Saturday, June 13, 2015
পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব
পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব
২৭ মে, ২০১৫ প্রথম আলোর আয়োজনে ‘পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত হলো আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিবছরই মাতৃমৃত্যু হ্রাস পাচ্ছে। কিন্তু ভৌগোলিক ও আর্থসামাজিক দিক থেকে দেশের অঞ্চলভেদে মাতৃমৃত্যু হারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন খুলনা বিভাগ থেকে সিলেটে মাতৃমৃত্যুর হার অনেক বেশি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাজ করতে হবে।
মাতৃমৃত্যু কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমিয়ে আনতে হলে বাংলাদেশের কতগুলো করণীয় রয়েছে। যেমন শিশুবিবাহ বন্ধ করতে হবে। কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পিছিয়ে পড়া জেলা ও দরিদ্র মায়েদের প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে দ্রুত বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। আলোচনায় এসব বিষয় আসবে। এখন আলোচনা করবেন জাহিদ মালেক।
আব্দুল কাইয়ুম
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যু হ্রাসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিবছরই মাতৃমৃত্যু হ্রাস পাচ্ছে। কিন্তু ভৌগোলিক ও আর্থসামাজিক দিক থেকে দেশের অঞ্চলভেদে মাতৃমৃত্যু হারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যেমন খুলনা বিভাগ থেকে সিলেটে মাতৃমৃত্যুর হার অনেক বেশি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাজ করতে হবে।
মাতৃমৃত্যু কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমিয়ে আনতে হলে বাংলাদেশের কতগুলো করণীয় রয়েছে। যেমন শিশুবিবাহ বন্ধ করতে হবে। কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। পিছিয়ে পড়া জেলা ও দরিদ্র মায়েদের প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে দ্রুত বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। আলোচনায় এসব বিষয় আসবে। এখন আলোচনা করবেন জাহিদ মালেক।
জাহিদ মালেক
মাতৃস্বাস্থ্যের
অবস্থা আগে খুব ভালো ছিল না। বর্তমানে এ ক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। তা
সত্ত্বেও আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারিনি। কিছুদিন আগে জাতিসংঘের একটি
সম্মেলনে গিয়েছিলাম। অনেক দেশের প্রতিনিধিরা সেখানে ছিলেন। এমডিজি অর্জন,
প্রজননস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশ্বের চারটি দেশের
প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে কথা বলার সুযোগ পান। এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
বাংলাদেশকে তারা সম্মানের সঙ্গে দেখে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে, বিশেষ করে
মাতৃস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে আমরা অল্প টাকায় অনেক বেশি উন্নয়ন করেছি। দেশে
মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার অনেক কমেছে। জাতিসংঘের ধারণামতে, বাংলাদেশে এখন
প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু ১৭০ জন। বিভিন্ন দেশে আমাদের স্বাস্থ্য
খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। টিকাদানে বাংলাদেশ বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটিয়েছে।
প্রতিবছর সাড়ে পাঁচ কোটি টিকা দেওয়া হয়।
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ পানি গ্রহণ করে। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহার করে। এ সবই মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। দেশে চিকিৎসাসেবা সহজতর হয়েছে। প্রতি ইউনিয়নে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। এখানে মা ও শিশুরা সেবা নিতে পারে। আমাদের দেশে চিকিৎসা খরচও কম।
দেশে মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় খুবই কম। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আমাদের থেকে অনেক বেশি। আমেরিকায় মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় ১২ হাজার ডলার। সেখানে আমরা কোথায় আছি, সেটাও ভাবতে হবে। এখন নারীরা শিক্ষায় অনেক বেশি অগ্রসর। ইউনিয়ন থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত তাঁদের ক্ষমতায়ন হচ্ছে। অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটছে। এসব নারীর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মাতৃমৃত্যু রোধে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে ক্লিনিকে প্রসবের হার অবশ্যই বাড়াতে হবে। শিশুবিবাহ বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের সরকার থেমে নেই। ক্রমাগত এসব ক্ষেত্রে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ পানি গ্রহণ করে। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহার করে। এ সবই মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। দেশে চিকিৎসাসেবা সহজতর হয়েছে। প্রতি ইউনিয়নে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। এখানে মা ও শিশুরা সেবা নিতে পারে। আমাদের দেশে চিকিৎসা খরচও কম।
দেশে মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় খুবই কম। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আমাদের থেকে অনেক বেশি। আমেরিকায় মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় ১২ হাজার ডলার। সেখানে আমরা কোথায় আছি, সেটাও ভাবতে হবে। এখন নারীরা শিক্ষায় অনেক বেশি অগ্রসর। ইউনিয়ন থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত তাঁদের ক্ষমতায়ন হচ্ছে। অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটছে। এসব নারীর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মাতৃমৃত্যু রোধে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে ক্লিনিকে প্রসবের হার অবশ্যই বাড়াতে হবে। শিশুবিবাহ বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের সরকার থেমে নেই। ক্রমাগত এসব ক্ষেত্রে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
রিয়াদ মাহমুদ
নিরাপদ
মাতৃত্বের ক্ষেত্রে কতগুলো বিষয় আলোচনা করতে চাই। গত বছর জাতিসংঘের
ধারণামতে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যুর হার ১৭০ জন। এ বছরের মধ্যে
আমাদের ১৪৩ জনে নামিয়ে আনতে হবে। এক জরিপ অনুসারে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে
মাতৃমৃত্যু যদি ১৪৩ জনে নামিয়ে আনতে হয়, তাহলে বছরে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ হারে
মাতৃমৃত্যু কমাতে হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যু ১৪৩ করতে
পারবে কি না, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।
দেশে দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসবের হারও বেশ ভালো। ৪২ শতাংশ মা দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করেন। এর মধ্যে ৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব। এটা একটা ইতিবাচক দিক। কিন্তু এর বেশির ভাগই বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। কীভাবে সরকারি হাসপাতালে প্রসবের হার বাড়ানো যায়, সেটা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।
ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তিন হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৫০ শতাংশ মা দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করাবেন। সেটা হয়নি। ৫৮ শতাংশ মা এখনো বাড়িতে অদক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করান।
২০০১ সালে পরোক্ষ কারণে মৃত্যু হয়েছিল ১৫ শতাংশ মায়ের। ২০১০ সালে এটা বেড়ে হয়েছে ৩৫ শতাংশ। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের সব ধরনের সেবার ব্যবস্থা নেই। ৪২ শতাংশ মা মারা যান প্রসবের ছয় ঘণ্টার মধ্যে। ৫৬ শতাংশ মারা যান প্রসবের প্রথম দিন। ৮০ শতাংশ প্রথম সপ্তাহে। কিন্তু দেশের দরিদ্র মায়েরা বাড়িতে প্রসব করান। কোনো জটিলতা হলে তাঁদের হাসপাতালে আনা সম্ভব হয় না। তাই যেকোনো মূল্যে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব বাড়াতে হবে।
দেশের অঞ্চলভেদে মাতৃমৃত্যুর হারের পার্থক্য নিরসন করতে হবে। যেমন খুলনার তুলনায় সিলেটে মাতৃমৃত্যুর হার সাত গুণ বেশি। সরকার ১৩২টি হেলথ কমপ্লেক্সকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে কাজ করছে। এখানেও সার্বক্ষণিক জরুরি প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা নেই। মাতৃমৃত্যু কমাতে হলে শিশুবিবাহ রোধ করতে হবে। প্রজননস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। আমরা ইউনিসেফ এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছি।
দেশে দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসবের হারও বেশ ভালো। ৪২ শতাংশ মা দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করেন। এর মধ্যে ৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব। এটা একটা ইতিবাচক দিক। কিন্তু এর বেশির ভাগই বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। কীভাবে সরকারি হাসপাতালে প্রসবের হার বাড়ানো যায়, সেটা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে।
ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তিন হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৫০ শতাংশ মা দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করাবেন। সেটা হয়নি। ৫৮ শতাংশ মা এখনো বাড়িতে অদক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব করান।
২০০১ সালে পরোক্ষ কারণে মৃত্যু হয়েছিল ১৫ শতাংশ মায়ের। ২০১০ সালে এটা বেড়ে হয়েছে ৩৫ শতাংশ। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের সব ধরনের সেবার ব্যবস্থা নেই। ৪২ শতাংশ মা মারা যান প্রসবের ছয় ঘণ্টার মধ্যে। ৫৬ শতাংশ মারা যান প্রসবের প্রথম দিন। ৮০ শতাংশ প্রথম সপ্তাহে। কিন্তু দেশের দরিদ্র মায়েরা বাড়িতে প্রসব করান। কোনো জটিলতা হলে তাঁদের হাসপাতালে আনা সম্ভব হয় না। তাই যেকোনো মূল্যে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব বাড়াতে হবে।
দেশের অঞ্চলভেদে মাতৃমৃত্যুর হারের পার্থক্য নিরসন করতে হবে। যেমন খুলনার তুলনায় সিলেটে মাতৃমৃত্যুর হার সাত গুণ বেশি। সরকার ১৩২টি হেলথ কমপ্লেক্সকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে কাজ করছে। এখানেও সার্বক্ষণিক জরুরি প্রসূতিসেবার ব্যবস্থা নেই। মাতৃমৃত্যু কমাতে হলে শিশুবিবাহ রোধ করতে হবে। প্রজননস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। আমরা ইউনিসেফ এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছি।
সামিহা শারমিন
আমি
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। আমার গর্ভকালীন তারা অনেক সহযোগিতা
করে। ব্যথা অনুভব করলে বৃহস্পতিবার একটি সরকারি হাসপাতালে যাই। কিন্তু
হাসপাতালে পৌঁছাতে রাত হয়। ইতিমধ্যে আরও বেশি ব্যথা হয়, খিঁচুনি ওঠে। তখন
হাসপাতালের লোকেরা বলে যে এখন আমাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়। আগামীকাল
শুক্রবার চিকিৎসক আসবেন না। তারপর আমি একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাই।
স্বাভাবিক প্রসব করা যেত কি না জানি না। আমার সিজার করা হয়। স্বাভাবিক
প্রসব করাতে পারলে বড় রকমের একটা খরচ থেকে রক্ষা পেতাম। বেসরকারি
হাসপাতালে আমার ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। মাঝেমধ্যে সন্তান অসুস্থ হয়, তারপরও
এখন মোটামুটি ভালো আছে।
সামিয়া আফরিন
বরিশালের
বরগুনায় কাজের অভিজ্ঞতা আছে। সেখানে মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের অনেক ভালো
ভবন আছে। কিন্তু সেবার মান খুবই খারাপ। গ্রামের নারীদের কাছে কি কখনো
জানতে চাই তিনি কোথায় সন্তান প্রসব করাতে চান? গ্রামের মানুষের হাসপাতালের
প্রতি একধরনের ভীতি আছে। তাঁরা হাসপাতালে আসতে চান না। তাঁর প্রতিবেশীর
কেউ হাসপাতালে ভালো সেবা পাননি।
হাসপাতালের রোগীদের অবহেলাসহ অনেক সমস্যার কথা শোনেন। এভাবে গ্রামের মায়েদের হাসপাতালের প্রতি একধরনের বিরূপ মনোভাব রয়েছে। আবার গ্রামের মায়েরা হাসপাতালে এলেই যে সেবা পাবেন, তার নিশ্চয়তা কী? আমাদের হাসপাতালগুলো কি প্রসূতি মা ও শিশুদের পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত? আমাদের অভিজ্ঞতা সেটা বলে না। আগে হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে ঢাকার আশপাশের হাসপাতালগুলোর অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও অন্য জেলা-উপজেলার অবস্থা খারাপ।
প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় লোকবল ও উপকরণের খুবই অভাব। নারীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা তাঁর অধিকার। এ অধিকার তাঁকে দিতে হবে। একজন মায়ের গর্ভধারণের আগে-পরে ও গর্ভকালীন মানসম্মত সেবার প্রয়োজন। সেবা দেওয়ার জন্য সরকারেরও ভালো উদ্যোগ আছে। কিন্তু কোথায় যেন একটা ফাঁক থাকছে এবং প্রসূতি মায়েরা সে ধরনের সেবা পাচ্ছেন না।
উপজেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত সব সরকারি হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটি আছে। কিন্তু এ কমিটির কোনো সভা হয় না। ফলে তাদের কোনো তদারক হাসপাতালগুলোতে নেই। হাসপাতালে সেবাদানকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
আর জন্মনিয়ন্ত্রণের সব দায়ভার যেন একমাত্র নারীর। পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণের উপকরণগুলোর প্রচার-প্রসার একেবারে নেই। এ বিষয়টিও আমাদের ভাবতে হবে।
হাসপাতালের রোগীদের অবহেলাসহ অনেক সমস্যার কথা শোনেন। এভাবে গ্রামের মায়েদের হাসপাতালের প্রতি একধরনের বিরূপ মনোভাব রয়েছে। আবার গ্রামের মায়েরা হাসপাতালে এলেই যে সেবা পাবেন, তার নিশ্চয়তা কী? আমাদের হাসপাতালগুলো কি প্রসূতি মা ও শিশুদের পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত? আমাদের অভিজ্ঞতা সেটা বলে না। আগে হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে ঢাকার আশপাশের হাসপাতালগুলোর অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও অন্য জেলা-উপজেলার অবস্থা খারাপ।
প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় লোকবল ও উপকরণের খুবই অভাব। নারীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা তাঁর অধিকার। এ অধিকার তাঁকে দিতে হবে। একজন মায়ের গর্ভধারণের আগে-পরে ও গর্ভকালীন মানসম্মত সেবার প্রয়োজন। সেবা দেওয়ার জন্য সরকারেরও ভালো উদ্যোগ আছে। কিন্তু কোথায় যেন একটা ফাঁক থাকছে এবং প্রসূতি মায়েরা সে ধরনের সেবা পাচ্ছেন না।
উপজেলা থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত সব সরকারি হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটি আছে। কিন্তু এ কমিটির কোনো সভা হয় না। ফলে তাদের কোনো তদারক হাসপাতালগুলোতে নেই। হাসপাতালে সেবাদানকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
আর জন্মনিয়ন্ত্রণের সব দায়ভার যেন একমাত্র নারীর। পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণের উপকরণগুলোর প্রচার-প্রসার একেবারে নেই। এ বিষয়টিও আমাদের ভাবতে হবে।
শামস আল আরিফিন
একজন
প্রসূতি মা রোগী নন। কিন্তু একজন চিকিৎসক সারাক্ষণ রোগী দেখে তাঁর
দক্ষতা বাড়াচ্ছেন। বেশির ভাগ মায়ের স্বাভাবিক প্রসব হয়। হয়তো ১৫ শতাংশের
সমস্যা হয়। ফলে প্রসূতি মায়ের সমস্যা হলে কীভাবে এর সমাধান হবে, সে দক্ষতা
চিকিৎসকেরা অর্জন করার সুযোগ পাচ্ছেন না। দক্ষতা অর্জনের সুযোগ খুব
জরুরি।
একজন মায়ের অধিকার আছে একটি হাসপাতালে নিরাপদে সন্তান প্রসবের। হাসপাতালে প্রসব বাড়াতে চাই। কিন্তু হাসপাতালগুলোর লোকবল, তাদের প্রসূতিসেবার দক্ষতা, প্রসবের উপকরণ—এসব ঠিক আছে কি না, সেটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি ঠিক না থাকে, তাহলে হাসপাতালে এসে প্রসবের সঠিক সেবা পাবেন না। এসব কারণে যদি মা সঠিক সেবা না পান বা কোনো কারণে যদি তাঁর মৃত্যু ঘটে, তাহলে মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হবে। হাসপাতালের প্রতি নিরুৎসাহিত হবে।
মাতৃমৃত্যুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ রয়েছে। পরোক্ষ কারণে ৩৫ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। দেশের অধিকাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাতৃমৃত্যুর পরোক্ষ কারণগুলো প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা নেই বা এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের পরোক্ষ কারণে যে ৩৫ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে, সে ব্যাপারে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
নমুনা জরিপ দিয়ে মাতৃমৃত্যুর সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে না। প্রতি মায়ের মৃত্যুকে হিসাবে আনতে হবে। এভাবে হিসাব না করলে মাতৃমৃত্যুর সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে না।
৪২ শতাংশ জন্ম দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে হচ্ছে। তাঁরা যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান, তাহলে ৪২ শতাংশ জন্মনিবন্ধন অন্তত সঠিক হয়। সেবাদানকারীদের আইনে বাধ্য করতে হবে জন্মের তথ্যটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য।
একজন মায়ের অধিকার আছে একটি হাসপাতালে নিরাপদে সন্তান প্রসবের। হাসপাতালে প্রসব বাড়াতে চাই। কিন্তু হাসপাতালগুলোর লোকবল, তাদের প্রসূতিসেবার দক্ষতা, প্রসবের উপকরণ—এসব ঠিক আছে কি না, সেটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি ঠিক না থাকে, তাহলে হাসপাতালে এসে প্রসবের সঠিক সেবা পাবেন না। এসব কারণে যদি মা সঠিক সেবা না পান বা কোনো কারণে যদি তাঁর মৃত্যু ঘটে, তাহলে মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হবে। হাসপাতালের প্রতি নিরুৎসাহিত হবে।
মাতৃমৃত্যুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ রয়েছে। পরোক্ষ কারণে ৩৫ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। দেশের অধিকাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাতৃমৃত্যুর পরোক্ষ কারণগুলো প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা নেই বা এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের পরোক্ষ কারণে যে ৩৫ শতাংশ মায়ের মৃত্যু হচ্ছে, সে ব্যাপারে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
নমুনা জরিপ দিয়ে মাতৃমৃত্যুর সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে না। প্রতি মায়ের মৃত্যুকে হিসাবে আনতে হবে। এভাবে হিসাব না করলে মাতৃমৃত্যুর সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে না।
৪২ শতাংশ জন্ম দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে হচ্ছে। তাঁরা যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান, তাহলে ৪২ শতাংশ জন্মনিবন্ধন অন্তত সঠিক হয়। সেবাদানকারীদের আইনে বাধ্য করতে হবে জন্মের তথ্যটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য।
মো. শহিদুল্লাহ
নবজাত
শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করি। কিন্তু শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকার সঙ্গে
মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকা অত্যন্ত জরুরি। গর্ভকালীন মায়ের সেবা সবচেয়ে
বেশি প্রয়োজন। এই সময়ে মায়ের কী কী সমস্যা হয়, সেটা চিহ্নিত করা প্রয়োজন।
কেবল চিহ্নিত করলেই হবে না, এসব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কত দ্রুত
কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, সেটা দেখতে হবে।
বেশি মাকে সেবার আওতায় আনলেই হবে না, তাঁদের পরিপূর্ণ সেবা দেওয়া জরুরি। ভারতে কিছুদিন আগেও সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ মা হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দিতেন। কিন্তু হঠাৎ করে বেড়ে হলো ৮০ শতাংশ। কারণ, তারা অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মায়েদের বাড়ি থেকে আনা ও পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আমাদের এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে পারি। এতে মায়েরা খুব খুশি হন। তাঁরা নিরাপত্তা বোধ করেন। একজন নার্সকে জিজ্ঞেস করলাম, কীভাবে কাজ করছেন? তিনি বললেন, ‘বিকেলে ও রাতে বাসায় থাকি। আয়া ডাকলে হাসপাতালে যাই।’ চিকিৎসক-নার্সদের হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। এটা খুব জরুরি। অধিকাংশ হাসপাতালেই সিজারিয়ান ডেলিভারি হয়। মিডওয়াইফদের সেবার মাধ্যমে এটা কমে আসবে বলে মনে করি। মিডওয়াইফ নিয়োগের বিষয়ে সরকারের সময়োপযোগী একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এখন যত দ্রুত মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া যায়, ততই মঙ্গল।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিকেলে ও রাতে ঊর্ধ্বতন চিকিৎসকেরা পর্যন্ত রুটিন করে নিয়মিত থাকেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব মা আসেন, তাঁদের প্রায় সারাক্ষণ পরিচর্যার মধ্যে রাখা হয়। মায়েদের কখন কী হয়, প্রায় সবকিছুই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অন্যান্য হাসপাতাল এভাবে কাজ করলে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে আশা করি।
বেশি মাকে সেবার আওতায় আনলেই হবে না, তাঁদের পরিপূর্ণ সেবা দেওয়া জরুরি। ভারতে কিছুদিন আগেও সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ মা হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দিতেন। কিন্তু হঠাৎ করে বেড়ে হলো ৮০ শতাংশ। কারণ, তারা অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মায়েদের বাড়ি থেকে আনা ও পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আমাদের এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে পারি। এতে মায়েরা খুব খুশি হন। তাঁরা নিরাপত্তা বোধ করেন। একজন নার্সকে জিজ্ঞেস করলাম, কীভাবে কাজ করছেন? তিনি বললেন, ‘বিকেলে ও রাতে বাসায় থাকি। আয়া ডাকলে হাসপাতালে যাই।’ চিকিৎসক-নার্সদের হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। এটা খুব জরুরি। অধিকাংশ হাসপাতালেই সিজারিয়ান ডেলিভারি হয়। মিডওয়াইফদের সেবার মাধ্যমে এটা কমে আসবে বলে মনে করি। মিডওয়াইফ নিয়োগের বিষয়ে সরকারের সময়োপযোগী একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এখন যত দ্রুত মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া যায়, ততই মঙ্গল।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিকেলে ও রাতে ঊর্ধ্বতন চিকিৎসকেরা পর্যন্ত রুটিন করে নিয়মিত থাকেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব মা আসেন, তাঁদের প্রায় সারাক্ষণ পরিচর্যার মধ্যে রাখা হয়। মায়েদের কখন কী হয়, প্রায় সবকিছুই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অন্যান্য হাসপাতাল এভাবে কাজ করলে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে আশা করি।
শামিনা শারমীন
৪২
শতাংশ মা প্রসবের ক্ষেত্রে দক্ষ সেবাদানকারীর সেবা নিচ্ছেন। কিন্তু আমরা
মূলত কাজ করছি দরিদ্র মায়েদের জন্য। এই দরিদ্র মায়েদের মাত্র ১৫ শতাংশ
হাসপাতালে যাচ্ছেন। ১৮ শতাংশ দক্ষ সেবাদানকারীর সেবা নিচ্ছেন। সন্তান জন্ম
দিতে গিয়ে দরিদ্র মায়েরাই বেশি মারা যাচ্ছেন। এ বিষয়টি আমাদের সামনে আনতে
হবে। এটি নিয়ে কাজ করতে হবে।
কিশোরীদের অল্প বয়সে বিয়ে হচ্ছে, অল্প বয়সে গর্ভধারণ করছে। অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তান ধারণের হার দরিদ্র মানুষদের মধ্যে বেশি। ১৮ বছর বয়সের নিচে বিয়ে বন্ধ করতে পারলে মেয়েরা ২০ বছরের আগে গর্ভধারণ করবে না। চিকিৎসক ও নার্সরা অন্য সব কাজের সঙ্গে প্রসূতি মায়ের দেখাশোনা করেন। ফলে তাঁরা পর্যাপ্ত সময় এসব মাকে দিতে পারেন না।
অন্যান্য দেশে মিডওয়াইফরা খুব দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। একজন মিডওয়াইফ মাকে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেন। অর্থাৎ গর্ভকালীন ও গর্ভ-পরবর্তী সময়ে যত ধরনের সমস্যা মায়ের হতে পারে, এসবের পূর্ণাঙ্গ সেবা মিডওয়াইফ মাকে দেন। এখন এমডিজি শেষ হচ্ছে। এসডিজি শুরু হচ্ছে। কান্ট্রি সেক্টর প্ল্যান তৈরি হচ্ছে।
হেলথ সেক্টর প্ল্যান তৈরি হচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে মানবসম্পদ স্ট্র্যাটেজিও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এখন অন্য যেসব বিষয় বাদ পড়ে গেছে, সেগুলো এ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবায় রেফারেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো মূল্যে রেফারেল-ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। এটা না থাকলে এ সেবায় উন্নয়ন আসবে না। সেবাগ্রহীতারা নিরাপত্তা বোধ করবেন না। স্বাস্থ্যসেবার প্রতি ক্ষেত্রে রেফারেল সিস্টেম থাকতে হবে।
কিশোরীদের অল্প বয়সে বিয়ে হচ্ছে, অল্প বয়সে গর্ভধারণ করছে। অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তান ধারণের হার দরিদ্র মানুষদের মধ্যে বেশি। ১৮ বছর বয়সের নিচে বিয়ে বন্ধ করতে পারলে মেয়েরা ২০ বছরের আগে গর্ভধারণ করবে না। চিকিৎসক ও নার্সরা অন্য সব কাজের সঙ্গে প্রসূতি মায়ের দেখাশোনা করেন। ফলে তাঁরা পর্যাপ্ত সময় এসব মাকে দিতে পারেন না।
অন্যান্য দেশে মিডওয়াইফরা খুব দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। একজন মিডওয়াইফ মাকে পূর্ণাঙ্গ সেবা দেন। অর্থাৎ গর্ভকালীন ও গর্ভ-পরবর্তী সময়ে যত ধরনের সমস্যা মায়ের হতে পারে, এসবের পূর্ণাঙ্গ সেবা মিডওয়াইফ মাকে দেন। এখন এমডিজি শেষ হচ্ছে। এসডিজি শুরু হচ্ছে। কান্ট্রি সেক্টর প্ল্যান তৈরি হচ্ছে।
হেলথ সেক্টর প্ল্যান তৈরি হচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে মানবসম্পদ স্ট্র্যাটেজিও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এখন অন্য যেসব বিষয় বাদ পড়ে গেছে, সেগুলো এ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবায় রেফারেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো মূল্যে রেফারেল-ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। এটা না থাকলে এ সেবায় উন্নয়ন আসবে না। সেবাগ্রহীতারা নিরাপত্তা বোধ করবেন না। স্বাস্থ্যসেবার প্রতি ক্ষেত্রে রেফারেল সিস্টেম থাকতে হবে।
মোহাম্মদ শরীফ
প্রসব–পরবর্তী
রক্তক্ষরণ কমানোর জন্য সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। দেড় বছর আগে এর জন্য বড়ি
কেনা হয়েছে। এ বড়ির মাধ্যমে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। চার জেলায় ৮০ শতাংশ
ফ্যাসিলিটি ডেলিভারি হচ্ছে। মা-মণি প্রকল্প ও প্ল্যানের সঙ্গে কাজ করে ৮০
শতাংশ ফ্যাসিলিটি ডেলিভারি করছি। মিডওয়াইফের জন্য আমাদের কাজ কিন্তু থেমে
নেই।
আজ যে ৪২ শতাংশ ফ্যাসিলিটি ডেলিভারি হচ্ছে, এর জন্য সবাই কাজ করছে। মিডওয়াইফের কাজও আমাদের মধ্য থেকে হচ্ছে। আমাদের এফডব্লিউভিরা (ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ভিজিটর) ১২ মাসের পরিবার পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ নেয়। ছয় মাসের মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ নেয়। এখন জাইকার সহযোগিতায় আরও ছয় মাসের মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আমাদের কর্মীরা সব দিক দিয়ে দক্ষ হয়ে উঠছেন। কাজের মানও আগের তুলনায় ভলো হচ্ছে। তবে তদারকের বিষয়ে আরও কিছুটা জোর দিতে হবে। তাহলে কাজের মান আরও বাড়বে। সবাইকে জবাবদিহির মধ্যে আনার বিষয়টিও ভাবতে হবে। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আগামী স্বাস্থ্যসেবার আরও অনেক উন্নয়ন হবে বলে আশা করি।
আজ যে ৪২ শতাংশ ফ্যাসিলিটি ডেলিভারি হচ্ছে, এর জন্য সবাই কাজ করছে। মিডওয়াইফের কাজও আমাদের মধ্য থেকে হচ্ছে। আমাদের এফডব্লিউভিরা (ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ভিজিটর) ১২ মাসের পরিবার পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ নেয়। ছয় মাসের মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ নেয়। এখন জাইকার সহযোগিতায় আরও ছয় মাসের মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আমাদের কর্মীরা সব দিক দিয়ে দক্ষ হয়ে উঠছেন। কাজের মানও আগের তুলনায় ভলো হচ্ছে। তবে তদারকের বিষয়ে আরও কিছুটা জোর দিতে হবে। তাহলে কাজের মান আরও বাড়বে। সবাইকে জবাবদিহির মধ্যে আনার বিষয়টিও ভাবতে হবে। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আগামী স্বাস্থ্যসেবার আরও অনেক উন্নয়ন হবে বলে আশা করি।
মোমেনা খাতুন
আমরা
২৪ ঘণ্টা সেবার কথা আলোচনা করছি। সত্যিকার অর্থে এটা একটা চ্যালেঞ্জ।
আমরা যতই বলি না কেন, এটা নিশ্চিত করা সত্যি কঠিন একটি কাজ। ২৫ বছর পরিবার
পরিকল্পনা অধিদপ্তরে কাজ করেছি। তখন আমরা মা-মণি প্রকল্পে এ সেবা চালু
করেছিলাম। এটা আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। এখন আরেকটি বিষয় হলো, আমার
কি সেবাকেন্দ্র বাড়াব, নাকি সেবার মান বাড়াব? এ বিষয়ে আমাদের ভাবনার সময়
এসেছে।
সেবাকেন্দ্রে তিনটি পেয়ার (জোড়া) কাজ করানো খুবই কঠিন। এ ক্ষেত্রে একটা সমাধান বের করতে হবে। আমাদের প্যাকেজ–সেবার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে কেউ কোনো কিছুর অভাবে বসে না থাকে। মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা শেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাচ্ছি। এই পর্যায়ে আমাদের সেবার মান কী হবে, সেটা ভাবতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকে, এফডব্লিউসিতে কতটা মানসম্পন্ন সেবা দিতে পারছি, সেটা ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। রেফারেলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব সেবাকেন্দ্রে যারা আসে, তারা আমাদের একান্ত আপনজন—এভাবে চিন্তা করতে হবে।
কানাডা সরকার মা ও শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করছে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে আরও উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করি।
সেবাকেন্দ্রে তিনটি পেয়ার (জোড়া) কাজ করানো খুবই কঠিন। এ ক্ষেত্রে একটা সমাধান বের করতে হবে। আমাদের প্যাকেজ–সেবার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে কেউ কোনো কিছুর অভাবে বসে না থাকে। মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা শেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাচ্ছি। এই পর্যায়ে আমাদের সেবার মান কী হবে, সেটা ভাবতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকে, এফডব্লিউসিতে কতটা মানসম্পন্ন সেবা দিতে পারছি, সেটা ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। রেফারেলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব সেবাকেন্দ্রে যারা আসে, তারা আমাদের একান্ত আপনজন—এভাবে চিন্তা করতে হবে।
কানাডা সরকার মা ও শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করছে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে আরও উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করি।
আন ইউনিয়ং
বাংলাদেশে
স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে যে পরিমাণ চিকিৎসক ও নার্স থাকার কথা, সেটা নেই।
প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। আমি শিশু চিকিৎসক। আমি বিভিন্ন দেশে গিয়েছি।
সেসব দেশে নার্সরা তিন শিফটে কাজ করেন। এক শিফট চলে যাওয়ার সময় অন্য শিফটের
কোথায় কী সমস্যা আছে, সেটা বুঝিয়ে দেয়। বাংলাদেশে এটার খুবই অভাব। নার্স
খুব কম সময় দেন বলে তাঁরা রোগীদের সব অবস্থা জানতে পারেন না। ফলে নার্সদের
মাধ্যমে চিকিৎসক রোগীদের সমস্যা সম্পর্কে তেমন কিছু জানতে পারেন না।
নার্সদের কথা বলার অধিকার, কাজের দক্ষতা বাড়াতে হবে।
কোয়েকা বাংলাদেশে প্রথম নার্সদের স্নাতকোত্তর পাঠক্রম চালু করতে যাচ্ছে। আগামী বছর থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নার্সদের পড়াশোনা শুরু হবে। নার্সদের সম্মানের জায়গা বৃদ্ধি করলে কাজের প্রতি তাঁদের মনোযোগ আরও বেশি হবে। বাংলাদেশের নার্সদের ব্যাপারে কোয়েকা বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।
কোয়েকা বাংলাদেশে প্রথম নার্সদের স্নাতকোত্তর পাঠক্রম চালু করতে যাচ্ছে। আগামী বছর থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নার্সদের পড়াশোনা শুরু হবে। নার্সদের সম্মানের জায়গা বৃদ্ধি করলে কাজের প্রতি তাঁদের মনোযোগ আরও বেশি হবে। বাংলাদেশের নার্সদের ব্যাপারে কোয়েকা বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।
উম্মে সালমা জাহান
সহস্রাব্দ
উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বলে দিচ্ছে আমরা মাতৃ ও শিশুমৃত্যু রোধে ভালো
করেছি। তবে আরও অনেক বেশি ভালো করার সুযোগ রয়েছে। আরও ভালো করতে পারলে
আমাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সহজ হবে।
আমরা ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সারা বাংলাদেশে চার শতাধিক সূর্যের হাসি চিহ্নিত ক্লিনিক আছে। ইউএসএআইডির সহযোগিতায় এসব ক্লিনিক পরিচালিত হয়।
মা-মণি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে স্থানীয় যে কমিটি আছে, সে কমিটিগুলোকে কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে আমরা কাজ করি। আমাদের পরিচালিত সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি পরিবার পরিকল্পনা এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু রোধে কাজ করছে। এবারের নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের মূল বিষয় ‘পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব’।
পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্বের চারটি স্তম্ভ আছে। এর প্রথমটি হলো পরিবার পরিকল্পনা। পরিকল্পিত জন্মের জন্য প্রয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন। নারীর ক্ষমতায়ন না হলে দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের অর্জন ধরে রাখতে পারব না। এ পর্যন্ত মাতৃ ও শিশুমৃত্যু রোধে আমাদের অর্জন খারাপ না। এ ক্ষেত্রে যদি গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে সামনে আরও উন্নয়ন করা কঠিন হবে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে হলে দক্ষ জনবলের কোনো বিকল্প নেই। অনেকে এ বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন। তবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে তথ্য-উপাত্ত খুব জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু জরিপ আমরা করি। এসব জরিপ থেকে বুঝতে পারি কোন ক্ষেত্রে কী করা প্রয়োজন।
আমরা ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সারা বাংলাদেশে চার শতাধিক সূর্যের হাসি চিহ্নিত ক্লিনিক আছে। ইউএসএআইডির সহযোগিতায় এসব ক্লিনিক পরিচালিত হয়।
মা-মণি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সঙ্গে স্থানীয় যে কমিটি আছে, সে কমিটিগুলোকে কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে আমরা কাজ করি। আমাদের পরিচালিত সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি পরিবার পরিকল্পনা এবং মাতৃ ও শিশুমৃত্যু রোধে কাজ করছে। এবারের নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের মূল বিষয় ‘পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব’।
পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্বের চারটি স্তম্ভ আছে। এর প্রথমটি হলো পরিবার পরিকল্পনা। পরিকল্পিত জন্মের জন্য প্রয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন। নারীর ক্ষমতায়ন না হলে দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের অর্জন ধরে রাখতে পারব না। এ পর্যন্ত মাতৃ ও শিশুমৃত্যু রোধে আমাদের অর্জন খারাপ না। এ ক্ষেত্রে যদি গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে সামনে আরও উন্নয়ন করা কঠিন হবে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে হলে দক্ষ জনবলের কোনো বিকল্প নেই। অনেকে এ বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন। তবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে তথ্য-উপাত্ত খুব জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক কিছু জরিপ আমরা করি। এসব জরিপ থেকে বুঝতে পারি কোন ক্ষেত্রে কী করা প্রয়োজন।
রওশন আরা
একজন
ভালো মায়ের জন্য একজন ভালো কিশোরী দরকার। কিশোরীদের স্বাস্থ্যের বিষয়
নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা বা কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখি না। আমাদের
স্কুল-কলেজ, হাটবাজার বা শহরের বিপণিবিতান মার্কেটগুলো কোনোটাই
কিশোরীবান্ধব না। একটা কিশোরীর ১৫ বছর বয়সে বিয়ে হচ্ছে। আমি তাকে বললাম,
তুমি ২০ বছরের আগে সন্তান নেবে না। এই পাঁচ বছর সে জন্ম নিরোধের জন্য কী
ব্যবহার করবে? অনেকে বড়ি খেতে পারে না, ইনজেকশন নিতে পারে না, কপারটি
ব্যবহার করতে পারে না, এসবে তার সমস্যা হয়। তাহলে এই মেয়েটির জন্য
স্বাস্থ্যসম্মত কী আছে? খুব বেশি নিরাপদ তেমন কিছু কিন্তু দেখি না। এ
ক্ষেত্রে সবাইকে ভাবতে হবে।
ছেলেরাও যাতে জন্মনিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব নিতে পারে, সেটিও আজ গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সব দায়িত্ব একজন নারীর না। মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। রক্তের পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য কিউ ম্যাট। কিন্তু আমরা রক্তক্ষরণ হতে দেব কেন?
যেসব মা বাড়িতে ধাইয়ের মাধ্যমে প্রসব করান, তাঁরা খুব সহজে মিজো প্রস্টল বড়ি কাছে রাখতে পারেন। মাকে এটা খাওয়ালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে। এটা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। এ বড়ি রাখার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় না।
ছেলেরাও যাতে জন্মনিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব নিতে পারে, সেটিও আজ গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সব দায়িত্ব একজন নারীর না। মাতৃমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। রক্তের পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য কিউ ম্যাট। কিন্তু আমরা রক্তক্ষরণ হতে দেব কেন?
যেসব মা বাড়িতে ধাইয়ের মাধ্যমে প্রসব করান, তাঁরা খুব সহজে মিজো প্রস্টল বড়ি কাছে রাখতে পারেন। মাকে এটা খাওয়ালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে। এটা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। এ বড়ি রাখার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় না।
মিজো প্রস্টল বড়ির ব্যাপারে সবাই সচেতন থাকলে মৃত্যুর একটা বড় কারণ
রোধ করা সম্ভব। মাতৃমৃত্যুর আর একটা বড় কারণ উচ্চরক্তচাপ। ম্যাকসাল
ইনজেকশন দিয়ে এটা বন্ধ করা যায়। আপাতত এ ইনজেকশন দিয়ে তাঁকে রেফারেলের
ব্যবস্থা করতে হবে।
রেফারেলের ব্যবস্থা থাকাটা খুবই জরুরি। উচ্চরক্তচাপ বন্ধের জন্য জাতীয়ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা একটা মানসম্পন্ন ওষুধ ঠিক করবেন, যেটা সবাই ব্যবহার করবেন। এখন যাঁর যেটা মনে হচ্ছে, সেটা ব্যবহার করছেন। সবাই মিলে চেষ্টা করলে উচ্চরক্তচাপ বন্ধ করা সম্ভব। আবার গর্ভকালীন সচেতন থাকলে জন্ডিস প্রতিরোধ করা যায়। জনবল যে একেবারে কম আছে, তা কিন্তু নয়। কিন্তু তদারকব্যবস্থা খুবই দুর্বল। যে জন্য আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারছি না।
রেফারেলের ব্যবস্থা থাকাটা খুবই জরুরি। উচ্চরক্তচাপ বন্ধের জন্য জাতীয়ভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা একটা মানসম্পন্ন ওষুধ ঠিক করবেন, যেটা সবাই ব্যবহার করবেন। এখন যাঁর যেটা মনে হচ্ছে, সেটা ব্যবহার করছেন। সবাই মিলে চেষ্টা করলে উচ্চরক্তচাপ বন্ধ করা সম্ভব। আবার গর্ভকালীন সচেতন থাকলে জন্ডিস প্রতিরোধ করা যায়। জনবল যে একেবারে কম আছে, তা কিন্তু নয়। কিন্তু তদারকব্যবস্থা খুবই দুর্বল। যে জন্য আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারছি না।
জাহিদ মালেকদিকনির্দেশনামূলক আলোচনা হয়েছে। অনেক
মতামত ও সুপারিশ এসেছে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা
করব। প্রতিটি কাজের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হয়। এ সরকারের রাজনৈতিক
সদিচ্ছা কতটা আছে, সেটা আপনারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখতে পাচ্ছেন।
সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক করেছে। এটা ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ-সুবিধা তৈরি না করলে কোথায় লোকবল দেবেন? কোথায় স্বাস্থ্যসেবার উপকরণ দেবেন? সরকার ৬ হাজার ৫০০ চিকিৎসক নিয়োগ করেছে। আরও নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে। ১০ হাজার নার্স নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ১০ থেকে ১২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ হচ্ছে।
কোনো একজন মা গর্ভধারণ থেকে প্রসব পর্যন্ত যেন কমপক্ষে একজন স্বাস্থ্যকর্মীর তত্ত্বাবধানে থাকেন, সে ব্যাপারে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। অ্যানেসথেটিস্ট নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। আমাদের কমিটিতেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, ৩ হাজার ২০০ সিনিয়র চিকিৎসকের পদ আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ পদ খালি। অ্যানেসথেটিস্ট প্রয়োজন ১ হাজার ৫০০ জন। পদ আছে ৫০০ জনের। বর্তমানে কাজ করছেন ২৫০ জন। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, আমরা উদ্যোগ নেব।
শিক্ষার অভাব ও দারিদ্র্য—এ দুটি বিষয় সমস্যা করছে বেশি। যে সমাজে এ দুটি সমস্যা রয়েছে, সেখানে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বেশি। সেখানে বাল্যবিবাহ বেশি। এ বিষয়ে আমাদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন বেশি হয়। প্রায় ৮০ শতাংশ অপারেশন হয় বেসরকারি হাসপাতালে। সবাই জানি কেন হয়? এখানে আর্থিক বিষয় জড়িত। এ দিকটি আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
যেসব এলাকায় মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বেশি, সেখানে ব্যবস্থা নেব। প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য আমাদের দেশে চিকিৎসকসহ ছয়জন সেবাকর্মী আছেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই সংখ্যা ২৩ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ২৭ জন প্রয়োজন। চীনে আছেন ২৪ জন। ইউরোপে ৬০ জন। স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা না বাড়ালে আমরা কীভাবে সেবা দেব? এ বিষয়টি ভাবতে হবে।
মিডওয়াইফ বিশ্বে খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। মা ও শিশু, কিশোরী সবাইকে তাঁরা প্রয়োজনীয় সেবা দেন। ৮৭ শতাংশ সেবা মিডওয়াইফরা দিয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আমাদের দেশে মিডওয়াইফের সেবা শুরু হতে যাচ্ছে।
সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক করেছে। এটা ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ-সুবিধা তৈরি না করলে কোথায় লোকবল দেবেন? কোথায় স্বাস্থ্যসেবার উপকরণ দেবেন? সরকার ৬ হাজার ৫০০ চিকিৎসক নিয়োগ করেছে। আরও নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে। ১০ হাজার নার্স নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ১০ থেকে ১২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ হচ্ছে।
কোনো একজন মা গর্ভধারণ থেকে প্রসব পর্যন্ত যেন কমপক্ষে একজন স্বাস্থ্যকর্মীর তত্ত্বাবধানে থাকেন, সে ব্যাপারে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। অ্যানেসথেটিস্ট নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। আমাদের কমিটিতেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, ৩ হাজার ২০০ সিনিয়র চিকিৎসকের পদ আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ পদ খালি। অ্যানেসথেটিস্ট প্রয়োজন ১ হাজার ৫০০ জন। পদ আছে ৫০০ জনের। বর্তমানে কাজ করছেন ২৫০ জন। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, আমরা উদ্যোগ নেব।
শিক্ষার অভাব ও দারিদ্র্য—এ দুটি বিষয় সমস্যা করছে বেশি। যে সমাজে এ দুটি সমস্যা রয়েছে, সেখানে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বেশি। সেখানে বাল্যবিবাহ বেশি। এ বিষয়ে আমাদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন বেশি হয়। প্রায় ৮০ শতাংশ অপারেশন হয় বেসরকারি হাসপাতালে। সবাই জানি কেন হয়? এখানে আর্থিক বিষয় জড়িত। এ দিকটি আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
যেসব এলাকায় মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার বেশি, সেখানে ব্যবস্থা নেব। প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য আমাদের দেশে চিকিৎসকসহ ছয়জন সেবাকর্মী আছেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই সংখ্যা ২৩ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ২৭ জন প্রয়োজন। চীনে আছেন ২৪ জন। ইউরোপে ৬০ জন। স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা না বাড়ালে আমরা কীভাবে সেবা দেব? এ বিষয়টি ভাবতে হবে।
মিডওয়াইফ বিশ্বে খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। মা ও শিশু, কিশোরী সবাইকে তাঁরা প্রয়োজনীয় সেবা দেন। ৮৭ শতাংশ সেবা মিডওয়াইফরা দিয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আমাদের দেশে মিডওয়াইফের সেবা শুরু হতে যাচ্ছে।
আব্দুল কাইয়ুমপরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব
আমাদের সবার কাম্য। এ জন্য প্রয়োজন হাসপাতালগুলোর প্রসূতি ও প্রসবজনিত
সেবার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা। পর্যাপ্ত জনবল ও প্রয়োজনীয়
সুযোগ-সুবিধার অভাবে মায়েরা সঠিক সেবা পাচ্ছেন না বলে আলোচনায় এসেছে।
সঠিক তদারকী না থাকায় সেবাদানকারীরা ঠিকভাবে কাজ করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। সেবাদানকারীদের জবাবদিহির বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে অনেকে জোর দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
শতাংশ মা হাসপাতালে প্রসব করেন
সঠিক তদারকী না থাকায় সেবাদানকারীরা ঠিকভাবে কাজ করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। সেবাদানকারীদের জবাবদিহির বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে অনেকে জোর দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
শতাংশ মা হাসপাতালে প্রসব করেন
মাতৃমৃত্যু রোধে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে প্রসবের হার বাড়াতে হবে
* এখন প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু হয় ১৭০ জনের
* মাতৃ–স্বাস্থ্যসেবার হার বাড়লেও গুণগত মান বাড়েনি
* সিলেট বিভাগে মাতৃমৃত্যুর হার খুলনা বিভাগ থেকে সাত গুণ বেশি, তাই অঞ্চলভিত্তিক কৌশল নিতে হবে
* সব জেলা ও নির্দিষ্ট উপজেলা হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতি সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে
* শিশুবিবাহ ও কৈশোরে গর্ভধারণ বন্ধ করতে হবে
সূত্র: বিএমএমএস, বিডিএইচএস ২০১৪, যৌথ জাতিসংঘ প্রতিবেদন ২০১৩
* এখন প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু হয় ১৭০ জনের
* মাতৃ–স্বাস্থ্যসেবার হার বাড়লেও গুণগত মান বাড়েনি
* সিলেট বিভাগে মাতৃমৃত্যুর হার খুলনা বিভাগ থেকে সাত গুণ বেশি, তাই অঞ্চলভিত্তিক কৌশল নিতে হবে
* সব জেলা ও নির্দিষ্ট উপজেলা হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতি সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে
* শিশুবিবাহ ও কৈশোরে গর্ভধারণ বন্ধ করতে হবে
সূত্র: বিএমএমএস, বিডিএইচএস ২০১৪, যৌথ জাতিসংঘ প্রতিবেদন ২০১৩
আলোচনায় সুপারিশ
* মাতৃমৃত্যু রোধে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে ক্লিনিকে প্রসবের হার অবশ্যই বাড়াতে হবে। শিশুবিবাহ বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে।
* একজন মাকে জরুরি প্রসূতিসেবা দেওয়ার জন্য অ্যানেসথেটিস্ট ও টেকনিক্যাল জনবল দরকার। সব হাসপাতালে এটা নিশ্চিত করতে হবে
* হাসপাতালে সেবাদানকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে
* প্রথম প্রয়োজন হাসপাতালগুলোকে মানসম্পন্নভাবে গড়ে তোলা
* চিকিৎসক-নার্সদের হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে
যাঁরা অংশ নিলেন
জাহিদ মালেক : প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মোহাম্মদ শরীফ : পরিচালক, (মা ও শিশু) লাইন ডিরেক্টর (এমসিআরএএইচ), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
রওশন আরা : সভাপতি, ওজিএসবি
মো. শহিদুল্লাহ : বিভাগীয় প্রধান, নিয়োনাটালজি, বিএসএমএমইউ
আন ইউনিয়ং : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, কোয়েকা
মোমেনা খাতুন : সিনিয়র স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ডিফ্যাটডি, কানাডা
শামিনা শারমীন : ম্যাটারনাল হেলথ স্পেশালিস্ট, ইউএনএফপিএ, বাংলাদেশ
উম্মে সালমা জাহান : ইউএসএআইডি
সামিয়া আফরিন : প্রকল্প ব্যবস্থাপক, নারীপক্ষ
রিয়াদ মাহমুদ : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ইউনিসেফ
শামস আল আরিফিন : পরিচালক, আইসিডিডিআরবি
সামিহা শারমিন : হাসপাতালে সেবাপ্রাপ্ত সন্তানের মা, পশ্চিম আগারগাঁও
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
* মাতৃমৃত্যু রোধে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে ক্লিনিকে প্রসবের হার অবশ্যই বাড়াতে হবে। শিশুবিবাহ বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে।
* একজন মাকে জরুরি প্রসূতিসেবা দেওয়ার জন্য অ্যানেসথেটিস্ট ও টেকনিক্যাল জনবল দরকার। সব হাসপাতালে এটা নিশ্চিত করতে হবে
* হাসপাতালে সেবাদানকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে
* প্রথম প্রয়োজন হাসপাতালগুলোকে মানসম্পন্নভাবে গড়ে তোলা
* চিকিৎসক-নার্সদের হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে
যাঁরা অংশ নিলেন
জাহিদ মালেক : প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মোহাম্মদ শরীফ : পরিচালক, (মা ও শিশু) লাইন ডিরেক্টর (এমসিআরএএইচ), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
রওশন আরা : সভাপতি, ওজিএসবি
মো. শহিদুল্লাহ : বিভাগীয় প্রধান, নিয়োনাটালজি, বিএসএমএমইউ
আন ইউনিয়ং : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, কোয়েকা
মোমেনা খাতুন : সিনিয়র স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ডিফ্যাটডি, কানাডা
শামিনা শারমীন : ম্যাটারনাল হেলথ স্পেশালিস্ট, ইউএনএফপিএ, বাংলাদেশ
উম্মে সালমা জাহান : ইউএসএআইডি
সামিয়া আফরিন : প্রকল্প ব্যবস্থাপক, নারীপক্ষ
রিয়াদ মাহমুদ : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ইউনিসেফ
শামস আল আরিফিন : পরিচালক, আইসিডিডিআরবি
সামিহা শারমিন : হাসপাতালে সেবাপ্রাপ্ত সন্তানের মা, পশ্চিম আগারগাঁও
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
June
(974)
-
▼
Jun 13
(31)
- রোহিঙ্গাদের ওপর ‘গণহত্যা’ বন্ধে হস্তক্ষেপ করুন -আ...
- ডালাস পুলিশ সদর দপ্তরে বন্দুকধারীদের হামলা
- যেখানে রাজনীতিবিদেরা এক by সাজেদুল হক
- ১৫ দিন আগেই অভ্যুত্থানের আশঙ্কা -মার্কিন নথি: জিয়া...
- জোড়া খুন- যানজটে বিরক্ত হয়ে গুলি চালান এমপিপুত্র রনি
- যে নির্যাতনের সীমা নেই
- যুক্তরাজ্যে জাতীয় পাখির মর্যাদা পাচ্ছে দোয়েল
- জোট সরকারে আগ্রহী এরদোগান
- ঈশ্বর আমাকে নিখুঁত করে তৈরি করেছেন : পুতিন
- নিজেদের স্বার্থে আমাকে ব্যবহার করেছেন রাজনীতিবিদরা
- মিয়ানমারে ভারতীয় সেনা অভিযানে জীবন সিংহের মৃত্যু ন...
- পৃথিবী আশঙ্কামুক্ত: নাসা
- এত সংবর্ধনা কেন? by বিশ্বজিৎ চৌধুরী
- সমাধান হলো মানচিত্রের অসঙ্গতি
- ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন অর্থসংকটে by তানভীর সোহেল
- কৃষক এখনো ধানের দর পাচ্ছেন না by ইফতেখার মাহমুদ ও...
- বাক্স আছে অভিযোগ নেই -সরজমিন শিক্ষাভবন by নূর মোহা...
- মানব পাচারের প্রধান কারণ ‘রোহিঙ্গা’ -থাইল্যান্ড সম...
- বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস- ওরা শিশু শ্রমিক
- ‘আম–কাঠলি’ by আকমল হোসেন
- পরিকল্পিত জন্ম ও নিরাপদ মাতৃত্ব
- অন্যদের সার্বভৌমত্বকে শ্রদ্ধা করুন: মিয়ানমার
- শহীদ কাজল স্মৃতি পশ্চিম জোর্দিয়া সরকারি প্রাথমিক ব...
- পাহাড়ে নগ্ন হয়ে ছবি তোলায় চার পর্যটকের সাজা
- জামায়াতকে বিএনপির লালবার্তা by লুৎফর রহমান
- রমজানের আগেই নিত্যপণ্যের দাম চড়া by হামিদ বিশ্বাস
- ঢামেকের নার্স খুন, মিরপুরে বস্তাবন্দি নারীর লাশ
- টাওয়ার হ্যামলেট বাঙালিদের হাতছাড়া
- মার্স ভাইরাসের ‘প্রধান উৎস’ উট!
- বিএনপি নেতারা কে কোথায়? by কাফি কামাল
- নির্ভয়াদের তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে by ইলিরা দেওয়ান
-
▼
Jun 13
(31)
-
▼
June
(974)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment