Saturday, January 12, 2013
রিপোর্টারের ডায়েরি- জাতিসংঘ জেনেভা দফতরে
রিপোর্টারের ডায়েরি- জাতিসংঘ জেনেভা দফতরে
২ ডিসেম্বর, বুধবার। আজ শেষ হয়ে যাচ্ছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সপ্তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন। কালই আমরা জেনেভা থেকে চলে যাব। ইতোমধ্যে চার দিন হয়ে যাচ্ছে। ব্যয়বহুল এ শহরে ১৬০ মার্কিন ডলার হোটেল ভাড়া দিয়ে আমাদের মতো মানুষের বেশি দিন থাকার উপায় নেই।
তাছাড়া আমাকে কোপেনহেগেন যেতে হবে। ৭ ডিসেম্বর থেকে ওখানে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন শুরম্ন হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলন শেষ করে ওই সম্মেলন কভার করতে যাব। ইনকিলাবের সালাহউদ্দিন বাবলু, নিউএজ-এর তানিম আহমেদ এবং ডয়েচভেলের ঝুমুর বারি ও আমি যাব কোপেনহেগেন। অন্যরা যার যার মতো আশপাশের দেশ ঘুরে দেশে ফিরে যাবেন। আমরা কোপেনহেগেন যাব জুরিখ হয়ে। কারণ জেনেভা থেকে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস নেই। জুরিখ ও কোলন (জার্মানি) হয়ে তবেই কোপেনহেগেন যেতে হবে। ফলে গত রাতেই আমরা যার যার মতো গোছগাছ করে নিয়েছি।
আমাদের রম্নমমেট দিলাল ঢাকা থেকে সুগন্ধী চাল ও মিষ্টি নিয়ে এসেছেন জেনেভায় জাতিসংঘ দফতরের এক বাঙালী কর্মকর্তার জন্য। ওই কর্মকর্তার নাম মিয়া আবুল কালাম। তাঁর ওখানেই দিলালের থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যনত্ম সে আর তার ওখানে না উঠে আমাদের সঙ্গে রয়ে গেছে। সেই চাল ও মিষ্টি আজ তাঁকে দিতে যাবে দিলাল। জেনেভায় কাজের মাঝে কোথাও ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ হয়নি। অবস্থা এমন যে লেকের পার পর্যনত্ম যেতে পারিনি। যদিও আসা-যাওয়ার পথে যতটা দেখেছি। তাই এখানকার জাতিসংঘ দফতর দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমি তাঁকে বললাম, ঠিক আছে, আপনি তাঁকে বলুন আমাদের একটু জাতিসংঘ দফতর ঘুরিয়ে দেখাক। দিলালের এ প্রসত্মাবে ভ্রদ্রলোক সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হলেন। মনে হলো বাংলাদেশ থেকে আসা তিন বাঙালীর সানি্নধ্য তিনি কিছুণের জন্য গ্রহণ করতে চান।
সকালে হোটেল থেকে বেরিয়ে ট্রামে উঠলাম। সরাসরি গিয়ে নামলাম ইউএন স্টপেজে একেবারে জাতিসংঘ জেনেভা দফতরের সামনে। দফতরের সামনে বেশ বড় একটি খোলা উন্মুক্ত স্থান। ওই স্থানের দফতরের সামনের দিকে সেই এক পা ভাঙ্গা চেয়ারটি বসানো। ওখানে গিয়ে দিলাল কালাম সাহেবকে ফোন করল। তিনি প্রধান গেটে যেতে বললেন। গেটে গিয়ে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বললাম, আমরা আবুল কালাম সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে চাই। তারা আমাদের বুকে ঝুলানো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড দেখে বলেন, এই পাস দিয়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। তাঁরা কালাম সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করল এবং আমাদের পাশে দাঁড়াতে বলল। কিছুণের মধ্যেই কালাম সাহেব তাঁর গাড়ি নিয়ে আসলেন। গাড়ি গেটের ওপাশে রেখে বেরিয়ে এসে নিরাপত্তাকর্মীদের অনুরোধ করলেন, আমাদের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দিতে। তাঁরা তাঁকে পরামর্শ দিলেন এই গেট শুধু জাতিসংঘ স্টাফদের প্রবেশপথ। এই অফিসে ১৬শ' স্টাফ কাজ করেন। পাশে আরেকটি গেট আছে ওখান দিয়ে তাঁরা আমাদের নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন। কি আর করা কালাম সাহেব আমাদের অপোয় রেখে ভেতরে চলে গেলেন। কিছুণ পর অপর গেট দিয়ে গাড়ি নিয়ে আসলেন আমাদের নিতে। আমরা গাড়িতে উঠে বসতেই তিনি আবার সেই গেটের দিকে ছুটলেন।
জাতিসংঘ জেনেভা দফতর একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি প্রথম ছিল লিগ অব নেশনসের সদর দফতর। শানত্মি নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ল্য নিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরই লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠা করা হয়। শহরটির আনত্মর্জাতিক কূটনীতি ও আলোচনার প্রচলিত ধারাকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য লিগ অব নেশনসের প্রধান কার্যালয় স্থাপনের স্থান হিসাবে বেছে নেয়া হয় জেনেভাকে। লিগ অব নেশনসের অফিস ছিল প্যালেস উইলসনে। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জাতিসংঘ। জেনেভা শহর কর্তর্র্ৃপ ১৯২৬ সালে বর্তমান হেডকোয়ার্টারের স্থান অনুদান হিসাবে লিগ অব নেশনসকে প্রদান করে। ১৯২৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতিসংঘ ভবনের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করা হয়।
প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থী এই জেনেভা দফতর পরিদর্শন করে। এখানে দর্শনার্থীদের জন্য গাইডেড পরিদর্শনের ব্যবস্থাও আছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত নানা পেশার দর্শনার্থীরা প্রতিদিন এটি পরিদর্শন করেন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা আসে এ ভবন দেখতে। গাইডেড দর্শনার্থীদের ১০ ফ্রা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। সবমিলিয়ে দৈনিক ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ পরিদর্শন করে এ ভবন। আর প্রতিবছর এখানে ৪০ হাজার ছোটবড় মিটিং হয়। শীতের কারণে ডিসেম্বর মাসে কম মিটিং হয়। মূলত জাসিংঘের বিভিন্ন সংস্থার মিটিংগুলো শুরম্ন হয় ফেব্রম্নয়ারি মাস থেকে। চলে নবেম্বর মাস পর্যনত্ম।
আমাদের আর টিকেটের প্রয়োজন হলো না। কালাম সাহেবকে সবাই এখানে চেনেন। তিনি দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে এখানে কাজ করছেন। তাঁর বাড়ি মানিকগঞ্জে। সপরিবারে এখানে আছেন। তবে দেশের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ আছে। তিনি গেটের নিরাপত্তাকর্মীদের বলে সহজেই আমাদের ভেতরে নিয়ে গেলেন। গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে আমরা গেলাম তাঁর কর্মস্থানে। ওখানে ব্যাগ-ল্যাপটপ রেখে তাঁকে নিয়ে পরিদর্শনে বের হলাম। এই ভবনের নয় তলায় আংটাডের অফিস। ওখানেই জেনেভার বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ডক্টর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বসেন। তিনি আংটাড মহাপরিচালকের এলডিসি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করছেন।
এ বিশাল ভবনে ২৬টি কনফারেন্স হল আছে। প্রত্যেকটি হলের শৈল্পিক কারম্নকাজ অপূর্ব। প্রথমে কালাম সাহেব আমাদের নিয়ে গেলেন ২০নং ক।ে ওখানে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক চলছে। নরওয়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা গ্যালারিতে গেলাম ভেতরের অবস্থা দেখার জন্য। স্পেনের অর্থায়নে তিন কোটি ডলার দিয়ে এই হলটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ছাদের ইনডোর ডেকোরেশন এতটাই কালারফুল ও চমৎকার যে তা দেখে আমরা অভিভূত হয়ে পড়লাম। তিন মাস পর পর এখানে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক হয়। আর চার বছর পর পর এক একটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। আর একটি হলে দেখা গেল ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিশনের বৈঠক হচ্ছে। কালাম সাহেব জানালেন, কিছুদিন আগে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশনের বৈঠক হয়েছে। তাতে বাংলাদেশ অংশ নেয়।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা ঢুকলাম কাফেটারিয়ায়। জেনেভা লেকের পারে অত্যনত্ম মনোরম পরিবেশে এই জাতিসংঘ দফতরের অবস্থান। লেকের ওপারে সারি সারি পাহাড়। কাফেটারিয়াটির লেকের দিকের অংশ গস্নাস দেয়া। যাতে কাফেটারিয়ায় বসে লেক ও পাহাড়ের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
দূরে কুচকুচে কাল পাহাড়গুলো দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটি পাহাড়ের চূড়াই সাদা বরফে ঢাকা। এখান থেকে পাহাড়গুলোর দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার। পর্বতমালার মধ্যে একটি পাহাড়ের চূড়া বেশ উঁচু। সেটিকে মবলা পাহাড় বলা হয়। এটি ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু পাড়াহ। সব সময়ই এই পাহাড়ে বরফ থাকে। আমরা কাফেটারিয়ায় দাঁড়িয়ে লেক ও পাহাড়গুলোকে পেছনে রেখে ছবি তুললাম। এরপর গেলাম পাশেই ইউনাইটেড নেশন কমপেনসেশন কমিশন দেখতে। এটি মূল ভবনের বাইরে জাতিংঘ কমপেস্নক্সের মধ্যেই অবস্থিত। কাফেটারিয়া থেকে দেখা যায়। ইরাক যুদ্ধের পর এই কমিশন গঠন করা হয়। যুদ্ধের কারণে তিগ্রসত্মদের তিপূরণ দিতে এই কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। কমিশন সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে তিপূরণ আদায় করে তিগ্রসত্মদের প্রদান করে। ইরাক-কুয়েত ফেরত অনেক বাংলাদেশী এই তিপূরণের অর্থ পেয়েছে। বর্তমানে ছোট আকারে এই অফিসের উপস্থিতি রয়েছে।
কড়িডরের দেয়ালে কিংবা স্থানে স্থানে উপহার হিসাবে দেয়া বিভিন্ন দেশের ঐহিহ্যভিত্তিক চিত্রকর্ম ও প্রতিকৃতি বসানো রয়েছে। লিগ অব নেশনের প্রথম বৈঠকের ছবিটিও বেশ গুরম্নত্বসহকারে দেয়ালে সংরণ করা আছে। বিভিন্ন দেশ তাদের ঐতিহ্যের ভিত্তিতে চিত্রকর্ম তৈরি করে জাতিসংঘকে উপহার দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোন চিত্রকর্ম কোথাও দেখা গেল না। কালাম সাহেব জানালেন, বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিশেষ পরিচয় ছিল। ১৯৮৬ সালে এখানে তাঁর একটি বৈঠকে আসার কথা ছিল। ওই বৈঠকের আগেই তিনি মারা যান।
এরপর আমরা গেলাম জাতিসংঘ লাইব্রেরি ভবনে। এখানে দুনিয়ার যত বই ও তথ্য আছে সব সংরণ করা আছে। সময়ের কারণে আমরা আর ভেতরে না গিয়ে এগিয়ে গেলাম। অপর একটি হলে ইউএনএইচসিআর-এর মিটিং চলছে। বিশ্বের উদ্বাস্তুদের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সমস্যা আছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোন উপস্থিতি নেই এই মিটিংয়ে।
বিশাল এ্যাসেম্বলি হলে গিয়ে চোখে ধাঁধা লেগে গেল। এটি এই দফতরের প্রধান হল। এখানে সব বড় বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কোন মিটিং না থাকায় তখন এটি ফাঁকা ছিল। আমরা ভেতরে গিয়ে মূল ডায়াসে উঠে নানাভাবে ছবি তুললাম। এ হলের পাশেই নিরস্ত্রীকরণ হল। জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সংক্রানত্ম মিটিংগুলো ওই হলে অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ জানুয়ারি থেকে এখানে মিটিং শুরম্ন হয়। এক একটি মিটিং চলে তিন মাস ধরে। এই হলটি বিশেষভাবে তৈরি। কারণ যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বে শানত্মি প্রতিষ্ঠা করাই জাতিসংগের মূল উদ্দেশ্য। এই হলের বাইরে বিভিন্ন যুদ্ধের চিত্রকর্ম প্রদর্শন করে রাখা হয়েছে। এখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট শাহের দেয়া একটি ইরানী কার্পেট আছে। ১৯৭৭ সালে তিনি ওই কার্পেট উপহার দিয়েছিলেন।
সর্বশেষ কাউন্সিল চেম্বার পরিদর্শনের মধ্যদিয়ে আমাদের জেনেভা দফতর পরিদর্শন শেষ হলো। এই চেম্বারে জাতিসংঘের একজন আন্ডার সেক্রেটারি বসেন। যিনি এই দফতরের কার্যক্রম তদারকি করেন। এছাড়া বড় বড় কর্মকর্তারাও আছে এখানে। জাতিসংঘ মহাসচিবের একটি দফতর এখানেও আছে। তিনি কিছুদিন পর পর নিউইয়র্ক থেকে এখানে এসে অবস্থান করেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
জাতিসংঘ জেনেভা দফতর পরিদর্শন করতে দুপুর হয়ে যায়। ততণে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শুরম্ন হয়ে গেছে। কালাম সাহেব আমাদের নিয়ে তাঁর বাসায় মধ্যাহ্নভোজে যেতে চাইলে। সময় কম। মিডিয়া সেন্টারে গিয়ে নিউজ পাঠাতে হবে। তাই তার বাসায় খেতে রাজি হলাম না। অগত্যা তিনি তাঁর বাসাটা আমাদের দেখিয়ে আনত্মর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে নামিয়ে দিলেন। এর ফাঁকে তিনি জেনেভায় অবস্থিত অন্যান্য জাতিসংঘ অঙ্গ সংস্থাগুলোর কার্যালয়গুলোও দেখালেন।
_কাওসার রহমান
ঘুম এক দূর আকাশের পাখি...
২২ জানুয়ারি, শুক্রবার। বিশ্ব এজতেমার কভার করতে যেতে হবে টঙ্গী। সাড়ে ১০টায় বাসা থেকে বের হয়ে মগবাজার এলাম। এখান থেকে টিকেটের বাসে টঙ্গী যাব। মগবাজার বাস কাউন্টারগুলোতে এজতেমাগামী মুসলিস্নদের ভিড়। একটা টিকেট গাজীপুর পরিবহনে অনেক ঠেলাঠেলি দিয়ে কাটলাম। বাস কাউন্টারে দাঁড়াতেই এজতেমাগামী মুসলিস্নরা হুড়মুড়িয়ে উঠতে শুরম্ন করলেন। আমি ভিড় ঠেলতে চাইলাম না। পরে উঠলাম। বাসে উঠে দেখি তিনজন বসার সিটে দু'জন এজতেমাগামী হুজুর বসে আছেন কাঁথা কাপড়ের গাঁট্টি নিয়ে। একজনকে অনুরোধ করলাম কাপড়ের গাঁট্টিটা সরালে আমি বসতে পারি। তিনি আমার অনুরোধে রাজি হয়ে বসতে দিলেন। কষ্ট করেই বসলাম। তাদের দু'জনের গাঁট্টি এত বড় যে সিটে বসতে কষ্টই হচ্ছিল। আমি তাদের সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে আলাপ জমিয়ে নিলাম। তারা দু'জন মামা ভাগ্নে। মামা একটি জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আর ভাগ্নে জসিম সদ্য বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। মুসলিম দেশ জর্দানে নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে তিন বছর চাকরি করেছেন। তাঁর এই মামাই জর্দানে পাঠিয়ে ছিলেন। তাঁরা দুই ভাই। জর্দানে গিয়ে বাড়িতে তেমন কিছু করতে পারেননি। তবে তাঁর ছোট ভাইকে মালয়েশিয়া পাঠাতে পেরেছেন। মামা তাঁকে বলেছেন, এবার তাঁকে ইরাকে পাঠাবেন। ইরাকে ভাল বেতন পাওয়া যাবে। জর্দানে বেতন ছিল খুবই কম। দিনরাত পরিশ্রম করে অল্পকিছু টাকা যোগাড় করতে পেরেছিলেন তিনি। তাই দিয়েই ছোট ভাইকে মালয়েশিয়া পাঠায়িছেন। জসিমের সঙ্গে আমি যখন কথা বলতে ছিলাম তখন তাঁর মামা ঘুমাচ্ছিলেন। জসিম বলেন, আমি কোনদিন এজতেমায় আসিনি। জর্দানে যখন কাজ করতাম আখেরী মোনাজাতের দিন দুই ঘণ্টার জন্য আমাদের ছুটি দিত। আমরা টেলিভিশনে আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতাম। জর্দানীরা বলত, এজতেমা নাকি দ্বিতীয় হজ। জর্দান থেকে বহু মানুষ এজতেমায় যোগ দিতে আসেন। জর্দানীরা এজতেমা খুব গুরম্নত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। প্রথম বছর এমন দৃশ্য দেখে মনে মনে সিদ্ধানত্ম নিয়েছিলাম দেশে ফিরে গিয়ে এজতেমায় অংশ নেব। তাই এবার এজতেমায় যাচ্ছি। পথে কোন কষ্ট হয়েছে কিনা জানতে চাইলে জসিম বলেন, কষ্ট না করলে তো আলস্নাহকে পাওয়া যাবে না। তাই কষ্ট তো কিছু স্বীকার করতেই হবে। জসিমের সঙ্গে কথা বলতে বলতে কখন যে উত্তরা র্যাব-১-এর কার্যালয়ের সামনে চলে এসেছি বুঝতে পারিনি। তবে পথে বাসে কিছু ঝগড়া দেখেছি। মহিলারা সমান অধিকারের কথা বলে অথচ এক মহিলা পুরম্নষকে সিট থেকে উঠিয়ে দিয়ে নিজে বসার জন্য তুমুল ঝগড়া করছে। ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের এই মহিলার মুখে কোন কিছু আটকাচ্ছে না। যার সঙ্গে ঝগড়া তিনি ডিফেন্সে চাকরি করেন। তিনি কিছুতেই সিট ছাড়বেন না। যৌক্তিকভাবেই তিনি বলছিলেন, সমান অধিকারের কথা বলে অসহায়ত্ব দেখিয়ে সিটে বসতে চাচ্ছেন কেন। বাসের যাত্রীদের বেশির ভাগই ছিলেন এজতেমাগামী যাত্রী, তারা ওই ব্যক্তির যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে উল্টো তাকেই ভর্ৎসনা করছিলেন। পরে তিনি সিট ছেড়ে ওই মহিলাকে বসতে দিলেন। এই ঝগড়া থামতে থামতে আরও একটি স্টপেজ থেকে কয়েকজন মহিলা যাত্রী বাসে উঠলেন। এবার কয়েকটি সিট ছেড়ে দেয়ার ব্যাপার। যাঁরা সিটে বসে আছেন তাঁদের বেশির ভাগই প্রবীণ। নবীনরা অনেকে সিট ছেড়ে প্রবীণদের বসতে দিয়েছেন। এবার আর কিছু করার রইল না। এজতেমাগামী মুসলিস্নরাও আর কোন উচ্চবাচ্য করলেন না। যথারীতি গাদাগাদির মধ্যদিয়েই তাদের গনত্মব্যে যেতে হবে। কিছুৰণ পরে বাসের কন্ট্রাকটর বলছে বাস আর যাবে না। এখান থেকে টঙ্গী পর্যনত্ম হেঁটে যেতে হবে। র্যাব কার্যালয়ের সামনে নেমে পড়লাম। হাঁটা শুরম্ন করলাম এজতেমা ময়দানের দিকে। হাঁটতে হাঁটতে এক সময় টঙ্গী জোড়া ব্রিজের ওপরে উঠতেই জুমার নামাজ শুরম্ন হয়ে গেল। যে যেখানে জায়গা পেল সেখানেই জায়নামাজ, পেপার, হোগলার চাটাই অথবা পথে-মাটিতে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমি আর আগাতে পারছিলাম না। অনেক ঘুরে ফিরে ব্রিজের উত্তর প্রানত্মে গিয়ে রাসত্মার ধারে কলাগাছের ছায়ায় দাঁড়ালাম। এখানে দাঁড়িয়ে জনকণ্ঠের গাজীপুরের সাংবাদিক মোসত্মাফিজুর রহমান টিটুকে ফোন করলাম। তিনি দাঁড়িয়ে আছেন এজতেমার ১নং গেটে। আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে আরও দুই কিলোমিটার দূরে। পথে মানুষের যে ভয়ঙ্কর স্রোত দেখেছি সেই স্রোত মারিয়ে কিভাবে সেখানে যাই এমন চিনত্মা করছিলাম। যেতে যেহেতু হবে তাই কখনও মানুষের স্রোতের অনুকূলে আবার কখনও স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে থাকলাম। বিকেল ৩টার দিকে ১নং গেটের কাছে পেঁৗছে গেলাম। এখানে এসে টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। মোবাইলের নেটওয়ার্ক ইরোর দেখাচ্ছে। লাখ লাখ লোক মোবাইল ব্যবহার করার কারণে নেটওয়ার্কের এমন সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেক পরে সাংবাদিক টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন হলো। টিটুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আমরা চলে গেলাম গাজীপুরে। সেখানে এনটিভির সাংবাদিক নাসির ভাইয়ের অফিসে এজতেমার নিউজ লিখলাম। নিউজ লিখতে সময় অফিস থেকে কাওসার ভাই দুই দফা ফোন দিয়েছে দ্রম্নত নিউজ পাঠাতে। রাত সাড়ে ৮টায় নিউজ পাঠিয়ে গাজীপুর থেকে রাত ৯টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিলাম।
_ফিরোজ মান্না
লন্ডনে থার্টিফার্স্ট নাইট
থার্টিফার্স্ট নাইট! দেখলাম লন্ডনের তারম্নণ্য। বর্ণিল আলোয় ঝলসে ওটা আর পপ সঙ্গীতের প্রাণ কাঁপানো বিটের তালে তালে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল গোটা লন্ডন। এই অনুভূতি ভোলার নয়। দেখতে দেখতে দুটো বছর পেরম্নল। প্রিয় ঢাকা, প্রিয় জনকণ্ঠ অফিস, বন্ধুবান্ধব সবকিছু মিস করি প্রচ-ভাবে। প্রথম বছরটিতে লন্ডনে আমার থার্টিফার্স্ট রাতে বের হওয়া হয়নি। এবার ফ্রান্সের বন্ধু ইগোরের চাপেই মূলত বের হওয়া। আমারও কিছু ইচ্ছা ছিল লন্ডনের এই রাতটি দেখার।
সন্ধ্যা সাতটায় আবারও ইগোরের ফোন। পিকাডিলি সার্কাস স্টেশনে পেঁৗছে দেখি ওর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এমি, হাঙ্গেরির রবার্ট, এডিত, পোলান্ডের জুডিথসহ আমাদের আরও কয়েক বন্ধু। ওরা আমাকে দেখেই চিৎকার করে উঠল। সবার হাতে শ্যামপেনের বোতল। আমি এ্যালকোহল পান করি না। তাই ইগোর একটি আপেল জুসের বোতল এগিয়ে দিল আমাকে। ওখানেই শুরম্ন হলো হৈ চৈ।
আগের দিন রাত থেকে বিবিসিসহ রেডিও স্টেশনগুলো থেকে বার বার বুলেটেন প্রচার করা হচ্ছে এবার থার্টিফার্স্ট পালনে লন্ডন মেয়রের আয়োজন নিয়ে। মেয়রের উদ্যোগে গত দশ বছর ধরে উদ্যাপিত হচ্ছে ফায়ার ওয়ার্কস। লেজার শো কিংবা আতশবাজির ভেল্কিখেলা সে সঙ্গে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের মূর্ছনা লন্ডনীদের ঘুম কেড়ে নেয় এই রাতে। লন্ডনের অন্যতম নয়নাভিরাম লন্ডন আইকে প্রতিবছর ব্যবহার করা হয় এই ফায়ার ওয়ার্কসের জন্য। এটি ওয়েস্টমিনিস্টার স্টেশন সংলগ্ন থেমস নদীর পারে। এর পাশে রয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবন এবং দেড় শ' বছরের পুরনো লন্ডনের আরেক আশ্চর্য বিগবেন। বিগবেনে রাত ঘডির কাঁটা বারোটার উপর উঠলেই শুরম্ন হয় নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার আলোর খেলা।
ফায়ার ওয়ার্কস সফল করার জন্য লন্ডন আই'র আশপাশের সকল রাসত্মায় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। স্থগিত করা হয় কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেন সার্ভিস। ফায়ার ওয়ার্কস দেখার জন্য এবার লন্ডন আই এলাকায় আনুমানিক দুই লাখ মানুষের সমাগম হয় বলে বিবিসি প্রচার করেছে।
বাস বন্ধ থাকায় পিকাডিলি সার্কাস থেকে ট্রেনে গাদাগাদি করে আমরা গেলাম ওয়েস্টমিনিস্টার। তখন রাত সাড়ে দশটা। লন্ডনের স্বচ্ছ নীলাকাশে গোলাকার চাঁদ। শীতের তীব্রতা মাইনাস টু। ভাগ্য ভাল আজ বৃষ্টি হচ্ছে না। আগেরদিন রাতে বেশ তুষার পড়েছে। ওয়েস্টমিনিস্টার পেঁৗছে মনে হলো এই জনসমুদ্র থেকে বের হয়ে যাওয়া কোনদিন সম্ভব নয়। থেমসের পারের কানায় কানায় মানুষ আর মানুষ। সরাসরি নদীর পারে আর জায়গা না থাকায় পুলিশ এবং সিকিউরিটি কমর্ীরা ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। সে সঙ্গে তারা মাইকে জানিয়ে দিচ্ছে আর কোথায় কোথায় অবস্থান নিলে ফায়ার ওয়ার্কস দেখা যাবে। আমাদের কিউ হলো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ঠিক উল্টো পাশে। বলা হলো এই কিউ অনুসরণ করলে ফায়ার ওয়ার্কস ভালমতো দেখা যাবে। আমরা পিঁপড়ার মতো টিম টিম করে এগিয়ে চলেছি সেদিকে। মদ আর বিয়ারের গন্ধে ভারি হয়ে উঠছে আশপাশের বাতাস। শ্যাম্পেনের বোতল ছুড়ে কেউ কেউ সৃষ্টি করছে কৃত্রিম বৃষ্টির ধারা। বিগবেন চত্বর থেকে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট মাত্র দু মিনিটের হাঁটা পথ। অথচ এই পথটি অতিক্রম করতে আমাদের সময় লাগল প্রায় আধা ঘণ্টা। সঙ্গের বন্ধুরা ততণে মাতাল।
শুরম্ন হলো অপোর পালা। কখন বারোটা বাজে। জীবন থেকে আরও একটি বছর বিদায় নিতে তখনও এক ঘণ্টা বাকি। মাথার ওপর ব্রিটিশ সিকিউরিটি ফোর্সের হেলিকপ্টার বার বার টহল দিচ্ছে। শীতের প্রকোপ বাড়ছে। ঘটির কাঁটা যখন ঠিক বারোটা ধম ধম করে বেজে উঠল বিগবেন। জানান দিল নতুন আরও একটি বছরের। নানা বর্ণের ফায়ারওয়ার্কসে আলোকিত হয়ে উঠল ওয়েস্টমিনিস্টারের গোটা এলাকা। নাচগান আর টগবগে তারম্নণ্য উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয়া হলো ২০১০ সাল। সবার মুখে ধ্বনিত হচ্ছে হ্যাপি নিউ ইয়ার। জনসমুদ্রের কারণে রাত বারোটার পর ওয়েস্টমিনিস্টার, ওয়াটার লু, চ্যারিং ক্রসসহ আশপাশের গুরম্নত্বপূর্ণ আন্ডার গ্রাউন্ড টিউব সার্ভিসগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এই এলাকার একমাত্র এম্ব্যাংকমেন্ট স্টেশনটি খোলা ছিল। দীর্ঘ পথ হেঁটে যখন স্টেশনে ঢুকে ট্রেনে উঠলাম তখন রাত সাড়ে তিনটা। বাসায় ফিরতে ফিরতে সাড়ে পাঁচটা বাজল। ততণে বাংলাদেশে ১ জানুয়ারির দুপুর বেলা। তারপর দীর্ঘ ঘুম। উঠে দেখি আড়াইটা বেজে গেছে।
-শফিকুল ইসলাম জীবন
আমাদের রম্নমমেট দিলাল ঢাকা থেকে সুগন্ধী চাল ও মিষ্টি নিয়ে এসেছেন জেনেভায় জাতিসংঘ দফতরের এক বাঙালী কর্মকর্তার জন্য। ওই কর্মকর্তার নাম মিয়া আবুল কালাম। তাঁর ওখানেই দিলালের থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যনত্ম সে আর তার ওখানে না উঠে আমাদের সঙ্গে রয়ে গেছে। সেই চাল ও মিষ্টি আজ তাঁকে দিতে যাবে দিলাল। জেনেভায় কাজের মাঝে কোথাও ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ হয়নি। অবস্থা এমন যে লেকের পার পর্যনত্ম যেতে পারিনি। যদিও আসা-যাওয়ার পথে যতটা দেখেছি। তাই এখানকার জাতিসংঘ দফতর দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। আমি তাঁকে বললাম, ঠিক আছে, আপনি তাঁকে বলুন আমাদের একটু জাতিসংঘ দফতর ঘুরিয়ে দেখাক। দিলালের এ প্রসত্মাবে ভ্রদ্রলোক সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হলেন। মনে হলো বাংলাদেশ থেকে আসা তিন বাঙালীর সানি্নধ্য তিনি কিছুণের জন্য গ্রহণ করতে চান।
সকালে হোটেল থেকে বেরিয়ে ট্রামে উঠলাম। সরাসরি গিয়ে নামলাম ইউএন স্টপেজে একেবারে জাতিসংঘ জেনেভা দফতরের সামনে। দফতরের সামনে বেশ বড় একটি খোলা উন্মুক্ত স্থান। ওই স্থানের দফতরের সামনের দিকে সেই এক পা ভাঙ্গা চেয়ারটি বসানো। ওখানে গিয়ে দিলাল কালাম সাহেবকে ফোন করল। তিনি প্রধান গেটে যেতে বললেন। গেটে গিয়ে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বললাম, আমরা আবুল কালাম সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে চাই। তারা আমাদের বুকে ঝুলানো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড দেখে বলেন, এই পাস দিয়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। তাঁরা কালাম সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করল এবং আমাদের পাশে দাঁড়াতে বলল। কিছুণের মধ্যেই কালাম সাহেব তাঁর গাড়ি নিয়ে আসলেন। গাড়ি গেটের ওপাশে রেখে বেরিয়ে এসে নিরাপত্তাকর্মীদের অনুরোধ করলেন, আমাদের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দিতে। তাঁরা তাঁকে পরামর্শ দিলেন এই গেট শুধু জাতিসংঘ স্টাফদের প্রবেশপথ। এই অফিসে ১৬শ' স্টাফ কাজ করেন। পাশে আরেকটি গেট আছে ওখান দিয়ে তাঁরা আমাদের নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন। কি আর করা কালাম সাহেব আমাদের অপোয় রেখে ভেতরে চলে গেলেন। কিছুণ পর অপর গেট দিয়ে গাড়ি নিয়ে আসলেন আমাদের নিতে। আমরা গাড়িতে উঠে বসতেই তিনি আবার সেই গেটের দিকে ছুটলেন।
জাতিসংঘ জেনেভা দফতর একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি প্রথম ছিল লিগ অব নেশনসের সদর দফতর। শানত্মি নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ল্য নিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরই লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠা করা হয়। শহরটির আনত্মর্জাতিক কূটনীতি ও আলোচনার প্রচলিত ধারাকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য লিগ অব নেশনসের প্রধান কার্যালয় স্থাপনের স্থান হিসাবে বেছে নেয়া হয় জেনেভাকে। লিগ অব নেশনসের অফিস ছিল প্যালেস উইলসনে। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জাতিসংঘ। জেনেভা শহর কর্তর্র্ৃপ ১৯২৬ সালে বর্তমান হেডকোয়ার্টারের স্থান অনুদান হিসাবে লিগ অব নেশনসকে প্রদান করে। ১৯২৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতিসংঘ ভবনের ভিত্তিপ্রসত্মর স্থাপন করা হয়।
প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থী এই জেনেভা দফতর পরিদর্শন করে। এখানে দর্শনার্থীদের জন্য গাইডেড পরিদর্শনের ব্যবস্থাও আছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত নানা পেশার দর্শনার্থীরা প্রতিদিন এটি পরিদর্শন করেন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা আসে এ ভবন দেখতে। গাইডেড দর্শনার্থীদের ১০ ফ্রা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। সবমিলিয়ে দৈনিক ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ পরিদর্শন করে এ ভবন। আর প্রতিবছর এখানে ৪০ হাজার ছোটবড় মিটিং হয়। শীতের কারণে ডিসেম্বর মাসে কম মিটিং হয়। মূলত জাসিংঘের বিভিন্ন সংস্থার মিটিংগুলো শুরম্ন হয় ফেব্রম্নয়ারি মাস থেকে। চলে নবেম্বর মাস পর্যনত্ম।
আমাদের আর টিকেটের প্রয়োজন হলো না। কালাম সাহেবকে সবাই এখানে চেনেন। তিনি দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে এখানে কাজ করছেন। তাঁর বাড়ি মানিকগঞ্জে। সপরিবারে এখানে আছেন। তবে দেশের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ আছে। তিনি গেটের নিরাপত্তাকর্মীদের বলে সহজেই আমাদের ভেতরে নিয়ে গেলেন। গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে আমরা গেলাম তাঁর কর্মস্থানে। ওখানে ব্যাগ-ল্যাপটপ রেখে তাঁকে নিয়ে পরিদর্শনে বের হলাম। এই ভবনের নয় তলায় আংটাডের অফিস। ওখানেই জেনেভার বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ডক্টর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বসেন। তিনি আংটাড মহাপরিচালকের এলডিসি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করছেন।
এ বিশাল ভবনে ২৬টি কনফারেন্স হল আছে। প্রত্যেকটি হলের শৈল্পিক কারম্নকাজ অপূর্ব। প্রথমে কালাম সাহেব আমাদের নিয়ে গেলেন ২০নং ক।ে ওখানে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক চলছে। নরওয়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা গ্যালারিতে গেলাম ভেতরের অবস্থা দেখার জন্য। স্পেনের অর্থায়নে তিন কোটি ডলার দিয়ে এই হলটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ছাদের ইনডোর ডেকোরেশন এতটাই কালারফুল ও চমৎকার যে তা দেখে আমরা অভিভূত হয়ে পড়লাম। তিন মাস পর পর এখানে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক হয়। আর চার বছর পর পর এক একটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। আর একটি হলে দেখা গেল ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিশনের বৈঠক হচ্ছে। কালাম সাহেব জানালেন, কিছুদিন আগে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশনের বৈঠক হয়েছে। তাতে বাংলাদেশ অংশ নেয়।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা ঢুকলাম কাফেটারিয়ায়। জেনেভা লেকের পারে অত্যনত্ম মনোরম পরিবেশে এই জাতিসংঘ দফতরের অবস্থান। লেকের ওপারে সারি সারি পাহাড়। কাফেটারিয়াটির লেকের দিকের অংশ গস্নাস দেয়া। যাতে কাফেটারিয়ায় বসে লেক ও পাহাড়ের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
দূরে কুচকুচে কাল পাহাড়গুলো দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটি পাহাড়ের চূড়াই সাদা বরফে ঢাকা। এখান থেকে পাহাড়গুলোর দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার। পর্বতমালার মধ্যে একটি পাহাড়ের চূড়া বেশ উঁচু। সেটিকে মবলা পাহাড় বলা হয়। এটি ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু পাড়াহ। সব সময়ই এই পাহাড়ে বরফ থাকে। আমরা কাফেটারিয়ায় দাঁড়িয়ে লেক ও পাহাড়গুলোকে পেছনে রেখে ছবি তুললাম। এরপর গেলাম পাশেই ইউনাইটেড নেশন কমপেনসেশন কমিশন দেখতে। এটি মূল ভবনের বাইরে জাতিংঘ কমপেস্নক্সের মধ্যেই অবস্থিত। কাফেটারিয়া থেকে দেখা যায়। ইরাক যুদ্ধের পর এই কমিশন গঠন করা হয়। যুদ্ধের কারণে তিগ্রসত্মদের তিপূরণ দিতে এই কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। কমিশন সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে তিপূরণ আদায় করে তিগ্রসত্মদের প্রদান করে। ইরাক-কুয়েত ফেরত অনেক বাংলাদেশী এই তিপূরণের অর্থ পেয়েছে। বর্তমানে ছোট আকারে এই অফিসের উপস্থিতি রয়েছে।
কড়িডরের দেয়ালে কিংবা স্থানে স্থানে উপহার হিসাবে দেয়া বিভিন্ন দেশের ঐহিহ্যভিত্তিক চিত্রকর্ম ও প্রতিকৃতি বসানো রয়েছে। লিগ অব নেশনের প্রথম বৈঠকের ছবিটিও বেশ গুরম্নত্বসহকারে দেয়ালে সংরণ করা আছে। বিভিন্ন দেশ তাদের ঐতিহ্যের ভিত্তিতে চিত্রকর্ম তৈরি করে জাতিসংঘকে উপহার দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোন চিত্রকর্ম কোথাও দেখা গেল না। কালাম সাহেব জানালেন, বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিশেষ পরিচয় ছিল। ১৯৮৬ সালে এখানে তাঁর একটি বৈঠকে আসার কথা ছিল। ওই বৈঠকের আগেই তিনি মারা যান।
এরপর আমরা গেলাম জাতিসংঘ লাইব্রেরি ভবনে। এখানে দুনিয়ার যত বই ও তথ্য আছে সব সংরণ করা আছে। সময়ের কারণে আমরা আর ভেতরে না গিয়ে এগিয়ে গেলাম। অপর একটি হলে ইউএনএইচসিআর-এর মিটিং চলছে। বিশ্বের উদ্বাস্তুদের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সমস্যা আছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোন উপস্থিতি নেই এই মিটিংয়ে।
বিশাল এ্যাসেম্বলি হলে গিয়ে চোখে ধাঁধা লেগে গেল। এটি এই দফতরের প্রধান হল। এখানে সব বড় বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কোন মিটিং না থাকায় তখন এটি ফাঁকা ছিল। আমরা ভেতরে গিয়ে মূল ডায়াসে উঠে নানাভাবে ছবি তুললাম। এ হলের পাশেই নিরস্ত্রীকরণ হল। জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সংক্রানত্ম মিটিংগুলো ওই হলে অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ জানুয়ারি থেকে এখানে মিটিং শুরম্ন হয়। এক একটি মিটিং চলে তিন মাস ধরে। এই হলটি বিশেষভাবে তৈরি। কারণ যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বে শানত্মি প্রতিষ্ঠা করাই জাতিসংগের মূল উদ্দেশ্য। এই হলের বাইরে বিভিন্ন যুদ্ধের চিত্রকর্ম প্রদর্শন করে রাখা হয়েছে। এখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট শাহের দেয়া একটি ইরানী কার্পেট আছে। ১৯৭৭ সালে তিনি ওই কার্পেট উপহার দিয়েছিলেন।
সর্বশেষ কাউন্সিল চেম্বার পরিদর্শনের মধ্যদিয়ে আমাদের জেনেভা দফতর পরিদর্শন শেষ হলো। এই চেম্বারে জাতিসংঘের একজন আন্ডার সেক্রেটারি বসেন। যিনি এই দফতরের কার্যক্রম তদারকি করেন। এছাড়া বড় বড় কর্মকর্তারাও আছে এখানে। জাতিসংঘ মহাসচিবের একটি দফতর এখানেও আছে। তিনি কিছুদিন পর পর নিউইয়র্ক থেকে এখানে এসে অবস্থান করেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
জাতিসংঘ জেনেভা দফতর পরিদর্শন করতে দুপুর হয়ে যায়। ততণে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শুরম্ন হয়ে গেছে। কালাম সাহেব আমাদের নিয়ে তাঁর বাসায় মধ্যাহ্নভোজে যেতে চাইলে। সময় কম। মিডিয়া সেন্টারে গিয়ে নিউজ পাঠাতে হবে। তাই তার বাসায় খেতে রাজি হলাম না। অগত্যা তিনি তাঁর বাসাটা আমাদের দেখিয়ে আনত্মর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে নামিয়ে দিলেন। এর ফাঁকে তিনি জেনেভায় অবস্থিত অন্যান্য জাতিসংঘ অঙ্গ সংস্থাগুলোর কার্যালয়গুলোও দেখালেন।
_কাওসার রহমান
ঘুম এক দূর আকাশের পাখি...
২২ জানুয়ারি, শুক্রবার। বিশ্ব এজতেমার কভার করতে যেতে হবে টঙ্গী। সাড়ে ১০টায় বাসা থেকে বের হয়ে মগবাজার এলাম। এখান থেকে টিকেটের বাসে টঙ্গী যাব। মগবাজার বাস কাউন্টারগুলোতে এজতেমাগামী মুসলিস্নদের ভিড়। একটা টিকেট গাজীপুর পরিবহনে অনেক ঠেলাঠেলি দিয়ে কাটলাম। বাস কাউন্টারে দাঁড়াতেই এজতেমাগামী মুসলিস্নরা হুড়মুড়িয়ে উঠতে শুরম্ন করলেন। আমি ভিড় ঠেলতে চাইলাম না। পরে উঠলাম। বাসে উঠে দেখি তিনজন বসার সিটে দু'জন এজতেমাগামী হুজুর বসে আছেন কাঁথা কাপড়ের গাঁট্টি নিয়ে। একজনকে অনুরোধ করলাম কাপড়ের গাঁট্টিটা সরালে আমি বসতে পারি। তিনি আমার অনুরোধে রাজি হয়ে বসতে দিলেন। কষ্ট করেই বসলাম। তাদের দু'জনের গাঁট্টি এত বড় যে সিটে বসতে কষ্টই হচ্ছিল। আমি তাদের সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে আলাপ জমিয়ে নিলাম। তারা দু'জন মামা ভাগ্নে। মামা একটি জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আর ভাগ্নে জসিম সদ্য বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। মুসলিম দেশ জর্দানে নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে তিন বছর চাকরি করেছেন। তাঁর এই মামাই জর্দানে পাঠিয়ে ছিলেন। তাঁরা দুই ভাই। জর্দানে গিয়ে বাড়িতে তেমন কিছু করতে পারেননি। তবে তাঁর ছোট ভাইকে মালয়েশিয়া পাঠাতে পেরেছেন। মামা তাঁকে বলেছেন, এবার তাঁকে ইরাকে পাঠাবেন। ইরাকে ভাল বেতন পাওয়া যাবে। জর্দানে বেতন ছিল খুবই কম। দিনরাত পরিশ্রম করে অল্পকিছু টাকা যোগাড় করতে পেরেছিলেন তিনি। তাই দিয়েই ছোট ভাইকে মালয়েশিয়া পাঠায়িছেন। জসিমের সঙ্গে আমি যখন কথা বলতে ছিলাম তখন তাঁর মামা ঘুমাচ্ছিলেন। জসিম বলেন, আমি কোনদিন এজতেমায় আসিনি। জর্দানে যখন কাজ করতাম আখেরী মোনাজাতের দিন দুই ঘণ্টার জন্য আমাদের ছুটি দিত। আমরা টেলিভিশনে আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতাম। জর্দানীরা বলত, এজতেমা নাকি দ্বিতীয় হজ। জর্দান থেকে বহু মানুষ এজতেমায় যোগ দিতে আসেন। জর্দানীরা এজতেমা খুব গুরম্নত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। প্রথম বছর এমন দৃশ্য দেখে মনে মনে সিদ্ধানত্ম নিয়েছিলাম দেশে ফিরে গিয়ে এজতেমায় অংশ নেব। তাই এবার এজতেমায় যাচ্ছি। পথে কোন কষ্ট হয়েছে কিনা জানতে চাইলে জসিম বলেন, কষ্ট না করলে তো আলস্নাহকে পাওয়া যাবে না। তাই কষ্ট তো কিছু স্বীকার করতেই হবে। জসিমের সঙ্গে কথা বলতে বলতে কখন যে উত্তরা র্যাব-১-এর কার্যালয়ের সামনে চলে এসেছি বুঝতে পারিনি। তবে পথে বাসে কিছু ঝগড়া দেখেছি। মহিলারা সমান অধিকারের কথা বলে অথচ এক মহিলা পুরম্নষকে সিট থেকে উঠিয়ে দিয়ে নিজে বসার জন্য তুমুল ঝগড়া করছে। ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের এই মহিলার মুখে কোন কিছু আটকাচ্ছে না। যার সঙ্গে ঝগড়া তিনি ডিফেন্সে চাকরি করেন। তিনি কিছুতেই সিট ছাড়বেন না। যৌক্তিকভাবেই তিনি বলছিলেন, সমান অধিকারের কথা বলে অসহায়ত্ব দেখিয়ে সিটে বসতে চাচ্ছেন কেন। বাসের যাত্রীদের বেশির ভাগই ছিলেন এজতেমাগামী যাত্রী, তারা ওই ব্যক্তির যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে উল্টো তাকেই ভর্ৎসনা করছিলেন। পরে তিনি সিট ছেড়ে ওই মহিলাকে বসতে দিলেন। এই ঝগড়া থামতে থামতে আরও একটি স্টপেজ থেকে কয়েকজন মহিলা যাত্রী বাসে উঠলেন। এবার কয়েকটি সিট ছেড়ে দেয়ার ব্যাপার। যাঁরা সিটে বসে আছেন তাঁদের বেশির ভাগই প্রবীণ। নবীনরা অনেকে সিট ছেড়ে প্রবীণদের বসতে দিয়েছেন। এবার আর কিছু করার রইল না। এজতেমাগামী মুসলিস্নরাও আর কোন উচ্চবাচ্য করলেন না। যথারীতি গাদাগাদির মধ্যদিয়েই তাদের গনত্মব্যে যেতে হবে। কিছুৰণ পরে বাসের কন্ট্রাকটর বলছে বাস আর যাবে না। এখান থেকে টঙ্গী পর্যনত্ম হেঁটে যেতে হবে। র্যাব কার্যালয়ের সামনে নেমে পড়লাম। হাঁটা শুরম্ন করলাম এজতেমা ময়দানের দিকে। হাঁটতে হাঁটতে এক সময় টঙ্গী জোড়া ব্রিজের ওপরে উঠতেই জুমার নামাজ শুরম্ন হয়ে গেল। যে যেখানে জায়গা পেল সেখানেই জায়নামাজ, পেপার, হোগলার চাটাই অথবা পথে-মাটিতে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমি আর আগাতে পারছিলাম না। অনেক ঘুরে ফিরে ব্রিজের উত্তর প্রানত্মে গিয়ে রাসত্মার ধারে কলাগাছের ছায়ায় দাঁড়ালাম। এখানে দাঁড়িয়ে জনকণ্ঠের গাজীপুরের সাংবাদিক মোসত্মাফিজুর রহমান টিটুকে ফোন করলাম। তিনি দাঁড়িয়ে আছেন এজতেমার ১নং গেটে। আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে আরও দুই কিলোমিটার দূরে। পথে মানুষের যে ভয়ঙ্কর স্রোত দেখেছি সেই স্রোত মারিয়ে কিভাবে সেখানে যাই এমন চিনত্মা করছিলাম। যেতে যেহেতু হবে তাই কখনও মানুষের স্রোতের অনুকূলে আবার কখনও স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে থাকলাম। বিকেল ৩টার দিকে ১নং গেটের কাছে পেঁৗছে গেলাম। এখানে এসে টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। মোবাইলের নেটওয়ার্ক ইরোর দেখাচ্ছে। লাখ লাখ লোক মোবাইল ব্যবহার করার কারণে নেটওয়ার্কের এমন সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেক পরে সাংবাদিক টিটুর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন হলো। টিটুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আমরা চলে গেলাম গাজীপুরে। সেখানে এনটিভির সাংবাদিক নাসির ভাইয়ের অফিসে এজতেমার নিউজ লিখলাম। নিউজ লিখতে সময় অফিস থেকে কাওসার ভাই দুই দফা ফোন দিয়েছে দ্রম্নত নিউজ পাঠাতে। রাত সাড়ে ৮টায় নিউজ পাঠিয়ে গাজীপুর থেকে রাত ৯টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিলাম।
_ফিরোজ মান্না
লন্ডনে থার্টিফার্স্ট নাইট
থার্টিফার্স্ট নাইট! দেখলাম লন্ডনের তারম্নণ্য। বর্ণিল আলোয় ঝলসে ওটা আর পপ সঙ্গীতের প্রাণ কাঁপানো বিটের তালে তালে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল গোটা লন্ডন। এই অনুভূতি ভোলার নয়। দেখতে দেখতে দুটো বছর পেরম্নল। প্রিয় ঢাকা, প্রিয় জনকণ্ঠ অফিস, বন্ধুবান্ধব সবকিছু মিস করি প্রচ-ভাবে। প্রথম বছরটিতে লন্ডনে আমার থার্টিফার্স্ট রাতে বের হওয়া হয়নি। এবার ফ্রান্সের বন্ধু ইগোরের চাপেই মূলত বের হওয়া। আমারও কিছু ইচ্ছা ছিল লন্ডনের এই রাতটি দেখার।
সন্ধ্যা সাতটায় আবারও ইগোরের ফোন। পিকাডিলি সার্কাস স্টেশনে পেঁৗছে দেখি ওর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এমি, হাঙ্গেরির রবার্ট, এডিত, পোলান্ডের জুডিথসহ আমাদের আরও কয়েক বন্ধু। ওরা আমাকে দেখেই চিৎকার করে উঠল। সবার হাতে শ্যামপেনের বোতল। আমি এ্যালকোহল পান করি না। তাই ইগোর একটি আপেল জুসের বোতল এগিয়ে দিল আমাকে। ওখানেই শুরম্ন হলো হৈ চৈ।
আগের দিন রাত থেকে বিবিসিসহ রেডিও স্টেশনগুলো থেকে বার বার বুলেটেন প্রচার করা হচ্ছে এবার থার্টিফার্স্ট পালনে লন্ডন মেয়রের আয়োজন নিয়ে। মেয়রের উদ্যোগে গত দশ বছর ধরে উদ্যাপিত হচ্ছে ফায়ার ওয়ার্কস। লেজার শো কিংবা আতশবাজির ভেল্কিখেলা সে সঙ্গে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের মূর্ছনা লন্ডনীদের ঘুম কেড়ে নেয় এই রাতে। লন্ডনের অন্যতম নয়নাভিরাম লন্ডন আইকে প্রতিবছর ব্যবহার করা হয় এই ফায়ার ওয়ার্কসের জন্য। এটি ওয়েস্টমিনিস্টার স্টেশন সংলগ্ন থেমস নদীর পারে। এর পাশে রয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবন এবং দেড় শ' বছরের পুরনো লন্ডনের আরেক আশ্চর্য বিগবেন। বিগবেনে রাত ঘডির কাঁটা বারোটার উপর উঠলেই শুরম্ন হয় নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার আলোর খেলা।
ফায়ার ওয়ার্কস সফল করার জন্য লন্ডন আই'র আশপাশের সকল রাসত্মায় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। স্থগিত করা হয় কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেন সার্ভিস। ফায়ার ওয়ার্কস দেখার জন্য এবার লন্ডন আই এলাকায় আনুমানিক দুই লাখ মানুষের সমাগম হয় বলে বিবিসি প্রচার করেছে।
বাস বন্ধ থাকায় পিকাডিলি সার্কাস থেকে ট্রেনে গাদাগাদি করে আমরা গেলাম ওয়েস্টমিনিস্টার। তখন রাত সাড়ে দশটা। লন্ডনের স্বচ্ছ নীলাকাশে গোলাকার চাঁদ। শীতের তীব্রতা মাইনাস টু। ভাগ্য ভাল আজ বৃষ্টি হচ্ছে না। আগেরদিন রাতে বেশ তুষার পড়েছে। ওয়েস্টমিনিস্টার পেঁৗছে মনে হলো এই জনসমুদ্র থেকে বের হয়ে যাওয়া কোনদিন সম্ভব নয়। থেমসের পারের কানায় কানায় মানুষ আর মানুষ। সরাসরি নদীর পারে আর জায়গা না থাকায় পুলিশ এবং সিকিউরিটি কমর্ীরা ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। সে সঙ্গে তারা মাইকে জানিয়ে দিচ্ছে আর কোথায় কোথায় অবস্থান নিলে ফায়ার ওয়ার্কস দেখা যাবে। আমাদের কিউ হলো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ঠিক উল্টো পাশে। বলা হলো এই কিউ অনুসরণ করলে ফায়ার ওয়ার্কস ভালমতো দেখা যাবে। আমরা পিঁপড়ার মতো টিম টিম করে এগিয়ে চলেছি সেদিকে। মদ আর বিয়ারের গন্ধে ভারি হয়ে উঠছে আশপাশের বাতাস। শ্যাম্পেনের বোতল ছুড়ে কেউ কেউ সৃষ্টি করছে কৃত্রিম বৃষ্টির ধারা। বিগবেন চত্বর থেকে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট মাত্র দু মিনিটের হাঁটা পথ। অথচ এই পথটি অতিক্রম করতে আমাদের সময় লাগল প্রায় আধা ঘণ্টা। সঙ্গের বন্ধুরা ততণে মাতাল।
শুরম্ন হলো অপোর পালা। কখন বারোটা বাজে। জীবন থেকে আরও একটি বছর বিদায় নিতে তখনও এক ঘণ্টা বাকি। মাথার ওপর ব্রিটিশ সিকিউরিটি ফোর্সের হেলিকপ্টার বার বার টহল দিচ্ছে। শীতের প্রকোপ বাড়ছে। ঘটির কাঁটা যখন ঠিক বারোটা ধম ধম করে বেজে উঠল বিগবেন। জানান দিল নতুন আরও একটি বছরের। নানা বর্ণের ফায়ারওয়ার্কসে আলোকিত হয়ে উঠল ওয়েস্টমিনিস্টারের গোটা এলাকা। নাচগান আর টগবগে তারম্নণ্য উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয়া হলো ২০১০ সাল। সবার মুখে ধ্বনিত হচ্ছে হ্যাপি নিউ ইয়ার। জনসমুদ্রের কারণে রাত বারোটার পর ওয়েস্টমিনিস্টার, ওয়াটার লু, চ্যারিং ক্রসসহ আশপাশের গুরম্নত্বপূর্ণ আন্ডার গ্রাউন্ড টিউব সার্ভিসগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এই এলাকার একমাত্র এম্ব্যাংকমেন্ট স্টেশনটি খোলা ছিল। দীর্ঘ পথ হেঁটে যখন স্টেশনে ঢুকে ট্রেনে উঠলাম তখন রাত সাড়ে তিনটা। বাসায় ফিরতে ফিরতে সাড়ে পাঁচটা বাজল। ততণে বাংলাদেশে ১ জানুয়ারির দুপুর বেলা। তারপর দীর্ঘ ঘুম। উঠে দেখি আড়াইটা বেজে গেছে।
-শফিকুল ইসলাম জীবন
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 12
(140)
- ইবিতে আবারো ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৪৫ শিক্ষক
- বিশেষ মহল ফায়দা হাসিলে নানামুখী প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছ...
- বিএনপির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি প্রত্যাখ্যান দল...
- পানি বাড়বে ভাসবে বাড়ি, দু'কৰের ডুপেস্নক্স- পৃথুলা ...
- টঙ্গীতে মদ খেয়ে ৫ জনের মৃতু্য
- সাংবাদিকদের যেন কোন মহল ব্যবহার করতে না পারে- জহুর...
- তামিমময় একদিন অন্যরকম বাংলাদেশ- আরিফুর রহমান বাবু
- আজ থেকে- গ্যাস রেশনিং
- সংসদ নয়_সংসদ সদস্য- স্পীকারের রম্নলিং
- অনুমতি ছাড়াই চট্টগ্রামে জামায়াতের শোডাউন
- হারিছ চৌধুরী ও তাজউদ্দিনকে খোঁজা হচ্ছে- কিবরিয়া হ...
- তিন দিনে ২ হাজার কিউসেক পানি কমে গেছে তিসত্মায়- কম...
- 'মাগো, আমি মিছিলে যাচ্ছি, ফিরে না এলে, মনে রেখো তো...
- শ্রীলঙ্কায় নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস- ভো...
- সেই 'লাল' রম্নমাল_হাত থেকে ফেললেই ফাঁসিত by গাফফ...
- 'ভবিষ্যতের সামরিক শাসন ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়া দরকার'...
- একদিকে বর্জ্য নিষ্কাশন, অন্যদিকে নির্বাধ বর্জ্য নি...
- সেচ- পানির সত্মর নেমে যাচ্ছে, নদীর পানি ও বৃষ্টির ...
- কিবরিয়া হত্যা_ শিবিরের সম্পৃক্ততা নিয়ে ফের আলোচনার...
- বিচারের সকল প্রক্রিয়া শেষ আদেশের অপেৰা- বঙ্গবন্ধু ...
- বুকে ব্যথা
- ডায়াবেটিস সম্পর্কে ৫টি ভুল বিশ্বাস
- দাঁতের সব রোগ- টুথপেস্টের মন্দ রসায়ন
- স্বাস্থ্য কথা- যাত্রাকালীন অসুস্থতা
- ব্রংকিয়াল এ্যাজমা বা হাঁপানি by ডা. আবু হেনা মোসত...
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্র রম্নচিহীনতা ও আত্মধ্বংসের বাণ...
- শেখ হাসিনার দিলস্নী জয় বিএনপির প্রলাপ by বাহাউদ্দ...
- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় বাংলায় রূপান্ত...
- দুনর্ীতির অভিযোগগুলোর বিচার-নি্#৬৩৭৪৩;ত্তিতে স্থবি...
- কালো দিবসের হোতাদেরই কালো দিবস পালন by শাহজাহান মিয়া
- এমন একটা দল দে না!- খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
- মধুসূদনের জন্মবার্ষিকী পালন ভীমরতি মঞ্চস্থ- সংস্কৃ...
- ঢাকায় জ্যোতি বসু স্মরণানুষ্ঠান, নাগরিক কমিটি গঠন
- ফেনীতে আরও ১৮ জনের দোষ স্বীকার বিচার কাজ ২৮ মার্চ ...
- শীতের তীব্রতা কমছে
- পলস্নবীতে বিধবা খুন
- বিরোধী দলের উদ্দেশে স্পীকার_ যা বলার সংসদে এসে বলুন
- জীবন দিয়ে হলেও ট্রানজিট চুক্তি বাসত্মবায়ন করা হবে-...
- শেয়ারবাজারের জুয়াড়ি অনলাইন চক্র, চিহ্নিতকরণ চূড়ানত্ম
- শেয়ারবাজারের জুয়াড়ি অনলাইন চক্র, চিহ্নিতকরণ চূড়ানত্ম
- আইএমইডি শক্তিশালী করার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেৰ...
- ভাব ও রূপের বৈচিত্র্য আবেগ রসমাধুর্য মানুষের প্রতি...
- ঢাকায় শুরু হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের মেলা
- আগামীর বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের
- চলছে ৫৪ ঘণ্টার প্রতিযোগিতা
- হেল্পলাইন- আসছে স্মার্ট ব্যাগ!
- বাংলাদেশি আইডলের বিচারক কারা?
- কিক-এ কে?
- লেখক সজল
- কথোপকথন- গল্পের প্রয়োজনে চরিত্রগুলো বদলাবে
- অষ্টম সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস- সন্ধ্...
- বাংলাবান্ধা নামেই স্থলবন্দর
- আখাউড়া থেকে বাণিজ্য কমছে
- সংসদের চলতি অধিবেশনে যোগ দিতে পারে বিএনপি
- বিশ্ব ইজতেমা শুরু- লাখো মুসল্লির কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছ...
- জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী- সরকারের ধারাবাহ...
- ওয়ানডে সিরিজ- এবার বলুন অস্ট্রেলিয়া ‘বি’ দল!
- পোর্ট এলিজাবেথ টেস্ট- আমলার আরেকটি সেঞ্চুরি
- ওয়ানডে সিরিজ- ওয়ানডেতেও টেস্টের ইংল্যান্ড
- পাকিস্তানিদের আটকাচ্ছে পিসিবি
- সহজ জয়েই ফাইনালে উত্তরাঞ্চল
- কবিতা
- জানা-অজানা
- মজার খবর- ভাসমান হেলিপোর্ট
- তৃণ ও অ্যাংরি বার্ডস এম. এন. সালেহ্ বায়েজীদ
- রাহিমারা এখন নিজের প্রয়োজনেই সচেতন
- প্রতিবন্ধী ছাত্রী রহিমার অদম্য ইচ্ছা লেখাপড়ার
- সুবিধাবঞ্চিতদের কারিগরি প্রশিক্ষণ
- বাণিজ্যিকভিত্তিতে পাখি চাষ
- ‘ভ্যাগজালে’ মাছের বংশ উজাড়
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুকরী-মুকরী
- জুলেখা বেগম
- গাইবান্ধার আলোকিত তিন নারীনেত্রী
- তৃণমূল নারী জনপ্রতিনিধিরা অনেক এগিয়ে
- সম্পাদকীয় ॥- মৈত্রী ট্রেন ॥ সেবার মান বাড়ানো জরুরী
- ভর্তি ফি ১২ থেকে ১৪ লাখ!- এসব বেসরকারী মেডিক্যাল ক...
- সরকারীকরণ
- অভিমত ॥ জিপিএ-৫ বিড়ম্বনা!
- স্মরণীয়
- ‘যা হারিয়ে যায় তা আগলে রেখে রইবো কত আর by গোলাম ক...
- এবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত হোক by মুহম্...
- আইনজীবীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা কাল
- ট্রাক উল্টে ঢাকা ॥ চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কি.মি. যানজট
- গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে গৃহবধূ হত্যার চেষ্টা, স্ব...
- শিক্ষকরাজনীতি আধিপত্য আর পদোন্নতির জন্য
- জলবায়ু ইস্যুতে কক্সবাজারে দু’দিনের আন্তর্জাতিক সম্...
- পাঁচ কনস্টেবল আহত ॥ আসামি ধরতে গেলে ‘ডাকাত ডাকাত’ ...
- ছাত্রদের মানববন্ধন ॥ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক...
- যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে দালালি অবশেষে খবর প্রত্যাহার
- আওয়ামী লীগই আরেক ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে...
- দুই বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
- শর্ষেতে ভূত! পুলিশের সোর্সদের হাতে জনগণ জিম্মি by ...
- শীতার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শীতবস্ত্র বিতরণ- সা...
- বাংলা একাডেমীতে কারুশিল্প মেলা উদ্বোধন, চার শিল্পী...
- চট্টগ্রামে ডেসটিনির ৮১ লাখ গাছের মধ্যে ৪৫ লাখের অস...
- ছুটির দিনে জমজমাট বাণিজ্যমেলায় উপচেপড়া ভিড়- তীব্র ...
- রং-বেরঙের ঘুড়ি, ঈগল প্রজাপতি ও রূপচাঁদা হৃদয়ে প্রশ...
- তোপের মুখে
- উত্তরাঞ্চলে মানুষ সঙ্কটে ॥ একদিকে পেটের চিন্তা, অন...
- তীব্র শীতে হাসপাতাল ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে by...
- নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার, মহার্ঘ ভাতা ২০ ভাগ বৃদ্ধি...
- আন্দোলনের নামে আরেকটি ১/১১ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন ...
- এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষকদের অনশন
- সারাদেশে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম জোরদার- অর্থ বর...
- মুসল্লি বেশে জঙ্গী ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বিমানব...
- বিনোদনের নতুন আকর্ষণ হাতিরঝিল- হাল্কা নীল বাহারি আ...
- শীত কমছে না, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলবে- ০ সর্বনিম্ন ত...
- আইন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না সিকিউরিটি কোম্পানি-...
- তুরাগ তীরে বিশ্ব এজতেমা শুরু, উদ্বোধনী দিনে আম বয়া...
- উন্নয়ন ধরে রাখতে ফের সুযোগ দিন ॥ জাতির উদ্দেশে প্র...
- রক্তাক্ত পাকিস্তান- সিরিজ বোমা হামলায় নিহত ১২২ ॥ অ...
- ফিরে দেখা ১/১১, ‘এগোয়নি এক বিন্দুও’ by কাজল ঘোষ
- জাতির উদ্দেশে ভাষণ- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেইঃ প্র...
- টিপু সুলতান নির্যাতন- হাজারীর মামলা প্রত্যাহারের স...
- মেঘের দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, কোনো খোঁজ ন...
- নতুন চলচ্চিত্রে সোহানা সাবা
- বাড়ি হারালেন লিন্ডসে!
- পপির বিয়ের গুজব!
- মন্ত্রী, সচিবদের প্রতি প্রধান মন্ত্রী- কাজের গতি ব...
- সিটি নির্বাচন নিয়ে মাঠ গরম করতে চাইছে বিএনপি, কাল ...
- বাকশাল না হলে ১৫ আগস্ট হতো না নিজামীর নয়া তত্ত্ব!
- বিশ্বে এক শ' বছরে ৯৬ হাজার বাঘ বিলুপ্ত
- রংপুরে আনন্দ র্যালি
- দিনাজপুরে খুশির বন্যা
- দেশের সপ্তম বিভাগ হচ্ছে রংপুর- দিনাজপুর রংপুরসহ উত...
- দ্বিতীয় দিনশেষে ২২৬ রানে পিছিয়ে টাইগাররা- শচীন-দ্র...
- হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানানত্মর নিয়ে সংশয়
- সংসদে তোপের মুখে স্বাস্থ্য ও শিৰা মন্ত্রী- আমলা-ডি...
-
▼
Jan 12
(140)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment