দায়মুক্তির যে সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে এ হামলা তারই প্রতীক -সিপিজে

অভিজিৎ রায় হত্যার দ্রুত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা উচিত বাংলাদেশ সরকারের। এর মাধ্যমে ঘাতকদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছে। এ সংগঠনের এশিয়াবিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়ক বব ডায়েটজ নিউ ইয়র্ক থেকে বলেছেন, অজয় রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিচারের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যেন কোন কাজ বাকি না রাখে, সে জন্য আমরা তার প্রতি আহ্বান জানাই। বাংলাদেশে যে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে এই হামলা তারই প্রতীক। এখানে এর আগে সাংবাদিকদের ওপর যেসব হামলা হয়েছে তাতে জবাবদিহিতার ঘাটতি থাকায় সহিংসতার একটি রীতি দেখা দিয়েছে। সিপিজে’র গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ধর্ম নিয়ে মন্তব্যকারী ও ব্লগাররা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ ঝুঁকিতে রয়েছেন। ওই বিবৃতিতে এর আগে ব্লগার আহমেদ রাজিব হায়দারকে হত্যা ও আসিফ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় কেউ অভিযুক্ত হয় নি। এর জন্য দায় নেয়নি কেউ। বৃহস্পতিবার অভিজিৎ ও তার স্ত্রী অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে বের হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অজ্ঞাত দু’ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারা তাদেরকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। অভিজিৎ ও তার স্ত্রী বন্যাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা অভিজিতকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্যার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। গ্রন্থমেলা উপলক্ষে বাংলাদেশে এসেছিলেন। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে নি।