Sunday, May 27, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
বেগুনবাড়ি-নিমতলী ট্র্যাজেডি: এভাবে আর কতকাল? পুরান ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং বেগুনবাড়িতে পাঁচতলা ভবন উপড়ে পড়ার ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, ঢাকা শহরে বাস করা এখন কতখানি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা বোঝার দরকার হলেও বুঝি না, মানার দরকার হলেও মানি না।
ঘটনা ঘটার পরই কেবল আমাদের সাময়িক টনক নড়ে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়িই আমরা সব শোক ভুলে আগের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপনে ফিরে যাই।
আমরা দেশের কর্তাব্যক্তিদের বলতে শুনি পরিকল্পিত নগরায়ণের কথা। কত যে পরিকল্পনার কথা শোনা যায়। এটাই কি সেই পরিকল্পিত নগরায়ণ? ভবন ধসে পড়লে, বটগাছের মতো উপড়ে পড়লে কিংবা কাত হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা রাজউক সেটাকে অননুমোদিত, অবৈধ স্থাপনা ঘোষণা করে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করে। ধরে নেওয়া যাক, এখন পর্যন্ত যেসব ভবন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো অবশ্যই রাজউক অনুমোদিত। কিন্তু সেগুলোর মধ্য থেকে একটি ভবন যদি হেলে যায় বা ঢলে/উপড়ে পড়ে, তাহলে কী হবে? রাজউক তখন বলবে কি যে এটাও অননুমোদিত! কী চমৎকারভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছে আমাদের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ! ভাঙলে তোমার, না ভাঙলে আমার! বাহ্!!
ঢাকা শহরে এমন অনেক ভবন ও ঘরবাড়ি আছে, যেগুলো রাজউকের কোনো অনুমোদন নেয়নি। কিছু স্থাপনা আছে, যেগুলো রাজউকের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। তিনতলার ভিতের ওপর ছয়তলা তোলা হয়েছে—এমন বাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন আছে ভূরি ভূরি। রাজউক ঠিকমতো তদারক করে না, অনেক সময় রাজউকের চোখের সামনেও অনুমোদিত নকশার বাইরে গিয়ে ভবন নির্মিত হয়, রাজউক কিছু বলে না। অথবা বলে না এ কারণে যে পেছনের দরজা দিয়ে হয়তো বোঝাপড়া চলে। ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি নির্মাণের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ ফাঁকা জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক, তা রাখা হয় না অনেক ক্ষেত্রেই। ফলে রাস্তাগুলো অনেক সরু। এমন অনেক পাড়া-মহল্লাও আছে, যেখানে দুটি রিকশাও পাশাপাশি চলতে পারে না। সেসব পাড়ায় প্রয়োজনের মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা দমকল বাহিনীর বড় বড় গাড়ি কী করে ঢুকবে, এ বিবেচনা যেন কারোরই থাকে না। তাই ছোটখাটো দুর্ঘটনায়ই অনেক বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদ্ধারকর্মীদের হিমশিম খেতে হয় এবং উদ্ধারকাজে বেশি সময় লাগে। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতারও সুযোগ ঘটে না এলাকাগুলো অপরিসর ও ঘিঞ্জি হওয়ার কারণে। উৎসুক জনতা দাঁড়ালেই তো রাস্তাঘাট রুদ্ধ হয়ে যায়। তা ছাড়া দমকল বাহিনীর উদ্ধারকর্মীদেরও যথেষ্ট প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম থাকে না। না পারে জনগণ সহযোগিতা করতে, আর না পারে উদ্ধারকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করতে। এ ছাড়া রাস্তার কিনারে থাকে তারের খাম্বা। সঙ্গে লাগোয়া বাড়ি, একটির সঙ্গে আরেকটির দূরত্ব মাঝের সীমানাপ্রাচীর মাত্র।
পুরান ঢাকার কথা বলাই বাহুল্য। এত সরু পথ যে বিপরীতগামী দুজন পথচারী পার হতে গেলে নালার ওপর এক পা তুলে সারমেয় হয়ে দাঁড়াতে হয়। বাসস্থানগুলো যত্রতত্র, অপরিকল্পিত, পাখির বাসার মতো তাকে-তাকে, ফাঁকে-ফোকরে। বিদ্যুতের তারগুলো দালানের একদম কাছে, হাত বাড়ালেই ধরা যায়। কোনো কোনো এলাকায় খাম্বার কাজটুকু করে দিচ্ছে বারান্দার গ্রিল। একেকটি খাম্বায় হাজার রকমের সংযোগের তার। কোনটা বিদ্যুতের তার, কোনটা টেলিফোনের আর কোনটা ডিশের, কোনটা ইন্টারনেটের তার, বোঝা মুশকিল। সেই তারের জটাজালের মধ্যে আবার কাক কিংবা শালিক বাসা বাঁধে। কাক তারে জড়িয়ে যায় এবং বিস্ফোরণ ঘটে। এভাবে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণও ঘটে। এ রকম অবস্থায় যদি ভূমিকম্প হয়, তাহলে কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, তা কি ভাবা যায়?
আমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্থাপনা পাব না, অকালে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের ফিরে পাব না। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক হতে পারি, আমাদের চোখ খুলে যাওয়া উচিত। সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এসব জটিল সমস্যার পুরো সমাধান না হলেও ঝুঁকি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। পুরান ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়িগুলো ভেঙে পরিকল্পিভাবে আবাসন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। রাজউক সেখানকার ঘিঞ্জি পাড়াগুলোর জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি ভেঙে সেসব জায়গায় বাসস্থান তৈরি করে মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে জমির মালিকানার ভিত্তিতে ফ্ল্যাট বণ্টন করে দিতে পারে।
আইয়ুব আহমেদ দুলাল
সৌদি আরব।
ayubahmedd@gmail.com
জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র চাই
প্রতিটি সভ্য দেশেই যেমন একটি ন্যাশনাল থিয়েটার থাকে, তেমনি থাকে একটি ‘ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টার’। এটা দুঃখজনক যে বাংলাদেশে আজও সেটা নেই। আমরা জেনে আনন্দিত হয়েছি যে, ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে একটা ‘সংস্কৃতিবলয়’ গড়ে তোলার ব্যবস্থা হচ্ছে। সে বলয়ে থিয়েটার, সংগীত, নৃত্য, যাত্রা—আমাদের সংস্কৃতির সব ধরনের মাধ্যমের জন্যই ব্যবস্থা থাকছে। তবে দুঃখিত হয়েছি জেনে যে সেই বলয়ে নেই কেবল চলচ্চিত্র। অথচ এই যুগে চলচ্চিত্র হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী শিল্পমাধ্যম। নীতিনির্ধারকদের চিন্তায় সংস্কৃতিবলয়ে সিনেমাকে রাখার ধারণাটা কেন যে এল না, তা আমার বোধগম্য নয়।
প্রস্তাবিত সংস্কৃতিবলয়ে অবশ্যই রাখা উচিত বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র বা ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টার। এই চলচ্চিত্রকেন্দ্রটি হবে অনেকটাই কলকাতার নন্দন-এর মতো বা লন্ডনের টেমস নদীর পারে ব্রিটিশ ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টারের মতো। কল্পনা করুন তিনতলা একটি উঁচু বাড়ি, যেখানে থাকবে একাধিক প্রেক্ষাগৃহ। যেসব প্রেক্ষাগৃহে দেশ-বিদেশের ধ্রুপদি চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হবে। এই ফিল্ম সেন্টারে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, দেশি-বিদেশি সেরা পরিচালকদের ছবিগুলোর রেট্রোস্পেক্টিভ, চলচ্চিত্র বিষয়ে সেমিনার ও কর্মশালা। এখানে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মকাণ্ড অনুষ্ঠিত হবে। থাকবে চলচ্চিত্রসংক্রান্ত বই ও ডিভিডির সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। থাকবে কাফেটেরিয়া, যেখানে বসে আগামী দিনের চলচ্চিত্র-উৎসাহী তরুণ-তরুণীরা চলচ্চিত্র নিয়ে সৃজনশীল আলোচনা করবে।
বাংলাদেশ সরকারকে একটি জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র একদিন গড়তেই হবে। ঢাকা শহরে খালি জায়গার সংকট রয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে যে সংস্কৃতিবলয় গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখানে জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র গড়ে তোলার এখনো সুযোগ রয়েছে। দেশের সব সুস্থধারার চলচ্চিত্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাব যেন তাঁরা সংস্কৃতিবলয়ে চলচ্চিত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে ওই স্থানে অবশ্যই একটি জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র গড়ে তোলেন।
তানভীর মোকাম্মেল
চলচ্চিত্রকার, ঢাকা।
১৪ বছর ধরে কল্পনা চাকমা কোথায়?
১২ জুন রাঙামাটির বাঘাইছড়ির মেয়ে কল্পনার চাকমা নিরুদ্দেশ হওয়ার ১৪ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন রাতে কল্পনা চাকমা অপহূত হন। তার পর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ। কল্পনার চাকমার বাড়ির উত্তরে ও পশ্চিমে দুটি সেনাক্যাম্প ছিল। দুটি ক্যাম্পের মাঝখান থেকে কারা কীভাবে একটি মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে, এ প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি।
কল্পনা চাকমা কোথায় আছেন, কেমন আছেন, তা কেউ জানে না। এভাবে চলে যাচ্ছে ১৪টি বছর। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন গভীর রাতে অপহরণ হওয়া এই পাহাড়ি মেয়ের খবর সে সময় দেশের প্রায় সব সংবাদপত্রে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছিল। অনেক ফলো-আপ প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ১৪ বছরেও প্রকাশ করা হয়নি। কী সুন্দর গণতান্ত্রিক একটি সভ্য দেশে পাহাড়ি মানুষ বেঁচে থাকে।
সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ক্ষমতায় আছেন। পার্বত্যবাসীর পক্ষে তাঁর কাছে আকুল আবেদন, কল্পনা চাকমার কী পরিণতি হয়েছে, তা দেশাবাসীকে জানানোর পদক্ষেপ নিন। যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেই কমিটি তদন্ত করেছিল কি না, করে থাকলে কী জানতে পেরেছিল, না আদৌ কিছু জানতে পারেনি—এসব আমরা জানতে চাই। একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশের একজন নারী নাগরিক নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন, রাষ্ট্র, তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো—কেউই কিছুই উদ্ধার করতে পারল না দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে! এটা কি মেনে নেওয়া যায়। না, আমরা কল্পনা চাকমার হদিস জানতে চাই, তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন বা আদৌ আছেন কি না—আমরা জানতে চাই।
পাটটুরু টুরু চাকমা
patturu969@yahoo.com
বাজেট ও আত্মনির্ভরশীলতা
একটা সময় ছিল, যখন বাঙালির ছিল গোলাভরা ধান আর পুকুরভরা মাছ। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ ছিল ‘সোনালি আঁশের দেশ’ নামে পরিচিত। আর আজ আমাদের জাতীয় বাজেট তৈরিতেও প্রয়োজন হয় বিদেশি অর্থের!
একসময় আমরা পরাধীন ছিলাম। বহু সংগ্রাম শেষে রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছি স্বাধীনতা। পেয়েছি সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু সেই স্বাধীন-সার্বভৌম দেশেও সব মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আসেনি; বরং দারিদ্র্যের কশাঘাতেই জর্জরিত অধিকাংশ মানুষ। উপর্যুপরি বিদেশি সহায়তা থেকে দেশকে মুক্ত করার কোনো উদ্যোগ আমাদের নেই; বরং আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বদলে দিনে দিনে কেবল সাহায্যনির্ভরই হয়ে পড়েছি আমরা। বিদেশি সাহায্যে নির্ভরশীলতা প্রায় পরাধীনতার সমতুল্য।
কিন্তু এভাবে আর কতকাল? কবে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হব? কবে আমরা মুক্তি পাব বিদেশি ঋণ আর কথিত বৈদিশিক সহযোগিতার নির্ভরতা থেকে?
আমাদের এবারের বাজেটে থাকুক অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা অজর্নের অঙ্গীকার। বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় উৎপাদনশীল খাতগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হোক। আমরা যেন পণ্য উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি, সে লক্ষ্যে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হোক। বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে, এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। সেই সঙ্গে এমন উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, যাতে করে মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়। নজর দেওয়া হোক দেশি শিল্পের বিকাশের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির দিকে। পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার দিকে বেশি নজর দেওয়া জরুরি। কারণ পরিবেশবান্ধব পণ্যের বাজার বিশ্বজুড়েই প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে—এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এ ছাড়া কৃষি খাতে উন্নয়ন করে আমরা যাতে অনেক কৃষিপণ্যও রপ্তানি করতে পারি, সে লক্ষ্যেও কাজ করা উচিত, নীতি নির্ধারণ করা উচিত। সর্বোপরি, যে বিশেষ খাতটির দিকে বেশি দৃষ্টি ও বেশি অর্থ বরাদ্দ করা উচিত তা হচ্ছে শিক্ষা খাত। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীই পারে দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করতে। দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হয়ে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করাই তো ছিল আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান লক্ষ্য। সেই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের দিকে দৃষ্টি রেখেই গৃহীত হোক এবারের জাতীয় বাজেট।
বন্দনা আমীর, ঢাকা।
ফেসবুক: সরকারকে ধন্যবাদ
হঠাৎ করে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার পর দেশজুড়ে যে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল, সরকার সেটাকে আমলে নিয়ে ফেসবুকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এ জন্য সরকারকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয়। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা সব গণতান্ত্রিক সরকারের কাছেই প্রত্যাশিত। কিন্তু অনেক সময় সেটা দেখা যায় না; সরকার জনমত উপেক্ষা করেও অনেক সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রবণতা ত্যাগ করা উচিত। বিশেষ করে তথ্যপ্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে, জনগণের মতামত প্রকাশে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়, এমন সিদ্ধান্ত যেন কখনোই নেওয়া না হয়।
মোহাম্মদ হানিফ, ঢাকা।
খাগড়াছড়ি কলেজে শিক্ষকসংকট
আমরা খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। আমাদের কলেজে তীব্র শিক্ষকসংকট রয়েছে। আর যেসব শিক্ষককে এখানে বদলি করা হয়, তাঁরাও বেশির ভাগ সময় অনুপস্থিত থাকেন। ফলে আমাদের কলেজে শিক্ষার পরিবেশ অনেক দুর্বল। আমরা শুনেছি, সরকারি চাকরিজীবীদের (কর্মকর্তা-কর্মচারী) শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি করে পাঠানো হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের একটি বিষয় ভাবা উচিত, যাঁদের শাস্তিমূলকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঠানো হচ্ছে, তাঁরা এখানে এসে কি আদৌ বদলাচ্ছেন? প্রজাতন্ত্রের বাছাই করা নীতিভ্রষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যদি ঢালাওভাবে এখানে পাঠানো হয়, তাহলে এখানকার প্রশাসন বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিণতি কী হতে পারে, তা কি কেউ ভেবে দেখেছেন?
আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন পর্যন্ত সমাজবিজ্ঞানের কোনো শিক্ষক ছিলেন না। অন্য বিভাগের শিক্ষক দিয়ে সমাজবিজ্ঞানের ক্লাস করানো হতো। দীর্ঘদিন পর আমরা সমাজবিজ্ঞানের একজন শিক্ষক পেয়েছি। কিন্তু তাঁর অতীত ইতিহাস আমাদের আনন্দিত করার পরিবর্তে আতঙ্কিতই করে তুলেছে। আগের কলেজে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০০৪ সালে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে সেখানকার তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ এক সালিসি বৈঠকে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল। তাঁর নানা অনৈতিক কার্যকলাপের কাহিনি ২০০৬ সালে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
শিক্ষক নামধারী এমন নীতিভ্রষ্ট ব্যক্তির কাছে কোনো ছাত্রী নিরাপদ নয়। শুধু তিনি নন, এই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষকও খুনের মামলার আসামি ছিলেন। তাই আমাদের প্রশ্ন হলো, সরকার এমন নীতিভ্রষ্ট ব্যক্তিদের পার্বত্য অঞ্চলে পাঠিয়ে আমাদের কোন শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চায়? এমনিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অনেক সমস্যাসংকুল পরিবেশে আবর্তিত। ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে যদি পার্বত্য চট্টগ্রামকে শাস্তিমূলক জোন বানানো হয়, তাহলে এখানকার শিক্ষার্থীরাও একদিন বিদ্যা অর্জনের পরিবর্তে নীতিভ্রষ্ট পথে এগিয়ে যেতে পারে।
তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, তাঁরা যেন পার্বত্য চট্টগ্রামের কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। আর সরকার যেন আমাদের খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষকসংকট দূর করতে আশু পদক্ষেপ নেয়। আমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ চাই।
রিটন, সুমন, সোহেল, জুঁই, প্রজ্ঞা, দেবেশ, নির্মল
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী, খাগড়াছড়ি।
কুষ্ঠরোগ: প্রাচীন আইনটি বাতিল হোক
সমাজ থেকে কুষ্ঠরোগীদের পৃথক রাখার জন্য বৃটিশ ভারতে ১৮৯৮ সালে লেপার্স অ্যাক্ট ১৮৯৮ নামে একটি আইন প্রণীত হয়। নিজ পরিবারেও ঠাঁই পেতেন না বলে কুষ্ঠরোগীরা এখানে-সেখানে পালিয়ে বেড়াতেন, ভিক্ষা করে কোনো রকমে মানবেতর জীবন কাটাতেন। সে সময়ের জন্য ওই আইনটির হয়তো প্রয়োজন ছিল। আইনটির বলে রোগীদের আটক করে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হতো এবং চিকিৎসা দেওয়া হত।
কিন্তু কুষ্ঠরোগের বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কুষ্ঠ জীবাণুঘটিত একটি রোগ, মূলত ছোঁয়াচে নয়। এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত কুষ্ঠের আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত সফল চিকিৎসা আছে। বাংলাদেশের সমস্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, লেপ্রসি মিশনের সমস্ত ক্লিনিক ও হাসপাতালসহ কুষ্ঠ রোগীদের নিয়ে কর্মরত সমস্ত সংস্থায় বিনামূল্যে এর চিকিৎসা পাওয়া যায়।
কুষ্ঠরোগী ও তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি সমাজের অনেক মানুষ এখনও সেই পুরান অস্পৃশ্যতার মনোভাব পোষণ করেন। এখন জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার সনদ, দেশের সংবিধান, জাতিসংঘ ঘোষিত প্রতিবন্ধি মানুষের অধিকার সনদ ইত্যাদির আলোকে কুষ্ঠরোগীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আইন/নীতিমালা প্রয়োজন। গত ৩ জুন জাতীয় সংসদে ‘লেপার্স অ্যাক্ট ১৮৯৮ রিপিল বিল ২০১০’ উত্থাপিত হয়েছে। আশা করি বিলটি সংসদে গ্রহণের মধ্য দিয়ে লেপ্রসি অ্যাক্ট নামের পুরোনো আইনটির বিলোপ ঘটবে। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থার মূলধারার সঙ্গে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসাকেও সমন্বিত প্রয়োজন। পৃথিবীর অনেক দেশেই কুষ্ঠ রোগের চিকিৎসাকে সাধারণ স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে একীভুত করা হয়েছে। সমাজের সর্বক্ষেত্রে কুষ্ঠরোগী ও তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া সকলের দায়িত্ব।
মার্টিন অধিকারী, ঢাকা।
সব সৃজনশীল শাখায় জাতীয় পুরস্কার চাই
৪ মে প্রথম আলোয় মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ‘সব সৃজনশীল শাখায় জাতীয় পুরস্কার চাই’ শিরোনামের লেখাটি সময়োচিত ও বাস্তবসম্মত। চলচ্চিত্র ছাড়া বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্য শাখাগুলোর কর্মীরা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, এমনকি সামান্য স্বীকৃতি থেকেও বঞ্চিত।
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের লেখাটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বলতে চাই, চলচ্চিত্রকে যেমন সরকার প্রতিবছর পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির অন্যান্য শাখাকেও প্রতিবছর সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া উচিত।
সরকার একটি পরিচালনামণ্ডলী গঠন করবে—যারা সারা বছরের কবিতা, গল্প, উপন্যাস, মঞ্চনাটক, টিভি নাটক, বেতার অনুষ্ঠান, গীতিকবিতা ইত্যাদি সংগ্রহ করে বিচার বিশ্লেষণ করে পুরস্কার ঘোষণা করবেন এবং চলচ্চিত্রের পুরস্কার বিতরণের মতো একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রদান করবেন।
বাংলা একাডেমীও প্রতিবছর রচিত গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটকের পাণ্ডুলিপি আহ্বান করতে পারে। প্রতিটি শাখা থেকে বাছাই করে কমপক্ষে তিনটি বই প্রকাশ করবে। পাঁচটি ক্যাটাগরি থেকে ১৫টি বই প্রকাশিত হবে এবং সেসব প্রকাশিত বই নিয়ে বাংলা একাডেমী মেলায় আলাদা একটি স্টলের ব্যবস্থা করবে। মনোনীত প্রতিজন লেখককে পুরস্কার দেবে। এটা হবে অমর একুশে বইমেলার প্রণোদনা। লেখকেরা পাবেন স্বীকৃতি। এভাবে প্রতিটি সৃজনশীল শাখাকে প্রণোদনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেলে দেশ ও জাতি হবে সমৃদ্ধ।
মনি হায়দার
গল্পকার ও সংস্কৃতিকর্মী, রামপুরা, ঢাকা।
আইলা দেখার এক বছর পর
সেদিন ২৫ মে ২০০৯, সোমবার। সকাল থেকে আকাশ মেঘে ঢাকা। নদীতে প্রচণ্ড তুফান। পরদিন মঙ্গলবার আমার এসএসসি পরীক্ষার ফল। সেই আনন্দে সকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছি আর মাঠে দৌড়াদৌড়ি করছি। দৌড়ে এক কিলোমিটার দূরে বাজারে চলে এলাম। মায়ের কথামতো কিনলাম কিছু মসলা ও তরকারি। ওয়াপদা রাস্তায় উঠে দেখি, রাস্তা সরু হয়ে এসেছে। নদীর জল উপচে রাস্তার ওপাশে এসে পড়ছে। ভিজতে ভিজতে বাড়ি পৌঁছালাম। মায়ের কাছে বললাম মাছ ধরার জালটি দিতে। সেই জাল নিয়ে বাড়ির পাশের ইটভাটার ইটের ফাঁকে ফাঁকে মাছ ধরলাম। বৃষ্টিতে টেংরা, কই খাল থেকে ডাঙায় উঠে এসেছে। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শীত করছিল। গোসল করে কাপড় পাল্টালাম। ছাতা মাথায় দিয়ে ওয়াপদা রাস্তার ওপর গিয়ে দেখলাম, যেসব মানুষের ঘরবাড়ি নদীর কিনারে, তাদের ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে ভেঙেচুরে, দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। আমাদের বাড়ির সামনের ওয়াপদার জায়গাটি ভেঙে যাবে। লোকমুখে সংবাদ এল, দুর্গাবাটির বাঁধ ভেঙে গেছে; ঝাপা, কামালবাটির বাঁধ ভেঙে গেছে। বাবা বাইরে ছিলেন। ছুটে এসে বললেন, ‘সবকিছু গুছিয়ে নাও, বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে।’ ঠিক সেই মুহূর্তে দেখতে পেলাম, সাগরের উত্তাল ঢেউ যেমন বেগে চলে, ঠিক তেমনি ছুটে আসছে জল। আমি তাড়াতাড়ি কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি ছাড়লাম। কোনো দিন ভাবিনি যে আমার জীবনে এমন একটা পরিস্থিতি আসবে। পিচের রাস্তায় উঠতে না-উঠতেই বাড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, বাড়িটি তলিয়ে গেল। দ্রুত হেঁটে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের গার্লস স্কুলে পৌঁছালাম। এটির দোতলায় আশ্রয় নিলাম। সেখানে অনেক লোক। পা রাখার জায়গা নেই। অনেকে সঙ্গে এনেছে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল। মাকে দোতলায় রেখে আমি নিচতলায় এলাম বাবার খোঁজে। বাবা ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। স্কুলের মালামাল রক্ষা করা বাবার দায়িত্ব। ছয়টি কম্পিউটার তুলে দিলেন দোতলায়। এভাবে জিনিসপত্র রক্ষা করতে বাবা নিজের জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। হঠাৎ স্কুলের নিচতলা প্রায় ডুবে গেল। বাবাকে অনুরোধ করলাম ওপরে ওঠার জন্য। তবু তিনি অফিসের কাজ করছিলেন। সন্ধ্যা হওয়ার আগেই পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। দুঃখ-দুর্দশার মাঝে হঠাৎ মনে পড়ল, আগামীকাল আমার পরীক্ষার ফল। মুঠোফোনটা বের করে মেসেজ পাঠালাম, কিন্তু কোনো খবর পাইনি। ফল তো বেরোবে আগামীকাল। আত্মীয়স্বজন মুঠোফোনে খবর পাঠাতে লাগল। কেউ গাছে উঠে বসে রয়েছে, কেউ ঘরের চালে। তারা তাদের জন্য নৌকা পাঠাতে বলছে, নইলে তারা বাঁচবে না। কিন্তু কীভাবে পাঠাব নৌকা? আমরাও তো এক প্রকার ভেসে আছি। চারপাশে জল আর জল। চোখে ঘুম, কিন্তু ঘুমানোর জায়গা নেই। পেটে ক্ষুধা, তবু খাওয়ার কথা মনে নেই। এই জনদুর্ভোগের মধ্যেও খবর আসছে, একদল চোর নৌকায় চড়ে বাড়ি বাড়ি চুরি করছে। কিন্তু দুর্ভোগে পড়া মানুষের তাতে কোনো দুঃখ নেই। তাদের তখন একটাই চাওয়া—জীবনটা। সারা রাত কাটালাম বসে থেকে। সকাল হলে কেউ কেউ তাদের বাড়ির দিকে রওনা দিচ্ছে। আমি আর আমার মা দোতলা থেকে নিচে নামলাম। কিন্তু কীভাবে রাস্তায় নামব। রাস্তায় তো কোমরসমান জল। তবু বাড়ির প্রতি টান। কিছু পথ যেতেই দেখলাম, বিভিন্ন গাছে, রাস্তার ধারে বিষাক্ত সাপ। সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যানদের ভিড়; বিভিন্ন সংস্থার গাড়ি। চারপাশে স্বজন হারানোর আর্তনাদ। এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ পেয়েও মনে সেদিন কোনো আনন্দ ছিল না। আনন্দ করব কার সঙ্গে। সবাই তো নিরানন্দে দিন কাটাচ্ছে।
তারপর এক বছর হয়ে গেল। এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় ঘর তুলে বাস করছে। ঘরবাড়ি, জমি-জায়গা—সবকিছু এখনো জলের নিচে। জোয়ার এলে ডুবে যায়, ভাটা এলে জাগে। মেম্বার, চেয়ারম্যান থেকে সরকার পর্যন্ত কারও যেন খেয়াল নেই আমাদের প্রতি।
আমরা কি কোনো দিন বাড়ি ফিরতে পারব না?
সুরজিত মণ্ডল, শিক্ষার্থী, খুলনা।
আমরা দেশের কর্তাব্যক্তিদের বলতে শুনি পরিকল্পিত নগরায়ণের কথা। কত যে পরিকল্পনার কথা শোনা যায়। এটাই কি সেই পরিকল্পিত নগরায়ণ? ভবন ধসে পড়লে, বটগাছের মতো উপড়ে পড়লে কিংবা কাত হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা রাজউক সেটাকে অননুমোদিত, অবৈধ স্থাপনা ঘোষণা করে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করে। ধরে নেওয়া যাক, এখন পর্যন্ত যেসব ভবন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো অবশ্যই রাজউক অনুমোদিত। কিন্তু সেগুলোর মধ্য থেকে একটি ভবন যদি হেলে যায় বা ঢলে/উপড়ে পড়ে, তাহলে কী হবে? রাজউক তখন বলবে কি যে এটাও অননুমোদিত! কী চমৎকারভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছে আমাদের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ! ভাঙলে তোমার, না ভাঙলে আমার! বাহ্!!
ঢাকা শহরে এমন অনেক ভবন ও ঘরবাড়ি আছে, যেগুলো রাজউকের কোনো অনুমোদন নেয়নি। কিছু স্থাপনা আছে, যেগুলো রাজউকের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। তিনতলার ভিতের ওপর ছয়তলা তোলা হয়েছে—এমন বাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন আছে ভূরি ভূরি। রাজউক ঠিকমতো তদারক করে না, অনেক সময় রাজউকের চোখের সামনেও অনুমোদিত নকশার বাইরে গিয়ে ভবন নির্মিত হয়, রাজউক কিছু বলে না। অথবা বলে না এ কারণে যে পেছনের দরজা দিয়ে হয়তো বোঝাপড়া চলে। ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি নির্মাণের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ ফাঁকা জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক, তা রাখা হয় না অনেক ক্ষেত্রেই। ফলে রাস্তাগুলো অনেক সরু। এমন অনেক পাড়া-মহল্লাও আছে, যেখানে দুটি রিকশাও পাশাপাশি চলতে পারে না। সেসব পাড়ায় প্রয়োজনের মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা দমকল বাহিনীর বড় বড় গাড়ি কী করে ঢুকবে, এ বিবেচনা যেন কারোরই থাকে না। তাই ছোটখাটো দুর্ঘটনায়ই অনেক বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদ্ধারকর্মীদের হিমশিম খেতে হয় এবং উদ্ধারকাজে বেশি সময় লাগে। স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতারও সুযোগ ঘটে না এলাকাগুলো অপরিসর ও ঘিঞ্জি হওয়ার কারণে। উৎসুক জনতা দাঁড়ালেই তো রাস্তাঘাট রুদ্ধ হয়ে যায়। তা ছাড়া দমকল বাহিনীর উদ্ধারকর্মীদেরও যথেষ্ট প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম থাকে না। না পারে জনগণ সহযোগিতা করতে, আর না পারে উদ্ধারকর্মীরা ঠিকমতো কাজ করতে। এ ছাড়া রাস্তার কিনারে থাকে তারের খাম্বা। সঙ্গে লাগোয়া বাড়ি, একটির সঙ্গে আরেকটির দূরত্ব মাঝের সীমানাপ্রাচীর মাত্র।
পুরান ঢাকার কথা বলাই বাহুল্য। এত সরু পথ যে বিপরীতগামী দুজন পথচারী পার হতে গেলে নালার ওপর এক পা তুলে সারমেয় হয়ে দাঁড়াতে হয়। বাসস্থানগুলো যত্রতত্র, অপরিকল্পিত, পাখির বাসার মতো তাকে-তাকে, ফাঁকে-ফোকরে। বিদ্যুতের তারগুলো দালানের একদম কাছে, হাত বাড়ালেই ধরা যায়। কোনো কোনো এলাকায় খাম্বার কাজটুকু করে দিচ্ছে বারান্দার গ্রিল। একেকটি খাম্বায় হাজার রকমের সংযোগের তার। কোনটা বিদ্যুতের তার, কোনটা টেলিফোনের আর কোনটা ডিশের, কোনটা ইন্টারনেটের তার, বোঝা মুশকিল। সেই তারের জটাজালের মধ্যে আবার কাক কিংবা শালিক বাসা বাঁধে। কাক তারে জড়িয়ে যায় এবং বিস্ফোরণ ঘটে। এভাবে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণও ঘটে। এ রকম অবস্থায় যদি ভূমিকম্প হয়, তাহলে কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, তা কি ভাবা যায়?
আমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্থাপনা পাব না, অকালে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের ফিরে পাব না। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক হতে পারি, আমাদের চোখ খুলে যাওয়া উচিত। সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এসব জটিল সমস্যার পুরো সমাধান না হলেও ঝুঁকি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। পুরান ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়িগুলো ভেঙে পরিকল্পিভাবে আবাসন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। রাজউক সেখানকার ঘিঞ্জি পাড়াগুলোর জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি ভেঙে সেসব জায়গায় বাসস্থান তৈরি করে মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে জমির মালিকানার ভিত্তিতে ফ্ল্যাট বণ্টন করে দিতে পারে।
আইয়ুব আহমেদ দুলাল
সৌদি আরব।
ayubahmedd@gmail.com
জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র চাই
প্রতিটি সভ্য দেশেই যেমন একটি ন্যাশনাল থিয়েটার থাকে, তেমনি থাকে একটি ‘ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টার’। এটা দুঃখজনক যে বাংলাদেশে আজও সেটা নেই। আমরা জেনে আনন্দিত হয়েছি যে, ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে একটা ‘সংস্কৃতিবলয়’ গড়ে তোলার ব্যবস্থা হচ্ছে। সে বলয়ে থিয়েটার, সংগীত, নৃত্য, যাত্রা—আমাদের সংস্কৃতির সব ধরনের মাধ্যমের জন্যই ব্যবস্থা থাকছে। তবে দুঃখিত হয়েছি জেনে যে সেই বলয়ে নেই কেবল চলচ্চিত্র। অথচ এই যুগে চলচ্চিত্র হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী শিল্পমাধ্যম। নীতিনির্ধারকদের চিন্তায় সংস্কৃতিবলয়ে সিনেমাকে রাখার ধারণাটা কেন যে এল না, তা আমার বোধগম্য নয়।
প্রস্তাবিত সংস্কৃতিবলয়ে অবশ্যই রাখা উচিত বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র বা ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টার। এই চলচ্চিত্রকেন্দ্রটি হবে অনেকটাই কলকাতার নন্দন-এর মতো বা লন্ডনের টেমস নদীর পারে ব্রিটিশ ন্যাশনাল ফিল্ম সেন্টারের মতো। কল্পনা করুন তিনতলা একটি উঁচু বাড়ি, যেখানে থাকবে একাধিক প্রেক্ষাগৃহ। যেসব প্রেক্ষাগৃহে দেশ-বিদেশের ধ্রুপদি চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হবে। এই ফিল্ম সেন্টারে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, দেশি-বিদেশি সেরা পরিচালকদের ছবিগুলোর রেট্রোস্পেক্টিভ, চলচ্চিত্র বিষয়ে সেমিনার ও কর্মশালা। এখানে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মকাণ্ড অনুষ্ঠিত হবে। থাকবে চলচ্চিত্রসংক্রান্ত বই ও ডিভিডির সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। থাকবে কাফেটেরিয়া, যেখানে বসে আগামী দিনের চলচ্চিত্র-উৎসাহী তরুণ-তরুণীরা চলচ্চিত্র নিয়ে সৃজনশীল আলোচনা করবে।
বাংলাদেশ সরকারকে একটি জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র একদিন গড়তেই হবে। ঢাকা শহরে খালি জায়গার সংকট রয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে যে সংস্কৃতিবলয় গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখানে জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র গড়ে তোলার এখনো সুযোগ রয়েছে। দেশের সব সুস্থধারার চলচ্চিত্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাব যেন তাঁরা সংস্কৃতিবলয়ে চলচ্চিত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে ওই স্থানে অবশ্যই একটি জাতীয় চলচ্চিত্রকেন্দ্র গড়ে তোলেন।
তানভীর মোকাম্মেল
চলচ্চিত্রকার, ঢাকা।
১৪ বছর ধরে কল্পনা চাকমা কোথায়?
১২ জুন রাঙামাটির বাঘাইছড়ির মেয়ে কল্পনার চাকমা নিরুদ্দেশ হওয়ার ১৪ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন রাতে কল্পনা চাকমা অপহূত হন। তার পর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ। কল্পনার চাকমার বাড়ির উত্তরে ও পশ্চিমে দুটি সেনাক্যাম্প ছিল। দুটি ক্যাম্পের মাঝখান থেকে কারা কীভাবে একটি মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে, এ প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি।
কল্পনা চাকমা কোথায় আছেন, কেমন আছেন, তা কেউ জানে না। এভাবে চলে যাচ্ছে ১৪টি বছর। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন গভীর রাতে অপহরণ হওয়া এই পাহাড়ি মেয়ের খবর সে সময় দেশের প্রায় সব সংবাদপত্রে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছিল। অনেক ফলো-আপ প্রতিবেদনও ছাপা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ১৪ বছরেও প্রকাশ করা হয়নি। কী সুন্দর গণতান্ত্রিক একটি সভ্য দেশে পাহাড়ি মানুষ বেঁচে থাকে।
সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ক্ষমতায় আছেন। পার্বত্যবাসীর পক্ষে তাঁর কাছে আকুল আবেদন, কল্পনা চাকমার কী পরিণতি হয়েছে, তা দেশাবাসীকে জানানোর পদক্ষেপ নিন। যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেই কমিটি তদন্ত করেছিল কি না, করে থাকলে কী জানতে পেরেছিল, না আদৌ কিছু জানতে পারেনি—এসব আমরা জানতে চাই। একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশের একজন নারী নাগরিক নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন, রাষ্ট্র, তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো—কেউই কিছুই উদ্ধার করতে পারল না দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে! এটা কি মেনে নেওয়া যায়। না, আমরা কল্পনা চাকমার হদিস জানতে চাই, তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন বা আদৌ আছেন কি না—আমরা জানতে চাই।
পাটটুরু টুরু চাকমা
patturu969@yahoo.com
বাজেট ও আত্মনির্ভরশীলতা
একটা সময় ছিল, যখন বাঙালির ছিল গোলাভরা ধান আর পুকুরভরা মাছ। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ ছিল ‘সোনালি আঁশের দেশ’ নামে পরিচিত। আর আজ আমাদের জাতীয় বাজেট তৈরিতেও প্রয়োজন হয় বিদেশি অর্থের!
একসময় আমরা পরাধীন ছিলাম। বহু সংগ্রাম শেষে রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছি স্বাধীনতা। পেয়েছি সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু সেই স্বাধীন-সার্বভৌম দেশেও সব মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আসেনি; বরং দারিদ্র্যের কশাঘাতেই জর্জরিত অধিকাংশ মানুষ। উপর্যুপরি বিদেশি সহায়তা থেকে দেশকে মুক্ত করার কোনো উদ্যোগ আমাদের নেই; বরং আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বদলে দিনে দিনে কেবল সাহায্যনির্ভরই হয়ে পড়েছি আমরা। বিদেশি সাহায্যে নির্ভরশীলতা প্রায় পরাধীনতার সমতুল্য।
কিন্তু এভাবে আর কতকাল? কবে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হব? কবে আমরা মুক্তি পাব বিদেশি ঋণ আর কথিত বৈদিশিক সহযোগিতার নির্ভরতা থেকে?
আমাদের এবারের বাজেটে থাকুক অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা অজর্নের অঙ্গীকার। বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় উৎপাদনশীল খাতগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হোক। আমরা যেন পণ্য উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি, সে লক্ষ্যে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হোক। বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে, এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। সেই সঙ্গে এমন উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, যাতে করে মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়। নজর দেওয়া হোক দেশি শিল্পের বিকাশের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির দিকে। পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার দিকে বেশি নজর দেওয়া জরুরি। কারণ পরিবেশবান্ধব পণ্যের বাজার বিশ্বজুড়েই প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে—এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এ ছাড়া কৃষি খাতে উন্নয়ন করে আমরা যাতে অনেক কৃষিপণ্যও রপ্তানি করতে পারি, সে লক্ষ্যেও কাজ করা উচিত, নীতি নির্ধারণ করা উচিত। সর্বোপরি, যে বিশেষ খাতটির দিকে বেশি দৃষ্টি ও বেশি অর্থ বরাদ্দ করা উচিত তা হচ্ছে শিক্ষা খাত। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীই পারে দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করতে। দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হয়ে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করাই তো ছিল আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান লক্ষ্য। সেই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের দিকে দৃষ্টি রেখেই গৃহীত হোক এবারের জাতীয় বাজেট।
বন্দনা আমীর, ঢাকা।
ফেসবুক: সরকারকে ধন্যবাদ
হঠাৎ করে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার পর দেশজুড়ে যে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল, সরকার সেটাকে আমলে নিয়ে ফেসবুকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এ জন্য সরকারকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয়। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা সব গণতান্ত্রিক সরকারের কাছেই প্রত্যাশিত। কিন্তু অনেক সময় সেটা দেখা যায় না; সরকার জনমত উপেক্ষা করেও অনেক সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রবণতা ত্যাগ করা উচিত। বিশেষ করে তথ্যপ্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে, জনগণের মতামত প্রকাশে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়, এমন সিদ্ধান্ত যেন কখনোই নেওয়া না হয়।
মোহাম্মদ হানিফ, ঢাকা।
খাগড়াছড়ি কলেজে শিক্ষকসংকট
আমরা খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। আমাদের কলেজে তীব্র শিক্ষকসংকট রয়েছে। আর যেসব শিক্ষককে এখানে বদলি করা হয়, তাঁরাও বেশির ভাগ সময় অনুপস্থিত থাকেন। ফলে আমাদের কলেজে শিক্ষার পরিবেশ অনেক দুর্বল। আমরা শুনেছি, সরকারি চাকরিজীবীদের (কর্মকর্তা-কর্মচারী) শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি করে পাঠানো হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের একটি বিষয় ভাবা উচিত, যাঁদের শাস্তিমূলকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঠানো হচ্ছে, তাঁরা এখানে এসে কি আদৌ বদলাচ্ছেন? প্রজাতন্ত্রের বাছাই করা নীতিভ্রষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যদি ঢালাওভাবে এখানে পাঠানো হয়, তাহলে এখানকার প্রশাসন বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিণতি কী হতে পারে, তা কি কেউ ভেবে দেখেছেন?
আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন পর্যন্ত সমাজবিজ্ঞানের কোনো শিক্ষক ছিলেন না। অন্য বিভাগের শিক্ষক দিয়ে সমাজবিজ্ঞানের ক্লাস করানো হতো। দীর্ঘদিন পর আমরা সমাজবিজ্ঞানের একজন শিক্ষক পেয়েছি। কিন্তু তাঁর অতীত ইতিহাস আমাদের আনন্দিত করার পরিবর্তে আতঙ্কিতই করে তুলেছে। আগের কলেজে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০০৪ সালে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে সেখানকার তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ এক সালিসি বৈঠকে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল। তাঁর নানা অনৈতিক কার্যকলাপের কাহিনি ২০০৬ সালে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
শিক্ষক নামধারী এমন নীতিভ্রষ্ট ব্যক্তির কাছে কোনো ছাত্রী নিরাপদ নয়। শুধু তিনি নন, এই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষকও খুনের মামলার আসামি ছিলেন। তাই আমাদের প্রশ্ন হলো, সরকার এমন নীতিভ্রষ্ট ব্যক্তিদের পার্বত্য অঞ্চলে পাঠিয়ে আমাদের কোন শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চায়? এমনিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অনেক সমস্যাসংকুল পরিবেশে আবর্তিত। ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে যদি পার্বত্য চট্টগ্রামকে শাস্তিমূলক জোন বানানো হয়, তাহলে এখানকার শিক্ষার্থীরাও একদিন বিদ্যা অর্জনের পরিবর্তে নীতিভ্রষ্ট পথে এগিয়ে যেতে পারে।
তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, তাঁরা যেন পার্বত্য চট্টগ্রামের কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। আর সরকার যেন আমাদের খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষকসংকট দূর করতে আশু পদক্ষেপ নেয়। আমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ চাই।
রিটন, সুমন, সোহেল, জুঁই, প্রজ্ঞা, দেবেশ, নির্মল
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী, খাগড়াছড়ি।
কুষ্ঠরোগ: প্রাচীন আইনটি বাতিল হোক
সমাজ থেকে কুষ্ঠরোগীদের পৃথক রাখার জন্য বৃটিশ ভারতে ১৮৯৮ সালে লেপার্স অ্যাক্ট ১৮৯৮ নামে একটি আইন প্রণীত হয়। নিজ পরিবারেও ঠাঁই পেতেন না বলে কুষ্ঠরোগীরা এখানে-সেখানে পালিয়ে বেড়াতেন, ভিক্ষা করে কোনো রকমে মানবেতর জীবন কাটাতেন। সে সময়ের জন্য ওই আইনটির হয়তো প্রয়োজন ছিল। আইনটির বলে রোগীদের আটক করে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হতো এবং চিকিৎসা দেওয়া হত।
কিন্তু কুষ্ঠরোগের বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কুষ্ঠ জীবাণুঘটিত একটি রোগ, মূলত ছোঁয়াচে নয়। এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত কুষ্ঠের আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত সফল চিকিৎসা আছে। বাংলাদেশের সমস্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, লেপ্রসি মিশনের সমস্ত ক্লিনিক ও হাসপাতালসহ কুষ্ঠ রোগীদের নিয়ে কর্মরত সমস্ত সংস্থায় বিনামূল্যে এর চিকিৎসা পাওয়া যায়।
কুষ্ঠরোগী ও তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি সমাজের অনেক মানুষ এখনও সেই পুরান অস্পৃশ্যতার মনোভাব পোষণ করেন। এখন জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার সনদ, দেশের সংবিধান, জাতিসংঘ ঘোষিত প্রতিবন্ধি মানুষের অধিকার সনদ ইত্যাদির আলোকে কুষ্ঠরোগীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আইন/নীতিমালা প্রয়োজন। গত ৩ জুন জাতীয় সংসদে ‘লেপার্স অ্যাক্ট ১৮৯৮ রিপিল বিল ২০১০’ উত্থাপিত হয়েছে। আশা করি বিলটি সংসদে গ্রহণের মধ্য দিয়ে লেপ্রসি অ্যাক্ট নামের পুরোনো আইনটির বিলোপ ঘটবে। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থার মূলধারার সঙ্গে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসাকেও সমন্বিত প্রয়োজন। পৃথিবীর অনেক দেশেই কুষ্ঠ রোগের চিকিৎসাকে সাধারণ স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে একীভুত করা হয়েছে। সমাজের সর্বক্ষেত্রে কুষ্ঠরোগী ও তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া সকলের দায়িত্ব।
মার্টিন অধিকারী, ঢাকা।
সব সৃজনশীল শাখায় জাতীয় পুরস্কার চাই
৪ মে প্রথম আলোয় মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ‘সব সৃজনশীল শাখায় জাতীয় পুরস্কার চাই’ শিরোনামের লেখাটি সময়োচিত ও বাস্তবসম্মত। চলচ্চিত্র ছাড়া বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্য শাখাগুলোর কর্মীরা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, এমনকি সামান্য স্বীকৃতি থেকেও বঞ্চিত।
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের লেখাটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বলতে চাই, চলচ্চিত্রকে যেমন সরকার প্রতিবছর পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির অন্যান্য শাখাকেও প্রতিবছর সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া উচিত।
সরকার একটি পরিচালনামণ্ডলী গঠন করবে—যারা সারা বছরের কবিতা, গল্প, উপন্যাস, মঞ্চনাটক, টিভি নাটক, বেতার অনুষ্ঠান, গীতিকবিতা ইত্যাদি সংগ্রহ করে বিচার বিশ্লেষণ করে পুরস্কার ঘোষণা করবেন এবং চলচ্চিত্রের পুরস্কার বিতরণের মতো একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রদান করবেন।
বাংলা একাডেমীও প্রতিবছর রচিত গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটকের পাণ্ডুলিপি আহ্বান করতে পারে। প্রতিটি শাখা থেকে বাছাই করে কমপক্ষে তিনটি বই প্রকাশ করবে। পাঁচটি ক্যাটাগরি থেকে ১৫টি বই প্রকাশিত হবে এবং সেসব প্রকাশিত বই নিয়ে বাংলা একাডেমী মেলায় আলাদা একটি স্টলের ব্যবস্থা করবে। মনোনীত প্রতিজন লেখককে পুরস্কার দেবে। এটা হবে অমর একুশে বইমেলার প্রণোদনা। লেখকেরা পাবেন স্বীকৃতি। এভাবে প্রতিটি সৃজনশীল শাখাকে প্রণোদনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেলে দেশ ও জাতি হবে সমৃদ্ধ।
মনি হায়দার
গল্পকার ও সংস্কৃতিকর্মী, রামপুরা, ঢাকা।
আইলা দেখার এক বছর পর
সেদিন ২৫ মে ২০০৯, সোমবার। সকাল থেকে আকাশ মেঘে ঢাকা। নদীতে প্রচণ্ড তুফান। পরদিন মঙ্গলবার আমার এসএসসি পরীক্ষার ফল। সেই আনন্দে সকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছি আর মাঠে দৌড়াদৌড়ি করছি। দৌড়ে এক কিলোমিটার দূরে বাজারে চলে এলাম। মায়ের কথামতো কিনলাম কিছু মসলা ও তরকারি। ওয়াপদা রাস্তায় উঠে দেখি, রাস্তা সরু হয়ে এসেছে। নদীর জল উপচে রাস্তার ওপাশে এসে পড়ছে। ভিজতে ভিজতে বাড়ি পৌঁছালাম। মায়ের কাছে বললাম মাছ ধরার জালটি দিতে। সেই জাল নিয়ে বাড়ির পাশের ইটভাটার ইটের ফাঁকে ফাঁকে মাছ ধরলাম। বৃষ্টিতে টেংরা, কই খাল থেকে ডাঙায় উঠে এসেছে। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শীত করছিল। গোসল করে কাপড় পাল্টালাম। ছাতা মাথায় দিয়ে ওয়াপদা রাস্তার ওপর গিয়ে দেখলাম, যেসব মানুষের ঘরবাড়ি নদীর কিনারে, তাদের ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে ভেঙেচুরে, দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। আমাদের বাড়ির সামনের ওয়াপদার জায়গাটি ভেঙে যাবে। লোকমুখে সংবাদ এল, দুর্গাবাটির বাঁধ ভেঙে গেছে; ঝাপা, কামালবাটির বাঁধ ভেঙে গেছে। বাবা বাইরে ছিলেন। ছুটে এসে বললেন, ‘সবকিছু গুছিয়ে নাও, বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে।’ ঠিক সেই মুহূর্তে দেখতে পেলাম, সাগরের উত্তাল ঢেউ যেমন বেগে চলে, ঠিক তেমনি ছুটে আসছে জল। আমি তাড়াতাড়ি কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি ছাড়লাম। কোনো দিন ভাবিনি যে আমার জীবনে এমন একটা পরিস্থিতি আসবে। পিচের রাস্তায় উঠতে না-উঠতেই বাড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, বাড়িটি তলিয়ে গেল। দ্রুত হেঁটে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের গার্লস স্কুলে পৌঁছালাম। এটির দোতলায় আশ্রয় নিলাম। সেখানে অনেক লোক। পা রাখার জায়গা নেই। অনেকে সঙ্গে এনেছে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল। মাকে দোতলায় রেখে আমি নিচতলায় এলাম বাবার খোঁজে। বাবা ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। স্কুলের মালামাল রক্ষা করা বাবার দায়িত্ব। ছয়টি কম্পিউটার তুলে দিলেন দোতলায়। এভাবে জিনিসপত্র রক্ষা করতে বাবা নিজের জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। হঠাৎ স্কুলের নিচতলা প্রায় ডুবে গেল। বাবাকে অনুরোধ করলাম ওপরে ওঠার জন্য। তবু তিনি অফিসের কাজ করছিলেন। সন্ধ্যা হওয়ার আগেই পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। দুঃখ-দুর্দশার মাঝে হঠাৎ মনে পড়ল, আগামীকাল আমার পরীক্ষার ফল। মুঠোফোনটা বের করে মেসেজ পাঠালাম, কিন্তু কোনো খবর পাইনি। ফল তো বেরোবে আগামীকাল। আত্মীয়স্বজন মুঠোফোনে খবর পাঠাতে লাগল। কেউ গাছে উঠে বসে রয়েছে, কেউ ঘরের চালে। তারা তাদের জন্য নৌকা পাঠাতে বলছে, নইলে তারা বাঁচবে না। কিন্তু কীভাবে পাঠাব নৌকা? আমরাও তো এক প্রকার ভেসে আছি। চারপাশে জল আর জল। চোখে ঘুম, কিন্তু ঘুমানোর জায়গা নেই। পেটে ক্ষুধা, তবু খাওয়ার কথা মনে নেই। এই জনদুর্ভোগের মধ্যেও খবর আসছে, একদল চোর নৌকায় চড়ে বাড়ি বাড়ি চুরি করছে। কিন্তু দুর্ভোগে পড়া মানুষের তাতে কোনো দুঃখ নেই। তাদের তখন একটাই চাওয়া—জীবনটা। সারা রাত কাটালাম বসে থেকে। সকাল হলে কেউ কেউ তাদের বাড়ির দিকে রওনা দিচ্ছে। আমি আর আমার মা দোতলা থেকে নিচে নামলাম। কিন্তু কীভাবে রাস্তায় নামব। রাস্তায় তো কোমরসমান জল। তবু বাড়ির প্রতি টান। কিছু পথ যেতেই দেখলাম, বিভিন্ন গাছে, রাস্তার ধারে বিষাক্ত সাপ। সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যানদের ভিড়; বিভিন্ন সংস্থার গাড়ি। চারপাশে স্বজন হারানোর আর্তনাদ। এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ পেয়েও মনে সেদিন কোনো আনন্দ ছিল না। আনন্দ করব কার সঙ্গে। সবাই তো নিরানন্দে দিন কাটাচ্ছে।
তারপর এক বছর হয়ে গেল। এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় ঘর তুলে বাস করছে। ঘরবাড়ি, জমি-জায়গা—সবকিছু এখনো জলের নিচে। জোয়ার এলে ডুবে যায়, ভাটা এলে জাগে। মেম্বার, চেয়ারম্যান থেকে সরকার পর্যন্ত কারও যেন খেয়াল নেই আমাদের প্রতি।
আমরা কি কোনো দিন বাড়ি ফিরতে পারব না?
সুরজিত মণ্ডল, শিক্ষার্থী, খুলনা।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 27
(125)
- মানুষের মুখ-যুদ্ধ করেছি কণ্ঠ দিয়ে by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- বিকল্প বাজেট দেওয়ার অধিকার কারও নেই by আবদুল মান্নান
- কোথায় নয়, কী বলেছেন সেটাই গুরুত্বপূর্ণ by এমাজউদ্দ...
- ত্রাণকর্মীহত্যা-ইসরায়েলি প্রচারণার আড়ালে by রবার্ট...
- পরিসংখ্যান ব্যুরো-দোষ না দিয়ে ঘাটতি মেটান by আসজাদ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-আইনি বিধানের অপকৌশলী প্রয়োগ কাম্য...
- পুলিশের প্রশিক্ষণ ও আন্তরিকতা প্রয়োজন-দুর্ঘটনার তথ...
- বহুমুখী সংকটে সংবাদপত্রশিল্প-নিউজপ্রিন্টের আমদানি ...
- চারদিক-চিরতরুণ কবিকে নিয়ে by আবু সাঈদ
- কালের পুরাণ-হরতালকে না বলুন, হ্যাঁ বলুন ভিন্নমতকে ...
- অভিমত ভিন্নমত
- প্রতিক্রিয়া-প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ ও রাজধানী ঢাকা b...
- বাঁচার মতো বেতনের নিশ্চয়তার দায়িত্ব সরকারের-পোশাকশ...
- শুভ উদ্যোগটি অর্থবহ করতে সংসদে যেতে হবে-বিরোধী দলে...
- চলতি পথে-মকবুল হোসেনের লজ্জা! by দীপংকর চন্দ
- ঢাকার জীবন-আমাদের পূর্বঘোষিত মৃত্যুর দিনপঞ্জি by ফ...
- সময়ের প্রেক্ষিত-প্রতিশ্রুতির কাছে জাপানি প্রধানমন্...
- গদ্যকার্টুন-ভারী পর্বতের হালকা দিকগুলো by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-বেগুনবাড়ি ও নিমতলী ট্র্যাজেডির রাজনৈতি...
- কর্তৃপক্ষের চোখের ব্যারাম ছাড়াতে হবে-রাতের আঁধারে ...
- হুমকি দূর করায় কোনো গাফিলতি নয়-জেএমবির লুকানো ক্ষমতা
- ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় বাণিজ্যিক ব্যাংকঃ ব্যাংকিংয়ে সং...
- চারদিক-হাটে হাটে কাঁঠাল-বন্যা by আকমল হোসেন
- রাসায়নিক মরণফাঁদ-শুধু তদন্ত নয়, এক্ষুনি কাজ শুরু ক...
- চট্টগ্রাম বন্দর-ডিজিটাল যুগে অ্যানালগ বন্দর by মশি...
- যোগাযোগ-রেল কেন উপেক্ষিত? by হানিফ মাহমুদ
- সময়চিত্র-আমার দেশ: সরকারের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা by ...
- জনস্বাস্থ্যের সর্বনাশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থ...
- সমবায়ভিত্তিক নিরাপদ আবাসন গড়ে তুলুন-আবাসিক ভবনের আ...
- মানুষের মুখ-পথের কবি আবদুর রহিম by মামুনুর রশিদ
- নিমতলী শোকগাথা-অগ্নিকাণ্ড না হত্যাকাণ্ড by মিজানুর...
- কলকাতার চিঠি-পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পরিবর্তনের হাওয়া by অ...
- বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ-সমস্যা মরগাঙের মানুষখেকো বাঘ by...
- রাজধানী ঢাকা-কার্যকর ও বড় পরিকল্পনা এখনই জরুরি by ...
- বখাটেপনার শেষ কোথায়-এক কিশোরীর মৃত্যু
- ঝুঁকিপূর্ণ সব স্থাপনা সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিন-আবাসি...
- এই দিনে-এক হয়ে বাঁচাতে হবে এই পৃথিবীর সন্তানদের by...
- সিসিসি নির্বাচন-প্রার্থীদের ভালো-মন্দ: একটি ঝটিকা ...
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১০-জীববৈচিত্র্যপূর্ণ একটি পৃথি...
- তারুণ্য-হিমালয়শিখরে জাতীয়তাবাদ by ফারুক ওয়াসিফ
- আগুন ও মৃত্যু-ঢাকায় জীবন ঝুঁকিপূর্ণ by জামিলুর রেজ...
- যুক্তি তর্ক গল্প-এক-নগরের দেশ হয়ে বাঁচবে বাংলাদেশ?...
- বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক-...
- পরিকল্পিত নগরায়ণ না হলে দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে-এ মৃত...
- চারদিক-‘মনে রেখো মোর গান’ by বিপ্লব বালা
- সরকার-ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা by শাহ্দীন মালিক
- ধর্ম-পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- সিসিসি নির্বাচন-মাঠের অবস্থা ভালো, এখন ফাইনাল দেখা...
- চিরকুট-এ শহর প্রান্ত by শাহাদুজ্জামান
- সরল গরল-প্রধান বিচারপতিকে চাপ দেওয়ার একটি ঘটনা by ...
- নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে প্রতিকার করুন-ইডেনে কী হচ্ছে?
- ক্রসফায়ার নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই কাম্য-বিচারবহি...
- পশুচিকিৎসক পরিচয়ে ড্রেসারের কাণ্ড
- কাউন্সিলর প্রার্থীদের গণসংযোগ, মতবিনিময়
- কক্সবাজার উপকূলের ১০ লাখ মানুষ চরম ঝুঁকিতে-১৭ কিলো...
- আগের বক্তব্য থেকে সরে মঞ্জুর পক্ষে জামায়াত
- ধর্মভিত্তিক দলগুলোকেও কাছে টানছেন মহিউদ্দিন
- মহড়াকক্ষ থেকে: মহাজনের নাও-একটি গীতল নাটক by জাহীদ...
- সাক্ষাৎকার-স্টুডিও থিয়েটারের চর্চা চালিয়ে যাব by শ...
- এই কি চলচ্চিত্র শিল্পনগর? by কামরুজ্জামান
- ধারাবাহিক মিমি
- গুরু-শিষ্যের আড্ডায় by কবির বকুল
- ঢাকায় চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সভা কাল-পাহাড়ে আবার ...
- ভ্যাপসা গরম ডায়রিয়ার প্রকোপ
- সাক্ষাৎকার-প্রধানমন্ত্রী সব শুনেছেন, তিনি যা করার ...
- সাক্ষাৎকার-প্রধানমন্ত্রী ডাকুক, আমি নিজের অবস্থান ...
- মহাজোটের দুই সাংসদের লড়াই by একরামুল হক
- নির্যাতনের শিকার শিক্ষক-পরিবারের পাশে ব্র্যাক
- প্রতিক্রিয়া-পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
- পাঠকের প্রশ্ন, আইনি পরামর্শ
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে জামিন-বিড়ম্বনা by আব...
- শ্যুটিং-পরবাস
- অপরাজিত
- এখনো অবহেলিত হকি-মেজর চাকলাদার (অব.)
- বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষ ১০ সেলিব্রেটি
- চলতি পথে-আরজ আলী মাতুব্বরের কথা by দীপংকর চন্দ
- নিশ্চিত হোক ভোক্তা অধিকার
- খুলনার শিল্পাঞ্চলে প্রাণের স্পন্দন
- পবিত্র কোরআনের আলো-ওহুদ যুদ্ধ ও মুসলমানদের কঠিন পর...
- ৫০ বছর পরও মূল্যবান স্বেচ্ছাসেবা by জন বেকার
- শিশুদের জন্য 'চাপহীন' আনন্দদায়ক শিক্ষা চাই by হাফি...
- ভারত-গণতন্ত্রের ঘাড়ে দুর্নীতির ভূত by কুলদীপ নায়ার
- বিতর্কিত কাবোর প্রতি এত প্রীতির কারণ কী!-বিমানের উ...
- বিরোধী দল সংসদে গিয়ে তাদের প্রস্তাব দিক-সংসদের বাজ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-মোজাফ্ফর স্যার, এক প্রবাদপুরুষের প্রত...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ভাষা প্রতিযোগ-প্রতিযোগিতায় পুরস্কারে উদ্দীপনাময় দি...
- মামলার আসামি দুই সাংবাদিকও-আপত্তিকর ছবি তুলে ইন্টা...
- আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে করার ইঙ্গিত প্রধ...
- প্রত্নস্থলে মাৎস্যন্যায় by এ কে এম শাহনাওয়াজ
- চরাচর-কোনো কোনো বৃক্ষ ক্ষতিও করে by আশিকুর রহমান
- স্বাধীনতার মাসে প্রারম্ভভাবনা by রণজিৎ বিশ্বাস
- আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে কৃষির বিকল্প নেই by ডা. মো....
- ইতি-নেতি-'ওরে তুই মন না রাঙিয়ে কেবল রাঙালি বসন' by...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অদূরদর্শী মন্তব...
- সাংবাদিক পেটানোয় এসি প্রত্যাহার ৯ পুলিশ সাসপেন্ড
- আসছে বাজেট-নীতিনির্ধারকরা ভর্তুকি বৃদ্ধির পক্ষে অর...
- সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী-যা কিছু করার আমাদের এ বাজে...
- এভারেস্ট চূড়ায় এবার নাজরীন
- পূর্ব রেলে জনবল নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছ...
- যুক্তি তর্ক গল্প-মহৎ অভিযাত্রার কথা ভুললে চলবে না ...
- সাদাসিধে কথা: রাজনীতি নিয়ে আমার ভাবনা—৩-দেশকে নিয়ে...
- ৯ পুলিশ সাময়িক বরখাস্ত, এসি প্রত্যাহার-তিন সাংবাদি...
- এভারেস্টে আরেক বাংলাদেশি নারী by পল্লব মোহাইমেন
- নির্বাচন আ. লীগ সরকারের অধীনেই : শেখ হাসিনা
- বাজেট অধিবেশন-বিরোধী দলের অংশগ্রহণ জরুরি
- সাহারা গ্রুপের বিনিয়োগ প্রস্তাব-দেশীয় স্বার্থ যেন ...
- চরাচর-দীর্ঘ হচ্ছে সাইক্লোন সিজন by আজিজুর রহমান
- সততা ও যোগ্যতা দেখে ভোট দিন by মুফতি মাহ্ফূযুল হক
- কর্মীর হাত আল্লাহর পছন্দ by জহিরউদ্দিন বাবর
- মানবকল্যাণে মুসলিম সমাজ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- হাম আপকে হ্যাঁয় কৌন by ইমরুল কায়েস
- গামবারে নিপ্পন-অকৃতজ্ঞ নয় জাপান প্রবাসীরা by কাজী ...
- ধর নির্ভয় গান-বড় সহজ নয়, যা চাই তা পাওয়া by আলী যাকের
- বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যা দূষণ-শিল্পবর্জ্য শোধন হোক
- রফতানি আয়ে বাড়তি কর-বোঝার ওপর শাকের আঁটি কেন
- রূপলাল হাউসের সাতকাহন by পাশা শাহ
- রাজনীতি-বিএনপির গণঅনশনের পর by তারেক শামসুর রেহমান
- টেলিভিশনে মৃত মানুষের মুখ by মাহবুব মোর্শেদ
- কৃষি ভর্তুকি-পেটের ভাত ও ভালো থাকার গল্প by ইশা মো...
- অর্থনীতি-বাজেট ২০১২ :মুদ্রাস্ফীতি না প্রবৃদ্ধি কোন...
- উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা-স্বীকৃতি ও স্বীকৃত নিয়ম চাই
- তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা-চিকিৎসকদের গ্রামে রাখতেই হবে
- স্থানীয় সরকার কমিশনের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না? by ড....
- সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের প্রয়োজন by এ এম এম শওকত আলী
-
▼
May 27
(125)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment