Saturday, February 2, 2013
গণআদালত থেকে ট্রাইব্যুনাল সর্বাধিনায়ক শেখ হাসিনা by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
গণআদালত থেকে ট্রাইব্যুনাল সর্বাধিনায়ক শেখ হাসিনা by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ এখন যে কাল অতিক্রম করছে
ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে তা ‘উত্তরণের’ কাল। সামনে নির্বাচন, ‘আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে’ ঘাড় মোটা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে;
তাদের একজন বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির দ-াদেশ দেয়া হয়েছেÑঅর্থাৎ শেষ
নিঃশ্বাস পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হবেÑআইনের ভাষায় “ঃড় নব
যধহমবফ নু ঃযব হবপশ ঃরষষ যব রং ফবধফ.” তবে এই নরপশু এখন পলাতক। রায়ে বলা
হয়েছে, সে যখনই গ্রেফতার হবে তখনই তার ফাঁসির দ- কার্যকর করা হবে।
এ রায়ের মাধ্যমে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেল যে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে পাকি-মিলিটারি জান্তা বর্বর মানবতাবিরোধী অর্থাৎ হত্যা, গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার যে-যে যুদ্ধাপরাধ করেছে, তখন তাদের সহযোগী ছিল জামায়াত-ছাত্রসংঘ (ছাত্রশিবির)। জামায়াত-ছাত্রসংঘ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবেই পাকি-মিলিটারিদের দোসর হয়েছিল। যেমন ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়েছেÑ
“The then Pakistan Government and the Military setup a number of auxiliary forces such as Rajakers, Al-Budr, Al-Shams and Peace Committee. These forces were formed to collaborate with the Pakistani Military in identifying and eliminating all those who sympathies with the liberation of Bangladesh, individuals belonging to minority religions groups, especially the Hindus, Political groups belonging to the Awami league and other pro-liberation political parties, Bengalee intellectuals and innocent civilians. “People of the then rest Pakistan whole heartedly supported the war and participated in the call to free Bangladesh.
“But a small number of Bengalees, Biharis, other Pro-Pakistani, as well as member of different religion based political parties, Particularly Jamaat and its student wing Islami Chhatra Sangha (ICS) (Present Islami Chhatra Shibir (ICS) joined and/or collaborated with the Pakistani Military to actively oppose the creation of independent Bangladesh.
“And most of them committed and facilitated the commission of atrocities. “As a result, three million people were killed, near about a quarter million women raped, about 10 million people forced to flee to India and million others internally displaced.
“Susan Brownmiller, a as feminists, Journalist and author who conducted a detailed study, has estimated the number of raped women at over 400000 (four lac).”
রায়ের এ অংশটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে হুবহু ইংরেজিটি তুলে ধরলাম এজন্য যে, এর মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরকে আবারও নিষিদ্ধ করতে আর কোন বাধা থাকবে না। অংশটির সংক্ষিপ্ত বাংলা করলে দাঁড়াবে তখনকার পাকিস্তান ও পাকি-মিলিটারি জান্তা তাদের বর্বরতা চালানোর জন্য বেশকিছু সহযোগী বাহিনী যেমন রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং শান্তি কমিটি গঠন করে। এসব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যক্তি, গ্রুপ, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়, রাজনৈতিক দল যেমন আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি, বাঙালী বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চিহ্নিত করে নিশ্চিহ্ন করার কাজে তাদের সক্রিয় সহযোগিতা করে। তখনকার পূর্ব পাকিস্তান পুরোপুরি মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করলেও কেবল ওইসব পাকিস্তানপন্থী কিছু বাঙালী, বিহারি এবং জামায়াত ইসলামী ছাত্রসংঘ (এখন ছাত্রশিবির)সহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বিরোধিতা করে। তাদের বেশিরভাগই পাকিদের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিল বা নিজেরাও অংশ নেয়। ফলে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয় এবং আড়াই লক্ষাধিক নারী ধর্ষিত ও শহীদ হয়। প্রায় এক কোটি মানুষ নিরাপত্তার জন্য ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। দেশের অভ্যন্তরেও বহু মানুষ নিজ বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। সুসান ব্রাউনমিলার আমেরিকার এক নারী অধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও লেখক দীর্ঘদিন গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, ধর্ষিতা মা-বোনের সংখ্যা ৪০০০০০ (চার লাখ)-এর বেশি।
এই প্যারার প্রথমে আমি জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার জন্য ‘আবারও’ শব্দটি এজন্য ব্যবহার করেছি যে, স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার শুরু করেন। তখন ৪০ হাজারের মতো গ্রেফতার হয়, এর মধ্যে ১১ হাজারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয় এবং তাদের মধ্যে ৬ শতাধিক অপরাধীর ফাঁসি, যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। সাতক্ষীরার চিকন আলী নামে এক যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয়। তখন জাসদের মুখপত্র ‘দৈনিক গণকণ্ঠ’ পত্রিকায় হেড লাইন হয়েছিল: “চিকন আলীদের ফাঁসি হয়, মোটা আলীরা বেঁচে যায়”। ঘাড় মোটা রাজাকারগুলোর বিচার তখনও শেষ হয়নি বা গোলাম আযমসহ অনেকে বিদেশে পলাতক ছিল।
কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য, মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যা এবং মিলিটারি জিয়া ক্ষমতায় এসে দালাল আইন তুলে দিয়ে সব যুদ্ধাপরাধীকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু তখন জামায়াত-শিবিরসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। জিয়া সেই নিষেধাজ্ঞাও তুলে দেয় এবং পাকিস্তানে পলাতক গোলাম আযমকে দেশে ফিরে জামায়াতকে সংগঠিত করার সুযোগ করে দেয়। এরই বিরুদ্ধে বাঙালী জাতি, বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠী বিগত ২০০৮-এর ডিসেম্বরের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে চার-পঞ্চামাংশ আসন উপহার দেয়Ñ অনেক লক্ষ্যের মধ্যে অন্যতম প্রদান লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী ইশতেহার ও ওয়াদা অনুযায়ী ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করে রাজাকার, আলবদরদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেন এবং বিচারকার্য শুরু করেন।
এই দিক বিচারে বাঙালীর দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালীর হাজার বছরের স্বপ্নসাধ যাপন/স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সর্বাধিনায়ক যেমন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তেমনি এ সময়ে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর সাহসী লড়াইয়ের সর্বাধিনায়ক হলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা।
অবশ্য কেবল বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হলো। একইভাবে ওই ফাঁসির দড়িতে বাঁধা আছে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, মুজাহিদ, সাকা চৌধুরী, সাঈদী, আবদুল কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, মীর কাশেম আলী, আব্দুল আলিমসহ ঘাড় মোটা জালিমরা। এদের বেশির ভাগের বিচার প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং আগামী ৬/৭ মাসের মধ্যে রায় ঘোষণা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
॥ দুই ॥
বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির দ-াদেশে গোটা বাংলাদেশ আনন্দে ভাসছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে শহর-বন্দর-গ্রাম সর্বত্র মানুষ মিছিল করে, মানববন্ধন করে, মিষ্টি খাওয়া-খাওয়ি করে আনন্দ করছে। মানুষের প্রত্যয় ঘোষণাÑ আর কোন অপশক্তিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য বন্ধ করতে দেয়া হবে না।
মানুষ তো আনন্দ করছে, কিন্তু আমাদের বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একবারেই মুখ খুলছেন না। তার মন খুব খারাপ। অধিক শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন। হবেন নাইবা কেন, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের দায়ে পুত্রদ্বয় দেশান্তরী, লন্ডন-মালয়েশিয়ায় বিলাসী জীবন যাপন করলেও দেশে তো আসতে পারছেন না। ক্যান্টনমেন্টের বাড়িটাও গেল; অন্যদিকে শেখ হাসিনা যেভাবে মানুষের আয় বাড়িয়ে ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থনীতি উপহার দিলেন; হাতিরঝিল, এয়ারপোর্ট থেকে হাত-পা ছড়ানো বিভিন্নমুখী ফ্লাইওভার, যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদের অসহনীয় যানজট নিচে ফেলে উড়ে যাবার দীর্ঘপথÑ আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এগুলো উদ্বোধনের পর কেবল যানজটই প্রশমন হবে না, এক দৃষ্টিনন্দন ঢাকা গড়ে উঠবে। তাছাড়া ৪+২=৬ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে থাকতে তিনি হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে খড়কুটো ধরে বাঁচার মতো জামায়াত-শিবির রাজাকার-আলবদরদের ওপর ভর করে আরেকটি বড় ধরনের ভুল করেছেন। জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা পুলিশের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে বা মানুষের গাড়ি-বাড়ি ভাংচুর করে বা অগ্নিসংযোগ করে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে তার দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার যে অঙ্ক এতদিন কষছিলেন, তাও এখন আর মিলছে না। বাচ্চু রাজাকার সব গোলমাল করে দিল। সর্বশেষ ক্ষীণ আশা কুহকিনী হলো পদ্মা সেতুÑ বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করলে শুরু করা যাবে নাÑ অন্তত আগামী নির্বাচনে এই ঢেঁড়াটা বাজাতে পারবেন। তাতেও জোর বাড়ি দিয়ে ফাটিয়ে দিলেন শেখ হাসিনা। বিশ্বব্যাংককে জানুয়ারির মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ যা হয় বলার আলটিমেটাম দিয়েছেন। বলেছেন, নয়তো সরকার অন্য ব্যবস্থায় কাজ শুরু করে দেবে। অর্থাৎ এই ট্রামকার্ডটাও গেল। খাদ্য এবং বিদ্যুত সহনীয় অবস্থায়। সরকারের বিরুদ্ধে বলার প্রায় সব পয়েন্ট হাতছাড়া হয়ে গেল।
হাতে রইল শুধু সংসদ। বলবেন সংসদে তাদের কথা বলতে দেওয়া হয় না। এটা যে মিথ্যা জনগণ জানে। তারা টেলিভিশনের মাধ্যমে দেখছে, খালেদা জিয়া সদস্যপদ বাঁচানোর জন্য একদিন সংসদে গিয়ে টানা ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট বক্তৃতা করেছেন। বরং জনগণই উল্টা প্রশ্ন করবেন আপনারা ভোট নেন সংসদে যান না, সংসদে গিয়ে এলাকার উন্নয়ন এবং জনগণের অভাব-অভিযোগ তুলে ধরেন না। রাজপথে সরকারকে গালাগাল করেন, গাড়ি ভাংচুর করেন। পুলিশের ওপর হামলা চালান এবং যে দাবিতে এসব করেন তাও সংসদে গিয়ে তুলে ধরেন না, তো আপনারা ভোট নিয়ে কি করবেন?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাইরে থাকতে তবু হাছামিছা বলে একটু গরম করে রাখতেনÑ কুচ কুচ অনুভূত হন। তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলে মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তরিকুল ইসলামকে। মওদুদ-মোশাররফ-আনোয়ার-নজরুলরা থাকতে তাকে কোন যোগ্যতায় মুখপাত্র করা হলো কিছুতেই বোধগম্য হচ্ছিল না। তবে তার চোখ বন্ধ করে জিহ্বা জড়ানো কথাবার্তার অনেকটাই বোঝা যায় না; এ থেকে পরিষ্কার হয়ে গেল তরিক মিয়ার যোগ্যতা হলো তার মুখে প্রায় সারাক্ষণই ‘পাত্র’ থাকে। তাই মুখ+পাত্র=মুখপাত্র। এই মুখ+পাত্র=মুখপাত্র যখন বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী বিচারের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা-পরবর্তী ৪০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী হত্যারও বিচার করতে হবে ?’Ñ মিলল কথাটা? প্রথমত স্বাধীনতার পর ৪০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী হত্যার তথ্য তিনি কোথায় পেলেন? নাকি তারা বাম রাজনীতির নামে তখন যেসব মানুষ হত্যা করেছেন তাদের গুনেছেন? তাতেও ৪০ হাজার হবে নাÑ ৪ হাজার হবে কিনা সন্দেহ। তাছাড়া একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে পাকি-সহযোগী হিসেবে হত্যা, গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মানুষকে বাড়িছাড়া করা এসব অপরাধের সাথে অন্য কোন অপরাধ মেলানো যাবে কি? একাত্তরের অপরাধ হলো একটি জাতিকে হত্যার মতো, রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলে আঘাত করার মতো।
অবশ্য বেচারাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। তার ম্যাডামই তো বছরখানেক আগে সিলেটে জনসভায় বলেছেন, গোলাম আযম-নিজামী গং যুদ্ধাপরাধী নয়। এর পর থেকেই দেখা গেছে খালেদা জিয়ার সভা-সমাবেশের সামনের অঞ্চল থাকে জামায়াত-শিবিরের দখলে, তাদের হাতে থাকে গোলাম আযমসহ যুদ্ধাপরাধী ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড-ব্যানার-ফেস্টুন। তারা সেøাগান দেয় ট্রাইব্যুনাল ভাঙ্গার, সেøাগান দেয় ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়া থেকে বিচারাধীন যুদ্ধাপরাধীদের ছিনিয়ে নেয়ার। কাজেই খালেদা জিয়া মুখ খুলবেন না এটাই স্বাভাবিক এবং তিনি এখন জামায়াত-শিবিরেরই চেয়ারপারসন।
॥ তিন ॥
জামায়াতের অর্থভা-ার আর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লবিস্ট নিয়োগ করে কিছুটা ফল হয়েছে। কিছু দেশ বিভ্রান্তি ছড়াবার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি বৃহস্পতিবার মহাজোটের আনন্দ মানববন্ধন উদ্বোধনকালে বলেছেন, বিবিসিসহ কিছু মিডিয়া বাচ্চু রাজাকারকে ‘ধর্মযাজক’ বলার চেষ্টা করছেন, যা মোটেই সত্য নয়। বাচ্চু রাজাকারের ভাল নাম আবুল কালাম আযাদ, মুক্তিযুদ্ধকালে বাচ্চু রাজাকার নামে ফরিদপুর অঞ্চলে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে। এ জন্যই তার বিচার হয়েছে। একে একে অন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ও অচিরেই হবে। কেউ কেউ বলছেন, তারা মৃত্যুদ- সমর্থন করেন না। আমি প্রশ্ন করি, ইরাকের সাদ্দাম হোসনকে যখন নৃশংসভাবে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তখন তারা কোথায় ছিলেন? বরং তখন তারাও ইরাকে মিলিটারি পাঠিয়ে আমেরিকার নীলনকশা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে।
আমরা বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ের দিকে তাকালে দেখতে পাব? এই পাষ- ১৪ জন হিন্দুকে হত্যা, দু’জন মহিলাকে ধর্ষণ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে। যে কারণে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, “We should not forget the millions of victims who deserve that their tormentors are held accountable”.অর্থাৎ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বাভাবিকভাবে আশা করে তাদের ওপর নির্যাতনকারীদের গলায় দড়ি পড়বে এবং শাস্তি ভোগ করবে।
॥ চার ॥
বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির দ- এক শ্রেণীর গলাজীবীর মুখে চপেটাঘাত করেছে। এরা আবার মধ্যরাতের গলাজীবী, বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত। এদের কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার, কেউ সবজান্তা সাংবাদিকÑতাদেরকে বুদ্ধিজীবী না বলে উপায় আছে?
এবার তারা কি বলবেন? নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলবেন বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে। বলবেন সরকার চাপ দিয়ে এসব করাচ্ছে। দেশব্যাপী যখন দাবি উঠছে বিচার ত্বরান্বিত করার তখন এই জ্ঞানপাপীরা বলতে শুরু করেন এটা বিচারকার্যে নগ্ন হস্তক্ষেপ। বস্তুত তাদের এসব কথাবার্তা সবই হচ্ছে বিচারকার্য বন্ধ করার শয়তানি। জামায়াতী এজেন্ডা বাস্তবায়ন। বস্তুত একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এদের জীবনে-মননে চরম গ্লানি এনে দিয়েছে। এরা যেমন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারেনি মানসিক দৈন্যের কারণে অথবা ‘পাকিস্তানী দিল’-এর কারণে; কিন্তু দেশ তো স্বাধীন এবং শত্রুমুক্ত হবার পর মনে হলো ভুল করেছে। কিন্তু এখন তো আর সময় নেই। আর তাই যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের দলেও ভিড়তে পারছেন না আবার কিছুটা আধুনিক শিক্ষা থাকার কারণে রাজাকারদের দলেও ভিড়তে পারছেন না। তাই বুদ্ধিজীবী সেজেছেন। এদের কেউ কেউ এক সময় ভাসানী ন্যাপ বা ছাত্র সংগঠন, ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। একটা অংশ মুক্তিযুদ্ধেও গেছে। তাদের মধ্যে রাশেদ খান মেনন বা রনোদের বাদ দিয়ে বাকিরা যেভাবে মিলিটারি জিয়ার মঞ্চে উঠলেন তাতে করে তাদের চরিত্রের কুমারিত্ব তখনই চলে যায়। আর যার কুমারিত্ব থাকে না সে যে কোন জায়গায় ভাড়া খাটতে পারে। ড. আসফ, ড. পেঁয়াজ করিম, মাহফুজরা তা-ই করছেন।
মধ্যরাতের এক শ্রেণীর গলাজীবী প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগ তো আগেও ক্ষমতায় ছিল তখন কেন বিচার করেনি? তারা জেনেশুনেই এই মিথ্যা অভিযোগটা উত্থাপন করছেন। অথবা ইচ্ছা করেই ভুলে যাবার ভান করছেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কিভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন বা কেন জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেন তার বিবরণ আগেই দিয়েছি।
দ্বিতীয়ত বঙ্গবন্ধু সরকার একাত্তরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এবং পাকি-মিলিটারিদের সহযোগী হিসেবে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকায় জামায়াত-ছাত্রসংঘ (ছাত্রশিবির)সহ সকল ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেছিলেন এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমির গোলাম আযমসহ প্রায় ৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেন। এই গোলাম আযমসহ অনেকে সেদিন আজকের বাচ্চু রাজাকারের মতো পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সবুর খান, ফকা চৌধুরীর মতো ঘাড়মোটা রাজাকারদের কারাগারে পাঠানো হয়। কারণ এরা কেবল ৩০ লাখ শহীদ ও ৪ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের ও তাদের পরিবারের গ্লানির জন্যই দায়ী নয়। এই দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশের আত্মাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, রাষ্ট্রের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল।
এসব কথা জেনেও এই জ্ঞানপাপীরা প্রশ্ন তোলেন। এরা এও ভাল করে জানেন যে, জাতির জনককে হত্যার পর মিলিটারি জিয়াই ক্ষমতা দখল করে দালাল আইন বাতিল করে সব যুদ্ধাপরাধীকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেন এবং একই সঙ্গে জামায়াত-শিবিরকে আবারও রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। দুর্বৃত্ত গোলাম আযমকে দেশে নিয়ে আসেন। আর খালেদা জিয়া নিজামী-মুজাহিদ (বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী আলবদর) এর গাড়িতে শহীদের রক্তরাঙ্গা পতাকা তুলে দেন। এরপরও কি বলা যাবে জিয়া মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বা খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন?
তৃতীয়ত কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালেও ক্ষমতায় এসেছিল। তখন কেন বিচার করেননি? জ্ঞানপাপীরা জেনে-শুনেও এ অবান্তর প্রশ্নটি করেন। তারাও ভাল করেই জানেন সে বার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অঙ্গীকার ছিল না এবং আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতাও ছিল না। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং আ স ম আবদুর রবকে ধার করে মন্ত্রী বানিয়ে তবেই সরকার গঠন করেছিলেন। আসন সংখ্যার দিক থেকে সে বার দুর্বল সরকার পরিচালনা করেছেন এবং বলা যায় ওই দুর্বল সরকার দিয়েও সুশাসন বা Good Governmence দিতে পেরেছিলেন, যা নজিরবিহীন।
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩
লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
এ রায়ের মাধ্যমে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেল যে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে পাকি-মিলিটারি জান্তা বর্বর মানবতাবিরোধী অর্থাৎ হত্যা, গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার যে-যে যুদ্ধাপরাধ করেছে, তখন তাদের সহযোগী ছিল জামায়াত-ছাত্রসংঘ (ছাত্রশিবির)। জামায়াত-ছাত্রসংঘ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবেই পাকি-মিলিটারিদের দোসর হয়েছিল। যেমন ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়েছেÑ
“The then Pakistan Government and the Military setup a number of auxiliary forces such as Rajakers, Al-Budr, Al-Shams and Peace Committee. These forces were formed to collaborate with the Pakistani Military in identifying and eliminating all those who sympathies with the liberation of Bangladesh, individuals belonging to minority religions groups, especially the Hindus, Political groups belonging to the Awami league and other pro-liberation political parties, Bengalee intellectuals and innocent civilians. “People of the then rest Pakistan whole heartedly supported the war and participated in the call to free Bangladesh.
“But a small number of Bengalees, Biharis, other Pro-Pakistani, as well as member of different religion based political parties, Particularly Jamaat and its student wing Islami Chhatra Sangha (ICS) (Present Islami Chhatra Shibir (ICS) joined and/or collaborated with the Pakistani Military to actively oppose the creation of independent Bangladesh.
“And most of them committed and facilitated the commission of atrocities. “As a result, three million people were killed, near about a quarter million women raped, about 10 million people forced to flee to India and million others internally displaced.
“Susan Brownmiller, a as feminists, Journalist and author who conducted a detailed study, has estimated the number of raped women at over 400000 (four lac).”
রায়ের এ অংশটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে হুবহু ইংরেজিটি তুলে ধরলাম এজন্য যে, এর মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরকে আবারও নিষিদ্ধ করতে আর কোন বাধা থাকবে না। অংশটির সংক্ষিপ্ত বাংলা করলে দাঁড়াবে তখনকার পাকিস্তান ও পাকি-মিলিটারি জান্তা তাদের বর্বরতা চালানোর জন্য বেশকিছু সহযোগী বাহিনী যেমন রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং শান্তি কমিটি গঠন করে। এসব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্যক্তি, গ্রুপ, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়, রাজনৈতিক দল যেমন আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি, বাঙালী বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চিহ্নিত করে নিশ্চিহ্ন করার কাজে তাদের সক্রিয় সহযোগিতা করে। তখনকার পূর্ব পাকিস্তান পুরোপুরি মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করলেও কেবল ওইসব পাকিস্তানপন্থী কিছু বাঙালী, বিহারি এবং জামায়াত ইসলামী ছাত্রসংঘ (এখন ছাত্রশিবির)সহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বিরোধিতা করে। তাদের বেশিরভাগই পাকিদের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিল বা নিজেরাও অংশ নেয়। ফলে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয় এবং আড়াই লক্ষাধিক নারী ধর্ষিত ও শহীদ হয়। প্রায় এক কোটি মানুষ নিরাপত্তার জন্য ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। দেশের অভ্যন্তরেও বহু মানুষ নিজ বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। সুসান ব্রাউনমিলার আমেরিকার এক নারী অধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও লেখক দীর্ঘদিন গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, ধর্ষিতা মা-বোনের সংখ্যা ৪০০০০০ (চার লাখ)-এর বেশি।
এই প্যারার প্রথমে আমি জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার জন্য ‘আবারও’ শব্দটি এজন্য ব্যবহার করেছি যে, স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার শুরু করেন। তখন ৪০ হাজারের মতো গ্রেফতার হয়, এর মধ্যে ১১ হাজারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয় এবং তাদের মধ্যে ৬ শতাধিক অপরাধীর ফাঁসি, যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। সাতক্ষীরার চিকন আলী নামে এক যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয়। তখন জাসদের মুখপত্র ‘দৈনিক গণকণ্ঠ’ পত্রিকায় হেড লাইন হয়েছিল: “চিকন আলীদের ফাঁসি হয়, মোটা আলীরা বেঁচে যায়”। ঘাড় মোটা রাজাকারগুলোর বিচার তখনও শেষ হয়নি বা গোলাম আযমসহ অনেকে বিদেশে পলাতক ছিল।
কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য, মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যা এবং মিলিটারি জিয়া ক্ষমতায় এসে দালাল আইন তুলে দিয়ে সব যুদ্ধাপরাধীকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু তখন জামায়াত-শিবিরসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। জিয়া সেই নিষেধাজ্ঞাও তুলে দেয় এবং পাকিস্তানে পলাতক গোলাম আযমকে দেশে ফিরে জামায়াতকে সংগঠিত করার সুযোগ করে দেয়। এরই বিরুদ্ধে বাঙালী জাতি, বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠী বিগত ২০০৮-এর ডিসেম্বরের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে চার-পঞ্চামাংশ আসন উপহার দেয়Ñ অনেক লক্ষ্যের মধ্যে অন্যতম প্রদান লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী ইশতেহার ও ওয়াদা অনুযায়ী ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করে রাজাকার, আলবদরদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেন এবং বিচারকার্য শুরু করেন।
এই দিক বিচারে বাঙালীর দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালীর হাজার বছরের স্বপ্নসাধ যাপন/স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সর্বাধিনায়ক যেমন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তেমনি এ সময়ে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর সাহসী লড়াইয়ের সর্বাধিনায়ক হলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা।
অবশ্য কেবল বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হলো। একইভাবে ওই ফাঁসির দড়িতে বাঁধা আছে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, মুজাহিদ, সাকা চৌধুরী, সাঈদী, আবদুল কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, মীর কাশেম আলী, আব্দুল আলিমসহ ঘাড় মোটা জালিমরা। এদের বেশির ভাগের বিচার প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং আগামী ৬/৭ মাসের মধ্যে রায় ঘোষণা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
॥ দুই ॥
বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির দ-াদেশে গোটা বাংলাদেশ আনন্দে ভাসছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে শহর-বন্দর-গ্রাম সর্বত্র মানুষ মিছিল করে, মানববন্ধন করে, মিষ্টি খাওয়া-খাওয়ি করে আনন্দ করছে। মানুষের প্রত্যয় ঘোষণাÑ আর কোন অপশক্তিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য বন্ধ করতে দেয়া হবে না।
মানুষ তো আনন্দ করছে, কিন্তু আমাদের বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একবারেই মুখ খুলছেন না। তার মন খুব খারাপ। অধিক শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন। হবেন নাইবা কেন, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের দায়ে পুত্রদ্বয় দেশান্তরী, লন্ডন-মালয়েশিয়ায় বিলাসী জীবন যাপন করলেও দেশে তো আসতে পারছেন না। ক্যান্টনমেন্টের বাড়িটাও গেল; অন্যদিকে শেখ হাসিনা যেভাবে মানুষের আয় বাড়িয়ে ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থনীতি উপহার দিলেন; হাতিরঝিল, এয়ারপোর্ট থেকে হাত-পা ছড়ানো বিভিন্নমুখী ফ্লাইওভার, যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদের অসহনীয় যানজট নিচে ফেলে উড়ে যাবার দীর্ঘপথÑ আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এগুলো উদ্বোধনের পর কেবল যানজটই প্রশমন হবে না, এক দৃষ্টিনন্দন ঢাকা গড়ে উঠবে। তাছাড়া ৪+২=৬ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে থাকতে তিনি হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে খড়কুটো ধরে বাঁচার মতো জামায়াত-শিবির রাজাকার-আলবদরদের ওপর ভর করে আরেকটি বড় ধরনের ভুল করেছেন। জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা পুলিশের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে বা মানুষের গাড়ি-বাড়ি ভাংচুর করে বা অগ্নিসংযোগ করে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে তার দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার যে অঙ্ক এতদিন কষছিলেন, তাও এখন আর মিলছে না। বাচ্চু রাজাকার সব গোলমাল করে দিল। সর্বশেষ ক্ষীণ আশা কুহকিনী হলো পদ্মা সেতুÑ বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করলে শুরু করা যাবে নাÑ অন্তত আগামী নির্বাচনে এই ঢেঁড়াটা বাজাতে পারবেন। তাতেও জোর বাড়ি দিয়ে ফাটিয়ে দিলেন শেখ হাসিনা। বিশ্বব্যাংককে জানুয়ারির মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ যা হয় বলার আলটিমেটাম দিয়েছেন। বলেছেন, নয়তো সরকার অন্য ব্যবস্থায় কাজ শুরু করে দেবে। অর্থাৎ এই ট্রামকার্ডটাও গেল। খাদ্য এবং বিদ্যুত সহনীয় অবস্থায়। সরকারের বিরুদ্ধে বলার প্রায় সব পয়েন্ট হাতছাড়া হয়ে গেল।
হাতে রইল শুধু সংসদ। বলবেন সংসদে তাদের কথা বলতে দেওয়া হয় না। এটা যে মিথ্যা জনগণ জানে। তারা টেলিভিশনের মাধ্যমে দেখছে, খালেদা জিয়া সদস্যপদ বাঁচানোর জন্য একদিন সংসদে গিয়ে টানা ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট বক্তৃতা করেছেন। বরং জনগণই উল্টা প্রশ্ন করবেন আপনারা ভোট নেন সংসদে যান না, সংসদে গিয়ে এলাকার উন্নয়ন এবং জনগণের অভাব-অভিযোগ তুলে ধরেন না। রাজপথে সরকারকে গালাগাল করেন, গাড়ি ভাংচুর করেন। পুলিশের ওপর হামলা চালান এবং যে দাবিতে এসব করেন তাও সংসদে গিয়ে তুলে ধরেন না, তো আপনারা ভোট নিয়ে কি করবেন?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাইরে থাকতে তবু হাছামিছা বলে একটু গরম করে রাখতেনÑ কুচ কুচ অনুভূত হন। তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলে মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তরিকুল ইসলামকে। মওদুদ-মোশাররফ-আনোয়ার-নজরুলরা থাকতে তাকে কোন যোগ্যতায় মুখপাত্র করা হলো কিছুতেই বোধগম্য হচ্ছিল না। তবে তার চোখ বন্ধ করে জিহ্বা জড়ানো কথাবার্তার অনেকটাই বোঝা যায় না; এ থেকে পরিষ্কার হয়ে গেল তরিক মিয়ার যোগ্যতা হলো তার মুখে প্রায় সারাক্ষণই ‘পাত্র’ থাকে। তাই মুখ+পাত্র=মুখপাত্র। এই মুখ+পাত্র=মুখপাত্র যখন বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী বিচারের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা-পরবর্তী ৪০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী হত্যারও বিচার করতে হবে ?’Ñ মিলল কথাটা? প্রথমত স্বাধীনতার পর ৪০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী হত্যার তথ্য তিনি কোথায় পেলেন? নাকি তারা বাম রাজনীতির নামে তখন যেসব মানুষ হত্যা করেছেন তাদের গুনেছেন? তাতেও ৪০ হাজার হবে নাÑ ৪ হাজার হবে কিনা সন্দেহ। তাছাড়া একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে পাকি-সহযোগী হিসেবে হত্যা, গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, মানুষকে বাড়িছাড়া করা এসব অপরাধের সাথে অন্য কোন অপরাধ মেলানো যাবে কি? একাত্তরের অপরাধ হলো একটি জাতিকে হত্যার মতো, রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলে আঘাত করার মতো।
অবশ্য বেচারাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। তার ম্যাডামই তো বছরখানেক আগে সিলেটে জনসভায় বলেছেন, গোলাম আযম-নিজামী গং যুদ্ধাপরাধী নয়। এর পর থেকেই দেখা গেছে খালেদা জিয়ার সভা-সমাবেশের সামনের অঞ্চল থাকে জামায়াত-শিবিরের দখলে, তাদের হাতে থাকে গোলাম আযমসহ যুদ্ধাপরাধী ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড-ব্যানার-ফেস্টুন। তারা সেøাগান দেয় ট্রাইব্যুনাল ভাঙ্গার, সেøাগান দেয় ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়া থেকে বিচারাধীন যুদ্ধাপরাধীদের ছিনিয়ে নেয়ার। কাজেই খালেদা জিয়া মুখ খুলবেন না এটাই স্বাভাবিক এবং তিনি এখন জামায়াত-শিবিরেরই চেয়ারপারসন।
॥ তিন ॥
জামায়াতের অর্থভা-ার আর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লবিস্ট নিয়োগ করে কিছুটা ফল হয়েছে। কিছু দেশ বিভ্রান্তি ছড়াবার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি বৃহস্পতিবার মহাজোটের আনন্দ মানববন্ধন উদ্বোধনকালে বলেছেন, বিবিসিসহ কিছু মিডিয়া বাচ্চু রাজাকারকে ‘ধর্মযাজক’ বলার চেষ্টা করছেন, যা মোটেই সত্য নয়। বাচ্চু রাজাকারের ভাল নাম আবুল কালাম আযাদ, মুক্তিযুদ্ধকালে বাচ্চু রাজাকার নামে ফরিদপুর অঞ্চলে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে। এ জন্যই তার বিচার হয়েছে। একে একে অন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ও অচিরেই হবে। কেউ কেউ বলছেন, তারা মৃত্যুদ- সমর্থন করেন না। আমি প্রশ্ন করি, ইরাকের সাদ্দাম হোসনকে যখন নৃশংসভাবে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তখন তারা কোথায় ছিলেন? বরং তখন তারাও ইরাকে মিলিটারি পাঠিয়ে আমেরিকার নীলনকশা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে।
আমরা বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ের দিকে তাকালে দেখতে পাব? এই পাষ- ১৪ জন হিন্দুকে হত্যা, দু’জন মহিলাকে ধর্ষণ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে। যে কারণে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, “We should not forget the millions of victims who deserve that their tormentors are held accountable”.অর্থাৎ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বাভাবিকভাবে আশা করে তাদের ওপর নির্যাতনকারীদের গলায় দড়ি পড়বে এবং শাস্তি ভোগ করবে।
॥ চার ॥
বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির দ- এক শ্রেণীর গলাজীবীর মুখে চপেটাঘাত করেছে। এরা আবার মধ্যরাতের গলাজীবী, বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত। এদের কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার, কেউ সবজান্তা সাংবাদিকÑতাদেরকে বুদ্ধিজীবী না বলে উপায় আছে?
এবার তারা কি বলবেন? নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলবেন বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে। বলবেন সরকার চাপ দিয়ে এসব করাচ্ছে। দেশব্যাপী যখন দাবি উঠছে বিচার ত্বরান্বিত করার তখন এই জ্ঞানপাপীরা বলতে শুরু করেন এটা বিচারকার্যে নগ্ন হস্তক্ষেপ। বস্তুত তাদের এসব কথাবার্তা সবই হচ্ছে বিচারকার্য বন্ধ করার শয়তানি। জামায়াতী এজেন্ডা বাস্তবায়ন। বস্তুত একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এদের জীবনে-মননে চরম গ্লানি এনে দিয়েছে। এরা যেমন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারেনি মানসিক দৈন্যের কারণে অথবা ‘পাকিস্তানী দিল’-এর কারণে; কিন্তু দেশ তো স্বাধীন এবং শত্রুমুক্ত হবার পর মনে হলো ভুল করেছে। কিন্তু এখন তো আর সময় নেই। আর তাই যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের দলেও ভিড়তে পারছেন না আবার কিছুটা আধুনিক শিক্ষা থাকার কারণে রাজাকারদের দলেও ভিড়তে পারছেন না। তাই বুদ্ধিজীবী সেজেছেন। এদের কেউ কেউ এক সময় ভাসানী ন্যাপ বা ছাত্র সংগঠন, ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। একটা অংশ মুক্তিযুদ্ধেও গেছে। তাদের মধ্যে রাশেদ খান মেনন বা রনোদের বাদ দিয়ে বাকিরা যেভাবে মিলিটারি জিয়ার মঞ্চে উঠলেন তাতে করে তাদের চরিত্রের কুমারিত্ব তখনই চলে যায়। আর যার কুমারিত্ব থাকে না সে যে কোন জায়গায় ভাড়া খাটতে পারে। ড. আসফ, ড. পেঁয়াজ করিম, মাহফুজরা তা-ই করছেন।
মধ্যরাতের এক শ্রেণীর গলাজীবী প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগ তো আগেও ক্ষমতায় ছিল তখন কেন বিচার করেনি? তারা জেনেশুনেই এই মিথ্যা অভিযোগটা উত্থাপন করছেন। অথবা ইচ্ছা করেই ভুলে যাবার ভান করছেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কিভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেন বা কেন জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেন তার বিবরণ আগেই দিয়েছি।
দ্বিতীয়ত বঙ্গবন্ধু সরকার একাত্তরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এবং পাকি-মিলিটারিদের সহযোগী হিসেবে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকায় জামায়াত-ছাত্রসংঘ (ছাত্রশিবির)সহ সকল ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেছিলেন এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমির গোলাম আযমসহ প্রায় ৩০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেন। এই গোলাম আযমসহ অনেকে সেদিন আজকের বাচ্চু রাজাকারের মতো পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সবুর খান, ফকা চৌধুরীর মতো ঘাড়মোটা রাজাকারদের কারাগারে পাঠানো হয়। কারণ এরা কেবল ৩০ লাখ শহীদ ও ৪ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের ও তাদের পরিবারের গ্লানির জন্যই দায়ী নয়। এই দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশের আত্মাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, রাষ্ট্রের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল।
এসব কথা জেনেও এই জ্ঞানপাপীরা প্রশ্ন তোলেন। এরা এও ভাল করে জানেন যে, জাতির জনককে হত্যার পর মিলিটারি জিয়াই ক্ষমতা দখল করে দালাল আইন বাতিল করে সব যুদ্ধাপরাধীকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেন এবং একই সঙ্গে জামায়াত-শিবিরকে আবারও রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। দুর্বৃত্ত গোলাম আযমকে দেশে নিয়ে আসেন। আর খালেদা জিয়া নিজামী-মুজাহিদ (বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী আলবদর) এর গাড়িতে শহীদের রক্তরাঙ্গা পতাকা তুলে দেন। এরপরও কি বলা যাবে জিয়া মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বা খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন?
তৃতীয়ত কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালেও ক্ষমতায় এসেছিল। তখন কেন বিচার করেননি? জ্ঞানপাপীরা জেনে-শুনেও এ অবান্তর প্রশ্নটি করেন। তারাও ভাল করেই জানেন সে বার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অঙ্গীকার ছিল না এবং আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতাও ছিল না। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং আ স ম আবদুর রবকে ধার করে মন্ত্রী বানিয়ে তবেই সরকার গঠন করেছিলেন। আসন সংখ্যার দিক থেকে সে বার দুর্বল সরকার পরিচালনা করেছেন এবং বলা যায় ওই দুর্বল সরকার দিয়েও সুশাসন বা Good Governmence দিতে পেরেছিলেন, যা নজিরবিহীন।
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩
লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 02
(277)
- সামনে আয় মজা দেখাব- পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শিবিরের by ম...
- মায়ের চরিত্রে ঋতুপর্ণা
- নতুন ভাবনা- বিনা চাষে পালং শাক by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- গোলাপ চাষে ক্যাপ প্রযুক্তি by আবু নোমান ফারুক আহম্মেদ
- আগডুম বাগডুম কবিতাবলী
- জানো কি?- বোতলে বাগান by শাহরিয়ার মাসুম
- ভাষার মাসে নতুন বই
- কমলনগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে সম্মেলন প...
- হেলথ টিপসঃ নিয়মিত হাঁটুন, দীর্ঘ দিন বাঁচুন
- চিত্র বিচিত্রঃ একেই বলে কপাল!
- প্রবাসের খবরঃ বহির্বিশ্ব বিএনপির আন্তর্জাতিক টেলিব...
- ইন্টার্নি ডাক্তারদের কর্মবিরতিতে রমেক হাসপাতালে রো...
- ‘ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ না করায় মাহমুদুর রহমানক...
- বগুড়ায় নিহতদের স্মরণে দোয়া দিবস পালিত- আজ জামায...
- অধিকারের মাসিক প্রতিবেদন- দেশে মানবাধিকার পরিস্থিত...
- ৭ মাসে রাজস্ব আদায় ল্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার কোটি ...
- তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসে আত্মঘাতী হামলায় দুই নিরা...
- আজ প্রধানমন্ত্রীর পাবনা সফর
- চট্টগ্রামে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ডিজি- অবকাঠামো উন্...
- নির্মম- রাজশাহীতে ফল রক্ষায় ফাঁদ পেতে চলছে পাখি ন...
- বগুড়ায় আজ সকাল-সন্ধ্যা হরতাল- নিহতদের জানাজায় ম...
- চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতা জনি হত্যা মামলার ৭ আসামি ...
- গ্রন্থমেলা আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের প্রতিচ্ছবিঃ প্র...
- দুর্দিন পিছু ছাড়ছে না কৃষকের- ধারাবাহিক লোকসানে ব...
- দৃষ্টিপাত- আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীতে আত্মহত্য...
- তারাও মুসলমান- খোলা চোখে by আবু আহমেদ
- ৯ কোটি ৬০ লাখ উন্মাদ! by খন্দকার মনিরুল আলম
- পররাষ্ট্রনীতি ও জনশক্তি রফতানি by খান শরীফুজ্জামান
- ‘অপরিহার্যতা’ সিনড্রোম ও সঙ্কটের সরলীকরণ- অন্তর্দর...
- ডাকাতের হাতে ট্রেনের যাত্রী হত্যা- রেলভ্রমণকে নিরা...
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ মুদ্রানীতি- জাতী...
- শিল্পখাত-নতুন প্রজন্ম দেশের সামর্থ্য বাড়াতে উদ্যোগ...
- বাংলার নতুন মুখ by সুভাষ সাহা
- পাগল পাগল মানুষগুলো
- আদমশুমারি-জনমিতির কার্বন-কপি মনস্তত্ত্ব by পাভেল প...
- রাজনীতি-জাতীয় সংসদের আয়নায় বাংলাদেশের শাসকশ্রেণীর ...
- সবজি চাষ- সংকট নয়, চরাঞ্চল হোক সম্ভাবনার
- ভূমিকম্প-সুনামি-বিস্ফোরণ- আমরা জাপানের পাশে
- জাম্বিয়ায় তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটি কর্মদিবস চার দিন
- লাল মসজিদে অভিযানের তদন্ত- মোশাররফকে তলবের সিদ্ধান...
- ‘অধিকতর মানবিক’ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান সু চির
- এএফপির বিশ্লেষণ- সফল এক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদায়
- হিজাব পরলেন হাজারো অমুসলিম নারী
- মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- চিকিৎসকের ২১টি পদে ...
- এক মাসে তদন্ত শুরুই করতে পারেনি কমিটি
- এক মাসে তদন্ত শুরুই করতে পারেনি কমিটি
- সেতু না থাকায় ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
- ‘এত সুন্দর সৈকত কোথাও দেখিনি’
- ৪০০ জন পেলেন শীতবস্ত্র
- ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি’
- বদলে গেছে দেবীগঞ্জের চিত্র
- অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন- বাংলা জনপ্রিয় গ্রন্...
- মূল রচনা- আমি নিজে পুলিশে খবর দিয়েছি by বাবুল সরকার
- ভালোবাসা! ভালোবাসা!!
- ভালোবাসা! ভালোবাসা!!
- কা র্য কা র ণ- সময় কীভাবে মাপা হয়? by আব্দুল কাইয়ুম
- বাজারদর- বেড়েছে চাল, ডাল রসুন, আদার দাম
- অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বিদেশে গেলেন তাঁরা!
- হাইকোর্টের আদেশের মার্জনা চাওয়া হয়েছে- ভাষাসৈনিকদে...
- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে চায় সরকারত by জা...
- খালেদা জিয়ার নিবন্ধ- বিএনপির নেতারা আগে না জানলেও ...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প: সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ...
- শিবিরের হামলায় ১২ পুলিশ আহত
- রাজনীতিকরা সচেতন হোন by মো. ফারুক হোসেন
- গাইডনির্ভর সৃজনশীলতা? by মো. ইউসুফ আলী
- এ উল্লাস ছড়িয়ে পড়ূক by এমএফ আলী ফয়েজ
- কেমন আছেন ভাষাসৈনিকরা-ওয়াজেদ মাস্টার এখন বাকরুদ্ধ ...
- সরকারি উদ্যোগে বেসরকারি 'ছুরি'-ট্যুরিস্ট ও শিক্ষার...
- বইমেলা আছে হুমায়ূন নেই by সুহৃদ আকবর
- গবেষণার রকমফের by একরামুল হক শামীম
- একুশের বিকেল এবং উদীচী by মাহমুদ সেলিম
- শিক্ষা-প্রাথমিক শিক্ষকদের যৌক্তিক প্রত্যাশা by মো...
- কালের আয়নায়-ছয় দফা দেওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু কি তৃতীয় স...
- ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা- আগামী প্রজন্মের উদ্ভা...
- ট্রেনে ডাকাতি ও হত্যা- সবার আগে নিরাপত্তা
- রাজধানীর দক্ষিণখানে জোড়া খুন!-বিছানায় মেয়ের লাশ আড়...
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী-গ্রন্থমেলা সোহরাও...
- বিএনপির প্রতিক্রিয়া-সেতু নয়, নিজস্ব অর্থে ভিত্তিপ্...
- আবুলে শুরু আবুলেই শেষ
- বগুড়ায় আজ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে জামায়াত-শিবির
- সরকারের বিবৃতিতে যা আছে
- পদ্মায় বিশ্বব্যাংককে বিদায়
- সপ্তাহে চার দিন কাজ
- ব্রাজিলে অগ্নিকাণ্ড-নাইটক্লাবের মালিকের আত্মহত্যার...
- তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসের সামনে হামলা, নিহত ২
- এশিয়ায় নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়বে না যুক্তরাষ্ট্র
- চীনা হ্যাকারদের কবলে এবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
- আফগান নারীদের নিয়ে কাজ করবেন হিলারি
- চীনে সেতু ধসে নিহত ২৬
- ফকল্যান্ডস নিয়ে বিরোধ-ব্রিটেনের আলোচনার প্রস্তাবে ...
- মাস পেরোলেও বদলায়নি প্রেক্ষাপট
- মেক্সিকোয় তেল কম্পানির কার্যালয়ে বিস্ফোরণ-নিহত ২৫,...
- শেষ সাক্ষাৎকারে হিলারির হুঁশিয়ারি-সিরিয়ার আশপাশের ...
- সিউলে ছাত্রছাত্রীদের সু চি-গণতন্ত্র হতে হবে আরো মা...
- ট্রেনে ডাকাতি-যাত্রী-নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে
- আবার ঋণ কেলেঙ্কারি-গ্রাহক আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চি...
- স্মরণ-সেই পটুয়া শিল্পীর কথা by জাহাঙ্গীর হোসেন অরুণ
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহ ছাড়া অন্য যাদের উপাস্য ব...
- সদরে অন্দরে-ধর্ষণের সংজ্ঞাও অকার্যকর বাংলাদেশে by ...
- চৈতন্যের মুক্তবাতায়ন-ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ক...
- ৭১-এ লন্ডনের ফকির সমিতির আমরা কয়েকজন 'এ কি সত্য সক...
- মা মানে কি জানো? by নুরুন্নাহার শিরীন
- নিজামীর না, জাতির হঁযা ॥ বিশ্বমানবতার লজ্জা by ড....
- প্রসঙ্গ ইসলাম- বেনগাযী সফর করে এলাম by অধ্যাপক হা...
- আমলারা উৎসাহী নয় ব্যবসায়ীরাও উৎসাহী নয়_ তাহলে? by ...
- খাদ্যচক্রে আর্সেনিক by ইয়াসরেমিনা বেগম সীমা
- সুন্দরবন ॥ ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছেই
- দূষণরোধে অর্থ সাহায্য- কুন্তল রায়
- পুরুষের সক্ষমতা নিরূপণ
- অজানা তথ্য- প্লাঙ্কটনভোজী অতিকায় মাছ
- এখন কেন নক্ষত্র কম সৃষ্টি হচ্ছে by ইব্রাহিম নোমান
- হৈমন্ত্রীদের এক শ' বছর by মিলু শামস
- ইলিয়াসের গল্পে ব্যক্তির মুখ ও মুখোশ by বজলুল করিম...
- হাত পাখায় লেখা পাকিস্তান জিন্দাবাদ কর্তার সিং দুগা...
- জাতপাতের উর্ধে লালনের জীবনদর্শন আজকের যুগেও প্রাসঙ...
- মাদ্রিদে তিন বাঙাল by মুনতাসীর মামুন
- বলতে চাই- নারী দিবসে স্বাবলম্বী হওয়ার অঙ্গীকার
- নারী দিবসের শতবর্ষ- সমানাধিকারের পক্ষে by শাহীন র...
- শুধু উদযাপনে সীমাবদ্ধ থাকবে না -রওশন আরা বেগম
- স্বাধীনতার মাসে কে ক্রাফটে মূল্য ছাড়
- শীর্ষে আলেসান্দ্রা এ্যামব্রোসিও
- শেষ সাক্ষাতকার
- সবজি চাষে আত্মনির্ভরশীল
- মাঠের কাজে চলছে সংসার
- চরের মানুষও স্বাস্থ্য সচেতন
- নার্সারি করে স্বাবলম্বী
- সোলার ড্রায়ারে মানসম্পন্ন শুঁটকি- বাকৃবির যুগান্তক...
- ঘুরে আসুন- বেলাভূমে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় উপভোগ- কুয়াকা...
-
▼
Feb 02
(277)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment