Monday, December 31, 2012
নারীর প্রতি সহিংসতা- কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন? by সোনিয়া আশরাফী
নারীর প্রতি সহিংসতা- কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন? by সোনিয়া আশরাফী
বিশ্বমানবতা আজ কাঁদছে গুমরে গুমরে। কাঁদছে রোষে উন্মাত্তাল হয়ে একটি ২৩ বছর বয়সী মেয়ের জন্য। আর্তনাদ উঠছে চারদিকে এই ভঙ্গুর, নষ্ট, পচা, ঘুণে ধরা পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার কারণে।
এ কোন সভ্যতা? এ কোন সভ্য সমাজ? এ কোন সভ্য দেশ, যেখানে এক তরুণী রাত ১০টায় বন্ধুর সঙ্গে বাসে উঠে বাড়ি ফেরার পথে পৈশাচিক লীলার বলি হন? তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন করা হয়, তাঁর শরীরকে হায়েনার খাদ্যে পরিণত করা হয়। বাদ যাননি তরুণীর বন্ধুটিও। দুজনকে রড দিয়ে বেদম প্রহার করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মৃত্যুর কোলে সমর্পিত হন এই তরুণী, ২৯ ডিসেম্বর।
এ তো গেল পাশের দেশ ভারতের কথা। ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশে খোদ রাজধানীর দক্ষিণখানের ব্র্যাক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২৭ বছর বয়সী চিকিৎসক সাজিয়া আরেফিন খুন হন ক্লিনিকের ভেতর কর্তব্যরত অবস্থায়। সাজিয়া ছিলেন দক্ষিণখানের নোয়াপাড়া আমতলায় ব্র্যাক পরিচালিত ব্র্যাক ক্লিনিকের খণ্ডকালীন চিকিৎসক। পুলিশের ভাষ্যমতে, সাজিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত এবং গলায় কালো দাগের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। আর এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী। পত্রিকা মারফত আরও জানা যায়, চিকিৎসক সাজিয়াকে খারাপ প্রস্তাব দেয় নিরাপত্তাকর্মী। আর তাতে রাজি না হওয়ায় বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখমের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এরই ২০ দিন আগে ৯ অক্টোবর নারীশিক্ষা আন্দোলনের অকুতোভয় কর্মী ১৪ বছরের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় গুলিবিদ্ধ হয়। বিদ্যালয় থেকে স্কুলবাসে করে বাড়ি ফেরার পথে তালেবানরা এ ঘটনা ঘটায়। যদি প্রশ্ন করা হয়, কী তার অপরাধ? উত্তর: এই কিশোরী নারীশিক্ষার কথা বলেছে। নারী স্বাধীনতার কথা বলেছে।
ওপরের ঘটনাগুলো খুবই বিচ্ছিন্ন। দেশ, কাল, সময়—সবই আলাদা। শুধু একটি জায়গাতেই মিল; তা হচ্ছে, সহিংসতার শিকার নারী; কেবল দেশ, কাল, পাত্রভেদে। এখানে মনে করার কোনো কারণ নেই যে তিনটি দেশে, শুধু এই তিন মাসে এই তিনটি ঘটনাই ঘটেছে। ঘটছে প্রতিদিন, প্রতিবেলায়, প্রতি রাতে। কিছু আমরা জানতে পারছি পত্রপত্রিকা থেকে, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু প্রত্যন্ত বাংলাদেশে, প্রত্যন্ত ভারতে বা প্রত্যন্ত পাকিস্তানে নারী জনগোষ্ঠীর কথা রয়ে যাচ্ছে সেই বুকের ভেতরেই জগদ্দল পাথরের মতো। কে তার খোঁজ রাখে?
বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন, পত্রপত্রিকা মারফত জানা যায়, নারীর এই সহিংসতার চালচিত্র প্রতিবছরই বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। একবিংশ শতাব্দীর মানুষ হিসেবে কত না আধুনিক দাবি করি নিজেদের। দাবি করি, আজকের ‘আমরাই শ্রেষ্ঠ’। এই কি শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ, যেখানে আমরা আমাদের আদিমতম পশুবৃত্তিকেই জলাঞ্জলি দিতে পারলাম না? আইপ্যাড, থ্রিজি মোবাইল, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কলাকৌশল আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা আজ অমরত্ব দাবি করছি। কিন্তু এই নীল বিষে ভরা অমরত্ব দিয়ে কী করব আমরা? এই তিন নারীর মধ্যে দুজন সহিংসতার শিকারে মৃত্যুবরণ করেন আর একজন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করি: কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটে? উত্তর কি এ রকম? ১. তাঁরা নারীশিক্ষার পথে ছিলেন? ২. তাঁরা নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চেয়েছিলেন? একজন চিকিৎসক হিসেবে পুরুষ চিকিৎসক যে কর্তব্য পালন করেন, নারী হয়ে সেই কর্তব্য পালনে সাড়া দিয়েছিলেন বলে? ৩. নাকি নারী বলে তাঁর পছন্দ, জাত, ভেদ কিছু নেই? ৪. নাকি নারী মাত্রই তিনি অবলা? ৫) অথবা নারী মানেই রাত ১০টায় ‘তুমি’ ফুর্তির সামগ্রী তা তোমার অভিভাবক, বন্ধু অথবা রক্ষাকর্তা থাকুন বা না-ই থাকুন? এই সভ্যতা আর সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীর প্রতি সহিংসতাকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে। সেই সময় এখনই। আর দেরি নয়। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র—সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরিবারে কেন আমরা শুধু মেয়ে বা নারীকে বলব সাবধানে থাকতে? নারীকে কী চোখে দেখবে—কেন পরিবার থেকে পুরুষকে সে শিক্ষা দেওয়া হয় না? কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন ছেলে শিক্ষার্থীকে নারীর প্রতি কী দৃষ্টিভঙ্গি হবে, তা বলা হয় না? কেন রাষ্ট্র নারীর প্রতি সহিংস ঘটনাকে নিছক এক ঘটনা মনে করে?
এই কেন-র উত্তর আমরা চাই। আর দুই দিন পর যে নতুন সূর্য উঠবে নতুন এক দিনের, সেই নতুন দিনে আমরা যাঁরা বিশ্বসভ্যতার অংশ, তাঁদের যেন আর এই লালসার দাবদাহে পুড়ে ছাই না হয়ে যেতে হয়। বলতে না হয়—
‘এ কোন মৃত্যু!
কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন?
শিয়রে যাদের ওঠে না কান্না, ঝরে না অশ্রু
হিমালয় থেকে সুন্দরবন কেঁপে কেঁপে ওঠে...’
নয়াদিল্লি থেকে
সোনিয়া আশরাফী: রিসার্চ ফেলো, জহওরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, নয়াদিল্লি।
এ তো গেল পাশের দেশ ভারতের কথা। ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশে খোদ রাজধানীর দক্ষিণখানের ব্র্যাক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২৭ বছর বয়সী চিকিৎসক সাজিয়া আরেফিন খুন হন ক্লিনিকের ভেতর কর্তব্যরত অবস্থায়। সাজিয়া ছিলেন দক্ষিণখানের নোয়াপাড়া আমতলায় ব্র্যাক পরিচালিত ব্র্যাক ক্লিনিকের খণ্ডকালীন চিকিৎসক। পুলিশের ভাষ্যমতে, সাজিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত এবং গলায় কালো দাগের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। আর এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী। পত্রিকা মারফত আরও জানা যায়, চিকিৎসক সাজিয়াকে খারাপ প্রস্তাব দেয় নিরাপত্তাকর্মী। আর তাতে রাজি না হওয়ায় বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখমের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এরই ২০ দিন আগে ৯ অক্টোবর নারীশিক্ষা আন্দোলনের অকুতোভয় কর্মী ১৪ বছরের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় গুলিবিদ্ধ হয়। বিদ্যালয় থেকে স্কুলবাসে করে বাড়ি ফেরার পথে তালেবানরা এ ঘটনা ঘটায়। যদি প্রশ্ন করা হয়, কী তার অপরাধ? উত্তর: এই কিশোরী নারীশিক্ষার কথা বলেছে। নারী স্বাধীনতার কথা বলেছে।
ওপরের ঘটনাগুলো খুবই বিচ্ছিন্ন। দেশ, কাল, সময়—সবই আলাদা। শুধু একটি জায়গাতেই মিল; তা হচ্ছে, সহিংসতার শিকার নারী; কেবল দেশ, কাল, পাত্রভেদে। এখানে মনে করার কোনো কারণ নেই যে তিনটি দেশে, শুধু এই তিন মাসে এই তিনটি ঘটনাই ঘটেছে। ঘটছে প্রতিদিন, প্রতিবেলায়, প্রতি রাতে। কিছু আমরা জানতে পারছি পত্রপত্রিকা থেকে, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু প্রত্যন্ত বাংলাদেশে, প্রত্যন্ত ভারতে বা প্রত্যন্ত পাকিস্তানে নারী জনগোষ্ঠীর কথা রয়ে যাচ্ছে সেই বুকের ভেতরেই জগদ্দল পাথরের মতো। কে তার খোঁজ রাখে?
বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন, পত্রপত্রিকা মারফত জানা যায়, নারীর এই সহিংসতার চালচিত্র প্রতিবছরই বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। একবিংশ শতাব্দীর মানুষ হিসেবে কত না আধুনিক দাবি করি নিজেদের। দাবি করি, আজকের ‘আমরাই শ্রেষ্ঠ’। এই কি শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ, যেখানে আমরা আমাদের আদিমতম পশুবৃত্তিকেই জলাঞ্জলি দিতে পারলাম না? আইপ্যাড, থ্রিজি মোবাইল, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কলাকৌশল আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা আজ অমরত্ব দাবি করছি। কিন্তু এই নীল বিষে ভরা অমরত্ব দিয়ে কী করব আমরা? এই তিন নারীর মধ্যে দুজন সহিংসতার শিকারে মৃত্যুবরণ করেন আর একজন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করি: কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটে? উত্তর কি এ রকম? ১. তাঁরা নারীশিক্ষার পথে ছিলেন? ২. তাঁরা নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চেয়েছিলেন? একজন চিকিৎসক হিসেবে পুরুষ চিকিৎসক যে কর্তব্য পালন করেন, নারী হয়ে সেই কর্তব্য পালনে সাড়া দিয়েছিলেন বলে? ৩. নাকি নারী বলে তাঁর পছন্দ, জাত, ভেদ কিছু নেই? ৪. নাকি নারী মাত্রই তিনি অবলা? ৫) অথবা নারী মানেই রাত ১০টায় ‘তুমি’ ফুর্তির সামগ্রী তা তোমার অভিভাবক, বন্ধু অথবা রক্ষাকর্তা থাকুন বা না-ই থাকুন? এই সভ্যতা আর সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীর প্রতি সহিংসতাকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে। সেই সময় এখনই। আর দেরি নয়। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র—সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরিবারে কেন আমরা শুধু মেয়ে বা নারীকে বলব সাবধানে থাকতে? নারীকে কী চোখে দেখবে—কেন পরিবার থেকে পুরুষকে সে শিক্ষা দেওয়া হয় না? কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন ছেলে শিক্ষার্থীকে নারীর প্রতি কী দৃষ্টিভঙ্গি হবে, তা বলা হয় না? কেন রাষ্ট্র নারীর প্রতি সহিংস ঘটনাকে নিছক এক ঘটনা মনে করে?
এই কেন-র উত্তর আমরা চাই। আর দুই দিন পর যে নতুন সূর্য উঠবে নতুন এক দিনের, সেই নতুন দিনে আমরা যাঁরা বিশ্বসভ্যতার অংশ, তাঁদের যেন আর এই লালসার দাবদাহে পুড়ে ছাই না হয়ে যেতে হয়। বলতে না হয়—
‘এ কোন মৃত্যু!
কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন?
শিয়রে যাদের ওঠে না কান্না, ঝরে না অশ্রু
হিমালয় থেকে সুন্দরবন কেঁপে কেঁপে ওঠে...’
নয়াদিল্লি থেকে
সোনিয়া আশরাফী: রিসার্চ ফেলো, জহওরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, নয়াদিল্লি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment