Thursday, March 15, 2012
কালান্তরের কড়চা-বিড়ালের গলায় গণতন্ত্রের ঘণ্টা বাঁধবে কে? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালান্তরের কড়চা-বিড়ালের গলায় গণতন্ত্রের ঘণ্টা বাঁধবে কে? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়া সম্প্রতি একটি অত্যন্ত খাঁটি কথা বলেছেন। নিজে ক্ষমতায় থাকতে এই খাঁটি কথাটি কখনো স্বীকার করেননি। তিনি বলেছেন, 'দেশে এখন চলছে এক ব্যক্তির শাসন।' কথাটি তিনি বলেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে। কিন্তু এই এক ব্যক্তির শাসন খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলেও সত্য ছিল।
বরং একটু বেশিই সত্য ছিল। বিএনপিনেত্রীর ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শাসনামলটি ছিল প্রকৃতই এক ব্যক্তির শাসন। সব ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল প্রধানমন্ত্রীর হাতে। মন্ত্রীদের নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ছিল না। কথা বলারও নয়। কথা বলতে গেলে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার পরিণতি বরণ করতে হতো। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় রাষ্ট্রপতিকেও পদত্যাগ করতে হতো। বড় ছেলে লায়েক হয়ে ওঠায় মা কেবল তার সঙ্গেই ক্ষমতা শেয়ার করতেন।
সেই খালেদা এখন ক্ষমতা হারিয়ে খেদোক্তি করছেন যে, 'দেশে এখন চলছে এক ব্যক্তির শাসন।' আসলে কথাটা হবে, তাঁর আমলে দেশে যে এক ব্যক্তির শাসন চলছিল, এখন সরকার পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও তা অব্যাহত আছে। সম্প্রতি সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদও এই ধরনের একটি খেদোক্তি করেছেন। বলেছেন, মহাজোট এখন আর নেই। জাতীয় পার্টি থেকে তাঁর ভাই জি এম কাদের হাসিনার মন্ত্রিসভায় আছেন বটে, তাঁর একজন পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতাও নেই।'
সাবেক রাষ্ট্রপতিও সঠিক কথাই বলেছেন। তবে ক্ষমতাহীন মন্ত্রিত্বের এই প্রথাটির তিনিই প্রবর্তন করে গেছেন। প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা আতাউর রহমান খানকে তিনিই অনেক সাধ্য-সাধনা করে তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছিলেন। এই প্রধানমন্ত্রিত্ব করার তিক্ত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বয়োবৃদ্ধ নেতা তাঁর স্মৃতিচারণামূলক একটি বইয়ে সখেদে লিখেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু তাঁর একজন পিয়নকে নিয়োগদানেরও ক্ষমতা ছিল না। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী পদে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মাসের পর মাস কেটে গেছে। সেই ব্যক্তি কোনো বেতন পাননি কিংবা তার নিয়োগও স্বীকৃতি পায়নি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি রাষ্ট্রপতি এরশাদের গোচরে এনেছিলেন, একবার নয়, বহুবার। এরশাদ তাঁর প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ মানা দূরের কথা, তাঁকে কোনোরকম গুরুত্ব দেননি।
সেই জেনারেল এরশাদ এখন হাসিনার মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত দলের নেতা হয়েও খেদোক্তি করছেন, মহাজোট সরকারে তাঁর দলের মন্ত্রীর একজন পিয়ন নিয়োগেরও ক্ষমতা নেই। এই ক্ষমতা এরশাদ সাহেবও তাঁর আমলের মন্ত্রীদের দেননি। দেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার পদ্ধতিরও পরিবর্তন হয়েছে (প্রেসিডেন্সিয়াল থেকে পার্লামেন্টারি পদ্ধতি)। কিন্তু সরকার পরিচালনায় এরশাদ সাহেবরা যে ট্রাডিশন সৃষ্টি করে রেখে গেছেন তা বাংলাদেশে এখনো অব্যাহত রয়ে গেছে। কাঁঠাল গাছে আম ধরেনি। এটাই স্বাভাবিক। জেনারেল এরশাদ, খালেদা জিয়া তাঁদের শাসনামলে দেশে কাঁঠাল গাছ পুুঁতেছেন, এখন তাতে আম ধরবে কী করে?
আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশ শাসনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি পার্লামেন্টারি এবং অন্যটি প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতি। ব্রিটেন এবং অধিকাংশ ইউরোপীয় দেশ পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে শাসিত হয়। আমেরিকা শাসিত হয় প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে। দুই পদ্ধতিতেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ব্যাপারে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের ব্যবস্থা আছে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী নিজেদের খেয়াল খুশিমতো সব কিছু করতে পারেন না। ক্যাবিনেট পদ্ধতির সরকারে প্রত্যেক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের ক্ষমতার নিজস্ব পরিধি আছে এবং প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরামর্শ শোনেন। প্রেসিডেন্ট পদ্ধতিতে প্রেসিডেন্ট তাঁর পছন্দমতো ক্যাবিনেট গঠন করেন বটে, কিন্তু মন্ত্রীদের হাতে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতাও দেন।
বাংলাদেশে মন্ত্রীদের দাপট আছে, ক্ষমতা নেই। ক্যাবিনেট পদ্ধতির সরকার হলে প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতির সরকার হলে তিনি প্রেসিডেন্টের আজ্ঞাবহ। এই ব্যবস্থাটি না ক্যাবিনেট, না প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতির। সাবেক তৃতীয় বিশ্বের কোনো কোনো দেশে যে ডিকটেটোরিয়াল ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থাও অনেকটা তা-ই। কখনো সামরিক ডিকটেটর, কখনো গণতান্ত্রিক ডিকটেটর দেশ শাসন করেন। ইংরেজিতে বর্তমানে একটি কথা চালু হয়েছে, ইলেকটিভ ডিকটেটরশিপ বা নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র, বাংলাদেশ যা চলছে, তা অনেকটা তেমনই। জনসাধারণ বারবার রক্তদান করে যে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনে, তাকে সরকারব্যবস্থায় খোলসের মতো ব্যবহার করে সেই খোলসের আড়ালে স্বেচ্ছাতন্ত্রই টিকে থাকে।
এবার মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্য মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে অবস্থান করে আমার মনে হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে দেশে সরকারের চেহারা বদল হয়েছে, চরিত্র বদল হয়নি, মন্ত্রিসভায় পুরনো মুখের বদলে নতুন মুখ এসেছে; কিন্তু তাদেরও ক্ষমতা নেই, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনভিজ্ঞতা। তাতে আমলাদের সুবিধা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই আমলাদের সাহায্যেই দেশ শাসন করেন। মন্ত্রীরা 'নামের খসম আজিজ মেসের'। তাঁদের কেউ কেউ নিয়মিত নিজ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরেও যান না। তাঁদের সান্ধ্য দপ্তর ঢাকা ক্লাব। ভাদ্রবৌ যেমন ভাসুরের নাম ভুলেও মুখে আনে না, এই মন্ত্রীরাও তেমনি প্রধানমন্ত্রীর নাম ভুলেও উচ্চারণ করেন না। 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী' কথাটি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেও তটস্থ হয়ে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান।
এ ধরনের আচরণ আধুনিক যুগের জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারের মন্ত্রীদের আচরণ নয়, ফিউডাল যুগের রাজা-বাদশাহদের সভাসদ ও মোসাহেবদের আচরণ। ব্রিটেনের মতো রাজতন্ত্রের দেশেও এখন সামন্ত যুগের অলংকার যুক্ত সম্ভাষণগুলো ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছে। টনি ব্লেয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন, 'আমাকে আর অনারেবল প্রাইম মিনিস্টার বলার দরকার নেই। আমাকে টনি, এই ফার্স্ট নেমে ডাকলেই খুশি হব।' আমেরিকার প্রেসিডেন্ট শুধু মি. প্রেসিডেন্ট। তাঁর নামের আগে-পেছনে কোনো মধ্যযুগীয় বিশেষণ নেই। কিন্তু বাংলাদেশে প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে 'মহামান্য রাষ্ট্রপতি', 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী' সম্ভাষণের অতিব্যবহার দেখলে মনে হয়, আমরা সম্ভবত এখনো মোগল শাহি দরবারের আমলে বাস করছি।
বাংলাদেশের বর্তমান মন্ত্রিসভার এক সদস্য আমাকে বলেছেন, 'দয়া করে আমার নাম প্রকাশ করবেন না। যদি লিখতে চান লিখুন, আমরা মন্ত্রীরা হচ্ছি ডাবল স্যান্ডউইচের ভেতরের সিদ্ধ ডিমের পেস্ট। আমাদের ওপরে দুই লেয়ার। উপদেষ্টা পরিষদ এবং শীর্ষে প্রধানমন্ত্রী। নিচে রক্তচক্ষু পাহারাদার আমলাতন্ত্র। আমাদের স্বাধীনভাবে করণীয় কিছু নেই। উপদেষ্টাদের উপদেশ মানি, প্রধানমন্ত্রীর ধমক শুনি এবং আমলাদের হুকুম মান্য করে চলি। আমাদের চেয়ে আমলারা বেশি ক্ষমতাবান। কারণ নামে আমাদের সচিব হলেও তাঁরা অনেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি হুকুম নেন। অথবা প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে সচিবরা মন্ত্রীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে নিজেদের হুকুম ও হুকুমাত বহাল রাখেন। ওপরে মন্ত্রী নামের টুপি বদল হয়েছে মাত্র।'
এই অভিযোগ ঢাকায় অবস্থানকালে অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মুখেই শুনেছি। বিএনপি আমলে মন্ত্রী নাজমুল হুদার ভাগ্য এবং বর্তমান আওয়ামী আমলে মন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্য সম্ভবত অনেকটা এক সুতোয় বাঁধা পড়েছিল। প্রেসিডেন্সিয়াল এবং ক্যাবিনেট পদ্ধতি, দুই ধরনের ব্যবস্থাতেই যদি মন্ত্রিপরিষদ অভিজ্ঞ এবং মন্ত্রীরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী না হন, তাহলে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে সব দায়িত্ব এসে বর্তায়। তার সুযোগ নেন আমলারা এবং আমলা-শাসনে গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি বারবার ব্যর্থ হয়ে যায়। এই ব্যাপারটি বাংলাদেশে বারবার ঘটছে।
বর্তমান আওয়ামী আমলের একটি অভিজ্ঞতার কথা বলি। আবার মহাজোটের মন্ত্রিসভার সদস্য জি এম কাদেরের কথায় ফিরে আসতে হলো। আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ-পরিচয়ের আগেই জানতে পেরেছিলাম, তিনি তাঁর ভাই জেনারেল এরশাদের সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের মানুষ। তিনি অসাধু মন্ত্রী নন, চরিত্রবান এবং নীতিবান মানুষ; তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক। তাঁর স্ত্রী একজন সংগীতশিল্পী এবং বিদূষী মহিলা। এবার বাংলাদেশে অবস্থানের সময় সাক্ষাৎ-পরিচয়েও দেখেছি জি এম কাদের সত্যি সত্যি ভালো মন্ত্রী এবং ভালো মানুষও।
কিন্তু তাঁর দায়িত্ব পালনে পদে পদে বাধা পেয়েছেন তাঁর অধীনস্থ আমলাদের কাছ থেকে। তিনি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনের মন্ত্রী। বাংলাদেশ বিমানকে দুর্নীতিমুক্ত করে একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করা এবং হজের মৌসুমে হজযাত্রী বহনের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতানোর একটি কায়েমি স্বার্থের আড্ডা ভাঙতে গিয়ে তিনি তাঁর অধীনস্থ আমলার অবাধ্যতা, চক্রান্ত, এমনকি গোপন অপপ্রচারের মুখে পড়েছেন। আমলাটি তাঁর সচিব পদে ছিলেন। তিনি প্রকাশ্যেই নাকি বলতেন, 'আমি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করছি।' মন্ত্রী তাঁকে কোনো ব্যাপারে আলোচনার জন্য ডেকে পাঠালে তিনি নাকি বলতেন, 'আমাকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রীর কাছে যেতে পারব না।'
এই সচিব বঙ্গবন্ধুর নামে কবিতা লিখে নিজেকে বঙ্গবন্ধুর খাঁটি অনুসারী প্রমাণেরও চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। হঠাৎ প্রকাশ পেল বিএনপি আমলের মন্ত্রী শাজাহান সিরাজের এক চিঠি। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে এই চিঠিটা লিখেছিলেন। তাতে সিরাজ এই আমলার পদোন্নতির জোর সুপারিশ করেছিলেন। লিখেছেন, এই আমলা বিএনপির একজন একনিষ্ঠ অনুসারী।
এই অবাধ্য এবং সুযোগসন্ধানী আমলাকে তাঁর সচিব পদ থেকে সরাতে মন্ত্রী জি এম কাদের অনেক চেষ্টা করেছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। সরাতে পারেননি। দায়িত্ব পালনে পদে পদে বাধা পেয়েছেন। মন্ত্রী হিসেবে তিনি পর্যটন ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বোর্ড অব ডিরেক্টর সদস্যদের নমিনেশন দিতেন। সেই নমিনেশন সহজে অনুমোদিত হতো না। আরেক অফিসারকে এই চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বোর্ডের ডিরেক্টর পদে নমিনেশন দিতে শুরু করেন এবং তা অনুমোদন পেত। জি এম কাদেরের মতে, তাঁর মন্ত্রণালয়ের সব অকাজের জন্য তাঁকে অভিযুক্ত হতে হয়। জাতীয় সংসদেও জবাবদিহি করতে হয়। অথচ এসব কাজর কোনোটার ওপরেই তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি সে কথা প্রকাশ্যে বলতেও পারেন না।
এই মন্ত্রী আমাকে বলেছেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রীকে বারবার বলেছি, আমি আপনার সব কথা মেনে চলতে চেষ্টা করছি। কেবল আমাকে ডিঙিয়ে আমলাদের ছড়ি ঘোরানোর কোনো সুযোগ দয়া করে দেবেন না।' মন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেছি, আপনি কেন মন্ত্রীপদ ছেড়ে দিচ্ছেন না? তিনি বলেছেন, মহাজোট রক্ষার স্বার্থে। আমি এখনো বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী দেশের ভালো করতে চান এবং এই মহাজোট ক্ষমতায় না থাকলে দেশের মহাসর্বনাশ হবে।
ওই মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর (লন্ডনে ফিরে এসে) শুনেছি, তাঁর সেই কবি ও সুযোগসন্ধানী সচিবকে ওই মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়ার বদলে তাঁকে আরো প্রোমোশন দেওয়া হয়েছে কি না তা জানতে পারিনি।
বর্তমান মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয়ের যিনি মন্ত্রী এবং যাঁর বিরুদ্ধে দপ্তরে অধিকাংশ সময় গরহাজির থাকা এবং দেশে থেকেও কোনো কোনো সময় নিখোঁজ থাকার অভিযোগ, তিনি নাকি তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে বলেছেন, 'আমি মন্ত্রী বটে, কিন্তু সব সিদ্ধান্ত তো নেয় আমলারা। তাহলে আমার সব সময় অফিসে হাজিরা দিতে হবে কেন? আবার দপ্তরের সচিবরা নাকি বলেছেন, আমাকে ফাইল সই করার জন্য পাওয়া যায় না। ফলে ফাইলের স্তূপ হয়েছে। আমার কথা হলো, সব কাজে সচিবরাই সিদ্ধান্ত নেন ও তা কার্যকর করেন। আমি কেবল সই দেওয়ার সাক্ষী-গোপাল। আমি তো এক দিন অফিসে গিয়ে ১০০টা ফাইলে সই দিয়ে দিতে পারি এবং দিচ্ছিও। তাহলে এত অভিযোগ কিসের?' মন্ত্রীর এই বক্তব্য আমার শোনা কথা। কতটা সঠিক তা হলফ করে বলতে পারব না।
আমার কথা, আমার এবারের বঙ্গদর্শনের অভিজ্ঞতা হলো, বাংলাদেশে নামে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে বটে, কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গণতান্ত্রিকভাবে ও ক্যাবিনেট পদ্ধতিতে দেশ চলছে না। দেশ চালাচ্ছে আমলা, অনির্বাচিত উপদেষ্টা এবং নব্য ও অসাধু ধনীদের একটা বড় অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত তাদের প্রতিভূ হয়ে দাঁড়ান। এটা বিএনপির আমলে বেশি করে ঘটেছে এবং বর্তমান আওয়ামী লীগ আমলেও কমবেশি ঘটছে। এই অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রতিষ্ঠা কখনো ঘটবে না। প্রশ্ন হলো, বিড়ালের গলায় এই ঘণ্টা কে বাঁধবে?
(সমাপ্ত)
লন্ডন, ১৬ মে, সোমবার, ২০১১
সেই খালেদা এখন ক্ষমতা হারিয়ে খেদোক্তি করছেন যে, 'দেশে এখন চলছে এক ব্যক্তির শাসন।' আসলে কথাটা হবে, তাঁর আমলে দেশে যে এক ব্যক্তির শাসন চলছিল, এখন সরকার পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও তা অব্যাহত আছে। সম্প্রতি সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদও এই ধরনের একটি খেদোক্তি করেছেন। বলেছেন, মহাজোট এখন আর নেই। জাতীয় পার্টি থেকে তাঁর ভাই জি এম কাদের হাসিনার মন্ত্রিসভায় আছেন বটে, তাঁর একজন পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতাও নেই।'
সাবেক রাষ্ট্রপতিও সঠিক কথাই বলেছেন। তবে ক্ষমতাহীন মন্ত্রিত্বের এই প্রথাটির তিনিই প্রবর্তন করে গেছেন। প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা আতাউর রহমান খানকে তিনিই অনেক সাধ্য-সাধনা করে তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছিলেন। এই প্রধানমন্ত্রিত্ব করার তিক্ত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বয়োবৃদ্ধ নেতা তাঁর স্মৃতিচারণামূলক একটি বইয়ে সখেদে লিখেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু তাঁর একজন পিয়নকে নিয়োগদানেরও ক্ষমতা ছিল না। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী পদে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মাসের পর মাস কেটে গেছে। সেই ব্যক্তি কোনো বেতন পাননি কিংবা তার নিয়োগও স্বীকৃতি পায়নি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি রাষ্ট্রপতি এরশাদের গোচরে এনেছিলেন, একবার নয়, বহুবার। এরশাদ তাঁর প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ মানা দূরের কথা, তাঁকে কোনোরকম গুরুত্ব দেননি।
সেই জেনারেল এরশাদ এখন হাসিনার মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত দলের নেতা হয়েও খেদোক্তি করছেন, মহাজোট সরকারে তাঁর দলের মন্ত্রীর একজন পিয়ন নিয়োগেরও ক্ষমতা নেই। এই ক্ষমতা এরশাদ সাহেবও তাঁর আমলের মন্ত্রীদের দেননি। দেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার পদ্ধতিরও পরিবর্তন হয়েছে (প্রেসিডেন্সিয়াল থেকে পার্লামেন্টারি পদ্ধতি)। কিন্তু সরকার পরিচালনায় এরশাদ সাহেবরা যে ট্রাডিশন সৃষ্টি করে রেখে গেছেন তা বাংলাদেশে এখনো অব্যাহত রয়ে গেছে। কাঁঠাল গাছে আম ধরেনি। এটাই স্বাভাবিক। জেনারেল এরশাদ, খালেদা জিয়া তাঁদের শাসনামলে দেশে কাঁঠাল গাছ পুুঁতেছেন, এখন তাতে আম ধরবে কী করে?
আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশ শাসনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি পার্লামেন্টারি এবং অন্যটি প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতি। ব্রিটেন এবং অধিকাংশ ইউরোপীয় দেশ পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে শাসিত হয়। আমেরিকা শাসিত হয় প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে। দুই পদ্ধতিতেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ব্যাপারে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের ব্যবস্থা আছে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী নিজেদের খেয়াল খুশিমতো সব কিছু করতে পারেন না। ক্যাবিনেট পদ্ধতির সরকারে প্রত্যেক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের ক্ষমতার নিজস্ব পরিধি আছে এবং প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরামর্শ শোনেন। প্রেসিডেন্ট পদ্ধতিতে প্রেসিডেন্ট তাঁর পছন্দমতো ক্যাবিনেট গঠন করেন বটে, কিন্তু মন্ত্রীদের হাতে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতাও দেন।
বাংলাদেশে মন্ত্রীদের দাপট আছে, ক্ষমতা নেই। ক্যাবিনেট পদ্ধতির সরকার হলে প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতির সরকার হলে তিনি প্রেসিডেন্টের আজ্ঞাবহ। এই ব্যবস্থাটি না ক্যাবিনেট, না প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতির। সাবেক তৃতীয় বিশ্বের কোনো কোনো দেশে যে ডিকটেটোরিয়াল ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থাও অনেকটা তা-ই। কখনো সামরিক ডিকটেটর, কখনো গণতান্ত্রিক ডিকটেটর দেশ শাসন করেন। ইংরেজিতে বর্তমানে একটি কথা চালু হয়েছে, ইলেকটিভ ডিকটেটরশিপ বা নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র, বাংলাদেশ যা চলছে, তা অনেকটা তেমনই। জনসাধারণ বারবার রক্তদান করে যে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনে, তাকে সরকারব্যবস্থায় খোলসের মতো ব্যবহার করে সেই খোলসের আড়ালে স্বেচ্ছাতন্ত্রই টিকে থাকে।
এবার মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্য মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে অবস্থান করে আমার মনে হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে দেশে সরকারের চেহারা বদল হয়েছে, চরিত্র বদল হয়নি, মন্ত্রিসভায় পুরনো মুখের বদলে নতুন মুখ এসেছে; কিন্তু তাদেরও ক্ষমতা নেই, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনভিজ্ঞতা। তাতে আমলাদের সুবিধা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই আমলাদের সাহায্যেই দেশ শাসন করেন। মন্ত্রীরা 'নামের খসম আজিজ মেসের'। তাঁদের কেউ কেউ নিয়মিত নিজ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরেও যান না। তাঁদের সান্ধ্য দপ্তর ঢাকা ক্লাব। ভাদ্রবৌ যেমন ভাসুরের নাম ভুলেও মুখে আনে না, এই মন্ত্রীরাও তেমনি প্রধানমন্ত্রীর নাম ভুলেও উচ্চারণ করেন না। 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী' কথাটি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেও তটস্থ হয়ে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান।
এ ধরনের আচরণ আধুনিক যুগের জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারের মন্ত্রীদের আচরণ নয়, ফিউডাল যুগের রাজা-বাদশাহদের সভাসদ ও মোসাহেবদের আচরণ। ব্রিটেনের মতো রাজতন্ত্রের দেশেও এখন সামন্ত যুগের অলংকার যুক্ত সম্ভাষণগুলো ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছে। টনি ব্লেয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন, 'আমাকে আর অনারেবল প্রাইম মিনিস্টার বলার দরকার নেই। আমাকে টনি, এই ফার্স্ট নেমে ডাকলেই খুশি হব।' আমেরিকার প্রেসিডেন্ট শুধু মি. প্রেসিডেন্ট। তাঁর নামের আগে-পেছনে কোনো মধ্যযুগীয় বিশেষণ নেই। কিন্তু বাংলাদেশে প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে 'মহামান্য রাষ্ট্রপতি', 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী' সম্ভাষণের অতিব্যবহার দেখলে মনে হয়, আমরা সম্ভবত এখনো মোগল শাহি দরবারের আমলে বাস করছি।
বাংলাদেশের বর্তমান মন্ত্রিসভার এক সদস্য আমাকে বলেছেন, 'দয়া করে আমার নাম প্রকাশ করবেন না। যদি লিখতে চান লিখুন, আমরা মন্ত্রীরা হচ্ছি ডাবল স্যান্ডউইচের ভেতরের সিদ্ধ ডিমের পেস্ট। আমাদের ওপরে দুই লেয়ার। উপদেষ্টা পরিষদ এবং শীর্ষে প্রধানমন্ত্রী। নিচে রক্তচক্ষু পাহারাদার আমলাতন্ত্র। আমাদের স্বাধীনভাবে করণীয় কিছু নেই। উপদেষ্টাদের উপদেশ মানি, প্রধানমন্ত্রীর ধমক শুনি এবং আমলাদের হুকুম মান্য করে চলি। আমাদের চেয়ে আমলারা বেশি ক্ষমতাবান। কারণ নামে আমাদের সচিব হলেও তাঁরা অনেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি হুকুম নেন। অথবা প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে সচিবরা মন্ত্রীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে নিজেদের হুকুম ও হুকুমাত বহাল রাখেন। ওপরে মন্ত্রী নামের টুপি বদল হয়েছে মাত্র।'
এই অভিযোগ ঢাকায় অবস্থানকালে অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মুখেই শুনেছি। বিএনপি আমলে মন্ত্রী নাজমুল হুদার ভাগ্য এবং বর্তমান আওয়ামী আমলে মন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্য সম্ভবত অনেকটা এক সুতোয় বাঁধা পড়েছিল। প্রেসিডেন্সিয়াল এবং ক্যাবিনেট পদ্ধতি, দুই ধরনের ব্যবস্থাতেই যদি মন্ত্রিপরিষদ অভিজ্ঞ এবং মন্ত্রীরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী না হন, তাহলে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে সব দায়িত্ব এসে বর্তায়। তার সুযোগ নেন আমলারা এবং আমলা-শাসনে গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি বারবার ব্যর্থ হয়ে যায়। এই ব্যাপারটি বাংলাদেশে বারবার ঘটছে।
বর্তমান আওয়ামী আমলের একটি অভিজ্ঞতার কথা বলি। আবার মহাজোটের মন্ত্রিসভার সদস্য জি এম কাদেরের কথায় ফিরে আসতে হলো। আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ-পরিচয়ের আগেই জানতে পেরেছিলাম, তিনি তাঁর ভাই জেনারেল এরশাদের সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের মানুষ। তিনি অসাধু মন্ত্রী নন, চরিত্রবান এবং নীতিবান মানুষ; তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক। তাঁর স্ত্রী একজন সংগীতশিল্পী এবং বিদূষী মহিলা। এবার বাংলাদেশে অবস্থানের সময় সাক্ষাৎ-পরিচয়েও দেখেছি জি এম কাদের সত্যি সত্যি ভালো মন্ত্রী এবং ভালো মানুষও।
কিন্তু তাঁর দায়িত্ব পালনে পদে পদে বাধা পেয়েছেন তাঁর অধীনস্থ আমলাদের কাছ থেকে। তিনি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনের মন্ত্রী। বাংলাদেশ বিমানকে দুর্নীতিমুক্ত করে একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করা এবং হজের মৌসুমে হজযাত্রী বহনের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতানোর একটি কায়েমি স্বার্থের আড্ডা ভাঙতে গিয়ে তিনি তাঁর অধীনস্থ আমলার অবাধ্যতা, চক্রান্ত, এমনকি গোপন অপপ্রচারের মুখে পড়েছেন। আমলাটি তাঁর সচিব পদে ছিলেন। তিনি প্রকাশ্যেই নাকি বলতেন, 'আমি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করছি।' মন্ত্রী তাঁকে কোনো ব্যাপারে আলোচনার জন্য ডেকে পাঠালে তিনি নাকি বলতেন, 'আমাকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রীর কাছে যেতে পারব না।'
এই সচিব বঙ্গবন্ধুর নামে কবিতা লিখে নিজেকে বঙ্গবন্ধুর খাঁটি অনুসারী প্রমাণেরও চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। হঠাৎ প্রকাশ পেল বিএনপি আমলের মন্ত্রী শাজাহান সিরাজের এক চিঠি। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে এই চিঠিটা লিখেছিলেন। তাতে সিরাজ এই আমলার পদোন্নতির জোর সুপারিশ করেছিলেন। লিখেছেন, এই আমলা বিএনপির একজন একনিষ্ঠ অনুসারী।
এই অবাধ্য এবং সুযোগসন্ধানী আমলাকে তাঁর সচিব পদ থেকে সরাতে মন্ত্রী জি এম কাদের অনেক চেষ্টা করেছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। সরাতে পারেননি। দায়িত্ব পালনে পদে পদে বাধা পেয়েছেন। মন্ত্রী হিসেবে তিনি পর্যটন ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বোর্ড অব ডিরেক্টর সদস্যদের নমিনেশন দিতেন। সেই নমিনেশন সহজে অনুমোদিত হতো না। আরেক অফিসারকে এই চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বোর্ডের ডিরেক্টর পদে নমিনেশন দিতে শুরু করেন এবং তা অনুমোদন পেত। জি এম কাদেরের মতে, তাঁর মন্ত্রণালয়ের সব অকাজের জন্য তাঁকে অভিযুক্ত হতে হয়। জাতীয় সংসদেও জবাবদিহি করতে হয়। অথচ এসব কাজর কোনোটার ওপরেই তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি সে কথা প্রকাশ্যে বলতেও পারেন না।
এই মন্ত্রী আমাকে বলেছেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রীকে বারবার বলেছি, আমি আপনার সব কথা মেনে চলতে চেষ্টা করছি। কেবল আমাকে ডিঙিয়ে আমলাদের ছড়ি ঘোরানোর কোনো সুযোগ দয়া করে দেবেন না।' মন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেছি, আপনি কেন মন্ত্রীপদ ছেড়ে দিচ্ছেন না? তিনি বলেছেন, মহাজোট রক্ষার স্বার্থে। আমি এখনো বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী দেশের ভালো করতে চান এবং এই মহাজোট ক্ষমতায় না থাকলে দেশের মহাসর্বনাশ হবে।
ওই মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর (লন্ডনে ফিরে এসে) শুনেছি, তাঁর সেই কবি ও সুযোগসন্ধানী সচিবকে ওই মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়ার বদলে তাঁকে আরো প্রোমোশন দেওয়া হয়েছে কি না তা জানতে পারিনি।
বর্তমান মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয়ের যিনি মন্ত্রী এবং যাঁর বিরুদ্ধে দপ্তরে অধিকাংশ সময় গরহাজির থাকা এবং দেশে থেকেও কোনো কোনো সময় নিখোঁজ থাকার অভিযোগ, তিনি নাকি তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে বলেছেন, 'আমি মন্ত্রী বটে, কিন্তু সব সিদ্ধান্ত তো নেয় আমলারা। তাহলে আমার সব সময় অফিসে হাজিরা দিতে হবে কেন? আবার দপ্তরের সচিবরা নাকি বলেছেন, আমাকে ফাইল সই করার জন্য পাওয়া যায় না। ফলে ফাইলের স্তূপ হয়েছে। আমার কথা হলো, সব কাজে সচিবরাই সিদ্ধান্ত নেন ও তা কার্যকর করেন। আমি কেবল সই দেওয়ার সাক্ষী-গোপাল। আমি তো এক দিন অফিসে গিয়ে ১০০টা ফাইলে সই দিয়ে দিতে পারি এবং দিচ্ছিও। তাহলে এত অভিযোগ কিসের?' মন্ত্রীর এই বক্তব্য আমার শোনা কথা। কতটা সঠিক তা হলফ করে বলতে পারব না।
আমার কথা, আমার এবারের বঙ্গদর্শনের অভিজ্ঞতা হলো, বাংলাদেশে নামে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে বটে, কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গণতান্ত্রিকভাবে ও ক্যাবিনেট পদ্ধতিতে দেশ চলছে না। দেশ চালাচ্ছে আমলা, অনির্বাচিত উপদেষ্টা এবং নব্য ও অসাধু ধনীদের একটা বড় অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত তাদের প্রতিভূ হয়ে দাঁড়ান। এটা বিএনপির আমলে বেশি করে ঘটেছে এবং বর্তমান আওয়ামী লীগ আমলেও কমবেশি ঘটছে। এই অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রতিষ্ঠা কখনো ঘটবে না। প্রশ্ন হলো, বিড়ালের গলায় এই ঘণ্টা কে বাঁধবে?
(সমাপ্ত)
লন্ডন, ১৬ মে, সোমবার, ২০১১
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
March
(2875)
-
▼
Mar 15
(103)
- বেহাল পথ ও সংসদ অধিবেশন by আসিফ আহমদ
- আলোর ইশারা-মনমোহন সিংয়ের আসন্ন সফর ও আলোচনার সম্ভা...
- কক্সবাজার সৈকত-সমুদ্র চুরিতেও নীরব কর্তৃপক্ষ
- সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যা-সালিশের নামে এসব কী হচ্ছে?
- লঞ্চভর্তি ১১২ লাশ উদ্ধার by কাজী জেবেল ও মাহবুবুর ...
- চারদিক-আলো হাতে স্বপ্ন দেখানো এক শিক্ষক by মৃদুল আ...
- সন্ত্রাসবাদ-নরওয়ে ট্র্যাজেডির শিক্ষা by ইনাম আহমদ ...
- যৌন নিপীড়ন-আত্মহত্যা নয়, রুখে দাঁড়ানোই সঠিক রাস্তা...
- আমিনবাজার ট্র্যাজেডি-ছয় ছাত্রের মৃত্যু: একটি অপ্রি...
- বাঘা তেঁতুল-ক্ষমা দেবধর্ম by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-সবকিছু ভেঙে পড়ে by আনিসুল হক
- কেবল বিলবোর্ড নয়, ভুয়া প্রকল্পগুলোও উচ্ছেদ হোক-বিজ...
- চিন্তা ও কর্মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে-ই...
- চারদিক-অটিস্টিক শিশুদের জন্য শুভকামনা by আসিফ কবীর
- যুক্তি তর্ক গল্প-নিষ্ক্রিয় বিবেক জাগলেও বিশেষ লাভ ...
- খাদ্যনিরাপত্তা-কৃষি বিপ্লবের ধানের সন্ধানে by মুশফ...
- জনসংখ্যা-জনসংখ্যাশুমারির স্বাধীনতা ও পরাধীনতা by ফ...
- সরল গরল-প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষমা বৈধ নয় by মিজানুর ...
- নতুন নিয়ম ভালো, আরও ভালো পূর্ণাঙ্গ সংস্কার-ঢাকা বি...
- শুধু বাণিজ্য নয়, হোক বন্ধুত্বেরও প্রতীক-সীমান্ত হা...
- চারদিক-আটকেপড়া আলোর মেলা by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- কর্নেল তাহের হত্যা-৩-যেকোনো স্থানে অবিচার সর্বত্রই...
- গোধূলির ছায়াপথে-যদি লেখার টেবিল পেতাম by মুস্তাফা ...
- ছয় ছাত্র হত্যা-আইনের শাসনের প্রতি হুমকি by আলী রীয়াজ
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ জাতির জন্য ...
- প্রশ্নবিদ্ধই রয়ে গেল পুলিশের ভূমিকা-আমিনবাজার ট্র্...
- অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক-চিনি...
- আলো জ্বলুক বিদ্যুতের
- স্বাধীন বিচার বিভাগ কত দূর?
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইহুদিরা তাদের মহৎ উত্তরাধিকার ও...
- বুদ্ধপূর্ণিমা : এক অনাবিল সুখের দিন by শতদল বড়ুয়া
- শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তিন দশক by সুভাষ...
- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল : যেতে হবে বহু দূর by মমতাজউদ...
- বায়জু নারাভান-এক মেধাবী কর্মজীবনের অবসান
- চারদিক-‘আমি জানি সে আকাশ ছোঁবে’ by নিমাই সরকার
- সপ্তাহের হালচাল-হরতাল ও লজ্জা-শরমের সমীকরণ by আব্দ...
- বিলেতের স্ন্যাপশট-সংহতি কবিতা উৎসব: অনিবার্য অক্সি...
- দুর্ঘটনা-এই শিশুরা দায়ী করে গেল আমাদের by বিশ্বজিৎ...
- মত দ্বিমত-এখন হরতালের অপপ্রয়োগ হচ্ছে by এম এম আকাশ
- মত দ্বিমত-সরকারই হরতাল ডেকে এনেছে by মাহবুবউল্লাহ
- আর কত বিচারের নামে এই বর্বরতা?-রংপুরে গৃহবধূ নির্যাতন
- আমরা শোকাহত, আমরা সমব্যথী-মর্মান্তিক
- স্মরণ-বুলবুল চৌধুরী : আমাদের নৃত্যগুরু by তামান্ন...
- কল্পকথার গল্প-অতঃপর 'জয় শ্রীচরণ ভরসা'! by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা-বিড়ালের গলায় গণতন্ত্রের ঘণ্টা বাঁধ...
- ভাড়া নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড
- টহল দিতে হয় হেঁটে
- মুন্সি পুকুর কি রক্ষা করা যাবে না! by প্রণব বল
- রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে...
- ঢাকায় মহাসমাবেশের পর উজ্জীবিত চট্টগ্রাম বিএনপি by ...
- পুলিশের শুধু নেই আর নেই by মিঠুন চৌধুরী
- লোহানের নতুন জীবন
- পুরস্কারকন্যা বিদ্যা বালান
- মৈত্রীবন্ধন-সীমানা ছাড়িয়ে সুরের মূর্ছনা by অমর সাহা
- সংবিধানে সামরিক হস্তক্ষেপ
- চরাচর-বিশ্বজুড়ে মাদক-বাণিজ্য by আজিজুর রহমান
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- বুঝিলেন কেমনে by মহসীন হাবিব
- মত ও মন্তব্য-সংবিধান সংশোধনে দৃঢ় ও যৌক্তিক পদক্ষে...
- চারদিক -গোলারহাটের বধ্যভূমি by সালেক খোকন
- জনমত জরিপের ফলাফল
- ব্লগ থেকে...
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল-শিশুদের জন্য বাংলা...
- নোটবই-সৃজনশীলতার হন্তারক by শান্ত নূরুননবী
- শিক্ষাঙ্গন-অস্ত্র নয়, জ্ঞানের আধার হোক সব বিশ্ববিদ...
- নৌপরিবহনে নৈরাজ্য রোধ করুন-মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনা
- সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি-সংসদেই সমাধান খুঁ...
- তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহাল করতে হবে আওয়ামী লীগকেই : ফখরুল
- এ টি এম শামসুজ্জামানের প্রলাপ কী হলো রে, এটা কী হল...
- ধরা পড়ল সাবেক স্বামী-তেজগাঁওয়ে খুন গার্মেন্টকর্মী
- মেঘনার কান্না দিকে দিকে
- নদীগর্ভ থেকে তীরে আনা হলো লঞ্চটি-১১২ লাশ উদ্ধার
- বঙ্গোপসাগরের এক লাখ সাত হাজার বর্গকিলোমিটার দাবি ক...
- খালেদা জিয়ার উদ্দেশে শেখ হাসিনা-পাকিস্তানে চলে যান
- অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা-রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করতে হবে
- ভালো থেকো বন্ধু by পাভেল রহমান
- জনমনে আতঙ্কের সঙ্গত কারণ ছিল by রাহাত খান
- রাজনৈতিক সংঘাত বাড়লে ক্ষতি দেশের by আকবর আলি খান
- আবার লঞ্চডুবি-নৌব্যবস্থাপনার ত্রুটি দূর করতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা সত্য ও ন্যায়কে বুঝতে চায় ন...
- মহাজোট সরকার বনাম মহাসমাবেশ by লুৎফর রহমান রনো
- ভারতের আন্তনদী সংযোগ প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য সর্বন...
- চরাচর-নেতাজি ভবন by ফখরে আলম
- ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ ও প্রাসঙ্গিক ভাবন...
- একটি রক্তের ফোঁটার আহ্বান by মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-এ কিসের অশনিসংকেত by কামাল লোহানী
- আইলাদুর্গতদের বাসস্থান-দেয়ালবিহীন খুপরি কাদের জন্য?
- লঞ্চ দুর্ঘটনা-নিরাপদ নৌপথ চাই
- আমায় ক্ষমো হে-'সিএসআর' বা ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্...
- সাদাকালো-ওষুধনীতির যথার্থ প্রয়োগ ক্রেতাস্বার্থে অত...
- মিথ্যা মামলা করে দণ্ড দিলেন এসআই আলম বাদশা
- বাংলাদেশিকে নির্যাতনের দায়ে বিএসএফের সাত সদস্যের ক...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা-বিভিন্ন প্রশ্নে রাষ্ট...
- গ্রামে গ্রামে লাশের মিছিল, মাতম by সত্যজিৎ ঘোষ
- বুকফাটা আহাজারিতে ভারী মেঘনার পার by শরিফুল হাসান
- দুর্লভ শঙ্খশালিক by আ ন ম আমিনুর রহমান
- তিন মাস ধরে সিঙ্গাপুরে পড়ে আছে বিমানের এয়ারবাস by ...
- দেখে এসে লেখা-‘রাজপথ বিএনপি-জামাতরে ইজারা দিয়ে কি ...
- সেই শ্রীলঙ্কারই বাঁচা-মরার ম্যাচ by আরিফুল ইসলাম
- দরবারের টাকা লুট-সুশৃঙ্খল বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ন কর...
- আরও ৭৬ মৃতদেহ উদ্ধার, মেঘনাতীরে স্বজনহারাদের বিলাপ...
- আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের ঐতিহাসিক রায়-বাংলাদেশের...
-
▼
Mar 15
(103)
-
▼
March
(2875)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment