Monday, October 18, 2010
প্রবন্ধ- ‘পারস্যে’: মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা' by অদিতি ফাল্গুনী
প্রবন্ধ- ‘পারস্যে’: মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা' by অদিতি ফাল্গুনী
‘বোগদাদে ব্রিটিশদের আকাশফৌজ আছে। সেই ফৌজের খৃষ্টান ধর্মযাজক আমাকে খবর দিলেন, এখানকার কোন্ শেখদের গ্রামে তাঁরা প্রতিদিন বোমা বর্ষণ করছেন। সেখানে আবালবৃদ্ধবণিতা যারা মরছে তারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উর্দ্ধলোক থেকে মার খাচ্ছে; এই সাম্রাজ্যনীতি ব্যক্তিবিশেষের সত্তাকে অস্পষ্ট করে দেয় বলেই তাদের মার এত সহজ। খৃস্ট এই-সব মানুষকেও পিতার সন্তান বলে স্বীকার করেছেন, কিন্তু খৃস্টান ধর্মযাজকের কাছে সেই পিতা এবং তাঁর সন্তান হয়েছে অবাস্তব, তাঁদের সাম্রাজ্যতত্ত্বের উড়ো জাহাজ থেকে চেনা গেল না তাদের, সেইজন্যে সাম্রাজ্য জুড়ে আজ মার পড়ছে সেই খৃস্টেরই বুকে। তা ছাড়া উড়ো জাহাজ থেকে এই-সব মরুচারীদের মারা যায় এত অত্যন্ত সহজে, ফিরে মার খাওয়ার আশঙ্কা এতই কম যে, মারের বাস্তবতা তাতেও ক্ষীণ হয়ে আসে। যাদের অতি নিরাপদে মারা সম্ভব মারওয়ালাদের কাছে তারা যথেষ্ট প্রতীয়মান নয়। এই কারণে, পাশ্চাত্য হননবিদ্যা যারা জানে না তাদের মানবসত্তা আজ পশ্চিমের অস্ত্রীদের কাছে ক্রমশই অত্যন্ত ঝাপসা হয়ে আসছে।’ (পারস্যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, পৃষ্ঠা ৬২৯, একাদশ খণ্ড , বিশ্বভারতী কর্তৃক প্রকাশিত ১২৫ তম রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত সুলভ সংস্করণ, আষাঢ় ১৩৯৭, পুনর্মুদ্রণ পৌষ ১৪০২।)

তেতাল্লিশ পৃষ্ঠার ভ্রমণ কাহিনী ‘পারস্যে’ মূলতঃ রবীন্দ্রনাথের ইরান যাত্রার বিবরণ হলেও এই ভ্রমণ কাহিনীর শেষ কয়েক পাতায় ইরান সীমান্ত পার হয়ে ইরাক ঘুরে দেখার কথাও আছে। অন্য নানা ভ্রমণ আখ্যানের মতো ভ্রমণ কড়চার পাশাপাশি সমকালীন বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষণ, পূর্ব-পশ্চিম বা প্রাচ্য-পাশ্চাত্য নিয়ে ভাবনা, বেড়াতে যাওয়া দেশের ইতিহাস-শিল্প-সংস্কৃতি বিষয়ক তথ্য পর্যালোচনা সহ নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু, সবচেয়ে যেটা বিস্ময়কর মনে হয়েছে তা’ হলো পশ্চিম এশিয়া তথা খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ ইরান-ইরাক-আরবে পশ্চিমা বৃটিশ-মার্কিনী শক্তিসমূহের লুব্ধ আগ্রাসী তৎপরতা কবির তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এড়াতে পারে নি। মুখর হয়েছেন তিনি পশ্চিমের আগ্রাসী ও সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতার বিরুদ্ধে। ভ্রমণ কাহিনীর শুরুতেই কবি আমাদের জানিয়ে দিচ্ছেন ১৯৩২ এর ১১ এপ্রিল পারস্যরাজের কাছ থেকে তিনি নিমন্ত্রণ পেলেন। সত্তর বছরে দেশের বাইরে আর ঘুরে না বেড়ানোর ভাবনা মাথায় ঘোরা ফেরা সত্ত্বেও পারস্যরাজের নিমন্ত্রণে ভেতরের চঞ্চল মনটি তার সাথে সাথেই আগ্রহী হয়ে উঠলো। প্রথমে বিমানে করে কলকাতা থেকে এলাহাবাদ হয়ে বোম্বে। সেখান থেকে ১২ই এপ্রিল জাহাজে উঠে পারস্য যাত্রা। ইরাণে ঢুকেই প্রথম যে বিষয়টি তাঁকে মুগ্ধ করে তা’ হলো রেজা শাহ পাহলভি কর্তৃক নতুন বিধান অনুযায়ী মোল্লা বা ধর্মীয় পুরোহিতের পোশাক পরতে বা পদবি পেতে রীতিমতো পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। ভারতের অসংখ্য পাণ্ডা পুরোহিত ও সন্ন্যাসী পেশায় যে তীব্র ব্যবসা দেখা যায়, প্রকৃত সন্তের বদলে ভণ্ডদেরই এই সংখ্যাধিক্য রোধে এমন একটি পরীক্ষা হলে বেশ হতো বলে কবি মনে করেন এবং সে ভাবনা আমাদের পাঠকদের সাথেও ভাগ করে নেন: ‘সাধুতা ও সন্ন্যাস যদি নিজের আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য হয় তা হলে সাজ পরবার বা নাম নেবার দরকার নেই, এমন-কি নিলে ক্ষতির কারণ আছে; যদি অন্যের জন্য হয় তা হলে যথোচিত পরীক্ষা দেওয়া উচিত।’
পারস্যে পা দিয়েই রবীন্দ্রনাথ আরো জানতে পারেন অতীতে সেখানে অগ্নি উপাসক বা বাহাই সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর নানা অত্যাচার হলেও রেজা শাহ পাহলভি দেশটিতে পরমতের প্রতি সহনশীলতা চর্চায় ব্রতী। ১৩ই এপ্রিল ইরাণের বুশেয়ারে পৌঁছতে পৌঁছতে বিমান যাত্রা, পশ্চিমা বিজ্ঞানের আবিষ্কার, অস্ত্রবিদ্যা সহ নানা ভাবনার প্রসঙ্গ বিস্তার ঘটাতে গিয়েই এ রচনার শুরুর উদ্ধৃত ভাবনার সাথে রবীন্দ্রনাথ আমাদের পরিচয় ঘটান, ‘ইরাক বায়ুফৌজের ধর্মযাজক তাঁদের বায়ু-অভিযানের তরফ থেকে আমার কাছে বাণী চাইলেন, আমি যে বাণী পাঠালুম সেইটে এইখানে প্রকাশ করা যাক।
From the beginning of our days man has imagined the seat of divinity in the upper air from which comes light and blows the breath of life for all creatures on this earth.— If in an evil moment man’s cruel history should spread its black wings to invade that realm of divine dreams with its cannibalistic greed and fratricidal ferocity then God’s curse will certainly descend upon us for that hideous desecration and the last curtain will be rung down upon the world of Man for whom God feels ashamed. (আমাদের সভ্যতার সূচনা লগ্ন থেকেই মানুষ ঊর্ধ্বাকাশকে দেবতার স্থান বলে কল্পনা করেছে যেখান হতে আলো আসে এবং পৃথিবীর সকল প্রাণীর নিঃশ্বাস নেবার বাতাস উৎপন্ন হয়। যদি কোনো মন্দ মুহূর্তে মানবের নিষ্ঠুর ইতিহাস তার কালো পাখা সমেত সেই স্বর্গীয় স্বপ্নের রাজ্যে তার যাবতীয় নরমাংসভোজী লোভ ও ভ্রাতৃঘাতী নৃশংসতা নিয়ে আগ্রাসী হয়ে ওঠে, তবে ঈশ্বরের অভিশাপ নিঃসন্দেহে আমাদের উপর বর্ষিত হবে এবং পৃথিবীর উপর শেষ পর্দাটা পড়বে যার জন্য ঈশ্বর লজ্জিত হবেন।–(অনুবাদ: লেখক)
‘পারস্যে’র প্রথম কয়েক পাতা জুড়েই আমরা দেখতে পাব একদা য়ুরোপ যাত্রীর ডায়েরি রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ইউরোপের প্রতি আগের সেই সসম্ভ্রম প্রেম হারিয়ে ফেলছেন। বোধ করছেন তিক্ততা। লিখছেন, ‘…আমরা এশিয়ার লোক, য়ুরোপের বিরুদ্ধে নালিশ আমাদের রক্তে। যখন থেকে তাদের জলদস্যু ও স্থলদস্যু দুর্বল মহাদেশের রক্ত শোষণ করতে বেরিয়েছে সেই আঠারো শতাব্দী থেকে আমাদের কাছে এরা নিজেদের মানহানি করেছে। লজ্জা নেই, কেননা, এরা আমাদের লজ্জা করবার যোগ্য বলেও মনে করে নি।’ পারস্যে (পৃ. ৬৩১)
রবীন্দ্রনাথ আরো বলছেন, ‘আমি এই কথা বলি, এশিয়া যদি সম্পূর্ণ না জাগতে পারে তা হলে য়ুরোপের পরিত্রাণ নেই। এশিয়ার দুর্বলতার মধ্যেই য়ুরোপের মৃত্যুবাণ। এই এশিয়ার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে যত তার চোখ রাঙারাঙি, তার মিথ্যা কলঙ্কিত কূট কৌশলের গুপ্তচরবৃত্তি। ক্রমে বেড়ে উঠেছে সমরসজ্জার ভার, পণ্যের হাট বহুবিস্তৃত করে অবশেষে আজ অগাধ ধনসমুদ্রের মধ্যে দুঃসহ করে তুলছে তার দারিদ্র্যতৃষ্ণা।’ (পৃ. ৬৩২, প্রাগুক্ত)
আবার রবীন্দ্রনাথের সময়েই জাপান এশিয়ার ভেতর নব্যপ্রাপ্ত শিক্ষা-অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি-সমর শক্তিতে প্রবল হয়ে উঠছে। কিšত্ত, ভবিষ্যৎদ্রষ্টা কবি বলছেন, ‘দেখলুম জাপান য়ুরোপের অস্ত্র আয়ত্ত করে এক দিকে নিরাপদ হয়েছে, তেমনি অন্য দিকে গভীরতর আপদের কারণ ঘটল। তার রক্তে প্রবেশ করেছে ইম্পীরিয়ালিজম্, সে নিজের চারি দিকে মথিত করে তুলেছে বিদ্বেষ।… এশিয়ায় যদি নতুন যুগ এসেই থাকে তবে এশিয়া তাকে নতুন করে আপন ভাষা দিক। তা না করে য়ুরোপের পশুগর্জনের অনুকরণই যদি সে করে সেটা সিংহনাদ হলেও তার হার।’ (পৃষ্ঠা ৬৩৩, প্রাগুক্ত)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের যে বিপর্যয় হিরোশিমা-নাগাসাকির ধবংসযজ্ঞে সাধিত হতে যায়, তা’ সাম্রাজ্যবাদের মারীরই একটা দিক বৈকি।

বেদুয়িনদের তাঁবুতে রবীন্দ্রনাথ
তুরস্কে কামাল পাশার উত্থান ও ব্রিটিশের বিরুদ্ধে তার বিজয়ে রবীন্দ্রনাথ বলছেন, ‘ইংলন্ডের রাষ্ট্রতক্তে তখন বসে আছেন লয়েড জর্জ ও চার্চহিল্ । ১৯২১ খৃস্টোব্দে ইংলন্ডে তখনকার মিত্রশক্তিরা একটা সভা ডেকেছিলেন। সেই সভায় আঙ্গোরার প্রতিনিধি বেকির সামী তুরুস্কের হয়ে যে প্রস্তাব করেছিলেন তাতে
তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ অনেকটা পরিমাণে ত্যাগ করতেই রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু গ্রীস আপন ষোলো-আনা দাবির ’পরেই জেদ ধরে বসে রইল, ইংলন্ড পশ্চাৎ থেকে তার সমর্থন করলে। অর্থাৎ কালনেমি-মামার লঙ্কাভাগের উৎসাহ তখনো খুব ঝাঁঝালো ছিল।…এ দিকে চলল গ্রীস তুরুস্কের লড়াই। এখনো আঙ্গোরা-পক্ষ রক্তপাত-নিবারণের উদ্দেশে বার বার সন্ধির প্রস্তাব পাঠালে। কিন্তু ইংলন্ড ও গ্রীস তার বিরুদ্ধে অবিচলিত রইল। শেষে সকল কথাবার্তা থামল গ্রীসের পরাজয়ে। কামালপাশার নায়কতায় নূতন তুরুস্কের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল আঙ্গোরা রাজধানীতে।’ (পৃ. ৬৩৩, প্রাগুক্ত)
কামাল পাশা প্রবর্তিত নারী শিক্ষা নীতির কথা উল্লেখ করেছেন করি। কিম্বা, রবীন্দ্রনাথ এটাও উল্লেখ করতে ভোলেন না যে প্যালেস্টাইনে এক ইংরেজ রাজকর্মচারী তার বিদায় ভাষণে যখন প্যালেস্টাইনকে ‘মুসলিম দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করে ইহুদি ও খ্রিষ্টান সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সমূহ হতে প্রতিনিধিত্ব সাপেক্ষে সেই ‘মুসলিম দেশ’-এর সরকার ‘মুসলিম’দের হাতেই থাকবে বলে আশ্বাস দেন, ‘তখন জেরুজিলামের মুফতি হাজি এমিন-এল্-হুসেইনি উত্তর করলেন, ‘For us it is an exclusively Arab, not a Mahommedan question. During your sojourn in this country you have doubtless observed that here there are no distinctions between Mahommedan and Christian Arabs. We regard the Christians not as a minority, but as Arabs.’ (পৃ. ৬৩৪, প্রাগুক্ত)
সন্দেহ নেই কবিতা, মখমল গালিচা ও গোলাপের দেশ পারস্যে কবি রবীন্দ্রনাথ সমাদর পেয়েছেন বিস্তর। ইন্দো-আর্য সংহতি বোধও ছিল। বেদ ও আবেস্তা দুই পরষ্পর বিচ্ছিন্ন ভ্রাতৃ বংশের দুটো পরমা গ্রন্থ: ‘কাব্য পারসিকদের নেশা, কবিদের সঙ্গে এদের আন্তরিক মৈত্রী। পারসিকদের কাছে আমার পরিচয়ের আরো-একটু বিশিষ্টতা আছে। আমি ই-ো-এরিয়ান (পৃষ্ঠা ৬৩৪, প্রাগুক্ত)।’
তুর্কি বংশোদ্ভূত বাসক্রি জাতি কিম্বা তুর্কিদেরই আর একটি শাখা কাজার সম্রাট মহম্মদ খাঁর দানবিক নিষ্ঠুরতার সময় হতে তামাক ব্যবসায়ী ইংরেজ, রেলওয়ের মালিক প্রতিবেশী রাশিয়া আর বেলজিয়মের বহুজাতিক ঠেলাঠেলি পারস্য বা ইরানকে ক্রমাগত দলিত মথিত করেছে: ‘অবশেষে একদা ইংরেজে রাশিয়ানে আপস হয়ে গেল। দুই কর্তার একজন পারস্যের মু-ের দিকে আর-একজন তার লেজের দিকে দুই হাওদা চড়িয়ে সওয়ার হয়ে বসল, অঙ্কুশরূপে সঙ্গে রইল সৈন্যসামন্ত। উত্তর দিকটা পড়ল রুশীয়ের ভাগে, দক্ষিণ দিকটা ইংরেজের, অল্প একটুখানি বাকি রইল সেখানে পারস্যের বাতি টিম্ টিম্ করে জ্বলছে।’ (পৃ. ৬৩৯, প্রাগুক্ত)
তবে, রাশিয়াতে অক্টোবর বিপ্লবের পর লেনিন জার সাম্রাজ্যের অধীনস্থ এশিয় মুসলিম জাতিগুলো সম্পর্কে যে উদার নীতি গ্রহণ করলেন ও পড়শি দেশের ভূখ-ে সাম্রাজ্য বিস্তারের অভিযানে ক্ষান্ত দিলেন, তারই ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশের সাথে যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ইরানকে শুধু মুক্ত হতেই সাহায্য করলো না, বরং ইরাণে রাশিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত রট্স্টাইন এই ঘোষণা দিলেন রাশিয়া ইরানকে তার সব দেনা হতে মুক্ত ঘোষণা করছে, ইরাণে তৈরি রাশিয়ার যাবতীয় পথ ও বন্দর বিনা মূল্যে ইরানকে দেওয়া হলো ও জারের রাশিয়া কর্তৃক দখলিকৃত সব ভূমি ইরানকে বিনা শর্তে ফিরিয়ে দেয়া হবে। সমকালীন বিশ্ব রাজনীতির নানা ফাঁক-ফোঁকড় এভাবেই আমাদের চিনিয়ে দিচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ।
নাহ্, শুধু প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের রাজনীতি বিশ্লেষণ করেই কবিমন তৃপ্ত নিঃসন্দেহে নয়। ইরাণের নিসর্গ… শিরাজ নগরীর দিকে যাবার পথে উপলবিকীর্ণ পথ, পপলার কমলালেবু চেস্ট্নাট এলম গাছের মাথা, গমের ক্ষেতে সদ্য গজানো নতুন চারা… সব কিছুই প্রবীণ কবির সজীব দৃষ্টিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে। শিরাজের গবর্নর কর্তৃক আহুত সভায় শেখ সাদি ও হাফিজের শহরে প্রাচ্যের অপর কবি রবীন্দ্রনাথকে শংসা জানানো হয়। কৃতজ্ঞতা জানাতে রবীন্দ্রনাথ বলেন যে একদা বঙ্গাধিপতির আমন্ত্রণ পেয়েও শেষ অবধি হাফিজ নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারেন নি। বাংলার কবি তারই প্রতিদানে আজ পারস্যের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে কৃতার্থ। সাদির সমাধি দেখতে গিয়ে কবির বিস্ময়: ‘সাদির সমাধিতে স্থাপত্যের গুণপনা কিছুই নেই। আজকের মতো ফুল দিয়ে প্রদীপ দিয়ে কবরস্থান সাজানো হয়েছে।’
শিরাজ হতে ইস্পাহান যাবার পথে রবীন্দ্রনাথ পারসিক সম্রাট দিগি¦জয়ী দরিয়ুসের ভগ্নপ্রাপ্ত পর্সিপোলিস নগরী দেখার রোমাঞ্চিত বর্ণনা দিচ্ছেন: ‘এই পর্সিপোলিসে ছিল দরিয়ুসের গ্রন্থাগার। বহু সহস্র চর্মপত্রে রুপালি সোনালি অক্ষরে তাঁদের ধর্মগ্রন্থ আবেস্তা লিপীকৃত হয়ে এইখানে রক্ষিত ছিল। আলেকজান্দার আজ জগতে এমন কিছুই রেখে যান নি যা এই পর্সিপোলিসের ক্ষতিপূরণ-স্বরূপে তুলনীয় হতে পারে।’ (পৃ. ৬৪৪, প্রাগুক্ত)।
পারস্যের ইতিহাস সংক্ষেপে জানাতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ আরো বলছেন, ‘পারস্যের ইতিহাস যখন শাহনামার পুরাণকথা থেকে বেরিয়ে এসে স্পষ্ট হয়ে উঠল তখন পারস্যে আর্যদের আগমন হাজার বছর পেরিয়ে গেছে। তখন দেখি আর্যজাতির দুই শাখা পারস্য-ইতিহাসের আরম্ভকালকে অধিকার করে আছে, মীদিয় এবং পারসিক। মীদিয়েরা প্রথমে এসে উপনিবেশ স্থাপন করে, তার পরে পারসিক। এই পারসিকদের দলপতি ছিলেন হখমানিশ। তাঁরই নাম-অনুসারে এই জাতি গ্রীকভাষায় আকেমেনিড (Achaemenid) আখ্যা পায়। খৃস্টজন্মের সাড়ে-পাঁচশো বছর পূর্বে আকেমেনীয় পারসিকেরা মীদিয়দের শাসন থেকে সমস্ত পারস্যকে মুক্ত করে নিজেদের অধীনে একচ্ছত্র করে। সমগ্র পারস্যের সেই প্রথম অদ্বিতীয় সম্রাট ছিলেন বিখ্যাত সাইরস, তাঁর প্রকৃত নাম খোরাস। তিনি যে শুধু সমস্ত পারস্যকে এক করলেন তা নয়, সেই পারস্যকে এমন এক বৃহৎ সাম্রাজ্যের চূড়ায় অধিষ্ঠিত করলেন–সে যুগে যার তুলনা ছিল না। এই বীরবংশের এক পরম দেবতা ছিলেন অহুরমজদা। ভারতীয় আর্যদের বরুণদেবের সঙ্গেই তাঁর সাজাত্য। …ভারতবর্ষের বৈদিক আর্যদেবতার মতোই তাঁর মন্দির ছিল না, এবং এখানকার মতোই ছিল অগ্নিবেদী।’ (পৃ. ৬৪৬, প্রাগুক্ত) ইস্পাহানের আর্মেনীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইতিহাসও নাড়াচাড়া করেছেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই ভ্রমণপঞ্জিতে।
‘পতন-অভুদ্যয়-বন্ধুর-পন্থা’র ভেতর দিয়েই পারস্য বা ইরান তার কালের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। নাদির শাহের রক্তাক্ত আগ্রাসন কিম্বা কাজার বংশীয় সম্রাট তুর্কি আগা মহম্মদ খাঁ কীভাবে পারস্যের কর্মান শহরে পাশবিকতার চূড়ান্ত অধ্যায় সঙ্ঘটিত করেছেন, সেই ব্যখ্যাও দেন তিনি: ‘কোথা থেকে এল কাজার-বংশীয় তুর্কি আগা মহম্মদ খাঁ। খুন করে, লুঠ করে, হাজার হাজার নারী ও শিশুকে বন্দী করে আপন পাশবিকতার চুড়ো তুললে কর্মান শহরে, নগরবাসীর সত্তর হাজার উৎপাটিত চোখ হিসাব করে গ’ণে নিলে।’ (পৃ. ৬৫৩-৫৪, প্রাগুক্ত)
আরব-পারস্যের দ্বন্দ্ব-মিলনের চিত্রও অবিশ্বাস্য নিরপেক্ষতায় তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথ। বঙ্কিমচন্দ্র যেমন ভারত উপমহাদেশের বিপুল সংখ্যক নিম্নবর্গের মানুষের ইসলামের সমতায় আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরকে অস্বীকার করে কেবলি ‘যবনের বলপ্রয়োগ ও অত্যাচার’কে ধর্মান্তরের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন, অস্বীকার করেছেন হিন্দু ধর্মের বর্ণাশ্রমের কালিমা, রবীন্দ্রনাথ তাঁর গোরাসহ একাধিক উপন্যাসে ইসলামের সাম্যবাদকে অস্বীকার করেন নি। শরৎচন্দ্রও। সেটুকু সত্যবাদিতা ও নিরপেক্ষতা শেষোক্ত দুই লেখকেরই ছিল। বঙ্কিমের মতো মিথ্যাচার তারা করেন নি। পারস্যেও ভারতের মতো প্রবল না হলেও জাতিভেদ বা সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ছিল কঠিন যা ধীরে ধীরে গরিষ্ঠ সংখ্যক পারস্যবাসীকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করে যদিও আরব-পারস্যের ভেতর ভাষাগত বা সংস্কৃতিগত দ্বন্দ্বের একটি দিক ছিল যা আজো আছে। রবীন্দ্রনাথ এসব দিককেই অতি পরিমিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি স্তবকে এভাবে সঙ্কলিত করেন: ‘পারস্যের ইতিহাসক্ষেত্রে একদিন যখন আরব এল তখন অতি অকস্মাৎ তার প্রকৃতিতে একটা মূলগত পরিবর্তন ঘটল। এ কথা মনে রাখা দরকার যে, বলপূর্বক ধর্মদীক্ষা দেওয়ার রীতি তখনো আরব গ্রহণ করে নি। আরবশাসনের আরম্ভকালে পারস্যে নানা সম্প্রদায়ের লোক একত্রে বাস করত এবং শিল্পরচনায় ব্যক্তিগত স্বাধীন রুচিকে বাধা দেওয়া হয় নি। পারস্যে ইসলাম ধর্ম অধিবাসীদের স্বেচ্ছানুসারে ক্রমে ক্রমে সহজে পরিবর্তিত হয়েছে। তৎপূর্বে ভারতবর্ষেরই মতো পারস্যে সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ছিল কঠিন, তদনুসারে শ্রেণীগত অবিচার ও অবমাননা জনসাধারণের পক্ষে নিশ্চয়ই পীড়ার কারণ হয়েছিল। স্বসম্প্রদায়ের মধ্যে ঈশ্বরপূজার সমান অধিকার ও পরস্পরের নিবিড় আত্মীয়তা এই ধর্মের প্রতি প্রজাদের চিত্ত আকর্ষণ করেছিল সন্দেহ নেই। এই ধর্মের প্রভাবে পারস্যে শিল্পকলার রূপ পরিবর্তন করাতে রেখালংকার ও ফুলের কাজ প্রাধান্য লাভ করেছিল। তার পরে তুর্কিরা এসে আরব সাম্রাজ্য ও সেইসঙ্গে তাদের বহুতর কীর্তি ল-ভ- করে দিলে, অবশেষে এল মোগল। এই-সকল কীর্তিনাশার দল প্রথমে যত উৎপাত করুক, ক্রমে তাদের নিজেদেরই মধ্যে শিল্পোৎসাহ সঞ্চারিত হতে লাগল। এমনি করে যুগান্তে যুগান্তে ভাঙচুর হওয়া সত্ত্বেও পারস্যে বার বার শিল্পের নবযুগ এসেছে।’ (পৃ. ৬৫৪-৬৫৫, প্রাগুক্ত)
তেহরানের গোলাপের গন্ধমাধুর্যে মুগ্ধ হবার পাশাপাশি বেহালায় বাজানো পারস্য সঙ্গীতের সাথে ভারতীয় ভৈরোঁ রামকেলি রাগের সাদৃশ্য বা পারস্যের তালযন্ত্র ডম্বক যে আমাদের বাঁয়া-তবলার চেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ এমন কিছু পর্যবেক্ষণও পারস্য সঙ্গীত বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ করেছেন তাঁর এই ভ্রমণপঞ্জিতে। তেহরানের পর বাগদাদ যেতে ইরাণের সীমান্ত শহর কাজবিন (সাসানীয় কালের শহর) ও বেহি¯ত্তন ভ্রমণেরও বর্ণনা দেন : ‘অবশেষে আমাদের রাস্তা এসে পড়ল বেহি¯ত্তনে। এখানে শৈলগাত্রে দরিয়ুসের কীর্তিলিপি পারসিক সুসীয় ও ব্যাবিলোনীয় ভাষায় ক্ষোদিত। এই ক্ষোদিত ভাষার ঊর্ধ্বে দরিয়ুসের মূর্তি। এই মূর্তির সামনে বন্দীবেশে দশজন বিদ্রোহীর প্রতিরূপ। …দরিয়ুসের মাথার উপরে অহুরমজ্দার মূর্তি।’ (পৃ. ৬৬১-৬৬২, প্রাগুক্ত)।’
বেহিস্তুনে আকেমেনীয়, সাসানীয় ও পার্থীয় রাজবংশের সময়কার নানা গুহাচিত্র দেখে রবীন্দ্রনাথ কির্মানশা ও কাস্রিশিরিন পার হয়ে পৌঁছে যান ইরাকের বাগদাদ। টাইগ্রিস নদীর তীরে একটি হোটেলে ঠাঁই নিয়ে অপরাহ্নে ইরাকি কবি সাহিত্যিকদের এক আমন্ত্রণে বক্তব্য দানের সময় বলেন, ‘আজ আমি একটি দরবার নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। একদা আরবের পরম গৌরবের দিনে পূর্বে পশ্চিমে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক ভূভাগ আরব্যের প্রভাব-অধীনে এসেছিল। ভারতবর্ষে সেই প্রভাব যদিও আজ রাষ্ট্রশাসনের আকারে নেই, তবুও সেখানকার বৃহৎ মুসলমান সম্প্রদায়কে অধিকার করে বিদ্যার আকারে, ধর্মের আকারে আছে। সেই দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে আমি আপনাদের বলছি, আরবসাগর পার করে আরব্যের নববাণী আর-একবার ভারতবর্ষে পাঠান–যাঁরা আপনাদের স্বধর্মী তাঁদের কাছে–আপনাদের মহৎ ধর্মগুরুর পূজ্যনামে, আপনাদের পবিত্রধর্মের সুনামী রক্ষার জন্য।’ (পৃ. ৬৬৫, প্রাগুক্ত)
ইরাকের বেদুইন তাঁবুতে প্রচ- শরীর খারাপের ভেতরেও রবীন্দ্রনাথ গেলেন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য। কারণ, দেশে থাকতে যে মাত্র তিরিশ বছর বয়সে মরুভূমিতে না এসেই লিখে ফেলেছিলেন, ‘ইহার চেয়ে হতেম যদি আরব বেদুয়িন।’ বেদুয়িনদের এক থালা হতে খাদ্যগ্রহণ, যোদ্ধা নৃত্য মুগ্ধ করে কবিকে। বেদুয়িন-আতিথেয়তার পাশাপাশি অভিজ্ঞতার জন্য বেদুয়িন-দস্যুতার পরিচয় দিতে বেদুয়িন নেতাকে অনুরোধ করলে নেতা জানান বয়সে প্রাচীন ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের গায়ে বেদুয়িনরা হস্তক্ষেপ করে না। একটু মনঃক্ষুণ্ন রবীন্দ্রনাথের উপলব্ধি, ‘সত্তর বছর বয়সে যৌবনের পরীক্ষা চলবে না।… যুবকে যুবকে দ্বন্দ্ব ঘটে, সেই দ্বন্দ্বের আলোড়নে সংসারপ্রবাহের বিকৃতি দূর হয়। দস্যু যখন বৃদ্ধকে ভক্তি করে তখন সে তাকে আপন জগৎ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যুবকের সঙ্গেই তার শক্তির পরীক্ষা, সেই দ্বন্দ্বের আঘাতে শক্তি প্রবল থাকে, অতএব ভক্তির সুদূর অন্তরালে পঞ্চাশোর্ধ্বং বনং ব্রজেৎ।’ (পৃ. ৬৬৮, প্রাগুক্ত)
এখানেই শেষ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের ‘পারস্যে’ বা পারস্যনামা। হালের ইরাকে মার্কিনী অক্ষশক্তির সদম্ভ পদচারণা, ইরানের সাথেও যুদ্ধ লাগাবার পাঁয়তারা সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বে খনিজ সম্পদলোভী পশ্চিমা সভ্যতার আগ্রাসনের এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের ‘পারস্যে’র পুনঃপাঠ হওয়া একান্ত জরুরি।
ঢাকা, ৫/৮/২০১০
তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ অনেকটা পরিমাণে ত্যাগ করতেই রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু গ্রীস আপন ষোলো-আনা দাবির ’পরেই জেদ ধরে বসে রইল, ইংলন্ড পশ্চাৎ থেকে তার সমর্থন করলে। অর্থাৎ কালনেমি-মামার লঙ্কাভাগের উৎসাহ তখনো খুব ঝাঁঝালো ছিল।…এ দিকে চলল গ্রীস তুরুস্কের লড়াই। এখনো আঙ্গোরা-পক্ষ রক্তপাত-নিবারণের উদ্দেশে বার বার সন্ধির প্রস্তাব পাঠালে। কিন্তু ইংলন্ড ও গ্রীস তার বিরুদ্ধে অবিচলিত রইল। শেষে সকল কথাবার্তা থামল গ্রীসের পরাজয়ে। কামালপাশার নায়কতায় নূতন তুরুস্কের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল আঙ্গোরা রাজধানীতে।’ (পৃ. ৬৩৩, প্রাগুক্ত)
কামাল পাশা প্রবর্তিত নারী শিক্ষা নীতির কথা উল্লেখ করেছেন করি। কিম্বা, রবীন্দ্রনাথ এটাও উল্লেখ করতে ভোলেন না যে প্যালেস্টাইনে এক ইংরেজ রাজকর্মচারী তার বিদায় ভাষণে যখন প্যালেস্টাইনকে ‘মুসলিম দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করে ইহুদি ও খ্রিষ্টান সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সমূহ হতে প্রতিনিধিত্ব সাপেক্ষে সেই ‘মুসলিম দেশ’-এর সরকার ‘মুসলিম’দের হাতেই থাকবে বলে আশ্বাস দেন, ‘তখন জেরুজিলামের মুফতি হাজি এমিন-এল্-হুসেইনি উত্তর করলেন, ‘For us it is an exclusively Arab, not a Mahommedan question. During your sojourn in this country you have doubtless observed that here there are no distinctions between Mahommedan and Christian Arabs. We regard the Christians not as a minority, but as Arabs.’ (পৃ. ৬৩৪, প্রাগুক্ত)
সন্দেহ নেই কবিতা, মখমল গালিচা ও গোলাপের দেশ পারস্যে কবি রবীন্দ্রনাথ সমাদর পেয়েছেন বিস্তর। ইন্দো-আর্য সংহতি বোধও ছিল। বেদ ও আবেস্তা দুই পরষ্পর বিচ্ছিন্ন ভ্রাতৃ বংশের দুটো পরমা গ্রন্থ: ‘কাব্য পারসিকদের নেশা, কবিদের সঙ্গে এদের আন্তরিক মৈত্রী। পারসিকদের কাছে আমার পরিচয়ের আরো-একটু বিশিষ্টতা আছে। আমি ই-ো-এরিয়ান (পৃষ্ঠা ৬৩৪, প্রাগুক্ত)।’
তুর্কি বংশোদ্ভূত বাসক্রি জাতি কিম্বা তুর্কিদেরই আর একটি শাখা কাজার সম্রাট মহম্মদ খাঁর দানবিক নিষ্ঠুরতার সময় হতে তামাক ব্যবসায়ী ইংরেজ, রেলওয়ের মালিক প্রতিবেশী রাশিয়া আর বেলজিয়মের বহুজাতিক ঠেলাঠেলি পারস্য বা ইরানকে ক্রমাগত দলিত মথিত করেছে: ‘অবশেষে একদা ইংরেজে রাশিয়ানে আপস হয়ে গেল। দুই কর্তার একজন পারস্যের মু-ের দিকে আর-একজন তার লেজের দিকে দুই হাওদা চড়িয়ে সওয়ার হয়ে বসল, অঙ্কুশরূপে সঙ্গে রইল সৈন্যসামন্ত। উত্তর দিকটা পড়ল রুশীয়ের ভাগে, দক্ষিণ দিকটা ইংরেজের, অল্প একটুখানি বাকি রইল সেখানে পারস্যের বাতি টিম্ টিম্ করে জ্বলছে।’ (পৃ. ৬৩৯, প্রাগুক্ত)
তবে, রাশিয়াতে অক্টোবর বিপ্লবের পর লেনিন জার সাম্রাজ্যের অধীনস্থ এশিয় মুসলিম জাতিগুলো সম্পর্কে যে উদার নীতি গ্রহণ করলেন ও পড়শি দেশের ভূখ-ে সাম্রাজ্য বিস্তারের অভিযানে ক্ষান্ত দিলেন, তারই ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশের সাথে যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ইরানকে শুধু মুক্ত হতেই সাহায্য করলো না, বরং ইরাণে রাশিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত রট্স্টাইন এই ঘোষণা দিলেন রাশিয়া ইরানকে তার সব দেনা হতে মুক্ত ঘোষণা করছে, ইরাণে তৈরি রাশিয়ার যাবতীয় পথ ও বন্দর বিনা মূল্যে ইরানকে দেওয়া হলো ও জারের রাশিয়া কর্তৃক দখলিকৃত সব ভূমি ইরানকে বিনা শর্তে ফিরিয়ে দেয়া হবে। সমকালীন বিশ্ব রাজনীতির নানা ফাঁক-ফোঁকড় এভাবেই আমাদের চিনিয়ে দিচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ।
নাহ্, শুধু প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের রাজনীতি বিশ্লেষণ করেই কবিমন তৃপ্ত নিঃসন্দেহে নয়। ইরাণের নিসর্গ… শিরাজ নগরীর দিকে যাবার পথে উপলবিকীর্ণ পথ, পপলার কমলালেবু চেস্ট্নাট এলম গাছের মাথা, গমের ক্ষেতে সদ্য গজানো নতুন চারা… সব কিছুই প্রবীণ কবির সজীব দৃষ্টিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে। শিরাজের গবর্নর কর্তৃক আহুত সভায় শেখ সাদি ও হাফিজের শহরে প্রাচ্যের অপর কবি রবীন্দ্রনাথকে শংসা জানানো হয়। কৃতজ্ঞতা জানাতে রবীন্দ্রনাথ বলেন যে একদা বঙ্গাধিপতির আমন্ত্রণ পেয়েও শেষ অবধি হাফিজ নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারেন নি। বাংলার কবি তারই প্রতিদানে আজ পারস্যের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে কৃতার্থ। সাদির সমাধি দেখতে গিয়ে কবির বিস্ময়: ‘সাদির সমাধিতে স্থাপত্যের গুণপনা কিছুই নেই। আজকের মতো ফুল দিয়ে প্রদীপ দিয়ে কবরস্থান সাজানো হয়েছে।’
শিরাজ হতে ইস্পাহান যাবার পথে রবীন্দ্রনাথ পারসিক সম্রাট দিগি¦জয়ী দরিয়ুসের ভগ্নপ্রাপ্ত পর্সিপোলিস নগরী দেখার রোমাঞ্চিত বর্ণনা দিচ্ছেন: ‘এই পর্সিপোলিসে ছিল দরিয়ুসের গ্রন্থাগার। বহু সহস্র চর্মপত্রে রুপালি সোনালি অক্ষরে তাঁদের ধর্মগ্রন্থ আবেস্তা লিপীকৃত হয়ে এইখানে রক্ষিত ছিল। আলেকজান্দার আজ জগতে এমন কিছুই রেখে যান নি যা এই পর্সিপোলিসের ক্ষতিপূরণ-স্বরূপে তুলনীয় হতে পারে।’ (পৃ. ৬৪৪, প্রাগুক্ত)।
পারস্যের ইতিহাস সংক্ষেপে জানাতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ আরো বলছেন, ‘পারস্যের ইতিহাস যখন শাহনামার পুরাণকথা থেকে বেরিয়ে এসে স্পষ্ট হয়ে উঠল তখন পারস্যে আর্যদের আগমন হাজার বছর পেরিয়ে গেছে। তখন দেখি আর্যজাতির দুই শাখা পারস্য-ইতিহাসের আরম্ভকালকে অধিকার করে আছে, মীদিয় এবং পারসিক। মীদিয়েরা প্রথমে এসে উপনিবেশ স্থাপন করে, তার পরে পারসিক। এই পারসিকদের দলপতি ছিলেন হখমানিশ। তাঁরই নাম-অনুসারে এই জাতি গ্রীকভাষায় আকেমেনিড (Achaemenid) আখ্যা পায়। খৃস্টজন্মের সাড়ে-পাঁচশো বছর পূর্বে আকেমেনীয় পারসিকেরা মীদিয়দের শাসন থেকে সমস্ত পারস্যকে মুক্ত করে নিজেদের অধীনে একচ্ছত্র করে। সমগ্র পারস্যের সেই প্রথম অদ্বিতীয় সম্রাট ছিলেন বিখ্যাত সাইরস, তাঁর প্রকৃত নাম খোরাস। তিনি যে শুধু সমস্ত পারস্যকে এক করলেন তা নয়, সেই পারস্যকে এমন এক বৃহৎ সাম্রাজ্যের চূড়ায় অধিষ্ঠিত করলেন–সে যুগে যার তুলনা ছিল না। এই বীরবংশের এক পরম দেবতা ছিলেন অহুরমজদা। ভারতীয় আর্যদের বরুণদেবের সঙ্গেই তাঁর সাজাত্য। …ভারতবর্ষের বৈদিক আর্যদেবতার মতোই তাঁর মন্দির ছিল না, এবং এখানকার মতোই ছিল অগ্নিবেদী।’ (পৃ. ৬৪৬, প্রাগুক্ত) ইস্পাহানের আর্মেনীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইতিহাসও নাড়াচাড়া করেছেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই ভ্রমণপঞ্জিতে।
‘পতন-অভুদ্যয়-বন্ধুর-পন্থা’র ভেতর দিয়েই পারস্য বা ইরান তার কালের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। নাদির শাহের রক্তাক্ত আগ্রাসন কিম্বা কাজার বংশীয় সম্রাট তুর্কি আগা মহম্মদ খাঁ কীভাবে পারস্যের কর্মান শহরে পাশবিকতার চূড়ান্ত অধ্যায় সঙ্ঘটিত করেছেন, সেই ব্যখ্যাও দেন তিনি: ‘কোথা থেকে এল কাজার-বংশীয় তুর্কি আগা মহম্মদ খাঁ। খুন করে, লুঠ করে, হাজার হাজার নারী ও শিশুকে বন্দী করে আপন পাশবিকতার চুড়ো তুললে কর্মান শহরে, নগরবাসীর সত্তর হাজার উৎপাটিত চোখ হিসাব করে গ’ণে নিলে।’ (পৃ. ৬৫৩-৫৪, প্রাগুক্ত)
আরব-পারস্যের দ্বন্দ্ব-মিলনের চিত্রও অবিশ্বাস্য নিরপেক্ষতায় তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথ। বঙ্কিমচন্দ্র যেমন ভারত উপমহাদেশের বিপুল সংখ্যক নিম্নবর্গের মানুষের ইসলামের সমতায় আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরকে অস্বীকার করে কেবলি ‘যবনের বলপ্রয়োগ ও অত্যাচার’কে ধর্মান্তরের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন, অস্বীকার করেছেন হিন্দু ধর্মের বর্ণাশ্রমের কালিমা, রবীন্দ্রনাথ তাঁর গোরাসহ একাধিক উপন্যাসে ইসলামের সাম্যবাদকে অস্বীকার করেন নি। শরৎচন্দ্রও। সেটুকু সত্যবাদিতা ও নিরপেক্ষতা শেষোক্ত দুই লেখকেরই ছিল। বঙ্কিমের মতো মিথ্যাচার তারা করেন নি। পারস্যেও ভারতের মতো প্রবল না হলেও জাতিভেদ বা সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ছিল কঠিন যা ধীরে ধীরে গরিষ্ঠ সংখ্যক পারস্যবাসীকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করে যদিও আরব-পারস্যের ভেতর ভাষাগত বা সংস্কৃতিগত দ্বন্দ্বের একটি দিক ছিল যা আজো আছে। রবীন্দ্রনাথ এসব দিককেই অতি পরিমিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি স্তবকে এভাবে সঙ্কলিত করেন: ‘পারস্যের ইতিহাসক্ষেত্রে একদিন যখন আরব এল তখন অতি অকস্মাৎ তার প্রকৃতিতে একটা মূলগত পরিবর্তন ঘটল। এ কথা মনে রাখা দরকার যে, বলপূর্বক ধর্মদীক্ষা দেওয়ার রীতি তখনো আরব গ্রহণ করে নি। আরবশাসনের আরম্ভকালে পারস্যে নানা সম্প্রদায়ের লোক একত্রে বাস করত এবং শিল্পরচনায় ব্যক্তিগত স্বাধীন রুচিকে বাধা দেওয়া হয় নি। পারস্যে ইসলাম ধর্ম অধিবাসীদের স্বেচ্ছানুসারে ক্রমে ক্রমে সহজে পরিবর্তিত হয়েছে। তৎপূর্বে ভারতবর্ষেরই মতো পারস্যে সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ছিল কঠিন, তদনুসারে শ্রেণীগত অবিচার ও অবমাননা জনসাধারণের পক্ষে নিশ্চয়ই পীড়ার কারণ হয়েছিল। স্বসম্প্রদায়ের মধ্যে ঈশ্বরপূজার সমান অধিকার ও পরস্পরের নিবিড় আত্মীয়তা এই ধর্মের প্রতি প্রজাদের চিত্ত আকর্ষণ করেছিল সন্দেহ নেই। এই ধর্মের প্রভাবে পারস্যে শিল্পকলার রূপ পরিবর্তন করাতে রেখালংকার ও ফুলের কাজ প্রাধান্য লাভ করেছিল। তার পরে তুর্কিরা এসে আরব সাম্রাজ্য ও সেইসঙ্গে তাদের বহুতর কীর্তি ল-ভ- করে দিলে, অবশেষে এল মোগল। এই-সকল কীর্তিনাশার দল প্রথমে যত উৎপাত করুক, ক্রমে তাদের নিজেদেরই মধ্যে শিল্পোৎসাহ সঞ্চারিত হতে লাগল। এমনি করে যুগান্তে যুগান্তে ভাঙচুর হওয়া সত্ত্বেও পারস্যে বার বার শিল্পের নবযুগ এসেছে।’ (পৃ. ৬৫৪-৬৫৫, প্রাগুক্ত)
তেহরানের গোলাপের গন্ধমাধুর্যে মুগ্ধ হবার পাশাপাশি বেহালায় বাজানো পারস্য সঙ্গীতের সাথে ভারতীয় ভৈরোঁ রামকেলি রাগের সাদৃশ্য বা পারস্যের তালযন্ত্র ডম্বক যে আমাদের বাঁয়া-তবলার চেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ এমন কিছু পর্যবেক্ষণও পারস্য সঙ্গীত বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ করেছেন তাঁর এই ভ্রমণপঞ্জিতে। তেহরানের পর বাগদাদ যেতে ইরাণের সীমান্ত শহর কাজবিন (সাসানীয় কালের শহর) ও বেহি¯ত্তন ভ্রমণেরও বর্ণনা দেন : ‘অবশেষে আমাদের রাস্তা এসে পড়ল বেহি¯ত্তনে। এখানে শৈলগাত্রে দরিয়ুসের কীর্তিলিপি পারসিক সুসীয় ও ব্যাবিলোনীয় ভাষায় ক্ষোদিত। এই ক্ষোদিত ভাষার ঊর্ধ্বে দরিয়ুসের মূর্তি। এই মূর্তির সামনে বন্দীবেশে দশজন বিদ্রোহীর প্রতিরূপ। …দরিয়ুসের মাথার উপরে অহুরমজ্দার মূর্তি।’ (পৃ. ৬৬১-৬৬২, প্রাগুক্ত)।’
বেহিস্তুনে আকেমেনীয়, সাসানীয় ও পার্থীয় রাজবংশের সময়কার নানা গুহাচিত্র দেখে রবীন্দ্রনাথ কির্মানশা ও কাস্রিশিরিন পার হয়ে পৌঁছে যান ইরাকের বাগদাদ। টাইগ্রিস নদীর তীরে একটি হোটেলে ঠাঁই নিয়ে অপরাহ্নে ইরাকি কবি সাহিত্যিকদের এক আমন্ত্রণে বক্তব্য দানের সময় বলেন, ‘আজ আমি একটি দরবার নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। একদা আরবের পরম গৌরবের দিনে পূর্বে পশ্চিমে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক ভূভাগ আরব্যের প্রভাব-অধীনে এসেছিল। ভারতবর্ষে সেই প্রভাব যদিও আজ রাষ্ট্রশাসনের আকারে নেই, তবুও সেখানকার বৃহৎ মুসলমান সম্প্রদায়কে অধিকার করে বিদ্যার আকারে, ধর্মের আকারে আছে। সেই দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে আমি আপনাদের বলছি, আরবসাগর পার করে আরব্যের নববাণী আর-একবার ভারতবর্ষে পাঠান–যাঁরা আপনাদের স্বধর্মী তাঁদের কাছে–আপনাদের মহৎ ধর্মগুরুর পূজ্যনামে, আপনাদের পবিত্রধর্মের সুনামী রক্ষার জন্য।’ (পৃ. ৬৬৫, প্রাগুক্ত)
ইরাকের বেদুইন তাঁবুতে প্রচ- শরীর খারাপের ভেতরেও রবীন্দ্রনাথ গেলেন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য। কারণ, দেশে থাকতে যে মাত্র তিরিশ বছর বয়সে মরুভূমিতে না এসেই লিখে ফেলেছিলেন, ‘ইহার চেয়ে হতেম যদি আরব বেদুয়িন।’ বেদুয়িনদের এক থালা হতে খাদ্যগ্রহণ, যোদ্ধা নৃত্য মুগ্ধ করে কবিকে। বেদুয়িন-আতিথেয়তার পাশাপাশি অভিজ্ঞতার জন্য বেদুয়িন-দস্যুতার পরিচয় দিতে বেদুয়িন নেতাকে অনুরোধ করলে নেতা জানান বয়সে প্রাচীন ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের গায়ে বেদুয়িনরা হস্তক্ষেপ করে না। একটু মনঃক্ষুণ্ন রবীন্দ্রনাথের উপলব্ধি, ‘সত্তর বছর বয়সে যৌবনের পরীক্ষা চলবে না।… যুবকে যুবকে দ্বন্দ্ব ঘটে, সেই দ্বন্দ্বের আলোড়নে সংসারপ্রবাহের বিকৃতি দূর হয়। দস্যু যখন বৃদ্ধকে ভক্তি করে তখন সে তাকে আপন জগৎ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যুবকের সঙ্গেই তার শক্তির পরীক্ষা, সেই দ্বন্দ্বের আঘাতে শক্তি প্রবল থাকে, অতএব ভক্তির সুদূর অন্তরালে পঞ্চাশোর্ধ্বং বনং ব্রজেৎ।’ (পৃ. ৬৬৮, প্রাগুক্ত)
এখানেই শেষ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের ‘পারস্যে’ বা পারস্যনামা। হালের ইরাকে মার্কিনী অক্ষশক্তির সদম্ভ পদচারণা, ইরানের সাথেও যুদ্ধ লাগাবার পাঁয়তারা সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বে খনিজ সম্পদলোভী পশ্চিমা সভ্যতার আগ্রাসনের এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের ‘পারস্যে’র পুনঃপাঠ হওয়া একান্ত জরুরি।
ঢাকা, ৫/৮/২০১০
=============================
অদিতি ফাল্গুনী
জন্মযশোর, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন শাস্ত্রে সম্মান ও স্নাতকোত্তর।
বই
১) অধিবর্ষ অপরিচয়ের (কাব্যগ্রন্থ, ফেব্রুয়ারি ২০০৮, বাঙলায়ন কর্তৃক প্রকাশিত)।
২) মিকেলেঞ্জেলো: জীবন ও কর্ম (অনুবাদগ্রন্থ, মূল: আলেক্সান্দ্রা গ্রুমলিং, ফেব্রুয়ারি ২০০৮, বাঙলায়ন কর্তৃক প্রকাশিত)।
৩) চিহ্নিত বারুদ বিনিময় (গল্পগ্রন্থ, এপ্রিল ২০০৭, অঙ্কুর কর্তৃক প্রকাশিত)।
৪) দ্য রাখাইনস্ অফ পটুয়াখালি এণ্ড বরগুনা রিজিয়ন: ইন কোয়েস্ট ফর অ্যা ডিসট্যান্ট হোমল্যাণ্ড (গবেষণাগ্রন্থ, কোডেক কর্তৃক প্রকাশিত, ফেব্রুয়ারি ২০০৬)।
৫) বানিয়ালুকা ও অন্যান্য গল্প (গল্পগ্রন্থ, ফেব্রুয়ারি ২০০৫, ঐতিহ্য কর্তৃক প্রকাশিত)।
৬) গোত্রপিতার হেমন্ত (অনুবাদগ্রন্থ, মূল: দ্য অটাম অফ দ্য প্যাট্রিয়ার্ক, গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, ফেব্র“য়ারি ২০০৪, সন্দেশ কর্তৃক প্রকাশিত)।
৭) আমার জীবন (অনুবাদগ্রন্থ, মূল: মাই লাইফ, মার্ক শাগাল, ফেব্রুয়ারি ২০০১, ঐতিহ্য কর্তৃক প্রকাশিত)।
৮) খসড়াখাতা: নারীবাদী সাহিত্যতত্ত্ব ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (প্রবন্ধ সঙ্কলন, ফেব্র“য়ারি ২০০০, শ্রাবণ কর্তৃক প্রকাশিত)।
৯) ইমানুয়েলের গৃহপ্রবেশ (গল্পগ্রন্থ, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯, স্টুডেন্ট ওয়েজ কর্তৃক প্রকাশিত)।
১০) বাংলার নারী সংগ্রামী: ঐতিহ্যের অনুসন্ধানী (গবেষণাগ্রন্থ, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮, স্টেপস্ টুওয়ার্ডস্ ডেভেলপমেন্ট কর্তৃক প্রকাশিত)।
১১) পারিবারিক আইনে বাংলাদেশের নারী (যৌথ গবেষণাগ্রন্থ, সেপ্টেম্বর ১৯৯৭, আইন ও সালিশ কেন্দ্র কর্তৃক প্রকাশিত)।
============================
উপন্যাস- 'রৌরব' by লীসা গাজী »»» (পর্ব-এক) # (পর্ব-দুই) # (পর্ব-তিন) # (পর্ব-চার শেষ) গল্প- 'পান্নালালের বাস্তু' by সিউতি সবুর গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা আহমদ ছফার অগ্রন্থিত রচনা কর্ণফুলীর ধারে আলোচনা- 'খানিক ছফানামা' by কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর প্রবন্ধ- অল্পবিদ্যা কংকরবোমা : 'ফ্রয়েড, এডোয়ার্ড স. প্রবন্ধ- 'তাদের সঙ্গে, তাদের এলাকায়' by আকিমুন রহম প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পে ও গদ্যে মুসলমানের. প্রবন্ধ- 'কবিতা, মানবজাতির মাতৃভাষা' by মাসুদ খান প্রবন্ধ- 'কাজী নজরুল:রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দের পার প্রবন্ধ- 'জাতীয় কবিতা উৎসব ২০০৯-এ পঠিত প্রবন্ধ সাম প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর “একজন তৃতীয় সারি প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর গায়ক রবীন্দ্রনাথ. প্রবন্ধ- 'গণশিক্ষায় কেসস্টাডি ‘হৈমন্তি’র অপুরুষ বন
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ অদিতি ফাল্গুনী
এই প্রবন্ধ'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 18
(51)
- কবিতা- 'উৎসর্গ' by অসীম সাহা
- তিনটি কবিতা' by বদরে মুনীর
- আমার কোনো শত্রু নেই - লিউ সিয়াওবো
- বন্দরের অচলাবস্থা নিরসন হওয়ায় বিকেএমইএ সন্তুষ্ট
- সংখ্যার চমক!
- বাড়ি ফিরেছেন চিলির খনিশ্রমিকেরা
- ফ্রান্সে পেনশন সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ধর্মঘট ...
- কল সেন্টারগুলো থেকে কৃষিতথ্য সরবরাহের নীতিমালা তৈর...
- সু চিকে মুক্তি না দেওয়ায় বান কি মুনের উদ্বেগ
- কাবাডি লিগ
- চীনে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র
- রোনালদিনহোর মরিনহো-বন্দনা
- ব্রাদার্সের ফুটবল কমিটি
- অযোধ্যা মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আবেদনের সিদ্ধান্ত
- মুম্বাই হামলা সম্পর্কে আগেই হুঁশিয়ারি পেয়েছিল এফবিআই
- দুই বাটের আশা
- কাশ্মীরের সব এলাকা থেকে কারফিউ প্রত্যাহার
- স্নাইডার থাকতে চান, তবে...
- ফ্রান্সে পেনশন সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ধর্মঘট ...
- বাড়ি ফিরেছেন চিলির খনিশ্রমিকেরা
- অ্যাশেজে বিসিসিআইয়ের ‘শিক্ষাসফর
- বৃথাই টেলরের নিঃসঙ্গ লড়াই
- কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হচ্ছেন মার্কিন সেনা
- ইরাক যুদ্ধে ৭৭ হাজার প্রাণহানি
- মেইঞ্জের স্বপ্ন টুটল হামবুর্গে
- দক্ষিণ কোরিয়ার নৌ-মহড়া যুদ্ধ ঘোষণার শামিল
- ৪-০-এর দিন
- মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরগরম
- জাতিসংঘের অস্থায়ী সদস্য হতে চেষ্টা চালাবে পাকিস্তান
- এক গ্রুপে ‘তিন ভাই’
- রোনালদিনহোর মরিনহো-বন্দনা
- কিউইদের উইলিয়ামসন-শিক্ষা
- ফেদেরারের বিরুদ্ধে বেটিংয়ের অভিযোগ
- দুই বাটের আশা
- আরও কিছু পাওয়ার ম্যাচ
- অ্যাশেজে বিসিসিআইয়ের ‘শিক্ষাসফর’
- বৃথাই টেলরের নিঃসঙ্গ লড়াই
- মেইঞ্জের স্বপ্ন টুটল হামবুর্গে
- কিউইদের উইলিয়ামসন-শিক্ষা
- ফেদেরারের বিরুদ্ধে বেটিংয়ের অভিযোগ
- আরও কিছু পাওয়ার ম্যাচ
- কবিতা- 'সেরগেই এসেনিন বলছে' by আবদুল মান্নান সৈয়দ
- কবিতা-মোহাম্মদ রফিক এর কপিলা থেকে ও অঙ্গীকার
- কবিতা- 'সেতু' by বায়েজীদ মাহবুব
- কবিতা- 'রেঙ্গুন সনেটগুচ্ছ : গৌতমই সর্বহারাদের ঘরাম...
- প্রবন্ধ- ‘পারস্যে’: মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা সাম্রাজ্...
- প্রবন্ধ- 'গণশিক্ষায় কেসস্টাডি ‘হৈমন্তি’র অপুরুষ বন...
- প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর গায়ক রবীন্দ্রনাথ...
- প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর “একজন তৃতীয় সারি...
- প্রবন্ধ- 'জাতীয় কবিতা উৎসব ২০০৯-এ পঠিত প্রবন্ধ সাম...
- প্রবন্ধ- 'কাজী নজরুল:রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দের পার...
-
▼
Oct 18
(51)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment