Monday, February 6, 2012
মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্রে সোনার পাথরবাটি by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্রে সোনার পাথরবাটি by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
প্রতিটি পদ্ধতির স্বকীয়তা থাকে। স্বকীয়তার গণ্ডি কখনো সংকীর্ণ, কখনো কিছুটা বিস্তৃত। পদ্ধতি কখনোই সীমা অতিক্রম করে না। গণ্ডি অতিক্রম করলে স্বকীয়তা বজায় থাকে না। পদ্ধতিটি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে পড়ে। গণতন্ত্র একটি পদ্ধতি। গণতন্ত্রেরও স্বকীয়তা আছে। স্বকীয়তা বজায় রাখার গণ্ডি রয়েছে। গণতন্ত্রেরও বিচরণ ক্ষেত্রের সীমা-পরিসীমা আছে, যার বাইরে বিচরণ করলে স্বকীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
তুলনা হিসেবে রাজতন্ত্রের কথা বলা যায়। রাজতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য বা স্বকীয়তা হলো জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাজার অবস্থান। রাজা মরণশীল ব্যক্তি হলেও রাজরক্ত অমর থাকবে এবং অবিচ্ছিন্নভাবে চলমান থাকবে। চলমানতায় কোনো বিরতি বা ছেদ থাকবে না। কোথাও রাজার জ্যেষ্ঠ পুত্র রাজা হবেন। নিঃসন্তান হলে ভাই বা ভাইয়ের সন্তান রাজা হবেন। উত্তরাধিকারী এক বছরের শিশুসন্তান হলেও রাজার মৃত্যুর পর সেই অভিষিক্ত হবে রাজা হিসেবে। কোনো রাজতন্ত্রে এমন ব্যবস্থা নেই যে উত্তরাধিকারী নাবালক হলে তার সাবালক হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বা রাজপরিবারবহির্ভূত কোনো ব্যক্তি রাজা হবেন, তিনি যত গুণী ব্যক্তিই হন না কেন। নাবালক উত্তরাধিকারীর অভিভাবক হতে পারবেন, কিন্তু রাজা হতে পারবেন না। রাজা হবে ওই শিশুটিই। কারণ একটাই। রাজরক্তের চলমানতা। এই চলমানতায় ছেদ পড়বে না। ছেদ পড়লেই রাজতন্ত্র লঙ্ঘিত হবে।
একইভাবে কোনো রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকলে, গণতন্ত্রের স্বকীয়তা হবে চলমানতা। গণতন্ত্রে ছেদ পড়তে পারবে না। ছেদ পড়ল ওই সময় গণতন্ত্র থাকে না। রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র বিলুপ্ত হয়। এ কারণে গণতন্ত্র হত্যা করে বলপ্রয়োগ করে সামরিক শাসন জারি করার পর গণতন্ত্রে ছেদ পড়ে। কিছুকাল পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেও সামরিক শাসনকাল গণতন্ত্রের বিচারে অবৈধ হয়েই থাকবে। জোড়াতালির কোনো অবকাশ নেই। সামরিক শাসন গণতন্ত্রের বিনাশক। গণতন্ত্রের চলমানতায় ছেদ পড়ে সামরিক শাসনে। গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হয় এবং বিরতিকালকে অগণতান্ত্রিকই বলতে হয়।
রাষ্ট্রের রিপাবলিক বা গণতান্ত্রিক চরিত্র বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। গণতন্ত্রের আক্ষরিক অর্থ নাগরিকদের শাসন। প্রাচীন গ্রিসে নগররাষ্ট্রে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেতেন। বর্তমানে সিটি স্টেট বা নগররাষ্ট্রের বিবর্তন ঘটে ভূখণ্ড-রাষ্ট্রের প্রচলন ঘটেছে এবং একটি নগরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে ওই ভূখণ্ডের বিশাল জনগোষ্ঠীর সবাই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন না। তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাঁদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে থাকেন। এটাই গণতান্ত্রিকতা। এটাই গণতন্ত্রের স্বকীয়তা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এই স্বকীয়তায় ছেদ পড়তে পারবে না। চলমানতায় কোনো বিরতি গ্রহণযোগ্য হবে না। রাজতন্ত্রে যেমন রাজার না হলেও রাজরক্তের অবিচ্ছিন্ন চলমানতা থাকে, তেমনি গণতন্ত্রে নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা সরকার পরিচালনায় অবিচ্ছিন্ন চলমানতা অপরিহার্য। এখানে কোনো বিরতি বা ছেদ গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বিরতিকালে গণতন্ত্র থাকে না। রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র ক্ষুণ্ন হয়।
গণতান্ত্রিক চলমানতায় 'অন্তর্বর্তীকাল' বলে কোনো কথা নেই। অন্তর্বর্তীকাল অর্থই হলো চলমানতায় ছেদন। চলমানতা বিঘি্নত হলে গণতন্ত্র থাকে না; অন্তত অন্তর্বর্তীকালে। গণতান্ত্রিক চলমানতায় ছেদ পড়তে পারে দুইভাবে। শক্তি প্রয়োগ দ্বারা অথবা সমঝোতায়। গণতান্ত্রিক সরকার হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখল করা সামরিক শাসনের বৈশিষ্ট্য। রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সমঝোতা দ্বারা অনির্বাচিত 'তত্ত্বাবধায়ক' সরকার গঠন শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্র পরিহার করার দৃষ্টান্ত। উভয় ক্ষেত্রেই নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ছেদ পড়ে, যা রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র হরণ করে থাকে। অবশ্য সামরিক আইনের জবরদখল এবং তত্ত্বাবধায়কের সমঝোতার মধ্যে গণতান্ত্রিক চরিত্র হরণের ধরন ও মাত্রার পার্থক্য অনেক। নাগরিকদের কাছে এ দুইয়ের গ্রহণযোগ্যতার পার্থক্যও পর্বতপ্রমাণ।
সম্প্রতি বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে, উচ্চ আদালত কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করার পর থেকে। উচ্চ আদালত বিচার করছে সম্পূর্ণ আইনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। সেখানে তাত্তি্বকতা নেই। কোনো দল বা গোষ্ঠীর চিন্তাচেতনা নেই। ভালোমন্দ চিন্তার অবকাশ নেই। দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। সাংবিধানিক আইনের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য কি না, সেটাই একমাত্র বিবেচ্য।
আমরা সাধারণ নাগরিকরা বিশেষজ্ঞ নই। আমাদের সুবিধা এখানেই। বিশেষ কোনো জ্ঞান আমাদের দৃষ্টি আচ্ছন্ন করে না। সাধারণ জ্ঞানের স্বচ্ছতাই আমাদের দৃষ্টিকে প্রখর করে। সেই স্বচ্ছতা দিয়েই আমরা বিশ্লেষণ করব বিষয়টি।
সংবিধানে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নামকরণ করা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'। চার মূলনীতিতে রয়েছে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তা, ধর্মনিরপেক্ষতা। সংবিধানের প্রস্তাবনায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার রয়েছে। সংবিধানের ১ ধারায়ই রাষ্ট্রটিকে একটি 'প্রজাতন্ত্র' হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইংরেজি 'রিপাবলিক' শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ হলো 'প্রজাতন্ত্র'। ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন, রিপাবলিক বা প্রজাতন্ত্র অর্থ কী? নিবন্ধের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রের সব নাগরিকের রাষ্ট্রশাসন প্রক্রিয়াই হলো প্রজাতন্ত্র। নাগরিক অর্থে প্রজা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এর আদিরূপ আমরা দেখতে পাই নগররাষ্ট্রে, যেখানে সব নাগরিক মিলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিতেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। নগররাষ্ট্রের জনসংখ্যা ছিল কয়েক শ বা হাজার। কালের বিবর্তনে রাষ্ট্রের পরিধি সম্প্রসারিত হয়েছে। নগরের পরিধি পেরিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ২(ক) ধারায় রাষ্ট্রসীমা নির্ধারণ করা রয়েছে যে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার আগে যেসব এলাকা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল, ওই সব এলাকা নিয়ে বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে।
সংবিধানে বর্ণিত এলাকা বা ভূখণ্ডে তখন লোকসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি, যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে কমবেশি ১৬ কোটি। কাজেই নগররাষ্ট্রের মতো সব নাগরিক মিলে রাষ্ট্রশাসন সম্ভব নয়। ভূখণ্ডভিত্তিক কোনো আধুনিক রাষ্ট্রের পক্ষেই এটা সম্ভব নয়। ওই কারণে রিপাবলিকের বিবর্তিত ধারণা হচ্ছে, 'সকল নাগরিকের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা রাষ্ট্রশাসন।' বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(১) ধারায় ওই ধারণার প্রকাশ ঘটেছে_'প্রজাতন্ত্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।' পরবর্তী পর্যায়ে লেজিসলেচার অধ্যায়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান দান করা হয়েছে। এভাবেই সংবিধানে গণতন্ত্র সংজ্ঞায়িত ও ব্যাখ্যাত। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়লে, বিরতিকালে গণতান্ত্রিকতা ব্যাহত হয় বিধায় ওই সময়টুকু এবং ওই সময়ের বিধিবিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়। কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নির্ধারণের দায়িত্ব উচ্চ আদালতের। অতএব, উচ্চ আদালত সাংঘর্ষিক ঘোষণা করার পর সংশ্লিষ্ট আইন বাতিল বলে গণ্য হয়। সংবিধানের ৭(২) ধারামতে, 'অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সঙ্গে অসমাঞ্জস্য হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসমাঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।'
উচ্চ আদালত কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঘোষণার পর 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' বিধান স্বভাতই বিলুপ্ত হয়েছে। এ নিয়ে বোধকরি মতবিরোধ নেই। গোল বেঁধেছে পরবর্তী করণীয় নিয়ে। উচ্চ আদালত বলছেন, সংসদ চাইলে পরবর্তী দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে হতে পারবে। প্রশ্ন উঠেছে, সংসদ চাইলেও অসামঞ্জস্য বিধান অবৈধ নয়? তাহলে বাতিলের পর তা কিভাবে কার্যকর হবে?
উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভূতাপেক্ষ বাতিল করেনি, যদিও অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। প্রশ্ন জাগবে, যে পদ্ধতি সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তা অতীতেও যেমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনই থাকবে। কাজেই ভবিষ্যতের জন্য বাতিল ঘোষিত হলে, অতীতের জন্য বাতিল হবে না কেন? প্রকৃতপক্ষে অতীতের অসংগতিও বাতিলযোগ্য, কিন্তু বাতিল করা হয়নি বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে। এই দ্বৈত আচরণ কেন এবং দ্বৈত আচরণের ক্ষমতা কি আদালতের আছে?
আদালতের হাত নাকি অনেক লম্বা। মানবজাতির সুদীর্ঘকাল আইন পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে এই আপস। সংসদ আইনপ্রণেতা। প্রশাসন আইনপ্রয়োগকারী। বিচার বিভাগ মিলিয়ে দেখবে কর্ম আইনানুযায়ী হয়েছে কি না। মেলাতে গিয়ে যদি এমন সমস্যার উদ্ভব হয় যে আইনের নিক্তি মেপে রায় দিলে সমাধান হয় না, বরং সমস্যা বেড়ে যায়। তখন উচ্চ আদালতের সহজাত ক্ষমতা হলো 'মার্জনা' করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত বেশ কটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এগুলো নির্বাচিত নয় বিধায় গণতান্ত্রিক নয়। বরং সমঝোতার সরকার হিসেবে সবাই মেনে নিয়েছে। সংবিধানের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার সঙ্গে এর অসংগতি রয়েছে_এ কথা যেমন সত্য, তেমনি সবাই মেনে নিয়েছে, এ কথাও সত্য। ঘটে যাওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করলে, তার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনও বাতিল হয়ে যায়, সংসদ বাতিল হয়ে যায়; কাজকর্ম বাতিল হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া অসংগতি 'মার্জনা' করাই কি শ্রেয় নয়? সম্ভবত আদালত এ কারণেই বাতিল আদেশের ভূতাপেক্ষ কার্যকারণ দেননি। এই মার্জনার কারণে জটিলতা পরিহার করা হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের ভবিষ্যৎ কার্যকারণ বিষয়টি বিশ্লেষণ করা যাক। যে ব্যবস্থা সংবিধানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়, সেটি ভবিষ্যতে কেন ঘটবে? সংবাদপত্রের প্রতিবেদন পাঠ করে যেটুকু বোঝা গেল, তা হলো ভবিষ্যতের দুটি নির্বাচনের জন্যও আদালত 'মার্জনা' করেছেন, তবে শর্ত থাকে যে 'যদি সংসদ তেমনি চায়।' অর্থাৎ সংসদ চাইলে পরবর্তী দুটি নির্বাচন কোনো ধরনের অসংগতিপূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের 'ত্রুটি' আদালত অগ্রিম 'মার্জনা' করেছেন। এ মার্জনা গ্রহণ করা যেতে পারে, আবার গ্রহণ না করাও যেতে পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এত উদার ব্যবস্থা?
কেন_এর উত্তর এরই মধ্যে পেতে শুরু করেছি। ১২ ঘণ্টা ও ৩৬ ঘণ্টার হরতাল আমরা দেখেছি। এরপর নাকি ৪৮ ঘণ্টা এবং লাগাতারের পালা। এর অর্থ কী? পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়ে থাকে। সমস্যা বাংলাদেশে। সরকার ও বিরোধী দলের পরস্পরের প্রতি আস্থার প্রবল সংকট, তা যতই অযৌক্তি হোক না কেন। সম্ভবত এ কারণেই আদালত দুটি নির্বাচনের ভবিষ্যৎ মার্জনার ব্যবস্থা রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার দায়িত্ব সংসদের ওপর ন্যস্ত করেছেন। লক্ষণীয়, আদালত ভবিষ্যৎ দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে করার অনুমোদন দেননি, প্রস্তাবনাও করেননি। আস্থা সংকটের ফলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সামলে দেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদকে অসংগতিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাময়িক সুযোগ বজায় রেখেছেন। এটাই হতে পারে উচ্চ আদালতের আগাম মার্জনা ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতা।
জনগণ গভীর আগ্রহে লক্ষ করছে, রাজনৈতিক নেতারা কি গণতান্ত্রিক ব্যবহার প্রদর্শন করবেন, নাকি এখনো 'অপরিণত' ব্যবহার প্রদর্শন করতে থাকবেন। পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশ গণতন্ত্রচর্চায় সাংবিধানিকভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েও নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারছে না। এটা কী আমাদের গণতান্ত্রিক অপরিপক্বতা, নাকি কোনো কোনো দলের ইচ্ছাকৃত অপকৌশল। রিপাবলিক বা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে থাকতে হবে নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক সরকার। ছেদ পড়ার সুযোগ নেই। ছেদ পড়লেই গণতন্ত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। গণতন্ত্রে অগণতান্ত্রিকতার মিশ্রণ ঘটে। হয়ে দাঁড়ায় সোনার পাথরবাটির মতো! তা ছাড়া অগণতান্ত্রিক সরকারের অশুভ শক্তির সমর্থনে দীর্ঘায়িত হওয়ার যে উদগ্র বাসনা থাকে, তা তো ২০০৭-০৮ দুই বছরে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। অতএব, যত শিগগির আমরা গণতান্ত্রিক অপরিপক্বতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, তত দ্রুত গণতন্ত্র বিষয়ে সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা সফলকাম হব।
লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কলামিস্ট
একইভাবে কোনো রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকলে, গণতন্ত্রের স্বকীয়তা হবে চলমানতা। গণতন্ত্রে ছেদ পড়তে পারবে না। ছেদ পড়ল ওই সময় গণতন্ত্র থাকে না। রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র বিলুপ্ত হয়। এ কারণে গণতন্ত্র হত্যা করে বলপ্রয়োগ করে সামরিক শাসন জারি করার পর গণতন্ত্রে ছেদ পড়ে। কিছুকাল পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেও সামরিক শাসনকাল গণতন্ত্রের বিচারে অবৈধ হয়েই থাকবে। জোড়াতালির কোনো অবকাশ নেই। সামরিক শাসন গণতন্ত্রের বিনাশক। গণতন্ত্রের চলমানতায় ছেদ পড়ে সামরিক শাসনে। গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হয় এবং বিরতিকালকে অগণতান্ত্রিকই বলতে হয়।
রাষ্ট্রের রিপাবলিক বা গণতান্ত্রিক চরিত্র বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। গণতন্ত্রের আক্ষরিক অর্থ নাগরিকদের শাসন। প্রাচীন গ্রিসে নগররাষ্ট্রে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেতেন। বর্তমানে সিটি স্টেট বা নগররাষ্ট্রের বিবর্তন ঘটে ভূখণ্ড-রাষ্ট্রের প্রচলন ঘটেছে এবং একটি নগরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে ওই ভূখণ্ডের বিশাল জনগোষ্ঠীর সবাই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন না। তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাঁদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে থাকেন। এটাই গণতান্ত্রিকতা। এটাই গণতন্ত্রের স্বকীয়তা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এই স্বকীয়তায় ছেদ পড়তে পারবে না। চলমানতায় কোনো বিরতি গ্রহণযোগ্য হবে না। রাজতন্ত্রে যেমন রাজার না হলেও রাজরক্তের অবিচ্ছিন্ন চলমানতা থাকে, তেমনি গণতন্ত্রে নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা সরকার পরিচালনায় অবিচ্ছিন্ন চলমানতা অপরিহার্য। এখানে কোনো বিরতি বা ছেদ গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বিরতিকালে গণতন্ত্র থাকে না। রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র ক্ষুণ্ন হয়।
গণতান্ত্রিক চলমানতায় 'অন্তর্বর্তীকাল' বলে কোনো কথা নেই। অন্তর্বর্তীকাল অর্থই হলো চলমানতায় ছেদন। চলমানতা বিঘি্নত হলে গণতন্ত্র থাকে না; অন্তত অন্তর্বর্তীকালে। গণতান্ত্রিক চলমানতায় ছেদ পড়তে পারে দুইভাবে। শক্তি প্রয়োগ দ্বারা অথবা সমঝোতায়। গণতান্ত্রিক সরকার হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখল করা সামরিক শাসনের বৈশিষ্ট্য। রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সমঝোতা দ্বারা অনির্বাচিত 'তত্ত্বাবধায়ক' সরকার গঠন শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্র পরিহার করার দৃষ্টান্ত। উভয় ক্ষেত্রেই নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ছেদ পড়ে, যা রাষ্ট্রের রিপাবলিক চরিত্র হরণ করে থাকে। অবশ্য সামরিক আইনের জবরদখল এবং তত্ত্বাবধায়কের সমঝোতার মধ্যে গণতান্ত্রিক চরিত্র হরণের ধরন ও মাত্রার পার্থক্য অনেক। নাগরিকদের কাছে এ দুইয়ের গ্রহণযোগ্যতার পার্থক্যও পর্বতপ্রমাণ।
সম্প্রতি বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে, উচ্চ আদালত কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করার পর থেকে। উচ্চ আদালত বিচার করছে সম্পূর্ণ আইনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। সেখানে তাত্তি্বকতা নেই। কোনো দল বা গোষ্ঠীর চিন্তাচেতনা নেই। ভালোমন্দ চিন্তার অবকাশ নেই। দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। সাংবিধানিক আইনের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য কি না, সেটাই একমাত্র বিবেচ্য।
আমরা সাধারণ নাগরিকরা বিশেষজ্ঞ নই। আমাদের সুবিধা এখানেই। বিশেষ কোনো জ্ঞান আমাদের দৃষ্টি আচ্ছন্ন করে না। সাধারণ জ্ঞানের স্বচ্ছতাই আমাদের দৃষ্টিকে প্রখর করে। সেই স্বচ্ছতা দিয়েই আমরা বিশ্লেষণ করব বিষয়টি।
সংবিধানে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নামকরণ করা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'। চার মূলনীতিতে রয়েছে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তা, ধর্মনিরপেক্ষতা। সংবিধানের প্রস্তাবনায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার রয়েছে। সংবিধানের ১ ধারায়ই রাষ্ট্রটিকে একটি 'প্রজাতন্ত্র' হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইংরেজি 'রিপাবলিক' শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ হলো 'প্রজাতন্ত্র'। ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন, রিপাবলিক বা প্রজাতন্ত্র অর্থ কী? নিবন্ধের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রের সব নাগরিকের রাষ্ট্রশাসন প্রক্রিয়াই হলো প্রজাতন্ত্র। নাগরিক অর্থে প্রজা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এর আদিরূপ আমরা দেখতে পাই নগররাষ্ট্রে, যেখানে সব নাগরিক মিলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিতেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। নগররাষ্ট্রের জনসংখ্যা ছিল কয়েক শ বা হাজার। কালের বিবর্তনে রাষ্ট্রের পরিধি সম্প্রসারিত হয়েছে। নগরের পরিধি পেরিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ২(ক) ধারায় রাষ্ট্রসীমা নির্ধারণ করা রয়েছে যে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার আগে যেসব এলাকা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল, ওই সব এলাকা নিয়ে বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে।
সংবিধানে বর্ণিত এলাকা বা ভূখণ্ডে তখন লোকসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি, যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে কমবেশি ১৬ কোটি। কাজেই নগররাষ্ট্রের মতো সব নাগরিক মিলে রাষ্ট্রশাসন সম্ভব নয়। ভূখণ্ডভিত্তিক কোনো আধুনিক রাষ্ট্রের পক্ষেই এটা সম্ভব নয়। ওই কারণে রিপাবলিকের বিবর্তিত ধারণা হচ্ছে, 'সকল নাগরিকের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা রাষ্ট্রশাসন।' বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(১) ধারায় ওই ধারণার প্রকাশ ঘটেছে_'প্রজাতন্ত্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।' পরবর্তী পর্যায়ে লেজিসলেচার অধ্যায়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান দান করা হয়েছে। এভাবেই সংবিধানে গণতন্ত্র সংজ্ঞায়িত ও ব্যাখ্যাত। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়লে, বিরতিকালে গণতান্ত্রিকতা ব্যাহত হয় বিধায় ওই সময়টুকু এবং ওই সময়ের বিধিবিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়। কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নির্ধারণের দায়িত্ব উচ্চ আদালতের। অতএব, উচ্চ আদালত সাংঘর্ষিক ঘোষণা করার পর সংশ্লিষ্ট আইন বাতিল বলে গণ্য হয়। সংবিধানের ৭(২) ধারামতে, 'অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সঙ্গে অসমাঞ্জস্য হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসমাঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।'
উচ্চ আদালত কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঘোষণার পর 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' বিধান স্বভাতই বিলুপ্ত হয়েছে। এ নিয়ে বোধকরি মতবিরোধ নেই। গোল বেঁধেছে পরবর্তী করণীয় নিয়ে। উচ্চ আদালত বলছেন, সংসদ চাইলে পরবর্তী দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে হতে পারবে। প্রশ্ন উঠেছে, সংসদ চাইলেও অসামঞ্জস্য বিধান অবৈধ নয়? তাহলে বাতিলের পর তা কিভাবে কার্যকর হবে?
উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভূতাপেক্ষ বাতিল করেনি, যদিও অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। প্রশ্ন জাগবে, যে পদ্ধতি সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তা অতীতেও যেমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনই থাকবে। কাজেই ভবিষ্যতের জন্য বাতিল ঘোষিত হলে, অতীতের জন্য বাতিল হবে না কেন? প্রকৃতপক্ষে অতীতের অসংগতিও বাতিলযোগ্য, কিন্তু বাতিল করা হয়নি বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে। এই দ্বৈত আচরণ কেন এবং দ্বৈত আচরণের ক্ষমতা কি আদালতের আছে?
আদালতের হাত নাকি অনেক লম্বা। মানবজাতির সুদীর্ঘকাল আইন পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে এই আপস। সংসদ আইনপ্রণেতা। প্রশাসন আইনপ্রয়োগকারী। বিচার বিভাগ মিলিয়ে দেখবে কর্ম আইনানুযায়ী হয়েছে কি না। মেলাতে গিয়ে যদি এমন সমস্যার উদ্ভব হয় যে আইনের নিক্তি মেপে রায় দিলে সমাধান হয় না, বরং সমস্যা বেড়ে যায়। তখন উচ্চ আদালতের সহজাত ক্ষমতা হলো 'মার্জনা' করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত বেশ কটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। এগুলো নির্বাচিত নয় বিধায় গণতান্ত্রিক নয়। বরং সমঝোতার সরকার হিসেবে সবাই মেনে নিয়েছে। সংবিধানের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার সঙ্গে এর অসংগতি রয়েছে_এ কথা যেমন সত্য, তেমনি সবাই মেনে নিয়েছে, এ কথাও সত্য। ঘটে যাওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করলে, তার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনও বাতিল হয়ে যায়, সংসদ বাতিল হয়ে যায়; কাজকর্ম বাতিল হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া অসংগতি 'মার্জনা' করাই কি শ্রেয় নয়? সম্ভবত আদালত এ কারণেই বাতিল আদেশের ভূতাপেক্ষ কার্যকারণ দেননি। এই মার্জনার কারণে জটিলতা পরিহার করা হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের ভবিষ্যৎ কার্যকারণ বিষয়টি বিশ্লেষণ করা যাক। যে ব্যবস্থা সংবিধানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়, সেটি ভবিষ্যতে কেন ঘটবে? সংবাদপত্রের প্রতিবেদন পাঠ করে যেটুকু বোঝা গেল, তা হলো ভবিষ্যতের দুটি নির্বাচনের জন্যও আদালত 'মার্জনা' করেছেন, তবে শর্ত থাকে যে 'যদি সংসদ তেমনি চায়।' অর্থাৎ সংসদ চাইলে পরবর্তী দুটি নির্বাচন কোনো ধরনের অসংগতিপূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের 'ত্রুটি' আদালত অগ্রিম 'মার্জনা' করেছেন। এ মার্জনা গ্রহণ করা যেতে পারে, আবার গ্রহণ না করাও যেতে পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এত উদার ব্যবস্থা?
কেন_এর উত্তর এরই মধ্যে পেতে শুরু করেছি। ১২ ঘণ্টা ও ৩৬ ঘণ্টার হরতাল আমরা দেখেছি। এরপর নাকি ৪৮ ঘণ্টা এবং লাগাতারের পালা। এর অর্থ কী? পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়ে থাকে। সমস্যা বাংলাদেশে। সরকার ও বিরোধী দলের পরস্পরের প্রতি আস্থার প্রবল সংকট, তা যতই অযৌক্তি হোক না কেন। সম্ভবত এ কারণেই আদালত দুটি নির্বাচনের ভবিষ্যৎ মার্জনার ব্যবস্থা রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার দায়িত্ব সংসদের ওপর ন্যস্ত করেছেন। লক্ষণীয়, আদালত ভবিষ্যৎ দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে করার অনুমোদন দেননি, প্রস্তাবনাও করেননি। আস্থা সংকটের ফলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সামলে দেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদকে অসংগতিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাময়িক সুযোগ বজায় রেখেছেন। এটাই হতে পারে উচ্চ আদালতের আগাম মার্জনা ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতা।
জনগণ গভীর আগ্রহে লক্ষ করছে, রাজনৈতিক নেতারা কি গণতান্ত্রিক ব্যবহার প্রদর্শন করবেন, নাকি এখনো 'অপরিণত' ব্যবহার প্রদর্শন করতে থাকবেন। পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশ গণতন্ত্রচর্চায় সাংবিধানিকভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েও নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারছে না। এটা কী আমাদের গণতান্ত্রিক অপরিপক্বতা, নাকি কোনো কোনো দলের ইচ্ছাকৃত অপকৌশল। রিপাবলিক বা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে থাকতে হবে নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক সরকার। ছেদ পড়ার সুযোগ নেই। ছেদ পড়লেই গণতন্ত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। গণতন্ত্রে অগণতান্ত্রিকতার মিশ্রণ ঘটে। হয়ে দাঁড়ায় সোনার পাথরবাটির মতো! তা ছাড়া অগণতান্ত্রিক সরকারের অশুভ শক্তির সমর্থনে দীর্ঘায়িত হওয়ার যে উদগ্র বাসনা থাকে, তা তো ২০০৭-০৮ দুই বছরে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। অতএব, যত শিগগির আমরা গণতান্ত্রিক অপরিপক্বতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, তত দ্রুত গণতন্ত্র বিষয়ে সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা সফলকাম হব।
লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কলামিস্ট
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 06
(105)
- সাক্ষাৎকার-পশ্চিমের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপি...
- শান্তির জন্য অঙ্গীকার by জাহিরুল ইসলাম
- বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত কাম্য-মেট্রো রেল by এসকে লালা
- বাংলাদেশে আদিবাসী বিতর্ক-রাষ্ট্র by ম. ইনামুল হক
- সমন্বিত শিক্ষা আইন জরুরি-শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন by ক...
- বিষাক্ত বর্জ্যবাহী জাহাজ-নীতিমালা না থাকার পরিণাম
- রাজপথে জামায়াতের তাণ্ডব-অশুভ শক্তি সম্পর্কে সতর্ক ...
- চারদিক-শতবর্ষে চট্টগ্রাম সমিতি ও মেজবান
- সিটি করপোরেশন-ঢাকা বাঁচানোর শেষ আর্তনাদ by আবদুল ম...
- মিলন দিবস-তরুণেরাই পথ দেখাবে by সেলিনা আখতার
- নাগরিক সমাজ-নতুন দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন by কুলদীপ নায়ার
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আমাদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয় না b...
- এ অন্যায় সহ্য করা যায় না-ভোজ্যতেলের দাম
- তৃণমূলে গোপন ব্যালটে নেতা নির্বাচন করুন-কুমিল্লায় ...
- চারদিক-ভয়
- নাগরিক সমাজ-দক্ষিণ এশিয়া সোশ্যাল ফোরাম থেকে কী পেল...
- চিকিৎসা-দেশে এমআরসিপি পরীক্ষাকেন্দ্র প্রয়োজন by রা...
- ইউরোপের চিঠি-জলবায়ু সম্মেলনের আগে কিছু জ্বলন্ত সমস...
- শিবের গীত-জন্মদিন পালন by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- সরল গরল-টিপাইমুখ নিয়ে দুই নেত্রীর টিপ্পনী by মিজান...
- এ সুযোগ সর্বোচ্চ মাত্রায় কাজে লাগান-লিবিয়ার শ্রমবাজার
- তড়িঘড়ি করে ডিসিসি ভাগ নয়-আরেকবার ভাবুন
- চীন ও রাশিয়ার ভেটো উপহাসমূলক: যুক্তরাষ্ট্র
- উত্তাল মিশর: মার্কিনীসহ ৪৩ জনের বিচারের ঘোষণা
- ইউরোপে তীব্র ঠাণ্ডায় নিহতের সংখ্যা ৩শ’ ছাড়ালো
- কাশ্মীর ইস্যুতে আর যুদ্ধ সম্ভব নয়: গিলানি
- ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প: ১ শিশুর প্রাণহানি
- বেবি বি’র ক্যামেরার সামনে অভিষেক হবে অপরাহর শোতে!
- জিসম-২ এর জন্য সবই করবেন সানি লিওন
- সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
- চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন উদিতা
- সেমিফাইনালে ঘানা-জাম্বিয়া ও আইভরি কোস্ট-মালি
- ওষুধের মান-মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা নয়
- ‘যুবরাজের ক্যানসার প্রাণঘাতি হবেনা’
- মাদ্রিদ থেকে দূরত্ব কমেনি বার্সেলোনার
- গ্রেনেড হামলা মামলা-জঘন্য হত্যাকাণ্ডের যথার্থ বিচা...
- পবিত্র কোরআনের আলো-নিঃসন্তান ব্যক্তিদের রেখে যাওয়া...
- বনলাউডোগের পদাবলি by জয়নুল আবেদীন
- পল্লী বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও জাতীয় রাজনীতি by ড. ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-খালেদা খানম : মানুষ গড়ার কারিগর by এস...
- খুশবন্ত সিং-সব যেন ফিরে ফিরে আসে
- কল্পকথার গল্প-পেয়েও হারানো সেই পরশপাথর by আলী হাবিব
- দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা : যে দিনটির জন্য অধীর আগ্রহ ...
- হিযবুত তাহ্রীরের মিছিল-জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান ঠেকা...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বুনোফুলের বন্ধু
- মিসর-সামরিক বাহিনী কত দূর পেছাবে by মশিউল আলম
- ধর্ম-নারীর প্রতি সহিংসতাকে ‘না’ বলুন by মুহাম্মদ আ...
- ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা-শিক্ষক হিসেবে আমরা লজ্জিত, ক্ষ...
- এসো নীপবনে-সুড়ঙ্গের শেষে কী? by আবুল হায়াত
- ঢাকা সিটি করপোরেশন-ভাগ নয়, সংস্কার জরুরি by মুহাম্...
- বাজার উচ্ছেদ ও সংযোগ সড়ক নির্মিত হোক-ঢাকার রিংরোড
- প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূলের মত গুরুত্ব পাক-মনোনয়ন-বা...
- ভুঁইফোড় আবাসন-প্রতারণার জাল ছিন্ন হোক
- পবিত্র কোরআনের আলো-কোরআনের আলোকিত শিক্ষা যারা মজবু...
- আত্মহননের পথ পরিহার করুন by ডা. ওয়াহিদ নবী
- ধর্মীয় রাজনীতির বিধান মানতে পারি না by কামাল লোহানী
- স্মরণ-সমাজসংস্কারক স্বামী বিবেকানন্দ by তামান্না ই...
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক : কতটা বন্ধুপ্রতিম? by শাহনে...
- নিত্যজাতম্-তবু আশা জাগে by মহসীন হাবিব
- ভিন্নমত-শেয়ারবাজার ফটকা বাজার নয় by আবু আহমেদ
- জনশক্তি রপ্তানিতে ভাটা-পরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষ...
- পাহাড়ধস-আর কত মৃত্যু হবে এভাবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-আহলে কিতাবদের তিন খোদার তত্ত্ব ...
- সময় এসেছে অনেক কিছু ভাবার by সুনন্দন রায় চৌধুরী
- চারদিক-পাতাঝরা দিনের বইমেলা
- যুক্তি তর্ক গল্প-কোরবানির সূত্র ধরে অর্থনীতির হালহ...
- তিস্তা নদী-পানি বণ্টনের রূপরেখা by মো. খালেকুজ্জামান
- সড়ক দুর্ঘটনা-দায়ী চালকদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে ...
- আগে মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণটি শেষ করুন-চিকিৎসকের অভব...
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কি আইনের ঊর্ধ্বে?-সুন্দরবনে নৌরুট
- পবিত্র কোরআনের আলো-আহলে কিতাবদের তিন খোদার তত্ত্ব ...
- সময় এসেছে অনেক কিছু ভাবার by সুনন্দন রায় চৌধুরী
- বিশেষ সাক্ষাৎকার: ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক-মুক্তব...
- উৎসব-জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার প্রাচীনত্ব by তারাপদ ...
- পাখির চোখে-তুলোয় কুলোয় নির্ভয় বাঙালি by জাহানারা ...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-ঘটনাগুলো শুধু উদ্বেগজনকই নয়......
- স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের বাজেট বরাদ...
- মনমোহন সিংয়ের মন্তব্য-বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য জান...
- অনিয়মের দায় কার?-সরকারি ব্যাংক by বাবুল চৌধুরী
- তাদের অবস্থান ইতিহাসের উল্টো দিকে-ফিলিস্তিন by এরি...
- পেঁয়াজ নিয়ে প্রার্থনা byআসিফ আহমেদ
- নির্যাতিত নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা-সুশাসন by নূরুননব...
- উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্য কী প্রমাণ করছে?-সমকালীন প...
- চারদিক-হেমন্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে
- সপ্তাহের হালচাল-পুঁজিবাদ কি তাহলে বিকল হয়ে যাচ্ছে ...
- পরিবহন-রেলগাড়ি ঝম্ঝম্... by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- অস্কার উপস্থাপনায় এবার হ্যালি বেরি by ইশানা ইশরাত
- আরব জাগরণ-মিসরের এখন নেতা চাই by ইসান্দর এল আমরানি
- নতুন পরিচয়ে অহনা
- বিশ্বের সর্বনিকৃষ্ট এক শেয়ারবাজারের উত্থান-পতন
- সরল গরল-সুষ্ঠু নির্বাচনের পঞ্চসালা প্রকল্প! by মিজ...
- সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে এই অর্থ ফেরত নিতে হব...
- জনগণের টাকার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করুন-কর ও সেবা
- সংবিধান সংশোধন-শক্তিশালী হোক গণতন্ত্র
- আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস-ঐক্যই শক্তি by সাদিয়া মাহ্জ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-সত্যের পথরেখা মেনে চলাই মানবজাত...
- সদরে অন্দরে-রমজানকে অসংযমী করার প্রয়াস by মোস্তফা...
- ইতিউতি-অসম্ভবকে সম্ভব করাই সফল রাজনীতি by আতাউস সামাদ
- আসল পুলিশ কোথায় গেল?-নকল পুলিশের অত্যাচার থেকে রক্...
- সংসদে বাজেট পাস-স্বপ্ন যেন ভেঙে না যায়
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-ঐতিহ্য ও গৌরবের স্মারক by...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৩১)-ইতিহাস পড়াতেন ফাদার ...
- শেকড়ের ডাক-ক্রমেই প্রকট হচ্ছে অস্তিত্বের সংকট by ফ...
- মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্রে সোনার পাথরবাটি by খোন্দকার ইব্র...
-
▼
Feb 06
(105)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment