Sunday, January 24, 2016
উনিশশো একাত্তরের যুদ্ধে জ্যাকবের ভূমিকা by এবনে গোলাম সামাদ
উনিশশো একাত্তরের যুদ্ধে জ্যাকবের ভূমিকা by এবনে গোলাম সামাদ
জনসংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ভারতে গণতন্ত্রের সাফল্যের একটি কারণ হলো, ভারতের সেনাবাহিনীর গণতন্ত্রকে মেনে নেয়া। ভারতের সেনাবাহিনী কখনো সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে প্রয়াসী হয়নি। তারা থেকেছে বেসামরিক নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদেরই বিশেষ নিয়ন্ত্রণে। যেটা পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হতে পারেনি। যদিও পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ঐতিহ্য হলো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর রেখে যাওয়া। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক রূপ হলো একই রকম। যেটা ছিল ব্রিটিশ ভারতের সেনাবাহিনীর। কিন্তু ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মনোভাব ঠিক একই খাতে প্রবহমান হতে পারেনি। গণতান্ত্রিক চিন্তাচেতনা ভারতের সেনাবাহিনীতে যতটা প্রথিত হতে পেরেছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে সেটা হতে পারেনি, যদিওবা ঐতিহাসিক কারণে হতে পারত। কেননা, এই তিন দেশের সেনাবাহিনী বহন করে চলেছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সংগঠন কাঠামো। তবে একটা বিষয়ে ছিল বড় রকমের ফাঁক। ভারত পেয়েছিল যথেষ্ট সংখ্যক সিভিলসার্ভেন্ট। সাবেক পাকিস্তান তা পেয়েছিল না। তার ছিল দেশ চালাবার লোকের অভাব। সরকার হয়ে পড়েছিল দুর্বল। সেনাবাহিনী ছিল দেশের সবচেয়ে সুসংগঠিত অংশ। তাকে তাই এগিয়ে আসতে হয়েছিল রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে দেশ চালাবার কাজে। ভারতে যে প্রয়োজন উত্থাপিত হয়নি। এ ছাড়া ভারতের জনসাধারণ ছিলেন অনেক রাজনীতিসচেতন। যে সচেতনতার অভাব ঘটেছিল সাবেক পাকিস্তানে।
একটা কথা প্রচলিত আছে, যে দেশের মানুষ যেমন সে দেশের মানুষ তেমন সরকারই লাভ করে থাকে। কথাটা সম্ভবত প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটলের। ভারতের সংবিধান অনুসারে ভারতের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নির্দেশদাতা হলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতি। তিনি হলেন Commander-in-Chief of all the Defence Forces অর্থাৎ স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর প্রধান। কিন্তু ভারত একটি প্রেসিডেন্ট শাসিত দেশ নয়। ভারতের প্রেসিডেন্টকে চলতে হয় মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশে।মন্ত্রিপরিষদকে মানতে হয় বিধান পরিষদের মতামত। ভারতের সমরনীতি নির্ধারণের দায়ভার মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত। তবে এ জন্য রয়েছে একটি বিশেষ কমিটি। যার চেয়ারম্যান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং এতে থাকেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও যোগাযোগমন্ত্রী। আরো থাকেন স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধান নির্দেশক বা Chief of the Staff। এ ছাড়া থাকেন প্রতিরক্ষা সচিব এবং সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। এই বিশেষ কমিটিতে রণনীতি নির্ধারণের সময় বিবেচনা করা হয় পররাষ্ট্রনীতি, দেশের অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং সেনাবাহিনীর বিদ্যমান অবস্থা নিয়ে; রণ কৌশল নিয়ে নয়। সেটা স্থির করা বিশেষভাবে ন্যস্ত থাকে সেনাবাহিনীরই ওপর। রণনীতি ও রণকৌশলকে এক করে দেখা হয় না। রণনীতি ঠিক করার জন্য একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি হলো বিশেষ বিবেচ্য। কোন রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ হতে পারে আর কোন রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ হতে পার না, সেটা নিয়ে আলোচনা রণনীতি ঠিক করার ক্ষেত্রে পেতে চায় বিশেষ বিবেচনা। সেনাপতিদের পক্ষে সেটা ঠিক করা সম্ভব নয়। অন্য দিকে, রণকৌশল সেনাবাহিনীর বিরাজমান অবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে। তাই সেটা সেনাবাহিনীর বিশেষ বিবেচ্য বলে মনে করা হয়।
ভৌগোলিক দিক থেকে ভারতের স্থলবাহিনীকে (Army) চারটি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। এদের প্রত্যেক এলাকার প্রধানকে বলা হয় Lieutenant-General । ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের সেনাসদর হলো মহারাষ্ট্রের পুনা (পুনে), মধ্য অঞ্চলের সামরিক কর্মকর্তার সদর দফতর যুক্ত প্রদেশের লাখনৌ শহরে। পশ্চিম কমান্ডে সেনা সদর দফতর হলো সিমলা। আর পুবের সেনা কমান্ডের সদর দফতর কলকাতা। প্রত্যেক লেফটেন্যান্ট জেনারেলের এলাকা আবার ছোট ছোট এলাকায় বিভক্ত থাকে। যার নিয়ন্ত্রণ থাকে Major-General-এর ওপর। মেজর জেনারেলের এলাকা আবার বিভক্ত থাকে ব্রিগেড এলাকায়। যার নিয়ন্ত্রণ থাকে Brigadier-এর ওপর। এই কাঠামো বাংলাদেশেরই মতো।
ভারতের নৌবাহিনীর আছে চারটি ঘাঁটি। এই ঘাঁটিগুলো একেকটি নৌ-কমান্ডের অধীন। পশ্চিমের নৌ-কমান্ড অবস্থিত বোম্বে (মুম্বাই)। দক্ষিণের নৌঘাঁটি অবস্থিত কেরেলার কোচিনে। পুবের নৌঘাঁটি অবস্থিত অন্ধ্র রাজ্যের বিখ্যাত বন্দর বিশাখাপত্তনমের লাগোয়া। চতুর্থ ঘাঁটি প্রয়োজনে স্থাপন করা হয় সমুদ্রের বুকে রণতরীর সমন্বয়ে। যাকে বলে Fleet।
ভারতে বিমানবাহিনীর চারটি কমান্ড কাছে। এর ট্রেনিং কমান্ড অবস্থিত হলো কর্নাটক প্রদেশের রাজধানী ব্যাঙ্গালরে (ব্যাঙ্গালুরু)। সামরিক বিমান রক্ষণাবেক্ষণের কমান্ড হলো মধ্যপ্রদেশের নাগপুর। পশ্চিম কমান্ড হলো দিল্লির কাছে পালামে। কেন্দ্রীয় কমান্ড হলো কলকাতায়। আর পূর্ব কমান্ড হলো মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে যে প্যারাসুট বাহিনী ভারত টাঙ্গাইলে পাঠিয়েছিল, তা এসেছিল শিলং থেকে।
১৯৭১ সালে ভারতের পূর্ব কমান্ডে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিত সিং অরোরা। তার অধীনে ছিলেন মেজর জেনারেল জ্যাকব। এরা উভয়ই ছিলেন চিফ অব দি আর্মি স্টাফ। সাম মানেকশ (Sam Manekshaw)-এর কমান্ডে। মানেকশ ধর্মে ছিলেন পার্সিক অর্থাৎ অগ্নিপূজারী। তার মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি। জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন ধর্মে শিখ। তার মাতৃভাষা ছিল পাঞ্জাবি। যা লেখা হয় গুরুমুখী অক্ষরে; দেবনাগরী অক্ষরে নয়। জে এফ আর জ্যাকব ধর্মে ছিলেন ইহুদি। তার পূর্বপুরুষ বাইরে থেকে এসে কলকাতায় উপনিবিষ্ট হন। জ্যাকব জন্মেছিলেন কলকাতায়। তিনি তাই বাংলা বুঝতে ও বলতে পারতেন। যদিও তার ভাষা কার্যত ছিল ইংরেজি। মানেকশ ও অরোরা ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন পেশাজীবী সৈনিক হিসেবে, কোনো আদর্শের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে নয়। কিন্তু জ্যাকব যোগ দিয়েছিলেন একজন ইহুদিবাদী হিসেবে। তিনি চেয়েছিলেন হিটলারের পরাজয়। তিনি ছিলেন সাবেক প্যালেস্টাইনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও পক্ষে। ইহুদিদের সাথে আরব মুসলমানদের বৈরিতার কারণে তিনি সাধারণভাবেই হয়ে উঠেছিলেন মুসলিমবিদ্বেষী। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানকে ভেঙে দিতে এমনকি বিলুপ্ত করতে। যে মনোভাব মানেকশ ও অরোরার মধ্যে ছিল না।
জে এফ আর জ্যাকব ছিলেন ভারতের পূর্ব রাণাঙ্গনের একজন মেজর জেনারেল। তিনি সেনাবাহিনীতে খুব জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু ছিলেন একজন কৃতী রাজনীতিবিদ। করতেন জিওনিস্ট রাজনীতি। তিনি একটি বই লিখেছেন। যার নাম Surrender At Dacca : Birth of a Nation । যাতে তিনি লিখেছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেখা করেন প্রাবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দীনের সাথে। তাজ উদ্দীনের সাথে তার দীর্ঘ আলাপ হয়। অনেকে মনে করেন, জ্যাকবের মাধ্যমেই ইসরাইলের কর্মকর্তাদের সাথে তাজ উদ্দীনের প্রথম যোগাযোগ ঘটে। পরে তাজ উদ্দীন আব্দুস সামাদ আজাদকে পাঠিয়েছিলেন তেলআবিব। ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারকে সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সারা বিশ্বের ইহুদি-অর্থে পরিচালিত পত্রপত্রিকায় প্রচার শুরু হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে। জ্যাকব তার বইতে লিখেছেন, ১৯৭১-এর যুদ্ধের ব্যাপারে ভারতকে উপদেশ দিয়ে ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আসা সমর বিশারদেরা। যাদের উপদেশের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন মানেকশ।
জ্যাকব ভারতের সেনাবাহিনী থেকে অবসর পান ১৯৭৮ সালের জুলাই মাসে। হাসিনা সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেন ২০১২ সালের ২৭ মার্চ। সম্মাননা নেয়ার সময় জ্যাকব মঞ্চে দাঁড়িয়ে দর্শকদের সামরিক অভিবাদন দেন এবং বলেন, জয়বাংলা (বাংলাদেশ প্রতিদিন : ১৪ জানুয়ারি ২০১৬)। কেন এতদিন পরে জ্যাকবকে বীর উত্তম উপাধি দেয়া হয়েছিল তা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত আছে। একটি মত হলো জগজিৎ সিং অরোরা বাংলাদেশ হওয়ার পর হয়ে ওঠেন স্বাধীন শিখরাজ্য প্রতিষ্ঠার বিশেষ সমর্থক। ভারতে শিখদের খালিস্থান আন্দোলন ইন্দিরা গান্ধী কঠোরহস্তে দমন করেন। এটা করতে গিয়ে তিনি ভেঙে ফেলেন শিখদের অমৃতসরের বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির, যা পরে আবার নির্মাণ করা হয়। বহু শিখ এর জন্য ইন্দিরা গান্ধীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর দুজন দেহরক্ষী গুলি করে ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করে (১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর)। এরা ছিলেন শিখ স্বাধীন রাষ্ট্র, বা খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। দিল্লিতে হিন্দুরা অতর্কিতে শিখদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে প্রায় তিন হাজার শিখকে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার এখনো হয়নি। সারা ভারতে শিখ বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে। একসময় ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখরা ছিলেন শতকরা ৩০ ভাগ। এখন আর ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখদের আগের মতো নেয়া হচ্ছে না। ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখদের সংখ্যা নেমে এসেছে শতকরা ১০ ভাগের নিচে। জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন শিখ। তা ছাড়া তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। এ জন্য ১৯৭১-এর যুদ্ধে জগজিৎ সিং অরোরার অবদানকে ভারত সরকার মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। তার স্থলে বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন জে এফ আর জ্যাকবের ভাবমর্যাদা। ভারত সরকার নাকি শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেন জ্যাকবকে বীর উত্তম খেতাব দেয়ার জন্য। তবে বিষয়টি এখনো হয়ে আছে রহস্যঘেরা। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা যায় না। ভারতের আর কাউকে ১৯৭১-এর যুদ্ধের জন্যে বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। শুধু কেবল জ্যাকবকেই বীর উত্তম খেতাব দেয়া হলো। সেটা হয়ে আছে একটা জিজ্ঞাসার ব্যাপার। জ্যাকব মারা গেলেন হাসপাতালে পরিণত বয়সে (১৯২৩-২০১৬)। তার মৃত্যুর পর আমাদের এক পত্রিকায় লেখা হলো, আর নেই মুক্তিযুদ্ধের সেই নায়ক জেনারেল জ্যাকব। কিন্তু ১৯৭১ সালে জ্যাকব ছিলেন মেজর জেনারেল। তাকে যুদ্ধ করতে হয়েছিল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নির্দেশে। জ্যাকব লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নিত হন ১৯৭২ সালে। জ্যাকব রাজনীতি করেছিলেন। তাজউদ্দীন সরকারের সাথে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন ইসরাইল সরকারের। কিন্তু তিনি ১৯৭১ এর রণকৌশল গঠনে কোনো বিশেষ অবদান যে রেখেছিলেন, তা নয়। রণকৌশল রচনা করেছিলেন প্রধানত জগজিৎ সিং অরোরা। আর তিনি সেটা করেছিলেন সাম মানেক’শ-এর অনুমোদন সাপেক্ষে। বলা হয় জ্যাকব নাকি রচনা করেছিলেন পাকিস্তানের পূর্ব কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজির নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দলিল। এটা কত দূর তা বিচার করে দেখার মতো তথ্য আমাদের হাতে নেই। সাধারণত এসব দলিল রচনার সময় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন একটা দেশের আইন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু জ্যাকব কোনো আইন বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। বলা হয় নিয়াজি শর্তহীনভাবে ভারতের পূর্ব কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। কিন্তু মনে করার কারণ আছে, নেপথ্যে ভারতের সাথে কিছু সমঝোতা (Agreement) চুক্তি হতে পেরেছিল। যে কারণে পাকিস্তানের পূর্ব কমান্ডের সব আত্মসমর্পণকারী সৈন্যদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ভারতে। কাউকেই রাখা হয়েছিল না বাংলাদেশে। এসব বন্দীর (POW) সবাইকেই ছেড়ে দেয়া হয় ১৯৭২ সালের ৩ জুলাই সিমলায় ভারত-পাকিস্তান চুক্তি হওয়ার পর। সিমলা সম্মেলনে কেবল উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ও ভারতের প্রতিনিধিরা। সিমলা চুক্তিপত্রে ভারতের পক্ষ থেকে সই করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, আর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সই করেছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। সিমলা সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বাংলাদেশের কাউতে এই সম্মেলনে ডাকাই হয়নি। সিমলা চুক্তিতে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে উল্লেখ করা হয়েছে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। বলা হয়নি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ভুট্টো নাকি কথা দিয়েছিলেন, যে ১৯৫ জন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধাপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাদের বিচার করা হবে পাকিস্তানে কোর্টমার্শালে। কিন্তু এসব সামরিক কর্মকর্তা পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধাপরাধ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। যা ছিল পূর্ব পাকিস্তান তাই পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রে। এ জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত ছিল বাংলাদেশে। কিন্তু তা হতে পারেনি।
জুলফিকার আলী ভুট্টো শেখ মুজিবের আমন্ত্রণে ১৯৭৪ সালের ২৭ জুন বাংলাদেশে এসেছিলেন সরকারি সফরে। তিনি ২৯ জুন ঢাকা ত্যাগ করেন। যাওয়ার আগে তিনি শেখ মুজিবকে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। শেখ মুজিব তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। শেখ মুজিব জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে কিছু আলোচনা করেছিলেন বলে শোনা যায় না। ১৯৭৪ সালের ৩০ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সেক্রেটারি অব স্টেট ২৯ ঘণ্টার জন্য ঢাকায় সরকারি সফরে আসেন। এ সময় তিনি শেখ মুজিবের সাথে কথোপকথনে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে উল্লেখ করেন গৃহযুদ্ধ (Civil War) হিসেবে। শেখ মুজিব তার এই উক্তির কোনো প্রতিবাদ করেছিলেন না। ১৯৭১ এর যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ ছিল, না সাবেক পাকিস্তানের মধ্যে একটা গৃহযুদ্ধ ছিল, সেটা নিয়ে থেকে গিয়েছে একটা অস্পষ্টতা। কেননা, শেখ মুজিব হেনরি কিসিঞ্জারের উক্তির কোনো প্রতিবাদ করেননি।
শেখ মুজিব ১৯৭১ সালে ঠিক কী চেয়েছিলেন আমরা তা আন্দাজ করতে পারি না। কেননা এ বিষয়ে আন্দাজ করতে পারার মতো যথেষ্ট তথ্য আমাদের হাতে নেই। তবে কতগুলো ঘটনার কথা মনে করা যেতে পারে। শেখ মুজিব ১৯৭২ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। তিনি রাওয়ালপিন্ডি থেকে ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি বিশেষ বিমানে করে যাত্রা করেন লন্ডনে। সাংবাদিক মাসকারেনহাস তার লিখিত Bangladesh : A Legacy of Blood বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে লিখেছেন, শেখ মুজিব তাকে লন্ডনে ৮ জানুয়ারি বলেন যে, তিনি পাকিস্তানের সাথে সব সম্পর্ক ছেদ করতে যাচ্ছেন না। রাখতে যাচ্ছেন একটা বিশেষ সম্পর্ক (Link)। শেখ মুজিব এরপর ব্রিটেনের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্থ হিথের সাথে ঘরোয়া বৈঠক করেন। ১০ জানুয়ারি তিনি লন্ডন থেকে ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে যাত্রা করেন দেশের উদ্দেশে। ঢাকা আসার পথে তিনি দিল্লিতে যাত্রা বিরতি করে দেখা করেন ইন্দিরা গান্ধীর সাথে। দিল্লি থেকে তিনি ঢাকায় ফিরতে চান রয়েল এয়ারফোর্সের একই বিমানে করে। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, রয়েল এয়ারফোর্সের বিমানে করে ঢাকায় না যেয়ে ভারতের একটি বিমানে করে যেতে। কেননা, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে তখনো একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র বলে স্বীকৃতি দিয়েছিল না। ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে একটা পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র বলে স্বীকৃতি প্রদান করে ৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু শেখ মুজিব দিল্লি থেকে ভারতীয় বিমানে করে ঢাকায় আসতে চান না। তিনি ঢাকায় ফেরেন ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর বিমানে করে। কেন তিনি এটা করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।
দেশে ফেরার পর তার গুরুতর মতভেদ ঘটে তাজউদ্দীনের সাথে। তাজউদ্দীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতের সাথে সমঝোতা চুক্তি (Agreement) করেছিলেন যে, বাংলাদেশের কোনো পৃথক সেনাবাহিনী থাকবে না, থাকবে কেবল একটা প্যারা-মিলিশিয়া বাহিনী। তিনি তার এই সমঝোতা চুক্তিতে আরো বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ সরকার তার পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে ভারত সরকারের সাথে আলোচনা করে। শেখ মুজিব তাজউদ্দীনকৃত সমঝোতা চুক্তি মানতে রাজি হন না। তিনি যদি এই সমঝোতা চুক্তি বাতিল করতে না পারতেন, তবে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র না হয়ে পরিণত হতো ভারতের একটি করোদমিত্র রাজ্যে (Protectorate)। এসব কথা বলেছেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী তার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে। জনাব চৌধুরী প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের দিল্লি মিশনের প্রধান ছিলেন। স্বাধীনতার পর দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এক সময় জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হন। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এই সাক্ষাৎকারটি প্রদান করেন ২৭ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে (দ্রষ্টব্য : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ‘র’ এবং সিআইএ; মাসুদুল হক। প্রচিন্তা প্রকাশনী- ঢাকা। চতুর্থ সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৪০-১৪৩)।
কিন্তু আমাদের পত্রপত্রিকায় লেখা হলো জে এফ আর জ্যাকব ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি না থাকলে বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় হতে পারত না।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
একটা কথা প্রচলিত আছে, যে দেশের মানুষ যেমন সে দেশের মানুষ তেমন সরকারই লাভ করে থাকে। কথাটা সম্ভবত প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটলের। ভারতের সংবিধান অনুসারে ভারতের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নির্দেশদাতা হলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতি। তিনি হলেন Commander-in-Chief of all the Defence Forces অর্থাৎ স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর প্রধান। কিন্তু ভারত একটি প্রেসিডেন্ট শাসিত দেশ নয়। ভারতের প্রেসিডেন্টকে চলতে হয় মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশে।মন্ত্রিপরিষদকে মানতে হয় বিধান পরিষদের মতামত। ভারতের সমরনীতি নির্ধারণের দায়ভার মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত। তবে এ জন্য রয়েছে একটি বিশেষ কমিটি। যার চেয়ারম্যান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং এতে থাকেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও যোগাযোগমন্ত্রী। আরো থাকেন স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধান নির্দেশক বা Chief of the Staff। এ ছাড়া থাকেন প্রতিরক্ষা সচিব এবং সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। এই বিশেষ কমিটিতে রণনীতি নির্ধারণের সময় বিবেচনা করা হয় পররাষ্ট্রনীতি, দেশের অর্থনৈতিক ক্ষমতা এবং সেনাবাহিনীর বিদ্যমান অবস্থা নিয়ে; রণ কৌশল নিয়ে নয়। সেটা স্থির করা বিশেষভাবে ন্যস্ত থাকে সেনাবাহিনীরই ওপর। রণনীতি ও রণকৌশলকে এক করে দেখা হয় না। রণনীতি ঠিক করার জন্য একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি হলো বিশেষ বিবেচ্য। কোন রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ হতে পারে আর কোন রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ হতে পার না, সেটা নিয়ে আলোচনা রণনীতি ঠিক করার ক্ষেত্রে পেতে চায় বিশেষ বিবেচনা। সেনাপতিদের পক্ষে সেটা ঠিক করা সম্ভব নয়। অন্য দিকে, রণকৌশল সেনাবাহিনীর বিরাজমান অবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে। তাই সেটা সেনাবাহিনীর বিশেষ বিবেচ্য বলে মনে করা হয়।
ভৌগোলিক দিক থেকে ভারতের স্থলবাহিনীকে (Army) চারটি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। এদের প্রত্যেক এলাকার প্রধানকে বলা হয় Lieutenant-General । ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের সেনাসদর হলো মহারাষ্ট্রের পুনা (পুনে), মধ্য অঞ্চলের সামরিক কর্মকর্তার সদর দফতর যুক্ত প্রদেশের লাখনৌ শহরে। পশ্চিম কমান্ডে সেনা সদর দফতর হলো সিমলা। আর পুবের সেনা কমান্ডের সদর দফতর কলকাতা। প্রত্যেক লেফটেন্যান্ট জেনারেলের এলাকা আবার ছোট ছোট এলাকায় বিভক্ত থাকে। যার নিয়ন্ত্রণ থাকে Major-General-এর ওপর। মেজর জেনারেলের এলাকা আবার বিভক্ত থাকে ব্রিগেড এলাকায়। যার নিয়ন্ত্রণ থাকে Brigadier-এর ওপর। এই কাঠামো বাংলাদেশেরই মতো।
ভারতের নৌবাহিনীর আছে চারটি ঘাঁটি। এই ঘাঁটিগুলো একেকটি নৌ-কমান্ডের অধীন। পশ্চিমের নৌ-কমান্ড অবস্থিত বোম্বে (মুম্বাই)। দক্ষিণের নৌঘাঁটি অবস্থিত কেরেলার কোচিনে। পুবের নৌঘাঁটি অবস্থিত অন্ধ্র রাজ্যের বিখ্যাত বন্দর বিশাখাপত্তনমের লাগোয়া। চতুর্থ ঘাঁটি প্রয়োজনে স্থাপন করা হয় সমুদ্রের বুকে রণতরীর সমন্বয়ে। যাকে বলে Fleet।
ভারতে বিমানবাহিনীর চারটি কমান্ড কাছে। এর ট্রেনিং কমান্ড অবস্থিত হলো কর্নাটক প্রদেশের রাজধানী ব্যাঙ্গালরে (ব্যাঙ্গালুরু)। সামরিক বিমান রক্ষণাবেক্ষণের কমান্ড হলো মধ্যপ্রদেশের নাগপুর। পশ্চিম কমান্ড হলো দিল্লির কাছে পালামে। কেন্দ্রীয় কমান্ড হলো কলকাতায়। আর পূর্ব কমান্ড হলো মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে যে প্যারাসুট বাহিনী ভারত টাঙ্গাইলে পাঠিয়েছিল, তা এসেছিল শিলং থেকে।
১৯৭১ সালে ভারতের পূর্ব কমান্ডে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিত সিং অরোরা। তার অধীনে ছিলেন মেজর জেনারেল জ্যাকব। এরা উভয়ই ছিলেন চিফ অব দি আর্মি স্টাফ। সাম মানেকশ (Sam Manekshaw)-এর কমান্ডে। মানেকশ ধর্মে ছিলেন পার্সিক অর্থাৎ অগ্নিপূজারী। তার মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি। জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন ধর্মে শিখ। তার মাতৃভাষা ছিল পাঞ্জাবি। যা লেখা হয় গুরুমুখী অক্ষরে; দেবনাগরী অক্ষরে নয়। জে এফ আর জ্যাকব ধর্মে ছিলেন ইহুদি। তার পূর্বপুরুষ বাইরে থেকে এসে কলকাতায় উপনিবিষ্ট হন। জ্যাকব জন্মেছিলেন কলকাতায়। তিনি তাই বাংলা বুঝতে ও বলতে পারতেন। যদিও তার ভাষা কার্যত ছিল ইংরেজি। মানেকশ ও অরোরা ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন পেশাজীবী সৈনিক হিসেবে, কোনো আদর্শের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে নয়। কিন্তু জ্যাকব যোগ দিয়েছিলেন একজন ইহুদিবাদী হিসেবে। তিনি চেয়েছিলেন হিটলারের পরাজয়। তিনি ছিলেন সাবেক প্যালেস্টাইনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও পক্ষে। ইহুদিদের সাথে আরব মুসলমানদের বৈরিতার কারণে তিনি সাধারণভাবেই হয়ে উঠেছিলেন মুসলিমবিদ্বেষী। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানকে ভেঙে দিতে এমনকি বিলুপ্ত করতে। যে মনোভাব মানেকশ ও অরোরার মধ্যে ছিল না।
জে এফ আর জ্যাকব ছিলেন ভারতের পূর্ব রাণাঙ্গনের একজন মেজর জেনারেল। তিনি সেনাবাহিনীতে খুব জনপ্রিয় ছিলেন না। কিন্তু ছিলেন একজন কৃতী রাজনীতিবিদ। করতেন জিওনিস্ট রাজনীতি। তিনি একটি বই লিখেছেন। যার নাম Surrender At Dacca : Birth of a Nation । যাতে তিনি লিখেছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেখা করেন প্রাবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দীনের সাথে। তাজ উদ্দীনের সাথে তার দীর্ঘ আলাপ হয়। অনেকে মনে করেন, জ্যাকবের মাধ্যমেই ইসরাইলের কর্মকর্তাদের সাথে তাজ উদ্দীনের প্রথম যোগাযোগ ঘটে। পরে তাজ উদ্দীন আব্দুস সামাদ আজাদকে পাঠিয়েছিলেন তেলআবিব। ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারকে সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সারা বিশ্বের ইহুদি-অর্থে পরিচালিত পত্রপত্রিকায় প্রচার শুরু হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে। জ্যাকব তার বইতে লিখেছেন, ১৯৭১-এর যুদ্ধের ব্যাপারে ভারতকে উপদেশ দিয়ে ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আসা সমর বিশারদেরা। যাদের উপদেশের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন মানেকশ।
জ্যাকব ভারতের সেনাবাহিনী থেকে অবসর পান ১৯৭৮ সালের জুলাই মাসে। হাসিনা সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেন ২০১২ সালের ২৭ মার্চ। সম্মাননা নেয়ার সময় জ্যাকব মঞ্চে দাঁড়িয়ে দর্শকদের সামরিক অভিবাদন দেন এবং বলেন, জয়বাংলা (বাংলাদেশ প্রতিদিন : ১৪ জানুয়ারি ২০১৬)। কেন এতদিন পরে জ্যাকবকে বীর উত্তম উপাধি দেয়া হয়েছিল তা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত আছে। একটি মত হলো জগজিৎ সিং অরোরা বাংলাদেশ হওয়ার পর হয়ে ওঠেন স্বাধীন শিখরাজ্য প্রতিষ্ঠার বিশেষ সমর্থক। ভারতে শিখদের খালিস্থান আন্দোলন ইন্দিরা গান্ধী কঠোরহস্তে দমন করেন। এটা করতে গিয়ে তিনি ভেঙে ফেলেন শিখদের অমৃতসরের বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির, যা পরে আবার নির্মাণ করা হয়। বহু শিখ এর জন্য ইন্দিরা গান্ধীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর দুজন দেহরক্ষী গুলি করে ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করে (১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর)। এরা ছিলেন শিখ স্বাধীন রাষ্ট্র, বা খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। দিল্লিতে হিন্দুরা অতর্কিতে শিখদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে প্রায় তিন হাজার শিখকে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার এখনো হয়নি। সারা ভারতে শিখ বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে। একসময় ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখরা ছিলেন শতকরা ৩০ ভাগ। এখন আর ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখদের আগের মতো নেয়া হচ্ছে না। ভারতের সেনাবাহিনীতে শিখদের সংখ্যা নেমে এসেছে শতকরা ১০ ভাগের নিচে। জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন শিখ। তা ছাড়া তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। এ জন্য ১৯৭১-এর যুদ্ধে জগজিৎ সিং অরোরার অবদানকে ভারত সরকার মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। তার স্থলে বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন জে এফ আর জ্যাকবের ভাবমর্যাদা। ভারত সরকার নাকি শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেন জ্যাকবকে বীর উত্তম খেতাব দেয়ার জন্য। তবে বিষয়টি এখনো হয়ে আছে রহস্যঘেরা। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা যায় না। ভারতের আর কাউকে ১৯৭১-এর যুদ্ধের জন্যে বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। শুধু কেবল জ্যাকবকেই বীর উত্তম খেতাব দেয়া হলো। সেটা হয়ে আছে একটা জিজ্ঞাসার ব্যাপার। জ্যাকব মারা গেলেন হাসপাতালে পরিণত বয়সে (১৯২৩-২০১৬)। তার মৃত্যুর পর আমাদের এক পত্রিকায় লেখা হলো, আর নেই মুক্তিযুদ্ধের সেই নায়ক জেনারেল জ্যাকব। কিন্তু ১৯৭১ সালে জ্যাকব ছিলেন মেজর জেনারেল। তাকে যুদ্ধ করতে হয়েছিল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নির্দেশে। জ্যাকব লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নিত হন ১৯৭২ সালে। জ্যাকব রাজনীতি করেছিলেন। তাজউদ্দীন সরকারের সাথে যোগাযোগ ঘটিয়েছিলেন ইসরাইল সরকারের। কিন্তু তিনি ১৯৭১ এর রণকৌশল গঠনে কোনো বিশেষ অবদান যে রেখেছিলেন, তা নয়। রণকৌশল রচনা করেছিলেন প্রধানত জগজিৎ সিং অরোরা। আর তিনি সেটা করেছিলেন সাম মানেক’শ-এর অনুমোদন সাপেক্ষে। বলা হয় জ্যাকব নাকি রচনা করেছিলেন পাকিস্তানের পূর্ব কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজির নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দলিল। এটা কত দূর তা বিচার করে দেখার মতো তথ্য আমাদের হাতে নেই। সাধারণত এসব দলিল রচনার সময় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন একটা দেশের আইন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু জ্যাকব কোনো আইন বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। বলা হয় নিয়াজি শর্তহীনভাবে ভারতের পূর্ব কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। কিন্তু মনে করার কারণ আছে, নেপথ্যে ভারতের সাথে কিছু সমঝোতা (Agreement) চুক্তি হতে পেরেছিল। যে কারণে পাকিস্তানের পূর্ব কমান্ডের সব আত্মসমর্পণকারী সৈন্যদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ভারতে। কাউকেই রাখা হয়েছিল না বাংলাদেশে। এসব বন্দীর (POW) সবাইকেই ছেড়ে দেয়া হয় ১৯৭২ সালের ৩ জুলাই সিমলায় ভারত-পাকিস্তান চুক্তি হওয়ার পর। সিমলা সম্মেলনে কেবল উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ও ভারতের প্রতিনিধিরা। সিমলা চুক্তিপত্রে ভারতের পক্ষ থেকে সই করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, আর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সই করেছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। সিমলা সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বাংলাদেশের কাউতে এই সম্মেলনে ডাকাই হয়নি। সিমলা চুক্তিতে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে উল্লেখ করা হয়েছে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। বলা হয়নি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ভুট্টো নাকি কথা দিয়েছিলেন, যে ১৯৫ জন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধাপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাদের বিচার করা হবে পাকিস্তানে কোর্টমার্শালে। কিন্তু এসব সামরিক কর্মকর্তা পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধাপরাধ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। যা ছিল পূর্ব পাকিস্তান তাই পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রে। এ জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত ছিল বাংলাদেশে। কিন্তু তা হতে পারেনি।
জুলফিকার আলী ভুট্টো শেখ মুজিবের আমন্ত্রণে ১৯৭৪ সালের ২৭ জুন বাংলাদেশে এসেছিলেন সরকারি সফরে। তিনি ২৯ জুন ঢাকা ত্যাগ করেন। যাওয়ার আগে তিনি শেখ মুজিবকে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। শেখ মুজিব তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। শেখ মুজিব জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে কিছু আলোচনা করেছিলেন বলে শোনা যায় না। ১৯৭৪ সালের ৩০ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সেক্রেটারি অব স্টেট ২৯ ঘণ্টার জন্য ঢাকায় সরকারি সফরে আসেন। এ সময় তিনি শেখ মুজিবের সাথে কথোপকথনে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে উল্লেখ করেন গৃহযুদ্ধ (Civil War) হিসেবে। শেখ মুজিব তার এই উক্তির কোনো প্রতিবাদ করেছিলেন না। ১৯৭১ এর যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ ছিল, না সাবেক পাকিস্তানের মধ্যে একটা গৃহযুদ্ধ ছিল, সেটা নিয়ে থেকে গিয়েছে একটা অস্পষ্টতা। কেননা, শেখ মুজিব হেনরি কিসিঞ্জারের উক্তির কোনো প্রতিবাদ করেননি।
শেখ মুজিব ১৯৭১ সালে ঠিক কী চেয়েছিলেন আমরা তা আন্দাজ করতে পারি না। কেননা এ বিষয়ে আন্দাজ করতে পারার মতো যথেষ্ট তথ্য আমাদের হাতে নেই। তবে কতগুলো ঘটনার কথা মনে করা যেতে পারে। শেখ মুজিব ১৯৭২ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। তিনি রাওয়ালপিন্ডি থেকে ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি বিশেষ বিমানে করে যাত্রা করেন লন্ডনে। সাংবাদিক মাসকারেনহাস তার লিখিত Bangladesh : A Legacy of Blood বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে লিখেছেন, শেখ মুজিব তাকে লন্ডনে ৮ জানুয়ারি বলেন যে, তিনি পাকিস্তানের সাথে সব সম্পর্ক ছেদ করতে যাচ্ছেন না। রাখতে যাচ্ছেন একটা বিশেষ সম্পর্ক (Link)। শেখ মুজিব এরপর ব্রিটেনের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্থ হিথের সাথে ঘরোয়া বৈঠক করেন। ১০ জানুয়ারি তিনি লন্ডন থেকে ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে যাত্রা করেন দেশের উদ্দেশে। ঢাকা আসার পথে তিনি দিল্লিতে যাত্রা বিরতি করে দেখা করেন ইন্দিরা গান্ধীর সাথে। দিল্লি থেকে তিনি ঢাকায় ফিরতে চান রয়েল এয়ারফোর্সের একই বিমানে করে। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, রয়েল এয়ারফোর্সের বিমানে করে ঢাকায় না যেয়ে ভারতের একটি বিমানে করে যেতে। কেননা, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে তখনো একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র বলে স্বীকৃতি দিয়েছিল না। ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে একটা পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র বলে স্বীকৃতি প্রদান করে ৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু শেখ মুজিব দিল্লি থেকে ভারতীয় বিমানে করে ঢাকায় আসতে চান না। তিনি ঢাকায় ফেরেন ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর বিমানে করে। কেন তিনি এটা করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।
দেশে ফেরার পর তার গুরুতর মতভেদ ঘটে তাজউদ্দীনের সাথে। তাজউদ্দীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতের সাথে সমঝোতা চুক্তি (Agreement) করেছিলেন যে, বাংলাদেশের কোনো পৃথক সেনাবাহিনী থাকবে না, থাকবে কেবল একটা প্যারা-মিলিশিয়া বাহিনী। তিনি তার এই সমঝোতা চুক্তিতে আরো বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ সরকার তার পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে ভারত সরকারের সাথে আলোচনা করে। শেখ মুজিব তাজউদ্দীনকৃত সমঝোতা চুক্তি মানতে রাজি হন না। তিনি যদি এই সমঝোতা চুক্তি বাতিল করতে না পারতেন, তবে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র না হয়ে পরিণত হতো ভারতের একটি করোদমিত্র রাজ্যে (Protectorate)। এসব কথা বলেছেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী তার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে। জনাব চৌধুরী প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের দিল্লি মিশনের প্রধান ছিলেন। স্বাধীনতার পর দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এক সময় জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হন। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এই সাক্ষাৎকারটি প্রদান করেন ২৭ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে (দ্রষ্টব্য : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ‘র’ এবং সিআইএ; মাসুদুল হক। প্রচিন্তা প্রকাশনী- ঢাকা। চতুর্থ সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৪০-১৪৩)।
কিন্তু আমাদের পত্রপত্রিকায় লেখা হলো জে এফ আর জ্যাকব ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি না থাকলে বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় হতে পারত না।
লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 24
(18)
- ক্লিন ঢাকা গ্রিন ঢাকা গড়তে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাই...
- ফরিদগঞ্জে ব্যাংকসহ ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ড
- উন্নয়ন করছেন, দুর্নীতিও বন্ধ করুন by মইনুল ইসলাম
- রায় ঘোষণা করতে হয় প্রকাশ্য আদালতেই by ইকতেদার আহমেদ
- গ্যাস সঙ্কটে শিল্পে অচলাবস্থা by জিয়াউল হক মিজান
- কেমন হলো পৌর নির্বাচন? by বদিউল আলম মজুমদার
- প্রশ্নবিদ্ধ অক্সফোর্ড : বর্তমান ও অতীত by শফিক রেহমান
- ঝাঁকুনি তত্ত্বের ব্যাংক ব্যবসায় by ড. রেজোয়ান সিদ্...
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ‘খণ্ডযুদ্ধের’ রাজনীতিকরণ by ড. আবদু...
- নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ইরানের ভবিষ্যৎ by মীযানুল ...
- সুখ নামের স্বর্ণমৃগের পিছে
- উনিশশো একাত্তরের যুদ্ধে জ্যাকবের ভূমিকা by এবনে গো...
- ঢাকায় এসেছিলেন শরণার্থী হয়ে, হলেন নায়ক রাজ্জাক
- ওরা কি গান গাইতে দেবে না? by মান্নান হীরা
- কাঁদলেন, কাঁদালেন রাজ্জাক
- ভাঙা রেকর্ড ... আর কতো!
- নেতাজি সম্পর্কে গোপন নথি প্রকাশ
- ১০-১২টি পরমাণু বোমা বানাতে পারত ইরান!
-
▼
Jan 24
(18)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment