Sunday, June 3, 2012
সহজিয়া কড়চা-শুধু সংবিধান সংশোধন নয়, প্রয়োজন রাজনীতিকদের সংশোধন by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-শুধু সংবিধান সংশোধন নয়, প্রয়োজন রাজনীতিকদের সংশোধন by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বা মৌলিক আইন। কোনো কোনো দেশের কনস্টিটিউশনকেই বলা হয় ‘মৌলিক আইন’। যেমন জার্মানির সংবিধানের নাম Basic Law। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসনের অবসানের পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান রচনার জন্য আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি ৩৪ সদস্যের সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৭২-এর ১০-১১ এপ্রিল কমিটির প্রথম বৈঠক বসে। দ্বিতীয় ও শেষ বৈঠকটি বসে ১২ অক্টোবর। তারপর তিন সপ্তাহের মতো আলোচনা করে ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর এবং বাংলাদেশের নাম হয় ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’।
ভালো হোক মন্দ হোক, ওই সংবিধান রচনার একক কৃতিত্ব আওয়ামী লীগের। সে জন্য বিভিন্ন বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে কঠোর সমালোচনা করে। তারা চাইত, সব দল সংবিধান রচনায় অংশগ্রহণ করুক। মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি এবং নবগঠিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সমালোচনা ছিল খুবই কঠোর। মোজাফ্ফর আহমদের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সমালোচনা ছিল অপেক্ষাকৃত নরম। সংবিধান গৃহীত হওয়ার পাঁচ দিন আগে মস্কোপন্থী ন্যাপ পল্টন ময়দানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করে ২৯ অক্টোবর। সে উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে এক প্রচারপত্রে পীর হাবিবুর রহমান, পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মতিয়া চৌধুরী ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন:
‘গভীর ক্ষোভ ও পরিতাপের বিষয় যে, শাসনতন্ত্রের মতো জাতির একটি পবিত্র দলিল প্রণয়নের ক্ষেত্রে শাসক দল চরম একদলীয় সংকীর্ণ মনোভাব প্রদর্শন করিয়াছে। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, জনমত যাচাই এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলির মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের তোয়াক্কা তাঁহারা করেন নাই। ...খসড়া শাসনতন্ত্রে এমন কতিপয় মারাত্মক ও ত্রুটিপূর্ণ বিধান রহিয়াছে যাহাতে গণতন্ত্রের প্রতি বাধা ও হুমকি দেখা দিয়াছে। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা যাহা সমগ্র জাতির সুদৃঢ় সংকল্প, খসড়া শাসনতন্ত্রে কেবলমাত্র ইহা সদিচ্ছারূপে ব্যক্ত করা হইয়াছে। ইহার কোনো আইনগত বিধান শাসনতন্ত্রে নাই।’
ন্যাপের জনসভায় ‘বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ’ তোলা হয়: ‘প্রধানমন্ত্রীর অযৌক্তিক ক্ষমতা কমাইয়া পরিষদকে সার্বভৌম করিতে হইবে।’ অন্যান্য দলও ’৭২-এর সংবিধানের সমালোচনা করে।
সংবিধান যাঁরা রচনা করেছিলেন তাঁরাই তা হত্যা করেন ১৯৭৫-এর ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে। তারপর সেই মৃতদেহকে জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দল এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে। মূল সংবিধানের সঙ্গে বর্তমান সংবিধানের দূরত্ব বিশাল।
সত্তরের নির্বাচনে বাংলাদেশের নাগরিকদের যাঁরা জাতীয় পরিষদে ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁরাই ছিলেন সাংবিধানিক সভার সদস্য। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নির্বাচিত হয়েছিলেন ন্যাপ (মো) থেকে। খসড়া সংবিধানে তিনি স্বাক্ষর করেননি। বর্তমানে তিনি বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়া সম্পর্কে ২০ জুলাই তিনি সাংবাদিকদের বলেন:
‘পঞ্চম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংবিধানের সার্বিক এই সংশোধনের বিষয়টি হবে বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঘটনা। এর ফলে একদিকে বাংলাদেশে ’৭৫-পূর্ব সাংবিধানিক রাজনীতির পুনর্জাগরণ হবে। অন্যদিকে ’৭৫-পরবর্তী রাজনীতির গণকবর রচিত হবে। যাত্রা শুরু হবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের, বিজয় হবে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার।...সংবিধানের এই সংশোধনের ফলে বিএনপি সংঘাতিক বেকায়দায় পড়বে। কারণ তাদের রাজনীতি পঞ্চম সংশোধনীর ওপর ভিত্তি করেই গঠিত। পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর তাদের সাংবিধানিক রাজনীতি বলতে আর কিছু থাকবে না। একই দশা জামায়াত ও জাতীয় পার্টিরও (এরশাদ)। এসব দলের রাজনীতির কাঠামো কী হবে, কী হবে তাদের রাজনীতি, বলা কঠিন। আগামীতে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলেও সম্ভাব্য এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের যে মৌলিক কাঠামো তৈরি হবে, তা অন্তত পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারবে না।’
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রবীণ আইনজীবী ও দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি ছিলেন বাম বলয়ের রাজনীতিক। এখন মধ্যপন্থী আওয়ামী লীগে আছেন। প্রায় ৫০ বছর যাবৎ আমি তাঁর রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত। ধারণা করেছিলাম, তিনিই হবেন সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান। হলে খুশি হতাম। তবে মূল দায়িত্ব তাঁকেই পালন করতে হবে। বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার প্রশ্নে কয়েক দিন ধরে তিনি যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে খুশি হতে পারিনি।
মহাজোট যেভাবে সংবিধান সংশোধন করতে যাচ্ছে তাতে কীভাবে ‘পঁচাত্তর-পূর্ব রাজনীতির পুনর্জাগরণ’ ঘটবে, তা আমার মাথায় আসে না। ‘পঁচাত্তর-পরবর্তী রাজনীতির গণকবর রচিত’ কীভাবে হবে, তাও বুঝতে অপারগ। বিএনপির রাজনীতি ‘বেকায়দায়’ পড়লে তো ভালো। জামায়াত এবং এরশাদের জাতীয় পার্টিও যদি বেকায়দায় পড়ে তাতে তো পোয়াবারো জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৫১-র কম এবং জাসদ-ওয়ার্কার্স পার্টি যৌথভাবে যদি দেড় শ আসন পায়, তাহলে ওই দুই দলের কোনো নেতাই হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী দলে বসতে হবে শেখ হাসিনাকে। নেতাদের কথাবার্তা শুনে সপ্তাহখানেক যাবৎ মনে হচ্ছে তাই।
বাংলাদেশে সব কিছুই ‘অতি দ্রুত’ করার যে কালচার শুরু হয়েছে তা কৌতূহলের সৃষ্টি না করে পারে না। মহাজোটের নেতারা বেগম জিয়ার বিএনপিকে তো নয়ই, ‘সময়’কে পর্যন্ত বিশ্বাস করতে চাইছেন না। তাঁরা মনে করছেন, সময় অতি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার মতো জিনিস, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। একদিকে তাঁরা ২০২১ বা ২০৪৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চান, অন্যদিকে সময়কে বিশ্বাস করেন না। ভয় পান। তাই সময় নিয়ে ভেবে-চিন্তে কিছু করার নীতিতে তাঁরা বিশ্বাসী নন। তা ছাড়া আর একটি জিনিস তাঁরা ভুলে গেছেন। গণতান্ত্রিক সরকার আর সামরিক সরকার এক জিনিস নয়। সন্ধেবেলা কলমের এক খোঁচায় সামরিক শাসক যা করতে পারেন, গণতান্ত্রিক নেতা তা পারেন না।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া, জনগণের মতামত না নিয়ে ‘অতি দ্রুত’ কাজ করতে গেলে ভুল হয়। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ ‘এক রাতের মধ্যে’ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লেখা হয়েছিল। সে জন্যে রচয়িতার অগোচরেই সেটি হয়ে থাকে একটি অগণতান্ত্রিক দলিল। তাতে বলা হয়েছিল, ‘এতদ্বারা নিশ্চিত করিতেছি ও সিদ্ধান্ত লইতেছি যে, সংবিধান যে সময় পর্যন্ত প্রণীত না হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি থাকিবেন...রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সকল সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হইবেন, ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখিবেন, একজন প্রধানমন্ত্রী ও যে রূপ প্রয়োজন বিবেচনা করেন সেই রূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, কর ধার্য ও আদায় করিবার এবং অর্থসমূহ ব্যয় করিবার ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, গণপরিষদ আহ্বান ও মুলতবি করার ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, বাংলাদেশের জনগণকে একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ানুগ সরকার দিবার জন্য যে রূপ প্রয়োজন হইবে সে মত কার্য করিবেন।’
এই বক্তব্যে প্রজাতন্ত্র কোথায় আর গণতন্ত্র কোথায়? রাষ্ট্রের জন্মের শুরুতেই রাষ্ট্রের একনায়কত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়। ব্রিটেনের রানি, স্পেনের রাজা বা জাপানের সম্রাটেরও তো এই ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে একজন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক নেতা হিসেবে গণ্য না করে তাঁকে একজন সর্বশক্তিমান সামন্তপ্রভু বানানো হয়েছিল, যা শুধু মধ্যযুগেই সম্ভব ছিল।
যুদ্ধের মধ্যে একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়েছিল। সে সরকার না ছিল রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির, না সংসদীয় পদ্ধতির। ’৭২-এ যে সরকার গঠিত হয় তা ছিল সংসদীয় পদ্ধতির। কিন্তু মুজিবনগর সরকারের চেতনার ভিত্তিতেই এই সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে এমন ক্ষমতা সংবিধান দেয় যা ‘নির্বাচিত একনায়কত্ব’কে প্রতিষ্ঠিত করে। প্রধানমন্ত্রীই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তাঁর দলের অন্য সদস্যরা শক্তিহীন। মন্ত্রী হওয়ার আশায় এবং মন্ত্রিত্ব রক্ষা করতে সাংসদদের প্রধানমন্ত্রীকে তোয়াজ করতেই হবে। তাতে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠেন একনায়ক ও স্বেচ্ছাচারী।
এক রাতে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ লেখা এবং যৎসামান্য আলোচনা করে সংবিধান রচনা শুধু বাংলাদেশের পক্ষেই সম্ভব। আধুনিক যুগের লিখিত সংবিধানের মধ্যে আমেরিকার সংবিধান সবচেয়ে পুরোনো। বহু মনীষীর চিন্তার ফসল ওই সংবিধান। সংবিধানসংক্রান্ত কত দলিল তাদের! ৪ জুলাই ১৭৭৬-এর ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’, ১২ জুলাইয়ের ভার্জিনিয়া এসেম্বলিতে ‘দ্য ভার্জিনিয়া বিল অব রাইটস’ এবং ‘ভার্জিনিয়া স্ট্যাটিউট অব রিলিজিয়াস লিবার্টি’, ২৩ এপ্রিল ১৭৮৪-র ‘জেফারসন’স অর্ডিন্যান্স’, ১৩ জুলাই ১৭৮৭-র ‘দ্য নর্থওয়েস্ট অর্ডিন্যান্স’, ১৫ ডিসেম্বর ১৭৯১-এর ‘দ্য বিল অব রাইটস’ এবং ১৮৬৫, ১৮৬৮, ১৮৭০, ১৯১৩-এর সংবিধান সংশোধন যখন আমরা পাঠ করি, তখন ও দেশের রাজনীতিকদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়, এখন আমেরিকার আফগানিস্তান ও ইরাকে নৃশংসতা করা অন্য অধ্যায়।
সব দেশেই সংবিধান খুব ভেবে-চিন্তে লেখা হয়। এশিয়ার মধ্যে ভারত ও জাপানে সবচেয়ে ভালো গণতন্ত্র কার্যকর রয়েছে। আত্মসমর্পণের দুই বছর পর জাপান তার সংবিধান গ্রহণ করে ১৯৪৭-এর মে-তে। সাম্রাজ্যবাদী অতীত থেকে জাপান সরে এসে এক নতুন গণতান্ত্রিক রাজনীতির সূচনা করে। ডায়েট বা পার্লামেন্টকে সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীর সবচেয়ে গণতান্ত্রিক সংবিধান ভারতের। সেটির প্রণেতা ড. বি আর আম্বেদকর। তিনি ছিলেন নিম্নবর্ণের অচ্ছুত হিন্দু। বর্ণহিন্দুদের আচরণে তিষ্ঠোতে না পেরে ১৯৫৬-তে মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ছিলেন বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবী, ইতিহাসবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ। তিনি নিজেই সংবিধান লিখতে পারতেন তিনমূর্তিভবনের বিশাল বাড়িতে বসে। কিন্তু তা না করে দায়িত্ব দেন আম্বেদকরকে।
আম্বেদকর কাউকে খুশি করার পাত্র ছিলেন না। কোনো মতলবি মানুষও ছিলেন না। কোনো গোষ্ঠীর আবদার মেনে নেওয়ার লোকও ছিলেন না তিনি। সংবিধান রচনার সময় হিন্দু জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস নেতা রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে ‘হিন্দু কোড বিল’ নিয়ে তাঁর লেগে যায়। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের লেখা বিল তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের বিলের বিপরীতে পণ্ডিত নেহরু রচনা করেন আর একটি ‘হিন্দু কোড বিল’। অসাম্প্রদায়িক নেহরুর বিলটিই আম্বেদকর গ্রহণ করেন। হিন্দু কোড বিল নিয়ে রাজেন্দ্র প্রসাদ, নেহরু ও আম্বেদকর যে বিতর্ক করেন, সে সম্পর্কে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নিশ্চয়ই জানেন। ওটাকেই বলে গণতন্ত্র। ভিন্নমত শুনেই বর্জন করতে হয়। ভিন্ন মতাবলম্বীকে কৌশলে বা চাতুর্য করে দূরে রাখা গণতন্ত্র নয়।
তিন তুড়িতে সংবিধান সংশোধন গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বিরোধী। সংবিধানের মূল জায়গায় হাত দেওয়া অপরাধ। যে অপরাধ করেছেন আমাদের দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। জিয়া বিসমিল্লাহ যোগ করার পর এবং এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম করার পর থেকে একজন নাগরিক হিসেবে আমি অব্যাহতভাবে তার বিরোধিতা করেছি। আমরা চাইতাম অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আমাদের সংবিধানের মূল অসাম্প্রদায়িক চরিত্রটি পুনরুদ্ধার করুক। শেখ হাসিনার পক্ষেই সেটা করা স্বাভাবিক। তবে তিনি যে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না, তাও জানি। কাজটি শেখ হাসিনা করতে পারতেন সব দলকে আস্থায় এনে। রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছে তাঁর উদ্যোগেই। সেটা তিনি পেরেছিলেন বেগম জিয়াকে আস্থায় এনে। সেদিনের সংসদের দৃশ্যটি আমার মনে আছে। সেদিন খুব আনন্দ পেয়েছিলাম।
এবার তা নয়। সংবিধান সংশোধন করতে যাচ্ছেন তিনি একা, তাঁর কয়েকজন নতুন মোসাহেবকে নিয়ে। যে ১৫ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, তাকে একদলীয় বললে কম বলা হয়। এই কমিটি যা করবে, তা তিনি সামরিক শাসকদের মতো এক্সিকিউটিভ অর্ডার বা প্রশাসনিক ক্ষমতাবলেই করতে পারতেন। এক-তৃতীয়াংশের বেশি ভোট পেয়েছে যে দল সেই বিএনপির কাছে মাত্র একটি নাম না চাইলেই পারতেন। বাংলাদেশের নিয়তিই হয় ক্ষমতাসীন দলের গণতান্ত্রিক শাসন অথবা সামরিক শাসন। সর্বদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন এ দেশে নিষিদ্ধ।
সবকিছুই তড়িঘড়ি ‘অতি দ্রুত’ কাঁচা হাতে করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে না গেলে বাংলাদেশ বাঁচবে না এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতেই হবে। আওয়ামী লীগের নেতাদের চেয়ে মহাজোটের ক্ষুদ্র দলগুলোর নেতারাই বেশি মুখর। মৌলবাদী দল ও ইসলামি রাজনীতি থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ একাধিকবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। সুতরাং ক্ষমতার রাজনীতিতে ইসলামি প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতি আওয়ামী লীগের জন্য কোনো বড় বাধা নয়।
অনেক কথারই অর্থ বোঝা কঠিন। বলা হচ্ছে ‘হাইকোর্টের প্রতি সম্মান দেখিয়ে’ সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে। এর পরিষ্কার অর্থ হাইকোর্ট না বললে আমরা সংশোধনে যেতাম না। বুধবার প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে’ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন তাঁরা পেয়েছেন ‘একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের জন্য।’ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশি আসন পাওয়া আশীর্বাদ নয়, অভিশাপ হিসেবে দেখা দেয়।
প্রয়োজনে সব দেশেই সংবিধান সংশোধন করা হয়, কিন্তু সংবিধানের মূল জায়গায় হাত দেওয়া হয় না। সংবিধানের basic structure-এর পরিবর্তন বিষয়ে উপমহাদেশে অনেকগুলো বিখ্যাত মামলা হয়েছে। ভারতের সংবিধানসংক্রান্ত বিখ্যাত মামলাগুলোর মধ্যে গোলকনাথ বনাম পাঞ্জাব রাজ্য (১৯৬৭), ইন্দিরা নেহরু গান্ধী বনাম রাজনারায়ণ (১৯৭৫), কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরালা রাজ্য (১৯৭৩), মিনার্ভা মিলস বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (১৯৮০) প্রভৃতি। পাকিস্তানেও সংবিধানের মূলনীতি ও মৌলিক অধিকার বিষয়ে মামলা হয়েছে। যেমন—ফজলুল কাদের চৌধুরী বনাম মোহাম্মদ আবদুল হক (১৯৬৩), সুলেমান বনাম প্রেসিডেন্ট (১৯৮০) প্রভৃতি। আমাদের সংশোধনীর বিষয়েও যে মামলা-মোকদ্দমা হবে না, তার নিশ্চয়তা কী?
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে আইন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করা প্রায় অসম্ভব। খ্রিষ্টান ডেমোক্রেটিক পার্টি ইউরোপের সব দেশেই আছে। বাংলাদেশে মৌলবাদীরা যদি ক্ষমতা পায় বাংলাদেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যাবে। খালেদা জিয়া-নিজামীরা সে আয়োজন করেছিলেন। আমরা তা থেকে মুক্তি চেয়েছিলাম। সে মুক্তি প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে, গায়ের জোরে নয়। গলা টিপে ইসলামি রাজনীতি বন্ধ করতে গেলে আরও জঙ্গিজাতীয় ধর্মান্ধ রাজনীতি গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার পরিণাম হবে জাতীয় জীবনে ভয়াবহ।
অন্য তাৎপর্যও আছে। ৫০ লাখের বেশি শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় কাজ করে টাকা পাঠাচ্ছেন। তাঁদের ডলার-রিয়ালে-দিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিন্দুক ভরে গেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও দাতাগোষ্ঠীর খয়রাতি টাকায় নয়। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করা মাত্র ওই সব দেশ বাংলাদেশি শ্রমিকদের দেশে ফেরত পাঠাবে। আমাদের শ্রমিকদের শূন্যস্থান পূরণ করবেন ভারত ও পাকিস্তানের শ্রমিকেরা। তাতে বাংলাদেশে বেকারত্ব শুধু বাড়বে না, ভারতবিরোধী চেতনাও চাঙা হবে।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী রাজনীতির জন্য শুধু মৌলবাদী পাকিস্তানপন্থী লোকেরাই দায়ী নয়। বামদের একটি গোত্রের ভূমিকা বিরাট। ১৯৭৫-এর ১৫ নভেম্বরের এক বিবৃতির পর মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রব, ড. আখলাকুর রহমান, কর্নেল তাহের এবং হাসানুল হক ইনু গ্রেপ্তার হলে জাসদ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ ও বিপ্লবী গণবাহিনী এক বিবৃতিতে বলে: ‘সম্ভাব্য ভারতীয় হামলা মোকাবিলার কোনো সাধ্যই ক্ষমতাসীন সরকারের নেই।...ভারতীয় আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে শহরে-নগরে, গ্রামে-গঞ্জে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সমস্ত গোপন ও অসম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।’
১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ ইউনাইটেড পিপলস পার্টির পক্ষে ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরী, কাজী জাফর আহমদ, রাশেদ খান মেনন, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া প্রমুখ দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে বলেন: ‘একুশের চেতনা প্রতিরোধের চেতনা। একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসী পাকিস্তানি নিপীড়নের ২৪ বছর এবং মুজিবী বিশ্বাসঘাতকতা ও সন্ত্রাসের দিনগুলোতে কোনো কিছু পরোয়া না করে একের পর এক কঠিন কঠোর সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আজ যখন সীমান্তে ভারতীয় হানাদাররা হামলা চালাচ্ছে, রুশ-ভারত চক্রের এ দেশীয় অনুচররা নানা কায়দায় এই হামলার জমিন তৈরি করতে একটুও দ্বিধা করছে না...’
সব দোষ মধ্যযুগপন্থী ইসলামি মৌলবাদীদের ঘাড়ে চাপিয়ে লাভ হবে না। সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করলে বাংলাদেশে মাওবাদী রাজনীতির উত্থান ঘটবে। তাদের যদি নিষিদ্ধ ধর্মীয় মৌলবাদীরা সহযোগিতা দেয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। বলা হচ্ছে, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে গেলেই মার্শাল ল আসা বন্ধ হবে। সবচেয়ে সেক্যুলার সংবিধানও যেমন ধর্মীয় রাজনীতি ঠেকাতে পারে না, সবচেয়ে ভালো গণতান্ত্রিক সংবিধানও ধর্মীয় রাজনীতি ঠেকাতে পারে না। ইরানের শাহ তো ছিলেন সেক্যুলার শাসক। সুস্থ গণতন্ত্র ও সুশাসনই পারে অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখল বন্ধ করতে।
বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সরকার নিজেই সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু এখন সরকারের উচিত হবে সেই সংবিধান গণভোটে দেওয়া। অগণতান্ত্রিক, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক ও ত্রুটিপূর্ণ সংবিধান সংশোধন করা অবশ্যকর্তব্য। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যা দরকার তা হলো, রাজনীতিকে সংশোধন করা অর্থাৎ রাজনীতিকদের সংশোধিত হওয়া। সবচেয়ে ভালো সংবিধানও ভালো গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তা দিতে পারেন সুশিক্ষিত ও ন্যায়নীতিসম্পন্ন এবং ভালো স্বভাবচরিত্রসম্পন্ন রাজনীতিকেরাই।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
ভালো হোক মন্দ হোক, ওই সংবিধান রচনার একক কৃতিত্ব আওয়ামী লীগের। সে জন্য বিভিন্ন বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে কঠোর সমালোচনা করে। তারা চাইত, সব দল সংবিধান রচনায় অংশগ্রহণ করুক। মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি এবং নবগঠিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সমালোচনা ছিল খুবই কঠোর। মোজাফ্ফর আহমদের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সমালোচনা ছিল অপেক্ষাকৃত নরম। সংবিধান গৃহীত হওয়ার পাঁচ দিন আগে মস্কোপন্থী ন্যাপ পল্টন ময়দানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করে ২৯ অক্টোবর। সে উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে এক প্রচারপত্রে পীর হাবিবুর রহমান, পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মতিয়া চৌধুরী ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন:
‘গভীর ক্ষোভ ও পরিতাপের বিষয় যে, শাসনতন্ত্রের মতো জাতির একটি পবিত্র দলিল প্রণয়নের ক্ষেত্রে শাসক দল চরম একদলীয় সংকীর্ণ মনোভাব প্রদর্শন করিয়াছে। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, জনমত যাচাই এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলির মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের তোয়াক্কা তাঁহারা করেন নাই। ...খসড়া শাসনতন্ত্রে এমন কতিপয় মারাত্মক ও ত্রুটিপূর্ণ বিধান রহিয়াছে যাহাতে গণতন্ত্রের প্রতি বাধা ও হুমকি দেখা দিয়াছে। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা যাহা সমগ্র জাতির সুদৃঢ় সংকল্প, খসড়া শাসনতন্ত্রে কেবলমাত্র ইহা সদিচ্ছারূপে ব্যক্ত করা হইয়াছে। ইহার কোনো আইনগত বিধান শাসনতন্ত্রে নাই।’
ন্যাপের জনসভায় ‘বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ’ তোলা হয়: ‘প্রধানমন্ত্রীর অযৌক্তিক ক্ষমতা কমাইয়া পরিষদকে সার্বভৌম করিতে হইবে।’ অন্যান্য দলও ’৭২-এর সংবিধানের সমালোচনা করে।
সংবিধান যাঁরা রচনা করেছিলেন তাঁরাই তা হত্যা করেন ১৯৭৫-এর ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে। তারপর সেই মৃতদেহকে জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দল এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে। মূল সংবিধানের সঙ্গে বর্তমান সংবিধানের দূরত্ব বিশাল।
সত্তরের নির্বাচনে বাংলাদেশের নাগরিকদের যাঁরা জাতীয় পরিষদে ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁরাই ছিলেন সাংবিধানিক সভার সদস্য। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নির্বাচিত হয়েছিলেন ন্যাপ (মো) থেকে। খসড়া সংবিধানে তিনি স্বাক্ষর করেননি। বর্তমানে তিনি বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়া সম্পর্কে ২০ জুলাই তিনি সাংবাদিকদের বলেন:
‘পঞ্চম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংবিধানের সার্বিক এই সংশোধনের বিষয়টি হবে বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ঘটনা। এর ফলে একদিকে বাংলাদেশে ’৭৫-পূর্ব সাংবিধানিক রাজনীতির পুনর্জাগরণ হবে। অন্যদিকে ’৭৫-পরবর্তী রাজনীতির গণকবর রচিত হবে। যাত্রা শুরু হবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের, বিজয় হবে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার।...সংবিধানের এই সংশোধনের ফলে বিএনপি সংঘাতিক বেকায়দায় পড়বে। কারণ তাদের রাজনীতি পঞ্চম সংশোধনীর ওপর ভিত্তি করেই গঠিত। পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর তাদের সাংবিধানিক রাজনীতি বলতে আর কিছু থাকবে না। একই দশা জামায়াত ও জাতীয় পার্টিরও (এরশাদ)। এসব দলের রাজনীতির কাঠামো কী হবে, কী হবে তাদের রাজনীতি, বলা কঠিন। আগামীতে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলেও সম্ভাব্য এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের যে মৌলিক কাঠামো তৈরি হবে, তা অন্তত পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারবে না।’
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রবীণ আইনজীবী ও দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি ছিলেন বাম বলয়ের রাজনীতিক। এখন মধ্যপন্থী আওয়ামী লীগে আছেন। প্রায় ৫০ বছর যাবৎ আমি তাঁর রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত। ধারণা করেছিলাম, তিনিই হবেন সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান। হলে খুশি হতাম। তবে মূল দায়িত্ব তাঁকেই পালন করতে হবে। বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার প্রশ্নে কয়েক দিন ধরে তিনি যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে খুশি হতে পারিনি।
মহাজোট যেভাবে সংবিধান সংশোধন করতে যাচ্ছে তাতে কীভাবে ‘পঁচাত্তর-পূর্ব রাজনীতির পুনর্জাগরণ’ ঘটবে, তা আমার মাথায় আসে না। ‘পঁচাত্তর-পরবর্তী রাজনীতির গণকবর রচিত’ কীভাবে হবে, তাও বুঝতে অপারগ। বিএনপির রাজনীতি ‘বেকায়দায়’ পড়লে তো ভালো। জামায়াত এবং এরশাদের জাতীয় পার্টিও যদি বেকায়দায় পড়ে তাতে তো পোয়াবারো জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৫১-র কম এবং জাসদ-ওয়ার্কার্স পার্টি যৌথভাবে যদি দেড় শ আসন পায়, তাহলে ওই দুই দলের কোনো নেতাই হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী দলে বসতে হবে শেখ হাসিনাকে। নেতাদের কথাবার্তা শুনে সপ্তাহখানেক যাবৎ মনে হচ্ছে তাই।
বাংলাদেশে সব কিছুই ‘অতি দ্রুত’ করার যে কালচার শুরু হয়েছে তা কৌতূহলের সৃষ্টি না করে পারে না। মহাজোটের নেতারা বেগম জিয়ার বিএনপিকে তো নয়ই, ‘সময়’কে পর্যন্ত বিশ্বাস করতে চাইছেন না। তাঁরা মনে করছেন, সময় অতি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার মতো জিনিস, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। একদিকে তাঁরা ২০২১ বা ২০৪৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চান, অন্যদিকে সময়কে বিশ্বাস করেন না। ভয় পান। তাই সময় নিয়ে ভেবে-চিন্তে কিছু করার নীতিতে তাঁরা বিশ্বাসী নন। তা ছাড়া আর একটি জিনিস তাঁরা ভুলে গেছেন। গণতান্ত্রিক সরকার আর সামরিক সরকার এক জিনিস নয়। সন্ধেবেলা কলমের এক খোঁচায় সামরিক শাসক যা করতে পারেন, গণতান্ত্রিক নেতা তা পারেন না।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া, জনগণের মতামত না নিয়ে ‘অতি দ্রুত’ কাজ করতে গেলে ভুল হয়। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ ‘এক রাতের মধ্যে’ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লেখা হয়েছিল। সে জন্যে রচয়িতার অগোচরেই সেটি হয়ে থাকে একটি অগণতান্ত্রিক দলিল। তাতে বলা হয়েছিল, ‘এতদ্বারা নিশ্চিত করিতেছি ও সিদ্ধান্ত লইতেছি যে, সংবিধান যে সময় পর্যন্ত প্রণীত না হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি থাকিবেন...রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সকল সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হইবেন, ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখিবেন, একজন প্রধানমন্ত্রী ও যে রূপ প্রয়োজন বিবেচনা করেন সেই রূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, কর ধার্য ও আদায় করিবার এবং অর্থসমূহ ব্যয় করিবার ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, গণপরিষদ আহ্বান ও মুলতবি করার ক্ষমতা তাঁহার থাকিবে, বাংলাদেশের জনগণকে একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ানুগ সরকার দিবার জন্য যে রূপ প্রয়োজন হইবে সে মত কার্য করিবেন।’
এই বক্তব্যে প্রজাতন্ত্র কোথায় আর গণতন্ত্র কোথায়? রাষ্ট্রের জন্মের শুরুতেই রাষ্ট্রের একনায়কত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়। ব্রিটেনের রানি, স্পেনের রাজা বা জাপানের সম্রাটেরও তো এই ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে একজন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক নেতা হিসেবে গণ্য না করে তাঁকে একজন সর্বশক্তিমান সামন্তপ্রভু বানানো হয়েছিল, যা শুধু মধ্যযুগেই সম্ভব ছিল।
যুদ্ধের মধ্যে একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়েছিল। সে সরকার না ছিল রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির, না সংসদীয় পদ্ধতির। ’৭২-এ যে সরকার গঠিত হয় তা ছিল সংসদীয় পদ্ধতির। কিন্তু মুজিবনগর সরকারের চেতনার ভিত্তিতেই এই সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে এমন ক্ষমতা সংবিধান দেয় যা ‘নির্বাচিত একনায়কত্ব’কে প্রতিষ্ঠিত করে। প্রধানমন্ত্রীই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তাঁর দলের অন্য সদস্যরা শক্তিহীন। মন্ত্রী হওয়ার আশায় এবং মন্ত্রিত্ব রক্ষা করতে সাংসদদের প্রধানমন্ত্রীকে তোয়াজ করতেই হবে। তাতে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠেন একনায়ক ও স্বেচ্ছাচারী।
এক রাতে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ লেখা এবং যৎসামান্য আলোচনা করে সংবিধান রচনা শুধু বাংলাদেশের পক্ষেই সম্ভব। আধুনিক যুগের লিখিত সংবিধানের মধ্যে আমেরিকার সংবিধান সবচেয়ে পুরোনো। বহু মনীষীর চিন্তার ফসল ওই সংবিধান। সংবিধানসংক্রান্ত কত দলিল তাদের! ৪ জুলাই ১৭৭৬-এর ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’, ১২ জুলাইয়ের ভার্জিনিয়া এসেম্বলিতে ‘দ্য ভার্জিনিয়া বিল অব রাইটস’ এবং ‘ভার্জিনিয়া স্ট্যাটিউট অব রিলিজিয়াস লিবার্টি’, ২৩ এপ্রিল ১৭৮৪-র ‘জেফারসন’স অর্ডিন্যান্স’, ১৩ জুলাই ১৭৮৭-র ‘দ্য নর্থওয়েস্ট অর্ডিন্যান্স’, ১৫ ডিসেম্বর ১৭৯১-এর ‘দ্য বিল অব রাইটস’ এবং ১৮৬৫, ১৮৬৮, ১৮৭০, ১৯১৩-এর সংবিধান সংশোধন যখন আমরা পাঠ করি, তখন ও দেশের রাজনীতিকদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়, এখন আমেরিকার আফগানিস্তান ও ইরাকে নৃশংসতা করা অন্য অধ্যায়।
সব দেশেই সংবিধান খুব ভেবে-চিন্তে লেখা হয়। এশিয়ার মধ্যে ভারত ও জাপানে সবচেয়ে ভালো গণতন্ত্র কার্যকর রয়েছে। আত্মসমর্পণের দুই বছর পর জাপান তার সংবিধান গ্রহণ করে ১৯৪৭-এর মে-তে। সাম্রাজ্যবাদী অতীত থেকে জাপান সরে এসে এক নতুন গণতান্ত্রিক রাজনীতির সূচনা করে। ডায়েট বা পার্লামেন্টকে সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীর সবচেয়ে গণতান্ত্রিক সংবিধান ভারতের। সেটির প্রণেতা ড. বি আর আম্বেদকর। তিনি ছিলেন নিম্নবর্ণের অচ্ছুত হিন্দু। বর্ণহিন্দুদের আচরণে তিষ্ঠোতে না পেরে ১৯৫৬-তে মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ছিলেন বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবী, ইতিহাসবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ। তিনি নিজেই সংবিধান লিখতে পারতেন তিনমূর্তিভবনের বিশাল বাড়িতে বসে। কিন্তু তা না করে দায়িত্ব দেন আম্বেদকরকে।
আম্বেদকর কাউকে খুশি করার পাত্র ছিলেন না। কোনো মতলবি মানুষও ছিলেন না। কোনো গোষ্ঠীর আবদার মেনে নেওয়ার লোকও ছিলেন না তিনি। সংবিধান রচনার সময় হিন্দু জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস নেতা রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে ‘হিন্দু কোড বিল’ নিয়ে তাঁর লেগে যায়। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের লেখা বিল তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের বিলের বিপরীতে পণ্ডিত নেহরু রচনা করেন আর একটি ‘হিন্দু কোড বিল’। অসাম্প্রদায়িক নেহরুর বিলটিই আম্বেদকর গ্রহণ করেন। হিন্দু কোড বিল নিয়ে রাজেন্দ্র প্রসাদ, নেহরু ও আম্বেদকর যে বিতর্ক করেন, সে সম্পর্কে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নিশ্চয়ই জানেন। ওটাকেই বলে গণতন্ত্র। ভিন্নমত শুনেই বর্জন করতে হয়। ভিন্ন মতাবলম্বীকে কৌশলে বা চাতুর্য করে দূরে রাখা গণতন্ত্র নয়।
তিন তুড়িতে সংবিধান সংশোধন গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বিরোধী। সংবিধানের মূল জায়গায় হাত দেওয়া অপরাধ। যে অপরাধ করেছেন আমাদের দুই সামরিক শাসক—জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। জিয়া বিসমিল্লাহ যোগ করার পর এবং এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম করার পর থেকে একজন নাগরিক হিসেবে আমি অব্যাহতভাবে তার বিরোধিতা করেছি। আমরা চাইতাম অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আমাদের সংবিধানের মূল অসাম্প্রদায়িক চরিত্রটি পুনরুদ্ধার করুক। শেখ হাসিনার পক্ষেই সেটা করা স্বাভাবিক। তবে তিনি যে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না, তাও জানি। কাজটি শেখ হাসিনা করতে পারতেন সব দলকে আস্থায় এনে। রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছে তাঁর উদ্যোগেই। সেটা তিনি পেরেছিলেন বেগম জিয়াকে আস্থায় এনে। সেদিনের সংসদের দৃশ্যটি আমার মনে আছে। সেদিন খুব আনন্দ পেয়েছিলাম।
এবার তা নয়। সংবিধান সংশোধন করতে যাচ্ছেন তিনি একা, তাঁর কয়েকজন নতুন মোসাহেবকে নিয়ে। যে ১৫ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, তাকে একদলীয় বললে কম বলা হয়। এই কমিটি যা করবে, তা তিনি সামরিক শাসকদের মতো এক্সিকিউটিভ অর্ডার বা প্রশাসনিক ক্ষমতাবলেই করতে পারতেন। এক-তৃতীয়াংশের বেশি ভোট পেয়েছে যে দল সেই বিএনপির কাছে মাত্র একটি নাম না চাইলেই পারতেন। বাংলাদেশের নিয়তিই হয় ক্ষমতাসীন দলের গণতান্ত্রিক শাসন অথবা সামরিক শাসন। সর্বদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন এ দেশে নিষিদ্ধ।
সবকিছুই তড়িঘড়ি ‘অতি দ্রুত’ কাঁচা হাতে করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে না গেলে বাংলাদেশ বাঁচবে না এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতেই হবে। আওয়ামী লীগের নেতাদের চেয়ে মহাজোটের ক্ষুদ্র দলগুলোর নেতারাই বেশি মুখর। মৌলবাদী দল ও ইসলামি রাজনীতি থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ একাধিকবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। সুতরাং ক্ষমতার রাজনীতিতে ইসলামি প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতি আওয়ামী লীগের জন্য কোনো বড় বাধা নয়।
অনেক কথারই অর্থ বোঝা কঠিন। বলা হচ্ছে ‘হাইকোর্টের প্রতি সম্মান দেখিয়ে’ সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে। এর পরিষ্কার অর্থ হাইকোর্ট না বললে আমরা সংশোধনে যেতাম না। বুধবার প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে’ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন তাঁরা পেয়েছেন ‘একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের জন্য।’ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশি আসন পাওয়া আশীর্বাদ নয়, অভিশাপ হিসেবে দেখা দেয়।
প্রয়োজনে সব দেশেই সংবিধান সংশোধন করা হয়, কিন্তু সংবিধানের মূল জায়গায় হাত দেওয়া হয় না। সংবিধানের basic structure-এর পরিবর্তন বিষয়ে উপমহাদেশে অনেকগুলো বিখ্যাত মামলা হয়েছে। ভারতের সংবিধানসংক্রান্ত বিখ্যাত মামলাগুলোর মধ্যে গোলকনাথ বনাম পাঞ্জাব রাজ্য (১৯৬৭), ইন্দিরা নেহরু গান্ধী বনাম রাজনারায়ণ (১৯৭৫), কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরালা রাজ্য (১৯৭৩), মিনার্ভা মিলস বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (১৯৮০) প্রভৃতি। পাকিস্তানেও সংবিধানের মূলনীতি ও মৌলিক অধিকার বিষয়ে মামলা হয়েছে। যেমন—ফজলুল কাদের চৌধুরী বনাম মোহাম্মদ আবদুল হক (১৯৬৩), সুলেমান বনাম প্রেসিডেন্ট (১৯৮০) প্রভৃতি। আমাদের সংশোধনীর বিষয়েও যে মামলা-মোকদ্দমা হবে না, তার নিশ্চয়তা কী?
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে আইন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করা প্রায় অসম্ভব। খ্রিষ্টান ডেমোক্রেটিক পার্টি ইউরোপের সব দেশেই আছে। বাংলাদেশে মৌলবাদীরা যদি ক্ষমতা পায় বাংলাদেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যাবে। খালেদা জিয়া-নিজামীরা সে আয়োজন করেছিলেন। আমরা তা থেকে মুক্তি চেয়েছিলাম। সে মুক্তি প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে, গায়ের জোরে নয়। গলা টিপে ইসলামি রাজনীতি বন্ধ করতে গেলে আরও জঙ্গিজাতীয় ধর্মান্ধ রাজনীতি গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার পরিণাম হবে জাতীয় জীবনে ভয়াবহ।
অন্য তাৎপর্যও আছে। ৫০ লাখের বেশি শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় কাজ করে টাকা পাঠাচ্ছেন। তাঁদের ডলার-রিয়ালে-দিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিন্দুক ভরে গেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও দাতাগোষ্ঠীর খয়রাতি টাকায় নয়। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করা মাত্র ওই সব দেশ বাংলাদেশি শ্রমিকদের দেশে ফেরত পাঠাবে। আমাদের শ্রমিকদের শূন্যস্থান পূরণ করবেন ভারত ও পাকিস্তানের শ্রমিকেরা। তাতে বাংলাদেশে বেকারত্ব শুধু বাড়বে না, ভারতবিরোধী চেতনাও চাঙা হবে।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী রাজনীতির জন্য শুধু মৌলবাদী পাকিস্তানপন্থী লোকেরাই দায়ী নয়। বামদের একটি গোত্রের ভূমিকা বিরাট। ১৯৭৫-এর ১৫ নভেম্বরের এক বিবৃতির পর মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রব, ড. আখলাকুর রহমান, কর্নেল তাহের এবং হাসানুল হক ইনু গ্রেপ্তার হলে জাসদ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ ও বিপ্লবী গণবাহিনী এক বিবৃতিতে বলে: ‘সম্ভাব্য ভারতীয় হামলা মোকাবিলার কোনো সাধ্যই ক্ষমতাসীন সরকারের নেই।...ভারতীয় আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে শহরে-নগরে, গ্রামে-গঞ্জে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সমস্ত গোপন ও অসম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।’
১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৬ ইউনাইটেড পিপলস পার্টির পক্ষে ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরী, কাজী জাফর আহমদ, রাশেদ খান মেনন, আবদুল মান্নান ভূঁইয়া প্রমুখ দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে বলেন: ‘একুশের চেতনা প্রতিরোধের চেতনা। একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসী পাকিস্তানি নিপীড়নের ২৪ বছর এবং মুজিবী বিশ্বাসঘাতকতা ও সন্ত্রাসের দিনগুলোতে কোনো কিছু পরোয়া না করে একের পর এক কঠিন কঠোর সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আজ যখন সীমান্তে ভারতীয় হানাদাররা হামলা চালাচ্ছে, রুশ-ভারত চক্রের এ দেশীয় অনুচররা নানা কায়দায় এই হামলার জমিন তৈরি করতে একটুও দ্বিধা করছে না...’
সব দোষ মধ্যযুগপন্থী ইসলামি মৌলবাদীদের ঘাড়ে চাপিয়ে লাভ হবে না। সংবিধান সংশোধন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করলে বাংলাদেশে মাওবাদী রাজনীতির উত্থান ঘটবে। তাদের যদি নিষিদ্ধ ধর্মীয় মৌলবাদীরা সহযোগিতা দেয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। বলা হচ্ছে, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে গেলেই মার্শাল ল আসা বন্ধ হবে। সবচেয়ে সেক্যুলার সংবিধানও যেমন ধর্মীয় রাজনীতি ঠেকাতে পারে না, সবচেয়ে ভালো গণতান্ত্রিক সংবিধানও ধর্মীয় রাজনীতি ঠেকাতে পারে না। ইরানের শাহ তো ছিলেন সেক্যুলার শাসক। সুস্থ গণতন্ত্র ও সুশাসনই পারে অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখল বন্ধ করতে।
বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে সরকার নিজেই সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু এখন সরকারের উচিত হবে সেই সংবিধান গণভোটে দেওয়া। অগণতান্ত্রিক, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক ও ত্রুটিপূর্ণ সংবিধান সংশোধন করা অবশ্যকর্তব্য। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যা দরকার তা হলো, রাজনীতিকে সংশোধন করা অর্থাৎ রাজনীতিকদের সংশোধিত হওয়া। সবচেয়ে ভালো সংবিধানও ভালো গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তা দিতে পারেন সুশিক্ষিত ও ন্যায়নীতিসম্পন্ন এবং ভালো স্বভাবচরিত্রসম্পন্ন রাজনীতিকেরাই।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 03
(114)
- এই দিনে-সোহাগপুরের বিধবারা by আবদুল মান্নান
- কালের পুরাণ-কালো আইনের পক্ষে বিএনপির সাফাই! by সোহ...
- ঐতিহ্য-কবি জয়দেবের বসতভিটা সংরক্ষণ জরুরি by সাইফুদ...
- দিল্লির চিঠি-সহিষ্ণুতা ছাপিয়ে হিংসার বিস্তার by কু...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-রাজউক ঘুমিয়ে নেই by মো. নূরুল হুদা
- সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও নিয়মিত তদারকি জরুরি-গণপরিবহনে ন...
- অমানবিক কর্মপরিবেশ বদলাতে হবে-পোশাকশ্রমিকের জীবন ও...
- চারদিক-একজন মুক্তিযোদ্ধার প্রশ্ন by মাহফুজ রহমান
- যুক্তি তর্ক গল্প-শিক্ষায় বৈষম্য রেখে পরীক্ষায় সাম্...
- প্রতিক্রিয়া-৫০ বছর পর আবার কেন গোল্ডেন রাইস? by পা...
- ভারত-উপেক্ষিত কাশ্মীর by তারিক আলি
- সংবিধান সংশোধন-১৯৭২-এর মূল সংবিধানে ফিরে যাওয়া কেন...
- সবার কাছে সংযত আচরণই কাম্য-রাজনৈতিক কর্মসূচি
- সরবরাহের দিকে সরকারের মনোযোগ জরুরি-মূল্যস্ফীতি প্র...
- চারদিক-চারদিকে আনন্দ, আনন্দ আর আনন্দ by রয়া মুনতাসীর
- সময়চিত্র-ডায়েরি: কলাম লেখকের রাত by আসিফ নজরুল
- ধর্ম-রোজার প্রস্তুতি ও শাবান মাসের ফজিলত by মুহাম্...
- স্মরণ-তাজউদ্দীন আহমদ ও জনগণের রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক...
- সহজিয়া কড়চা-শুধু সংবিধান সংশোধন নয়, প্রয়োজন রাজনীত...
- নদী দখলমুক্ত রাখতে অব্যাহত নজরদারি দরকার-তুরাগ-বুড়...
- ব্যাপকভিত্তিক সংস্কারের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে-স...
- চারদিক-এক বংশীবাদকের গল্প by শারমিন নাহার
- দেখে শুনে লেখা-গোপনীয়তা-প্রবণ একটি হাসপাতাল by মশি...
- বিদেশি পত্রিকা থেকে-গাড়ি দুর্ঘটনার দায় স্বীকার by ...
- বিদ্যুৎ-সৌরবিদ্যুৎ কি আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে চা...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-অতি পুরাতন ভাব নব আবিষ্কার by এবি...
- ন্যায্য মজুরি না দিলে শিল্প ও বাজার উভয়ই অনিশ্চিত ...
- ঘটনার দ্রুত তদন্ত করুন-পুলিশ কেন এভাবে মারা যাবে
- স্মরণ-বিদেশি বন্ধুর চোখে কর্নেল তাহের by ইফতেখার ম...
- সপ্তাহের হালচাল-সংবিধান সংশোধন: কে কত কাজের কাজি b...
- অভিমত ভিন্নমত
- শিক্ষার লক্ষ্য-শেখালেই কি উন্নত মানুষহবে? by রুখসা...
- অবৈধ ভবনগুলো নিয়ে কী করা হবে?-রাজউকের দায়দায়িত্ব
- সরকারের অনেক কিছু করার আছে-আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্...
- চারদিক-ঘোড়ার গাড়ির কথা by কিঙ্কর আহ্সান
- মামলার অনুমতি-ছাত্রলীগ নেতা কি ‘সম্মানিত’ ব্যক্তি ...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সুফল পেতে হলেবিকল্...
- গদ্যকার্টুন-একদা একটা শহর ছিল ঢাকা নামে by আনিসুল হক
- চিরকুট-সারমেয় সমাচার by শাহাদুজ্জামান
- সহজিয়া কড়চা-গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র, কোনো গোত্রে...
- আর কত ঘটবে, সরকারের টনক আর কবে নড়বে?-বিএম কলেজে শি...
- সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দিকেই নজর দিতে হবে-সচিবদের স...
- জন্মদিন-তিতাশ চৌধুরী: জন্মদিনের শুভেচ্ছা by জিল্লু...
- পোশাকশ্রমিক-বাঁচার মতো মজুরি এবং রাহেলাদের প্রাণীজ...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-জনদুর্ভোগ যেন না বাড়ে
- দিল্লির চিঠি-পাকিস্তান-ভারত বৈরিতা অবসানের জন্য by...
- মত দ্বিমত-অনিয়মই বহাল রইল by আবুল কাসেম ফজলুল হক
- মত দ্বিমত সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্য...
- করো, দেখো
- টুকিটাকি-এবার জৈবিক প্রযুক্তির মেমোরি
- এ সপ্তাহের বিজ্ঞানী-ক্যারোলাস লিনিয়াস
- ৫৩তম আইএমওতে বাংলাদেশ গণিত দল
- ৬ জুন সূর্যের সামনে শুক্র গ্রহ by সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন
- খালি কনটেইনারের স্তূপ জমেছে বন্দর ইয়ার্ডে
- সিটি করপোরেশন-জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী পেটালেন সহকর্মীকে
- মৃত্যুর আগে হিমাদ্রীর শেষ কথা... by প্রণব বল
- ১৭ বালতি ডিম সংগ্রহ করেছেন বিতান বড়ুয়া
- হালদাপারে মাছের উৎসব by হামিদ উল্লাহ
- প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ
- অদ্ভুত আইন-উঁচু হিল পরা নিষেধ by শর্মিলা সিনড্রেলা
- ফেসবুক পেজ থেকে-আইনি জিজ্ঞাসা
- বিশেষজ্ঞ মতামত
- পুলিশি নির্যাতনের প্রতিকার কী? by তানজিম আল ইসলাম
- রং বে র ং
- হল্যান্ড-উৎসবের রং কমলা? by সোলায়মান
- জার্মানি-সাফল্য বুভুক্ষু by পবিত্র কুন্ডু
- স্পেন-ইতিহাসের হাতছানি by রাজীব হাসান
- চারদিক-বড় হয়ে পুলিশ হব! by ফারুখ আহমেদ
- কলকাতার চিঠি-লন্ডনের ছোঁয়া কলকাতায় by অমর সাহা
- তথ্যপ্রযুক্তি-শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ও আমাদের উদ্ভা...
- মন্ত্রী কেন পেশাজীবী সংগঠনের নেতা হবেন?-স্বাস্থ্যম...
- চাই সঠিক পরিকল্পনা ও কৃচ্ছ্রসাধন-সরকারি খাতের অপচয়
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নিমতলী ট্র্যাজেডির দুই বছর-তবু বেঁচে থাকা by শেখ স...
- মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা-এশিয়া অঞ্চলে আরও ...
- আ.লীগের সভায় প্রধানমন্ত্রী-পত্রপত্রিকায়, টক শোতে দ...
- রাজনীতি-শুধু সমঝোতা নয়, সমাধান চাই by বদিউল আলম মজ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-দুর্নীতির ব্যাপকতাই সংঘাতের রাজনী...
- সরকারি হিসাবে আরও বেশি-বাংলাদেশে কালো টাকা জিডিপির...
- আসছে টাকা সাদা করার মহোৎসব
- বাজেট ২০১২-১৩-দুই কোটি টাকার মালিক মাত্র সাড়ে চার ...
- ত্রাণকর্তা থেকে পতিত শাসক
- নতুন ইতিহাস গড়ল তাহরির স্কয়ার by সুভাষ সাহা
- দৃশ্যপটে বাংলাদেশ কোথায়? by মাহবুব মোর্শেদ
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-পুলিশ কি দুষ্টচক্রে? by শেখ হাফ...
- গণমাধ্যম-পেশাদারিত্ব মানে কেবল নিরপেক্ষতা নয় by সা...
- প্রতারণার নানা ফাঁদ-সতর্ক থাকুন, সতর্ক করুন
- রাজধানীর ফ্লাইওভার-সময় থাকতে ত্রুটি দূর করুন
- ভারতে বসুন্ধরা গ্রুপকে আমন্ত্রণ
- লিবিয়ায় হস্তক্ষেপ, অতঃপর-
- পবিত্র কোরআনের আলো-সৎকর্মশীল মানুষের জন্য কত সুন্দ...
- রবার্ট ফিস্ক-পশ্চিমাদের প্রথম টার্গেট সাদ্দাম, অতঃ...
- 'কর্তব্য পালন করাটা অন্যদের ব্যাপার' by ডা. ওয়াহিদ...
- শত্রু নয়, বন্ধু বাড়াতে হবে by মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
- চরাচর-বর্ণবৈষম্য নির্মূল দিবস by তামান্না ইসলাম অলি
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- কেন ডাকসু-রাকসু নির্বাচন প্রয়োজন by এস এম আব্রাহাম...
- এসব কী বলছেন কাদের সিদ্দিকী! by মহসীন হাবিব
- ভিন্নমত-শেয়ারবাজারে ধস : কিছু সত্য প্রবচন বারবার ম...
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সপ্তম নৌবহরের ঘাঁটি গাড়ার খব...
- এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ৬০% নৌশক্তি মোতায়ে...
- বিএনপি নেতাদের ধারণা-শেষ পর্যন্ত আপস করতে বাধ্য হব...
- মুবারকের যাবজ্জীবন
- টিপাইমুখ সমীক্ষাদল এখনো করেনি ভারত-আস্থা বাড়াতে দি...
- রিহ্যাব ও বিএলডিএর সংবাদ সম্মেলন-দেশীয় উদ্যোক্তারা...
- সরকারের বিরুদ্ধে না লিখলে অনেকের পেটের ভাত হজম হয় ...
- মহাখালীতে পুলিশ, সিটি করপোরেশন ও মালিক সমিতির চাঁদ...
- গাবতলীতে মাসে তিন, বছরে ৩৫ কোটি টাকা লেনদেন by এস...
- বিভিন্নমুখী সংকটে বিমান-সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় লাভজনক...
- ফের সক্রিয় যুবক-প্রতারণার ফাঁদ কি বিস্তৃত হতেই থাকবে?
- পবিত্র কোরআনের আলো-তাবুকের যুদ্ধাভিযানে যেতে যারা ...
- মুদ্রাস্ফীতি মূল্যস্ফীতিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে by ইফতেখ...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-এখনো শুকায়নি আইলার ক্ষত by দেব...
- পুলিশ ও জনগণের অধিকার by এ এম এম শওকত আলী
-
▼
Jun 03
(114)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment