Sunday, February 3, 2013
‘সাধারণ’ ওষুধঃ অসাধারণ চিকিৎসক- তৃতীয় নয়ন by মীযানুল করীম
‘সাধারণ’ ওষুধঃ অসাধারণ চিকিৎসক- তৃতীয় নয়ন by মীযানুল করীম
ঢাকার বাইরে একটি জেলায় গ্রামাঞ্চলে যাচ্ছি। জেলা সদর থেকে চাপলাম লোকাল বাসে। ছাড়ার আগেই শুরু হলো যাত্রীদের ‘ধূম্র উৎসব’।
অর্থাৎ
মহানন্দে বেপরোয়া ধূমপান। আমার ডানে-বাঁয়ে, সামনে-পেছনে বোধহয় কেউ বাকি
ছিল না। কিশোর থেকে বৃদ্ধ, ধনী থেকে গরিবÑ সব যাত্রী সিগ্রেট ফুঁকছে বিপুল
উৎসাহে। গাড়ি থেমে থাকা অবস্থায় ধোঁয়ায় ভরে যাচ্ছিল বাসের ভেতরটা।
কেবল দু-একজন সিগ্রেট টানলে না হয় অনুরোধ করা যায় না খেতে। কিন্তু সবাই
যখন এই অপকর্মে মেতে ওঠে, তখন অসহায়ভাবে বসে থাকার বিকল্প নেই। না হয়
হলাম ‘হংস মাঝে বক যথা’, কিন্তু দম বন্ধ করে বসে থাকতে তো পারি না। এ দিকে
ধূমপানের তাণ্ডবে নাক দিয়ে ধোঁয়া ঢুকছে। চোখ জ্বালাপোড়া করছে একই কারণে।
যারা সিগ্রেট খাচ্ছে, তারা যেন ধারণাই করতে পারে না যে, কোনো
প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যাত্রী এই ক্ষতিকর কাজটি থেকে বিরত থাকতে পারেন। সেদিন
বাস ছাড়তে দেরি হচ্ছিল; এর মধ্যে মহিলা যাত্রীদের অবস্থা ও অস্বস্তি কেমন
হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। পাশের কেউ বিড়ি-সিগ্রেট টানলে মহিলা ও শিশু,
বিশেষ করে গর্ভবতী নারীর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, সে কথা কাউকে বলার
উপায় ছিল না।
এ তো শুধু একটি অভিজ্ঞতার খণ্ডচিত্র। সে রুটেই কেবল নয়, এমন বহু রুটের যানবাহনে ফ্রি স্টাইলে ধূমপানের উন্মত্ততা চলে অহরহ। নিত্যদিন অসংখ্য মানুষ এভাবে যক্ষ্মা ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন কালব্যাধি ডেকে আনছে নিজের জন্য। তেমনি পাশের মানুষটিরও ক্ষতি করছে অজান্তে।
আমার পরিচিত এক লোক তার শৈশবের একটি ঘটনা বলেছিলেন। তখন এক দিন কোত্থেকে যেন একটা সিগ্রেট পেয়েছিলেন। বড়রা ফুড়–ত ফুড়–ত টানে। সব সময় এটা দেখে ভাবলেন, না জানি কত না স্বাদের জিনিস। রাতে বুড়ি নানী ঘুমাচ্ছিলেন মশারি খাটিয়ে। শিশু নাতি সিগ্রেট ধরিয়ে নানীর মশারিতে ঢুকলেন যাতে লুকিয়ে তা খাওয়া যায়। শুয়ে সিগ্রেটে টান দিলেন। নেশার সুখটানে অচিরেই গভীর ঘুম। এ দিকে হাতের সিগ্রেট জ্বলছে। হঠাৎ নানীর আর্তচিৎকারে ঘুম ভেঙে গেলে দেখেন, মশারিতে আগুন লেগে গেছে। ওই সিগ্রেটই এর উৎস। ভাগ্য ভালো যে, সেদিন কোনো মতে নানী-নাতি প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু কত লোকই তো এমন ঘটনায় হতাহত হয়েছেন, হচ্ছেন। এ দেশের একজন বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী সত্তরের দশকে মশারিতে সিগ্রেটের আগুন লেগে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
ধূমপানও মদপানের মতো নেশা। মাদকাসক্তির সূচনা হয় বিড়ি-সিগ্রেট দিয়ে। কথায় বলেÑ ‘মানুষ প্রথমে সিগ্রেট খায়, পরে সিগ্রেট তাকে খায়।’ আমার মনে হয় বুদ্ধিমান ধূমপায়ীরাও এ কাজটি করার সময় কাণ্ডজ্ঞান, আক্কেল-আন্দাজ হারিয়ে ফেলেন। কোথায় কিভাবে ধূমপান করছেন; পাশেই কোনো রোগী, শিশু, মহিলা বা বৃদ্ধ আছেন কি না অথবা পাশের মানুষটি ধূমপান ঘৃণা করেন কি নাÑ এসব প্রায় ক্ষেত্রে তোয়াক্কা করা হয় না। এমনকি সিগ্রেটের অবশিষ্ট অংশটুকু তারা কোনো খেয়াল না করেই বে-আক্কেলের মতো যেদিকে সেদিকে ইচ্ছামতো ছুড়ে মারেন। একবার এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন তার ভাইয়ের বিপদের কথা। ভাইটি একটি বাসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক যাত্রী ছুড়ে ফেললেন সিগ্রেটের লেজ। জ্বলন্ত টুকরোটি ওই তরুণের চোখে এসে লাগে। এতে তার চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। এমন ঘটনার শিকার হয়ে অন্ধও হওয়া বিচিত্র নয়।
প্রকাশ্যে ধূমপানের শাস্তি ৫০ টাকা জরিমানা। যদিও ধূমপানের ভয়াবহ ক্ষতির তুলনায় এটা কিছুই না, তবুও এই নগণ্য দণ্ডটুকু পর্যন্ত কার্যকর হচ্ছে না। দু-এক জায়গায় কোনো কোনো ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দু-চারজনের জরিমানা করেছেন। এটা ব্যতিক্রম মাত্র। খোদ পুলিশ লোকজনের মাঝে ইচ্ছামতো ধূমপান করছে; আইন প্রয়োগ করবে কে? শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল বহু নাগরিকও রাস্তাঘাটে, যানবাহনে সিগ্রেট ফুঁকছেন। অন্যদের এতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার গরজও কারো নেই।
আজকাল বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞাপনে গালভরা বুলি দেখা যায়Ñ ‘কোলাহলমুক্ত পরিবেশ, রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস।’ বাস্তবে অবস্থাটা কী? বিভিন্ন নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে দেখা যায়, ভদ্রঘরের অভিজাত শিক্ষার্থীরা প্রাণপণে সিগ্রেট টেনে শেষ করায় ব্যস্ত। কারণ কাসের সময় হয়ে যাচ্ছে। গেটেই ধূম্র পান করার কাজটা সম্পন্ন করে ক্যাম্পাস ধোঁয়া থেকে মুক্ত রাখার বিষয়ে ছাত্ররা খুব সচেতন!
আমাদের শৈশবে মফস্বলে দেখতাম, একেবারে অশিক্ষিত, মুটে-মজুর শ্রেণীর কিংবা ছিন্নমূল টোকাই শিশু-কিশোররাই বিড়ি-সিগ্রেট টানে। এটাকে বড় ধরনের বেয়াদবি বা মন্দকাজ বলেও মুরব্বিরা মনে করেন। এখন দেখছি, অন্যান্য দিকের মতো এ দিক দিয়েও সমাজ বদলে যাচ্ছে। এই রাজধানীতে দেখা যায়, শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্কুলপড়–য়া ছেলেরা পর্যন্ত প্রকাশ্যে সিগ্রেট টানছে ‘ড্যাম কেয়ার’ ভঙ্গিতে। ‘অভিজাত’ পরিবারের শিক্ষিত তরুণীদের অনেকের ধূমপান চলছে রাস্তাঘাটেই। আমি নিজেই এই দৃশ্য দেখেছি।
এই যে এতক্ষণ ধূমপানবিরোধী এত কিছু বলেছি, এতে অনেকে অবাক হয়ে ভাববেনÑ এখন তো সংশ্লিষ্ট কোনো দিবস নেই, তবুও কেন এসব বক্তব্য ঝাড়লেন? আবার ধূম্রপূজারীরা বিরক্তির সাথে বলবেন, কোটি কোটি মানুষ যা করছে, তার সমালোচনা করে এসব প্যাঁচাল পাড়ছেন কেন?
কারণ হলো, যে মানুষটি আজীবন এই জাতিকে সজাগ ও সতর্ক করতে চেয়েছেন ধূমপানের নীরব ঘাতক সম্পর্কে, তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। নিশ্চয়ই সবাই বলবেন, সেই ‘তিনি’ আর কেউ ননÑ জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর ডা: নুরুল ইসলাম। ভাবছি, যেখানে দেশে ধূমপানের মাত্রা কমেছে বলে মনে হয় না এবং দেশী-বিদেশী নতুন নতুন ব্র্যান্ডের সিগারেটের বাজার বাড়ছে, সে ক্ষেত্রে নুরুল ইসলামরা সফল হলেন কই? তাহলে কেন তিনি অন্তত অর্ধশতাব্দী ধরে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে চাইলেন? আসলে তিনি একা তো এই অসাধ্য সাধন করতে পারেন না। কিন্তু জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়ে ধূমপানের বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন দশকের পর দশক।
ছোটবেলায় শুনেছি, সিভিল সার্ভিস বা সুপিরিয়র সার্ভিসের ক্যাডারদের চাকরির আগে ট্রেনিং দেয়া হয় স্মার্টনেসেরও। এ জন্য যেসব কাজ শেখানো হয়, তার মধ্যে আছে সিগ্রেট কিভাবে ধরে কেমন করে খেতে হবে, সে স্টাইলও। এটা পাকিস্তানি আমলের কথা এবং ব্রিটিশ আমলের উত্তরাধিকার। এখন নিশ্চয়ই এসব করা হয় না। স্মার্ট হতে ধূমপান করতে হয় না, বরং অধূমপায়ীরাই প্রকৃত স্মার্ট ও আধুনিক। এই জরুরি আইডিয়া ও উপলব্ধি অনেকের মধ্যে এসেছে। এর কৃতিত্ব সবচেয়ে বেশি যে মানুষটির নিরলস প্রয়াসের, তার নাম (প্রফেসর) নুরুল ইসলাম। বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে সত্যিকার আধুনিক ও স্মার্ট বানাতেই তিনি তার সবচেয়ে প্রিয় সংগঠনটির নাম দিয়েছিলেন ‘আধূনিক’। ‘আমরা ধূমপান নিবারণ করি’Ñ শব্দ চারটির আদ্যাক্ষর নিয়ে ‘আধূনিক’। কিছু দিন আগে একটি সংগঠন তরুণ-তরুণীদের নিয়ে প্রচার শুরু করেছিলÑ ‘আমরা স্মার্ট। তাই আমরা ধূমপান করি না।’ এই কার্যক্রম ব্যাপক করা এবং অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন দূরদর্শী। এর প্রমাণ (ক) ‘আধূনিক’ আন্দোলন, (খ) জাতীয় ওষুধনীতি ও স্বাস্থ্যনীতি, (গ) সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা, (ঘ) উচ্চশিক্ষা বিস্তারের বেসরকারি উদ্যোগ।
যখন ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তখন অনেকেই অবাক হয়ে ভেবেছেনÑ ‘দেশে কত বড় বড় সমস্যা, আর উনি নেমেছেন সিগ্রেট ফুঁকার বিরুদ্ধে।’ ধূমপানকে নেশা বলে মনে করা হতো না। মানুষের ধারণা ছিল, ‘মদ খাওয়া না হয় খারাপ, মুখ থেকে সামান্য ধোঁয়া ছাড়লে কার কী ক্ষতি।’ এখন যক্ষ্মার সাথে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মহামারী দেখে বোঝা যায়, ডা: নুরুল ইসলামের কতখানি দূরদৃষ্টি ছিল। বারডেম প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ডা: মোহাম্মদ ইব্রাহিম যখন এই প্রতিষ্ঠান গড়ায় নামলেন, তখন অনেক চিকিৎসক পর্যন্ত তার অগ্রাধিকারবোধ নিয়ে ব্যঙ্গ-রসিকতা করতেন। আশির দশকের মাঝামাঝি বারডেম ভবনের তলা যখন বাড়ছে, তখন একজন চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষের মারাত্মক রোগ হিসেবে ডায়াবেটিসের নাম অনেক পরে। অথচ ইব্রাহিম সাহেব তা নিয়ে মাতামাতি করছেন।’
এখন প্রমাণিত হচ্ছে ইব্রাহিমের দূরদর্শিতা। ওই চিকিৎসক ‘আঁতের ডাক্তার’। নিশ্চয়ই আন্ত্রিক রোগের চেয়ে ডায়াবেটিসের রোগী বহুগুণ বেশি। ডা: নুরুল ইসলামের ‘আধূনিক’ নিয়েও বহু আধুনিক মানুষ প্রথমে ভ্রƒ কুঁচকিয়ে ভেবেছিলেন, সিগ্রেট নিয়ে তিনি বাড়াবাড়ি করছেন। সময় প্রমাণ করেছে, ধূমপান মানে বিষপান; ধূমপান মানে প্রতি বছর লাখ লাখ লোকের অদৃশ্য খুনি।
ডা: নুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মতো বিখ্যাত ব্যক্তিদের চিকিৎসক ছিলেন। সেই সূত্রে অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তির সাথে তার ঘনিষ্ঠতা যেমন ছিল, তেমনি ছিলেন তাদের সম্পর্কে ব্যাপক অভিজ্ঞতার অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে বইও লিখেছেন। এটি শেখ হাসিনার বিগত শাসনামলে প্রকাশিত হয়। তবে ডা: নুরুল ইসলাম রাজনীতিতে যেমন জড়াননি, তেমনি বিশেষ কোনো দলের অন্ধ অনুসারীও ছিলেন না। কর্মক্ষেত্রে তিনি উদারতা ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতেন। উগ্রতা, সঙ্কীর্ণতা ও মতান্ধতা থেকে ছিলেন দূরে।
প্রফেসর নুরুল ইসলামের এই উদারতার একটি বড় প্রমাণ চিকিৎসার বিশেষ কোনো সিস্টেমের প্রতি অন্ধ মোহ না থাকা। আজকের বিশ্বে আর শুধু অ্যালোপ্যাথির একচেটিয়া রাজত্ব নেই। দীর্ঘ দিন মনে করা হয়েছে, মডার্ন মেডিসিন মানেই শুধু বিশেষ একটি সিস্টেম। এখন সেই সাথে স্বীকৃত হয়েছে হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আয়ুর্বেদীয় পদ্ধতিও। নিশ্চয়ই বিভিন্ন কারণে অ্যালোপ্যাথির প্রাধান্য রয়েছে এবং তা থাকবে বলে ধরে নেয়া যায়। তবে অন্য তিনটি পদ্ধতি বা সিস্টেমের প্রতি অবজ্ঞা-উন্নাসিকতার অবসান ঘটছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থাকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে বিশেষ করে দুই দশক ধরে। এর পেছনে রয়েছে প্রফেসর নুরুল ইসলামের মতো প্রাজ্ঞ ও জনকল্যাণব্রতী ব্যক্তিদের বিরাট অবদান। পাশের দেশ ভারতে সমন্বিত চিকিৎসা সরকারি স্বীকৃতি পেলেও আমাদের দেশে এখনো সরকারিভাবে একাধিক সিস্টেম কার্যত চালু হয়নি।
নিকট অতীতেও ‘অ্যালোপ্যাথি বনাম হোমিওপ্যাথি’ শত্রুতার প্রাদুর্ভাব ছিল প্রকট। অ্যালোপ্যাথরা হোমিওপ্যাথদের অবৈজ্ঞানিক ও হাস্যকর পন্থার অনুসারী মনে করে পুরো সিস্টেমকেই নাকচ করে দিতেন। ‘এটা মিসকিনের দেশের ফকিরি চিকিৎসা’ বলে ব্যঙ্গ করা হতো। এর বিপরীতে হোমিওপ্যাথির ভক্তরা বিদ্রƒপ করে বলতেন, ‘আলুপাতি (অ্যালোপ্যাথি) খামু, না কলাপাতি খামু?’ বাস্তবে কোনো সিস্টেমেই নেই শত ভাগ রোগের চিকিৎসা। সর্বরোগহর ধন্বন্তরী মহৌষধ হওয়ার দাবি কোনো ‘প্যাথি’র করার যুক্তি নেই। অথচ বিশ্বে মানুষ বাড়ছে; বাড়ছে ব্যাধি। চিকিৎসাবিজ্ঞান এগিয়েছে। তেমনি নতুন নতুন জটিল রোগ যেন মানবজাতির এই অগ্রগতিকে চ্যালেঞ্জ করছে। কয়েক শ’ কোটি মানবসন্তানের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য তাই প্রয়োজন একাধিক সিস্টেমের সমন্বিত ব্যবস্থা। বিশেষ কোনো সিস্টেমের প্রতি মোহ এক ধরনের সঙ্কীর্ণতা ও বাস্তববোধহীনতার পরিচায়ক।
প্রফেসর নূরুল ইসলাম এই অনস্বীকার্য বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন অনেক বছর আগেই। জীবনের শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থার লক্ষ্যে অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানি ও হোমিওপ্যাথিসহ বিভিন্ন সিস্টেমের যুগোপযোগী উন্নয়ন এবং বিকাশ ও প্রয়োগ কামনা করেছেন। হামদর্দকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি হামদর্দ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনানি এই প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডেশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমেও তার ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
প্রসঙ্গক্রমে অন্তত আরো দু’জন খ্যাতনামা চিকিৎসকের নাম নিতে হয় সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থার কথা বলতে গেলে। একজন হলের মরহুম প্রফেসর বদরুল আলম, অন্যজন মরহুম হাকিম হাফেজ আজীজুল ইসলাম। হোমিওপ্যাথির জনক, জার্মানির হ্যানেমান অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও পরে হোমিওপ্যাথ হিসেবে আজীবন চিকিৎসা করেছিলেন। তেমনি বাংলাদেশের ডা: বদরুল আলম সরকারি অ্যালোপ্যাথিক প্রতিষ্ঠানের উঁচুপর্যায়ের কর্মকর্তা হয়েও পরে হোমিওপ্যাথ হিসেবে বিপুল পরিচিতি অর্জন করেছেন। আর হাফেজ আজীজুল ইসলাম ছিলেন বিখ্যাত ইউনানি বিশেষজ্ঞ এবং হাবিবিয়া তিব্বিয়া কলেজের অধ্যক্ষ। তাদের মতো চিকিৎসা ব্যক্তিত্বও প্রফেসর নুরুল ইসলামের একই ভূমিকায় সমন্বিত চিকিৎসার আইডিয়া ও সিস্টেমের গুরুত্ব তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
আমি একাধিকবার গিয়েছি ডা: নুরুল ইসলামের চেম্বারে। কোনো সময়ে নিজে রোগী হিসেবে, কখনো বা অন্য রোগী নিয়ে। তখন তাকে কাছ থেকে দেখেছি, আরো জেনেছি তার সম্পর্কে। তিনি অন্যান্য চিকিৎসকের মতো সপ্তাহের বেশির ভাগ দিনে রোগী দেখতেন না। সপ্তাহে দু-তিন দিন রোগী দেখলেও একনাগাড়ে বহু রোগী দেখার অভ্যাস ছিল না তার। তিনি সীমিতসংখ্যক রোগী দেখতেন ধীরে সুস্থে। রোগীকে সময় দিতেন। তার কথা শুনতেন মনোযোগ দিয়ে। অন্তরঙ্গ শুভাকাক্সী হিসেবে ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ করে সব জেনে নিয়ে পরামর্শ দিতেন। আমি ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রফেসর পর্যায়ের ‘নামকরা’ প্রবীণ ডাক্তারকে দেখেছি, লম্বা তালিকামাফিক রোগী দেখা শেষ করতে গিয়ে সময় দেন মাত্র ৫-৭ মিনিট করে। তার ব্যস্তসমস্তভাব আর অমনোযোগ দেখে রোগী নিজের সমস্যার কথা বলার সাহস ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। এমন কি, ব্যস্ততার কারণ না থাকলেও কোনো কোনো সিনিয়র চিকিৎসক রোগীর জন্য যথেষ্ট সময় দেন না কিংবা পরিচয় দেন না আন্তরিকতার। নুরুল ইসলাম সাহেব এসব ত্রুটি থেকে ছিলেন মুক্ত। অনেক ডাক্তার রোগীকে অহেতুক ঘোরান, যেমন অনেক উকিল মক্কেলকে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে মজা পান। এতে ফির নামে তাদের আয়রোজগার বাড়ে। অথচ সেই রোগী কিংবা মক্কেলের বিষম দুর্ভোগের কথা ভেবে দেখেন না। কোনো রোগীর চিকিৎসা মেডিসিন ছাড়া অন্য বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করছে দেখলেই ডা: নুরুল ইসলাম তাকে সেখানে ‘রেফার’ করতেন। নিজে ভাব দেখাতেন না সবজান্তার। তিনি শুধু পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকতেন না, এর বাইরে ধূমপান নিরোধ ও শিক্ষা বিস্তারসহ সমাজসেবামূলক নানা কার্যক্রমে তার ছিল সম্পৃক্ততা। তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি চিকিৎসায় ওষুধের ওপর বেশি জোর দিতেন না। দূর-দূরান্ত থেকে বহু জটিল ও পুরনো রোগী তার কাছে আসতেন। অনেকেরই দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা থাকত তাকে নিজের রোগের কথা খুলে বলার। আমাদের দেশে ছোট-বড়, সিনিয়র-জুনিয়র, জিপি কিংবা স্পেশালিস্ট নির্বিশেষে ডাক্তারেরা সাধারণত একগাদা ওষুধের লিস্ট আর মেডিক্যাল টেস্টের তালিকা রোগী বা তার সঙ্গীর হাতে ধরিয়ে দেন। মানুষেরও এমন ধারণা আছে, যিনি যত ডিগ্রিধারী বড় ডাক্তার, তিনি তত দামি ও দুর্লভ ওষুধপত্রের তালিকা দেবেন যা হবে সমানুপাতিক দৈর্ঘ্যরে। ডা: নুরুল ইসলাম ওষুধের পাশাপাশি রোগীর অভ্যাস ও জীবনাচারকেও খুব গুরুত্ব দিতেন। তাই তার ডিগ্রির তালিকা এবং অভিজ্ঞতার মেয়াদ দীর্ঘ হলেও প্রেসক্রিপশন হতো সাধারণত হ্রস্ব। কোনো কোনো ডাক্তার এমন সব দামি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, যেগুলোর নাম উচ্চারণের মতো কিনতে পাওয়াও কঠিন। ঢাকার বড় বড় মেডিসিন মার্কেটে খুঁজেও হদিস মেলে না সে ওষুধের। প্রফেসর নুরুল ইসলাম নিজের আর্থিক প্রসারের চেয়ে দেশে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারকে বড় করে দেখতেন। এ জন্য তাকে বলতে হয় ‘সাধারণ ওষুধ দেয়া অসাধারণ চিকিৎসক’।
মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তির দিক দিয়েও প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন আদর্শস্থানীয়। তার পিতা মরহুম সৈয়দুর রহমান ছিলেন সাধারণ স্কুলশিক্ষক। ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর মা-ই তাকে মানুষ করার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। মায়ের প্রতি তার অপার শ্রদ্ধার নিদর্শন ঢাকায় ৬৩, সেন্ট্রাল রোডের বাড়িটি। ল্যাবএইড হাসপাতালের অল্প পূর্ব দিকে, সায়েন্স ল্যাবরেটরির উত্তর পাশের বাড়িটিতে কিছু গাছপালা দিয়েছে সবুজ ছায়া। গেটে নাম লেখা গুলমেহের। এই বাড়িতেই ডা: নুরুল ইসলাম জীবন কাটিয়ে গেলেন। এখানেই তার বাসা, চেম্বার এবং তার প্রতিষ্ঠিত ভার্সিটির ঢাকা অফিস। ‘আধূনিক’ সংগঠনটির কার্যালয়ও এখানেই থাকার কথা। মরহুম নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেছেন, এখানে দেশী-বিদেশী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। এর একটি হলও মায়ের নামে। সেই গুলমেহের হলের সামনে ডা: নুরুল ইসলাম গত ২৫ জানুয়ারি হয়েছেন চিরশয্যায় শায়িত।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তিত্ব। তার দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ, ভূমিকা ছিল স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ। তিনি চিকিৎসক হিসেবে ওষুধের বোঝা না চাপিয়ে অল্প কয়েকটি ওষুধ প্রেসক্রাইব করতেন। তা-ও বেশির ভাগ কম দামি ও সহজপ্রাপ্য। চিকিৎসার এই ধরন এবং চিকিৎসাপদ্ধতির ব্যাপারে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির মতো নিজের নামের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ‘নূরুল’ না লিখে লিখতেন ‘নুরুল’।
৩১ মে ধূমপানবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। এ উপলক্ষে ‘আধূনিক’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। আর ডা: নুরুল ইসলাম প্রতি বছর পত্রিকায় লিখতেন নিবন্ধ। নয়া দিগন্তে লেখা পাঠাতেন সেদিন ছাপানোর জন্য। এবারো দিনটি আসবে, কিন্তু আর কোনো দিন তিনি লেখা পাঠাবেন না।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ ও জাতির জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন। এখন তাকে কাজের মাধ্যমে স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। শুধু মৃত্যুদিবস পালন কোনো কাজে আসে না। তার স্মরণে কোনো মেডিক্যাল কলেজ বা ভার্সিটিতে ‘চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা, গবেষণাবৃত্তি প্রদান, পদক ও পুরস্কার প্রবর্তন, ভবনের নামকরণ প্রভৃতি প্রস্তাব এসেছে। এগুলো করা যেতে পারে অবশ্যই। অনেকেই মনে করেন তার মতো চিকিৎসক, শিক্ষাব্রতী, গবেষক, সমাজসেবী, সংগঠক, লেখক ও কর্মবীরের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য সবার কিছু করণীয় আছে। ধূমপানসহ তামাক সেবনের বদ-অভ্যাস দূরীকরণ, জাতীয় স্বাস্থ্য এবং ওষুধনীতির বাস্তবায়ন, সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং মানসম্মত উচ্চশিক্ষার প্রসার যেদিন নিশ্চিত হবে, সেদিন সম্ভব হবে প্রফেসর নুরুল ইসলামের অবদানের যথার্থ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি।
এ তো শুধু একটি অভিজ্ঞতার খণ্ডচিত্র। সে রুটেই কেবল নয়, এমন বহু রুটের যানবাহনে ফ্রি স্টাইলে ধূমপানের উন্মত্ততা চলে অহরহ। নিত্যদিন অসংখ্য মানুষ এভাবে যক্ষ্মা ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন কালব্যাধি ডেকে আনছে নিজের জন্য। তেমনি পাশের মানুষটিরও ক্ষতি করছে অজান্তে।
আমার পরিচিত এক লোক তার শৈশবের একটি ঘটনা বলেছিলেন। তখন এক দিন কোত্থেকে যেন একটা সিগ্রেট পেয়েছিলেন। বড়রা ফুড়–ত ফুড়–ত টানে। সব সময় এটা দেখে ভাবলেন, না জানি কত না স্বাদের জিনিস। রাতে বুড়ি নানী ঘুমাচ্ছিলেন মশারি খাটিয়ে। শিশু নাতি সিগ্রেট ধরিয়ে নানীর মশারিতে ঢুকলেন যাতে লুকিয়ে তা খাওয়া যায়। শুয়ে সিগ্রেটে টান দিলেন। নেশার সুখটানে অচিরেই গভীর ঘুম। এ দিকে হাতের সিগ্রেট জ্বলছে। হঠাৎ নানীর আর্তচিৎকারে ঘুম ভেঙে গেলে দেখেন, মশারিতে আগুন লেগে গেছে। ওই সিগ্রেটই এর উৎস। ভাগ্য ভালো যে, সেদিন কোনো মতে নানী-নাতি প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু কত লোকই তো এমন ঘটনায় হতাহত হয়েছেন, হচ্ছেন। এ দেশের একজন বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী সত্তরের দশকে মশারিতে সিগ্রেটের আগুন লেগে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
ধূমপানও মদপানের মতো নেশা। মাদকাসক্তির সূচনা হয় বিড়ি-সিগ্রেট দিয়ে। কথায় বলেÑ ‘মানুষ প্রথমে সিগ্রেট খায়, পরে সিগ্রেট তাকে খায়।’ আমার মনে হয় বুদ্ধিমান ধূমপায়ীরাও এ কাজটি করার সময় কাণ্ডজ্ঞান, আক্কেল-আন্দাজ হারিয়ে ফেলেন। কোথায় কিভাবে ধূমপান করছেন; পাশেই কোনো রোগী, শিশু, মহিলা বা বৃদ্ধ আছেন কি না অথবা পাশের মানুষটি ধূমপান ঘৃণা করেন কি নাÑ এসব প্রায় ক্ষেত্রে তোয়াক্কা করা হয় না। এমনকি সিগ্রেটের অবশিষ্ট অংশটুকু তারা কোনো খেয়াল না করেই বে-আক্কেলের মতো যেদিকে সেদিকে ইচ্ছামতো ছুড়ে মারেন। একবার এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন তার ভাইয়ের বিপদের কথা। ভাইটি একটি বাসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক যাত্রী ছুড়ে ফেললেন সিগ্রেটের লেজ। জ্বলন্ত টুকরোটি ওই তরুণের চোখে এসে লাগে। এতে তার চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। এমন ঘটনার শিকার হয়ে অন্ধও হওয়া বিচিত্র নয়।
প্রকাশ্যে ধূমপানের শাস্তি ৫০ টাকা জরিমানা। যদিও ধূমপানের ভয়াবহ ক্ষতির তুলনায় এটা কিছুই না, তবুও এই নগণ্য দণ্ডটুকু পর্যন্ত কার্যকর হচ্ছে না। দু-এক জায়গায় কোনো কোনো ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দু-চারজনের জরিমানা করেছেন। এটা ব্যতিক্রম মাত্র। খোদ পুলিশ লোকজনের মাঝে ইচ্ছামতো ধূমপান করছে; আইন প্রয়োগ করবে কে? শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল বহু নাগরিকও রাস্তাঘাটে, যানবাহনে সিগ্রেট ফুঁকছেন। অন্যদের এতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার গরজও কারো নেই।
আজকাল বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞাপনে গালভরা বুলি দেখা যায়Ñ ‘কোলাহলমুক্ত পরিবেশ, রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস।’ বাস্তবে অবস্থাটা কী? বিভিন্ন নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে দেখা যায়, ভদ্রঘরের অভিজাত শিক্ষার্থীরা প্রাণপণে সিগ্রেট টেনে শেষ করায় ব্যস্ত। কারণ কাসের সময় হয়ে যাচ্ছে। গেটেই ধূম্র পান করার কাজটা সম্পন্ন করে ক্যাম্পাস ধোঁয়া থেকে মুক্ত রাখার বিষয়ে ছাত্ররা খুব সচেতন!
আমাদের শৈশবে মফস্বলে দেখতাম, একেবারে অশিক্ষিত, মুটে-মজুর শ্রেণীর কিংবা ছিন্নমূল টোকাই শিশু-কিশোররাই বিড়ি-সিগ্রেট টানে। এটাকে বড় ধরনের বেয়াদবি বা মন্দকাজ বলেও মুরব্বিরা মনে করেন। এখন দেখছি, অন্যান্য দিকের মতো এ দিক দিয়েও সমাজ বদলে যাচ্ছে। এই রাজধানীতে দেখা যায়, শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্কুলপড়–য়া ছেলেরা পর্যন্ত প্রকাশ্যে সিগ্রেট টানছে ‘ড্যাম কেয়ার’ ভঙ্গিতে। ‘অভিজাত’ পরিবারের শিক্ষিত তরুণীদের অনেকের ধূমপান চলছে রাস্তাঘাটেই। আমি নিজেই এই দৃশ্য দেখেছি।
এই যে এতক্ষণ ধূমপানবিরোধী এত কিছু বলেছি, এতে অনেকে অবাক হয়ে ভাববেনÑ এখন তো সংশ্লিষ্ট কোনো দিবস নেই, তবুও কেন এসব বক্তব্য ঝাড়লেন? আবার ধূম্রপূজারীরা বিরক্তির সাথে বলবেন, কোটি কোটি মানুষ যা করছে, তার সমালোচনা করে এসব প্যাঁচাল পাড়ছেন কেন?
কারণ হলো, যে মানুষটি আজীবন এই জাতিকে সজাগ ও সতর্ক করতে চেয়েছেন ধূমপানের নীরব ঘাতক সম্পর্কে, তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। নিশ্চয়ই সবাই বলবেন, সেই ‘তিনি’ আর কেউ ননÑ জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর ডা: নুরুল ইসলাম। ভাবছি, যেখানে দেশে ধূমপানের মাত্রা কমেছে বলে মনে হয় না এবং দেশী-বিদেশী নতুন নতুন ব্র্যান্ডের সিগারেটের বাজার বাড়ছে, সে ক্ষেত্রে নুরুল ইসলামরা সফল হলেন কই? তাহলে কেন তিনি অন্তত অর্ধশতাব্দী ধরে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে চাইলেন? আসলে তিনি একা তো এই অসাধ্য সাধন করতে পারেন না। কিন্তু জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়ে ধূমপানের বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন দশকের পর দশক।
ছোটবেলায় শুনেছি, সিভিল সার্ভিস বা সুপিরিয়র সার্ভিসের ক্যাডারদের চাকরির আগে ট্রেনিং দেয়া হয় স্মার্টনেসেরও। এ জন্য যেসব কাজ শেখানো হয়, তার মধ্যে আছে সিগ্রেট কিভাবে ধরে কেমন করে খেতে হবে, সে স্টাইলও। এটা পাকিস্তানি আমলের কথা এবং ব্রিটিশ আমলের উত্তরাধিকার। এখন নিশ্চয়ই এসব করা হয় না। স্মার্ট হতে ধূমপান করতে হয় না, বরং অধূমপায়ীরাই প্রকৃত স্মার্ট ও আধুনিক। এই জরুরি আইডিয়া ও উপলব্ধি অনেকের মধ্যে এসেছে। এর কৃতিত্ব সবচেয়ে বেশি যে মানুষটির নিরলস প্রয়াসের, তার নাম (প্রফেসর) নুরুল ইসলাম। বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে সত্যিকার আধুনিক ও স্মার্ট বানাতেই তিনি তার সবচেয়ে প্রিয় সংগঠনটির নাম দিয়েছিলেন ‘আধূনিক’। ‘আমরা ধূমপান নিবারণ করি’Ñ শব্দ চারটির আদ্যাক্ষর নিয়ে ‘আধূনিক’। কিছু দিন আগে একটি সংগঠন তরুণ-তরুণীদের নিয়ে প্রচার শুরু করেছিলÑ ‘আমরা স্মার্ট। তাই আমরা ধূমপান করি না।’ এই কার্যক্রম ব্যাপক করা এবং অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন দূরদর্শী। এর প্রমাণ (ক) ‘আধূনিক’ আন্দোলন, (খ) জাতীয় ওষুধনীতি ও স্বাস্থ্যনীতি, (গ) সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা, (ঘ) উচ্চশিক্ষা বিস্তারের বেসরকারি উদ্যোগ।
যখন ধূমপানবিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তখন অনেকেই অবাক হয়ে ভেবেছেনÑ ‘দেশে কত বড় বড় সমস্যা, আর উনি নেমেছেন সিগ্রেট ফুঁকার বিরুদ্ধে।’ ধূমপানকে নেশা বলে মনে করা হতো না। মানুষের ধারণা ছিল, ‘মদ খাওয়া না হয় খারাপ, মুখ থেকে সামান্য ধোঁয়া ছাড়লে কার কী ক্ষতি।’ এখন যক্ষ্মার সাথে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মহামারী দেখে বোঝা যায়, ডা: নুরুল ইসলামের কতখানি দূরদৃষ্টি ছিল। বারডেম প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ডা: মোহাম্মদ ইব্রাহিম যখন এই প্রতিষ্ঠান গড়ায় নামলেন, তখন অনেক চিকিৎসক পর্যন্ত তার অগ্রাধিকারবোধ নিয়ে ব্যঙ্গ-রসিকতা করতেন। আশির দশকের মাঝামাঝি বারডেম ভবনের তলা যখন বাড়ছে, তখন একজন চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষের মারাত্মক রোগ হিসেবে ডায়াবেটিসের নাম অনেক পরে। অথচ ইব্রাহিম সাহেব তা নিয়ে মাতামাতি করছেন।’
এখন প্রমাণিত হচ্ছে ইব্রাহিমের দূরদর্শিতা। ওই চিকিৎসক ‘আঁতের ডাক্তার’। নিশ্চয়ই আন্ত্রিক রোগের চেয়ে ডায়াবেটিসের রোগী বহুগুণ বেশি। ডা: নুরুল ইসলামের ‘আধূনিক’ নিয়েও বহু আধুনিক মানুষ প্রথমে ভ্রƒ কুঁচকিয়ে ভেবেছিলেন, সিগ্রেট নিয়ে তিনি বাড়াবাড়ি করছেন। সময় প্রমাণ করেছে, ধূমপান মানে বিষপান; ধূমপান মানে প্রতি বছর লাখ লাখ লোকের অদৃশ্য খুনি।
ডা: নুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মতো বিখ্যাত ব্যক্তিদের চিকিৎসক ছিলেন। সেই সূত্রে অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তির সাথে তার ঘনিষ্ঠতা যেমন ছিল, তেমনি ছিলেন তাদের সম্পর্কে ব্যাপক অভিজ্ঞতার অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে বইও লিখেছেন। এটি শেখ হাসিনার বিগত শাসনামলে প্রকাশিত হয়। তবে ডা: নুরুল ইসলাম রাজনীতিতে যেমন জড়াননি, তেমনি বিশেষ কোনো দলের অন্ধ অনুসারীও ছিলেন না। কর্মক্ষেত্রে তিনি উদারতা ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতেন। উগ্রতা, সঙ্কীর্ণতা ও মতান্ধতা থেকে ছিলেন দূরে।
প্রফেসর নুরুল ইসলামের এই উদারতার একটি বড় প্রমাণ চিকিৎসার বিশেষ কোনো সিস্টেমের প্রতি অন্ধ মোহ না থাকা। আজকের বিশ্বে আর শুধু অ্যালোপ্যাথির একচেটিয়া রাজত্ব নেই। দীর্ঘ দিন মনে করা হয়েছে, মডার্ন মেডিসিন মানেই শুধু বিশেষ একটি সিস্টেম। এখন সেই সাথে স্বীকৃত হয়েছে হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আয়ুর্বেদীয় পদ্ধতিও। নিশ্চয়ই বিভিন্ন কারণে অ্যালোপ্যাথির প্রাধান্য রয়েছে এবং তা থাকবে বলে ধরে নেয়া যায়। তবে অন্য তিনটি পদ্ধতি বা সিস্টেমের প্রতি অবজ্ঞা-উন্নাসিকতার অবসান ঘটছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থাকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে বিশেষ করে দুই দশক ধরে। এর পেছনে রয়েছে প্রফেসর নুরুল ইসলামের মতো প্রাজ্ঞ ও জনকল্যাণব্রতী ব্যক্তিদের বিরাট অবদান। পাশের দেশ ভারতে সমন্বিত চিকিৎসা সরকারি স্বীকৃতি পেলেও আমাদের দেশে এখনো সরকারিভাবে একাধিক সিস্টেম কার্যত চালু হয়নি।
নিকট অতীতেও ‘অ্যালোপ্যাথি বনাম হোমিওপ্যাথি’ শত্রুতার প্রাদুর্ভাব ছিল প্রকট। অ্যালোপ্যাথরা হোমিওপ্যাথদের অবৈজ্ঞানিক ও হাস্যকর পন্থার অনুসারী মনে করে পুরো সিস্টেমকেই নাকচ করে দিতেন। ‘এটা মিসকিনের দেশের ফকিরি চিকিৎসা’ বলে ব্যঙ্গ করা হতো। এর বিপরীতে হোমিওপ্যাথির ভক্তরা বিদ্রƒপ করে বলতেন, ‘আলুপাতি (অ্যালোপ্যাথি) খামু, না কলাপাতি খামু?’ বাস্তবে কোনো সিস্টেমেই নেই শত ভাগ রোগের চিকিৎসা। সর্বরোগহর ধন্বন্তরী মহৌষধ হওয়ার দাবি কোনো ‘প্যাথি’র করার যুক্তি নেই। অথচ বিশ্বে মানুষ বাড়ছে; বাড়ছে ব্যাধি। চিকিৎসাবিজ্ঞান এগিয়েছে। তেমনি নতুন নতুন জটিল রোগ যেন মানবজাতির এই অগ্রগতিকে চ্যালেঞ্জ করছে। কয়েক শ’ কোটি মানবসন্তানের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য তাই প্রয়োজন একাধিক সিস্টেমের সমন্বিত ব্যবস্থা। বিশেষ কোনো সিস্টেমের প্রতি মোহ এক ধরনের সঙ্কীর্ণতা ও বাস্তববোধহীনতার পরিচায়ক।
প্রফেসর নূরুল ইসলাম এই অনস্বীকার্য বিষয়টি উপলব্ধি করেছিলেন অনেক বছর আগেই। জীবনের শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থার লক্ষ্যে অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানি ও হোমিওপ্যাথিসহ বিভিন্ন সিস্টেমের যুগোপযোগী উন্নয়ন এবং বিকাশ ও প্রয়োগ কামনা করেছেন। হামদর্দকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি হামদর্দ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনানি এই প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডেশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমেও তার ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
প্রসঙ্গক্রমে অন্তত আরো দু’জন খ্যাতনামা চিকিৎসকের নাম নিতে হয় সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থার কথা বলতে গেলে। একজন হলের মরহুম প্রফেসর বদরুল আলম, অন্যজন মরহুম হাকিম হাফেজ আজীজুল ইসলাম। হোমিওপ্যাথির জনক, জার্মানির হ্যানেমান অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও পরে হোমিওপ্যাথ হিসেবে আজীবন চিকিৎসা করেছিলেন। তেমনি বাংলাদেশের ডা: বদরুল আলম সরকারি অ্যালোপ্যাথিক প্রতিষ্ঠানের উঁচুপর্যায়ের কর্মকর্তা হয়েও পরে হোমিওপ্যাথ হিসেবে বিপুল পরিচিতি অর্জন করেছেন। আর হাফেজ আজীজুল ইসলাম ছিলেন বিখ্যাত ইউনানি বিশেষজ্ঞ এবং হাবিবিয়া তিব্বিয়া কলেজের অধ্যক্ষ। তাদের মতো চিকিৎসা ব্যক্তিত্বও প্রফেসর নুরুল ইসলামের একই ভূমিকায় সমন্বিত চিকিৎসার আইডিয়া ও সিস্টেমের গুরুত্ব তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
আমি একাধিকবার গিয়েছি ডা: নুরুল ইসলামের চেম্বারে। কোনো সময়ে নিজে রোগী হিসেবে, কখনো বা অন্য রোগী নিয়ে। তখন তাকে কাছ থেকে দেখেছি, আরো জেনেছি তার সম্পর্কে। তিনি অন্যান্য চিকিৎসকের মতো সপ্তাহের বেশির ভাগ দিনে রোগী দেখতেন না। সপ্তাহে দু-তিন দিন রোগী দেখলেও একনাগাড়ে বহু রোগী দেখার অভ্যাস ছিল না তার। তিনি সীমিতসংখ্যক রোগী দেখতেন ধীরে সুস্থে। রোগীকে সময় দিতেন। তার কথা শুনতেন মনোযোগ দিয়ে। অন্তরঙ্গ শুভাকাক্সী হিসেবে ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ করে সব জেনে নিয়ে পরামর্শ দিতেন। আমি ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রফেসর পর্যায়ের ‘নামকরা’ প্রবীণ ডাক্তারকে দেখেছি, লম্বা তালিকামাফিক রোগী দেখা শেষ করতে গিয়ে সময় দেন মাত্র ৫-৭ মিনিট করে। তার ব্যস্তসমস্তভাব আর অমনোযোগ দেখে রোগী নিজের সমস্যার কথা বলার সাহস ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। এমন কি, ব্যস্ততার কারণ না থাকলেও কোনো কোনো সিনিয়র চিকিৎসক রোগীর জন্য যথেষ্ট সময় দেন না কিংবা পরিচয় দেন না আন্তরিকতার। নুরুল ইসলাম সাহেব এসব ত্রুটি থেকে ছিলেন মুক্ত। অনেক ডাক্তার রোগীকে অহেতুক ঘোরান, যেমন অনেক উকিল মক্কেলকে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে মজা পান। এতে ফির নামে তাদের আয়রোজগার বাড়ে। অথচ সেই রোগী কিংবা মক্কেলের বিষম দুর্ভোগের কথা ভেবে দেখেন না। কোনো রোগীর চিকিৎসা মেডিসিন ছাড়া অন্য বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করছে দেখলেই ডা: নুরুল ইসলাম তাকে সেখানে ‘রেফার’ করতেন। নিজে ভাব দেখাতেন না সবজান্তার। তিনি শুধু পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকতেন না, এর বাইরে ধূমপান নিরোধ ও শিক্ষা বিস্তারসহ সমাজসেবামূলক নানা কার্যক্রমে তার ছিল সম্পৃক্ততা। তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি চিকিৎসায় ওষুধের ওপর বেশি জোর দিতেন না। দূর-দূরান্ত থেকে বহু জটিল ও পুরনো রোগী তার কাছে আসতেন। অনেকেরই দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা থাকত তাকে নিজের রোগের কথা খুলে বলার। আমাদের দেশে ছোট-বড়, সিনিয়র-জুনিয়র, জিপি কিংবা স্পেশালিস্ট নির্বিশেষে ডাক্তারেরা সাধারণত একগাদা ওষুধের লিস্ট আর মেডিক্যাল টেস্টের তালিকা রোগী বা তার সঙ্গীর হাতে ধরিয়ে দেন। মানুষেরও এমন ধারণা আছে, যিনি যত ডিগ্রিধারী বড় ডাক্তার, তিনি তত দামি ও দুর্লভ ওষুধপত্রের তালিকা দেবেন যা হবে সমানুপাতিক দৈর্ঘ্যরে। ডা: নুরুল ইসলাম ওষুধের পাশাপাশি রোগীর অভ্যাস ও জীবনাচারকেও খুব গুরুত্ব দিতেন। তাই তার ডিগ্রির তালিকা এবং অভিজ্ঞতার মেয়াদ দীর্ঘ হলেও প্রেসক্রিপশন হতো সাধারণত হ্রস্ব। কোনো কোনো ডাক্তার এমন সব দামি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, যেগুলোর নাম উচ্চারণের মতো কিনতে পাওয়াও কঠিন। ঢাকার বড় বড় মেডিসিন মার্কেটে খুঁজেও হদিস মেলে না সে ওষুধের। প্রফেসর নুরুল ইসলাম নিজের আর্থিক প্রসারের চেয়ে দেশে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারকে বড় করে দেখতেন। এ জন্য তাকে বলতে হয় ‘সাধারণ ওষুধ দেয়া অসাধারণ চিকিৎসক’।
মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তির দিক দিয়েও প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন আদর্শস্থানীয়। তার পিতা মরহুম সৈয়দুর রহমান ছিলেন সাধারণ স্কুলশিক্ষক। ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর মা-ই তাকে মানুষ করার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। মায়ের প্রতি তার অপার শ্রদ্ধার নিদর্শন ঢাকায় ৬৩, সেন্ট্রাল রোডের বাড়িটি। ল্যাবএইড হাসপাতালের অল্প পূর্ব দিকে, সায়েন্স ল্যাবরেটরির উত্তর পাশের বাড়িটিতে কিছু গাছপালা দিয়েছে সবুজ ছায়া। গেটে নাম লেখা গুলমেহের। এই বাড়িতেই ডা: নুরুল ইসলাম জীবন কাটিয়ে গেলেন। এখানেই তার বাসা, চেম্বার এবং তার প্রতিষ্ঠিত ভার্সিটির ঢাকা অফিস। ‘আধূনিক’ সংগঠনটির কার্যালয়ও এখানেই থাকার কথা। মরহুম নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেছেন, এখানে দেশী-বিদেশী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। এর একটি হলও মায়ের নামে। সেই গুলমেহের হলের সামনে ডা: নুরুল ইসলাম গত ২৫ জানুয়ারি হয়েছেন চিরশয্যায় শায়িত।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তিত্ব। তার দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ, ভূমিকা ছিল স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ। তিনি চিকিৎসক হিসেবে ওষুধের বোঝা না চাপিয়ে অল্প কয়েকটি ওষুধ প্রেসক্রাইব করতেন। তা-ও বেশির ভাগ কম দামি ও সহজপ্রাপ্য। চিকিৎসার এই ধরন এবং চিকিৎসাপদ্ধতির ব্যাপারে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গির মতো নিজের নামের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ‘নূরুল’ না লিখে লিখতেন ‘নুরুল’।
৩১ মে ধূমপানবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। এ উপলক্ষে ‘আধূনিক’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। আর ডা: নুরুল ইসলাম প্রতি বছর পত্রিকায় লিখতেন নিবন্ধ। নয়া দিগন্তে লেখা পাঠাতেন সেদিন ছাপানোর জন্য। এবারো দিনটি আসবে, কিন্তু আর কোনো দিন তিনি লেখা পাঠাবেন না।
প্রফেসর নুরুল ইসলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ ও জাতির জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন। এখন তাকে কাজের মাধ্যমে স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। শুধু মৃত্যুদিবস পালন কোনো কাজে আসে না। তার স্মরণে কোনো মেডিক্যাল কলেজ বা ভার্সিটিতে ‘চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা, গবেষণাবৃত্তি প্রদান, পদক ও পুরস্কার প্রবর্তন, ভবনের নামকরণ প্রভৃতি প্রস্তাব এসেছে। এগুলো করা যেতে পারে অবশ্যই। অনেকেই মনে করেন তার মতো চিকিৎসক, শিক্ষাব্রতী, গবেষক, সমাজসেবী, সংগঠক, লেখক ও কর্মবীরের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য সবার কিছু করণীয় আছে। ধূমপানসহ তামাক সেবনের বদ-অভ্যাস দূরীকরণ, জাতীয় স্বাস্থ্য এবং ওষুধনীতির বাস্তবায়ন, সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং মানসম্মত উচ্চশিক্ষার প্রসার যেদিন নিশ্চিত হবে, সেদিন সম্ভব হবে প্রফেসর নুরুল ইসলামের অবদানের যথার্থ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 03
(285)
- ঈশানার মনের জানালা!
- প্যাটিনসনকে প্রেমপত্র পাঠালেন স্টুয়ার্ট!
- নেফ্রাইটিসে হোমিও চিকিৎসা by ডা: এম এ রাজ্জাক
- আনারস জ্বর সর্দি ও কৃমিনাশক by ডা: মৌসুমী রিদওয়ান
- কিভাবে ময়েশ্চারাইজার মাখবেন by ডা. ওয়ানাইজা
- স্বাস্থ্য তথ্য by ডা: বিমল আগরওয়ালা
- ডায়াবেটিস রোগ এবং পায়ের যত by এজাজ মাহমুদ
- খাবারের স্বাদ নিয়ে নানা কথা by ডা: মণীষা ফেরদৌস
- হাঁপানি রোগীদের জন্য দশ সতর্কতা by ডা: মো: কফিল উদ...
- অপারেশনের পর কি আবার ফিস্টুলা হয়? by ডা: এ কে এম ...
- মুখ খুললেন আবুল হোসেন
- হেলথ টিপ্সঃ চিড়িয়াখানায় গিবন-ওরাংওটাং সখ্য
- চিত্র বিচিত্রঃ কোমল পানীয়ে দাঁতের য়!
- প্রবাসের খবর : প্রকৃত তথ্য প্রকাশের জন্যে হিউম্যান...
- দৈনিক সংগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের অতর্কিত প্রবেশে স...
- বিএসসি টেকনোলজিস্টদের রোগী দেখার অনুমতির প্রতিবাদে...
- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধ এনআইডিএস অধিভুক্তি বা...
- রানীনগরে বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে কিশোরীর অনশনঃ...
- পাবনাবাসী হতাশ
- কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার চক্রান্তের প্রতিব...
- শিবপুরের সিঅ্যান্ডবি বাজারে পুলিশি তাণ্ডব- ৮-১০টি ...
- ঘন কুয়াশায় ৮ ঘণ্টা বন্ধ- মাওয়া-কাওড়াকান্দি ও দ...
- রাজধানীতে জাল ডলার ইউরো ও রুপি উদ্ধার বিদেশীসহ গ্র...
- আশুলিয়ায় গার্মেন্টে আগুন আতঙ্ক- সিঁড়ির রেলিং ভে...
- আখাউড়া জংশন এলাকায় এক বছরে ৫২ জন নিহত- পূর্বাঞ্চ...
- একুশে গ্রন্থমেলা ঘিরে প্রকাশকদের প্রত্যাশা by শফিক...
- সম্ভাবনা- উত্তরাঞ্চলে আলুর পরিবর্তে সরিষা চাষ by স...
- আ’লীগ ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যায়ঃ প্র...
- শিডিউল বিপর্যয়ে বিমানের লাখ লাখ ডলার গচ্চা- সিভিল...
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট- আইনের শাসন ও বিচার...
- পদ্মা সেতুর অর্থায়নে বিশ্বব্যাংককে ‘না’- অর্থনীতি...
- অভিমত- শোকপালন যেন দায়িত্বকে ভুলিয়ে না দেয়
- দৃষ্টিপাত- জন্মনিবন্ধন শিশুর মৌলিক অধিকার by অনিকে...
- অভ্যন্তরীণ বিষয় বনাম আন্তর্জাতিক উদ্বেগ by আবুল ফ...
- ‘সাধারণ’ ওষুধঃ অসাধারণ চিকিৎসক- তৃতীয় নয়ন by মীয...
- মস্কোপন্থী কমিউনিস্টদের সুবিধাবাদী রাজনীতি by কাজী...
- এ কেমন রাষ্ট্রে আছি- চলতে ফিরতে দেখা by ড. রেজোয়...
- স্বদেশ- মিস করি বাংলাকে
- একদিন হবেই- আমার স্বপ্ন
- নতুন বছরে মিলনমেলা
- কেমন করে গেলাম- দুর্বিষহ!
- মরুর বাজারে বাঙালির ব্যবসা
- ধরেই আছি by ফারিয়া রহমান
- কল নয় by উম্মে মাবরুরা
- রাঙামাটির পাহাড়ে by শ্যামল চাকমা
- ফিচার- আমাকে ধৌত করল by মুহাম্মদ ফরিদ হাসান
- পুষ্পিতা হাজির by মাসুদ রানা
- স্বরূপে বদি, এবার লাঞ্ছিত বীর বাহাদুর by আব্দুল ...
- চিকিৎসাসেবার নমুনা!
- ভেন্যু এম এ আজিজ- আশা এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের b...
- তরুণ উদ্যোক্তা- সৃষ্টির প্রেরণায় ভবিষ্যতের পথে by ...
- নতুন কৌশলে জামায়াত-শিবির by একরামুল হক
- সুধীজন পাঠাগারে এক দিন by ফিরোজ জামান চৌধুরী
- নেট থেকে নেওয়া
- রুম টু রিড বাংলাদেশ- নানা রঙে রাঙিয়ে by শরাফত হোসেন
- সফলদের স্বপ্নগাথা- লোকের কথায় কান দিয়ো না by সৌর...
- বগুড়ায় শান্তিপূর্ণ হরতাল, শেরপুরে গাড়ি ভাঙচুর
- আশুলিয়ায় আগুন-আতঙ্ক- হুড়োহুড়িতে পোশাক কারখানার অর্...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন আইন- সংশোধনে সরকারের...
- সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল: রোগীর ভিড় নেই, শয্যা ফাঁক...
- হল-মার্ক কেলেঙ্কারি- কে কত ঘুষ নিয়েছেন তার তালিকা ...
- নারায়ণগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মামলা
- ডাকাতের ‘হামলায়’ ডিবি পুলিশ নিহত
- আগারগাঁও বস্তিতে আগুন
- নেতাদের দাবি-বিএনপি নামলে সরকার টিকতে পারবে না
- কেমন আছেন ভাষাসৈনিকরা-ভাষা আন্দোলন নিয়ে বই লিখছেন ...
- পুলিশ-জামায়াত সমঝোতায় ঢাকায় লাঠি মিছিল
- যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানো যাবে না : প্রধানমন্ত্রী
- এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ শুরু
- বিশ্বজিতের মা-বাবার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক-বসুন্ধরা...
- আবারও পুলিশ পেটাল শিবির-নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক মারামার...
- নতুন নকশা হলে গচ্চা যাবে ঋণের ২২৬ কোটি টাকা by রেজ...
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজস্ব অর্থে সেতুর রূপরেখা by ...
- পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারের সামনে চার বিকল্প-উপকরণ...
- এক দিনের সফরে মালিতে ওলন্দ
- আদালতের রুলের বিরুদ্ধে গিলানির আপিল
- এনএবি কর্মকর্তা কামরানের মৃতদেহ উত্তোলন
- মুখে মুখে চিকিৎসাপত্র-চিকিৎসকের জরিমানা
- স্মরণ-সংস্কৃতি ও রাজনীতির মেলবন্ধন by মফিদুল হক
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-অস্ত্র না অ্যালবাট্রস! by এম আ...
- 'ব্যাটার বুকের পাটা আছে' by সুভাষ সাহা
- সম্ভাবনাময় দেশ-ড্যান মজীনার বক্তব্য এবং সম্ভাবনার ...
- অপরাধ স্বীকার করবেন নাফিস
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাণিজ্যিক...
- মুন্সীগঞ্জের ডাকাতের হামলায় এসআই নিহত
- এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
- খালেদা জিয়ার নিবন্ধ- বিদেশি হস্তক্ষেপের আহ্বান কেন?
- তসলিমার পথ ধরেই আটকে দেয়া হয়েছে রুশদিকে
- পদ্মা সেতু- রঙিন স্বপ্ন ধূসর
- ঝটিকা সফরে দিল্লি যাচ্ছেন দীপু মনি
- ম্যাকডোনাল্ডসকে ১৫ হাজার রুপি জরিমানা
- নিউজউইক কম্পানির নতুন নাম নিউজবিস্ট
- সিরিয়া সংঘাত-নিরাপত্তা পরিষদকে অবস্থান পরিষ্কারের ...
- বেপরোয়া দীপিকা
- লাহোর হাইকোর্ট-ড্রোন হামলা বন্ধের দায়িত্ব সরকারের
- ‘শিবির দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেইনি’
- সিগারেট চোরাচালানের পয়সায় পকেট ভরছে আফ্রিকার জঙ্গিরা
- হিলারির বিদায়, কেরির অভিষেক
- কারগিল যুদ্ধের সময় ভারতে রাত কাটিয়েছেন মোশাররফ!
- চীনে বিশুদ্ধ বায়ু কেনার হিড়িক
- সাক্ষাৎকারে প্যানেটা-ড্রোন হামলা চলবে
- তুরস্কের মার্কিন দূতাবাসে হামলার নিন্দায় যুক্তরাষ্...
- পরীক্ষায় জালিয়াতি-৬০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীকে বহিষ্...
- পাকিস্তানে তল্লাশি চৌকিতে জঙ্গি হামলা, নিহত ৩৫
- দিল্লিতে বাসে গণধর্ষণ-পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন...
- নৃশংসতম ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-ধর্ষণসহ নারীর প্...
- মুরসির প্রাসাদের সামনে বিক্ষোভ- গুলিতে নিহত ১
- এসএসসি পরীক্ষা-সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক
- বিশ্বব্যাংকের বিদায়-স্বপ্নের পদ্মা সেতু কিভাবে হবে!
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-অবাধ্যরা তাদের প্রবৃত্তি ও অহমি...
- সময় এসেছে নারীর কর্তৃত্ব গ্রহণের by ফারহানা ইসলাম জয়া
- ইতিহাস এবং সমকালীন সীমাবদ্ধতা by মেজর জেনারেল (অব....
- স্মরণ-সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক by পাভেল রহমান
- বহে কাল নিরবধি-বহুরূপী বর্ণচোরা ধর্মব্যবসায়ীরা by ...
- অশান্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় শীর্ষ পর্যায়ে উদ্বেগ by এ এম ...
- তরুণ-তরুণীর হাতে নাটাই, নাচ গান ঘোড়ার গাড়ি- ঢাকাবা...
- পুলিশে ঘাপটি মেরে থাকা দলবাজদের তালিকা হচ্ছে- প্রশ...
- ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হবে উপার্জনের প্রধান ক্ষেত্...
- প্রেমকৃষ্ণ খুনের ছক কষা হয়েছে জেল থেকে!- অভিযোগের ...
- প্রেমকৃষ্ণ খুনের ছক কষা হয়েছে জেল থেকে!- অভিযোগের ...
- পরিযায়ী পাখির দেহে স্যাট ট্রান্সমিটার ও রিংগিং শুরু
- রুনা লায়লার পোশাকে ফ্যাশন শো, প্রতিবাদী অনুষ্ঠান উ...
- মূল্যবৃদ্ধির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে যমুনা গণভবন...
- ভারতে আটক ফিঙে লিটনকে দেখতে গিয়ে সহযোগী সন্ত্রাসী ...
- কাবিখা চাই না, শুধু চাই যোগ্য সম্মান ॥ by এরশাদ
- যুবলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা- হেরোইন ছ...
-
▼
Feb 03
(285)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment