাজ। এর পরেও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তা করেছেন। কোন অনিশ্চয়তা নেই। কাল কি হবে? কি হতে পারে? এমন কোন পরিস্থিতি নেই। মানুষের মনে শানত্মি আছে। মোটামুটি প্রশাসন চলছে। সব দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। সংসদ চলছে। মানুষের মনে ফিরে এসেছে আস্থা। তাহলে আন্দোলন কেন? দেশ বিক্রির অভিযোগে আন্দোলন সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে এখনও কোন চুক্তি স্বাৰর হয়নি। যে আমাদের মূল্যবান কিছু চলে গেছে বা যেতে বসেছে। এর কিছুই হয়নি। এখনও সবকিছুই আমাদের হাতে। আমরা শুধু বসার জন্য চুক্তি করেছি। এর মধ্যে আছে তিসত্মার পানি, কোন্ কোন্ পণ্য ভারতে বিনাশুল্কে যেতে পারে, দ্বিপাৰিক সম্পর্কোন্নয়ন, সমুদ্রসীমা নির্ধারণসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে। ভারতের সহযোগিতা ছাড়া বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে না পারলে অনেক জটিলতাই থেকে যাবে। তাছাড়া বিএনপি পোর্ট ব্যবহারের বিরোধিতা করছে। আমার কথা হলো অন্য দেশ পোর্ট ব্যবহার করতে পারলে ভারতের ব্যবহারের ৰেত্রে অসুবিধা কোথায়? পোর্টের ব্যবহার যত বাড়বে তত দেশের আর্থিক আয় বাড়বে। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নজির আছে, অন্য দেশকে পোর্ট ব্যবহারের অনুমতি দেয়ায় সে দেশের পুরো অর্থনীতি পাল্টে যাবার।
রাজন ভট্টাচার্য : নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি কোন্ পর্যায়ে?
এরশাদ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার শেষ হয়েছে। এখন আমার মনে হয় সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ শুরম্ন করবে। সরকারও বলছে যুদ্ধারাধীদের বিচারের কাজ শুরম্নর বিষয়ে। আমি আইনমন্ত্রীর কাছে বার বার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরম্ন করার কথা শুনেছি। তিনি বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। কথা হলো কিভাবে করবেন, কেমন করে করবেন, কারা যুদ্ধাপরাধী আমরা সে বিষয়টি জানি না। তবে সরকারের বিভিন্ন তরফ থেকে এ বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে; তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। আমি মনে করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আগেই হওয়া উচিত ছিল। তবে বর্তমান সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ আছে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে কিনা? সন্দেহের কারণ হলো, কারা যুদ্ধাপরাধী, তাদের বিরম্নদ্ধে যথেষ্ট সাৰী-প্রমাণ আছে কিনা? সেজন্য মানুষের মনে সন্দেহ থাকতে পারে। তবে সরকার যেহেতু এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর_ফলে আমার মনে হয়, বিচার হওয়ার সম্ভাবনাও যথেষ্ট। আমার ধারণা নেই বিচারের জন্য সাৰী কতটা আছে। ১৯৭১ সালে খবরের কাগজে যুদ্ধাপরাধের মতো অনেক ঘটনাই প্রকাশিত হয়েছে। বিচারের জন্য খবরের কাগজের কাটিং যথেষ্ট কিনা আমার ধারণা নেই। সেজন্য মনে সন্দেহ হয় বিচার করতে পারবে কিনা। তবে এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান খুব পজিটিভ মনে হয়। তারা বিচার করবেই। এতে মনে হয় সরকারের কাছে অপরাধীদের ব্যাপারে যথেষ্ট প্রমাণসহ তথ্য থাকতে পারে। যার মাধ্যমে প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের প্রমাণ করতে সরকার সৰম হবে।
উত্তম চক্রবর্তী : বিচার করতে গিয়ে বিরোধী দলের কেউ অভিযুক্ত হয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করতে পারে। এ প্রেৰাপটে আপনার মতামত?
এরশাদ : বিচারে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিরোধী দলের পৰ থেকে কেউ অভিযুক্ত হলে আন্দোলনের সৃষ্টি হতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কোন বিষয় নয়। তবে অভিযুক্ত হয়ে আন্দোলনে নামলে তা দৃঢ় হবে না। মানুষ গ্রহণ করবে না। কেননা সবাই যদি বলে তিনি যুদ্ধাপরাধী, আদালতে প্রমাণ হয় তা হলে আন্দোলনের কি আছে। আমি মনে করি এ বিষয়ে তাদের আন্দোলনের পয়েন্ট মানুষ গ্রহণ করবে না। বিচার হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি দলকে নিয়ে কিছু করতে পারবে না।
রাজন ভট্টাচার্য : ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির দূরত্ব আছে কি না?
এরশাদ : ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কোন টানাপোড়েন নেই; নেই বিরোধ। তবে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সরাসরি কোন যোগাযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাতীয় পার্টির যোগাযোগ। ১৪ দলের সঙ্গে সরাসরি কোন যোগাযোগ নেই এ কথা সত্য। তবে তারা মহাজোটে আছে। অতএব ১৪ দলের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। ১৪ দলের সঙ্গে মতবিরোধের কোন উপায় নেই; হওয়া উচিতও নয়। যেহেতু আমাদের লৰ্য একটাই_ সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা করা; মহাজোটের দেয়া প্রতিশ্রম্নতি পালন করা। কারও সঙ্গে বিরোধ নয়। আমরা সে লৰ্যকে সামনে রেখে একযোগে কাজ করে যাচ্ছি। ১৪ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির দূরত্ব কমাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই যথেষ্ট। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ডেকে একসঙ্গে বসালে দূরত্ব আর থাকে না। যে কোন বিষয়ে আমরা একসঙ্গে আলোচনা করতে পারি। সবার মতামত তুলে ধরতে পারি। তখন আর কোন দূরত্ব থাকে না। সবাই এক হয়ে যাই। যেহেতু লৰ্য একটাই_ সমস্যা সমাধান করে দেশটাকে সুন্দরভাবে চালানো। তাই মহাজোট নেত্রী ইচ্ছা করলেই এর সমাধান দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীই একমাত্র একসঙ্গে বসার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। ইতোমধ্যে সে প্রক্রিয়া শুরম্ন হয়েছে। আশা করি তা অব্যাহত থাকবে।
রাজন ভট্টাচার্য : বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার বিষয়ে আপনার মনত্মব্য?
এরশাদ : বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় আমি সনুত্মষ্ট। জাতির জনক হত্যাকা-ের রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে গোটা জাতি আজ দায়মুক্ত হলো। স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার কাজ শেষ হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী কোন হসত্মৰেপ করেননি। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার শুরম্ন করতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে বিচার কাজ শুরম্ন হয়। বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। সকল হত্যাকা-ের বিচার হওয়া উচিত। তাই মানুষ বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছে। তাছাড়া বড় কথা হলো, বিচার সম্পন্ন করতে স্পেশাল কোন ট্রাইবু্যনাল গঠন করা হয়নি। এখানেই প্রমাণিত হয় বিচার প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল। তাছাড়া সরকারের পৰ থেকে বিচার বিভাগের ওপর কোন প্রকার চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। আদালতের এ রায় বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
উত্তম চক্রবর্তী : রাষ্ট্রপতি ছিলেন। মহাজোট সরকারে রাষ্ট্রপতি হওয়ার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেছিলেন আপনি। পাননি। এ বিবেচনায় আপনার জীবনের অপূর্ণতা?
এরশাদ : জীবনের অপূর্ণতা দলকে শক্তিশালী করতে না পারা। দলকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে অপূর্ণতা পূরণ করতে চাই। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা। তাই লৰ্য পূরণে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করি সফল হব। আমার মৃতু্যর পর জাতীয় পার্টির পৰ থেকে যেন জন্ম ও মৃতু্যদিবস পালন করা হয়। দলকে সে অবস্থানে রেখে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধু ও জিয়া নেই। প্রতিবছর তাঁদের মৃতু্য ও জন্মদিন দলের পৰ থেকে পালন করা হচ্ছে। আমি সে অবস্থানে দলকে রেখে যেতে চাই। যেন মৃতু্যর পর দলের নেতাকর্মীরা নানা আয়োজনে আমাকে স্মরণ করে। আমি যতদিন আছি দলকে শক্তিশালী করার প্রয়াস চালিয়ে যাব; যাতে করে মহাজোটের হাতকে শক্তিশালী করতে পারি।
উত্তম চক্রবর্তী : জরম্নরী অবস্থার নামে সেনাবাহিনী ৰমতা নিলে দেশ পিছিয়ে যায়? জরম্নরী অবস্থার নামে ৰমতা গ্রহণের ব্যাপারে আপনার অবস্থান?
এরশাদ : নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যে প্রেৰাপটে জরম্নরী অবস্থা জারি হয়েছিল সেটা আমার মনে হয় যৌক্তিক ছিল। নির্বাচনী ফলাফল চার দলের পৰে নিতে এক কোটি ৪০ লাখ ভুয়া ভোটার করা হয়। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব ছিল না। সেদিক বিবেচনা করে বলব, জরম্নরী অবস্থা ও ১/১১-এর ভূমিকা আমাদের দেশকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে রৰা করেছিল। বিএনপি অভিযোগ করলেও ১/১১ আওয়ামী লীগের সৃষ্টি নয়। বিএনপি ১/১১-এর জন্য দায়ী। কারণ নির্বাচনের আগে ভুয়া ভোটার তালিকা তৈরি করে বিএনপি। আওয়ামী লীগ নয়, জাতীয় পার্টিও নয়। কেন করেছিল? নির্বাচনে জয়ী হতেই জাল ভোটার তৈরি করে তারা। উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের নতুন পদ সৃষ্টি করেছিল তারাই। আগে এসব পদ ছিল না। উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচন কর্মকর্তা যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল; তারা সবাই ছিল ছাত্রশিবির কর্মী। বিএনপির কারণেই ১/১১ ও জরম্নরী অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। তারা নির্বাচনের মাধ্যমে বিরোধী দলকে পরাজিত করতে ছেয়েছিল। সর্বৰেত্রেই ছিল দলীয়করণের প্রভাব। এমন পরিবেশ সৃষ্টি করার কারণেই ১/১১ আসতে বাধ্য হয়েছিল। তাছাড়া চারদলীয় জোট রাষ্ট্রপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করেছিল। এটা কোন সময় হতে পারে না। অর্থাৎ তারা সব দিকেই চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ৰমতায় আসার। এমন ব্যবস্থা করেছিল নির্বাচনে বিরোধী দলের জয়ী হওয়ার কোন উপায় থাকবে না। পাবলিক সার্ভিস কমিশনে বিএনপির অযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। বিএনপি হলেই তারা চাকরি পেয়েছিল। বাংলাদেশের প্রশাসনকে ২০/৩০ বছরের জন্য ধ্বংস করেছে বিএনপি।
রাজন ভট্টাচার্য : বিরোধী দলের অভিযোগ, বর্তমান সরকার সেনা সমর্থনে ৰমতায় এসেছে। বেনিফিসিয়ারি সরকার বলেও অভিযোগ করা হয়। এ অভিযোগের প্রেৰিতে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : বেনিফিসিয়ারি আমরা কেউ নই। বেনিফিসিয়ারি দেশের জনগণ। যে ছকের নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল সেভাবে নির্বাচন হলে আবারও ৰমতায় আসত চারদলীয় জোট। আবারও লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হতো। বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচার হতো। এ অবস্থা থেকে দেশ রৰা পেয়েছে। এজন্য আমি বলি জনগণ উপকৃত হয়েছে। অাঁতাত করে আমরা ৰমতায় আসিনি। তারা আবারও ৰমতায় এলে জনগণের দুর্ভোগের শেষ ছিল না। মহাজোট সরকার ৰমতায় আসায় জনগণ উপকৃত হয়েছে। আশা করি জনস্বার্থে কাজ করে যাবে সরকার।
উত্তম চক্রবর্তী : তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে আপনার মতামত?
এরশাদ : আমি সব সময়ই তত্তা্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছি। এক কথা বার বার বলে আসছি, পৃথিবীর কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রচলন নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মানেই রাজনীতিবিদদের কপালে বিরাট একটা কলঙ্কের তিলক। এ তিলক ও কলঙ্ক যত তাড়াতাড়ি মুছে ফেলা যায় ততই গণতন্ত্র সুষ্ঠু পথে চালিত হতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই। পাশর্্ববর্তী দেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রচলন নেই। আমরা গণতন্ত্রের কথা বলছি অথচ নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে পারছি না_ এভাবে তো গণতন্ত্র চলতে পারে না। রাজনীতিবিদ দিয়ে আমরা দেশ চালাতে পারি। তবে নির্বাচনের জন্য রাজনীতিবিদদের ওপর আস্থা না রাখতে পারলে তারা দেশ চালাবে কি করে? পৃথিবীতে আমরা প্রতিষ্ঠিত করছি, রাজনৈতিক নেতাদের হাতে নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়। নির্বাচনের ব্যাপারে নেতাদের বিশ্বাস করা যাবে না। অর্থাৎ নির্বাচন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু করতে দেশের রাজনীতিবিদরা যোগ্য নয়। রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে যদি নির্বাচন সুষ্ঠু করা না যায়, তাহলে সুষ্ঠুভাবে আমরা দেশ চালাব কি করে? অতএব তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চিরকালের জন্য শেষ হওয়া উচিত। যে কোন মূল্যে এ ব্যবস্থা মুছে দিতে হবে। আমাদের দেশেও এর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
রাজন ভট্টাচার্য : মহাজোটের ঐক্য অটুট রেখে আগামী নির্বাচন নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?
এরশাদ : দেশের স্বার্থে আমাদের আবার ৰমতায় আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সাল পর্যনত্ম কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন। চলছে ২০১০ সাল । আরও ১০ বছর ৰমতায় থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা সম্ভব। কারণ আমাদের সরকারের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। মন্ত্রীরা স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের বিরম্নদ্ধেও কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই; লুটপাট নেই। এটা সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। একটা লুটেরা রাজত্ব আমরা অতিক্রম করে চলে আসছি। এখন যেখানে লুটপাট নেই; মন্ত্রীদের বিরম্নদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই এবং দেশের মানুষ শানত্মিতে থাকলে অবশ্যই ২০২১ সাল পর্যনত্ম মহাজোট ৰমতায় থাকবে। তবে সরকারের কর্মকা-ে সচেতন থাকতে হবে। বিরোধী দল যেন সরকারের কর্মকা- নিয়ে কোন ইসু্য সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
উত্তম চক্রবর্তী : আগামীতে জাপার একক নির্বাচনের শক্তি অর্জনের নেপথ্য কারণ?
এরশাদ : আমি এককভাবে নির্বাচন করার কথা বলিনি। মহাজোটে থেকে নির্বাচন করার কথা বলেছি। মোট কথা হলো, মহাজোটে দুর্বল নয়; শক্তিশালী পার্টনার হয়ে থাকতে চাই। জাতীয় পার্টি দুর্বল হলে মহাজোট শক্তিশালী হবে না। মহাজোটকে সাহায্য করতে পারব না। তাই শক্তি অর্জন করতে চাই সর্বৰেত্রে। যাতে করে মহাজোট আরও শক্তিশালী হয়। আমরা শক্তিশালী হলে সফলতা অনেক আসবে। যেসব এলাকায় বিরোধী দলের আসন আছে সেখানে আমরা শক্তি অর্জন করতে পারলে বিরোধী দলের অনেক আসন তো নিয়েও আসতে পারি। জাতীয় পার্টি শক্তিশালী হলে মহাজোট শক্তিশালী হবে। উদ্দেশ্য এটাই। আমরা সত্যিকার অর্থে একটা শক্তিশালী দলে রূপ নিতে পারলে মহাজোটকে আরও শক্তিশালী করতে পারি। আওয়ামী লীগের এককভাবে নির্বাচন করার শক্তি আছে। তারা ৩০০ নয়, প্রয়োজনে তিন হাজার প্রার্থী দিতে পারবে। এর পরেও তারা জোট করেছে। জোটের রাজনীতি এখন সর্বৰেত্রে প্রচলিত আছে। এজন্যই আমরা জোট করে এগিয়ে যেতে চাই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন জোটভুক্ত রাজনীতির প্রচলন।
উত্তম চক্রবর্তী : তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ সম্পর্কে বলুন?
এরশাদ : জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয়ভাবে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যেক জেলা উপজেলা পর্যায়ে কাউন্সিল হচ্ছে। প্রথম বারের মতো নির্বাচিত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়বে; আসবে যোগ্য নেতৃত্ব। তাছাড়া আমরা যেখানে যাই সাধারণ মানুষের বক্তব্য_ জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা আছে। কিন্তু যোগ্য প্রার্থী নেই। এ কারণে নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল আসে না জাতীয় পার্টির পৰে। আবার অনেক এলাকা আছে যেখানে জাতীয় পার্টির যোগ্য প্রার্থী থাকলেও সমর্থক কিংবা ভোট চাওয়ার লোক নেই। দলকে সংগঠিত করতে এসব বিষয় আমরা গুরম্নত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তাছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যেতে প্রথম বারের মতো ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে নয়টি করে কমিটি গঠন করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমরা ঘরে ঘরে জাতীয় পার্টিকে পেঁৗছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। কারণ মহাজোটের পৰে যে দলেরই প্রার্থী হোক না কেন, জাতীয় পার্টির পৰে যেন কর্মী বাহিনী ব্যাপকভাবে কাজ করতে পারে। ইতোমধ্যে দেশের ৩৮টি জেলায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে ২২ জেলায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও যুব সংহতি, ছাত্র সমাজ, শ্রমিক পার্টিসহ জাতীয় পার্টির ছাত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনগুলো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
রাজন ভট্টাচার্য : ১/১১ পর জাতীয় রাজনীতিতে কাঙ্ৰিত পরিবর্তন কতটুকু?
এরশাদ : বড় দুঃখের কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের জন্য ১/১১ যে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিল তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। বলা চলে পুরো সুযোগটাই ব্যর্থ হয়েছে। রাজনীতিতে নতুন গুণগত পরিবর্তন আনা যেত। রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করা যেত। কিন্তু কিছুই হয়নি। পুরনো আদলেই চলছে রাজনীতি। অর্থাৎ বিরোধী দল সংসদে আসবে না। তারা বাইরে থাকবে। এটা সুষ্ঠু রাজনীতির পরিচায়ক নয়। বিরোধী দল সরকারের অংশ। তাদের কর্তব্য সংসদে গিয়ে জনগণের কথা বলা। সরকারের ভুলত্রম্নটি জনগণের সামনে তুলে ধরা। তাহলে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর চুলচেরা বিশেস্নষণ ও আলোচনা হয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিরোধী দল সংসদে আসছে না। বাইরে থেকে সরকারের সমালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর শেষে দেশে ফেরার পর বিএনপির পৰ থেকে বলা হয়েছে সফর পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ব্যাখ্যা নেই। সংসদে এসে এ কথা বললে জনগণ জানতে পারত কেন সফর ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে নানা কথা বলা হচ্ছে। মোট কথা হলো প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক সংস্কৃতির কোন পরিবর্তন হলো না। মানুষের মধ্যেও তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোটে মূল্যায়ন ও পাওয়া-না পাওয়ার বেদনা আছে কি না?
এরশাদ : আমার জীবনে পাওয়ার কিছুই বাকি নেই। আমার হারানো সম্মান ফিরে পেয়েছি। মানুষের ভালবাসা ফিরে পেয়েছি। জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি নয় বছর। এর চেয়ে বড় সম্মান তো আমাকে আর কেউ দিতে পারবে না। সে সম্মান আমি এখনও সমাজের কাছে পাই। সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেখানেই যাই মানুষ আমাকে সেভাবেই সম্মান করে। আমার বসার ব্যবস্থা সেভাবেই করা হয়। তাই এই বয়সে পাওয়ার আর কিছু নেই। চাওয়ারও কিছু নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন আমাকে দিয়ে দেশের বিশেষ কোন উপকার হতে পারে তাহলে দায়িত্ব দিতে পারেন। দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। ব্যক্তিগতভাবে আমার চাওয়ার কিছু নেই।
রাজন ভট্টাচার্য : ভিশন-২০২১ বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টির ভূমিকা ?
এরশাদ : দেশে এখন শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিবেশ যদি বজায় রাখা যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সাল পর্যনত্ম যে প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন তা বাসত্মবায়ন সম্ভব বলে আমি মনে করি। আমরা মহাজোটের একটা বৃহৎ অংশ। যৌথভাবে নির্বাচনী নানা প্রতিশ্রম্নতি দেয়া হয়েছে মানুষকে। দেশের স্র্বােথ আমরা কাজ করছি। ১৪ দল তথা মহাজোট সরকারের উদ্দেশ্য একটাই জনকল্যাণে কাজ করা। দেশের স্বার্থ রৰা করা। উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা আজ দেশের মানুষের। সে লৰ্যকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সরকারকে বিভিন্ন কর্মকা-ে সহযোগিতা করে আসছি। প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতা চাইলে আমি প্রস্তুত। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রম্নতি বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টি সবের্াতভাবে সহযোগিতা করবে। প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর শেষে দেশে ফেরার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে আমাকে ডাকা হয়। জাতীয় পার্টির পৰে আমি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হই। ভিশন-২০২১ বাসত্মবায়নে জাতীয় পার্টির পৰ থেকে সহযোগিতা করে যাব।
উত্তম চক্রবর্তী : মহাজোটের শরিকদের সঙ্গে সরকারের ভুলত্রম্নটি ও কর্মকা- নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করেন কিনা?
এরশাদ : এটা তোমার একার কথা নয়; অনেকের কথা এটা। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করেন তখন আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেদিন থেকেই শরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রৰার সূচনা হয়েছে। তারপর জ্যোতি বসু যখন মারা গেলেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরা কলকাতা গেলাম। প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে তখন মহাজোট নেতাদের নিয়ে কলকাতা যান। অর্থাৎ জনগণের মনে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল তা অনুভব করতে পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেভাবেই তিনি অগ্রসর হচ্ছেন। এখন মহাজোটকে সাথে নিয়েই চলছেন প্রধানমন্ত্রী।
উত্তম চক্রবর্তী : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের কি ধরনের পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন?
এরশাদ : প্রতি মিনিটে দেশে সাতটি শিশু জন্ম নিচ্ছে। এর মধ্যে মারা যাচ্ছে দু'টি। থাকছে পাঁচটি। দিনে ৭/৮ হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে। দেশে জমির পরিমাণ কম। খাদ্য উৎপাদন বাড়লে কত বাড়ানো সম্ভব? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাত্রাতিরিক্ত জন্মহার বন্ধের নজির আছে। আমাদের দেশে সরকারী উদ্যোগে এ ব্যাপারে পদৰেপ নিলে সুফল আসবে। এজন্য সরকারের দৃষ্টি দেয়া জরম্নরী। চেষ্টা করলে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ এনজিওদের হাতে ছেড়ে দিলে হবে না। সরকারী উদ্যোগে বিভিন্ন কাজ হাতে নিতে হবে। সরকারপ্রধানের প্রতিদিন এ বিষয়ে পরিসংখ্যান নেয়া উচিত। জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে জোরদার করা প্রয়োজন। তাছাড়া উপজেলাকেন্দ্রিক তালিকা তৈরি করতে হবে। তালিকায় থাকবে প্রতিদিন কয়টি শিশু জন্ম নিচ্ছে, কত মারা যাচ্ছে, কতজন বিবাহযোগ্যসহ সার্বিক তথ্য। প্রতি সপ্তাহে বা মাসে এসব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে জানানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। এছাড়া বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণের কোন বিকল্প নেই। জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রথম পদৰেপ এটি হতে পারে।
নানা কারণে আমাদের দেশের পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের ৰেত্রে আমাদের অনেক অবদান আছে। কারণ আমরা বনায়ন ধ্বংস করে ফেলেছি। ২৫ ভাগের মধ্যে মাত্র আট ভাগ বন আছে আমাদের দেশে। করাতকলগুলোতে অসংখ্য কচি কচি গাছ পড়ে থাকার দৃশ্য চোখে পড়ে। তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। ধ্বংসের দিকে সুন্দরবন। অবাধে গাছ চুরি হচ্ছে সুন্দরবন থেকে। পাচার কচ্ছে কাঠ। এজন্য সুন্দরবনের প্রতি সরকারের কঠোর দৃষ্টি দেয়া উচিত। না হলে সত্যিকারভাবে পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা আমাদের দেশে প্রকট আকার ধারণ করবে। পরিবেশ বিপর্যয়ের আরেক কারণ ইটের ভাঁটি। প্রতিবছর দেশে ২০০ কোটি ইট তৈরি হচ্ছে। এক কোটি ইট করতে ৭০ বিঘা জমির উর্বর মাটি প্রয়োজন হয়। প্রতিটি ভাঁটির ২১০০ ফারেনহাইট উত্তাপ ছড়ায়। ধোঁয়ায় ফসল নষ্ট হচ্ছে। আইনে নিষিদ্ধ হলেও কাঠ দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইট। উজাড় করা হচ্ছে বন। তাছাড়া একবার যেখানে ইটের ভাঁটি হয় সেখানে আর ফসল উৎপাদন হয় না। এসব কারণে আসত্মে আসত্মে মাটির উর্বরতা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর কোন দেশেই ইট দিয়ে বাড়ি নির্মাণের রেওয়াজ নেই। সিমেন্ট দিয়ে বস্নক করে অথবা পাথর দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হয় অনেক দেশে। সরকারী উদ্যোগে ইটের ভাঁটি বন্ধ করে দেয়া উচিত। সিমেন্ট দিয়ে বাড়ি করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
উপকূল রৰায় বনায়ন জরম্নরী। এতে ঝড়ের প্রকোপ গাছের ওপর দিয়ে যাবে। মাটির বাঁধ থাকে না। তবুও এর প্রয়োজন আছে। পাঁচ বছরের জন্য সরকারীভাবে আইন করে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত। অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোন গাছ কাটা যাবে না। তাছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে গাছ কাটতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। গাছ কাটা মানুষ হত্যার অপরাধের সমান; সরকারীভাবে এমন কঠোর আইন তৈরি করতে হবে। তাহলে গাছ কাটা বন্ধ হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবাধে গাছ কাটার রেওয়াজ নেই। তাছাড়া বিশেষ কোন প্রয়োজন ছাড়া কেউ গাছ কাটে না।
রাজন ভট্টাচার্য : কথা আছে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের যারা পুনর্বাসনসহ সহযোগিতা করেছিলেন তাদের মধ্যে আপনিও একজন। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য?
এরশাদ : আমি যখন ৰমতা গ্রহণ করি তখন বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের অনেকেই চাকরিতে ছিল। ছিল ইনডেমনিটি এ্যাক্ট। সংসদে আমাদের ১৫১টি আসন ছিল। আমাদের একক মেজরিটি ছিল না। ঘাটতি ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ৰেত্রেও। আমরা ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের চেষ্টা করেও শেষ পর্যনত্ম সফল হতে পারিনি। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ ৰমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করার পৰে আমরা রায় দিয়েছিলাম। আওয়ামী লীগ যখন আমাদের সঙ্গে সংসদে ছিল তখন তাদের পৰে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরম্ন করার বিষয়ে কোন দাবি ছিল না। খুনীদের চাকরি দেয়ার বিষয়টি নিয়েও কোন আলোচনা হয়নি। এর প্রেৰিতে আমি বলব, আগের ধারাবাহিকতা রৰা করেছি। যেহেতু কোন দাবি আমার কাছে আসেনি এ কারণে সেদিকে কোন দৃষ্টি আমি দেইনি। মূলত কথা হচ্ছে দাবি না থাকার কারণে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুনর্বাসনের ধারাবাহিকতা আমি রৰা করেছি।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 18
(253)
- আইনের শাসন ছাড়া দেশ চলতে পারে না ॥ প্রধান বিচারপতি...
- ল্যান্ডফোনে সংযুক্ত হচ্ছে টিভি নেটওয়ার্ক- আসছে ইন্...
- চাটগাইয়া মেজ্জান খাইলে বুঝিবা, ন খাইলে ফস্তাইবা- চ...
- অবশেষে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানি চালু হচ্ছে by মহসি...
- একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ টাকা দরে চাল পাবে ৯ লাখ প...
- মহেশখালীর গহীন অরণ্যে অস্ত্র তৈরির কারখানা- গ্রেফত...
- পৃথক তিনটি পিএসসির সুপারিশ- সচিব সভা by তপন বিশ্বাস
- ৩শ' মে.ও. বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে চীনা কোম্পানির স...
- হাইকোর্টের রায় ছয় সপ্তাহ স্থগিত- ওয়ারেন্ট অব প্রেস...
- ৯০% আক্রান্ত ডায়রিয়া ম্যালেরিয়ায় ক্যান্সারে ২৫% শ্...
- সরকারকে আরও সময় দিতে চাই ॥ খালেদা জিয়া- সম্পাদকদের...
- ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে- লুটপ...
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
- উন্নয়নে সব ধরনের সহায়তা দেবে কুয়েত- আমির ও প্রধানম...
- দশ ট্রাক অস্ত্র এসেছিল সাকা পরিবারের জাহাজে!- ০ ন...
- বাংলাদেশই সেরা- ০ আফগানিস্তানকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে ...
- অ্যাপস কর্নার- এভারনোট
- অ্যান্ড্রয়েডের জন্য ১০ কৌশল by আলী নূর হক
- নানা আয়োজনের ই-কমার্স সপ্তাহ
- যা কিছু প্রথম
- বাজারে নতুন
- বিচিত্রিতা- এখনো আছে নিনজা
- যা নিয়ে আছি- দেশকে ভালোবাসার শিক্ষা
- সারদারঞ্জন ভারতবর্ষের ক্রিকেটের অগ্রদূত by ড. বড...
- জুনিয়র বৃত্তি ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব-মাদ্রাসায় ...
- কাদের হত্যা মামলা-ফাঁসির আসামিকে জামিন দেওয়ায় বিচা...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-মানুষ তাঁকে স্মরণ করবে যুগ যুগ by রেজ...
- সুচিত্রা মিত্রের জীবনাবসান by সুব্রত আচার্য্য
- টিআইবির প্রতিবেদন অস্পষ্ট ও অসম্পূর্ণ-মন্তব্য সুপ্...
- মন্ত্রীরা বিশ্বকাপের ২০টি করে টিকিট চাইলেন-বুথ বাড়...
- জামায়াতের একক প্রার্থী ৪৩ পৌরসভায়-বিএনপির সঙ্গে এখ...
- ঐতিহ্য-গোল্লাছুট প্রথম আলো গল্পলেখা প্রতিযোগিতা ২০...
- সিসিমপুর- টুকটুকির ইচ্ছা
- টুনটুনি বন্ধু by আবেদীন জনী
- সবখানে চাঁদমামা by বিনয় বর্মন
- আমি গুডবয় by রোমেন রায়হান
- চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ বসানোর প্রস্তা...
- কোকোর পাচার করা টাকা রাখায় সিঙ্গাপুরে সহযোগীর অর্থ...
- সারা দেশে এক দামে না বেচলে মামলা-* নিত্যপণ্য সরবরা...
- ব্রিটিশরা প্রতিদিন গড়ে তিনটি মিথ্যা বলে
- দুটি 'পশ্চিমা ড্রোন' ভূপাতিত করার দাবি ইরানের
- অস্ট্রেলিয়ায় প্লাবনে তিনজনের মৃত্যু
- শর্ত ছাড়াই নয়াদিল্লির সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি উলফা
- ভারতের কিডনি পাচারকারীদের লক্ষ্য নেপালের গরিব কৃষক!
- মানুষের তৈরি বৃষ্টি মরুর বুকে by তাপস দত্ত
- মিসরে মন্ত্রী ও ইমামের গাড়িতে বিক্ষুব্ধ কপটিকদের হ...
- সরকার বাঁচাতে মিত্রের খোঁজে নেমেছেন গিলানি
- আর্ট ক্যাম্প- চলো অচিনপুর by রজত কান্তি রায়
- চারুশিল্প: প্রদর্শনী- তারুণ্যের দৃশ্যকল্প by মোব...
- প্রণমহি বঙ্গমাতা- কে দিল পিরিতের বেড়া by সাইমন ...
- খান সারওয়ার মুরশিদ শ্রদ্ধাস্পদেষু by মুহম্মদ নূরু...
- ১৫ জানুয়ারি প্রয়াত হলেন আবদুশ শাকুর। সাহিত্য ও স...
- অবৈধ তিমি শিকার বন্ধে আইন কঠোর করল সিউল
- গভর্নরের পদ থেকে সোয়ার্জনেগারের বিদায়
- আইভরি কোস্টে গণকবর তদন্তের নির্দেশ জাতিসংঘের
- ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি লুটিয়ে পড়ল মাটিতে
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাকে জাতিসংঘের ভাষা হিসেবে...
- চট্টগ্রাম-১২ উপনির্বাচন- আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান...
- ভারতীয় জাল মুদ্রার কারবার- পাকিস্তানভিত্তিক বিভিন্...
- কাবুলে গত বছর সংঘাতে মারা গেছে ১০ হাজার মানুষ
- ভারতে শৈত্যপ্রবাহে ২৩ জনের মৃত্যু
- আফ্রিকার প্রতি মনোযোগ বাড়ছে ওবামার
- বীভৎসতার অবসান হোক
- টিকিট নিয়ে তুলকালাম
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-ন্যায় ও শান্তির জন্য যুদ্ধ ফরজ ...
- ইসরায়েলের পরবর্তী যুদ্ধ by অ্যাঁলেই গ্রেস
- পুরনো চাঁদ নতুন করে দেখা by ড. এ কে মনোওয়ার উদ্দীন...
- স্মরণ-চিলেকোঠার সেপাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস by সাদি...
- রাজধানীতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪
- হিটলারের সেই বাঙ্কারের ছবি প্রকাশ
- মাটি খুঁড়ে সাড়ে পাঁচ কেজি সোনা!
- তায়েবী হত্যাকাণ্ড- যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৪ ...
- ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে লাখো মুসল্লির ঢল
- মূল্যবোধের অবক্ষয় by ডা. ওয়াহিদ নবী
- কল্পকথার গল্প-'ঘিলু যায় ভেস্তিয়ে বুদ্ধি গজায় না' b...
- শিকড়ের সন্ধান by এমাজউদ্দীন আহমদ
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-কাদের মোল্লার বিচারের র...
- বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু আজ
- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ...
- হাস্যকর কাণ্ডকীর্তির এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
- মন্ত্রণালয়ে গুলি করার হুমকি এমপি গিয়াসের-এসেছিলেন ...
- যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা-আমিনুলেই আটকে যেতে পার...
- ইজতেমায় যৌতুকহীন বিয়ে by মাহমুদা নওরীন
- বিশ্ব ইজতেমার বয়ান by শাহীন হাসনাত
- শান্তিময় সমাজ গঠনে তবলিগ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- প্রকাশনা শিল্প-বইমেলা নিয়ে চাই নতুন পরিকল্পনা by র...
- ডিজিটাল যুগে তথ্য প্রাপ্তি by একরামুল হক শামীম
- নারী অধিকার-নারী নির্যাতন, নারীর পরিচয় ও আমাদের না...
- বিদেশে জিম্মি বাংলাদেশি-উদ্ধার করুন, সতর্ক হোন
- বিপিএলের উদ্বোধন-সফল হোক ক্রিকেট মহোৎসব
- বৌদ্ধ জনপদে হামলা-বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা বৌদ্ধদের...
- মেয়েটিকে তুলে নিয়ে জোর করে বলানো হলো 'সব মিথ্যা'
- আবুলকে আসামি করলেই অর্থছাড়! by আরিফুর রহমান
- দারফুরে সোনার খনির দখল নিয়ে সংঘর্ষ নিহত শতাধিক
- 'উপহার' ফেরত দিচ্ছে মুবারক পরিবার
- কংগ্রেসে শিগগিরই রদবদল, এখনো মুখ বন্ধ রাহুলের
- দুই পক্ষের সম্মতিতে কাশ্মীরে অস্ত্রবিরতি কার্যকর-প...
- দিল্লির গণধর্ষণ মামলা দ্রুতবিচার আদালতে
- হিটলার-ইভার স্মৃতিমাখা ছবি প্রকাশ
- আলজেরিয়ায় জঙ্গিদের হাতে জিম্মি ৪১ বিদেশি শ্রমিক
- রেজ্জাককে মারধরের মামলায় তৃণমূল নেতা আরাবুল গ্রেপ্তার
- রানার ৩০ বছরের দণ্ড দাবি
- মিসরে ভবনধস ২৫ জন নিহত
- কাদরির সঙ্গে সরকারের বৈঠক
- রাজনীতিতে মালিক ওবামা
- ধর্মমন্ত্রী বললেন ৬ মের মধ্যেই নির্বাচন
- জাকার্তায় বন্যায় চারজনের মৃত্যু-আশ্রয়হীন ২০ হাজার
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে ...
- অভুক্তদের সাহায্যে জাতিসংঘকে আসাদ সরকারের অনুমতি
- পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টকে এনএবি-প্রধানমন্ত্রীকে গ্...
- বর্বরতার শিকার গৃহকর্মী-বিচার নিশ্চিত করুন
- পুলিশের আচরণ-মানবিক ও সহনশীল হতে হবে
- চরাচর-লাল ইটের লালকুঠি by সাজ্জাদ কবীর
- সরকারের জনপ্রিয়তা এখন কোথায় দাঁড়িয়ে? by মেজর (অব.)...
- পুলিশ দিয়ে শিক্ষক পেটানোর ফল কিন্তু ভালো হয় না by ...
- ভারত থেকে বিদ্যুত আমদানির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে by ...
- মহানগর আওয়ামী লীগ অবশেষে মায়া দায়িত্ব ফিরে পেলেন
- তৃণমূল ছুটছে সবাই
- অভিমানে অবসরে যাচ্ছেন দেলোয়ার!
- তিন দিনের সফরে কুয়েত গেছেন প্রধানমন্ত্রী
- বাণিজ্যমেলা শেষ ॥ ২৫ কোটি টাকার স্পট রফতানি আদেশ
- ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে সরকারের আপীল
- ঢাবিতে ছাত্রদলের ধর্মঘট আংশিক পালিত
- ঢাবি অচলের ষড়যন্ত্র ॥ ফাঁদে পা ছাত্রলীগের, ফায়দা ছ...
- জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে ॥ এরশাদ
- তৃণমূলে ছুটছে সবাই
- বিকেএমইএ পরিচালনা পর্ষদের ৫ সদস্যের কাছে মোবাইল ফো...
-
▼
Jan 18
(253)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment