Sunday, October 21, 2012
সময়ের কথা-এমপিও যেন সোনার হরিণ by অজয় দাশগুপ্ত
সময়ের কথা-এমপিও যেন সোনার হরিণ by অজয় দাশগুপ্ত
তিনি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিযুক্ত হয়েছেন আট মাস। জ্ঞান বিতরণে নিবেদিত। ছাত্রছাত্রীরা তাকে পছন্দ করে। অভিভাবকরা মনে করেন, উপযুক্ত হাতে রয়েছে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের জন্য স্থাপিত স্কুলটি।
বিদ্যালয়ের প্রধান পদে নিযুক্তির আগে সাধারণ শিক্ষকের পদ ছেড়ে দিয়েছেন সরকারের নিয়ম অনুযায়ী। তখন তিনি বেতন পেতেন 'এমপিও' নামে পরিচিত সোনার হরিণের আওতায়। সে বেতনের পরিমাণ বর্তমান মাগ্গির সামান্যই_ সাকল্যে সাড়ে ১১ হাজার টাকা। এমএ পাস করেছেন। মাস্টার অব এডুকেশন বা এমএড ডিগ্রি আছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ক্লাস নেন। বাসায় বসে খাতা দেখেন রাত জেগে, ঘরের কাজ ফেলে। তার এই বেতন!
প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ার সময় স্বপ্ন দেখেছেন অনেক_ বেতন বেড়ে যে প্রায় ১৬ হাজার টাকা হবে! পরিবারের অপূর্ণ শখ মেটাবেন এক এক করে।
কিন্তু একবার তুলনা করুন সরকারি অফিসের ইন্টারমিডিয়েট ডিগ্রিধারী পিওন-দারোয়ানদের সঙ্গে_ ১৫-২০ বছর চাকরি জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এর চেয়ে বেশি বেতন পান। কিন্তু এটা তো মনের কষ্ট। আমাদের ওই প্রধান শিক্ষিকা যে নতুন মর্যাদার পদে নিয়োগলাভের পর আট মাস ধরে বেতনই পাচ্ছেন না। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা এত দিনেও তার কাগজপত্র তৈরি করে উঠতে পারেনি। কেউ বলেন গাফিলতি, কেউবা বলেন_ তারা ঘুষের অপেক্ষায়। আবার কারও মত_ মন্ত্রণালয়ের যেহেতু ফান্ড কম, তাই নতুন কাউকে এমপিওর (মান্থলি পে-অর্ডার) অধীন করার কাজ যত দিন পারা যায় বিলম্বিত করা হয়। এ কারণেই পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির একজন শিক্ষক নিয়োগলাভের ২৭ মাস পরও বেতন পাচ্ছেন না। তিনি সব শর্ত পূরণ করে নিয়োগ পেয়েছেন। পরিবারে সচ্ছলতা না আসুক, মাস শেষে কিছু টাকা তো আসবে ঘরে। কিন্তু সরকার নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা বন্ধ রেখেছে। আর যারা এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে নতুন নিয়োগ লাভ করছেন, তাদের বেতন-ভাতা প্রদানের কাজ যতটা সম্ভব পিছিয়ে দিচ্ছে। এর প্রধান কারণ অর্থ সংকট।
কেন অর্থ সংকট? চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে সরকারের মোট বরাদ্দ ২১ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। সব সরকারি খাতের মধ্যে শিক্ষার জন্যই বরাদ্দ সর্বোচ্চ। এই বরাদ্দের ৬০ শতাংশের বেশি ব্যয় হয়ে যায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের কাজে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরুতর সমস্যা দুটি_ এক. যারা এমপিওভুক্ত হয়ে আছেন তাদের দিক থেকে অব্যাহতভাবে প্রচণ্ড চাপ_ এত কম বেতনে সংসার চলে না। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের স্কুল-শিক্ষকের পেশায় আনতে হলে এখনই মাসে অন্তত ৩০-৩৫ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে। অন্যথায় তারাই শিক্ষকতা পেশায় আসবেন, যাদের প্রতিযোগিতায় টিকে ভালো চাকরি লাভের সম্ভাবনা কম। দুই. শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এসব স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় যারা নিয়োগ পাচ্ছেন, তাদের দিক থেকে চাপ_ এমপিভুক্ত করতে হবে। এদের হয়ে তদবির করেন মন্ত্রী-এমপি ও সম্ভাব্য এমপিরা। অর্থের লেনদেনও ঘটে বিস্তর। শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন পাবেন_ এমন আশায় অর্থ ঢালেন 'জনপ্রতিনিধি' এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার অফিসার-কর্মচারীদের পেছনে।
অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, তহবিল সংকটের কারণে তাদের হাত-পা বাঁধা। বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে সরকারি তহবিল থেকে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে। এ কারণে যে জট লেগেছে, তাতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান লাইনে দাঁড়ানো। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি খাত থেকে বেতন-ভাতা দিতে হলে বছরে বাড়তি প্রয়োজন ৯৩৫ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় এ অর্থ দিচ্ছে না। কেন দিচ্ছে না? কারণ তাদের দেওয়ার ক্ষমতা নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এটাও জানে যে, নতুন যারা এমপিওভুক্ত হবেন, তারা 'সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতায়' বেশি দিন গদগদ হয়ে থাকবেন না; নেমে পড়বেন রাস্তায়_ এত কম টাকায় মানুষ গড়ার কারিগরদের জীবন চলে না। বেতন-ভাতা বাড়াতে হবে। নইলে কাফনের কাপড় পরে মিছিল এবং এক পর্যায়ে আগুনে পুড়ে প্রকাশ্যে আত্মাহুতির হুমকি।
এমপিওভুক্ত এবং এমপিওভুক্ত হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। তাদের যদি মাসে ১০০ টাকা করে বাড়তি সুবিধা দিতে হয়, তাহলে সরকারের মাসে চলে যাবে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা_ বছরে ৬৬ কোটি টাকা। স্কুল শিক্ষকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন এবং মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করার মতো সুবিধা প্রদান করতে হলে মাসে গড়ে অন্তত ৩০ হাজার টাকা করে বেতন দিতে হলে বছরে প্রয়োজন ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কলেজ শিক্ষকদের জন্য এর দ্বিগুণ না হোক, দেড় গুণ তো দিতে হবে। এভাবে শিক্ষকদের জন্য 'স্বপ্ন রাজ্যে' যেতে হলে সরকারের সব বাজেটই শিক্ষকদের দিয়ে দিতে হবে! আপাতত এটা সম্ভব নয়। নিকট ভবিষ্যতেও সম্ভব নয়। গড়ে মাসে ৩০ হাজার টাকা না হোক, ১৫ হাজার টাকাও তো দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ আমরা জানি_ সরকারের কোষাগারের ভিত দুর্বল।
সরকারের হাতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের ভার তুলে দিয়ে অভিভাবকরা নিশ্চিত থাকলে শিক্ষকরা সারা বছর কোনো না কোনোভাবে আন্দোলনে থাকবেনই। তাদের যা বেতন দেওয়া হচ্ছে, তাতে সংসার চলছে না। আবার যে পরিমাণ বেতন-ভাতা দেওয়া হয়, তাতে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে উৎসাহ দেখাচ্ছে না। তাহলে কি কম মেধাবী এবং যাদের কোনো গতি নেই তাদের জন্যই আগামী অনেক বছর শিক্ষকতার পেশা নির্দিষ্ট থাকবে? এ প্রশ্নের উত্তর কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্দিষ্ট রাখলে চলবে না। কেবল ক্ষমতাসীন দলেরও এটা বিষয় হতে পারে না। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি যখন বিরোধী দলে থাকে; শিক্ষকরা পথে নামলে তাদের প্রতিশ্রুতি দেয় ক্ষমতায় গেলে দাবি পূরণের। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে আর সেটা করতে পারে না। কারণ মাসে প্রতিজনকে ১০০ টাকার বাড়তি সুবিধা দিতে হলেই যে বছরে ৬৬ কোটি টাকা বাড়তি প্রয়োজন!
শিক্ষকদের বেতন ছাড়াও শিক্ষা খাতে অর্থ ব্যয়ের অনেক খাত রয়েছে। স্কুল-কলেজ ঘর নির্মাণ ও সংস্কার, লাইব্রেরির বই ও আসবাবপত্র, বিজ্ঞান গবেষণাগার এবং এ ধরনের আরও অনেক কিছু। সরকার এ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গ্রামের অনেক স্কুলে ছনের ঘর পাকা হয়েছে। 'বস্তির স্কুলে' গেছে বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি। এসব খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি আসছে প্রতিনিয়ত এবং তা থেকেও সরকারের নিস্তার নেই। কিন্তু সরকারের সামর্থ্য নিকট ভবিষ্যতে কতটা বাড়বে? এ প্রশ্নের উত্তর সবাইকেই খুঁজতে হবে। সরকারের তহবিল থেকে পর্যাপ্ত অর্থ না মিললে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি হাত বাড়াতে হবে। আমাদের ভূখণ্ডে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায়। শিক্ষকতায় অনেকে এসেছেন কেবলই জ্ঞান বিতরণের তাগিদ থেকে। 'ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়েছেন' অনেকে। কিন্তু এখন যুগ বদলেছে। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় কেউ কেউ প্রতিষ্ঠান গড়ছেন। তাদের লক্ষ্য থাকে হয় নিজের কিংবা পিতা বা মাতার স্মৃতি ধরে রাখা অথবা এমপি হওয়ার বাসনা থেকে এলাকাবাসীকে খুশি রাখা। কিন্তু শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরেই এসে পড়ে। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ অবশ্যই ব্যতিক্রম। নিজেকে জাহির করার কোনো ইচ্ছেই তার ছিল না। কেবলই শিক্ষার প্রসার ও মান বাড়াতে স্কুল গড়েছেন নেত্রকোনার এক নিভৃত পল্লীতে। কিন্তু এটাও তো লক্ষণীয় যে, নিজের শ্রম-ঘাম-মেধায় যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন, সেটির পাশে গ্রামের খুব বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে দাঁড়ায়নি। যারা পড়ছে তাদের অভিভাবকরা বলেননি_ 'স্যার স্কুল গড়েছেন। এখন আমরা দেব শিক্ষকদের বেতন।' এ ধরনের নজির এখন দেশের সর্বত্র_ সবার ভরসা সরকারের ওপর। কিন্তু তাতে দুটি সমস্যা_ এক. শিক্ষার বিস্তার এবং আরও বিস্তারের আকাঙ্ক্ষার কারণে অবকাঠামো নির্মাণ এবং বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের অতিসীমিত ক্ষমতা। দুই. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় যুক্তদের একাংশের অনিয়ম-দুর্নীতি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্য এবং প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের কেউ কেউ সরকারের বরাদ্দ থেকে ফায়দা আদায় করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে সচিবালয়েও রয়েছে এ দুষ্টচক্র। এমপিওভুক্ত স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে হলে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়_ এমন অভিযোগ রয়েছে এবং সেটা অমূলক নয়। শিক্ষকদের বেতন মাসে ৩০-৩৫ হাজার টাকা করা উচিত_ এমন প্রস্তাব একটি সভায় রেখেছিলাম। তখন উপস্থিত একজন প্রধান শিক্ষক বলে ওঠেন_ তাহলে ঘুষের রেট হবে কমসে কম পাঁচ লাখ টাকা।
এটা কিন্তু এখনকার বাস্তবতা। আমরা হাজার হাজার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকে অভিভাবকদের হাত থেকে দূরে সরিয়ে এনেছি। তাদের বই কিনতে হয় না, স্কুলে মেয়েসন্তান পড়লে অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন দিতে হয় না। স্কুলঘর নির্মাণে অর্থ দিতে হয় না। এ কারণে স্কুল কেমন চলছে_ সেটা নিয়েও তাদের মাথাব্যথা নেই। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি-হেডমাস্টার মিলে স্কুল ফান্ডের টাকা কীভাবে ব্যয় করছেন, সেটা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। একজন ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হলে তার জন্য মাসে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে। সরকার দিচ্ছে ১২-১৩ হাজার টাকা। বাকিটা স্থানীয়ভাবে অভিভাবক এবং প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেই। শিক্ষকরা এ নিয়ে উদ্যোগ নেন না কিংবা নিতে আগ্রহী নন। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেই তারা দাবি আদায় করতে চাইছেন। এ কারণে মাঝে মধ্যে তারা আন্দোলনে নামেন। যেহেতু সংখ্যায় তারা লাখ লাখ_ তাই সরকারের ভয় থাকে। বড় রাজনৈতিক দলগুলো এটাও ভাবে যে, এমপি নির্বাচনে শিক্ষকরা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে এবং অন্যান্যভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মাস্টার সাবদের সমাজেও কিছু প্রভাব থাকে। এ কারণে তাদের চটাতে নেই। যা দাবি তোলেন, তা থেকে কিছু মেনে নিয়ে আপাতত প্রবোধ দেওয়া হোক। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চলবে? সমাজ কি উদাসীনই থেকে যাবে? রাজনৈতিক দলগুলো কেবল 'ক্ষমতায় এলে সব দাবি মানা হবে' বলে আশ্বাস দিয়েই দায় শেষ করবে? কিন্তু তাতে তো শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবে না। আর এ মান না বাড়লে দেশের যেমন ক্ষতি, তেমনি ক্ষতি প্রতিটি পরিবারেরও। আপনার সন্তান দক্ষ-যোগ্য শিক্ষকের কাছে পড়তে পারলে তার মেধা-প্রতিভার আরও বিকাশ ঘটতে পারত। তাকে কি সে সুযোগ করে দেবেন না? নিজের সন্তান যে প্রতিষ্ঠানে পড়ছে, সেটিকে সেরা মানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছুই কি করার নেই? স্কুলে আধুনিক সরঞ্জাম দরকার। ল্যাপটপ-বিজ্ঞানের সরঞ্জাম-বই দরকার। একটি যুক্তি অবশ্যই আসবে এবং তা যৌক্তিক_ ব্যবস্থাপনা কমিটি যদি দুর্নীতিমুক্ত হয়, হেডমাস্টার এবং অন্য শিক্ষকরা যদি যোগ্য হন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি দুর্নীতি-অনিয়মের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে আসতে পারে, তাহলে অভিভাবক ও সাবেক ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধ্যমতো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রেরণা পাবে। আমাদের অবশ্যই এ বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, কেবল সরকারের ওপরে শিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভার বহনের দায় চাপিয়ে দিয়ে চলা ঠিক হবে না। আমাদের দেশে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে শ'খানেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সেগুলোতে গলাকাটা হারে অর্থ আদায় করা হয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যত ছাত্রছাত্রী পড়ছে, অন্তত সমানসংখ্যক পড়ছে এসব প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে। কোচিংয়ের নামেও লাখ লাখ অভিভাবক মাসে মাসে ব্যয় করেন শত শত কোটি টাকা। কেবল 'মানতে হবে'_ এ স্লোগানে ঘুরপাক খেতে থাকলে ক্ষতি কেবল সামান্য থাকবে না।
অজয় দাশগুপ্ত :সাংবাদিক
ধলড়ুফম@মসধরষ.পড়স
প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ার সময় স্বপ্ন দেখেছেন অনেক_ বেতন বেড়ে যে প্রায় ১৬ হাজার টাকা হবে! পরিবারের অপূর্ণ শখ মেটাবেন এক এক করে।
কিন্তু একবার তুলনা করুন সরকারি অফিসের ইন্টারমিডিয়েট ডিগ্রিধারী পিওন-দারোয়ানদের সঙ্গে_ ১৫-২০ বছর চাকরি জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এর চেয়ে বেশি বেতন পান। কিন্তু এটা তো মনের কষ্ট। আমাদের ওই প্রধান শিক্ষিকা যে নতুন মর্যাদার পদে নিয়োগলাভের পর আট মাস ধরে বেতনই পাচ্ছেন না। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা এত দিনেও তার কাগজপত্র তৈরি করে উঠতে পারেনি। কেউ বলেন গাফিলতি, কেউবা বলেন_ তারা ঘুষের অপেক্ষায়। আবার কারও মত_ মন্ত্রণালয়ের যেহেতু ফান্ড কম, তাই নতুন কাউকে এমপিওর (মান্থলি পে-অর্ডার) অধীন করার কাজ যত দিন পারা যায় বিলম্বিত করা হয়। এ কারণেই পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির একজন শিক্ষক নিয়োগলাভের ২৭ মাস পরও বেতন পাচ্ছেন না। তিনি সব শর্ত পূরণ করে নিয়োগ পেয়েছেন। পরিবারে সচ্ছলতা না আসুক, মাস শেষে কিছু টাকা তো আসবে ঘরে। কিন্তু সরকার নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা বন্ধ রেখেছে। আর যারা এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে নতুন নিয়োগ লাভ করছেন, তাদের বেতন-ভাতা প্রদানের কাজ যতটা সম্ভব পিছিয়ে দিচ্ছে। এর প্রধান কারণ অর্থ সংকট।
কেন অর্থ সংকট? চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে সরকারের মোট বরাদ্দ ২১ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। সব সরকারি খাতের মধ্যে শিক্ষার জন্যই বরাদ্দ সর্বোচ্চ। এই বরাদ্দের ৬০ শতাংশের বেশি ব্যয় হয়ে যায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের কাজে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরুতর সমস্যা দুটি_ এক. যারা এমপিওভুক্ত হয়ে আছেন তাদের দিক থেকে অব্যাহতভাবে প্রচণ্ড চাপ_ এত কম বেতনে সংসার চলে না। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের স্কুল-শিক্ষকের পেশায় আনতে হলে এখনই মাসে অন্তত ৩০-৩৫ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে। অন্যথায় তারাই শিক্ষকতা পেশায় আসবেন, যাদের প্রতিযোগিতায় টিকে ভালো চাকরি লাভের সম্ভাবনা কম। দুই. শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এসব স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় যারা নিয়োগ পাচ্ছেন, তাদের দিক থেকে চাপ_ এমপিভুক্ত করতে হবে। এদের হয়ে তদবির করেন মন্ত্রী-এমপি ও সম্ভাব্য এমপিরা। অর্থের লেনদেনও ঘটে বিস্তর। শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন পাবেন_ এমন আশায় অর্থ ঢালেন 'জনপ্রতিনিধি' এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার অফিসার-কর্মচারীদের পেছনে।
অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, তহবিল সংকটের কারণে তাদের হাত-পা বাঁধা। বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে সরকারি তহবিল থেকে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে। এ কারণে যে জট লেগেছে, তাতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান লাইনে দাঁড়ানো। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি খাত থেকে বেতন-ভাতা দিতে হলে বছরে বাড়তি প্রয়োজন ৯৩৫ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় এ অর্থ দিচ্ছে না। কেন দিচ্ছে না? কারণ তাদের দেওয়ার ক্ষমতা নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এটাও জানে যে, নতুন যারা এমপিওভুক্ত হবেন, তারা 'সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতায়' বেশি দিন গদগদ হয়ে থাকবেন না; নেমে পড়বেন রাস্তায়_ এত কম টাকায় মানুষ গড়ার কারিগরদের জীবন চলে না। বেতন-ভাতা বাড়াতে হবে। নইলে কাফনের কাপড় পরে মিছিল এবং এক পর্যায়ে আগুনে পুড়ে প্রকাশ্যে আত্মাহুতির হুমকি।
এমপিওভুক্ত এবং এমপিওভুক্ত হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। তাদের যদি মাসে ১০০ টাকা করে বাড়তি সুবিধা দিতে হয়, তাহলে সরকারের মাসে চলে যাবে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা_ বছরে ৬৬ কোটি টাকা। স্কুল শিক্ষকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন এবং মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করার মতো সুবিধা প্রদান করতে হলে মাসে গড়ে অন্তত ৩০ হাজার টাকা করে বেতন দিতে হলে বছরে প্রয়োজন ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কলেজ শিক্ষকদের জন্য এর দ্বিগুণ না হোক, দেড় গুণ তো দিতে হবে। এভাবে শিক্ষকদের জন্য 'স্বপ্ন রাজ্যে' যেতে হলে সরকারের সব বাজেটই শিক্ষকদের দিয়ে দিতে হবে! আপাতত এটা সম্ভব নয়। নিকট ভবিষ্যতেও সম্ভব নয়। গড়ে মাসে ৩০ হাজার টাকা না হোক, ১৫ হাজার টাকাও তো দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ আমরা জানি_ সরকারের কোষাগারের ভিত দুর্বল।
সরকারের হাতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের ভার তুলে দিয়ে অভিভাবকরা নিশ্চিত থাকলে শিক্ষকরা সারা বছর কোনো না কোনোভাবে আন্দোলনে থাকবেনই। তাদের যা বেতন দেওয়া হচ্ছে, তাতে সংসার চলছে না। আবার যে পরিমাণ বেতন-ভাতা দেওয়া হয়, তাতে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে উৎসাহ দেখাচ্ছে না। তাহলে কি কম মেধাবী এবং যাদের কোনো গতি নেই তাদের জন্যই আগামী অনেক বছর শিক্ষকতার পেশা নির্দিষ্ট থাকবে? এ প্রশ্নের উত্তর কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্দিষ্ট রাখলে চলবে না। কেবল ক্ষমতাসীন দলেরও এটা বিষয় হতে পারে না। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি যখন বিরোধী দলে থাকে; শিক্ষকরা পথে নামলে তাদের প্রতিশ্রুতি দেয় ক্ষমতায় গেলে দাবি পূরণের। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে আর সেটা করতে পারে না। কারণ মাসে প্রতিজনকে ১০০ টাকার বাড়তি সুবিধা দিতে হলেই যে বছরে ৬৬ কোটি টাকা বাড়তি প্রয়োজন!
শিক্ষকদের বেতন ছাড়াও শিক্ষা খাতে অর্থ ব্যয়ের অনেক খাত রয়েছে। স্কুল-কলেজ ঘর নির্মাণ ও সংস্কার, লাইব্রেরির বই ও আসবাবপত্র, বিজ্ঞান গবেষণাগার এবং এ ধরনের আরও অনেক কিছু। সরকার এ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গ্রামের অনেক স্কুলে ছনের ঘর পাকা হয়েছে। 'বস্তির স্কুলে' গেছে বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি। এসব খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি আসছে প্রতিনিয়ত এবং তা থেকেও সরকারের নিস্তার নেই। কিন্তু সরকারের সামর্থ্য নিকট ভবিষ্যতে কতটা বাড়বে? এ প্রশ্নের উত্তর সবাইকেই খুঁজতে হবে। সরকারের তহবিল থেকে পর্যাপ্ত অর্থ না মিললে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি হাত বাড়াতে হবে। আমাদের ভূখণ্ডে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায়। শিক্ষকতায় অনেকে এসেছেন কেবলই জ্ঞান বিতরণের তাগিদ থেকে। 'ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়েছেন' অনেকে। কিন্তু এখন যুগ বদলেছে। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় কেউ কেউ প্রতিষ্ঠান গড়ছেন। তাদের লক্ষ্য থাকে হয় নিজের কিংবা পিতা বা মাতার স্মৃতি ধরে রাখা অথবা এমপি হওয়ার বাসনা থেকে এলাকাবাসীকে খুশি রাখা। কিন্তু শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরেই এসে পড়ে। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ অবশ্যই ব্যতিক্রম। নিজেকে জাহির করার কোনো ইচ্ছেই তার ছিল না। কেবলই শিক্ষার প্রসার ও মান বাড়াতে স্কুল গড়েছেন নেত্রকোনার এক নিভৃত পল্লীতে। কিন্তু এটাও তো লক্ষণীয় যে, নিজের শ্রম-ঘাম-মেধায় যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন, সেটির পাশে গ্রামের খুব বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে দাঁড়ায়নি। যারা পড়ছে তাদের অভিভাবকরা বলেননি_ 'স্যার স্কুল গড়েছেন। এখন আমরা দেব শিক্ষকদের বেতন।' এ ধরনের নজির এখন দেশের সর্বত্র_ সবার ভরসা সরকারের ওপর। কিন্তু তাতে দুটি সমস্যা_ এক. শিক্ষার বিস্তার এবং আরও বিস্তারের আকাঙ্ক্ষার কারণে অবকাঠামো নির্মাণ এবং বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের অতিসীমিত ক্ষমতা। দুই. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় যুক্তদের একাংশের অনিয়ম-দুর্নীতি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্য এবং প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের কেউ কেউ সরকারের বরাদ্দ থেকে ফায়দা আদায় করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে সচিবালয়েও রয়েছে এ দুষ্টচক্র। এমপিওভুক্ত স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে হলে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়_ এমন অভিযোগ রয়েছে এবং সেটা অমূলক নয়। শিক্ষকদের বেতন মাসে ৩০-৩৫ হাজার টাকা করা উচিত_ এমন প্রস্তাব একটি সভায় রেখেছিলাম। তখন উপস্থিত একজন প্রধান শিক্ষক বলে ওঠেন_ তাহলে ঘুষের রেট হবে কমসে কম পাঁচ লাখ টাকা।
এটা কিন্তু এখনকার বাস্তবতা। আমরা হাজার হাজার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকে অভিভাবকদের হাত থেকে দূরে সরিয়ে এনেছি। তাদের বই কিনতে হয় না, স্কুলে মেয়েসন্তান পড়লে অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন দিতে হয় না। স্কুলঘর নির্মাণে অর্থ দিতে হয় না। এ কারণে স্কুল কেমন চলছে_ সেটা নিয়েও তাদের মাথাব্যথা নেই। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি-হেডমাস্টার মিলে স্কুল ফান্ডের টাকা কীভাবে ব্যয় করছেন, সেটা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। একজন ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হলে তার জন্য মাসে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে। সরকার দিচ্ছে ১২-১৩ হাজার টাকা। বাকিটা স্থানীয়ভাবে অভিভাবক এবং প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেই। শিক্ষকরা এ নিয়ে উদ্যোগ নেন না কিংবা নিতে আগ্রহী নন। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেই তারা দাবি আদায় করতে চাইছেন। এ কারণে মাঝে মধ্যে তারা আন্দোলনে নামেন। যেহেতু সংখ্যায় তারা লাখ লাখ_ তাই সরকারের ভয় থাকে। বড় রাজনৈতিক দলগুলো এটাও ভাবে যে, এমপি নির্বাচনে শিক্ষকরা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে এবং অন্যান্যভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মাস্টার সাবদের সমাজেও কিছু প্রভাব থাকে। এ কারণে তাদের চটাতে নেই। যা দাবি তোলেন, তা থেকে কিছু মেনে নিয়ে আপাতত প্রবোধ দেওয়া হোক। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চলবে? সমাজ কি উদাসীনই থেকে যাবে? রাজনৈতিক দলগুলো কেবল 'ক্ষমতায় এলে সব দাবি মানা হবে' বলে আশ্বাস দিয়েই দায় শেষ করবে? কিন্তু তাতে তো শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবে না। আর এ মান না বাড়লে দেশের যেমন ক্ষতি, তেমনি ক্ষতি প্রতিটি পরিবারেরও। আপনার সন্তান দক্ষ-যোগ্য শিক্ষকের কাছে পড়তে পারলে তার মেধা-প্রতিভার আরও বিকাশ ঘটতে পারত। তাকে কি সে সুযোগ করে দেবেন না? নিজের সন্তান যে প্রতিষ্ঠানে পড়ছে, সেটিকে সেরা মানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছুই কি করার নেই? স্কুলে আধুনিক সরঞ্জাম দরকার। ল্যাপটপ-বিজ্ঞানের সরঞ্জাম-বই দরকার। একটি যুক্তি অবশ্যই আসবে এবং তা যৌক্তিক_ ব্যবস্থাপনা কমিটি যদি দুর্নীতিমুক্ত হয়, হেডমাস্টার এবং অন্য শিক্ষকরা যদি যোগ্য হন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি দুর্নীতি-অনিয়মের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে আসতে পারে, তাহলে অভিভাবক ও সাবেক ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধ্যমতো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রেরণা পাবে। আমাদের অবশ্যই এ বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, কেবল সরকারের ওপরে শিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভার বহনের দায় চাপিয়ে দিয়ে চলা ঠিক হবে না। আমাদের দেশে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে শ'খানেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সেগুলোতে গলাকাটা হারে অর্থ আদায় করা হয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যত ছাত্রছাত্রী পড়ছে, অন্তত সমানসংখ্যক পড়ছে এসব প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে। কোচিংয়ের নামেও লাখ লাখ অভিভাবক মাসে মাসে ব্যয় করেন শত শত কোটি টাকা। কেবল 'মানতে হবে'_ এ স্লোগানে ঘুরপাক খেতে থাকলে ক্ষতি কেবল সামান্য থাকবে না।
অজয় দাশগুপ্ত :সাংবাদিক
ধলড়ুফম@মসধরষ.পড়স
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1413)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
October
(1721)
-
▼
Oct 21
(81)
- গভীর সমুদ্রবন্দর ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে চীন...
- রামেক হাসপাতালের বেহাল দশা, নিত্যসঙ্গী দুর্ভোগ by ...
- পাহাড় ছাড়তে রোহিঙ্গাদের আল্টিমেটাম দিয়েছে জেএসএস
- আবারো আমার দেশ বন্ধের চক্রান্তঃ মাহমুদুর রহমান
- শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস মানেই ছাত্রলীগঃ মওদুদ
- সুইডেনে স্থায়ী বসবাসের কেস স্টাডিগুলো যেন একেকটি গ...
- খালেদা-লি চুন বৈঠকঃ গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে সহযো...
- ক্যালিফোর্নিয়ায় নাফিসের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করেছ...
- গানে গানে পরকীয়া
- ‘সাঁইজির রূপক কথার আমরা অনেক কিছুই বুঝি না’ by মাজ...
- এফবিআই’র অভিযোগ অস্বীকার করলেন নাফিস
- পূজা উপলক্ষে কলকাতা সেজেছে বর্ণিল সাজে by পরিতোষ পাল
- মহাসপ্তমী আজ
- ক্যাম্পাস সংবাদ
- কদর বেড়ে গেছে প্রিয়াঙ্কার
- সম্ভাবনাময় পেশা হাউস কিপিং
- প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ও জবফেয়ার
- অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে তোপের মুখে তান-লি
- ৫০ বছরে সাতক্ষীরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় by ডা. সুব...
- ইউরো জোনে রেকর্ডসংখ্যক বেকারত্ব
- ফের মিউজিক ভিডিওতে মোনালিসা
- আখের বিকল্প হতে পারে সুগারবিট
- বেড়ে গেছে প্রিয়াঙ্কার চাহিদা
- আখের বিকল্প হতে পারে সুগারবিট
- প্লে-ব্যাকে পারভেজ-কণা
- অর্থনৈতিক উন্নয়নে সামাজিক পুঁজি
- রফতানি সম্প্রসারণে প্রয়োজন উদ্যোগ
- ডেসটিনির পরিচালক দিদার গ্রেপ্তার-রফিকুল ও মোহাম্মদ...
- ঢাবি হলে আটকে রেখে 'ভর্তিবাণিজ্য' অপহৃত উদ্ধার-দুই...
- ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না by মেহেদী হাসান
- নাগরিকত্ব নিশ্চিত-নাফিসের সঙ্গে একান্তে কথা বলতে চ...
- সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী-যুদ্ধাপরাধের বিচা...
- দেশে ফিরেছেন খালেদা জিয়া-চীন সফর 'সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ'
- বিডিআর বিদ্রোহ মামলার বিচার শেষ-সদরের ৭২৩ জনের জেল...
- দুই দলের রাজনৈতিক জমিদারি চলছে দেশে
- পরীক্ষা ছাড়াই আমদানি দেশি ফলেও ফরমালিন by রাজীব আহমেদ
- প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি
- শিশুদের প্রতি অন্যায় বন্ধে
- আভিজাত্যের গান ॥ বাণিজ্যের গান by মিলু শামস
- একুশ শতক- আইসিটি নীতিমালা নাকি ডিজিটাল বাংলাদেশ নী...
- একুশ শতক- আইসিটি নীতিমালা নাকি ডিজিটাল বাংলাদেশ নী...
- নাফিসের সন্ত্রাসী তৎপরতা এবং এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা...
- ষড়যন্ত্র চলবে, রুখতে হবে আওয়ামী লীগকেই by আবদুল ম...
- এম২৩ নেতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি জাতিসংঘের
- মেয়েদের শিক্ষায় নেপালেরও পেছনে পাকিস্তান
- গুম হত্যাকাণ্ড থেকেও ভয়ঙ্কর, তিন বছরে ৭২ জন- অধিকা...
- মুখে বললেই হবে না মনেপ্রাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধা...
- সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুত কেন্দ্র নিয়ে আজগুবি গবেষণা...
- পদোন্নতি বাগিয়ে নিতে সুযোগসন্ধানীরা তৎপর প্রশাসনে ...
- উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক আটকে গেছে পদ্মা সেতুর ফাঁদে!- ...
- ক্যানভাসে নিজেদের স্বপ্নচারপাশের জগত অনন্য চিত্রকর...
- হামলার অভিযোগ-এসতেলেকেও আটকে দিল ইসরায়েল
- মঞ্চে শেষবার জ্বলে ওঠার 'সাধনায়' ওবামা-রমনি
- উত্তর কোরিয়ার ফার্স্ট লেডি 'নিখোঁজ'
- জাপানে মার্কিন সেনাদের ওপর কারফিউ
- ফিলিস্তিনে স্থানীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ
- শিক্ষানবিশ গোয়েন্দা নিয়োগ দেবে ব্রিটেন!
- চীন থেকে ফিরেছেন খালেদা, ভারত যাচ্ছেন ২৮ অক্টোবর
- রামু উখিয়া টেকনাফের বিহার পুনর্নির্মাণে ২০ কোটি টা...
- বিডিআর বিদ্রোহের শেষ মামলায় ৭২৩ আসামির সাজা- ১০ জন...
- নাফিসকে সব সহায়তা দেবে ঢাকা ॥ সাক্ষাত চেয়েছেন রাষ্...
- জয় বাংলা স্লোগানে মঞ্চ মাতালেন জোয়ান ডাইন
- ভাষাসৈনিক অলি আহাদ আর নেই- শহীদ মিনারে সকল স্তরের ...
- আপনারাও মুক্তিযোদ্ধা...- বিদেশী বন্ধুদের মুক্তিযুদ...
- বৈরুতে ভয়াবহ হামলা-গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৮ অভিযোগ ...
- অলি আহাদের প্রয়াণ-আমরা শোকাভিভূত
- অসহনীয় যানজট-ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যবস্...
- পবিত্র কোরআনের আলো-অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ না করার হু...
- এমপিদের ওপর প্রতিবেদন সম্পর্কে টিআইবির বিস্তারিত ব...
- চরাচর-নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল by শামস শামীম
- রামুর বৌদ্ধপল্লীতে হামলা ফেসবুক কতটা দোষী? by শাহ...
- বদলে যাও! বদলে ফেলো! by ড. মাহবুব হাসান
- নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভূমিকা পর্যালোচনা
- দায়মুক্তি-অপারেশন ক্লিনহার্টের দায় শোধের পালা by ম...
- সময়ের কথা-এমপিও যেন সোনার হরিণ by অজয় দাশগুপ্ত
- ঝাড়ফুঁক-অপচিকিৎসা বন্ধ করা যায় না?
- মসলার চড়া দাম-ব্যবসায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক
- এনবিআর ও করদাতা by এ এম এম শওকত আলী
- বন্ধুদের নাফিস, এফবিআইর নাফিস by জাহাঙ্গীর আলম
- যুদ্ধাপরাধের বিচার জাতীয় সমঝোতার পথ উন্মুক্ত করবেঃ...
- ন্যায্যমূল্যের ধান মজুদের জন্য চাইলে ঋণ পাবে কৃষক
-
▼
Oct 21
(81)
-
▼
October
(1721)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment