Saturday, November 3, 2012
নিজের জন্য শোক by আশাপূর্ণা দেবী
নিজের জন্য শোক by আশাপূর্ণা দেবী
মাঝরাতে ঘুমের মধ্যেই হঠাৎ ভয়ানক একটা অস্বস্তি অনুভব করলেন অবিনাশ। দমটা যেন বন্ধ হয়ে আসছে, বুকের মধ্যে অজানা একটা কষ্ট। ঘুম ভেঙে গেল, দেখলেন সর্বাঙ্গ ঘামে ভিজে গেছে, ঘাড়ের নিচে বালিশটা ভিজে থসথস করছে। উঠে বসতে গেলেন, পারলেন না।
ঘাড় তুলে বালিশটা উল্টে নিলে ভালো হয়; কিন্তু বুঝতে পারছেন পেরে উঠবেন না। হাত-পা নড়াতে পারছেন না, অবশ পাথর পাথর।
ষাটের কোঠা পার করতে চললেন অবিনাশ, জীবনে অনেক দেখেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তীব্র একটা প্রশ্নের রূপে অবিনাশের মস্তিষ্কের কোষে কোষে সব স্নায়ুর পর্দায় পর্দায় যেন তীক্ষ্ন একটা করাত চালিয়ে গেল।
আমার কি তাহলে স্ট্রোক হলো? এই বুকের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসার কষ্ট? এই যে ঘাম, এই যে হাত-পা অবশ লাগা, এ সবই তো স্ট্রোকের লক্ষণ।
আতঙ্কে অস্থির হয়ে চিৎকার করে উঠতে গেলেন অবিনাশ কোনো একটা কারুর নাম ধরে_হয়তো বড় ছেলের, হয়তো ছোট ছেলের, হয়তো নাতনিদের কারো, হয়তো বা শৈলবালারই! নাঃ, শৈলবালার হতে পারে না, কবে আবার শৈলবালাকে নাম ধরে ডেকেছেন অবিনাশ যে, সেটা মুখে এসে যাবে? অভ্যাসে না থাকলে মরণকালেও আসে না।... সেই জন্যই মহাপুরুষরা বলে থাকেন 'নামের' অভ্যাস করতে।
সে অভ্যাসও করা নেই অবিনাশের, তাই অভ্যাসগত কোনো ডাকই ডাকলেন; কিন্তু যাকেই ডেকে থাকুন, সে ডাক কারো কানে গিয়ে পেঁৗছল না, কারণ ডাকটা ভেতরেই হাঁচোড়-পাঁচোড় করছে, গলা দিয়ে স্বর বেরোচ্ছে না।
তার মানে অবিনাশের পক্ষাঘাত হয়ে গেল। অকস্মাৎ অতর্কিতে।
যে অবিনাশ বিছানায় শোবার আগে পর্যন্ত, উঁহু ঘুমিয়ে পড়ার আগে পর্যন্তও সুস্থ স্বাভাবিক সহজ ছিলেন।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিদিন যা যা করেন, সবই করেছেন এতটুকু ব্যতিক্রম হয়নি, শরীরে এতটুকু বৈলক্ষণ্য অনুভব করেননি।
নিত্যনিয়মে ভোরবেলা উঠে পার্কে বেড়াতে গেছেন এবং ফেরার সময় ছোট নাতির জন্য খাটাল থেকে সামনে দোয়া গরুর দুধটুকু নিয়ে এসেছেন, যথারীতি গোয়ালাটাকে একবার ধর্মজ্ঞান সম্পর্কে অবহিত করিয়ে দিয়ে।
ওরা অবশ্য অবিনাশকে এটা করতে বলেনি, নাতির মা-বাবা, অর্থাৎ অবিনাশের ছোট ছেলে আর তার বউ, তারা টিনের ফুডেই নির্ভরশীল ছিল, অবিনাশই স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে এ ব্যবস্থাটি করে ও দায় ঘাড়ে নিয়েছেন।
অ্যালুমিনিয়ামের যে পাত্রটি করে দুধ নিয়ে আসেন, সেটা নিয়েই বেড়াতে যান এবং নাতনিদের কাছে সগৌরবে ঘোষণা করেন, লোকে হাসল তো বয়েই গেল।
সে যাই হোক আজও যথারীতি বাড়ি ফিরেই একবার চা-টোস্ট খেয়েছেন এবং কাগজ পড়া সাঙ্গ করার পর আরো একবার হালুয়া, আলুমরিচ সহযোগে বড় কাপের চা পান করেছেন।
বুড়ো বয়সে সকালের দিকে খিদে যেন একটু বেশি পায়, অথচ বলতে লজ্জা করে, তাই নাতনিদের টিফিনের জন্য যা কিছু তৈরি হয়, অবিনাশ হঠাৎ হঠাৎ তার গন্ধ পেয়ে যান।
অবিনাশ টিফিনের রুটি-তরকারি নিয়ে যেতেন, অবিনাশের ছেলেরা লুচি-মিষ্টি, নাতনিরা টিফিনে অমন গবগব করে লুচি খেতে পারে না, সূক্ষ্ম কিছুর জোগান দিতে হয় ওদের। যেমন ডিম ভাজা, কুঁচো নিমকি, হালুয়া, আলুমরিচ ইত্যাদি।
রান্নাঘর থেকে বাতাসে তার সুবাস ভেসে এসে যেন উতলা করে তোলে অবিনাশকে। অবিনাশ খবরের কাগজখানা হাতে করেই অন্দরমহলের দিকে এগিয়ে যান।_শুনেছো খবর? মোতিহারীর কাছে বাস দুর্ঘটনায় একটা বিয়ের পার্টি একেবারে খতম!... অথবা উদাত্ত গলায় বলতে যান, কাণ্ড শুনেছো? গতকাল এক বিরাট অগি্নকাণ্ডের ফলে_
এসব সংবাদ পরিবেশনের টার্গেট অবশ্যই শৈলবালা, কারণ খবরের কাগজের সত্যিকার খবর রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কূটচাল-টালের কথা নিয়ে আলোচনা শৈলবালার সঙ্গে হতে পারে না, দেশের ব্যাপার নিয়ে মাথাব্যথার সময় নেই শৈলবালার। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেই শৈলবালা কর্তৃপক্ষের ওপর রেগে আগুন হন এবং দাম কিছু কমলেই প্রসন্ন হন। মন দিয়ে যদি শোনেন তো ওই ঘটনা ও দুর্ঘটনার খবর।... কী আর করা, ওইগুলোই আলোচ্য করতে হয়। তবে তেমন তাড়াতাড়ির সময় শৈলবালাও বলেন, থাক বাবু, ওসব আর এখন শোনাতে এসো না, সকালবেলাই মন খারাপ হয়ে যায়।
অবিনাশ কি আর বোঝেন না, ওই মন খারাপের কথাটা ছুতো মাত্র, ব্যস্ততার সময় খবরেই কান পাতার সময় নেই শৈলবালার। অবিনাশ বলে, না তাই বলছি, মানুষের বেঁচে থাকাটাই যেন এখন একটা আশ্চর্য ঘটনা হয়েছে_বলে একটু ঘুরঘুর করেই বলেন, গন্ধটা বেরোচ্ছে তো! হালুয়া করছো বুঝি?... আলুমরিচ ভাজছো না কি ডিম ভাজছো মনে হচ্ছে! ভাজছো কিসে? দালদায় না শর্ষের তেলে? গন্ধটা ভালো বেরিয়েছে।
তা ওই সূত্রেই হোক, আর শৈলবালার বিবেচনাতেই হোক, দ্বিতীয়বারের চায়ের সঙ্গে দ্বিতীয় একপ্রস্থ জলখাবার জোটে। আজও খেয়েছেন পরিতৃপ্তির সঙ্গে।
অবিনাশ মনে মনে যেন দিনটার ছবি দেখতে থাকেন, দেখতে চান কোথাও কিছু দুর্বলতার চিহ্ন প্রকাশ পেয়েছে কি না। কোথাও তো কিছু দেখছেন না।
তারপর যথারীতি বাজারেও গেছেন। এটাও দ্বিতীয় প্রস্থ, বড় ছেলে সকালবেলা চাকর সঙ্গে নিয়ে বাজার করে আনে, তবু ছেলেরা অফিসে চলে যাওয়ার পর অবিনাশ আর একবার ঝড়তি-পড়তি বাজারটা ঘুরে আসেন এবং অখাদ্য কিছু মাল এনে হাজির করেন, যা ওরা ছোঁয় না।... কিন্তু থোড়, পুঁইশাক, মুখিকচু, মৌরলা পুঁটি_এসব জিনিস খায় না মানুষ। খায় না তো বাজারে বিক্রি হয় কেন? যাকগে, কেউ না খাক অবিনাশ একাই খাবেন। শৈলবালাসুদ্ধ আজকাল ধুয়ো ধরেছেন, ওসব খেলে অম্বল হয়। ওটা কোনো কথাই নয়, ফ্যাশানি বউ-ছেলের কাছে সুয়ো হওয়া। অবিনাশ ওসব সুয়ো হওয়া-হওয়ির ধার ধারেন না। বরং ওই বউমাদের দেখিয়েই একটি গাদা করে চচ্চড়ি খান আজও।
আবার বিকেলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেয়েছেন, ছোট নাতনিকে স্কুল থেকে নিয়ে আসার ডিউটি পালন করেছেন, পার্কে গেছেন ছোট নাতির সঙ্গে, ঝি যায় গাড়ি ঠেলে নিয়ে, তবু অবিনাশ সঙ্গে যান। নিশ্চিন্ত হয়ে ঝিয়ের হাতে ছেড়ে দিতে রাজি হন না। যদিও নাতির মা মুখ টিপে হেসে বলে, কত বাচ্চাই তো লোকজনের সঙ্গেই পার্কে আসছে, কার আর দাদু আসছেন পাহারা দিতে?
তা বলুক, অবিনাশ যান, আজও গিয়েছিলেন। তারপর? তারপর আর কি, একে একে দুই ছেলে বাড়ি ফিরেছে, তাদের জন্য চা হয়েছে, সেই সঙ্গে যেমন খান একটু একটু খেয়েছেন, এবং আরো কিছুক্ষণ এটা-ওটা কথায় কাটিয়ে রাতের খাওয়া সেরে শুয়েছেন। এর মধ্যে কোথায় কোনখানে সেই বিরাট গহ্বরের ইশারা, যেখানে পা ফেলেই তলিয়ে গেলেন অবিনাশ সেন নামের লোকটা!
অবিনাশ আবার চেঁচাতে গেলেন, গলা দিয়ে শব্দ বার করতে পারলেন না, তার মানে সর্বশরীরেই পক্ষাঘাত হয়ে গেছে, জিভটাও বাদ দেয়নি সেই নিষ্ঠুর দস্যু।
পক্ষাঘাত! রোগটার বাজার-চলতি যে নামটা আছে, সেটা না ভেবে অবিনাশ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাতা থেকে তুলে আনলেন এই অপ্রচলিত শব্দটা। এ শব্দটা 'প্যারালিসিস'-এর থেকে অনেক বেশি ভয়ংকর, আর অনেক বেশি রূঢ় বলেই কি? দুঃখের পরিমাপ করতে যেটা দরকার হচ্ছে।
এখন গ্রীষ্মকাল, তবু সন্ধের দিকে একটা বড় গোছের কালবৈশাখী হয়ে গেছে বলে বাতাস হঠাৎ অনেকটা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল, অবিনাশের ঠাণ্ডা লাগার ধাত বলে মাথার দিকের জানালাটা বন্ধ, সামনের টেবিলে টেবল ফ্যানটা ঘুরছে মৃদুমন্দ গতিতে। ঘরটা সরু, শোবার ঘর হিসেবে গণ্যও ছিল না, তাই সিলিং ফ্যান নেই, দরকারও হয় না, পাশের জানালাটা খোলা থাকলে হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যায়, আজ জানালাটার একটা কপাট বন্ধ।
এ সবই ঠিকঠাক করে গেছেন শৈলবালা শুতে যাওয়ার আগে। যান না অবশ্য বেশি দূরে, পাশের ঘরেই তার অবস্থান। এ ঘরটা তো ছোট্ট এক ফালি, ব্যবধান সামান্যই, দু'ঘরের মাঝখানের দরজাটা খোলাই থাকে শুধু, একটা পর্দা ঝোলে তাতে।... তবু কত দূরদূরান্তের ব্যবধান।
বড় ছেলের মেয়ে দুটো ধাড়ি হয়ে ওঠা পর্যন্ত অবিনাশ একটি পরম বস্তু হারিয়েছেন, আযৌবনের অভ্যাস শৈলবালার সানি্নধ্য। সেটা হারাতে হয়েছে ওই তুচ্ছ কারণটার জন্য। ওদের মা-বাপের ভাগে একটা মাত্র ঘর, বড় হয়ে যাওয়া মেয়ে দুটোকে নিয়ে শোয়া নাকি সভ্যতা নয়, অতএব সভ্যতা আর শোভনতা বজায় রাখতে শৈলবালা একদিন নিজেই এ ব্যবস্থা চালু করে বসেছেন।
সাবেক কালের এই বাড়িটার যে ঘরটায় অবিনাশের ফুলশয্যা হয়েছে এবং তদবধি চিরটাকাল কাটিয়ে এসেছেন, সে ঘর থেকে নির্বাসন ঘটেছে অবিনাশের। বিয়ের পাওয়া সেই সেকেলে ঢাউস জোড়া খাটে শৈলবালা এখন দুই নাতনিকে নিয়ে মৌজ করে শোন, অবিনাশ এই সরু ঘরটা, একটা সরু চৌকিতে।
প্রথম এ ব্যবস্থার প্রস্তাবে অবিনাশের মাথায় যেন হঠাৎ বজ্রাঘাত হয়েছিল; কিন্তু শৈলবালা আগে থেকেই শাসিয়ে রেখেছিলেন, খবরদার এ নিয়ে একটি কথা মুখে আনবে না, তাহলে লজ্জার আর শেষ থাকবে না। অতএব দুঃখ-অভিমান-ক্রোধ-ক্ষোভ সব কিছুই মনের মধ্যে পুষে রেখে মুখে তালাচাবি দিয়ে আছেন অবিনাশ।
বড় ছেলে যখন বলে উঠেছে, এক হিসেবে এ ঘরটাই তো দেখছি বেটার, দক্ষিণে এমন একটা বড় জানালা রয়েছে, যেটা আপনার ও-ঘরে ছিল না_তখন অবিনাশ মুখের সামনে খবরের কাগজটা তুলে ধরেছেন।
আর বউমা যখন বলেছেন, ঘরটা আজেবাজে জঙ্গলে বোঝাই হয়ে থাকত, বোঝাই যেত না এত সুন্দর। পূর্ব-দক্ষিণের দুটো জানালা খোলা থাকলে বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায়, তাই না বাবা?... তখন অবিনাশ বলেছেন, বউমা, তোমাদের ধোপা আসবে কবে?
শৈলবালা অবশ্য বোঝেন, অবিনাশের নিশ্বাস ফেলার তারতম্যটুকু পর্যন্ত হাড়ে হাড়ে বোঝেন; কিন্তু সেই বুঝতে পারাটা অন্যকে বুঝতে দেন না, অবোধের ভানে থাকেন। তবু এখন অবিনাশ তার অন্তিম আর্তনাদ তাদের কানেই পেঁৗছাতে চেষ্টা করলেন, যারা তাঁর কথায় কর্ণপাত করাটা খুব একটা দরকারি মনে করে না।
কিন্তু পেঁৗছাচ্ছে কই? অবিনাশের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে, আর ঘাম বাড়ছে। দুঃখ-যন্ত্রণায় জোরে কেঁদে উঠতে চেষ্টা করলেন, আর তখন গলা থেকে একটা গোঁ গোঁ আওয়াজ বেরোল, অনেকটা যেন ক্রুর কোনো জন্তুর আর্তনাদের মতো।
এখন অবিনাশ তার বড় নাতনির গলা শুনতে পেলেন, দিদা, ও দিদা, দাদু কী রকম চেঁচাচ্ছে।
তার মানে শৈলবালা এখনো সুখনিদ্রায় বিভোর, এ আওয়াজ তার সেই ঘুমের গভীরে গিয়ে পেঁৗছতে পারেনি।... উঃ, অবিনাশ এই হাত কয়েক দূরে পড়ে থেকে মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছেন, আর শৈলবালা_
আবার বুকের কাছটায় কী যেন ড্যালা পাকিয়ে উঠল... তাই ভালো, সুখের ঘুম ভেঙে সকালে উঠে অবিনাশের মরামুখই যেন দেখে শৈলবালা আর তার ছেলেরা। মনে মনে স্ত্রী-পুত্রের প্রতি এই ভয়ংকর অভিশাপ বাণীটি উচ্চারণ করে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে চোখ দিয়ে এক ঝলক জল গড়িয়ে পড়ল অবিনাশের।
কিন্তু অবিনাশের অভিশাপ কার্যকর হলো না। পরক্ষণেই শৈলবালার সদ্য ঘুম ভাঙা আর্তস্বর_ও মা সে কী!
তৎপরক্ষণেই পর্দা নড়ল, শৈলবালার আলুথালু মূর্তিটি দেখা গেল পর্দার গায়ে।
অবিনাশ চোখ বুজলেন। জল গড়িয়ে পড়া চোখটা শৈলবালাকে দেখাতে ইচ্ছা হলো না। চোখ বুজে থেকেই অনুভব করলেন অবিনাশ, নাতনি দুটোও চলে এসেছে এ-ঘরে, আর মধ্যে ছোটটা তারস্বরে_বাপী বাপী, কাকু কাকু_রবে ডাকতে ডাকতে ছুটে বেরিয়েও গেল।
অবিনাশ অনুভব করছেন, শৈলবালা অবিনাশের সরু চৌকির কিনারাটুকুতেই বসে পড়ে অবিনাশের ডান হাতের নাড়িটা টিপে ধরেছেন। কবরেজ ঘরের মেয়ে এবং সহজাত বুদ্ধিতেও নাড়ি-জ্ঞানটা শৈলবালার প্রখর; আর সেই জ্ঞানটা সম্পর্কে রীতিমতো সচেতন। কারুর অসুখবিসুখ করলেই শৈলবালা আগে এসে তার নাড়িটা ধরেন।
অবিনাশ অনুভব করছেন শৈলবালা অবিনাশের হাতটা সাবধানে বিছানায় নামিয়ে দিয়ে তাকে ঠেলে ঠেলে আপ্রাণ ডাক দিচ্ছেন, শুনছো? ওগো শুনছো? কী কষ্ট হচ্ছে_শুনছো? খারাপ স্বপ্ন দেখেছো?
ইচ্ছে করলেই চোখটা খুলতে পারেন অবিনাশ, চোখের পাতায় পক্ষাঘাত হয়নি, তবু সে ইচ্ছে তিনি করলেন না। তিনি ওই আকুল ডাকটি উপভোগ করতে লাগলেন! শুনছো? ওগো বলো না কী কষ্ট হচ্ছে?... তার সঙ্গে শৈলবালার প্রেমস্পর্শ। অবশ্য এই স্বপি্নল উপভোগটি স্থায়ী হলো না, দুই ছেলেই এসে গেল। অবিনাশ চোখ বুজেই দেখতে পাচ্ছেন একজনের পরনে সিল্কের লুঙ্গি, আর একজনের ডোরাকাটা রাত-পায়জামা, বাপের বিছানার কাছে এসে দাঁড়িয়ে মুখ ঝুঁকিয়ে উচ্চ স্বরে ডাকছে, বাবা বাবা। তারপর নিচু গলায় বলল, ব্যাপারটা কী?
শৈলবালার উত্তর শুনতে পেলেন, কী জানি, রিঙ্কু আমায় ঠেলে জাগাল, দাদু কী রকম চেঁচাচ্ছেন বলে, এসে ডাকাডাকি করছি সাড়া পাচ্ছি না।
কিন্তু সুরটা এমন কেটে যাচ্ছে কেন? শৈলবালার কণ্ঠে তেমন হাহাকার ভাব ফুটল না কেন? বরং ক্ষণপূর্বের সেই ব্যস্ত আকুলতাও অন্তর্হিত, যেন বেশ আত্মস্থ ভাব। তার মানে ছেলেদের সামনে খেলো হবেন না। স্বামীর জন্য আকুলতা, এটা তাহলে শৈলবালার কাছে খেলোমি! হ্যাঁ তাই, আগেও এ জিনিস লক্ষ করেছেন অবিনাশ।
বড় ছেলে আরো একবার ডাকল, অবিনাশ সাড়া দিলেন না। ছেলেরা এখন ডাক্তারের কথা তুলল।
কে জানত চোখের ওপরকার ছোট্ট ছোট্ট এই পাতা দুটো এত বড় একটা আবরণ প্রাচীর, তার আড়ালে কতখানি আত্মগোপন করা যায়!
খুব দুঃখের সঙ্গে এখন অনুভব করছেন অবিনাশ বুকের সেই দারুণ কষ্টটা অনেক কমে গেছে, মনে হচ্ছে এখন বোধ হয় কথা বলতে পারবেন, ওদের ওই উদ্বেগকে এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়ে বলতে পারবেন, দোহাই বাবা, ডাক্তার-ফাক্তারকে আর এই মাঝরাত্তিরে ডাকতে যেতে হবে না। এক্ষুনি মরছে না তোদের বাবা।
মনে হচ্ছে বলতে পারবেন, সে অবস্থা হয়েছে, তবু বলতে চেষ্টা করলেন না অবিনাশ, দাঁতে দাঁত চেপে পড়েই রইলেন চোখ বন্ধ করে।
ভয়ানকভাবে অনুভব করছেন, কথা কয়ে উঠলেই হঠাৎ অবিনাশ সস্তা হয়ে যাবেন। নাঃ, এক্ষুনি সস্তা হয়ে যেতে ইচ্ছে নেই। বরং চোখ বুজে পড়ে সেই অবস্থাটা উপভোগ করবেন, ডাক্তার এলো পরীক্ষা করল, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন না শুনে ইশারায়-ইঙ্গিতে সন্দেহ প্রকাশ করল, সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস হওয়া বিচিত্র নয়। নির্দেশ দিল, একদম শুইয়ে রাখুন। কমপ্লিট রেস্ট।
তাহলে? তখন কিন্তু আর ছেলেরা বাপ সম্পর্কে এত উদাসীন থাকতে পারবেন না। আর শৈলবালা? শৈলবালার তখন উপযুক্ত শাস্তি হবে। এমন কায়মনোবাক্যে সারা দিন সংসার করে, ধর্মের সাক্ষী একবার রাতদুপুরে একটু জানালা বন্ধ আর পাখা খোলার কর্তব্য সেরে নাতনিদের নিয়ে আরাম-শয্যায় শুতে যাওয়া চলবে না।
ডাক্তারের প্রতীক্ষা করতে লাগলেন অবিনাশ_তার আবরণ প্রাচীরের আড়ালে থেকে; কিন্তু সে প্রতীক্ষা সফল হলো না। অবিনাশ নিজের বলার কথাটাই শৈলবালার কণ্ঠে শুনতে গেলেন, থাক রে খোকা, এক্ষুনি ডাক্তারকে ডাকাডাকি করতে যাওয়ার দরকার নেই।
ছোট ছেলে বলল, না ডাকাটা কি ঠিক হবে?
হবে! আমার মনে হচ্ছে অন্য কিছু না, স্বপ্ন-টপ্ন দেখে 'বোবায়' ধরেছিল। নাড়ি বেশ ভালোই আছে। কবরেজ বাড়ির মেয়ে। সে অহমিকাটুকু প্রকাশ করতে দ্বিধা রাখেন না। উঃ, কী নির্লজ্জ নিষ্ঠুরতা। ছেলেদের কাছে নিজের মহিমা বজায় রাখতে কী নির্মমতা!
রাগে সর্বাঙ্গ জ্বলে যায় অবিনাশের, মনের মধ্যে কথার চাষ চলে, বড় অহংকার দেখছি যে সর্বজ্ঞ হয়ে গেছো একেবারে! নাড়ি ভালো আছে! ভালো থাকতে কে মাথার দিব্যি দিয়েছিল তাকে। নিজের নাড়ির এই দুর্ব্যবহারে আর একবার চোখে জল আসে, চোখ জ্বালা করে সেই নোনা জলে, তবু চোখ খোলেন না।
শৈলবালার নিশ্চিন্ত গলার স্বর ধ্বনিত হয়, পাখাটা বাড়িয়ে দে তো রিঙ্কু। আর জানালাটা ভালো করে খুলে দে... এই শুনছো_ জল খাবে?
জল! শব্দটা শুনে অবিনাশের পুরো স্নায়ু উন্মুখ হয়ে উঠল। অনুভব করলেন ঠিক এ মুহূর্তে এটাই খুব দরকার হচ্ছিল তার। আর চোখ বুজে থাকা চলবে না। ওরা হয়তো সাড়া না পেয়ে জল আনবে না, বলবে_থাক ডিস্টার্ব করে কাজ নেই, জাগলে খাবেন। অবিনাশ চোখ খুললেন।
বড় ছেলে বলল, বাবা, জল খাবে?
বড় ছেলের এ কণ্ঠস্বর কত দিন শোনেননি অবিনাশ? এমন করুণায় কোমল স্নেহ স্নেহ। মাথা নেড়ে জানালেন_হ্যাঁ। বড় নাতনি তাড়াতাড়ি জল এনে দিল। এও নতুন, সবাই জানে, দাদু হচ্ছেন দিদার বিজনেস।
ছোট ছেলে বলল, কী হলো হঠাৎ? এ স্বরটাও যেন বহু যুগের ওপার হতে ভেসে আসার মতো।
অবিনাশ দুহাত উল্টে বললেন, কী জানি! হঠাৎ বুকটা কেমন_বলেই খেয়াল হলো, হাত বেশ ঠিকভাবেই নাড়াতে পারছেন। কথাও বলতে পারলেন। সবার অলক্ষ্যে পা-টা একটু নাড়িয়ে দেখলেন, নড়ল। তার মানে অবিনাশ সেন নামের এ প্রৌঢ় ভদ্রলোকটির সব ঠিক আছে।
ছোট ছেলে বলল, এখন ঠিক লাগছে? না, ডাক্তার ডাকার দরকার আছে?
ডাক্তার ডাকার দরকার আছে কি না এ প্রশ্নটা রোগীকে করার নয়, শুনে অভিমান হলো অবিনাশের। আবার চোখে জল এলো, মাথা নেড়ে বললেন, না।
তাহলে শান্ত হয়ে ঘুমোনোর চেষ্টা করো। বুকের ওপর হাত রেখে ঘুমিও না, ওতে অনেক সময় এ রকম হয়।
শৈলবালা বিছানার পাশ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে চাদর কুঁচকে যাওয়া ভাঁজগুলো হাত দিয়ে প্লেন করছিলেন, সহজভাবে বললেন, একটা কাজ কর খোকা, তোদের কী সব হজমের ওষুধ-টষুধ আছে, তাই একটু দে। মনে হচ্ছে পেট গরম হয়ে_
খুবই স্বাভাবিক। খোকা অনায়াসে বলে, এসে দেখে আমারও তাই মনে হয়েছিল_বয়েস হয়েছে তা তো ভাবেন না, খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে একটু ইয়ে হওয়া উচিত। অন্তত রাতের খাওয়াটা, আম-ফামগুলো না খেলেই ভালো হয়। আমার তো বাবার খাওয়া দেখে ভাবনাই হয়।
অবিনাশের মধ্যে যেন একটা প্রবল ভূমিকম্প হয়। তার এতক্ষণের আশার-আকাঙ্ক্ষার কষ্টে গড়া নিজের দাম মুহূর্তে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। অবিনাশ একটা নেহাত সস্তা বুড়োয় পরিণত হয়ে গেলেন, যে রকম বুড়োরা ওজন না বুঝে খেয়ে রোগে পড়ে ভোগে আর ভোগায়।
শৈলবালা একটা গেঞ্জি নিয়ে এসে বললেন, গায়ের গেঞ্জিটা ছেড়ে ফেল।... খোকা, বুদু তোরা ঘুমোগে, যা।
খোকা একটা হাই তুলে বলল, আর ঘুম! ঘুমের বারোটা বেজে গেল।
বুদু বলল, হ্যাঁ, মাঝরাত্তিরে এরকম হৈচৈ_আমারই পেটের মধ্যে কেমন করছে। ঘুম আর হবে বলে আশা নেই। বলল, কিন্তু চলেও গেল। বলল না ঘুম যখন হবেই না তখন না হয় বাবার কাছেই বসে থাকি একটু।
নাতনিরা তো জলখাওয়া দেখেই চলে গেছে। এখন একা শৈলবালা_তাও নড়াচড়ার ভঙ্গিতে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি সুস্পষ্ট।
অবিনাশ নির্লিপ্ত গলায় বললেন, তুমিও যাচ্ছ?
শৈলবালা অপ্রতিভভাবে বললেন, না, খোকা ওষুধটা দিয়ে যেতে ভুলে গেল কি না! দেখে এসে বসছি একটু।
বসে থাকতে হবে না, এখানেই শোও না!
শৈলবালা অবিনাশের পৌনে তিন ফুট চওড়া চৌকিটার দিকে তাকিয়ে আরো অপ্রতিভ গলায় বলেন, কী যে বলো_ভারী মাঠ-ময়দান বিছানা তোমার!
আশ্চর্য, এই কিছুদিন আগেও একসঙ্গেই শুয়েছেন শৈলবালা, অবশ্য সেই মাঠ-ময়দান খাটটাতে। আসলে কিছু অভ্যাস, একবার ছেড়ে দিলে, আর একবার সেটা করা যায় না। তাতে লজ্জা আছে। খাওয়া-পরা-শোয়া সব ব্যাপারেই।
অবিনাশ বললেন, একবার ট্রেনের বেঞ্চিতেও দুজনে এক কম্বল মুড়ি দিয়ে_
শৈলবালা তাড়াতাড়ি বললেন, থামো তো, সেদিন আর এদিন, এখন নাতনিরা দেখলে হাসবে না? যাই দেখি, খোকা কি করল_বলে উঠে গেলেন শৈলবালা। আমি ওষুধ খাব না, বলে অবিনাশ পাশ ফিরে দেওয়ালমুখো হয়ে শুলেন।
শৈলবালা বোধহয় দেখলেন শাপেবর। ছেলেরা ভুলেই গেছে_আবার তাদের ডাকাডাকি করতে লজ্জা করছে।... অহেতুক বসে থেকে অকারণেই টেবল ফ্যানটা একটু কমিয়ে-বাড়িয়ে আস্তে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।
নাতনি দুটো হয়তো জেগে আছে, ভাবতে পারে বুড়োবুড়ি এতক্ষণ কী প্রেমালাপ করছে। যৌবনে গুরুজনের কাছে লজ্জা, বার্ধক্যে লঘুজনের কাছে।
শৈলবালা চলে যেতেই আবার যেন কেমন দম আটকানো ভাব অনুভব করছেন অবিনাশ। উঠে বসলেন, গেঞ্জি না বদলেই আবার শুয়ে পড়লেন। আর শুয়ে শুয়ে প্রার্থনা করতে লাগলেন_ভগবান স্ট্রোকই হোক অবিনাশের।
পক্ষাঘাত নয়, একবারে চরম আঘাত। যাতে তার স্ত্রী-পুত্র সকালে এসে কপালে করাঘাত করে বলতে পারে_পেট গরম বলে চলে গিয়ে কী ভুল করেছি কাল!
বিশেষ করে শৈলবালা। সকালবেলা_কী গো, শরীর কেমন? বলে কর্তব্য সারতে এসে যখন দেখবেন তাঁর শাড়ি চুড়ি জন্মের শোধ খতম_তখন?
আবার একটা পৈশাচিক উল্লাস অনুভব করতে গেলেন, আবারও ব্যর্থ হলেন। অবিরল চোখের জলের ধারায় বালিশ ভিজতে লাগল।
অবিনাশ নামের একটা লোক একা একটা ঘরে নিঃশব্দে মরে পড়ে আছে, এই দৃশ্যটা ভাবতে গিয়ে বুক ফেটে যাচ্ছে অবিনাশের, যেন একজন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুদৃশ্য দেখছেন। সেই শায়িত মৃতদেহের দিকে চোখ ফেলছেন আর দম বন্ধ হয়ে কান্না উথলে আসছে, অথচ সেই নিঃসঙ্গ নিঃসঙ্গ দীন মৃত্যুটার জন্যই প্রার্থনা জানিয়ে চলেছেন অবিনাশ সেন।
ষাটের কোঠা পার করতে চললেন অবিনাশ, জীবনে অনেক দেখেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তীব্র একটা প্রশ্নের রূপে অবিনাশের মস্তিষ্কের কোষে কোষে সব স্নায়ুর পর্দায় পর্দায় যেন তীক্ষ্ন একটা করাত চালিয়ে গেল।
আমার কি তাহলে স্ট্রোক হলো? এই বুকের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসার কষ্ট? এই যে ঘাম, এই যে হাত-পা অবশ লাগা, এ সবই তো স্ট্রোকের লক্ষণ।
আতঙ্কে অস্থির হয়ে চিৎকার করে উঠতে গেলেন অবিনাশ কোনো একটা কারুর নাম ধরে_হয়তো বড় ছেলের, হয়তো ছোট ছেলের, হয়তো নাতনিদের কারো, হয়তো বা শৈলবালারই! নাঃ, শৈলবালার হতে পারে না, কবে আবার শৈলবালাকে নাম ধরে ডেকেছেন অবিনাশ যে, সেটা মুখে এসে যাবে? অভ্যাসে না থাকলে মরণকালেও আসে না।... সেই জন্যই মহাপুরুষরা বলে থাকেন 'নামের' অভ্যাস করতে।
সে অভ্যাসও করা নেই অবিনাশের, তাই অভ্যাসগত কোনো ডাকই ডাকলেন; কিন্তু যাকেই ডেকে থাকুন, সে ডাক কারো কানে গিয়ে পেঁৗছল না, কারণ ডাকটা ভেতরেই হাঁচোড়-পাঁচোড় করছে, গলা দিয়ে স্বর বেরোচ্ছে না।
তার মানে অবিনাশের পক্ষাঘাত হয়ে গেল। অকস্মাৎ অতর্কিতে।
যে অবিনাশ বিছানায় শোবার আগে পর্যন্ত, উঁহু ঘুমিয়ে পড়ার আগে পর্যন্তও সুস্থ স্বাভাবিক সহজ ছিলেন।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিদিন যা যা করেন, সবই করেছেন এতটুকু ব্যতিক্রম হয়নি, শরীরে এতটুকু বৈলক্ষণ্য অনুভব করেননি।
নিত্যনিয়মে ভোরবেলা উঠে পার্কে বেড়াতে গেছেন এবং ফেরার সময় ছোট নাতির জন্য খাটাল থেকে সামনে দোয়া গরুর দুধটুকু নিয়ে এসেছেন, যথারীতি গোয়ালাটাকে একবার ধর্মজ্ঞান সম্পর্কে অবহিত করিয়ে দিয়ে।
ওরা অবশ্য অবিনাশকে এটা করতে বলেনি, নাতির মা-বাবা, অর্থাৎ অবিনাশের ছোট ছেলে আর তার বউ, তারা টিনের ফুডেই নির্ভরশীল ছিল, অবিনাশই স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে এ ব্যবস্থাটি করে ও দায় ঘাড়ে নিয়েছেন।
অ্যালুমিনিয়ামের যে পাত্রটি করে দুধ নিয়ে আসেন, সেটা নিয়েই বেড়াতে যান এবং নাতনিদের কাছে সগৌরবে ঘোষণা করেন, লোকে হাসল তো বয়েই গেল।
সে যাই হোক আজও যথারীতি বাড়ি ফিরেই একবার চা-টোস্ট খেয়েছেন এবং কাগজ পড়া সাঙ্গ করার পর আরো একবার হালুয়া, আলুমরিচ সহযোগে বড় কাপের চা পান করেছেন।
বুড়ো বয়সে সকালের দিকে খিদে যেন একটু বেশি পায়, অথচ বলতে লজ্জা করে, তাই নাতনিদের টিফিনের জন্য যা কিছু তৈরি হয়, অবিনাশ হঠাৎ হঠাৎ তার গন্ধ পেয়ে যান।
অবিনাশ টিফিনের রুটি-তরকারি নিয়ে যেতেন, অবিনাশের ছেলেরা লুচি-মিষ্টি, নাতনিরা টিফিনে অমন গবগব করে লুচি খেতে পারে না, সূক্ষ্ম কিছুর জোগান দিতে হয় ওদের। যেমন ডিম ভাজা, কুঁচো নিমকি, হালুয়া, আলুমরিচ ইত্যাদি।
রান্নাঘর থেকে বাতাসে তার সুবাস ভেসে এসে যেন উতলা করে তোলে অবিনাশকে। অবিনাশ খবরের কাগজখানা হাতে করেই অন্দরমহলের দিকে এগিয়ে যান।_শুনেছো খবর? মোতিহারীর কাছে বাস দুর্ঘটনায় একটা বিয়ের পার্টি একেবারে খতম!... অথবা উদাত্ত গলায় বলতে যান, কাণ্ড শুনেছো? গতকাল এক বিরাট অগি্নকাণ্ডের ফলে_
এসব সংবাদ পরিবেশনের টার্গেট অবশ্যই শৈলবালা, কারণ খবরের কাগজের সত্যিকার খবর রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কূটচাল-টালের কথা নিয়ে আলোচনা শৈলবালার সঙ্গে হতে পারে না, দেশের ব্যাপার নিয়ে মাথাব্যথার সময় নেই শৈলবালার। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেই শৈলবালা কর্তৃপক্ষের ওপর রেগে আগুন হন এবং দাম কিছু কমলেই প্রসন্ন হন। মন দিয়ে যদি শোনেন তো ওই ঘটনা ও দুর্ঘটনার খবর।... কী আর করা, ওইগুলোই আলোচ্য করতে হয়। তবে তেমন তাড়াতাড়ির সময় শৈলবালাও বলেন, থাক বাবু, ওসব আর এখন শোনাতে এসো না, সকালবেলাই মন খারাপ হয়ে যায়।
অবিনাশ কি আর বোঝেন না, ওই মন খারাপের কথাটা ছুতো মাত্র, ব্যস্ততার সময় খবরেই কান পাতার সময় নেই শৈলবালার। অবিনাশ বলে, না তাই বলছি, মানুষের বেঁচে থাকাটাই যেন এখন একটা আশ্চর্য ঘটনা হয়েছে_বলে একটু ঘুরঘুর করেই বলেন, গন্ধটা বেরোচ্ছে তো! হালুয়া করছো বুঝি?... আলুমরিচ ভাজছো না কি ডিম ভাজছো মনে হচ্ছে! ভাজছো কিসে? দালদায় না শর্ষের তেলে? গন্ধটা ভালো বেরিয়েছে।
তা ওই সূত্রেই হোক, আর শৈলবালার বিবেচনাতেই হোক, দ্বিতীয়বারের চায়ের সঙ্গে দ্বিতীয় একপ্রস্থ জলখাবার জোটে। আজও খেয়েছেন পরিতৃপ্তির সঙ্গে।
অবিনাশ মনে মনে যেন দিনটার ছবি দেখতে থাকেন, দেখতে চান কোথাও কিছু দুর্বলতার চিহ্ন প্রকাশ পেয়েছে কি না। কোথাও তো কিছু দেখছেন না।
তারপর যথারীতি বাজারেও গেছেন। এটাও দ্বিতীয় প্রস্থ, বড় ছেলে সকালবেলা চাকর সঙ্গে নিয়ে বাজার করে আনে, তবু ছেলেরা অফিসে চলে যাওয়ার পর অবিনাশ আর একবার ঝড়তি-পড়তি বাজারটা ঘুরে আসেন এবং অখাদ্য কিছু মাল এনে হাজির করেন, যা ওরা ছোঁয় না।... কিন্তু থোড়, পুঁইশাক, মুখিকচু, মৌরলা পুঁটি_এসব জিনিস খায় না মানুষ। খায় না তো বাজারে বিক্রি হয় কেন? যাকগে, কেউ না খাক অবিনাশ একাই খাবেন। শৈলবালাসুদ্ধ আজকাল ধুয়ো ধরেছেন, ওসব খেলে অম্বল হয়। ওটা কোনো কথাই নয়, ফ্যাশানি বউ-ছেলের কাছে সুয়ো হওয়া। অবিনাশ ওসব সুয়ো হওয়া-হওয়ির ধার ধারেন না। বরং ওই বউমাদের দেখিয়েই একটি গাদা করে চচ্চড়ি খান আজও।
আবার বিকেলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেয়েছেন, ছোট নাতনিকে স্কুল থেকে নিয়ে আসার ডিউটি পালন করেছেন, পার্কে গেছেন ছোট নাতির সঙ্গে, ঝি যায় গাড়ি ঠেলে নিয়ে, তবু অবিনাশ সঙ্গে যান। নিশ্চিন্ত হয়ে ঝিয়ের হাতে ছেড়ে দিতে রাজি হন না। যদিও নাতির মা মুখ টিপে হেসে বলে, কত বাচ্চাই তো লোকজনের সঙ্গেই পার্কে আসছে, কার আর দাদু আসছেন পাহারা দিতে?
তা বলুক, অবিনাশ যান, আজও গিয়েছিলেন। তারপর? তারপর আর কি, একে একে দুই ছেলে বাড়ি ফিরেছে, তাদের জন্য চা হয়েছে, সেই সঙ্গে যেমন খান একটু একটু খেয়েছেন, এবং আরো কিছুক্ষণ এটা-ওটা কথায় কাটিয়ে রাতের খাওয়া সেরে শুয়েছেন। এর মধ্যে কোথায় কোনখানে সেই বিরাট গহ্বরের ইশারা, যেখানে পা ফেলেই তলিয়ে গেলেন অবিনাশ সেন নামের লোকটা!
অবিনাশ আবার চেঁচাতে গেলেন, গলা দিয়ে শব্দ বার করতে পারলেন না, তার মানে সর্বশরীরেই পক্ষাঘাত হয়ে গেছে, জিভটাও বাদ দেয়নি সেই নিষ্ঠুর দস্যু।
পক্ষাঘাত! রোগটার বাজার-চলতি যে নামটা আছে, সেটা না ভেবে অবিনাশ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের পাতা থেকে তুলে আনলেন এই অপ্রচলিত শব্দটা। এ শব্দটা 'প্যারালিসিস'-এর থেকে অনেক বেশি ভয়ংকর, আর অনেক বেশি রূঢ় বলেই কি? দুঃখের পরিমাপ করতে যেটা দরকার হচ্ছে।
এখন গ্রীষ্মকাল, তবু সন্ধের দিকে একটা বড় গোছের কালবৈশাখী হয়ে গেছে বলে বাতাস হঠাৎ অনেকটা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল, অবিনাশের ঠাণ্ডা লাগার ধাত বলে মাথার দিকের জানালাটা বন্ধ, সামনের টেবিলে টেবল ফ্যানটা ঘুরছে মৃদুমন্দ গতিতে। ঘরটা সরু, শোবার ঘর হিসেবে গণ্যও ছিল না, তাই সিলিং ফ্যান নেই, দরকারও হয় না, পাশের জানালাটা খোলা থাকলে হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যায়, আজ জানালাটার একটা কপাট বন্ধ।
এ সবই ঠিকঠাক করে গেছেন শৈলবালা শুতে যাওয়ার আগে। যান না অবশ্য বেশি দূরে, পাশের ঘরেই তার অবস্থান। এ ঘরটা তো ছোট্ট এক ফালি, ব্যবধান সামান্যই, দু'ঘরের মাঝখানের দরজাটা খোলাই থাকে শুধু, একটা পর্দা ঝোলে তাতে।... তবু কত দূরদূরান্তের ব্যবধান।
বড় ছেলের মেয়ে দুটো ধাড়ি হয়ে ওঠা পর্যন্ত অবিনাশ একটি পরম বস্তু হারিয়েছেন, আযৌবনের অভ্যাস শৈলবালার সানি্নধ্য। সেটা হারাতে হয়েছে ওই তুচ্ছ কারণটার জন্য। ওদের মা-বাপের ভাগে একটা মাত্র ঘর, বড় হয়ে যাওয়া মেয়ে দুটোকে নিয়ে শোয়া নাকি সভ্যতা নয়, অতএব সভ্যতা আর শোভনতা বজায় রাখতে শৈলবালা একদিন নিজেই এ ব্যবস্থা চালু করে বসেছেন।
সাবেক কালের এই বাড়িটার যে ঘরটায় অবিনাশের ফুলশয্যা হয়েছে এবং তদবধি চিরটাকাল কাটিয়ে এসেছেন, সে ঘর থেকে নির্বাসন ঘটেছে অবিনাশের। বিয়ের পাওয়া সেই সেকেলে ঢাউস জোড়া খাটে শৈলবালা এখন দুই নাতনিকে নিয়ে মৌজ করে শোন, অবিনাশ এই সরু ঘরটা, একটা সরু চৌকিতে।
প্রথম এ ব্যবস্থার প্রস্তাবে অবিনাশের মাথায় যেন হঠাৎ বজ্রাঘাত হয়েছিল; কিন্তু শৈলবালা আগে থেকেই শাসিয়ে রেখেছিলেন, খবরদার এ নিয়ে একটি কথা মুখে আনবে না, তাহলে লজ্জার আর শেষ থাকবে না। অতএব দুঃখ-অভিমান-ক্রোধ-ক্ষোভ সব কিছুই মনের মধ্যে পুষে রেখে মুখে তালাচাবি দিয়ে আছেন অবিনাশ।
বড় ছেলে যখন বলে উঠেছে, এক হিসেবে এ ঘরটাই তো দেখছি বেটার, দক্ষিণে এমন একটা বড় জানালা রয়েছে, যেটা আপনার ও-ঘরে ছিল না_তখন অবিনাশ মুখের সামনে খবরের কাগজটা তুলে ধরেছেন।
আর বউমা যখন বলেছেন, ঘরটা আজেবাজে জঙ্গলে বোঝাই হয়ে থাকত, বোঝাই যেত না এত সুন্দর। পূর্ব-দক্ষিণের দুটো জানালা খোলা থাকলে বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায়, তাই না বাবা?... তখন অবিনাশ বলেছেন, বউমা, তোমাদের ধোপা আসবে কবে?
শৈলবালা অবশ্য বোঝেন, অবিনাশের নিশ্বাস ফেলার তারতম্যটুকু পর্যন্ত হাড়ে হাড়ে বোঝেন; কিন্তু সেই বুঝতে পারাটা অন্যকে বুঝতে দেন না, অবোধের ভানে থাকেন। তবু এখন অবিনাশ তার অন্তিম আর্তনাদ তাদের কানেই পেঁৗছাতে চেষ্টা করলেন, যারা তাঁর কথায় কর্ণপাত করাটা খুব একটা দরকারি মনে করে না।
কিন্তু পেঁৗছাচ্ছে কই? অবিনাশের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে, আর ঘাম বাড়ছে। দুঃখ-যন্ত্রণায় জোরে কেঁদে উঠতে চেষ্টা করলেন, আর তখন গলা থেকে একটা গোঁ গোঁ আওয়াজ বেরোল, অনেকটা যেন ক্রুর কোনো জন্তুর আর্তনাদের মতো।
এখন অবিনাশ তার বড় নাতনির গলা শুনতে পেলেন, দিদা, ও দিদা, দাদু কী রকম চেঁচাচ্ছে।
তার মানে শৈলবালা এখনো সুখনিদ্রায় বিভোর, এ আওয়াজ তার সেই ঘুমের গভীরে গিয়ে পেঁৗছতে পারেনি।... উঃ, অবিনাশ এই হাত কয়েক দূরে পড়ে থেকে মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছেন, আর শৈলবালা_
আবার বুকের কাছটায় কী যেন ড্যালা পাকিয়ে উঠল... তাই ভালো, সুখের ঘুম ভেঙে সকালে উঠে অবিনাশের মরামুখই যেন দেখে শৈলবালা আর তার ছেলেরা। মনে মনে স্ত্রী-পুত্রের প্রতি এই ভয়ংকর অভিশাপ বাণীটি উচ্চারণ করে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে চোখ দিয়ে এক ঝলক জল গড়িয়ে পড়ল অবিনাশের।
কিন্তু অবিনাশের অভিশাপ কার্যকর হলো না। পরক্ষণেই শৈলবালার সদ্য ঘুম ভাঙা আর্তস্বর_ও মা সে কী!
তৎপরক্ষণেই পর্দা নড়ল, শৈলবালার আলুথালু মূর্তিটি দেখা গেল পর্দার গায়ে।
অবিনাশ চোখ বুজলেন। জল গড়িয়ে পড়া চোখটা শৈলবালাকে দেখাতে ইচ্ছা হলো না। চোখ বুজে থেকেই অনুভব করলেন অবিনাশ, নাতনি দুটোও চলে এসেছে এ-ঘরে, আর মধ্যে ছোটটা তারস্বরে_বাপী বাপী, কাকু কাকু_রবে ডাকতে ডাকতে ছুটে বেরিয়েও গেল।
অবিনাশ অনুভব করছেন, শৈলবালা অবিনাশের সরু চৌকির কিনারাটুকুতেই বসে পড়ে অবিনাশের ডান হাতের নাড়িটা টিপে ধরেছেন। কবরেজ ঘরের মেয়ে এবং সহজাত বুদ্ধিতেও নাড়ি-জ্ঞানটা শৈলবালার প্রখর; আর সেই জ্ঞানটা সম্পর্কে রীতিমতো সচেতন। কারুর অসুখবিসুখ করলেই শৈলবালা আগে এসে তার নাড়িটা ধরেন।
অবিনাশ অনুভব করছেন শৈলবালা অবিনাশের হাতটা সাবধানে বিছানায় নামিয়ে দিয়ে তাকে ঠেলে ঠেলে আপ্রাণ ডাক দিচ্ছেন, শুনছো? ওগো শুনছো? কী কষ্ট হচ্ছে_শুনছো? খারাপ স্বপ্ন দেখেছো?
ইচ্ছে করলেই চোখটা খুলতে পারেন অবিনাশ, চোখের পাতায় পক্ষাঘাত হয়নি, তবু সে ইচ্ছে তিনি করলেন না। তিনি ওই আকুল ডাকটি উপভোগ করতে লাগলেন! শুনছো? ওগো বলো না কী কষ্ট হচ্ছে?... তার সঙ্গে শৈলবালার প্রেমস্পর্শ। অবশ্য এই স্বপি্নল উপভোগটি স্থায়ী হলো না, দুই ছেলেই এসে গেল। অবিনাশ চোখ বুজেই দেখতে পাচ্ছেন একজনের পরনে সিল্কের লুঙ্গি, আর একজনের ডোরাকাটা রাত-পায়জামা, বাপের বিছানার কাছে এসে দাঁড়িয়ে মুখ ঝুঁকিয়ে উচ্চ স্বরে ডাকছে, বাবা বাবা। তারপর নিচু গলায় বলল, ব্যাপারটা কী?
শৈলবালার উত্তর শুনতে পেলেন, কী জানি, রিঙ্কু আমায় ঠেলে জাগাল, দাদু কী রকম চেঁচাচ্ছেন বলে, এসে ডাকাডাকি করছি সাড়া পাচ্ছি না।
কিন্তু সুরটা এমন কেটে যাচ্ছে কেন? শৈলবালার কণ্ঠে তেমন হাহাকার ভাব ফুটল না কেন? বরং ক্ষণপূর্বের সেই ব্যস্ত আকুলতাও অন্তর্হিত, যেন বেশ আত্মস্থ ভাব। তার মানে ছেলেদের সামনে খেলো হবেন না। স্বামীর জন্য আকুলতা, এটা তাহলে শৈলবালার কাছে খেলোমি! হ্যাঁ তাই, আগেও এ জিনিস লক্ষ করেছেন অবিনাশ।
বড় ছেলে আরো একবার ডাকল, অবিনাশ সাড়া দিলেন না। ছেলেরা এখন ডাক্তারের কথা তুলল।
কে জানত চোখের ওপরকার ছোট্ট ছোট্ট এই পাতা দুটো এত বড় একটা আবরণ প্রাচীর, তার আড়ালে কতখানি আত্মগোপন করা যায়!
খুব দুঃখের সঙ্গে এখন অনুভব করছেন অবিনাশ বুকের সেই দারুণ কষ্টটা অনেক কমে গেছে, মনে হচ্ছে এখন বোধ হয় কথা বলতে পারবেন, ওদের ওই উদ্বেগকে এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়ে বলতে পারবেন, দোহাই বাবা, ডাক্তার-ফাক্তারকে আর এই মাঝরাত্তিরে ডাকতে যেতে হবে না। এক্ষুনি মরছে না তোদের বাবা।
মনে হচ্ছে বলতে পারবেন, সে অবস্থা হয়েছে, তবু বলতে চেষ্টা করলেন না অবিনাশ, দাঁতে দাঁত চেপে পড়েই রইলেন চোখ বন্ধ করে।
ভয়ানকভাবে অনুভব করছেন, কথা কয়ে উঠলেই হঠাৎ অবিনাশ সস্তা হয়ে যাবেন। নাঃ, এক্ষুনি সস্তা হয়ে যেতে ইচ্ছে নেই। বরং চোখ বুজে পড়ে সেই অবস্থাটা উপভোগ করবেন, ডাক্তার এলো পরীক্ষা করল, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন না শুনে ইশারায়-ইঙ্গিতে সন্দেহ প্রকাশ করল, সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস হওয়া বিচিত্র নয়। নির্দেশ দিল, একদম শুইয়ে রাখুন। কমপ্লিট রেস্ট।
তাহলে? তখন কিন্তু আর ছেলেরা বাপ সম্পর্কে এত উদাসীন থাকতে পারবেন না। আর শৈলবালা? শৈলবালার তখন উপযুক্ত শাস্তি হবে। এমন কায়মনোবাক্যে সারা দিন সংসার করে, ধর্মের সাক্ষী একবার রাতদুপুরে একটু জানালা বন্ধ আর পাখা খোলার কর্তব্য সেরে নাতনিদের নিয়ে আরাম-শয্যায় শুতে যাওয়া চলবে না।
ডাক্তারের প্রতীক্ষা করতে লাগলেন অবিনাশ_তার আবরণ প্রাচীরের আড়ালে থেকে; কিন্তু সে প্রতীক্ষা সফল হলো না। অবিনাশ নিজের বলার কথাটাই শৈলবালার কণ্ঠে শুনতে গেলেন, থাক রে খোকা, এক্ষুনি ডাক্তারকে ডাকাডাকি করতে যাওয়ার দরকার নেই।
ছোট ছেলে বলল, না ডাকাটা কি ঠিক হবে?
হবে! আমার মনে হচ্ছে অন্য কিছু না, স্বপ্ন-টপ্ন দেখে 'বোবায়' ধরেছিল। নাড়ি বেশ ভালোই আছে। কবরেজ বাড়ির মেয়ে। সে অহমিকাটুকু প্রকাশ করতে দ্বিধা রাখেন না। উঃ, কী নির্লজ্জ নিষ্ঠুরতা। ছেলেদের কাছে নিজের মহিমা বজায় রাখতে কী নির্মমতা!
রাগে সর্বাঙ্গ জ্বলে যায় অবিনাশের, মনের মধ্যে কথার চাষ চলে, বড় অহংকার দেখছি যে সর্বজ্ঞ হয়ে গেছো একেবারে! নাড়ি ভালো আছে! ভালো থাকতে কে মাথার দিব্যি দিয়েছিল তাকে। নিজের নাড়ির এই দুর্ব্যবহারে আর একবার চোখে জল আসে, চোখ জ্বালা করে সেই নোনা জলে, তবু চোখ খোলেন না।
শৈলবালার নিশ্চিন্ত গলার স্বর ধ্বনিত হয়, পাখাটা বাড়িয়ে দে তো রিঙ্কু। আর জানালাটা ভালো করে খুলে দে... এই শুনছো_ জল খাবে?
জল! শব্দটা শুনে অবিনাশের পুরো স্নায়ু উন্মুখ হয়ে উঠল। অনুভব করলেন ঠিক এ মুহূর্তে এটাই খুব দরকার হচ্ছিল তার। আর চোখ বুজে থাকা চলবে না। ওরা হয়তো সাড়া না পেয়ে জল আনবে না, বলবে_থাক ডিস্টার্ব করে কাজ নেই, জাগলে খাবেন। অবিনাশ চোখ খুললেন।
বড় ছেলে বলল, বাবা, জল খাবে?
বড় ছেলের এ কণ্ঠস্বর কত দিন শোনেননি অবিনাশ? এমন করুণায় কোমল স্নেহ স্নেহ। মাথা নেড়ে জানালেন_হ্যাঁ। বড় নাতনি তাড়াতাড়ি জল এনে দিল। এও নতুন, সবাই জানে, দাদু হচ্ছেন দিদার বিজনেস।
ছোট ছেলে বলল, কী হলো হঠাৎ? এ স্বরটাও যেন বহু যুগের ওপার হতে ভেসে আসার মতো।
অবিনাশ দুহাত উল্টে বললেন, কী জানি! হঠাৎ বুকটা কেমন_বলেই খেয়াল হলো, হাত বেশ ঠিকভাবেই নাড়াতে পারছেন। কথাও বলতে পারলেন। সবার অলক্ষ্যে পা-টা একটু নাড়িয়ে দেখলেন, নড়ল। তার মানে অবিনাশ সেন নামের এ প্রৌঢ় ভদ্রলোকটির সব ঠিক আছে।
ছোট ছেলে বলল, এখন ঠিক লাগছে? না, ডাক্তার ডাকার দরকার আছে?
ডাক্তার ডাকার দরকার আছে কি না এ প্রশ্নটা রোগীকে করার নয়, শুনে অভিমান হলো অবিনাশের। আবার চোখে জল এলো, মাথা নেড়ে বললেন, না।
তাহলে শান্ত হয়ে ঘুমোনোর চেষ্টা করো। বুকের ওপর হাত রেখে ঘুমিও না, ওতে অনেক সময় এ রকম হয়।
শৈলবালা বিছানার পাশ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে চাদর কুঁচকে যাওয়া ভাঁজগুলো হাত দিয়ে প্লেন করছিলেন, সহজভাবে বললেন, একটা কাজ কর খোকা, তোদের কী সব হজমের ওষুধ-টষুধ আছে, তাই একটু দে। মনে হচ্ছে পেট গরম হয়ে_
খুবই স্বাভাবিক। খোকা অনায়াসে বলে, এসে দেখে আমারও তাই মনে হয়েছিল_বয়েস হয়েছে তা তো ভাবেন না, খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে একটু ইয়ে হওয়া উচিত। অন্তত রাতের খাওয়াটা, আম-ফামগুলো না খেলেই ভালো হয়। আমার তো বাবার খাওয়া দেখে ভাবনাই হয়।
অবিনাশের মধ্যে যেন একটা প্রবল ভূমিকম্প হয়। তার এতক্ষণের আশার-আকাঙ্ক্ষার কষ্টে গড়া নিজের দাম মুহূর্তে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। অবিনাশ একটা নেহাত সস্তা বুড়োয় পরিণত হয়ে গেলেন, যে রকম বুড়োরা ওজন না বুঝে খেয়ে রোগে পড়ে ভোগে আর ভোগায়।
শৈলবালা একটা গেঞ্জি নিয়ে এসে বললেন, গায়ের গেঞ্জিটা ছেড়ে ফেল।... খোকা, বুদু তোরা ঘুমোগে, যা।
খোকা একটা হাই তুলে বলল, আর ঘুম! ঘুমের বারোটা বেজে গেল।
বুদু বলল, হ্যাঁ, মাঝরাত্তিরে এরকম হৈচৈ_আমারই পেটের মধ্যে কেমন করছে। ঘুম আর হবে বলে আশা নেই। বলল, কিন্তু চলেও গেল। বলল না ঘুম যখন হবেই না তখন না হয় বাবার কাছেই বসে থাকি একটু।
নাতনিরা তো জলখাওয়া দেখেই চলে গেছে। এখন একা শৈলবালা_তাও নড়াচড়ার ভঙ্গিতে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি সুস্পষ্ট।
অবিনাশ নির্লিপ্ত গলায় বললেন, তুমিও যাচ্ছ?
শৈলবালা অপ্রতিভভাবে বললেন, না, খোকা ওষুধটা দিয়ে যেতে ভুলে গেল কি না! দেখে এসে বসছি একটু।
বসে থাকতে হবে না, এখানেই শোও না!
শৈলবালা অবিনাশের পৌনে তিন ফুট চওড়া চৌকিটার দিকে তাকিয়ে আরো অপ্রতিভ গলায় বলেন, কী যে বলো_ভারী মাঠ-ময়দান বিছানা তোমার!
আশ্চর্য, এই কিছুদিন আগেও একসঙ্গেই শুয়েছেন শৈলবালা, অবশ্য সেই মাঠ-ময়দান খাটটাতে। আসলে কিছু অভ্যাস, একবার ছেড়ে দিলে, আর একবার সেটা করা যায় না। তাতে লজ্জা আছে। খাওয়া-পরা-শোয়া সব ব্যাপারেই।
অবিনাশ বললেন, একবার ট্রেনের বেঞ্চিতেও দুজনে এক কম্বল মুড়ি দিয়ে_
শৈলবালা তাড়াতাড়ি বললেন, থামো তো, সেদিন আর এদিন, এখন নাতনিরা দেখলে হাসবে না? যাই দেখি, খোকা কি করল_বলে উঠে গেলেন শৈলবালা। আমি ওষুধ খাব না, বলে অবিনাশ পাশ ফিরে দেওয়ালমুখো হয়ে শুলেন।
শৈলবালা বোধহয় দেখলেন শাপেবর। ছেলেরা ভুলেই গেছে_আবার তাদের ডাকাডাকি করতে লজ্জা করছে।... অহেতুক বসে থেকে অকারণেই টেবল ফ্যানটা একটু কমিয়ে-বাড়িয়ে আস্তে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।
নাতনি দুটো হয়তো জেগে আছে, ভাবতে পারে বুড়োবুড়ি এতক্ষণ কী প্রেমালাপ করছে। যৌবনে গুরুজনের কাছে লজ্জা, বার্ধক্যে লঘুজনের কাছে।
শৈলবালা চলে যেতেই আবার যেন কেমন দম আটকানো ভাব অনুভব করছেন অবিনাশ। উঠে বসলেন, গেঞ্জি না বদলেই আবার শুয়ে পড়লেন। আর শুয়ে শুয়ে প্রার্থনা করতে লাগলেন_ভগবান স্ট্রোকই হোক অবিনাশের।
পক্ষাঘাত নয়, একবারে চরম আঘাত। যাতে তার স্ত্রী-পুত্র সকালে এসে কপালে করাঘাত করে বলতে পারে_পেট গরম বলে চলে গিয়ে কী ভুল করেছি কাল!
বিশেষ করে শৈলবালা। সকালবেলা_কী গো, শরীর কেমন? বলে কর্তব্য সারতে এসে যখন দেখবেন তাঁর শাড়ি চুড়ি জন্মের শোধ খতম_তখন?
আবার একটা পৈশাচিক উল্লাস অনুভব করতে গেলেন, আবারও ব্যর্থ হলেন। অবিরল চোখের জলের ধারায় বালিশ ভিজতে লাগল।
অবিনাশ নামের একটা লোক একা একটা ঘরে নিঃশব্দে মরে পড়ে আছে, এই দৃশ্যটা ভাবতে গিয়ে বুক ফেটে যাচ্ছে অবিনাশের, যেন একজন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুদৃশ্য দেখছেন। সেই শায়িত মৃতদেহের দিকে চোখ ফেলছেন আর দম বন্ধ হয়ে কান্না উথলে আসছে, অথচ সেই নিঃসঙ্গ নিঃসঙ্গ দীন মৃত্যুটার জন্যই প্রার্থনা জানিয়ে চলেছেন অবিনাশ সেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1337)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 03
(66)
- সেরা যৌন আবেদনময়ী
- জেএসসি পরীক্ষার্থীকে বাসা থেকে তুলে নিলেন যুবলীগ ন...
- সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত শেষ পর্যায়েঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ফতুল্লায় যুবদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ-৫
- তিন মাস কাজ রাখেননি রাখি by কামরুজ্জামান মিলু
- বেদেনী by তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- আম-কাঁঠালের ছুটি by জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
- আমৃত্যু, আজীবন by জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
- সময়ের প্রয়োজনে by জহির রায়হান
- লাশকাটা ঘর by কায়েস আহমেদ
- লাল জুতো by কমলকুমার মজুমদার
- গাহে অচিন পাখি by ইমদাদুল হক মিলন
- নারায়ণগঞ্জে বেকারি ও রেস্তোরাঁকে জরিমানা
- নৈশপ্রহরীর হাত-পা বেঁধে ট্রান্সফরমার নিয়ে গেছে দুর...
- কলেজছাত্রের কবজি কেটে নিল সন্ত্রাসীরা
- শুক্রবারের বিশেষ প্রতিবেদন- কৃষকবন্ধু ফিরোজ by ব...
- দাওয়াত না দেওয়ায়...
- জানুয়ারি থেকেই কর্মী নিতে পারে মালয়েশিয়া
- জেলহত্যা মামলা- আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিয়েছে রাষ্ট...
- যুবসমাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী- চাকরির পেছনে না ছুট...
- ধর্ম- সমাজে অপরাধের শাস্তির বিধান by মুহাম্মদ আব...
- কোরবানির পশুর চামড়া- আন্তর্জাতিক বাজারের মন্দা কি ...
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কঠোর হতে পারবেন কি?- কারাগারে ‘প...
- মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হবে কবে?- আরও একটি সড়ক ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব- খালেদার সফর ও আমাদের ‘নার্ভাস’ স...
- দূরদেশ- বিরল ঘটনার জন্ম দিলেন ক্রিস ক্রিস্টি by ...
- স্মরণ- সত্যিকারের বড় মাপের এক মানুষ by মিনার মনসুর
- নি র্বা চ ন বি চি ত্রা
- তৃতীয় পক্ষের প্রভাব
- নারী ভোটারদের ভূমিকা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন- বিজয়ী কি ঠিক হয়েই ...
- নিজের জন্য শোক by আশাপূর্ণা দেবী
- গেমস- যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা by সুমন পাটওয়ারী
- ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারে খেলনার আলো
- স্টিভ জবসের ভেনাস by রোকেয়া রহমান
- পদ্মাপাড়ে ওয়াই-ফাই by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- এল উইন্ডোজ ৮ by সাজিদুল হক
- বৃষ্টি by আলাউদ্দিন আল আজাদ
- বেসরকারি কম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ-সম্ভাব্য বিকল্প ন...
- জেলহত্যা দিবস-কলঙ্কমোচনের দায় এ জাতির
- যা নিয়ে আছি- বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবেই
- বমগার্টনারের সেই লাফ by রাজীব হাসান
- কিংবদন্তির পাহাড়, আছে কেবল নামেই by ওমর কায়সার
- ওস্তাদ আফজালুর রহমান
- সুরের আলোয় জীবন চলা by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- বাজারদর- সবজি, মাছ ও পেঁয়াজের দাম চড়া, কমেছে ডিম-ম...
- অকার্যকর রাজনীতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ উন্নতি করছে
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন- প্রান্তিক মায়ের প্রা...
- খালেদার অবস্থান পরিবর্তনে দিল্লির ‘সতর্ক’ আশাবাদ
- পদ্মা সেতু প্রকল্প- পদ্মা সেতু নিয়ে নতুন জটিলতা
- পবিত্র কোরআনের আলো-অবাধ্য ও বদ লোক পার্থিব জীবনে ব...
- এই তবে বাঁশখালীর প্রধান সড়ক! by সনেট দেব
- জেল হত্যাকাণ্ডের পেছনে by মাহমুদুল বাসার
- সীমান্তে মৃত্যু বন্ধ হবে তো? by নাজমুল হক
- ক্লিনিকে চিকিৎসা বাণিজ্য by শাকিল মাহ্মুদ,ইয়াসমিন ...
- ঘরে ফেরা! by এম আবদুল হাফিজ
- এক টাকা by মাহফুজুর রহমান মানিক
- আন্তর্জাতিক-মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেন্ডার ...
- কালের আয়নায়-জেলহত্যা এবং বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চ...
- শাহবাগ আন্ডারপাস-চিঠি চালাচালি না চলাচলের পথ?
- জেলহত্যা দিবস-খুনিদের বিচার হোক
- জাতীয় নেতাদের যথার্থ সম্মান দেখানো হোক by ড. মিল্ট...
- আজ জেলা হত্যা দিবস-পঁচাত্তরের তেসরা নভেম্বর by মুজ...
- লাইপসিশে সাড়া জাগালো ‘শুনতে কি পাও!’ by আরাফাতুল ...
- ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনঃ চীন-ভারতের পথে বাংলাদেশ by ...
- তেল গ্যাস নিয়ে নিউইয়র্কে তেলেসমাতি! by মাহমুদ মেনন
-
▼
Nov 03
(66)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment