Monday, June 18, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : শাহরিয়ার কবির-বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্রক্রিয়া অনেক স্বচ্ছ
বিশেষ সাক্ষাৎকার : শাহরিয়ার কবির-বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্রক্রিয়া অনেক স্বচ্ছ
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়েছে। এই বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বিচার-প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লবিস্ট নিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। এই বিচার-প্রক্রিয়া ও সাম্প্রতিক রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছিলেন একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব
কালের কণ্ঠ : দেশে আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আপনি এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। আমরা এই বিচারের একেবারে শুরুর দিকটি জানতে চাই।
শাহরিয়ার কবির : সবার আগে আমাদের বলতে হবে, একাত্তরে কী ঘটেছিল। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় যে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর কোথাও এর নজির নেই। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সরকারি হিসেবে দুই লাখ, বেসরকারি হিসাবে সোয়া চার লাখ নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এক কোটি মানুষকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং যাবতীয় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকার এ বিষয়ে তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছিল। আমি দেখেছি, তৎকালীন কেবিনেট সচিব এইচ টি ইমাম, তাঁর সই করা একটি চিঠি সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছিল কোন জেলায় কী ধরনের গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে তার তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশে ফিরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরেই বলেছিলেন, যারা গণহত্যা করেছে, তাদের ক্ষমা করা হবে না। এরপর বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি বলেছেন এবং ২৪ জানুয়ারি একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করা হয় ঘাতক-দালালদের বিচারের জন্য। যেটাকে আমরা সাধারণভাবে দালাল আইন বলি। সেই দালাল আইনে ৭৩টি ট্রাইব্যুনাল সারা দেশে গঠন করা হয়েছিল। ৩৭ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে ১৯৭৩ সালের মে মাসে বঙ্গবন্ধু সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। কারণ, অনেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। এসব যাচাই-বাছাই করে প্রেসনোটে বলা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, হত্যা-ধর্ষণ, নির্যাতন, গৃহে অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি ১৮টি অপরাধের উল্লেখ করে বলা হয়েছিল, এসব অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে নেই, তাদের ক্ষমা করা হবে। এসব অপরাধে যারা অভিযুক্ত, তাদের বিচার করা হবে, ক্ষমা করা হবে না। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর ২৬ হাজারের মতো লোক ছাড়া পেয়েছিল। কিন্তু ১১ হাজার ব্যক্তি বিভিন্ন কারাগারে আটক ছিলেন। তাদের বিচার চলছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার আগে পর্যন্ত আমরা দেখেছি প্রায় ৭৩টি ট্রাইব্যুনালে দুই হাজারেরও বেশি যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা, ধর্ষণের অপরাধে বিচার হয়েছে। এদের মধ্যে ৭৫২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করে দেন। এর ফলে যাদের বিচার হচ্ছিল, যাদের শাস্তি হয়েছিল, তারা সবাই জেল থেকে বেরিয়ে আসে।
বঙ্গবন্ধু বাহাত্তরের সংবিধানে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বলেছিলেন, ধর্মের নামে কোনো দল করা যাবে না। একাত্তরের গণহত্যার এটাও একটা বৈশিষ্ট্য। এই গণহত্যা হয়েছিল ধর্মের নামে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের প্রধান সহযোগী জামায়াতে ইসলামী ধর্মের নামে হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন করেছিল। মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল। সে কারণেই বাহাত্তরের সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় এসে সংবিধানের ওই ধারাটিও বাতিল করে দেন। তার ফলে যুদ্ধাপরাধীরা রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে আবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পেল। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি তারা রাজনীতিতে এমনই শক্তি অর্জন করেছে যে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে তারা ক্ষমতায় শরিক পর্যন্ত হয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা শতাধিক জঙ্গি-মৌলবাদী সংগঠনের জন্ম দিয়েছে। এটাকে বলা যায় অপরাধ থেকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। কোনো অপরাধের যে বিচার হয় না, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সেটা আমরা দেখেছি। এ ব্যাপারে একজন আমেরিকান গণহত্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বেন, গণহত্যা নিয়ে তাঁর বই আছে, সেই বইতে তিনি বাংলাদেশে গণহত্যার বিষয়টি বলতে গিয়ে বলছেন, 'একাত্তরে পাকিস্তানি জেনারেল এবং বাংলাদেশে যারা তাদের সহযোগী ছিল, যারা গণহত্যা করেছে, তাদের বিচার হয়নি। তাদের বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় কী হয়েছে? এই জেনারেলরা পাকিস্তানে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ- সবকিছু তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এরাই পরে আল-কায়েদার জন্ম দিয়েছেন।' বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, 'জামায়াতে ইসলামী ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে এবং বাংলাদেশে তারা জঙ্গি-মৌলবাদের জন্ম দিয়েছে। এই জঙ্গি-মৌলবাদ-আল কায়েদা বিশ্বব্যাপী ইসলামের নামে সন্ত্রাসের নতুন যে উত্থান- এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন একাত্তরের গণহত্যার দায়মুক্তিকে। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, 'আল-কায়েদা এই যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছে, তারা অনুপ্রাণিত হয়েছে বাংলাদেশের গণহত্যা থেকে।'
এটা থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। এটা তো একাত্তরের পর থেকে শহীদ পরিবারের একটা দাবি। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে, গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারের দাবিতে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করেছিলেন। আমরা এখন বলতে পারি, নাগরিক আন্দোলনের ইতিহাসে বাংলাদেশ কেন, কোথাও এর দ্বিতীয় নজির নেই। ১৯৯২ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫ লাখের মতো মানুষ সমবেত হয়েছিল গণ-আদালতে, গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার প্রত্যক্ষ করতে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের দাবি। সেই দাবি একটি আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। আমরা আন্দোলন করেছি। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আন্দোলন করেছে। তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পর যাদের জন্ম, তাদের তো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই প্রজন্ম নতুন করে জানতে পেরেছে একাত্তরে কী হয়েছিল। এই আন্দোলনের ভেতর দিয়ে তরুণ প্রজন্ম গণহত্যার কথা যেমন জানতে পেরেছে, তেমনি জানতে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধে একাত্তরে বাঙালির বীরত্বের কথা। এর ফল পাওয়া গেছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে মহাজোটের অঙ্গীকার ছিল। সেই অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী।
কালের কণ্ঠ : এই বিচারের প্রসঙ্গ যখনই উঠেছে, তখনই বলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছিলেন। এভাবে বিভ্রান্ত করার একটা চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো হচ্ছে। এ বিষয়ে যদি আলোকপাত করেন।
শাহরিয়ার কবির : ক্ষমার দুটি বিষয় আছে। একটি হচ্ছে পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিদের ক্ষমা। আরেকটি হচ্ছে দালাল আইনে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাদের ক্ষমা। দালাল আইনে গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপারে পরিষ্কার বক্তব্য ছিল। সুনির্দিষ্ট ১৮টি অপরাধে অপরাধী এমন কেউ সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়বে না। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরই শহীদুল্লাহ কায়সারের হত্যাকারী খালেক মজুমদারদের বিচার হয়েছে। তাদের শাস্তি হয়েছে। সাধারণ ক্ষমা প্রযোজ্য ছিল শুধু তাদের ক্ষেত্রে, যারা বাধ্য হয়ে রাজাকার বাহিনীতে নাম লিখিয়েছে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, প্রাণের ভয়ে, হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনে অংশ নেয়নি, তাদের ক্ষেত্রে। একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে ১৯৫ জন পাকিস্তানিকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কথা ছিল পাকিস্তান তাদের বিচার করবে। কিন্তু পাকিস্তানিরা তাদের বিচার করেনি। সেটা ছিল উপমহাদেশে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আমাদের দেশের ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এর কোনো ভিত্তি নেই। আমাদের দায় হচ্ছে, আগে দেশের অপরাধীদের বিচার করা। এরই প্রথম ধাপে এখন আটজনের বিচার হচ্ছে। ধাপে ধাপে আরো অপরাধীর বিচার হবে। স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে পাকিস্তানেও জনমত সংগঠিত হচ্ছে। সেখানেও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির শাখা গঠন করা হয়েছে। সাধারণ ক্ষমার যে বিষয়টি ঘাতকদের সহযোগীরা বলতে চাইছে, সেটা একেবারেই মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন। তারা সত্যের অপলাপ করছে। সত্যকে বিকৃত করছে।
কালের কণ্ঠ : গোলাম আযমও তো বলেছেন, বঙ্গবন্ধু তাঁকে ক্ষমা করে গেছেন।
শাহরিয়ার কবির : এটা বলা হচ্ছে জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্য। দেশে ও বিদেশে সবাইকে বিভ্রান্ত করার জন্য এটা বলা হচ্ছে। কিছুদিন আগে সৌদি গেজেটেও এক সৌদি কূটনীতিক এ বিষয়ে লিখেছেন। আমরা এর জবাবে বলেছি, এগুলো সবই মিথ্যাচার। গোলাম আযমকে তো ক্ষমা করার প্রশ্নই ওঠে না। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের অপরাধে ৩৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে গোলাম আযম একজন। তাঁকে ক্ষমা করার প্রশ্নই ওঠে না। এ ক্ষমা তাঁদের জন্যই প্রযোজ্য ছিল, যাঁরা দালাল আইনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তখন ছিল না। গোলাম আযম যেটা বলছেন, জামায়াত ও তাদের সহযোগীরা যেটা বলছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার।
কালের কণ্ঠ : বিচারের স্বচ্ছতা নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। অভিযোগ উঠেছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লবিস্ট নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রচুর টাকা ছড়ানো হচ্ছে।
শাহরিয়ার কবির : স্বচ্ছতার বিষয়ে আমি বলবো, অতীতে বিশ্বে যুদ্ধাপরাধের যতগুলো বিচার হয়েছে, তার চেয়ে বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া অনেক স্বচ্ছ। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এ কথা বলেছি। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি শুনানিতে আমরা বলেছি, আমরা যে আইনটা করেছি এটা আমাদের নিজস্ব আইন। আমাদের ট্রাইব্যুনাল ডোমেস্টিক ট্রাইব্যুনাল। আমরা যে অপরাধের বিচার করছি, সেই অপরাধগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমাদের আইনে আমরা আমাদের অপরাধীদের বিচার করছি। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। পৃথিবীর কোথায় কোন দেশে কিভাবে বিচার হয়, সেটা নিয়ে কী আমরা কখনো সরকারিভাবে মন্তব্য করি? আমাদের আইনে অভিযুক্তকে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এটা কোথাও ছিল না। অভিযুক্তদের ব্যাপারে ট্রাইবুন্যাল অনেক নমনীয়। জামায়াতিরা এই সুযোগটি নিচ্ছে। তারা বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিতে চাইছে। বিচারকে বিলম্বিত ও প্রহসনে পরিণত করার সুযোগ নিতে চাইছেন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা। আমাদের এখানে যেভাবে বিচার হচ্ছে, তাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। অভিযুক্তরাও জানেন, তাঁরা কী সুযোগ পাচ্ছেন।
কালের কণ্ঠ : এই আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনীতি করার একটা প্রবণতাও বোধ হয় দেখা যাচ্ছে। এটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শাহরিয়ার কবির : জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি সবাইকে বুঝতে হবে। ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ছিল। তারা সরাসরি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। বাংলাদেশকে তারা কখনো গ্রহণ করেনি। এই ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ কখনো তাদের কাম্য নয়। গোলাম আযম ১৯৭২ সাল থেকে এ দেশে আসার আগে পর্যন্ত বিদেশে যখন ছিলেন, তখনো তিনি পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি নামে আন্দোলন করার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার তদবির করেছেন। জামায়াতের মিশন হচ্ছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত না করা গেলেও এ দেশটিকে একটি মিনি পাকিস্তানে রূপান্তরিত করা। জামায়াতের প্রধান মিত্র হচ্ছে এখন বিএনপি। বিএনপি জানে এই বিচার যদি আমরা ঠিকমতো করতে পারি, তাহলে জামায়াতের নেতারা কেউ এই দায় থেকে মুক্তি পাবেন না। বিচারে তাঁদের শাস্তি হবে এবং জামায়াতের রাজনীতি বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাবে। বিএনপি এখন পুরো দাঁড়িয়ে আছে জামায়াতের ওপর। ফলে জামায়াতকে রক্ষা করার দায় বিএনপির ওপর এসে পড়েছে। সেই কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার দায় এখন বিএনপি ঘাড় পেতে নিয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অনুমোদন করছেন না, আমরা বাইরে গেলেই তা বুঝতে পারি। যেকোনো কারণেই হোক বিএনপি মনে করে জামায়াতকে সঙ্গে নিলে তাদের ক্ষমতায় যাওয়া সহজ হবে। কিন্তু জামায়াতকে তুষ্ট করতে গিয়ে বিএনপি কিভাবে জনবিচ্ছিন্ন হচ্ছে, সেটা দলের হাইকমান্ড উপলব্ধি করছে না।
কালের কণ্ঠ : জামায়াতের সঙ্গে জঙ্গিবাদের সম্পৃক্ততা আছে বলে মনে করেন?
শাহরিয়ার কবির : আমি নিজে তো এর ভুক্তভোগী। ২০০২ সালে ময়মনসিংহের তিনটি সিনেমা হলে হরকাতুল জিহাদ বোমা ফাটাল, মানুষ হত্যা করল। সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পক্ষ থেকে বলে দেওয়া হলো, এ কাজটি করেছে আওয়ামী লীগ ও ভারত। ঢাকা ও ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মুনতাসীর মামুন ও আমাকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। বিএনপি-জামায়ত ক্ষমতায় থাকার সময় জঙ্গি-মৌলবাদকে রক্ষার জন্য এমন অনেক কাজ করেছে। জঙ্গিদের তৈরি করেছে তারা। পাকিস্তানের মডেলে বাংলাদেশকে তারা পাকিস্তান বানাতে চেয়েছে। তার পরিণতি তারা ভোগ করেছে। এটা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। আমার আশঙ্কা বিএনপির এই জামায়াতনির্ভরতার কারণে দলটি মুসলিম লীগের মতো একেবারেই শেষ হয়ে যাবে। সেটা কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
কালের কণ্ঠ : বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক ধারাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শাহরিয়ার কবির : এটা সম্পূর্ণ একটি দেউলিয়া সংগঠনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত-বিএনপি যখন এক হয়ে যায়, জামায়াতের সব দায় যখন বিএনপি ঘাড়ে তুলে নেয়, বাংলাদেশের অস্তিত্ববিনাশী রাজনীতি যখন তারা অনুমোদন করে, নিজেরা সেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সেটাকে আমি গণতন্ত্রের জন্য, দেশ-জাতি-সমাজের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করি।
কালের কণ্ঠ : সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনাল নিয়ে যদি কিছু বলেন।
শাহরিয়ার কবির : সরকার ট্রাইব্যুনাল করেছে, এ বছর তো দুটো ট্রাইব্যুনাল হলো। কিন্তু প্রথম থেকেই বলে আসছি ট্রাইব্যুনগুলোয় প্রয়োজনীয় লোকবল দেওয়া হয়নি। আইনজীবীরা সবাই সার্বক্ষণিক নন। আরো দক্ষ আইনজীবী দরকার। এই ট্রাইব্যুনালের একটা গবেষণা সেল নেই, আর্কাইভ নেই। অন্যান্য রসদের প্রচুর অভাব রয়েছে। সীমাবদ্ধতা আছে। জামায়াতের প্রস্তুতির তুলনায় আমাদের প্রস্তুতি খুবই অপ্রতুল। বিদেশে জামায়াত যে বহুমাত্রিক তৎপরতা চালাচ্ছে, শত শত কোটি টাকা খরচ করে তারা বিদেশি আইনজীবী ও সংগঠন ভাড়া করেছে। বাংলাদেশ সরকার এটা কূটনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না। একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। জামায়াতের অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবে ও কূটনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। রসদেও অভাব দূর করতে হবে। সাক্ষীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। সাক্ষীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে হবে। আরেকটি দুর্বলতার বিষয় উল্লেখ করতে চাই। যুদ্ধাপরাধের দায়ে কয়েক ব্যক্তির বিচার হচ্ছে। কোনো সংগঠনের বিচার হচ্ছে না। এতে একটা বিষয় কিন্তু থেকে যাচ্চে যে রাজনীতি মানুষকে যুদ্ধাপরাধে, মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রবৃত্ত করে, সেই রাজনীতি যদি বহাল থাকে তাহলে এ ধরনের অপরাধ ঘটবে। এ কারণেই বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীরা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। এখন জামায়াতে ইসলামীকে যদি কাঠগড়ায় দাঁড় না করানো হয় তাহলে কিন্তু শহীদ পরিবারগুলোকে বিচার থেকে বঞ্চিত করা হবে। জামায়াত, রাজাকার, আলবদর- সবারই বিচার হতে হবে। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে ছয়টি সংগঠনের বিচার হয়েছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনেরও বিচার করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। সাড়ে তিন বছর পেরিয়ে গেছে। এই সরকারকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শাহরিয়ার কবির : সরকারের যতটুকু কাজ গত তিন-সাড়ে তিন বছরে আমরা দেখছি, তাতে হয়তো হতাশার কিছু আছে। কিছু কাজে ক্ষোভ থাকতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বিগত সরকারের সঙ্গে তুলনা করলে তাহলে সরকারের অগ্রগতির দিকটিই চোখে পড়ে। এটা ইতিবাচক বলেই আমি মনে করি। কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা, অর্থনীতি- অনেক ক্ষেত্রে সরকারের যে সাফল্য, তা চোখে পড়ার মতো। অন্তত বিগত সরকারের তুলনায় অনেক ইতিবাচক। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, দেশকে আমরা কোন লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে যে চেতনার সৃষ্টি হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীরা যে সংবিধানটি প্রণয়ন করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে আমরা যা বুঝি, সেই লক্ষ্য থেকে যদি আমরা বিচ্যুত হই, তাহলে ভিশন ২০২১ বলে যা বলা হচ্ছে, সেই লক্ষ্যে আমরা পেঁৗছতে পারব না। আমাদের লক্ষ্যটা আগে নির্ধারণ করতে হবে। দোদুল্যমানতার মানসিকতা সরকারকে ছাড়তে হবে। সরকারকে লক্ষ্য স্থির করতে হবে। আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনার জায়গাটি ধরে এগোতে হবে। একটা ভিশন তৈরি করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : এখন প্রায়ই নতুন করে ওয়ান-ইলেভেনের কথা শোনা যাচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতায় এর বিশ্লেষণ করুন?
শাহরিয়ার কবির : ওয়ান-ইলেভেন আসলে কী? এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ধরনের সামরিক শাসন। সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে সেই সিভিল সরকার অনিয়মতান্ত্রিকভাবে দুবছর ক্ষমতায় ছিল। এখন সে রকম একটা উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে? যারা রাজনীতিকে সামরিকায়ন করেছে, তারা। এটা তো বিএনপির দর্শন। জিয়াউর রহমানের দর্শন। এটা জামায়াতের দর্শন। এটা পাকিস্তানের দর্শন। যখনই পাকিস্তানে সামরিক শাসন এসেছে, সবার আগে জামায়াতে ইসলামী গিয়ে তাদের সমর্থন করেছে। জামায়াত সবসময় সামরিক শাসনের পক্ষে। বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিকে সামরিকায়ন করেছে। সেই ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। জনগণকে সজাগ করতে হবে। এ জন্য গণতন্ত্রের পথে যতো বাধা সব দূর করতে হবে। এখানে আমাদের সমঝোতা করার কোনো সুযোগ নেই।
কালের কণ্ঠ : আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিকে আপনি আগামীতে কতটা ইতিবাচকভাবে দেখছেন?
শাহরিয়ার কবির : আমি মনে করি, আমাদের রাজনীতিবিদরা, তিনি সরকারেই থাকুন আর বিরোধী দলেই থাকুন, তাঁদেরকে প্রথমে দেশের কথা, সমাজের কথা ভাবতে হবে। দেশ বাঁচলে তবে তো আমি বাঁচব। নিজেদের সন্তানের কথাও তো ভাবতে হবে। এ দেশটা আমাদের। এ দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদেরই- রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই বোধের বিকাশ ঘটাতে হবে। দেশের মানুষ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাবোধের উদ্রেক হতে হবে। তবে বাংলাদেশের ইতিহাস বলছে, আজকের যে অবক্ষয়, সেটা আমাদের সাময়িক বিপর্যয়। আমরা সব সময় সামনের দিকে এগিয়ে গেছি। তরুণ প্রজন্মের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। সৃজনশীলতার দিক থেকে, যোগ্যতার দিক থেকে আমাদের দেশের তরুণরা পৃথিবীর কোনো দেশের চেয়ে কম মেধাসম্পন্ন নয়। দেশে একটা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আবহ থাকলে একটা দেশ সার্বিকভাবে সামনের দিকে এগোতে পারে। বাঙালি একসঙ্গে রুখে দাঁড়াতে পারে। এটাই আমাদের শক্তি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শাহরিয়ার কবির: আপনাদেরও অনেক ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : দেশে আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আপনি এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। আমরা এই বিচারের একেবারে শুরুর দিকটি জানতে চাই।
শাহরিয়ার কবির : সবার আগে আমাদের বলতে হবে, একাত্তরে কী ঘটেছিল। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় যে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর কোথাও এর নজির নেই। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সরকারি হিসেবে দুই লাখ, বেসরকারি হিসাবে সোয়া চার লাখ নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এক কোটি মানুষকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং যাবতীয় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকার এ বিষয়ে তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছিল। আমি দেখেছি, তৎকালীন কেবিনেট সচিব এইচ টি ইমাম, তাঁর সই করা একটি চিঠি সব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছিল কোন জেলায় কী ধরনের গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে তার তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশে ফিরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরেই বলেছিলেন, যারা গণহত্যা করেছে, তাদের ক্ষমা করা হবে না। এরপর বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি বলেছেন এবং ২৪ জানুয়ারি একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করা হয় ঘাতক-দালালদের বিচারের জন্য। যেটাকে আমরা সাধারণভাবে দালাল আইন বলি। সেই দালাল আইনে ৭৩টি ট্রাইব্যুনাল সারা দেশে গঠন করা হয়েছিল। ৩৭ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে ১৯৭৩ সালের মে মাসে বঙ্গবন্ধু সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। কারণ, অনেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। এসব যাচাই-বাছাই করে প্রেসনোটে বলা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, হত্যা-ধর্ষণ, নির্যাতন, গৃহে অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি ১৮টি অপরাধের উল্লেখ করে বলা হয়েছিল, এসব অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে নেই, তাদের ক্ষমা করা হবে। এসব অপরাধে যারা অভিযুক্ত, তাদের বিচার করা হবে, ক্ষমা করা হবে না। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর ২৬ হাজারের মতো লোক ছাড়া পেয়েছিল। কিন্তু ১১ হাজার ব্যক্তি বিভিন্ন কারাগারে আটক ছিলেন। তাদের বিচার চলছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার আগে পর্যন্ত আমরা দেখেছি প্রায় ৭৩টি ট্রাইব্যুনালে দুই হাজারেরও বেশি যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা, ধর্ষণের অপরাধে বিচার হয়েছে। এদের মধ্যে ৭৫২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করে দেন। এর ফলে যাদের বিচার হচ্ছিল, যাদের শাস্তি হয়েছিল, তারা সবাই জেল থেকে বেরিয়ে আসে।
বঙ্গবন্ধু বাহাত্তরের সংবিধানে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বলেছিলেন, ধর্মের নামে কোনো দল করা যাবে না। একাত্তরের গণহত্যার এটাও একটা বৈশিষ্ট্য। এই গণহত্যা হয়েছিল ধর্মের নামে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের প্রধান সহযোগী জামায়াতে ইসলামী ধর্মের নামে হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন করেছিল। মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল। সে কারণেই বাহাত্তরের সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় এসে সংবিধানের ওই ধারাটিও বাতিল করে দেন। তার ফলে যুদ্ধাপরাধীরা রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে আবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পেল। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি তারা রাজনীতিতে এমনই শক্তি অর্জন করেছে যে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে তারা ক্ষমতায় শরিক পর্যন্ত হয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা শতাধিক জঙ্গি-মৌলবাদী সংগঠনের জন্ম দিয়েছে। এটাকে বলা যায় অপরাধ থেকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। কোনো অপরাধের যে বিচার হয় না, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সেটা আমরা দেখেছি। এ ব্যাপারে একজন আমেরিকান গণহত্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বেন, গণহত্যা নিয়ে তাঁর বই আছে, সেই বইতে তিনি বাংলাদেশে গণহত্যার বিষয়টি বলতে গিয়ে বলছেন, 'একাত্তরে পাকিস্তানি জেনারেল এবং বাংলাদেশে যারা তাদের সহযোগী ছিল, যারা গণহত্যা করেছে, তাদের বিচার হয়নি। তাদের বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় কী হয়েছে? এই জেনারেলরা পাকিস্তানে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ- সবকিছু তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এরাই পরে আল-কায়েদার জন্ম দিয়েছেন।' বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, 'জামায়াতে ইসলামী ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে এবং বাংলাদেশে তারা জঙ্গি-মৌলবাদের জন্ম দিয়েছে। এই জঙ্গি-মৌলবাদ-আল কায়েদা বিশ্বব্যাপী ইসলামের নামে সন্ত্রাসের নতুন যে উত্থান- এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন একাত্তরের গণহত্যার দায়মুক্তিকে। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, 'আল-কায়েদা এই যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছে, তারা অনুপ্রাণিত হয়েছে বাংলাদেশের গণহত্যা থেকে।'
এটা থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। এটা তো একাত্তরের পর থেকে শহীদ পরিবারের একটা দাবি। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে, গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারের দাবিতে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করেছিলেন। আমরা এখন বলতে পারি, নাগরিক আন্দোলনের ইতিহাসে বাংলাদেশ কেন, কোথাও এর দ্বিতীয় নজির নেই। ১৯৯২ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫ লাখের মতো মানুষ সমবেত হয়েছিল গণ-আদালতে, গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার প্রত্যক্ষ করতে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের দাবি। সেই দাবি একটি আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। আমরা আন্দোলন করেছি। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আন্দোলন করেছে। তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পর যাদের জন্ম, তাদের তো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। সেই প্রজন্ম নতুন করে জানতে পেরেছে একাত্তরে কী হয়েছিল। এই আন্দোলনের ভেতর দিয়ে তরুণ প্রজন্ম গণহত্যার কথা যেমন জানতে পেরেছে, তেমনি জানতে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধে একাত্তরে বাঙালির বীরত্বের কথা। এর ফল পাওয়া গেছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে মহাজোটের অঙ্গীকার ছিল। সেই অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী।
কালের কণ্ঠ : এই বিচারের প্রসঙ্গ যখনই উঠেছে, তখনই বলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছিলেন। এভাবে বিভ্রান্ত করার একটা চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো হচ্ছে। এ বিষয়ে যদি আলোকপাত করেন।
শাহরিয়ার কবির : ক্ষমার দুটি বিষয় আছে। একটি হচ্ছে পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিদের ক্ষমা। আরেকটি হচ্ছে দালাল আইনে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাদের ক্ষমা। দালাল আইনে গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপারে পরিষ্কার বক্তব্য ছিল। সুনির্দিষ্ট ১৮টি অপরাধে অপরাধী এমন কেউ সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়বে না। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরই শহীদুল্লাহ কায়সারের হত্যাকারী খালেক মজুমদারদের বিচার হয়েছে। তাদের শাস্তি হয়েছে। সাধারণ ক্ষমা প্রযোজ্য ছিল শুধু তাদের ক্ষেত্রে, যারা বাধ্য হয়ে রাজাকার বাহিনীতে নাম লিখিয়েছে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, প্রাণের ভয়ে, হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনে অংশ নেয়নি, তাদের ক্ষেত্রে। একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে ১৯৫ জন পাকিস্তানিকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কথা ছিল পাকিস্তান তাদের বিচার করবে। কিন্তু পাকিস্তানিরা তাদের বিচার করেনি। সেটা ছিল উপমহাদেশে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আমাদের দেশের ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এর কোনো ভিত্তি নেই। আমাদের দায় হচ্ছে, আগে দেশের অপরাধীদের বিচার করা। এরই প্রথম ধাপে এখন আটজনের বিচার হচ্ছে। ধাপে ধাপে আরো অপরাধীর বিচার হবে। স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে পাকিস্তানেও জনমত সংগঠিত হচ্ছে। সেখানেও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির শাখা গঠন করা হয়েছে। সাধারণ ক্ষমার যে বিষয়টি ঘাতকদের সহযোগীরা বলতে চাইছে, সেটা একেবারেই মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন। তারা সত্যের অপলাপ করছে। সত্যকে বিকৃত করছে।
কালের কণ্ঠ : গোলাম আযমও তো বলেছেন, বঙ্গবন্ধু তাঁকে ক্ষমা করে গেছেন।
শাহরিয়ার কবির : এটা বলা হচ্ছে জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্য। দেশে ও বিদেশে সবাইকে বিভ্রান্ত করার জন্য এটা বলা হচ্ছে। কিছুদিন আগে সৌদি গেজেটেও এক সৌদি কূটনীতিক এ বিষয়ে লিখেছেন। আমরা এর জবাবে বলেছি, এগুলো সবই মিথ্যাচার। গোলাম আযমকে তো ক্ষমা করার প্রশ্নই ওঠে না। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের অপরাধে ৩৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে গোলাম আযম একজন। তাঁকে ক্ষমা করার প্রশ্নই ওঠে না। এ ক্ষমা তাঁদের জন্যই প্রযোজ্য ছিল, যাঁরা দালাল আইনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তখন ছিল না। গোলাম আযম যেটা বলছেন, জামায়াত ও তাদের সহযোগীরা যেটা বলছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার।
কালের কণ্ঠ : বিচারের স্বচ্ছতা নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। অভিযোগ উঠেছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লবিস্ট নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রচুর টাকা ছড়ানো হচ্ছে।
শাহরিয়ার কবির : স্বচ্ছতার বিষয়ে আমি বলবো, অতীতে বিশ্বে যুদ্ধাপরাধের যতগুলো বিচার হয়েছে, তার চেয়ে বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া অনেক স্বচ্ছ। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এ কথা বলেছি। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি শুনানিতে আমরা বলেছি, আমরা যে আইনটা করেছি এটা আমাদের নিজস্ব আইন। আমাদের ট্রাইব্যুনাল ডোমেস্টিক ট্রাইব্যুনাল। আমরা যে অপরাধের বিচার করছি, সেই অপরাধগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমাদের আইনে আমরা আমাদের অপরাধীদের বিচার করছি। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। পৃথিবীর কোথায় কোন দেশে কিভাবে বিচার হয়, সেটা নিয়ে কী আমরা কখনো সরকারিভাবে মন্তব্য করি? আমাদের আইনে অভিযুক্তকে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এটা কোথাও ছিল না। অভিযুক্তদের ব্যাপারে ট্রাইবুন্যাল অনেক নমনীয়। জামায়াতিরা এই সুযোগটি নিচ্ছে। তারা বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিতে চাইছে। বিচারকে বিলম্বিত ও প্রহসনে পরিণত করার সুযোগ নিতে চাইছেন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা। আমাদের এখানে যেভাবে বিচার হচ্ছে, তাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। অভিযুক্তরাও জানেন, তাঁরা কী সুযোগ পাচ্ছেন।
কালের কণ্ঠ : এই আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনীতি করার একটা প্রবণতাও বোধ হয় দেখা যাচ্ছে। এটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শাহরিয়ার কবির : জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি সবাইকে বুঝতে হবে। ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ছিল। তারা সরাসরি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। বাংলাদেশকে তারা কখনো গ্রহণ করেনি। এই ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ কখনো তাদের কাম্য নয়। গোলাম আযম ১৯৭২ সাল থেকে এ দেশে আসার আগে পর্যন্ত বিদেশে যখন ছিলেন, তখনো তিনি পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি নামে আন্দোলন করার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার তদবির করেছেন। জামায়াতের মিশন হচ্ছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত না করা গেলেও এ দেশটিকে একটি মিনি পাকিস্তানে রূপান্তরিত করা। জামায়াতের প্রধান মিত্র হচ্ছে এখন বিএনপি। বিএনপি জানে এই বিচার যদি আমরা ঠিকমতো করতে পারি, তাহলে জামায়াতের নেতারা কেউ এই দায় থেকে মুক্তি পাবেন না। বিচারে তাঁদের শাস্তি হবে এবং জামায়াতের রাজনীতি বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাবে। বিএনপি এখন পুরো দাঁড়িয়ে আছে জামায়াতের ওপর। ফলে জামায়াতকে রক্ষা করার দায় বিএনপির ওপর এসে পড়েছে। সেই কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার দায় এখন বিএনপি ঘাড় পেতে নিয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অনুমোদন করছেন না, আমরা বাইরে গেলেই তা বুঝতে পারি। যেকোনো কারণেই হোক বিএনপি মনে করে জামায়াতকে সঙ্গে নিলে তাদের ক্ষমতায় যাওয়া সহজ হবে। কিন্তু জামায়াতকে তুষ্ট করতে গিয়ে বিএনপি কিভাবে জনবিচ্ছিন্ন হচ্ছে, সেটা দলের হাইকমান্ড উপলব্ধি করছে না।
কালের কণ্ঠ : জামায়াতের সঙ্গে জঙ্গিবাদের সম্পৃক্ততা আছে বলে মনে করেন?
শাহরিয়ার কবির : আমি নিজে তো এর ভুক্তভোগী। ২০০২ সালে ময়মনসিংহের তিনটি সিনেমা হলে হরকাতুল জিহাদ বোমা ফাটাল, মানুষ হত্যা করল। সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পক্ষ থেকে বলে দেওয়া হলো, এ কাজটি করেছে আওয়ামী লীগ ও ভারত। ঢাকা ও ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মুনতাসীর মামুন ও আমাকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। বিএনপি-জামায়ত ক্ষমতায় থাকার সময় জঙ্গি-মৌলবাদকে রক্ষার জন্য এমন অনেক কাজ করেছে। জঙ্গিদের তৈরি করেছে তারা। পাকিস্তানের মডেলে বাংলাদেশকে তারা পাকিস্তান বানাতে চেয়েছে। তার পরিণতি তারা ভোগ করেছে। এটা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। আমার আশঙ্কা বিএনপির এই জামায়াতনির্ভরতার কারণে দলটি মুসলিম লীগের মতো একেবারেই শেষ হয়ে যাবে। সেটা কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
কালের কণ্ঠ : বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক ধারাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শাহরিয়ার কবির : এটা সম্পূর্ণ একটি দেউলিয়া সংগঠনে পরিণত হয়েছে। জামায়াত-বিএনপি যখন এক হয়ে যায়, জামায়াতের সব দায় যখন বিএনপি ঘাড়ে তুলে নেয়, বাংলাদেশের অস্তিত্ববিনাশী রাজনীতি যখন তারা অনুমোদন করে, নিজেরা সেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সেটাকে আমি গণতন্ত্রের জন্য, দেশ-জাতি-সমাজের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করি।
কালের কণ্ঠ : সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনাল নিয়ে যদি কিছু বলেন।
শাহরিয়ার কবির : সরকার ট্রাইব্যুনাল করেছে, এ বছর তো দুটো ট্রাইব্যুনাল হলো। কিন্তু প্রথম থেকেই বলে আসছি ট্রাইব্যুনগুলোয় প্রয়োজনীয় লোকবল দেওয়া হয়নি। আইনজীবীরা সবাই সার্বক্ষণিক নন। আরো দক্ষ আইনজীবী দরকার। এই ট্রাইব্যুনালের একটা গবেষণা সেল নেই, আর্কাইভ নেই। অন্যান্য রসদের প্রচুর অভাব রয়েছে। সীমাবদ্ধতা আছে। জামায়াতের প্রস্তুতির তুলনায় আমাদের প্রস্তুতি খুবই অপ্রতুল। বিদেশে জামায়াত যে বহুমাত্রিক তৎপরতা চালাচ্ছে, শত শত কোটি টাকা খরচ করে তারা বিদেশি আইনজীবী ও সংগঠন ভাড়া করেছে। বাংলাদেশ সরকার এটা কূটনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না। একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। জামায়াতের অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবে ও কূটনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। রসদেও অভাব দূর করতে হবে। সাক্ষীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। সাক্ষীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে হবে। আরেকটি দুর্বলতার বিষয় উল্লেখ করতে চাই। যুদ্ধাপরাধের দায়ে কয়েক ব্যক্তির বিচার হচ্ছে। কোনো সংগঠনের বিচার হচ্ছে না। এতে একটা বিষয় কিন্তু থেকে যাচ্চে যে রাজনীতি মানুষকে যুদ্ধাপরাধে, মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রবৃত্ত করে, সেই রাজনীতি যদি বহাল থাকে তাহলে এ ধরনের অপরাধ ঘটবে। এ কারণেই বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীরা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। এখন জামায়াতে ইসলামীকে যদি কাঠগড়ায় দাঁড় না করানো হয় তাহলে কিন্তু শহীদ পরিবারগুলোকে বিচার থেকে বঞ্চিত করা হবে। জামায়াত, রাজাকার, আলবদর- সবারই বিচার হতে হবে। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে ছয়টি সংগঠনের বিচার হয়েছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনেরও বিচার করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। সাড়ে তিন বছর পেরিয়ে গেছে। এই সরকারকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শাহরিয়ার কবির : সরকারের যতটুকু কাজ গত তিন-সাড়ে তিন বছরে আমরা দেখছি, তাতে হয়তো হতাশার কিছু আছে। কিছু কাজে ক্ষোভ থাকতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বিগত সরকারের সঙ্গে তুলনা করলে তাহলে সরকারের অগ্রগতির দিকটিই চোখে পড়ে। এটা ইতিবাচক বলেই আমি মনে করি। কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা, অর্থনীতি- অনেক ক্ষেত্রে সরকারের যে সাফল্য, তা চোখে পড়ার মতো। অন্তত বিগত সরকারের তুলনায় অনেক ইতিবাচক। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, দেশকে আমরা কোন লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে যে চেতনার সৃষ্টি হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীরা যে সংবিধানটি প্রণয়ন করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে আমরা যা বুঝি, সেই লক্ষ্য থেকে যদি আমরা বিচ্যুত হই, তাহলে ভিশন ২০২১ বলে যা বলা হচ্ছে, সেই লক্ষ্যে আমরা পেঁৗছতে পারব না। আমাদের লক্ষ্যটা আগে নির্ধারণ করতে হবে। দোদুল্যমানতার মানসিকতা সরকারকে ছাড়তে হবে। সরকারকে লক্ষ্য স্থির করতে হবে। আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনার জায়গাটি ধরে এগোতে হবে। একটা ভিশন তৈরি করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : এখন প্রায়ই নতুন করে ওয়ান-ইলেভেনের কথা শোনা যাচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতায় এর বিশ্লেষণ করুন?
শাহরিয়ার কবির : ওয়ান-ইলেভেন আসলে কী? এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ধরনের সামরিক শাসন। সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে সেই সিভিল সরকার অনিয়মতান্ত্রিকভাবে দুবছর ক্ষমতায় ছিল। এখন সে রকম একটা উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে? যারা রাজনীতিকে সামরিকায়ন করেছে, তারা। এটা তো বিএনপির দর্শন। জিয়াউর রহমানের দর্শন। এটা জামায়াতের দর্শন। এটা পাকিস্তানের দর্শন। যখনই পাকিস্তানে সামরিক শাসন এসেছে, সবার আগে জামায়াতে ইসলামী গিয়ে তাদের সমর্থন করেছে। জামায়াত সবসময় সামরিক শাসনের পক্ষে। বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিকে সামরিকায়ন করেছে। সেই ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। জনগণকে সজাগ করতে হবে। এ জন্য গণতন্ত্রের পথে যতো বাধা সব দূর করতে হবে। এখানে আমাদের সমঝোতা করার কোনো সুযোগ নেই।
কালের কণ্ঠ : আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিকে আপনি আগামীতে কতটা ইতিবাচকভাবে দেখছেন?
শাহরিয়ার কবির : আমি মনে করি, আমাদের রাজনীতিবিদরা, তিনি সরকারেই থাকুন আর বিরোধী দলেই থাকুন, তাঁদেরকে প্রথমে দেশের কথা, সমাজের কথা ভাবতে হবে। দেশ বাঁচলে তবে তো আমি বাঁচব। নিজেদের সন্তানের কথাও তো ভাবতে হবে। এ দেশটা আমাদের। এ দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদেরই- রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই বোধের বিকাশ ঘটাতে হবে। দেশের মানুষ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাবোধের উদ্রেক হতে হবে। তবে বাংলাদেশের ইতিহাস বলছে, আজকের যে অবক্ষয়, সেটা আমাদের সাময়িক বিপর্যয়। আমরা সব সময় সামনের দিকে এগিয়ে গেছি। তরুণ প্রজন্মের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। সৃজনশীলতার দিক থেকে, যোগ্যতার দিক থেকে আমাদের দেশের তরুণরা পৃথিবীর কোনো দেশের চেয়ে কম মেধাসম্পন্ন নয়। দেশে একটা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও আবহ থাকলে একটা দেশ সার্বিকভাবে সামনের দিকে এগোতে পারে। বাঙালি একসঙ্গে রুখে দাঁড়াতে পারে। এটাই আমাদের শক্তি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শাহরিয়ার কবির: আপনাদেরও অনেক ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 18
(121)
- ভিনগ্রহের প্রাণী হয়ে চলচ্চিত্রে মেহজাবীন
- মানুষের মুখ-‘অখন মরা ছাড়া কোনো বুদ্দি নাই’ by মোছা...
- তথ্য অধিকার-তথ্য পাওয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম by মশিউল আলম
- নারী-ইভ টিজিং বন্ধে আমাদের দায়িত্ব by উম্মে মুসলিমা
- সরল গরল-বিচার প্রশাসনে প্রহসন by মিজানুর রহমান খান
- প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের বাস্তবায়ন দেখতে চাই-শিশুদ...
- সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি-তেল ন...
- অভিমত ভিন্নমত
- মানুষের মুখ-জুমকন্যার কাছে by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- অরণ্যে রোদন-আমরা করব জয়, একদিন... by আনিসুল হক
- উন্নয়ন-সহস্রাব্দের উন্নয়ন ধুমধাম ধামাকা by মুহাম্ম...
- পরিবেশ-বিপন্ন নগর ও আমাদের অসচেতনতা by আসাদউল্লাহ খান
- ইউরোপের চিঠি-আর্কটিকের জ্বালানি-সম্পদকেন্দ্রিক দ্ব...
- বাঘা তেঁতল-পুলিশ ও মিডিয়া by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- উন্নয়ন-সহস্রাব্দের উন্নয়ন ধুমধাম ধামাকা by মুহাম্ম...
- যত দ্রুত সম্ভব তফসিল ঘোষণা করা হোক-ডিসিসি নির্বাচন
- গন্তব্য ঢাকা-নতুন দিনের প্রতীক্ষা by শর্মিলা সিনড্...
- দুর্গোৎসব-দেবী বিসর্জনে যান, দানব যায় না... by আফজ...
- ভর্তিযুদ্ধ-প্রথম শ্রেণীর ভর্তিতে লটারি চাই by সিদ্...
- উচ্চ আদালতের রায়-নারীর জীবন ফতোয়ার শাসনে চলবে না b...
- গতকাল সমকাল-অযোধ্যার আট বিঘা জমি by ফারুক চৌধুরী
- অবিলম্বে শূন্যপদগুলো পূরণ করা হোক-সরকারি কলেজে শিক...
- অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত-ব্যাংক খাতে দুর্নীতি
- চারদিক-শতায়ু হোন আজিজা ইদরিস by সুমনা শারমীন
- আখড়ার উত্তরাধিকার-লালন সাঁইয়ের সমাধিতে এরা কারা? b...
- প্রতিবেশী-ভারতে বাংলাদেশ-ভাবনা by সাজ্জাদ শরিফ
- মানবাধিকার-আমার কোনো শত্রু নেই by লিউ সিয়াওবো
- খাদ্যনিরাপত্তা-খাদ্য উৎপাদনের বাধাগুলো দূর করতে হব...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে ...
- সব বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান নিশ্চিত করুন-শিশুদের ভর্...
- সত্য, ন্যায় ও শুভ শক্তির জয় হোক-শারদীয় দুর্গোৎসব
- চার দিক-হেমন্ত এসেছে তবু... by আশরাফুল হক
- রাজনীতি-নূর হত্যাকাণ্ড এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণ by মো...
- পারিবারিক সহিংসতা-নারী নির্যাতন ও সমাজের ‘সহিষ্ণুত...
- শ্রমিক অসন্তোষ-পোশাকশিল্প খাতে ধিকিধিকি আগুন জ্বলছ...
- দাহকালের কথা-সার্কাস by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- কালের পুরাণ-বাড়ি নিয়ে বাড়াবাড়ি by সোহরাব হাসান
- এ আলো ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে-জয় তারুণ্যের, জয় ক্রিকেটের
- নির্ধারিত সময়েই দখলমুক্ত করতে হবে-ঢাকার চার নদী রক্ষা
- এই দিনে-আমাদের স্মৃতি, তাদের বিস্মৃতি by সুরঞ্জিত ...
- খোলা চোখে-একুশ শতকের দীর্ঘতম যুদ্ধ by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-নবজাতক শিশুর যত্ন ও পরিচর্যা by মুহাম্মদ আবদু...
- চিরকুট-গো যোগ এষণা by শাহাদুজ্জামান
- গোধূলির ছায়াপথে-‘ইউ ওল্ড ফুল’ by মুস্তাফা জামান আব...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-মানুষ মরছে তাই রাজনীতি আছে by এবি...
- আত্মোপলব্ধি জরুরি-সম্পদ ধ্বংসের সংস্কৃতি
- সরকারি দলের দৃষ্টিভঙ্গি নিন্দনীয়-উপজেলা চেয়ারম্যান...
- উৎসব-আবার এল পুজো by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সহজিয়া কড়চা-উদ্ধারকাজ: খালের ও খনির by সৈয়দ আবুল ম...
- কলকাতার চিঠি-পূজার বাদ্যি কলকাতাজুড়ে by অমর সাহা
- কমনওয়েলথ গেমস-উদীয়মান ভারতের তলার অন্ধকার by পঙ্কজ...
- অস্ত্রবাজি-বিএনপি এগোচ্ছে! by এ কে এম জাকারিয়া
- যুক্তি তর্ক গল্প-অতীতের পুনরাবৃত্তি চাই না by আবুল...
- প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন-রেলওয়ের জমি বেদখল
- সেনা মোতায়েন অস্থায়ী সমাধান, স্থায়ী সমাধান কাম্য-চ...
- শিক্ষা ক্ষেত্রের নৈরাজ্য দূর করুন
- আমাদের ভাষার মাস
- পবিত্র কোরআনের আলো-ঋণচুক্তির লিখিত দলিল ও সাক্ষীসা...
- মিসরের জেনারেলরা কী ভূমিকা রাখবেন তা একজনই জানেন b...
- মহাজোট সরকারের আইন ও বিচারিক কর্মকাণ্ড by শেখ হাফি...
- বইমেলায় আন্তর্জাতিক কর্নার by ড. সৌমিত্র শেখর
- চরাচর-ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি by স্বপন কুমার দাস
- মানুষের মুখ-সব মানুষও মানুষ না! by এম আর আলম
- সপ্তাহের হালচাল-রাজনৈতিক সহিংসতা দেশকে কোথায় নিয়ে ...
- ঝুঁকি হ্রাস দিবস-দুর্যোগের ‘প্রত্যয়’ ফিরে দেখা by ...
- জীবন-মৃত্যুর চালচিত্র-অপঘাত, নিষ্ঠুরতা, দায়িত্বহীন...
- ভর্তুকি দিয়ে যেন চালাতে না হয়-বন্ধ পাটকল চালুর সিদ...
- প্রতিবাদের নামে জাতীয় সম্পদ ধ্বংস কাম্য নয়-সিরাজগঞ...
- ড. নিয়াজ আহম্মেদ-ছাত্র রাজনীতির সুবাতাস কবে বইবে?
- কল্পকথার গল্প-গতির দুর্গতি, অতএব মৌনব্রত! by আলী ...
- ...জন্য সম্পাদক দায়ী নয়
- সত্য মিথ্যা তর্ক বিতর্ক কুতর্ক by তাওহিদ মিলটন
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-তেলাপোকা চিৎপটাং হয় কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- জবাব দিতে হবে কর্তৃপক্ষকেই-শহরে বাঘের বাচ্চা
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-অন্তরে-বাহিরে সৎ একজন মানুষ by মূহ. আ...
- কালান্তরের কড়চা-শেখ হাসিনার এবারের লন্ডন সফরের গুর...
- বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সংসদে বিল পাস
- আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক-রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো সতর্ক থাক...
- আশুলিয়ায় ফের বিক্ষোভ ভাঙচুর সংঘর্ষ অবরোধ
- মুনাফা হয়, ডলারের দাম বাড়ে তবু ধুঁকছেন পোশাক শ্রমি...
- পাঠকের মন্তব্য-পোশাকশিল্প ধ্বংস হয়ে গেলে আমরা কোথা...
- প্রত্নতত্ত্ব-প্রত্নতাত্ত্বিক আইনগুলোর সংস্কার জরুর...
- খুনিদের মনে শাস্তির ভয় লোপ পাচ্ছে কার কারণে?-কত রক...
- অবিলম্বে আলোচনায় বসুন-পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-সমাজবদলের সহযোগী হও
- রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতির ব্যাপকতায় উদ্বেগ...
- সাদা করার পক্ষে আবারও বললেন অর্থমন্ত্রী ও অর্থসচিব...
- টেলিযোগাযোগের অপটিক্যাল ফাইবার লাইন স্থাপন প্রকল্প...
- নৃশংসতার গুণে একাত্তরেই পদোন্নতি হয়েছিল তাঁর by আ...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-জামায়াত নেতা মীর কাসেম ...
- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক-সংস্কারকাজ বন্ধ by নিয়ামুল কব...
- ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক-যানবাহন চলছে ঢিমেতালে by সাব্বির...
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক-৮০ কোটি টাকা জলে by মুহাম্মদ...
- বর্ষার সতর্কবার্তা মহাসড়কে-পাঁচ হাজার কিলোমিটার সড়...
- আবার একজন সাংবাদিক খুন-দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন
- গার্মেন্ট শিল্পে অস্থিরতা-মালিক-শ্রমিক উভয়কেই দায়ি...
- সাক্ষাৎকার-পরিকল্পিত ঢাকা গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা চ...
- নিরাপদ জন্মের নিশ্চয়তা by সুব্রত ঘোষ
- আন্তর্জাতিক-আইএসআই তো সবার হাঁড়ির খবর রাখে... by আ...
- সুশাসন-নির্বাচন কমিশনের পাঁচসালা পরিকল্পনা by বদিউ...
- ইলিশ ধরার উৎসব-ভাতের সঙ্গে বাড়তি মাছ
- পুলিশের ডাকাতি-নাগরিকদের নিরাপত্তা কে দেবে?
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-মানবিকতা কাম্য, তবে সমাধান...
- দেশ-বিদেশ-ঘুরে এলাম ইবনে বতুতার দেশ মরক্কো by মোহা...
- যুক্তরাজ্যে হেরোইন পাচার মামলা-বিডি ফুডসের চেয়ারম্...
- এবার কৌশলে বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ! by অরুণ কর্মকার
- এক বছরে ছয় লাখ বিও হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে-শেয়ারবাজার ...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-জামায়াত নেতা মীর কাসেম ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-বুদ্ধিমানদের জন্য চন্দ্র-সূর্য ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : শাহরিয়ার কবির-বাংলাদেশে যুদ্ধাপ...
- মুমিনের মেরাজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- প্রতিক্রিয়া-খোলা চিঠির উত্তরে by মুহাম্মদ মুসা খান
- শরণার্থী-বিশ্ব সম্প্রদায় কি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়া...
- জামাল উদ্দিন-সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক
- পোশাক শিল্পে অস্থিরতা-ত্রিপক্ষীয় আলোচনাতেই সমাধান
- চরাচর-কুয়াকাটা সৈকত by আলম শাইন
- রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন প্রণব মুখার্জি মমতা নাখোশ by তরু...
- নিত্যজাতম্-গোল্ডেন মোল টিকে আছে সরকারের কথা জানি ন...
- ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোঁড়ামি প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ b...
-
▼
Jun 18
(121)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment