Sunday, August 26, 2012
আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
১. আলবদর এখনও আছে গোলাম আযমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বহুদিন পর আলবদর প্রসঙ্গটি উঠে এল। আলবদর কী তা আমাদের জেনারেশনকে বোঝাতে হবে না। আলবদর মানেই নিষ্ঠুর মৃত্যুদূত। আমার শিক্ষকদের হত্যা করেছিল আলবদররা। এই একটি বাক্যই বলে দেয় আলবদরদের চরিত্র।
আমাদের অনেকের ধারণা, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পর আলবদররা হয়তো ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে বা ভুল বুঝে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। এটা স্বাভাবিক যে, এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত। গত শতকের আশির দশকে আলবদরদের পৃষ্ঠপোষক জেনারেল জিয়ার সময় জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির [পূর্বতন ইসলামী ছাত্রসংঘ] যখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনীতি শুরু করে তখন তারা নতুন একটি বিষয়ের সূত্রপাত করে, তা হল রগকাটা। এরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের ধরে পায়ের রগ কেটে দিত। এই যে নিষ্ঠুরভাবে হত্যার চেষ্টা এটাই বাংলাদেশে রগকাটা রাজনীতি হিসেবে পরিচিত। তখন আমাদের অনেকের ধারণা হয়েছিল, ১৯৭১ সালের তরুণ আলবদররা নতুন এই জেনারেশনকে শিবিরের মাধ্যমে এই টেকনিক শিক্ষা দিয়েছিল।
সেই সময় যারা আলবদরের সঙ্গে যুক্ত ছিল তারা এখন আমাদেরই বয়সী, ষাটোর্ধ্ব। এরা নিষ্ক্রিয় নয়। এরা সক্রিয় এবং তাদের আলবদরীয় আদর্শ তারা জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। জামায়াত-শিবির এখন আলবদরদের প্রকাশ্য ফ্রন্ট। এই ধারণা দৃঢ় হওয়ার একটি কারণ, পাকিস্তানের লাহোর থেকে প্রকাশিত একটি বই ‘আলবদর’।
শাহরিয়ার কবির পাকিস্তানে যখন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করেন তখন এই বইটি নিয়ে আসেন। উর্দুতে বইটি লিখেছেন সেলিম মনসুর খালেদ। পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন পরিচিত জমিয়তে তুলাবা পাকিস্তান নামে। তাদের প্রকাশনা ‘তালাবা’ বইটি প্রকাশ করে খুব সম্ভব ২০০৩ সালের পর।
শাহরিয়ার যে বইটি এনেছেন তা চতুর্দশ মুদ্রণ। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বইটির মুদ্রণ সংখ্যা ১৩,৭০০।
মনসুর ২০০২ সালে ঢাকায় আসেন। খুবই স্বাভাবিক। জামায়াতে ইসলামী তখন ক্ষমতায়। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে জামায়াত কখনই কাক্সিক্ষত ক্ষমতার স্বাদ পায়নি। বাংলাদেশে পরাজিত শক্তি হওয়া সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া তাদের ক্ষমতায় আনেন। এদিক থেকে বিচার করলে, বেগম জিয়াও বাঙালিদের সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন।
মনসুরের বই পড়েই জানতে পারি আলবদররা এখনও বেঁচেবর্তে ভালোই আছে। তাদের আদর্শ থেকে তারা বিচ্যুত হয়নি। মনসুর ঢাকায় এসে আলবদরের সাহায্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে বেড়ান। একজন আলবদর আফসোস করে তাকে বলেছে, ‘জাতি এ আত্মত্যাগীদের স্বীকার পর্যন্ত করে না। মুসলিম উম্মাহ এর মর্যাদা বোঝেননি। আমরা ঘরের মধ্যে [বাংলাদেশে] আগন্তুক, আর পাকিস্তানে ভিনদেশী।’
মনসুরকে বিভিন্ন আলবদরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। আলবদরদের নেতা বা সুপ্রিম কমান্ডার মতিউর রহমান নিজামী তখন মন্ত্রী, ফলে পুরনো আলবদরদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে তোলা হয় এবং তিনি (মনসুর) অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন। মনসুর স্থানীয় অনেক আলবদরের নাম উল্লেখ করেছেন। এগুলো ছদ্মনাম কিনা জানি না, তবে কিছু নামের সঙ্গে আমরা পরিচিত। আলবদর গঠন প্রক্রিয়া থেকে তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আছে তার বইয়ে। কোথাও কোথাও তথ্যে গরমিল থাকলেও আলবদরদের কার্যকলাপ তিনি বিশ্বস্ততার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। কারণ, তারা মনে করেন, আলবদররা জিহাদী। যেসব আলবদর মারা গেছে তারা শহীদ, যারা বেঁচে আছে তারা গাজী। আর মুক্তিযোদ্ধারা এখনও তাদের কাছে ‘দুষ্কৃতকারী’।
মনসুর ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধ থেকে আলবদরীয় ঘটনাগুলো উল্লেখ করতে চান, যাতে নতুন কর্মীরা একনিষ্ঠভাবে জামায়াত করতে এবং আলবদর হতে উদ্বুদ্ধ হয়। তার আফসোস, “১৯৭১ সালের এসব শহীদ ও গাজীর নাম পাকিস্তানে আলোচনা করা কেউ পছন্দ করে না। এরা তো আমাদেরই ছিলেন, যারা পূর্ব পাকিস্তানের সবুজ বনানী ও নদ-নদীতে বুকের তাজা রক্ত উপহার দিয়েছেন। সেই তরুণরা আমাদের জাতীয় সত্তারই তো অংশ ছিল।”
মনসুর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, “বাংলার সাংবাদিক, আইনবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনীতিক মহলের সঙ্গে বিস্তারিত দেখা-সাক্ষাৎ করেছি। এর ফলে আলবদরের লক্ষ্যসমূহ আরও নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে। এছাড়াও আলবদরের মুজাহিদদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।”
সুতরাং ধরে নেয়া যায়, আমার, আপনার আশপাশেই আলবদর ও তার সাথীরা অপেক্ষা করছে। তারা ভাবেনি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। তাই এখন তারা খানিকটা শঙ্কার মধ্যে আছে এবং তাই এই বিচার প্রক্রিয়া বানচালের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে। সরকারের শৈথিল্য তাদের এ সুযোগ করে দিচ্ছে। তারা শুধু অপেক্ষা করছে সরকার পতনের বা বিচার বানচালের। তারপরই আপনারা আপনাদের দোরগোড়ায় তাদেরকে দেখতে পাবেন।
২. মুক্তিযুদ্ধ কী?
মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা ছিল জামায়াত বা আলবদরদের ‘মুক্তিযুদ্ধ’। মনসুরের বইতে এ বিষয়টিই উঠে এসেছে।
‘আলবদর’ গ্রন্থের প্রায় অর্ধেক ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ অব্দি ঘটনা প্রবাহের বিবরণ। আমরা ভালোভাবেই জানি তখন কী ঘটেছিল, কিন্তু আলবদরদের ভাষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের সম্পর্কে পশ্চিম পাকিস্তানিদের যে পূর্বধারণা ছিল, আলবদরদের ধারণাও অবিকল একই রকম। মূল থিসিসটা এ রকম যে, বাঙালিরা সম্পূর্ণ মুসলমান নয়। তারা হিন্দুÑ ভারত দ্বারা প্রভাবিত। বাঙালি মুসলমান হল তারা, যারা মুসলিম লীগ বা জামায়াত সমর্থক এবং যারা পূর্ব পাকিস্তান থেকে ‘হিজরত করে পশ্চিম পাকিস্তানে এসেছে’Ñ তারাই ‘সাচ্চা পাকিস্তানি বাঙালি।’
মনসুর মনে করেন, বাঙালিরা মূর্তিপূজক। বাংলাদেশের ‘লোকেরা উর্দু মানে না, আর বাংলা ভাষায় ধর্মীয় সাহিত্যের অভাব এবং হিন্দু সাংস্কৃতিক সমাজতন্ত্র’ প্রভাব বিস্তার করে আছে। শুধু তাই নয়, ‘মনের দিক থেকে বাঙালি মুসলমান তরুণ ও হিন্দু তরুণদের মধ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য ছিল না।’
যেসব মেয়ে আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে তারাও ছিল হিন্দু মেয়েদের মতো।
বাংলাদেশে গণহত্যা পরিচালনাকারী মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী মনে করতেন, বাঙালিদের ওপর ছিল হিন্দু শিক্ষকদের প্রভাব। সে কারণে তারা হিন্দুভাবাপন্ন হয়ে গিয়েছিল। আলবদর-সমর্থক মনসুরও তাই মনে করেন।
আওয়ামী লীগের কারণে, জানিয়েছেন মনসুর, বাঙালিরা মনে করতে লাগল যে, রামমোহন রায় তাদের ‘জাতীয় বীর’ আর ‘হিন্দু সংস্কৃতির পুনর্জন্মদাতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয়ে গেলেন ‘জাতীয় কবি’। অর্থাৎ লড়াইটা ছিল মূলত ‘সাচ্চা মুসলমান’ পাকিস্তানিদের সঙ্গে ভারতের এজেন্ট হিন্দুভাবাপন্ন বাঙালিদের।
পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে মনসুর উল্লেখ করেছেন, বাঙালিরা বিহারি ‘হত্যা’ শুরু করে। আলবদররা তাই মনে করে। তবে, অসতর্ক মুহূর্তে মনসুর উল্লেখ করেছেন টিক্কা খানের বরাত দিয়ে যে, ইয়াহিয়া খান স্বীকার করেছিলেন, পূর্ব পাকিস্তানের আর্মি এ্যাকশনের প্রস্তাব ভুট্টো তাকে দিয়েছিলেন।
ভারত তো জন্ম থেকেই পাকিস্তান ভাঙ্গার চেষ্টা করছিল। মনসুরের ভাষায়, ১৯৬৮ সাল থেকেই পাকিস্তান ধ্বংস করার জন্য ‘এজেন্টদের’ ভারত অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করেছিল। ১৯৭০ সালের শেষ থেকে ১৯৭১ সালের শুরুতে ‘খোলামেলাভাবে তারা কাজ শুরু করে দেয়।’
আলবদররা মুক্তিবাহিনী সম্পর্কে যেসব তথ্য যোগাড় করেছিল সে অনুযায়ী মুক্তিবাহিনীর ছয়টি সংগঠন ছিল
১. মুক্তিবাহিনী (সাবেক ফৌজ, পুলিশ, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস ও হিন্দুস্তান আর্মির রেগুলার এজেন্ট)
২. মুজিব বাহিনী (আওয়ামী লীগের বাঙালি, হিন্দু ও কমিউনিস্ট)
৩. আর্মড গ্রুপ ও
৪. গুজব রটনাকারী গ্রুপ।
এছাড়া আরো দুটি শাখা ছিল মুক্তিবাহিনীর
১. মহিলা মুক্তি গ্রুপ ও
২. সায়েন্টিফিক গ্রুপ।
এবার মহিলা মুক্তি গ্রুপ সম্পর্কে আলবদরীয় ব্যাখ্যা শুনুন
“এর বেশিরভাগ ছিল হিন্দু। এরা আওয়ামী লীগ সমর্থন করত। এদের কাজ ছিল মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা সহজ করার জন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্যকারীদের কয়েক মুহূর্তের জন্য আত্মভোলা করে রাখার জন্য ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল।” মনসুর যা বলতে চাচ্ছেন, তা হল, এরা পাকিস্তানিদের ভুলিয়েভালিয়ে গোপন তথ্য উদ্ধার করত। তার ভাষায়, প্রাচীন আমল থেকেই “প্রস্টিটিউশন এক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে বিবেচিত ও মেয়েরা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের থেকে তৃতীয় শ্রেণির লোকদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় গোপন তথ্য উদ্ধার ও অতর্কিত শিকার করার চেষ্টায় থাকত।”
আর সায়েন্টিফিক গ্রুপ? এরা বিজ্ঞানের ছাত্র। সীমান্তে হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের সাহায্যে এরা “এমন ধ্বংসাত্মক যন্ত্রচালিত জিনিস তৈরি করত, যেগুলো ধ্বংসের সাথে সাথে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত।”
তার মতে, মুক্তিবাহিনী আসলে রাজনৈতিক কর্মী বা বাঙালিদের কোনো সংগঠন ছিল না। ভারতীয় সৈনিক, রুশ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টি-সমর্থক তরুণ, আরএসএস প্রভৃতি ‘সমন্বিত বাহিনীর নাম ছিল মুক্তিবাহিনী।’
যুদ্ধের খুব একটা বর্ণনা দেননি মনসুর। উল্লেখ করেছেন, পাকিস্তানিদের অস্ত্রশস্ত্র ছিল পুরনো আমলের। পুরনো আমালের কিছু বিমান ছিল, যার মধ্যে একটি ছিল নষ্ট; আর ভারতীয় বিমান বাকিগুলো ধ্বংস করে দেয়। তবে, পাকিস্তানি এন্টি এয়ারক্রাফট ভারতীয় বিমান বাহিনীর ৩০টি বিমান ভূপাতিত করে। এটি আবার এক পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার বাকের সিদ্দিকীর মত। অথচ আমরা জানি, এখানে একটি ভারতীয় বিমানও ভূপাতিত করা যায়নি। মনসুর জানিয়েছেন, “আমাদের এই প্রতিরক্ষা পুঁজিতে ৭৩ হাজার রাজাকার, স্কাউট প্রভৃতি নিয়ে সেনা টিম মোতায়েন ছিল।”
এই ইতিহাস পড়ে বোঝা যায়, পাকিস্তানি মন কীভাবে কাজ করে এবং ইতিহাস সম্পর্কে তাদের ধারণা কী। শাহরিয়ার কবির আমাকে জানিয়েছেন, পাকিস্তানে এখন ইতিহাস পড়ানো হয় না। এর একটা কারণ বোধহয়, নিজেদের মনমতো ইতিহাস সৃষ্টি করা। ইতিহাস না জানলে একটি জাতি কী রকম সংকীর্ণ, সাম্প্রদায়িক, উগ্র জঙ্গিবাদী ও বিকৃত মনের অধিকারী হতে পারে পাকিস্তানিরা তার উদাহরণ। দুঃখের বিষয়, এই আমলেও শত চেষ্টা করেও আমরা সব শাখায় ইতিহাস অবশ্যপাঠ্য করতে পারিনি। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরাও কি পাকিস্তানি হয়ে যাব? বিএনপি-জামায়াত ও ধর্মব্যবসায়ীদের উত্থান এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করছে।
মনসুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা যায়, পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে জামায়াতের ৭৩ হাজার সশস্ত্র কর্মী ছিল। এ সংখ্যা ৬৫ও করা যেতে পারে; কারণ, রাজাকার-আলবদরদের মধ্যে জামায়াত ছাড়াও উগ্রবাদী এবং অবাঙালি ছিল।
৩. আলবদর কেন প্রতিষ্ঠা করা হলো
আলবদর কেন প্রতিষ্ঠা করা হল, কীভাবে হল, সে সম্পর্কে তথ্য কিন্তু খুব কম। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা শুনেছি, জানতাম, ইসলামী ছাত্রসংঘের কর্মীরা প্রতিষ্ঠা করেছে আলবদর এবং তারা বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের হত্যা করছে। ছাত্রসংঘের প্রধান ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। আলবদরদের প্রধানও ছিলেন তিনি।
একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়Ñ বইতেই আলবদর সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে তথ্যই এতদিন ব্যবহৃত হত। এখন এর সঙ্গে আরো কিছু সূত্রের সাহায্যে আলবদরদের সম্পর্কে একটি বিবরণ তৈরি করেছি।
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই মোটামুটি রাজনীতিসচেতন ব্যক্তিরা বুঝতে পারছিলেন, দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এ পরিস্থিতিতে কী করা যেতে পারে তা নিয়ে জামায়াতে আলোচনা শুরু হয় এবং করণীয় ঠিক করে জামায়াত নয়, বরং জামায়াতের সংগঠন ইসলাম জামায়াত ই তুলাবা, এখানে যা পরিচিত ছিল ইসলামী ছাত্রসংঘ নামে।
সৈয়দ ভালি রেজা নসর পাকিস্তানের ধর্মীয় দলগুলো নিয়ে গবেষণা করে একটি বই লিখেছেন, নাম দি ভ্যানগার্ড অব দি ইসলামিক রিভ্যুলেশন : দি জামায়াত ই ইসলামী অব পাকিস্তান। আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস বইটি প্রকাশ করে ১৯৯৪ সালে।
নসর লিখেছেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর জামায়াতের অবস্থা সঙ্গীন হয়ে দাঁড়ায়, কারণ পাকিস্তানের কোনো অংশেই তাদের কোনো স্থান ছিল না। সরকারি সাহায্যে পশ্চিম পাকিস্তানে তারা পিপিপির বিরুদ্ধে এবং পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছিল। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের সঙ্গে জামায়াতের একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জামায়াত দেখল, জাতীয় রাজনীতিতে স্থান করে নিতে হলে পূর্ব পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করাই উত্তম। এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছিল ইসলামী জমিয়ত তুলাবাÑ মে মাসে যখন তারা সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করতে লাগল।
অন্য কথায় বলা যেতে পারে, পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিকভাবে নিজের জায়গা করে নেওয়ার জন্য জামায়াত ও তার সংগঠন সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছিল। কারণ, আমরা দেখি, মুক্তিযোদ্ধাদের ঠেকাতে যেসব সংস্থা গড়ে উঠেছিলÑ যেমন : রাজাকার, শান্তি কমিটি বা আলবদরÑ সবখানে সর্বতোভাবে যোগ দিয়েছিল জামায়াত ও ছাত্রসংঘের কর্মীরা। অবশ্য, সেনাবাহিনীর সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ সব সময়ই ছিল। পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এর প্রকাশ শুরু করার অর্থ দিয়েছিল আইএসআই। বাংলাদেশ হওয়ার পরও এই ধারা অব্যাহত থাকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান প্রথম সেনাবাহিনীর পাকিস্তানিকরণ শুরু করেন, যা পরে এগিয়ে নেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। পাকিস্তানের পলিসি সব পর্যায়ে সুচারুরূপে প্রয়োগের জন্য জেনারেল জিয়াউল হক খুশি হয়ে তাকে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘নিশান-ই পাকিস্তান’ প্রদান করেছিলেন। জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ২৬ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট কার্যকর করা হয় এবং রংপুরে এরশাদ এই অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন।
পাকিস্তানিকরণের কারণেই জিয়াউর রহমান জামায়াতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন এবং মন্ত্রিসভায় রাজাকারদের অন্তর্ভুক্ত করেন। একই পলিসি অনুসরণ করেন এরশাদ। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়া তাদের ক্ষমতার অংশীদার করেন, যা পাকিস্তানেও সম্ভব হয়নি।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শুরু থেকেই জামায়াত প্রধানত সামরিক বাহিনীর সহায়তায় শক্তি সঞ্চয় করেছে। একটি বিষয় খেয়াল করবেন, বাংলাদেশে সামরিক বাহিনী যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখন কিন্তু তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সেক্যুলার আদর্শে বিশ্বাসীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে, জামায়াতীদের নয়।
নসরের বক্তব্যের সমর্থন পাই খালেদের গ্রন্থেও। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালের ১০ মার্চ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনার জন্য ছাত্রসংঘের প্রাদেশিক মজলিসে শূরা ও জেলা নাজেমদের এক বৈঠক আহ্বান করা হয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি আলোচনার পর তারা সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, তিনটি বিকল্প খোলা আছেÑ
১. ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীরা’ যা করছে তা সমর্থন
২. যা হবার হোক, নিজেদের সরিয়ে রাখা
৩. পরিস্থিতিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, যাতে পাকিস্তানের অখ-তা অক্ষুণœ থাকে এবং এ কারণে নিজের দায়িত্ব পালন করা।
এই সভায় প্রাদেশিক শূরার রোকন মুস্তাফা শওকত ইমরান এক জ্বালাময়ী বক্তৃতা দেন যার মূলকথা হল, পাকিস্তনের এই অংশকে ‘হেফাজত’ করতে হবে যেভাবে মসজিদ ‘হেফাজত’ করা হয়। একজনও ‘বিচ্ছিন্নতা’বাদীদের সমর্থন করেনি। চারদিন এই বৈঠক হয়। ঐকমত্যের যে সিদ্ধান্ত হয় তাহল, এখানকার জনগণ দুটি শক্তির মাঝখানে পড়ে পিষ্ট হচ্ছে। একদিকে রয়েছে ‘দুঃশাসন’ [অর্থাৎ ভারত] নিয়োজিত হিন্দু ও কমিউনিস্ট, যারা দেশকে টুকরো টুকরো করে হিন্দুস্তানের হাতে তুলে দিতে চায়। অন্যদিকে, সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে এদের মতবাদে বিশ্বাসী লোকজন। সুতরাং কী করতে হবে? এই দু’পক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে অবতীর্ণ হতে হবে। “আমরা একদিকে ইসলামী শক্তি নিয়ে দুশমনের বিরুদ্ধে ময়দানে সংঘাতে অবতীর্ণ হব; অন্যদিকে ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে তা সংশোধনে; জন্য আমাদের মতো করে চেষ্টা করব।”
এরপর ১৯৭১ সালের ১৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে ইসলামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের এক বৈঠক হয়। সেখানে ঢাকা জামায়াতের নাজেম শাহ জালাল চৌধুরী তাদের পলিসি ঘোষণা করেন। সিদ্ধান্ত হয়, কোনো সার্কুলার জারি করা যাবে না, কারণ ‘তা হবে মৃত্যুকে আহ্বান করার শামিল।’ এ সিদ্ধান্তটি উল্লেখযোগ্য। জামায়াত যে পাকিস্তানি বাহিনীর অন্তর্গত হয়ে কাজ করেছিল বা বিভিন্ন বাহিনী তৈরি করেছিল সে সম্পর্কে তারা কাগজে-কলমে খুব কম প্রমাণ রেখেছে। এ বিষয়ে তারা খুব সর্তক ছিল। তাদের কার্যকলাপের প্রধান প্রমাণ তাই তাদের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রাদেশিক শূরার চারজন সদস্য সারা ‘পূর্ব পাকিস্তান সফর’ করে তাদের পলিসি কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেবেন। ১৫ ও ১৬ মার্চ চারজন সফর শুরু করলেন। কর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানালেন। খালেদ লিখেছেন, “এই সফরে কর্মীসমাবেশে ফি আমানিল্লাহ বলা হত। আল্লাহ্র দরবারে আহাজারি করে ইসলাম ও পাকিস্তানের অক্ষুণœতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হত। দোয়া নিয়ে সাথীরা পরস্পরের নিকট থেকে এমনভাবে বিদায় নিত যেন আর কখনো এই দুনিয়ায় পরস্পরের দেখা হবে না।”
ছাত্রসংঘ তৃতীয় বিকল্প বেছে নিয়েছিল অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অনুচরদের হাত থেকে পাকিস্তান রক্ষা। এবং পাকিস্তান রক্ষার জন্য কর্তব্য হচ্ছে পাকিস্তানি শাসক অর্থাৎ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং সর্বত্র প্রচার করা যে, পাকিস্তানকে হেফাজত করাই মূল কাজ। এ কারণেই গণহত্যা শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমির গোলাম আযম সদলে টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন। এবং শান্তি কমিটি, রাজাকার বাহিনী, আলবদর ও আলশামসে জামায়াত ও ছাত্র সংঘ-কর্মীরা দলে দলে যোগদান করে।
এটি ছিল প্রকাশ্য দিক। অপ্রকাশ্য পলিসি ছিল অন্য। তারা ধরে নিয়েছিল, সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগ ও বামধারার দলগুলোকে দমন করে ফেলবে। দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা দেখা দেবে। পাকিস্তানপন্থী দলগুলো তখন সুযোগ পাবে সেই শূন্যতা ভরাট করার। সেনাবাহিনী যদি জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা করে তাহলে জামায়াত হয়ে উঠবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাজা হয়ে যাবে তারা। অন্যদিকে রাজকার, শান্তি কমিটির সদস্য এবং আলবদর হয়ে পাকিস্তান রক্ষার নামে বিরোধীদের নিঃশেষ করে দিতে পারবে। (চলবে)
সেই সময় যারা আলবদরের সঙ্গে যুক্ত ছিল তারা এখন আমাদেরই বয়সী, ষাটোর্ধ্ব। এরা নিষ্ক্রিয় নয়। এরা সক্রিয় এবং তাদের আলবদরীয় আদর্শ তারা জামায়াত-শিবিরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। জামায়াত-শিবির এখন আলবদরদের প্রকাশ্য ফ্রন্ট। এই ধারণা দৃঢ় হওয়ার একটি কারণ, পাকিস্তানের লাহোর থেকে প্রকাশিত একটি বই ‘আলবদর’।
শাহরিয়ার কবির পাকিস্তানে যখন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করেন তখন এই বইটি নিয়ে আসেন। উর্দুতে বইটি লিখেছেন সেলিম মনসুর খালেদ। পাকিস্তানে জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন পরিচিত জমিয়তে তুলাবা পাকিস্তান নামে। তাদের প্রকাশনা ‘তালাবা’ বইটি প্রকাশ করে খুব সম্ভব ২০০৩ সালের পর।
শাহরিয়ার যে বইটি এনেছেন তা চতুর্দশ মুদ্রণ। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বইটির মুদ্রণ সংখ্যা ১৩,৭০০।
মনসুর ২০০২ সালে ঢাকায় আসেন। খুবই স্বাভাবিক। জামায়াতে ইসলামী তখন ক্ষমতায়। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে জামায়াত কখনই কাক্সিক্ষত ক্ষমতার স্বাদ পায়নি। বাংলাদেশে পরাজিত শক্তি হওয়া সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া তাদের ক্ষমতায় আনেন। এদিক থেকে বিচার করলে, বেগম জিয়াও বাঙালিদের সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন।
মনসুরের বই পড়েই জানতে পারি আলবদররা এখনও বেঁচেবর্তে ভালোই আছে। তাদের আদর্শ থেকে তারা বিচ্যুত হয়নি। মনসুর ঢাকায় এসে আলবদরের সাহায্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে বেড়ান। একজন আলবদর আফসোস করে তাকে বলেছে, ‘জাতি এ আত্মত্যাগীদের স্বীকার পর্যন্ত করে না। মুসলিম উম্মাহ এর মর্যাদা বোঝেননি। আমরা ঘরের মধ্যে [বাংলাদেশে] আগন্তুক, আর পাকিস্তানে ভিনদেশী।’
মনসুরকে বিভিন্ন আলবদরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। আলবদরদের নেতা বা সুপ্রিম কমান্ডার মতিউর রহমান নিজামী তখন মন্ত্রী, ফলে পুরনো আলবদরদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে তোলা হয় এবং তিনি (মনসুর) অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন। মনসুর স্থানীয় অনেক আলবদরের নাম উল্লেখ করেছেন। এগুলো ছদ্মনাম কিনা জানি না, তবে কিছু নামের সঙ্গে আমরা পরিচিত। আলবদর গঠন প্রক্রিয়া থেকে তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আছে তার বইয়ে। কোথাও কোথাও তথ্যে গরমিল থাকলেও আলবদরদের কার্যকলাপ তিনি বিশ্বস্ততার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। কারণ, তারা মনে করেন, আলবদররা জিহাদী। যেসব আলবদর মারা গেছে তারা শহীদ, যারা বেঁচে আছে তারা গাজী। আর মুক্তিযোদ্ধারা এখনও তাদের কাছে ‘দুষ্কৃতকারী’।
মনসুর ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধ থেকে আলবদরীয় ঘটনাগুলো উল্লেখ করতে চান, যাতে নতুন কর্মীরা একনিষ্ঠভাবে জামায়াত করতে এবং আলবদর হতে উদ্বুদ্ধ হয়। তার আফসোস, “১৯৭১ সালের এসব শহীদ ও গাজীর নাম পাকিস্তানে আলোচনা করা কেউ পছন্দ করে না। এরা তো আমাদেরই ছিলেন, যারা পূর্ব পাকিস্তানের সবুজ বনানী ও নদ-নদীতে বুকের তাজা রক্ত উপহার দিয়েছেন। সেই তরুণরা আমাদের জাতীয় সত্তারই তো অংশ ছিল।”
মনসুর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, “বাংলার সাংবাদিক, আইনবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনীতিক মহলের সঙ্গে বিস্তারিত দেখা-সাক্ষাৎ করেছি। এর ফলে আলবদরের লক্ষ্যসমূহ আরও নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে। এছাড়াও আলবদরের মুজাহিদদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।”
সুতরাং ধরে নেয়া যায়, আমার, আপনার আশপাশেই আলবদর ও তার সাথীরা অপেক্ষা করছে। তারা ভাবেনি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। তাই এখন তারা খানিকটা শঙ্কার মধ্যে আছে এবং তাই এই বিচার প্রক্রিয়া বানচালের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে। সরকারের শৈথিল্য তাদের এ সুযোগ করে দিচ্ছে। তারা শুধু অপেক্ষা করছে সরকার পতনের বা বিচার বানচালের। তারপরই আপনারা আপনাদের দোরগোড়ায় তাদেরকে দেখতে পাবেন।
২. মুক্তিযুদ্ধ কী?
মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা ছিল জামায়াত বা আলবদরদের ‘মুক্তিযুদ্ধ’। মনসুরের বইতে এ বিষয়টিই উঠে এসেছে।
‘আলবদর’ গ্রন্থের প্রায় অর্ধেক ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ অব্দি ঘটনা প্রবাহের বিবরণ। আমরা ভালোভাবেই জানি তখন কী ঘটেছিল, কিন্তু আলবদরদের ভাষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের সম্পর্কে পশ্চিম পাকিস্তানিদের যে পূর্বধারণা ছিল, আলবদরদের ধারণাও অবিকল একই রকম। মূল থিসিসটা এ রকম যে, বাঙালিরা সম্পূর্ণ মুসলমান নয়। তারা হিন্দুÑ ভারত দ্বারা প্রভাবিত। বাঙালি মুসলমান হল তারা, যারা মুসলিম লীগ বা জামায়াত সমর্থক এবং যারা পূর্ব পাকিস্তান থেকে ‘হিজরত করে পশ্চিম পাকিস্তানে এসেছে’Ñ তারাই ‘সাচ্চা পাকিস্তানি বাঙালি।’
মনসুর মনে করেন, বাঙালিরা মূর্তিপূজক। বাংলাদেশের ‘লোকেরা উর্দু মানে না, আর বাংলা ভাষায় ধর্মীয় সাহিত্যের অভাব এবং হিন্দু সাংস্কৃতিক সমাজতন্ত্র’ প্রভাব বিস্তার করে আছে। শুধু তাই নয়, ‘মনের দিক থেকে বাঙালি মুসলমান তরুণ ও হিন্দু তরুণদের মধ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য ছিল না।’
যেসব মেয়ে আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে তারাও ছিল হিন্দু মেয়েদের মতো।
বাংলাদেশে গণহত্যা পরিচালনাকারী মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী মনে করতেন, বাঙালিদের ওপর ছিল হিন্দু শিক্ষকদের প্রভাব। সে কারণে তারা হিন্দুভাবাপন্ন হয়ে গিয়েছিল। আলবদর-সমর্থক মনসুরও তাই মনে করেন।
আওয়ামী লীগের কারণে, জানিয়েছেন মনসুর, বাঙালিরা মনে করতে লাগল যে, রামমোহন রায় তাদের ‘জাতীয় বীর’ আর ‘হিন্দু সংস্কৃতির পুনর্জন্মদাতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয়ে গেলেন ‘জাতীয় কবি’। অর্থাৎ লড়াইটা ছিল মূলত ‘সাচ্চা মুসলমান’ পাকিস্তানিদের সঙ্গে ভারতের এজেন্ট হিন্দুভাবাপন্ন বাঙালিদের।
পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে মনসুর উল্লেখ করেছেন, বাঙালিরা বিহারি ‘হত্যা’ শুরু করে। আলবদররা তাই মনে করে। তবে, অসতর্ক মুহূর্তে মনসুর উল্লেখ করেছেন টিক্কা খানের বরাত দিয়ে যে, ইয়াহিয়া খান স্বীকার করেছিলেন, পূর্ব পাকিস্তানের আর্মি এ্যাকশনের প্রস্তাব ভুট্টো তাকে দিয়েছিলেন।
ভারত তো জন্ম থেকেই পাকিস্তান ভাঙ্গার চেষ্টা করছিল। মনসুরের ভাষায়, ১৯৬৮ সাল থেকেই পাকিস্তান ধ্বংস করার জন্য ‘এজেন্টদের’ ভারত অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করেছিল। ১৯৭০ সালের শেষ থেকে ১৯৭১ সালের শুরুতে ‘খোলামেলাভাবে তারা কাজ শুরু করে দেয়।’
আলবদররা মুক্তিবাহিনী সম্পর্কে যেসব তথ্য যোগাড় করেছিল সে অনুযায়ী মুক্তিবাহিনীর ছয়টি সংগঠন ছিল
১. মুক্তিবাহিনী (সাবেক ফৌজ, পুলিশ, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস ও হিন্দুস্তান আর্মির রেগুলার এজেন্ট)
২. মুজিব বাহিনী (আওয়ামী লীগের বাঙালি, হিন্দু ও কমিউনিস্ট)
৩. আর্মড গ্রুপ ও
৪. গুজব রটনাকারী গ্রুপ।
এছাড়া আরো দুটি শাখা ছিল মুক্তিবাহিনীর
১. মহিলা মুক্তি গ্রুপ ও
২. সায়েন্টিফিক গ্রুপ।
এবার মহিলা মুক্তি গ্রুপ সম্পর্কে আলবদরীয় ব্যাখ্যা শুনুন
“এর বেশিরভাগ ছিল হিন্দু। এরা আওয়ামী লীগ সমর্থন করত। এদের কাজ ছিল মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা সহজ করার জন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্যকারীদের কয়েক মুহূর্তের জন্য আত্মভোলা করে রাখার জন্য ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল।” মনসুর যা বলতে চাচ্ছেন, তা হল, এরা পাকিস্তানিদের ভুলিয়েভালিয়ে গোপন তথ্য উদ্ধার করত। তার ভাষায়, প্রাচীন আমল থেকেই “প্রস্টিটিউশন এক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে বিবেচিত ও মেয়েরা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের থেকে তৃতীয় শ্রেণির লোকদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় গোপন তথ্য উদ্ধার ও অতর্কিত শিকার করার চেষ্টায় থাকত।”
আর সায়েন্টিফিক গ্রুপ? এরা বিজ্ঞানের ছাত্র। সীমান্তে হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের সাহায্যে এরা “এমন ধ্বংসাত্মক যন্ত্রচালিত জিনিস তৈরি করত, যেগুলো ধ্বংসের সাথে সাথে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত।”
তার মতে, মুক্তিবাহিনী আসলে রাজনৈতিক কর্মী বা বাঙালিদের কোনো সংগঠন ছিল না। ভারতীয় সৈনিক, রুশ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টি-সমর্থক তরুণ, আরএসএস প্রভৃতি ‘সমন্বিত বাহিনীর নাম ছিল মুক্তিবাহিনী।’
যুদ্ধের খুব একটা বর্ণনা দেননি মনসুর। উল্লেখ করেছেন, পাকিস্তানিদের অস্ত্রশস্ত্র ছিল পুরনো আমলের। পুরনো আমালের কিছু বিমান ছিল, যার মধ্যে একটি ছিল নষ্ট; আর ভারতীয় বিমান বাকিগুলো ধ্বংস করে দেয়। তবে, পাকিস্তানি এন্টি এয়ারক্রাফট ভারতীয় বিমান বাহিনীর ৩০টি বিমান ভূপাতিত করে। এটি আবার এক পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার বাকের সিদ্দিকীর মত। অথচ আমরা জানি, এখানে একটি ভারতীয় বিমানও ভূপাতিত করা যায়নি। মনসুর জানিয়েছেন, “আমাদের এই প্রতিরক্ষা পুঁজিতে ৭৩ হাজার রাজাকার, স্কাউট প্রভৃতি নিয়ে সেনা টিম মোতায়েন ছিল।”
এই ইতিহাস পড়ে বোঝা যায়, পাকিস্তানি মন কীভাবে কাজ করে এবং ইতিহাস সম্পর্কে তাদের ধারণা কী। শাহরিয়ার কবির আমাকে জানিয়েছেন, পাকিস্তানে এখন ইতিহাস পড়ানো হয় না। এর একটা কারণ বোধহয়, নিজেদের মনমতো ইতিহাস সৃষ্টি করা। ইতিহাস না জানলে একটি জাতি কী রকম সংকীর্ণ, সাম্প্রদায়িক, উগ্র জঙ্গিবাদী ও বিকৃত মনের অধিকারী হতে পারে পাকিস্তানিরা তার উদাহরণ। দুঃখের বিষয়, এই আমলেও শত চেষ্টা করেও আমরা সব শাখায় ইতিহাস অবশ্যপাঠ্য করতে পারিনি। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরাও কি পাকিস্তানি হয়ে যাব? বিএনপি-জামায়াত ও ধর্মব্যবসায়ীদের উত্থান এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করছে।
মনসুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা যায়, পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে জামায়াতের ৭৩ হাজার সশস্ত্র কর্মী ছিল। এ সংখ্যা ৬৫ও করা যেতে পারে; কারণ, রাজাকার-আলবদরদের মধ্যে জামায়াত ছাড়াও উগ্রবাদী এবং অবাঙালি ছিল।
৩. আলবদর কেন প্রতিষ্ঠা করা হলো
আলবদর কেন প্রতিষ্ঠা করা হল, কীভাবে হল, সে সম্পর্কে তথ্য কিন্তু খুব কম। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা শুনেছি, জানতাম, ইসলামী ছাত্রসংঘের কর্মীরা প্রতিষ্ঠা করেছে আলবদর এবং তারা বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের হত্যা করছে। ছাত্রসংঘের প্রধান ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। আলবদরদের প্রধানও ছিলেন তিনি।
একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়Ñ বইতেই আলবদর সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে তথ্যই এতদিন ব্যবহৃত হত। এখন এর সঙ্গে আরো কিছু সূত্রের সাহায্যে আলবদরদের সম্পর্কে একটি বিবরণ তৈরি করেছি।
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই মোটামুটি রাজনীতিসচেতন ব্যক্তিরা বুঝতে পারছিলেন, দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এ পরিস্থিতিতে কী করা যেতে পারে তা নিয়ে জামায়াতে আলোচনা শুরু হয় এবং করণীয় ঠিক করে জামায়াত নয়, বরং জামায়াতের সংগঠন ইসলাম জামায়াত ই তুলাবা, এখানে যা পরিচিত ছিল ইসলামী ছাত্রসংঘ নামে।
সৈয়দ ভালি রেজা নসর পাকিস্তানের ধর্মীয় দলগুলো নিয়ে গবেষণা করে একটি বই লিখেছেন, নাম দি ভ্যানগার্ড অব দি ইসলামিক রিভ্যুলেশন : দি জামায়াত ই ইসলামী অব পাকিস্তান। আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস বইটি প্রকাশ করে ১৯৯৪ সালে।
নসর লিখেছেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর জামায়াতের অবস্থা সঙ্গীন হয়ে দাঁড়ায়, কারণ পাকিস্তানের কোনো অংশেই তাদের কোনো স্থান ছিল না। সরকারি সাহায্যে পশ্চিম পাকিস্তানে তারা পিপিপির বিরুদ্ধে এবং পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছিল। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের সঙ্গে জামায়াতের একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে জামায়াত দেখল, জাতীয় রাজনীতিতে স্থান করে নিতে হলে পূর্ব পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করাই উত্তম। এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছিল ইসলামী জমিয়ত তুলাবাÑ মে মাসে যখন তারা সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করতে লাগল।
অন্য কথায় বলা যেতে পারে, পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিকভাবে নিজের জায়গা করে নেওয়ার জন্য জামায়াত ও তার সংগঠন সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছিল। কারণ, আমরা দেখি, মুক্তিযোদ্ধাদের ঠেকাতে যেসব সংস্থা গড়ে উঠেছিলÑ যেমন : রাজাকার, শান্তি কমিটি বা আলবদরÑ সবখানে সর্বতোভাবে যোগ দিয়েছিল জামায়াত ও ছাত্রসংঘের কর্মীরা। অবশ্য, সেনাবাহিনীর সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ সব সময়ই ছিল। পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এর প্রকাশ শুরু করার অর্থ দিয়েছিল আইএসআই। বাংলাদেশ হওয়ার পরও এই ধারা অব্যাহত থাকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান প্রথম সেনাবাহিনীর পাকিস্তানিকরণ শুরু করেন, যা পরে এগিয়ে নেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। পাকিস্তানের পলিসি সব পর্যায়ে সুচারুরূপে প্রয়োগের জন্য জেনারেল জিয়াউল হক খুশি হয়ে তাকে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘নিশান-ই পাকিস্তান’ প্রদান করেছিলেন। জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ২৬ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট কার্যকর করা হয় এবং রংপুরে এরশাদ এই অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন।
পাকিস্তানিকরণের কারণেই জিয়াউর রহমান জামায়াতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন এবং মন্ত্রিসভায় রাজাকারদের অন্তর্ভুক্ত করেন। একই পলিসি অনুসরণ করেন এরশাদ। পরবর্তীকালে খালেদা জিয়া তাদের ক্ষমতার অংশীদার করেন, যা পাকিস্তানেও সম্ভব হয়নি।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শুরু থেকেই জামায়াত প্রধানত সামরিক বাহিনীর সহায়তায় শক্তি সঞ্চয় করেছে। একটি বিষয় খেয়াল করবেন, বাংলাদেশে সামরিক বাহিনী যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখন কিন্তু তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সেক্যুলার আদর্শে বিশ্বাসীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে, জামায়াতীদের নয়।
নসরের বক্তব্যের সমর্থন পাই খালেদের গ্রন্থেও। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালের ১০ মার্চ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনার জন্য ছাত্রসংঘের প্রাদেশিক মজলিসে শূরা ও জেলা নাজেমদের এক বৈঠক আহ্বান করা হয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি আলোচনার পর তারা সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, তিনটি বিকল্প খোলা আছেÑ
১. ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীরা’ যা করছে তা সমর্থন
২. যা হবার হোক, নিজেদের সরিয়ে রাখা
৩. পরিস্থিতিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, যাতে পাকিস্তানের অখ-তা অক্ষুণœ থাকে এবং এ কারণে নিজের দায়িত্ব পালন করা।
এই সভায় প্রাদেশিক শূরার রোকন মুস্তাফা শওকত ইমরান এক জ্বালাময়ী বক্তৃতা দেন যার মূলকথা হল, পাকিস্তনের এই অংশকে ‘হেফাজত’ করতে হবে যেভাবে মসজিদ ‘হেফাজত’ করা হয়। একজনও ‘বিচ্ছিন্নতা’বাদীদের সমর্থন করেনি। চারদিন এই বৈঠক হয়। ঐকমত্যের যে সিদ্ধান্ত হয় তাহল, এখানকার জনগণ দুটি শক্তির মাঝখানে পড়ে পিষ্ট হচ্ছে। একদিকে রয়েছে ‘দুঃশাসন’ [অর্থাৎ ভারত] নিয়োজিত হিন্দু ও কমিউনিস্ট, যারা দেশকে টুকরো টুকরো করে হিন্দুস্তানের হাতে তুলে দিতে চায়। অন্যদিকে, সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে এদের মতবাদে বিশ্বাসী লোকজন। সুতরাং কী করতে হবে? এই দু’পক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে অবতীর্ণ হতে হবে। “আমরা একদিকে ইসলামী শক্তি নিয়ে দুশমনের বিরুদ্ধে ময়দানে সংঘাতে অবতীর্ণ হব; অন্যদিকে ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে তা সংশোধনে; জন্য আমাদের মতো করে চেষ্টা করব।”
এরপর ১৯৭১ সালের ১৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে ইসলামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের এক বৈঠক হয়। সেখানে ঢাকা জামায়াতের নাজেম শাহ জালাল চৌধুরী তাদের পলিসি ঘোষণা করেন। সিদ্ধান্ত হয়, কোনো সার্কুলার জারি করা যাবে না, কারণ ‘তা হবে মৃত্যুকে আহ্বান করার শামিল।’ এ সিদ্ধান্তটি উল্লেখযোগ্য। জামায়াত যে পাকিস্তানি বাহিনীর অন্তর্গত হয়ে কাজ করেছিল বা বিভিন্ন বাহিনী তৈরি করেছিল সে সম্পর্কে তারা কাগজে-কলমে খুব কম প্রমাণ রেখেছে। এ বিষয়ে তারা খুব সর্তক ছিল। তাদের কার্যকলাপের প্রধান প্রমাণ তাই তাদের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রাদেশিক শূরার চারজন সদস্য সারা ‘পূর্ব পাকিস্তান সফর’ করে তাদের পলিসি কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেবেন। ১৫ ও ১৬ মার্চ চারজন সফর শুরু করলেন। কর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানালেন। খালেদ লিখেছেন, “এই সফরে কর্মীসমাবেশে ফি আমানিল্লাহ বলা হত। আল্লাহ্র দরবারে আহাজারি করে ইসলাম ও পাকিস্তানের অক্ষুণœতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হত। দোয়া নিয়ে সাথীরা পরস্পরের নিকট থেকে এমনভাবে বিদায় নিত যেন আর কখনো এই দুনিয়ায় পরস্পরের দেখা হবে না।”
ছাত্রসংঘ তৃতীয় বিকল্প বেছে নিয়েছিল অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অনুচরদের হাত থেকে পাকিস্তান রক্ষা। এবং পাকিস্তান রক্ষার জন্য কর্তব্য হচ্ছে পাকিস্তানি শাসক অর্থাৎ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং সর্বত্র প্রচার করা যে, পাকিস্তানকে হেফাজত করাই মূল কাজ। এ কারণেই গণহত্যা শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমির গোলাম আযম সদলে টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন। এবং শান্তি কমিটি, রাজাকার বাহিনী, আলবদর ও আলশামসে জামায়াত ও ছাত্র সংঘ-কর্মীরা দলে দলে যোগদান করে।
এটি ছিল প্রকাশ্য দিক। অপ্রকাশ্য পলিসি ছিল অন্য। তারা ধরে নিয়েছিল, সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগ ও বামধারার দলগুলোকে দমন করে ফেলবে। দেশে রাজনৈতিক শূন্যতা দেখা দেবে। পাকিস্তানপন্থী দলগুলো তখন সুযোগ পাবে সেই শূন্যতা ভরাট করার। সেনাবাহিনী যদি জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা করে তাহলে জামায়াত হয়ে উঠবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাজা হয়ে যাবে তারা। অন্যদিকে রাজকার, শান্তি কমিটির সদস্য এবং আলবদর হয়ে পাকিস্তান রক্ষার নামে বিরোধীদের নিঃশেষ করে দিতে পারবে। (চলবে)
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 26
(137)
- সানি কাহিনী
- বলিউডের তরুণদের আয়ের ফিরিস্তি
- ঢালিউডে ঝড় তুলেছে ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ by বিপুল হাসান
- হেমায়েতপুরে নিখোঁজ ৪ যুবকের পরিবারে বুকফাটা কান্না...
- বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে ভিয়েনায় শোক সমাবেশ
- জোর যার মুল্লুক তার- আইনের তোয়াক্কা করল না অবৈধ দখ...
- ১৫ আগস্ট যথারীতি কেক কাটল বিএনপি
- ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গেলড়ে হার মানলেন মীরসরাইর জনকণ...
- রাজধানীর আশপাশের ৫শ গার্মেন্টসে বেতন বোনাস হয়নি, অ...
- বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্...
- যুদ্ধাপরাধী বিচার ॥ সেপ্টেম্বরে আরও দুই যুদ্ধাপরাধ...
- দীর্ঘ ছুটিতে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আ...
- খুনী নূর চৌধুরীকে চোরা পথে পাসপোর্ট দেয় বিএনপি সরক...
- গোটা রাজধানী এখন ঈদ মার্কেট, দৈনিক বিক্রি হাজার কো...
- জাতীয় শোক দিবসে শিল্পকলায় দিনব্যাপী নানান আয়োজন- স...
- না-গঞ্জে ফ্ল্যাট বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের জবাই করা লাশ...
- সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রথম কিস্তির অর্থ ছ...
- ছোট ছোট কথা, অনন্য শিল্পকর্ম বিচ্ছিন্নতার কষ্ট ভুল...
- দোকান বরাদ্দে ডিএসসিসির মহাদুর্নীতি-প্রতি বর্গফুট ...
- আল বিদা মাহে রমজান by অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম রফিক
- শব-ই-কদরের রাতে নফল নামাজ ইবাদত
- লঞ্চ বাস ট্রেনের ছাদ মানুষে ঠাসা, পথে পথে ভোগান্তি...
- শোকাবহ পরিবেশে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধ...
- ২৪০০০ কোটি টাকা- ঈদ বাজার ঘিরেই গোটা অর্থনীতি আবর্...
- পলাতক খুনীদের ফাঁসি চাই দ্রুত বিচার চাই যুদ্ধাপরাধ...
- শাকিলা জাফরের রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবাম
- মুখে নয় অন্তর দিয়ে ভালোবাসতে হবে by এইচএম আবদুল আলিম
- আন্তর্জাতিক-মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও দক্ষিণ এশিয়া b...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-তর্কপ্রিয় বাঙালি যুক্তিবাদী হবে...
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১১ এবং কিছু ভাবনা by সৈয়দ ম...
- রাজধানী-পরিবহন অব্যবস্থাপনা কবে কমবে by নুরে আলম উ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-নারীনীতি নিয়ে কেন অহেতুক বিতর্ক? b...
- রাস্তা কেটে ধান চাষ-ব্যক্তির লোভের কাছে জিম্মি শিক্ষা
- সৌদি আরবে গৃহকর্মী নিয়োগ-জনশক্তি রফতানি খাতে শুভব...
- বাংলাদেশের মাটিতে অনেক কৃতীর জন্ম by ওয়ালিউল মুক্তা
- শিক্ষা-বিদ্যালয়ে শিখনবান্ধব পরিবেশ by মো. আবুল বাশার
- আন্তর্জাতিক-কোন পথে সিরিয়া by তারেক শামসুর রেহমান
- ঘাটে ঘাটে by আসিফ আহমেদ
- প্রতিবেশী-ভারতের রাজনীতিতে কয়লা ও ময়লা by শেখর গুপ্ত
- সাদাসিধে কথা-মেডিকেল এবং অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষা by...
- বালু উত্তোলন-তথাকথিত বৈধতার দায়
- বাংলাদেশ রেলওয়ে-ভাড়া বাড়লে সেবাও বাড়ূক
- দলে দলে লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়ের সন্ধানে পাশের দেশগ...
- এবার সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মমতার বিষোদ্গার
- ‘পুনর্নির্মিত’ হচ্ছে টাইটানিক
- ইংরেজি ভাষার উৎপত্তিস্থল তুরস্ক!
- অ্যাসাঞ্জকে নিয়ে দ্বন্দ্ব- ইকুয়েডরের প্রতি সমর্থন ...
- বাউফলে ২০০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
- পুরুষের আলট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদন ‘মেয়েলি’
- এক রাতেই ৫০ বাড়ি পদ্মার গর্ভে বিলীন
- বিরামপুর-হিলি স্থলবন্দর সড়ক- অর্থাভাবে পুনর্নির্মা...
- আন্দোলন অন্যদিকে নিতে চায় না বিএনপি: মওদুদ
- মা-বাবার সামনেই বাস কেড়ে নিল শিশুটির প্রাণ
- ভারতে জামিনে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশি চরমপন্থী উধাও
- দৌলতদিয়ায় রাজধানীমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়
- গোধূলির ছায়াপথে- আশি অতিক্রান্তদের নিয়ে স্বপ্ন-কথা...
- শীর্ষসম্মেলন- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন ও বর্তমান বিশ্ব...
- যন্ত্র ব্যবহারে মিতাচারের বিকল্প নেই- অমূল্য আঁধার
- বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনাই প্রত্যাশিত- অত...
- প্রতিরোধের অন্তরায়
- চারদিক- ভুক লাগলে আমি কী করুম by ফারুক আহমেদ
- একনজরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন
- ফুলবাড়ী দিবস- ‘ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়ন না করার পর...
- শিশু মূল প্রতিবেদন- বাল্যবিবাহ হচ্ছেই by মানসুরা...
- মেধার স্বীকৃতি পেলেন তিন তরুণ by নিজাম সিদ্দিকী
- নীল জলরাশি আর হুমায়ূনের স্মৃতির টানে... by গিয়াস...
- পুরোনো চেহারায় ফিরছে নগর by মেখ্যাইউ মারমা
- রাজনীতি: নগর আওয়ামী লীগ- ঐক্যের বার্তা পেয়ে কর্মীর...
- সাগরপারে ঈদ আনন্দ by শিহাব জিশান
- নির্যাতনের শিকার হলে... by নাঈমা আমিন
- পাঠকের প্রশ্ন আইনি পরামর্শ- স্ত্রী মানসিক নির্যাতন...
- আইন কমিশনের প্রস্তাব
- ফৌদারি মামলায় আপস-মীমাংসা by আবদুল্লাহ আল মামুন
- ম্যান্ডেলার নাতি এক ঘণ্টা আটক-শুনানিতে না গিয়ে সুন...
- আপিল করবেন না ব্রেইভিক
- মিসরে সরকার ও বিরোধী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ
- প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে হাইতি
- প্রোফাইল- ইয়ে শিউয়েন
- বছরের পর বছর ধরে বিশ্বমানের স্প্রিন্টারের জন্ম দিয়...
- র ংবে র ং- ওয়াইড বলে বোল্ড!
- তাঁদের চোখে
- লক্ষ্মণ কেন ভেরি ভেরি স্পেশাল
- গবেষণা প্রতিবেদন-হিন্দি ও ইংরেজির উৎপত্তি তুরস্কে!
- 'দক্ষিণ সুদানে হত্যা-ধর্ষণ চালিয়েছে সেনারা'
- রাজস্থানে প্রবল বর্ষণে বন্যা ৩৩ জনের মৃত্যু
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- বৃটিশ ‘সান’র প্রথম পাতায় হ্যারির নগ্ন ছবি
- সম্পর্কের নতুন মোড়ে কেটি পেরি ও প্যাটিনসন by ইশতিয়...
- সেলিম আল দীন উৎসব- ইতিহাস-ঐতিহ্যের মেলবন্ধন
- হেলমেট ব্যবহারে সচেতন করতে পুলিশের তৎপরতা
- সিরিয়ার শরণার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে : জাতিসংঘ
- ইরান-আইএইএ আলোচনা ব্যর্থ-পরমাণু ইস্যু নিয়ে দুই পক্...
- ব্যাপক খাদ্যমন্দার আশঙ্কা-পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস...
- পদ্মা সেতুর ভবিষ্যৎ-বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চূড়ান্ত ফয়...
- খোলামেলাভাবে পর্দায় না আসতে পারায় সানির দুঃখ প্রকাশ
- সাদাসিধে কথা- মেডিকেল এবং অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষা b...
- সরেজমিন ময়মনসিংহ- ‘রাজনৈতিক বাণিজ্য’ নিয়ে আওয়ামী ল...
- বখাটেদের পাকড়াও করতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ
- গ্রামবাসীর মত- লিমনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি কাল্প...
- ঈদে কেমন ছিলেন ছয় তারকা?
- শেখ হাসিনার কাছে হিলারির চিঠি- গ্রামীণ ব্যাংকের স্...
- বিএনপিকে ছাড়াই নির্বাচন করতে চায় আ.লীগ by টিপু স...
- শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য
- ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং
- ডিআইআইটিতে পড়াশোনা
- পড়ার বিষয়ে নতুনত্ব
- উচ্চশিক্ষায় বিষয় নির্বাচন- সায়েন্স, আর্টস না কমার্স
- চিকিৎসক নেতা খুন
- রাজাকাররা মাঠে নেমেছে
- ক্ষমতাধর নারী, ইয়াসমিন হত্যার সতেরো বছর এবং বাস্তব...
- একুশ শতক- বাঙালীরাই বাংলাদেশের ‘আদিবাসী’ অন্যরা উপ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-এই সেই গ্রন্থ তাতে কোনো সন্দেহ নেই
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : ড. ওসমান ফারুক-বর্তমান সরকারের ...
- ভাষাসৈনিক ডা. ননী গোপাল সাহা- শ্রদ্ধাঞ্জলি by রবী...
- ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আজ কোন্ পথে? by প্রদীপ মালাকার
- আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
- চরাচর-বিপন্ন লজ্জাবতী বানর by আলম শাইন
- জবানবন্দি ফুলবাড়ী হত্যাকাণ্ড by এম শামসুল আলম
- ঈদ : আনন্দ, ঝুঁকি, আবেগ ও বাস্তবতা by ওয়াহিদ নবি
- দারিদ্র্যের ফাঁদ ও মুক্তির পথ by এ এম এম শওকত আলী
- হবিগঞ্জের দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে হত ২ আহত ১৫০- দ...
- জিয়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযোদ্ধা হয়েও চেতনা অন্তরে ধারণ...
- পিরোজপুর শহরে আওয়ামী লীগ কর্মীকে জবাই আটক ২
- ইন্দো-বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব সেপ্টেম্বরে ঢাকায়- সংস্...
- মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান সংরক্ষণে কমপ্লেক্স ও স্তম...
- আজ শাহরিয়ার কবির ও মেজবাহুরের সাক্ষ্য- যুদ্ধাপরাধী...
- ১০ সেকেন্ড পালস দেবে না অপারেটরদের ধর্ণা অর্থমন্ত্...
- নাটকে শেকড় সন্ধান, নিজস্ব শিল্পরীতি ॥ উয়ারী বটেশ্ব...
-
▼
Aug 26
(137)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment