পবিত্র আশুরা পালিত

মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা ও যথাযথ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও পুরান ঢাকার হোসেনি দালান রোডের ইমামবাড়া থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা তাজিয়া মিছিল বের করে। মিছিলটি চকবাজার, উর্দু রোড, লালবাগ, আজিমপুর, নিউ মার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি হয়ে ধানমণ্ডি লেক এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে থাকা


যুবকরা অনেকে মুখ দিয়ে আগুনের গোলা নিক্ষেপ ও বিভিন্ন শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে। অনেকে শরীরে ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাতের মাধ্যমে নিজেকে রক্তাক্ত করে। এ সময় 'ইয়া হোসেন, হায় হোসেন' ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা।
এ ছাড়া মঙ্গলবার মতিঝিলের দেওয়ানবাগ শরিফে দিবসটি পালন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে সুফি সম্রাট হজরত মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী ছাড়াও ড. সৈয়দ এম সাঈদুর রহমান আল মাহবুবী, সৈয়দ এফএম নূর-এ-খোদা আল আজহারী, আবুল হাসেম আল-মাদানী, সৈয়দ মোহাম্মদ শাহ আলম, মহিউদ্দিন খান ফারুকী, ফজলে রাব্বী মোহাম্মদ ফরহাদ, আবদুর রউফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ উপলক্ষে ইন্ডিয়ান বংশোদ্ভূত উর্দুভাষী সংখ্যালঘু কাউন্সিল তাজিয়া মিছিল ছাড়াও আলোচনা সভা করেছে। মাস্টার আলী আহম্মেদের সভাপতিত্বে এ সভায় আজগর আলী, আফজাল ওয়াসী, মোহাম্মদ শামীম, মোহাম্মদ সোলেমান, মিন্টু ওয়াসী ও ফুল মোহাম্মদ বক্তৃতা করেন। এ ছাড়াও মোহাম্মদপুর এবং মিরপুর থেকে পৃথক তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে।
৬১ হিজরি সালের ১০ মহররম হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর দৌহিত্র ও খোলাফ?ায়ে রাশেদিনের চতুর্থ খলিফা হজরত আলীর (রা.) পুত্র ইমাম হোসেন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্যরা কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ দিনটি স্মরণে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে।