Saturday, June 9, 2012
সহজিয়া কড়চা-নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের ওপরে কি আদালত? by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের ওপরে কি আদালত? by সৈয়দ আবুল মকসুদ
রবীন্দ্রনাথ তাঁর দীর্ঘ জীবনে বিচিত্র রচনায় ও চিঠিপত্রে এমন সব কথা বলেছেন, যা এখন আমরা দিব্যি যেকোনো উপলক্ষে আওড়াতে পারি। উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা বিপিনচন্দ্র পাল তাঁর এক লেখায় বলেছিলেন, ‘রাস্তাঘাটে ইংরেজরা আমাদের অপমান করে, বিচারালয়ে আমরা তার কোনো ন্যায়বিচার পাই না।
সুতরাং আমাদের উচিত ঘুষির বদলে ঘুষি দেওয়া।’
পরম রুচিমান, নীতিমান ও সংস্কৃতিমান রবীন্দ্রনাথের কথাটা ভালো লাগেনি। তিনি এক নিবন্ধে লিখলেন, ‘মুষ্টিযোগের [ঘুষির] মতো চিকিৎসা নাই,...কিন্তু সম্পাদকের উপদেশ সহসা’ মেনে নেওয়াও তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বললেন, ‘কারো ঘুষার উত্তর ঘুষি দ্বারা’ দেওয়া ভারতীয় নৈতিকতা সমর্থন করে না। ‘বিধাতার ন্যায়দণ্ড’ হাতে নিয়ে যাঁরা বিচারকের আসনে বসে আছেন, তাঁদের দিকে ইঙ্গিত করে ‘ধর্মবোধের দৃষ্টান্ত’ প্রবন্ধে বললেন, ‘...ভয়ের বিষয় এই যে, ধর্মকে বিস্মৃত হইয়া প্রবৃত্তির কাছে পাছে আত্মসমর্পণ করি, পরকে দণ্ড দিতে গিয়া পাছে আপনাকে কলুষিত করি, বিচারক হইতে গিয়া পাছে গুন্ডা হইয়া উঠি।’
বিচারকের কাজটা বড়ই কঠিন কাজ। পত্রিকার সম্পাদক, প্রতিবেদক বা কলাম-রচয়িতাদের চেয়ে তাঁদের কাজ হাজার গুণ শক্ত। যে কেউ ‘বাইচান্স’ সম্পাদক বা কলাম-রচয়িতা হতে পারেন, সে দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে ঢের রয়েছে, কিন্তু বিচারক হতে গেলে দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা তো থাকতেই হবে, আরও থাকতে হবে তাঁর মস্তিষ্ক ও হূদয়। কোন অপরাধের জন্য আইনের মোটা বইতে কী বিধান আছে, সেটা অবশ্যই বিবেচ্য, কিন্তু শাস্তিদাতার বিবেক ও অন্তর কী বলছে, তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
গত কয়েক দিনে বিস্ময়কর দ্রুতগতিতে উচ্চ ও উচ্চতম আদালতে দুটি আদালত অবমাননার মামলার ফয়সালা হলো। আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের আদালত অবমাননার মামলার রায় যেদিন দেওয়া হয়, সেই দিন এটিএন বাংলা সে সম্পর্কে মন্তব্য করতে টক শোতে আমাকে ডাকে। ফোন পেয়ে আমি বলেছিলাম, আমি ভয় পাচ্ছি, কিসের মধ্যে কী বলি, আবার না আদালত অবমাননা করে বসি। তাতে যদি আমার শাস্তি ছয় মাসের জেল ও এক লাখ টাকা জরিমানা হয়, তাহলে জেলটা আমি সানন্দে খাটতে পারব, কিন্তু জরিমানার টাকাটা দিতে পারব না, আমার বন্ধু ও হিতার্থীদের চাঁদা তুলে জরিমানার টাকা দিতে হবে। অসচ্ছল বিখ্যাতদের অসুখবিসুখে যেমন চাঁদা তুলে চিকিৎসা হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বহু আদালত অবমাননার অভিযুক্তদের জরিমানার টাকাও চাঁদা তুলেই পরিশোধ করতে হবে।
উপমহাদেশের প্রাচীনতম উচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্ট। ঔপনিবেশিক আমলে এই হাইকোর্টে এমন সব ভারতীয় বিচারপতি ছিলেন যাঁদের যোগ্যতা ছিল বিশ্বমানের। কিন্তু যোগ্যতার বাইরে তাঁদের চারিত্রিক দৃঢ়তা ছিল দেবতার মতো। রক্ত-মাংসের মানুষের পক্ষে যতখানি সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া সম্ভব, তাঁরা তা-ই হতেন।
সৈয়দ আমীর আলীর নাম অনেকেই জানেন, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত মুসলমানরা। বিচারপতি হিসেবে না হলেও ইসলামি চিন্তাবিদ হিসেবে। তাঁর হিস্ট্রি অব দ্য সারাসিনস এবং স্পিরিট অব ইসলাম এককালে শিক্ষিত মুসলমানদের ঘরে ঘরে পঠিত হতে দেখেছি। আইনের ওপর, বিশেষ করে মুসলিম আইনের ওপর, তাঁর বইগুলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহূত হয়েছে। তাঁর অসমাপ্ত স্মৃতিকথাটির বিশেষ পরিচিতি নেই, তবে জীর্ণ বইটি আমি মাঝে মাঝে পাঠ করি। অবসর গ্রহণের পর লন্ডনে যান এবং সম্রাটের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিযুক্ত হন। ওই পদে তিনিই প্রথম ভারতীয়। প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হওয়া আমাদের ঢাকা সমিতি বা চট্টগ্রাম সমিতির সদস্য হওয়া নয়। সে এক বিরাট পদ। যেমন-তেমন যোগ্যতা ছাড়া ও-পদ পাওয়া যায় না।
প্রথম দিকের আর একজন বিচারপতির কথা মানুষ ভুলে গেলেও আমি তাঁকে স্মরণ করি তাঁর খাদ্যাভ্যাসের কারণে। যখন বঙ্গীয় সমাজে কোনো মজলিসে খেতে বসি এবং মানুষকে খেতে দেখি তখন আমার চোখে ভাসে বিচারপতি স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। সকালে চা-কাপের এক কাপ ভাত, আধা-চামচ গাওয়া ঘি, দু-এক টুকরা শিং বা মাগুর মাছের ঝোল, দুই চামচ দই খেয়ে দৌড় দিতেন হাইকোর্টে। তালপাতার সেপাই। তাঁর পেছনে পেছনে নথিপত্রের বান্ডিল নিয়ে ছয় ফুট লম্বা দেড় ফুট চওড়া অবাঙালি আর্দালি তকমা পরে ছুটতেন। বিহার থেকে ব্রহ্মদেশ বা মিয়ানমার পর্যন্ত গোটা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মামলা। উগ্রপন্থীদের উপদ্রব। ফাঁসি, যাবজ্জীবন বা দ্বীপান্তর দিলে সরকার খুশি হয়। সরকারকে খুশি করা তাঁর কাজ নয়। তিনি খুশি করতেন তাঁর বিবেককে। যখন এজলাসে গিয়ে বসতেন, আমাজন অরণ্যের নীরবতা নেমে আসত আদালতে। এমন রায় দিতেন, একজন ফাঁসির আসামিও মনে করতেন, উপযুক্ত শাস্তিই আমার হয়েছে।
কোর্ট থেকে ফিরে সন্ধ্যায় স্যার গুরুদাস খেতেন সিকি ছটাক ময়দার দু-একটি রুটি আর সবজির তরকারি। রাতের খাওয়া শেষ। কিন্তু কাজ শেষ নয়। নথিপত্র পাঠ করতেন এবং লেখালেখি করতেন। হিন্দু বিবাহ আইন নিয়ে তাঁর মূল্যবান কাজ রয়েছে। তবে, আমার মতো অধমের তাঁর জ্ঞান ও কর্ম এবং এ ফিউ থটস অন এডুকেশন বই দুটি নাড়াচাড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তাঁদের বিচারক বললে ভুল হবে। তাঁরা ছিলেন সাধক। জাতির কল্যাণচিন্তা ছিল তাঁদের চৈতন্যজুড়ে।
সেই কলকাতা হাইকোর্টে এখনো বিচারপতি আছেন অনেকে—স্যার আমীর বা স্যার গুরুদাসের উত্তরসূরি। যেমন বিচারপতি সৌমিত্র সেন। ভারতীয় ইস্পাত কর্তৃপক্ষ এবং শিপিং করপোরেশনের মধ্যে কী এক বিরোধ বাধে। সৌমিত্রবাবুকে কোর্ট 'Receiver' নিযুক্ত করেন। বিবদমান পক্ষের ৩৭ লাখ টাকা তিনি আলাদা হিসাবে না রেখে নিজের নামে ফিক্সড ডিপোজিটে রাখেন। টাকাটা বাড়তে বাড়তে ৫৭ লাখে দাঁড়ায়। ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে গেলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আর এন পাইন তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন বিষয়টি তদন্তের জন্য। কমিটি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। তাঁকে ‘ইমপিচ’ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কে জি বালাকিষ্ণানের কাছে আবেদন করা হয়। প্রধান বিচারপতি সেনবাবুকে বরখাস্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছে সুপারিশ করেন। বিচারপতির চাকরিটি খোয়া যায়। এটি একালের অর্থাৎ মাত্র বছর দেড়েক আগের ঘটনা। কলকাতা হাইকোর্টেরই সাবেক বিচারপতির বাড়িতে পুলিশ ও আয়কর বিভাগের লোক হানা দিয়ে প্রায় এক কোটি রুপি ও বিপুল সোনাদানা পেয়েছেন। পেতেই পারেন। বিচারপতিও তো মানুষ। তাঁর স্ত্রীরও শখ হয় গয়না বানানোর, বাড়ি ও জায়গাজমি কেনার।
পেশাটি যত সহজই হোক, কোনো পেশার মানুষই লোভ-লালসা ও মানবিক দুর্বলতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন না। সত্যি সত্যি কোনো দুর্বলতার কারণে যদি কেউ সমালোচিত হন, তাঁকে অবমাননা বলা যায় না। আদালতের কোনো ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট কেউ ক্ষুব্ধ হতে পারেন। তাঁর মনোভাব বা মতামত তিনি প্রকাশ করতে পারেন। পূর্ণ গণতন্ত্রে পূর্ণ বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকে।
তবে, বাকস্বাধীনতারও একটি সীমা আছে। সেই সীমা যদি কেউ লঙ্ঘন করে, তার ফল তাকে ভোগ করতে হবে। তবে, যত অপ্রিয়ই হোক, কথাটি যদি সত্যি হয়, তাকে দোষী সাব্যস্ত করা অন্যায়।
মোগল আমলে কেউ কাজীর বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে শাস্তি ভোগ করেছে—এমন কোনো দৃষ্টান্ত ইতিহাস বইতে নেই। ব্রিটিশ আমলে আদালত অবমাননার ঘটনা ঘটতে থাকে। জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীরা ইংরেজ আদালতের বিচারকে অবিচার মনে করতেন। কোর্টে দাঁড়িয়েই জজের রায়কে তাচ্ছিল্য করতেন। ফলে বিদেশি সরকার কনটেমপ্ট অব কোর্টের বিধান জারি করে। সেই আইন এখনো আছে। কী কী কারণে আদালত অবমাননা হতে পারে? আমাদের মতো উম্মি মানুষ যেটুকু জানি তা হলো: কেউ যদি আদালতকে কলঙ্কিত করে, মিথ্যা অপবাদ দেয় বিচারক সম্পর্কে, আদালতের হুকুম অমান্য করে, যদি কেউ আদালতকে দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ করে এবং যদি কেউ আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত করে।
এ মাসে যে দুটি আদালত অবমাননার রায় হয়েছে, তার অভিযোগ ছিল দুই রকম: একটি লিখিত আর একটি মৌখিক। একজন তাঁর সম্পাদিত পত্রিকায় মন্তব্যমূলক নিবন্ধ লিখে আদালতকে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি তাঁর বক্তব্য ভুল বলে স্বীকার করেননি। তিনি যে ভুল বলেননি, সেটাও আদালত প্রমাণ করার সুযোগ দেননি। পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাঁকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে একটি সুয়োমোটো মামলায় আর একজন মাফ চেয়ে বেঁচে গেছেন। যাঁর গোস্তাকি মাফ করে দেওয়া হয়েছে তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তাঁর আর একটি পরিচয় নজরুলসংগীতের একজন বিশিষ্ট শিল্পী। টেলিভিশনে গান গেয়ে তিনি সুনাম অর্জন করেছেন। কিন্তু সংগীতশিল্পীর পরিচয়টি তাঁর কাছে পর্যাপ্ত মনে হয়নি। তিনি হতে চাইলেন বুদ্ধিজীবী, যেমন নোম চমস্কি। টিভি টক শোতে তাঁর ডাক পড়ল। সেখান থেকে গোলটেবিলে। কড়া তাঁর বক্তব্য। এক গোলটেবিল আলোচনায় জজদের সম্পর্কে কী বললেন, আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁর তলব হলো। গোলটেবিলে এক হাত দিয়ে চাপড় মেরে বক্তব্য দিয়েছিলেন, আদালতে গিয়ে দুই হাত জোড় করলেন। তাঁর গোস্তাকি মাফ হলো। আমরা শাবাশ দিতাম যদি তিনি কোর্টে দাঁড়িয়েও দুই হাত জোড় না করে উঁচু গলায় বলতেন, যা বলেছি ঠিক বলেছি। বুদ্ধিজীবী হওয়া সব মানুষকে মানায় না। অরুন্ধতী রায় আদালত অবমাননা করে এক বেলা জেল খেটেছেন। নিঃশর্তভাবে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থনার পাত্রী তিনি নন। ক্ষমা চাওয়া গ্লানিকর। ক্ষমা না চাইতেই ক্ষমা করে দেওয়া মহানুভবতা।
গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবিভাজ্য। কিন্তু গণতন্ত্র আগে, না সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আগে? আমি বলব, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাই আগে প্রয়োজন। তার পরই শুধু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে পারে। স্বাধীনতা দেওয়ার পর সম্পাদক বা সাংবাদিকদের ভুল হতে পারে। লেখার ভুলের জন্য ভর্ৎসনাই বড় শাস্তি। জেলের ভাতই খাওয়াতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। সবচেয়ে মহৎ বিচারক তিনিই, যিনি গুরু অপরাধেও লঘু শাস্তি দেন।
বঙ্গীয় সমাজের মানুষ স্বভাবত কোন্দলপ্রিয়। অতি ছোট ব্যাপার নিয়েও বিবাদ বাধিয়ে দেয়। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর একটি তুর্কি টুপির মালিকানা নিয়ে ভাই ও বোনের মধ্যে বিবাদ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, ভাইটি হাজতে গিয়েছেন—সেটা আমি নিজে জানি। একটি হাঁস, ছাগল, আমগাছ বা জমির সীমানা নিয়ে মাথা ফেটেছে অগণিত মানুষের। জীবন পর্যন্ত গেছে। সেসব নিয়ে মামলা হয়। নানা রকম অবিচারের সমাজে শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতই সাধারণ মানুষের ভরসা। কিন্তু আমাদের বিচারপ্রক্রিয়া খুবই দীর্ঘ। বিলম্বিত বিচার বিচার না পাওয়ারই নামান্তর।
মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে উচ্চ ও উচ্চতম আদালত এমন কিছু রায় দিয়েছেন, যাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও বলছেন ‘যুগান্তকারী’। শব্দ ব্যবহারে বাঙালি কখনোই সচেতন নয়। সে জন্য সাহিত্যটাও ভালো হচ্ছে না আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার লেখকদের মতো। জাতিকে ‘কলঙ্কমুক্ত’ করার ব্রত নিয়েছেন আদালত। এত বেশি কলঙ্কমুক্তি মধ্য যুগ থেকে আজ পর্যন্ত আর কোনো দেশে ঘটেনি। জাতিকে কলঙ্ক থেকে মুক্তি দিচ্ছেন আদালত, আর কেউ নয়—নির্বাহী বিভাগও নয়, পার্লামেন্টও নয়—একমাত্র আদালত। খটকাটা সেখানেই। একটি জিনিস আমাদের ‘সংবিধান বিশেষজ্ঞরা’ ভাবছেন না যে চাঁদেরও কলঙ্ক আছে। চাঁদের তুলনায় বাংলাদেশ ছোট। কিছু কলঙ্ক তার থাকলে ক্ষতি কী? সোনায়ও খাদ থাকে। বাংলাদেশ তো মাটির তৈরি। কোনো দেশকে পুরোপুরি কলঙ্ক থেকে মুক্ত করলে তা আর রাষ্ট্র থাকে না, হয় বেহেস্তের বাগান। আমরা একটি সুস্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা চাই—বেহেস্ত নয়।
যে সংবিধান শুধু তেরো-চৌদ্দজন ‘বিশেষজ্ঞ’ বোঝে, তা তেরো-চৌদ্দ কোটি মানুষের প্রয়োজন মেটাবে কীভাবে? বাহাত্তরে গৃহীত হওয়ার আগেই এই সংবিধানের পাণ্ডুলিপি পড়ার সুযোগ আমার হয়েছিল। আমার মনে হয়, পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া যে ব্যক্তি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের গরীবের মেয়ে, জসীমউদ্দীনের সোজন বাদিয়ার ঘাট বা সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছাড়পত্র পড়ে বোঝে; তার কাছে আমাদের সংবিধান পানির মতো সহজ। বাঙালকেই শুধু বারবার হাইকোর্ট দেখানো যায়—আর কোনো জাতিকে নয়। আমি ৬০ বছর ধরে সংবাদপত্র পাঠ করছি। আগে কোনো দিন ‘সংবিধান বিশেষজ্ঞ’ পদবিটি কোথাও দেখিনি। নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ আছেন, বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন। আমরা সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞদের কথা জানি। পাকিস্তানে দেখেছি এ কে ব্রোহী, সৈয়দ শরিফুদ্দিন পীরজাদা প্রমুখ আইনবিদ। শিক্ষাবিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জি ডব্লিউ চৌধুরী প্রমুখ।
গত তিন মাসের কাগজ যদি ৫০ বছর পর কোনো পাঠকের বা গবেষকের হাতে পড়ে, তাঁরা আমাদের একশ্রেণীর রাজনীতিক ও বিখ্যাতদের পাগল ঠাওরাবেন। বলা হচ্ছে, সামরিক শাসন আসার পথ ‘চিরতরে’ বন্ধ হয়ে গেছে আদালতের রায়ে। বড় বড় রায় দেওয়ার আগে মহামান্য বিচারপতিরা এডওয়ার্ড লুটওয়াকের কু দে তা বইটি পড়ে দেখেছেন কি না জানি না। ১৯৫২ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত অন্তত ৮০টি দেশে ২৫০ বার সামরিক শাসন এসেছে। ১৯৫২ সালে মিসরে ক্যু হয়। জামাল নাসেরের সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর মতো গণতন্ত্রী, চৌ এন লাইয়ের মতো বিপ্লবী এবং সুকর্নর মতো জাতীয়তাবাদী কাজ করেছেন। সামরিক শাসন আসেনি কোথায়? তুরস্ক, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, মিয়ানমার, ইরাক, ঘানা—কোথায় নয়? ১৯৮২-এর ২৭ মার্চ যেদিন দশম রাষ্ট্রপতি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেইন শপথ পাঠ করান, সেই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে আমার কুশল বিনিময় করার সুযোগ হয়েছিল আর দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে। তাঁরা হলেন আবু সাঈদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ উল্লাহ। আর কারা ছিলেন তাঁদের নাম বলা যাবে না। চক্ষুলজ্জা আমাদের সবারই আছে। সামরিক আইন জারির সঙ্গে সঙ্গে যদি বিচারকেরা পদত্যাগ করতেন, তাহলে বাংলাদেশে শুধু নয়, দুনিয়ার কোনো দেশেই সামরিক শাসন আসত না।
কয়েক মাস ধরে আমাদের আদালত প্রচুর কাজ করছেন। রিটের পর রিটের শুনানি হচ্ছে। ত্বরিত রায় দেওয়া হচ্ছে বা রুল জারি হচ্ছে। ২৬ আগস্ট হাইকোর্ট সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন: রাজধানীর যানজট নিরসনে অবহেলা ও অদক্ষতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ছয় সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জবাব দিতে হবে। আমাদের পত্রিকা অনবরত লিখছে, মামলাজটের কারণে জনগণের ভোগান্তির শেষ নাই। আমি খুশি হব যদি আদালত তাঁর নিজের ওপর এমন একটি রুল জারি করেন: এত মামলাজটকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ঢাকার যানজট দূর না হয়, তাহলে আমরা কী বুঝব? আমাদের সরকার ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যর্থ’? আদালতের হুকুমও?
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে আমাদের রাষ্ট্র আজ চলছে বিচার বিভাগের নির্দেশে, সরকারের দ্বারা নয়। গণতন্ত্র, সংবিধান প্রভৃতি বিচার বিভাগের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সংসদের হাতে নয়। শুধু তা-ই নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কী করা হবে, শহীদ মিনারে অনুষ্ঠান হবে কি না—সব নির্দেশই আসছে আদালতের কাছ থেকে। নির্বাহী বিভাগ ও পার্লামেন্ট অকার্যকর হয়ে পড়ছে। এসব ব্যাপারে যাঁদের কথা বলার কথা, তাঁরা বাতাসের আগে আগে চলছেন। বাতাসের বিপরীতে কোন বোকা যেতে চায়?
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিচারকেরা বিশেষ দায়িত্বে আছেন। প্রজাতন্ত্রের বেতনভুক কর্মকর্তা আছেন, যেমন একজন সচিব, জেনারেল, রাষ্ট্রদূত। সবারই স্বাধীন দায়িত্ব রয়েছে, দায়বদ্ধতাও রয়েছে। রাষ্ট্রের এক বিভাগের সামনে আরেক বিভাগ কোমর বেঁধে ছড়ি হাতে নিয়ে দাঁড়ালে তা যে ভালো দেখায় না তা-ই নয়, সম্মিলিতভাবে কাজ করার পথটা বন্ধ হয়ে যায়। একটি দেশে পার্লামেন্টই সর্বশক্তিমান, তা গোটা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। সংসদে প্রণীত আইন ও সিদ্ধান্ত সমুন্নত রয়েছে কি না, তা দেখবেন আদালত। তবে যত যা-ই বলি না কেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগই প্রধান। সব দায়দায়িত্ব, দোষগুণের ভাগীদার তারাই। কোনো কাজে অজনপ্রিয় ও ধিক্কৃত হলে তারাই হয়—উচ্চ আদালতের বিচারকেরা নন।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
পরম রুচিমান, নীতিমান ও সংস্কৃতিমান রবীন্দ্রনাথের কথাটা ভালো লাগেনি। তিনি এক নিবন্ধে লিখলেন, ‘মুষ্টিযোগের [ঘুষির] মতো চিকিৎসা নাই,...কিন্তু সম্পাদকের উপদেশ সহসা’ মেনে নেওয়াও তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বললেন, ‘কারো ঘুষার উত্তর ঘুষি দ্বারা’ দেওয়া ভারতীয় নৈতিকতা সমর্থন করে না। ‘বিধাতার ন্যায়দণ্ড’ হাতে নিয়ে যাঁরা বিচারকের আসনে বসে আছেন, তাঁদের দিকে ইঙ্গিত করে ‘ধর্মবোধের দৃষ্টান্ত’ প্রবন্ধে বললেন, ‘...ভয়ের বিষয় এই যে, ধর্মকে বিস্মৃত হইয়া প্রবৃত্তির কাছে পাছে আত্মসমর্পণ করি, পরকে দণ্ড দিতে গিয়া পাছে আপনাকে কলুষিত করি, বিচারক হইতে গিয়া পাছে গুন্ডা হইয়া উঠি।’
বিচারকের কাজটা বড়ই কঠিন কাজ। পত্রিকার সম্পাদক, প্রতিবেদক বা কলাম-রচয়িতাদের চেয়ে তাঁদের কাজ হাজার গুণ শক্ত। যে কেউ ‘বাইচান্স’ সম্পাদক বা কলাম-রচয়িতা হতে পারেন, সে দৃষ্টান্ত আমাদের দেশে ঢের রয়েছে, কিন্তু বিচারক হতে গেলে দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা তো থাকতেই হবে, আরও থাকতে হবে তাঁর মস্তিষ্ক ও হূদয়। কোন অপরাধের জন্য আইনের মোটা বইতে কী বিধান আছে, সেটা অবশ্যই বিবেচ্য, কিন্তু শাস্তিদাতার বিবেক ও অন্তর কী বলছে, তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
গত কয়েক দিনে বিস্ময়কর দ্রুতগতিতে উচ্চ ও উচ্চতম আদালতে দুটি আদালত অবমাননার মামলার ফয়সালা হলো। আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের আদালত অবমাননার মামলার রায় যেদিন দেওয়া হয়, সেই দিন এটিএন বাংলা সে সম্পর্কে মন্তব্য করতে টক শোতে আমাকে ডাকে। ফোন পেয়ে আমি বলেছিলাম, আমি ভয় পাচ্ছি, কিসের মধ্যে কী বলি, আবার না আদালত অবমাননা করে বসি। তাতে যদি আমার শাস্তি ছয় মাসের জেল ও এক লাখ টাকা জরিমানা হয়, তাহলে জেলটা আমি সানন্দে খাটতে পারব, কিন্তু জরিমানার টাকাটা দিতে পারব না, আমার বন্ধু ও হিতার্থীদের চাঁদা তুলে জরিমানার টাকা দিতে হবে। অসচ্ছল বিখ্যাতদের অসুখবিসুখে যেমন চাঁদা তুলে চিকিৎসা হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বহু আদালত অবমাননার অভিযুক্তদের জরিমানার টাকাও চাঁদা তুলেই পরিশোধ করতে হবে।
উপমহাদেশের প্রাচীনতম উচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্ট। ঔপনিবেশিক আমলে এই হাইকোর্টে এমন সব ভারতীয় বিচারপতি ছিলেন যাঁদের যোগ্যতা ছিল বিশ্বমানের। কিন্তু যোগ্যতার বাইরে তাঁদের চারিত্রিক দৃঢ়তা ছিল দেবতার মতো। রক্ত-মাংসের মানুষের পক্ষে যতখানি সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া সম্ভব, তাঁরা তা-ই হতেন।
সৈয়দ আমীর আলীর নাম অনেকেই জানেন, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত মুসলমানরা। বিচারপতি হিসেবে না হলেও ইসলামি চিন্তাবিদ হিসেবে। তাঁর হিস্ট্রি অব দ্য সারাসিনস এবং স্পিরিট অব ইসলাম এককালে শিক্ষিত মুসলমানদের ঘরে ঘরে পঠিত হতে দেখেছি। আইনের ওপর, বিশেষ করে মুসলিম আইনের ওপর, তাঁর বইগুলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহূত হয়েছে। তাঁর অসমাপ্ত স্মৃতিকথাটির বিশেষ পরিচিতি নেই, তবে জীর্ণ বইটি আমি মাঝে মাঝে পাঠ করি। অবসর গ্রহণের পর লন্ডনে যান এবং সম্রাটের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিযুক্ত হন। ওই পদে তিনিই প্রথম ভারতীয়। প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হওয়া আমাদের ঢাকা সমিতি বা চট্টগ্রাম সমিতির সদস্য হওয়া নয়। সে এক বিরাট পদ। যেমন-তেমন যোগ্যতা ছাড়া ও-পদ পাওয়া যায় না।
প্রথম দিকের আর একজন বিচারপতির কথা মানুষ ভুলে গেলেও আমি তাঁকে স্মরণ করি তাঁর খাদ্যাভ্যাসের কারণে। যখন বঙ্গীয় সমাজে কোনো মজলিসে খেতে বসি এবং মানুষকে খেতে দেখি তখন আমার চোখে ভাসে বিচারপতি স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। সকালে চা-কাপের এক কাপ ভাত, আধা-চামচ গাওয়া ঘি, দু-এক টুকরা শিং বা মাগুর মাছের ঝোল, দুই চামচ দই খেয়ে দৌড় দিতেন হাইকোর্টে। তালপাতার সেপাই। তাঁর পেছনে পেছনে নথিপত্রের বান্ডিল নিয়ে ছয় ফুট লম্বা দেড় ফুট চওড়া অবাঙালি আর্দালি তকমা পরে ছুটতেন। বিহার থেকে ব্রহ্মদেশ বা মিয়ানমার পর্যন্ত গোটা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মামলা। উগ্রপন্থীদের উপদ্রব। ফাঁসি, যাবজ্জীবন বা দ্বীপান্তর দিলে সরকার খুশি হয়। সরকারকে খুশি করা তাঁর কাজ নয়। তিনি খুশি করতেন তাঁর বিবেককে। যখন এজলাসে গিয়ে বসতেন, আমাজন অরণ্যের নীরবতা নেমে আসত আদালতে। এমন রায় দিতেন, একজন ফাঁসির আসামিও মনে করতেন, উপযুক্ত শাস্তিই আমার হয়েছে।
কোর্ট থেকে ফিরে সন্ধ্যায় স্যার গুরুদাস খেতেন সিকি ছটাক ময়দার দু-একটি রুটি আর সবজির তরকারি। রাতের খাওয়া শেষ। কিন্তু কাজ শেষ নয়। নথিপত্র পাঠ করতেন এবং লেখালেখি করতেন। হিন্দু বিবাহ আইন নিয়ে তাঁর মূল্যবান কাজ রয়েছে। তবে, আমার মতো অধমের তাঁর জ্ঞান ও কর্ম এবং এ ফিউ থটস অন এডুকেশন বই দুটি নাড়াচাড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তাঁদের বিচারক বললে ভুল হবে। তাঁরা ছিলেন সাধক। জাতির কল্যাণচিন্তা ছিল তাঁদের চৈতন্যজুড়ে।
সেই কলকাতা হাইকোর্টে এখনো বিচারপতি আছেন অনেকে—স্যার আমীর বা স্যার গুরুদাসের উত্তরসূরি। যেমন বিচারপতি সৌমিত্র সেন। ভারতীয় ইস্পাত কর্তৃপক্ষ এবং শিপিং করপোরেশনের মধ্যে কী এক বিরোধ বাধে। সৌমিত্রবাবুকে কোর্ট 'Receiver' নিযুক্ত করেন। বিবদমান পক্ষের ৩৭ লাখ টাকা তিনি আলাদা হিসাবে না রেখে নিজের নামে ফিক্সড ডিপোজিটে রাখেন। টাকাটা বাড়তে বাড়তে ৫৭ লাখে দাঁড়ায়। ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে গেলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আর এন পাইন তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন বিষয়টি তদন্তের জন্য। কমিটি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। তাঁকে ‘ইমপিচ’ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কে জি বালাকিষ্ণানের কাছে আবেদন করা হয়। প্রধান বিচারপতি সেনবাবুকে বরখাস্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছে সুপারিশ করেন। বিচারপতির চাকরিটি খোয়া যায়। এটি একালের অর্থাৎ মাত্র বছর দেড়েক আগের ঘটনা। কলকাতা হাইকোর্টেরই সাবেক বিচারপতির বাড়িতে পুলিশ ও আয়কর বিভাগের লোক হানা দিয়ে প্রায় এক কোটি রুপি ও বিপুল সোনাদানা পেয়েছেন। পেতেই পারেন। বিচারপতিও তো মানুষ। তাঁর স্ত্রীরও শখ হয় গয়না বানানোর, বাড়ি ও জায়গাজমি কেনার।
পেশাটি যত সহজই হোক, কোনো পেশার মানুষই লোভ-লালসা ও মানবিক দুর্বলতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন না। সত্যি সত্যি কোনো দুর্বলতার কারণে যদি কেউ সমালোচিত হন, তাঁকে অবমাননা বলা যায় না। আদালতের কোনো ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট কেউ ক্ষুব্ধ হতে পারেন। তাঁর মনোভাব বা মতামত তিনি প্রকাশ করতে পারেন। পূর্ণ গণতন্ত্রে পূর্ণ বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকে।
তবে, বাকস্বাধীনতারও একটি সীমা আছে। সেই সীমা যদি কেউ লঙ্ঘন করে, তার ফল তাকে ভোগ করতে হবে। তবে, যত অপ্রিয়ই হোক, কথাটি যদি সত্যি হয়, তাকে দোষী সাব্যস্ত করা অন্যায়।
মোগল আমলে কেউ কাজীর বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে শাস্তি ভোগ করেছে—এমন কোনো দৃষ্টান্ত ইতিহাস বইতে নেই। ব্রিটিশ আমলে আদালত অবমাননার ঘটনা ঘটতে থাকে। জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীরা ইংরেজ আদালতের বিচারকে অবিচার মনে করতেন। কোর্টে দাঁড়িয়েই জজের রায়কে তাচ্ছিল্য করতেন। ফলে বিদেশি সরকার কনটেমপ্ট অব কোর্টের বিধান জারি করে। সেই আইন এখনো আছে। কী কী কারণে আদালত অবমাননা হতে পারে? আমাদের মতো উম্মি মানুষ যেটুকু জানি তা হলো: কেউ যদি আদালতকে কলঙ্কিত করে, মিথ্যা অপবাদ দেয় বিচারক সম্পর্কে, আদালতের হুকুম অমান্য করে, যদি কেউ আদালতকে দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ করে এবং যদি কেউ আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত করে।
এ মাসে যে দুটি আদালত অবমাননার রায় হয়েছে, তার অভিযোগ ছিল দুই রকম: একটি লিখিত আর একটি মৌখিক। একজন তাঁর সম্পাদিত পত্রিকায় মন্তব্যমূলক নিবন্ধ লিখে আদালতকে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি তাঁর বক্তব্য ভুল বলে স্বীকার করেননি। তিনি যে ভুল বলেননি, সেটাও আদালত প্রমাণ করার সুযোগ দেননি। পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাঁকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে একটি সুয়োমোটো মামলায় আর একজন মাফ চেয়ে বেঁচে গেছেন। যাঁর গোস্তাকি মাফ করে দেওয়া হয়েছে তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তাঁর আর একটি পরিচয় নজরুলসংগীতের একজন বিশিষ্ট শিল্পী। টেলিভিশনে গান গেয়ে তিনি সুনাম অর্জন করেছেন। কিন্তু সংগীতশিল্পীর পরিচয়টি তাঁর কাছে পর্যাপ্ত মনে হয়নি। তিনি হতে চাইলেন বুদ্ধিজীবী, যেমন নোম চমস্কি। টিভি টক শোতে তাঁর ডাক পড়ল। সেখান থেকে গোলটেবিলে। কড়া তাঁর বক্তব্য। এক গোলটেবিল আলোচনায় জজদের সম্পর্কে কী বললেন, আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁর তলব হলো। গোলটেবিলে এক হাত দিয়ে চাপড় মেরে বক্তব্য দিয়েছিলেন, আদালতে গিয়ে দুই হাত জোড় করলেন। তাঁর গোস্তাকি মাফ হলো। আমরা শাবাশ দিতাম যদি তিনি কোর্টে দাঁড়িয়েও দুই হাত জোড় না করে উঁচু গলায় বলতেন, যা বলেছি ঠিক বলেছি। বুদ্ধিজীবী হওয়া সব মানুষকে মানায় না। অরুন্ধতী রায় আদালত অবমাননা করে এক বেলা জেল খেটেছেন। নিঃশর্তভাবে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থনার পাত্রী তিনি নন। ক্ষমা চাওয়া গ্লানিকর। ক্ষমা না চাইতেই ক্ষমা করে দেওয়া মহানুভবতা।
গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবিভাজ্য। কিন্তু গণতন্ত্র আগে, না সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আগে? আমি বলব, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাই আগে প্রয়োজন। তার পরই শুধু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে পারে। স্বাধীনতা দেওয়ার পর সম্পাদক বা সাংবাদিকদের ভুল হতে পারে। লেখার ভুলের জন্য ভর্ৎসনাই বড় শাস্তি। জেলের ভাতই খাওয়াতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। সবচেয়ে মহৎ বিচারক তিনিই, যিনি গুরু অপরাধেও লঘু শাস্তি দেন।
বঙ্গীয় সমাজের মানুষ স্বভাবত কোন্দলপ্রিয়। অতি ছোট ব্যাপার নিয়েও বিবাদ বাধিয়ে দেয়। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর একটি তুর্কি টুপির মালিকানা নিয়ে ভাই ও বোনের মধ্যে বিবাদ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, ভাইটি হাজতে গিয়েছেন—সেটা আমি নিজে জানি। একটি হাঁস, ছাগল, আমগাছ বা জমির সীমানা নিয়ে মাথা ফেটেছে অগণিত মানুষের। জীবন পর্যন্ত গেছে। সেসব নিয়ে মামলা হয়। নানা রকম অবিচারের সমাজে শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতই সাধারণ মানুষের ভরসা। কিন্তু আমাদের বিচারপ্রক্রিয়া খুবই দীর্ঘ। বিলম্বিত বিচার বিচার না পাওয়ারই নামান্তর।
মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে উচ্চ ও উচ্চতম আদালত এমন কিছু রায় দিয়েছেন, যাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও বলছেন ‘যুগান্তকারী’। শব্দ ব্যবহারে বাঙালি কখনোই সচেতন নয়। সে জন্য সাহিত্যটাও ভালো হচ্ছে না আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার লেখকদের মতো। জাতিকে ‘কলঙ্কমুক্ত’ করার ব্রত নিয়েছেন আদালত। এত বেশি কলঙ্কমুক্তি মধ্য যুগ থেকে আজ পর্যন্ত আর কোনো দেশে ঘটেনি। জাতিকে কলঙ্ক থেকে মুক্তি দিচ্ছেন আদালত, আর কেউ নয়—নির্বাহী বিভাগও নয়, পার্লামেন্টও নয়—একমাত্র আদালত। খটকাটা সেখানেই। একটি জিনিস আমাদের ‘সংবিধান বিশেষজ্ঞরা’ ভাবছেন না যে চাঁদেরও কলঙ্ক আছে। চাঁদের তুলনায় বাংলাদেশ ছোট। কিছু কলঙ্ক তার থাকলে ক্ষতি কী? সোনায়ও খাদ থাকে। বাংলাদেশ তো মাটির তৈরি। কোনো দেশকে পুরোপুরি কলঙ্ক থেকে মুক্ত করলে তা আর রাষ্ট্র থাকে না, হয় বেহেস্তের বাগান। আমরা একটি সুস্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা চাই—বেহেস্ত নয়।
যে সংবিধান শুধু তেরো-চৌদ্দজন ‘বিশেষজ্ঞ’ বোঝে, তা তেরো-চৌদ্দ কোটি মানুষের প্রয়োজন মেটাবে কীভাবে? বাহাত্তরে গৃহীত হওয়ার আগেই এই সংবিধানের পাণ্ডুলিপি পড়ার সুযোগ আমার হয়েছিল। আমার মনে হয়, পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া যে ব্যক্তি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের গরীবের মেয়ে, জসীমউদ্দীনের সোজন বাদিয়ার ঘাট বা সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছাড়পত্র পড়ে বোঝে; তার কাছে আমাদের সংবিধান পানির মতো সহজ। বাঙালকেই শুধু বারবার হাইকোর্ট দেখানো যায়—আর কোনো জাতিকে নয়। আমি ৬০ বছর ধরে সংবাদপত্র পাঠ করছি। আগে কোনো দিন ‘সংবিধান বিশেষজ্ঞ’ পদবিটি কোথাও দেখিনি। নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ আছেন, বক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন। আমরা সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞদের কথা জানি। পাকিস্তানে দেখেছি এ কে ব্রোহী, সৈয়দ শরিফুদ্দিন পীরজাদা প্রমুখ আইনবিদ। শিক্ষাবিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জি ডব্লিউ চৌধুরী প্রমুখ।
গত তিন মাসের কাগজ যদি ৫০ বছর পর কোনো পাঠকের বা গবেষকের হাতে পড়ে, তাঁরা আমাদের একশ্রেণীর রাজনীতিক ও বিখ্যাতদের পাগল ঠাওরাবেন। বলা হচ্ছে, সামরিক শাসন আসার পথ ‘চিরতরে’ বন্ধ হয়ে গেছে আদালতের রায়ে। বড় বড় রায় দেওয়ার আগে মহামান্য বিচারপতিরা এডওয়ার্ড লুটওয়াকের কু দে তা বইটি পড়ে দেখেছেন কি না জানি না। ১৯৫২ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত অন্তত ৮০টি দেশে ২৫০ বার সামরিক শাসন এসেছে। ১৯৫২ সালে মিসরে ক্যু হয়। জামাল নাসেরের সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর মতো গণতন্ত্রী, চৌ এন লাইয়ের মতো বিপ্লবী এবং সুকর্নর মতো জাতীয়তাবাদী কাজ করেছেন। সামরিক শাসন আসেনি কোথায়? তুরস্ক, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, মিয়ানমার, ইরাক, ঘানা—কোথায় নয়? ১৯৮২-এর ২৭ মার্চ যেদিন দশম রাষ্ট্রপতি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেইন শপথ পাঠ করান, সেই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে আমার কুশল বিনিময় করার সুযোগ হয়েছিল আর দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে। তাঁরা হলেন আবু সাঈদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ উল্লাহ। আর কারা ছিলেন তাঁদের নাম বলা যাবে না। চক্ষুলজ্জা আমাদের সবারই আছে। সামরিক আইন জারির সঙ্গে সঙ্গে যদি বিচারকেরা পদত্যাগ করতেন, তাহলে বাংলাদেশে শুধু নয়, দুনিয়ার কোনো দেশেই সামরিক শাসন আসত না।
কয়েক মাস ধরে আমাদের আদালত প্রচুর কাজ করছেন। রিটের পর রিটের শুনানি হচ্ছে। ত্বরিত রায় দেওয়া হচ্ছে বা রুল জারি হচ্ছে। ২৬ আগস্ট হাইকোর্ট সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন: রাজধানীর যানজট নিরসনে অবহেলা ও অদক্ষতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ছয় সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জবাব দিতে হবে। আমাদের পত্রিকা অনবরত লিখছে, মামলাজটের কারণে জনগণের ভোগান্তির শেষ নাই। আমি খুশি হব যদি আদালত তাঁর নিজের ওপর এমন একটি রুল জারি করেন: এত মামলাজটকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ঢাকার যানজট দূর না হয়, তাহলে আমরা কী বুঝব? আমাদের সরকার ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যর্থ’? আদালতের হুকুমও?
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে আমাদের রাষ্ট্র আজ চলছে বিচার বিভাগের নির্দেশে, সরকারের দ্বারা নয়। গণতন্ত্র, সংবিধান প্রভৃতি বিচার বিভাগের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সংসদের হাতে নয়। শুধু তা-ই নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কী করা হবে, শহীদ মিনারে অনুষ্ঠান হবে কি না—সব নির্দেশই আসছে আদালতের কাছ থেকে। নির্বাহী বিভাগ ও পার্লামেন্ট অকার্যকর হয়ে পড়ছে। এসব ব্যাপারে যাঁদের কথা বলার কথা, তাঁরা বাতাসের আগে আগে চলছেন। বাতাসের বিপরীতে কোন বোকা যেতে চায়?
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিচারকেরা বিশেষ দায়িত্বে আছেন। প্রজাতন্ত্রের বেতনভুক কর্মকর্তা আছেন, যেমন একজন সচিব, জেনারেল, রাষ্ট্রদূত। সবারই স্বাধীন দায়িত্ব রয়েছে, দায়বদ্ধতাও রয়েছে। রাষ্ট্রের এক বিভাগের সামনে আরেক বিভাগ কোমর বেঁধে ছড়ি হাতে নিয়ে দাঁড়ালে তা যে ভালো দেখায় না তা-ই নয়, সম্মিলিতভাবে কাজ করার পথটা বন্ধ হয়ে যায়। একটি দেশে পার্লামেন্টই সর্বশক্তিমান, তা গোটা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। সংসদে প্রণীত আইন ও সিদ্ধান্ত সমুন্নত রয়েছে কি না, তা দেখবেন আদালত। তবে যত যা-ই বলি না কেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগই প্রধান। সব দায়দায়িত্ব, দোষগুণের ভাগীদার তারাই। কোনো কাজে অজনপ্রিয় ও ধিক্কৃত হলে তারাই হয়—উচ্চ আদালতের বিচারকেরা নন।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 09
(76)
- চার দিক-আলো আরও আলো by গোলাম রসূল
- শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-সরকারের বোঝার ওপর ছাত্রলীগের ...
- তথ্যপ্রযুক্তি-ডিজিটাল বাংলাদেশ করার নানা উদ্যোগ by...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-জুমাতুল বিদা ও আল-কুদ্স দিবস...
- পাকিস্তান-মানুষ ডুবছে বন্যায় আর নেতারা ভাসছেন টাকা...
- চিরকুট-তাহেরের বিচার by শাহাদুজ্জামান
- যুক্তি তর্ক গল্প-ব্যক্তিত্বই নারীর নিরাপত্তার সেরা...
- কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়াতে হবে-ভোগ্যপণ্যের যুক্তিহ...
- এ জন্যই কি তাঁরা সংসদে গিয়েছেন?-সাংসদদের গাড়িবিলাস
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে দোয়া ও ক্ষমা প্র...
- ইরাক-যুদ্ধ শেষ, কিন্তু জয়ও নেই শান্তিও নেই by ফারু...
- সরল গরল-সেনাশাসন রোধ: পাকিস্তানের পথে বাংলাদেশ? by...
- মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে যৌক্তিক মীমাংসা প্রয়োজন-বি...
- বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্পের স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধা...
- স্মরণ-বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছেন যিনি by সিমিন হোস...
- জন্মাষ্টমী-‘সত্যকে ধরে মাথা উঁচু করে অধর্মের বিরুদ...
- সপ্তাহের হালচাল-সংশোধনী বাতিলের সুফল জনগণ পাবে কি ...
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে তাহাজ্জুদ নামাজ ...
- দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-ভেজাল ও...
- দায়মুক্ত হোক বাংলাদেশ-বিচারবহির্ভূত হত্যা
- ওদের পছন্দের ফতুয়া টপ by শান্তা তাওহিদা
- চিকেন চিলি উইথ টমেটো
- রান্নায় যুগলবন্দী by সৈয়দা আখতার জাহান
- ঈদের দিন-চুল বাঁধা সাজ গয়না by রয়া মুনতাসীর
- চারদিক-শাঁখারীবাজারে একদিন by শর্মিলা সিনড্রেলা
- উচ্চমাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা-১২ দিনে সিলেবাস ও দু...
- বস্ত্রশিল্প-তিন লাখ টাকার শাড়ি বনাম আমাদের তাঁতি b...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে মাগফিরাতের দশক b...
- গদ্যকার্টুন-নিরীহ কৌতুক by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের ওপরে কি আদালত?...
- ঈদের এক সপ্তাহ আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন-পোশাকশ্...
- টেন্ডারবাজি বন্ধ হবে কবে-দরপত্র ছিনতাই
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-এভারেস্ট বিজয়
- যে খবর নাড় দেয়-বাংলাদেশিরা কতটা সৎ?
- মূল রচনা-যে শহর চোরাবালি
- জন্মদিন-কীর্তিময়ী এক নারীর কথা by জাহীদ রেজা নূর
- মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে গোসল করতে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু
- গণসমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি বিএনপির
- সিপিডির প্রতিক্রিয়া-লুকোচুরির বাজেটে অনেক অসংগতি ব...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন পথে হাঁটব by...
- প্রয়োজনে পিপিপির অর্থে পদ্মা সেতু
- নিশাত খুনের নেপথ্যে সম্পত্তির বিরোধ!-ছোট বোনকেও হত...
- বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব : প্রধানমন্ত্রী-...
- প্রতিক্রিয়া-সাংস্কৃতিক খাতে বিশেষ বরাদ্দ না থাকায় ...
- প্রি-পেইড মোবাইলে ছাড়ের ইঙ্গিত-অর্থমন্ত্রীর বাজেটো...
- দাহকালের কথা-ছিন্নপত্র by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে উপাচার্য প্যানেল নির্...
- বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপরই চাপ বাড়বে-ভারসাম্য ফেরা...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সংকট থেকে উত্তরণে কিছু সাহসী পদক্ষে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সরকারকে আরও সময় দেওয়ার চিন্তা-কঠোর কোনো কর্মসূচি দ...
- অস্বাভাবিক অস্ত্রোপচার! by শিশির মোড়ল
- জীবন আরো কঠিন হবে by রাজীব আহমেদ
- জাপানি দম্পতির বাংলাদেশ অভিযান by তানজিনা হোসেন
- হুমায়ূন আহমেদের দেয়াল-সাহিত্যের সীমানা ও আদালতের দ...
- সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিপিডির মূল্যায়ন-বাজেট ব্যাকরণসিদ্...
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বর্নীর অহংকার শাহ আলম...
- বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী: কালোটাকাকে...
- ১৪ কোটির ঘাড়ে করের খড়্গ
- বিপন্ন পৃথিবী-রক্ষা করতে হবে যেকোনো মূল্যে
- শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ জরুরি by মো...
- 'আবার তোরা মানুষ হ' by গৌরব জি পাথাং
- মাতৃস্বাস্থ্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় নজর দিন by সুমি...
- প্লাবনের পঞ্চতন্ত্র by শেখ রোকন
- মহাজোটের 'ফেইট অ্যাকমপ্লি' অর্জিত হয়নি by এম আবদুল...
- কূটনীতি-যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ by হেনর...
- কালের আয়নায়-ড. ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠি by আবদু...
- বিপর্যয়ের আশঙ্কা-ঘুরে দাঁড়াবে কি মানুষ?
- জনশক্তি রফতানি-কর্মী পাঠানোর ব্যয় কমুক
- বড় স্বপ্নের বাজেট-বাস্তবায়নে দক্ষতা দেখাতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে জিরার স্থ...
- বহে কাল নিরবধি-যারা পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে! by এম আ...
- ইরানে পাশ্চাত্যবিরোধের অকার্যকারিতা by মুহাম্মদ রু...
- গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে b...
-
▼
Jun 09
(76)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment