Friday, November 16, 2012
জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির প্রত্যাশা by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির প্রত্যাশা by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
আমাদের দেশের রাজনীতিতে দল অনেক, কিন্তু ধারা দুটি; একটি জাতীয়তাবাদী, অন্যটি সমাজতন্ত্রী। এমনটি ব্রিটিশ আমলেও ছিল, পাকিস্তান আমলে রয়ে গেছে, বাংলাদেশেও তা অপরিবর্তিত।
জনগণ যা চাচ্ছিলেন এবং এখনো চান, তা হলো মুক্তি। মুক্তির প্রতিশ্রুতি জাতীয়তাবাদীরা দেন, সমাজতন্ত্রীরা তো দেবেনই। তবে দুয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জাতীয়তাবাদীরা মনে করেন, মুক্তি আনবেন সমাজকে অপরিবর্তিত রেখেই, সমাজতন্ত্রীরা জানেন সেটা একেবারেই অসম্ভব। জাতীয়তাবাদীরা রাষ্ট্রের ভাঙাগড়ায় তবু আগ্রহ রাখেন, সমাজকে ভেঙে গড়বেন এটা তাঁরা চান না, উল্টো সমাজ-পরিবর্তনকে প্রতিহত করতে তাঁরা সচেষ্ট থাকেন। পুরনো রাষ্ট্রের পতনে নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটলে তাঁদের সুবিধা, কেননা ক্ষমতার হস্তান্তরে ক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটে। ব্রিটিশের রাষ্ট্র ভেঙেছে, ক্ষমতা পেয়েছেন পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদীরা। সেই রাষ্ট্র ভেঙে আমরা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা করলাম, সুবিধা হলো বাঙালি-বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদীদের। জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা বদলেছে, সেই বদলটা রাষ্ট্রের পতন-অভ্যুদয়ে নিয়ামক ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু ক্ষমতা নির্ভুলভাবেই চলে গেছে নতুন জাতীয়তাবাদীদের হাতে। রাষ্ট্রের ভাঙাগড়ায় সমাজতন্ত্রীরা কম ভূমিকা রাখেননি, জনগণ রাষ্ট্রকে শাসনের যন্ত্র হিসেবে দেখতে পেয়েছেন এবং ওই যন্ত্রটির ভাঙন কামনা করেছেন, সমাজতন্ত্রীরা সেই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেই ছিলেন, যেমনটি তাঁদের থাকার কথা, কিন্তু তাঁরা নেতৃত্বে থাকতে পারেননি।
নেতৃত্বে অবিচল থেকেছেন জাতীয়তাবাদীরাই। ধন-সম্পত্তিতে তাঁরা বলবান, প্রচারমাধ্যম তাঁদের হাতে, তাঁদের রয়েছে আন্তর্জাতিক মুরবি্ব। তাই আন্দোলনের সামনের সারিতে তাঁদেরই দেখা গেছে। সমাজতন্ত্রীরা সেভাবে দৃশ্যমান হননি। হওয়া সম্ভব ছিল না; তাঁরা ধন-সম্পত্তিতে বর্ষীয়ান নন, প্রচারমাধ্যম তাঁদের পছন্দ করে না, পুঁজিবাদী বিশ্ব তাঁদের বিরুদ্ধে থাকে; আর সবচেয়ে যেটা মর্মান্তিক ও কার্যকর সেটা হলো, জাতীয়তাবাদীরা তাঁদের দেখেন বিদ্বেষের চোখে এবং পদে পদে তাঁদেরকে অপদস্থ করেন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটলে সমাজে উন্নতির লক্ষণ দেখা দেয়। অর্থাৎ ধনীরা আরো ধনী হন, কিন্তু সমাজের কাঠামো আগের মতোই রয়ে যায়। অর্থাৎ কিনা শ্রেণী বিভাজন থাকে এবং প্রবল যে শ্রেণী সেটি দুর্বল শ্রেণীর ওপর অত্যাচার ও শোষণ অব্যাহত রাখে। সংখ্যায় প্রবলেরা অল্প, দুর্বলেরা অধিক। অনেকের ওপর অল্প মানুষের এই শাসনকে কোনো দিক দিয়েই গণতান্ত্রিক বলা যাবে না। অথচ গুরুত্বের স্বার্থেই পুরনো রাষ্ট্রকে ভাঙা হয়েছে, প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে নতুন রাষ্ট্রের। গঠনতন্ত্রের আওয়াজ জাতীয়তাবাদীরা দিয়েছেন, সমাজতন্ত্রীরাও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করেছেন। কিন্তু নতুন রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের নাম দেখা গেলেও কোনো নিশানা দৃশ্যমান হয়নি।
তার কারণ রাষ্ট্র বদলেছে, কিন্তু সমাজ বদলায়নি। সমাজের কাঠামো আগের মতোই আমাদের ওপর অল্পের শাসনকে নির্মমভাবে কায়েম করে রেখেছে। জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে সমাজের মৌলিক রূপান্তর কখনোই কাম্য নয়। কেননা তাঁরা যে টিকে আছেন এবং স্ফীত হচ্ছেন তা শ্রেণীবিভাজনের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়েই; ওটা সরে গেলে যে জনতার সঙ্গে সমান হয়ে যেতে হবে, এটা তাঁরা জানেন এবং সেটা যাতে না ঘটে সে জন্যই সদা তৎপর থাকেন।
জনগণের আকাঙ্ক্ষা মুক্তির। তাদের বোঝানো হয় যে রাষ্ট্র বদলালে তাঁদের মুক্তি আসবে, তাঁরা আর শোষিত হবেন না, বাঁচার মৌলিক অধিকারগুলো তাঁদের কাছে এসে যাবে। রাষ্ট্র বদলায়, কিন্তু মুক্তি আসে না, কেননা সমাজে কোনো বিপ্লব ঘটে না। সেই পুরনো সমাজই টিকে থাকে, নতুন জাতীয়তাবাদীরা বরঞ্চ আগের তুলনায় শক্ত হয়ে আরো প্রবলভাবে শাসন ও শোষণ চালাতে থাকেন। রাষ্ট্র যে বদলায় সেটাও কিন্তু মূলত আয়তন ও নামে, নইলে ভেতরে তার যে চরিত্র, শাসকদের হাতে শাসনের যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া, সেটা কেবল আগের মতো নয়, আগের চেয়েও অধিক মাত্রায় কার্যকর থাকে।
বাংলাদেশে এখন এটাই বাস্তবতা। মুক্তিযুদ্ধ যে কেবল রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার জন্য ছিল না, এটা তো ঐতিহাসিকভাবেই সত্য। আর মুক্তির মূল কথাটাই ছিল, সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা। এক কথায়, অধিকার স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বৈষম্যের অবসান ঘটানো। যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন জাতীয়তাবাদীরা, কিন্তু চালিকাশক্তি ছিল জনসাধারণ। নেতৃত্বকে প্রকৃত কর্মক্ষেত্রে তেমন একটা দেখা যায়নি, বড় নেতারা লড়াইয়ের ময়দান থেকে বড় রকমের দূরত্ব বজায় রাখাটাই পছন্দ করেছেন। প্রাণ দিয়েছেন এবং যুদ্ধ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের মধ্যে কৃষক ছিলেন, ছিলেন শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত ছিলেন, ছিলেন সেনাবাহিনী-ইপিআর-পুলিশের সদস্যরা। মিলন ঘটেছিল শত্রুর মোকাবিলায়। বিপদের মধ্য থেকে যেন একটা নতুন সমাজ গড়ে উঠেছে। অর্থ-বিত্ত-শিক্ষা-বংশ পরিচয়-ধর্মীয় বিভেদ- সব কিছুই প্রায় অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। মানুষের সঙ্গে মানুষের মৈত্রীর বন্ধনে মনে হয়েছিল, যেন নতুন সামাজিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বে যে বাধ্য হয়েছিলেন সেটা অন্য কোনো কারণে ঘটেনি, ঘটেছিল যুদ্ধের ভেতর দিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশাটা জেগে উঠেছিল তারই চাপে। নইলে সমাজতন্ত্র তো জাতীয়তাবাদীদের দুই চোখে বিষের মতো, তাঁরা যে রঙের জাতীয়তাবাদীই হোন না কেন। এ ক্ষেত্রে এমনকি ধর্মীয় মৌলবাদীদের থেকেও যে তাঁদের অবস্থা অনেক দূরবর্তী, তা মোটেই নয়। যে জন্য দেখা গেল ক্ষমতা হাতে পেয়ে ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের জায়গায় অঞ্চলভিত্তিক বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠাকারীরা নির্বিকার চিত্তে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইচ্ছাটাকে সংবিধান থেকে বিতাড়িত করলেন। তাঁদের পক্ষে এটা করা অস্বাভাবিক মনে হয়নি। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদের যাঁরা ধারক, ক্ষমতা পুনরায় পাওয়ার পর তাঁরাও কিন্তু সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে কোনো ধরনের উদ্যোগ নিলেন না। বরং মনে হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদীরা যে ঝামেলাটাকে মিটিয়ে দিয়েছেন এতে তাঁরা সন্তুষ্টই। কেননা নইলে দায়িত্বটা হয়তো তাঁদেরই নিতে হতো।
জাতীয়তাবাদীরা তো যা তাঁদের পক্ষে করা স্বাভাবিক সেটাই করলেন। রাষ্ট্রক্ষমতা করায়ত্ত করে সেই ক্ষমতার ভাগাভাগিটাকেই তাঁরা মূলধারার রাজনীতি করে তুললেন। কিন্তু সমাজতন্ত্রীদের খবর কী? তাঁরা কোথায়? তাঁরা ছিলেন এবং এখনো আছেন। কিন্তু মূলধারায় পরিণত হতে পারেননি। ওদিকে অস্পষ্ট করে হলেও মুক্তিকামী জনগণ চেয়েছেন সমাজতন্ত্রীরাই মূলধারা হবেন, হওয়া দরকার। হতে না পারার কারণ আছে। সেগুলো যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি বাস্তবিক। ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানোর জন্য যে আন্দোলন হয়েছে, তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদীরাই ছিলেন। প্রথমে ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, পরে এসে যোগ দিল সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ। ১৮৮১তে কংগ্রেস গঠনে উৎসাহটা জুগিয়েছিল ইংরেজরাই। উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলন যাতে জাতীয়তাবাদীদের হাতেই থাকে সেটা নিশ্চিত করা। ইংরেজরা ১৮৫৭-এর অভ্যুত্থান দেখেছে এবং ভয় পেয়েছে সাধারণ মানুষের অভ্যুত্থানকে। কিন্তু পরে দেখা গেল, শিক্ষিত মধ্যবিত্তের ভেতর একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাদের একাংশ উগ্র হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় ও স্রোতে এই উগ্রতা বেশ প্রকাশ্য হয়ে পড়ে। ইংরেজরা তখন বুদ্ধি করল ভারতবর্ষের মানুষকে সরাসরি হিন্দু-মুসলমানে বিভক্ত করে দেওয়ার। সেই উদ্দেশ্য মাথায় রেখে তারা মুসলমান নেতাদের উৎসাহী করল পাল্টা একটা জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল খাড়া করতে, যার নাম দাঁড়াল মুসলিম লীগ। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ এই দুদলের প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতার দরুন ভারতীয় জাতীয়তাবাদ বিভক্ত হয়েছিল হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও মুসলিম জাতীয়তাবাদে। ভারতবর্ষের মূল সমস্যাটা ছিল শ্রেণী বিভাজনের, তাকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনে পরিণত করা হলো। ব্রিটিশের উস্কানিতে বিভাজন পরিণত হলো বিরোধে। বিরোধ রূপ নিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় এবং দাঙ্গার মধ্য দিয়ে দেশ ভাগ হয়ে গেল। ব্রিটিশরা চলে গেল, কিন্তু ভাগ করে রেখে গেল ভারতবর্ষকে এবং স্বাধীনতার পরিবর্তে দিয়ে গেল ডমিনিয়ন স্ট্যাটাস, যার অপর নাম হচ্ছে ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসন। ক্ষমতায় এলেন নতুন দুই রাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী নেতারা।
কিন্তু সমাজতন্ত্রীরা কী করলেন সেটাই হচ্ছে জরুরি প্রশ্ন। তাঁরা কিছুটা পরে এসেছেন। ভারতবর্ষে কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়েছে, কিছুটা পরে, ১৯২১ সালে। কিন্তু তারা সুবিধা করতে পারেনি। জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত প্রবল ছিলেন, থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। আগে ইংরেজকে তাড়াই, তারপর দেখা যাবে সমাজকে নিয়ে কী করা যায়- শিক্ষিত মহলে এটাই ছিল প্রতিষ্ঠিত মনোভাব। ওদিকে ছিল মানুষের ধর্মপ্রাণতা। কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে নিরীহ জাতীয়তাবাদীরাও বলতে ভালোবাসতেন; কমিউনিস্টরা ভালো মানুষ বটে, কিন্তু ওরা ধর্ম মানে না, ওদের অনেকেই নাস্তিক। কমিউনিস্টরাও জনগণের কাছে এই সত্য নিয়ে সঠিকভাবে উপস্থিত হতে পারেননি যে মানুষের জীবনে মূল সমস্যাটা হলো বাঁচার। আর বাঁচার ব্যাপারটা ধর্মের সঙ্গে জড়িত নয়, জড়িত অর্থনীতির সঙ্গে। এটা করা ছিল একটা কঠিন দায়িত্ব। এর চেয়ে বরঞ্চ সহজ ছিল এটা প্রতিষ্ঠিত করা যে কমিউনিস্টরা ধর্মবিরোধী নন, ধর্মকর্মে তাঁদের মোটেই আপত্তি নেই। ধর্ম তো আছেই, ব্যক্তিজীবনে রয়েছে, সমাজজীবনেও আছে; কিন্তু যখন ইংরেজকে বিতাড়ন করা এবং দেশি শাসন-শোষণের অবসান ঘটানোর আন্দোলনের ব্যাপারটা সামনে আসে, তখন একসঙ্গে লড়তে হবে, নইলে নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। যেটা করলে মুক্তি আসবে না- এই বিষয়টা বোঝানো খুবই জরুরি ছিল।
কংগ্রেস ও লীগ- উভয় দলের জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন সমাজতন্ত্রবিরোধী। এখানে তাঁরা একাট্টা। ফলে সমাজতন্ত্রীদের উভয় পক্ষই চেষ্টা করত দমিয়ে রাখতে। ওদিকে ব্রিটিশের দৃষ্টিভঙ্গিটাও ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। তারা জানত, জাতীয়তাবাদীরা যতই উগ্র হোক না কেন তাদের সঙ্গে একটা আপসরফায় আসা যাবে, যে ধারণাটা মোটেই অমূলক ছিল না। বিপরীত পক্ষে সমাজতন্ত্রীরা দল হিসেবে ছোট হলেও সম্ভাবনার দিক থেকে ছিলেন বিপজ্জনক। তাঁরা আপস করবেন না, পূর্ণ স্বাধীনতা চাইবেন এবং সমাজ বিপ্লব ঘটানোর দিকে মানুষকে নিয়ে যাবেন। সেই বিপ্লব ঘটলে ইংরেজকে কেবল যে ভারত ছাড়তে হবে তা নয়, তাদের তল্পিতল্পাও বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে বাজার তো নয়ই, এমনকি প্রভাববলয়টাও অক্ষুণ্ন থাকবে না। ইংরেজরা ১৮৫৭ দেখেছে, ১৯১৭-এর রুশ বিপ্লব সম্পর্কে অবহিত হয়েছে; তাই কমিউনিস্টদের তৎপরতা শুরু হয়েছে দেখে মোটেই সময় নষ্ট করেনি, 'অঙ্কুরেই বিনাশ সাধন বুদ্ধিমানের কাজ' এই বিবেচনায় তারা সমাজতন্ত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের তারা মামলায় ফেলে কারাবন্দি করেছে, বছরের পর বছর আটকে রেখেছে। পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। কমিউনিস্টদের পক্ষে প্রকাশ্যে পত্রিকা প্রকাশ করাও কঠিন ছিল। কাজী নজরুল ইসলাম সমাজতন্ত্রী ছিলেন, সে জন্য তাঁর অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু'কে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং নজরুলকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।
প্রধান সমস্যাটা ছিল শ্রেণীগত, কিন্তু সামনে যে প্রশ্নটা ছিল সেটি হলো জাতির। ভারতবর্ষ মোটেই এক জাতির দেশ ছিল না, কমিউনিস্ট পার্টি সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছিল যে সেখানে জাতি ছিল ১৭টি, যাদের ভিত্তি ছিল ভাষা। কংগ্রেস বলল, এক জাতির কথা। কিন্তু তাদের সেই জাতীয়তার ভিত্তিটা কী, সেটা পরিষ্কার করে বলতে পারল না। মুসলিম লীগ বলল, ভারতবর্ষে জাতি রয়েছে দুটি এবং তাদের পক্ষে বলতে কোনো অসুবিধা ছিল না যে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হচ্ছে ধর্ম। মুসলিম লীগ ইঙ্গিত করল যে কংগ্রেস যে জাতীয়তাবাদের কথা বলছে, সেটা হচ্ছে হিন্দু জাতীয়তাবাদ। কংগ্রেস এ কথার প্রতিবাদ করল ঠিকই। কিন্তু তাদের আচার-আচরণেই মুসলমানদের মনে ধারণা তৈরি হলো যে কংগ্রেসের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হচ্ছে হিন্দুত্ব।
সমাজতন্ত্রীদের পক্ষেই সম্ভব ছিল ভারতবর্ষকে বহুজাতিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা। সেটা তাঁরা করেছিলেনও, কিন্তু কংগ্রেস ও লীগের তৈরি করা সাম্প্রদায়িক ডামাডোলের ভেতর তাঁদের সে বক্তব্য জোরালোভাবে প্রকাশ পায়নি। কমিউনিস্ট পার্টির আরো একটি দুর্বলতা ছিল। সেটা হলো, তারা তাদের আত্মত্যাগ ও বিপুল কর্মোদ্যম সত্ত্বেও সমাজ বিপ্লবের বক্তব্য পরিষ্কারভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরতে পারেনি। জনগণের আবেগের ভাষা ও সাংস্কৃতিক মান দুটিই ছিল তাদের কাছে অনধিগম্য। নাস্তিকতার অভিযোগটাও কম অসুবিধার সৃষ্টি করেনি।
কমিউনিস্টরা কোন পথে অগ্রসর হবেন- সেটাও ঠিক করতে পারেননি। সমাজতন্ত্রীদের একাংশ ঠিক করেছিল কংগ্রেসের ভেতর থেকেই কাজ করবে। তারা কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টি গঠন করল; কিন্তু সুবিধা করতে পারল না। শেষ পর্যন্ত তো কমিউনিস্টদের কংগ্রেস থেকে বের করেই দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেসের মূল নেতৃত্ব ছিল রক্ষণশীল; যে জন্য দু-দুবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েও সুভাষ চন্দ্র বসু কংগ্রেসে থাকতে পারেননি এবং জওয়াহের লাল নেহরুকে থাকতে হয়েছিল রক্ষণশীলদের সঙ্গে আপস করে।
যে সমাজতন্ত্রীরা আলাদাভাবে কমিউনিস্ট পার্টি গঠন করেন, তাঁরাও পথ-বিভ্রান্তির শিকার হয়েছেন। এর বড় কারণ আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট কেন্দ্র হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের ওপর নির্ভর করা। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঢালাও কোনো পথ নেই। সমাজের আর্থ-সামাজিক বিকাশ, রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অবস্থা, ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য- এসবকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও বিবেচনা করেই রণনীতি ও রণকৌশল নির্ধারণ করার কথা। ভারতীয় কমিউনিস্টরা সেটা করতে পারেননি। ফলে তাঁরা আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের নির্দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। এই প্রক্রিয়ায় একটি বিপর্যয় ঘটে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। সেই যুদ্ধ যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর ভেতর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াই ছিল, এটা কমিউনিস্ট পার্টি বুঝতে ভুল করেনি। কিন্তু হিটলার যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে বসলেন, তখন কমিউনিস্টদের দৃষ্টিতে যুদ্ধের চরিত্রে একটি পরিবর্তন ঘটেছিল। এটি পরিণত হলো জনযুদ্ধে এবং সারা বিশ্বে কমিউনিস্টদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষে দাঁড়ানো। পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে ভারতের কমিউনিস্টরা দেখলেন, সোভিয়েত ইউনিয়নকে আক্রমণকারী নাৎসি জার্মানির শক্র যে মিত্রবাহিনী, তারা তাঁদের মিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশকে মিত্র হিসেবে গ্রহণ করার এই নীতি ভারতের কমিউনিস্টদের জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলল। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর সংগ্রাম যখন একটি চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখন তাতে কমিউনিস্টরা যে আপসহীনভাবে অংশ নিতে পারছেন না, বরঞ্চ ব্রিটিশের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছেন, সেই ঘটনা দেশবাসীর পক্ষে তো হতাশাব্যঞ্জক ছিলই; কমিউনিস্টদের নিজেদের কাছেও কম অস্বস্তিকর ঠেকেনি। ফল দাঁড়াল এই যে তাঁরা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের নেতৃত্বের জায়গায় তো যেতে পারলেন না, বরঞ্চ পিছিয়ে গেলেন। কমিউনিস্ট পার্টি সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি। জয়জয়কার তখন কংগ্রেস ও লীগের। কমিউনিস্টরা তখন নিজের ভূমিকা থেকে সরে এসে কংগ্রেস ও লীগকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সমাজতন্ত্রীরা জাতীয়তাবাদীদের হিংসা ভুলে এক হতে বলছেন; কিন্তু সে ঐক্য যে সমাজতন্ত্রীদের পক্ষে যাবে না, সেটা খেয়াল করার সুযোগ পাচ্ছেন না- অবস্থাটা দাঁড়িয়েছিল এ রকমেরই। প্রধান দ্বন্দ্বটা ছিল ব্রিটিশের সঙ্গে জনগণের। এই দ্বন্দ্বে কংগ্রেস ও লীগকে এক করা যাবে- এটা ছিল একটি অবাস্তব ধারণা। শ্রমিক-কৃষক-ছাত্ররা যে প্রায় বিপ্লবী একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলেন, তাতে নেতৃত্ব দেওয়ার শক্তি পার্টির ছিল না। পার্টি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নির্দেশে চলার সিদ্ধান্ত নিয়ে।
শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার তাই হয়েছে। ভারতবর্ষ দুই টুকরো হয়ে গেছে। কোটি কোটি মানুষকে উৎপাটন, দুর্ভোগ পোহানো, প্রাণ হারানো, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগতভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাওয়ার তুলনাবিহীন বিপদের মধ্যে পড়তে হয়েছে।
(বাকি অংশ আগামীকাল)
লেখক : শিক্ষাবিদ, ইমেরিটাস অধ্যাপক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নেতৃত্বে অবিচল থেকেছেন জাতীয়তাবাদীরাই। ধন-সম্পত্তিতে তাঁরা বলবান, প্রচারমাধ্যম তাঁদের হাতে, তাঁদের রয়েছে আন্তর্জাতিক মুরবি্ব। তাই আন্দোলনের সামনের সারিতে তাঁদেরই দেখা গেছে। সমাজতন্ত্রীরা সেভাবে দৃশ্যমান হননি। হওয়া সম্ভব ছিল না; তাঁরা ধন-সম্পত্তিতে বর্ষীয়ান নন, প্রচারমাধ্যম তাঁদের পছন্দ করে না, পুঁজিবাদী বিশ্ব তাঁদের বিরুদ্ধে থাকে; আর সবচেয়ে যেটা মর্মান্তিক ও কার্যকর সেটা হলো, জাতীয়তাবাদীরা তাঁদের দেখেন বিদ্বেষের চোখে এবং পদে পদে তাঁদেরকে অপদস্থ করেন।
নতুন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটলে সমাজে উন্নতির লক্ষণ দেখা দেয়। অর্থাৎ ধনীরা আরো ধনী হন, কিন্তু সমাজের কাঠামো আগের মতোই রয়ে যায়। অর্থাৎ কিনা শ্রেণী বিভাজন থাকে এবং প্রবল যে শ্রেণী সেটি দুর্বল শ্রেণীর ওপর অত্যাচার ও শোষণ অব্যাহত রাখে। সংখ্যায় প্রবলেরা অল্প, দুর্বলেরা অধিক। অনেকের ওপর অল্প মানুষের এই শাসনকে কোনো দিক দিয়েই গণতান্ত্রিক বলা যাবে না। অথচ গুরুত্বের স্বার্থেই পুরনো রাষ্ট্রকে ভাঙা হয়েছে, প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে নতুন রাষ্ট্রের। গঠনতন্ত্রের আওয়াজ জাতীয়তাবাদীরা দিয়েছেন, সমাজতন্ত্রীরাও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করেছেন। কিন্তু নতুন রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের নাম দেখা গেলেও কোনো নিশানা দৃশ্যমান হয়নি।
তার কারণ রাষ্ট্র বদলেছে, কিন্তু সমাজ বদলায়নি। সমাজের কাঠামো আগের মতোই আমাদের ওপর অল্পের শাসনকে নির্মমভাবে কায়েম করে রেখেছে। জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে সমাজের মৌলিক রূপান্তর কখনোই কাম্য নয়। কেননা তাঁরা যে টিকে আছেন এবং স্ফীত হচ্ছেন তা শ্রেণীবিভাজনের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়েই; ওটা সরে গেলে যে জনতার সঙ্গে সমান হয়ে যেতে হবে, এটা তাঁরা জানেন এবং সেটা যাতে না ঘটে সে জন্যই সদা তৎপর থাকেন।
জনগণের আকাঙ্ক্ষা মুক্তির। তাদের বোঝানো হয় যে রাষ্ট্র বদলালে তাঁদের মুক্তি আসবে, তাঁরা আর শোষিত হবেন না, বাঁচার মৌলিক অধিকারগুলো তাঁদের কাছে এসে যাবে। রাষ্ট্র বদলায়, কিন্তু মুক্তি আসে না, কেননা সমাজে কোনো বিপ্লব ঘটে না। সেই পুরনো সমাজই টিকে থাকে, নতুন জাতীয়তাবাদীরা বরঞ্চ আগের তুলনায় শক্ত হয়ে আরো প্রবলভাবে শাসন ও শোষণ চালাতে থাকেন। রাষ্ট্র যে বদলায় সেটাও কিন্তু মূলত আয়তন ও নামে, নইলে ভেতরে তার যে চরিত্র, শাসকদের হাতে শাসনের যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া, সেটা কেবল আগের মতো নয়, আগের চেয়েও অধিক মাত্রায় কার্যকর থাকে।
বাংলাদেশে এখন এটাই বাস্তবতা। মুক্তিযুদ্ধ যে কেবল রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার জন্য ছিল না, এটা তো ঐতিহাসিকভাবেই সত্য। আর মুক্তির মূল কথাটাই ছিল, সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা। এক কথায়, অধিকার স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বৈষম্যের অবসান ঘটানো। যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন জাতীয়তাবাদীরা, কিন্তু চালিকাশক্তি ছিল জনসাধারণ। নেতৃত্বকে প্রকৃত কর্মক্ষেত্রে তেমন একটা দেখা যায়নি, বড় নেতারা লড়াইয়ের ময়দান থেকে বড় রকমের দূরত্ব বজায় রাখাটাই পছন্দ করেছেন। প্রাণ দিয়েছেন এবং যুদ্ধ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের মধ্যে কৃষক ছিলেন, ছিলেন শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত ছিলেন, ছিলেন সেনাবাহিনী-ইপিআর-পুলিশের সদস্যরা। মিলন ঘটেছিল শত্রুর মোকাবিলায়। বিপদের মধ্য থেকে যেন একটা নতুন সমাজ গড়ে উঠেছে। অর্থ-বিত্ত-শিক্ষা-বংশ পরিচয়-ধর্মীয় বিভেদ- সব কিছুই প্রায় অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। মানুষের সঙ্গে মানুষের মৈত্রীর বন্ধনে মনে হয়েছিল, যেন নতুন সামাজিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বে যে বাধ্য হয়েছিলেন সেটা অন্য কোনো কারণে ঘটেনি, ঘটেছিল যুদ্ধের ভেতর দিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশাটা জেগে উঠেছিল তারই চাপে। নইলে সমাজতন্ত্র তো জাতীয়তাবাদীদের দুই চোখে বিষের মতো, তাঁরা যে রঙের জাতীয়তাবাদীই হোন না কেন। এ ক্ষেত্রে এমনকি ধর্মীয় মৌলবাদীদের থেকেও যে তাঁদের অবস্থা অনেক দূরবর্তী, তা মোটেই নয়। যে জন্য দেখা গেল ক্ষমতা হাতে পেয়ে ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের জায়গায় অঞ্চলভিত্তিক বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠাকারীরা নির্বিকার চিত্তে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইচ্ছাটাকে সংবিধান থেকে বিতাড়িত করলেন। তাঁদের পক্ষে এটা করা অস্বাভাবিক মনে হয়নি। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদের যাঁরা ধারক, ক্ষমতা পুনরায় পাওয়ার পর তাঁরাও কিন্তু সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে কোনো ধরনের উদ্যোগ নিলেন না। বরং মনে হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদীরা যে ঝামেলাটাকে মিটিয়ে দিয়েছেন এতে তাঁরা সন্তুষ্টই। কেননা নইলে দায়িত্বটা হয়তো তাঁদেরই নিতে হতো।
জাতীয়তাবাদীরা তো যা তাঁদের পক্ষে করা স্বাভাবিক সেটাই করলেন। রাষ্ট্রক্ষমতা করায়ত্ত করে সেই ক্ষমতার ভাগাভাগিটাকেই তাঁরা মূলধারার রাজনীতি করে তুললেন। কিন্তু সমাজতন্ত্রীদের খবর কী? তাঁরা কোথায়? তাঁরা ছিলেন এবং এখনো আছেন। কিন্তু মূলধারায় পরিণত হতে পারেননি। ওদিকে অস্পষ্ট করে হলেও মুক্তিকামী জনগণ চেয়েছেন সমাজতন্ত্রীরাই মূলধারা হবেন, হওয়া দরকার। হতে না পারার কারণ আছে। সেগুলো যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি বাস্তবিক। ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানোর জন্য যে আন্দোলন হয়েছে, তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদীরাই ছিলেন। প্রথমে ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, পরে এসে যোগ দিল সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ। ১৮৮১তে কংগ্রেস গঠনে উৎসাহটা জুগিয়েছিল ইংরেজরাই। উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলন যাতে জাতীয়তাবাদীদের হাতেই থাকে সেটা নিশ্চিত করা। ইংরেজরা ১৮৫৭-এর অভ্যুত্থান দেখেছে এবং ভয় পেয়েছে সাধারণ মানুষের অভ্যুত্থানকে। কিন্তু পরে দেখা গেল, শিক্ষিত মধ্যবিত্তের ভেতর একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাদের একাংশ উগ্র হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় ও স্রোতে এই উগ্রতা বেশ প্রকাশ্য হয়ে পড়ে। ইংরেজরা তখন বুদ্ধি করল ভারতবর্ষের মানুষকে সরাসরি হিন্দু-মুসলমানে বিভক্ত করে দেওয়ার। সেই উদ্দেশ্য মাথায় রেখে তারা মুসলমান নেতাদের উৎসাহী করল পাল্টা একটা জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল খাড়া করতে, যার নাম দাঁড়াল মুসলিম লীগ। কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ এই দুদলের প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতার দরুন ভারতীয় জাতীয়তাবাদ বিভক্ত হয়েছিল হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও মুসলিম জাতীয়তাবাদে। ভারতবর্ষের মূল সমস্যাটা ছিল শ্রেণী বিভাজনের, তাকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনে পরিণত করা হলো। ব্রিটিশের উস্কানিতে বিভাজন পরিণত হলো বিরোধে। বিরোধ রূপ নিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় এবং দাঙ্গার মধ্য দিয়ে দেশ ভাগ হয়ে গেল। ব্রিটিশরা চলে গেল, কিন্তু ভাগ করে রেখে গেল ভারতবর্ষকে এবং স্বাধীনতার পরিবর্তে দিয়ে গেল ডমিনিয়ন স্ট্যাটাস, যার অপর নাম হচ্ছে ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসন। ক্ষমতায় এলেন নতুন দুই রাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী নেতারা।
কিন্তু সমাজতন্ত্রীরা কী করলেন সেটাই হচ্ছে জরুরি প্রশ্ন। তাঁরা কিছুটা পরে এসেছেন। ভারতবর্ষে কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়েছে, কিছুটা পরে, ১৯২১ সালে। কিন্তু তারা সুবিধা করতে পারেনি। জাতীয়তাবাদীরা অত্যন্ত প্রবল ছিলেন, থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। আগে ইংরেজকে তাড়াই, তারপর দেখা যাবে সমাজকে নিয়ে কী করা যায়- শিক্ষিত মহলে এটাই ছিল প্রতিষ্ঠিত মনোভাব। ওদিকে ছিল মানুষের ধর্মপ্রাণতা। কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে নিরীহ জাতীয়তাবাদীরাও বলতে ভালোবাসতেন; কমিউনিস্টরা ভালো মানুষ বটে, কিন্তু ওরা ধর্ম মানে না, ওদের অনেকেই নাস্তিক। কমিউনিস্টরাও জনগণের কাছে এই সত্য নিয়ে সঠিকভাবে উপস্থিত হতে পারেননি যে মানুষের জীবনে মূল সমস্যাটা হলো বাঁচার। আর বাঁচার ব্যাপারটা ধর্মের সঙ্গে জড়িত নয়, জড়িত অর্থনীতির সঙ্গে। এটা করা ছিল একটা কঠিন দায়িত্ব। এর চেয়ে বরঞ্চ সহজ ছিল এটা প্রতিষ্ঠিত করা যে কমিউনিস্টরা ধর্মবিরোধী নন, ধর্মকর্মে তাঁদের মোটেই আপত্তি নেই। ধর্ম তো আছেই, ব্যক্তিজীবনে রয়েছে, সমাজজীবনেও আছে; কিন্তু যখন ইংরেজকে বিতাড়ন করা এবং দেশি শাসন-শোষণের অবসান ঘটানোর আন্দোলনের ব্যাপারটা সামনে আসে, তখন একসঙ্গে লড়তে হবে, নইলে নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। যেটা করলে মুক্তি আসবে না- এই বিষয়টা বোঝানো খুবই জরুরি ছিল।
কংগ্রেস ও লীগ- উভয় দলের জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন সমাজতন্ত্রবিরোধী। এখানে তাঁরা একাট্টা। ফলে সমাজতন্ত্রীদের উভয় পক্ষই চেষ্টা করত দমিয়ে রাখতে। ওদিকে ব্রিটিশের দৃষ্টিভঙ্গিটাও ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। তারা জানত, জাতীয়তাবাদীরা যতই উগ্র হোক না কেন তাদের সঙ্গে একটা আপসরফায় আসা যাবে, যে ধারণাটা মোটেই অমূলক ছিল না। বিপরীত পক্ষে সমাজতন্ত্রীরা দল হিসেবে ছোট হলেও সম্ভাবনার দিক থেকে ছিলেন বিপজ্জনক। তাঁরা আপস করবেন না, পূর্ণ স্বাধীনতা চাইবেন এবং সমাজ বিপ্লব ঘটানোর দিকে মানুষকে নিয়ে যাবেন। সেই বিপ্লব ঘটলে ইংরেজকে কেবল যে ভারত ছাড়তে হবে তা নয়, তাদের তল্পিতল্পাও বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে বাজার তো নয়ই, এমনকি প্রভাববলয়টাও অক্ষুণ্ন থাকবে না। ইংরেজরা ১৮৫৭ দেখেছে, ১৯১৭-এর রুশ বিপ্লব সম্পর্কে অবহিত হয়েছে; তাই কমিউনিস্টদের তৎপরতা শুরু হয়েছে দেখে মোটেই সময় নষ্ট করেনি, 'অঙ্কুরেই বিনাশ সাধন বুদ্ধিমানের কাজ' এই বিবেচনায় তারা সমাজতন্ত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের তারা মামলায় ফেলে কারাবন্দি করেছে, বছরের পর বছর আটকে রেখেছে। পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। কমিউনিস্টদের পক্ষে প্রকাশ্যে পত্রিকা প্রকাশ করাও কঠিন ছিল। কাজী নজরুল ইসলাম সমাজতন্ত্রী ছিলেন, সে জন্য তাঁর অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু'কে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং নজরুলকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।
প্রধান সমস্যাটা ছিল শ্রেণীগত, কিন্তু সামনে যে প্রশ্নটা ছিল সেটি হলো জাতির। ভারতবর্ষ মোটেই এক জাতির দেশ ছিল না, কমিউনিস্ট পার্টি সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছিল যে সেখানে জাতি ছিল ১৭টি, যাদের ভিত্তি ছিল ভাষা। কংগ্রেস বলল, এক জাতির কথা। কিন্তু তাদের সেই জাতীয়তার ভিত্তিটা কী, সেটা পরিষ্কার করে বলতে পারল না। মুসলিম লীগ বলল, ভারতবর্ষে জাতি রয়েছে দুটি এবং তাদের পক্ষে বলতে কোনো অসুবিধা ছিল না যে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হচ্ছে ধর্ম। মুসলিম লীগ ইঙ্গিত করল যে কংগ্রেস যে জাতীয়তাবাদের কথা বলছে, সেটা হচ্ছে হিন্দু জাতীয়তাবাদ। কংগ্রেস এ কথার প্রতিবাদ করল ঠিকই। কিন্তু তাদের আচার-আচরণেই মুসলমানদের মনে ধারণা তৈরি হলো যে কংগ্রেসের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হচ্ছে হিন্দুত্ব।
সমাজতন্ত্রীদের পক্ষেই সম্ভব ছিল ভারতবর্ষকে বহুজাতিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা। সেটা তাঁরা করেছিলেনও, কিন্তু কংগ্রেস ও লীগের তৈরি করা সাম্প্রদায়িক ডামাডোলের ভেতর তাঁদের সে বক্তব্য জোরালোভাবে প্রকাশ পায়নি। কমিউনিস্ট পার্টির আরো একটি দুর্বলতা ছিল। সেটা হলো, তারা তাদের আত্মত্যাগ ও বিপুল কর্মোদ্যম সত্ত্বেও সমাজ বিপ্লবের বক্তব্য পরিষ্কারভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরতে পারেনি। জনগণের আবেগের ভাষা ও সাংস্কৃতিক মান দুটিই ছিল তাদের কাছে অনধিগম্য। নাস্তিকতার অভিযোগটাও কম অসুবিধার সৃষ্টি করেনি।
কমিউনিস্টরা কোন পথে অগ্রসর হবেন- সেটাও ঠিক করতে পারেননি। সমাজতন্ত্রীদের একাংশ ঠিক করেছিল কংগ্রেসের ভেতর থেকেই কাজ করবে। তারা কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টি গঠন করল; কিন্তু সুবিধা করতে পারল না। শেষ পর্যন্ত তো কমিউনিস্টদের কংগ্রেস থেকে বের করেই দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেসের মূল নেতৃত্ব ছিল রক্ষণশীল; যে জন্য দু-দুবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েও সুভাষ চন্দ্র বসু কংগ্রেসে থাকতে পারেননি এবং জওয়াহের লাল নেহরুকে থাকতে হয়েছিল রক্ষণশীলদের সঙ্গে আপস করে।
যে সমাজতন্ত্রীরা আলাদাভাবে কমিউনিস্ট পার্টি গঠন করেন, তাঁরাও পথ-বিভ্রান্তির শিকার হয়েছেন। এর বড় কারণ আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট কেন্দ্র হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের ওপর নির্ভর করা। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঢালাও কোনো পথ নেই। সমাজের আর্থ-সামাজিক বিকাশ, রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অবস্থা, ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য- এসবকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও বিবেচনা করেই রণনীতি ও রণকৌশল নির্ধারণ করার কথা। ভারতীয় কমিউনিস্টরা সেটা করতে পারেননি। ফলে তাঁরা আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের নির্দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। এই প্রক্রিয়ায় একটি বিপর্যয় ঘটে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। সেই যুদ্ধ যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর ভেতর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াই ছিল, এটা কমিউনিস্ট পার্টি বুঝতে ভুল করেনি। কিন্তু হিটলার যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে বসলেন, তখন কমিউনিস্টদের দৃষ্টিতে যুদ্ধের চরিত্রে একটি পরিবর্তন ঘটেছিল। এটি পরিণত হলো জনযুদ্ধে এবং সারা বিশ্বে কমিউনিস্টদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষে দাঁড়ানো। পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে ভারতের কমিউনিস্টরা দেখলেন, সোভিয়েত ইউনিয়নকে আক্রমণকারী নাৎসি জার্মানির শক্র যে মিত্রবাহিনী, তারা তাঁদের মিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশকে মিত্র হিসেবে গ্রহণ করার এই নীতি ভারতের কমিউনিস্টদের জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলল। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর সংগ্রাম যখন একটি চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখন তাতে কমিউনিস্টরা যে আপসহীনভাবে অংশ নিতে পারছেন না, বরঞ্চ ব্রিটিশের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছেন, সেই ঘটনা দেশবাসীর পক্ষে তো হতাশাব্যঞ্জক ছিলই; কমিউনিস্টদের নিজেদের কাছেও কম অস্বস্তিকর ঠেকেনি। ফল দাঁড়াল এই যে তাঁরা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের নেতৃত্বের জায়গায় তো যেতে পারলেন না, বরঞ্চ পিছিয়ে গেলেন। কমিউনিস্ট পার্টি সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি। জয়জয়কার তখন কংগ্রেস ও লীগের। কমিউনিস্টরা তখন নিজের ভূমিকা থেকে সরে এসে কংগ্রেস ও লীগকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সমাজতন্ত্রীরা জাতীয়তাবাদীদের হিংসা ভুলে এক হতে বলছেন; কিন্তু সে ঐক্য যে সমাজতন্ত্রীদের পক্ষে যাবে না, সেটা খেয়াল করার সুযোগ পাচ্ছেন না- অবস্থাটা দাঁড়িয়েছিল এ রকমেরই। প্রধান দ্বন্দ্বটা ছিল ব্রিটিশের সঙ্গে জনগণের। এই দ্বন্দ্বে কংগ্রেস ও লীগকে এক করা যাবে- এটা ছিল একটি অবাস্তব ধারণা। শ্রমিক-কৃষক-ছাত্ররা যে প্রায় বিপ্লবী একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলেন, তাতে নেতৃত্ব দেওয়ার শক্তি পার্টির ছিল না। পার্টি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নির্দেশে চলার সিদ্ধান্ত নিয়ে।
শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার তাই হয়েছে। ভারতবর্ষ দুই টুকরো হয়ে গেছে। কোটি কোটি মানুষকে উৎপাটন, দুর্ভোগ পোহানো, প্রাণ হারানো, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগতভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাওয়ার তুলনাবিহীন বিপদের মধ্যে পড়তে হয়েছে।
(বাকি অংশ আগামীকাল)
লেখক : শিক্ষাবিদ, ইমেরিটাস অধ্যাপক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 16
(50)
- আমিরের নেতৃত্বে পরাগ অপহরণ-যুবলীগের জুয়েলসহ মূল হো...
- মম by শেখ আতাউর রহমান
- তোমাদের জন্য বই- কত অজানা রে! by আলতাফ শাহনেওয়াজ
- না খাওয়ার দল
- সিসিমপুর- টুকটুকি রেগে আছে
- ব্রিটেনে প্রথম পুলিশ কমিশনার নির্বাচন
- এশিয়া সফরে লিওন প্যানেটা
- পেট্রায়াস কেলেঙ্কারি-সামরিক স্থাপনায় পলা-কেলির ঢোক...
- সৌদিতে আরো চার মাসের জীবন পেল ফিলিপিনো শ্রমিক
- কবিতা- নব্যপুরাণ by ময়ুখ চৌধুরী
- বেইজিং বিয়েনালে কয়েকটি দিন by মো. জালালউদ্দিন
- চারুশিল্প: প্রদর্শনী- মাটি ও মানুষের কাছে ফেরা by ...
- জিম্বাবুয়ে দিনযাপন- রাইটিং স্টিল by মঈনুস সুলতান
- দুই গীতাঞ্জলি শতবর্ষ পরে by পবিত্র সরকার
- মুখ খুললেন রমনি
- অস্ট্রেলিয়ায় হিলারি-প্যাসিফিক অঞ্চল 'সবার জন্যই যথ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- হে উৎসব- কল্পনায় বিশ্ব by আশীষ-উর-রহমান
- দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলা- ‘সরকারের উচ্চপর্যায় থেক...
- চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বাড়িটির মালিক ছয় ভাইয়ের...
- রাখাইনে দাঙ্গা 'আন্তর্জাতিক ট্র্যাজেডি' : সু চি
- সবচেয়ে গরিব প্রেসিডেন্ট!
- ব্যর্থতার দায় মেনে নিল জাতিসংঘ-* বেসামরিক শ্রীলঙ্ক...
- বিবাহ আইন নিয়ে বিতর্ক, মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন ওয়াতারা
- অপহরণকারীর সঙ্গে পরাগের বাবার কথোপকথন
- ৬ যুবকের স্বীকারোক্তি- মূল ‘অপহরণকারী’ এখনো ধরা পড়েনি
- সুভাষ দত্ত আর নেই
- নাফিসকে অভিযুক্ত করলেন গ্র্যান্ড জুরি
- ২১ রানে পিছিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- ইসরায়েলের বিমান হামলায় গাজায় নিহত ১৫-মধ্যপ্রাচ্যে ...
- রাশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদ্রোহ আইন কার্যকর
- এবারও নারীবিহীন সর্বোচ্চ কমিটি
- সাবেক নেতাদের প্রভাব থাকছেই নতুন নেতৃত্বে
- ফেব্রুয়ারিতে আবুধাবি যাবে মালালা
- জাতির উদ্দেশে চিনপিং-জনগণের সঙ্গে দলের দূরত্ব ঘোচা...
- অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ
- বাজেট নিয়ে রিপাবলিকানদের সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত ওবামা...
- চিনে নতুন নুতৃত্ব-শি চিনপিং নতুন প্রেসিডেন্ট
- মহররম মাসের তাৎপর্য by মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার
- ধৈর্যশীলতার পুরস্কার by শিরিন বেলায়েত
- আমাদের বাবু মামা by ফখরুল ইসলাম চৌধুরী পরাগ
- প্রশাসন-মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হোক পুলিশ by...
- জন্মশতবার্ষিকী-গান্ধী পরিবার ও ডা. জোহরা বেগম কাজী...
- মুদ্রা পাচার-সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে
- সিডরের পাঁচ বছর-ক্ষত কি স্থায়ী হয়ে থাকবে?
- আমনের নিম্নদর-দ্রুত সরকারি পদক্ষেপ প্রয়োজন
- একের পর এক মৃত্যুদণ্ড মওকুফ-অপরাধীকেই কার্যত প্রশ্...
- চরাচর-পথের শিল্পী by পাভেল রহমান
- শেকড়ের ডাক-আহত বোধের সীমাহীন যন্ত্রণা by ফরহাদ মাহমুদ
- জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির প্রত্যাশা by সিরাজুল ইস...
-
▼
Nov 16
(50)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment