Saturday, December 13, 2014
মানচিত্র পাল্টে যাচ্ছে
মানচিত্র পাল্টে যাচ্ছে

পাল্টে
যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের মানচিত্র। ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় জমিসংক্রান্ত
সমস্যা নিরসন এবং দেশের অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিত করায় দু’দেশের সীমান্ত
রেখায় কিছুটা পরিবর্তন আসবে। এই পরিবর্তনের ফলে ৫২ হাজার ছিটমহলবাসীর ৬৩
বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে ভারতের
সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে দেশটি সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সংসদের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই বাংলাদেশ-ভারত
সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভারত সরকার তাদের সংবিধান সংশোধনীর বিল
পাস করতে যাচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, চুক্তির বাস্তবায়ন হলে ভারত
তার প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে এক ধাপ এগোবে। এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ
গলবে অনেক বেশি, যা অপরাপর অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে। এ বিষয়ে
পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারত আমাদের
আশ্বস্ত করেছে, তারা শিগগিরই সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করবে। আমরা আশা করি,
এই লক্ষ্যে শীতকালীন অধিবেশনেই ভারতের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধনী বিল
পাস হবে।’ ভারতের পার্লামেন্টে ২৪ নভেম্বর শুরু হওয়া শীতকালীন অধিবেশন ২৩
ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এর আগে অনুষ্ঠিত
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিল পাসের পক্ষে যৌক্তিকতা তুলে ধরেন ভারতের
পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং। তিনি বলেন, সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ভারত
ভূমি হারাতে পারে বলে কোনো কোনো মহল থেকে যে আশংকার কথা বলা হচ্ছে, এটা
সঠিক নয়। কারণ যে জমি ভারতের দখলে নেই, সেই জমি হারানোর প্রশ্ন আসে কিভাবে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ড.
মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফরকালে বাংলাদেশ-ভারত ১৯৭৪ সালের সীমান্ত চুক্তির
একটি অতিরিক্ত প্রটোকল সই হয়। সেখানে ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমির
হস্তান্তর এবং অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিত করার মাধ্যমে একটি প্যাকেজ
সমাধান করা হয়। এই সমাধানের লক্ষ্যে দুই দেশের জরিপ কর্মকর্তারা বিরোধপূর্ণ
এলাকায় গিয়ে গুচ্ছ মানচিত্র প্রস্তুত করেন। এই গুচ্ছ মানচিত্র দুই দেশের
মধ্যে স্বাক্ষর ও হস্তান্তর হয়েছে। ফলে ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির
বলে পরিচিত সীমান্ত চুক্তিতে এমনভাবে ২০১১ সালের নতুন প্রটোকলে যুক্ত করা
হয়েছে যে, সীমান্তের কোনো বাসিন্দাকেই সরানো হবে না। যারা যেভাবে বর্তমানে
সীমানা দখলে রেখেছেন তা স্থির রেখে নতুন সীমানা রেখা টানা হয়েছে। ফলে দুই
দেশের মানচিত্রে খানিকটা বদল হয়েছে বটে। মানচিত্র বদলের কারণেই ভারতের
পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধন করে এই চুক্তি অনুসমর্থন করতে হচ্ছে।
ছিটমহল বিনিময়ের পর ভারতের ছিটে বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের সব দায়-দায়িত্ব ভারত সরকার বহন করবে। আগেও এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ছিট বিনিময়ের আগ মূুহূর্তে বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্যই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। এতে সিদ্ধান্ত হয় পুনর্বাসনের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের, রাজ্যের নয়। একই সঙ্গে তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারকে অবহিত করার বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় ছিটমহল বসবাসকারীদের কেউ যদি ভারতে গিয়ে স্থায়ীভাবে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন তবে তার পুনর্বাসনে সব দায় কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাগরিকত্ব দেয়াসহ সব দায়িত্ব পালন করবে ভারতের সরকার। ছিটমহলবাসীর নাগরিকত্ব দেয়াসহ পুনর্বাসনে রাজ্য সরকারের কোনো সুপারিশ থাকলে কেন্দ্র তাও বিবেচনা করবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর ডিজি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে একদা বিরোধিতাকারী বিজেপির এখনকার যুক্তি হল, আসামসহ ভারতে বাংলাদেশীদের ‘অনুপ্রবেশ’ বন্ধে মোক্ষম হাতিয়ার হবে এই চুক্তির বাস্তবায়ন। নিউইয়র্ক ও কাঠমান্ডুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর এই বিল পাসে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার বিজেপি। তিস্তার পানিবণ্টন ও সীমান্ত চুক্তির ইস্যুতে ভারত প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন না করায় বাংলাদেশ ট্রানজিটের প্রস্তাবিত অবকাঠামো চুক্তি নিয়েও অগ্রসর হচ্ছে না। অনেকেই মনে করেন, ভারতে মোদির বর্তমান সরকার একটি ব্যবসাবান্ধব সরকার হওয়ায় গোটা ভারতে বাণিজ্য বাড়াতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ট্রানজিট জরুরি। বাংলাদেশের সহায়তা ছাড়া এই কানেকটিভিটি সম্ভব নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মোদি আগে প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়নে মনোযোগী হয়েছেন। এদিকে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের কাছাকাছি সময়ে ১৮ ডিসেম্বর ভারত সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সফরকালে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে। এই চুক্তির বাস্তবায়নকে সীমান্তে হত্যা বন্ধে একটি হাতিয়ার হিসেবে মনে করে।
জানা গেছে, কংগ্রেসদলীয় এমপি শশী থারুরের নেতৃত্বে পার্লামেন্টের এ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বিলটি পাসের সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। মোদির আসাম সফরের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বিজেপির আসাম শাখার এই বিলের ব্যাপারে আপত্তি আর নেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রীতিমতো ইউটার্ন নিয়ে কুচবিহার সীমান্তে ঘোষণা দেন যে, তিনি ছিটমহল বিনিময়ের লক্ষ্যে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পক্ষে। ফলে এই বিল পাসে আপত্তি দেয়ার মতো একমাত্র দল ‘আসাম গণপরিষদ’। কিন্তু বাধা দিয়ে এই বিল আটকে দেয়ার মতো ক্ষমতা তাদের নেই। ফলে বিলটি পাস হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
গত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে সংবিধান সংশোধনের এই বিল ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় উত্থাপন করা হলে বিজেপি, আসাম গণপরিষদ এবং মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তার বিরোধিতা করে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের এই বিলের ব্যাপারে তেমন আপত্তি না থাকলেও আসাম ইউনিট এই বিষয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে। ভারতের পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে একবার কোনো বিল উত্থাপন হলে তা থেকে যায়। এই কারণে বিগত আমলে কংগ্রেস যে বিলটি এনেছিল, তা এখন পরিবর্তন ও পরিবর্ধনসহ পাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতে সংবিধান সংশোধন করতে হলে পার্লামেন্টে উভয় কক্ষ অর্থাৎ উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিুকক্ষ লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তা পাস হতে হবে। লোকসভায় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় অনায়াসেই এই বিল পাস হয়ে যাবে। রাজ্যসভায় সংবিধান সংশোধনের মতো বিল পাসে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই বিজেপির। কিন্তু বিলটি যেহেতু গত আমলে কংগ্রেসই উত্থাপন করেছে, ফলে এই বিলে কংগ্রেস সমর্থন দেবে। এ অবস্থায় সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসে তেমন কোনো বাধা নেই। এখন শুধু অপেক্ষা কবে এটি পাস হয়।
জানতে চাইলে বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি সোমবার দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুগান্তরকে বলেন, ‘আশা করি আগামী ১০ দিনের মধ্যেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনী বিল পার্লামেন্টে পাস হবে। কার্যপ্রণালী বিধি মোতাবেক এখন পার্লামেন্টের যৌথসভা ডাকা হবে। সেখানে বিলটি নেয়া হলে তার ওপর ভোটাভুটি হবে। এছাড়া এই বিল পাসের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নেই।’
সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন যে দুই দেশের জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার পূরণ ঘটাবে এতে কোনো সন্দেহ নেই- এমন কথাই বলেছেন ভারতের অবসরে যাওয়া কূটনীতিক বীণা সিক্রি। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন। দেখুন, সীমান্তের এই সমস্যাটা বাংলাদেশের স্বাধীনতারও বহু আগের। দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে আছে এই সমস্যা। তারপর ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি হল। প্রটোকল সই হল। এখন সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তবায়ন হবে।’
সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা জানতে চাইলে বীণা সিক্রি বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমান্ত চুক্তি কিভাবে প্রভাব ফেলবে বলতে পারছি না। তবে ভারতে প্রত্যেকেই এই চুক্তি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের অপেক্ষায় আছেন। সবারই প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে যে চুক্তি ঝুলে আছে তার বাস্তবায়ন সম্পন্ন হোক। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের একেবারে শুরু অর্থাৎ মে মাস থেকেই এই চুক্তি বাস্তবায়নে সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের মাথায় ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তির বাস্তবায়নকে সবাই বিজেপির সাফল্য হিসেবে দেখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তির বাস্তবায়ন সবচেয়ে ভালো খবর হয়ে আসবে ছিটমহলবাসীর মধ্যে। সেখানে লোক গণনা হয়ে গেছে।’ বীণা সিক্রি বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমার সময়ে একবার বন্যা হয়েছিল। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দারা তখন কোনো সহায়তা পায়নি। বাংলাদেশ থেকে সহায়তা করা হয়নি যেহেতু তারা ভারতের নাগরিক। অপরদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গিয়ে ভারতও কোনো সহায়তা করতে পারেনি। ফলে ছিটমহলের বাসিন্দারা অভাবনীয় দুর্ভোগে দিনাতিপাত করেছেন। ছিটমহলের মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনশৃঙ্খলা সব ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। তারা যে অন্তহীন সমস্যার মধ্যে থাকেন তার একটা অবসান হবে এটাই শুভ সংবাদ।’ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পর কি নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন এই প্রশ্নে বীণা সিক্রি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই দফা দেখা হয়েছে। একবার নিউইয়র্কে, আরেকবার কাঠমান্ডুতে, তারা নিশ্চয়ই আলোচনা করেছেন। ফলে অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়।’
সংবিধান সংশোধনী বিল ভারতের পার্লামেন্টে সহসাই পাস হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু জানতে চাইলে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই সীমান্ত চুক্তির বিল পাস করা সম্ভব। তবে যেভাবে প্রক্রিয়াটা অগ্রসর হচ্ছে তাতে শুধু সংবিধান সংশোন বিল পাসই যথেষ্ট নয়, বরং মাঠ পর্যায়ে এই চুক্তির বাস্তবায়নও প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে এটা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই ইতিবাচক হবে। দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। তবে আমরা একই সঙ্গে আশা করি, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিসহ অনিষ্পন্ন সব ইস্যুর দ্রুত নিষ্পত্তি করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘সীমান্ত চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ছিটমহলে মানুষ যে অমানবিক জীবনযাপন করছে তার একটা অবসান হবে। তাদের মানবেতর জীবনের অবসান করাটা একটা মানবিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বই পালন হবে।’
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের লক্ষ্যে স্যার সিরিল রেডক্লিফের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এঁকেছিলেন। তারপর পূর্ব পাকিস্তানের এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ। এখন সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই মানচিত্র কিছুটা বদলে যাবে। এ কারণে ভারতের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কূটনীতিক বলেছেন, সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে বেরুবাড়ী ভারতের কাছে হস্তান্তরের সময়েও বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছিল।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমেনা মহসীন মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারতে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করে এই বিল পাস করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে এই ঐকমত্যের সৃষ্টি হওয়ায় এতদিন ঝুলে থাকা সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে। এই বিল পাস হলে এটা ইতিবাচক হবে এ কারণে যে, এর মাধ্যমে সীমান্তে বহু সমস্যা সমাধানের পথ খুলে যাবে। যেমন- সীমান্ত হাট, সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন, যার সুফল ভোগ করবে দুই দেশের জনগণ।’
ছিটমহল বিনিময় : ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদনের পর এখন দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সংবিধান সংশোধনী পাস হলেই সীমান্ত সংক্রান্ত তিনটি বিরোধের নিষ্পত্তি হবে। এগুলো হল- ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমির হস্তান্তর এবং অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ। ছিটমহল হচ্ছে কোনো দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানা থেকে বিচ্ছিন্ন এবং অন্য একটি দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে বিরাজমান ভূখণ্ড বা জনপদ। ছিটমহল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং ওখানে যেতে হলে অন্য দেশটির জমির ওপর দিয়ে যেতে হয়। ভারত আর বাংলাদেশের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় সম্ভব হবে। এর জন্য ভারতকে ১৭ হাজারের কিছু বেশি একর জমি বাংলাদেশকে দিতে হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের এখন ১১১টি ছিটমহল রয়েছে। এগুলো বাংলাদেশ পাবে। অপরদিকে ভারত পাবে সাত হাজার একরের একটু বেশি জমি। ২০১১ সালের লোক গণনা মোতাবেক বাংলাদেশে ভারতের ছিটমহলে জনসংখ্যা ৩৮ হাজার এবং ভারতে বাংলাদেশের ছিটমহলে লোকসংখ্যা ১৪ হাজার। কেননা ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের যে ৫১টি ছিটমহল রয়েছে সেগুলো ভারত পাবে। এসব ছিটমহল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল অর্থাৎ পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় এবং সীমানার ওপারে ভারতের কুচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত। কোচরাজারা এবং রংপুরের মহারাজারা মূলত ছিল সামন্ত। তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমনকি ঋণ পরিশোধে মহলের বিনিময় পর্যন্ত ছিল। মোগল আমলে প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই ক্ষুদ্র রাজ্যের রাজা ও মহারাজারা মিলিত হতো তিস্তা পারে দাবা ও তাস খেলার উদ্দেশে। খেলায় বাজি ধরা হতো বিভিন্ন মহলকে, যা কাগজের টুকরা দিয়ে চিহ্নিত করা হতো। খেলায় হার-জিতের মধ্য দিয়ে এই কাগজের টুকরা বা ছিট বিনিময় হতো। সঙ্গে সঙ্গে বদলাত সংশ্লিষ্ট মহলের মালিকানা। এভাবে সেই আমলে তৈরি হয়েছিল একের রাজ্যের ভেতরে অন্যের ছিটমহল।
অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম এবং ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অনেক স্থানে দুই দেশের বাসিন্দারা সীমান্ত রেখা ছাড়িয়ে গিয়ে ভূমি দখল করে রেখেছে বছরের পর বছর। যাদের দখলে আছে তারা এসব বিরোধপূর্ণ স্থানে কৃষি কাজও করছে। এখন এসব ভূমি বহু বছর ধরে যে দেশ দখল করে রাখছে তাদের কাছে ছেড়ে দিয়ে অপদখলীয় ভূমির হস্তান্তর হবে চুক্তি বাস্তবায়ন হলে। এক্ষেত্রে রেডক্লিফের সীমান্ত রেখারও পরিবর্তন হচ্ছে। যার ফলে নতুন গুচ্ছ মানচিত্র তৈরি করেছেন দুই দেশের জরিপ কর্মকর্তারা। অপদখলীয় ভূমিগুলোও বিনিময় করা হবে, যার ফলে ভারত প্রায় দুই হাজার আটশ’ একর জমি পাবে। আর বাংলাদেশকে দিতে হবে দুই হাজার দুইশ’ ষাট একরের মতো জমি।
অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি স্থলসীমান্ত রয়েছে। এই দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে তিনটি স্থানে সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমানা এখনও অচিহ্নিত রয়েছে। এই স্থানগুলোতে বিরোধপূর্ণ এলাকা দিয়ে প্রায়ই সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখন সীমানায় যে স্থান যার দখলে রয়েছে সেখানেই সীমান্ত রেখা টেনে গুচ্ছ মানচিত্র করা হয়েছে। সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন হলে এই অবশিষ্ট অচিহ্নিত সীমানাও চিহ্নিত হয়ে যাবে।
ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর সিরিল রেডক্লিফ ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এঁকেছিলেন। তারপর পূর্ব পাকিস্তানের এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ। এখন সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই মানচিত্রের কিছুটা বদলে যাবে। এ কারণে ভারতের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কূটনীতিক বলেছেন, সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে বেরুবাড়ী ভারতের কাছে হস্তান্তরের সময়েও বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছিল।
ছিটমহল বিনিময়ের পর ভারতের ছিটে বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের সব দায়-দায়িত্ব ভারত সরকার বহন করবে। আগেও এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ছিট বিনিময়ের আগ মূুহূর্তে বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্যই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। এতে সিদ্ধান্ত হয় পুনর্বাসনের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের, রাজ্যের নয়। একই সঙ্গে তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারকে অবহিত করার বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় ছিটমহল বসবাসকারীদের কেউ যদি ভারতে গিয়ে স্থায়ীভাবে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন তবে তার পুনর্বাসনে সব দায় কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাগরিকত্ব দেয়াসহ সব দায়িত্ব পালন করবে ভারতের সরকার। ছিটমহলবাসীর নাগরিকত্ব দেয়াসহ পুনর্বাসনে রাজ্য সরকারের কোনো সুপারিশ থাকলে কেন্দ্র তাও বিবেচনা করবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর ডিজি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে একদা বিরোধিতাকারী বিজেপির এখনকার যুক্তি হল, আসামসহ ভারতে বাংলাদেশীদের ‘অনুপ্রবেশ’ বন্ধে মোক্ষম হাতিয়ার হবে এই চুক্তির বাস্তবায়ন। নিউইয়র্ক ও কাঠমান্ডুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর এই বিল পাসে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার বিজেপি। তিস্তার পানিবণ্টন ও সীমান্ত চুক্তির ইস্যুতে ভারত প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন না করায় বাংলাদেশ ট্রানজিটের প্রস্তাবিত অবকাঠামো চুক্তি নিয়েও অগ্রসর হচ্ছে না। অনেকেই মনে করেন, ভারতে মোদির বর্তমান সরকার একটি ব্যবসাবান্ধব সরকার হওয়ায় গোটা ভারতে বাণিজ্য বাড়াতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ট্রানজিট জরুরি। বাংলাদেশের সহায়তা ছাড়া এই কানেকটিভিটি সম্ভব নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মোদি আগে প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়নে মনোযোগী হয়েছেন। এদিকে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের কাছাকাছি সময়ে ১৮ ডিসেম্বর ভারত সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সফরকালে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে। এই চুক্তির বাস্তবায়নকে সীমান্তে হত্যা বন্ধে একটি হাতিয়ার হিসেবে মনে করে।
জানা গেছে, কংগ্রেসদলীয় এমপি শশী থারুরের নেতৃত্বে পার্লামেন্টের এ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বিলটি পাসের সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। মোদির আসাম সফরের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বিজেপির আসাম শাখার এই বিলের ব্যাপারে আপত্তি আর নেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রীতিমতো ইউটার্ন নিয়ে কুচবিহার সীমান্তে ঘোষণা দেন যে, তিনি ছিটমহল বিনিময়ের লক্ষ্যে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পক্ষে। ফলে এই বিল পাসে আপত্তি দেয়ার মতো একমাত্র দল ‘আসাম গণপরিষদ’। কিন্তু বাধা দিয়ে এই বিল আটকে দেয়ার মতো ক্ষমতা তাদের নেই। ফলে বিলটি পাস হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
গত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে সংবিধান সংশোধনের এই বিল ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় উত্থাপন করা হলে বিজেপি, আসাম গণপরিষদ এবং মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তার বিরোধিতা করে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের এই বিলের ব্যাপারে তেমন আপত্তি না থাকলেও আসাম ইউনিট এই বিষয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে। ভারতের পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে একবার কোনো বিল উত্থাপন হলে তা থেকে যায়। এই কারণে বিগত আমলে কংগ্রেস যে বিলটি এনেছিল, তা এখন পরিবর্তন ও পরিবর্ধনসহ পাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতে সংবিধান সংশোধন করতে হলে পার্লামেন্টে উভয় কক্ষ অর্থাৎ উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিুকক্ষ লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তা পাস হতে হবে। লোকসভায় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় অনায়াসেই এই বিল পাস হয়ে যাবে। রাজ্যসভায় সংবিধান সংশোধনের মতো বিল পাসে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই বিজেপির। কিন্তু বিলটি যেহেতু গত আমলে কংগ্রেসই উত্থাপন করেছে, ফলে এই বিলে কংগ্রেস সমর্থন দেবে। এ অবস্থায় সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসে তেমন কোনো বাধা নেই। এখন শুধু অপেক্ষা কবে এটি পাস হয়।
জানতে চাইলে বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি সোমবার দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুগান্তরকে বলেন, ‘আশা করি আগামী ১০ দিনের মধ্যেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনী বিল পার্লামেন্টে পাস হবে। কার্যপ্রণালী বিধি মোতাবেক এখন পার্লামেন্টের যৌথসভা ডাকা হবে। সেখানে বিলটি নেয়া হলে তার ওপর ভোটাভুটি হবে। এছাড়া এই বিল পাসের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নেই।’
সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন যে দুই দেশের জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার পূরণ ঘটাবে এতে কোনো সন্দেহ নেই- এমন কথাই বলেছেন ভারতের অবসরে যাওয়া কূটনীতিক বীণা সিক্রি। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন। দেখুন, সীমান্তের এই সমস্যাটা বাংলাদেশের স্বাধীনতারও বহু আগের। দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে আছে এই সমস্যা। তারপর ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি হল। প্রটোকল সই হল। এখন সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তবায়ন হবে।’
সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা জানতে চাইলে বীণা সিক্রি বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমান্ত চুক্তি কিভাবে প্রভাব ফেলবে বলতে পারছি না। তবে ভারতে প্রত্যেকেই এই চুক্তি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের অপেক্ষায় আছেন। সবারই প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে যে চুক্তি ঝুলে আছে তার বাস্তবায়ন সম্পন্ন হোক। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের একেবারে শুরু অর্থাৎ মে মাস থেকেই এই চুক্তি বাস্তবায়নে সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের মাথায় ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তির বাস্তবায়নকে সবাই বিজেপির সাফল্য হিসেবে দেখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই চুক্তির বাস্তবায়ন সবচেয়ে ভালো খবর হয়ে আসবে ছিটমহলবাসীর মধ্যে। সেখানে লোক গণনা হয়ে গেছে।’ বীণা সিক্রি বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমার সময়ে একবার বন্যা হয়েছিল। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দারা তখন কোনো সহায়তা পায়নি। বাংলাদেশ থেকে সহায়তা করা হয়নি যেহেতু তারা ভারতের নাগরিক। অপরদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গিয়ে ভারতও কোনো সহায়তা করতে পারেনি। ফলে ছিটমহলের বাসিন্দারা অভাবনীয় দুর্ভোগে দিনাতিপাত করেছেন। ছিটমহলের মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনশৃঙ্খলা সব ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। তারা যে অন্তহীন সমস্যার মধ্যে থাকেন তার একটা অবসান হবে এটাই শুভ সংবাদ।’ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পর কি নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন এই প্রশ্নে বীণা সিক্রি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই দফা দেখা হয়েছে। একবার নিউইয়র্কে, আরেকবার কাঠমান্ডুতে, তারা নিশ্চয়ই আলোচনা করেছেন। ফলে অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়।’
সংবিধান সংশোধনী বিল ভারতের পার্লামেন্টে সহসাই পাস হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু জানতে চাইলে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই সীমান্ত চুক্তির বিল পাস করা সম্ভব। তবে যেভাবে প্রক্রিয়াটা অগ্রসর হচ্ছে তাতে শুধু সংবিধান সংশোন বিল পাসই যথেষ্ট নয়, বরং মাঠ পর্যায়ে এই চুক্তির বাস্তবায়নও প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘ভারতের পার্লামেন্টে সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে এটা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই ইতিবাচক হবে। দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। তবে আমরা একই সঙ্গে আশা করি, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিসহ অনিষ্পন্ন সব ইস্যুর দ্রুত নিষ্পত্তি করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘সীমান্ত চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ছিটমহলে মানুষ যে অমানবিক জীবনযাপন করছে তার একটা অবসান হবে। তাদের মানবেতর জীবনের অবসান করাটা একটা মানবিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বই পালন হবে।’
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের লক্ষ্যে স্যার সিরিল রেডক্লিফের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এঁকেছিলেন। তারপর পূর্ব পাকিস্তানের এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ। এখন সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই মানচিত্র কিছুটা বদলে যাবে। এ কারণে ভারতের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কূটনীতিক বলেছেন, সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে বেরুবাড়ী ভারতের কাছে হস্তান্তরের সময়েও বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছিল।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমেনা মহসীন মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভারতে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করে এই বিল পাস করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে এই ঐকমত্যের সৃষ্টি হওয়ায় এতদিন ঝুলে থাকা সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে। এই বিল পাস হলে এটা ইতিবাচক হবে এ কারণে যে, এর মাধ্যমে সীমান্তে বহু সমস্যা সমাধানের পথ খুলে যাবে। যেমন- সীমান্ত হাট, সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন, যার সুফল ভোগ করবে দুই দেশের জনগণ।’
ছিটমহল বিনিময় : ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদনের পর এখন দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সংবিধান সংশোধনী পাস হলেই সীমান্ত সংক্রান্ত তিনটি বিরোধের নিষ্পত্তি হবে। এগুলো হল- ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমির হস্তান্তর এবং অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ। ছিটমহল হচ্ছে কোনো দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানা থেকে বিচ্ছিন্ন এবং অন্য একটি দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে বিরাজমান ভূখণ্ড বা জনপদ। ছিটমহল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং ওখানে যেতে হলে অন্য দেশটির জমির ওপর দিয়ে যেতে হয়। ভারত আর বাংলাদেশের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় সম্ভব হবে। এর জন্য ভারতকে ১৭ হাজারের কিছু বেশি একর জমি বাংলাদেশকে দিতে হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের এখন ১১১টি ছিটমহল রয়েছে। এগুলো বাংলাদেশ পাবে। অপরদিকে ভারত পাবে সাত হাজার একরের একটু বেশি জমি। ২০১১ সালের লোক গণনা মোতাবেক বাংলাদেশে ভারতের ছিটমহলে জনসংখ্যা ৩৮ হাজার এবং ভারতে বাংলাদেশের ছিটমহলে লোকসংখ্যা ১৪ হাজার। কেননা ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের যে ৫১টি ছিটমহল রয়েছে সেগুলো ভারত পাবে। এসব ছিটমহল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল অর্থাৎ পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় এবং সীমানার ওপারে ভারতের কুচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত। কোচরাজারা এবং রংপুরের মহারাজারা মূলত ছিল সামন্ত। তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমনকি ঋণ পরিশোধে মহলের বিনিময় পর্যন্ত ছিল। মোগল আমলে প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই ক্ষুদ্র রাজ্যের রাজা ও মহারাজারা মিলিত হতো তিস্তা পারে দাবা ও তাস খেলার উদ্দেশে। খেলায় বাজি ধরা হতো বিভিন্ন মহলকে, যা কাগজের টুকরা দিয়ে চিহ্নিত করা হতো। খেলায় হার-জিতের মধ্য দিয়ে এই কাগজের টুকরা বা ছিট বিনিময় হতো। সঙ্গে সঙ্গে বদলাত সংশ্লিষ্ট মহলের মালিকানা। এভাবে সেই আমলে তৈরি হয়েছিল একের রাজ্যের ভেতরে অন্যের ছিটমহল।
অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম এবং ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অনেক স্থানে দুই দেশের বাসিন্দারা সীমান্ত রেখা ছাড়িয়ে গিয়ে ভূমি দখল করে রেখেছে বছরের পর বছর। যাদের দখলে আছে তারা এসব বিরোধপূর্ণ স্থানে কৃষি কাজও করছে। এখন এসব ভূমি বহু বছর ধরে যে দেশ দখল করে রাখছে তাদের কাছে ছেড়ে দিয়ে অপদখলীয় ভূমির হস্তান্তর হবে চুক্তি বাস্তবায়ন হলে। এক্ষেত্রে রেডক্লিফের সীমান্ত রেখারও পরিবর্তন হচ্ছে। যার ফলে নতুন গুচ্ছ মানচিত্র তৈরি করেছেন দুই দেশের জরিপ কর্মকর্তারা। অপদখলীয় ভূমিগুলোও বিনিময় করা হবে, যার ফলে ভারত প্রায় দুই হাজার আটশ’ একর জমি পাবে। আর বাংলাদেশকে দিতে হবে দুই হাজার দুইশ’ ষাট একরের মতো জমি।
অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি স্থলসীমান্ত রয়েছে। এই দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে তিনটি স্থানে সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমানা এখনও অচিহ্নিত রয়েছে। এই স্থানগুলোতে বিরোধপূর্ণ এলাকা দিয়ে প্রায়ই সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এখন সীমানায় যে স্থান যার দখলে রয়েছে সেখানেই সীমান্ত রেখা টেনে গুচ্ছ মানচিত্র করা হয়েছে। সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন হলে এই অবশিষ্ট অচিহ্নিত সীমানাও চিহ্নিত হয়ে যাবে।
ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর সিরিল রেডক্লিফ ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এঁকেছিলেন। তারপর পূর্ব পাকিস্তানের এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ। এখন সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই মানচিত্রের কিছুটা বদলে যাবে। এ কারণে ভারতের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কূটনীতিক বলেছেন, সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধন প্রয়োজন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে বেরুবাড়ী ভারতের কাছে হস্তান্তরের সময়েও বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হয়েছিল।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 13
(29)
- ‘গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হচ্ছে’ -খালেদা জিয়া
- এভাবে শিক্ষার ভিত শক্ত হয় না by ড.সরদার এম আনিছুর ...
- ফুলবাড়ী, সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর by আনু মুহাম্মদ
- আমলাতন্ত্র উন্নয়নের প্রতিবন্ধক by ড. ইশা মোহাম্মদ
- ভাসানী : যেন তিনি থাকেন by ফরহাদ মজহার
- স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা
- ইতিহাস জানতে বই পড়ার বিকল্প নেই -আরেফিন সিদ্দিক
- ভারতের কেবিনেট বৈঠকে সীমান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়নি
- ‘ড্রোন হামলার চেয়ে সীমিত গণতন্ত্র ভালো’
- তেল অপসারণে ১০০ নৌকায় অভিযান
- একাই ৪২ জনকে হত্যা
- সারদা কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার মদন মিত্র
- ভারতে বছরে ২ লাখ মুসলিম খ্রিস্টানকে ধর্মান্তরিত কর...
- রক্তমাখা স্কুল পোশাক দেখে মালালা কাঁদল
- জেরা পদ্ধতি জঘন্য ছিল
- অতি আবেগে লংঘিত জাতীয় পতাকা বিধি
- সারদাকাণ্ডে গ্রেফতার মমতার মন্ত্রী মদন
- যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রসহ নিহত ৪ আহত ১১
- গুম খুনে তটস্থ চট্টগ্রাম
- অবশেষে মামলা নিলেন দোহারের ওসি
- মানচিত্র পাল্টে যাচ্ছে
- ঢাবির ৬ হলে ছাত্রলীগের ইয়াবা সিন্ডিকেট by নুর মোহা...
- বিপর্যয় দেখা দিয়েছে সুন্দরবনে
- দায় সরকারকেই নিতে হবে -অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ by সির...
- রোগী মরুক, অপারেশন সাকসেসফুল -সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
- ত্রিমুখী সংঘর্ষে দিনাজপুরে বিএনপির যৌথ কর্মিসভা পণ্ড
- বাবরি মসজিদের ওপরই রাম মন্দির গড়া উচিত: উত্তরপ্রদ...
- লন্ডনের আকাশে বিমান চলাচল বন্ধ
- মরছে কাঁকড়া, দেখা নেই কুমিরের by ইফতেখার মাহমুদ ও...
-
▼
Dec 13
(29)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment