Saturday, June 9, 2012
সরল গরল-সেনাশাসন রোধ: পাকিস্তানের পথে বাংলাদেশ? by মিজানুর রহমান খান
সরল গরল-সেনাশাসন রোধ: পাকিস্তানের পথে বাংলাদেশ? by মিজানুর রহমান খান
পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতির এত মিল নিশ্চয় ভালো নয়। ভবিষ্যতে আরও যাতে মিল না বেরোয়, সে জন্য এখনই যা যা করা দরকার, তা-ই করা উচিত। রাজনীতির পাকিস্তানিকরণ এখনই সহনীয় ঠেকছে না। বিশেষ করে, সংবিধান সংশোধন করে সামরিক শাসন চিরতরে আটকানোর যে প্রচেষ্টা চলছে, সেটা সামনে রেখে এই লেখার অবতারণা।
আসমা জিলানির মামলার রায়ের আদলে আমরা দুটি রায় পেলাম। পঞ্চম সংশোধনীর পর সপ্তম সংশোধনী। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভাগ্যবান! তাঁরা এমন এক সময়ে আসমা জিলানির ওপর দাঁড়ালেন, যখন পাকিস্তানও সবে আসমা জিলানির ওপর দাঁড়িয়েছে। জেনারেল পারভেজ মোশাররফ আর জেনারেল এরশাদ এখন একই মেজাজে। জেনারেল পারভেজ ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা নিলেন। বেনজির ও পিপিপি তখন তাঁকে সমর্থন দিয়েছিল। এরশাদ ১৯৮২ সালে ক্ষমতা নিলেন। আওয়ামী লীগের তত্কালীন দলীয় মুখপত্র সাংসদ শেখ সেলিম সম্পাদিত বাংলার বাণীতে সম্পাদকীয় বেরোল—নতুন দিনের যাত্রা। এই অঞ্চলে সেনাশাসন জায়েজ করার পথিকৃৎ পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট। কী করে নাজায়েজ করতে হয়, তারও তরিকা প্রথম বাতলে দেন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট। দুটি মামলায় দুটি মতবাদ। প্রথমে ‘দোসো’। পরে ‘আসমা জিলানি’। দোসোতে সেনাশাসন জায়েজ, আসমা জিলানিতে নাজায়েজ। পাকিস্তানে মেরি গো রাউন্ড চলছে।
১৯৫৮-তে সর্বাগ্রে এলেন আইয়ুব খান। তিনি প্রথম জায়েজ হলেন রাষ্ট্র বনাম দোসো মামলায়। ইয়াহিয়া নাজায়েজ হলেন আসমা জিলানিতে। ১৯৭৭ সালে জিয়াউল হক জায়েজ হলেন দোসোতে। দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু ঘটল। এরপর কেটে গেল ২২ বছর। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট পঁচাত্তর থেকে মুন সিনেমা পর্যন্ত দোসোতে ছিল। তখন পর্যন্ত তাঁরা সেনাশাসন ও সেনা আদালতকে বৈধ বলেছেন। এরই মধ্যে পাকিস্তানে পারভেজ এসে গেছেন। সিনেমা হল নিয়ে মামলা হলো ঢাকায়। এটাই এখন খ্যাতনামা পঞ্চম সংশোধনী মামলা। এর যখন শুনানি হচ্ছিল, তখন পাকিস্তানে অবশ্য ‘দোসো’ চলছে। জেনারেল জিয়াউলের পথে জেনারেল পারভেজ এলেন। যথারীতি তাঁর বৈধতা চ্যালেঞ্জ হলো। পারভেজকে বৈধ বললেন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট। সেটা ছিল ২০০০ সাল। বাংলাদেশে ২০০৫ সাল এল। মোশতাক-সায়েম ও জিয়া অবৈধ হলেন। আসমা জিলানি জয়ী হলো, দোসো পরাস্ত হলো। এরপর আমরা দেখলাম, ক্ষমতাসীন জেনারেল মোশাররফের কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্ট বৈধ করেন; আবার ক্ষমতা হারানোর পর অবৈধ করলেন। আজ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন কোনো জেনারেল-নৃপতির কাণ্ডকীর্তি অবৈধ বলে গণ্য হলো না।
পাকিস্তানে নওয়াজ-বেনজির জুটির গণতন্ত্র চলছিল। সম্পর্ক চুলোচুলি। সংবিধানে বেয়নেটের ক্ষত ছিল। জিয়াউলের রেখে যাওয়া অষ্টম সংশোধনী ছিল চরম অগণতান্ত্রিক। কিন্তু ক্ষত সারানোর সময় কোথায়? চুলোচুলি চলছিল অবিরাম। বাংলাদেশের অবস্থার সঙ্গে তুলনীয়। হয়তো তক্কে ছিলেন সর্বদা ‘স্বদেশজয়ে নিবেদিত বীরগণ’। তাঁদের নায়ক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। তিনি সুযোগ নিলেন। ১৯৯৯ সালে ক্ষমতায় এলেন। সংবিধান স্থগিত করলেন। সংসদ বাতিল করলেন। ‘গণতন্ত্রের কন্যা’ বেনজির মুচকি হাসলেন। নীরবে সম্মতি দিলেন। ঢাকায় এরশাদকে নিয়ে একই ঘটনা ঘটেছিল। এরশাদ ক্ষমতা নিলেন। আগে যা ঘটেনি, তা-ই ঘটালেন। সংবিধান সম্পূর্ণ স্থগিত করলেন। শেখ হাসিনা মুচকি হাসলেন। আওয়ামী লীগের মুখপত্র ছিল বাংলার বাণী। এর সম্পাদক ছিলেন সাংসদ শেখ ফজলুল হক সেলিম। বাংলার বাণীতে সম্পাদকীয় ছাপা হলো। বলা হলো, নতুন দিগন্তে যাত্রা। তারপর রক্তাক্ত আন্দোলন হলো। নূর হোসেনরা শহীদ হলো। সেই ইতিহাস সবার জানা।
পারভেজ মোশাররফ ক্ষমতা নিয়ে যা যা করলেন, তা সব সামরিক শাসকই করেন। স্রষ্টা হয়তো অলক্ষে হাসছিলেন। একদা একত্রে থাকা দুটি দেশ ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা নিয়ে একই সময়ে খাবি খেল। এবার এগিয়ে বাংলাদেশ। মডেল যেন জেনারেল মইন। তাঁকে অনুসরণ করলেন জেনারেল মোশাররফ। মইন দিলেন রাজনৈতিক অরাজকতা ও দুর্নীতির দোহাই। মোশাররফ অভিনবত্ব আনলেন। তিনি দোষ চাপালেন সুপ্রিম কোর্টের ওপর। ফরমানেই বললেন, আদালত বাড়াবাড়ি করছেন। তাঁদের কারণে শাসনকার্যে বিঘ্ন ঘটছে। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আর নভেম্বরে জরুরি অবস্থা এল পাকিস্তানে। তার পরও কত্ত মিল! পর্দার অন্তরালে আপস অনিবার্য হয়ে ওঠে। জেনারেল মইন গঠন করেন ট্রুথ কমিশন। লক্ষ্য, হাত বাছাই করা ধনকুবেরদের মার্জনা করা। জেনারেল মোশাররফ তখন পাস করলেন এনআরও। এনআরও মানে হলো, ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন অর্ডিন্যান্স। উদ্দেশ্য একই।
ঢাকার সেনাসমর্থিত প্রশাসন যখন শেখ হাসিনার দিকে ঝুঁকছে, ইসলামাবাদের সেনা প্রশাসন তখন বেনজিরের দিকে ঝুঁকছে। বলা বাহুল্য, এ ধরনের ‘পক্ষপাত’ কিংবা অসহায়ত্ব সেনাশাসনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা। অদৃশ্য বিদেশি হাত উভয় রাজধানীতে সক্রিয় ছিল। পাকিস্তানে এনআরও জারির পেছনে ছিল ইঙ্গ-মার্কিন সক্রিয় দূতিয়ালি। ‘নিরপেক্ষতা’ বজায় রাখতে বেনজির ও নওয়াজ উভয়কে আপাতত ধরাশায়ী করেছিলেন মোশাররফ। তাঁর মাইনাস টু ফর্মুলা দীর্ঘ সময় কাজ করেছে। ১৯৯৯ পরবর্তী কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করলেন তিনি। ২০০৭ সালে তিনি সেনাশাসনের ধর্মমতে চোরাগুপ্তা আপস করেন। বাংলাদেশেরও একই রকম আপস-কাহিনি আছে। সেনাশাসন কিংবা সেনা হস্তক্ষেপের প্রতিটি পর্বে এটা দেখা গেছে। এনআরওর আওতায় পাকিস্তান আঁতাত দেখল। জারদারি-বেনজির স্বামী-স্ত্রী। তাঁদের চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী দুর্নীতির মামলাগুলো তুলে নেওয়া হলো। আরও অনেক বাছাই করা রুই-কাতলাও জাল থেকে বেরিয়ে গেল। প্রায় সাড়ে তিন হাজার মামলা। তাতে খুন, ধর্ষণ থেকে বিরাট অঙ্কের ঋণখেলাপির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও ছিল। গত মাসে পাকিস্তানে এর তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। আট হাজার সুবিধাভোগীর মধ্যে মাত্র ৩৪ জন রাজনীতিক। বাকিরা আমলা। আর তাঁদের মধ্যে সাত হাজারের বেশির নিবাস বেনজিরের নিজ এলাকা সিন্ধে। জেনারেল মইনরা টিকে গেলে এ ধরনের পুনরাবৃত্তি হয়তো আমরা দেখতাম। অবশ্য ব্যক্তি না টিকলে কী হবে। সিস্টেম তো বদলায়নি। পাকিস্তানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঘটনার পুনরাবৃত্তি থেমে নেই। বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের নেকনজরে থাকা ব্যক্তিদের এখন পোয়াবারো। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা গুরুতর ফৌজদারি মামলা তোলার হিড়িক পড়েছে। সাজেদা চৌধুরীর ছেলে মার্জনা পান, ডা. ইকবাল বেকসুর হন।
আট বছরের নির্বাসিত জীবন কাটান বেনজির। মার্কিন মদদে ২০০৭ সালের অক্টোবরে বেনজির এলেন রাজনীতির মঞ্চে। ডিসেম্বরেই খুন হলেন। দৃশ্যপট বদলাল দ্রুত। মোশাররফের বিদায়ঘণ্টা বাজল। বৈরী পরিবেশে নির্বাচন হলো ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। নতুন সরকার হলো। ইমপিচমেন্ট এড়াতে মোশাররফ আগস্টে পদত্যাগে বাধ্য হলেন। ২০০৩ সালে তাঁর ক্ষমতা জবর দখলের অপকর্ম বৈধ করেছিল সংসদ। এবারের সংসদ বেঁকে বসল।
বেনজির ও নওয়াজ শরিফ নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন। গণতন্ত্রে তাঁরা যা পারেননি, বন্দুকের ডগায় দোল খেয়ে বিদেশের মাটিতে তা-ই পেরেছিলেন। তাঁরা ঐক্য করেছিলেন। গণতন্ত্র সনদে সই করেছিলেন। কিন্তু তলে তলের সমঝোতা বলে কথা। নওয়াজ কখন দূরে সরে গেলেন। ঢাকায় ২০০৭ সালে আমরা কিন্তু মোটামুটি একই দৃশ্য দেখলাম। মইন উ আহমেদ বঙ্গভবনে গেলেন। ইয়াজউদ্দিন ক্ষমতা ছাড়লেন। সামনে ফখরুদ্দীন এলেন। পেছনে রইলেন মইন উ আহমেদ। শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে হাসলেন। বঙ্গভবন তার সাক্ষী।
পতিত জেনারেল পারভেজের বিরুদ্ধে নানা পর্যায়ে আদালতে মামলা হয়। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট প্রথমে ২০০০ ও পরে ২০০৮ সালেও ‘ক্ষমতাসীন’ পারভেজকে বৈধতা দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালে সংবিধান সংশোধন বিল পাস হয়। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালে যেমন গণতন্ত্রে যাত্রা করেছিল। তফাত হলো, পারভেজ আমাদের জিয়া ও এরশাদের মতো দল করেননি। পারভেজ পাকিস্তানের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী সেনাশাসক। তিনি ভানুমতির খেলা দেখালেন। দুবার সামরিক শাসন জারি করলেন। ২০০৭ সালের ৩ নভেম্বর। তখন বিতর্ক তুঙ্গে। তিনি উর্দি ছাড়বেন কি ছাড়বেন না। ৩ নভেম্বর হঠাৎ জারি করেন জরুরি অবস্থা। তখন তিনি রাষ্ট্রপতিও। জরুরি অবস্থার ফরমানে সই দিলেন সেনাপ্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয়। পাকিস্তানি স্টাইল হলো, প্রথমেই সংবিধান স্থগিত করা। একই সঙ্গে জারি করা হবে পিসিও। পিসিও মানে, প্রভিশনাল কনস্টিটিউশনাল অর্ডার। মানে, পকেট থেকে একটি নতুন সংবিধান বের হবে। তখন সদ্য পয়দা নেওয়া তথাকথিত সংবিধানের অধীনে বিচারকেরা নতুন করে শপথ নেবেন। দেখা গেল, তত্কালীন প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মোহাম্মদ চৌধুরীসহ প্রায় ৬০ জন বিচারক নতুন সেনাশাসকের কোপানলে। এই বিচারপতিরা শপথ নিলেন না। নতুন প্রধান বিচারপতি হলেন আবদুল হামিদ দোগার। শপথ নিয়ে তিনি পারভেজের সব ফরমান বৈধ করলেন। তবে এবারে ভয়ংকর ঘটনা ঘটল। ৩ নভেম্বরে প্রধান বিচারপতি ইফতিখার চৌধুরী বরখাস্ত হলেন। এদিনই তাঁর নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ একটি ‘ঐতিহাসিক’ আদেশ দেন। এতে পিসিওর অধীনে বিচারকদের শপথ গ্রহণ নিষিদ্ধ হয়। এমনকি সশস্ত্র বাহিনীকে সরকারের অবৈধ আদেশ না মানতে বলা হয়। এর ফল দাঁড়াল, ১১১ ব্রিগেড অভিযান চালাল সুপ্রিম কোর্টে। বিচার বিভাগ প্রায় আক্ষরিক অর্থেই দুই ভাগ হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত শুভশক্তি জয়ী হলো। জেনারেল পারভেজের পায়ের মাটি সরে গেল। ২০০৭ সালের নভেম্বরে তিনি উর্দি ত্যাগ করেন। সুপ্রিম কোর্ট শক্তি সঞ্চয় করলেন, ঊর্মিমুখর দেড় বছর পরে প্রধান বিচারপতি পদে ইফতিখার চৌধুরী ফিরে এলেন সগৌরবে। ৩১ জুলাই ২০০৯ সবশেষ ঐতিহাসিক রায় এল। এই রায়ে ক্ষমতাহারা পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে তুলোধুনো হলেন। তদুপরি তিনি প্রায় নয় বছরের বৈধ শাসক হয়েই থাকলেন।
আমাদের হাইকোর্ট বিভাগের সর্বশেষ রায় জেনারেল এরশাদকে ১৯৮২-১৯৮৬ মেয়াদে অবৈধ বলেছে বলে পত্রিকান্তরে জেনেছি। কিন্তু তাঁর পরের চার বছর মেয়াদে কি তাঁকে আমরা বৈধ শাসক বলে মানব? আদালত রায় দিয়েছেন বলে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি অবৈধ। আর আদালত রায় দেননি বলে ১৯৮৬ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বৈধ? আমরা স্মরণ করতে পারি, ১৯৯০ সালের ১০ আগস্ট সর্বসম্মতিতে সংসদের একাদশ সংশোধনী পাস হয়েছিল। এর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বৈধতা পান। এই বিলের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছিল, ‘এরশাদের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকারকে অপসারণ করে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি।’ তাহলে কাঁচা প্রশ্ন দাঁড়াল, হাইকোর্ট বড়, না সংসদ বড়?
পাকিস্তানের প্রসঙ্গে ফিরি। প্রধান বিচারপতি ইফতিখার চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ১৪ সদস্যের বেঞ্চ বিচারকদের বিচারে বসলেন। তাঁরা ‘অবৈধ’ প্রধান বিচারপতি দোগারের পরামর্শে মোশাররফ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত সব বিচারকের চাকরি খেলেন। তাঁদের বাড়িতে পাঠালেন। তবে সেই সঙ্গে রায় দিলেন বিচারকদের জন্য পালনীয় আচরণবিধিতে একটি নতুন বিধি যুক্ত করা হবে। এতে বলা হলো, কোনো বিচারক অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা গ্রহণকারীদের শপথ দেবেন না। কেউ দিলে তিনি পেশাগত অসদাচরণের জন্য অভিযুক্ত হবেন। এক দিন আমি আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকে এ কথা বললাম। তিনি সায় দিলেন, এমন একটি বিধান আমাদেরও থাকতে পারে। ওবায়দুল কাদের চলতি সপ্তাহে এমন একটা নির্দেশনা উচ্চ আদালতের কাছে আশা করেছেন।
পাকিস্তানে প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? আমরাও কিন্তু এরই মধ্যে একই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে।
আসিফ জারদারি ও পিপিপির এখন মনে পড়ছে, জেনারেল পারভেজের প্রতি তারা তো কৃতজ্ঞ। এমনকি নওয়াজের মুসলিম লীগ এখন বলছে, মোশাররফ রাজনীতিতে ফিরে এলে তারা তাঁকে স্বাগত জানাবে। দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করা না হলে জারদারির রাষ্ট্রপতি হওয়া কঠিন ছিল। কৃতজ্ঞ জারদারি তাই অবৈধ স্বৈরশাসক পারভেজকে চরম বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে কাঠগড়ায় তুলতে অপারগ। প্রধানমন্ত্রী জিলানি যা বলেন আমাদের এখানেও একই রা। সেনাশাসন রোধে আমাদের এখানে পাকিস্তানি কায়দাকানুন আমদানির কসরৎ চলছে। থাকলে কি হতো? সেটা আপনরা জিলানির বাণী থেকে শুনুন। তিনি যা বলেছেন তা শুনে মনে হবে তিনি ঢাকার শাসকগোষ্ঠীর বেহাল অবস্থার বিবরণ দিচ্ছেন। ‘তাঁর (পতিত স্বৈরশাসক মোশাররফ) বিচার প্রশ্নে সংসদকে সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অবৈধ ক্ষমতা দখলের দায়ে ব্যক্তির তো বিচার হয় না। তা ছাড়া মোশাররফের সহযোগীরা আমাদের মন্ত্রিসভায় আছেন, মুসলিম লীগেও আছেন। সংসদ যদি সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমি স্বাগত জানাব।’ ইত্যাদি। পাঠক, লক্ষ করুন, এই একই বোল বাংলাদেশেও। বোল মানে আবোলতাবোল। আসলে বাংলাদেশেও এরশাদের প্রতি একই ধরনের কৃতজ্ঞতা ও অদৃশ্য সুতার কেরামতি চলছে। শেখ হাসিনা একা নন, তাঁর কাছে বেগম খালেদা জিয়ারও রয়েছে কত ঋণ!
আইন থাকতে আইন নেই বলা হচ্ছে। এরশাদও সবক দিচ্ছেন তাঁকে বিচার করতে দেশে আইনের আকাল পড়েছে। আকাল পড়েছে নৈতিকতার। তবে যে কথা বলার জন্য এই লেখা, সেটি হলো, নতুন আইন করা। সংবিধান সংশোধন করা ও নতুন আইন সৃষ্টি করা থেকে শাসকগোষ্ঠীকে ঠেকানো যাবে না। শিগগিরই গণমাধ্যম ‘ঐতিহাসিক নবযাত্রা’ শীর্ষক সম্পাদকীয় লিখবে। ঠেকানো যাবে না। তবে একটি পাকিস্তানি প্রহসন সম্পর্কে সতর্ক করতে চাই।
১৯৭৩ সালে পিপিপি সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদে অবৈধ ক্ষমতা দখলকে চরম বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। সংসদে পাস করা হয়েছিল দি হাইট্রিজন (পানিশমেন্ট) অ্যাক্ট ১৯৭৩। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২৪ ও ১২৪ক ধারায় এরশাদের মতো জবরদখলকারীদের শাস্তির বিধান আছে। সেনা আইনেও আছে। তবে আমজনতার নাগালে সেনা আইন নেই। ওটা শাসকের করায়ত্তে। আমজনতা চাইলে দণ্ডবিধির আওতায় থানায় গিয়ে অন্তত একটা মামলা দায়ের করতে পারে। ১৯৭৩ সালে পিপিপি নতুন আইন করে পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে একটি প্রতারণা করেছিল। বাংলাদেশে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তবে সেটা ঘটার আশঙ্কা করি। পিপিপিকে বেনিফিট অব ডাউট দিতে রাজি আছি। আওয়ামী লীগ তা নকল করলে তাকে তা দেওয়া যাবে না।
১৯৭৩ সালের ওই আইনে অবৈধ ক্ষমতা দখলের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়। কিন্তু জনগণ যাতে এ ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করতে পারে, সে ব্যবস্থাটা পাকা রাখা হয়। আমার কখনো মনে হয়, বাংলাদেশে সামরিক শাসন হলো শাসকগোষ্ঠীর পাতানো খেলা। সামরিক শাসন ও গণতন্ত্রে উত্তরণ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। পাকিস্তানের জন্য এ কথা চরম সত্য ছিল। সে কারণে পাকিস্তান দণ্ডবিধির আওতায় জবরদখলকারীর বিরুদ্ধে জনগণের মামলা দায়েরের অধিকার খর্ব করা হয়। আইনে বলা হয়, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ছাড়া কারও বিরুদ্ধে চরম বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে মামলা করা যাবে না। কেউ করলেও কোনো আদালত তা আমলে নিতে পারবে না।’ আমরা এমন কোনো বিধান চাই না, দণ্ডবিধির প্রয়োগ চাই আগে। নতুন আইন করার আরেকটি মাজেজা হলো এরশাদকে ছাড় দেওয়া। নতুন আইনে অতীত অপরাধের বিচার করা যাবে না।
আরও একটি পরিহাসের কথা বলে শেষ করি। পাকিস্তান গত মধ্য জুলাইয়ে সংবিধান সংশোধন করেছে। ক্ষমতা জবরদখলকারীদের শপথ পড়ালে বা তাঁদের শাসনের বৈধতা দিলে বিচারকদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ একই অপরাধকে অপসারণযোগ্য বলেছেন। সেই একই সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ কিন্তু এই সংশোধনীতে সন্তুষ্ট নন। প্রধান বিচারপতি এক শুনানিকালে বলেন, ‘পরিস্থিতি যেমনই কল্পনা করা হোক না কেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখতে হবে (ডন, ৩ জুন ২০১০)।
চারদিকে প্রশ্ন উঠেছে, আইন করে সামরিক শাসন রোধ করা সম্ভব? আরেকটি প্রশ্ন তুলি, সর্বশেষ পাকিস্তানি মডেল অনুসরণ করলেও কি তা সম্ভব? জায়েজ-নাজায়েজের চক্র তো আমরা দেখলাম। তাহলে কী করতে হবে? এটা সন্দেহাতীত, পাকিস্তানের দেখানো পথে সমাধান নেই, মুক্তি নেই। তবে জারদারি যেভাবে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করে সংবিধান সংশোধন করেছেন, সেটি একটি ভালো দৃষ্টান্ত।
বাংরাদেশে সর্বাগ্রে সংবিধানের সত্তর অনুচ্ছেদ শুধরে চরম আজ্ঞাবহ সংসদকে স্বাধীন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমাতে হবে। তাহলে সংসদ হবে সবকিছুর প্রাণকেন্দ্র। বিচার বিভাগ, সংবাদক্ষেত্র বা অন্য কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তি চূড়ান্ত অর্থে হাউস অব দ্য নেশন (সংসদ) ও তার সংস্কৃতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে না।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক
mrkhanbd@gmail.com
১৯৫৮-তে সর্বাগ্রে এলেন আইয়ুব খান। তিনি প্রথম জায়েজ হলেন রাষ্ট্র বনাম দোসো মামলায়। ইয়াহিয়া নাজায়েজ হলেন আসমা জিলানিতে। ১৯৭৭ সালে জিয়াউল হক জায়েজ হলেন দোসোতে। দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু ঘটল। এরপর কেটে গেল ২২ বছর। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট পঁচাত্তর থেকে মুন সিনেমা পর্যন্ত দোসোতে ছিল। তখন পর্যন্ত তাঁরা সেনাশাসন ও সেনা আদালতকে বৈধ বলেছেন। এরই মধ্যে পাকিস্তানে পারভেজ এসে গেছেন। সিনেমা হল নিয়ে মামলা হলো ঢাকায়। এটাই এখন খ্যাতনামা পঞ্চম সংশোধনী মামলা। এর যখন শুনানি হচ্ছিল, তখন পাকিস্তানে অবশ্য ‘দোসো’ চলছে। জেনারেল জিয়াউলের পথে জেনারেল পারভেজ এলেন। যথারীতি তাঁর বৈধতা চ্যালেঞ্জ হলো। পারভেজকে বৈধ বললেন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট। সেটা ছিল ২০০০ সাল। বাংলাদেশে ২০০৫ সাল এল। মোশতাক-সায়েম ও জিয়া অবৈধ হলেন। আসমা জিলানি জয়ী হলো, দোসো পরাস্ত হলো। এরপর আমরা দেখলাম, ক্ষমতাসীন জেনারেল মোশাররফের কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্ট বৈধ করেন; আবার ক্ষমতা হারানোর পর অবৈধ করলেন। আজ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন কোনো জেনারেল-নৃপতির কাণ্ডকীর্তি অবৈধ বলে গণ্য হলো না।
পাকিস্তানে নওয়াজ-বেনজির জুটির গণতন্ত্র চলছিল। সম্পর্ক চুলোচুলি। সংবিধানে বেয়নেটের ক্ষত ছিল। জিয়াউলের রেখে যাওয়া অষ্টম সংশোধনী ছিল চরম অগণতান্ত্রিক। কিন্তু ক্ষত সারানোর সময় কোথায়? চুলোচুলি চলছিল অবিরাম। বাংলাদেশের অবস্থার সঙ্গে তুলনীয়। হয়তো তক্কে ছিলেন সর্বদা ‘স্বদেশজয়ে নিবেদিত বীরগণ’। তাঁদের নায়ক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। তিনি সুযোগ নিলেন। ১৯৯৯ সালে ক্ষমতায় এলেন। সংবিধান স্থগিত করলেন। সংসদ বাতিল করলেন। ‘গণতন্ত্রের কন্যা’ বেনজির মুচকি হাসলেন। নীরবে সম্মতি দিলেন। ঢাকায় এরশাদকে নিয়ে একই ঘটনা ঘটেছিল। এরশাদ ক্ষমতা নিলেন। আগে যা ঘটেনি, তা-ই ঘটালেন। সংবিধান সম্পূর্ণ স্থগিত করলেন। শেখ হাসিনা মুচকি হাসলেন। আওয়ামী লীগের মুখপত্র ছিল বাংলার বাণী। এর সম্পাদক ছিলেন সাংসদ শেখ ফজলুল হক সেলিম। বাংলার বাণীতে সম্পাদকীয় ছাপা হলো। বলা হলো, নতুন দিগন্তে যাত্রা। তারপর রক্তাক্ত আন্দোলন হলো। নূর হোসেনরা শহীদ হলো। সেই ইতিহাস সবার জানা।
পারভেজ মোশাররফ ক্ষমতা নিয়ে যা যা করলেন, তা সব সামরিক শাসকই করেন। স্রষ্টা হয়তো অলক্ষে হাসছিলেন। একদা একত্রে থাকা দুটি দেশ ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা নিয়ে একই সময়ে খাবি খেল। এবার এগিয়ে বাংলাদেশ। মডেল যেন জেনারেল মইন। তাঁকে অনুসরণ করলেন জেনারেল মোশাররফ। মইন দিলেন রাজনৈতিক অরাজকতা ও দুর্নীতির দোহাই। মোশাররফ অভিনবত্ব আনলেন। তিনি দোষ চাপালেন সুপ্রিম কোর্টের ওপর। ফরমানেই বললেন, আদালত বাড়াবাড়ি করছেন। তাঁদের কারণে শাসনকার্যে বিঘ্ন ঘটছে। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আর নভেম্বরে জরুরি অবস্থা এল পাকিস্তানে। তার পরও কত্ত মিল! পর্দার অন্তরালে আপস অনিবার্য হয়ে ওঠে। জেনারেল মইন গঠন করেন ট্রুথ কমিশন। লক্ষ্য, হাত বাছাই করা ধনকুবেরদের মার্জনা করা। জেনারেল মোশাররফ তখন পাস করলেন এনআরও। এনআরও মানে হলো, ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন অর্ডিন্যান্স। উদ্দেশ্য একই।
ঢাকার সেনাসমর্থিত প্রশাসন যখন শেখ হাসিনার দিকে ঝুঁকছে, ইসলামাবাদের সেনা প্রশাসন তখন বেনজিরের দিকে ঝুঁকছে। বলা বাহুল্য, এ ধরনের ‘পক্ষপাত’ কিংবা অসহায়ত্ব সেনাশাসনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা। অদৃশ্য বিদেশি হাত উভয় রাজধানীতে সক্রিয় ছিল। পাকিস্তানে এনআরও জারির পেছনে ছিল ইঙ্গ-মার্কিন সক্রিয় দূতিয়ালি। ‘নিরপেক্ষতা’ বজায় রাখতে বেনজির ও নওয়াজ উভয়কে আপাতত ধরাশায়ী করেছিলেন মোশাররফ। তাঁর মাইনাস টু ফর্মুলা দীর্ঘ সময় কাজ করেছে। ১৯৯৯ পরবর্তী কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করলেন তিনি। ২০০৭ সালে তিনি সেনাশাসনের ধর্মমতে চোরাগুপ্তা আপস করেন। বাংলাদেশেরও একই রকম আপস-কাহিনি আছে। সেনাশাসন কিংবা সেনা হস্তক্ষেপের প্রতিটি পর্বে এটা দেখা গেছে। এনআরওর আওতায় পাকিস্তান আঁতাত দেখল। জারদারি-বেনজির স্বামী-স্ত্রী। তাঁদের চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী দুর্নীতির মামলাগুলো তুলে নেওয়া হলো। আরও অনেক বাছাই করা রুই-কাতলাও জাল থেকে বেরিয়ে গেল। প্রায় সাড়ে তিন হাজার মামলা। তাতে খুন, ধর্ষণ থেকে বিরাট অঙ্কের ঋণখেলাপির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও ছিল। গত মাসে পাকিস্তানে এর তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। আট হাজার সুবিধাভোগীর মধ্যে মাত্র ৩৪ জন রাজনীতিক। বাকিরা আমলা। আর তাঁদের মধ্যে সাত হাজারের বেশির নিবাস বেনজিরের নিজ এলাকা সিন্ধে। জেনারেল মইনরা টিকে গেলে এ ধরনের পুনরাবৃত্তি হয়তো আমরা দেখতাম। অবশ্য ব্যক্তি না টিকলে কী হবে। সিস্টেম তো বদলায়নি। পাকিস্তানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঘটনার পুনরাবৃত্তি থেমে নেই। বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের নেকনজরে থাকা ব্যক্তিদের এখন পোয়াবারো। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা গুরুতর ফৌজদারি মামলা তোলার হিড়িক পড়েছে। সাজেদা চৌধুরীর ছেলে মার্জনা পান, ডা. ইকবাল বেকসুর হন।
আট বছরের নির্বাসিত জীবন কাটান বেনজির। মার্কিন মদদে ২০০৭ সালের অক্টোবরে বেনজির এলেন রাজনীতির মঞ্চে। ডিসেম্বরেই খুন হলেন। দৃশ্যপট বদলাল দ্রুত। মোশাররফের বিদায়ঘণ্টা বাজল। বৈরী পরিবেশে নির্বাচন হলো ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। নতুন সরকার হলো। ইমপিচমেন্ট এড়াতে মোশাররফ আগস্টে পদত্যাগে বাধ্য হলেন। ২০০৩ সালে তাঁর ক্ষমতা জবর দখলের অপকর্ম বৈধ করেছিল সংসদ। এবারের সংসদ বেঁকে বসল।
বেনজির ও নওয়াজ শরিফ নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন। গণতন্ত্রে তাঁরা যা পারেননি, বন্দুকের ডগায় দোল খেয়ে বিদেশের মাটিতে তা-ই পেরেছিলেন। তাঁরা ঐক্য করেছিলেন। গণতন্ত্র সনদে সই করেছিলেন। কিন্তু তলে তলের সমঝোতা বলে কথা। নওয়াজ কখন দূরে সরে গেলেন। ঢাকায় ২০০৭ সালে আমরা কিন্তু মোটামুটি একই দৃশ্য দেখলাম। মইন উ আহমেদ বঙ্গভবনে গেলেন। ইয়াজউদ্দিন ক্ষমতা ছাড়লেন। সামনে ফখরুদ্দীন এলেন। পেছনে রইলেন মইন উ আহমেদ। শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে হাসলেন। বঙ্গভবন তার সাক্ষী।
পতিত জেনারেল পারভেজের বিরুদ্ধে নানা পর্যায়ে আদালতে মামলা হয়। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট প্রথমে ২০০০ ও পরে ২০০৮ সালেও ‘ক্ষমতাসীন’ পারভেজকে বৈধতা দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালে সংবিধান সংশোধন বিল পাস হয়। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালে যেমন গণতন্ত্রে যাত্রা করেছিল। তফাত হলো, পারভেজ আমাদের জিয়া ও এরশাদের মতো দল করেননি। পারভেজ পাকিস্তানের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী সেনাশাসক। তিনি ভানুমতির খেলা দেখালেন। দুবার সামরিক শাসন জারি করলেন। ২০০৭ সালের ৩ নভেম্বর। তখন বিতর্ক তুঙ্গে। তিনি উর্দি ছাড়বেন কি ছাড়বেন না। ৩ নভেম্বর হঠাৎ জারি করেন জরুরি অবস্থা। তখন তিনি রাষ্ট্রপতিও। জরুরি অবস্থার ফরমানে সই দিলেন সেনাপ্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয়। পাকিস্তানি স্টাইল হলো, প্রথমেই সংবিধান স্থগিত করা। একই সঙ্গে জারি করা হবে পিসিও। পিসিও মানে, প্রভিশনাল কনস্টিটিউশনাল অর্ডার। মানে, পকেট থেকে একটি নতুন সংবিধান বের হবে। তখন সদ্য পয়দা নেওয়া তথাকথিত সংবিধানের অধীনে বিচারকেরা নতুন করে শপথ নেবেন। দেখা গেল, তত্কালীন প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মোহাম্মদ চৌধুরীসহ প্রায় ৬০ জন বিচারক নতুন সেনাশাসকের কোপানলে। এই বিচারপতিরা শপথ নিলেন না। নতুন প্রধান বিচারপতি হলেন আবদুল হামিদ দোগার। শপথ নিয়ে তিনি পারভেজের সব ফরমান বৈধ করলেন। তবে এবারে ভয়ংকর ঘটনা ঘটল। ৩ নভেম্বরে প্রধান বিচারপতি ইফতিখার চৌধুরী বরখাস্ত হলেন। এদিনই তাঁর নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ একটি ‘ঐতিহাসিক’ আদেশ দেন। এতে পিসিওর অধীনে বিচারকদের শপথ গ্রহণ নিষিদ্ধ হয়। এমনকি সশস্ত্র বাহিনীকে সরকারের অবৈধ আদেশ না মানতে বলা হয়। এর ফল দাঁড়াল, ১১১ ব্রিগেড অভিযান চালাল সুপ্রিম কোর্টে। বিচার বিভাগ প্রায় আক্ষরিক অর্থেই দুই ভাগ হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত শুভশক্তি জয়ী হলো। জেনারেল পারভেজের পায়ের মাটি সরে গেল। ২০০৭ সালের নভেম্বরে তিনি উর্দি ত্যাগ করেন। সুপ্রিম কোর্ট শক্তি সঞ্চয় করলেন, ঊর্মিমুখর দেড় বছর পরে প্রধান বিচারপতি পদে ইফতিখার চৌধুরী ফিরে এলেন সগৌরবে। ৩১ জুলাই ২০০৯ সবশেষ ঐতিহাসিক রায় এল। এই রায়ে ক্ষমতাহারা পারভেজ মোশাররফ সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে তুলোধুনো হলেন। তদুপরি তিনি প্রায় নয় বছরের বৈধ শাসক হয়েই থাকলেন।
আমাদের হাইকোর্ট বিভাগের সর্বশেষ রায় জেনারেল এরশাদকে ১৯৮২-১৯৮৬ মেয়াদে অবৈধ বলেছে বলে পত্রিকান্তরে জেনেছি। কিন্তু তাঁর পরের চার বছর মেয়াদে কি তাঁকে আমরা বৈধ শাসক বলে মানব? আদালত রায় দিয়েছেন বলে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি অবৈধ। আর আদালত রায় দেননি বলে ১৯৮৬ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বৈধ? আমরা স্মরণ করতে পারি, ১৯৯০ সালের ১০ আগস্ট সর্বসম্মতিতে সংসদের একাদশ সংশোধনী পাস হয়েছিল। এর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বৈধতা পান। এই বিলের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছিল, ‘এরশাদের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকারকে অপসারণ করে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি।’ তাহলে কাঁচা প্রশ্ন দাঁড়াল, হাইকোর্ট বড়, না সংসদ বড়?
পাকিস্তানের প্রসঙ্গে ফিরি। প্রধান বিচারপতি ইফতিখার চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ১৪ সদস্যের বেঞ্চ বিচারকদের বিচারে বসলেন। তাঁরা ‘অবৈধ’ প্রধান বিচারপতি দোগারের পরামর্শে মোশাররফ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত সব বিচারকের চাকরি খেলেন। তাঁদের বাড়িতে পাঠালেন। তবে সেই সঙ্গে রায় দিলেন বিচারকদের জন্য পালনীয় আচরণবিধিতে একটি নতুন বিধি যুক্ত করা হবে। এতে বলা হলো, কোনো বিচারক অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা গ্রহণকারীদের শপথ দেবেন না। কেউ দিলে তিনি পেশাগত অসদাচরণের জন্য অভিযুক্ত হবেন। এক দিন আমি আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকে এ কথা বললাম। তিনি সায় দিলেন, এমন একটি বিধান আমাদেরও থাকতে পারে। ওবায়দুল কাদের চলতি সপ্তাহে এমন একটা নির্দেশনা উচ্চ আদালতের কাছে আশা করেছেন।
পাকিস্তানে প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? আমরাও কিন্তু এরই মধ্যে একই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে।
আসিফ জারদারি ও পিপিপির এখন মনে পড়ছে, জেনারেল পারভেজের প্রতি তারা তো কৃতজ্ঞ। এমনকি নওয়াজের মুসলিম লীগ এখন বলছে, মোশাররফ রাজনীতিতে ফিরে এলে তারা তাঁকে স্বাগত জানাবে। দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করা না হলে জারদারির রাষ্ট্রপতি হওয়া কঠিন ছিল। কৃতজ্ঞ জারদারি তাই অবৈধ স্বৈরশাসক পারভেজকে চরম বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে কাঠগড়ায় তুলতে অপারগ। প্রধানমন্ত্রী জিলানি যা বলেন আমাদের এখানেও একই রা। সেনাশাসন রোধে আমাদের এখানে পাকিস্তানি কায়দাকানুন আমদানির কসরৎ চলছে। থাকলে কি হতো? সেটা আপনরা জিলানির বাণী থেকে শুনুন। তিনি যা বলেছেন তা শুনে মনে হবে তিনি ঢাকার শাসকগোষ্ঠীর বেহাল অবস্থার বিবরণ দিচ্ছেন। ‘তাঁর (পতিত স্বৈরশাসক মোশাররফ) বিচার প্রশ্নে সংসদকে সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অবৈধ ক্ষমতা দখলের দায়ে ব্যক্তির তো বিচার হয় না। তা ছাড়া মোশাররফের সহযোগীরা আমাদের মন্ত্রিসভায় আছেন, মুসলিম লীগেও আছেন। সংসদ যদি সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমি স্বাগত জানাব।’ ইত্যাদি। পাঠক, লক্ষ করুন, এই একই বোল বাংলাদেশেও। বোল মানে আবোলতাবোল। আসলে বাংলাদেশেও এরশাদের প্রতি একই ধরনের কৃতজ্ঞতা ও অদৃশ্য সুতার কেরামতি চলছে। শেখ হাসিনা একা নন, তাঁর কাছে বেগম খালেদা জিয়ারও রয়েছে কত ঋণ!
আইন থাকতে আইন নেই বলা হচ্ছে। এরশাদও সবক দিচ্ছেন তাঁকে বিচার করতে দেশে আইনের আকাল পড়েছে। আকাল পড়েছে নৈতিকতার। তবে যে কথা বলার জন্য এই লেখা, সেটি হলো, নতুন আইন করা। সংবিধান সংশোধন করা ও নতুন আইন সৃষ্টি করা থেকে শাসকগোষ্ঠীকে ঠেকানো যাবে না। শিগগিরই গণমাধ্যম ‘ঐতিহাসিক নবযাত্রা’ শীর্ষক সম্পাদকীয় লিখবে। ঠেকানো যাবে না। তবে একটি পাকিস্তানি প্রহসন সম্পর্কে সতর্ক করতে চাই।
১৯৭৩ সালে পিপিপি সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদে অবৈধ ক্ষমতা দখলকে চরম বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। সংসদে পাস করা হয়েছিল দি হাইট্রিজন (পানিশমেন্ট) অ্যাক্ট ১৯৭৩। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২৪ ও ১২৪ক ধারায় এরশাদের মতো জবরদখলকারীদের শাস্তির বিধান আছে। সেনা আইনেও আছে। তবে আমজনতার নাগালে সেনা আইন নেই। ওটা শাসকের করায়ত্তে। আমজনতা চাইলে দণ্ডবিধির আওতায় থানায় গিয়ে অন্তত একটা মামলা দায়ের করতে পারে। ১৯৭৩ সালে পিপিপি নতুন আইন করে পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে একটি প্রতারণা করেছিল। বাংলাদেশে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তবে সেটা ঘটার আশঙ্কা করি। পিপিপিকে বেনিফিট অব ডাউট দিতে রাজি আছি। আওয়ামী লীগ তা নকল করলে তাকে তা দেওয়া যাবে না।
১৯৭৩ সালের ওই আইনে অবৈধ ক্ষমতা দখলের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়। কিন্তু জনগণ যাতে এ ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করতে পারে, সে ব্যবস্থাটা পাকা রাখা হয়। আমার কখনো মনে হয়, বাংলাদেশে সামরিক শাসন হলো শাসকগোষ্ঠীর পাতানো খেলা। সামরিক শাসন ও গণতন্ত্রে উত্তরণ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। পাকিস্তানের জন্য এ কথা চরম সত্য ছিল। সে কারণে পাকিস্তান দণ্ডবিধির আওতায় জবরদখলকারীর বিরুদ্ধে জনগণের মামলা দায়েরের অধিকার খর্ব করা হয়। আইনে বলা হয়, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ছাড়া কারও বিরুদ্ধে চরম বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে মামলা করা যাবে না। কেউ করলেও কোনো আদালত তা আমলে নিতে পারবে না।’ আমরা এমন কোনো বিধান চাই না, দণ্ডবিধির প্রয়োগ চাই আগে। নতুন আইন করার আরেকটি মাজেজা হলো এরশাদকে ছাড় দেওয়া। নতুন আইনে অতীত অপরাধের বিচার করা যাবে না।
আরও একটি পরিহাসের কথা বলে শেষ করি। পাকিস্তান গত মধ্য জুলাইয়ে সংবিধান সংশোধন করেছে। ক্ষমতা জবরদখলকারীদের শপথ পড়ালে বা তাঁদের শাসনের বৈধতা দিলে বিচারকদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ একই অপরাধকে অপসারণযোগ্য বলেছেন। সেই একই সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ কিন্তু এই সংশোধনীতে সন্তুষ্ট নন। প্রধান বিচারপতি এক শুনানিকালে বলেন, ‘পরিস্থিতি যেমনই কল্পনা করা হোক না কেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত রাখতে হবে (ডন, ৩ জুন ২০১০)।
চারদিকে প্রশ্ন উঠেছে, আইন করে সামরিক শাসন রোধ করা সম্ভব? আরেকটি প্রশ্ন তুলি, সর্বশেষ পাকিস্তানি মডেল অনুসরণ করলেও কি তা সম্ভব? জায়েজ-নাজায়েজের চক্র তো আমরা দেখলাম। তাহলে কী করতে হবে? এটা সন্দেহাতীত, পাকিস্তানের দেখানো পথে সমাধান নেই, মুক্তি নেই। তবে জারদারি যেভাবে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করে সংবিধান সংশোধন করেছেন, সেটি একটি ভালো দৃষ্টান্ত।
বাংরাদেশে সর্বাগ্রে সংবিধানের সত্তর অনুচ্ছেদ শুধরে চরম আজ্ঞাবহ সংসদকে স্বাধীন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমাতে হবে। তাহলে সংসদ হবে সবকিছুর প্রাণকেন্দ্র। বিচার বিভাগ, সংবাদক্ষেত্র বা অন্য কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তি চূড়ান্ত অর্থে হাউস অব দ্য নেশন (সংসদ) ও তার সংস্কৃতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে না।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক
mrkhanbd@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 09
(76)
- চার দিক-আলো আরও আলো by গোলাম রসূল
- শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-সরকারের বোঝার ওপর ছাত্রলীগের ...
- তথ্যপ্রযুক্তি-ডিজিটাল বাংলাদেশ করার নানা উদ্যোগ by...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-জুমাতুল বিদা ও আল-কুদ্স দিবস...
- পাকিস্তান-মানুষ ডুবছে বন্যায় আর নেতারা ভাসছেন টাকা...
- চিরকুট-তাহেরের বিচার by শাহাদুজ্জামান
- যুক্তি তর্ক গল্প-ব্যক্তিত্বই নারীর নিরাপত্তার সেরা...
- কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়াতে হবে-ভোগ্যপণ্যের যুক্তিহ...
- এ জন্যই কি তাঁরা সংসদে গিয়েছেন?-সাংসদদের গাড়িবিলাস
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে দোয়া ও ক্ষমা প্র...
- ইরাক-যুদ্ধ শেষ, কিন্তু জয়ও নেই শান্তিও নেই by ফারু...
- সরল গরল-সেনাশাসন রোধ: পাকিস্তানের পথে বাংলাদেশ? by...
- মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে যৌক্তিক মীমাংসা প্রয়োজন-বি...
- বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্পের স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধা...
- স্মরণ-বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছেন যিনি by সিমিন হোস...
- জন্মাষ্টমী-‘সত্যকে ধরে মাথা উঁচু করে অধর্মের বিরুদ...
- সপ্তাহের হালচাল-সংশোধনী বাতিলের সুফল জনগণ পাবে কি ...
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে তাহাজ্জুদ নামাজ ...
- দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-ভেজাল ও...
- দায়মুক্ত হোক বাংলাদেশ-বিচারবহির্ভূত হত্যা
- ওদের পছন্দের ফতুয়া টপ by শান্তা তাওহিদা
- চিকেন চিলি উইথ টমেটো
- রান্নায় যুগলবন্দী by সৈয়দা আখতার জাহান
- ঈদের দিন-চুল বাঁধা সাজ গয়না by রয়া মুনতাসীর
- চারদিক-শাঁখারীবাজারে একদিন by শর্মিলা সিনড্রেলা
- উচ্চমাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা-১২ দিনে সিলেবাস ও দু...
- বস্ত্রশিল্প-তিন লাখ টাকার শাড়ি বনাম আমাদের তাঁতি b...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে মাগফিরাতের দশক b...
- গদ্যকার্টুন-নিরীহ কৌতুক by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের ওপরে কি আদালত?...
- ঈদের এক সপ্তাহ আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন-পোশাকশ্...
- টেন্ডারবাজি বন্ধ হবে কবে-দরপত্র ছিনতাই
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-এভারেস্ট বিজয়
- যে খবর নাড় দেয়-বাংলাদেশিরা কতটা সৎ?
- মূল রচনা-যে শহর চোরাবালি
- জন্মদিন-কীর্তিময়ী এক নারীর কথা by জাহীদ রেজা নূর
- মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে গোসল করতে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু
- গণসমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি বিএনপির
- সিপিডির প্রতিক্রিয়া-লুকোচুরির বাজেটে অনেক অসংগতি ব...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন পথে হাঁটব by...
- প্রয়োজনে পিপিপির অর্থে পদ্মা সেতু
- নিশাত খুনের নেপথ্যে সম্পত্তির বিরোধ!-ছোট বোনকেও হত...
- বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব : প্রধানমন্ত্রী-...
- প্রতিক্রিয়া-সাংস্কৃতিক খাতে বিশেষ বরাদ্দ না থাকায় ...
- প্রি-পেইড মোবাইলে ছাড়ের ইঙ্গিত-অর্থমন্ত্রীর বাজেটো...
- দাহকালের কথা-ছিন্নপত্র by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে উপাচার্য প্যানেল নির্...
- বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপরই চাপ বাড়বে-ভারসাম্য ফেরা...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সংকট থেকে উত্তরণে কিছু সাহসী পদক্ষে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সরকারকে আরও সময় দেওয়ার চিন্তা-কঠোর কোনো কর্মসূচি দ...
- অস্বাভাবিক অস্ত্রোপচার! by শিশির মোড়ল
- জীবন আরো কঠিন হবে by রাজীব আহমেদ
- জাপানি দম্পতির বাংলাদেশ অভিযান by তানজিনা হোসেন
- হুমায়ূন আহমেদের দেয়াল-সাহিত্যের সীমানা ও আদালতের দ...
- সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিপিডির মূল্যায়ন-বাজেট ব্যাকরণসিদ্...
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বর্নীর অহংকার শাহ আলম...
- বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী: কালোটাকাকে...
- ১৪ কোটির ঘাড়ে করের খড়্গ
- বিপন্ন পৃথিবী-রক্ষা করতে হবে যেকোনো মূল্যে
- শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ জরুরি by মো...
- 'আবার তোরা মানুষ হ' by গৌরব জি পাথাং
- মাতৃস্বাস্থ্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় নজর দিন by সুমি...
- প্লাবনের পঞ্চতন্ত্র by শেখ রোকন
- মহাজোটের 'ফেইট অ্যাকমপ্লি' অর্জিত হয়নি by এম আবদুল...
- কূটনীতি-যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ by হেনর...
- কালের আয়নায়-ড. ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠি by আবদু...
- বিপর্যয়ের আশঙ্কা-ঘুরে দাঁড়াবে কি মানুষ?
- জনশক্তি রফতানি-কর্মী পাঠানোর ব্যয় কমুক
- বড় স্বপ্নের বাজেট-বাস্তবায়নে দক্ষতা দেখাতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে জিরার স্থ...
- বহে কাল নিরবধি-যারা পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে! by এম আ...
- ইরানে পাশ্চাত্যবিরোধের অকার্যকারিতা by মুহাম্মদ রু...
- গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে b...
-
▼
Jun 09
(76)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment