Sunday, May 20, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
পাঁচ শিক্ষাবিদের সঙ্গে আমরাও একমত প্রথম আলোয় দেশবরেণ্য পাঁচজন শিক্ষাবিদের যৌথ আহ্বানে সম্প্রতি বলা হয়েছে, শিক্ষার ক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া অপরিহার্য, সেগুলো নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁরা মনে করেন, শিক্ষার্থী ও তরুণসমাজকে অপরাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ছাত্রলীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত।
আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও শ্রদ্ধেয় পাঁচ শিক্ষাবিদের সঙ্গে একমত। সেই সঙ্গে প্রথম আলোর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৯ হাজার সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষে কিছু প্রশ্ন ও বেদনার কথা তুলে ধরতে চাই।
গুটিকয়েক ছাত্র নামধারী সরকারদলীয় মাস্তানের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য এখন আমাদের প্রিয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, এমনকি তারা পরীক্ষা অনুষ্ঠানেও বাধা দিচ্ছে। আটকে দিচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন। তারা শিক্ষকদের বহনকারী বাসে আগুন দিয়েছে, হামলা করেছে। তারা অপহরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ও শহরের মধ্যে চলাচলকারী শাটল ট্রেনের চালককে। ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কীভাবে শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরের ক্যাম্পাসে যাব?
তারা সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট বাড়িয়ে তুলছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কি তাদের খামখেয়ালির বস্তু হয়েই থাকব?
ছাত্র নামধারী ওই নেতাদের কেউ কেউ ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে। নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কৃত হয়েছে। চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র রাখাসহ নানা অভিযোগে দুই থেকে ১৪টি মামলার আসামি তাদের কেউ কেউ। তাদেরই হীন স্বার্থের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ হাজার শিক্ষার্থীকে সেশনজটের শিকার হতে হচ্ছে। এর প্রতিকার কে করবে?
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান, তথাকথিত ছাত্রসংগঠন আর ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসীর দৌরাত্ম্যে তাঁদের শিক্ষাজীবন এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। কিন্তু সরকারগুলোর এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথা দেখা যায় না। তাদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও অনেক সময় লাশ হতে হচ্ছে। এটা কেন? কে জবাব দেবে?
পত্রপত্রিকায় লেখা হয়েছে, চট্টগ্রামের মেয়র ছাত্রলীগ নামধারী ওই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মহানগর ছাত্রলীগ, উত্তর জেলা ছাত্রলীগ, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র সমিতি ও জাসদ ছাত্রলীগের নেতাসহ খোদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিও ওই কর্মকাণ্ডের প্রবল বিরোধিতা করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তা হলে এই দুষ্কৃতকারী, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের এত দাপটের উত্স কী? কেন তাদের বিরুদ্ধে আইন কাজ করছে না?
আশা করি, আমাদের এই অনুভূতিগুলো সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুধাবন করবেন। দেশের গোটা শিক্ষার্থী সমাজেরই অনুভূতি এই। আশা করব, গণতান্ত্রিক সরকার দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে, শিক্ষার উপযোগী পরিবেশের পক্ষে থাকবে; বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের পক্ষে নয়। অন্যায়কারী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইন যেভাবে প্রয়োগ করা সরকারের দায়িত্ব, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তা-ই করতে হবে। সরকারি দলের ছত্রচ্ছায়ায় আছে বলে আইন তাদের বেলায় অকার্যকর, এটা মেনে নেওয়া যায় না। গোটা শিক্ষার্থী সমাজকে গুটিকয়েক ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীর কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হবে কেন?
রেজা হক, ফারজানা হক, কায়সুল ভূঁইয়া, গৌতম দাস, মো. জহির, রায়হানুল হক, মাহি আকতার, সুব্রত ধর ও সাইদুল হাসান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
সার্ককে শক্তিশালী করতে হলে
সার্ক প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পরও দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে এটি তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেনি। অথচ সার্ক হতে পারত বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী আঞ্চলিক সংগঠন। সার্কের ১৬তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে। সার্ক মূলত শীর্ষ সম্মেলনের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। নেতারা আসবেন, শীর্ষ সম্মেলন করবেন, সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলবেন, পরবর্তী আয়োজনের ভেন্যু ঠিক করবেন এবং দলবল নিয়ে নিজ নিজ দেশে চলে যাবেন। অথচ ২৫ বছর বয়সী একটি আঞ্চলিক সংগঠন হিসেবে সার্কের অন্যতম সাফল্য হতে পারত ভারত-পাকিস্তান সুসম্পর্ক, তৈরি পোশাক খাতের নেতৃস্থানীয় অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের সুরাহা কিংবা পৃথিবীর অন্যতম পর্যটন অঞ্চল বা দক্ষ জনশক্তির জোগানদাতা। কিন্তু সার্ক তা হতে পারেনি। কারণ সার্কের মূল নীতিতেই বলা হয়েছে, সার্ক কখনো সদস্যদেশগুলোর দ্বিপক্ষীয় বিরোধপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না। এই যদি হয় একটি অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠনের মূলনীতি, তাহলে সার্কের আদৌ কোনো দরকার রয়েছে কি না, তা ভেবে দেখা উচিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সদস্যদেশগুলোর চাহিদা ও সংগতিকে উপজীব্য করে সার্কের গঠনপ্রণালি, মূলনীতি সংস্কার করে যুগোপযোগী এবং স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে সার্ককে গড়ে তুলতে হবে। এই সম্মেলন থেকেই সংস্কারের আন্তরিক উদ্যোগ নিতে হবে। নয়তো আমাদের প্রিয় দক্ষিণ এশিয়া যে তিমিরে, সে তিমিরেই রয়ে যাবে।
ফাহিম ইবনে সারওয়ার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বেগুন বনাম ব্রিঞ্জাল
২২ এপ্রিল প্রথম আলোয় প্রকাশিত ফরিদা আখতারের ‘বেগুন রাখবেন নাকি ব্রিঞ্জাল খাবেন’ শীর্ষক লেখাটি নিয়ে কিছু কথা।
লেখকের আশঙ্কা, আমরা আমাদের কৌলিক সম্পদ হারাব কি না, বা আমাদের দেশের বেগুনের বীজ বহুজাতিক কোম্পানির হাতে চলে যাবে কি না। এ আশঙ্কা যথার্থ তবে তা প্রমাণ করতে গিয়ে যে যুক্তির আশ্রয় তিনি নিয়েছেন তা প্রাসঙ্গিক নয়। কিছু ক্ষেত্রে তা বৈজ্ঞানিক সত্যকেও পাশ কাটিয়ে গেছে।
লেখকের অভিযোগ, বিটি প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব নয়, তা বাংলাদেশের প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। সত্যিই কি তাই? বিটি হচ্ছে একটি ব্যাকটেরিয়ার নামের আদ্যক্ষরের সমষ্টি। এ ব্যাকটেরিয়ার রয়েছে এমন কিছু জিন (CRY-১, ২, ৩); এটি এমন প্রোটিন তৈরি করে, যা খেলে ক্ষতিকর পোকামাকড় মারা যায়। ব্যাকটেরিয়া থেকে সেই জিন আলাদা করে বেগুনের জিনে প্রবেশ করানো হয়, যেন পোকামাকড় বেগুন খেতে না পারে। এ কাজটি এমনভাবে করা হয়, যাতে শুধু বেগুন ফলার সময়ই গাছে ওই প্রোটিনটি তৈরি হয়, সব সময় নয়। ব্যাকটেরিয়াটি আমাদের প্রকৃতিরই অংশ। এটি বাংলাদেশেও রয়েছে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচার জন্য যে কৌশলটি অবলম্বন করা হয় তা প্রকৃতিরই দান। সেই প্রযুক্তি যদি বেগুনকে রক্ষায় ব্যবহূত হয়, তা প্রকৃতির বিরুদ্ধে হয় কীভাবে?
লেখিকার আরেকটি অভিযোগ, বিটি প্রোটিনটি পোকামাকড়ের জন্য যেহেতু ক্ষতিকর, সুতরা মানুষের জন্যও ক্ষতিকর। আসলে, ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও মানুষের পাকস্থলীর গঠন একেবারেই আলাদা। মানুষের পাকস্থলীর গঠন এমনই যে, তা খুব সহজেই বিটি প্রোটিনকে জীর্ণ করে হজম করে ফেলতে পারে; বিষক্রিয়ার কোনো আশঙ্কাই এখানে নেই। শুধু তাই নয়, বিটি প্রোটিন সব পোকামাকড়ের জন্য ক্ষতিকর নয়। এটি মূলত ফ্রুট অ্যান্ড সুট বোরার ধরনের (পাকস্থলীর দেয়াল ফুটো করে) পোকার জন্যই বিষ। বিটি প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে যাতে ক্ষতিকারক পোকা দমনে উচ্চহারে কীটনাশক ব্যবহার করতে না হয়। বিটি জিনের অংশ বাদ দিলে বিটি বেগুনের জেনেটিক গঠন সম্পূর্ণভাবে দেশি জাতের মতোই। তাতে আলাদাভাবে উচ্চহারে সারের ব্যবহারের দরকার নেই। সুতরাং যে প্রযুক্তি সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমাচ্ছে, সার ও কীটনাশকের অজুহাত তুলে সে প্রযুক্তিকেই দোষারোপ করা ঠিক নয়। ফরিদা আখতার প্রাণব্যবস্থাপনাকেন্দ্রিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলেছেন; বিটি প্রযুক্তি এই ব্যবস্থার সহযোগী, সাংঘর্ষিক নয়।
বিটি প্রযুক্তির অসারতা প্রমাণ করতে গিয়ে তিনি দুটি পরিসংখ্যান দিয়েছেন। তিনি সেন্টার ফর সাসটেইনেবল এগ্রিকালচারের যে তথ্যটি উপস্থাপন করেছেন, তা প্রমাণ করে, সুট ও ফ্রুট বোরার কতটা ক্ষতিকারক। দ্বিতীয়ত, বিটি বেগুন ও সাধারণ বেগুনে এ পোকার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে যে পরিসংখ্যান তিনি দিয়েছেন, তা থেকে দেখা যায় যে সাধারণ বেগুনে ২৪ থেকে ৫৮ শতাংশ ক্ষতির বিপরীতে বিটি বেগুনে ক্ষতির পরিমাণ ২ দশমিক ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ।
লেখকের আশঙ্কা, বহুজাতিক কোম্পানির অনুপ্রবেশের সঙ্গে দেশি বেগুনের জাত বিপন্ন হতে পারে। কিন্তু তাঁর পুরো লেখায় এ দুয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের বদলে বিটি প্রযুক্তির ত্রুটি অনুসন্ধান মুখ্য হয়ে উঠেছে। শুধু লেখার শেষে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি বিল ২০১০-এর উল্লেখ করা হয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো নিজেদের স্বার্থে কাজ করতে চাইবেই। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির নেওয়া উচিত। কিন্তু তারা বায়োএথিকস ও বায়োসার্ভিলেন্স এই দুটি শব্দ ব্যবহার করেই তাদের দায় সেরেছে। বিটি প্রযুক্তির দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা না করে ইনস্টিটিউটের এই দুর্বলতা নিয়ে যদি আলোচনা করতেন, তাহলে তাঁর বক্তব্য আরও ভালোভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারত।
দিগ্বিজয় দে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
bijoybmb@gmail.com
আজব মানুষের দেশে
প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘ভণ্ড পীর ভয়ংকর চিকিত্সা’ শিরোনামের চিত্র দেখে আমাদের প্রাণবায়ু বের হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সোনার বাংলায় আজব মানুষ আর আজব কাণ্ডকারখানার ইয়ত্তা নেই। তবে এমন আজব মানুষ আর আজব কর্ম খুব কমই দেখা যায়। পীরালি চিকিত্সার নমুনা আমরা পত্রিকা মারফত প্রায়ই দেখি, কিন্তু এই আজব রূপ বোধহয় আগের সব কাণ্ডকেই হার মানায়। ইতিমধ্যে ভণ্ড পীরকে দলসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ভালোমতো চিকিত্সা হওয়া দরকার। কিন্তু এমন দু-একজন পীর ও সঙ্গীসাথির চিকিত্সা হলেই এসব আজব মানুষের আবির্ভূত হওয়া এবং তাদের উত্পাত ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমূলে বন্ধ হবে না। এ জন্য প্রয়োজন, এসব সমস্যার উেসর অনুসন্ধান ও সে নিরিখে ব্যবস্থা গ্রহণ।
পৃথিবীতে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা ফলাফল আমাদের জানা নেই, যেখানে বলা হয়েছে যে শিশুর প্রতি কঠোর আচরণ তার জন্য কল্যাণকর। প্রথম আলোয় প্রকাশিত পীরালি-কর্ম শিশু কেন, যেকোনো মানুষের জন্যই ক্ষতিকর, যেমনটি জরিনাকে করা হয়েছে। যে শিশুদের ওপর এমন কাণ্ড ঘটানো হলো, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, চিরস্থায়ী প্রতিবন্ধিতা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। শিশুরা বেঁচে থাকলেও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা, ভয়, আতঙ্ক, সিজোফ্রেনিয়া প্রভৃতি সমস্যা নিয়ে বড় হবে।
এক লোক সৃষ্টিকর্তার কাছে এই বলে প্রার্থনা করছিল—হে সৃষ্টিকর্তা, তুমি আমাকে রক্ষা করো, তুমি ছাড়া আমাকে কে আর রক্ষা করবে, বলো; আমার যে আর কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই! আমাদেরও এই দেশেই থাকতে হবে, কেননা আমাদের যে আর কোনো দেশ নেই!
মোহাম্মদ শামীম খান
সিলেট।
sk160674@yahoo.co.uk
মনে পড়বে সেদিন
আমার শৈশব কেটেছে গাঁয়ে। মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক ছিল নিবিড়। শুভ কোনো কাজের আগে দিনক্ষণ ঠিক করতে তারা মায়ের কাছে আসতেন পরামর্শ নিতে। মা পঞ্জিকা দেখে তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতেন। মাঝেমধ্যে উদ্ধৃতি দিতেন খনার বচনের। কারও যাত্রাপথে কেউ যদি দেখেন, কলসিতে করে অন্য কেউ পানি নিয়ে ফিরছে অথবা আনতে যাচ্ছে, সে ক্ষেত্রে তাঁর যাত্রাপথের কী হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে খনার বচনের উদ্ধৃতি দিয়ে মা বলতেন, ‘ভরার চেয়েও শূন্য ভালো যদি ভরতে যায়, আগের চেয়ে পিছে ভালো যদি ডাকে মায়।’ অর্থাত্ কারও যাত্রাপথে কেউ যদি দেখেন, খালি কলসি নিয়ে অন্য কেউ পানি আনতে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে, যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি যাত্রা করছেন, তার ফল হবে শুভ। গাঁয়ে মাটির কলসি দিয়ে জলাধার থেকে পানি আনার এই কাজটি করে থাকে সাধারণত কোনো উচ্ছল যুবতি, নববধূ কিংবা অন্য কেউ। এ নিয়ে আমাদের অনেক কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার আমাদের সাহিত্য-ভান্ডারকে করেছেন সমৃদ্ধ।
আমি এখন নগরবাসী। পানি আনার দৃশ্যটি দেখি সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে। দেখি কোনো রুগ্ণ মেয়ে কিংবা নারীকে অ্যালুমিনিয়ামের খালি কলসি নিয়ে ওয়াসার পানির লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। খালি কলসি হাতে পানি আনার রঙিন চিত্র দেখি দৈনিক পত্রিকায়। দেখি না কোনো হাস্যোজ্জ্বল মুখ। পানি আনার ছবি দেখে আমরা যারা ঘর থেকে বের হই, প্রথমেই ঝগড়া বাধে রিকশাওয়ালার সঙ্গে। যদি যাওয়া মেলে তবে তার ইচ্ছাতেই। রিকশার সুযোগ না মিললে বাসে। সেও আর এক বিড়ম্বনা। বাসে ঝোলার ভাগ্যও যদি না জোটে, তবে শেষ অবলম্বন ১১ নম্বর। অর্থাত্ পায়ে হাঁটা। তাতেও বিড়ম্বনা।
সবার আগে প্রয়োজন দ্রুত যানবাহনে ব্যবহূত গ্যাসের মূল্য অন্তত ডিজেলের মূল্যের সমপরিমাণ করা, পথযাত্রীসহ সব গাড়ির যাত্রীকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা, গাড়িচালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য করা, ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা, মেইন রোডে গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ করা এবং ডাস্টবিন দূরে রাখা; প্রতিটি শহরের রাস্তার ধারণক্ষমতা নির্ণয় করে নতুন গাড়ি চলাচলের অনুমোদন দেওয়া।
শুধু যানজটের কারণেই প্রচুর সময় নষ্ট হয়। জট তো শুধু রাস্তায় নয়। উত্পাদন, গ্যাস, বিদ্যুত্, পানি—সবখানে। সরকার নিশ্চয়ই এসব জানে। তাহলে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? তারা তো আমার আপনার মতো দুবির্ষহ জীবন যাপন করে না। সব সময় থাকে এসি গাড়িতে, বাড়িতে কিংবা অফিসে ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়ায়। তাদের বাসাবাড়ি কিংবা অফিসে তো বিদ্যুত্, পানি, গ্যাসের সমস্যা হয় না। দেশের শত শত গার্মেন্টস, শিল্প কলকারখানা, সার কারখানা, সেচকাজ বন্ধ হলে তাদের তো কিছু আসে যায় না। আসে যায় শ্রমিক-মালিক, কৃষক আর আমার মতো ১১ নম্বর যাত্রীদের। জনদুর্ভোগ কী, তাঁরা বোঝেন না, বুঝতে চান না। এমনকি অতীতের কথাও মনে করতে চান না। মনে পড়বে সেদিন যে দিন কানসাটের মতো সমগ্র দেশবাসী রাস্তায় নেমে আসবে। তখন ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্র বলেও কোনো লাভ হবে না।
বেনু শর্মা, ঢাকা।
বিমানের ব্যাখ্যা
১৩ এপ্রিল প্রথম আলোর সংবাদ উদ্ধৃত করে ১৬ এপ্রিলের সম্পাদকীয়তে ‘লাভজনক দুবাই রুটটি বিমান কর্তৃপক্ষ চীনা প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ এবং ‘এ উদ্দেশ্যে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের খরচে চীন সফরেও যাচ্ছেন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি তা নয়। বাংলাদেশ বিমানের কোনো কর্মকর্তা চীন সফরে যাননি।
ওই প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় পড়ে মনে হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে একাকার করে ফেলা হয়েছে। বস্তুত এই দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বিমান পরিবহন ব্যবসায় নিয়োজিত। এটির রেগুলেটরি কোনো কার্যক্রম নেই। পক্ষান্তরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সরকারি একটি প্রতিষ্ঠান, যা সরকারের পক্ষে সব রেগুলেটরি ও নিয়ন্ত্রণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এয়ার সার্ভিস চুক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি প্রদানের বিষয়টি রেগুলেটরি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত, বাংলাদেশ বিমানের এখানে কোনো এখতিয়ার নেই।
বাংলাদেশের এয়ারলাইনস হিসেবে ‘বিমান’ আন্তসরকার চুক্তির আওতায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে মাত্র এবং এই ফ্লাইট পরিচালনাকালে সর্বদাই বাণিজ্যিক স্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।
প্রসঙ্গত, ১৩ এপ্রিলের প্রথম আলোর সংবাদের শেষাংশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রাসঙ্গিক মন্তব্যে দুবাই রুট-সম্পর্কিত বিষয়ে বিমানের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ নাসিম, উপমহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পিছিয়ে গেলে প্রথম আলো পাঠকদের কাছে এ বিষয়ে টেলিফোন মন্তব্য আহ্বান করেছিল ১৮ এপ্রিল। টেলিফোনে মন্তব্যকারীদের মধ্যে আমিও ছিলাম। আমার ছোট্ট মন্তব্যের উপসংহার ছিল, সরকার যদি আশঙ্কা করে যে ঘোষিত সময়ে ডিসিসি নির্বাচন করলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তাহলে সরকার তো নির্বাচন পেছাতেই পারে।
পরদিন প্রথম আলোয় প্রকাশিত পাঠকদের টেলিফোন মন্তব্যগুলোর মধ্যে দেখলাম, আমার মন্তব্যের ধাঁচের কথা কেউ বলেননি। বরং নির্বাচন পেছানোর জন্য সরকারের একটি সুপ্ত কৌশল কাজ করছে—এমন মন্তব্য করেছেন অনেকেই। কেউ কেউ বলেছেন, দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমি মনে করেছিলাম, আমার মন্তব্যটি প্রথম আলো ছাপবে না। কারণ তা অন্য সব মতের পাশে একেবারেই বেখাপ্পা ছিল। তা ছাড়া জনগণ সরকারকে সব সময় সক্ষম ও সদা প্রস্তুত দেখতে চায়। কোনো সরকার যদি যথাসময়ে নির্ধারিত কাজটি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে সরকার তার গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা হারায়। নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ মাসের পর মাস স্থগিত থাকলে জনমনে একই রকম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়। ডিসিসি নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত না হওয়ায় জনগণ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যর্থতাসহ নানা অভিযোগ অবশ্যই তুলবে এবং প্রথম আলোয় প্রকাশিত পাঠকদের টেলিফোন-মন্তব্যগুলোতে তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কিন্তু আমার বক্তব্য ছিল, যুদ্ধাপরাধ বা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে দেশে যে একটি কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে সরকার নিজেকে ও জনগণকে খুব নিরাপদ নাও ভাবতে পারে। সে জন্যই ডিসিসি নির্বাচন সরকার পিছিয়ে দিয়েছে। আমার এই ভিন্নমতকে গুরুত্ব দিয়েছে প্রথম আলো। দেখলাম, অন্য মন্তব্যগুলোর পাশে আমারটিও ছাপা হয়েছে। এটাই বোধহয় একটি সত্যিকারের সংবাদপত্রের বৈশিষ্ট্য—সব ধরনের মতামতকে জায়গা দেওয়া। প্রথম আলোকে ধন্যবাদ।
আবদুন নূর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
হাওরের কান্না
কিছুদিন ধরে পত্রপত্রিকায় চোখ রাখলেই দেখি অসহায় আর নিঃস্ব হাওরবাসীর হাহাকার।
ভৌগোলিক অবস্থান ও অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের হাওর এলাকার মানুষের জীবিকা প্রধানত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ব্যবসা-বাণিজ্য তেমন বিকশিত হয়নি, শিল্প বলতে গেলে নেই। তাই হাওর এলাকার জনগোষ্ঠী সারা বছর একটি ফসলের আশায় ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরগুলোতে সাধারণভাবে বছরে মাত্র একটি ফসলের চাষ করা যায়।
এই হাওরগুলোর ফসলের জমি রক্ষাকারী বাঁধগুলো একের পর এক ভেঙে যাচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য জলস্রোতে হাওরবাসীর স্বপ্নগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্নহারা, দিশেহারা মানুষের সামনে ঘোর অমানিশা। কেউ কেউ হয়তো এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু বারবার তারা শিকার হবে এই হতাশা, যন্ত্রণা, অনিশ্চয়তার। হাওর এলাকায় এই দুর্যোগ ধারাবাহিকভাবেই কয়েক বছর পর পর ঘটে, কখনো পর পর দুই বছরেও ঘটে। হাওরের দুর্ভাগা জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য কেউ ভাবে না—না সরকার, না রাজনীতিবিদেরা, যাঁদের কাছে আমাদের দুর্ভাগ্যের খবর পৌঁছালে আমরা আশায় থাকি, তাঁরা একটি উদ্ধারের উপায় বাতলে দেবেন, কিছু উদ্যোগ নেবেন। সরকার আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করবে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এ বিশ্বাস আমরা অর্জন করেছি।
হাওরবাসীর স্বপ্নভঙ্গের সময়েই এল আমাদের নববর্ষ—নানা রঙে, আনন্দে, গানে-নৃত্যে বরণ করে নিল দেশবাসী। আনন্দের বিস্ফোরণে হাওরের কান্না আমাদের কানে তো পৌঁছায়ই না, বরং দ্বিগুণ বেগে পালিয়ে যায়। সিডর, আইলা—এসব দুর্যোগের সময় সারা দেশে যেমন সহমর্মিতা বানের জলের মতো ফুলে উঠেছিল, হাওরের দুর্যোগের ক্ষেত্রে তো এর ছিটেফোঁটাও দেখি না। অথচ হাওরের ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে ধারাবাহিক সুদূরপ্রসারী।
হাওরবাসীর অপরিমেয় দুঃখের শুরু হলো। নাগরিক সমাজের কেউ তাদের পাশে নেই। অথচ বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যাণে তাদের দুঃখ চোখ এড়িয়ে যাবে, এমন উপায় নেই; তবু এ বিষয়ে নিশ্চুপ সবাই। হাওরাঞ্চলগুলোতে যেন এখন এক ট্র্যাজেডি ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে—আমরা সবাই দর্শ। মঞ্চে অনেক দুঃখ, অনেক কষ্ট দেখি, বেদনায়, অসহায়ত্বে অনেককে কুঁকড়ে যেতে দেখি, কাউকে দেখি সব হারিয়ে বিপর্যস্ত হতে, উদ্ভ্রান্ত হতে আর আমরা দর্শকসারিতে বসে থাকি নিশ্চুপ, মনে দুঃখ লাগলেও কারও কাছে বলি না, প্রকাশ করি না—থাকি ভাবলেশহীন, বহন করি। মঞ্চের সমস্যা শুধু দেখে যাব, যা-ই ঘটুক আমাদের তো আর কিছু করার নেই।
অন্তত প্রকৃতি অসহায় মানুষজনের প্রতি সদয় হোক—এই আশা করি।
অভীক চৌধুরী
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ।
গুটিকয়েক ছাত্র নামধারী সরকারদলীয় মাস্তানের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য এখন আমাদের প্রিয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, এমনকি তারা পরীক্ষা অনুষ্ঠানেও বাধা দিচ্ছে। আটকে দিচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন। তারা শিক্ষকদের বহনকারী বাসে আগুন দিয়েছে, হামলা করেছে। তারা অপহরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ও শহরের মধ্যে চলাচলকারী শাটল ট্রেনের চালককে। ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কীভাবে শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরের ক্যাম্পাসে যাব?
তারা সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট বাড়িয়ে তুলছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কি তাদের খামখেয়ালির বস্তু হয়েই থাকব?
ছাত্র নামধারী ওই নেতাদের কেউ কেউ ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে। নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কৃত হয়েছে। চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র রাখাসহ নানা অভিযোগে দুই থেকে ১৪টি মামলার আসামি তাদের কেউ কেউ। তাদেরই হীন স্বার্থের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ হাজার শিক্ষার্থীকে সেশনজটের শিকার হতে হচ্ছে। এর প্রতিকার কে করবে?
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান, তথাকথিত ছাত্রসংগঠন আর ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসীর দৌরাত্ম্যে তাঁদের শিক্ষাজীবন এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। কিন্তু সরকারগুলোর এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথা দেখা যায় না। তাদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও অনেক সময় লাশ হতে হচ্ছে। এটা কেন? কে জবাব দেবে?
পত্রপত্রিকায় লেখা হয়েছে, চট্টগ্রামের মেয়র ছাত্রলীগ নামধারী ওই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। মহানগর ছাত্রলীগ, উত্তর জেলা ছাত্রলীগ, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র সমিতি ও জাসদ ছাত্রলীগের নেতাসহ খোদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিও ওই কর্মকাণ্ডের প্রবল বিরোধিতা করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তা হলে এই দুষ্কৃতকারী, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের এত দাপটের উত্স কী? কেন তাদের বিরুদ্ধে আইন কাজ করছে না?
আশা করি, আমাদের এই অনুভূতিগুলো সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুধাবন করবেন। দেশের গোটা শিক্ষার্থী সমাজেরই অনুভূতি এই। আশা করব, গণতান্ত্রিক সরকার দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে, শিক্ষার উপযোগী পরিবেশের পক্ষে থাকবে; বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের পক্ষে নয়। অন্যায়কারী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইন যেভাবে প্রয়োগ করা সরকারের দায়িত্ব, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তা-ই করতে হবে। সরকারি দলের ছত্রচ্ছায়ায় আছে বলে আইন তাদের বেলায় অকার্যকর, এটা মেনে নেওয়া যায় না। গোটা শিক্ষার্থী সমাজকে গুটিকয়েক ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীর কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হবে কেন?
রেজা হক, ফারজানা হক, কায়সুল ভূঁইয়া, গৌতম দাস, মো. জহির, রায়হানুল হক, মাহি আকতার, সুব্রত ধর ও সাইদুল হাসান
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
সার্ককে শক্তিশালী করতে হলে
সার্ক প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পরও দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে এটি তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেনি। অথচ সার্ক হতে পারত বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী আঞ্চলিক সংগঠন। সার্কের ১৬তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে। সার্ক মূলত শীর্ষ সম্মেলনের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। নেতারা আসবেন, শীর্ষ সম্মেলন করবেন, সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলবেন, পরবর্তী আয়োজনের ভেন্যু ঠিক করবেন এবং দলবল নিয়ে নিজ নিজ দেশে চলে যাবেন। অথচ ২৫ বছর বয়সী একটি আঞ্চলিক সংগঠন হিসেবে সার্কের অন্যতম সাফল্য হতে পারত ভারত-পাকিস্তান সুসম্পর্ক, তৈরি পোশাক খাতের নেতৃস্থানীয় অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের সুরাহা কিংবা পৃথিবীর অন্যতম পর্যটন অঞ্চল বা দক্ষ জনশক্তির জোগানদাতা। কিন্তু সার্ক তা হতে পারেনি। কারণ সার্কের মূল নীতিতেই বলা হয়েছে, সার্ক কখনো সদস্যদেশগুলোর দ্বিপক্ষীয় বিরোধপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না। এই যদি হয় একটি অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠনের মূলনীতি, তাহলে সার্কের আদৌ কোনো দরকার রয়েছে কি না, তা ভেবে দেখা উচিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সদস্যদেশগুলোর চাহিদা ও সংগতিকে উপজীব্য করে সার্কের গঠনপ্রণালি, মূলনীতি সংস্কার করে যুগোপযোগী এবং স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে সার্ককে গড়ে তুলতে হবে। এই সম্মেলন থেকেই সংস্কারের আন্তরিক উদ্যোগ নিতে হবে। নয়তো আমাদের প্রিয় দক্ষিণ এশিয়া যে তিমিরে, সে তিমিরেই রয়ে যাবে।
ফাহিম ইবনে সারওয়ার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বেগুন বনাম ব্রিঞ্জাল
২২ এপ্রিল প্রথম আলোয় প্রকাশিত ফরিদা আখতারের ‘বেগুন রাখবেন নাকি ব্রিঞ্জাল খাবেন’ শীর্ষক লেখাটি নিয়ে কিছু কথা।
লেখকের আশঙ্কা, আমরা আমাদের কৌলিক সম্পদ হারাব কি না, বা আমাদের দেশের বেগুনের বীজ বহুজাতিক কোম্পানির হাতে চলে যাবে কি না। এ আশঙ্কা যথার্থ তবে তা প্রমাণ করতে গিয়ে যে যুক্তির আশ্রয় তিনি নিয়েছেন তা প্রাসঙ্গিক নয়। কিছু ক্ষেত্রে তা বৈজ্ঞানিক সত্যকেও পাশ কাটিয়ে গেছে।
লেখকের অভিযোগ, বিটি প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব নয়, তা বাংলাদেশের প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। সত্যিই কি তাই? বিটি হচ্ছে একটি ব্যাকটেরিয়ার নামের আদ্যক্ষরের সমষ্টি। এ ব্যাকটেরিয়ার রয়েছে এমন কিছু জিন (CRY-১, ২, ৩); এটি এমন প্রোটিন তৈরি করে, যা খেলে ক্ষতিকর পোকামাকড় মারা যায়। ব্যাকটেরিয়া থেকে সেই জিন আলাদা করে বেগুনের জিনে প্রবেশ করানো হয়, যেন পোকামাকড় বেগুন খেতে না পারে। এ কাজটি এমনভাবে করা হয়, যাতে শুধু বেগুন ফলার সময়ই গাছে ওই প্রোটিনটি তৈরি হয়, সব সময় নয়। ব্যাকটেরিয়াটি আমাদের প্রকৃতিরই অংশ। এটি বাংলাদেশেও রয়েছে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচার জন্য যে কৌশলটি অবলম্বন করা হয় তা প্রকৃতিরই দান। সেই প্রযুক্তি যদি বেগুনকে রক্ষায় ব্যবহূত হয়, তা প্রকৃতির বিরুদ্ধে হয় কীভাবে?
লেখিকার আরেকটি অভিযোগ, বিটি প্রোটিনটি পোকামাকড়ের জন্য যেহেতু ক্ষতিকর, সুতরা মানুষের জন্যও ক্ষতিকর। আসলে, ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও মানুষের পাকস্থলীর গঠন একেবারেই আলাদা। মানুষের পাকস্থলীর গঠন এমনই যে, তা খুব সহজেই বিটি প্রোটিনকে জীর্ণ করে হজম করে ফেলতে পারে; বিষক্রিয়ার কোনো আশঙ্কাই এখানে নেই। শুধু তাই নয়, বিটি প্রোটিন সব পোকামাকড়ের জন্য ক্ষতিকর নয়। এটি মূলত ফ্রুট অ্যান্ড সুট বোরার ধরনের (পাকস্থলীর দেয়াল ফুটো করে) পোকার জন্যই বিষ। বিটি প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে যাতে ক্ষতিকারক পোকা দমনে উচ্চহারে কীটনাশক ব্যবহার করতে না হয়। বিটি জিনের অংশ বাদ দিলে বিটি বেগুনের জেনেটিক গঠন সম্পূর্ণভাবে দেশি জাতের মতোই। তাতে আলাদাভাবে উচ্চহারে সারের ব্যবহারের দরকার নেই। সুতরাং যে প্রযুক্তি সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমাচ্ছে, সার ও কীটনাশকের অজুহাত তুলে সে প্রযুক্তিকেই দোষারোপ করা ঠিক নয়। ফরিদা আখতার প্রাণব্যবস্থাপনাকেন্দ্রিক কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলেছেন; বিটি প্রযুক্তি এই ব্যবস্থার সহযোগী, সাংঘর্ষিক নয়।
বিটি প্রযুক্তির অসারতা প্রমাণ করতে গিয়ে তিনি দুটি পরিসংখ্যান দিয়েছেন। তিনি সেন্টার ফর সাসটেইনেবল এগ্রিকালচারের যে তথ্যটি উপস্থাপন করেছেন, তা প্রমাণ করে, সুট ও ফ্রুট বোরার কতটা ক্ষতিকারক। দ্বিতীয়ত, বিটি বেগুন ও সাধারণ বেগুনে এ পোকার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে যে পরিসংখ্যান তিনি দিয়েছেন, তা থেকে দেখা যায় যে সাধারণ বেগুনে ২৪ থেকে ৫৮ শতাংশ ক্ষতির বিপরীতে বিটি বেগুনে ক্ষতির পরিমাণ ২ দশমিক ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ।
লেখকের আশঙ্কা, বহুজাতিক কোম্পানির অনুপ্রবেশের সঙ্গে দেশি বেগুনের জাত বিপন্ন হতে পারে। কিন্তু তাঁর পুরো লেখায় এ দুয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের বদলে বিটি প্রযুক্তির ত্রুটি অনুসন্ধান মুখ্য হয়ে উঠেছে। শুধু লেখার শেষে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি বিল ২০১০-এর উল্লেখ করা হয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো নিজেদের স্বার্থে কাজ করতে চাইবেই। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির নেওয়া উচিত। কিন্তু তারা বায়োএথিকস ও বায়োসার্ভিলেন্স এই দুটি শব্দ ব্যবহার করেই তাদের দায় সেরেছে। বিটি প্রযুক্তির দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা না করে ইনস্টিটিউটের এই দুর্বলতা নিয়ে যদি আলোচনা করতেন, তাহলে তাঁর বক্তব্য আরও ভালোভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারত।
দিগ্বিজয় দে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
bijoybmb@gmail.com
আজব মানুষের দেশে
প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘ভণ্ড পীর ভয়ংকর চিকিত্সা’ শিরোনামের চিত্র দেখে আমাদের প্রাণবায়ু বের হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সোনার বাংলায় আজব মানুষ আর আজব কাণ্ডকারখানার ইয়ত্তা নেই। তবে এমন আজব মানুষ আর আজব কর্ম খুব কমই দেখা যায়। পীরালি চিকিত্সার নমুনা আমরা পত্রিকা মারফত প্রায়ই দেখি, কিন্তু এই আজব রূপ বোধহয় আগের সব কাণ্ডকেই হার মানায়। ইতিমধ্যে ভণ্ড পীরকে দলসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ভালোমতো চিকিত্সা হওয়া দরকার। কিন্তু এমন দু-একজন পীর ও সঙ্গীসাথির চিকিত্সা হলেই এসব আজব মানুষের আবির্ভূত হওয়া এবং তাদের উত্পাত ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমূলে বন্ধ হবে না। এ জন্য প্রয়োজন, এসব সমস্যার উেসর অনুসন্ধান ও সে নিরিখে ব্যবস্থা গ্রহণ।
পৃথিবীতে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা ফলাফল আমাদের জানা নেই, যেখানে বলা হয়েছে যে শিশুর প্রতি কঠোর আচরণ তার জন্য কল্যাণকর। প্রথম আলোয় প্রকাশিত পীরালি-কর্ম শিশু কেন, যেকোনো মানুষের জন্যই ক্ষতিকর, যেমনটি জরিনাকে করা হয়েছে। যে শিশুদের ওপর এমন কাণ্ড ঘটানো হলো, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, চিরস্থায়ী প্রতিবন্ধিতা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। শিশুরা বেঁচে থাকলেও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা, ভয়, আতঙ্ক, সিজোফ্রেনিয়া প্রভৃতি সমস্যা নিয়ে বড় হবে।
এক লোক সৃষ্টিকর্তার কাছে এই বলে প্রার্থনা করছিল—হে সৃষ্টিকর্তা, তুমি আমাকে রক্ষা করো, তুমি ছাড়া আমাকে কে আর রক্ষা করবে, বলো; আমার যে আর কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই! আমাদেরও এই দেশেই থাকতে হবে, কেননা আমাদের যে আর কোনো দেশ নেই!
মোহাম্মদ শামীম খান
সিলেট।
sk160674@yahoo.co.uk
মনে পড়বে সেদিন
আমার শৈশব কেটেছে গাঁয়ে। মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক ছিল নিবিড়। শুভ কোনো কাজের আগে দিনক্ষণ ঠিক করতে তারা মায়ের কাছে আসতেন পরামর্শ নিতে। মা পঞ্জিকা দেখে তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতেন। মাঝেমধ্যে উদ্ধৃতি দিতেন খনার বচনের। কারও যাত্রাপথে কেউ যদি দেখেন, কলসিতে করে অন্য কেউ পানি নিয়ে ফিরছে অথবা আনতে যাচ্ছে, সে ক্ষেত্রে তাঁর যাত্রাপথের কী হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে খনার বচনের উদ্ধৃতি দিয়ে মা বলতেন, ‘ভরার চেয়েও শূন্য ভালো যদি ভরতে যায়, আগের চেয়ে পিছে ভালো যদি ডাকে মায়।’ অর্থাত্ কারও যাত্রাপথে কেউ যদি দেখেন, খালি কলসি নিয়ে অন্য কেউ পানি আনতে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে, যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি যাত্রা করছেন, তার ফল হবে শুভ। গাঁয়ে মাটির কলসি দিয়ে জলাধার থেকে পানি আনার এই কাজটি করে থাকে সাধারণত কোনো উচ্ছল যুবতি, নববধূ কিংবা অন্য কেউ। এ নিয়ে আমাদের অনেক কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার আমাদের সাহিত্য-ভান্ডারকে করেছেন সমৃদ্ধ।
আমি এখন নগরবাসী। পানি আনার দৃশ্যটি দেখি সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে। দেখি কোনো রুগ্ণ মেয়ে কিংবা নারীকে অ্যালুমিনিয়ামের খালি কলসি নিয়ে ওয়াসার পানির লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। খালি কলসি হাতে পানি আনার রঙিন চিত্র দেখি দৈনিক পত্রিকায়। দেখি না কোনো হাস্যোজ্জ্বল মুখ। পানি আনার ছবি দেখে আমরা যারা ঘর থেকে বের হই, প্রথমেই ঝগড়া বাধে রিকশাওয়ালার সঙ্গে। যদি যাওয়া মেলে তবে তার ইচ্ছাতেই। রিকশার সুযোগ না মিললে বাসে। সেও আর এক বিড়ম্বনা। বাসে ঝোলার ভাগ্যও যদি না জোটে, তবে শেষ অবলম্বন ১১ নম্বর। অর্থাত্ পায়ে হাঁটা। তাতেও বিড়ম্বনা।
সবার আগে প্রয়োজন দ্রুত যানবাহনে ব্যবহূত গ্যাসের মূল্য অন্তত ডিজেলের মূল্যের সমপরিমাণ করা, পথযাত্রীসহ সব গাড়ির যাত্রীকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা, গাড়িচালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য করা, ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা, মেইন রোডে গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ করা এবং ডাস্টবিন দূরে রাখা; প্রতিটি শহরের রাস্তার ধারণক্ষমতা নির্ণয় করে নতুন গাড়ি চলাচলের অনুমোদন দেওয়া।
শুধু যানজটের কারণেই প্রচুর সময় নষ্ট হয়। জট তো শুধু রাস্তায় নয়। উত্পাদন, গ্যাস, বিদ্যুত্, পানি—সবখানে। সরকার নিশ্চয়ই এসব জানে। তাহলে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? তারা তো আমার আপনার মতো দুবির্ষহ জীবন যাপন করে না। সব সময় থাকে এসি গাড়িতে, বাড়িতে কিংবা অফিসে ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়ায়। তাদের বাসাবাড়ি কিংবা অফিসে তো বিদ্যুত্, পানি, গ্যাসের সমস্যা হয় না। দেশের শত শত গার্মেন্টস, শিল্প কলকারখানা, সার কারখানা, সেচকাজ বন্ধ হলে তাদের তো কিছু আসে যায় না। আসে যায় শ্রমিক-মালিক, কৃষক আর আমার মতো ১১ নম্বর যাত্রীদের। জনদুর্ভোগ কী, তাঁরা বোঝেন না, বুঝতে চান না। এমনকি অতীতের কথাও মনে করতে চান না। মনে পড়বে সেদিন যে দিন কানসাটের মতো সমগ্র দেশবাসী রাস্তায় নেমে আসবে। তখন ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্র বলেও কোনো লাভ হবে না।
বেনু শর্মা, ঢাকা।
বিমানের ব্যাখ্যা
১৩ এপ্রিল প্রথম আলোর সংবাদ উদ্ধৃত করে ১৬ এপ্রিলের সম্পাদকীয়তে ‘লাভজনক দুবাই রুটটি বিমান কর্তৃপক্ষ চীনা প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ এবং ‘এ উদ্দেশ্যে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের খরচে চীন সফরেও যাচ্ছেন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি তা নয়। বাংলাদেশ বিমানের কোনো কর্মকর্তা চীন সফরে যাননি।
ওই প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় পড়ে মনে হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে একাকার করে ফেলা হয়েছে। বস্তুত এই দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বিমান পরিবহন ব্যবসায় নিয়োজিত। এটির রেগুলেটরি কোনো কার্যক্রম নেই। পক্ষান্তরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সরকারি একটি প্রতিষ্ঠান, যা সরকারের পক্ষে সব রেগুলেটরি ও নিয়ন্ত্রণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এয়ার সার্ভিস চুক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি প্রদানের বিষয়টি রেগুলেটরি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত, বাংলাদেশ বিমানের এখানে কোনো এখতিয়ার নেই।
বাংলাদেশের এয়ারলাইনস হিসেবে ‘বিমান’ আন্তসরকার চুক্তির আওতায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে মাত্র এবং এই ফ্লাইট পরিচালনাকালে সর্বদাই বাণিজ্যিক স্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।
প্রসঙ্গত, ১৩ এপ্রিলের প্রথম আলোর সংবাদের শেষাংশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রাসঙ্গিক মন্তব্যে দুবাই রুট-সম্পর্কিত বিষয়ে বিমানের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ নাসিম, উপমহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পিছিয়ে গেলে প্রথম আলো পাঠকদের কাছে এ বিষয়ে টেলিফোন মন্তব্য আহ্বান করেছিল ১৮ এপ্রিল। টেলিফোনে মন্তব্যকারীদের মধ্যে আমিও ছিলাম। আমার ছোট্ট মন্তব্যের উপসংহার ছিল, সরকার যদি আশঙ্কা করে যে ঘোষিত সময়ে ডিসিসি নির্বাচন করলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তাহলে সরকার তো নির্বাচন পেছাতেই পারে।
পরদিন প্রথম আলোয় প্রকাশিত পাঠকদের টেলিফোন মন্তব্যগুলোর মধ্যে দেখলাম, আমার মন্তব্যের ধাঁচের কথা কেউ বলেননি। বরং নির্বাচন পেছানোর জন্য সরকারের একটি সুপ্ত কৌশল কাজ করছে—এমন মন্তব্য করেছেন অনেকেই। কেউ কেউ বলেছেন, দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমি মনে করেছিলাম, আমার মন্তব্যটি প্রথম আলো ছাপবে না। কারণ তা অন্য সব মতের পাশে একেবারেই বেখাপ্পা ছিল। তা ছাড়া জনগণ সরকারকে সব সময় সক্ষম ও সদা প্রস্তুত দেখতে চায়। কোনো সরকার যদি যথাসময়ে নির্ধারিত কাজটি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে সরকার তার গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা হারায়। নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ মাসের পর মাস স্থগিত থাকলে জনমনে একই রকম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়। ডিসিসি নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত না হওয়ায় জনগণ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যর্থতাসহ নানা অভিযোগ অবশ্যই তুলবে এবং প্রথম আলোয় প্রকাশিত পাঠকদের টেলিফোন-মন্তব্যগুলোতে তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কিন্তু আমার বক্তব্য ছিল, যুদ্ধাপরাধ বা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে দেশে যে একটি কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে সরকার নিজেকে ও জনগণকে খুব নিরাপদ নাও ভাবতে পারে। সে জন্যই ডিসিসি নির্বাচন সরকার পিছিয়ে দিয়েছে। আমার এই ভিন্নমতকে গুরুত্ব দিয়েছে প্রথম আলো। দেখলাম, অন্য মন্তব্যগুলোর পাশে আমারটিও ছাপা হয়েছে। এটাই বোধহয় একটি সত্যিকারের সংবাদপত্রের বৈশিষ্ট্য—সব ধরনের মতামতকে জায়গা দেওয়া। প্রথম আলোকে ধন্যবাদ।
আবদুন নূর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
হাওরের কান্না
কিছুদিন ধরে পত্রপত্রিকায় চোখ রাখলেই দেখি অসহায় আর নিঃস্ব হাওরবাসীর হাহাকার।
ভৌগোলিক অবস্থান ও অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের হাওর এলাকার মানুষের জীবিকা প্রধানত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ব্যবসা-বাণিজ্য তেমন বিকশিত হয়নি, শিল্প বলতে গেলে নেই। তাই হাওর এলাকার জনগোষ্ঠী সারা বছর একটি ফসলের আশায় ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরগুলোতে সাধারণভাবে বছরে মাত্র একটি ফসলের চাষ করা যায়।
এই হাওরগুলোর ফসলের জমি রক্ষাকারী বাঁধগুলো একের পর এক ভেঙে যাচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য জলস্রোতে হাওরবাসীর স্বপ্নগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্নহারা, দিশেহারা মানুষের সামনে ঘোর অমানিশা। কেউ কেউ হয়তো এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু বারবার তারা শিকার হবে এই হতাশা, যন্ত্রণা, অনিশ্চয়তার। হাওর এলাকায় এই দুর্যোগ ধারাবাহিকভাবেই কয়েক বছর পর পর ঘটে, কখনো পর পর দুই বছরেও ঘটে। হাওরের দুর্ভাগা জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য কেউ ভাবে না—না সরকার, না রাজনীতিবিদেরা, যাঁদের কাছে আমাদের দুর্ভাগ্যের খবর পৌঁছালে আমরা আশায় থাকি, তাঁরা একটি উদ্ধারের উপায় বাতলে দেবেন, কিছু উদ্যোগ নেবেন। সরকার আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করবে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এ বিশ্বাস আমরা অর্জন করেছি।
হাওরবাসীর স্বপ্নভঙ্গের সময়েই এল আমাদের নববর্ষ—নানা রঙে, আনন্দে, গানে-নৃত্যে বরণ করে নিল দেশবাসী। আনন্দের বিস্ফোরণে হাওরের কান্না আমাদের কানে তো পৌঁছায়ই না, বরং দ্বিগুণ বেগে পালিয়ে যায়। সিডর, আইলা—এসব দুর্যোগের সময় সারা দেশে যেমন সহমর্মিতা বানের জলের মতো ফুলে উঠেছিল, হাওরের দুর্যোগের ক্ষেত্রে তো এর ছিটেফোঁটাও দেখি না। অথচ হাওরের ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে ধারাবাহিক সুদূরপ্রসারী।
হাওরবাসীর অপরিমেয় দুঃখের শুরু হলো। নাগরিক সমাজের কেউ তাদের পাশে নেই। অথচ বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যাণে তাদের দুঃখ চোখ এড়িয়ে যাবে, এমন উপায় নেই; তবু এ বিষয়ে নিশ্চুপ সবাই। হাওরাঞ্চলগুলোতে যেন এখন এক ট্র্যাজেডি ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে—আমরা সবাই দর্শ। মঞ্চে অনেক দুঃখ, অনেক কষ্ট দেখি, বেদনায়, অসহায়ত্বে অনেককে কুঁকড়ে যেতে দেখি, কাউকে দেখি সব হারিয়ে বিপর্যস্ত হতে, উদ্ভ্রান্ত হতে আর আমরা দর্শকসারিতে বসে থাকি নিশ্চুপ, মনে দুঃখ লাগলেও কারও কাছে বলি না, প্রকাশ করি না—থাকি ভাবলেশহীন, বহন করি। মঞ্চের সমস্যা শুধু দেখে যাব, যা-ই ঘটুক আমাদের তো আর কিছু করার নেই।
অন্তত প্রকৃতি অসহায় মানুষজনের প্রতি সদয় হোক—এই আশা করি।
অভীক চৌধুরী
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 20
(109)
- জেনেভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যাচারঃ বিচারবহির্ভূত...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে কী ঘটছে?- দেশি-বিদেশি ষড়যন...
- তুয়ারেগ, আফ্রিকার নীল মানুষ by কাজী জহিরুল ইসলাম
- এই নগরীর রাজনীতি by রেজোয়ান সিদ্দিকী
- কুমড়ার পেটে গঞ্জিকা by হাসান হাফিজ
- মানুষের মুখ-চান মিয়া বদলে দিতে চান by রমেশ কুমার
- ১৬তম সার্ক সম্মেলন-সার্কের কাঠামোগত সংস্কার দরকার ...
- অভিমত ভিন্নমত
- নেপাল-সংকটের সন্ধিক্ষণে by জেড ব্র্যান্ডট
- এখন বিচার্য, কোন ‘হায়দার’ আসল হায়দার-পুলিশের কাজ প...
- দুর্নীতি দমন প্রহসনে পরিণত হবে-দুদক আইন সংশোধন
- স্মরণ-গ্রীষ্মের প্রতীক্ষায় by আজিজুস সামাদ আজাদ
- নদীশাসন-‘ও নদী রে, তোর বুঝি কোনো ব্যথার দোসর নাই’ ...
- বন্য প্রাণী-বাঘের গ্রামে ঢোকা ঠেকানোর এখনই সময় by ...
- গদ্যকার্টুন-বাংলাদেশকে কে ডোবাবে? by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-পয়লা বৈশাখে একটি মনোরম সন্ধ্যা by সৈয়দ...
- ছাত্ররাজনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে-দুর্বিনীত ছাত...
- নাগরিক সমাজ এগিয়ে আসুন-‘বিচার বিভাগ কাচের ঘরে’
- চারদিক-লেমিনেটিং করা একটি চিঠি by সুজন হাজারী
- পাকিস্তান-সাংবিধানিক সংস্কারের শক্তি ও বিপদ by আসম...
- প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী-ছাত্র ইউনিয়নের অনন্য গৌরবগাথা by...
- ডিজিটাল বাংলাদেশ-প্রকৃত দিনবদলের সংস্কৃতি চাই by ম...
- কালের পুরাণ-ভোলা নিয়ে জল ঘোলা by সোহরাব হাসান
- কোনোভাবেই খাদ্যশস্য পচতে দেওয়া যাবে না-হিমাগারে আল...
- সরকারপক্ষের আরও সংযত হওয়া উচিত ছিল-ভোলায় উপনির্বাচন
- গন্তব্য ঢাকা-পরাধীন পাঁজরে মুক্তির স্বপ্ন by সিদরা...
- ছাত্ররাজনীতি-দুই সুপ্রিম কোর্টের রায় ও পাঁচ শিক্ষা...
- রবীন্দ্রজন্মোৎসব-রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার...
- অপরাধ ও বিচার-অপরাধী আর কেউ নয়, আমি by মুস্তাফা জা...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-মধ্যবিত্ত সামান্য ত্যাগ করলে দেশট...
- বিরোধীদের সইতে হবে, কর্মীদের সামলাতে হবে-রাজনীতিতে...
- সরকারকে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়াতে হবে-মধ্যপ্রাচ্যের শ...
- আবার আমি জ্বলে উঠবোঃ তিন্নি
- পবিত্র কোরআনের আলো-তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- পদ্মা সেতুতে বরাদ্দ রেখে নতুন এডিপি অনুমোদন
- আলোচনা সভায় বিচারপতি হাবিবুর রহমান-সাংবাদিকদের বিভ...
- তরুণীদের হূদয় ভাঙলেন জাকারবার্গ
- চ্যাম্পিয়নস লিগ সেই চেলসিরই
- সাকার বিরুদ্ধে আনিসুজ্জামানকে জেরা শেষ
- প্রশিকা কার্যালয় দখল করলেন কাজী ফারুক!
- অনশনে খালেদা জিয়া
- পর্যটন-এই শিল্পকে হরতালের আওতামুক্ত রাখুন by তৌফিক...
- সংবাদমাধ্যম-বাংলাদেশে সাংবাদিকের স্বাধীনতা by মুহা...
- ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি-ইলিয়াস আলীর বাসায় ...
- জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির নমুনা!-গফরগাঁওয়ে সাংসদের ...
- চারদিক-আরেক ফাল্গুনের কথা by অমর সাহা
- এই দিনে-রক্তে ভিজেছিল খাপড়া ওয়ার্ড by অনিরুদ্ধ দাশ
- ভিন্নমত-বিডিআরে বেসামরিক প্রশাসন by এ এম এম শওকত আলী
- প্রতিক্রিয়া-সন্ত্রাসের মারেফতি তত্ত্ব: চোখের আড়ে ল...
- মানবতা-আইলা-দুর্গতদের পুনর্বাসন: প্রধানমন্ত্রীর সফ...
- সময়চিত্র-পীর: বাহিনী ও কাহিনি by আসিফ নজরুল
- অনিয়মের জন্য ছাড় দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই-প্রিমিয়ার ব...
- সরকার-নির্ধারিত ক্রয়মূল্য কি কৃষকবান্ধব?-ধান কাটা ...
- আয়োজন
- টুকিটাকি-এবার বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে ভাইরাস
- লিন্ডাও নোবেল সম্মেলনে বাংলাদেশের পাঁচ গবেষক by জা...
- সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী by আসাদুজ্জা...
- বাঙালি বিজ্ঞানী-অমল কুমার রায়চৌধুরী by অভীক রায়
- বিলীন হচ্ছে নদী
- মানুষ কী চায়-ভেবে দেখার সময় এখনই
- চরাচর-বাঙালির চন্দ্রাবতী বিশ্বজনের হোক by মো. আবুল...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকরা বিপদে পড়লেই রাসুল (সা...
- সদরে অন্দরে-'ওস্তাদের কদর' মুখে নয় কাজেও দেখতে চাই...
- মনের কোণে হীরে-মুক্তো-নগরীতে উচ্চবিত্তের উত্তরমুখী...
- সংস্কৃতি সংবাদ-‘শুদ্ধভাবে কথা বলাটা বড় গুণ’
- নাচের মানুষ-প্রমার নৃত্যে জীবনের ছন্দ by এমিলিয়া খানম
- চিড়িয়াখানায় পানি নেই-ছোট খাঁচায় প্রাণ যায় by মিঠুন...
- বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের রিরুদ্ধে মামলা-কেউ ...
- পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস-আবারও মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা...
- অভিযোগ-এক শিক্ষক-পরিবারকে হয়রানি
- শ্বশুরের বিরুদ্ধে তল্লাশি পরোয়ানার মামলা by তানজিম...
- শিশুর জন্ম নিবন্ধন যেভাবে করবেন by নাঈমা আমিন
- জুভেন্টাস-পুনর্জন্ম by খলিলুর রহমান
- বরুসিয়া ডর্টমুন্ড-এবারও সেরা by সোলায়মান পলাশ
- ম্যানচেস্টার সিটি-নতুন দিন by রাজীব হাসান
- রিয়াল মাদ্রিদ-ফিরে আসা by আরিফুল ইসলাম
- ক্ষতি ভয়ংকর-খুলুসহ চারজন জেলে
- ইয়াবা পাচারে এ কী কৌশল! by এস এম রানা
- বাড়ছে সংসার ভাঙা রোগ by তৌফিক মারুফ
- ছয় পরিবারের পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ-অর্থসহায়তার চেক হস...
- জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উপায়-৬-শিক্ষায় সাফল্য কিনত...
- খালেদার নেতৃত্বে গণ-অনশন আজ মহানগর নাট্যমঞ্চে
- হরতালের বিকল্প খোঁজার তাগিদ by পার্থ প্রতীম ভট্টাচ...
- বাংলার মেয়ের এভারেস্ট বিজয়
- অমানবিক-দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক জিসান হত্যাকারীর
- ইয়াবার চালান আটক-উৎস সন্ধান করে কঠোর ব্যবস্থা নিন
- পবিত্র কোরআনের আলো-এই মহাবিশ্ব এবং মানবজীবনের সব ক...
- সারা বাংলাদেশই দুই শিবিরে বিভক্ত by মুহাম্মদ হাবিব...
- চরাচর-ঘুড়ি কাটাকাটি প্রতিযোগিতা by হাকিম বাবুল
- ভিসির পদত্যাগ এবং নতুন ভিসি নিয়োগ by এ কে এম শাহনা...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-জনশক্তি রপ্তানি : মালয়েশিয়ায় প...
- হরতাল কি গণতান্ত্রিক অধিকার by এ এম এম শওকত আলী
- এক মলাটে ইজতেমা প্রকাশনা
- শোষণমুক্ত সমাজ ও কবি নজরুল by গাউসুর রহমান
- ইসলামে পরামর্শের গুরুত্ব by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- নির্বাচনী খাওয়া-দাওয়া by জাহিরুল ইসলাম
- ফিদা হুসেনের অশেষ জীবন by সুভাষ সাহা
- শিক্ষা-সম্মান কোর্স চালুর আড়ালে অসম্মানের চিত্র by...
- ধর নির্ভয় গান-ওরে সাবধানী পথিক, বারেক পথ ভোল by আল...
- সমুদ্রসৈকত রক্ষায় হাইকোর্ট-প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা ...
- বিরোধী দলের বাজেট প্রস্তাবনা-সংসদে এসেও বলুন
- হিলারির সফর-পরামর্শ বন্ধু না প্রভুর? by ইসমাইল হোসেন
- জ্ঞানভিত্তিক কর্মজগতেই সমাধান by সঞ্জয় সরকার
- সফট টার্গেট by সুভাষ সাহা
- রোহিঙ্গা শরণার্থী-মিয়ানমারে আদমশুমারি ও বাংলাদেশের...
- রাজনীতি-প্লিজ বলুন, সেই পথ কী by মাহমুদুর রহমান মা...
- আদালতের আদেশ পেঁৗছাতে বিলম্ব-নিছক গাফিলতি, নাকি দু...
- ইয়াবা পাচার-মারণ নেশা থেকে বাঁচান
-
▼
May 20
(109)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment