Sunday, February 12, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার-অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমেই নতুন নির্বাচন কমিশন by মোহাম্মদ আবু হেনা
বিশেষ সাক্ষাৎকার-অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমেই নতুন নির্বাচন কমিশন by মোহাম্মদ আবু হেনা
মোহাম্মদ আবু হেনার জন্ম ১৯৩৭ সালে, রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন হাবাসপুর হাইস্কুল, পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করতেন।
মুন্সিগঞ্জের এসডিও হিসেবে সরকারি চাকরি শুরু করে মোহাম্মদ আবু হেনা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো স্থানীয় সরকার বিভাগ, বেসামরিক বিমান চলাচল, পাট, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পরিকল্পনা কমিশনের জ্যেষ্ঠ সদস্য পদ গ্রহণ। ১৯৯১-৯৩ সালে তিনি জাপান ও ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এ ছাড়া মোহাম্মদ আবু হেনা ২০০৮-১০ মেয়াদে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের ন্যায়পাল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম ও সোহরাব হাসান
প্রথম আলো নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কতটা স্বাধীন? আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে জানতে চাইছি।
মোহাম্মদ আবু হেনা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচনী কাজে আমার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পর যখন প্রস্তাবটি এল, দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। কিন্তু আমার ঘনিষ্ঠজন ও শুভানুধ্যায়ীরা বললেন, এ চ্যালেঞ্জ তোমাকে গ্রহণ করতে হবে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানও আশ্বস্ত করলেন যে, আমার প্রতি প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলেরই আস্থা আছে। তখন আমি চ্যালেঞ্জটি নিলাম। সে সময় দ্বিতীয় কোনো কমিশনারও ছিলেন না। কমিশনের পুরো কাঠামোটি নতুন করে সাজাতে হয়েছে। প্রথমেই আমি নির্বাচন কমিশন আইন, বিধিমালা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করলাম। তারপর নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মনোভাব জানতে তাদের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করলাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিন থেকেই আলোচনা শুরু করি। এর পাশাপাশি নির্বাচন-প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কী কী করণীয়, তার একটি তালিকা করলাম। সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করতে হলে সবার আস্থা যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি বিষয়টি গভীরভাবে জানা। আমার হাতে সময় ছিল মাত্র দুই মাস। ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নিই এবং ১২ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমি খোলা মন নিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের অভিযোগ শুনেছি। যেসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছি।
প্রথম আলো জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা একটি বিরাট দায়িত্ব, যা কেবল কমিশনের মুষ্টিমেয় লোক দ্বারা প্রতিপালন করা সম্ভব নয়। সে কারণে জনপ্রশাসন থেকে লোকবল আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যায় পড়েছেন কি না?
মোহাম্মদ আবু হেনা যেকোনো কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজন প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা ও ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা। যেন কেউ মনে না করেন, তাঁকে প্রভাবিত করা যাবে। এই আস্থা খুবই জরুরি। নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে হয় রিটার্নিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়ে। তাঁরা আসেন জনপ্রশাসন থেকে। আমার পূর্বসূরিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েও বলব, এ ক্ষেত্রে বিচারপতিদের চেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অনেক বেশি দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন। বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন বলে সিইসি পদে বিচার বিভাগ থেকে কাউকে নেননি। হতে পারে তিনি বিচার বিভাগকে বিতর্কিত করতে চাননি।
প্রথম আলো আপনি দক্ষ, সৎ ও শক্ত লোকের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলছেন। এই দক্ষ, সৎ ও শক্ত চরিত্রের লোক কী করে বাছাই করা যায়?
মোহাম্মদ আবু হেনা দক্ষ, সৎ ও শক্ত চরিত্রের লোক বাছাইয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি (সার্চ কমিটি) গঠন করা যেতে পারে। কমিটির প্রধান হতে পারেন সাবেক কোনো প্রধান বিচারপতি, সদস্যরা আসতে পারেন প্রশাসনিক কাজে দক্ষ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে। আসতে পারেন পেশাজীবীদের মধ্য থেকেও। তবে কমিটির সদস্যসংখ্যা পাঁচজনের বেশি হওয়া উচিত নয়।
প্রথম আলো এ ধরনের কমিটি কি প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে?
মোহাম্মদ আবু হেনা না মানার কারণ দেখি না। সার্চ কমিটির সিদ্ধান্তই তো চূড়ান্ত নয়। তারা সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে, যেখানে সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা আছেন, তাঁরা কমিটির বৈঠকে না থাকলেও তাঁদের প্রতিনিধিরা যান। প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি সেই তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেবেন।
প্রথম আলো বর্তমান কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে সরকারি দলের সদস্যসংখ্যা অনেক বেশি। সে ক্ষেত্রে বিরোধী দলের বক্তব্য আমলে নেওয়ার সুযোগ কতটুকু?
মোহাম্মদ আবু হেনা কিন্তু এর বিকল্প কী? অনেকে দুই দলের মধ্যে আলোচনার কথা বলেছেন। কেউ কেউ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের কথা বলছেন। তাতে জটিলতা আরও বাড়বে। কার্য উপদেষ্টা কমিটি তো বহাল আছে, নতুন কাঠামো তৈরি না করে সেখানে আলোচনাই যুক্তিসংগত। আর আলোচনার উদ্দেশ্যই হবে মতৈক্যে পৌঁছানো। দুই পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা। সমঝোতা তো আলোচনার মাধ্যমেই হতে হবে।
প্রথম আলো যুক্তির খাতিরে যদি ধরেও নিই যে সমঝোতার মাধ্যমে কমিশন গঠিত হলো। কিন্তু সেই কমিশন জাতীয় নির্বাচন করার সময় সরকার তথা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে কি? বিশেষ করে, সরকারের যেসব মন্ত্রণালয় নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত, যেমন—স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইত্যাদি?
মোহাম্মদ আবু হেনা এ কারণেই দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যেমন সৎ ও দক্ষ হতে হবে, তেমনি শক্ত হতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও দলগুলো নির্বাচনের রায় নিজের পক্ষে নিতে প্রশাসনকে নানাভাবে প্রভাবিত করতে চাইবে। নির্বাচন কমিশনের প্রথম কাজ হবে তা প্রতিহত করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর কঠোর নজরদারির মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সম্পর্কে তাদের সজাগ করে দিয়ে তা করা যায়। তারপরও যদি কেউ নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে, তবে তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও দলগুলোও কঠিন বার্তা পেয়ে যাবে। তারা যখন বুঝবেন, কমিশন বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোনোভাবে প্রভাবিত করা যাবে না, তখন সেই চেষ্টা থেকে বিরত থাকবেন। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমি যাঁদের দিয়ে কমিশনের কাজ সুষ্ঠুভাবে করাতে পারব বলে মনে করেছি, তাঁদেরই নিয়ে এসেছি। উপনির্বাচনের সময় আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বলেছি, তফসিল ঘোষণার পর যেন তিনি বা তাঁর সরকারের কোনো মন্ত্রী নির্বাচনী এলাকায় না যান। তাঁরা সেটি মেনেছেন।
প্রথম আলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের সময় সরকার বলেছিল, নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করা হবে। নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব প্রতিষ্ঠান তাদের নির্দেশে কাজ করবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা কতটা সম্ভব?
মোহাম্মদ আবু হেনা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা সাংবিধানিকভাবেই স্বীকৃত। এটি দেওয়া-নেওয়ার বিষয় নয়। কিন্তু বাস্তব সমস্যা হলো, অর্থ ও লোকবলের অভাব। দুদিক থেকেই কমিশনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। অর্থ বরাদ্দ থাকলেও ছাড় করতে অনেক সময় লেগে যায়। আমার প্রস্তাব হলো, আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বসে বাজেটের অর্থ বরাদ্দ ও ছাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দ বাজেটের টাকা ব্যয়ের জন্য যেন আলাদাভাবে মন্ত্রণালয়ের অনুমতির দরকার না হয়। এই আর্থিক স্বাধীনতা দরকার। কমিশনের কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে উপজেলা পর্যন্ত কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তা আছেন, কিন্তু নির্বাচন পরিচালনার জন্য তা যথেষ্ট নয়। বাইরে থেকে রিটার্নিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়োগ করা হয়। তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা। তা ছাড়া শিক্ষক ও বেসরকারি কর্মকর্তারাও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন। কমিশন তার কাজের জন্য যাদের চাইবে, সরকার তাদের দিতে বাধ্য থাকবে। সমস্যা হলো, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাবেন, এক মাস বা দুই মাসের জন্য কমিশনে এলাম। আবার আগের জায়গায় ফিরে যেতে হবে। অতএব সেই সংস্থা বা সংস্থাপ্রধানের প্রতিই তাঁদের আনুগত্য থাকে। এরপরও তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ করতে হবে। বোঝাতে হবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বেআইনি কিছু করতে পারেন না। আমার প্রস্তাব ছিল, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী সব কর্মকর্তার এসিআর লেখার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার। অধ্যাদেশ ১৩, ১৯৯১-এ বলা আছে, কোনো কর্মকর্তা আইনবহির্ভূত কিছু করলে নির্বাচন কমিশন তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এটি করে গিয়েছিলেন। আমি মনে করি, শাস্তিটা আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। কেউ সাময়িক বরখাস্ত হলে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা যেন প্রত্যাহার করা না হয়। তাতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সমঝে চলতে বাধ্য হবেন।
প্রথম আলো অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অন্যায় করলেও তাঁরা শাস্তি পান না; বরং ক্ষমতার পালাবদলের পর পুরস্কৃত হন।
মোহাম্মদ আবু হেনা আমার সর্বশেষ নির্বাচন ছিল টাঙ্গাইলের উপনির্বাচন। সেই নির্বাচনে দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমি চার-পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেটকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলাম। সেখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একজন কমিশনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলাম। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া আমি যে পদক্ষেপটি নিয়েছিলাম, তা হলো ফলাফল স্থগিত করা। আমার ধারণা হয়েছিল, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। অতএব বিষয়টি তদন্ত না করে ফলাফল ঘোষণা করা ঠিক হবে না। আমি মে মাসে (২০০০) পদত্যাগ করার পরই উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশও তুলে নেওয়া হয়।
প্রথম আলো নির্বাচন কমিশনকে যদি আর্থিকভাবে ও লোকবল দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হয়, তাহলে কি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব?
মোহাম্মদ আবু হেনা অনেকটাই সম্ভব। নির্বাচন কমিশনকে যদি সত্যিকারভাবে শক্তিশালী করা হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুপস্থিতিতেও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করা অসম্ভব নয়।
প্রথম আলো গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান নির্বাচন কমিশন যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে, সেসব সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
মোহাম্মদ আবু হেনা বর্তমান নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী আইন সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে কাজটি শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। নির্বাচন কমিশনকে শুধু কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করলে হবে না। আইনে যেসব সীমাবদ্ধতা আছে, সেগুলো দূর করতে হবে। আচরণবিধি সংস্কারের লক্ষ্যে আমরা একটি প্রশ্নমালা তৈরি করে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের কাছে পাঠিয়েছিলাম। তেমন সাড়া পাইনি। কমিউনিস্ট পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টিসহ কয়েকটি বাম দল সাড়া দিয়েছিল। সে সময় ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং (ফেমা) বেশ কিছু সেমিনারের আয়োজন করেছিল। সে সময় আমরা বেশ কিছু সুপারিশ তৈরি করে আইন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু কমিশন সেটি ফাইলবন্দী করে রাখে। সেখানে পাঠানোই সম্ভবত আমাদের ভুল ছিল। বর্তমান কমিশন অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বিষয়গুলো আইনে পরিণত করতে পেরেছে, এটি তাদের সাফল্য। নির্বাচনী আচরণবিধিও অনেক কঠোর করা হয়েছে। যেমন, নির্বাচনী প্রচার তথা সভা-সমাবেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ। এখন ইচ্ছেমতো কেউ নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারে না। নির্বাচনী প্রচার নিয়েই সংঘর্ষ হয়, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা চরমে পৌঁছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শোডাউনও বন্ধ করা হয়েছে। আমরা নির্বাচনী আচরণবিধি জারি করে বললাম, এ কাজগুলো করা যাবে, এগুলো করা যাবে না। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে একজন সাব-জজের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচনী তদন্ত কমিটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিত। তারা অনেক জাঁদরেল নেতাকেও নোটিশ দিয়েছে।
প্রথম আলো নির্বাচনী আইন সংস্কারে বর্তমান নির্বাচন কমিশন কিছু সুপারিশ করেছে। সেগুলো সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? এর বাইরে আপনার কোনো সুপারিশ আছে কি না?
মোহাম্মদ আবু হেনা তাদের অধিকাংশ সুপারিশের সঙ্গে আমি একমত হলেও রাষ্ট্রীয় খরচে প্রার্থীদের প্রচারণা কিংবা নির্বাচনী ব্যয়নির্বাহকে যুক্তিযুক্ত মনে করি না। তাতে প্রার্থীদের নিজস্ব খরচ বন্ধ করা যাবে না; বরং রাষ্ট্রের অপচয় হবে। নির্বাচনী আইন সংস্কারের দুটি উদ্যোগের সঙ্গে আমার নিজেকে সংযুক্ত রাখার সুযোগ হয়েছিল। প্রথমটি হলো: সাবেক সচিব মতিউল ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিটি, দ্বিতীয়টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিবেদন তৈরি। প্রার্থীদের ব্যয়নির্বাহের ক্ষেত্রে এখন তদারকির ব্যবস্থা নেই। নির্বাচন কমিশন প্রতিটি এলাকায় একজন করে নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ করতে পারে। প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের খরচ রেজিস্টার বইয়ে লিপিবদ্ধ করবেন এবং উল্লিখিত কর্মকর্তা প্রতি সপ্তাহে সেই বই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কমিশনে রিপোর্ট পাঠাবেন, এতে প্রার্থীরা বাড়তি খরচের ব্যাপারে সতর্ক হবেন। ফলে কোনো প্রার্থী এক কোটি টাকা ব্যয় করে কাগজপত্রে ১৫ লাখ টাকা দেখাতে পারবেন না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকে প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া। বিশেষ করে, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন কমিশনকে সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।
প্রথম আলো আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ আবু হেনা ধন্যবাদ।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম ও সোহরাব হাসান
প্রথম আলো নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কতটা স্বাধীন? আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে জানতে চাইছি।
মোহাম্মদ আবু হেনা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচনী কাজে আমার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পর যখন প্রস্তাবটি এল, দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। কিন্তু আমার ঘনিষ্ঠজন ও শুভানুধ্যায়ীরা বললেন, এ চ্যালেঞ্জ তোমাকে গ্রহণ করতে হবে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানও আশ্বস্ত করলেন যে, আমার প্রতি প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলেরই আস্থা আছে। তখন আমি চ্যালেঞ্জটি নিলাম। সে সময় দ্বিতীয় কোনো কমিশনারও ছিলেন না। কমিশনের পুরো কাঠামোটি নতুন করে সাজাতে হয়েছে। প্রথমেই আমি নির্বাচন কমিশন আইন, বিধিমালা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করলাম। তারপর নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মনোভাব জানতে তাদের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করলাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিন থেকেই আলোচনা শুরু করি। এর পাশাপাশি নির্বাচন-প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কী কী করণীয়, তার একটি তালিকা করলাম। সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করতে হলে সবার আস্থা যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি বিষয়টি গভীরভাবে জানা। আমার হাতে সময় ছিল মাত্র দুই মাস। ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নিই এবং ১২ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমি খোলা মন নিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের অভিযোগ শুনেছি। যেসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছি।
প্রথম আলো জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা একটি বিরাট দায়িত্ব, যা কেবল কমিশনের মুষ্টিমেয় লোক দ্বারা প্রতিপালন করা সম্ভব নয়। সে কারণে জনপ্রশাসন থেকে লোকবল আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যায় পড়েছেন কি না?
মোহাম্মদ আবু হেনা যেকোনো কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজন প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা ও ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা। যেন কেউ মনে না করেন, তাঁকে প্রভাবিত করা যাবে। এই আস্থা খুবই জরুরি। নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে হয় রিটার্নিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়ে। তাঁরা আসেন জনপ্রশাসন থেকে। আমার পূর্বসূরিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েও বলব, এ ক্ষেত্রে বিচারপতিদের চেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অনেক বেশি দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন। বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন বলে সিইসি পদে বিচার বিভাগ থেকে কাউকে নেননি। হতে পারে তিনি বিচার বিভাগকে বিতর্কিত করতে চাননি।
প্রথম আলো আপনি দক্ষ, সৎ ও শক্ত লোকের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলছেন। এই দক্ষ, সৎ ও শক্ত চরিত্রের লোক কী করে বাছাই করা যায়?
মোহাম্মদ আবু হেনা দক্ষ, সৎ ও শক্ত চরিত্রের লোক বাছাইয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি (সার্চ কমিটি) গঠন করা যেতে পারে। কমিটির প্রধান হতে পারেন সাবেক কোনো প্রধান বিচারপতি, সদস্যরা আসতে পারেন প্রশাসনিক কাজে দক্ষ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে। আসতে পারেন পেশাজীবীদের মধ্য থেকেও। তবে কমিটির সদস্যসংখ্যা পাঁচজনের বেশি হওয়া উচিত নয়।
প্রথম আলো এ ধরনের কমিটি কি প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে?
মোহাম্মদ আবু হেনা না মানার কারণ দেখি না। সার্চ কমিটির সিদ্ধান্তই তো চূড়ান্ত নয়। তারা সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে, যেখানে সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা আছেন, তাঁরা কমিটির বৈঠকে না থাকলেও তাঁদের প্রতিনিধিরা যান। প্রস্তাবিত নামগুলো নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি সেই তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেবেন।
প্রথম আলো বর্তমান কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে সরকারি দলের সদস্যসংখ্যা অনেক বেশি। সে ক্ষেত্রে বিরোধী দলের বক্তব্য আমলে নেওয়ার সুযোগ কতটুকু?
মোহাম্মদ আবু হেনা কিন্তু এর বিকল্প কী? অনেকে দুই দলের মধ্যে আলোচনার কথা বলেছেন। কেউ কেউ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের কথা বলছেন। তাতে জটিলতা আরও বাড়বে। কার্য উপদেষ্টা কমিটি তো বহাল আছে, নতুন কাঠামো তৈরি না করে সেখানে আলোচনাই যুক্তিসংগত। আর আলোচনার উদ্দেশ্যই হবে মতৈক্যে পৌঁছানো। দুই পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা। সমঝোতা তো আলোচনার মাধ্যমেই হতে হবে।
প্রথম আলো যুক্তির খাতিরে যদি ধরেও নিই যে সমঝোতার মাধ্যমে কমিশন গঠিত হলো। কিন্তু সেই কমিশন জাতীয় নির্বাচন করার সময় সরকার তথা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে কি? বিশেষ করে, সরকারের যেসব মন্ত্রণালয় নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত, যেমন—স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইত্যাদি?
মোহাম্মদ আবু হেনা এ কারণেই দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যেমন সৎ ও দক্ষ হতে হবে, তেমনি শক্ত হতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও দলগুলো নির্বাচনের রায় নিজের পক্ষে নিতে প্রশাসনকে নানাভাবে প্রভাবিত করতে চাইবে। নির্বাচন কমিশনের প্রথম কাজ হবে তা প্রতিহত করা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর কঠোর নজরদারির মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সম্পর্কে তাদের সজাগ করে দিয়ে তা করা যায়। তারপরও যদি কেউ নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে, তবে তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও দলগুলোও কঠিন বার্তা পেয়ে যাবে। তারা যখন বুঝবেন, কমিশন বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোনোভাবে প্রভাবিত করা যাবে না, তখন সেই চেষ্টা থেকে বিরত থাকবেন। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমি যাঁদের দিয়ে কমিশনের কাজ সুষ্ঠুভাবে করাতে পারব বলে মনে করেছি, তাঁদেরই নিয়ে এসেছি। উপনির্বাচনের সময় আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বলেছি, তফসিল ঘোষণার পর যেন তিনি বা তাঁর সরকারের কোনো মন্ত্রী নির্বাচনী এলাকায় না যান। তাঁরা সেটি মেনেছেন।
প্রথম আলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের সময় সরকার বলেছিল, নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করা হবে। নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব প্রতিষ্ঠান তাদের নির্দেশে কাজ করবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা কতটা সম্ভব?
মোহাম্মদ আবু হেনা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা সাংবিধানিকভাবেই স্বীকৃত। এটি দেওয়া-নেওয়ার বিষয় নয়। কিন্তু বাস্তব সমস্যা হলো, অর্থ ও লোকবলের অভাব। দুদিক থেকেই কমিশনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। অর্থ বরাদ্দ থাকলেও ছাড় করতে অনেক সময় লেগে যায়। আমার প্রস্তাব হলো, আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বসে বাজেটের অর্থ বরাদ্দ ও ছাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দ বাজেটের টাকা ব্যয়ের জন্য যেন আলাদাভাবে মন্ত্রণালয়ের অনুমতির দরকার না হয়। এই আর্থিক স্বাধীনতা দরকার। কমিশনের কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে উপজেলা পর্যন্ত কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তা আছেন, কিন্তু নির্বাচন পরিচালনার জন্য তা যথেষ্ট নয়। বাইরে থেকে রিটার্নিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়োগ করা হয়। তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা। তা ছাড়া শিক্ষক ও বেসরকারি কর্মকর্তারাও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন। কমিশন তার কাজের জন্য যাদের চাইবে, সরকার তাদের দিতে বাধ্য থাকবে। সমস্যা হলো, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাবেন, এক মাস বা দুই মাসের জন্য কমিশনে এলাম। আবার আগের জায়গায় ফিরে যেতে হবে। অতএব সেই সংস্থা বা সংস্থাপ্রধানের প্রতিই তাঁদের আনুগত্য থাকে। এরপরও তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ করতে হবে। বোঝাতে হবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বেআইনি কিছু করতে পারেন না। আমার প্রস্তাব ছিল, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী সব কর্মকর্তার এসিআর লেখার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার। অধ্যাদেশ ১৩, ১৯৯১-এ বলা আছে, কোনো কর্মকর্তা আইনবহির্ভূত কিছু করলে নির্বাচন কমিশন তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এটি করে গিয়েছিলেন। আমি মনে করি, শাস্তিটা আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। কেউ সাময়িক বরখাস্ত হলে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা যেন প্রত্যাহার করা না হয়। তাতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সমঝে চলতে বাধ্য হবেন।
প্রথম আলো অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অন্যায় করলেও তাঁরা শাস্তি পান না; বরং ক্ষমতার পালাবদলের পর পুরস্কৃত হন।
মোহাম্মদ আবু হেনা আমার সর্বশেষ নির্বাচন ছিল টাঙ্গাইলের উপনির্বাচন। সেই নির্বাচনে দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমি চার-পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেটকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলাম। সেখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একজন কমিশনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলাম। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া আমি যে পদক্ষেপটি নিয়েছিলাম, তা হলো ফলাফল স্থগিত করা। আমার ধারণা হয়েছিল, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। অতএব বিষয়টি তদন্ত না করে ফলাফল ঘোষণা করা ঠিক হবে না। আমি মে মাসে (২০০০) পদত্যাগ করার পরই উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশও তুলে নেওয়া হয়।
প্রথম আলো নির্বাচন কমিশনকে যদি আর্থিকভাবে ও লোকবল দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হয়, তাহলে কি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব?
মোহাম্মদ আবু হেনা অনেকটাই সম্ভব। নির্বাচন কমিশনকে যদি সত্যিকারভাবে শক্তিশালী করা হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুপস্থিতিতেও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করা অসম্ভব নয়।
প্রথম আলো গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান নির্বাচন কমিশন যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে, সেসব সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
মোহাম্মদ আবু হেনা বর্তমান নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী আইন সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে কাজটি শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। নির্বাচন কমিশনকে শুধু কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করলে হবে না। আইনে যেসব সীমাবদ্ধতা আছে, সেগুলো দূর করতে হবে। আচরণবিধি সংস্কারের লক্ষ্যে আমরা একটি প্রশ্নমালা তৈরি করে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের কাছে পাঠিয়েছিলাম। তেমন সাড়া পাইনি। কমিউনিস্ট পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টিসহ কয়েকটি বাম দল সাড়া দিয়েছিল। সে সময় ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং (ফেমা) বেশ কিছু সেমিনারের আয়োজন করেছিল। সে সময় আমরা বেশ কিছু সুপারিশ তৈরি করে আইন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু কমিশন সেটি ফাইলবন্দী করে রাখে। সেখানে পাঠানোই সম্ভবত আমাদের ভুল ছিল। বর্তমান কমিশন অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বিষয়গুলো আইনে পরিণত করতে পেরেছে, এটি তাদের সাফল্য। নির্বাচনী আচরণবিধিও অনেক কঠোর করা হয়েছে। যেমন, নির্বাচনী প্রচার তথা সভা-সমাবেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ। এখন ইচ্ছেমতো কেউ নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারে না। নির্বাচনী প্রচার নিয়েই সংঘর্ষ হয়, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা চরমে পৌঁছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শোডাউনও বন্ধ করা হয়েছে। আমরা নির্বাচনী আচরণবিধি জারি করে বললাম, এ কাজগুলো করা যাবে, এগুলো করা যাবে না। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে একজন সাব-জজের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচনী তদন্ত কমিটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিত। তারা অনেক জাঁদরেল নেতাকেও নোটিশ দিয়েছে।
প্রথম আলো নির্বাচনী আইন সংস্কারে বর্তমান নির্বাচন কমিশন কিছু সুপারিশ করেছে। সেগুলো সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? এর বাইরে আপনার কোনো সুপারিশ আছে কি না?
মোহাম্মদ আবু হেনা তাদের অধিকাংশ সুপারিশের সঙ্গে আমি একমত হলেও রাষ্ট্রীয় খরচে প্রার্থীদের প্রচারণা কিংবা নির্বাচনী ব্যয়নির্বাহকে যুক্তিযুক্ত মনে করি না। তাতে প্রার্থীদের নিজস্ব খরচ বন্ধ করা যাবে না; বরং রাষ্ট্রের অপচয় হবে। নির্বাচনী আইন সংস্কারের দুটি উদ্যোগের সঙ্গে আমার নিজেকে সংযুক্ত রাখার সুযোগ হয়েছিল। প্রথমটি হলো: সাবেক সচিব মতিউল ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিটি, দ্বিতীয়টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিবেদন তৈরি। প্রার্থীদের ব্যয়নির্বাহের ক্ষেত্রে এখন তদারকির ব্যবস্থা নেই। নির্বাচন কমিশন প্রতিটি এলাকায় একজন করে নির্বাচনী ব্যয় পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ করতে পারে। প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের খরচ রেজিস্টার বইয়ে লিপিবদ্ধ করবেন এবং উল্লিখিত কর্মকর্তা প্রতি সপ্তাহে সেই বই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কমিশনে রিপোর্ট পাঠাবেন, এতে প্রার্থীরা বাড়তি খরচের ব্যাপারে সতর্ক হবেন। ফলে কোনো প্রার্থী এক কোটি টাকা ব্যয় করে কাগজপত্রে ১৫ লাখ টাকা দেখাতে পারবেন না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকে প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া। বিশেষ করে, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন কমিশনকে সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।
প্রথম আলো আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ আবু হেনা ধন্যবাদ।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 12
(83)
- মাঝেমধ্যে তারা হরতাল-টরতাল ডাকুক। মাসে একবার হরতাল...
- আটকে গেছে অন্ত্য মিল কী দেব, কন তো? ৩১ by মাসুদ মা...
- রসকারণ-বগলে সুড়সুড়ি বেশি লাগে কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- রস+আলো যদি সরকারি রম্য ম্যাগাজিন হতো by নাসিফ চৌধুরী
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আমাদের মুক্তির নায়ক
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার-বিভ্রান্ত নাগরিক ও অসহায় নির্বা...
- পাঠদান-উচ্চশিক্ষায়ভুলে যাওয়ার মহামারি by এ কে এম ন...
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক-পানি থেকে কতটুকু জলের তফাত? ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-নারায়ণগঞ্জে গণভোট ও কমিশনের অগ্নি...
- কিশোরদের পেটানোর ঘটনার আইনি প্রতিকার চাই-ক্ষমতার স...
- আর বাড়তে দেওয়ার সুযোগ নেই-কালোটাকার পাহাড়
- অভিনন্দন দক্ষিণ সুদান-দারিদ্র্য ঘুচে সমৃদ্ধি আসুক
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আমার স্মৃতিতে কমরেড ফরহাদ
- যুক্তি তর্ক গল্প-উন্নয়নের পথে বাধা কোথায়? by আবুল ...
- মতামত-শিক্ষার জাতীয় বাজেট বনাম পারিবারিক বাজেট
- ছিটমহল-শূন্যের অধিবাসীরা মাটির কাছে আসতে চায় by শা...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমেই নতুন নি...
- রাখাও যায় না, বন্ধ করাও যায় না, তবে...-শিক্ষকদের ‘...
- আইনের নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে-অপহরণ বা নিখো...
- বাজারদর ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে-বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-দুশমনদের প্রতি অবিচার না করার ক...
- হিলারি ক্লিনটন-দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা দিবস
- জনজীবন-গর্বের অষ্টকথা by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
- ঋণগ্রস্ততার দুষ্টচক্র-গণি মিয়া’ ও ‘মুহিত সাহেবের’ ...
- দখলদারদের সন্ত্রাস আর পুলিশের গাফিলতির বিহিত হোক-চ...
- উভয় পক্ষকেই সংযত ও দায়িত্বশীল হতে হবে-১২ মার্চ নিয়...
- যে ছবি কথা বল by তারেক শামসুর রেহমান
- চরাচর-কাঁঠালের যত গুণ by সাইফুল ইসলাম খান
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- নিত্যজাতম্-মমতা-অভিজিতের শিষ্টাচার ও বাংলাদেশের প...
- দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা : চোখের মণি কি কেউ দেখতে পায়...
- প্রতিবাদের ভাষা যখন নিজেকে জ্বালিয়ে দেওয়া
- ছাত্ররাজনীতি-ফিরিয়ে আনতে হবে হারানো ঐতিহ্য
- জনসংখ্যাই প্রধান সমস্যা-সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-নামাজ, জাকাত, রাসুলের আনুগত্য ও...
- দূরের দূরবীনে-বিদেশযাত্রা ও অভিবাসনবিষয়ক সতর্কতা b...
- বেতাল হরতালে বিপন্ন উলুখাগড়া by এ কে এম শাহনাওয়াজ
- চরাচর-'হাতের মুঠোয় হাজার বছর আমরা চলেছি সামনে' by ...
- নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড এবং রুপার্ট মারডকের ভবিষ্যৎ
- কল্পকথার গল্প-বদলে যেত যদি এভাবে জীবন! by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা-প্রবাসী বাংলাদেশি এক গোয়েবলসের মিথ...
- একটি শুভ উদ্যোগ-সেবার আদর্শ ছড়িয়ে যাক সবার মাঝে
- সারা দেশে শোকের ছায়া-দুর্ঘটনা রোধে আইনের কঠোর প্রয়...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইহুদি ও খ্রিস্টানদের তাদের মতো ...
- জ্বালানিতে নয়, গরিবের জন্য খাদ্যে ভর্তুকি দিন by জ...
- সরকারের রণনীতি, রণকৌশল ও সময়োচিত পদক্ষেপ by গাজীউ...
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ : বাংলা ভাষার একনিষ্ঠ সেবক b...
- কুনওয়ার ইদ্রিস-অপরিবর্তিত বেদনা
- জাতীয় স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে
- সময়ের প্রতিধ্বনি-ট্রানজিট ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য প্র...
- একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-বাংলাদেশের সংবিধান by আন...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষাঙ্গনে রক্তপাত বন্ধ হ...
- দূরদেশ-নাশিদের ক্ষমতাচ্যুতিতে কারা লাভবান হবে? by ...
- বিচার বিভাগে নিয়োগ-বার কাউন্সিলের সনদ-বিড়ম্বনা
- জনজীবন-গর্বের অষ্টকথা by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
- দখলদারদের সন্ত্রাস আর পুলিশের গাফিলতির বিহিত হোক-চ...
- উভয় পক্ষকেই সংযত ও দায়িত্বশীল হতে হবে-১২ মার্চ নিয়...
- একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংল...
- চিকিৎসা পেশা-নৈতিকতা নিয়ে আরও কিছু কথা by এ কে আজা...
- ভারত-টু-জি কেলেঙ্কারি নাটক by কুলদীপ নায়ার
- চিরকুট
- সহোদর জুটির নেশনস কাপ!
- কথামালা
- ১০ প্রশ্নের মুখোমুখি-ফৌজা সিং
- জীবিকার সন্ধানে
- কতক্ষণ কান্না চেপে রাখব? by রুদ্র মাসুদ
- উত্তর প্রদেশে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ভাগ্য পরীক্ষা by গ...
- হাতছাড়া হচ্ছে শ্রমবাজার-অবস্থার অবসান হওয়া দরকার
- সাংবাদিক দম্পতি খুন-আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-কাফির ও মুনাফিকদের পরিহার করে ন...
- লন্ডনের চ্যারিটিওয়ালারা by ফারুক যোশী
- হরমুজেরই বিকল্প, যুদ্ধের নয়? by জামান সরদার
- বোধ ও বোধের উদ্বোধন-গ্রন্থমেলা by আবুল হাসানাত
- আঁধার জয়ের পথ-সময়ের কথা by অজয় দাশগুপ্ত
- বৃষ্টির পানি ব্যবহার-বরেন্দ্র অঞ্চলে সবুজের সমারোহ
- প্রকল্পের গাড়ি-নিখোঁজ গাড়িগুলোর খোঁজ মিলুক
- চালচিত্র-ক্ষমতার রাজনীতি আর বিধ্বস্ত অর্থনীতিতে বি...
- চরাচর-বুড়িগঙ্গার প্রাণ ওষ্ঠাগত by আজিজুর রহমান
- রঙ্গব্যঙ্গ-নতুন সিইসির সঙ্গে কাল্পনিক কথাবার্তা by...
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বিদ্যমান বাস্তবতা by ডা. ...
- স্থানীয় প্রজাতির শস্যবীজের বিলুপ্তি by এ এম এম শওক...
- মেঘ সকালে ফোন করে বলে নানু, বাবা-মা মারা গেছে
- সাংবাদিক দম্পতি খুন
-
▼
Feb 12
(83)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment