Thursday, February 7, 2013
আবার সিন্ডিকেট by কাওসার রহমান
আবার সিন্ডিকেট by কাওসার রহমান
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইসু্য
পণ্যমূল্য। এটা এমন একটি বিষয়, যা সমাজের সবধরনের মানুষকেই নাড়া দেয়। আর
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে সীমিত আয়ের মানুষকে।
এর সঙ্গে
সাধারণ মানুষের পুষ্টি ও মেধা বিকাশের বিষয়টিও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কারণ
পণ্যমূল্য বেড়ে গেলে এই সীমিত আয়ের মানুষের খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়।
ফলে ওই শ্রেণীর মানুষের মধ্যে পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়। এই পুষ্টিহীনতায়
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এদেশের নারী ও শিশুরা। তাই সুস্থ জাতি গঠনে
পণ্যমূল্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা। দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশেও প্রণীত হয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯। এই আইন দিয়ে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও আইন প্রণয়নের ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
নির্বাচনে পণ্যমূল্যের প্রভাব
বর্তমান মহাজোট সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। বাজারের পাগলাঘোড়ার মতো ধাবমান পণ্যমূল্যকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা। নির্বাচন-পূর্ববর্তী বছরে মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট এদেশের সাধারণ মানুষ সেই অঙ্গীকারের প্রতি আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছিল। একচেটিয়া ভোট দিয়েছে মহাজোট সরকারের প্রার্থীদের প্রতীকে। ফলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে বিজয় লাভ করে। নির্বাচনে মহাজোটের পৰে সর্বাত্মক রায় প্রদানের আরও একটি কারণ ছিল ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে সফলতার সঙ্গে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। ওই মেয়াদে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং ১৯৯৮ সালের বন্যার বছর ছাড়া পণ্যমূল্য ছিল মানুষের ক্রয়ৰমতার মধ্যে। মূল্যস্ফীতিও ছিল সহনীয় মাত্রায়। ফলে দেশ ছয় শতাংশের ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সৰম হয়। যে কারণে সাধারণ নির্বাচনে দেশের মানুষের রায় যায় মহাজোটের পৰে। পণ্যমূল্য যে নির্বাচনের রায়কে পাল্টে দিতে পারে তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ ছিল ২০০৯ সালের নির্বাচন।
মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপট
বর্তমানে দেশে যে মূল্যসন্ত্রাস চলছে তার যাত্রা শুরু হয় মূলত ২০০২ সাল থেকে। ২০০১ সালে এক দশমিক চার শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে ২০০২ সালে এক লাফে গড়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় চার দশমিক ৭২ শতাংশে। পরবর্তী বছরগুলোয় এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পায় যথাক্রমে পাঁচ শতাংশ, সাড়ে তিন শতাংশ, ছয় শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ। এ সময় ৰমতায় ছিল জোট সরকার। এই পাঁচ বছরের শেষ বছরে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষের কাছে পণ্যমূল্য যেন ত্রাসে পরিণত হয়েছিল। জোট আমলে পণ্যমূল্যের এই বৃদ্ধির ঘটনা বিশ্ববাজারের চেয়ে অভ্যনত্মরীণ কারণেই বেশি ঘটেছে। মূলত ওই সময়ই বাজার ব্যবস্থায় সৃষ্টি হয় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। ফলে দেশের ভোক্তার বাজার পরিণত হয় ব্যবসায়ীদের বাজারে। উৎপাদক থেকে আমদানিকারক, খুচরা বিক্রেতা থেকে পাইকার সকলেই অস্বাভাবিক মুনাফার দুষ্টচক্রে জড়িয়ে যায়। যার দুর্ভোগ পোহাতে হয় দেশের অতি সাধারণ ও সীমিত আয়ের মানুষকে।
এর পরের দুই বছর পণ্যমূল্য বৃদ্ধির রেকর্ডের বছর। এই দুই বছরে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি দেশের ৩৮ বছরের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যায়। এ সময় পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ৰেত্রে অভ্যনত্মরীণ কারণের সঙ্গে বিশ্ব পরিস্থিতিও স্থানীয় বাজারকে দারম্নণভাবে প্রভাবিত করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে গ্রাস করে। এর প্রভাবে আনত্মর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সঙ্গে সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। তবে ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে দ্বিগুণ তিনগুণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে অভ্যনত্মরীণ বাজারে। এই দুই বছরের প্রথম বছর ২০০৭ সালে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পায় প্রায় ১৯ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছর ২০০৮ সালে বৃদ্ধি পায় সাড়ে ১২ শতাংশ। দুর্ভাগ্যক্রমে এই দুই বছরে দেশের রাষ্ট্রৰমতায় ছিল সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ফলে ছিল না মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকার। তথাকথিত দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে বিপর্যসত্ম হয়ে পড়েছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের চেইন অব কমান্ড। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিডিআরের মাধ্যমে হসত্মৰেপ করেও বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যই চলে যায় মানুষের ক্রয়ৰমাতর বাইরে। মানুষ তার কষ্টার্জিত সঞ্চয় ভেঙ্গে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। এতে এই দুই বছরে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। অথচ বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশের মানুষ নীরবে সহ্য করে যায় মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা।
সিন্ডিকেটের উত্থান
দেশে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ৰেত্রে ব্যবসায়ীদের কারসাজির ঘটনা শুরম্ন হয় ২০০২ সাল থেকে। ওই সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে এক বৈঠকে ব্যবসায়ীরা ঘোষণা দেন, আগের পাঁচ বছর তাঁরা ব্যবসা করতে পারেননি। এখন তাঁরা ব্যবসা করবেন সরকার তাঁদের কিছু বলতে পারবে না। মূলত ওই ঘোষণার পর থেকেই বাজার বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বাড়তে থাকে বিভিন্ন পণ্যের দাম। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি শুরম্ন করে, যা সিন্ডিকেট হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। এই সিন্ডিকেটের ঘটনা বেশি ঘটে আমদানিকারকদের ৰেত্রে। এই ঘটনা প্রকাশিত হয়ে পড়লে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ক্যাব দীর্ঘদিন থেকে এই সিন্ডিকেটের কথা বলে আসছিল। পণ্যমূল্য সংক্রানত্ম সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের এক গবেষণা প্রতিবেদনেও এই সিন্ডিকেটের অসত্মিত্ব আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসে। যদিও ব্যবসায়ীরা বরাবরই অস্বীকার করে আসে ব্যবসায়ীদের মাঝে সিন্ডিকেটের কোন অসত্মিত্ব নেই। সুনির্দিষ্ট আইন না থাকার কারণে সরকারও সিন্ডিকেটের বিরম্নদ্দে কোন ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়। ফলে জোরালো দাবি উঠে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন প্রণয়নের।
সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির ধারা পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় সেই সিন্ডিকেট আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যে কারণে আনত্মর্জাতিক মূল্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দামে বাজারে আটা ডাল আদা রসুন প্রভৃতি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। এই মূল্য বৃদ্ধির পেছনে যে সিন্ডিকেট দায়ী তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে অর্থমন্ত্রীর কথায়। তিনি ব্যবসায়ীদের এক সেমিনারে অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরাসরি ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ তথা সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন। বলেছেন, 'বর্তমান বাজার দরের কোন যৌক্তিকতা নেই। একটি একচেটিয়া চক্র বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। উন্নত দেশগুলোয়ও মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু আছে। কিন্তু বিশ্বের কোন দেশেই সকাল বিকালে কোন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায় না। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রত্যৰ প্রমাণ পাওয়া যায় বাজারে গেলেই। চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরের আট মাসে বাজারে পণ্যমূল্য বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি, যাতে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির প্রচ- চাপ সৃষ্টি হয়েছে_ যা শুধু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকেই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে না, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য হুমকি হয়েও দাঁড়িয়েছে।
মহাজোট সরকার ৰমতায় আসার পর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা পর্দার আড়ালে চলে গিয়েছিল। তারা সরকারের ৰমতা পর্যবেৰণ করছিল। এ কারণে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে পণ্যমূল্য কমতে শুরম্ন করে। এর প্রভাবে কমতে থাকে মূল্যস্ফীতিও। কিন্তু পরিস্থিতি আবার উল্টে যায় জুন মাস থেকে। যখন তারা বুঝতে পারে সিন্ডিকেটের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ৰমতা সরকারের নেই, তখনই তারা পর্দার আড়াল থেকে আবার বেরিয়ে আসে। রোজাকে সামনে রেখে পণ্যমূল্য বাড়াতে থাকে। বাজার আবার বেপরোয়া হয়ে ওঠে। মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বর্তমানে বেড়ে চলেছে আবার মূল্যস্ফীতিও; বিশেষ করে সমপ্রতি চালের মূল্যবৃদ্ধিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বিপজ্জনক অবস্থায় চলে গেছে। খাদ্যশস্যের ভাল ফলন এবং বিপুল পরিমাণ চালের মজুদ সত্ত্বেও চালের এই মূল্যবৃদ্ধি সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের মন্ত্রীরাই বলছেন বাজারে সিন্ডিকেট আছে। আর ওই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার দায়িত্বও সরকারের। সরকারের উচিত দোষারোপ না করে অবিলম্বে সিন্ডিকেট ভাঙ্গার ব্যবস্থা নেয়া। এজন্য অন্য কোন আইন না থাকলেও সরকারের হাতে বিশেষ ৰমতা আইন রয়েছে। বিশেষ ৰমতা আইন দিয়েই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার অভিযান শুরম্ন করা উচিত। আর এটা করলে বহু বিতর্কিত এই বিশেষ ৰমতা আইনটির ভাল কাজে ব্যবহারের নজির সৃষ্টি হবে।
মহাজোট সরকারের এক বছর
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার মধ্যে নিয়ে আসার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করে। ইতোমধ্যে সরকারের এক বছর অতিক্রম হয়েছে। এই এক বছরে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার পালস্নাই ভারি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্যের রাস টেনে ধরা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি আগের রেকর্ডকেও হার মানিয়েছে। চাল, ডাল, তেল আদা, রসুন পিঁয়াজ, মাছ, মাংস_ সবই সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার বাইরে চলে গেছে। চড়া পণ্যমূল্যের ভোগানত্মির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। উর্ধমুখী মূল্যের ধারা সামলাতে তারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।
কনজুমারস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পণ্যমূল্য সংক্রানত্ম পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এ সরকারের এক বছরে অর্থাৎ ২০০৯ সালে দেশে পণ্যমূল্য বেড়েছে সাত শতাংশ। এই বৃদ্ধি আগের বছরের সাড়ে ১২ শতাংশ বৃদ্ধির অতিরিক্ত। আর ওই বছরের জুলাই থেকে ফেব্রম্নয়ারি পর্যনত্ম সময় পণ্যমূল্য বৃদ্ধি অতীতের সকল হিসাব নিকাশকে ছাড়িয়ে গেছে। এই আট মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৪ শতাংশ বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। মসলার মধ্যে রসুনের দাম বেড়েছে ১৫০ শতাংশ আর হলুদের দাম বেড়েছে ১২৭ শতাংশ। মূল্যবৃদ্ধির ৰেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গুড় ও চিনির দাম। বাজারে চিনির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে গুড়ের দাম। গত আট মাসে এ দু'টি পণ্যের মূল্য বেড়েছে গড়ে ৪২ শতাংশ। গত আট মাসে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় তৃতীয় যে পণ্যটি রয়েছে তা হচ্ছে চাল। ওই সময়ে বাজারে চালের দাম বেড়েছে গড়ে ২৮ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রকার চালের ১৮ থেকে ৪৭ শতাংশ পর্যনত্ম মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এছাড়া বেড়েছে চায়ের দাম ২০ শতাংশ, ডালের দাম সাড়ে ১২ শতাংশ এবং ভোজ্যতেলের দাম তিন শতাংশেরও বেশি।
চালের বাজারের অস্থিরতার নেপথ্যে?
মানুষের প্রধান খাদ্য চালের দাম এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার বাইরে। বাজারে মোটা চালই বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা দরে। আর মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে। গত এক বছরে মোটা চালের দাম বেড়েছে ছয় শতাংশ। চালের এই মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছে সীমিত আয়ের মানুষ। মূল্য নিয়ন্ত্রণে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রম কোন কাজে আসছে না। গত মৌসুমে বোরোতে বাম্পার ফলন হয়। রেকর্ড পরিমাণ এক কোটি ৮০ লাখ টন চাল আকারে বোরো ফসল উৎপাদিত হয়েছে। এরপর সদ্য মাড়াই করা আমন ধানের বাম্পার ফলন। কৃষিমন্ত্রীর হিসাব অনুযায়ী, বহু বছর পর আমন উৎপাদন এক কোটি ৩০ লাখ টন পেরিয়েছে। বাজারে রয়েছে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহও। তাহলে চালের দাম বাড়ছে কেন?
অনুসন্ধান থেকে দেখা যায়, চালের দাম বাড়ছে শুধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে। গত বছর বাম্পার ফলনের কারণে চাল থেকে বেশি ব্যবসা করতে পারেনি। এবার সেটা পুষিয়ে নিচ্ছে চাল ব্যবসায়ীরা। কৃত্রিম উপায়ে চালের দাম বৃদ্ধি করে তারা সরকারের চোখের সামনেই দেশের সাধারণ মানুষের পকেট কেটে চলেছে।
চালের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা শুরম্ন হয়েছে গত নবেম্বর মাস থেকে। গত নবেম্বর মাসের শেষ দিকে হঠাৎ করেই চালের দাম বাড়তে শুরম্ন করে এবং জানুয়ারি মাস পর্যনত্ম অব্যাহত থাকে। এই দুই মাসে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ছয় থেকে ১০ টাকা পর্যনত্ম। চাল ব্যবসায়ীরা মূলত শীতের কুয়াশাকে অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়াতে থাকে। কুয়াশা চলে গেলেও সেই মূল্যবৃদ্ধি এখনও আছে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) শুরম্ন করেছে। ঢাকা ও তার আশেপাশের এলাকায় ২২ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু তার প্রভাব বাজারে নেই।
এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে ধানের সরবরাহ কমে গেছে। ভারতে ধানের উৎপাদন কম হয়েছে। বিশ্ববাজারে বেড়েছে চালের দাম। এ খবর জানতে বাকি নেই চাল ব্যবসায়ীদের। বাজারে চালের দাম আরও বাড়বে, এ আশায় ব্যবসায়ীরা প্রচুর পরিমাণ ধান মজুদ করে রেখেছে। প্রতিটি চাল ব্যবসায়ীই স্ব স্ব সামর্থ্য অনুযায়ী ধান-চাল মজুদ করছে। নিয়মিত চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এবার যোগ দিয়েছে অনিয়মিত মজুদদাররাও। যার কাছে যত টাকা আছে তা দিয়ে ধান কিনে মজুদ করে রাখছে। এতে বাজারে ধানের সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়ে বেড়েছে ধান ও চালের দাম।
ছোট চাষীদের ঘরে এখন আর কোন ধান নেই। ছোট চাষীরা বোরো আবাদের আগে খোরাকি রেখে ধান বিক্রি করে দেয়। ধান বিক্রির টাকা দিয়ে আবাদ করে বোরো ধান। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ফলে সব ধান এখন চলে গেছে বড় কৃষক ও চাল ব্যবসায়ীদের কব্জায়। বড় কৃষক নিজের উৎপাদিত ধানের পাশাপাশি বাজার থেকে মৌসুমে কম দামে ধান কিনে মজুদ করে রেখেছে। ব্যবসায়ীদের প্রকার ভেদে এক একজন মজুদদারের কাছে পাঁচ শ' টন থেকে দুই হাজার টন পর্যনত্ম ধান-চালের মজুদ রয়েছে। চালকল মালিকরা বাজার থেকে ধান কিনে চাল বানিয়ে মজুদ করে রেখেছে। আর আড়তদাররা মিলারদের কাছ থেকে চাল কিনে মজুদ করেছে।
চাল ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের গুদামে হাজার হাজার বসত্মা ধান-চাল থরে থরে সাজানো রয়েছে। এসব ধান-চাল গুদামে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গুদামগুলোয় মালিকরা বসিয়েছে কড়া পাহারা। চালকলগুলোর আশপাশের লোকজন জানায়, এবার আমন উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে চাল ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে কিনে গুদামে নিয়ে মজুদ করেছে। তাদের কাছে গত বোরো মৌসুমের হাজার হাজার টন ধানও এখন পর্যনত্ম মজুদ রয়েছে। গত বোরো মৌসুমের কেনা ধানের দাম ছিল গড়ে ৪৫০ টাকা। এবার আমন মৌসুমের ধানের দাম পড়েছে মণপ্রতি ৪৯০ টাকা।
পর পর দু'টি বাম্পার ফলনের পর বর্তমানে চালের বাজারে যে অস্থিরতা চলছে তা অস্বাভাবিক। এই অস্থিরতার পেছনে কাজ করেছে চালের দাম বাড়বে এই গুজব এবং বেপরোয়া মজুদদারী। এবার নিয়মিত চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরাও। মূলত বড় কৃষক, চালকল মালিক এবং মৌসুমী ব্যবসায়ী এই তিন চক্রের কারণেই চালের বাজারে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। বোরো ধান না ওঠা পর্যনত্ম চালের বাজারের এই অস্থিরতা কমবে বলে মনে হয় না।
বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থা
বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থা কোন অর্থনীতির কোন নিয়ম অনুসরণ করে চলছে না। এর মূল সমস্যা হচ্ছে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নেই। এ কারণেই যখন-তখন পণ্যমূল্য বাড়ছে। মুক্তবাজারের রীতিনীতি অনুযায়ী বাজার মূল্য নির্ধারণ করে না। এদেশের বাজারের মূল্য নির্ধারিত হয় ব্যবসায়ীদের যোগসাজশের মাধ্যমে। আর এ কারণেই এখানে সকাল-বিকাল পণ্যের দাম বাড়তে দেখা যায়। এখানে আনত্মর্জাতিক বাজারে পণ্য মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাজারে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু আনত্মর্জাতিক বাজারে মূল্য পড়ে গেলে তার কোন প্রতিফলন ঘটে না বাজারে।
মুক্তবাজার সৃষ্টিই হয়েছে ভোক্তাদের স্বার্থের জন্য। নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থাকলে বাজারে কোন প্রতিযোগিতা থাকে না। ফলে ভোক্তারাও তার সুফল পায় না। মুক্তবাজারের অর্থই হলো প্রতিযোগিতা সৃষ্টি। যাতে প্রতিযোগিতার কারণে কম দামে ভোক্তারা ভাল পণ্য ক্রয় করতে পারে। অর্থাৎ মুক্তবাজার মানেই ভোক্তার বাজার এবং ভোক্তারাই বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে। আর বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গে সরকার হসত্মৰেপ করবে।
আমাদের দেশে এর উল্টো চিত্র। এখানে বাজার হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এখানে ভোক্তারা অসহায়। সরকারও নীরব দর্শক। ব্যবসায়ীরা যে দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে সে দামেই পণ্য বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সরকারের কোন হসত্মৰেপ নেই, নেই কোন কার্যকর পর্যবেৰণ। ফলে যখন-তখন বাজার বেসামাল হয়ে পড়ছে। আর তার দায় পোহাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।
বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা আইন
দীর্ঘ ১৫ বছর পর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন প্রণয়ন করেছে। জাতীয় সংসদের অনুমোদনের পর ২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করেছে। এটি আইনে পরিণত হওয়ার পর ১১ মাস পেরিয়ে গেছে কিন্তু এখন পর্যনত্ম এটি কার্যকর হয়নি। যদিও এই আইন দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ এই আইনে পণ্যমূল্যের কোন কথা নেই। আছে সেবার কথা, আর আছে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং মোড়কের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরামূল্য লিপিবদ্ধ করার কথা। আরও আছে ধার্যকৃত মূল্যের অধিক দামে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করলে শাসত্মির বিধানের কথা। এগুলো করা না হলে অনুর্ধ এক বছর বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয়দ-ে দ-িত করা হবে। এখন প্রশ্ন হলো মূল্যটা কে ধার্য করবে? ব্যবসায়ীরা তো ইচ্ছেমতো সকাল-বিকাল দাম ধার্য করে পণ্য বিক্রি করছে। এর কোন শাসত্মির বিধান আইনে নেই। অর্থাৎ বাজারে যখন-তখন পণ্য মূল্য বেড়ে গেলে তা রোধের কোন ব্যবস্থা আইনে নেই। তাহলে এ আইনের মাধ্যমে সরকার কিভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে?
আসলে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি একটি খোঁড়া আইন। কারণ এই আইনের সংজ্ঞায় পণ্যমূল্যের কোন কথা নেই। এত দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রণয়ন করা হলেও এই আইনটি বাজার নিয়ন্ত্রণে কোন কাজেই আসবে না। বাড়িভাড়া ও সেবার ৰেত্রেও একই অবস্থা। বাড়িভাড়া নির্ধারণের জন্য আইন আছে, তার কার্যকারিতা নেই। পাবলিক পরিবহনের ৰেত্রে মিটারে কেউ যায় না, কোন রম্নটেই বাস ভাড়ার মূল্য তালিকা মানা হয় না। একই পরিনতি হবে এই আইনের ৰেত্রেও।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারেই আছে ভোক্তার স্বার্থে মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপৰ গড়ে তোলা হবে। অথচ এই আইন দিয়ে কোনভাবেই ভোক্তার স্বার্থ সংরৰণ হবে না। তার ওপর ১১ মাস হয়ে গেলে আইনটির এখনও কোন প্রয়োগ নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে ১৫ মার্চ থেকে আইনটি কার্যকরের। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে আইনটি প্রয়োগের জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন তা এখন পর্যনত্ম দৃশ্যমান হচ্ছে না। কারণ এখন পর্যনত্ম আইনের বিধিগুলোই অনুমোদন করা হয়নি।
সুপারিশ
১। বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য অবিলম্বে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন ২০০৯ বাসত্মবায়ন করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন কিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আইনটিকে ভোক্তাবান্ধব করা। ২। বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নেই। ছোট ছোট আমদানিকারক তৈরির মাধ্যমে বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা। ৩। মূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুদদারির মতো প্রচেষ্টা বন্ধে আইনী কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। ৪। বাজার নিয়ন্ত্রণকারী অসাধু সংঘবদ্ধ ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেট রোধে প্রতিযোগিতামূলক আইন ও নীতি প্রণয়ন। ওই আইন প্রণয়নের আগে বিশেষ ৰমতা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া। ৫। নিয়মিত দেশীয় ও আনত্মর্জাতিক বাজার পর্যবেৰণ করা এবং সে অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৬। সরকারী সহযোগিতার মাধ্যমে ছোট আমদানিকারকদের পণ্য আমদানিতে উৎসাহিত করা। ৭। দেশের ভেতরে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা। ৮। দ্রম্নত সংস্কারের মাধ্যমে টিসিবিকে কার্যকর করা। ৯। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ। এবং
১০। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা। দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশেও প্রণীত হয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯। এই আইন দিয়ে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও আইন প্রণয়নের ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
নির্বাচনে পণ্যমূল্যের প্রভাব
বর্তমান মহাজোট সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। বাজারের পাগলাঘোড়ার মতো ধাবমান পণ্যমূল্যকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা। নির্বাচন-পূর্ববর্তী বছরে মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট এদেশের সাধারণ মানুষ সেই অঙ্গীকারের প্রতি আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছিল। একচেটিয়া ভোট দিয়েছে মহাজোট সরকারের প্রার্থীদের প্রতীকে। ফলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে বিজয় লাভ করে। নির্বাচনে মহাজোটের পৰে সর্বাত্মক রায় প্রদানের আরও একটি কারণ ছিল ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে সফলতার সঙ্গে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। ওই মেয়াদে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং ১৯৯৮ সালের বন্যার বছর ছাড়া পণ্যমূল্য ছিল মানুষের ক্রয়ৰমতার মধ্যে। মূল্যস্ফীতিও ছিল সহনীয় মাত্রায়। ফলে দেশ ছয় শতাংশের ওপর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সৰম হয়। যে কারণে সাধারণ নির্বাচনে দেশের মানুষের রায় যায় মহাজোটের পৰে। পণ্যমূল্য যে নির্বাচনের রায়কে পাল্টে দিতে পারে তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ ছিল ২০০৯ সালের নির্বাচন।
মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপট
বর্তমানে দেশে যে মূল্যসন্ত্রাস চলছে তার যাত্রা শুরু হয় মূলত ২০০২ সাল থেকে। ২০০১ সালে এক দশমিক চার শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে ২০০২ সালে এক লাফে গড়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় চার দশমিক ৭২ শতাংশে। পরবর্তী বছরগুলোয় এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পায় যথাক্রমে পাঁচ শতাংশ, সাড়ে তিন শতাংশ, ছয় শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ। এ সময় ৰমতায় ছিল জোট সরকার। এই পাঁচ বছরের শেষ বছরে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষের কাছে পণ্যমূল্য যেন ত্রাসে পরিণত হয়েছিল। জোট আমলে পণ্যমূল্যের এই বৃদ্ধির ঘটনা বিশ্ববাজারের চেয়ে অভ্যনত্মরীণ কারণেই বেশি ঘটেছে। মূলত ওই সময়ই বাজার ব্যবস্থায় সৃষ্টি হয় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। ফলে দেশের ভোক্তার বাজার পরিণত হয় ব্যবসায়ীদের বাজারে। উৎপাদক থেকে আমদানিকারক, খুচরা বিক্রেতা থেকে পাইকার সকলেই অস্বাভাবিক মুনাফার দুষ্টচক্রে জড়িয়ে যায়। যার দুর্ভোগ পোহাতে হয় দেশের অতি সাধারণ ও সীমিত আয়ের মানুষকে।
এর পরের দুই বছর পণ্যমূল্য বৃদ্ধির রেকর্ডের বছর। এই দুই বছরে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি দেশের ৩৮ বছরের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যায়। এ সময় পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ৰেত্রে অভ্যনত্মরীণ কারণের সঙ্গে বিশ্ব পরিস্থিতিও স্থানীয় বাজারকে দারম্নণভাবে প্রভাবিত করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে গ্রাস করে। এর প্রভাবে আনত্মর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সঙ্গে সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। তবে ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে দ্বিগুণ তিনগুণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে অভ্যনত্মরীণ বাজারে। এই দুই বছরের প্রথম বছর ২০০৭ সালে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পায় প্রায় ১৯ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছর ২০০৮ সালে বৃদ্ধি পায় সাড়ে ১২ শতাংশ। দুর্ভাগ্যক্রমে এই দুই বছরে দেশের রাষ্ট্রৰমতায় ছিল সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ফলে ছিল না মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকার। তথাকথিত দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে বিপর্যসত্ম হয়ে পড়েছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের চেইন অব কমান্ড। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিডিআরের মাধ্যমে হসত্মৰেপ করেও বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যই চলে যায় মানুষের ক্রয়ৰমাতর বাইরে। মানুষ তার কষ্টার্জিত সঞ্চয় ভেঙ্গে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। এতে এই দুই বছরে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। অথচ বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশের মানুষ নীরবে সহ্য করে যায় মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা।
সিন্ডিকেটের উত্থান
দেশে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ৰেত্রে ব্যবসায়ীদের কারসাজির ঘটনা শুরম্ন হয় ২০০২ সাল থেকে। ওই সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে এক বৈঠকে ব্যবসায়ীরা ঘোষণা দেন, আগের পাঁচ বছর তাঁরা ব্যবসা করতে পারেননি। এখন তাঁরা ব্যবসা করবেন সরকার তাঁদের কিছু বলতে পারবে না। মূলত ওই ঘোষণার পর থেকেই বাজার বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বাড়তে থাকে বিভিন্ন পণ্যের দাম। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি শুরম্ন করে, যা সিন্ডিকেট হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। এই সিন্ডিকেটের ঘটনা বেশি ঘটে আমদানিকারকদের ৰেত্রে। এই ঘটনা প্রকাশিত হয়ে পড়লে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ক্যাব দীর্ঘদিন থেকে এই সিন্ডিকেটের কথা বলে আসছিল। পণ্যমূল্য সংক্রানত্ম সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের এক গবেষণা প্রতিবেদনেও এই সিন্ডিকেটের অসত্মিত্ব আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসে। যদিও ব্যবসায়ীরা বরাবরই অস্বীকার করে আসে ব্যবসায়ীদের মাঝে সিন্ডিকেটের কোন অসত্মিত্ব নেই। সুনির্দিষ্ট আইন না থাকার কারণে সরকারও সিন্ডিকেটের বিরম্নদ্দে কোন ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়। ফলে জোরালো দাবি উঠে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন প্রণয়নের।
সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির ধারা পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় সেই সিন্ডিকেট আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যে কারণে আনত্মর্জাতিক মূল্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দামে বাজারে আটা ডাল আদা রসুন প্রভৃতি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। এই মূল্য বৃদ্ধির পেছনে যে সিন্ডিকেট দায়ী তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে অর্থমন্ত্রীর কথায়। তিনি ব্যবসায়ীদের এক সেমিনারে অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরাসরি ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ তথা সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন। বলেছেন, 'বর্তমান বাজার দরের কোন যৌক্তিকতা নেই। একটি একচেটিয়া চক্র বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। উন্নত দেশগুলোয়ও মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু আছে। কিন্তু বিশ্বের কোন দেশেই সকাল বিকালে কোন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায় না। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রত্যৰ প্রমাণ পাওয়া যায় বাজারে গেলেই। চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরের আট মাসে বাজারে পণ্যমূল্য বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি, যাতে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির প্রচ- চাপ সৃষ্টি হয়েছে_ যা শুধু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগকেই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে না, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য হুমকি হয়েও দাঁড়িয়েছে।
মহাজোট সরকার ৰমতায় আসার পর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা পর্দার আড়ালে চলে গিয়েছিল। তারা সরকারের ৰমতা পর্যবেৰণ করছিল। এ কারণে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে পণ্যমূল্য কমতে শুরম্ন করে। এর প্রভাবে কমতে থাকে মূল্যস্ফীতিও। কিন্তু পরিস্থিতি আবার উল্টে যায় জুন মাস থেকে। যখন তারা বুঝতে পারে সিন্ডিকেটের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ৰমতা সরকারের নেই, তখনই তারা পর্দার আড়াল থেকে আবার বেরিয়ে আসে। রোজাকে সামনে রেখে পণ্যমূল্য বাড়াতে থাকে। বাজার আবার বেপরোয়া হয়ে ওঠে। মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বর্তমানে বেড়ে চলেছে আবার মূল্যস্ফীতিও; বিশেষ করে সমপ্রতি চালের মূল্যবৃদ্ধিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বিপজ্জনক অবস্থায় চলে গেছে। খাদ্যশস্যের ভাল ফলন এবং বিপুল পরিমাণ চালের মজুদ সত্ত্বেও চালের এই মূল্যবৃদ্ধি সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের মন্ত্রীরাই বলছেন বাজারে সিন্ডিকেট আছে। আর ওই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার দায়িত্বও সরকারের। সরকারের উচিত দোষারোপ না করে অবিলম্বে সিন্ডিকেট ভাঙ্গার ব্যবস্থা নেয়া। এজন্য অন্য কোন আইন না থাকলেও সরকারের হাতে বিশেষ ৰমতা আইন রয়েছে। বিশেষ ৰমতা আইন দিয়েই সিন্ডিকেট ভাঙ্গার অভিযান শুরম্ন করা উচিত। আর এটা করলে বহু বিতর্কিত এই বিশেষ ৰমতা আইনটির ভাল কাজে ব্যবহারের নজির সৃষ্টি হবে।
মহাজোট সরকারের এক বছর
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার মধ্যে নিয়ে আসার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করে। ইতোমধ্যে সরকারের এক বছর অতিক্রম হয়েছে। এই এক বছরে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার পালস্নাই ভারি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্যের রাস টেনে ধরা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি আগের রেকর্ডকেও হার মানিয়েছে। চাল, ডাল, তেল আদা, রসুন পিঁয়াজ, মাছ, মাংস_ সবই সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার বাইরে চলে গেছে। চড়া পণ্যমূল্যের ভোগানত্মির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। উর্ধমুখী মূল্যের ধারা সামলাতে তারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।
কনজুমারস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পণ্যমূল্য সংক্রানত্ম পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এ সরকারের এক বছরে অর্থাৎ ২০০৯ সালে দেশে পণ্যমূল্য বেড়েছে সাত শতাংশ। এই বৃদ্ধি আগের বছরের সাড়ে ১২ শতাংশ বৃদ্ধির অতিরিক্ত। আর ওই বছরের জুলাই থেকে ফেব্রম্নয়ারি পর্যনত্ম সময় পণ্যমূল্য বৃদ্ধি অতীতের সকল হিসাব নিকাশকে ছাড়িয়ে গেছে। এই আট মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৪ শতাংশ বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। মসলার মধ্যে রসুনের দাম বেড়েছে ১৫০ শতাংশ আর হলুদের দাম বেড়েছে ১২৭ শতাংশ। মূল্যবৃদ্ধির ৰেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গুড় ও চিনির দাম। বাজারে চিনির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে গুড়ের দাম। গত আট মাসে এ দু'টি পণ্যের মূল্য বেড়েছে গড়ে ৪২ শতাংশ। গত আট মাসে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় তৃতীয় যে পণ্যটি রয়েছে তা হচ্ছে চাল। ওই সময়ে বাজারে চালের দাম বেড়েছে গড়ে ২৮ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রকার চালের ১৮ থেকে ৪৭ শতাংশ পর্যনত্ম মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এছাড়া বেড়েছে চায়ের দাম ২০ শতাংশ, ডালের দাম সাড়ে ১২ শতাংশ এবং ভোজ্যতেলের দাম তিন শতাংশেরও বেশি।
চালের বাজারের অস্থিরতার নেপথ্যে?
মানুষের প্রধান খাদ্য চালের দাম এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ৰমতার বাইরে। বাজারে মোটা চালই বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা দরে। আর মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে। গত এক বছরে মোটা চালের দাম বেড়েছে ছয় শতাংশ। চালের এই মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছে সীমিত আয়ের মানুষ। মূল্য নিয়ন্ত্রণে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রম কোন কাজে আসছে না। গত মৌসুমে বোরোতে বাম্পার ফলন হয়। রেকর্ড পরিমাণ এক কোটি ৮০ লাখ টন চাল আকারে বোরো ফসল উৎপাদিত হয়েছে। এরপর সদ্য মাড়াই করা আমন ধানের বাম্পার ফলন। কৃষিমন্ত্রীর হিসাব অনুযায়ী, বহু বছর পর আমন উৎপাদন এক কোটি ৩০ লাখ টন পেরিয়েছে। বাজারে রয়েছে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহও। তাহলে চালের দাম বাড়ছে কেন?
অনুসন্ধান থেকে দেখা যায়, চালের দাম বাড়ছে শুধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে। গত বছর বাম্পার ফলনের কারণে চাল থেকে বেশি ব্যবসা করতে পারেনি। এবার সেটা পুষিয়ে নিচ্ছে চাল ব্যবসায়ীরা। কৃত্রিম উপায়ে চালের দাম বৃদ্ধি করে তারা সরকারের চোখের সামনেই দেশের সাধারণ মানুষের পকেট কেটে চলেছে।
চালের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা শুরম্ন হয়েছে গত নবেম্বর মাস থেকে। গত নবেম্বর মাসের শেষ দিকে হঠাৎ করেই চালের দাম বাড়তে শুরম্ন করে এবং জানুয়ারি মাস পর্যনত্ম অব্যাহত থাকে। এই দুই মাসে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ছয় থেকে ১০ টাকা পর্যনত্ম। চাল ব্যবসায়ীরা মূলত শীতের কুয়াশাকে অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়াতে থাকে। কুয়াশা চলে গেলেও সেই মূল্যবৃদ্ধি এখনও আছে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) শুরম্ন করেছে। ঢাকা ও তার আশেপাশের এলাকায় ২২ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু তার প্রভাব বাজারে নেই।
এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে ধানের সরবরাহ কমে গেছে। ভারতে ধানের উৎপাদন কম হয়েছে। বিশ্ববাজারে বেড়েছে চালের দাম। এ খবর জানতে বাকি নেই চাল ব্যবসায়ীদের। বাজারে চালের দাম আরও বাড়বে, এ আশায় ব্যবসায়ীরা প্রচুর পরিমাণ ধান মজুদ করে রেখেছে। প্রতিটি চাল ব্যবসায়ীই স্ব স্ব সামর্থ্য অনুযায়ী ধান-চাল মজুদ করছে। নিয়মিত চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এবার যোগ দিয়েছে অনিয়মিত মজুদদাররাও। যার কাছে যত টাকা আছে তা দিয়ে ধান কিনে মজুদ করে রাখছে। এতে বাজারে ধানের সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়ে বেড়েছে ধান ও চালের দাম।
ছোট চাষীদের ঘরে এখন আর কোন ধান নেই। ছোট চাষীরা বোরো আবাদের আগে খোরাকি রেখে ধান বিক্রি করে দেয়। ধান বিক্রির টাকা দিয়ে আবাদ করে বোরো ধান। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ফলে সব ধান এখন চলে গেছে বড় কৃষক ও চাল ব্যবসায়ীদের কব্জায়। বড় কৃষক নিজের উৎপাদিত ধানের পাশাপাশি বাজার থেকে মৌসুমে কম দামে ধান কিনে মজুদ করে রেখেছে। ব্যবসায়ীদের প্রকার ভেদে এক একজন মজুদদারের কাছে পাঁচ শ' টন থেকে দুই হাজার টন পর্যনত্ম ধান-চালের মজুদ রয়েছে। চালকল মালিকরা বাজার থেকে ধান কিনে চাল বানিয়ে মজুদ করে রেখেছে। আর আড়তদাররা মিলারদের কাছ থেকে চাল কিনে মজুদ করেছে।
চাল ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের গুদামে হাজার হাজার বসত্মা ধান-চাল থরে থরে সাজানো রয়েছে। এসব ধান-চাল গুদামে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গুদামগুলোয় মালিকরা বসিয়েছে কড়া পাহারা। চালকলগুলোর আশপাশের লোকজন জানায়, এবার আমন উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে চাল ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে কিনে গুদামে নিয়ে মজুদ করেছে। তাদের কাছে গত বোরো মৌসুমের হাজার হাজার টন ধানও এখন পর্যনত্ম মজুদ রয়েছে। গত বোরো মৌসুমের কেনা ধানের দাম ছিল গড়ে ৪৫০ টাকা। এবার আমন মৌসুমের ধানের দাম পড়েছে মণপ্রতি ৪৯০ টাকা।
পর পর দু'টি বাম্পার ফলনের পর বর্তমানে চালের বাজারে যে অস্থিরতা চলছে তা অস্বাভাবিক। এই অস্থিরতার পেছনে কাজ করেছে চালের দাম বাড়বে এই গুজব এবং বেপরোয়া মজুদদারী। এবার নিয়মিত চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরাও। মূলত বড় কৃষক, চালকল মালিক এবং মৌসুমী ব্যবসায়ী এই তিন চক্রের কারণেই চালের বাজারে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। বোরো ধান না ওঠা পর্যনত্ম চালের বাজারের এই অস্থিরতা কমবে বলে মনে হয় না।
বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থা
বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থা কোন অর্থনীতির কোন নিয়ম অনুসরণ করে চলছে না। এর মূল সমস্যা হচ্ছে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নেই। এ কারণেই যখন-তখন পণ্যমূল্য বাড়ছে। মুক্তবাজারের রীতিনীতি অনুযায়ী বাজার মূল্য নির্ধারণ করে না। এদেশের বাজারের মূল্য নির্ধারিত হয় ব্যবসায়ীদের যোগসাজশের মাধ্যমে। আর এ কারণেই এখানে সকাল-বিকাল পণ্যের দাম বাড়তে দেখা যায়। এখানে আনত্মর্জাতিক বাজারে পণ্য মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাজারে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু আনত্মর্জাতিক বাজারে মূল্য পড়ে গেলে তার কোন প্রতিফলন ঘটে না বাজারে।
মুক্তবাজার সৃষ্টিই হয়েছে ভোক্তাদের স্বার্থের জন্য। নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থাকলে বাজারে কোন প্রতিযোগিতা থাকে না। ফলে ভোক্তারাও তার সুফল পায় না। মুক্তবাজারের অর্থই হলো প্রতিযোগিতা সৃষ্টি। যাতে প্রতিযোগিতার কারণে কম দামে ভোক্তারা ভাল পণ্য ক্রয় করতে পারে। অর্থাৎ মুক্তবাজার মানেই ভোক্তার বাজার এবং ভোক্তারাই বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে। আর বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গে সরকার হসত্মৰেপ করবে।
আমাদের দেশে এর উল্টো চিত্র। এখানে বাজার হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এখানে ভোক্তারা অসহায়। সরকারও নীরব দর্শক। ব্যবসায়ীরা যে দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে সে দামেই পণ্য বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সরকারের কোন হসত্মৰেপ নেই, নেই কোন কার্যকর পর্যবেৰণ। ফলে যখন-তখন বাজার বেসামাল হয়ে পড়ছে। আর তার দায় পোহাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।
বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা আইন
দীর্ঘ ১৫ বছর পর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন প্রণয়ন করেছে। জাতীয় সংসদের অনুমোদনের পর ২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করেছে। এটি আইনে পরিণত হওয়ার পর ১১ মাস পেরিয়ে গেছে কিন্তু এখন পর্যনত্ম এটি কার্যকর হয়নি। যদিও এই আইন দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ এই আইনে পণ্যমূল্যের কোন কথা নেই। আছে সেবার কথা, আর আছে মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং মোড়কের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরামূল্য লিপিবদ্ধ করার কথা। আরও আছে ধার্যকৃত মূল্যের অধিক দামে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করলে শাসত্মির বিধানের কথা। এগুলো করা না হলে অনুর্ধ এক বছর বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয়দ-ে দ-িত করা হবে। এখন প্রশ্ন হলো মূল্যটা কে ধার্য করবে? ব্যবসায়ীরা তো ইচ্ছেমতো সকাল-বিকাল দাম ধার্য করে পণ্য বিক্রি করছে। এর কোন শাসত্মির বিধান আইনে নেই। অর্থাৎ বাজারে যখন-তখন পণ্য মূল্য বেড়ে গেলে তা রোধের কোন ব্যবস্থা আইনে নেই। তাহলে এ আইনের মাধ্যমে সরকার কিভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে?
আসলে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি একটি খোঁড়া আইন। কারণ এই আইনের সংজ্ঞায় পণ্যমূল্যের কোন কথা নেই। এত দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রণয়ন করা হলেও এই আইনটি বাজার নিয়ন্ত্রণে কোন কাজেই আসবে না। বাড়িভাড়া ও সেবার ৰেত্রেও একই অবস্থা। বাড়িভাড়া নির্ধারণের জন্য আইন আছে, তার কার্যকারিতা নেই। পাবলিক পরিবহনের ৰেত্রে মিটারে কেউ যায় না, কোন রম্নটেই বাস ভাড়ার মূল্য তালিকা মানা হয় না। একই পরিনতি হবে এই আইনের ৰেত্রেও।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারেই আছে ভোক্তার স্বার্থে মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপৰ গড়ে তোলা হবে। অথচ এই আইন দিয়ে কোনভাবেই ভোক্তার স্বার্থ সংরৰণ হবে না। তার ওপর ১১ মাস হয়ে গেলে আইনটির এখনও কোন প্রয়োগ নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে ১৫ মার্চ থেকে আইনটি কার্যকরের। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে আইনটি প্রয়োগের জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন তা এখন পর্যনত্ম দৃশ্যমান হচ্ছে না। কারণ এখন পর্যনত্ম আইনের বিধিগুলোই অনুমোদন করা হয়নি।
সুপারিশ
১। বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য অবিলম্বে ভোক্তা অধিকার সংরৰণ আইন ২০০৯ বাসত্মবায়ন করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন কিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আইনটিকে ভোক্তাবান্ধব করা। ২। বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নেই। ছোট ছোট আমদানিকারক তৈরির মাধ্যমে বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা। ৩। মূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুদদারির মতো প্রচেষ্টা বন্ধে আইনী কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। ৪। বাজার নিয়ন্ত্রণকারী অসাধু সংঘবদ্ধ ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেট রোধে প্রতিযোগিতামূলক আইন ও নীতি প্রণয়ন। ওই আইন প্রণয়নের আগে বিশেষ ৰমতা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া। ৫। নিয়মিত দেশীয় ও আনত্মর্জাতিক বাজার পর্যবেৰণ করা এবং সে অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ৬। সরকারী সহযোগিতার মাধ্যমে ছোট আমদানিকারকদের পণ্য আমদানিতে উৎসাহিত করা। ৭। দেশের ভেতরে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা। ৮। দ্রম্নত সংস্কারের মাধ্যমে টিসিবিকে কার্যকর করা। ৯। কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ। এবং
১০। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 07
(195)
- পাকিস্তানে প্রবল বৃষ্টিতে ৩৪ জনের প্রাণহানি
- আয়বৈষম্য কমাতে ন্যূনতম মজুরি বাড়াবে চীন
- তিউনিসিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা বেলাইদ নিহত
- বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী টোকিও
- সলোমন দ্বীপপুঞ্জে সুনামিতে ৪ জনের মৃত্যু
- এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্রবাজার হারাচ্ছে রাশিয়া
- মালিতে ফ্রান্সের সামরিক অভিযানে কয়েক শ’ নিহত
- চীনের প্রতি জাপানের হুঁশিয়ারি
- ৯/১১ পরবর্তী সিআইএ’র গুম অপহরণ নির্যাতনে সাহায্য ক...
- পাকিস্তানের একটি ‘বিশেষ গোষ্ঠী’ নির্বাচন বিলম্বের ...
- প্রিয়জন কবিতাবলী
- গুচ্ছ কবিতা
- ব্ল্যাক লাইট
- মেলার বুক রিভিউ
- প্রিয়জন নানা ওয়াহিদ স্মরণে শোকসভা by মোহাম্মদ হা...
- স্বপ্ন by ইসতিয়াক আহমেদ
- চট্টগ্রামে রাজনৈতিক কর্মী হত্যা- পুলিশের কলঙ্ক হিস...
- আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়- নান...
- যুদ্ধাবস্থায় মুসলিম দেশ মালি by ইমতিয়াজ বিন মাহতাব
- ভেবেচিন্তে কথা বলুন by মোহাম্মদ ইকবাল
- কোথা থেকে ভেসে আসবে ‘খামোশ’ শব্দটি by মিনার রশীদ
- গ্লানিমুক্তির প্রশ্ন by মাসুদ মজুমদার
- কোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ শিগগিরই শুরু হ...
- হরতাল পালনের মাধ্যমে জনগণ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে দ...
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট অপর্যাপ্ত তথ্যের ভি...
- যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি- আজ বিক্ষোভ ম...
- মসজিদে ঢুকে নামাজরত মুসল্লিকে গ্রেফতারকারীর বিরুদ্...
- জাবিতে ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া আহত ৮
- শিার্থীদের স্মারকলিপি বরিশাল বিএম কলেজে অচলাবস্থা ...
- জিএসপি সুবিধা বাতিল হলে সব ধরনের রফতানি পণ্যে নেতি...
- কেরানীগঞ্জে দেড় হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ- ছাত্রলীগ ...
- গুলিতে শিশু রাব্বি নিহত হওয়ার ঘটনা- ছাত্রলীগের বা...
- চট্টগ্রামে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যেও...
- কৃষিতে নারীর সংখ্যা বাড়লেও কমছে পুরুষশ্রমিক by আশ...
- তরিকুলকে দেখতে হাসপাতালে বিএনপি মহাসচিব- বিদেশী দূ...
- ভবিষ্যতে যে রায়ই আসুক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে
- কায়রোতে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলন শুরু
- শেয়ারবাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা লুটের আয়োজন করেছে ...
- হেলথ টিপ্সঃ ডায়াবেটিস ঝুঁকি অর্ধেক কমায় সূর্যের আলো
- চিত্র বিচিত্রঃ ৯ বছর বয়সী মা
- প্রবাসের খবরঃ অস্ট্রেলিয়ায় কন্সুলেট জেনারেলের কা...
- কমলনগর উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনে ফের সংঘর্ষঃ আহত ৫
- বান্দরবানের বোমাং রাজা কে এস প্রু চৌধুরীর পরলোকগমন
- সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে ২ বনদস্যু নিহত- ১৪টি আগ্নেয...
- বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর আত্মহত্যা
- চিকিৎসায় অবহেলা- ২২৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন এক...
- ঘুম ভাঙেনি বাংলা একাডেমীর by শফিকুল ইসলাম
- ওআইসি সম্মেলনের সামনে ট্রাইব্যুনাল বাতিলের দাবিতে ...
- কুড়িগ্রামে আ’লীগের কাউন্সিলে সংঘর্ষঃ ক্যামেরাম্যা...
- সোনারগাঁওয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক...
- পরীক্ষার ছয় মাসেও ফল প্রকাশ হচ্ছে না- বাউবির এসএস...
- বিপরীতমুখী অবস্থানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম
- শাহবাগে তোপের মুখে সাজেদা চৌধুরী
- প্রাথমিক বৃত্তির ফল ১৫ ফেব্রুয়ারি- ট্যালেন্টপুল ও...
- আরো এক সাক্ষীকে জেরা করলেন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী
- জনগণ রায় প্রত্যাখ্যান করেছেঃ জামায়াত
- চট্টগ্রামে হরতাল পালিতঃ সর্বত্র আতঙ্ক
- উর্দুকে লিঙ্গুয়া ফ্র্যাঙ্কা করার বিরুদ্ধে ঢাবি বে...
- সচিবালয়ে গুলি আতঙ্ক- অতিরিক্ত টহলের জন্যই বিজিবি ...
- বিরোধীদলীয় নেতা দেশকে শায়েস্তা করতে চাচ্ছেনঃ প্র...
- বাংলাদেশে আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রস্তুতি দরকার
- আপিল বিভাগে দ্বিতীয় বেঞ্চ গঠনের উদ্যোগ সরকারের by...
- শাহবাগের অবরোধ এখন ছাত্রলীগের দখলে
- সংসদীয় আসন তছনছ
- রাজধানীতে ব্যাপক সহিংসতা
- হরতালের দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের গুলিঃ...
- সিমেন্সের সেই উৎকোচ ॥ খোঁজ মিলেছে পাচারের by খায়রু...
- বিএসএফের গুলিতে জৈন্তাপুর সীমান্তে ২০ বাংলাদেশী আহ...
- ছাত্রলীগ নেতৃত্বের গণপদত্যাগ ঘটতে পারে by রিয়াদুল...
- সম্মেলন নিয়ে গোলাগুলির জেরে দ্বিতীয় দিনে ছাত্রলীগ ...
- মুক্তিযোদ্ধার খামার লুট- ঘটনা বগুড়ার, সহায়তায় আওয়া...
- বেতন না দেয়া এবং ঝুট রাজনীতি- গার্মেন্টসে অসন্তোষে...
- আল আরাফাহ ব্যাংকের এমডি অপহরণ নাটক ও বাস্তবতা- এমড...
- তবুও জয়ের আশা টাইগারদের! by মিথুন আশরাফ
- দেলোয়ারের দায়িত্ব পালন নিয়ে বিএনপি নেতারা কোন্দলে ...
- আওয়ামী লীগের এক লাখ কর্মীর প্রাণ নেয়ার হুমকি শিবিরের
- অধিকারহীনতার ভিতর দিয়ে আজ পালিত হবে ভোক্তা অধিকার ...
- বেগম জিয়ার সমাবেশ নিয়ে চট্টগ্রামে দুই গ্রুপে মারামারি
- ৩৯ বছরে সেনা কু্য, অভ্যুত্থান কতটা তার তথ্য নেই মন...
- জয়নাল আবদীনকে যেখানেই পাওয়া যাবে প্রতিরোধ- যুবলীগে...
- অগ্নিঝরা মার্চ
- জার্মানিতে তিন বছর কোন রাষ্ট্রদূত নেই, অথচ বাড়ি ভা...
- সিপিবি সমাবেশে বোমা হামলার পলাতক তিন আসামি গ্রেফতার
- শিশু ফারিহা ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত, সাহায্য করুন
- প্রথম ভালবাসা
- সিডনির মেলব্যাগ- নোবেল জয়ীর নিরুত্তাপ সিডনি সফর by...
- জামায়াত-শিবিরের ম্যানহোল রাজনীতি by ড. মোহাম্মদ ফ...
- বাজার নিয়ন্ত্রণ কাঠামো by এ এম এম শওকত আলী
- অন্নদাশঙ্কর ॥ আশা ছিল মুজিবমিনারের by দাউদ হায়দার
- রিপোর্টারের ডায়েরি
- শিশুকে চিনুন by রুবী জেসিকা নূর
- কিংবদন্তিতুল্য সাংবাদিক কে. জি. মুস্তাফা by নিয়াম...
- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ৪ রানের নাটকীয় হার রাজস্...
- সবাইকে নেশা খাইয়ে ১০ লাখ টাকার অলঙ্কার নিয়ে কাজের ...
- খনিজ সম্পদ রফতানি নিষিদ্ধ করার দাবি জাতীয় কমিটির
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে সাংস্কৃতিক অভিযাত্রা শুরু
- সাম্প্রদায়িক শক্তি উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত শান্তি আস...
- কলাবাগানে গাড়ি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
- বিরোধীদের সহায়তা পেলে আঞ্চলিক সহযোগিতার পথ উন্মুক্...
- শান্তিনগরে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার
- দেবদেবীর মূর্তি, পাথরের নক্সাখচিত দরজা শিলালিপি- স...
- দেশকে ৮ প্রদেশে ভাগ করতে হবে, এরশাদ চান প্রাদেশিক ...
- তারেক-কোকোর কুৎসিত চেহারা আড়াল করতেই জয় সম্পর্কে অ...
- জনকণ্ঠের অগ্রযাত্রায় হকার নেতৃবৃন্দের একাত্মতা- এক...
- প্রখ্যাত সাংবাদিক কে. জি. মুস্তাফা আর নেই
- রাজস্ব লুট by খায়রুল হোসেন রাজু
- ভূমিদস্যু এখন গ্রামে, রাতের আঁধারে জমি দখলের চেষ্টা
- দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করতে বিএনপির নতুন মিশন- নারী ন...
- ইডেনে ছাত্রলীগে গ্রুপিং ॥ নেপথ্যে কোটি টাকার ভর্তি...
- ফলোঅনের শঙ্কায় বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড ৫৯৯
- সুপ্রীমকোর্টের রায় না মানলে আইনগত ব্যবস্থা- স্বাধী...
- হুজি নেতা তাইজউদ্দিনকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বাব...
- খালেদা জিয়ার দাবি ও তথ্য-উপাত্তের বাস্তবতা- নারী ন...
- ঢাকা-চট্টগ্রামসহ কয়েক স্থানে ভূমিকম্প
- রাজশাহীতে কারচাপায় ছাত্রের মৃত্যু ॥ আগুন সংঘর্ষ
- হিমাগারে আলু রাখতে না পেরে দুশ্চিন্তায় চাষীর মৃত্য...
- যশোরে ছাত্রলীগের সম্মেলনে ৫০ বোমা শত রাউন্ড গুলি॥ ...
- সামরিক বাহিনীতে লিঙ্গ বৈষম্য অবসানে দিল্লী হাইকোর্...
- সামরিক বাহিনীতে লিঙ্গ বৈষম্য অবসানে দিল্লী হাইকোর্...
- ফারুক হত্যায় শিবির কর্মী জয়পুরহাটে গ্রেফতার
- অগ্নিঝরা মার্চ
- কমেছে সব ধরনের চালের দাম
- খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে বোমা_ জামায়াত বিএনপি নেতা জ...
- ১৯৭১॥ চট্টগ্রাম শহরে প্রতিরোধ যুদ্ধ by সামসুদ্দিন...
- কূটনীতিকদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য by শাহজাহান মিয়া
- বিভাজন সৃষ্টিই ছিল এই নারকীয় ঘটনার অন্যতম উদ্দেশ্য...
- জামায়াত-শিবিরের ম্যানহোল রাজনীতি by ড. মোহাম্মদ ফ...
- একুশ শতক- ডিজিটাল বাংলাদেশ ॥ ধারণাপত্র ও প্রসঙ্গ ক...
-
▼
Feb 07
(195)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment