Saturday, November 17, 2012
ভাসানী ছিলেন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অন্যতম প্রধান পুরোধা by গাজীউল হাসান খান
ভাসানী ছিলেন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অন্যতম প্রধান পুরোধা by গাজীউল হাসান খান
একজন অতি সাধারণ গ্রামীণ মানুষ হয়েও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে মওলানা ভাসানী ছিলেন ব্যাপক গণমানুষের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য প্রতিনিধি। এক কথায় বলা যায়, বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থের পক্ষে রাজনৈতিক সংগ্রামের অন্যতম প্রধান পুরোধা।
এ উপমহাদেশের সামন্তবাদ, উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি এক আপসহীন রাজনীতির ধারক ও বাহক ছিলেন। একজন ধার্মিক মানুষ হয়েও তিনি আপাদমস্তক ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এ নেতা এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল ধারার রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ হলেও তাঁর ছত্রচ্ছায়ায় আশ্রয় পেয়েছিলেন এ দেশের অনেক প্রগতিশীল তথা বাম ধারার রাজনৈতিক নেতা-কর্মী। ভারত বিভক্তির পর, অর্থাৎ পাকিস্তান অর্জনের পরও জনগণের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তাঁকে বিভিন্ন সময় কারাবরণ করতে হয়েছে। ভাসানী ভোগের নয়, ত্যাগের আদর্শে বিশ্বাস করতেন। হয়তো বা সে কারণেই শহর-নগরের বিলাস ব্যসন ও অধিকাংশ রাজনীতিকের যাপিত অস্বচ্ছ ও জটিল জীবনধারা পরিহার করে তিনি গ্রামীণ পরিবেশে সহজ-সরল জীবনযাপনের পথ বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর চলা-বলা ও পোশাকে গ্রামবাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের প্রতিফলন ঘটেছিল, তাতে তিনি নিজেকে এতটুকু খাটো কিংবা অপাঙ্ক্তেয় মনে করতেন না।
মেহনতি মানুষের শোষণমুক্তি ও অধিকার আদায়ে গণ-অভ্যুত্থান, এমনকি সশস্ত্র বিপ্লবকে নীতিগতভাবে একটি অন্যতম হাতিয়ার মনে করলেও তিনি নিজে ছিলেন একটি সংসদীয় রাজনৈতিক দলের প্রধান। অবশ্য নির্বাচন দিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার আদায় ও শোষণমুক্তি ঘটবে বলে তিনি মনে করতেন না। সে কারণে কেউ কেউ তাঁকে 'লাল মওলানা' বলেও অভিহিত করেছেন তাঁর বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে। ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলের 'কাগমারী সম্মেলনে' পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে বিদায় জানানোর কথা বলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতা বা স্বাধীনতার স্পৃহা উস্কে দিয়েছিলেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। অখণ্ড ভারতে কংগ্রেস ছেড়ে শেষ পর্যন্ত অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগে যোগ দিলেও পাকিস্তান অর্জনের পর পরই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানি স্বার্থবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল নেতৃত্বের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও স্বরূপ দেখে অত্যন্ত হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। মুসলিম লীগের বিপক্ষে পাকিস্তানে অতি দ্রুত একটি শক্তিশালী বিরোধী দল গড়ে তোলার জন্য ভাসানী অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছিলেন। পাকিস্তানের অখণ্ডতা ও ইসলামের নাম ব্যবহার করে পূর্ব পাকিস্তানের কৃষক-শ্রমিকসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ মেহনতি জনতাকে শোষণ-শাসন ও প্রবঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, অখণ্ড পাকিস্তানে পূর্বাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের উন্নত বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ভবিষ্যৎ চিন্তা করেও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলেন মওলানা ভাসানী। পূর্ব বাংলার অত্যন্ত সাধারণ পরিবার থেকে আসা এবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত আবদুল হামিদ খানের রাজনীতির সূত্রপাত হয়েছিল গ্রামীণ মানুষ ও মূলত কৃষক সমাজের অভাব-অনটন ও শোষণ-বঞ্চনাকে কেন্দ্র করে। কৃষিপ্রধান পূর্ব বাংলার জমিদার-মহাজনি শোষণ ও সামন্তবাদী প্রথার বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল যৌবনের সূচনা থেকেই।
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আবদুল হামিদ খানের জন্ম হয়েছিল ১৮৮০ সালে। বৃহত্তর পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জের ধানগড়া ছিল তাঁদের আদি নিবাস। নিজ অঞ্চলের মক্তবে শিক্ষার সূচনা হলেও ইসলামিক উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভারতের বিখ্যাত দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে তিনি শায়খুল হিন্দ নামে খ্যাতনামা প্রগতিশীল ইসলামী চিন্তাবিদ মাহমুদুল হাসানের সংস্পর্শে আসেন। তাঁরই কাছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনীতির হাতেখড়ি হয়েছিল তরুণ আবদুল হামিদ খানের। এর অনেক পরে আসামের ভাসানচরে দরিদ্র বাঙালি কৃষককুলের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি ভাসানী নামে পরিচিত হয়েছিলেন। তখন সংগ্রামী কৃষককুলের মধ্যে অনেকে তাঁর আসল নামটি ভুলেই গিয়েছিল। তাঁর নামে আসামের ধুবড়ি এলাকায় একটি বিশাল চরাঞ্চলের নাম হয়েছিল হামিদাবাদ আর তিনি মওলানা ভাসানী হিসেবে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন তাঁর সামন্তবাদবিরোধী আন্দোলনের কারণে। এর আগে, অর্থাৎ ১৯১৭ সালে, তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বাধীন স্বরাজ পার্টি বা একটি জাতীয়তাবাদী দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে যোগ দেন। তারপর ভারতের তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী প্রখ্যাত নেতা মোহাম্মদ আলীর উৎসাহে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন। সেটি ছিল ১৯১৯ সাল। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন তখন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করেছিল। সে আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ও নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাতেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বা সংগ্রামী কার্যকলাপ থেমে থাকেনি। কারাগার থেকে মুক্ত হয়েও তিনি আবার দেশবন্ধুর নেতৃত্বে সূচিত ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন এবং আবার গ্রেপ্তার হন। সে সময় তিনি ভারতে সূচিত খেলাফত আন্দোলনেও তাঁর অবদান রেখেছিলেন। তা ছাড়া কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বিতর্কিত ভূমিকার জন্য সে সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান যথেষ্ট প্রতিবাদী ও সোচ্চার হয়ে উঠেছিলেন। এভাবে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একপর্যায়ে ১৯৩০ সালে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দিয়েছিলেন। পরে ১৯৩৭ সালে তিনি উত্তর ধুবড়ি নির্বাচনী এলাকা থেকে আসামের আইনসভায় এমএলএ নির্বাচিত হন, যা ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল বলে জানা যায়। তিরিশের দশক থেকে ভাসানী পূর্ব বাংলা এবং বিশেষ করে আসামের বিভিন্ন কৃষক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আসামের দরিদ্র ও শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি কৃষককুলের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ভাসানী আইনসভার ভেতরে ও বাইরে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। এরই মধ্যে, ১৯৪৪ সালে তিনি আসামসহ সে অঞ্চলের মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন ও পাকিস্তান অর্জনের লক্ষ্যে মুসলিম লীগকে একটি ব্যাপক ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য ভাসানীর অব্যাহত প্রচেষ্টা ছিল। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সাংগঠনিক ব্যাপারে তাঁকে মুসলিম লীগের ভেতরেও অত্যন্ত সোচ্চার হতে হয়েছিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে। মুসলিম লীগের অভ্যন্তরে সামন্তবাদী ও নব্য পুঁজিপতিদের শক্তিশালী অবস্থানের বিরুদ্ধে যে কয়জন নেতা গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন একজন অন্যতম প্রধান নেতা।
পাকিস্তান অর্জনের পর মুসলিম লীগের নেতৃত্বের মধ্যে ওপরোলি্লখিত শ্রেণী ক্রমেই প্রাধান্য পেতে থাকলে এক হাজার মাইলের ব্যবধানে পূর্ব পাকিস্তানের কৃষককুল, শ্রমিক শ্রেণী ও সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে শোচনীয়ভাবে বঞ্চিত হতে শুরু করে। ভাসানী সে ধারার অপশাসন, শোষণ ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে রাজনীতিগতভাবে রুখে দাঁড়ানোর জন্য ১৯৪৯ সালের ২৩ জুলাই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং এর সভাপতি হিসেবে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন শামসুল হক (টাঙ্গাইল)। পরে ১৯৫৩ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী কাউন্সিল অধিবেশনে সংগঠনের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে তাকে পাকিস্তানভিত্তিক একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক সংগঠনে রূপান্তরিত করা হয়। তবে মওলানা ভাসানীর কাছে ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ ধর্মহীনতা ছিল না। রাষ্ট্রে ধর্ম পালনের ব্যাপারে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল। তা ছাড়া পূর্ব বাংলার বাংলা ভাষাভাষী সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ভাসানী অত্যন্ত সচেষ্ট ছিলেন। ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার বার লাইব্রেরিতে গঠিত 'সর্বদলীয় ভাষা আন্দোলন কমিটির' সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মওলানা ভাসানী। পূর্ব পাকিস্তানের সংগ্রামী তরুণ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে অন্তরীণ। রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধেও কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি।
এভাবে রাজনৈতিক অরাজকতা, অর্থনৈতিক চরম বৈষম্য, সাংস্কৃতিক বিরোধ ও প্রায় সব ক্ষেত্রে আধিপত্যবাদী মনোভাবের কারণে পূর্ব পাকিস্তান ক্রমে একটি আধা-উপনিবেশ ও আধা-সামন্ততান্ত্রিক জনপদে রূপান্তরিত হয়েছিল। তখন অতি অল্প সময়ের মধ্যে, বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মুসলিম লীগ তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছিল। সে অবস্থায় ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচন ঘনিয়ে এলে মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে একটি 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করেছিলেন। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল এবং তার প্রধানমন্ত্রী নুরুল আমীন ফ্রন্টের তরুণ ছাত্রনেতা খালেক নওয়াজ খানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু তখনই শুরু হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানি নেতাদের আরেক ষড়যন্ত্র। পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তখন কেন্দ্রের চাপের মুখে মওলানা ভাসানী ছাড়া প্রায় সবাই পশ্চিম পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। সে অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের ৭ ও ৮ আগস্ট আহূত কাগমারী সম্মেলনে ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে বিদায় জানিয়েছিলেন, 'আস্সালামু আলাইকুম' বলে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, যে ধারায় পাকিস্তান চলছে তাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পক্ষে দীর্ঘদিন সে রাষ্ট্রের অখণ্ডতা ও সংহতি রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তা ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বিরোধ দেখা দিলে এবং শেষ পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মার্কিন নেতৃত্বাধীন 'সেন্টো' ও 'সিয়াটো' প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিলে মওলানা ভাসানী তাঁর গড়া আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে প্রগতিশীল বামধারার 'ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি' গঠন করেন। পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দীর টিকে থাকা সম্ভব হয়নি। তবে ১৯৬৫ সালে সংঘটিত ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় গণচীনের অনুকূল পররাষ্ট্রনীতির কারণে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানকে ভাসানী কিছুটা সমর্থন দিলেও পরে তিনি তাঁর সে সাময়িক অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ান। আইয়ুব সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কিছু পূর্ব পাকিস্তানির বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁর (আইয়ুব খান) স্বৈরশাসনের অবসানের জন্য গণ-আন্দোলন গড়ে তোলেন মওলানা ভাসানী। ছাত্র-জনতার ব্যাপক সমর্থন ও তাঁর আপসহীন আন্দোলনের ফলে পতন ঘটে পাকিস্তানের স্বৈরশাসক লৌহমানব ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের। এরই মধ্যে দেশে (পূর্ব পাকিস্তান) দেখা দেয় চরম খাদ্যাভাব। এর আগে ঘূর্ণিঝড়ে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মারা যায় লাখ লাখ মানুষ। খাদ্যের দাবিতে ভাসানী অনশন ধর্মঘট শুরু করেছিলেন। এ অবস্থায়ই ১৯৭০ সালে নির্বাচন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহসহ বিভিন্ন দাবিতে মওলানা ভাসানী নির্বাচন বর্জন করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সে নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। তখন পূর্ব পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে শুরু হয় আবার এক নতুন ষড়যন্ত্র। বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা দেওয়ার প্রশ্নে শুরু হয়েছিল নানা টালবাহানা। ভাসানী বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলেন এর পরিণতির কথা। সে কারণেই তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বহু আগেই পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার কথা বহু সভায় বহুভাবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু একটি সংসদীয় রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন রণনীতি ও রণকৌশল অনুযায়ী।
পাকিস্তান ও পরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'হুজুর' নামে পরিচিত কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের নেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী একজন পরম ধার্মিক ব্যক্তি হয়েও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে ১৯৭৬ সালে ৯৬ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিল তাঁর রাজনীতির অনেক ঊধর্ে্ব পিতা-পুত্রের মতো সম্পর্ক। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে ভাসানী গঠিত রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা তাঁর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য সংগ্রাম করেছেন। সামন্তবাদ কিংবা উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ কিংবা আধিপত্যবাদ- সব ধরনের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন বাংলাদেশের গণমণ্ডলের এ অলৌকিক পুরুষ। দেশের গণমুখী বিভিন্ন ধারার সংগঠনের নেতা-কর্মীর কাছে তিনি ছিলেন মহীরুহের মতো। একটি উন্নয়নকামী দরিদ্র দেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যে ধরনের আপসহীন, সৎ ও প্রজ্ঞাবান নেতা প্রয়োজন, মওলানা ভাসানী ছিলেন তার প্রকৃত উদাহরণ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দরিদ্র, শোষিত, বঞ্চিত ও অধিকারহারা মানুষকে টেনে তোলার লক্ষ্যে নিবেদিত ছিল তাঁর সারা জীবনের রাজনীতি। মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই তাঁকে জীবনের প্রায় অর্ধেক সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে। তিনি রাজনীতি করেও কখনো দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রীর পদ অথবা ক্ষমতার জন্য লালায়িত ছিলেন না। আমাদের জাতীয় জীবনে এ নির্লোভ, স্বার্থহীন ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষটি ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো। তিনি তাঁর নীতি ও আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। তাঁর জীবনে সম্পদ কিংবা বাড়ি-গাড়ির কোনো চাহিদা ছিল না। আমাদের রাজনীতিকরা যদি তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পথ চলতে পারতেন, জাতি হিসেবে আমরা তাহলে অনেক এগিয়ে যেতে পারতাম। ভাসানীর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা যেন তাঁকে স্মরণ করি। আমরা যেন তাঁকে ভুলে না যাই।
লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মেহনতি মানুষের শোষণমুক্তি ও অধিকার আদায়ে গণ-অভ্যুত্থান, এমনকি সশস্ত্র বিপ্লবকে নীতিগতভাবে একটি অন্যতম হাতিয়ার মনে করলেও তিনি নিজে ছিলেন একটি সংসদীয় রাজনৈতিক দলের প্রধান। অবশ্য নির্বাচন দিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার আদায় ও শোষণমুক্তি ঘটবে বলে তিনি মনে করতেন না। সে কারণে কেউ কেউ তাঁকে 'লাল মওলানা' বলেও অভিহিত করেছেন তাঁর বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে। ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলের 'কাগমারী সম্মেলনে' পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে বিদায় জানানোর কথা বলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতা বা স্বাধীনতার স্পৃহা উস্কে দিয়েছিলেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। অখণ্ড ভারতে কংগ্রেস ছেড়ে শেষ পর্যন্ত অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগে যোগ দিলেও পাকিস্তান অর্জনের পর পরই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানি স্বার্থবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল নেতৃত্বের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও স্বরূপ দেখে অত্যন্ত হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। মুসলিম লীগের বিপক্ষে পাকিস্তানে অতি দ্রুত একটি শক্তিশালী বিরোধী দল গড়ে তোলার জন্য ভাসানী অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছিলেন। পাকিস্তানের অখণ্ডতা ও ইসলামের নাম ব্যবহার করে পূর্ব পাকিস্তানের কৃষক-শ্রমিকসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ মেহনতি জনতাকে শোষণ-শাসন ও প্রবঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, অখণ্ড পাকিস্তানে পূর্বাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের উন্নত বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ভবিষ্যৎ চিন্তা করেও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলেন মওলানা ভাসানী। পূর্ব বাংলার অত্যন্ত সাধারণ পরিবার থেকে আসা এবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত আবদুল হামিদ খানের রাজনীতির সূত্রপাত হয়েছিল গ্রামীণ মানুষ ও মূলত কৃষক সমাজের অভাব-অনটন ও শোষণ-বঞ্চনাকে কেন্দ্র করে। কৃষিপ্রধান পূর্ব বাংলার জমিদার-মহাজনি শোষণ ও সামন্তবাদী প্রথার বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল যৌবনের সূচনা থেকেই।
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আবদুল হামিদ খানের জন্ম হয়েছিল ১৮৮০ সালে। বৃহত্তর পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জের ধানগড়া ছিল তাঁদের আদি নিবাস। নিজ অঞ্চলের মক্তবে শিক্ষার সূচনা হলেও ইসলামিক উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভারতের বিখ্যাত দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে তিনি শায়খুল হিন্দ নামে খ্যাতনামা প্রগতিশীল ইসলামী চিন্তাবিদ মাহমুদুল হাসানের সংস্পর্শে আসেন। তাঁরই কাছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনীতির হাতেখড়ি হয়েছিল তরুণ আবদুল হামিদ খানের। এর অনেক পরে আসামের ভাসানচরে দরিদ্র বাঙালি কৃষককুলের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি ভাসানী নামে পরিচিত হয়েছিলেন। তখন সংগ্রামী কৃষককুলের মধ্যে অনেকে তাঁর আসল নামটি ভুলেই গিয়েছিল। তাঁর নামে আসামের ধুবড়ি এলাকায় একটি বিশাল চরাঞ্চলের নাম হয়েছিল হামিদাবাদ আর তিনি মওলানা ভাসানী হিসেবে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন তাঁর সামন্তবাদবিরোধী আন্দোলনের কারণে। এর আগে, অর্থাৎ ১৯১৭ সালে, তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বাধীন স্বরাজ পার্টি বা একটি জাতীয়তাবাদী দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে যোগ দেন। তারপর ভারতের তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী প্রখ্যাত নেতা মোহাম্মদ আলীর উৎসাহে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন। সেটি ছিল ১৯১৯ সাল। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন তখন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করেছিল। সে আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ও নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাতেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বা সংগ্রামী কার্যকলাপ থেমে থাকেনি। কারাগার থেকে মুক্ত হয়েও তিনি আবার দেশবন্ধুর নেতৃত্বে সূচিত ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন এবং আবার গ্রেপ্তার হন। সে সময় তিনি ভারতে সূচিত খেলাফত আন্দোলনেও তাঁর অবদান রেখেছিলেন। তা ছাড়া কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বিতর্কিত ভূমিকার জন্য সে সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান যথেষ্ট প্রতিবাদী ও সোচ্চার হয়ে উঠেছিলেন। এভাবে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একপর্যায়ে ১৯৩০ সালে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দিয়েছিলেন। পরে ১৯৩৭ সালে তিনি উত্তর ধুবড়ি নির্বাচনী এলাকা থেকে আসামের আইনসভায় এমএলএ নির্বাচিত হন, যা ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল বলে জানা যায়। তিরিশের দশক থেকে ভাসানী পূর্ব বাংলা এবং বিশেষ করে আসামের বিভিন্ন কৃষক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আসামের দরিদ্র ও শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি কৃষককুলের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ভাসানী আইনসভার ভেতরে ও বাইরে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। এরই মধ্যে, ১৯৪৪ সালে তিনি আসামসহ সে অঞ্চলের মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদবিরোধী আন্দোলন ও পাকিস্তান অর্জনের লক্ষ্যে মুসলিম লীগকে একটি ব্যাপক ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য ভাসানীর অব্যাহত প্রচেষ্টা ছিল। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও সাংগঠনিক ব্যাপারে তাঁকে মুসলিম লীগের ভেতরেও অত্যন্ত সোচ্চার হতে হয়েছিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে। মুসলিম লীগের অভ্যন্তরে সামন্তবাদী ও নব্য পুঁজিপতিদের শক্তিশালী অবস্থানের বিরুদ্ধে যে কয়জন নেতা গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন একজন অন্যতম প্রধান নেতা।
পাকিস্তান অর্জনের পর মুসলিম লীগের নেতৃত্বের মধ্যে ওপরোলি্লখিত শ্রেণী ক্রমেই প্রাধান্য পেতে থাকলে এক হাজার মাইলের ব্যবধানে পূর্ব পাকিস্তানের কৃষককুল, শ্রমিক শ্রেণী ও সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে শোচনীয়ভাবে বঞ্চিত হতে শুরু করে। ভাসানী সে ধারার অপশাসন, শোষণ ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে রাজনীতিগতভাবে রুখে দাঁড়ানোর জন্য ১৯৪৯ সালের ২৩ জুলাই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং এর সভাপতি হিসেবে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন শামসুল হক (টাঙ্গাইল)। পরে ১৯৫৩ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী কাউন্সিল অধিবেশনে সংগঠনের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে তাকে পাকিস্তানভিত্তিক একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক সংগঠনে রূপান্তরিত করা হয়। তবে মওলানা ভাসানীর কাছে ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ ধর্মহীনতা ছিল না। রাষ্ট্রে ধর্ম পালনের ব্যাপারে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল। তা ছাড়া পূর্ব বাংলার বাংলা ভাষাভাষী সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ভাসানী অত্যন্ত সচেষ্ট ছিলেন। ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকার বার লাইব্রেরিতে গঠিত 'সর্বদলীয় ভাষা আন্দোলন কমিটির' সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মওলানা ভাসানী। পূর্ব পাকিস্তানের সংগ্রামী তরুণ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে অন্তরীণ। রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধেও কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি।
এভাবে রাজনৈতিক অরাজকতা, অর্থনৈতিক চরম বৈষম্য, সাংস্কৃতিক বিরোধ ও প্রায় সব ক্ষেত্রে আধিপত্যবাদী মনোভাবের কারণে পূর্ব পাকিস্তান ক্রমে একটি আধা-উপনিবেশ ও আধা-সামন্ততান্ত্রিক জনপদে রূপান্তরিত হয়েছিল। তখন অতি অল্প সময়ের মধ্যে, বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মুসলিম লীগ তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছিল। সে অবস্থায় ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক নির্বাচন ঘনিয়ে এলে মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে একটি 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করেছিলেন। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল এবং তার প্রধানমন্ত্রী নুরুল আমীন ফ্রন্টের তরুণ ছাত্রনেতা খালেক নওয়াজ খানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু তখনই শুরু হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানি নেতাদের আরেক ষড়যন্ত্র। পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তখন কেন্দ্রের চাপের মুখে মওলানা ভাসানী ছাড়া প্রায় সবাই পশ্চিম পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। সে অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের ৭ ও ৮ আগস্ট আহূত কাগমারী সম্মেলনে ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে বিদায় জানিয়েছিলেন, 'আস্সালামু আলাইকুম' বলে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, যে ধারায় পাকিস্তান চলছে তাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পক্ষে দীর্ঘদিন সে রাষ্ট্রের অখণ্ডতা ও সংহতি রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তা ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বিরোধ দেখা দিলে এবং শেষ পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মার্কিন নেতৃত্বাধীন 'সেন্টো' ও 'সিয়াটো' প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিলে মওলানা ভাসানী তাঁর গড়া আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে প্রগতিশীল বামধারার 'ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি' গঠন করেন। পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দীর টিকে থাকা সম্ভব হয়নি। তবে ১৯৬৫ সালে সংঘটিত ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় গণচীনের অনুকূল পররাষ্ট্রনীতির কারণে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানকে ভাসানী কিছুটা সমর্থন দিলেও পরে তিনি তাঁর সে সাময়িক অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ান। আইয়ুব সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কিছু পূর্ব পাকিস্তানির বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁর (আইয়ুব খান) স্বৈরশাসনের অবসানের জন্য গণ-আন্দোলন গড়ে তোলেন মওলানা ভাসানী। ছাত্র-জনতার ব্যাপক সমর্থন ও তাঁর আপসহীন আন্দোলনের ফলে পতন ঘটে পাকিস্তানের স্বৈরশাসক লৌহমানব ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের। এরই মধ্যে দেশে (পূর্ব পাকিস্তান) দেখা দেয় চরম খাদ্যাভাব। এর আগে ঘূর্ণিঝড়ে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মারা যায় লাখ লাখ মানুষ। খাদ্যের দাবিতে ভাসানী অনশন ধর্মঘট শুরু করেছিলেন। এ অবস্থায়ই ১৯৭০ সালে নির্বাচন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহসহ বিভিন্ন দাবিতে মওলানা ভাসানী নির্বাচন বর্জন করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সে নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। তখন পূর্ব পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে শুরু হয় আবার এক নতুন ষড়যন্ত্র। বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা দেওয়ার প্রশ্নে শুরু হয়েছিল নানা টালবাহানা। ভাসানী বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলেন এর পরিণতির কথা। সে কারণেই তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বহু আগেই পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার কথা বহু সভায় বহুভাবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু একটি সংসদীয় রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন রণনীতি ও রণকৌশল অনুযায়ী।
পাকিস্তান ও পরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'হুজুর' নামে পরিচিত কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের নেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী একজন পরম ধার্মিক ব্যক্তি হয়েও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে ১৯৭৬ সালে ৯৬ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিল তাঁর রাজনীতির অনেক ঊধর্ে্ব পিতা-পুত্রের মতো সম্পর্ক। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে ভাসানী গঠিত রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা তাঁর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য সংগ্রাম করেছেন। সামন্তবাদ কিংবা উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ কিংবা আধিপত্যবাদ- সব ধরনের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন বাংলাদেশের গণমণ্ডলের এ অলৌকিক পুরুষ। দেশের গণমুখী বিভিন্ন ধারার সংগঠনের নেতা-কর্মীর কাছে তিনি ছিলেন মহীরুহের মতো। একটি উন্নয়নকামী দরিদ্র দেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যে ধরনের আপসহীন, সৎ ও প্রজ্ঞাবান নেতা প্রয়োজন, মওলানা ভাসানী ছিলেন তার প্রকৃত উদাহরণ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দরিদ্র, শোষিত, বঞ্চিত ও অধিকারহারা মানুষকে টেনে তোলার লক্ষ্যে নিবেদিত ছিল তাঁর সারা জীবনের রাজনীতি। মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই তাঁকে জীবনের প্রায় অর্ধেক সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে। তিনি রাজনীতি করেও কখনো দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রীর পদ অথবা ক্ষমতার জন্য লালায়িত ছিলেন না। আমাদের জাতীয় জীবনে এ নির্লোভ, স্বার্থহীন ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষটি ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো। তিনি তাঁর নীতি ও আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। তাঁর জীবনে সম্পদ কিংবা বাড়ি-গাড়ির কোনো চাহিদা ছিল না। আমাদের রাজনীতিকরা যদি তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পথ চলতে পারতেন, জাতি হিসেবে আমরা তাহলে অনেক এগিয়ে যেতে পারতাম। ভাসানীর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা যেন তাঁকে স্মরণ করি। আমরা যেন তাঁকে ভুলে না যাই।
লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 17
(68)
- শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপ
- আব্বাসকে সরিয়ে দেবে ইসরায়েল!
- সিপিসির সম্মেলন শেষ- চীনের নেতৃত্বে আসছেন শি জিনপিং
- মুঠোফোনে শিক্ষা নিচ্ছেন আফগান নারীরা
- ‘ব্যাঘ্র মানবের’ আত্মহত্যা
- চুরি ঠেকাতে ট্রান্সফরমারে তালা
- ‘সিডর’ সঞ্চরণে মৃত মানুষের অভিনয়
- প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা
- অতিমাত্রার লবণাক্ততায় কৃষিতে বিরূপ প্রভাব- উপকূলে ...
- জামায়াত-শিবিরের ১৯০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র by রে...
- সংসদে ফেরা নিয়ে দুই মত বিএনপিতে
- যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে হাসিনা-বাড়াবাড়ি হলে প্রয়োজনে শর...
- ড্র খুবই সম্ভব, এমনকি জয়ও by সাইদুজ্জামান
- টাঙ্গাইল-৩ উপনির্বাচন-আ. লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে...
- জুয়েল মোল্লা বললেন-একটু ঝামেলার কারণে ফোন ধরা হয়নি...
- পরাগ অপহরণ-তিন আসামির স্বীকারোক্তি-এখনো তদন্তবিভ্র...
- রোহিঙ্গা : ওবামা চাপ দেবেন মিয়ানমারকে
- নিজেকে ‘অংশত’ ভারতীয় মনে করেন সু চি
- বিপিকে ৪৫০ কোটি ডলার জরিমানা
- পার্লামেন্ট অকার্যকর হয়ে গেছে: রেহমান মালিক
- এএফপির বিশ্লেষণ- প্রচারমাধ্যমের ওপর আরও খড়্গহস্ত ...
- মাটির নিচে কোটি টন তামা, ভাগ্য ফিরবে আফগানদের?
- আসাদবিরোধীদের যোগ্য বললেন হেগ
- সড়ক থেকে বিদ্যুতের খুঁটি ১১ বছরেও সরানো হয়নি
- কামারখন্দে মাঠ বেদখল খেলাধুলা বন্ধ
- পলান সরকারের জন্য রাজ্জাকের উপহার
- সাত বছরেও শেষ হয়নি বিচারকাজ
- কংগ্রেসের নির্বাচন সমন্বয় কমিটির প্রধান রাহুল
- সার্বদের বিরুদ্ধে নাশকতা-ক্রোয়েশীয় দুই জেনারেল খালাস
- ৪৫০ কোটি ডলার জরিমানা দিতে রাজি হয়েছে বিপি
- কারজাইয়ের ঘুম কেড়ে নিয়েছে মালালা
- বিএনপি সংসদে যাওয়ার কথা বিবেচনা করছে: মওদুদ
- সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের সমাবেশে মেনন-...
- বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ- মওলানা ভাসানীর ৩৬তম মৃত্যু...
- প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি- প্রয়োজনে শরিয়া আইনে ব্যব...
- স্যান্ডি-দুর্গতদের সাহায্যের আশ্বাস ওবামার
- শুনানিতে পেট্রায়াস-বেনগাজি-সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হয়নি
- বিবিসির সঙ্গে নিষ্পত্তি ম্যাকআলপাইনের
- পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া- ‘অতীত’ নয়, ১৯৭১ অস্তিত্বে...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি- মওলানা ভাসানীর জীবনের দিশা by খোরশ...
- বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ হোক- নাগরিক ও মানবাধিকার
- বাংলাদেশের উদ্বেগ অগ্রাহ্য করা যাবে না রোহিঙ্গা সম...
- স্মরণ- ভাষাসৈনিক অজিতকুমার গুহ by এ হাসান ইমাম মজু...
- যে খবর নাড়া দেয়- আপনিও হতে পারেন শিরোনাম
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- টাঙ্গাইল-৩ উপনির্বাচন- বিদ্রোহী প্রার্থীকে আ.লীগ থ...
- বাজারদর- শীতের সবজির সরবরাহ ভালো, দাম কমছে না
- করাচি ও কোয়েটায় সহিংসতায় নিহত ৪১
- জাপানের পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন প্রধানমন্ত্রী, নির্...
- সুভাষ দত্তের মহাপ্রয়াণ-জাতি তাঁকে যুগ যুগ স্মরণ করবে
- সংঘাতের রাজনীতি-সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হোক
- পবিত্র কোরআনের আলো-সুরা হুদের অবতারণা, সারসংক্ষেপ ...
- রাহুল সতর্ক, সাবধানী সোনিয়া by অমিত বসু
- কালের পুরাণ- খালেদা জিয়া পারবেন কি? by সোহরাব হ...
- মাতৃভূমিকে ভুলতে পারি না, তাই প্রথম আলো পড়ি by প...
- রেজওয়ানুলকে অভিযুক্ত করলেন গ্র্যান্ড জুরি- বাবাকে ...
- শেষ দিনে রোমাঞ্চের আবাহন by উৎপল শুভ্র
- চলছে অবৈধ ভিওআইপি- ১২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ তিন ...
- জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির প্রত্যাশা by সিরাজুল ইস...
- রাজনীতি-বিএনপি জোটের রাজনৈতিক হারাকিরি? by এম আবদু...
- সুভাষ দত্তের প্রস্থান-অভিমান না অভিনয় by ফরিদুর রে...
- ডাক দেয় হিজল-করচ by শেখ রোকন
- অবিস্মরণীয় নেতা মওলানা ভাসানী by ফকির আলমগীর
- নতুন নেতৃত্ব-আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা জোর...
- হৃদয়নন্দন বনে-আগামী প্রজন্মকে সৎ চিন্তায় দীক্ষিত ক...
- সমাজ নয় সমাজপতির সম্পত্তি-মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার...
- মানবাধিকার পরিস্থিতি-সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ জরুরি
- ভাসানী ছিলেন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অন্যতম প্রধান ...
-
▼
Nov 17
(68)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment