Sunday, April 15, 2012
গ্রামীণ ব্যাংক-চাই রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা by রেহমান সোবহান
গ্রামীণ ব্যাংক-চাই রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা by রেহমান সোবহান
সরকারি পদক্ষেপের বোধ ও বিবেচনা গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অপসারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন জাতিকে যেমন আহত করেছে, তেমনি বিপর্যস্ত করেছে ব্যাংকটির লাখ লাখ গ্রাহককে। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার দুনিয়াজোড়া যে বিরূপ মন্তব্যের মুখে
পড়েছে, তা আমাদের ভাবমূর্তিকে এগিয়ে নিতে কতটা সহায়ক, তা বলা কঠিন। বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ট্যাক্সিচালক পর্যন্ত সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, এটা কেমন সরকার, যারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে, যাদের শাসন ধর্মনিরপেক্ষ, তারা কেন এমন কাজ করল? গত ৩ মার্চ দেশে ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে এক বাঙালি অভিবাসন কর্মকর্তার প্রশ্নের মাধ্যমে ঘটনাটির বৈশ্বিক অভিঘাত আমার ওপরও এসে পড়ল। তাঁকে আমার পাসপোর্টটি দেওয়ামাত্রই তিনি বিষণ্নবদনে জানতে চাইলেন, ‘কেন তোমাদের সরকার তোমাদের নোবেল বিজয়ীকে সরিয়ে দিতে চায়?’ হতে পারে তা অন্যায্য কিন্তু বৈশ্বিক সম্প্রদায় নিরন্তরভাবে আমাদের সরকার সম্পর্কে যে ধারণা পোষণ করতে শুরু করেছে, সরকারের তরফে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন কিংবা বিচার-প্রক্রিয়ার ফল দিয়ে কোনোভাবেই তা মোচন করা যাবে না। মেয়াদের বাকি বছরগুলোতেও এই নিন্দা সরকারকে তাড়া করে ফিরবে। এই ক্ষতিকর সংঘাতের ফলে সরকার কী পেল আর কী হারাল, তার কোনো খতিয়ানের চেষ্টাও তাদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে বলে মনে হয় না।
তাহলে সরকার কেন অর্থমন্ত্রীর মাধ্যমে গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনের অপেক্ষা না করেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল? ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ কার্যকর করা এবং ১ দশমিক ৮ কোটি টাকার প্রাথমিক মূলধন দেওয়া ছাড়া গত ৩০ বছরে ব্যাংকটির বিকাশে সরকারি ভূমিকা অতি নগণ্য। বিপরীতে, দরিদ্র গ্রাহকেরা, যাঁদের বেশির ভাগই নারী, তাঁদের অংশীদারির অনুপাত হলো মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশ এবং একটানা তাঁরা ব্যাংকটির মূলধনি ভিত্তি বাড়িয়ে চলেছেন। তাঁদের সামান্য সঞ্চয় দিয়েই তাঁরা এটা করেছেন এবং এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি টাকা। পরিণামে, এই নারীরা এখন ব্যাংকের পরিশোধিত স্টক শেয়ারের ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশেরই মালিক।
গ্রামীণ ব্যাংক এখন ব্যাংকঋণের মাধ্যমে অথবা সময়ে সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সুদের বিনিময়ে ঋণপত্রের মাধ্যমেও পুঁজি গঠন করছে। তহবিল জোগানদাতাদের মধ্যে এমনকি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মেয়াদের মধ্যেই সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকার করদাতাদের দেওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর মূলধনি ভিত্তি গঠন করতে বাধ্য হয়েছে কিন্তু এসব ব্যাংকের অভিজাত গ্রহীতারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করে দিয়েছেন।
এই দীর্ঘ সময়ে গ্রামীণ ব্যাংককে কোনো সরকারি বেইল আউট নিতে হয়নি কিংবা বাইরে থেকে তহবিল আহরণে সরকারি হস্তক্ষেপেরও দ্বারস্থ হতে হয়নি। তহবিলদাতারা নিজেরাই সেধে এসে গ্রামীণকে তহবিল দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক নিরীক্ষণে দেখা গেছে, ব্যাংকটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং এর আর্থিক কাজকারবার সুচারু ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। এমনকি ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারমালিকদের দিক থেকে অথবা এর গ্রাহকদের পক্ষ থেকে কখনো সরকারের কাছে অনিয়মের বা সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগও আসেনি। এ রকম যখন অবস্থা, তখন এটা বোধগম্য নয়, ৩০ বছর যাবত গ্রামীণের নিষ্ক্রিয় ও দুর্বল অংশীদারির ভূমিকায় থাকার পর সরকার কেন হঠাৎ জেগে উঠে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মালিকসুলভ আচরণ শুরু করল? সাধারণভাবে এ ধরনের আচরণ অনিয়মের কারণে আর্থিক বিপত্তির মুখে পড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য সংরক্ষিত থাকে। যে সরকার শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, জ্বালানিসংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, লিবিয়া থেকে প্রবাসী কর্মীদের ফেরত আসাসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানে মহামারি আকারের অব্যবস্থাপনার মতো গুরুতর সমস্যায় হিমশিম খাচ্ছে, সেই সরকার কেন আর্থিকভাবে গতিশীল ও সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা নিয়ে বিবাদে জড়াল, যেখানে আবার তাদের অংশীদারি নগণ্য, সেটা এক রহস্য বটে।
এজমালি সম্পত্তির তছনছ
একটি আইনি খুঁটিনাটির ছুতো ধরে অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণ করার সময় সরকার প্রতিষ্ঠানটির সফলতার ইতিহাস এবং এর ব্যাপক বিস্তৃত খ্যাতিকে গুরুত্বই দেয়নি। প্রতিষ্ঠানটির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মালিক সেই ৮০ লাখ দরিদ্র নারীর আর্থিক স্বার্থও তাদের কাছে পাত্তা পায়নি। এমনকি তারা অনুসন্ধানও করে দেখেনি যে, ১৯৯৯ সালে কেন গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ যত দিন না দায়িত্ব হস্তান্তরে সক্ষম হন, তত দিন পর্যন্ত অধ্যাপক ইউনূসকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। দেখা যাক, কেন সে সময় পর্ষদ সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল।
সে সময়, পর্ষদের সব সদস্যের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে গ্রামীণ ব্যাংক কোনো সাধারণ প্রতিষ্ঠান নয় এবং এর পরিচালক অধ্যাপক ইউনূসও অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোছের কেউ নন। ১৯৭৬ সালে ফিরে গিয়ে দেখি, গ্রামীণ ব্যাংক এক অনন্য চিন্তার ফসল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সহায়হীনদের মঙ্গলার্থে কোনো রকম অতিরিক্ত জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়ার নীতির ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তাঁর উদ্যোগেই এটি দিনে দিনে একটি সামাজিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। দরিদ্রদের জন্য এনজিও বানানোর বদলে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়ায় ইউনূস সরকারকেও জড়িত করেছিলেন। তাঁর আশা ছিল যে সরকারও দরিদ্রদের সহায়তা করায় অংশীদার হয়ে উঠবে। এই কাজে তিনি তখনকার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উদার ও সক্রিয় সহযোগিতা পান। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এমন এক বিরল অর্ডিন্যান্স কার্যকর করেছিলেন, যাতে এমন একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত হবে, যার আংশিক মালিকানা থাকবে এর দরিদ্র গ্রহীতাদের হাতে, যাতে তাঁরা বিনা জামানতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারেন।
এই পরীক্ষামূলক সূত্রপাত থেকে পরের ২৫ বছর ধরে ইউনূস দিনরাত পরিশ্রম করে, একদল নিবেদিতপ্রাণ সহযোগীর সমর্থনে গ্রামীণ ব্যাংককে রূপান্তর করেন বিশ্বের মধ্যে এ ধরনের সংস্থাগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্ববৃহৎ সংস্থা হিসেবে। তাঁর ও তাঁর ব্যাংকের নামে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তি এরই ফল। তখন থেকেই গ্রামীণ মডেলের আদলে বিশ্বে অজস্র প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও তা ঘটেছে। এই প্রক্রিয়ায়, বিশেষত প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রথম দুই দশকে ইউনূস বাংলাদেশের আনাচকানাচে সফর করেছেন। এটা তিনি করেছেন যাঁরা ঋণ নিচ্ছেন এবং গ্রামীণের মালিক হচ্ছেন তাঁদের ভালো করে জানতে এবং তাঁদের সমস্যার পাহাড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে। এই প্রক্রিয়ায় তিনি গ্রামীণের নারী মালিকদের সঙ্গে এমন এক ব্যক্তিগত আস্থার সম্পর্ক সৃষ্টি করেছেন, যার পরিণতিতে তাঁরা গ্রামীণের সঙ্গে কারবারে ভরসা পান। ৩০ বছর ধরে কোটি কোটি নারীকে বুঝিয়ে বারবার গ্রামীণের কাছে নিয়ে আসা, ৫১ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করানো ও পরিশোধ করানো এক পর্বতপ্রমাণ সাফল্য। বিশেষত এমন এক দেশে এটা সম্ভব হয়েছে যেখানে কার্যত এসব নারীর শতভাগই জীবনে কখনো ব্যাংকে যাননি। এই লাখ লাখ ঋণগ্রহীতার কাছে ব্যক্তি ইউনূস হলেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের অচেনা জগতে এক আস্থার প্রতীক, নিরাপত্তার চাদর।
যে মানুষটির ভরসায় লাখো নারী তাঁদের আশা, ভয় ও সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছেন, কেবল বয়স ৬০ হয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আর তাঁদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবেন না, এটা জানাকে তাঁরা মেনে নিতে পারবেন না। যাঁরা এর মালিক এবং এখানে যাঁদের বিনিয়োগ রয়েছে, গ্রামীণের সেই সব গ্রহীতা/মালিকের এই মনোভাবই সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে গ্রামীণের পরিচালনা পর্ষদের নয় নারী প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে। ১২ বছর পরে সম্প্রতি এ ধরনের অন্য নয়জন নারীই ব্যাংকটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ইউনূসের অপসারণের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইউনূস যখন আদালতে হাজির হয়েছেন, তখন টেলিভিশনের পর্দায় এঁদেরই দেখা গেছে তাঁর প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে। সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে সর্বশক্তিমান জ্ঞান করে ব্যাংকের ৯৬ শতাংশ স্টক-শেয়ারের মালিক এই লাখো কোটি নারীর উদ্বেগ ও মতামত তুচ্ছ করলে কোনোভাবেই সেই আচরণকে বিবেচক, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীল বলা যায় না। এই মানুষদের গণতান্ত্রিক ও করপোরেট অধিকার রদ করাকে ন্যায্য বলে প্রতিপন্ন করাও কঠিন। এই নারীরাই হলেন ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিক এবং তাঁরা যে ভোটার, সেটা প্রধান বিরোধী দলেরও নজর এড়ায়নি।
পরিচালনা পর্ষদের কাছে অধ্যাপক ইউনূসের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি এবং ব্যাংকের কাছে তাঁর মূল্য মোটেই ঠুনকো ব্যাপার নয়। এমনকি ১৯৯৯ সালেও ইউনূস দেশের মধ্যে যেমন, আন্তর্জাতিক স্তরেও ছিলেন তেমন খ্যাতিমান। ইউনূসের এই মানমর্যাদা গ্রামীণের অগণিত বিনিয়োগকারীর মধ্যে কেবল ভরসার অনুভূতিই জাগায় না, তা ব্যাংকের জন্য একটি বড় পুঁজিও বটে। এমনকি এক দশক আগেও অধ্যাপক ইউনূস যেকোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং করপোরেট বিনিয়োগকারীদের থেকে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করার মতো অবস্থানে ছিলেন। অধ্যাপক ইউনূস তাই হয়ে উঠেছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের সম্পদ। দরিদ্র নারীদের কাছে তাঁর নামের এই মূল্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের থেকেও বেশি। গ্রামীণের পরিচালনা পর্ষদ অন্য যেকোনো পদ অলংকৃত করে থাকা ব্যাংকারের মতো করে ইউনূসকেও স্বেচ্ছায় অবসর নিতে দিলে সেটা হতো ব্যাংকের পরম একটি সম্পদ নষ্ট করার মতো বিরাট করপোরেট অপরিণামদর্শিতা ও দায়িত্বহীনতা।
এক দশক পরে, ইউনূস এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত। গ্রামীণের মডেল এখন দুনিয়ার সর্বত্র অনুসরিত হচ্ছে। এখন তাঁর জন্য দুনিয়ার সব উন্নত দেশ এবং তাবৎ উন্নয়নশীল দেশ যথা—চীন, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম; এমনকি ভেনেজুয়েলার মতো দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দরজা খোলা। এখন তিনি ফোন তুলেই বিশ্বের প্রধান প্রধান ৫০০ কোম্পানির (ফরচুন ৫০০ তালিকাভুক্ত) যেকোনো সিইওর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। এই ৫০০ কোম্পানির যে কেউই তাঁকে তাঁদের পরিচালনা বোর্ডের সভায় উপস্থিত থাকার জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি। অথচ এসব না করে তিনি বাংলাদেশে থাকাই সাব্যস্ত করেছেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক লাখ লাখ দরিদ্র নারীকে তাঁর নাম মূলধনের মতো ব্যবহার করতে দিচ্ছেন। কী পরিমাণ বোধ-বিবেচনাহীন হয়ে পড়লে এবং বাণিজ্যিক বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেললে নিছক মামুলি আইনি বিধির অজুহাতে এই লাখ লাখ নারীকে তাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হাতছাড়া করতে বাধ্য করা যায়?
সংঘাত থেকে রাষ্ট্রনায়কতার দিকে
সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইউনূসের সঙ্গে সরকারের কোনো রাজনৈতিক বিবাদ নেই। তাঁরা কেবল আইনের শাসনের সুরক্ষা চান। আমি সরকারের তরফে এই বক্তব্যকে তাঁদের অবস্থান হিসেবে ধরে নিতে চাই। যদি আইনের শাসনই মূল বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে যেমন বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান আইনি বিচ্যুতি হলো ১৯৯৯ সালে ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পুনর্নিয়োগের বেলায় আগেভাগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নেওয়া। বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুটি তোলে গ্রামীণ ব্যাংকের বার্ষিক অডিট প্রতিবেদনে এবং সে সময় গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিবেদনের যাবতীয় প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর দেয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সেই উত্তর যদি বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের মনঃপূত না হয়, তাহলে তারা গ্রামীণ ব্যাংককে আবারও নোটিশ দিয়ে তাদের এই অনিয়মকে সংশোধন করতে বলতে পারত। কিন্তু তিনটি গণতান্ত্রিক সরকার, দুটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ১৯৯৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের চারজন গভর্নরের সময়েও তাঁদের দিক থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে আর কোনো নোটিশ পাঠানো হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই একটানা নীরবতাকে খুবই যুক্তিসংগত কারণেই গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট প্রতিবেদনের প্রতি অনুমোদন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ইউনূসের পুনর্নিয়োগকে গ্রাহ্য করা বলে ধরে নেওয়া যায়।
এমনকি আজও ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সে রকম কোনো চিঠি পাঠাতে কোনো বাধা ছিল না। তাহলে গ্রামীণ ব্যাংক তাদের কাজের একটা ব্যাখ্যা দিতে পারত এবং/অথবা হয়তো ইউনূসের দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার অনুমোদনও চাইতে পারত। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকও গত ১২ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর করা ইতিবাচক অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভাবতে পারত যে অধ্যাপক ইউনূস যেহেতু দক্ষতার সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা করছেন, সেহেতু তাঁর অনুমোদন প্রাপ্য। কেন এ রকম একটি যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো না, তার ব্যাখ্যা প্রয়োজন। আমরা ক্রমাগত এ ধরনের আইনি সংঘাত ঘটতে দেখছি, যা কার্যত আমাদের শাসন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়ও না, এই অপ্রয়োজনীয় সমস্যার সমাধানও এ থেকে হওয়ার নয়।
তাহলে আমরা এখান থেকে কোথায় যাব? গ্রামীণ ব্যাংকের বিকাশে অধ্যাপক ইউনূসের ঐতিহাসিক ভূমিকা, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তিনি যে আস্থার সঞ্চার করেন, তা এবং তাঁর নামের যে করপোরেট সম্পদমূল্য, যা আবার অর্থমন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন। এ অবস্থায় তাঁর জন্য ‘সম্মানজনক প্রস্থানের’ পথ খোঁজা তো আসল সমস্যা থেকে চোখ সরানো। সেই আসল হলো গ্রামীণ ব্যাংকের কল্যাণ এবং এর লাখ লাখ গ্রাহকের জীবনযাত্রা। গ্রামীণ ব্যাংকের ভালো চাইলে কিংবা এর ৮০ লাখ সদস্যের কথা মাথায় রাখলে কেউ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ইউনূসের প্রস্থান, তা সম্মানজনক বা অন্য যেকোনো রকমই হোক, চাইতে পারে না। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতাকে বের করে দেওয়ার যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপ কেবল এর গ্রাহকদের আস্থাকেই নাড়িয়ে দেবে না, ব্যাংক থেকে তাঁদের সঞ্চয় উঠিয়ে নেওয়ার এবং তাঁদের ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও সৃষ্টি করবে। গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে এমন আচরণের সংক্রামক প্রতিক্রিয়া দেশজোড়া অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্থিতিশীলতাকেও বিপর্যস্ত করতে পারে। তাই প্রাসঙ্গিক হলো, ইউনূসের প্রস্থান নয়, বরং গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নিজে থেকে গুটিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত কী কী শর্তে তিনি দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা।
বর্তমান অবস্থায় তাহলে এগিয়ে যাওয়ার যুক্তিসংগত পথ কী? অধ্যাপক ইউনূস ইতিমধ্যে তেমন এক পথের প্রস্তাব করেছেন। ৭০ বছর বয়সেও তাঁর রয়েছে তরুণের শক্তি ও সৃষ্টিশীলতা। এমনকি তিনি যদি নিজেকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারও করে নেন, তবু তিনি দরিদ্রদের সেবায় নিয়োজিত বেশ কয়েকটি গ্রামীণ ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে থাকছেন। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কিংবা ফরচুন ৫০০-ভুক্ত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার এনে এসব প্রতিষ্ঠান অথবা ভবিষ্যতে তাঁর তৈরি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার করতে পারবেন। এ ধরনের কর্মোদ্যম, সুখ্যাতি এবং তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা যাঁর, তাঁকে অবশ্যই গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। বয়সের বাধা এখানে বিবেচ্য হওয়ার কথা নয়।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই দায়িত্ব থেকে অপসারণে বয়স কোনো প্রশ্ন নয়। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর বয়স ৭৭ বছর। আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রীর বয়স ৮০ বছরের কাছাকাছি। মন্ত্রীদের মধ্যে অথবা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তিদের মধ্যেও কয়েকজন আছেন, যাঁদের বয়স হয় ৭০ পেরিয়েছে বা পেরোবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং এবং বিরোধীদলীয় নেত্রীও ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাহী দায়িত্ব পালনের সময়সীমার থেকেও বেশি দিন ধরে—গত তিন দশক ধরে—নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। যদি অ্যাটর্নি জেনারেলের কথামতো মানি যে ৬০ বছরই হলো অবসর গ্রহণের সর্বজনীন বয়স, তাহলে এসব জাতীয় ব্যক্তিত্বের সবারই অনেক আগেই অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। সৌভাগ্যবশত ওপরে বর্ণিত সব ব্যক্তিই জীবনের শিখরে পৌঁছেছেন, নিজ নিজ দল ও সরকারের আস্থা তাঁরা উপভোগ করেন এবং দেখা যাচ্ছে, যত দিন তাঁরা ইচ্ছা করেন, তত দিন দায়িত্ব পালনে তাঁরা সক্ষম। তাহলে যে ব্যক্তিটি শূন্য থেকে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং যার সঙ্গে তিনি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত; সেই প্রতিষ্ঠান থেকে বয়সের দোহাই দিয়ে তাঁকে অপসারণ করা ন্যায্যও নয়, সঠিক কর্মকৌশলও নয়।
গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বর্তমান সংকটের একটি মানানসই সমাধানের প্রস্তাব ইতিমধ্যে ইউনূসের তরফ থেকেই এসেছে। নিদেনপক্ষে এক বছর আগে ইউনূস অর্থমন্ত্রীর কাছে ইঙ্গিত করেছিলেন যে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্ব পেশাদারির দিক থেকে যোগ্য একজন ব্যক্তির হাতে ছেড়ে দিতে চান। সেই ব্যক্তিকে হতে হবে সুষ্ঠু অনুসন্ধান-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মনোনীত, যিনি গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক সেই লাখ লাখ গ্রাহকের আস্থা অর্জনেও সক্ষম হবেন। এ ধরনের এক রদবদল সম্পন্ন করায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রামীণ ব্যাংকের ধারাবাহিকতায় ছেদ না ঘটানো, যাতে ব্যাংকের সদস্যদের আস্থা অটুট থাকে। এ রকম অবস্থায় আদর্শ সমাধান হলো, অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক পর্ষদের সভাপতির পদে আমন্ত্রণ জানানো। তাঁর এই মাত্রার উপস্থিতি ব্যাংকটির বৈশ্বিক বিস্তারকে যেমন অব্যাহত রাখবে, তেমনি তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নীতিনির্ধারক মহল থেকে শুরু করে আর্থিক পরিমণ্ডলে ব্যাংকটির গ্রহণযোগ্যতাও টিকে থাকবে। এটা করা হলে তা ব্যাংকের ৮০ লাখ গ্রাহকের সবচেয়ে পুরস্কৃত যে সম্পদ, তা নিয়োজিত থাকবে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে, যে প্রতিষ্ঠান তাঁদের সংসার ও জীবনের সঞ্চয়ের প্রতীক। চলমান অর্থহীন রকম ধ্বংসাত্মক সংঘাতের এ রকম একটি যৌক্তিক ও গঠনমূলক সমাধানের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হলে গোটা দুনিয়া বুঝে নেবে যে গ্রামীণ ব্যাংকের স্বার্থের বাইরের অন্য কোনো বিষয়ই কাজ করছে সরকারের মনে।
আমাদের ইতিহাসের এই দুঃখজনক অধ্যায়ের গঠনমূলক সমাপ্তি টানার উদ্যোগ নিতে পারেন যিনি, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং যাঁর পক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কোটি কোটি নারীর উদ্বেগের প্রতি অসহিষ্ণু হওয়া কিংবা তাঁদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনৈতিক পরিণতি বহন করা কঠিন। তাঁর পক্ষে ভুলে যাওয়াও কঠিন, যে কষ্টকর পথে তিনি অভ্যন্তরীণভাবে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছেন; সেই অর্জনকে এমন একটি ইস্যুতে খুইয়ে ফেলা উচিত হবে না, যে ইস্যুটি তাঁর আশু রাজনৈতিক কার্যসূচির দিক থেকে প্রান্তিক। যাঁরাই তাঁকে এমন পরামর্শ দিন না কেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য সময় এসেছে এ ঘটনার রাজনৈতিক মূল্যটি আবারও খতিয়ে দেখার। আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর করার ভুল সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার বেলায় তো তিনি রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা ও পরিপক্বতার নিদর্শন রেখেছিলেন। তাঁর এখন উচিত গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে এই ন্যক্কারজনক ও ধ্বংসাত্মক অধ্যায় থেকে বেরিয়ে আসা। এটা করা যেতে পারে তাঁর এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনূসের বৈঠকের দাওয়াত দেওয়ার মাধ্যমে; সেখানে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে যেসব নেতিবাচক ধারণা তাঁর মনে জন্মেছে, সেসব নিয়ে গঠনমূলক আলোচনাও হতে পারে। তারপর প্রধানমন্ত্রীর নিজেরই উচিত অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের পর্ষদের সভাপতির পদ গ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো। এর মাধ্যমেই হতে পারে গ্রামীণ ব্যাংক এবং রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। এ ধরনের এক বন্দোবস্তের মাধ্যমেই গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের খোঁজ শুরু করা যেতে পারে। পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের সেবার মান বাড়ানোসহ যেকোনো রকম সংস্কারের সুযোগ উন্মোচন করা এবং তা এগিয়ে নেওয়াও যেতে পারে।
এ ধরনের এক সমঝোতার মানসিকতা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উচিত অধ্যাপক ইউনূসকে তাঁর প্রতিপক্ষ মনে না করা। ইউনূস সেটা হতেও পারেন না। কারণ শেখ হাসিনা হলেন দেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। ইউনূস বরং হতে পারেন এমন এক দিনবদলের সম্পদ, যেখানে দারিদ্র্য ও অবিচার বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হবে। প্রতিপক্ষকে বন্ধুতে পরিণত করাই নেতার যোগ্যতার মাপকাঠি। আর রাষ্ট্রনায়কের পরিমাপ সেখানেই, যেখানে তিনি আগামী প্রজন্মের উন্নত ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বার্থে তাঁর প্রতিপক্ষের সঙ্গেও হাত মেলাতে পারেন।
রেহমান সোবহান: অর্থনীতিবিদ; সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান।
তাহলে সরকার কেন অর্থমন্ত্রীর মাধ্যমে গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনের অপেক্ষা না করেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল? ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ কার্যকর করা এবং ১ দশমিক ৮ কোটি টাকার প্রাথমিক মূলধন দেওয়া ছাড়া গত ৩০ বছরে ব্যাংকটির বিকাশে সরকারি ভূমিকা অতি নগণ্য। বিপরীতে, দরিদ্র গ্রাহকেরা, যাঁদের বেশির ভাগই নারী, তাঁদের অংশীদারির অনুপাত হলো মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশ এবং একটানা তাঁরা ব্যাংকটির মূলধনি ভিত্তি বাড়িয়ে চলেছেন। তাঁদের সামান্য সঞ্চয় দিয়েই তাঁরা এটা করেছেন এবং এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি টাকা। পরিণামে, এই নারীরা এখন ব্যাংকের পরিশোধিত স্টক শেয়ারের ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশেরই মালিক।
গ্রামীণ ব্যাংক এখন ব্যাংকঋণের মাধ্যমে অথবা সময়ে সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সুদের বিনিময়ে ঋণপত্রের মাধ্যমেও পুঁজি গঠন করছে। তহবিল জোগানদাতাদের মধ্যে এমনকি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মেয়াদের মধ্যেই সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকার করদাতাদের দেওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর মূলধনি ভিত্তি গঠন করতে বাধ্য হয়েছে কিন্তু এসব ব্যাংকের অভিজাত গ্রহীতারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করে দিয়েছেন।
এই দীর্ঘ সময়ে গ্রামীণ ব্যাংককে কোনো সরকারি বেইল আউট নিতে হয়নি কিংবা বাইরে থেকে তহবিল আহরণে সরকারি হস্তক্ষেপেরও দ্বারস্থ হতে হয়নি। তহবিলদাতারা নিজেরাই সেধে এসে গ্রামীণকে তহবিল দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক নিরীক্ষণে দেখা গেছে, ব্যাংকটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং এর আর্থিক কাজকারবার সুচারু ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। এমনকি ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারমালিকদের দিক থেকে অথবা এর গ্রাহকদের পক্ষ থেকে কখনো সরকারের কাছে অনিয়মের বা সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগও আসেনি। এ রকম যখন অবস্থা, তখন এটা বোধগম্য নয়, ৩০ বছর যাবত গ্রামীণের নিষ্ক্রিয় ও দুর্বল অংশীদারির ভূমিকায় থাকার পর সরকার কেন হঠাৎ জেগে উঠে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মালিকসুলভ আচরণ শুরু করল? সাধারণভাবে এ ধরনের আচরণ অনিয়মের কারণে আর্থিক বিপত্তির মুখে পড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য সংরক্ষিত থাকে। যে সরকার শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, জ্বালানিসংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, লিবিয়া থেকে প্রবাসী কর্মীদের ফেরত আসাসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানে মহামারি আকারের অব্যবস্থাপনার মতো গুরুতর সমস্যায় হিমশিম খাচ্ছে, সেই সরকার কেন আর্থিকভাবে গতিশীল ও সক্ষম একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা নিয়ে বিবাদে জড়াল, যেখানে আবার তাদের অংশীদারি নগণ্য, সেটা এক রহস্য বটে।
এজমালি সম্পত্তির তছনছ
একটি আইনি খুঁটিনাটির ছুতো ধরে অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণ করার সময় সরকার প্রতিষ্ঠানটির সফলতার ইতিহাস এবং এর ব্যাপক বিস্তৃত খ্যাতিকে গুরুত্বই দেয়নি। প্রতিষ্ঠানটির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মালিক সেই ৮০ লাখ দরিদ্র নারীর আর্থিক স্বার্থও তাদের কাছে পাত্তা পায়নি। এমনকি তারা অনুসন্ধানও করে দেখেনি যে, ১৯৯৯ সালে কেন গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ যত দিন না দায়িত্ব হস্তান্তরে সক্ষম হন, তত দিন পর্যন্ত অধ্যাপক ইউনূসকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। দেখা যাক, কেন সে সময় পর্ষদ সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল।
সে সময়, পর্ষদের সব সদস্যের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে গ্রামীণ ব্যাংক কোনো সাধারণ প্রতিষ্ঠান নয় এবং এর পরিচালক অধ্যাপক ইউনূসও অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোছের কেউ নন। ১৯৭৬ সালে ফিরে গিয়ে দেখি, গ্রামীণ ব্যাংক এক অনন্য চিন্তার ফসল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সহায়হীনদের মঙ্গলার্থে কোনো রকম অতিরিক্ত জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়ার নীতির ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তাঁর উদ্যোগেই এটি দিনে দিনে একটি সামাজিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। দরিদ্রদের জন্য এনজিও বানানোর বদলে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়ায় ইউনূস সরকারকেও জড়িত করেছিলেন। তাঁর আশা ছিল যে সরকারও দরিদ্রদের সহায়তা করায় অংশীদার হয়ে উঠবে। এই কাজে তিনি তখনকার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উদার ও সক্রিয় সহযোগিতা পান। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এমন এক বিরল অর্ডিন্যান্স কার্যকর করেছিলেন, যাতে এমন একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত হবে, যার আংশিক মালিকানা থাকবে এর দরিদ্র গ্রহীতাদের হাতে, যাতে তাঁরা বিনা জামানতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারেন।
এই পরীক্ষামূলক সূত্রপাত থেকে পরের ২৫ বছর ধরে ইউনূস দিনরাত পরিশ্রম করে, একদল নিবেদিতপ্রাণ সহযোগীর সমর্থনে গ্রামীণ ব্যাংককে রূপান্তর করেন বিশ্বের মধ্যে এ ধরনের সংস্থাগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্ববৃহৎ সংস্থা হিসেবে। তাঁর ও তাঁর ব্যাংকের নামে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তি এরই ফল। তখন থেকেই গ্রামীণ মডেলের আদলে বিশ্বে অজস্র প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও তা ঘটেছে। এই প্রক্রিয়ায়, বিশেষত প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রথম দুই দশকে ইউনূস বাংলাদেশের আনাচকানাচে সফর করেছেন। এটা তিনি করেছেন যাঁরা ঋণ নিচ্ছেন এবং গ্রামীণের মালিক হচ্ছেন তাঁদের ভালো করে জানতে এবং তাঁদের সমস্যার পাহাড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে। এই প্রক্রিয়ায় তিনি গ্রামীণের নারী মালিকদের সঙ্গে এমন এক ব্যক্তিগত আস্থার সম্পর্ক সৃষ্টি করেছেন, যার পরিণতিতে তাঁরা গ্রামীণের সঙ্গে কারবারে ভরসা পান। ৩০ বছর ধরে কোটি কোটি নারীকে বুঝিয়ে বারবার গ্রামীণের কাছে নিয়ে আসা, ৫১ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করানো ও পরিশোধ করানো এক পর্বতপ্রমাণ সাফল্য। বিশেষত এমন এক দেশে এটা সম্ভব হয়েছে যেখানে কার্যত এসব নারীর শতভাগই জীবনে কখনো ব্যাংকে যাননি। এই লাখ লাখ ঋণগ্রহীতার কাছে ব্যক্তি ইউনূস হলেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের অচেনা জগতে এক আস্থার প্রতীক, নিরাপত্তার চাদর।
যে মানুষটির ভরসায় লাখো নারী তাঁদের আশা, ভয় ও সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছেন, কেবল বয়স ৬০ হয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আর তাঁদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবেন না, এটা জানাকে তাঁরা মেনে নিতে পারবেন না। যাঁরা এর মালিক এবং এখানে যাঁদের বিনিয়োগ রয়েছে, গ্রামীণের সেই সব গ্রহীতা/মালিকের এই মনোভাবই সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে গ্রামীণের পরিচালনা পর্ষদের নয় নারী প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে। ১২ বছর পরে সম্প্রতি এ ধরনের অন্য নয়জন নারীই ব্যাংকটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ইউনূসের অপসারণের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইউনূস যখন আদালতে হাজির হয়েছেন, তখন টেলিভিশনের পর্দায় এঁদেরই দেখা গেছে তাঁর প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে। সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে সর্বশক্তিমান জ্ঞান করে ব্যাংকের ৯৬ শতাংশ স্টক-শেয়ারের মালিক এই লাখো কোটি নারীর উদ্বেগ ও মতামত তুচ্ছ করলে কোনোভাবেই সেই আচরণকে বিবেচক, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীল বলা যায় না। এই মানুষদের গণতান্ত্রিক ও করপোরেট অধিকার রদ করাকে ন্যায্য বলে প্রতিপন্ন করাও কঠিন। এই নারীরাই হলেন ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিক এবং তাঁরা যে ভোটার, সেটা প্রধান বিরোধী দলেরও নজর এড়ায়নি।
পরিচালনা পর্ষদের কাছে অধ্যাপক ইউনূসের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি এবং ব্যাংকের কাছে তাঁর মূল্য মোটেই ঠুনকো ব্যাপার নয়। এমনকি ১৯৯৯ সালেও ইউনূস দেশের মধ্যে যেমন, আন্তর্জাতিক স্তরেও ছিলেন তেমন খ্যাতিমান। ইউনূসের এই মানমর্যাদা গ্রামীণের অগণিত বিনিয়োগকারীর মধ্যে কেবল ভরসার অনুভূতিই জাগায় না, তা ব্যাংকের জন্য একটি বড় পুঁজিও বটে। এমনকি এক দশক আগেও অধ্যাপক ইউনূস যেকোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং করপোরেট বিনিয়োগকারীদের থেকে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করার মতো অবস্থানে ছিলেন। অধ্যাপক ইউনূস তাই হয়ে উঠেছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের সম্পদ। দরিদ্র নারীদের কাছে তাঁর নামের এই মূল্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের থেকেও বেশি। গ্রামীণের পরিচালনা পর্ষদ অন্য যেকোনো পদ অলংকৃত করে থাকা ব্যাংকারের মতো করে ইউনূসকেও স্বেচ্ছায় অবসর নিতে দিলে সেটা হতো ব্যাংকের পরম একটি সম্পদ নষ্ট করার মতো বিরাট করপোরেট অপরিণামদর্শিতা ও দায়িত্বহীনতা।
এক দশক পরে, ইউনূস এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত। গ্রামীণের মডেল এখন দুনিয়ার সর্বত্র অনুসরিত হচ্ছে। এখন তাঁর জন্য দুনিয়ার সব উন্নত দেশ এবং তাবৎ উন্নয়নশীল দেশ যথা—চীন, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম; এমনকি ভেনেজুয়েলার মতো দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দরজা খোলা। এখন তিনি ফোন তুলেই বিশ্বের প্রধান প্রধান ৫০০ কোম্পানির (ফরচুন ৫০০ তালিকাভুক্ত) যেকোনো সিইওর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। এই ৫০০ কোম্পানির যে কেউই তাঁকে তাঁদের পরিচালনা বোর্ডের সভায় উপস্থিত থাকার জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি। অথচ এসব না করে তিনি বাংলাদেশে থাকাই সাব্যস্ত করেছেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক লাখ লাখ দরিদ্র নারীকে তাঁর নাম মূলধনের মতো ব্যবহার করতে দিচ্ছেন। কী পরিমাণ বোধ-বিবেচনাহীন হয়ে পড়লে এবং বাণিজ্যিক বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেললে নিছক মামুলি আইনি বিধির অজুহাতে এই লাখ লাখ নারীকে তাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হাতছাড়া করতে বাধ্য করা যায়?
সংঘাত থেকে রাষ্ট্রনায়কতার দিকে
সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইউনূসের সঙ্গে সরকারের কোনো রাজনৈতিক বিবাদ নেই। তাঁরা কেবল আইনের শাসনের সুরক্ষা চান। আমি সরকারের তরফে এই বক্তব্যকে তাঁদের অবস্থান হিসেবে ধরে নিতে চাই। যদি আইনের শাসনই মূল বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে যেমন বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান আইনি বিচ্যুতি হলো ১৯৯৯ সালে ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পুনর্নিয়োগের বেলায় আগেভাগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নেওয়া। বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুটি তোলে গ্রামীণ ব্যাংকের বার্ষিক অডিট প্রতিবেদনে এবং সে সময় গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিবেদনের যাবতীয় প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর দেয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সেই উত্তর যদি বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের মনঃপূত না হয়, তাহলে তারা গ্রামীণ ব্যাংককে আবারও নোটিশ দিয়ে তাদের এই অনিয়মকে সংশোধন করতে বলতে পারত। কিন্তু তিনটি গণতান্ত্রিক সরকার, দুটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ১৯৯৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের চারজন গভর্নরের সময়েও তাঁদের দিক থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে আর কোনো নোটিশ পাঠানো হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই একটানা নীরবতাকে খুবই যুক্তিসংগত কারণেই গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট প্রতিবেদনের প্রতি অনুমোদন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ইউনূসের পুনর্নিয়োগকে গ্রাহ্য করা বলে ধরে নেওয়া যায়।
এমনকি আজও ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সে রকম কোনো চিঠি পাঠাতে কোনো বাধা ছিল না। তাহলে গ্রামীণ ব্যাংক তাদের কাজের একটা ব্যাখ্যা দিতে পারত এবং/অথবা হয়তো ইউনূসের দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার অনুমোদনও চাইতে পারত। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকও গত ১২ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর করা ইতিবাচক অডিট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভাবতে পারত যে অধ্যাপক ইউনূস যেহেতু দক্ষতার সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা করছেন, সেহেতু তাঁর অনুমোদন প্রাপ্য। কেন এ রকম একটি যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো না, তার ব্যাখ্যা প্রয়োজন। আমরা ক্রমাগত এ ধরনের আইনি সংঘাত ঘটতে দেখছি, যা কার্যত আমাদের শাসন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়ও না, এই অপ্রয়োজনীয় সমস্যার সমাধানও এ থেকে হওয়ার নয়।
তাহলে আমরা এখান থেকে কোথায় যাব? গ্রামীণ ব্যাংকের বিকাশে অধ্যাপক ইউনূসের ঐতিহাসিক ভূমিকা, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তিনি যে আস্থার সঞ্চার করেন, তা এবং তাঁর নামের যে করপোরেট সম্পদমূল্য, যা আবার অর্থমন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন। এ অবস্থায় তাঁর জন্য ‘সম্মানজনক প্রস্থানের’ পথ খোঁজা তো আসল সমস্যা থেকে চোখ সরানো। সেই আসল হলো গ্রামীণ ব্যাংকের কল্যাণ এবং এর লাখ লাখ গ্রাহকের জীবনযাত্রা। গ্রামীণ ব্যাংকের ভালো চাইলে কিংবা এর ৮০ লাখ সদস্যের কথা মাথায় রাখলে কেউ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ইউনূসের প্রস্থান, তা সম্মানজনক বা অন্য যেকোনো রকমই হোক, চাইতে পারে না। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতাকে বের করে দেওয়ার যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপ কেবল এর গ্রাহকদের আস্থাকেই নাড়িয়ে দেবে না, ব্যাংক থেকে তাঁদের সঞ্চয় উঠিয়ে নেওয়ার এবং তাঁদের ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও সৃষ্টি করবে। গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে এমন আচরণের সংক্রামক প্রতিক্রিয়া দেশজোড়া অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্থিতিশীলতাকেও বিপর্যস্ত করতে পারে। তাই প্রাসঙ্গিক হলো, ইউনূসের প্রস্থান নয়, বরং গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নিজে থেকে গুটিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত কী কী শর্তে তিনি দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা।
বর্তমান অবস্থায় তাহলে এগিয়ে যাওয়ার যুক্তিসংগত পথ কী? অধ্যাপক ইউনূস ইতিমধ্যে তেমন এক পথের প্রস্তাব করেছেন। ৭০ বছর বয়সেও তাঁর রয়েছে তরুণের শক্তি ও সৃষ্টিশীলতা। এমনকি তিনি যদি নিজেকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারও করে নেন, তবু তিনি দরিদ্রদের সেবায় নিয়োজিত বেশ কয়েকটি গ্রামীণ ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে থাকছেন। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কিংবা ফরচুন ৫০০-ভুক্ত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার এনে এসব প্রতিষ্ঠান অথবা ভবিষ্যতে তাঁর তৈরি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার করতে পারবেন। এ ধরনের কর্মোদ্যম, সুখ্যাতি এবং তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা যাঁর, তাঁকে অবশ্যই গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। বয়সের বাধা এখানে বিবেচ্য হওয়ার কথা নয়।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই দায়িত্ব থেকে অপসারণে বয়স কোনো প্রশ্ন নয়। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর বয়স ৭৭ বছর। আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রীর বয়স ৮০ বছরের কাছাকাছি। মন্ত্রীদের মধ্যে অথবা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের ব্যক্তিদের মধ্যেও কয়েকজন আছেন, যাঁদের বয়স হয় ৭০ পেরিয়েছে বা পেরোবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং এবং বিরোধীদলীয় নেত্রীও ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাহী দায়িত্ব পালনের সময়সীমার থেকেও বেশি দিন ধরে—গত তিন দশক ধরে—নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। যদি অ্যাটর্নি জেনারেলের কথামতো মানি যে ৬০ বছরই হলো অবসর গ্রহণের সর্বজনীন বয়স, তাহলে এসব জাতীয় ব্যক্তিত্বের সবারই অনেক আগেই অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। সৌভাগ্যবশত ওপরে বর্ণিত সব ব্যক্তিই জীবনের শিখরে পৌঁছেছেন, নিজ নিজ দল ও সরকারের আস্থা তাঁরা উপভোগ করেন এবং দেখা যাচ্ছে, যত দিন তাঁরা ইচ্ছা করেন, তত দিন দায়িত্ব পালনে তাঁরা সক্ষম। তাহলে যে ব্যক্তিটি শূন্য থেকে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং যার সঙ্গে তিনি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত; সেই প্রতিষ্ঠান থেকে বয়সের দোহাই দিয়ে তাঁকে অপসারণ করা ন্যায্যও নয়, সঠিক কর্মকৌশলও নয়।
গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বর্তমান সংকটের একটি মানানসই সমাধানের প্রস্তাব ইতিমধ্যে ইউনূসের তরফ থেকেই এসেছে। নিদেনপক্ষে এক বছর আগে ইউনূস অর্থমন্ত্রীর কাছে ইঙ্গিত করেছিলেন যে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্ব পেশাদারির দিক থেকে যোগ্য একজন ব্যক্তির হাতে ছেড়ে দিতে চান। সেই ব্যক্তিকে হতে হবে সুষ্ঠু অনুসন্ধান-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মনোনীত, যিনি গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক সেই লাখ লাখ গ্রাহকের আস্থা অর্জনেও সক্ষম হবেন। এ ধরনের এক রদবদল সম্পন্ন করায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রামীণ ব্যাংকের ধারাবাহিকতায় ছেদ না ঘটানো, যাতে ব্যাংকের সদস্যদের আস্থা অটুট থাকে। এ রকম অবস্থায় আদর্শ সমাধান হলো, অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক পর্ষদের সভাপতির পদে আমন্ত্রণ জানানো। তাঁর এই মাত্রার উপস্থিতি ব্যাংকটির বৈশ্বিক বিস্তারকে যেমন অব্যাহত রাখবে, তেমনি তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নীতিনির্ধারক মহল থেকে শুরু করে আর্থিক পরিমণ্ডলে ব্যাংকটির গ্রহণযোগ্যতাও টিকে থাকবে। এটা করা হলে তা ব্যাংকের ৮০ লাখ গ্রাহকের সবচেয়ে পুরস্কৃত যে সম্পদ, তা নিয়োজিত থাকবে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে, যে প্রতিষ্ঠান তাঁদের সংসার ও জীবনের সঞ্চয়ের প্রতীক। চলমান অর্থহীন রকম ধ্বংসাত্মক সংঘাতের এ রকম একটি যৌক্তিক ও গঠনমূলক সমাধানের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হলে গোটা দুনিয়া বুঝে নেবে যে গ্রামীণ ব্যাংকের স্বার্থের বাইরের অন্য কোনো বিষয়ই কাজ করছে সরকারের মনে।
আমাদের ইতিহাসের এই দুঃখজনক অধ্যায়ের গঠনমূলক সমাপ্তি টানার উদ্যোগ নিতে পারেন যিনি, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং যাঁর পক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কোটি কোটি নারীর উদ্বেগের প্রতি অসহিষ্ণু হওয়া কিংবা তাঁদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনৈতিক পরিণতি বহন করা কঠিন। তাঁর পক্ষে ভুলে যাওয়াও কঠিন, যে কষ্টকর পথে তিনি অভ্যন্তরীণভাবে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছেন; সেই অর্জনকে এমন একটি ইস্যুতে খুইয়ে ফেলা উচিত হবে না, যে ইস্যুটি তাঁর আশু রাজনৈতিক কার্যসূচির দিক থেকে প্রান্তিক। যাঁরাই তাঁকে এমন পরামর্শ দিন না কেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য সময় এসেছে এ ঘটনার রাজনৈতিক মূল্যটি আবারও খতিয়ে দেখার। আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর করার ভুল সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার বেলায় তো তিনি রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা ও পরিপক্বতার নিদর্শন রেখেছিলেন। তাঁর এখন উচিত গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে এই ন্যক্কারজনক ও ধ্বংসাত্মক অধ্যায় থেকে বেরিয়ে আসা। এটা করা যেতে পারে তাঁর এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনূসের বৈঠকের দাওয়াত দেওয়ার মাধ্যমে; সেখানে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে যেসব নেতিবাচক ধারণা তাঁর মনে জন্মেছে, সেসব নিয়ে গঠনমূলক আলোচনাও হতে পারে। তারপর প্রধানমন্ত্রীর নিজেরই উচিত অধ্যাপক ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের পর্ষদের সভাপতির পদ গ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো। এর মাধ্যমেই হতে পারে গ্রামীণ ব্যাংক এবং রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। এ ধরনের এক বন্দোবস্তের মাধ্যমেই গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের খোঁজ শুরু করা যেতে পারে। পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের সেবার মান বাড়ানোসহ যেকোনো রকম সংস্কারের সুযোগ উন্মোচন করা এবং তা এগিয়ে নেওয়াও যেতে পারে।
এ ধরনের এক সমঝোতার মানসিকতা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উচিত অধ্যাপক ইউনূসকে তাঁর প্রতিপক্ষ মনে না করা। ইউনূস সেটা হতেও পারেন না। কারণ শেখ হাসিনা হলেন দেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। ইউনূস বরং হতে পারেন এমন এক দিনবদলের সম্পদ, যেখানে দারিদ্র্য ও অবিচার বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হবে। প্রতিপক্ষকে বন্ধুতে পরিণত করাই নেতার যোগ্যতার মাপকাঠি। আর রাষ্ট্রনায়কের পরিমাপ সেখানেই, যেখানে তিনি আগামী প্রজন্মের উন্নত ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বার্থে তাঁর প্রতিপক্ষের সঙ্গেও হাত মেলাতে পারেন।
রেহমান সোবহান: অর্থনীতিবিদ; সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 15
(96)
- চারদিক-উত্তরের পথে পথে by মোকারম হোসেন
- স্থানীয় সরকার-আশা ও আশঙ্কার ইউপি নির্বাচন by বদিউল...
- একাত্তরের এই দিনে-পূর্ব পাকিস্তানে মুজিবের সমান্তর...
- লিবিয়া-পশ্চিমা হস্তক্ষেপের পরিণাম ভালো হবে না by আ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-উচ্চশিক্ষার মান বাড়াতে জবাবদিহি ন...
- আইনপ্রণেতা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না-সাংসদ...
- সামরিক হস্তক্ষেপই সমাধান নয়-লিবিয়া পরিস্থিতি
- গন্তব্য ঢাকা-‘মন পইড়া থাহে মাঠে আর নদীতে’ by শর্মি...
- ভূমিকম্প ও সুনামি-সংকট মুক্তিতে জাপানের ত্রিমুখী স...
- কালের পুরাণ-সংসদে ‘টাল’, ‘পাগল’ ও ‘চৌকিদার’ by সোহ...
- ইউরোপের চিঠি-জাপানের বিপর্যয় ও পরমাণু-বিতর্ক by পি...
- গ্রামীণ ব্যাংক-চাই রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা by রেহম...
- নামধারীদের পার পাওয়ার সুযোগ নেই-ছিনতাই, দরপত্র ছিন...
- খুনের দায় তাহলে কে নেবে?-রাষ্ট্রপতির ক্ষমা
- চারদিক-কী আনন্দ! সাধুর সাধবাজারে by আজাদুর রহমান
- বড়পুকুরিয়া-উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলন কতটা যুক্তিযুক্ত?...
- হাসিনার ভারত সফর নিয়ে মরিয়ার্টির তারবার্তা
- ধর্ম-মানবসভ্যতার জন্য দোয়া ও মোনাজাত by মুহাম্মদ আ...
- দেশহীন মানুষের কথা-আমরা মর্মাহত, আমরা দুঃখিত by সঞ...
- সময়চিত্র-তাহের, জিয়া এবং আমরা by আসিফ নজরুল
- আগে লোক নিয়োগ দিন, তারপর যন্ত্র কিনুন-ক্যানসারের চ...
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে-মন্ত্রী-সাংসদ...
- চারদিক-ভুল করা যাবে না বাংলা বানান by ইয়াসমীন রীমা
- খোলা হাওয়া-বিরোধী দলের সংসদে যাওয়া by সৈয়দ মনজুরুল...
- শিক্ষা-যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি ছাত্রদের স্বাগত জানা...
- চিরকুট-ফুল, নোবেল ইত্যাদি by শাহাদুজ্জামান
- সময়ের প্রতিবিম্ব-স্বদেশে পূজ্যতেঃ রাজা, বিদ্বান সর...
- কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রনেতা খুন-ঘাতকদের বিচারের মুখোম...
- সংসদে বিরোধী দল-বর্জনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি আর নয়
- মানুষের মুখ-‘বুক দিয়া আগলাই রাখি এই পতাকা’ by শারম...
- শেয়ারবাজার প্রতিবেদন-আমি দ্বিমত পোষণ করছি by আ হ ম...
- ফিলিস্তিন-ভেঙে ফেলো দখলদারির দেয়াল by রজার ওয়াটার্স
- স্যানিটেশন-সুবিধা-যে উদ্যোগ স্কুলে যেতে টানে by মু...
- দুর্নীতি দমন-দুদক আইনের সংশোধন: সোনার পাথরবাটি by ...
- বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে-লোডশেডি...
- চারদিক-ভাস্কর নিজের ব্যাপারে তথ্য দেবেন by সায়েমা ...
- সহজিয়া কড়চা-সেদিনের বন্ধুদের ভুলতে পারি না by সৈয়দ...
- গদ্যকার্টুন-চট্টগ্রামগামী ট্রেনে বসে লেখা by আনিসু...
- তাহেরের গোপন বিচার-সুপ্রিম কোর্টে যা বলেছি by লরেন...
- সবার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে-জাতীয় আদমশুমারি
- আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই-জামিন পেয়েই আ...
- ভাঙতে হচ্ছে বিজিএমইএ ভবন
- যাত্রা শুভ হোক
- নিমন্ত্রণ by জি এম তানিম
- ক্রিকেটামৃত-গ্রন্থনা করেছেন আলিয়া রিফাত
- ক্রিকেট মানে ঝিঁঝি by নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
- অহেতুক কৌতুক
- আর যাতে কারও ভুল না হয়-বাঘের লেজ দেখেছ, বাঘ দেখনি
- চারদিক-চলে আসুন জেন্ডার মেলায় by শিখ্তী সানী
- মিডিয়া ভাবনা-মিডিয়ায় ভুল তথ্যের প্রচার থামাতে হবে ...
- নদীকৃত্য দিবস-একটি জাতীয় নদী চাই
- সময়ের প্রেক্ষিত-ভূমিকম্পের আলোকে পারমাণবিক বিতর্ক ...
- সরল গরল-বিরোধী দল বধের বটিকা by মিজানুর রহমান খান
- শিক্ষাক্ষেত্রকে দুর্নীতি ও জালিয়াতিমুক্ত করুন-‘এই ...
- শুধু আশ্বাস নয়, কাজেও প্রমাণ দিতে হবে-সীমান্তে প্র...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মদিনা আক্রমণের গুজব মুমিনদের মন...
- মায়াবাদে বিশ্বাস ও কুসংস্কার by ডা. ওয়াহিদ নবী
- পরাজয়ের ধ্বংসস্তূপ by সৈয়দ তালাত হুসেইন
- লাঞ্ছিত গণতন্ত্রের দেশে বিপন্ন সংসদ by এ কে এম শাহ...
- চরাচর-মমত্ববোধ ও দায়িত্ব by মো. জাহাঙ্গীর হোসেন অরুণ
- বাংলাদেশের সংবিধান-সংস্কার : দুর্লক্ষণ-দুর্ভাবনা b...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আমার মামা কে জি মুস্তাফা by ফিউরি খোন...
- সময়ের প্রেক্ষিত-ভূমিকম্পের শিক্ষা by মনজুরুল হক
- গোধূলির ছায়াপথে-অন্ধকারের বিড়াল by মুস্তাফা জামান
- পাকিস্তান-সেনাবাহিনী আছে, দেশ নেই by আহমেদ রশিদ
- বিশেষ সাক্ষাৎ কার-বৈষম্য কমানো ও গণতন্ত্রের গণতন্ত...
- ঘোষণা আছে কিন্তু কাজের দেখা নেই-উড়ালসেতু কবে উড়বে?
- আমাদের শোক ও সমবেদনা-জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামি
- চারদিক-গ্লকোমার সঙ্গে বসবাস by এম নজরুল ইসলাম
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তথ্যপ্রযুক্তির প্রাতিষ্ঠানিক শিক...
- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-আদিবাসী নারীর অধিকার সু...
- দুর্নীতি দমন-দুদক আইন নিয়ে কিছু নাগরিক ভাবনা by মা...
- কালের পুরাণ-আবার তারেক যুগ! আবার হারিছ প্রশাসন! by...
- শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখার দায়িত্ব কার?-আগু...
- সরকারের কাজে গতি বাড়াতে হবে-সাংসদদের কথা আমলে নিন
- কল্পকথার গল্প-ওপরের নির্দেশ-খাসা আছি, আছি বেশ by আ...
- কালান্তরের কড়চা : এবারের বঙ্গদর্শন (৪)-'সালিস মানি...
- কৃষি-কৃষিজমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে by রাজীব ক...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-শিল্পী আমিনুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা b...
- ভিকারুননিসা নূন-মর্যাদার প্রতিষ্ঠানটি নিষ্কলঙ্ক হো...
- পিতাকে না দেখা সন্তানের শ্রদ্ধাঞ্জলি by রুদ্র মাসুদ
- চুক্তির জবাবদিহিতা ও প্রতিবাদের গণতান্ত্রিক অধিকার...
- সময়ের কথা-হরতাল ও রাজনীতির নতুন চমক by অজয় দাশগুপ্ত
- আবাসন প্রকল্প-প্রতারণা কি বন্ধ হবে না?
- ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর-চাই সমতাভিত্তিক সৌহা...
- অবৈধ ব্যাংকিংয়ের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান
- র্যাবের গুলিতে পান্থপথে যুবক নিহত
- শেখ হাসিনা-এরদোগান শীর্ষ বৈঠক-আন্তর্জাতিক ফোরামে এ...
- ক্যামেরন-সু চি বৈঠক-মিয়ানমারের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ...
- রমনার বটমূলে বোমা হামলা-১১ বছরেও বিচার হয়নি, ৩ বছর...
- যেসব ছবি যুক্তরাষ্ট্রকে লজ্জায় ফেলে...
- আনন্দময় সেই স্মৃতি
- যাবতীয় ধন্যবাদ প্রাপ্য সাকিবের
- প্রাণে প্রাণে বৈশাখের তান
- বাঙালিয়ানা by দিদার খান
- বৈশাখ বাঙালির ঐতিহ্য by শামীম হোসেন
-
▼
Apr 15
(96)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment