Friday, May 11, 2012
রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক by আখতার হুসেন
রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক by আখতার হুসেন
আমাদের প্রসঙ্গিত মানুষটির খোঁজ পেয়েছিলাম বিশ শতকের আটের দশকের একেবারে গোড়ার দিকে। খোদ রবীন্দ্রনাথের রসুইঘরে ঠাঁই পাওয়া মুসলমান পাচক গেদু মিয়ার খোঁজ দিয়েছিলেন প্রয়াত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াহিদুল হক। বলেছিলেন বটে, তবে কোথায় তিনি থাকেন, সে কথা ঠিকঠাকমতো বলতে পারেননি।
কেবল বলেছিলেন, পিয়নের কাজ করেন সরকারের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে। সেই সূত্র ধরেই ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে তাঁকে পেয়ে যাই গ্রিন রোডের গ্রিন সুপার মার্কেটের দোতলায় অবস্থিত উল্লিখিত দপ্তরের দোরগোড়া লাগোয়া নিরিবিলি একটা কক্ষে। আপন মনে সেলাইয়ের কাজ করছিলেন। চোখে পুরু লেন্সের চশমা। আমি তাঁর সঙ্গে একটুক্ষণ কথা বলতে চাই, এ অভিপ্রায় জানাতেই বলছিলেন, তাঁর খোঁজ কে দিয়েছেন? আমি ওয়াহিদুল হক ভাইয়ের কথা বলতেই বলেছিলেন, ‘তাহলে তো আর আপনাকে ফেরানো যাবে না।’
আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল, আপনি রবীন্দ্রনাথের একেবারে অন্দরমহলে কীভাবে ঢুকে পড়েছিলেন, সে কথা জানতে চাই। জানতে চাই, কীভাবে তাঁর বাবুর্চি হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন? অসম্ভব নম্র ও ভদ্র স্বভাবের আবদুন নূর, গেদু মিয়া নামেই যিনি সমধিক পরিচিত, বলেছিলেন, ‘সে তো গল্পকাহিনির মতো ঘটনা!’
গোড়ার কথা
গেদু মিয়া বলেছিলেন, ‘আমার বাড়ি বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শাহবাজপুরের মিঞাহাটিতে। বর্তমান উপজেলা সরাইল। দারিদ্র্যের সংসার। অবিভক্ত ভারতে ঢাকার চেয়ে কলকাতাতেই কাজকর্মের সুযোগ ছিল বেশি। ফলে ১৪ বছর বয়সে মামার হাত ধরে কলকাতা মহানগরে গিয়ে উপস্থিত হই ১৯৩০ কি ১৯৩১ সালের দিকে। মামার সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল কলকাতার কাজ করেন, এমন একজন ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের। যত দূর মনে করতে পারি, তার নাম ছিল জর্জ গ্রেগরি। ‘এই জর্জ সাহেব একজন লোক খুঁজছিলেন, যে তাঁকে রান্নাবান্নার কাজে সাহায্য করবে। বিশেষ করে, ঝাল-মসলাহীন সেদ্ধ খাবার। লোক পেলে তিনি তাকে শিখিয়ে-পড়িয়ে নেবেন। আমার মামা আমার কথা জর্জ সাহেবকে বলতেই তাঁর কাছে আমাকে নিয়ে যেতে বলেন। আমাকে দেখে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব পছন্দ করেন। তাঁর স্ত্রী আমাকে মসলাছাড়া সেদ্ধ খাবার রাঁধাবাড়ার কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শিখিয়ে দেন। আমার রান্না খেয়ে খুব খুশি সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল। পরে শুনেছি, রবীন্দ্রনাথ তখন হজমশক্তির গোলমালজনিত পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। এ কথা কথাচ্ছলে একদিন তিনি সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান। বলতেই ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তাঁকে মসলাবিহীন সেদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ জবাবে বলেছিলেন, তেমন বাবুর্চি পাব কোথায়? ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তখন আমার কথা রবীন্দ্রনাথকে বলেছিলেন। বলেছিলেন, তিনি আমাকে নিতে রাজি থাকলে তাঁর কাছে আমাকে যখন-তখন হাজির করতে পারেন। রবীন্দ্রনাথ এককথায় রাজি হয়ে যান। ইংরেজ সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আমি কাজ করেছিলাম মোট আট বছর। তাঁর বাগানের পরিচর্যাও করতাম আমি।’
রবীন্দ্রনাথের মুখোমুখি
গেদু মিয়া স্মৃতি হাতড়ে বলে চলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেগরি তাঁর মোটরগাড়িতে করেই আমাকে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। সালটা মনে হয় ১৯৩৯। নিয়ে গিয়েছিলেন ছায়াঢাকা পরিবেশ শান্তিনিকেতনে। আমি তো ভয়ে জবুথবু। আমাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বাড়ির ভেতরে গিয়ে ঢুকলেন। অল্পক্ষণের মধ্যেই দারোয়ান গোছের একটা লোক এসে আমাকে ডেকে ভেতরে নিয়ে গেলেন। আমি ঘরে ঢুকে ‘আদাব’ দিতেই রবীন্দ্রনাথ আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে জিজ্ঞেস করলেন আমার নাম। এবং যখন জানলেন আমি জাতে মুসলমান, তখন তিনি বললেন, “শোনো গেদু মিয়া, আমার কাছে জাতপাত বলে কিছু নেই। কিন্তু আমার রান্নাঘরে আরও দুজন বাবুর্চি আছে—একজন ব্রাহ্মণ, অন্যজন উড়িয়া। ওরা এখন থেকে আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য রান্না করবে। আর তুমি বিশেষভাবে রান্না করবে আমার জন্য। তবে খুব সাবধানে থাকবে, ব্রাহ্মণ ও উড়িয়া পাচক দুজনের কাছে নিজের পরিচয় গোপন রাখবে। বলবে, তুমি বাঙালি, রবীন্দ্রনাথের ধর্ম তোমার ধর্ম।” এ কথা বলেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর ছেলের বউকে ডেকে আনেন এবং আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেন। বলেন আমাকে রান্নাঘরে নিয়ে যেতে। এভাবেই শুরু হলো রবীন্দ্রনাথের বাবুর্চি বা পাচক হিসেবে আমার নতুন কাজের জীবন। মোট দুবছর তাঁর সান্নিধ্যে ছিলাম—১৯৩৯ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত। ১৯৪০ সালের পর থেকে তিনি ঘন ঘন অসুস্থ হতে থাকলে আমাকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। পুরোপুরি ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে চলে যান। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ আমাকে একটা সার্টিফিকেট বা প্রশংসাপত্র দিয়েছিলেন নিজের হাতে লিখে। আমি তাঁকে যেসব পাত্রে স্যুপ রেঁধে খাওয়াতাম, সেই সব পাত্র থেকে একটা পাত্র তিনি আমাকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। উপহার দিয়েছিলেন একটা হুঁকো। আমাকে বিদায় করার দিন বলেছিলেন, “গেদু (‘মিয়া’ বলতেন না ইচ্ছে করেই), আমার তো দিন শেষ। আমি এখন পুরোপুরি ডাক্তারের কবলে। আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও তোমাকে বিদায় দিতে হচ্ছে। উড়িয়া এবং ব্রাহ্মণ পাঁচক দুজনকেও একই কারণে বিদায় দিতে হচ্ছে।” আবার আমাকে ফিরে আসতে হয়েছিল সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। এবার পাচক হিসেবে নয়, বাগানের মালী হিসেবে। সেখানে কাজ করতে করতেই ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর খবর পেয়েছিলাম। সারা কলকাতা শহর সেদিন ভেঙে পড়েছিল। ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট দম্পতিকেও ভয়ানক বিষণ্ন হতে দেখেছিলাম। মনের অগোচরে আমারও দুচোখ ভিজে উঠেছিল।’
কবিগুরুর নিবিড় সান্নিধ্যে
রবীন্দ্রনাথের রসুইঘরে ঠাঁই পাওয়ার এক মাসের মাথাতেই গেদু মিয়াকে চলে আসতে হয় কালিম্পংয়ে। সঙ্গে তাঁর ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী। উঠেছিলেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মহারাজার বাড়িতে। গেদু মিয়া বলতে থাকেন, ‘সেবার এখানে মাস তিনেকের মতো ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এখানে থাকতে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছিল, যার স্মৃতি এখনো আমার মনে গেঁথে আছে। যেমন, একবার আমার সঙ্গে সেই উড়িয়া ও ব্রাহ্মণ পাচক একটু দুর্ব্যবহার করার পর সে কথা তাঁকে বলতেই তিনি আমাকে বলেছিলেন, “শোনো গেদু, ওরা তোমাকে ঈর্ষা করে তুমি নোবেল পুরস্কার পাওয়া রবীন্দ্রনাথের জন্য রান্না করো বলে। ওদের গুরুত্ব তুমি আসার পর কমে গেছে বলে। আমি সাবধান করতে গেলে ওরা তোমাকে পদে পদে হেনস্তা করবে। ওদেরকে আমি শায়েস্তা করাব প্রতিমা আর রথীকে দিয়ে।” ফল ফলেছিল। রথীন্দ্রনাথ ও প্রতিমা দেবী সেই উড়িয়া আর ব্রাহ্মণ পাচককে এই বলে শাসিয়ে দিয়েছিলেন যে, তারা যদি আমার সঙ্গে কোনো রকম দুর্ব্যবহার করে, তাহলে তাদেরকে চাকরি থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হবে।
‘আরও একদিনের ঘটনা,’ গেদু মিয়া বলতে থাকেন, ‘রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন। তখনো আমরা কালিম্পংয়ে। ওই রকম এক নির্জন এলাকাতেও তাঁর জন্মদিনে লোকজনের কমতি নেই। দর্শনার্থীর পর দর্শনার্থী। রবীন্দ্রনাথ সবাইকে আশীর্বাদ করছেন মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে। ভোর থেকে শুরু করে একই রকম ঘটনা ঘটে চলে প্রায় রাত ১০টা পর্যন্ত। কবির জন্য উপহার হিসেবেও অনেকে অনেক কিছু নিয়ে আসেন। কেউ কেউ কবিকে মিষ্টিমুখও করান। কবি নামেমাত্র মিষ্টি খেয়ে মিষ্টির পাত্র পাশে সরিয়ে রাখতে বলেন। যখন দর্শনার্থীরা আর আসেন না, একে একে তাঁরা চলে যান, কবি তখন একান্তে আমাকে ডেকে বলেন, “গেদু, মিষ্টিগুলো নিয়ে যাও। তুমি খেয়ো।” আমি মিষ্টির পাত্রগুলো নিয়ে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াতেই তিনি আমাকে ডেকে থামান, “শোনো, মিষ্টি উড়িয়া আর ব্রাহ্মণটাকেও দিয়ো। মনে রেখো, মিষ্টি যখন বিলোবে, তখন ওদের মুখে হাসি দেখবে। সুখে সবাইকে পাশে পাবে। দুঃখের সময় কাউকেই পাবে না। কথাটা ভুলো না।” রবীন্দ্রনাথের এই উপদেশের কথা এখনো ভুলে যাইনি।’ গেদু মিয়া তাঁর স্মৃতি হাতড়ে চলেন, ‘তিনি একবার আমাকে বলেছিলেন, “সব সময় সাবধানে থাকবে। আমার কাছে সব ধর্মের মানুষই সমান। বুদ্ধিমানের কাজ কি, জানো? তার কাজ হলো চোখ ও কান খোলা রাখা। মুখ বন্ধ রাখা। জুতমতো কথা বলা।” যত দিন তাঁর কাছে ছিলাম, তত দিন তাঁর এই উপদেশ মনে রাখার চেষ্টা করেছি।’
তাঁর জনপ্রিয়তা, শেষ বয়সেও
‘১৯৩৯ সালের দিকেই, যত দূর মনে করতে পারি,’ গেদু মিয়া বলে চলেন, ‘কালিম্পং থেকে ফেরার পথে আমাদের ট্রেন বদল করে করে নানা জায়গায় যেতে হয়েছিল। যেতে হয়েছিল উত্তরবঙ্গের নানা জায়গায়। ঈশ্বরদী স্টেশনের কথা মনে পড়ে। রবীন্দ্রনাথকে একনজর দেখার জন্য প্রচণ্ড ভিড় হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী, ছেলে রথীন্দ্রনাথ এবং আরও বেশ কয়েকজন। সেবার তাঁকে কুষ্টিয়া ও রানাঘাটেও যেতে হয়েছিল। শিয়ালদা স্টেশন না আসা পর্যন্ত যে কত স্টেশনে তাঁকে বহন করা ট্রেনকে থামতে হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে স্টেশনের পর স্টেশন ছাড়তে হয়েছিল, সেসব কথা ভাবলে মনে হয়, এই তো সেদিনের ঘটনা। মানুষকে তিনি ভালোবাসতেন, মানুষও তাঁকে ভালোবাসত গভীরভাবে।’
‘বিশ্বের সব ধর্মগ্রন্থ আমি পড়েছি’
গেদু মিয়া থেমে থেমে বলতে থাকেন তাঁর স্বভাবসুলভ নম্র ভঙ্গিতে, ‘১৯৪০ সালের শুরুর দিক সেটা। তখন হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা লাগালাগির উপক্রম হয়। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার শেষ নেই। রবীন্দ্রনাথ তখন শান্তিনিকেতনে। এই অবস্থায় রবীন্দ্রনাথ একদিন আমাকে ডেকে পাঠালেন তাঁর শোবার ঘরে। যেতেই বললেন, “গেদু, সাবধানে চলবে। ধর্মান্ধ সব বর্বরের দল কীসব করছে, যেকোনো সময় রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যেতে পারে। আমি বুঝি না, এরা কি ধর্মগ্রন্থ ভালো করে পড়েনি! তোমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরিফ আমি বাংলায় পড়েছি। বেদ-বাইবেল থেকে শুরু করে পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থ পড়েছি। সেখানে মানুষে মানুষে ভালোবাসার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথাকেই বড় করে দেখানো হয়েছে। এরা ধর্ম বোঝে না। ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ লুটতে চায়।” আমি মাথা নত করে থাকি। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ব্রাহ্মণের বাচ্চাটা কী বলে?” আমি বলি, সত্যি কথাই বলি, উড়িয়া আর ব্রাহ্মণ বাবুর্চি এখন আমাকে পাক্কা হিন্দু ছাড়া আর কিছুই মনে করে না। তাই নিরাপদেই আছি। রবীন্দ্রনাথ আমার কথা শুনে একটু জোরেই হো হো করে সেদিন হেসে উঠেছিলেন।’
বাঙালি মুসলমান-সমাজ নিয়ে ভাবনা
‘কালিম্পংয়ে থাকতেই ব্যাপারটা আমার চোখে ধরা পড়ে বেশি করে,’ বলতে থাকেন গেদু মিয়া, ‘কবি সঙ্গে করে যে ট্রাংক নিয়ে যেতেন, সেটা থাকত প্রয়োজনীয় বইপত্রে ঠাসা। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে তিনি বই পড়তেন। পড়তে পড়তে পানির পিপাসা লাগলে কিংবা হালকা কিছু খাবারের প্রয়োজন হলে আমাকে, উড়িয়া বা ব্রাহ্মণ পাচককে ডাকতেন। তখুনি ব্যাপারটা নজরে আসত। একদিন এইভাবে ডাকার পর আমাকে তিনি বললেন, “গেদু, বাঙালি মুসলমান-সমাজের নানা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকাটা আমার মোটেই ভালো লাগে না। কবে যে জাতটা জাগবে! তোমাদের এলাকার মুসলমানদের অবস্থা কেমন?” আমি আমাদের সাধারণ মুসলমান-সমাজের, বিশেষ করে শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার কথা বলতেই তিনি বললেন, “সংখ্যায় বাঙালি হিন্দুদের চাইতে মুসলমান বাঙালিরা বেশি, তবু তাদের মধ্যে জাগরণের চিহ্নমাত্র নেই। তবে আমি একজনের দেখা পেয়েছি, তাকে দিয়ে যদি কিছু হয়। তিনি ফজলুল হক (শেরেবাংলা)। ভবিষ্যতে তুমি বিয়ে করলে তোমার ছেলেমেয়েকে মানুষ করার চেষ্টা করবে, গেদু।” খুবই আন্তরিকতার সুরে কথাগুলো বলেছিলেন তিনি। এই তো আমার স্মৃতি সেই মহান মানুষটির সঙ্গে। আমি তো আর ভাষাটাষা বুঝি না। আপনি ঠিকঠাক করে দেবেন।’
শেষ জীবন
আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা শাহাদাৎ হোসেন বিস্তর ঘোরাঘুরি ও কাঠখড় পোড়ানো শেষে হদিস পেয়েছেন গেদু মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। তিনি ছিলেন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি ১৯১৬ সালে। মারা যান ২০০১ সালের ২৯ অক্টোবর। ১৯৬৬ সালের দিকে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি নেন। সেখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন ১৯৮৩ সালের দিকে। বিরোধী দলে থাকার সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও গেদু মিয়ার একবার দেখা হয়েছিল। তিনি তাঁর হাতের করা কিছু কাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর বাড়ির আশপাশের প্রাঙ্গণকে তিনি জীবদ্দশায় পরিণত করেছিলেন একটা মনোরম উদ্যানে। যাপন করতেন সহজ-সরল জীবন। নিয়মিত পালন করতেন নামাজ ও রোজা। স্বল্পভাষী ছিলেন। এলাকায় কারও সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের বিবাদ-বিসম্বাদ ছিল না।
আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল, আপনি রবীন্দ্রনাথের একেবারে অন্দরমহলে কীভাবে ঢুকে পড়েছিলেন, সে কথা জানতে চাই। জানতে চাই, কীভাবে তাঁর বাবুর্চি হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন? অসম্ভব নম্র ও ভদ্র স্বভাবের আবদুন নূর, গেদু মিয়া নামেই যিনি সমধিক পরিচিত, বলেছিলেন, ‘সে তো গল্পকাহিনির মতো ঘটনা!’
গোড়ার কথা
গেদু মিয়া বলেছিলেন, ‘আমার বাড়ি বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শাহবাজপুরের মিঞাহাটিতে। বর্তমান উপজেলা সরাইল। দারিদ্র্যের সংসার। অবিভক্ত ভারতে ঢাকার চেয়ে কলকাতাতেই কাজকর্মের সুযোগ ছিল বেশি। ফলে ১৪ বছর বয়সে মামার হাত ধরে কলকাতা মহানগরে গিয়ে উপস্থিত হই ১৯৩০ কি ১৯৩১ সালের দিকে। মামার সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল কলকাতার কাজ করেন, এমন একজন ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের। যত দূর মনে করতে পারি, তার নাম ছিল জর্জ গ্রেগরি। ‘এই জর্জ সাহেব একজন লোক খুঁজছিলেন, যে তাঁকে রান্নাবান্নার কাজে সাহায্য করবে। বিশেষ করে, ঝাল-মসলাহীন সেদ্ধ খাবার। লোক পেলে তিনি তাকে শিখিয়ে-পড়িয়ে নেবেন। আমার মামা আমার কথা জর্জ সাহেবকে বলতেই তাঁর কাছে আমাকে নিয়ে যেতে বলেন। আমাকে দেখে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব পছন্দ করেন। তাঁর স্ত্রী আমাকে মসলাছাড়া সেদ্ধ খাবার রাঁধাবাড়ার কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শিখিয়ে দেন। আমার রান্না খেয়ে খুব খুশি সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল। পরে শুনেছি, রবীন্দ্রনাথ তখন হজমশক্তির গোলমালজনিত পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। এ কথা কথাচ্ছলে একদিন তিনি সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান। বলতেই ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তাঁকে মসলাবিহীন সেদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ জবাবে বলেছিলেন, তেমন বাবুর্চি পাব কোথায়? ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তখন আমার কথা রবীন্দ্রনাথকে বলেছিলেন। বলেছিলেন, তিনি আমাকে নিতে রাজি থাকলে তাঁর কাছে আমাকে যখন-তখন হাজির করতে পারেন। রবীন্দ্রনাথ এককথায় রাজি হয়ে যান। ইংরেজ সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আমি কাজ করেছিলাম মোট আট বছর। তাঁর বাগানের পরিচর্যাও করতাম আমি।’
রবীন্দ্রনাথের মুখোমুখি
গেদু মিয়া স্মৃতি হাতড়ে বলে চলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেগরি তাঁর মোটরগাড়িতে করেই আমাকে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। সালটা মনে হয় ১৯৩৯। নিয়ে গিয়েছিলেন ছায়াঢাকা পরিবেশ শান্তিনিকেতনে। আমি তো ভয়ে জবুথবু। আমাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বাড়ির ভেতরে গিয়ে ঢুকলেন। অল্পক্ষণের মধ্যেই দারোয়ান গোছের একটা লোক এসে আমাকে ডেকে ভেতরে নিয়ে গেলেন। আমি ঘরে ঢুকে ‘আদাব’ দিতেই রবীন্দ্রনাথ আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে জিজ্ঞেস করলেন আমার নাম। এবং যখন জানলেন আমি জাতে মুসলমান, তখন তিনি বললেন, “শোনো গেদু মিয়া, আমার কাছে জাতপাত বলে কিছু নেই। কিন্তু আমার রান্নাঘরে আরও দুজন বাবুর্চি আছে—একজন ব্রাহ্মণ, অন্যজন উড়িয়া। ওরা এখন থেকে আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য রান্না করবে। আর তুমি বিশেষভাবে রান্না করবে আমার জন্য। তবে খুব সাবধানে থাকবে, ব্রাহ্মণ ও উড়িয়া পাচক দুজনের কাছে নিজের পরিচয় গোপন রাখবে। বলবে, তুমি বাঙালি, রবীন্দ্রনাথের ধর্ম তোমার ধর্ম।” এ কথা বলেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর ছেলের বউকে ডেকে আনেন এবং আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেন। বলেন আমাকে রান্নাঘরে নিয়ে যেতে। এভাবেই শুরু হলো রবীন্দ্রনাথের বাবুর্চি বা পাচক হিসেবে আমার নতুন কাজের জীবন। মোট দুবছর তাঁর সান্নিধ্যে ছিলাম—১৯৩৯ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত। ১৯৪০ সালের পর থেকে তিনি ঘন ঘন অসুস্থ হতে থাকলে আমাকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। পুরোপুরি ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে চলে যান। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ আমাকে একটা সার্টিফিকেট বা প্রশংসাপত্র দিয়েছিলেন নিজের হাতে লিখে। আমি তাঁকে যেসব পাত্রে স্যুপ রেঁধে খাওয়াতাম, সেই সব পাত্র থেকে একটা পাত্র তিনি আমাকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। উপহার দিয়েছিলেন একটা হুঁকো। আমাকে বিদায় করার দিন বলেছিলেন, “গেদু (‘মিয়া’ বলতেন না ইচ্ছে করেই), আমার তো দিন শেষ। আমি এখন পুরোপুরি ডাক্তারের কবলে। আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও তোমাকে বিদায় দিতে হচ্ছে। উড়িয়া এবং ব্রাহ্মণ পাঁচক দুজনকেও একই কারণে বিদায় দিতে হচ্ছে।” আবার আমাকে ফিরে আসতে হয়েছিল সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। এবার পাচক হিসেবে নয়, বাগানের মালী হিসেবে। সেখানে কাজ করতে করতেই ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর খবর পেয়েছিলাম। সারা কলকাতা শহর সেদিন ভেঙে পড়েছিল। ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট দম্পতিকেও ভয়ানক বিষণ্ন হতে দেখেছিলাম। মনের অগোচরে আমারও দুচোখ ভিজে উঠেছিল।’
কবিগুরুর নিবিড় সান্নিধ্যে
রবীন্দ্রনাথের রসুইঘরে ঠাঁই পাওয়ার এক মাসের মাথাতেই গেদু মিয়াকে চলে আসতে হয় কালিম্পংয়ে। সঙ্গে তাঁর ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী। উঠেছিলেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মহারাজার বাড়িতে। গেদু মিয়া বলতে থাকেন, ‘সেবার এখানে মাস তিনেকের মতো ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এখানে থাকতে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছিল, যার স্মৃতি এখনো আমার মনে গেঁথে আছে। যেমন, একবার আমার সঙ্গে সেই উড়িয়া ও ব্রাহ্মণ পাচক একটু দুর্ব্যবহার করার পর সে কথা তাঁকে বলতেই তিনি আমাকে বলেছিলেন, “শোনো গেদু, ওরা তোমাকে ঈর্ষা করে তুমি নোবেল পুরস্কার পাওয়া রবীন্দ্রনাথের জন্য রান্না করো বলে। ওদের গুরুত্ব তুমি আসার পর কমে গেছে বলে। আমি সাবধান করতে গেলে ওরা তোমাকে পদে পদে হেনস্তা করবে। ওদেরকে আমি শায়েস্তা করাব প্রতিমা আর রথীকে দিয়ে।” ফল ফলেছিল। রথীন্দ্রনাথ ও প্রতিমা দেবী সেই উড়িয়া আর ব্রাহ্মণ পাচককে এই বলে শাসিয়ে দিয়েছিলেন যে, তারা যদি আমার সঙ্গে কোনো রকম দুর্ব্যবহার করে, তাহলে তাদেরকে চাকরি থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হবে।
‘আরও একদিনের ঘটনা,’ গেদু মিয়া বলতে থাকেন, ‘রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন। তখনো আমরা কালিম্পংয়ে। ওই রকম এক নির্জন এলাকাতেও তাঁর জন্মদিনে লোকজনের কমতি নেই। দর্শনার্থীর পর দর্শনার্থী। রবীন্দ্রনাথ সবাইকে আশীর্বাদ করছেন মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে। ভোর থেকে শুরু করে একই রকম ঘটনা ঘটে চলে প্রায় রাত ১০টা পর্যন্ত। কবির জন্য উপহার হিসেবেও অনেকে অনেক কিছু নিয়ে আসেন। কেউ কেউ কবিকে মিষ্টিমুখও করান। কবি নামেমাত্র মিষ্টি খেয়ে মিষ্টির পাত্র পাশে সরিয়ে রাখতে বলেন। যখন দর্শনার্থীরা আর আসেন না, একে একে তাঁরা চলে যান, কবি তখন একান্তে আমাকে ডেকে বলেন, “গেদু, মিষ্টিগুলো নিয়ে যাও। তুমি খেয়ো।” আমি মিষ্টির পাত্রগুলো নিয়ে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াতেই তিনি আমাকে ডেকে থামান, “শোনো, মিষ্টি উড়িয়া আর ব্রাহ্মণটাকেও দিয়ো। মনে রেখো, মিষ্টি যখন বিলোবে, তখন ওদের মুখে হাসি দেখবে। সুখে সবাইকে পাশে পাবে। দুঃখের সময় কাউকেই পাবে না। কথাটা ভুলো না।” রবীন্দ্রনাথের এই উপদেশের কথা এখনো ভুলে যাইনি।’ গেদু মিয়া তাঁর স্মৃতি হাতড়ে চলেন, ‘তিনি একবার আমাকে বলেছিলেন, “সব সময় সাবধানে থাকবে। আমার কাছে সব ধর্মের মানুষই সমান। বুদ্ধিমানের কাজ কি, জানো? তার কাজ হলো চোখ ও কান খোলা রাখা। মুখ বন্ধ রাখা। জুতমতো কথা বলা।” যত দিন তাঁর কাছে ছিলাম, তত দিন তাঁর এই উপদেশ মনে রাখার চেষ্টা করেছি।’
তাঁর জনপ্রিয়তা, শেষ বয়সেও
‘১৯৩৯ সালের দিকেই, যত দূর মনে করতে পারি,’ গেদু মিয়া বলে চলেন, ‘কালিম্পং থেকে ফেরার পথে আমাদের ট্রেন বদল করে করে নানা জায়গায় যেতে হয়েছিল। যেতে হয়েছিল উত্তরবঙ্গের নানা জায়গায়। ঈশ্বরদী স্টেশনের কথা মনে পড়ে। রবীন্দ্রনাথকে একনজর দেখার জন্য প্রচণ্ড ভিড় হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পুত্রবধূ প্রতিমা দেবী, ছেলে রথীন্দ্রনাথ এবং আরও বেশ কয়েকজন। সেবার তাঁকে কুষ্টিয়া ও রানাঘাটেও যেতে হয়েছিল। শিয়ালদা স্টেশন না আসা পর্যন্ত যে কত স্টেশনে তাঁকে বহন করা ট্রেনকে থামতে হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে স্টেশনের পর স্টেশন ছাড়তে হয়েছিল, সেসব কথা ভাবলে মনে হয়, এই তো সেদিনের ঘটনা। মানুষকে তিনি ভালোবাসতেন, মানুষও তাঁকে ভালোবাসত গভীরভাবে।’
‘বিশ্বের সব ধর্মগ্রন্থ আমি পড়েছি’
গেদু মিয়া থেমে থেমে বলতে থাকেন তাঁর স্বভাবসুলভ নম্র ভঙ্গিতে, ‘১৯৪০ সালের শুরুর দিক সেটা। তখন হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা লাগালাগির উপক্রম হয়। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার শেষ নেই। রবীন্দ্রনাথ তখন শান্তিনিকেতনে। এই অবস্থায় রবীন্দ্রনাথ একদিন আমাকে ডেকে পাঠালেন তাঁর শোবার ঘরে। যেতেই বললেন, “গেদু, সাবধানে চলবে। ধর্মান্ধ সব বর্বরের দল কীসব করছে, যেকোনো সময় রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যেতে পারে। আমি বুঝি না, এরা কি ধর্মগ্রন্থ ভালো করে পড়েনি! তোমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরিফ আমি বাংলায় পড়েছি। বেদ-বাইবেল থেকে শুরু করে পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থ পড়েছি। সেখানে মানুষে মানুষে ভালোবাসার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথাকেই বড় করে দেখানো হয়েছে। এরা ধর্ম বোঝে না। ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ লুটতে চায়।” আমি মাথা নত করে থাকি। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ব্রাহ্মণের বাচ্চাটা কী বলে?” আমি বলি, সত্যি কথাই বলি, উড়িয়া আর ব্রাহ্মণ বাবুর্চি এখন আমাকে পাক্কা হিন্দু ছাড়া আর কিছুই মনে করে না। তাই নিরাপদেই আছি। রবীন্দ্রনাথ আমার কথা শুনে একটু জোরেই হো হো করে সেদিন হেসে উঠেছিলেন।’
বাঙালি মুসলমান-সমাজ নিয়ে ভাবনা
‘কালিম্পংয়ে থাকতেই ব্যাপারটা আমার চোখে ধরা পড়ে বেশি করে,’ বলতে থাকেন গেদু মিয়া, ‘কবি সঙ্গে করে যে ট্রাংক নিয়ে যেতেন, সেটা থাকত প্রয়োজনীয় বইপত্রে ঠাসা। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে তিনি বই পড়তেন। পড়তে পড়তে পানির পিপাসা লাগলে কিংবা হালকা কিছু খাবারের প্রয়োজন হলে আমাকে, উড়িয়া বা ব্রাহ্মণ পাচককে ডাকতেন। তখুনি ব্যাপারটা নজরে আসত। একদিন এইভাবে ডাকার পর আমাকে তিনি বললেন, “গেদু, বাঙালি মুসলমান-সমাজের নানা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকাটা আমার মোটেই ভালো লাগে না। কবে যে জাতটা জাগবে! তোমাদের এলাকার মুসলমানদের অবস্থা কেমন?” আমি আমাদের সাধারণ মুসলমান-সমাজের, বিশেষ করে শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার কথা বলতেই তিনি বললেন, “সংখ্যায় বাঙালি হিন্দুদের চাইতে মুসলমান বাঙালিরা বেশি, তবু তাদের মধ্যে জাগরণের চিহ্নমাত্র নেই। তবে আমি একজনের দেখা পেয়েছি, তাকে দিয়ে যদি কিছু হয়। তিনি ফজলুল হক (শেরেবাংলা)। ভবিষ্যতে তুমি বিয়ে করলে তোমার ছেলেমেয়েকে মানুষ করার চেষ্টা করবে, গেদু।” খুবই আন্তরিকতার সুরে কথাগুলো বলেছিলেন তিনি। এই তো আমার স্মৃতি সেই মহান মানুষটির সঙ্গে। আমি তো আর ভাষাটাষা বুঝি না। আপনি ঠিকঠাক করে দেবেন।’
শেষ জীবন
আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা শাহাদাৎ হোসেন বিস্তর ঘোরাঘুরি ও কাঠখড় পোড়ানো শেষে হদিস পেয়েছেন গেদু মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। তিনি ছিলেন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি ১৯১৬ সালে। মারা যান ২০০১ সালের ২৯ অক্টোবর। ১৯৬৬ সালের দিকে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি নেন। সেখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন ১৯৮৩ সালের দিকে। বিরোধী দলে থাকার সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও গেদু মিয়ার একবার দেখা হয়েছিল। তিনি তাঁর হাতের করা কিছু কাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর বাড়ির আশপাশের প্রাঙ্গণকে তিনি জীবদ্দশায় পরিণত করেছিলেন একটা মনোরম উদ্যানে। যাপন করতেন সহজ-সরল জীবন। নিয়মিত পালন করতেন নামাজ ও রোজা। স্বল্পভাষী ছিলেন। এলাকায় কারও সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের বিবাদ-বিসম্বাদ ছিল না।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 11
(78)
- বৈসাবি উৎসবের একদিন by সাদিয়া আরমান
- বিধানসভা নির্বাচন-মুসলিম বিশ্বে নৈরাজ্য কেন? by খা...
- রাজনীতি-প্রসঙ্গ মধ্যবর্তী নির্বাচন by তারেক শামসুর...
- সবুজের কথা by একরামুল হক শামীম
- সাময়িক প্রসঙ্গ-সংবিধান সংশোধন নিয়ে কিছু প্রস্তাব b...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-কেমন হওয়া উচিত আসন্ন বাজেট by বদি...
- টেকনাফ সীমান্তে নেশার হাট-প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয়?
- রেলপথ সম্প্রসারণ-স্বপ্নের প্রকল্পগুলো দেখুক আলোর মুখ
- ব্রিটেনে বাড়ছে মুসলমান by জহির উদ্দিন বাবর
- নাগরিক দায়িত্বশীলতা প্রশ্নে ইসলাম by মাহফুজ আবেদ
- মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য by মুফতি এ...
- ধর্মের নামে... by শাহীন হাসনাত
- তেজগাঁও-শিল্পাঞ্চল থেকে বাণিজ্যিক অঞ্চল by পান্না ...
- বেইজিং-ঢাকা-দিলি্ল-হিলারির সফর-সমীক্ষা by এম সাখাও...
- অনলাইনে কর পরিশোধ-অফলাইনেও চাই স্বাচ্ছন্দ্য
- এতটুকু বাসার স্বপ্ন-সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি
- চারদিক-নোবেলজয়ী নারীরা by শায়লা রুখসানা
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-শ্রমিক নারীদের সংগ্রামই তুলে...
- প্রতিক্রিয়া-গণমাধ্যমের শক্তি ভাষার প্রাণ by সৌমিত্...
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-নারী লেখক, নর লেখক by শামীম ...
- পাকিস্তান-রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র? by আয়েশা সি...
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-নারীমুক্তির আইনি কিছু উপায় b...
- ন্যাশনাল সার্ভিস-দুর্নীতি ও দলীয়করণ সম্পর্কে সজাগ ...
- নারী উন্নয়ন হোক অন্যতম জাতীয় অগ্রাধিকার-আন্তর্জাতি...
- একটা নোবেল পুরস্কার জোগাড় করে দেন না! by ফজলুল বারী
- মেঘের চিঠি, আকাশের ঠিকানায় by ফারজানা খান গোধূলি
- চরাচর-ঢাকার মগরা হারিয়ে গেল by আজিজুর রহমান
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৭৫)-'শব্দসৈনিক' হয়ে বেঁচ...
- এইদিনে-একটি ভাষণ হয়ে উঠল কবিতা by জাহীদ রেজা নূর
- শেয়ারবাজার-ব্যাংকগুলোর শেয়ার ব্যবসা এবং অপেক্ষাধীন...
- ক্ষুদ্রঋণ-ইউনূসের অস্ট্রেলিয়া সফর সামনে রেখে কিছু ...
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-নারীবান্ধব উন্নয়ন: সমতাভিত্ত...
- বিরোধী দলের প্রস্তাব গ্রহণ করে আমরা নজির স্থাপন করেছি
- এই ভয়াবহ অপরাধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে-এসিড-সন্...
- সত্যকে অস্বীকার করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করা যাবে না...
- ধর্ম-মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত by মুহাম্মদ আবদুল...
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ-উপকূলীয় নারীর বিপন্ন্নতা by অদিত...
- নিসর্গ-প্রকৃতি ও মানুষ তত্ত্বকথা নয় by দ্বিজেন শর্মা
- এক বছর পরও বিপদ কাটেনি, কার্যকর হয়নি সুপারিশ-পাহাড়...
- ভারতের অবস্থান অগ্রহণযোগ্য-‘অনিশ্চিত’ তিস্তা চুক্তি
- চারদিক-এখানে একটি স্কুল চাই by আকমল হোসেন নিপু
- শেকড়ের ডাক-সুপেয় পানির সংকট ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ by ...
- বহে কাল নিরবধি-ইরান আক্রমণের প্রাক্কালে সম্ভাব্য দ...
- স্বস্তি ফিরুক জনজীবনে
- রেলপথ সম্প্রসারণ-মাদকের নেশা নয়
- পবিত্র কোরআনের আলো-আকাশমণ্ডল ও জমিনে যা কিছু আছে স...
- ভাষা-আইন ও বাংলা ভাষা by ড. শিশির ভট্টাচার্য্য
- চালচিত্র-ইতিহাস ঘাতকদের ক্ষমা করে না by শুভ রহমান
- চরাচর-পরিবেশ ও শরীরবান্ধব ব্যবস্থা by নরেশ মধু
- বিমানবালাদের পোশাক কী হবে? by আনোয়ারা সৈয়দ হক
- গহন গহীন-বাঘের মুখে ঘাসের হাসি! পিছু হটলেন বুশ সাহ...
- অদল-বদল
- সীমানা পেরিয়ে আবু সুফিয়ান by জাহিদ হোসাইন
- মাইক্রোসফট ইমাজিন কাপ ২০১২-অস্ট্রেলিয়ার পথে বাংলাদ...
- আপনি কি জানেন?-পরমাণু অস্ত্র
- বুক অব ফ্যাক্টস-তরল by আইজ্যাক আজিমভ
- বাজারে নতুন
- যা নিয়ে আছি-সমুদ্র ভীষণ প্রিয়
- রবীন্দ্রনাথের উপহার সামগ্রী ও অন্য সংগ্রহ
- সোনাপুরের ভূত by জাফর তালুকদার
- এমন কেন ওরা?
- বারো মাসে ছয় ঋতু by হাসান শরীফ
- আমার পরিচয় by আহমেদ সাব্বির
- ঘড়ি ও খোকা by নাসের মাহমুদ
- গ্যালারি কায়া-মৃত্তিকা গর্ভে জ্যোৎস্না বাগান by মো...
- দৃক গ্যালারি-বিশ্বসেরা আলোকচিত্র এখন ঢাকায়! by মনি...
- বইপত্র-বিভ্রম বাস্তবতা যেখানে একাকার by মেহেদি হাসান
- ক বি তা-তাহলে কিছু হোক by টোকন ঠাকুর
- বিশেষ অধিকার by ইফতেখার আমিন
- মৃদুকন্ঠ-আগাম জামিনের প্রাসঙ্গিকতা by খোন্দকার ইব্...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সাঈদীর আইনজীবীর দাবি-দাখিল করা ভিডিওর সঙ্গে অভিযোগ...
- গোলটেবিল বৈঠক-কমিউনিটি ক্লিনিক চালাতে সাধারণের অংশ...
- রবীন্দ্রনাথের রান্নাঘরে-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাচক by আখ...
- ইতিহাসের দায়মুক্তি by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- দেয়াল by হুমায়ূন আহমেদ
- সাংবাদিক দম্পতি হত্যা-বিচারের আশায় ছোট্ট মেঘ
- তিস্তা চুক্তি শিগগিরই হচ্ছে না, তবে আশাবাদী বাংলাদেশ
-
▼
May 11
(78)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment