Wednesday, October 29, 2014
ইতিহাসের পাতায় ২৮ অক্টোবর by এরশাদ মজুমদার
ইতিহাসের পাতায় ২৮ অক্টোবর by এরশাদ মজুমদার
আল্লাহ পাকই মানবজাতির জন্য দিনণ, মাস, বছর ও রাত-দিন তৈরি করেছেন। মানুষকে দিন-রাত্রির জ্ঞান দান করেছেন। এই জ্ঞান দিয়েই মানুষ দিনণ গণনা শিখেছে। ইতিহাস রচনা করা শিখেছে। মুসলমান জ্ঞানীগুণী ও ইতিহাসবিদেরা মানবজাতিকে ইতিহাসবিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়েছেন। ভারতে ইতিহাসবিজ্ঞানের জ্ঞান ও চর্চা নিয়ে এসেছেন মুসলমানেরা। বিশেষ করে মোগল যুগে বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস রচনা শুরু হয়েছে। জওয়াহেরলাল নেহরু নিজে এ কথা বলেছেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ উদ্বোধন করার সময় প্রিন্স চার্লস বলেছিলেন, মুসলমানেরাই ব্রিটেনসহ ইউরোপে জ্ঞানের আলো নিয়ে গেছে। দিন বা তারিখের নিজস্ব কোনো গুণ নেই। ঘটনাপ্রবাহ দিন বা রাত্রিকে স্মরণীয় করে রাখে। তাই এসব দিন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়। পবিত্র কুরআন নাজিলের দিনণ স্মরণীয় হয়ে আছে কুরআনের কারণে। আমরা বিখ্যাত ব্যক্তিদের জন্ম ও মৃত্যুদিবস পালন করি। কারণ এরা নিজেদের জাতিকে গৌরবান্বিত করেছেন। একসময় মুসলমানদের মুক্তির জন্য মুসলিম লীগ সংগ্রাম করেছে। তাই ইতিহাসে মুসলিম লীগ স্থান করে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখার কারণে ইতিহাসে দলটি দৃঢ় অবস্থান করে নিয়েছে। তাই বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও মৃত্যুদিবস পালন করা হয়। একইভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বা পাঠ করে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে নিজেকে অমর করে রেখেছেন। একইভাবে জিন্নাহ ও গান্ধীজী ভারতের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ইতিহাসে নিন্দিত ব্যক্তিও আছেন, যেমন জেনারেল মীর জাফর আলী খান ও লর্ড কাইভ। কাইভ নবাবের কোষাগার লুণ্ঠন করে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেন। কারবালার যুদ্ধের কারণে খলিফা ইয়াজিদ একজন মহা নিন্দিত ব্যক্তি হিসেবে স্থান পেয়েছে।
ইতিহাসের এই দিনে ১৯৪০ সালে হিটলার ও মুসোলিনি ফোরেন্সে এক সভায় মিলিত হয়েছিলেন। এই দু’জনই ছিলেন জগদ্বিখ্যাত স্বেচ্ছাচারী শাসক। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ইসরাইল তার রাষ্ট্রীয় পতাকার নকশা অনুমোদন দেয়। এই তারিখেই ১৯৪৯ সালে ইহুদিবাদী নেতা নেতানিয়াহুর জন্ম হয়েছে। ১৯৪৫ সালের এই দিনে ফরাসি দেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেছেন। ইতিহাসের কারণেই আমরা অতীতের কথা জানতে পারি। তবে আমরা যে ইতিহাস জানি, তা হলো, বিজয়ীর ইতিহাস। রাজার ধর্মই জনগণের ধর্মে পরিণত হয়েছে। রাজারাই কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদদের রাজার পে ইতিহাস রচনা করতে বাধ্য করে থাকে। যেমন মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব নাকি হিন্দুবিদ্বেষী ছিলেন বলে একশ্রেণীর ঐতিহাসিক লিখে গেছেন। অথচ তিনি ছিলেন একজন দরবেশ সম্রাট। সেলাই করে আর হাতে লিখে কুরআনের কপি করতেন এবং তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি সারা ভারতে বহু মন্দির প্রতিষ্ঠা করার জন্য টাকা বরাদ্দ করেছেন। অপর দিকে বাদশাহ আকবর দ্বীনে ইলাহি চালু করে সনাতনধর্মীদের কাছে প্রিয় হয়েছেন আর মুসলমানদের কাছে নিন্দিত হয়েছেন। ইসলামের ইতিহাসে আবু জেহেল ও আবু লাহাব দু’জন মহা নিন্দিত ব্যক্তি। অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে, ইতিহাস কখনোই নিরপে হয় না। ত্যাগী ইতিহাসবিদ, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিকেরা নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বিদেশে অবস্থান করে সত্য ইতিহাস তৈরি করে রেখে যান আগামী দিনের সত্যান্বেষীদের জন্য। আবার অনেকেই বলেন, সমকালে নিরপে ইতিহাস রচনা করা যায় না। যেমন, নবাব সিরাজ উদদৌলার ইতিহাস। বেশ কয়েকজন সনাতনধর্মী ইতিহাসবিদ ও ইংরেজ সিরাজকে কলঙ্কিত করে ইতিহাস রচনা করেছেন। অনেক কবি-সাহিত্যিকও নবাবের বিরুদ্ধে কবিতা ও সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু সত্য ইতিহাস চাপা পড়েনি। মুসলমান খলিফাদের (কার্যত বাদশাহ) আমলে বহু ইসলামিক পণ্ডিত, আলেম ও স্কলারদের নির্যাতন সহ্য করে শহীদ হতে হয়েছে। এমনকি প্রতিপরে আক্রোশ থেকে রা করার জন্য জ্ঞানের দুয়ার হজরত আলী রা:-এর কবর বা মকবরাকে ৯০ বছর লুকিয়ে রাখতে হয়েছে। আপনারা আসাদুল্লাহ হজরত আলী রা:-এর ভাষণগ্রন্থ নাহজুল বালাগা পড়তে পারেন তাঁর জ্ঞানের গভীরতা জানার জন্য। আমাদের হানাফি মাজহাবের ইমামে আজম হজরত আবু হানিফার জীবনী পড়ুন। তখনকার মুসলমান খলিফা তাঁকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন। ইতিহাসের প্রথম মরমি কবি মনসুর হাল্লাজকেও হত্যা করেছেন তখনকার খলিফা। যদিও খলিফার মা হাল্লাজের প হয়ে মা প্রার্থনা করেছিলেন। বলা হয়, শুধু শরিয়ত রা করার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে ইংল্যান্ডের রাজা অনেক ধর্মযাজককে হত্যা করেছেন। একই কারণে মহাজ্ঞানী সক্রেটিসকেও হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কারণে কোটি কোটি মানুষকে জগতের মতাবানেরা। মানবজাতির ইতিহাস এভাবেই কলঙ্কিত হয়ে আছে।
যে ভারত মুসলমান শাসকেরা শাসন করেছেন এক হাজার বছরের মতো, সেই ভারতকে মুসলমান নেতারা কখনোই খণ্ডিত করতে চাননি। চেয়েছেন গান্ধীজী, গোখলে, প্যাটেল ও নেহরুজী। আর তাদের সহযোগিতা করেছেন ইংরেজ শাসকেরা। মুসলমান নেতারা বাধ্য হয়ে পাকিস্তান নামে একটি আলাদা রাষ্ট্রের দাবি করেছেন। কংগ্রেস নেতারা যদি একটু সহনশীল হতেন তাহলে ভারত বিভক্ত হতো না। কিন্তু বিভক্ত ভারতের জন্য দায়ী করা হলো মুসলমানদের। এমনকি বাংলাদেশে এখনো মুসলমান স্বার্থবিরোধী কিছু আরবি নামধারী রাজনীতিক ও দলদাস বুদ্ধিজীবী আছেন, যারা ভারত ও বঙ্গদেশ বিভক্তির জন্য মুসলমানদের দায়ী করে থাকেন। বাংলাদেশে মুসলমান মেজরিটি বাস্তবতায় যারা বিশ্বাস করেন না, তারা মনে করেন বাংলাদেশ বাঙালিদের দেশ। এ দেশে ধর্মীয় মেজরিটির স্বার্থ রাকে এরা সাম্প্রদায়িকতা মনে করেন। এরা বলেন, বাঙালিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। ফলে তাদের কাছে বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ নয়, ভারতের দর্শনই তাদের দর্শন। ভারত বাংলাদেশকে শুধু বাঙালির দেশ হিসেবে দেখতে চায়। এর অর্থ মেজরিটি হিসেবে মুসলমানদের কোনো গুরুত্ব থাকবে না। আমাদের বাপ-দাদারা মুসলমানদের এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনীতি করেছেন আর এখন তাদের নাতিপুতিরা ধর্মমুক্ত বা ধর্মবিরোধী অবস্থানে থাকতে পছন্দ করেন। মেজরিটি মানুষের স্বার্থ ত্যাগ করে মাইনরিটির স্বার্থ রার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। চলমান সরকার রাষ্ট্রকে ধর্মমুক্ত রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সংবিধানকে আল্লাহ-মুক্ত করেছেন। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল সা:কে গালি দিলে সরকারের তেমন শক্তিশালী কোনো প্রতিক্রিয়া হয় না। মতাবান ব্যক্তিদের সমালোচনা বা ব্যঙ্গ করলে শাস্তি হয়। আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল সা:-এর বিরুদ্ধে ব্লগ লিখে রাজীব নামে এক যুবক নিহত হলে সরকারের মন্ত্রী বলেছেন, দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম শহীদ। মন্ত্রীর কাছে শহীদ মানে হলো রাজনৈতিক গুণ্ডাপাণ্ডা ও দলদাস হলেই শহীদ হবে। ইসলামে শহীদ মানে ধর্ম রায়, আল্লাহর নির্ধারিত পথে চলতে গিয়ে জীবন দিলে শহীদ হওয়া যায়। রাজনীতিতে ধর্মদ্রোহীদেরও মর্যাদা থাকতে পারে। জগতে ৭০০ কোটি মানুষ থাকলে তার ৯৯ শতাংশ মানুষই ধর্মে বিশ্বাস করেন। হয়তো অনেকেই পূর্ণাঙ্গ চর্চা করেন না। কিন্তু খোদা বা তাঁর নবী-রাসূলদের অমান্য বা অস্বীকার করেন না। তবে মোনাফেক থাকতে পারেন। আমি সব সময় বলে আসছি, বাংলাদেশে ইংরেজি শিতি ও অর্ধশিতি কিছু মানুষ ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিকদের বেশির ভাগই সুবিধাবাদী। তাদের আদর্শ দর্শন হলো, যেভাবেই হোক ভোট আদায় করে মতায় যাওয়া। ফলে বাংলাদেশ একটি আদর্শবিহীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর প্রথম জীবনে রাজনীতি শুরু করেছিলেন একজন মুসলমান হিসেবে। সনাতনধর্মীদের অত্যাচার তিনি ও তার পরিবার প্রত্য করেছেন। রমাপদর মিথ্যা মামলায় তিনি জীবনে প্রথম জেলে যান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর তিনি দেখলেন, সাধারণ মুসলমানের স্বার্থ রা হচ্ছে না, তখন তিনি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম গঠন করেন। জীবনে শেষ দিন পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমানদের স্বার্থ রার সংগ্রাম করে গেছেন। ফলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের একচ্ছত্র নেতায় পরিণত হয়েছিলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি, আদবকায়দা, চলন-বলন, ইতিহাস আজ খোলাখুলিভাবেই দুই ভাগে বিভক্ত। এক ভাগ ধর্মমুক্ত রাষ্ট্রের পক্ষে অপর ভাগ ধর্মযুক্ত রাষ্ট্র ও রাজনীতির পক্ষে এক ভাগ সংবিধানকে ধর্ম ও আল্লাহ-মুক্ত রাখতে চায়, যারা নিজেকে শুধুই বাঙালি মনে করেন। এরা মনে করেন ধর্ম ব্যক্তিগত, রাষ্ট্র সবার। আরেক ভাগ নিজেদের বাঙালি মুসলমান মনে করেন। তারা ভৌগোলিক ও ধর্মীয় কারণে নিজেদের বাংলাদেশী মনে করেন। ধর্মীয় কারণে নয়, শোষিত ও নির্যাতিত মাইনরিটির (মুসলমান) স্বার্থ রার জন্য পাকিস্তান সৃষ্টি। আর ’৭১ সালে অর্থনৈতিক শোষণের কারণে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। যদিও দৃশ্যত মনে হয় ভারত খণ্ডিত হয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে। এখানে ইসলাম বা মুসলমানের কোনো বিষয় ছিল না। ইসলাম বা মুসলমানিত্ব কাউকে বা দুর্বলকে শোষণের অধিকার দেয় না। রাষ্ট্রের মতা ব্যবহার করে যখন মতাবানেরা মানুষের অধিকার হরণ করে ও অত্যাচার করে তখন জনসাধারণ কী করে? ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এখনো শোষণ ও অত্যাচার অব্যাহত আছে। কখনো ধর্মের নামে, আর কখনো গণতন্ত্র রার নামে। মতাসীন জোট বা দল নিজেদের ভাষাভিত্তিক জাতি ও নাগরিক মনে করেন। এরা আরবি নামের নাগরিক। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ধর্মীয় মেজরিটির রাজনীতিতে এরা বিশ্বাস করেন না। ধর্মমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাস না করলেই আপনি জিহাদি, সন্ত্রাসী, মৌলবাদী, গোঁড়া বলে চিহ্নিত হবেন আর সরকার (বৈধ বা অবৈধ) যা-ই হোক, রাষ্ট্রের স্বার্থ রার নামে আপনার ওপর অত্যাচার চালাবে। আপনাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে আখ্যায়িত করবে। ধর্মচর্চার স্বাধীনতা ও অধিকার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। তবুও ইসলাম আজ বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত। মুসলমানেরাই টেরোরিস্ট। ধর্মমুক্তরা রাজনীতির কারণে আল্লাহু আকবার না বলে আল্লাহ সর্বশক্তিমান বলে থাকেন। এরা আল্লাহর সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস না করে মানুষের সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করেন। যাদের কুরআন ও রাসূল সা:-এ বিশ্বাস তেমন দৃঢ় নয় তারাই আল্লাহর সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন না। এসব মৌলিক বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য না থাকায় রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। মতাসীন সরকার ও নেতারা ব্যক্তিগত জীবনে ও পারিবারিক জীবনে ধর্ম চর্চা করেন বলে বহুল প্রচারিত, কিন্তু সরকার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তারা ধর্মমুক্ত। মতাসীনেরা তাদের রাজনৈতিক দর্শনকে স্থায়ী রূপদান করার জন্যই মতায় থাকতে চান। তাও আবার গণতন্ত্রের নামাবলি গায়ে দিয়ে। তাদের এই দর্শনকে শক্তিশালী সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে দিল্লি সরকার। ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বিজেপি তাদের রাষ্ট্রীয় দর্শনের কারণেই মতাসীনদের জোর করে, ব্ল্যাকমেইল করে মতায় রাখতে চায়। মতাসীনেরা ওদের সেবাদাসের ভূমিকা পালন করছে।
ধর্মমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসীরা ১৯৯৬ সালে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ করেছে, বিমান অফিস ধ্বংস করেছে, চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে আগুন দিয়েছে, নির্বাচনের দিন কারফিউ ঘোষণা দিয়েছে, তারা আজ সাধু হয়ে গেছে। সেই একই গ্রুপ বা দল ও গোষ্ঠী ২০০৬ সালে খুন-খারাবি করে অন্যায়ভাবে শক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশে নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে ধর্মমুক্ত রাজনীতির নেতা ও গুরুদের আহ্বানে তার দলীয় কর্মীরা বেলা ১১টায় লগি-বৈঠা নিয়ে প্রতিপ দলের রাজনৈতিক কর্মীদের সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অনেক কর্মীকে হত্যা করে ও বহু মানুষকে জখম করে পঙ্গু করে দেয়। তার বিচার আজো হয়নি। কেন হয়নি বা হচ্ছে না দেশবাসী ভালো করেই জানেন। সারা বিশ্ব এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য টিভির মাধ্যমে দেখতে পেয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপ দল বা মতকে হত্যা করার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে ২৮ অক্টোবর। ধর্মহীন আরবি নামধারী আর সনাতনিরা মনে করেন, শক্তিই আসল মতার উৎস। শক্তি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মেজরিটিকে দমন করে রাখা যায়। ষড়যন্ত্রের কারণেই কাইভ নবাবের ৫০ হাজার সৈন্যকে পরাজিত করতে পেরেছিলেন। কারণ, কাইভ অখণ্ড জাতিকে হিন্দু মুসলমানে বিভক্ত করতে পেরেছিল।
মতাসীন দল বা জোটের সৃষ্ট সেই নৈরাজ্যকর অবস্থার অদৃশ্য ও পেছনের শক্তিরা পরে ভারতের সহযোগিতায় রাষ্ট্রমতা দখল করে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে ধ্বংস করে। আজ এরা পরবাসী। তখন দিল্লির খাস প্রতিনিধি পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় দেখাশোনা করতেন। জেনারেল মইন তখন নানা ধরনের নাটক করে শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে তথাকথিত নির্বাচন করেন আওয়ামী লীগকে মতায় বসানোর জন্য। যেমন লর্ড কাইভ দৃশ্যত কিছু বেইমান মুসলমান ও সনাতনধর্মীদের হাত করে পলাশী যুদ্ধের নাটক বানিয়েছিল। সেই নাটকে জেনারেল মীরজাফর আলী খানকে গদিতে বসানো হয়। লর্ড কাইভ কোম্পানির সদর দফতরের অনুমতি ছাড়া রাজনৈতিক খেলা খেলেছিলেন। ফলে কাইভের শাস্তি হয়েছিল। তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। বাংলাদেশের েেত্র জেনারেল মইন দিল্লির পরামর্শ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মতা দখল করেছিলেন। জেনারেল মইনকে স্থানীয়ভাবে সমর্থন করেছিলেন দিল্লির অনুগত ও সেবাদাস কিছু দল ও গোষ্ঠী। ভারতের সেবাদাস জেনারেল মইনের মূল ল্য ছিল জিয়াপরিবারকে ধ্বংস করে ভারতের অনুগত রাজনৈতিক দল ও নেতাদের চিরস্থায়ীভাবে মতায় বাসানো। সে সময়ে মইন নিজেই তার অবৈধ অধিকৃত মতা বলে নিজেকে প্রতিমন্ত্রী বানিয়ে দিল্লিতে লাল গালিচার সংবর্ধনা ও ছয়টি ঘোড়া উপহার পেয়েছিলেন। জেনারেল আইউবও নিজেকে ফিল্ডমার্শাল প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন। ’৮২ সালে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে উচ্ছেদ করে মতায় এসে জেনারেল এরশাদ বলেছিলেন, তিনি দিল্লির সাথে কথা বলেই মতা দখল করেছিলেন। আওয়ামী লীগ বলেছিল তারা অসন্তুষ্ট নন। ভারতের কাগজ লিখেছিল ‘বন্দুকের নলে প্রজাপতি’। ২০০৮ সালে দিল্লির সেবাদাসরা মতা দখল করে জেনারেল মইনকে মা করে দিয়েছিলেন।
আবার ভারতের পরামর্শেই সেবাদাসরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বশংবদ নির্বাচন কমিশন দিয়ে ভোটারবিহীন নির্বাচন করেন। সে সময়ে সরকারি হিসাব মোতাবেক ৮০ শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ১৫৪ জন বিনা ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ধর্মমুক্ত দল ও জোট এখন মতায় আছে, সেই ভোটারবিহীন নির্বাচনের জোরে। আমাদের মহা পবিত্র ধর্মমুক্ত সংবিধান বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার তাদের সে অধিকার দিয়েছে। ভোট লাগবে না, শুধু গণতন্ত্রের নামাবলি থাকলেই চলবে। যেকোনো উপায়েই হোক, প্রধানমন্ত্রীর পদটা পেলেই তো সাংবিধানিকভাবেই একজন মোগল/ রোমান/পারস্য বা রাশিয়ার জার সম্রাট। গত বছর গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের নামে রাষ্ট্র কয়েক শ’ নাগরিককে হত্যা করেছে। এখন বলা হচ্ছে রাষ্ট্র ও জনগণকে রা করার জন্যই তা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ধর্মমুক্ত/ধর্মহীন দল ও জোট নেতারা হলেন বৈদিক যুগের আর্যঋষিদের মতো। তারাই ভূমিপুত্র দেশপ্রেমিকদের রাস বানিয়েছেন। তাদের বিপ শক্তিকে শূদ্র বা অর্ধমানবে পরিণত করেছে। আর্য ত্রিয় নেতা রাজা দশরথের পুত্র রামকে রাজা ও দেবতায় পরিণত করেছে। বাংলাদেশে এখন সেই রাজনীতির ধারা চালু হয়েছে।
লেখক : কবি ও ঐতিহ্য গবেষক
ইতিহাসের এই দিনে ১৯৪০ সালে হিটলার ও মুসোলিনি ফোরেন্সে এক সভায় মিলিত হয়েছিলেন। এই দু’জনই ছিলেন জগদ্বিখ্যাত স্বেচ্ছাচারী শাসক। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ইসরাইল তার রাষ্ট্রীয় পতাকার নকশা অনুমোদন দেয়। এই তারিখেই ১৯৪৯ সালে ইহুদিবাদী নেতা নেতানিয়াহুর জন্ম হয়েছে। ১৯৪৫ সালের এই দিনে ফরাসি দেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেছেন। ইতিহাসের কারণেই আমরা অতীতের কথা জানতে পারি। তবে আমরা যে ইতিহাস জানি, তা হলো, বিজয়ীর ইতিহাস। রাজার ধর্মই জনগণের ধর্মে পরিণত হয়েছে। রাজারাই কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদদের রাজার পে ইতিহাস রচনা করতে বাধ্য করে থাকে। যেমন মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব নাকি হিন্দুবিদ্বেষী ছিলেন বলে একশ্রেণীর ঐতিহাসিক লিখে গেছেন। অথচ তিনি ছিলেন একজন দরবেশ সম্রাট। সেলাই করে আর হাতে লিখে কুরআনের কপি করতেন এবং তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি সারা ভারতে বহু মন্দির প্রতিষ্ঠা করার জন্য টাকা বরাদ্দ করেছেন। অপর দিকে বাদশাহ আকবর দ্বীনে ইলাহি চালু করে সনাতনধর্মীদের কাছে প্রিয় হয়েছেন আর মুসলমানদের কাছে নিন্দিত হয়েছেন। ইসলামের ইতিহাসে আবু জেহেল ও আবু লাহাব দু’জন মহা নিন্দিত ব্যক্তি। অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে, ইতিহাস কখনোই নিরপে হয় না। ত্যাগী ইতিহাসবিদ, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিকেরা নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বিদেশে অবস্থান করে সত্য ইতিহাস তৈরি করে রেখে যান আগামী দিনের সত্যান্বেষীদের জন্য। আবার অনেকেই বলেন, সমকালে নিরপে ইতিহাস রচনা করা যায় না। যেমন, নবাব সিরাজ উদদৌলার ইতিহাস। বেশ কয়েকজন সনাতনধর্মী ইতিহাসবিদ ও ইংরেজ সিরাজকে কলঙ্কিত করে ইতিহাস রচনা করেছেন। অনেক কবি-সাহিত্যিকও নবাবের বিরুদ্ধে কবিতা ও সাহিত্য রচনা করেছেন। কিন্তু সত্য ইতিহাস চাপা পড়েনি। মুসলমান খলিফাদের (কার্যত বাদশাহ) আমলে বহু ইসলামিক পণ্ডিত, আলেম ও স্কলারদের নির্যাতন সহ্য করে শহীদ হতে হয়েছে। এমনকি প্রতিপরে আক্রোশ থেকে রা করার জন্য জ্ঞানের দুয়ার হজরত আলী রা:-এর কবর বা মকবরাকে ৯০ বছর লুকিয়ে রাখতে হয়েছে। আপনারা আসাদুল্লাহ হজরত আলী রা:-এর ভাষণগ্রন্থ নাহজুল বালাগা পড়তে পারেন তাঁর জ্ঞানের গভীরতা জানার জন্য। আমাদের হানাফি মাজহাবের ইমামে আজম হজরত আবু হানিফার জীবনী পড়ুন। তখনকার মুসলমান খলিফা তাঁকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন। ইতিহাসের প্রথম মরমি কবি মনসুর হাল্লাজকেও হত্যা করেছেন তখনকার খলিফা। যদিও খলিফার মা হাল্লাজের প হয়ে মা প্রার্থনা করেছিলেন। বলা হয়, শুধু শরিয়ত রা করার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে ইংল্যান্ডের রাজা অনেক ধর্মযাজককে হত্যা করেছেন। একই কারণে মহাজ্ঞানী সক্রেটিসকেও হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কারণে কোটি কোটি মানুষকে জগতের মতাবানেরা। মানবজাতির ইতিহাস এভাবেই কলঙ্কিত হয়ে আছে।
যে ভারত মুসলমান শাসকেরা শাসন করেছেন এক হাজার বছরের মতো, সেই ভারতকে মুসলমান নেতারা কখনোই খণ্ডিত করতে চাননি। চেয়েছেন গান্ধীজী, গোখলে, প্যাটেল ও নেহরুজী। আর তাদের সহযোগিতা করেছেন ইংরেজ শাসকেরা। মুসলমান নেতারা বাধ্য হয়ে পাকিস্তান নামে একটি আলাদা রাষ্ট্রের দাবি করেছেন। কংগ্রেস নেতারা যদি একটু সহনশীল হতেন তাহলে ভারত বিভক্ত হতো না। কিন্তু বিভক্ত ভারতের জন্য দায়ী করা হলো মুসলমানদের। এমনকি বাংলাদেশে এখনো মুসলমান স্বার্থবিরোধী কিছু আরবি নামধারী রাজনীতিক ও দলদাস বুদ্ধিজীবী আছেন, যারা ভারত ও বঙ্গদেশ বিভক্তির জন্য মুসলমানদের দায়ী করে থাকেন। বাংলাদেশে মুসলমান মেজরিটি বাস্তবতায় যারা বিশ্বাস করেন না, তারা মনে করেন বাংলাদেশ বাঙালিদের দেশ। এ দেশে ধর্মীয় মেজরিটির স্বার্থ রাকে এরা সাম্প্রদায়িকতা মনে করেন। এরা বলেন, বাঙালিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। ফলে তাদের কাছে বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ নয়, ভারতের দর্শনই তাদের দর্শন। ভারত বাংলাদেশকে শুধু বাঙালির দেশ হিসেবে দেখতে চায়। এর অর্থ মেজরিটি হিসেবে মুসলমানদের কোনো গুরুত্ব থাকবে না। আমাদের বাপ-দাদারা মুসলমানদের এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনীতি করেছেন আর এখন তাদের নাতিপুতিরা ধর্মমুক্ত বা ধর্মবিরোধী অবস্থানে থাকতে পছন্দ করেন। মেজরিটি মানুষের স্বার্থ ত্যাগ করে মাইনরিটির স্বার্থ রার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। চলমান সরকার রাষ্ট্রকে ধর্মমুক্ত রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সংবিধানকে আল্লাহ-মুক্ত করেছেন। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল সা:কে গালি দিলে সরকারের তেমন শক্তিশালী কোনো প্রতিক্রিয়া হয় না। মতাবান ব্যক্তিদের সমালোচনা বা ব্যঙ্গ করলে শাস্তি হয়। আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল সা:-এর বিরুদ্ধে ব্লগ লিখে রাজীব নামে এক যুবক নিহত হলে সরকারের মন্ত্রী বলেছেন, দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম শহীদ। মন্ত্রীর কাছে শহীদ মানে হলো রাজনৈতিক গুণ্ডাপাণ্ডা ও দলদাস হলেই শহীদ হবে। ইসলামে শহীদ মানে ধর্ম রায়, আল্লাহর নির্ধারিত পথে চলতে গিয়ে জীবন দিলে শহীদ হওয়া যায়। রাজনীতিতে ধর্মদ্রোহীদেরও মর্যাদা থাকতে পারে। জগতে ৭০০ কোটি মানুষ থাকলে তার ৯৯ শতাংশ মানুষই ধর্মে বিশ্বাস করেন। হয়তো অনেকেই পূর্ণাঙ্গ চর্চা করেন না। কিন্তু খোদা বা তাঁর নবী-রাসূলদের অমান্য বা অস্বীকার করেন না। তবে মোনাফেক থাকতে পারেন। আমি সব সময় বলে আসছি, বাংলাদেশে ইংরেজি শিতি ও অর্ধশিতি কিছু মানুষ ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিকদের বেশির ভাগই সুবিধাবাদী। তাদের আদর্শ দর্শন হলো, যেভাবেই হোক ভোট আদায় করে মতায় যাওয়া। ফলে বাংলাদেশ একটি আদর্শবিহীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর প্রথম জীবনে রাজনীতি শুরু করেছিলেন একজন মুসলমান হিসেবে। সনাতনধর্মীদের অত্যাচার তিনি ও তার পরিবার প্রত্য করেছেন। রমাপদর মিথ্যা মামলায় তিনি জীবনে প্রথম জেলে যান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর তিনি দেখলেন, সাধারণ মুসলমানের স্বার্থ রা হচ্ছে না, তখন তিনি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম গঠন করেন। জীবনে শেষ দিন পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমানদের স্বার্থ রার সংগ্রাম করে গেছেন। ফলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের একচ্ছত্র নেতায় পরিণত হয়েছিলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি, আদবকায়দা, চলন-বলন, ইতিহাস আজ খোলাখুলিভাবেই দুই ভাগে বিভক্ত। এক ভাগ ধর্মমুক্ত রাষ্ট্রের পক্ষে অপর ভাগ ধর্মযুক্ত রাষ্ট্র ও রাজনীতির পক্ষে এক ভাগ সংবিধানকে ধর্ম ও আল্লাহ-মুক্ত রাখতে চায়, যারা নিজেকে শুধুই বাঙালি মনে করেন। এরা মনে করেন ধর্ম ব্যক্তিগত, রাষ্ট্র সবার। আরেক ভাগ নিজেদের বাঙালি মুসলমান মনে করেন। তারা ভৌগোলিক ও ধর্মীয় কারণে নিজেদের বাংলাদেশী মনে করেন। ধর্মীয় কারণে নয়, শোষিত ও নির্যাতিত মাইনরিটির (মুসলমান) স্বার্থ রার জন্য পাকিস্তান সৃষ্টি। আর ’৭১ সালে অর্থনৈতিক শোষণের কারণে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। যদিও দৃশ্যত মনে হয় ভারত খণ্ডিত হয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে। এখানে ইসলাম বা মুসলমানের কোনো বিষয় ছিল না। ইসলাম বা মুসলমানিত্ব কাউকে বা দুর্বলকে শোষণের অধিকার দেয় না। রাষ্ট্রের মতা ব্যবহার করে যখন মতাবানেরা মানুষের অধিকার হরণ করে ও অত্যাচার করে তখন জনসাধারণ কী করে? ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এখনো শোষণ ও অত্যাচার অব্যাহত আছে। কখনো ধর্মের নামে, আর কখনো গণতন্ত্র রার নামে। মতাসীন জোট বা দল নিজেদের ভাষাভিত্তিক জাতি ও নাগরিক মনে করেন। এরা আরবি নামের নাগরিক। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ধর্মীয় মেজরিটির রাজনীতিতে এরা বিশ্বাস করেন না। ধর্মমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাস না করলেই আপনি জিহাদি, সন্ত্রাসী, মৌলবাদী, গোঁড়া বলে চিহ্নিত হবেন আর সরকার (বৈধ বা অবৈধ) যা-ই হোক, রাষ্ট্রের স্বার্থ রার নামে আপনার ওপর অত্যাচার চালাবে। আপনাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে আখ্যায়িত করবে। ধর্মচর্চার স্বাধীনতা ও অধিকার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। তবুও ইসলাম আজ বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত। মুসলমানেরাই টেরোরিস্ট। ধর্মমুক্তরা রাজনীতির কারণে আল্লাহু আকবার না বলে আল্লাহ সর্বশক্তিমান বলে থাকেন। এরা আল্লাহর সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস না করে মানুষের সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করেন। যাদের কুরআন ও রাসূল সা:-এ বিশ্বাস তেমন দৃঢ় নয় তারাই আল্লাহর সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন না। এসব মৌলিক বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য না থাকায় রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। মতাসীন সরকার ও নেতারা ব্যক্তিগত জীবনে ও পারিবারিক জীবনে ধর্ম চর্চা করেন বলে বহুল প্রচারিত, কিন্তু সরকার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তারা ধর্মমুক্ত। মতাসীনেরা তাদের রাজনৈতিক দর্শনকে স্থায়ী রূপদান করার জন্যই মতায় থাকতে চান। তাও আবার গণতন্ত্রের নামাবলি গায়ে দিয়ে। তাদের এই দর্শনকে শক্তিশালী সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে দিল্লি সরকার। ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বিজেপি তাদের রাষ্ট্রীয় দর্শনের কারণেই মতাসীনদের জোর করে, ব্ল্যাকমেইল করে মতায় রাখতে চায়। মতাসীনেরা ওদের সেবাদাসের ভূমিকা পালন করছে।
ধর্মমুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসীরা ১৯৯৬ সালে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ করেছে, বিমান অফিস ধ্বংস করেছে, চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে আগুন দিয়েছে, নির্বাচনের দিন কারফিউ ঘোষণা দিয়েছে, তারা আজ সাধু হয়ে গেছে। সেই একই গ্রুপ বা দল ও গোষ্ঠী ২০০৬ সালে খুন-খারাবি করে অন্যায়ভাবে শক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশে নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে ধর্মমুক্ত রাজনীতির নেতা ও গুরুদের আহ্বানে তার দলীয় কর্মীরা বেলা ১১টায় লগি-বৈঠা নিয়ে প্রতিপ দলের রাজনৈতিক কর্মীদের সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অনেক কর্মীকে হত্যা করে ও বহু মানুষকে জখম করে পঙ্গু করে দেয়। তার বিচার আজো হয়নি। কেন হয়নি বা হচ্ছে না দেশবাসী ভালো করেই জানেন। সারা বিশ্ব এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য টিভির মাধ্যমে দেখতে পেয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপ দল বা মতকে হত্যা করার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে ২৮ অক্টোবর। ধর্মহীন আরবি নামধারী আর সনাতনিরা মনে করেন, শক্তিই আসল মতার উৎস। শক্তি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মেজরিটিকে দমন করে রাখা যায়। ষড়যন্ত্রের কারণেই কাইভ নবাবের ৫০ হাজার সৈন্যকে পরাজিত করতে পেরেছিলেন। কারণ, কাইভ অখণ্ড জাতিকে হিন্দু মুসলমানে বিভক্ত করতে পেরেছিল।
মতাসীন দল বা জোটের সৃষ্ট সেই নৈরাজ্যকর অবস্থার অদৃশ্য ও পেছনের শক্তিরা পরে ভারতের সহযোগিতায় রাষ্ট্রমতা দখল করে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে ধ্বংস করে। আজ এরা পরবাসী। তখন দিল্লির খাস প্রতিনিধি পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় দেখাশোনা করতেন। জেনারেল মইন তখন নানা ধরনের নাটক করে শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে তথাকথিত নির্বাচন করেন আওয়ামী লীগকে মতায় বসানোর জন্য। যেমন লর্ড কাইভ দৃশ্যত কিছু বেইমান মুসলমান ও সনাতনধর্মীদের হাত করে পলাশী যুদ্ধের নাটক বানিয়েছিল। সেই নাটকে জেনারেল মীরজাফর আলী খানকে গদিতে বসানো হয়। লর্ড কাইভ কোম্পানির সদর দফতরের অনুমতি ছাড়া রাজনৈতিক খেলা খেলেছিলেন। ফলে কাইভের শাস্তি হয়েছিল। তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। বাংলাদেশের েেত্র জেনারেল মইন দিল্লির পরামর্শ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মতা দখল করেছিলেন। জেনারেল মইনকে স্থানীয়ভাবে সমর্থন করেছিলেন দিল্লির অনুগত ও সেবাদাস কিছু দল ও গোষ্ঠী। ভারতের সেবাদাস জেনারেল মইনের মূল ল্য ছিল জিয়াপরিবারকে ধ্বংস করে ভারতের অনুগত রাজনৈতিক দল ও নেতাদের চিরস্থায়ীভাবে মতায় বাসানো। সে সময়ে মইন নিজেই তার অবৈধ অধিকৃত মতা বলে নিজেকে প্রতিমন্ত্রী বানিয়ে দিল্লিতে লাল গালিচার সংবর্ধনা ও ছয়টি ঘোড়া উপহার পেয়েছিলেন। জেনারেল আইউবও নিজেকে ফিল্ডমার্শাল প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন। ’৮২ সালে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে উচ্ছেদ করে মতায় এসে জেনারেল এরশাদ বলেছিলেন, তিনি দিল্লির সাথে কথা বলেই মতা দখল করেছিলেন। আওয়ামী লীগ বলেছিল তারা অসন্তুষ্ট নন। ভারতের কাগজ লিখেছিল ‘বন্দুকের নলে প্রজাপতি’। ২০০৮ সালে দিল্লির সেবাদাসরা মতা দখল করে জেনারেল মইনকে মা করে দিয়েছিলেন।
আবার ভারতের পরামর্শেই সেবাদাসরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বশংবদ নির্বাচন কমিশন দিয়ে ভোটারবিহীন নির্বাচন করেন। সে সময়ে সরকারি হিসাব মোতাবেক ৮০ শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ১৫৪ জন বিনা ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ধর্মমুক্ত দল ও জোট এখন মতায় আছে, সেই ভোটারবিহীন নির্বাচনের জোরে। আমাদের মহা পবিত্র ধর্মমুক্ত সংবিধান বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার তাদের সে অধিকার দিয়েছে। ভোট লাগবে না, শুধু গণতন্ত্রের নামাবলি থাকলেই চলবে। যেকোনো উপায়েই হোক, প্রধানমন্ত্রীর পদটা পেলেই তো সাংবিধানিকভাবেই একজন মোগল/ রোমান/পারস্য বা রাশিয়ার জার সম্রাট। গত বছর গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের নামে রাষ্ট্র কয়েক শ’ নাগরিককে হত্যা করেছে। এখন বলা হচ্ছে রাষ্ট্র ও জনগণকে রা করার জন্যই তা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ধর্মমুক্ত/ধর্মহীন দল ও জোট নেতারা হলেন বৈদিক যুগের আর্যঋষিদের মতো। তারাই ভূমিপুত্র দেশপ্রেমিকদের রাস বানিয়েছেন। তাদের বিপ শক্তিকে শূদ্র বা অর্ধমানবে পরিণত করেছে। আর্য ত্রিয় নেতা রাজা দশরথের পুত্র রামকে রাজা ও দেবতায় পরিণত করেছে। বাংলাদেশে এখন সেই রাজনীতির ধারা চালু হয়েছে।
লেখক : কবি ও ঐতিহ্য গবেষক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1339)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 29
(67)
- রিপার মর্মান্তিক মৃত্যু : ধরা পড়েনি দুর্বৃত্তরা
- মায়ের কাছে রিহানির শেষ বার্তা- মাটির নিচে পচে শেষ ...
- লতিফ উপাখ্যান ও মন্ত্রী হওয়ার শর্ত by মুহাম্মদ জাহ...
- সামষ্টিক অর্থনীতির নতুন কৌশল by জেফরি ডি. স্যাকস
- বঞ্চিত আনন্দময় শিক্ষা ও শৈশব by মুনির হাসান
- তিন দেশে যুদ্ধাপরাধীদের শেষ পরিণতি by আবদুল মান্নান
- ইবোলার পরবর্তী শিকার কে? by হৃষভ সন্দিলা ও ড্যানি...
- রেলপথমন্ত্রীর গায়েহলুদ হলো, পরশু বিয়ে
- রানা ও তাজরীনের দুর্ঘটনায় আরও আর্থিক সহায়তা প্রধ...
- ভাগ্যবিড়ম্বিত রোহিঙ্গা- বিশ্বসম্প্রদায়কে দায় নিতে হবে
- নায়কের নামে ব্যাঘ্র শাবকের নাম
- সেই সন্ত্রাসীরা এখনো থামেনি by এম এ জব্বার
- ধর্ম ও সময়ের প্রত্যাশাগুলো by সৈয়দা নীলুফার
- মোনাফেকি যখন অস্ত্র কিংবা অলঙ্কার by গোলাম মাওলা রনি
- ইতিহাসের পাতায় ২৮ অক্টোবর by এরশাদ মজুমদার
- স্মরণ- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর রহমান
- সরকার কাউকেই এমএলএম ব্যবসার লাইসেন্স দিচ্ছে না by ...
- নির্বাচনের পর গোলযোগের আশঙ্কা থাকলেও তা ঘটেনি -গাল...
- মহাসড়কে একের পর এক ডাকাতি- হাইওয়ে পুলিশ প্রশ্নবি...
- অটোরিকশা চলে চালকের ইচ্ছায় by সামছুর রহমান
- কূটনীতিতে ‘ধাক্কা’ খেল বিএনপি! by সেলিম জাহিদ
- ১২৫ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংক লুট
- ১৫ দিনে মারা যাচ্ছে একটি করে ভাষা
- সরকার পর্যায়ে আলোচনার যোগ্যতা কি আমাদের আছে? -শ্রম...
- মাদক সন্ত্রাসের হাতে বন্দী জেনেভা ক্যাম্পের বাসিন্...
- চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের জন্য আঞ্চলিক রেলকরিডোর হ...
- নির্বাচন ছিল দুঃখজনক- রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ...
- ইউএইর কারাগারে সহস্রাধিক বাংলাদেশী বন্দী : স্বরাষ্...
- সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ ও আমিরাত -প্রধানমন্...
- ছিনতাইকারী কেড়ে নিলো রিপার প্রাণ
- পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ কমেছে ১৩ হাজার কোটি ট...
- বিমানবন্দরে ৮ কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ -৩ কোটি টাকা মূল...
- প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও এগোতে চায় জামায়াত by ফয়েজ উল...
- জোরজবরদস্তির গণতন্ত্র by সাদ সাকলান
- বিশ্বমন্দায় ধনী দেশগুলোতে ২৬ লাখ শিশু দারিদ্র্যসীম...
- নেতানিয়াহু ফালতু লোক : আমেরিকা
- ঈশ্বর জাদুকর নন, বিগ ব্যাং-কে স্বীকৃতি পোপের
- ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণাকারীরা বেয়াদব
- স্বস্তিকার চুম্বনে স্তম্ভিত সুশান্ত সিং রাজপুত
- ক্যান্সার শনাক্তে ‘ন্যানো-বড়ি’ উদ্ভাবনে কাজ করছে গুগল
- আবদুল আলী খুনের ঘটনায় আওয়ামী লীগে বিভক্তি
- ‘ক্যামেরন-হাসিনা বৈঠক বৃটেনের জন্য বিব্রতকর’ by তা...
- লন্ডনি কইন্যার ফাঁদ by ওয়েছ খছরু
- জঙ্গি মডিউলগুলো দ্রুত অকার্যকর করার নির্দেশ ভারতের...
- ‘রাজনীতি এখন মুনাফা অর্জনের হাতিয়ার’
- বাংলা ছবির শীর্ষ চরিত্রে হিজড়া
- এমআইটিতে ৬ জনে একজন যৌন নির্যাতনের শিকার
- লিঙ্গ বৈষম্যের ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশে
- গচ্চা দিয়ে গম আমদানি by দীন ইসলাম
- স্টেডিয়ামে মন্ত্রীর হেলিকপ্টার, অতঃপর... by রাশিদু...
- চাল রপ্তানি-আমদানির খেলা, দামে উত্তাপ by হামিদ বিশ...
- আমিরাত থেকে সুসংবাদ নেই by মিজানুর রহমান
- লেবাননে নির্যাতিতা শারমিনের আকুতি by রোকনুজ্জামান ...
- অবাধ নির্বাচনের তাগিদ বৃটিশ মন্ত্রীর
- মাটির নিচে পচে শেষ হতে চাই না
- পুরোনো ধাঁচের শাসনের জন্য হেরে গেল ইসলামপন্থীরা?
- নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড- বৃহস্পতি রবি ও সোমবার হরতাল শ...
- আনওয়ারের প্রত্যয়
- ২৮ অক্টোবরের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে এক কালো অধ...
- ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাম প্রকাশ করুন
- টেনেহিঁচড়েই মেরে ফেলল তাঁকে!
- চীনকে ভারতের বাধা
- সন্তানের বন্ধু হতে চাই
- আইএসবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশকে পাশে চায় আরব বিশ্ব ...
- নির্মম প্রতারণা
- চট্টগ্রাম হবে দণি এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক শহর : সিডিএ...
- সব ক্ষমতাই এমপির! by আবদুল্লাহ আল মামুন
-
▼
Oct 29
(67)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment