Monday, June 4, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
শ্রমিকের আইন ভঙ্গ, সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ মালিকের হয়ে সরকার পোশাকশ্রমিকদের জন্য যে মজুরিসীমা বেঁধে দিয়েছে, তাকে পর্বতের মূষিক প্রসব বললে ভুল বলা হয় কি? তাঁদের পর্বতসমান দুঃখ-দুর্দশা, বছরের পর বছরজুড়ে তাঁদের আন্দোলন, প্রধানমন্ত্রীর বিরাট প্রতিশ্রুতি এবং শিল্পমালিকদের অঢেল বিত্তবিলাসের সঙ্গে তুলনায় এই মজুরি অতি সামান্য।
এই সামান্য মজুরিটুকুও আবার এখন দেওয়া হবে না, আগামী দুই ঈদের আগেও মিলবে না, মিলবে নভেম্বরে। কতটা মিলবে আর কতগুলো কারখানায় তা দেওয়া হবে তার কোনো নিশ্চয়তাও শ্রমমন্ত্রীর ঘোষণা থেকে তাঁরা পাননি। শ্রমিকদের হতাশ হওয়া তাই যুক্তিসংগত। হতাশা যৌক্তিক, দাবিও অন্যায় নয়; কিন্তু অগ্রহণযোগ্য হলো তাঁদের প্রতিবাদের ধরন। আন্দোলনরত শ্রমিকদের যে ক্ষুদ্র অংশ ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত, তাঁরা হয়তো অনেকেরই সমর্থন পাবেন না। কিন্তু প্রথমেই মেনে নিতে হবে, সরকার-ঘোষিত ওই মজুরি না মানার অধিকার শ্রমিকের আছে। কারণ পেটটা তাঁদের, ক্ষুধাটা তাঁদের, বঞ্চনার সার্বক্ষণিক অনুভূতি তাঁদেরই হয়। তাই তাঁদের মনে হতেই পারে, সরকার তাঁদের আশার ছলনায় ভুলিয়ে শেষ মুহূর্তে মালিকপক্ষের সুবিধা অনুযায়ী মজুরি নির্ধারণ করেছে। এবং দেখা যাচ্ছে, এই মজুরি দেওয়া হবে কি হবে না, সেটা পরের কথা; এই মুহূর্তে মালিকপক্ষ খুশি। কেননা, শ্রমিক আন্দোলনের ব্যাপকতা, জনমতের অভূতপূর্ব সমর্থন এবং সরকারি হম্বিতম্বি মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, পোশাকশিল্পের অল্প বয়সী ছেলেমেয়েরা বোধহয় এই প্রথম তাঁদের শ্রমের ন্যায্য দাম পেতে যাচ্ছেন। কিন্তু সেই যে লোকগানে বলে, ‘সোনা দিবার চায়ারে বন্ধু, রূপাও নহে যে দিলি। আরে পিতল-কাঞ্চন দিয়া অবলা ভুলালি রে’। কিছু নেতাকে গ্রেপ্তার করে, বাকিদের ভয় দেখিয়ে এবং অন্যদের ব্যক্তিগত সুবিধার টোপ গিলিয়ে পোশাকশ্রমিকদের সত্যিই ‘অবলা’ করে দিয়ে তাঁদের দাবিকে নীরব করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। নইলে দুই দিন আগেই যাঁরা তিন হাজার টাকা মজুরি কোনোভাবেই মানবেন না বলেন, পরের দিনই কীভাবে তাঁরা ‘আত্মসমর্পণ’ করেন? সে কারণেই প্রশ্ন ওঠে, তিন পক্ষের সমঝোতায় আসলেই কি তিনটি পক্ষ ছিল? নাকি ছিল সরকার ও মালিকের যৌথ পক্ষ!
তাই ৪২টি সংগঠনের নেতারা মালিকপক্ষের ভবন বিজিএমইএতে বসে চাপের মুখে যখন সমঝোতা হয়েছে বলছেন, বলছেন শ্রমিকদের শান্ত হতে, তখনো সাভার ও ফতুল্লায় হাজার হাজার শ্রমিক মজুরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। এবং পুলিশ লাঠিপেটা করে তাঁদের দমনের পথ বেছে নিয়েছে। এ রকম বানানো সমঝোতা কি টিকবে? আজ যেকোনোভাবে আন্দোলন দমন করা গেলেও বিক্ষোভের আগুন যে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকবে না, ঈদের আগে যখন আবারও বেতন-ভাতা-বোনাস-ইফতার-সেহিরর ভাতা ইত্যাদি নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে, তখন কি আবারও বিক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটবে না?
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে শ্রমিকেরা অবশ্যই আইন ‘ভঙ্গ’ করেছেন। কিন্তু আর কোনো পথে তাঁরা কি জানাতে পারতেন যে তাঁদের জীবন-যাপন অসম্ভব হয়ে উঠছে? কিন্তু পেট চালানোর মতো মজুরি চাওয়া তো মতপ্রকাশ বা রাজনৈতিক সভা করার মতো ঐচ্ছিক ব্যাপার নয় যে, চাইলেই স্থগিত রাখা যায়। অভাব তো স্থগিত থাকছে না।
যাঁদের নিয়মতান্ত্রিক সংগঠন করতে দেওয়া হয় না, যাঁদের সঙ্গে চাকর-বাকরের মতো ব্যবহার করা হয়, যাঁদের হয়ে কথা বলার কেউ নেই, যাঁরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের আগুনে পুড়তে পুড়তে তাঁদের মালিকদের দামি গাড়ি-বাড়ির বিলাস দেখে মনে ঘৃণা জন্মে, সেই ঘৃণা কখনো না কখনো প্রকাশিত হবেই।
আনোয়ার হোসেন
পুরানা পল্টন, ঢাকা।
চিনি নয়, ডাল-ভাত
বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা ক্ষমতায় যেতে পারলে দ্রব্যমূল্য মানুষের সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসবে। তারা ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু দেড় বছর ধরে শুধু চিনির দাম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এ সরকারের তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
মানুষের সাধারণ খাদ্য তালিকায় থাকে ভাত, শাকসবজি, ডাল আর মাছ-মাংস। তিন বেলা খাবারের মধ্যে ঠিক কোন জায়গাটিতে চিনি দরকার তা খুঁজে পাই না। শিশুখাদ্যের সঙ্গে চিনি লাগে বটে, কিন্তু অধিকাংশ শিশু তিন বছর পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি ভাত খায় (সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী গরিব)। তাহলে কেন চিনি নিয়ে বাড়াবাড়ি? সকাল-বিকেল চা কিংবা মিষ্টান্ন তৈরি ছাড়া চিনি আমাদের কোন কাজে লাগে?
যে বাঙালি মাছে-ভাতে বাঙালি, তার মাছ তো দূরে থাক, ডাল-ভাতই জুটছে না তিন বেলা। মোটা চালের কেজি ৩০ টাকা আর ডালের কেজি ১০০ টাকার ওপরে। অন্যান্য জিনিসের বাজারদর আর না-ই বা তুলে ধরলাম। কয়েক দিন ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী আর শিল্পমন্ত্রী চিনির দাম কত হবে তা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। রোজার মাসে একটু শরবত বা জিলাপি খাওয়া কি এতই জরুরি যে অন্য সবকিছুর দাম নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই?
শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধির জন্য সংগ্রাম করছেন। কারণ, তাঁরা আর পেরে উঠছেন না দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে প্রতিরোধ তো করতেই হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করুন; তা না হলে দরিদ্র পোশাক-শ্রমিকদের সঙ্গে যদি মধ্যবিত্তরাও বিক্ষোভ শুরু করে তাহলে কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
সাবিনা পারভীন, ইন্দিরা রোড। sabink99@yahoo.com
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে গত ২৬ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। তাঁদের এই বিক্ষোভ চট্টগ্রাম নগরে ছড়িয়ে দিয়ে আন্দোলনকারীরা যানবাহন ভাঙচুর করেন এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সোমবার ব্যাপক সংঘর্ষ হয়; আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়। দাবি আদায়ের পথ হিসেবে সহিংসতা-ভাঙচুর অত্যন্ত নিন্দনীয়। নব্বইয়ের দশকের পর থেকে বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন-ফি বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে একের পর এক একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে চলাও উদ্বেগজনক।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ফি বৃদ্ধির যৌক্তিকতা কী? বর্ধিত ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কি বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলসংকটের সমাধান করবে? ফি বাড়ানোর অর্থ হলো, যেসব শিক্ষার্থীর পারিবারিক অবস্থা সচ্ছল নয়, কিংবা যাঁরা খণ্ডকালীন কাজ করে উচ্চশিক্ষার আনুষঙ্গিক খরচ মেটান, তাঁদের ওপর আরও বেশি বোঝা চাপানো এবং শেষ পর্যন্ত তাঁদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সংকোচন। তাই ফি বাড়ানোর এই চেষ্টা বরাবরই বড় প্রতিবাদের মুখে পড়েছে।
বিগত কয়েক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেতন ও ফি বাড়ানোর ক্ষেত্রে যেমন তোড়জোড় দেখা গেছে, শিক্ষার মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে তেমন কোনো উদ্যোগ কি দেখা গেছে? না। বরং উচ্চশিক্ষায় মানের দিক থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নানা রেটিংয়ে এটা স্পষ্ট।
একটি শক্তিশালী, আধুনিক অর্থনীতি এবং একটি শক্তিশালী সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অপরিহার্য। আমাদের একুশ শতকের অর্থনীতির জন্য বিপুল জনগোষ্ঠীকে সুদক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত রাখা প্রয়োজন। তা ছাড়া প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে উদ্দীপ্ত করে। উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগের প্রভাব অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতার ওপর পড়ে; তাই সমাজের সর্বস্তর থেকেই উচ্চশিক্ষা পাওয়ার সুযোগ থাকা সামগ্রিকভাবে মঙ্গলজনক। ভারত ও চীন উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত করে সফলতা পেয়েছে। আমাদেরও এ থেকে শিক্ষা নিয়ে উচ্চশিক্ষা খাতে প্রয়োজনমাফিক সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত।
দেশের অর্থনীতি এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাঁরা ভাবেন, তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সম্মিলিতভাবে চিন্তা করা ও নীতি প্রণয়ন। সবার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত রাখতে হলে বেতন ও ফি হতে হবে ন্যায়সংগত। কিছুদিন পর পর নানাভাবে বেতন ও ফি বাড়ানো এবং তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মোটেও অভিপ্রেত নয়।
মাহবুব আলম, শ্যামলী, ঢাকা।
আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি
এ মুহূর্তে সর্বত্র আলোচনার বিষয়, সংবিধান সংশোধন এবং বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফেরা। কিন্তু বাহাত্তরের যে সংবিধান নিয়ে এত আলোচনা, সেটা কতখানি ত্রুটিমুক্ত ছিল, সে প্রশ্নও আজ জরুরি হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী বাহাত্তরের সংবিধানকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল দলিল হিসেবে গণ্য করা হলেও তাতে এ দেশের আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। পরবর্তী ৩৮ বছরে এই সংবিধান বেশ কয়েক দফা সংশোধন করা হলেও তাতে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না।’ এতে বাংলাদেশের আদিবাসীরা তাদের যথাযথ মর্যাদা পায়নি।
প্রতিবাদ যে হয়নি, তা নয়। ’৭২-এর সাংবিধানিক গণপরিষদের একমাত্র আদিবাসী সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা গণপরিষদের অধিবেশনেই এই অসংগতির প্রতিবাদ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কথা সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার দাবি জানান। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রবল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তার সেই বক্তব্য সেদিন হারিয়ে গিয়েছিল।
এ কথা আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য যে বাংলাদেশে বাঙালি ছাড়াও অনেক জাতির মানুষ বসবাস করে। তাদের সবারই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা, এমনকি প্রথাগত স্থানীয় সরকার কাঠামো। এসব জাতি-সমপ্রদায়ভুক্ত মানুষের ভিন্ন ভিন্ন কৃষ্টি, আচার ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকেই কেবল সমৃদ্ধ করেনি; বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক বিকাশেও তা হয়ে উঠেছে অপরিহার্য অংশ।
আদিবাসীদের শুধু সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিলেই চলবে না, প্রতিটি আদিবাসী জাতিসত্তার ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকেও স্বীকৃতি দিতে হবে। আদিবাসীদের প্রধান সমস্যা হলো ভূমি। তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের কথা সংবিধানে লিপিবদ্ধ না থাকলে সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়টি অর্থপূর্ণ হবে না।
সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসন বরাবর প্রেরিত এক পত্রে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি বাসিন্দাদের যেন ‘উপজাতি’ হিসেবে গণ্য করা হয়, ‘আদিবাসী’ নয়। অন্যদিকে সংসদে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বিল’ (২০১০) পাস হয়েছে। এটি আইন আকারে গেজেটভুক্ত হওয়ার পর দেখা গেল, মাত্র ২৭টি জাতি-গোষ্ঠীকে তাতে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এগুলো আদিবাসীদের সম্পর্কে রাষ্ট্র, প্রশাসন তথা ক্ষমতাকাঠামোর ঔপনিবেশিক মানসিকতাই প্রকাশ করে। এমনকি এটা সংবিধানে বর্তমানে স্বীকৃত অধিকারেরও লঙ্ঘন।
৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশের আদিবাসীরাও দেড় দশক ধরে এ দিবসটি পালন করে আসছে। প্রতিবছর তারা সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিও তুলছে। এ বছর এই দাবি আরও জোরালো হবে বলেই মনে হয়। শুধু বক্তৃতা আর বিবৃতিতে নয়, আমাদের আইন প্রণেতা, সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ সংসদীয় কমিটির সদস্য আর ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার—সবাই আদিবাসীদের এ দাবিটি এবার পূরণে আন্তরিক হবেন, বিশ্ব আদিবাসী দিবসের প্রাক্কালে এটাই প্রত্যাশা।
তারেক আহমেদ
মিরপুর, ঢাকা।
অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করুন
মুনাফাখোর, মজুতদার, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাগরিকজীবন অতিষ্ঠ। একশ্রেণীর অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর সীমাহীন অর্থলিপ্সার শিকার। তারা ইচ্ছামতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ায়। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য জীবন-জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়েছে। দাম বাড়ানোর সময় তারা আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কথা বলে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে ওই দ্রব্যের মূল্য কমে গেলে তারা আর সে দ্রব্যের দাম কমায় না।
দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধির পরিণতিতে রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে চুল কাটার সেলুন পর্যন্ত সবাই নিজেদের ইচ্ছামতো মূল্য বাড়ায়। যে চিকিৎসকের ভিজিট দুই মাস আগে ছিল ৫০০ টাকা, তাঁর ভিজিট হয়ে গেল ৮০০ টাকা। কিছু বলার কেউ নেই, দেখার কেউ নেই। নগরের মধ্যে চলাচলকারী বাসের ভাড়া দুই টাকা থেকে রাতারাতি হয়ে গেল তিন টাকা। এমনকি ফটোস্ট্যাট মেশিনওয়ালারাও বাড়িয়ে দিল দাম। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির নিয়ন্ত্রণহীন প্রবণতা দেখা যায়; কিন্তু কোনো প্রতিকারের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।
রোজার মাস এগিয়ে আসছে; রোজার শেষে আসবে ঈদুল ফিতর। ইতিমধ্যে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীচক্র প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাকের ডগায় চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ চক্রটি আবার নতুন করে চালের সংকটের পাঁয়তারা করছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীচক্রের সঙ্গে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারীর সংস্থার কিছু লোকের গোপন যোগসাজশ রয়েছে। চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল কেলেংকারির নায়কদের নিয়ে প্রশাসন মনিটরিং কমিটি গঠন করে। তারা সেখানে নীতিনির্ধারকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ভুল পথে পরিচালিত করে থাকে।
একদিকে পণ্যদ্রব্যের মূল্য বেশি নিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা চলছে, অন্যদিকে দুধ ও মাছে ফরমালিন, ফলমূলে কার্বাইড ইত্যাদি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার করে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে চলেছে। শাকসবজি তাজা রাখার জন্যও ব্যবহূত হচ্ছে নানা রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। এ ছাড়া আছে ভেজালের বাড়াবাড়ি। নষ্ট, পচা খাদ্যশস্যের সঙ্গে ভালো খাদ্যশস্য (চাল, ডাল ইত্যাদি) বিক্রি করা হয়; বিভিন্ন গুঁড়া মসলায় ইটের গুঁড়ো, সরিষার তেলে সাইট্রিক অ্যাসিড মেশানো হয়। শিঙারা, চামুচা, পুরি ইত্যাদি খাবার তৈরিতে ভোজ্যতেলের সঙ্গে মেশানো হয় শিল্পকারখানায় ব্যবহার্য তেল (পোড়া মবিল, স্পিন্ডাল ওয়েল ইত্যাদি)। ভেজাল দুধ তৈরির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়ো দুধ বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশের বাজারে বিক্রি করা হয়, মাঝেমধ্যে তা ধরা পড়ে সংবাদ শিরোনাম হয়। গুঁড়ো দুধে মেলামিন নামের ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো নিয়ে একবার বেশ হইচই হলো। তারপর সব চুপচাপ। এখন আমাদের শিশুরা যেসব গুঁড়ো দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে, সেগুলো নিরাপদ কি না তা-ই বা কে জানে। বাজারে হরেক রকমের রঙিন পানীয়, ফ্রুটজুস এবং অন্যান্য খাবারে ক্ষতিকর রং ও প্রিজারভেটিভ মেশানো হয়। এগুলো সবই মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। কিডনি ও লিভারের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে মূলত এসব কারণেই।
অসাধু ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশকে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যের বাজার ও পরীক্ষাগারে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। নিম্নমধ্যবিত্তরা যা আয় করছেন তার সিংহভাগই ওষুধ ও চিকিৎসার খরচ জোগাতে চলে যাচ্ছে।
তাই সিন্ডিকেট করে দ্রব্যপণ্যের দাম বাড়ানো, খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো, মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য আমদানি ও বিক্রি ইত্যাদি অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। এ মুহূর্তে সরকারের চ্যালেঞ্জ আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।
এস এম নাজের হোসাইন
সভাপতি, কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটি।
cab.chittagong@yahoo.com
সম্পাদকীয়’র প্রতিবাদ
১৪ জুলাই প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলবেন’ শিরোনামের সম্পাদকীয়টি দুই সপ্তাহ বিদেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানের নিমিত্তে অবস্থান করায় যথাসময়ে আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। যেভাবে বিষয়টি উল্লেখিত হয়েছে, যথার্থ নয়। সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সব সময় আমি সোচ্চার ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব। সে লক্ষ্যে কোনো অন্যায়কারী ও দুষ্কৃতকারীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া আমার নীতিবহির্ভূত।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা সীমান্তে বেশ কিছু দিন ধরেই ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় কালোবাজারি ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছে। আওয়ামী লীগের নেতারা তাঁকে অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং তা বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্ণপাত করেননি। সম্প্রতি একটি বড় ধরনের অপরাধের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। তাঁর কৃতকর্মের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাঁকে বদলি করে। একই সঙ্গে তাঁর কৃত কর্মকাণ্ড বিভাগীয় তদন্তের জন্য অুনরোধ জানানো হয়।
সমগ্র বিষয় সঠিকভাবে অনুসন্ধানপূর্বক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনা ও সম্পাদকীয় লেখা গণমাধ্যমের অপরিহার্য কর্তব্য। যেভাবে এ ঘটনার সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, আমি এর প্রতিবাদ জানাই।
আবদুল মতিন খসরু, সাংসদ; বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক।
পিন্টু-মিন্টুরা খেলবে কোথায়?
কিশোর বয়সী দুই ভাই পিন্টু ও মিন্টু ধানমন্ডির উল্টো দিকে স্টাফ কোয়ার্টারে থাকে। পরিবারটিকে আমি চিনি। ওদের মায়ের সহাস্য অনুযোগ হলো, স্কুল ছুটি হলেই দুই ভাই বাড়িতে কোনোরকমে বইপত্র রেখেই ছোটে রাস্তার ওপাশের ধানমন্ডির মাঠটাতে। ক্রিকেটের মৌসুমে ক্রিকেট খেলে আর ফুটবলের মৌসুমে ফুটবল। কিন্তু পিন্টু-মিন্টুর জন্য দুঃসংবাদ যে ধানমন্ডির মাঠটা পাঁচিলবন্দী হতে চলেছে। মাঠটায় এখন খেলবে কেবল ধানমন্ডি ক্লাবের পেশাদার খেলোয়াড়েরা।
এ দেশে কিছু মানুষ আছে, খোলা জায়গা দেখলেই তারা একটা কংক্রিটের স্থাপনা গড়তে চায়। এ ক্ষেত্রে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে ‘লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল’-এর নাম। অতি-উৎসাহী মোসাহেবদের কারণে অতীতে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সুযোগ মোসাহেবদের দেওয়া ঠিক নয়।
পাঁচিল দিয়ে ঘিরতে হলে প্রথমেই কাটা পড়বে বেশ কিছু গাছ। আর আজ পাঁচিল হয়েছে তো কাল অফিসঘর হবে, পরশু তার নিচে দোকান বসবে। ধানমন্ডি ক্লাবের কর্তাব্যক্তিরা বলেছেন যে দোকানপাট হবে না, কিন্তু এসব ব্যবসায়ী কর্মকর্তাদের মুখের কথার কি কোনো দাম আছে? তা ছাড়া আজ এক কমিটি, কিছুদিন পর আরেক কমিটি এসে সিদ্ধান্ত পাল্টে দিতে পারে। একসময়ের শান্ত-সবুজ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকাটা কীভাবে ক্রমেই দোকান ও ব্যবসার কেন্দ্র হয়ে উঠে আজ এক কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। নিঃশ্বাস ফেলার একটা জায়গা ছিল ধানমন্ডির ওই সবুজ মাঠটা। হারাধনের শেষ ছেলের মতো সেটাও এখন হারানোর পথে।
আমার বাসার পেছনেই ধানমন্ডির এই খেলার মাঠ। জানালা দিয়েই দেখা যায়, শত শত কিশোর বালক কত আনন্দে খেলাধুলা করছে। বিকেলবেলা ওইটুকু একটা মাঠ কষ্টেসৃষ্টে ভাগ ভাগ করে ক্রীড়ারত শত শত ছেলেকে দেখলে বোঝা যায়, ঢাকা শহরে খেলার মাঠের কতই না অভাব। ১১ জন পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করতে দুই হাজার বালক-কিশোরের জীবন থেকে খেলার আনন্দ চিরতরে ঘুচিয়ে দেওয়া কোনো সুবিবেচনার কাজ নয়, গণতান্ত্রিক তো নয়ই।
কেবল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কারও নাম ব্যবহার করেছে বলেই সর্বসাধারণের ব্যবহারের অত চমৎকার একটা মাঠের সমস্ত কর্তৃত্ব একটা বিশেষ ক্লাবকে দিয়ে ফেলা কতটা সংগত, সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রতি এই ধনী ক্লাবটার কর্তাব্যক্তিদের যদি সত্যিকারের ভালোবাসা থেকেই থাকে, তাহলে তাঁদের ক্লাবের অর্থে তাঁরা কোনো খালি জায়গা কিনে নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করে নেন না কেন? শত শত ছেলের একটা খেলার মাঠকে এভাবে কুক্ষিগত করা কেন?
ঢাকা শহরের এখন অনেক স্বাস্থ্যসজীব ফুসফুসের দরকার। ধানমন্ডির মাঠকে কংক্রিটের আবরণে ঢেকে মৃতপ্রায় এ শহরের আরও একটা ফুসফুসকে স্তব্ধ করে দেওয়ার যে পাঁয়তারা চলছে, সেটা এখনই বন্ধ হওয়া কাম্য। ধানমন্ডির এই মাঠটা যদি পাঁচিলবন্দী করেই ফেলা হয়, আমাদের পিন্টু আর মিন্টু তখন খেলবে কোথায়?
তানভীর মোকাম্মেল, চলচ্চিত্র নির্মাতা, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
তাই ৪২টি সংগঠনের নেতারা মালিকপক্ষের ভবন বিজিএমইএতে বসে চাপের মুখে যখন সমঝোতা হয়েছে বলছেন, বলছেন শ্রমিকদের শান্ত হতে, তখনো সাভার ও ফতুল্লায় হাজার হাজার শ্রমিক মজুরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। এবং পুলিশ লাঠিপেটা করে তাঁদের দমনের পথ বেছে নিয়েছে। এ রকম বানানো সমঝোতা কি টিকবে? আজ যেকোনোভাবে আন্দোলন দমন করা গেলেও বিক্ষোভের আগুন যে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকবে না, ঈদের আগে যখন আবারও বেতন-ভাতা-বোনাস-ইফতার-সেহিরর ভাতা ইত্যাদি নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে, তখন কি আবারও বিক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটবে না?
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে শ্রমিকেরা অবশ্যই আইন ‘ভঙ্গ’ করেছেন। কিন্তু আর কোনো পথে তাঁরা কি জানাতে পারতেন যে তাঁদের জীবন-যাপন অসম্ভব হয়ে উঠছে? কিন্তু পেট চালানোর মতো মজুরি চাওয়া তো মতপ্রকাশ বা রাজনৈতিক সভা করার মতো ঐচ্ছিক ব্যাপার নয় যে, চাইলেই স্থগিত রাখা যায়। অভাব তো স্থগিত থাকছে না।
যাঁদের নিয়মতান্ত্রিক সংগঠন করতে দেওয়া হয় না, যাঁদের সঙ্গে চাকর-বাকরের মতো ব্যবহার করা হয়, যাঁদের হয়ে কথা বলার কেউ নেই, যাঁরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের আগুনে পুড়তে পুড়তে তাঁদের মালিকদের দামি গাড়ি-বাড়ির বিলাস দেখে মনে ঘৃণা জন্মে, সেই ঘৃণা কখনো না কখনো প্রকাশিত হবেই।
আনোয়ার হোসেন
পুরানা পল্টন, ঢাকা।
চিনি নয়, ডাল-ভাত
বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা ক্ষমতায় যেতে পারলে দ্রব্যমূল্য মানুষের সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসবে। তারা ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু দেড় বছর ধরে শুধু চিনির দাম নিয়ন্ত্রণ ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এ সরকারের তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
মানুষের সাধারণ খাদ্য তালিকায় থাকে ভাত, শাকসবজি, ডাল আর মাছ-মাংস। তিন বেলা খাবারের মধ্যে ঠিক কোন জায়গাটিতে চিনি দরকার তা খুঁজে পাই না। শিশুখাদ্যের সঙ্গে চিনি লাগে বটে, কিন্তু অধিকাংশ শিশু তিন বছর পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি ভাত খায় (সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী গরিব)। তাহলে কেন চিনি নিয়ে বাড়াবাড়ি? সকাল-বিকেল চা কিংবা মিষ্টান্ন তৈরি ছাড়া চিনি আমাদের কোন কাজে লাগে?
যে বাঙালি মাছে-ভাতে বাঙালি, তার মাছ তো দূরে থাক, ডাল-ভাতই জুটছে না তিন বেলা। মোটা চালের কেজি ৩০ টাকা আর ডালের কেজি ১০০ টাকার ওপরে। অন্যান্য জিনিসের বাজারদর আর না-ই বা তুলে ধরলাম। কয়েক দিন ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী আর শিল্পমন্ত্রী চিনির দাম কত হবে তা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। রোজার মাসে একটু শরবত বা জিলাপি খাওয়া কি এতই জরুরি যে অন্য সবকিছুর দাম নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই?
শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধির জন্য সংগ্রাম করছেন। কারণ, তাঁরা আর পেরে উঠছেন না দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে প্রতিরোধ তো করতেই হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করুন; তা না হলে দরিদ্র পোশাক-শ্রমিকদের সঙ্গে যদি মধ্যবিত্তরাও বিক্ষোভ শুরু করে তাহলে কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
সাবিনা পারভীন, ইন্দিরা রোড। sabink99@yahoo.com
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে গত ২৬ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। তাঁদের এই বিক্ষোভ চট্টগ্রাম নগরে ছড়িয়ে দিয়ে আন্দোলনকারীরা যানবাহন ভাঙচুর করেন এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সোমবার ব্যাপক সংঘর্ষ হয়; আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়। দাবি আদায়ের পথ হিসেবে সহিংসতা-ভাঙচুর অত্যন্ত নিন্দনীয়। নব্বইয়ের দশকের পর থেকে বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন-ফি বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে একের পর এক একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে চলাও উদ্বেগজনক।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ফি বৃদ্ধির যৌক্তিকতা কী? বর্ধিত ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কি বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলসংকটের সমাধান করবে? ফি বাড়ানোর অর্থ হলো, যেসব শিক্ষার্থীর পারিবারিক অবস্থা সচ্ছল নয়, কিংবা যাঁরা খণ্ডকালীন কাজ করে উচ্চশিক্ষার আনুষঙ্গিক খরচ মেটান, তাঁদের ওপর আরও বেশি বোঝা চাপানো এবং শেষ পর্যন্ত তাঁদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সংকোচন। তাই ফি বাড়ানোর এই চেষ্টা বরাবরই বড় প্রতিবাদের মুখে পড়েছে।
বিগত কয়েক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেতন ও ফি বাড়ানোর ক্ষেত্রে যেমন তোড়জোড় দেখা গেছে, শিক্ষার মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে তেমন কোনো উদ্যোগ কি দেখা গেছে? না। বরং উচ্চশিক্ষায় মানের দিক থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নানা রেটিংয়ে এটা স্পষ্ট।
একটি শক্তিশালী, আধুনিক অর্থনীতি এবং একটি শক্তিশালী সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অপরিহার্য। আমাদের একুশ শতকের অর্থনীতির জন্য বিপুল জনগোষ্ঠীকে সুদক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত রাখা প্রয়োজন। তা ছাড়া প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে উদ্দীপ্ত করে। উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগের প্রভাব অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতার ওপর পড়ে; তাই সমাজের সর্বস্তর থেকেই উচ্চশিক্ষা পাওয়ার সুযোগ থাকা সামগ্রিকভাবে মঙ্গলজনক। ভারত ও চীন উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত করে সফলতা পেয়েছে। আমাদেরও এ থেকে শিক্ষা নিয়ে উচ্চশিক্ষা খাতে প্রয়োজনমাফিক সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত।
দেশের অর্থনীতি এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাঁরা ভাবেন, তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সম্মিলিতভাবে চিন্তা করা ও নীতি প্রণয়ন। সবার জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ অবারিত রাখতে হলে বেতন ও ফি হতে হবে ন্যায়সংগত। কিছুদিন পর পর নানাভাবে বেতন ও ফি বাড়ানো এবং তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মোটেও অভিপ্রেত নয়।
মাহবুব আলম, শ্যামলী, ঢাকা।
আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি
এ মুহূর্তে সর্বত্র আলোচনার বিষয়, সংবিধান সংশোধন এবং বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ফেরা। কিন্তু বাহাত্তরের যে সংবিধান নিয়ে এত আলোচনা, সেটা কতখানি ত্রুটিমুক্ত ছিল, সে প্রশ্নও আজ জরুরি হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী বাহাত্তরের সংবিধানকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল দলিল হিসেবে গণ্য করা হলেও তাতে এ দেশের আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। পরবর্তী ৩৮ বছরে এই সংবিধান বেশ কয়েক দফা সংশোধন করা হলেও তাতে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না।’ এতে বাংলাদেশের আদিবাসীরা তাদের যথাযথ মর্যাদা পায়নি।
প্রতিবাদ যে হয়নি, তা নয়। ’৭২-এর সাংবিধানিক গণপরিষদের একমাত্র আদিবাসী সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা গণপরিষদের অধিবেশনেই এই অসংগতির প্রতিবাদ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কথা সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার দাবি জানান। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রবল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তার সেই বক্তব্য সেদিন হারিয়ে গিয়েছিল।
এ কথা আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য যে বাংলাদেশে বাঙালি ছাড়াও অনেক জাতির মানুষ বসবাস করে। তাদের সবারই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা, এমনকি প্রথাগত স্থানীয় সরকার কাঠামো। এসব জাতি-সমপ্রদায়ভুক্ত মানুষের ভিন্ন ভিন্ন কৃষ্টি, আচার ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকেই কেবল সমৃদ্ধ করেনি; বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক বিকাশেও তা হয়ে উঠেছে অপরিহার্য অংশ।
আদিবাসীদের শুধু সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিলেই চলবে না, প্রতিটি আদিবাসী জাতিসত্তার ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকেও স্বীকৃতি দিতে হবে। আদিবাসীদের প্রধান সমস্যা হলো ভূমি। তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের কথা সংবিধানে লিপিবদ্ধ না থাকলে সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়টি অর্থপূর্ণ হবে না।
সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসন বরাবর প্রেরিত এক পত্রে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি বাসিন্দাদের যেন ‘উপজাতি’ হিসেবে গণ্য করা হয়, ‘আদিবাসী’ নয়। অন্যদিকে সংসদে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বিল’ (২০১০) পাস হয়েছে। এটি আইন আকারে গেজেটভুক্ত হওয়ার পর দেখা গেল, মাত্র ২৭টি জাতি-গোষ্ঠীকে তাতে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এগুলো আদিবাসীদের সম্পর্কে রাষ্ট্র, প্রশাসন তথা ক্ষমতাকাঠামোর ঔপনিবেশিক মানসিকতাই প্রকাশ করে। এমনকি এটা সংবিধানে বর্তমানে স্বীকৃত অধিকারেরও লঙ্ঘন।
৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশের আদিবাসীরাও দেড় দশক ধরে এ দিবসটি পালন করে আসছে। প্রতিবছর তারা সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিও তুলছে। এ বছর এই দাবি আরও জোরালো হবে বলেই মনে হয়। শুধু বক্তৃতা আর বিবৃতিতে নয়, আমাদের আইন প্রণেতা, সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ সংসদীয় কমিটির সদস্য আর ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার—সবাই আদিবাসীদের এ দাবিটি এবার পূরণে আন্তরিক হবেন, বিশ্ব আদিবাসী দিবসের প্রাক্কালে এটাই প্রত্যাশা।
তারেক আহমেদ
মিরপুর, ঢাকা।
অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করুন
মুনাফাখোর, মজুতদার, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাগরিকজীবন অতিষ্ঠ। একশ্রেণীর অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর সীমাহীন অর্থলিপ্সার শিকার। তারা ইচ্ছামতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ায়। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য জীবন-জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়েছে। দাম বাড়ানোর সময় তারা আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কথা বলে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে ওই দ্রব্যের মূল্য কমে গেলে তারা আর সে দ্রব্যের দাম কমায় না।
দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধির পরিণতিতে রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে চুল কাটার সেলুন পর্যন্ত সবাই নিজেদের ইচ্ছামতো মূল্য বাড়ায়। যে চিকিৎসকের ভিজিট দুই মাস আগে ছিল ৫০০ টাকা, তাঁর ভিজিট হয়ে গেল ৮০০ টাকা। কিছু বলার কেউ নেই, দেখার কেউ নেই। নগরের মধ্যে চলাচলকারী বাসের ভাড়া দুই টাকা থেকে রাতারাতি হয়ে গেল তিন টাকা। এমনকি ফটোস্ট্যাট মেশিনওয়ালারাও বাড়িয়ে দিল দাম। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির নিয়ন্ত্রণহীন প্রবণতা দেখা যায়; কিন্তু কোনো প্রতিকারের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।
রোজার মাস এগিয়ে আসছে; রোজার শেষে আসবে ঈদুল ফিতর। ইতিমধ্যে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীচক্র প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাকের ডগায় চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ চক্রটি আবার নতুন করে চালের সংকটের পাঁয়তারা করছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীচক্রের সঙ্গে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারীর সংস্থার কিছু লোকের গোপন যোগসাজশ রয়েছে। চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল কেলেংকারির নায়কদের নিয়ে প্রশাসন মনিটরিং কমিটি গঠন করে। তারা সেখানে নীতিনির্ধারকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ভুল পথে পরিচালিত করে থাকে।
একদিকে পণ্যদ্রব্যের মূল্য বেশি নিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা চলছে, অন্যদিকে দুধ ও মাছে ফরমালিন, ফলমূলে কার্বাইড ইত্যাদি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার করে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে চলেছে। শাকসবজি তাজা রাখার জন্যও ব্যবহূত হচ্ছে নানা রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। এ ছাড়া আছে ভেজালের বাড়াবাড়ি। নষ্ট, পচা খাদ্যশস্যের সঙ্গে ভালো খাদ্যশস্য (চাল, ডাল ইত্যাদি) বিক্রি করা হয়; বিভিন্ন গুঁড়া মসলায় ইটের গুঁড়ো, সরিষার তেলে সাইট্রিক অ্যাসিড মেশানো হয়। শিঙারা, চামুচা, পুরি ইত্যাদি খাবার তৈরিতে ভোজ্যতেলের সঙ্গে মেশানো হয় শিল্পকারখানায় ব্যবহার্য তেল (পোড়া মবিল, স্পিন্ডাল ওয়েল ইত্যাদি)। ভেজাল দুধ তৈরির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ গুঁড়ো দুধ বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশের বাজারে বিক্রি করা হয়, মাঝেমধ্যে তা ধরা পড়ে সংবাদ শিরোনাম হয়। গুঁড়ো দুধে মেলামিন নামের ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো নিয়ে একবার বেশ হইচই হলো। তারপর সব চুপচাপ। এখন আমাদের শিশুরা যেসব গুঁড়ো দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে, সেগুলো নিরাপদ কি না তা-ই বা কে জানে। বাজারে হরেক রকমের রঙিন পানীয়, ফ্রুটজুস এবং অন্যান্য খাবারে ক্ষতিকর রং ও প্রিজারভেটিভ মেশানো হয়। এগুলো সবই মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। কিডনি ও লিভারের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে মূলত এসব কারণেই।
অসাধু ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশকে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যের বাজার ও পরীক্ষাগারে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। নিম্নমধ্যবিত্তরা যা আয় করছেন তার সিংহভাগই ওষুধ ও চিকিৎসার খরচ জোগাতে চলে যাচ্ছে।
তাই সিন্ডিকেট করে দ্রব্যপণ্যের দাম বাড়ানো, খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো, মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য আমদানি ও বিক্রি ইত্যাদি অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। এ মুহূর্তে সরকারের চ্যালেঞ্জ আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা।
এস এম নাজের হোসাইন
সভাপতি, কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটি।
cab.chittagong@yahoo.com
সম্পাদকীয়’র প্রতিবাদ
১৪ জুলাই প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলবেন’ শিরোনামের সম্পাদকীয়টি দুই সপ্তাহ বিদেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানের নিমিত্তে অবস্থান করায় যথাসময়ে আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। যেভাবে বিষয়টি উল্লেখিত হয়েছে, যথার্থ নয়। সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সব সময় আমি সোচ্চার ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব। সে লক্ষ্যে কোনো অন্যায়কারী ও দুষ্কৃতকারীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া আমার নীতিবহির্ভূত।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা সীমান্তে বেশ কিছু দিন ধরেই ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় কালোবাজারি ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছে। আওয়ামী লীগের নেতারা তাঁকে অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং তা বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্ণপাত করেননি। সম্প্রতি একটি বড় ধরনের অপরাধের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। তাঁর কৃতকর্মের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাঁকে বদলি করে। একই সঙ্গে তাঁর কৃত কর্মকাণ্ড বিভাগীয় তদন্তের জন্য অুনরোধ জানানো হয়।
সমগ্র বিষয় সঠিকভাবে অনুসন্ধানপূর্বক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনা ও সম্পাদকীয় লেখা গণমাধ্যমের অপরিহার্য কর্তব্য। যেভাবে এ ঘটনার সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, আমি এর প্রতিবাদ জানাই।
আবদুল মতিন খসরু, সাংসদ; বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক।
পিন্টু-মিন্টুরা খেলবে কোথায়?
কিশোর বয়সী দুই ভাই পিন্টু ও মিন্টু ধানমন্ডির উল্টো দিকে স্টাফ কোয়ার্টারে থাকে। পরিবারটিকে আমি চিনি। ওদের মায়ের সহাস্য অনুযোগ হলো, স্কুল ছুটি হলেই দুই ভাই বাড়িতে কোনোরকমে বইপত্র রেখেই ছোটে রাস্তার ওপাশের ধানমন্ডির মাঠটাতে। ক্রিকেটের মৌসুমে ক্রিকেট খেলে আর ফুটবলের মৌসুমে ফুটবল। কিন্তু পিন্টু-মিন্টুর জন্য দুঃসংবাদ যে ধানমন্ডির মাঠটা পাঁচিলবন্দী হতে চলেছে। মাঠটায় এখন খেলবে কেবল ধানমন্ডি ক্লাবের পেশাদার খেলোয়াড়েরা।
এ দেশে কিছু মানুষ আছে, খোলা জায়গা দেখলেই তারা একটা কংক্রিটের স্থাপনা গড়তে চায়। এ ক্ষেত্রে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে ‘লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল’-এর নাম। অতি-উৎসাহী মোসাহেবদের কারণে অতীতে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সুযোগ মোসাহেবদের দেওয়া ঠিক নয়।
পাঁচিল দিয়ে ঘিরতে হলে প্রথমেই কাটা পড়বে বেশ কিছু গাছ। আর আজ পাঁচিল হয়েছে তো কাল অফিসঘর হবে, পরশু তার নিচে দোকান বসবে। ধানমন্ডি ক্লাবের কর্তাব্যক্তিরা বলেছেন যে দোকানপাট হবে না, কিন্তু এসব ব্যবসায়ী কর্মকর্তাদের মুখের কথার কি কোনো দাম আছে? তা ছাড়া আজ এক কমিটি, কিছুদিন পর আরেক কমিটি এসে সিদ্ধান্ত পাল্টে দিতে পারে। একসময়ের শান্ত-সবুজ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকাটা কীভাবে ক্রমেই দোকান ও ব্যবসার কেন্দ্র হয়ে উঠে আজ এক কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। নিঃশ্বাস ফেলার একটা জায়গা ছিল ধানমন্ডির ওই সবুজ মাঠটা। হারাধনের শেষ ছেলের মতো সেটাও এখন হারানোর পথে।
আমার বাসার পেছনেই ধানমন্ডির এই খেলার মাঠ। জানালা দিয়েই দেখা যায়, শত শত কিশোর বালক কত আনন্দে খেলাধুলা করছে। বিকেলবেলা ওইটুকু একটা মাঠ কষ্টেসৃষ্টে ভাগ ভাগ করে ক্রীড়ারত শত শত ছেলেকে দেখলে বোঝা যায়, ঢাকা শহরে খেলার মাঠের কতই না অভাব। ১১ জন পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করতে দুই হাজার বালক-কিশোরের জীবন থেকে খেলার আনন্দ চিরতরে ঘুচিয়ে দেওয়া কোনো সুবিবেচনার কাজ নয়, গণতান্ত্রিক তো নয়ই।
কেবল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কারও নাম ব্যবহার করেছে বলেই সর্বসাধারণের ব্যবহারের অত চমৎকার একটা মাঠের সমস্ত কর্তৃত্ব একটা বিশেষ ক্লাবকে দিয়ে ফেলা কতটা সংগত, সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রতি এই ধনী ক্লাবটার কর্তাব্যক্তিদের যদি সত্যিকারের ভালোবাসা থেকেই থাকে, তাহলে তাঁদের ক্লাবের অর্থে তাঁরা কোনো খালি জায়গা কিনে নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করে নেন না কেন? শত শত ছেলের একটা খেলার মাঠকে এভাবে কুক্ষিগত করা কেন?
ঢাকা শহরের এখন অনেক স্বাস্থ্যসজীব ফুসফুসের দরকার। ধানমন্ডির মাঠকে কংক্রিটের আবরণে ঢেকে মৃতপ্রায় এ শহরের আরও একটা ফুসফুসকে স্তব্ধ করে দেওয়ার যে পাঁয়তারা চলছে, সেটা এখনই বন্ধ হওয়া কাম্য। ধানমন্ডির এই মাঠটা যদি পাঁচিলবন্দী করেই ফেলা হয়, আমাদের পিন্টু আর মিন্টু তখন খেলবে কোথায়?
তানভীর মোকাম্মেল, চলচ্চিত্র নির্মাতা, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 04
(150)
- লাশ হচ্ছে শত শত জেলেঃ নিরাপত্তা দিতে পারছে না প্রশাসন
- বিদ্যুেকন্দ্র উদ্বোধনের পরই বন্ধঃ দিনবদলের সাফল্য...
- এ সরকারের প্রথম বছরেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন হয়...
- বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতির সঙ্কট অত্যাসন্ন by অধ্যা...
- মসজিদে নববীর আদলে বাংলাদেশের মসজিদ যেসব বিষয় ভাবতে...
- ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় বাণিজ্যিক ব্যাংকঃ ব্যাংকিংয়ে স...
- এরই নাম কি সংসদীয় রাজনীতি? by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- যমুনার চরে জাহাজ আটকা পড়েছেঃ টাকার শ্রাদ্ধ না করে ...
- চারদিক-যুদ্ধ নাকি শান্তির জন্য! by এম এম খালেকুজ্জ...
- স্থানীয় সরকার-বৃত্ত ও বৃত্তান্ত by তোফায়েল আহমেদ
- মধ্যপ্রাচ্য-গাছের কারণে যুদ্ধ! by রবার্ট ফিস্ক
- শিক্ষার সংকট-প্রশ্নটা বেতন-ফির নয়, বিশ্ববিদ্যালয় ব...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-সংবিধানের কতখানি সংশোধন হতে পারে ...
- সরকারি হাসপাতালে বেহাল চিকিৎসাব্যবস্থা-চিকিৎসকদের ...
- যোগাযোগের ‘হার্ড’ ও ‘সফট’ খাতের জন্য সুসংবাদ-স্বতন...
- গন্তব্য ঢাকা-গ্রামে তো আর ফিরতে পারি না by শর্মিলা...
- সপ্তাহের হালচাল-গণতন্ত্রের রেলগাড়িটি কোন পথে? by আ...
- অভিমত ভিন্নমত
- দিল্লির চিঠি-রাজনৈতিক দলের ভেতর গণতন্ত্র by কুলদীপ...
- বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে জরুরি-চিন্তা যখন...
- ব্যর্থতার দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে-চট্টগ্রাম বিশ...
- চলতি পথে-বিরিশিরির আদিবাসী জাদুঘরে by দীপংকর চন্দ
- কয়লাখনি-‘উন্মুক্ত না, বিদেশি না, রপ্তানি না’: কেন?...
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর-জাদুঘরচর্চার আন্তর্জাতিক সংহতি ...
- গদ্যকার্টুন-মন্ত্রীরা কেন শুল্কমুক্ত গাড়ি পাবেন না...
- সহজিয়া কড়চা-আমার জানা ও দেখা শাসকদের ইতিকথা by সৈয়...
- ভালো, তবে ফাঁকফোকর পূরণে নিষ্ঠা দরকার-পরিবেশ সংরক্...
- সহযোগিতা ও সমন্বয়ের বিকল্প নেই-স্থানীয় প্রশাসন ও প...
- স্মরণ-এমন মানুষও ছিল একদিন by বিপ্লব বালা
- সরল গরল-পাকিস্তানের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে by মিজান...
- শ্রমশক্তি-বাংলাদেশের শ্রমিক কি অদক্ষ? by খোন্দকার ...
- রাজনীতি-তাহলে তিনি কি প্রদেশের নেত্রী? by সোহরাব হ...
- সাদাসিধে কথা-ল্যাপটপে লেখাপড়া? by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অদক্ষ চালক ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দূর করতে হবে-সড়ক ...
- শ্রমিকের নৈরাজ্য ও মালিকের কঠোরতা পরিহার্য-পোশাকশ্...
- চারদিক-দিনটা যখন বন্ধুর জন্য by শারমিন নাহার
- গণমাধ্যম-‘তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’! by সুমন রহমান
- জন্মদিন-শতায়ু হোন এম আর খান by নান্টু রায়
- আফগানিস্তান-আফগান যুদ্ধের দিন শেষ by তারিক আলী
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-কোপেনহেগেনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন...
- সবার উত্কণ্ঠার অবসান ঘটাতে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন-বি...
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে-রাজনৈতিক দলের...
- চারদিক-পাতাম বানানোর গ্রাম by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- কালের পুরাণ-আদালত ভুল স্বীকার করলেন, রাজনীতিকেরা ক...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-প্রথাগত মালিকানার স্বীকৃতি আগে,...
- প্রতিক্রিয়া-‘কেন এই নিষ্ঠুরতা’ by মোশাহিদা সুলতানা...
- গতকাল সমকাল-আফগানিস্তান সমস্যার গোলকধাঁধা by ফারুক...
- আদালতের রায় সবাইকে মেনে চলতে হবে-অননুমোদিত আবাসন প...
- দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থার সম্পর্ক ফিরিয়ে আন...
- স্মরণ-জননেতা নূরুল ইসলাম by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- খোলা চোখে-মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখুন by...
- গোধূলির ছায়াপথে-একটি বড় শূন্য by মুস্তাফা জামান আব...
- আপিল বিভাগের রায়-ভবিষ্যতের বিপর্যয় এড়ানোর শিক্ষা b...
- শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা থেকে কি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ...
- সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ, সংসদের সামনে অনেক দায়িত্ব...
- লোহাগাড়া সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অনিয়ম দুর্নীতি দ...
- প্রকৃতিকে পোষ মানিয়ে জাকারিয়ার আপন ভুবন by আল রাহমান
- চট্টগ্রাম ভূমি হুকুম দখল বিভাগ-জমা আছে ৬০ কোটি কিন...
- খাল খননের জন্য কাটা হলো আড়াই হাজার গাছ! by ইব্রাহি...
- এবার পাহাড় কাটা চলছে নতুন কৌশলে by মোহাম্মদ রফিক
- ক্যানসারে আক্রান্ত নাট্যকর্মীর সাহায্যার্থে ঢাকায় ...
- মহড়াকক্ষ থেকে-বিড়াল হবে শহরের মেয়র by তারিকুর রহমা...
- নাট্য উপস্থাপনায় আধুনিকতা থাকবে by শফিক আল মামুন
- বালামের গল্প
- তিন্নির ফেরা by কামরুজ্জামান
- আবার ছাত্রনেতা হত্যা
- দুর্নীতির বিষবৃক্ষ
- মানুষের মুখ-‘একটা তোড়া লন, আফা’ by সৈয়দা আখতার জাহান
- দূরদেশ-সংবিধান সংশোধনে সবাইকে দরকার by আলী রীয়াজ
- বিশ্ব বাঘ দিবস-বাঘের জন্য by খসরু চৌধুরী
- বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি-আঙ্গু কাবিলা বনাম মাঙ্গু কাবিল...
- জনপ্রতিনিধি-সাংসদদের ‘বিশেষ অধিকার’ সীমাহীন হতে পা...
- দুর্যোগ সীমিত হলেও সরকারের প্রস্তুতি রাখতে হবে-বন্...
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই চূড়ান্ত লক্ষ্য-মানবতাবিরোধী ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ওহুদ যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে মুসল...
- জন্মদিন-চিরপথের সঙ্গী আমার by লায়লা হাসান
- পোশাকশিল্প-‘তিন হাজার টাকা’ by শাহদীন মালিক
- ধর্ম-শবে বরাত সৌভাগ্য ও মুক্তির রজনী by মুহাম্মদ আ...
- বাঘা তেঁতুল-দেশীয় অস্ত্রের ঠাট by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-ক্ষমতা কীভাবে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে by...
- নিয়ন্ত্রকদের অস্থিরতা অগ্রহণযোগ্য, বিনিয়োগকারীর সত...
- আগামী দিনগুলো মঙ্গলময় হয়ে উঠুক এই রাতের কল্যাণে-পব...
- রবার্ট ফিস্ক-মনে পড়ে যৌথবাহিনীর বোমায় বেসামরিক লো...
- গহন গহীন-জিশিন, সুনামি ও হিবিকুশা! by ফখরুজ্জামান ...
- বহে কাল নিরবধি-শেষ দেখতে সময় লাগবে by এম আবদুল হাফিজ
- চরাচর-বিশ্ব পানি দিবস : বিশুদ্ধ পানি আর কত দূর by ...
- কক্সবাজারকে বিদেশিদের কাছে কী করে আরো আকর্ষণীয় করা...
- কল্পকথার গল্প-চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দেয় না by আলী ...
- হাওরবাসীর অধিকার by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
- অভিযোগপত্র গ্রহণ-বিএনপিপন্থী ২৫ আইনজীবীর জামিন মঞ্জুর
- বাজেটে অব্যাহত থাকছে সুবিধা by আবুল কাশেম
- শেয়ারবাজার-পরিচালকদের সময় বৃদ্ধির পক্ষে সবাই by তে...
- চুনাপাথরের খনির সন্ধান মিলল জয়পুরহাটে
- বিশেষজ্ঞদের অভিমত-নিজস্ব অর্থায়নেই বাজেট প্রণয়ন সম...
- হুইপের ওপর হামলা-দুই ওসি প্রত্যাহার পুলিশ বাদী হয়ে...
- ভবদহে ক্ষোভের আগুন বহুদিনের by ফখরে আলম
- যুক্তরাষ্ট্রের তিন লক্ষ্য by মেহেদী হাসান
- রমজানে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া-কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদ...
- চারদিক-নৌকাবাইচ by আকমল হোসেন
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-জরিপ আগে না মালিকানা আগে by এ এ...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-বিশ্বকাপ ও রেফারি রঙ্গ by আতাউর র...
- বীজের অধিকার-জলবায়ু পরিবর্তন প্লাস খাদ্যনিরাপত্তা ...
- সরল গরল-সংবিধান সংশোধনে কথা রাখবে আওয়ামী লীগ? by ম...
- অবিলম্বে তদন্তের মাধ্যমে বিহিত করা প্রয়োজন-বোর্ডের...
- আইন সংশোধনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তৎপর হোক-ইউপি...
- ডাকাতের হাতে by তারাপদ রায়
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-মেয়েশিশুরা কেন গোলাপি জামা পরে? by আব্দুল ক...
- বিতর্ক নিরসনের এখনই সময়-পুলিশ থেকে নিরাপদ দূরত্ব
- নিরাপদ দূরত্বে থেকে পাওয়া সংবাদ-নিরাপদ দূরত্ব
- গোলটেবিল বৈঠক-নগরজীবনে শিশুরা
- চারদিক-স্বপ্নের শুরু যেখানে by মাহা নাশিতা মৃত্তিকা
- গণমাধ্যম-সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের জবাবদিহি...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-পদ্মা সেতুই একদিন দেশে...
- অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন-ভোটার তালিকা হাল...
- তরুণসমাজকেই নেতৃত্ব দিতে হবে-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-দায়িত্বশীল ব্যবসার স্বীকৃতি
- হামলার ঘটনায় দুই ওসি প্রত্যাহার, দুই থানায় পৃথক মা...
- ৩ বছরে নতুন উচ্চতায় দ্রব্যমূল্য by রাজীব আহমেদ
- যে কাউকে সচিব করবে সরকার! by আশরাফুল হক রাজীব
- বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজি
- নৃশংস, বীভৎস
- পবিত্র কোরআনের আলো-তাবুক অভিযান থেকে যারা কৌশলে ব...
- মিসর কি গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? by ক্যাথেরিন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মাহবুবুল আলম-হুমকি-ধমকি মোকাবিল...
- হীরক রাজার দেশে পুলিশের বেশে by তাওহিদ মিলটন
-
▼
Jun 04
(150)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment