Saturday, June 9, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
এরশাদ-নাটকের যবনিকা হোক উচ্চ আদালতের রায়ে এরশাদের করা সংবিধান সংশোধনী এবং তাঁর ১০ বছরের সামরিক শাসন অবৈধ ঘোষণা গণতান্ত্রিক মহলের অনেককেই আশাবাদী করেছিল। আমরা ভেবেছিলাম, বাংলাদেশের রাজনীতির ঘাড়ে সিন্দবাদের ভূতের মতো চেপে থাকা এই ব্যক্তিকে বোধ হয় এবার আইনি পন্থায় নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। কিন্তু ঈশ্বর বুঝি এই আশাবাদের বহর দেখে মুচকি হাসলেন।
কেননা, আশার বাষ্প ঠিকঠাক বৃষ্টি হয়ে ঝরার আগেই দেখলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পতিত সামরিক স্বৈরশাসক কাম রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সুযোগ দিয়েছেন তাঁর কাছে যাওয়ার। শুধু তা-ই নয়, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে একান্তে ৪৫ মিনিট ধরে বৈঠকও করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে জানলাম। এবং হতাশ হলাম, কেননা এরশাদের দল জাতীয় পার্টি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের একটি শরিক দল হলেও আদালত যখন তাঁকে বাতিল করে দিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আর এতটা গুরুত্ব ও সময় না দিলেই ভালো হতো।
অবশ্য দুর্ভাগ্যের কথা ভুলি না: যে এরশাদ ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক অশুভ উপদ্রব, তাঁকে এবং তাঁর সেনাশাসনের ঔরসে জন্ম নেওয়া জাতীয় পার্টিকে শরিক করেছিল বাংলাদেশের রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্রস্বরূপ প্রধান দুটি দলই। নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের মুখে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত এরশাদ আবার যে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেলেন, তা তো তাঁকে ও তাঁর দলকে পালাক্রমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের জোটে ভেড়ানোর কারণেই। কখনো সরকারি জোটে, কখনো বিরোধীদলীয় জোটে এরশাদকে বরণ করে নেওয়ার মাধ্যমেই তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়েছে নিজের নির্বাচনী রাজনৈতিক গুরুত্ব টিকিয়ে রাখা। ক্ষমতার মোহে এরশাদের ১০ বছরের অনাচার তাঁরা ভুলে যেতে পেরেছেন, কিন্তু এরশাদ আমলে নিহত অজস্র ছাত্র-কৃষক-শ্রমিক শহীদদের পরিবার কিংবা এরশাদের হাতে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত গণতান্ত্রিক কর্মীরা কি তা ভুলতে পারবেন? এরশাদ আমলের বিশিল্পায়ন, অবাধ দুর্নীতির বিস্তার, গণতন্ত্র দমন, রাষ্ট্রধর্ম বিল পাস এবং রাজনীতিতে পেশিশক্তির জন্ম দেওয়ার মতো ব্যাধির ক্ষত তো এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সমাজের দেহে শুকিয়ে যায়নি। ইনিই তো সেই ব্যক্তি, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যিনি পাকিস্তানের ঘাতক সামরিক জান্তার হয়ে পাকিস্তানে বসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানকারী সেনাবাহিনীর বাঙালি সদস্যদের বিচারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধেই তো জিয়া ও মঞ্জু হত্যার নেপথ্যের কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ এখনো বহাল। বাংলাদেশে ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং ধর্মব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর অবদান(!) জাতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে ক্ষতিসাধন করেছে তা এক কথায় অপূরণীয়। এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর অন্যায়-অপরাধের সীমা-পরিসীমা নেই, তিনি মাত্র কয়েকটি বছর কারাবাস করেই ক্ষমা পেতে পারেন না।
আদালত এরশাদের শাসনামলকে বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু এরশাদের রাজনীতি এবং বিত্তশালী ক্ষমতাবান মানুষের মতো মুক্তভাবে চলেফিরে বেড়ানো যে বাতিল করা যাচ্ছে না, তা কোনো রহস্যময় ব্যাপার নয়। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের সংকীর্ণ স্বার্থের কারণেই জনগণ নব্বইয়ে যেমন, এখনো তেমনি এরশাদের উপযুক্ত বিচার দেখতে পারছে না।
যে ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছিলেন, দীর্ঘ নয় বছরে যিনি দেশকে দুর্নীতিবাজদের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন; যিনি নিজে এত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিশ বছরেও তাঁর টাকা শেষ হচ্ছে না, তাঁর অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। পুরো আশির দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের আত্মদানের মর্যাদা রক্ষা করতেও এরশাদের বিচার হওয়া উচিত। সেলিম, দেলোয়ার, জাফর, জয়নাল, দীপালি সাহা, রাউফুন বসুনিয়া, নূর হোসেন, ডা. মিলন—এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য এরশাদের বিচার হওয়া উচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যে স্বৈরশাসক রাষ্ট্রের ওপর বলাৎকার করেছেন, যিনি একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগিতা করেছেন, যিনি অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন, যিনি রাজনীতিতে অনৈতিকতার মূর্তিমান উপস্থিতি, তাঁর কবল থেকে বাংলাদেশকে রেহাই দিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিন।
আরিফ রায়হান
দক্ষিণ মৈশুণ্ডি, ঢাকা।
যেমন ভোক্তা তেমন বিক্রেতা
রমজান মাসের শুরু থেকে দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে। অথচ রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার কথা নয়, কারণ পবিত্র রমজান ভোগের মাস নয়, সংযমের মাস। ২৬ আগস্ট প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর ছিল পান্তা, চডা ও পানি দিয়ে ইফতার করছে দরিদ্র মানুষগুলো। বাস্তবে তাদের জন্য তো সব মাসই সমান। তাদের জন্য এমন কোনো মাস নির্ধারণ করা নেই, যে মাসে তারা ধনীদের কাতারে আসতে পারবে আর সারা মাস বিশ-পঁচিশ রকম উপাদেয় ইফতার খেতে পারবে। সৃষ্টিকর্তা বিত্তবানদের সুযোগ করে দিয়েছেন দরিদ্রদের কষ্ট বোঝার। কিন্তু আমরা যারা দরিদ্রদের কাতারে দাঁড়ানোর জন্য রোজা রাখছি, তারা কী দিয়ে ইফতার করছি? এই সংযমের মাসে সংযমের নামে চলছে ভোজনের উৎসব। সারা দিন সবাই অপেক্ষায় থাকি ইফতারে কী কী খাব। আর দোকানে দোকানে চলছে বেশি দামি ইফতারের আয়োজন। বিক্রিও যে খুব ভালো তা প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন দেখলেই বোঝা যায়। যে দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠী পান্তা দিয়ে বা মুড়ি দিয়ে ইফতার করে, সে দেশে মোটামুটি ভালো দোকান থেকে একজনের জন্য ইফতার কিনতে ১০০ টাকার বেশি লাগে। কিন্তু এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। এই মাসে চাহিদা এত কম থাকার কথা যে সব জিনিসের দামও কম থাকার কথা। অন্তত অর্থনীতির সূত্র তা-ই বলে।
সিয়াম সাধনার মাসে দ্রব্যমূল্য বেশি হওয়ার জন্য শুধু বিক্রেতাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। এর জন্য ভোক্তা আর বিক্রেতা সমানভাবে দায়ী। ভোক্তা হিসেবে আমরাও অসৎ। একজন বিক্রেতা যেমন আইন ও নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে জিনিসের দাম বাড়ায়, তেমনি ভোক্তারা রোজার আসল উদ্দেশ্যের ব্যত্যয় ঘটিয়ে খাবার বেশি পরিমাণে খায়। আমরা যদি সত্যি সত্যি রমজানের মর্ম অনুধাবন করি, তাহলে বেশি বেশি ইফতার করার পরিবর্তে কতটা কম খাওয়া যায় তা ভাবতে হবে। দরিদ্র মানুষগুলো না খেয়ে থাকলে কেমন লাগে তা না হয় না-ই বা অনুভব করলাম, অন্তত আল্লাহকে ভয় করে হলেও রোজার উদ্দেশ্য সফল করা উচিত।
সাবিনা পারভীন, ইন্দিরা রোড, ঢাকা।
sabink99@yahoo.com
যুবকের প্রতারণার শিকার
ফেনী জেলার প্রায় এক হাজার সাধারণ মানুষ যুবক নামের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতারণার শিকার হয়ে এখন চরম হতাশা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রায় সাত বছর আগে ফেনীর অনেক নারী-পুরুষকে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে মাঠে নামে যুবক। তাঁদের প্রতি ৯৬ হাজার টাকায় ছয় মাসে ১৬ হাজার টাকা মুনাফা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় যুবক। যুবক সরাসরি টাকা সংগ্রহ না করে ফেনীতে প্রায় ১০০ স্থানীয় সংগঠক নিয়োগ করেছিল, তাঁদের কাজ ছিল সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখানো। অনেকে জমি বিক্রি করে, ব্যাংক ও ডাকঘরে জমানো টাকা মেয়াদপূর্তির আগেই উঠিয়ে, কেউ কেউ স্বর্ণালংকার বিক্রি করে, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীরা তাঁদের এককালীন টাকা খাটায় এই প্রকল্পে। যুবক বিশ্বাস অর্জনের জন্য অনেককে দু-এক কিস্তি মুনাফা দিয়েছিল। কিন্তু তিন বছর ধরে মুনাফা দূরে থাক, আসল টাকা দিতেও গড়িমসি করছেন যুবকের লোকজন।
গ্রাহকেরা টাকার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করলে হঠাৎ ফেনীতে অবস্থিত অফিসগুলো বন্ধ করে দিয়ে কর্মকর্তারা চলে যান। বহু গ্রাহক টাকার শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কেউ পক্ষাঘাতে আক্রান্ত, কারও মস্তিষ্কবিকৃতি দেখা দেয়। অনেক নারী প্রবাসী স্বামীর বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা যুবকে খাটিয়েছিলেন। এখন তাঁদের অনেকেই স্বামীপরিত্যক্তা। অর্থ লগ্নিকারী কেউ কেউ মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে ফেনী সরকারি কলেজের একজন শিক্ষকও রয়েছেন।
প্রায় পাঁচ মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের প্রমাণপত্রের অনুলিপি জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু পরে এ বিষয়ে কোনো তৎপরতার কথা জানা যায়নি। এখন একদিকে গ্রাহকেরা গভীর হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন, অন্যদিকে প্রতারক চক্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। চক্রটি বলছে, যা করার সরকার করবে, তাদের কথা বলা নিষেধ। এই অবস্থা থেকে আমরা যুবকের ফেনীর গ্রাহকেরা মুক্তি চাই এবং আমাদের টাকা ফেরত চাই।
যুবকের কাছে প্রতারিত ভুক্তভোগীরা
ফেনী।
শিশুশিক্ষা ও সাক্ষরতা জরিপ ২০১০
বিদ্যালয়ে ভর্তিযোগ্য শিশুদের শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করতে গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুশিক্ষা ও সাক্ষরতা জরিপ ২০১০-এর ফরম পূরণ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছেন। ফরমগুলোর উপজেলাওয়ারি সারসংক্ষেপ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এখন ফরমগুলো উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর, কোথাও কোথাও বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কম্পিউটারে এন্ট্রি করছেন। এই এন্ট্রি-প্রক্রিয়া নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং যাঁরা ডেটা এন্ট্রি করার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন তাঁরা পড়েছেন লেজে গোবরে অবস্থায়। যেমন—শিক্ষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণ করার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষক নিজে না গিয়ে ওই গ্রামের বেকার, পড়ালেখা করছে অথবা ছেড়ে দিয়েছে এমন ছেলেমেয়েদের মাধ্যমে জরিপ ফরম পূরণ করিয়েছেন। হাতের লেখা খুব খারাপ, পাঠোদ্ধার করাই মুশকিল। আর তথ্যের দিকটা কী বলব। একটি প্রশ্ন রয়েছে ‘খানার মোট সদস্যসংখ্যা কত?’ তারপর রয়েছে ‘তার মধ্যে মহিলা কতজন?’ এখানে দেখা যায় মোট সদস্যসংখ্যার চেয়ে মহিলা বেশি দেওয়া আছে। অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন সদস্যদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। খানার মোট সদস্যসংখ্যার চেয়ে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন সদস্যসংখ্যা বেশি দেখানো আছে। কোনো কোনো ফরমে ‘নিয়মিত স্কুলে যায় কি না’ এই ঘরও পূরণ করা হয়নি। ‘লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে থাকলে কারণ’—এটাও পূরণ করেননি অনেকে। কোনো কোনো শিক্ষক তাঁর পূরণ করা সব ফরমে ছয় বছরের কম বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে ‘লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ার কারণ’ লিখেছেন ‘স্কুলে ভর্তি না করায়’। কেউ কেউ সব ফরমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর কলামে ‘জানা নেই’ লিখেছেন। অনেকেই এমন সব কোড লিখেছেন যেগুলো আদৌ কোনো মান বহন করে না।
এবার কম্পিউটারে ডেটা এন্ট্রি প্রসঙ্গে। উপজেলার আয়তন ও জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী পনেরো হাজার থেকে দেড় লাখ পর্যন্ত খানা আছে। যেসব উপজেলায় জন্মহার বেশি সেখানে ০ থেকে ১৪ বছর বয়সের শিশুর সংখ্যাও বেশি। ফলে খানা কম থাকলেও বেশিসংখ্যক শিশুর নাম এন্ট্রি করতে হয় এবং প্রতি খানা এন্ট্রি করতে গড় সময় বেশি লাগে। আছে বিদ্যুৎ, কম্পিউটারের যান্ত্রিক সমস্যা। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের কম্পিউটার নষ্ট থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। সেখানে কাজ করতে বসলে শিক্ষা অফিসের অনেক কাজ করে দিতে হয়, ফলে জরিপকাজে বিঘ্ন ঘটে। এ ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার প্রমুখের ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের কম্পিউটার-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করতে হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্টও বিভিন্ন সময় ডেকে পাঠান কাজ করে দেওয়ার জন্য। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের করণিকের কাজ, প্রশিক্ষণ চলার সময়ে সহায়ক স্টাফের কাজ এমনকি যেখানে পিয়নের পদ শূন্য সেখানে পিয়নের কাজও করতে হয় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকেই। এ অবস্থায় মাসে ১৫ দিন কাজ করা এবং দৈনিক গড়ে ১০০ থেকে ১৫০টি খানার বেশি এন্ট্রি করা সম্ভব হয় না। যেখানে খানা অনুপাতে শিশুসংখ্যা বেশি সেখানে তো আরও কম। এ ছাড়া রয়েছে বিদ্যালয় জরিপ ২০১০-এর ফরম এন্ট্রি, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা ২০১০-এর ডিআর এন্ট্রির কাজ। এগুলোর মধ্যে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝা মুশকিল। যার ফলে বিদ্যালয় থেকে চাঁদা উঠিয়ে বাইরে থেকে কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন অনেক শিক্ষা অফিসার। তাতেও রয়েছে সমস্যা। উপজেলা পর্যায়ের দোকানের লোকজনের এই সফটওয়্যার সম্পর্কে সার্বিক ধারণা না থাকায় তাঁরা সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে পারছেন না। যেখানে চাঁদা ওঠানো হয়নি, সেখানে একা একজন ব্যক্তি এ কাজ করে যাচ্ছেন। যাঁদের বাসায় কম্পিউটার আছে তাঁরা অফিস সময়ের পর বাসায় নিয়ে ডেটা এন্ট্রি করছেন।
এভাবে চলতে থাকলে এই ডেটা এট্রির কাজ শেষ করতে কত দিন সময় প্রয়োজন বা কাজটি আদৌ সুসম্পন্ন করা যাবে কি না, তা-ই এখন বিবেচ্য বিষয়। এই এন্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে শতভাগ ভর্তি কেন নিশ্চিত হবে না, সেটাও সঠিকভাবে বোঝা যাবে না। তাই ওপরের সমস্যাগুলো বিবেচনা করে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রির কাজটি সম্পন্ন করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নাগরিক।
ক্ষুদ্রঋণের জালে সাঁথিয়াবাসী
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার অনেক গরিব মানুষ বিভিন্ন এনজিওর কাছে চড়া সুদে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিপদে পড়েছেন। এক এনজিওর ঋণ শোধ করতে আরেক এনজিওর কাছে ঋণ নেওয়া—একাধিক এনজিওর কিস্তির টাকা শোধ করতে গিয়ে এসব পরিবারের অনেক কিশোর-তরুণ মাদক পাচারসহ বিভিন্ন বেআইনি পথে উপার্জনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। কেউ কেউ ঋণ শোধ করতে না পেরে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সাঁথিয়ায় আট-দশটি বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা কাজ করছে। গরিব মহিলা, দিনমজুর, প্রান্তিক চাষি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে চড়া সুদে ঋণ নেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তিতে তাঁদের ঋণের টাকা শোধ করতে হয়। কিন্তু তাঁরা ঋণের টাকার সদ্ব্যবহার করছেন কি না, তাঁদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে কি না—এসব পর্যালোচনা না করেই সংস্থাগুলো তাদের ঋণ দেয় এবং কিস্তি আদায় করে। ক্ষুদ্রঋণের সহায়তায় তাঁরা আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন না, বরং সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। সাঁথিয়া উপজেলা সদর, নন্দনপুর, ধুলাউড়ি, কাশীনাথপুর, করমজা, সোনাতলা, নাগডেমড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে ক্ষুদ্রঋণ দানকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বরং মানুষ বলছে, সংস্থাগুলো আধুনিক পদ্ধতিতে পুরোনো সেই মহাজনি সুদের ব্যবসাই চালিয়ে যাচ্ছে।
ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে অনেক সুনাম করেছে। মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর গ্রামীণ ব্যাংক এ জন্য নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন। সাঁথিয়ায় কেন ক্ষুদ্রঋণব্যবস্থা গরিবদের দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হচ্ছে না, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগেরও হয়তো কিছু করণীয় আছে।
মো. আশিক ইকবাল, সাঁথিয়া বাজার, পাবনা।
যানজট নিরসনে রাজধানীর নৌপথ
এ বছর রাজধানী হিসেবে ৪০০ বছর পার করেছে ঢাকা শহর। ইতিহাসবিদদের তথ্যানুযায়ী, মোগল আমলে ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল নদী। রাজধানী হিসেবে ঢাকার মর্যাদা এখনো অক্ষুণ্ন থাকলেও সেই নদীর মর্যাদা আর আগের মতো নেই। রাজধানীর চারপাশ ঘেরা চারটি নদীর নাজুক অবস্থা সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় প্রায় প্রতিদিনই লেখা হচ্ছে, তার পরও কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙছে না। আজ চারটি নদী সুস্থ থাকলে নগরবাসী যানজটের মতো মহাদুর্ভোগ থেকে অনেকটাই রেহাই পেত।
বলা বাহুল্য, যানজট নিরসনে সরকারের প্রায় গলদঘর্ম অবস্থা। শত শত পরিকল্পনা, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও রাজধানী থেকে যানজট বিদায় করা যাচ্ছে না। যানজট নিরসনে সরকার তো স্থলপথে সমাধান না পেয়ে ইতিমধ্যে উড়ালপথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। সম্প্রতি প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীতে উড়াল সড়ক (এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে) নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কিন্তু আজ রাজধানীর চারপাশ ঘেরা ১১২ কিলোমিটার দীর্ঘ নৌপথ সচল ও সুগম থাকলে সরকারের হয়তো এ ধরনের ব্যয়বহুল প্রকল্প গ্রহণ করতে হতো না। বিশ্বের বহু উন্নত শহরেই নগরের নৌপথ কাজে লাগিয়ে শহরকে যানজটমুক্ত রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরাই কেবল উল্টো পথে হেঁটেছি। নদীগুলোকে তো মেরেছিই, সেই সঙ্গে মহানগরের ভেতরে বিভিন্ন স্থানের খাল ও ঝিলগুলোও প্রায় সর্বাংশে বিলুপ্ত করতে বসেছি।
তবে একটি আশার খবর, গত ২৮ আগস্ট সরকার রাজধানীর যানজট নিরসনে আমিনবাজার-সদরঘাট নৌপথে ‘বুড়িগঙ্গা’ ও ‘তুরাগ’ নামের দুটি সুদৃশ্য জলযান (ওয়াটার বাস) চালু করেছে। যানজট নিরসনে এ ধরনের ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে সাধুবাদযোগ্য। তবে এ ধরনের উদ্যোগের ক্ষেত্রে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুব সুখকর নয়। ২০০৫ সালের তৎকালীন জোট সরকার ২৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীতে বৃত্তাকার নৌপথ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সেই বৃত্তাকার নৌপথ আজও ‘সমস্যার বৃত্ত’ থেকে বের হতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নদীর নাব্যতা রক্ষার কোনো উদ্যোগ না নেওয়া আর যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় ওই প্রকল্প প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। যাত্রীসাধারণ বরাবরই সরকারের এ ধরনের শুভ উদ্যোগকে সানন্দেই গ্রহণ করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলা-অব্যবস্থাপনার কারণে এসব উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখতে পায় না।
তবে আমরা আশা করব, এবারের এই ওয়াটার বাস প্রকল্প অন্তত ব্যর্থ হবে না। ঢাকা মহানগরের দুর্বিষহ যানজট নিরসনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ প্রকল্প জনপ্রিয় করা খুবই জরুরি। এ জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সেই সঙ্গে রাজধানীর বৃত্তাকার নৌপথও ভালোভাবে চালু করতে হবে।
রানা আব্বাস
শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
rana_geographer@yahoo.com
‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়’
সরকারদলীয় একজন সাংসদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি দলীয় এক কর্মীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে গুরুতর। এমপি হোস্টেলের মতো সুরক্ষিত জায়গায় এটি ঘটেছে। আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ হালকাভাবে নেওয়ার অবকাশ নেই।
ওই সাংসদের নামে আরও নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের রাজনীতিকদের অনেকেই ক্ষমতাসীন থাকলে ধরাকে সরা জ্ঞান করেন। ক্ষমতা তাঁদের কাউকে কাউকে অন্ধ করে দেয়; এ ধরনের রাজনীতিকেরা কোনো আইনকে পরোয়া করেন না। ভাবমূর্তির ক্ষতি হচ্ছে, জনপ্রিয়তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে—এসব জেনেও দল তাঁদের বিরুদ্ধে সচরাচর পদক্ষেপ নিতে চায় না। এ কারণে আইনের শাসন বাধাগ্রস্ত হয়, মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারাতে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা এ ঘোষণার যথাযথ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আমরা আশা করব, সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে এবং প্রকৃত অপরাধী বিচারের মুখোমুখি হবে। আইন সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য; কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই সত্যের বাস্তব প্রতিফলন ঘটুক।
ফারহান তাম্বীরুল
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
অবশ্য দুর্ভাগ্যের কথা ভুলি না: যে এরশাদ ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক অশুভ উপদ্রব, তাঁকে এবং তাঁর সেনাশাসনের ঔরসে জন্ম নেওয়া জাতীয় পার্টিকে শরিক করেছিল বাংলাদেশের রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্রস্বরূপ প্রধান দুটি দলই। নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের মুখে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত এরশাদ আবার যে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেলেন, তা তো তাঁকে ও তাঁর দলকে পালাক্রমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের জোটে ভেড়ানোর কারণেই। কখনো সরকারি জোটে, কখনো বিরোধীদলীয় জোটে এরশাদকে বরণ করে নেওয়ার মাধ্যমেই তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়েছে নিজের নির্বাচনী রাজনৈতিক গুরুত্ব টিকিয়ে রাখা। ক্ষমতার মোহে এরশাদের ১০ বছরের অনাচার তাঁরা ভুলে যেতে পেরেছেন, কিন্তু এরশাদ আমলে নিহত অজস্র ছাত্র-কৃষক-শ্রমিক শহীদদের পরিবার কিংবা এরশাদের হাতে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত গণতান্ত্রিক কর্মীরা কি তা ভুলতে পারবেন? এরশাদ আমলের বিশিল্পায়ন, অবাধ দুর্নীতির বিস্তার, গণতন্ত্র দমন, রাষ্ট্রধর্ম বিল পাস এবং রাজনীতিতে পেশিশক্তির জন্ম দেওয়ার মতো ব্যাধির ক্ষত তো এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সমাজের দেহে শুকিয়ে যায়নি। ইনিই তো সেই ব্যক্তি, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যিনি পাকিস্তানের ঘাতক সামরিক জান্তার হয়ে পাকিস্তানে বসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানকারী সেনাবাহিনীর বাঙালি সদস্যদের বিচারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধেই তো জিয়া ও মঞ্জু হত্যার নেপথ্যের কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ এখনো বহাল। বাংলাদেশে ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং ধর্মব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর অবদান(!) জাতীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে ক্ষতিসাধন করেছে তা এক কথায় অপূরণীয়। এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর অন্যায়-অপরাধের সীমা-পরিসীমা নেই, তিনি মাত্র কয়েকটি বছর কারাবাস করেই ক্ষমা পেতে পারেন না।
আদালত এরশাদের শাসনামলকে বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু এরশাদের রাজনীতি এবং বিত্তশালী ক্ষমতাবান মানুষের মতো মুক্তভাবে চলেফিরে বেড়ানো যে বাতিল করা যাচ্ছে না, তা কোনো রহস্যময় ব্যাপার নয়। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের সংকীর্ণ স্বার্থের কারণেই জনগণ নব্বইয়ে যেমন, এখনো তেমনি এরশাদের উপযুক্ত বিচার দেখতে পারছে না।
যে ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছিলেন, দীর্ঘ নয় বছরে যিনি দেশকে দুর্নীতিবাজদের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন; যিনি নিজে এত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিশ বছরেও তাঁর টাকা শেষ হচ্ছে না, তাঁর অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। পুরো আশির দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের আত্মদানের মর্যাদা রক্ষা করতেও এরশাদের বিচার হওয়া উচিত। সেলিম, দেলোয়ার, জাফর, জয়নাল, দীপালি সাহা, রাউফুন বসুনিয়া, নূর হোসেন, ডা. মিলন—এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য এরশাদের বিচার হওয়া উচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যে স্বৈরশাসক রাষ্ট্রের ওপর বলাৎকার করেছেন, যিনি একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগিতা করেছেন, যিনি অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন, যিনি রাজনীতিতে অনৈতিকতার মূর্তিমান উপস্থিতি, তাঁর কবল থেকে বাংলাদেশকে রেহাই দিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিন।
আরিফ রায়হান
দক্ষিণ মৈশুণ্ডি, ঢাকা।
যেমন ভোক্তা তেমন বিক্রেতা
রমজান মাসের শুরু থেকে দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে। অথচ রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার কথা নয়, কারণ পবিত্র রমজান ভোগের মাস নয়, সংযমের মাস। ২৬ আগস্ট প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর ছিল পান্তা, চডা ও পানি দিয়ে ইফতার করছে দরিদ্র মানুষগুলো। বাস্তবে তাদের জন্য তো সব মাসই সমান। তাদের জন্য এমন কোনো মাস নির্ধারণ করা নেই, যে মাসে তারা ধনীদের কাতারে আসতে পারবে আর সারা মাস বিশ-পঁচিশ রকম উপাদেয় ইফতার খেতে পারবে। সৃষ্টিকর্তা বিত্তবানদের সুযোগ করে দিয়েছেন দরিদ্রদের কষ্ট বোঝার। কিন্তু আমরা যারা দরিদ্রদের কাতারে দাঁড়ানোর জন্য রোজা রাখছি, তারা কী দিয়ে ইফতার করছি? এই সংযমের মাসে সংযমের নামে চলছে ভোজনের উৎসব। সারা দিন সবাই অপেক্ষায় থাকি ইফতারে কী কী খাব। আর দোকানে দোকানে চলছে বেশি দামি ইফতারের আয়োজন। বিক্রিও যে খুব ভালো তা প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন দেখলেই বোঝা যায়। যে দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠী পান্তা দিয়ে বা মুড়ি দিয়ে ইফতার করে, সে দেশে মোটামুটি ভালো দোকান থেকে একজনের জন্য ইফতার কিনতে ১০০ টাকার বেশি লাগে। কিন্তু এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। এই মাসে চাহিদা এত কম থাকার কথা যে সব জিনিসের দামও কম থাকার কথা। অন্তত অর্থনীতির সূত্র তা-ই বলে।
সিয়াম সাধনার মাসে দ্রব্যমূল্য বেশি হওয়ার জন্য শুধু বিক্রেতাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। এর জন্য ভোক্তা আর বিক্রেতা সমানভাবে দায়ী। ভোক্তা হিসেবে আমরাও অসৎ। একজন বিক্রেতা যেমন আইন ও নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে জিনিসের দাম বাড়ায়, তেমনি ভোক্তারা রোজার আসল উদ্দেশ্যের ব্যত্যয় ঘটিয়ে খাবার বেশি পরিমাণে খায়। আমরা যদি সত্যি সত্যি রমজানের মর্ম অনুধাবন করি, তাহলে বেশি বেশি ইফতার করার পরিবর্তে কতটা কম খাওয়া যায় তা ভাবতে হবে। দরিদ্র মানুষগুলো না খেয়ে থাকলে কেমন লাগে তা না হয় না-ই বা অনুভব করলাম, অন্তত আল্লাহকে ভয় করে হলেও রোজার উদ্দেশ্য সফল করা উচিত।
সাবিনা পারভীন, ইন্দিরা রোড, ঢাকা।
sabink99@yahoo.com
যুবকের প্রতারণার শিকার
ফেনী জেলার প্রায় এক হাজার সাধারণ মানুষ যুবক নামের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতারণার শিকার হয়ে এখন চরম হতাশা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রায় সাত বছর আগে ফেনীর অনেক নারী-পুরুষকে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে মাঠে নামে যুবক। তাঁদের প্রতি ৯৬ হাজার টাকায় ছয় মাসে ১৬ হাজার টাকা মুনাফা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় যুবক। যুবক সরাসরি টাকা সংগ্রহ না করে ফেনীতে প্রায় ১০০ স্থানীয় সংগঠক নিয়োগ করেছিল, তাঁদের কাজ ছিল সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখানো। অনেকে জমি বিক্রি করে, ব্যাংক ও ডাকঘরে জমানো টাকা মেয়াদপূর্তির আগেই উঠিয়ে, কেউ কেউ স্বর্ণালংকার বিক্রি করে, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীরা তাঁদের এককালীন টাকা খাটায় এই প্রকল্পে। যুবক বিশ্বাস অর্জনের জন্য অনেককে দু-এক কিস্তি মুনাফা দিয়েছিল। কিন্তু তিন বছর ধরে মুনাফা দূরে থাক, আসল টাকা দিতেও গড়িমসি করছেন যুবকের লোকজন।
গ্রাহকেরা টাকার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করলে হঠাৎ ফেনীতে অবস্থিত অফিসগুলো বন্ধ করে দিয়ে কর্মকর্তারা চলে যান। বহু গ্রাহক টাকার শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কেউ পক্ষাঘাতে আক্রান্ত, কারও মস্তিষ্কবিকৃতি দেখা দেয়। অনেক নারী প্রবাসী স্বামীর বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা যুবকে খাটিয়েছিলেন। এখন তাঁদের অনেকেই স্বামীপরিত্যক্তা। অর্থ লগ্নিকারী কেউ কেউ মারা গেছেন। তাঁদের মধ্যে ফেনী সরকারি কলেজের একজন শিক্ষকও রয়েছেন।
প্রায় পাঁচ মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের প্রমাণপত্রের অনুলিপি জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু পরে এ বিষয়ে কোনো তৎপরতার কথা জানা যায়নি। এখন একদিকে গ্রাহকেরা গভীর হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন, অন্যদিকে প্রতারক চক্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। চক্রটি বলছে, যা করার সরকার করবে, তাদের কথা বলা নিষেধ। এই অবস্থা থেকে আমরা যুবকের ফেনীর গ্রাহকেরা মুক্তি চাই এবং আমাদের টাকা ফেরত চাই।
যুবকের কাছে প্রতারিত ভুক্তভোগীরা
ফেনী।
শিশুশিক্ষা ও সাক্ষরতা জরিপ ২০১০
বিদ্যালয়ে ভর্তিযোগ্য শিশুদের শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করতে গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুশিক্ষা ও সাক্ষরতা জরিপ ২০১০-এর ফরম পূরণ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছেন। ফরমগুলোর উপজেলাওয়ারি সারসংক্ষেপ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এখন ফরমগুলো উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর, কোথাও কোথাও বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কম্পিউটারে এন্ট্রি করছেন। এই এন্ট্রি-প্রক্রিয়া নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং যাঁরা ডেটা এন্ট্রি করার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন তাঁরা পড়েছেন লেজে গোবরে অবস্থায়। যেমন—শিক্ষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণ করার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষক নিজে না গিয়ে ওই গ্রামের বেকার, পড়ালেখা করছে অথবা ছেড়ে দিয়েছে এমন ছেলেমেয়েদের মাধ্যমে জরিপ ফরম পূরণ করিয়েছেন। হাতের লেখা খুব খারাপ, পাঠোদ্ধার করাই মুশকিল। আর তথ্যের দিকটা কী বলব। একটি প্রশ্ন রয়েছে ‘খানার মোট সদস্যসংখ্যা কত?’ তারপর রয়েছে ‘তার মধ্যে মহিলা কতজন?’ এখানে দেখা যায় মোট সদস্যসংখ্যার চেয়ে মহিলা বেশি দেওয়া আছে। অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন সদস্যদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। খানার মোট সদস্যসংখ্যার চেয়ে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন সদস্যসংখ্যা বেশি দেখানো আছে। কোনো কোনো ফরমে ‘নিয়মিত স্কুলে যায় কি না’ এই ঘরও পূরণ করা হয়নি। ‘লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে থাকলে কারণ’—এটাও পূরণ করেননি অনেকে। কোনো কোনো শিক্ষক তাঁর পূরণ করা সব ফরমে ছয় বছরের কম বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে ‘লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ার কারণ’ লিখেছেন ‘স্কুলে ভর্তি না করায়’। কেউ কেউ সব ফরমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর কলামে ‘জানা নেই’ লিখেছেন। অনেকেই এমন সব কোড লিখেছেন যেগুলো আদৌ কোনো মান বহন করে না।
এবার কম্পিউটারে ডেটা এন্ট্রি প্রসঙ্গে। উপজেলার আয়তন ও জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী পনেরো হাজার থেকে দেড় লাখ পর্যন্ত খানা আছে। যেসব উপজেলায় জন্মহার বেশি সেখানে ০ থেকে ১৪ বছর বয়সের শিশুর সংখ্যাও বেশি। ফলে খানা কম থাকলেও বেশিসংখ্যক শিশুর নাম এন্ট্রি করতে হয় এবং প্রতি খানা এন্ট্রি করতে গড় সময় বেশি লাগে। আছে বিদ্যুৎ, কম্পিউটারের যান্ত্রিক সমস্যা। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের কম্পিউটার নষ্ট থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। সেখানে কাজ করতে বসলে শিক্ষা অফিসের অনেক কাজ করে দিতে হয়, ফলে জরিপকাজে বিঘ্ন ঘটে। এ ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার প্রমুখের ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের কম্পিউটার-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করতে হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্টও বিভিন্ন সময় ডেকে পাঠান কাজ করে দেওয়ার জন্য। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের করণিকের কাজ, প্রশিক্ষণ চলার সময়ে সহায়ক স্টাফের কাজ এমনকি যেখানে পিয়নের পদ শূন্য সেখানে পিয়নের কাজও করতে হয় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকেই। এ অবস্থায় মাসে ১৫ দিন কাজ করা এবং দৈনিক গড়ে ১০০ থেকে ১৫০টি খানার বেশি এন্ট্রি করা সম্ভব হয় না। যেখানে খানা অনুপাতে শিশুসংখ্যা বেশি সেখানে তো আরও কম। এ ছাড়া রয়েছে বিদ্যালয় জরিপ ২০১০-এর ফরম এন্ট্রি, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা ২০১০-এর ডিআর এন্ট্রির কাজ। এগুলোর মধ্যে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝা মুশকিল। যার ফলে বিদ্যালয় থেকে চাঁদা উঠিয়ে বাইরে থেকে কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন অনেক শিক্ষা অফিসার। তাতেও রয়েছে সমস্যা। উপজেলা পর্যায়ের দোকানের লোকজনের এই সফটওয়্যার সম্পর্কে সার্বিক ধারণা না থাকায় তাঁরা সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে পারছেন না। যেখানে চাঁদা ওঠানো হয়নি, সেখানে একা একজন ব্যক্তি এ কাজ করে যাচ্ছেন। যাঁদের বাসায় কম্পিউটার আছে তাঁরা অফিস সময়ের পর বাসায় নিয়ে ডেটা এন্ট্রি করছেন।
এভাবে চলতে থাকলে এই ডেটা এট্রির কাজ শেষ করতে কত দিন সময় প্রয়োজন বা কাজটি আদৌ সুসম্পন্ন করা যাবে কি না, তা-ই এখন বিবেচ্য বিষয়। এই এন্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে শতভাগ ভর্তি কেন নিশ্চিত হবে না, সেটাও সঠিকভাবে বোঝা যাবে না। তাই ওপরের সমস্যাগুলো বিবেচনা করে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রির কাজটি সম্পন্ন করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নাগরিক।
ক্ষুদ্রঋণের জালে সাঁথিয়াবাসী
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার অনেক গরিব মানুষ বিভিন্ন এনজিওর কাছে চড়া সুদে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিপদে পড়েছেন। এক এনজিওর ঋণ শোধ করতে আরেক এনজিওর কাছে ঋণ নেওয়া—একাধিক এনজিওর কিস্তির টাকা শোধ করতে গিয়ে এসব পরিবারের অনেক কিশোর-তরুণ মাদক পাচারসহ বিভিন্ন বেআইনি পথে উপার্জনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। কেউ কেউ ঋণ শোধ করতে না পেরে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সাঁথিয়ায় আট-দশটি বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা কাজ করছে। গরিব মহিলা, দিনমজুর, প্রান্তিক চাষি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে চড়া সুদে ঋণ নেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তিতে তাঁদের ঋণের টাকা শোধ করতে হয়। কিন্তু তাঁরা ঋণের টাকার সদ্ব্যবহার করছেন কি না, তাঁদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে কি না—এসব পর্যালোচনা না করেই সংস্থাগুলো তাদের ঋণ দেয় এবং কিস্তি আদায় করে। ক্ষুদ্রঋণের সহায়তায় তাঁরা আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন না, বরং সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। সাঁথিয়া উপজেলা সদর, নন্দনপুর, ধুলাউড়ি, কাশীনাথপুর, করমজা, সোনাতলা, নাগডেমড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে ক্ষুদ্রঋণ দানকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বরং মানুষ বলছে, সংস্থাগুলো আধুনিক পদ্ধতিতে পুরোনো সেই মহাজনি সুদের ব্যবসাই চালিয়ে যাচ্ছে।
ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে অনেক সুনাম করেছে। মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর গ্রামীণ ব্যাংক এ জন্য নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন। সাঁথিয়ায় কেন ক্ষুদ্রঋণব্যবস্থা গরিবদের দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হচ্ছে না, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগেরও হয়তো কিছু করণীয় আছে।
মো. আশিক ইকবাল, সাঁথিয়া বাজার, পাবনা।
যানজট নিরসনে রাজধানীর নৌপথ
এ বছর রাজধানী হিসেবে ৪০০ বছর পার করেছে ঢাকা শহর। ইতিহাসবিদদের তথ্যানুযায়ী, মোগল আমলে ঢাকাকে রাজধানী হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল নদী। রাজধানী হিসেবে ঢাকার মর্যাদা এখনো অক্ষুণ্ন থাকলেও সেই নদীর মর্যাদা আর আগের মতো নেই। রাজধানীর চারপাশ ঘেরা চারটি নদীর নাজুক অবস্থা সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় প্রায় প্রতিদিনই লেখা হচ্ছে, তার পরও কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙছে না। আজ চারটি নদী সুস্থ থাকলে নগরবাসী যানজটের মতো মহাদুর্ভোগ থেকে অনেকটাই রেহাই পেত।
বলা বাহুল্য, যানজট নিরসনে সরকারের প্রায় গলদঘর্ম অবস্থা। শত শত পরিকল্পনা, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও রাজধানী থেকে যানজট বিদায় করা যাচ্ছে না। যানজট নিরসনে সরকার তো স্থলপথে সমাধান না পেয়ে ইতিমধ্যে উড়ালপথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। সম্প্রতি প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীতে উড়াল সড়ক (এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে) নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কিন্তু আজ রাজধানীর চারপাশ ঘেরা ১১২ কিলোমিটার দীর্ঘ নৌপথ সচল ও সুগম থাকলে সরকারের হয়তো এ ধরনের ব্যয়বহুল প্রকল্প গ্রহণ করতে হতো না। বিশ্বের বহু উন্নত শহরেই নগরের নৌপথ কাজে লাগিয়ে শহরকে যানজটমুক্ত রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরাই কেবল উল্টো পথে হেঁটেছি। নদীগুলোকে তো মেরেছিই, সেই সঙ্গে মহানগরের ভেতরে বিভিন্ন স্থানের খাল ও ঝিলগুলোও প্রায় সর্বাংশে বিলুপ্ত করতে বসেছি।
তবে একটি আশার খবর, গত ২৮ আগস্ট সরকার রাজধানীর যানজট নিরসনে আমিনবাজার-সদরঘাট নৌপথে ‘বুড়িগঙ্গা’ ও ‘তুরাগ’ নামের দুটি সুদৃশ্য জলযান (ওয়াটার বাস) চালু করেছে। যানজট নিরসনে এ ধরনের ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে সাধুবাদযোগ্য। তবে এ ধরনের উদ্যোগের ক্ষেত্রে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুব সুখকর নয়। ২০০৫ সালের তৎকালীন জোট সরকার ২৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীতে বৃত্তাকার নৌপথ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সেই বৃত্তাকার নৌপথ আজও ‘সমস্যার বৃত্ত’ থেকে বের হতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নদীর নাব্যতা রক্ষার কোনো উদ্যোগ না নেওয়া আর যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় ওই প্রকল্প প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। যাত্রীসাধারণ বরাবরই সরকারের এ ধরনের শুভ উদ্যোগকে সানন্দেই গ্রহণ করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলা-অব্যবস্থাপনার কারণে এসব উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখতে পায় না।
তবে আমরা আশা করব, এবারের এই ওয়াটার বাস প্রকল্প অন্তত ব্যর্থ হবে না। ঢাকা মহানগরের দুর্বিষহ যানজট নিরসনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ প্রকল্প জনপ্রিয় করা খুবই জরুরি। এ জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সেই সঙ্গে রাজধানীর বৃত্তাকার নৌপথও ভালোভাবে চালু করতে হবে।
রানা আব্বাস
শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
rana_geographer@yahoo.com
‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়’
সরকারদলীয় একজন সাংসদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি দলীয় এক কর্মীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে গুরুতর। এমপি হোস্টেলের মতো সুরক্ষিত জায়গায় এটি ঘটেছে। আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ হালকাভাবে নেওয়ার অবকাশ নেই।
ওই সাংসদের নামে আরও নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের রাজনীতিকদের অনেকেই ক্ষমতাসীন থাকলে ধরাকে সরা জ্ঞান করেন। ক্ষমতা তাঁদের কাউকে কাউকে অন্ধ করে দেয়; এ ধরনের রাজনীতিকেরা কোনো আইনকে পরোয়া করেন না। ভাবমূর্তির ক্ষতি হচ্ছে, জনপ্রিয়তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে—এসব জেনেও দল তাঁদের বিরুদ্ধে সচরাচর পদক্ষেপ নিতে চায় না। এ কারণে আইনের শাসন বাধাগ্রস্ত হয়, মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারাতে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা এ ঘোষণার যথাযথ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আমরা আশা করব, সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে এবং প্রকৃত অপরাধী বিচারের মুখোমুখি হবে। আইন সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য; কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই সত্যের বাস্তব প্রতিফলন ঘটুক।
ফারহান তাম্বীরুল
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 09
(76)
- চার দিক-আলো আরও আলো by গোলাম রসূল
- শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-সরকারের বোঝার ওপর ছাত্রলীগের ...
- তথ্যপ্রযুক্তি-ডিজিটাল বাংলাদেশ করার নানা উদ্যোগ by...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-জুমাতুল বিদা ও আল-কুদ্স দিবস...
- পাকিস্তান-মানুষ ডুবছে বন্যায় আর নেতারা ভাসছেন টাকা...
- চিরকুট-তাহেরের বিচার by শাহাদুজ্জামান
- যুক্তি তর্ক গল্প-ব্যক্তিত্বই নারীর নিরাপত্তার সেরা...
- কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়াতে হবে-ভোগ্যপণ্যের যুক্তিহ...
- এ জন্যই কি তাঁরা সংসদে গিয়েছেন?-সাংসদদের গাড়িবিলাস
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে দোয়া ও ক্ষমা প্র...
- ইরাক-যুদ্ধ শেষ, কিন্তু জয়ও নেই শান্তিও নেই by ফারু...
- সরল গরল-সেনাশাসন রোধ: পাকিস্তানের পথে বাংলাদেশ? by...
- মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে যৌক্তিক মীমাংসা প্রয়োজন-বি...
- বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্পের স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধা...
- স্মরণ-বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছেন যিনি by সিমিন হোস...
- জন্মাষ্টমী-‘সত্যকে ধরে মাথা উঁচু করে অধর্মের বিরুদ...
- সপ্তাহের হালচাল-সংশোধনী বাতিলের সুফল জনগণ পাবে কি ...
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে তাহাজ্জুদ নামাজ ...
- দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-ভেজাল ও...
- দায়মুক্ত হোক বাংলাদেশ-বিচারবহির্ভূত হত্যা
- ওদের পছন্দের ফতুয়া টপ by শান্তা তাওহিদা
- চিকেন চিলি উইথ টমেটো
- রান্নায় যুগলবন্দী by সৈয়দা আখতার জাহান
- ঈদের দিন-চুল বাঁধা সাজ গয়না by রয়া মুনতাসীর
- চারদিক-শাঁখারীবাজারে একদিন by শর্মিলা সিনড্রেলা
- উচ্চমাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা-১২ দিনে সিলেবাস ও দু...
- বস্ত্রশিল্প-তিন লাখ টাকার শাড়ি বনাম আমাদের তাঁতি b...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে মাগফিরাতের দশক b...
- গদ্যকার্টুন-নিরীহ কৌতুক by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের ওপরে কি আদালত?...
- ঈদের এক সপ্তাহ আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন-পোশাকশ্...
- টেন্ডারবাজি বন্ধ হবে কবে-দরপত্র ছিনতাই
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-এভারেস্ট বিজয়
- যে খবর নাড় দেয়-বাংলাদেশিরা কতটা সৎ?
- মূল রচনা-যে শহর চোরাবালি
- জন্মদিন-কীর্তিময়ী এক নারীর কথা by জাহীদ রেজা নূর
- মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে গোসল করতে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু
- গণসমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি বিএনপির
- সিপিডির প্রতিক্রিয়া-লুকোচুরির বাজেটে অনেক অসংগতি ব...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন পথে হাঁটব by...
- প্রয়োজনে পিপিপির অর্থে পদ্মা সেতু
- নিশাত খুনের নেপথ্যে সম্পত্তির বিরোধ!-ছোট বোনকেও হত...
- বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব : প্রধানমন্ত্রী-...
- প্রতিক্রিয়া-সাংস্কৃতিক খাতে বিশেষ বরাদ্দ না থাকায় ...
- প্রি-পেইড মোবাইলে ছাড়ের ইঙ্গিত-অর্থমন্ত্রীর বাজেটো...
- দাহকালের কথা-ছিন্নপত্র by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে উপাচার্য প্যানেল নির্...
- বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপরই চাপ বাড়বে-ভারসাম্য ফেরা...
- বাজেট বিশ্লেষণ-সংকট থেকে উত্তরণে কিছু সাহসী পদক্ষে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সরকারকে আরও সময় দেওয়ার চিন্তা-কঠোর কোনো কর্মসূচি দ...
- অস্বাভাবিক অস্ত্রোপচার! by শিশির মোড়ল
- জীবন আরো কঠিন হবে by রাজীব আহমেদ
- জাপানি দম্পতির বাংলাদেশ অভিযান by তানজিনা হোসেন
- হুমায়ূন আহমেদের দেয়াল-সাহিত্যের সীমানা ও আদালতের দ...
- সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিপিডির মূল্যায়ন-বাজেট ব্যাকরণসিদ্...
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বর্নীর অহংকার শাহ আলম...
- বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী: কালোটাকাকে...
- ১৪ কোটির ঘাড়ে করের খড়্গ
- বিপন্ন পৃথিবী-রক্ষা করতে হবে যেকোনো মূল্যে
- শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ জরুরি by মো...
- 'আবার তোরা মানুষ হ' by গৌরব জি পাথাং
- মাতৃস্বাস্থ্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় নজর দিন by সুমি...
- প্লাবনের পঞ্চতন্ত্র by শেখ রোকন
- মহাজোটের 'ফেইট অ্যাকমপ্লি' অর্জিত হয়নি by এম আবদুল...
- কূটনীতি-যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ by হেনর...
- কালের আয়নায়-ড. ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠি by আবদু...
- বিপর্যয়ের আশঙ্কা-ঘুরে দাঁড়াবে কি মানুষ?
- জনশক্তি রফতানি-কর্মী পাঠানোর ব্যয় কমুক
- বড় স্বপ্নের বাজেট-বাস্তবায়নে দক্ষতা দেখাতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে জিরার স্থ...
- বহে কাল নিরবধি-যারা পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে! by এম আ...
- ইরানে পাশ্চাত্যবিরোধের অকার্যকারিতা by মুহাম্মদ রু...
- গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে b...
-
▼
Jun 09
(76)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment