Monday, January 7, 2013
রশাসন-মেধাভিত্তিক নিয়োগেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা পাবে by আকবর আলি খান
রশাসন-মেধাভিত্তিক নিয়োগেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা পাবে by আকবর আলি খান
যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রশাসনে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করতে পারব না এবং যোগ্যতা ও দক্ষতাই হয়ে উঠবে না পদোন্নতির ভিত্তি, ততক্ষণ দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না এবং বাংলাদেশের প্রশাসনেও প্রতিষ্ঠিত হবে না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
আমাদের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রামের সময়ে সমান্তরালভাবে গড়ে উঠেছিল। গত চার দশকে প্রশাসনে গতিশীলতা এসেছে। বিকেন্দ্রীকরণ ঘটেছে। জেন্ডার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু মূল লক্ষ্য এখনও অর্জন
করা হয়নি
একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই বাংলাদেশ ছিল কার্যত স্বাধীন_ এমন যে মত রয়েছে তা গ্রহণ করে নিতে আমজনতা থেকে রাজনৈতিক পণ্ডিতদের মধ্যে তেমন ভিন্নতা নেই। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে এ ভূখণ্ডের জনগণ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিপুলভাবে রায় প্রদান করে। পাকিস্তানের ক্ষমতায় এ দলটির আসীন হতে কোনো আইনগত সমস্যা ছিল না। এক ধরনের প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পাকিস্তানের শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়, যার প্রকাশ ছিল ৩ মার্চ নির্ধারিত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা। অথচ ঢাকায় এ অধিবেশন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবেই লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে আসে। শহর-বন্দর-গ্রাম হয়ে ওঠে অগি্নগর্ভ। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনের সঙ্গে যুক্তরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ আন্দোলনে শামিল হয়ে যায়। সচিবালয় থেকে জেলা, মহকুমা ও থানা প্রশাসনের সর্বত্র একই চিত্র আমরা দেখতে পাই। ব্যক্তি হিসেবে ধরলে কেউ বেশি সক্রিয় ছিলেন, কেউবা জনস্রোতের সঙ্গে মিশে ছিলেন। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বলা যায়, একটি বিকল্প প্রশাসন কার্যত ১ মার্চই রূপ নিতে শুরু করে। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের আম্রকাননে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। এখানেও প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আমরা উপস্থিত দেখতে পাই। কিন্তু ইতিহাস জানায়, এর অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন কাজ শুরু করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অসহযোগ আন্দোলনের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছিল। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তিনি 'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ঘোষণা দেওয়ার সময়ে এ আন্দোলনের ডাক দেন। কার্যত কিন্তু ১ মার্চ থেকেই চলছিল পাকিস্তানি প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে অসহযোগিতা। সামগ্রিকভাবে পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন পরিচালনা হতে থাকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। প্রশাসনিক ও অন্যান্য বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের জন্য তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজনকে নিয়ে একটি টিমও কাজ করছিল। তবে তোপখানা রোডের সচিবালয় এবং জেলা, মহকুমা ও থানার সর্বত্র একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, সেটা বলা যাবে না। কোথাও কোথাও সরকারি প্রশাসন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা যৌথভাবে প্রশাসন পরিচালনা করতে থাকেন। আবার কোথাও কোথাও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা স্বাধীনতার আন্দোলনে তেমন সক্রিয়ভাবে যুক্ত না হওয়ায় রাজনৈতিক নেতৃত্বই এগিয়ে এসে প্রশাসনের অনেক কাজ পালন করতে থাকে। আবার কোনো কোনো এলাকায় দেখা যায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নেতৃত্বের ভূমিকায় চলে এসেছেন। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়, স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা মুক্তিবাহিনীর কমান্ডের আস্থা অর্জনেও তারা সফল হয়েছিলেন। তবে এ সময়ে প্রশাসনের কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ গড়ে ওঠেনি। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়নের নামে গণহত্যা শুরু হয় ঢাকায় এবং বাংলাদেশের রাজধানীর চিত্র দ্রুত পাল্টে যায়। কর্তৃত্ব চলে যায় সেনাবাহিনীর হাতে, যারা অস্ত্রের জোরে সবকিছু চালাতে তৎপর হয়। ক্রমে জেলা ও মহকুমায় সামরিক অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান সংহত থাকে এবং দেশের ভেতরে স্বাধীনতার সপক্ষে যে প্রশাসন গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে যায়। তখন অনেক কর্মকর্তা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মুজিবনগর সরকারে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েন। তাদের নিয়ে ধীরে ধীরে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে উঠতে থাকে। মুজিবনগর সরকারে সব প্রশাসনিক দফতর কিংবা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। আমাদের কাজ করতে হয়েছে অগ্রাধিকার চিহ্নিত করে। এর একটি কারণ শুরুর দিকে যথেষ্ট জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা না থাকা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে খুব বেশিসংখ্যক পদস্থ কর্মকর্তা সীমান্ত অতিক্রম করেননি। দ্বিতীয়ত, রণাঙ্গনের প্রয়োজনে যেসব ক্রিয়াকাণ্ড প্রাধান্য লাভ করছিল আমাদেরও তার প্রতি মনোযোগ প্রদান করতে হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যেই মুজিবনগর সরকারের প্রশাসন পূর্ণ সরকারের রূপ পরিগ্রহ করতে শুরু করে। ১৭ এপ্রিল সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রার দিন থেকে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত সময়ে মুজিবনগর সরকারের একটি প্রশাসনিক কাঠামো শুধু যে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল তা নয়; পরিকল্পনা কমিশন গঠনের মতো পদক্ষেপ গ্রহণও সম্ভব হয়, যার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালেই পরিকল্পিত উন্নয়নের পথে চলার জন্য কর্মসূচি প্রণয়নে কাজ শুরু করেন।
স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বড় সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমত, মুজিবনগরে যারা কাজ করেছেন এবং দেশের ভেতরে থেকে যারা পাকিস্তানি শাসকদের অধীনে কাজ করেছেন তাদের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। পাকিস্তানে আটকেপড়া সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ফেরত এসে প্রশাসনে যোগ দিলে এ সমস্যা আরও প্রকট হতে শুরু করে। এভাবে প্রশাসনের মধ্যে সৃষ্ট অন্তর্দ্বন্দ্বের সুস্পষ্ট সমাধান কখনোই সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ত, সরকারকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছিল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের। মুক্তিযুদ্ধকালে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল বিপর্যস্ত। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন করে সূচনা করতে হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত সরকার সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বের পরিধি বেড়ে যায়। পাকিস্তান আমলে কলকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল ব্যক্তিমালিকানায়। সরকারি কর্মকর্তাদের কাজ ছিল নীতিমালা ও আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখার মধ্যে সীমিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা সীমিত করা হয় এবং সরকারের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। জাতীয়করণ কর্মসূচির আওতায় বিপুলসংখ্যক শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এগুলো পরিচালনার দায়িত্ব বর্তায় অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ওপর। এ এক ভিন্ন ধরনের দায়িত্ব, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদ্যোক্তারাই পালন করতেন। এটা যথাযথভাবে পালনের জন্য বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়। তদুপরি ছিল সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্য। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে রাষ্ট্রের তরফে বিশেষ উদ্যোগ প্রত্যাশা করা হতে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক সংস্কার ছিল জরুরি। কিন্তু একদিকে অর্থনীতির পুনর্গঠন ও অন্যান্য জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ততা, অন্যদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্ট অস্থিরতার জন্য বঙ্গবন্ধু এ বিষয়ের প্রতি যথাযথ মনোযোগ প্রদান করতে পারেননি। অন্যদিকে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে পরিবর্তন সংঘটিত হওয়ার পর যেসব শাসক ক্ষমতায় আসেন তাদের ধ্যানধারণা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সামরিক শাসনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে টানাপড়েন শুরু হয়। এক ধরনের মেরুকরণও আমরা লক্ষ্য করি। এ সমস্যা সমাধানের জন্য তদানীন্তন সরকার ১৯৭৭ সালে পুরনো সিভিল সার্ভিসগুলো তুলে দিয়ে নতুন ২৯টি ক্যাডার প্রতিষ্ঠা করে। এ সময়ে তাত্তি্বকভাবে বলা হয় যে, সব ক্যাডার সমান। পদোন্নতির ক্ষেত্রে সবার সমান সুযোগ থাকবে। বাস্তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব হয়নি। এর প্রধান কারণ যেভাবে ক্যাডারগুলো গড়ে তোলা হয় তাতে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব ছিল না। উপরন্তু ক্যাডারদের পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিতভাবে চাকরিতে নতুন নিয়োগদান প্রয়োজন ছিল। এ দায়িত্বে অবহেলা করা হয়। এর ফলে আমরা দেখতে পাই, কোনো কোনো ক্যাডারের ক্ষেত্রে একসঙ্গে ৫০০, ৭০০ এমনকি এক হাজার কর্মকর্তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তাদের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য মাসের পর মাস চলে বিপুল আয়োজন। এত বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে একসঙ্গে নিয়োগ প্রদানের কাজ মোটেই সহজ হয় না। তা ছাড়া এর প্রভাবে পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নানা অসন্তোষও আমরা লক্ষ্য করি। আরেকটি প্রবণতাও প্রকট হয়। পদোন্নতির বাধা ডিঙানোর কাজ যেহেতু কঠিন, তাই কেউ কেউ ভিন্ন পথে চলতে চেষ্টা করেন। দেখা যায়, একটি অংশ লক্ষ্য হাসিলের জন্য রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া নিতে সচেষ্ট রয়েছেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশে রাজনীতিবিদদের কাছে বিষয়টি বেশ সুবিধাজনক মনে হতে থাকে। সাম্প্রতিককালে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে যে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রভাব, এর শুরু এভাবেই হয়েছে। প্রশাসনে এ ধরনের ঘটনা সরকারের উন্নয়ন ও আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। সেবা খাতগুলোয়ও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতিসাধন কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে রাজনীতিকদের কারণেও প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে থাকে। তারা পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্ত করতে থাকেন। আনুকূল্য বিতরণের ঘটনা ঘটে।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও জটিলতা বাড়ায়। বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সব পদে মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হবে। এ নিয়মটি দুই ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না। প্রথমত, কোটার ভিত্তিতে ৫৫ ভাগ কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে। এ বিষয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে অনেক মামলার ঘটনা আমরা উল্লেখ করতে পারি। সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত_ কোনো অবস্থাতেই কোটা ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, মেধাভিত্তিক নিয়োগ হলো সাধারণ নিয়ম এবং কোটা হলো বিশেষ কারণে ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম সাধারণ নিয়মের চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে না। তাই ভারতে কোনো পদে ৫০ শতাংশের বেশি কোটা সংরক্ষণ সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে একসময় জেলার সংখ্যা ছিল ১৭, পরে বেড়ে হয় ১৯। পরবর্তীকালে জেলার সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ৬৪। প্রথমে ১৭ জেলার জন্য কোটা নির্ধারণ করা ছিল। জেলার সংখ্যা বাড়লে, কোটার ক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, চাকরিতে পদের সংখ্যা যতটা জেলার সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। আমরা এটা দেখি যে, বর্তমানে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত জেলাগুলো নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায়। অন্যদিকে কম জনংখ্যার জেলাগুলো থেকে অনেক প্রার্থী মেধাবী হয়েও নিয়োগ পায় না। অনুন্নত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্য সৃষ্টি হচ্ছে বিশেষ সমস্যা। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা দেখা যায় সচিবালয়ে। এখানে সব ক্যাডার থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হয় না।
তবে চাকরিতে মেধা নির্ণয় করার যে সুযোগ সেটাও খুব সীমাবদ্ধ। বর্তমানে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল্যায়ন করা হয়। এই মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নম্বর ১০০। এর মধ্যে কাজের পরিমাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ এবং কাজের মানের জন্য সর্বোচ্চ ৪ নির্ধারণ করা আছে। বাকি ৯২ শতাংশ মূলত ব্যক্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের প্রতি অনুগত কি-না এবং একই সঙ্গে ব্যক্তির প্রতি আনুগত্য কতটা, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ ধরনের আরও অনেক উপাদান রয়েছে, তার ফলে এমনকি কাজের পরিমাণ ও মানের বিবেচনায় একজন কর্মকর্তা বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের মূল্যায়নে ৮-এর মধ্যে এমনকি শূন্য পেলেও পদোন্নতিতে সমস্যা হয় না। উপরন্তু এসব মূল্যায়ন অনেক সময় খামখেয়ালিপূর্ণ হয়ে থাকে। কেউ পেয়ে যায় বিশেষ আনুকূল্য, কারও ভাগ্যে জোটে বঞ্চনা। দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের জন্য অনেক হতাশার কারণও নিয়মিতই ঘটে। স্বাধীনতার চার দশক অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল্যায়নের একটি বৈজ্ঞানিক এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থা আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। ফলে বাংলাদেশের প্রশাসনে যারা ভালোভাবে কাজ করেন তাদের জন্য কোনো পুরস্কারের ব্যবস্থা নেই। একইভাবে খারাপ কাজ করলেও শাস্তির ঘটনা কমই দেখা যায়।
হজরত আলি (রা.) ইসলামী প্রশাসন সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রেখে গেছেন মিসরের গভর্নরের কাছে লেখা চিঠিতে। এতে তিনি বলেন, প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হবে ভালো কাজ যারা করে তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন এবং কেউ খারাপ কাজ করলে তাকে শাস্তি প্রদান করা। ভগবৎ গীতায়ও আমরা একই ধরনের নির্দেশনা দেখতে পাই। এভাবেই জোর দেওয়া হয়েছে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের ওপর। এমনকি চলতি কথায়ও আমরা এটা বলে থাকি, যা বাংলা ভাষায় সচরাচর উল্লেখ হওয়া একটি প্রবাদ। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রশাসনে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করতে পারব না এবং যোগ্যতা ও দক্ষতাই হয়ে উঠবে না পদোন্নতির ভিত্তি, ততক্ষণ দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না এবং বাংলাদেশের প্রশাসনেও প্রতিষ্ঠিত হবে না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমাদের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রামের সময়ে সমান্তরালভাবে গড়ে উঠেছিল। গত চার দশকে প্রশাসনে গতিশীলতা এসেছে। বিকেন্দ্রীকরণ ঘটেছে। জেন্ডার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু মূল লক্ষ্য এখনও অর্জন করা হয়নি।
ড. আকবর আলি খান : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সাবেক কেবিনেট সচিব
করা হয়নি
একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই বাংলাদেশ ছিল কার্যত স্বাধীন_ এমন যে মত রয়েছে তা গ্রহণ করে নিতে আমজনতা থেকে রাজনৈতিক পণ্ডিতদের মধ্যে তেমন ভিন্নতা নেই। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে এ ভূখণ্ডের জনগণ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিপুলভাবে রায় প্রদান করে। পাকিস্তানের ক্ষমতায় এ দলটির আসীন হতে কোনো আইনগত সমস্যা ছিল না। এক ধরনের প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পাকিস্তানের শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়, যার প্রকাশ ছিল ৩ মার্চ নির্ধারিত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা। অথচ ঢাকায় এ অধিবেশন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবেই লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে আসে। শহর-বন্দর-গ্রাম হয়ে ওঠে অগি্নগর্ভ। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনের সঙ্গে যুক্তরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ আন্দোলনে শামিল হয়ে যায়। সচিবালয় থেকে জেলা, মহকুমা ও থানা প্রশাসনের সর্বত্র একই চিত্র আমরা দেখতে পাই। ব্যক্তি হিসেবে ধরলে কেউ বেশি সক্রিয় ছিলেন, কেউবা জনস্রোতের সঙ্গে মিশে ছিলেন। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বলা যায়, একটি বিকল্প প্রশাসন কার্যত ১ মার্চই রূপ নিতে শুরু করে। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের আম্রকাননে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। এখানেও প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আমরা উপস্থিত দেখতে পাই। কিন্তু ইতিহাস জানায়, এর অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন কাজ শুরু করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অসহযোগ আন্দোলনের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছিল। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তিনি 'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ঘোষণা দেওয়ার সময়ে এ আন্দোলনের ডাক দেন। কার্যত কিন্তু ১ মার্চ থেকেই চলছিল পাকিস্তানি প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে অসহযোগিতা। সামগ্রিকভাবে পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন পরিচালনা হতে থাকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। প্রশাসনিক ও অন্যান্য বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের জন্য তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজনকে নিয়ে একটি টিমও কাজ করছিল। তবে তোপখানা রোডের সচিবালয় এবং জেলা, মহকুমা ও থানার সর্বত্র একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, সেটা বলা যাবে না। কোথাও কোথাও সরকারি প্রশাসন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা যৌথভাবে প্রশাসন পরিচালনা করতে থাকেন। আবার কোথাও কোথাও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা স্বাধীনতার আন্দোলনে তেমন সক্রিয়ভাবে যুক্ত না হওয়ায় রাজনৈতিক নেতৃত্বই এগিয়ে এসে প্রশাসনের অনেক কাজ পালন করতে থাকে। আবার কোনো কোনো এলাকায় দেখা যায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নেতৃত্বের ভূমিকায় চলে এসেছেন। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়, স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা মুক্তিবাহিনীর কমান্ডের আস্থা অর্জনেও তারা সফল হয়েছিলেন। তবে এ সময়ে প্রশাসনের কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ গড়ে ওঠেনি। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়নের নামে গণহত্যা শুরু হয় ঢাকায় এবং বাংলাদেশের রাজধানীর চিত্র দ্রুত পাল্টে যায়। কর্তৃত্ব চলে যায় সেনাবাহিনীর হাতে, যারা অস্ত্রের জোরে সবকিছু চালাতে তৎপর হয়। ক্রমে জেলা ও মহকুমায় সামরিক অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান সংহত থাকে এবং দেশের ভেতরে স্বাধীনতার সপক্ষে যে প্রশাসন গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে যায়। তখন অনেক কর্মকর্তা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মুজিবনগর সরকারে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েন। তাদের নিয়ে ধীরে ধীরে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে উঠতে থাকে। মুজিবনগর সরকারে সব প্রশাসনিক দফতর কিংবা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। আমাদের কাজ করতে হয়েছে অগ্রাধিকার চিহ্নিত করে। এর একটি কারণ শুরুর দিকে যথেষ্ট জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা না থাকা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে খুব বেশিসংখ্যক পদস্থ কর্মকর্তা সীমান্ত অতিক্রম করেননি। দ্বিতীয়ত, রণাঙ্গনের প্রয়োজনে যেসব ক্রিয়াকাণ্ড প্রাধান্য লাভ করছিল আমাদেরও তার প্রতি মনোযোগ প্রদান করতে হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যেই মুজিবনগর সরকারের প্রশাসন পূর্ণ সরকারের রূপ পরিগ্রহ করতে শুরু করে। ১৭ এপ্রিল সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রার দিন থেকে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত সময়ে মুজিবনগর সরকারের একটি প্রশাসনিক কাঠামো শুধু যে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল তা নয়; পরিকল্পনা কমিশন গঠনের মতো পদক্ষেপ গ্রহণও সম্ভব হয়, যার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালেই পরিকল্পিত উন্নয়নের পথে চলার জন্য কর্মসূচি প্রণয়নে কাজ শুরু করেন।
স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বড় সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমত, মুজিবনগরে যারা কাজ করেছেন এবং দেশের ভেতরে থেকে যারা পাকিস্তানি শাসকদের অধীনে কাজ করেছেন তাদের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। পাকিস্তানে আটকেপড়া সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ফেরত এসে প্রশাসনে যোগ দিলে এ সমস্যা আরও প্রকট হতে শুরু করে। এভাবে প্রশাসনের মধ্যে সৃষ্ট অন্তর্দ্বন্দ্বের সুস্পষ্ট সমাধান কখনোই সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ত, সরকারকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছিল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের। মুক্তিযুদ্ধকালে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল বিপর্যস্ত। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন করে সূচনা করতে হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত সরকার সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বের পরিধি বেড়ে যায়। পাকিস্তান আমলে কলকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল ব্যক্তিমালিকানায়। সরকারি কর্মকর্তাদের কাজ ছিল নীতিমালা ও আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখার মধ্যে সীমিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা সীমিত করা হয় এবং সরকারের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। জাতীয়করণ কর্মসূচির আওতায় বিপুলসংখ্যক শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এগুলো পরিচালনার দায়িত্ব বর্তায় অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ওপর। এ এক ভিন্ন ধরনের দায়িত্ব, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদ্যোক্তারাই পালন করতেন। এটা যথাযথভাবে পালনের জন্য বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়। তদুপরি ছিল সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্য। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে রাষ্ট্রের তরফে বিশেষ উদ্যোগ প্রত্যাশা করা হতে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক সংস্কার ছিল জরুরি। কিন্তু একদিকে অর্থনীতির পুনর্গঠন ও অন্যান্য জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ততা, অন্যদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্ট অস্থিরতার জন্য বঙ্গবন্ধু এ বিষয়ের প্রতি যথাযথ মনোযোগ প্রদান করতে পারেননি। অন্যদিকে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে পরিবর্তন সংঘটিত হওয়ার পর যেসব শাসক ক্ষমতায় আসেন তাদের ধ্যানধারণা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সামরিক শাসনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে টানাপড়েন শুরু হয়। এক ধরনের মেরুকরণও আমরা লক্ষ্য করি। এ সমস্যা সমাধানের জন্য তদানীন্তন সরকার ১৯৭৭ সালে পুরনো সিভিল সার্ভিসগুলো তুলে দিয়ে নতুন ২৯টি ক্যাডার প্রতিষ্ঠা করে। এ সময়ে তাত্তি্বকভাবে বলা হয় যে, সব ক্যাডার সমান। পদোন্নতির ক্ষেত্রে সবার সমান সুযোগ থাকবে। বাস্তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব হয়নি। এর প্রধান কারণ যেভাবে ক্যাডারগুলো গড়ে তোলা হয় তাতে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব ছিল না। উপরন্তু ক্যাডারদের পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিতভাবে চাকরিতে নতুন নিয়োগদান প্রয়োজন ছিল। এ দায়িত্বে অবহেলা করা হয়। এর ফলে আমরা দেখতে পাই, কোনো কোনো ক্যাডারের ক্ষেত্রে একসঙ্গে ৫০০, ৭০০ এমনকি এক হাজার কর্মকর্তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তাদের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য মাসের পর মাস চলে বিপুল আয়োজন। এত বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে একসঙ্গে নিয়োগ প্রদানের কাজ মোটেই সহজ হয় না। তা ছাড়া এর প্রভাবে পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নানা অসন্তোষও আমরা লক্ষ্য করি। আরেকটি প্রবণতাও প্রকট হয়। পদোন্নতির বাধা ডিঙানোর কাজ যেহেতু কঠিন, তাই কেউ কেউ ভিন্ন পথে চলতে চেষ্টা করেন। দেখা যায়, একটি অংশ লক্ষ্য হাসিলের জন্য রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া নিতে সচেষ্ট রয়েছেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশে রাজনীতিবিদদের কাছে বিষয়টি বেশ সুবিধাজনক মনে হতে থাকে। সাম্প্রতিককালে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে যে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রভাব, এর শুরু এভাবেই হয়েছে। প্রশাসনে এ ধরনের ঘটনা সরকারের উন্নয়ন ও আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। সেবা খাতগুলোয়ও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতিসাধন কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে রাজনীতিকদের কারণেও প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে থাকে। তারা পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্ত করতে থাকেন। আনুকূল্য বিতরণের ঘটনা ঘটে।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও জটিলতা বাড়ায়। বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি রয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সব পদে মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হবে। এ নিয়মটি দুই ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না। প্রথমত, কোটার ভিত্তিতে ৫৫ ভাগ কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে। এ বিষয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে অনেক মামলার ঘটনা আমরা উল্লেখ করতে পারি। সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত_ কোনো অবস্থাতেই কোটা ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, মেধাভিত্তিক নিয়োগ হলো সাধারণ নিয়ম এবং কোটা হলো বিশেষ কারণে ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম সাধারণ নিয়মের চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে না। তাই ভারতে কোনো পদে ৫০ শতাংশের বেশি কোটা সংরক্ষণ সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে একসময় জেলার সংখ্যা ছিল ১৭, পরে বেড়ে হয় ১৯। পরবর্তীকালে জেলার সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ৬৪। প্রথমে ১৭ জেলার জন্য কোটা নির্ধারণ করা ছিল। জেলার সংখ্যা বাড়লে, কোটার ক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, চাকরিতে পদের সংখ্যা যতটা জেলার সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। আমরা এটা দেখি যে, বর্তমানে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত জেলাগুলো নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায়। অন্যদিকে কম জনংখ্যার জেলাগুলো থেকে অনেক প্রার্থী মেধাবী হয়েও নিয়োগ পায় না। অনুন্নত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্য সৃষ্টি হচ্ছে বিশেষ সমস্যা। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা দেখা যায় সচিবালয়ে। এখানে সব ক্যাডার থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হয় না।
তবে চাকরিতে মেধা নির্ণয় করার যে সুযোগ সেটাও খুব সীমাবদ্ধ। বর্তমানে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল্যায়ন করা হয়। এই মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নম্বর ১০০। এর মধ্যে কাজের পরিমাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ এবং কাজের মানের জন্য সর্বোচ্চ ৪ নির্ধারণ করা আছে। বাকি ৯২ শতাংশ মূলত ব্যক্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের প্রতি অনুগত কি-না এবং একই সঙ্গে ব্যক্তির প্রতি আনুগত্য কতটা, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ ধরনের আরও অনেক উপাদান রয়েছে, তার ফলে এমনকি কাজের পরিমাণ ও মানের বিবেচনায় একজন কর্মকর্তা বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের মূল্যায়নে ৮-এর মধ্যে এমনকি শূন্য পেলেও পদোন্নতিতে সমস্যা হয় না। উপরন্তু এসব মূল্যায়ন অনেক সময় খামখেয়ালিপূর্ণ হয়ে থাকে। কেউ পেয়ে যায় বিশেষ আনুকূল্য, কারও ভাগ্যে জোটে বঞ্চনা। দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের জন্য অনেক হতাশার কারণও নিয়মিতই ঘটে। স্বাধীনতার চার দশক অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল্যায়নের একটি বৈজ্ঞানিক এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থা আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। ফলে বাংলাদেশের প্রশাসনে যারা ভালোভাবে কাজ করেন তাদের জন্য কোনো পুরস্কারের ব্যবস্থা নেই। একইভাবে খারাপ কাজ করলেও শাস্তির ঘটনা কমই দেখা যায়।
হজরত আলি (রা.) ইসলামী প্রশাসন সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রেখে গেছেন মিসরের গভর্নরের কাছে লেখা চিঠিতে। এতে তিনি বলেন, প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হবে ভালো কাজ যারা করে তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন এবং কেউ খারাপ কাজ করলে তাকে শাস্তি প্রদান করা। ভগবৎ গীতায়ও আমরা একই ধরনের নির্দেশনা দেখতে পাই। এভাবেই জোর দেওয়া হয়েছে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের ওপর। এমনকি চলতি কথায়ও আমরা এটা বলে থাকি, যা বাংলা ভাষায় সচরাচর উল্লেখ হওয়া একটি প্রবাদ। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রশাসনে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করতে পারব না এবং যোগ্যতা ও দক্ষতাই হয়ে উঠবে না পদোন্নতির ভিত্তি, ততক্ষণ দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না এবং বাংলাদেশের প্রশাসনেও প্রতিষ্ঠিত হবে না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমাদের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রামের সময়ে সমান্তরালভাবে গড়ে উঠেছিল। গত চার দশকে প্রশাসনে গতিশীলতা এসেছে। বিকেন্দ্রীকরণ ঘটেছে। জেন্ডার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু মূল লক্ষ্য এখনও অর্জন করা হয়নি।
ড. আকবর আলি খান : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সাবেক কেবিনেট সচিব
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 07
(199)
- 'প্রধানমন্ত্রীকে কাঁটা নয়, লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া...
- ভারতে থাকা বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী ও হুজি জঙ্গী ফেরত চ...
- আজ বিমানবন্দরে শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেবে আওয়ামী...
- শেখ হাসিনা শুধু জাতীয় নেতা নন, বিশ্ব নেতাও মনমোহন-...
- ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক
- বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ান, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হাসিনা
- সহযোগিতার যৌথ ঘোষণা টিপাইমুখ প্রশ্নে ভারত বাংলাদে...
- গেইলদের জন্যও 'জাল' তৈরি হচ্ছে মিরপুরে
- শেয়ারবাজারে ফের বড় দরপতন, ডিএসইতে চার দিনে সূচক হ্...
- আলোচিত পাঁচ বিচারপতি ছাড়াই বেঞ্চ গঠন
- ফখরুদ্দীন-মইনকে সংসদীয় কমিটিতে তলবের সিদ্ধান্ত
- পাবনায় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষিকা খুন
- পিলখানা ট্র্যাজেডি-শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারকে...
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট-চরম নাটকীয়তার পর ভারত-ইংল্যান্ড ট...
- ডাকঘরটি অবহেলিত
- শিা মন্ত্রণালয়ে এসিআর এবং পদোন্নতি
- সম্পাদক সমীপে মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়- পিটিআই...
- স্মরণীয়
- চলছে রেলের গাড়ি অনেকটা পথ পাড়ি by ইকবাল আজিজ
- নববর্ষে ক্রসফায়ার বন্ধের প্রত্যাশা by বাহাউদ্দিন ...
- বোরো চাষে বিপুল আগ্রহ
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার ঐকমত্য
- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় বাংলায় রূপান্ত...
- বাংলাদেশ-ভারত শীর্ষ বৈঠক সফল হোক- রণেশ মৈত্র
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়...
- আধিপত্য নিতে জড়ো হওয়া সশস্ত্র শিবির ক্যাডারদের ঘের...
- মিউজিক এ্যাওয়ার্ড প্রদান আজ, দ্বিজেন-শামার গানে মু...
- বৈঠার টানে টানে গান গতির সঞ্চার_ প্রাণের উৎসব- বাং...
- প্রধানমন্ত্রী ন্যায্য হিস্যা আদায় করেই ভারত থেকে ফ...
- খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ লাখ পরিবারকে ৰুদ্রঋণের আওতায় ...
- ঢাকার প্রথম মহিলা জেলা জজ হিসেবে কৃষ্ণা দেবনাথের য...
- চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সর্দার খলিল হত
- সাংবাদিকদের বিরম্নদ্ধে পরোয়ানা জারির ৰমতা খর্ব করত...
- ১০ হাজার কোটি গ্রহ
- পুরোপুরি অন্ধত্ব থেকে মুক্তি?
- সুইমিংপুলে শিশুদের রক্ষায় প্রযুক্তি
- অকাল গর্ভমোচনের লক্ষণ শনাক্ত
- পদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে মুজাহিদুল ইসলাম- জ্বালানি তে...
- বিধিবহির্ভূত প্লট বরাদ্দ- দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ...
- স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত গৃহবধূ- মামলা না নিয়ে আদালত...
- দুই কোটি টাকায় খাল উদ্ধার ও খননের পর আগেরই দশা by ...
- ইশারায় চালান ল্যাপটপ, মুঠোফোন!
- লেনোভো আনল ২৭ ইঞ্চি ট্যাব!
- স্মার্টফোনের দাম কমালো স্যামসাং
- মালয়েশিয়ায় কাজের সময় ফেসবুক ব্যবহার দুর্নীতি!
- রাভিনা টেন্ডনের প্রত্যাবর্তন
- গায়িকার ভূমিকায় স্বাগতা
- ‘উড়িয়া যাইব শুয়া পাখি/পড়িয়া রইব ছায়া ...’
- এই তো ভালোবাসার চিত্রনাট্যকার সিদ্দিক
- অস্কারে সম্মানিত হবে জেমস বন্ড
- বিভিন্ন সময়ে অপহরণ মামলাটির তদন্ত করেছেন ৩৫ কর্মকর...
- দাম বেড়েছে ডিজেলের, ভাড়া বাড়ানোর চাপ সিএনজিচালিত ব...
- নিরুত্তাপ হরতালে গাড়িতে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ
- পুলিশ-র্যা ব কেউ দায় স্বীকার করেনি- বিএনপি নেতার হ...
- ফিফা-ব্যালন ডি’অরের তিন প্রার্থী
- শেষ ওয়ানডে জিতে ধবলধোলাই এড়াল ভারত- ভারতের মান বাঁ...
- বাফুফের ভাবনায় জাতীয় দল
- জিতেই চলেছে বার্সেলোনা
- পাকিস্তানের প্রস্তাব ভারতের প্রত্যাখ্যান
- শীতের পিঠাপুলি
- শীতে হাত ও পায়ের যত্ন
- ব্যস্ত জীবনে আনন্দঘন অবসর
- মজাদার কেকের খোঁজখবর
- মজাদার কেকের খোঁজখবর
- নতুন বছরে নিমন্ত্রণ
- কলসেন্টার সমাচার by তৌফিক অপু
- নতুন দিন নতুন স্বপ্ন by সাবিয়া ইয়াসমিন
- আহরণ
- চুরি ডাকাতি ঠেকাতে ওয়াচম্যান
- ‘সিংহ পুরুষ’-এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিবিসির এক সা...
- জামায়াত-শিবিরের হামলা
- সিডনির মেলব্যাগ- দেশের বাইরেও সিংহভাগ বাংলাদেশী এই...
- মৌলবাদ ও জঙ্গী সন্ত্রাসী শক্তির উত্থান এবং জাতীয় ন...
- এহেন পাশবিকতা রোধ করতেই হবে by নিয়ামত হোসেন
- মুন্সীগঞ্জে ৭ বছরের শিশু ধর্ষিত, বাঘায় ধর্ষণের পর ...
- রিমান্ড শেষে ৪ আসামি কারাগারে ॥ ওসির বিরুদ্ধে গুরু...
- ঝিনাইদহে অপহৃত ঢাকার বিএনপি নেতার লাশ কুষ্টিয়ায় উদ...
- ১৮ দলের পাঁচ শতাধিক নেতা কর্মী আটক, আহত ৬ শতাধিক- ...
- আখাউড়া-আগরতলা নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে
- মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ১৮ ফেব...
- আইপিএফএফ প্রকল্প হোঁচট খেল বিশ্বব্যাংকের কারণে by...
- মজার মজার চরিত্রে শিশুদের আগ্রহ, দেখছে বড়রাও- এ্যা...
- জ্যোতি আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘ভারতকন্যা’র বাবা
- খালাফ হত্যার রায়ে সৌদি স্পীকারের সন্তোষ
- জাতির উদ্দেশে ভাষণ পিছিয়েছে- প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ
- ফেলানী হত্যার দুই বছর পূর্তি আজ
- ওয়াসফিয়া জয় করলেন ভিনসন ম্যাসিফ পর্বতশৃঙ্গ
- মোবাইলে সাঈদীর আদি রসাত্মক সংলাপ, মিথ্যে প্রমাণে ১...
- ভারতের পর এবার নারী নির্যাতন নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা...
- সরকারের সফলতাকে ম্লান করতেই বিএনপির হরতাল- আওয়ামী ...
- গা ছাড়া হরতাল- অসংখ্য ককটেল গাড়ি ভাংচুর আগুন
- কারাগার থেকে কামারুজ্জামানের চিঠি-'যুদ্ধাপরাধ'-এ অ...
- বাংলাদেশিরা মুক্তির পথ খুঁজে পাচ্ছেন-লিবিয়া থেকে ঢ...
- মাটির নিচে বিলাসী দুর্গ
- তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরবাকানের মৃত্যু
- পদত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরাকজুড়ে বিক্ষোভের ডাক-মন্ত্রীদের কাজ দেখাতে ১০০ দ...
- বাহরাইনে মন্ত্রিসভায় রদবদল, দেশে ফিরলেন বিরোধী নেতা
- খ্যাপাটে বুড়োর খ্যাপামি দেখছে বিশ্ব by রিয়াজ মিলটন
- কুকুর-লড়াই দেখতে গিয়ে কান্দাহারে বোমায় নিহত ১৪
- ভারতে রাষ্ট্রীয় কম্পানির প্রধান গ্রেপ্তার-ঘুষ দুর্...
- দক্ষিণে হামলার হুমকি উত্তর কোরিয়ার
- জনগণকে শান্ত রাখতে প্রতিশ্রুতি শোনালেন চীনা প্রধান...
- আয়ারল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন-ক্ষমতাসীন দলের ভরাডুবি
- স্পিকার পদে পুনর্নির্বাচিত ক্যাবেল্লো
- সাত মাস পর জনসমক্ষে ভাষণ- বিরোধীরা পশ্চিমাদের হাতে...
- ‘হেয় করে’ টুইট করায় কারাদণ্ড
- কাচিন বিদ্রোহ থামানো সরকারের কাজ: সু চি
- বিবিসির বিশ্লেষণ- দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় আত্ম-অনু...
- লালমনিরহাটে ধান-চালের দাম কমেছে
- টাকা না পেয়ে গুলি চালালেন এএসআই!
- জয়পুরহাট- ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, ধানের দাম কম, কৃষকে...
- লোকালয়ে নয়টি ভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট
- কয়েক দিনের মধ্যে ভাষণ- প্রধানমন্ত্রী ফ্লুতে আক্রান্ত
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়- ১৭৮টি শূন্য আসনে ভর্তি...
- সহিংসতার ঘটনায় ১১ মামলা- আলালসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠ...
- স্বাভাবিক হচ্ছে মেয়েটি রিমান্ড শেষে চার আসামি কারা...
- থ্রিজি প্রযুক্তি- উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নতুন সুযোগ ...
- পাঠকের মন্তব্য- এই মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে নেতিবাচক প্...
- দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন- সাংবাদিক পে...
- হরতালের নামে সহিংসতা চলতে পারে না- গাড়িতে আগুন, ককটেল
- নগর-নিসর্গ- হাতিরঝিলের গাছপালা: তিন নিসর্গীর মত by...
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা সাম্প্রদায়িক বা বৈষম্যবাদী...
- তারপর কি সৌদি আরব! by র্যাচেল ব্রুনসন
- অহেতুক কৌতুক
- বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা- আজ রস+আলোর জন্মদিন
- বাবুরাম সাপুড়ে by সুকুমার রায়
- ২০১২ বনাম ২০১৩
-
▼
Jan 07
(199)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment