Tuesday, June 5, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রানজিট আর্থিকভাবে লাভজনক by মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ
বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রানজিট আর্থিকভাবে লাভজনক by মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ
পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ রহমতউল্লাহর জন্ম ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ১৯৬২ সালে বর্তমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগে প্রভাষক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিক ডিজাইনে মাস্টার্স ডিগ্রি ও একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন পরিবহন পরিকল্পনার ওপর।
এরপর পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের যুগ্ম প্রধানের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে ১৯৭৮ সালে যোগ দেন ইউএন-এসকাপের পরিবহন ও অবকাঠামো বিভাগে। সেখানে ২২ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বিভাগের পরিচালক হিসেবে তিনি অবসর নেন ২০০০ সালে। এর পর থেকে তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। ড. রহমতউল্লাহ দেশের পরিবহনসংক্রান্ত নানা নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং করে চলেছেন।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ কে এম জাকারিয়া
প্রথম আলো ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট বলতে আগে শুধু ভারতকে এ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি বোঝাত। এখন বিষয়টি আর শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আটকে নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নেপাল ও ভুটান। এই গুণগত পরিবর্তনকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এই পরিবর্তনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক। আপনি ঠিকই বলেছেন, একসময় ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্টের বিষয়টিকে শুধু ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এখন এটি একটি উপ-আঞ্চলিক বিষয়। ভারত শুরুতে শুধু নিজেদের ট্রানজিটের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল। এটা বলতেই হবে যে বাংলাদেশের উদ্যোগের কারণেই এটি উপ-আঞ্চলিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করতে চাইছিল, ভারত তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিতে না চাইলে এটা সম্ভব হতো না। ভারতের সঙ্গে ট্রানজিট-ট্রানশিপমেন্ট নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশ একই সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী হওয়ায় ও কার্যত বাংলাদেশের চাওয়ার কারণেই ট্রানজিটের বিষয়টি উপ-আঞ্চলিক রূপ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ভারত সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি নেপাল ও ভুটানের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেছিলেন।
প্রথম আলো এই যে উপ-আঞ্চলিক ট্রানজিট হতে যাচ্ছে তার জন্য বেশ কিছু রুট ও করিডোর ঠিক করা হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই ট্রানজিটের অর্থনৈতিক দিকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, রুটগুলো লাভজনক হবে কি না সেটা বড় বিবেচ্য বিষয়। সে ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত এই রুটগুলোকে কোন বিবেচনা থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়েই রুটগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক দিকটি অবশ্যই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আমাদের বন্দর ও কলকাতায় আসা-যাওয়ার বিষয়টি রুটগুলো নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আবার আমাদের বন্দর থেকে নেপাল ও ভুটানে মালামাল আনা-নেওয়ার বিষয়টিও একই সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সড়ক, রেল ও নৌরুট মিলিয়েই এগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রথম আলো যে রুটগুলো চিহ্নিত হয়েছে, অবকাঠামোগতভাবে বর্তমানে তা ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্টের বাড়তি চাপ নিতে কতটুকু সক্ষম?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ সড়ক, রেল ও নৌপথ—এই তিনটি ক্ষেত্রেই বর্তমান যে অবকাঠামোগত সুবিধা আমাদের রয়েছে, তাতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে। নৌপথে ভারতের সঙ্গে আমাদের ট্রানজিট দেওয়া আছে সেই ’৭২ সাল থেকে। এর ব্যবহার কম, কারণ নৌপথে পণ্য পরিবহনের গতি অনেক ধীর, রাতে চলাচল করা যায় না। এ ছাড়া নাব্যতার সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। অন্যদিকে সড়কপথের ক্ষেত্রেও বেশ দুর্বলতা রয়েছে। আমাদের সড়কপথ বর্তমানে যে পরিমাণ লোড নিতে সক্ষম, তা যথেষ্ট নয়। আমাদের রাস্তাগুলো তৈরি হয়েছে সর্বোচ্চ আট টন পণ্যবাহী ট্রাকের জন্য। কিন্তু ভারতের রাস্তাগুলো ১২ টন পণ্যবাহী ট্রাকের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। ১২ টন পণ্য নিয়ে ভারতীয় ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করলে আমাদের রাস্তাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সে জন্য সরাসরি ভারতীয় ট্রাক আপাতত বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া ঠিক হবে না। সড়কপথে শুরু করতে হলে ট্রানশিপমেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য নামিয়ে আমাদের ট্রাক দিয়ে তা পরিবহন করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রাক পরিবর্তন করতে গেলে একদিকে বেশি সময় লাগবে, অন্যদিকে খরচও বেড়ে যাবে।
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ শুরুতে এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এ ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে যৌথ ট্রাক বা পরিবহন কোম্পানি। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান মিলিয়ে একটি যৌথ ট্রাক কোম্পানি হতে পারে। যার অধিকাংশ শেয়ার থাকবে বাংলাদেশের। এই ট্রাকগুলোর যৌথ রেজিস্ট্রেশন থাকবে। চারটি দেশেই ট্রাকগুলো প্রবেশ করতে পারবে। ট্রাকগুলো হবে মাঝারি ধরনের মাল্টি এক্সেল ভেহিকেল। ট্রাকগুলোর একটি বিশেষ রং থাকবে, যাতে সহজেই এগুলোকে চেনা যাবে। আগেই বলেছি, এই যৌথ পরিবহন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব থাকবে বাংলাদেশের হাতে। উপ-আঞ্চলিক পণ্য পরিবহন শুরু করতে গেলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্রানজিটের পরিবর্তে ট্রানশিপমেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট যা-ই হোক, এতে নির্ধারিত রুটে আমাদের সড়কগুলোতে ট্রাকের সংখ্যা তো বেড়ে যাবে, সে ক্ষেত্রে এসব সড়কের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কী উদ্যোগ নেওয়া উচিত?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের জাতীয় মহাসড়কগুলোকে এক্সপ্রেসওয়ে করতে হবে। আমাদের জাতীয় মহাসড়কগুলোর জন্য বর্তমানে ৪০ মিটার জায়গা অধিগ্রহণ করা আছে। এই জায়গাকেই কাজে লাগাতে হবে। কারণ নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণের সুযোগ নেই। জাতীয় মহাসড়কগুলো মাঝখান দিয়ে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ-সুবিধাসহ উন্নত মানের এক্সপ্রেসওয়ে করতে হবে। এই সড়ক বেড়া দিয়ে সংরক্ষিত থাকবে ও টোল দিয়ে এই পথে চলাচল করতে হবে। দুই পাশে সাধারণ সড়ক থাকে, যেখান দিয়ে সাধারণ যানবাহন টোল ছাড়া চলাচল করবে। তবে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কপথের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেশি।
প্রথম আলো সে ক্ষেত্রে কি আপনি রেলপথের ওপর গুরুত্ব দিতে চাইছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য পরিবহনের রেল হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর পথ। বর্তমানে আমাদের যে রেলওয়ের অবকাঠামো আছে তাতে ট্রানজিটের কাজে রেলওয়েকে ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের বর্তমান রুটে একটি নতুন ট্রেন সংযোজন করার ক্ষমতাও নেই। এটা করতে হলে বেশ কয়েকটি স্থানে আমাদের রেললাইন ডাবল ট্র্যাক করতে হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে তিনটি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। চিংকি আস্তানা-লাকসাম, লাকসাম-আখাউড়া ও ভৈরব বাজার থেকে টঙ্গী—এই তিনটি স্থানে ডাবল ট্র্যাক করতে হবে। দাতারা এ জন্য অর্থ জোগান দিতে আগ্রহী, তবে তাদের কিছু শর্ত রয়েছে। রেলওয়ের সংস্কার এর মধ্যে অন্যতম। তারা চায় রেলওয়েকে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে চলতে হবে। আয়-ব্যয়ের আলাদা হিসাব থাকতে হবে। একটি কোম্পানি হিসেবে এর ব্যবস্থাপনা চলতে হবে অনেকটা বেসরকারি খাতের মতো। নিয়োগ ও বরখাস্তের ক্ষমতা কোম্পানির হাতে থাকতে হবে। তবে মালিকানা সরকারের হাতেই থাকবে। ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের পাশাপাশি আগে রেললাইন ছিল এখন নেই এমন কিছু মিসিং লিংক নতুন করে সংযুক্ত করতে হবে। একসময় কুলাউড়া থেকে মহীশাসন পর্যন্ত ৩১ কিলোমিটারের যে রেললাইন ছিল, তা এখন আর নেই। আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেল সড়কেরও একই অবস্থা, যা পুনর্নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া যমুনার পশ্চিম পারে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডাবল লাইন করতে হবে।
প্রথম আলো সড়কের ক্ষেত্রে বর্তমান জাতীয় সড়কগুলোর উন্নয়ন ছাড়া কি আর কিছু করার নেই?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ সড়ক খাতেও কিছু সমস্যা রয়েছে। কিছু রাস্তা নতুন করে করতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কুমিল্লা, আগরতলা সীমান্ত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত, সুতারকান্দি থেকে সিলেট আর পদ্মা সেতু হয়ে গেলে ভাঙ্গা-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের প্রয়োজন পড়বে।
প্রথম আলো এসব অবকাঠামো নির্মাণের জন্য তো অনেক অর্থের প্রয়োজন পড়বে। ভারত, নেপাল বা ভুটানকে ট্রানজিট দিয়ে কি সে খরচ ওঠানো সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ রেল ও সড়ক অবকাঠামো ক্ষেত্রে যেসব করণীয় উল্লেখ করেছি, তা ট্রানজিটের বিষয়টি বাদ দিলেও আমাদের নিজেদের জন্যই প্রয়োজনীয়। আমাদের মহাসড়কগুলোর উন্নয়ন ও রেললাইনের ডাবল ট্র্যাক আমাদের নিজস্ব চলাচল ও পণ্য পরিবহনের জন্যই করতে হবে। এসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে আমরা ট্রানজিটের জন্য যে বাড়তি ট্রাফিক গ্রহণ করব, সেটা আমাদের লাভ হিসেবে বিবেচিত হবে। আমাদের ধারণা, ট্রানজিটের জন্য ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ট্রাফিকের চাপ আমাদের নিতে হবে। এই বাড়তি ট্রাফিক থেকেই আমাদের লাভ করতে হবে, হিসাবটিও সে বিবেচনা থেকেই করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিটের রাজস্ব আদায় হবে কোন প্রক্রিয়ায়?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বন্দর, রেল বা সড়কসহ আমাদের যে অবকাঠামো ব্যবহার করা হবে তার জন্য ভাড়া দিতে হবে। পরিবহনের ভাড়া দিতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ফলে যে আর্থিক সাশ্রয় হবে সেটারও ভাগাভাগি করতে হবে। ধরুন বর্তমানে যে পণ্য পরিবহন করতে ১০০ টাকা লাগে, ট্রানজিটের কারণে তা হয়তো ৪০ টাকায় নেমে আসবে। সে ক্ষেত্রে এই যে ৬০ টাকা খরচ কম হলো সেটা ভাগাভাগি করতে হবে। এই ৬০ টাকার ৭০ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ও বাকি ৩০ শতাংশ দেশ তিনটির লাভ।
প্রথম আলো অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তো অনেক বিনিয়োগের প্রয়োজন। এত বিনিয়োগ কোথা থেকে আসবে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বিনিয়োগ নির্ভর করে কী প্রকল্প তার ওপর। এগুলো সবই জাতীয় প্রকল্প। কিছু ক্ষেত্রে দাতাদের প্রতিশ্রুতি আছে। ভারতের এক বিলিয়ন ডলার ঋণ-সহায়তার একটি অংশ এই অবকাঠামোগত উন্নয়নের কিছু খাতে ব্যবহূত হবে। ভারতের সরাসরি কাজে লাগবে এমন সড়ক, রেল ও নৌপথ উন্নয়নের জন্যই এই ঋণ-সহায়তা কাজে লাগানো হবে। তবে এই অবকাঠামোগত উন্নয়নে সার্বিকভাবে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। কিন্তু এর বাইরেও আরও অনেক বিনিয়োগ লাগবে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাজে লাগাতে হবে। জাতীয় মহাসড়কে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, বন্দরের অবকাঠামো বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ পাওয়া যাবে। আগরতলায় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করলে লাভ বেশি। বেসরকারি বিনিয়োগে আশুগঞ্জ বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। আমি মনে করি না যে বিনিয়োগ এ ক্ষেত্রে বড় কোনো সমস্যা হবে।
প্রথম আলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অন্য দেশের পণ্য পরিবহনের সঙ্গে নিরাপত্তার একটি সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কোনো বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন হবে কি না বা ট্রানজিটের সুযোগে এ ধরনের কোনো পণ্য বাংলাদেশে ঢুকে পড়ার আশঙ্কাকে আমরা কীভাবে দূর করব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ দেখুন, এ ক্ষেত্রে কিছু আন্তর্জাতিক নিয়ম রয়েছে। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে কী পণ্য যাচ্ছে তা দেখার অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। এ জন্য যে পয়েন্টগুলো দিয়ে পণ্যবাহী পরিবহন ঢুকবে সেখানে বড় স্ক্যানার বসাতে হবে। কনটেইনার বা কাভার্ড ভ্যান ছাড়া কোনো পণ্য পরিবহন করা যাবে না। বাংলাদেশ কাস্টমস স্ক্যান করে কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারগুলো সিল করে দেবে। ফলে অবৈধ বা নিষিদ্ধ কোনো পণ্য বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে পরিবহন করা যেমন ঠেকানো যাবে, তেমনি বাংলাদেশেও তা ঢুকে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। তা ছাড়া এই কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারগুলোর চলাচলের নির্দিষ্ট রুট থাকবে, এর বাইরে কোনো রুট দিয়ে তা চলতে পারবে না। আগেই বলেছি, এই বাহনগুলো বিশেষ রং বা আকারের হতে পারে যাতে সহজেই এগুলোকে চিহ্নিত করা যায়।
প্রথম আলো ভারত, নেপাল বা ভুটানকে ট্রানজিট দেওয়ার অন্যতম দিক হচ্ছে এই দেশগুলোকে আমাদের বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়া ও এর মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া। কিন্তু আমাদের বন্দর দুটির বর্তমান যে অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে, তাতে বাড়তি জাহাজ গ্রহণ করা কতটুকু সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে আপাতত কোনো সমস্যা নেই। এই বন্দরটিতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং বন্দরটি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের যে ক্ষমতা তার ৪০ শতাংশ অব্যবহূত রয়েছে। সুতরাং ভারত, নেপাল ও ভুটান এই বন্দরটি ব্যবহার শুরু করলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অন্যদিকে মংলা বন্দরের যে ক্ষমতা তার ৮০ ভাগই বর্তমানে অব্যবহূত অবস্থায় আছে। মংলা বন্দরের ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। যেমন মংলা বন্দরে পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং করার সুবিধা নেই, সেখানে স্ক্যানার বসাতে হবে। ড্রেজিং করতে হবে। কিছু যন্ত্রপাতিও লাগবে। এগুলো করা তেমন কঠিন কিছু নয়। এই বন্দরটি ব্যবহারের জন্য নেপাল ও ভুটানকে উৎসাহিত করতে হবে। এই বন্দরটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মংলা থেকে খুলনা পর্যন্ত রেলপথ তৈরি করা ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকেও নজর দিতে হবে।
প্রথম আলো বলা হচ্ছে ভারত, ভুটান ও নেপালকে ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট দেওয়া হলে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হবে। কিন্তু লাভের পরিমাণ কী হবে এমন কোনো হিসাব-নিকাশ বা কোনো সমীক্ষা হয়েছে কি?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এ নিয়ে বিভিন্ন সমীক্ষা হয়েছে। আর্থিক লাভের পরিমাণ কত হবে তা নির্ভর করছে বাংলাদেশ দিয়ে কী পরিমাণ পণ্য পরিবহন হবে, তার ওপর। তবে সাধারণভাবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় যে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যাবহার করে পণ্য পরিবহন করলে বিভিন্ন শুল্ক, পরিবহন, পরিবহন পথের ভাড়া ও সেবা বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যে দেশ অন্য দেশকে এ ধরনের সুবিধা দিয়েছে সেসব দেশ আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। বাংলাদেশের লাভবান না হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে বর্তমানে আমাদের যে অবকাঠামোগত অবস্থা তাতে শুরুতেই যে খুব লাভ পাওয়া যাবে, এমনটি নয়। বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট শুরু হলে আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ প্রতিবছর ৫০ থেকে ১০০ কোটি ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধিতা রয়েছে। বলা হয় এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট হবে। এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আসলে ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্টের সঙ্গে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের কোনো ব্যাপার নেই। কারণ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণই বাংলাদেশের হাতে থাকবে। আমরা তো আমাদের ভূখণ্ড লিজ দিচ্ছি না। আমরা আমাদের বন্দর, সড়ক, নৌ ও রেলপথ ভারত, নেপাল ও ভুটানকে ব্যবহার করতে দিয়ে ভাড়া নেব। দেশের ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব তো আমাদের হাতেই থাকবে। আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করার কারণে এই দেশগুলো বরং আমাদের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
প্রথম আলো কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলে, বিশেষ করে দেশের প্রধান বিরোধী দল যদি এর বিরোধিতা করে, তবে এ ধরনের উদ্যোগ কতটুকু সফল হতে পারে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আসলে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে অর্থনৈতিকভাবে দেখতে হবে। বর্তমান সরকার যদি এই কাজটি করে এবং জনগণকে দেখাতে পারে যে এতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে, তবে এ ধরনের রাজনৈতিক বিরোধিতা তেমন কাজে দেবে না। কারণ জনগণ যদি বাস্তবে দেখতে পারে যে এতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট হওয়ার কিছু নেই বরং অর্থনৈতিকভাবে দেশ লাভবান হচ্ছে তখন নিছক রাজনৈতিক বিরোধিতার বিষয়টি তারা মানবে না।
প্রথম আলো সার্বিকভাবে বর্তমানে আমাদের যে অবকাঠামোগত অবস্থা তাতে ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু করা কতটুকু সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আমাদের বর্তমান যা অবস্থা তাতে আমরা খুব বেশি চাপ নিতে পারব না। আমাদের সামর্থ্য এখন সীমিত। অবকাঠামোগত যে উন্নয়নের কথা বললাম সে জন্য তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। তবে এ জন্য একদিকে যেমন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তেমনি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রথম আলো বর্তমানে এ ক্ষেত্রে কাজ যেভাবে এগোচ্ছে তা কি সন্তোষজনক?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এখন পর্যন্ত যত দূর জানি কাজ ঠিকমতোই চলছে। তবে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে আরও গতিশীলতা দরকার।
প্রথম আলো আপনাকে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ ধন্যবাদ।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ কে এম জাকারিয়া
প্রথম আলো ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট বলতে আগে শুধু ভারতকে এ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি বোঝাত। এখন বিষয়টি আর শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আটকে নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নেপাল ও ভুটান। এই গুণগত পরিবর্তনকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এই পরিবর্তনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক। আপনি ঠিকই বলেছেন, একসময় ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্টের বিষয়টিকে শুধু ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এখন এটি একটি উপ-আঞ্চলিক বিষয়। ভারত শুরুতে শুধু নিজেদের ট্রানজিটের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল। এটা বলতেই হবে যে বাংলাদেশের উদ্যোগের কারণেই এটি উপ-আঞ্চলিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করতে চাইছিল, ভারত তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিতে না চাইলে এটা সম্ভব হতো না। ভারতের সঙ্গে ট্রানজিট-ট্রানশিপমেন্ট নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশ একই সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী হওয়ায় ও কার্যত বাংলাদেশের চাওয়ার কারণেই ট্রানজিটের বিষয়টি উপ-আঞ্চলিক রূপ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ভারত সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি নেপাল ও ভুটানের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেছিলেন।
প্রথম আলো এই যে উপ-আঞ্চলিক ট্রানজিট হতে যাচ্ছে তার জন্য বেশ কিছু রুট ও করিডোর ঠিক করা হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই ট্রানজিটের অর্থনৈতিক দিকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, রুটগুলো লাভজনক হবে কি না সেটা বড় বিবেচ্য বিষয়। সে ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত এই রুটগুলোকে কোন বিবেচনা থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়েই রুটগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক দিকটি অবশ্যই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আমাদের বন্দর ও কলকাতায় আসা-যাওয়ার বিষয়টি রুটগুলো নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আবার আমাদের বন্দর থেকে নেপাল ও ভুটানে মালামাল আনা-নেওয়ার বিষয়টিও একই সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সড়ক, রেল ও নৌরুট মিলিয়েই এগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রথম আলো যে রুটগুলো চিহ্নিত হয়েছে, অবকাঠামোগতভাবে বর্তমানে তা ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্টের বাড়তি চাপ নিতে কতটুকু সক্ষম?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ সড়ক, রেল ও নৌপথ—এই তিনটি ক্ষেত্রেই বর্তমান যে অবকাঠামোগত সুবিধা আমাদের রয়েছে, তাতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে। নৌপথে ভারতের সঙ্গে আমাদের ট্রানজিট দেওয়া আছে সেই ’৭২ সাল থেকে। এর ব্যবহার কম, কারণ নৌপথে পণ্য পরিবহনের গতি অনেক ধীর, রাতে চলাচল করা যায় না। এ ছাড়া নাব্যতার সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। অন্যদিকে সড়কপথের ক্ষেত্রেও বেশ দুর্বলতা রয়েছে। আমাদের সড়কপথ বর্তমানে যে পরিমাণ লোড নিতে সক্ষম, তা যথেষ্ট নয়। আমাদের রাস্তাগুলো তৈরি হয়েছে সর্বোচ্চ আট টন পণ্যবাহী ট্রাকের জন্য। কিন্তু ভারতের রাস্তাগুলো ১২ টন পণ্যবাহী ট্রাকের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। ১২ টন পণ্য নিয়ে ভারতীয় ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করলে আমাদের রাস্তাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সে জন্য সরাসরি ভারতীয় ট্রাক আপাতত বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া ঠিক হবে না। সড়কপথে শুরু করতে হলে ট্রানশিপমেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য নামিয়ে আমাদের ট্রাক দিয়ে তা পরিবহন করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রাক পরিবর্তন করতে গেলে একদিকে বেশি সময় লাগবে, অন্যদিকে খরচও বেড়ে যাবে।
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ শুরুতে এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এ ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে যৌথ ট্রাক বা পরিবহন কোম্পানি। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান মিলিয়ে একটি যৌথ ট্রাক কোম্পানি হতে পারে। যার অধিকাংশ শেয়ার থাকবে বাংলাদেশের। এই ট্রাকগুলোর যৌথ রেজিস্ট্রেশন থাকবে। চারটি দেশেই ট্রাকগুলো প্রবেশ করতে পারবে। ট্রাকগুলো হবে মাঝারি ধরনের মাল্টি এক্সেল ভেহিকেল। ট্রাকগুলোর একটি বিশেষ রং থাকবে, যাতে সহজেই এগুলোকে চেনা যাবে। আগেই বলেছি, এই যৌথ পরিবহন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব থাকবে বাংলাদেশের হাতে। উপ-আঞ্চলিক পণ্য পরিবহন শুরু করতে গেলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্রানজিটের পরিবর্তে ট্রানশিপমেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট যা-ই হোক, এতে নির্ধারিত রুটে আমাদের সড়কগুলোতে ট্রাকের সংখ্যা তো বেড়ে যাবে, সে ক্ষেত্রে এসব সড়কের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কী উদ্যোগ নেওয়া উচিত?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের জাতীয় মহাসড়কগুলোকে এক্সপ্রেসওয়ে করতে হবে। আমাদের জাতীয় মহাসড়কগুলোর জন্য বর্তমানে ৪০ মিটার জায়গা অধিগ্রহণ করা আছে। এই জায়গাকেই কাজে লাগাতে হবে। কারণ নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণের সুযোগ নেই। জাতীয় মহাসড়কগুলো মাঝখান দিয়ে প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ-সুবিধাসহ উন্নত মানের এক্সপ্রেসওয়ে করতে হবে। এই সড়ক বেড়া দিয়ে সংরক্ষিত থাকবে ও টোল দিয়ে এই পথে চলাচল করতে হবে। দুই পাশে সাধারণ সড়ক থাকে, যেখান দিয়ে সাধারণ যানবাহন টোল ছাড়া চলাচল করবে। তবে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কপথের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেশি।
প্রথম আলো সে ক্ষেত্রে কি আপনি রেলপথের ওপর গুরুত্ব দিতে চাইছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য পরিবহনের রেল হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর পথ। বর্তমানে আমাদের যে রেলওয়ের অবকাঠামো আছে তাতে ট্রানজিটের কাজে রেলওয়েকে ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের বর্তমান রুটে একটি নতুন ট্রেন সংযোজন করার ক্ষমতাও নেই। এটা করতে হলে বেশ কয়েকটি স্থানে আমাদের রেললাইন ডাবল ট্র্যাক করতে হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে তিনটি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। চিংকি আস্তানা-লাকসাম, লাকসাম-আখাউড়া ও ভৈরব বাজার থেকে টঙ্গী—এই তিনটি স্থানে ডাবল ট্র্যাক করতে হবে। দাতারা এ জন্য অর্থ জোগান দিতে আগ্রহী, তবে তাদের কিছু শর্ত রয়েছে। রেলওয়ের সংস্কার এর মধ্যে অন্যতম। তারা চায় রেলওয়েকে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে চলতে হবে। আয়-ব্যয়ের আলাদা হিসাব থাকতে হবে। একটি কোম্পানি হিসেবে এর ব্যবস্থাপনা চলতে হবে অনেকটা বেসরকারি খাতের মতো। নিয়োগ ও বরখাস্তের ক্ষমতা কোম্পানির হাতে থাকতে হবে। তবে মালিকানা সরকারের হাতেই থাকবে। ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের পাশাপাশি আগে রেললাইন ছিল এখন নেই এমন কিছু মিসিং লিংক নতুন করে সংযুক্ত করতে হবে। একসময় কুলাউড়া থেকে মহীশাসন পর্যন্ত ৩১ কিলোমিটারের যে রেললাইন ছিল, তা এখন আর নেই। আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেল সড়কেরও একই অবস্থা, যা পুনর্নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়া যমুনার পশ্চিম পারে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডাবল লাইন করতে হবে।
প্রথম আলো সড়কের ক্ষেত্রে বর্তমান জাতীয় সড়কগুলোর উন্নয়ন ছাড়া কি আর কিছু করার নেই?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ সড়ক খাতেও কিছু সমস্যা রয়েছে। কিছু রাস্তা নতুন করে করতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কুমিল্লা, আগরতলা সীমান্ত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত, সুতারকান্দি থেকে সিলেট আর পদ্মা সেতু হয়ে গেলে ভাঙ্গা-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের প্রয়োজন পড়বে।
প্রথম আলো এসব অবকাঠামো নির্মাণের জন্য তো অনেক অর্থের প্রয়োজন পড়বে। ভারত, নেপাল বা ভুটানকে ট্রানজিট দিয়ে কি সে খরচ ওঠানো সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ রেল ও সড়ক অবকাঠামো ক্ষেত্রে যেসব করণীয় উল্লেখ করেছি, তা ট্রানজিটের বিষয়টি বাদ দিলেও আমাদের নিজেদের জন্যই প্রয়োজনীয়। আমাদের মহাসড়কগুলোর উন্নয়ন ও রেললাইনের ডাবল ট্র্যাক আমাদের নিজস্ব চলাচল ও পণ্য পরিবহনের জন্যই করতে হবে। এসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে আমরা ট্রানজিটের জন্য যে বাড়তি ট্রাফিক গ্রহণ করব, সেটা আমাদের লাভ হিসেবে বিবেচিত হবে। আমাদের ধারণা, ট্রানজিটের জন্য ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ট্রাফিকের চাপ আমাদের নিতে হবে। এই বাড়তি ট্রাফিক থেকেই আমাদের লাভ করতে হবে, হিসাবটিও সে বিবেচনা থেকেই করতে হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিটের রাজস্ব আদায় হবে কোন প্রক্রিয়ায়?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বন্দর, রেল বা সড়কসহ আমাদের যে অবকাঠামো ব্যবহার করা হবে তার জন্য ভাড়া দিতে হবে। পরিবহনের ভাড়া দিতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ফলে যে আর্থিক সাশ্রয় হবে সেটারও ভাগাভাগি করতে হবে। ধরুন বর্তমানে যে পণ্য পরিবহন করতে ১০০ টাকা লাগে, ট্রানজিটের কারণে তা হয়তো ৪০ টাকায় নেমে আসবে। সে ক্ষেত্রে এই যে ৬০ টাকা খরচ কম হলো সেটা ভাগাভাগি করতে হবে। এই ৬০ টাকার ৭০ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ও বাকি ৩০ শতাংশ দেশ তিনটির লাভ।
প্রথম আলো অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তো অনেক বিনিয়োগের প্রয়োজন। এত বিনিয়োগ কোথা থেকে আসবে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ বিনিয়োগ নির্ভর করে কী প্রকল্প তার ওপর। এগুলো সবই জাতীয় প্রকল্প। কিছু ক্ষেত্রে দাতাদের প্রতিশ্রুতি আছে। ভারতের এক বিলিয়ন ডলার ঋণ-সহায়তার একটি অংশ এই অবকাঠামোগত উন্নয়নের কিছু খাতে ব্যবহূত হবে। ভারতের সরাসরি কাজে লাগবে এমন সড়ক, রেল ও নৌপথ উন্নয়নের জন্যই এই ঋণ-সহায়তা কাজে লাগানো হবে। তবে এই অবকাঠামোগত উন্নয়নে সার্বিকভাবে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। কিন্তু এর বাইরেও আরও অনেক বিনিয়োগ লাগবে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাজে লাগাতে হবে। জাতীয় মহাসড়কে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, বন্দরের অবকাঠামো বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ পাওয়া যাবে। আগরতলায় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করলে লাভ বেশি। বেসরকারি বিনিয়োগে আশুগঞ্জ বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। আমি মনে করি না যে বিনিয়োগ এ ক্ষেত্রে বড় কোনো সমস্যা হবে।
প্রথম আলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অন্য দেশের পণ্য পরিবহনের সঙ্গে নিরাপত্তার একটি সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কোনো বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন হবে কি না বা ট্রানজিটের সুযোগে এ ধরনের কোনো পণ্য বাংলাদেশে ঢুকে পড়ার আশঙ্কাকে আমরা কীভাবে দূর করব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ দেখুন, এ ক্ষেত্রে কিছু আন্তর্জাতিক নিয়ম রয়েছে। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে কী পণ্য যাচ্ছে তা দেখার অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। এ জন্য যে পয়েন্টগুলো দিয়ে পণ্যবাহী পরিবহন ঢুকবে সেখানে বড় স্ক্যানার বসাতে হবে। কনটেইনার বা কাভার্ড ভ্যান ছাড়া কোনো পণ্য পরিবহন করা যাবে না। বাংলাদেশ কাস্টমস স্ক্যান করে কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারগুলো সিল করে দেবে। ফলে অবৈধ বা নিষিদ্ধ কোনো পণ্য বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে পরিবহন করা যেমন ঠেকানো যাবে, তেমনি বাংলাদেশেও তা ঢুকে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। তা ছাড়া এই কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারগুলোর চলাচলের নির্দিষ্ট রুট থাকবে, এর বাইরে কোনো রুট দিয়ে তা চলতে পারবে না। আগেই বলেছি, এই বাহনগুলো বিশেষ রং বা আকারের হতে পারে যাতে সহজেই এগুলোকে চিহ্নিত করা যায়।
প্রথম আলো ভারত, নেপাল বা ভুটানকে ট্রানজিট দেওয়ার অন্যতম দিক হচ্ছে এই দেশগুলোকে আমাদের বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়া ও এর মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া। কিন্তু আমাদের বন্দর দুটির বর্তমান যে অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে, তাতে বাড়তি জাহাজ গ্রহণ করা কতটুকু সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে আপাতত কোনো সমস্যা নেই। এই বন্দরটিতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং বন্দরটি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের যে ক্ষমতা তার ৪০ শতাংশ অব্যবহূত রয়েছে। সুতরাং ভারত, নেপাল ও ভুটান এই বন্দরটি ব্যবহার শুরু করলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অন্যদিকে মংলা বন্দরের যে ক্ষমতা তার ৮০ ভাগই বর্তমানে অব্যবহূত অবস্থায় আছে। মংলা বন্দরের ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। যেমন মংলা বন্দরে পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং করার সুবিধা নেই, সেখানে স্ক্যানার বসাতে হবে। ড্রেজিং করতে হবে। কিছু যন্ত্রপাতিও লাগবে। এগুলো করা তেমন কঠিন কিছু নয়। এই বন্দরটি ব্যবহারের জন্য নেপাল ও ভুটানকে উৎসাহিত করতে হবে। এই বন্দরটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মংলা থেকে খুলনা পর্যন্ত রেলপথ তৈরি করা ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকেও নজর দিতে হবে।
প্রথম আলো বলা হচ্ছে ভারত, ভুটান ও নেপালকে ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্ট দেওয়া হলে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হবে। কিন্তু লাভের পরিমাণ কী হবে এমন কোনো হিসাব-নিকাশ বা কোনো সমীক্ষা হয়েছে কি?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এ নিয়ে বিভিন্ন সমীক্ষা হয়েছে। আর্থিক লাভের পরিমাণ কত হবে তা নির্ভর করছে বাংলাদেশ দিয়ে কী পরিমাণ পণ্য পরিবহন হবে, তার ওপর। তবে সাধারণভাবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় যে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যাবহার করে পণ্য পরিবহন করলে বিভিন্ন শুল্ক, পরিবহন, পরিবহন পথের ভাড়া ও সেবা বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যে দেশ অন্য দেশকে এ ধরনের সুবিধা দিয়েছে সেসব দেশ আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। বাংলাদেশের লাভবান না হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে বর্তমানে আমাদের যে অবকাঠামোগত অবস্থা তাতে শুরুতেই যে খুব লাভ পাওয়া যাবে, এমনটি নয়। বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট শুরু হলে আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ প্রতিবছর ৫০ থেকে ১০০ কোটি ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।
প্রথম আলো ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধিতা রয়েছে। বলা হয় এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট হবে। এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আসলে ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্টের সঙ্গে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের কোনো ব্যাপার নেই। কারণ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণই বাংলাদেশের হাতে থাকবে। আমরা তো আমাদের ভূখণ্ড লিজ দিচ্ছি না। আমরা আমাদের বন্দর, সড়ক, নৌ ও রেলপথ ভারত, নেপাল ও ভুটানকে ব্যবহার করতে দিয়ে ভাড়া নেব। দেশের ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব তো আমাদের হাতেই থাকবে। আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করার কারণে এই দেশগুলো বরং আমাদের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
প্রথম আলো কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলে, বিশেষ করে দেশের প্রধান বিরোধী দল যদি এর বিরোধিতা করে, তবে এ ধরনের উদ্যোগ কতটুকু সফল হতে পারে?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আসলে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে অর্থনৈতিকভাবে দেখতে হবে। বর্তমান সরকার যদি এই কাজটি করে এবং জনগণকে দেখাতে পারে যে এতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে, তবে এ ধরনের রাজনৈতিক বিরোধিতা তেমন কাজে দেবে না। কারণ জনগণ যদি বাস্তবে দেখতে পারে যে এতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট হওয়ার কিছু নেই বরং অর্থনৈতিকভাবে দেশ লাভবান হচ্ছে তখন নিছক রাজনৈতিক বিরোধিতার বিষয়টি তারা মানবে না।
প্রথম আলো সার্বিকভাবে বর্তমানে আমাদের যে অবকাঠামোগত অবস্থা তাতে ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু করা কতটুকু সম্ভব?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ আমাদের বর্তমান যা অবস্থা তাতে আমরা খুব বেশি চাপ নিতে পারব না। আমাদের সামর্থ্য এখন সীমিত। অবকাঠামোগত যে উন্নয়নের কথা বললাম সে জন্য তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। তবে এ জন্য একদিকে যেমন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তেমনি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রথম আলো বর্তমানে এ ক্ষেত্রে কাজ যেভাবে এগোচ্ছে তা কি সন্তোষজনক?
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ এখন পর্যন্ত যত দূর জানি কাজ ঠিকমতোই চলছে। তবে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে আরও গতিশীলতা দরকার।
প্রথম আলো আপনাকে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 05
(98)
- স্মরণ-ক্ষুদিরামের কথা বলছি by সুরঞ্জিত বৈদ্য
- মত দ্বিমত-দলীয় ভিত্তিতেই হতে পারে by এম এম আকাশ
- মত দ্বিমত-এখনই দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন নয় by তো...
- অভিমত ভিন্নমত
- প্রকৃতি-বনের অধিবাসীদের সঙ্গে নিয়ে বন রক্ষা by মুশ...
- নিছক বাণিজ্যিক যেন না হয়ে যায়-স্কুলে কোচিং
- অনিয়ন্ত্রিত ঢাকা অচল হওয়ার আগেই সজাগ হোন-ঢাকার জনজীবন
- স্মরণ-কিংবদন্তির লাল মিয়া by কাজী শওকত শাহী
- ভূমি বন্দোবস্ত-ভূমিহীনদের জন্য খাসজমি by এ এম এম শ...
- আদিবাসী দিবস-সংবিধান সংশোধন ও আদিবাসীদের স্বীকৃতি ...
- যুক্তরাষ্ট্র-তেল বিপর্যয়ের দায় কাদের? by পিটার কাস...
- বাঘা তেঁতুল-মেয়েরা হারিয়েছে তাদের স্যান্ডেল ও মর্য...
- অরণ্যে রোদন-লাঠ্যৌষধি ও তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া by ...
- চেম্বারের উচিত নিজেদের স্বার্থের ওপরে দেশের খাদ্যন...
- ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার নয়-সংসদীয় ক...
- চারদিক-বর্ষা যখন বঙ্গে by মোশাহেদ মিয়া
- দূরদেশ-বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট ...
- নদী দখল-নদীতে অবৈধ স্থাপনা থাকবে না? by মাহবুবা না...
- আদিবাসী দিবস-আদিবাসী, জাতিসংঘ ও সরকার যদি একযোগে ক...
- সরল গরল-আপিল বিভাগের দায় by মিজানুর রহমান খান
- সন্ত্রাসীরাও কি ‘দায়মুক্তি’ উপভোগ করছে?-ছাত্রলীগের...
- দিল্লি শীর্ষ বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলোর সুফল চাই-প্রণব ...
- চারদিক-পাখির নিরাপদ ঘর by আকমল হোসেন
- সময়চিত্র-সংবিধান সংশোধন: কিছু প্রশ্ন, কিছু ভিন্নমত...
- উচ্চ আদালত-রায়ের সমালোচনা বাকস্বাধীনতার অংশ by মো....
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-উপাচার্যের দায়িত্বহীনতা ও ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রানজিট আর্থিকভাবে লাভজনক by মোহ...
- আদালতের রায় উপেক্ষা করতে পারে না বিআইডব্লিউটিএ-নদী...
- নিয়ন্ত্রণক্ষমতা না থাকলে হস্তক্ষেপ অর্থহীন-নিত্যপণ...
- প্রত্যাবাসনই সমাধান নয়
- চারদিক-ফেসবুকে রবীন্দ্রনাথ by আশরাফুল হক
- মিডিয়া ভাবনা-সংবাদপত্রের কলাম ও টক শো কতটা কার্যকর...
- উচ্চ আদালত-রায় নিয়ে লেখালেখি বন্ধ হোক by ইমরানুল কবির
- শ্রমিক অসন্তোষ-বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ by ...
- দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-প্রণব মুখার্জির ঝটিকা সফর by সো...
- যুক্তি তর্ক গল্প-তরুণদের জাগরণের আওয়াজ পাওয়া যায় b...
- খাসজমি দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন-উপকূলীয় বনভূমি
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত রাহুমুক্ত করতে হবে-এখনো গেল...
- মহাবিপদের পূর্বাভাস
- পবিত্র কোরআনের আলো-উহুদ যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি কাটি...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-সন্তোষদা অমর রহে by কামাল লোহানী
- সময়ের প্রেক্ষিত-হিরোশিমা: এক পিতার আকুতি by মনজুরু...
- গোধূলির ছায়াপথে-‘সব্যসাচী’র ট্রেন আসবেই by মুস্তাফ...
- চিরকুট-দেয়ালশিল্প by শাহাদুজ্জামান
- মাঠ প্রশাসন-ডিসি-এসপি: কার ওপরে কে? by বদিউল আলম ম...
- পুলিশের বিলম্বিত বোধোদয়-মা ও দুই সন্তানের আত্মহত্য...
- মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ...
- বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা : 'প্রশিক্ষণ' কেন জরুরি by...
- একটি সীমান্তবিহীন আরব প্রজাতন্ত্র কি সম্ভব? by গাজ...
- মৌসুমি ফলের বাজারে by ইমাম হাসান
- উজ্জ্বল ত্বকের জন্য by তৌহিদা শিরোপা
- আনারসের নানা রস
- স্ট্র্যাপের স্যান্ডেল by শর্মিলা সিনড্রেলা
- পরিবেশ-সাত নদী হত্যা by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস-পরিবেশ সুশাসনের প্রত্যাশায় by মো...
- দিল্লির চিঠি-সেনা বনাম সরকার বিতর্ক by কুলদীপ নায়ার
- এখনো এই মহানগর গণবিধ্বংসী মৃত্যুফাঁদ হয়ে আছে-নিমতল...
- সব কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব নেওয়া হোক-দুর্নীতির শিকড়
- চরাচর-আবহাওয়া দিবস : আমাদের জন্যই প্রকৃতি by সাদিয়...
- ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস-বাসমতি বনাম বাংলামতি
- সমস্যাপীড়িত জনজীবন by মযহারুল ইসলাম বাবলা
- ইতি-নেতি-মধ্যপ্রাচ্যের বিপ্লব কি তবে দীর্ঘজীবী হচ্...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-'তৃতীয় শক্তি' নিয়ে এত কথাবার্তা ক...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ফারুক মৃধা ও এনামুলকে
- বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বললেন ভারতের পানিসম্পদ সচিব...
- কর ফাঁকিবাজদের ধরলেই পুরস্কার
- নিত্যপণ্যের দাম সহনীয়! by আবুল কাশেম
- রাজ্যসভায় শপথ নিলেন টেন্ডুলকার
- কাতার এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে চায়-তবে না...
- আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস
- নিঝুম দ্বীপের কান্না-১-গাছ কাটা কোনো ব্যাপারই না! ...
- মন্ত্রীদের সুটের বদলে হাফশার্ট পরার পরামর্শ প্রধান...
- বাঘা তেঁতুল-নিরাপদ দূরত্ব-তত্ত্ব by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-পুকুরচুরি বিলচুরি নদীচুরি by আনিসুল হক
- অপটিক্যাল ফাইবার লাইনের ২০০ কোটি টাকার কাজ-বেপরোয়া...
- ঢাকার ওপর জাতিসংঘ ও বিসিএসের সমীক্ষা-এক যুগে ৯০ শত...
- বাজেট ২০১২-১৩-মানুষের কষ্ট বেড়েছে by আবুল হাসনাত
- অভিযোগ গণহত্যাসহ সাতটি-কামারুজ্জামানের বিচার শুরু
- বিএনপির ১১ জুনের সমাবেশ-এক দফা ঘোষণা ছাড়া কঠোর কর্...
- লোভে যেন ধ্বংস না হয় পরিবেশ by মোহাম্মাদ মুনীর চৌ...
- 'সবুজ অর্থনীতি :তুমি কি সেখানে আছো?' by মাহবুবা না...
- পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন by মোঃ খবির উদ্দীন
- বিজ্ঞাপনে বিব্রত by শাহীন হাসনাত
- শিক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন
- সমকালীন প্রসঙ্গ-যে দুর্নীতির মামলার নিষ্পত্তি হয়নি...
- মাওয়া নৌরুটে স্পিডবোট-যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক
- পাঁচবিবির চুনাপাথর-সমৃদ্ধির পথে আলোর ইশারা
- ঢাকার বাতাসে বিষ by বিপ্লব রহমান
- জিডিপি ও বাংলাদেশ
- প্রশাসনে আউটসোর্সিং বিধান
- পবিত্র কোরআনের আলো-আরব বেদুইনদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট...
- পরিবেশ ভাবনায় সবুজ দর্শন by কানন পুরকায়স্থ
- সবুজ অর্থনীতি : আপনি অন্তর্ভুক্ত তো? by বিধান চন্দ...
- চরাচর-বৃক্ষপ্রেমী ইউএনও by বিশ্বজিৎ পাল বাবু
- কথা সামান্যই-বই পড়া ও পড়ানো by ফজলুল আলম
- কল্পকথার গল্প-যাহা পাই তাহা চাই না by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা-অ-রূপকথার যুগের এক রানির গল্প by আ...
-
▼
Jun 05
(98)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment