Saturday, July 13, 2013
মনের কোণে হীরে-মুক্তো-চাকরি শেষে সব কর্মকর্তা কি হারিয়ে যান? by ড. সা'দত হুসাইন
মনের কোণে হীরে-মুক্তো-চাকরি শেষে সব কর্মকর্তা কি হারিয়ে যান? by ড. সা'দত হুসাইন
লেখাটি শুরু করতে চেয়েছিলাম সব
চাকরিজীবীকে অন্তর্ভুক্ত করে। পরে ভেবেচিন্তে দেখলাম এতে সংলেখের আকার এবং
বিষয়বস্তুর বিস্তৃতি এত বেশি হয়ে যায় যে দৈনিক কাগজের কলামের জন্য তা
উপযোগী হয় না।
সেহেতু শুধু কর্মকর্তাদের অবসর জীবনের
মধ্যেই লেখাটি আপাতত সীমাবদ্ধ রাখতে চাচ্ছি। কর্মচারীদের চাকরি-উত্তর জীবন
সম্পর্কে পরে লিখব। ইতিমধ্যে তাঁদের জীবনযাত্রার মান ও ধারা সম্পর্কে
সরাসরি আলাপ-আলোচনা এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তথ্যাদি সংগ্রহ করার চেষ্টা
করব। কাজটি খুব সহজ হবে বলে মনে হয় না।
কর্মকর্তাদের চাকরি-উত্তর (অবসর) জীবন সম্পর্কে আমার সন্ধিৎসা জাগরূক হয় একটি তালিকার ওপর কয়েক মিনিট চোখ বুলানো থেকে। পুরনো কাগজপত্র গোছাতে গিয়ে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তাদের কয়েকটি তালিকা আমার হাতে পড়ল। তালিকাগুলো প্রায় চার দশক ধরে বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা। সবচেয়ে পুরনো তালিকাটি সত্তরের দশকে তৈরি করা; শেষ তালিকাটি ২০০৫ সালের। তালিকাগুলোতে প্রায় সব ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে। একটি তালিকায় তাঁদের প্রত্যেকের জন্ম তারিখ, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, নিজ জেলাসংক্রান্ত তথ্যসহ চাকরিসংক্রান্ত আরো কিছু তথ্য রয়েছে। তালিকার শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ কর্মকর্তাকে আমি চিনি। তালিকার প্রায় সব কর্মকর্তা অবসর গ্রহণ করেছেন। বেশ কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে প্রয়াত হয়েছেন, যাঁদের কারো কারো জানাজা ও কুলখানিতে আমি উপস্থিত ছিলাম। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনো তালিকা আমার কাছে ছিল না, যদিও এসব সংস্থার অনেক কর্মকর্তাকেই আমি চিনতাম এবং এখনো চিনি।
তালিকায় চোখ বুলাতে গিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমি অতীতে হারিয়ে গেলাম। আসলে চাকরিতে যোগদানের কয়েক বছরের মধ্যে আমরা চাকরির জগতে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। সিনিয়র, সমবয়সী সহকর্মী এবং জুনিয়রদের নিয়ে রচিত এই জগৎ। পারিবারিক পর্যায়েও মেলামেশা মূলত এ জগতের মানুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, লেখক, সংস্কৃতিকর্মীরা আসা-যাওয়া করেন, কখনো কখনো তাঁদের সঙ্গে আড্ডা চলে। কিন্তু তাঁরা ঠিক আমাদের জগতের লোক হন না। আমাদের সার্কেলে অন্তর্ভুক্ত বড়জোর আধাসরকারি সংস্থা বা বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা। এক কথায়, চাকরিজীবীরা। আজ এত বছর পরও দৃষ্টি মেলে দেখি আমাদের বন্ধু-বান্ধব, আপনজনদের বেশির ভাগই কোনো না কোনো সময় সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেছেন।
তালিকাবদ্ধ চেনা লোকদের কথা মনে করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় কেমন যেন খটকা লাগল। চাকরিজীবনে যেসব কর্মকর্তাকে সতত সঞ্চরমান, সর্বত্র বিরাজমান, চির চঞ্চল, সদা সক্রিয় দেখেছি আজ তাঁদের কোনো খোঁজ নেই বললেই চলে। কাগজ-কলমে দেখা যায় তাঁরা বেঁচে আছেন, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা যেন হারিয়ে গেছেন। বন্ধু-বান্ধব এবং আশপাশের লোককে জিজ্ঞাসা করে দেখেছি তাঁরা তাঁদের অনেকের খোঁজ দিতে পারেন না। তবে কি তাঁরা হারিয়ে গেছেন, না সীমিত পরিসরে কাজকর্মের মধ্যে নিজেদের লুকিয়ে রেখেছেন? এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে অবসর জীবন এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি, সে সম্পর্কে পাঠকরা সাধারণভাবে আগ্রহী হবেন।
ষাটের দশকে সরকারি সংস্থায় অবসর গ্রহণের বয়স ছিল ৫৫ বছর। স্বাধীনতার পর এটি ৫৭ বছর করা হয়েছে। বেসরকারি সেক্টরে এ সীমা ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে নির্ধারিত রয়েছে। সামরিক চাকরির ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের বয়স 'র্যাংক'-এর ওপর নির্ভরশীল, কর্মকর্তারা সাধারণত ৪৮ থেকে ৫৭ বছরের মধ্যে অবসর গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য। সমাজের খুব কমসংখ্যক লোকই তাঁদের চিনত, তাঁদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করা লোকের সংখ্যা ছিল আরো কম। মধ্যম ও নিম্নস্তরের কর্মকর্তারা অবসরের পর সীমিত পরিবেশে, সীমিত পরিসরে চলাফেরা করতেন। অবসরের পর অল্প কয়েক বছর মাত্র তাঁরা পূর্ণ কর্মক্ষম থাকতেন। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ৭০-৭৫ বছরের আগেই তাঁরা প্রয়াত হতেন। কদাচ দু-একজন মহাপ্রাণ ব্যক্তি ৮০ বছরের বেশি বেঁচে থাকতেন। তাঁদের অর্থবিত্ত এবং সম্পদ ছিল সীমিত; তাঁদের কর্মকাণ্ড, জীবনযাত্রা ছিল সাদাসিধে, কিছুটা বৈচিত্র্যহীন। অবসর গ্রহণের কয়েক বছর পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি কিংবা সমাজজীবনে তাঁদের কর্মকাণ্ড নিয়ে লোকজন মাথা ঘামাত না।
স্বাধীনতার পর, বিশেষ করে গত ২০-৩০ বছরে অবস্থার বড় রকমের পরিবর্তন ঘটেছে। দেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১৫ বছর বেড়ে এখন ৭০-এর কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, কর্মক্ষম বয়সসীমা কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ বছর বেড়ে গেছে। আশির দশকের আগে ষাটোর্ধ্ব খুব কমসংখ্যক লোক পূর্ণমাত্রায় কর্মক্ষম ছিল, এখন বহু লোক ৭০-৭৫ বছর পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকছে। চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত লোকজন স্বাস্থ্যের সম্পর্কে অধিকতর সচেতন বিধায় কর্মক্ষম বয়স্ক লোকদের মধ্যে তাঁদের সংখ্যাই সমধিক। সাবেক সিএসপি অফিসারদের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের (১৯৪৯ ও '৫০ ব্যাচের) কর্মকর্তাদের কেউ আজ বেঁচে নেই। মাত্র দু-তিন বছর আগে তাঁরা প্রয়াত হয়েছেন। পরবর্তী ব্যাচের কর্মকর্তা, যাঁরা প্রায় সবাই সচিব বা সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ এখনো বেঁচে আছেন। ৮০ বছরের কাছাকাছি বা তদূর্ধ্ব বয়সের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংখ্যা খুব কম নয়। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও এ কথা মোটামুটি প্রযোজ্য। মাত্র কয়েক দিন আগে পুলিশ সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা খালেক, হোসেন আহমেদ এবং পোস্টাল সার্ভিসের আহসান উল্যাহ (সবাই সচিব) প্রয়াত হয়েছেন। আশি-ঊর্ধ্ব (বা আশির কাছাকাছি) ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বজনাব এম কে আনোয়ার, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এয়ার ভাইস মার্শাল খোন্দকার, সাইদুজ্জামান, আনিসুজ্জামান, গোলাম মোস্তফা, আল হুসাইনি, গোলাম কিবরিয়া, ব্যারিস্টার হারুনুর রশিদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, দেলোয়ার হুসেন, সি এম মোরশেদ, রেহমান সোবহান, মোস্তফা নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. নুরুল ইসলাম সামাজিক বলয়ে সক্রিয় এবং দৃশ্যমান রয়েছেন। সর্বজনাব মুজিবুল হক, সুলতানুজ্জামান খান, বিচারপতি সাহাবুদ্দীন এবং কাজী ফজলুর রহমান সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভা-সেমিনারে খুব একটা উপস্থিত থাকেন না; তাঁদের সবাই পূর্ণমাত্রায় কর্মক্ষম নন।
অন্যান্য ক্যাডার বা নন-ক্যাডার কর্মকর্তা যাঁরা সচিব, অতি সচিব, যুগ্ম সচিব, হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছেন, তাঁরা অবসর গ্রহণের পরও অন্তত ১০ বছর পর্যন্ত বেসরকারি সংস্থায় হয় সরাসরি চাকরি করেন অথবা সংযুক্ত থেকে কিছু প্রফেশনাল কাজ করে নিয়মিত আয় উপার্জনের ব্যবস্থা করেন। তবে এ সময় তাঁরা নিয়মিত আয়ের মাধ্যমে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে নিবেদিত থাকেন। প্রচার, প্রসার কিংবা সামাজিক-রাষ্ট্রীয় বলয়ে নিজেদের তাঁরা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান না। তাঁদের প্রায় সবার বাড়ি-গাড়ি, অন্যান্য সম্পদ এবং সঞ্চিত টাকাপয়সা রয়েছে। সংসার চালানোর জন্য এসব যথেষ্ট হলেও এতে তাঁরা আর্থিক দিক থেকে নিরাপদ বোধ করেন না। তাঁরা চান নিয়মিতভাবে প্রাপ্ত মাসিক কিছু অতিরিক্ত আয়। যে সংস্থা থেকে এ আয়ের ব্যবস্থা করা হয়, সে সংস্থার কাজেই তাঁরা সম্পূর্ণভাবে ব্যাপৃত থাকতে পছন্দ করেন। নতুন করে সামাজিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে তাঁরা বাড়তি কোনো কাজ করতে চান না। রাজনীতির ধকল, জেল-জুলুম, হামলা-মামলার কারণে রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁদের প্রায় সবারই ভাবনাচিন্তার বাইরে। চাকরি জগতের ডাকসাইটে কর্মকর্তা, প্রায় সব অনুষ্ঠানে, সভা-সেমিনারে, সামাজিক বলয়ে যাঁদের বলিষ্ঠ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, তাঁরা এখন শহর থেকে দূরে কোনো ফ্যাক্টরিতে বা এনজিওর আঞ্চলিক অফিসে পূর্ণকালীন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। শহরে এসে সামাজিক পর্যায়ে মেলামেশা কিংবা অনুষ্ঠান আয়োজনে চোখে পড়ার মতো সময় নিয়ে উপস্থিত থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয় না। পত্রপত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের সংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় তাঁদের লেখালেখি কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ আমাদের অনেকের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। আমরা তখন মনে করি তাঁরা বোধ হয় হারিয়ে গেছেন। আসলে তাঁরা হারিয়ে যাননি, তাঁদের জীবনধারা বদলে গেছে।
সরকারি-বেসরকারি সব খাতের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জীবনধারায় গত দুই দশকে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে যোগ হয়েছে লম্বা সময় ধরে বিদেশে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অবস্থান। স্বাধীনতার পর এ দেশের হাজার যুবক-যুবতী শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান ব্যাপদেশে বিদেশে গিয়েছে। তাদের এক বিরাট অংশ এখন বিদেশে বসবাস করছে। তাদের মা-বাবা বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বছরে তিন থেকে ছয় মাস বিদেশে গিয়ে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অবস্থান করেন। তাঁরা নিজে এবং ছেলেমেয়েরা উভয়ে এতে খুশি। এ শ্রেণীর কর্মকর্তারা বস্তুত দেশে এবং বিদেশে আসা-যাওয়া করেন। দেশে ফিরে আসার মাস দু-এক পরই তাঁরা আবার বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকেন। দেশের বাসস্থান অনেকটা পান্থনিবাসে পরিণত হয়েছে। এখানকার সমাজ এবং পরিবেশের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিদেশে অবস্থানরত ছেলেমেয়েদের জীবনের সঙ্গে তাঁরা জড়িয়ে পড়েছেন; অনেকে আবার বিদেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছেন। দেশীয় সমাজে, পাড়া-মহল্লায়, আচার-অনুষ্ঠানে তাঁদের খুব একটা দেখা যায় না। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সাবেক সহকর্মী, পড়শি কে কী ভাবল, তাতে তাঁদের কিছু যায় আসে না। তাঁরা হারিয়ে যাননি, ভিন দেশে পরিবর্তিত মনমানসিকতা নিয়ে অবস্থান করছেন। পর্যটক হিসেবে মাঝেমধ্যে দেশে আসেন, কিছুদিন থাকেন, আবার চলে যান। তাঁরা ভালোই আছেন।
কর্মকর্তাদের ছোট একটি অংশ সীমিত পরিসরে সমাজ উন্নয়নমূলক বা জনহিতকর কাজে আত্মনিবেশ করেন। তাঁরা নিজ গ্রামে (এলাকায়) ঘন ঘন গিয়ে স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, হাসপাতাল, পাঠাগার নির্মাণ করেন, গ্রাম-উন্নয়নমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন; ধর্মীয় কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদিতে নেতৃত্ব দেন; রাজধানী বা বড় শহরে খুব কমই অবস্থান করেন। পুরনো সহকর্মী এবং বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আগের মতো মেলামেশা করেন না। গ্রামীণ পরিবেশে প্রায় সব আধুনিক সুবিধা পাওয়া যায় বলে তাঁদের থাকা-খাওয়া, চলাফেরায় তেমন কোনো অসুবিধা হয় না। ভাষাসৈনিকদের ওপর সম্প্র্রতি প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ে আমার এ ধারণা আরো দৃঢ় হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি করেছেন; এখন তাঁদের বয়স আশির বেশি। তাঁরা প্রায় সবাই গ্রামেগঞ্জে সমাজ-উন্নয়নমূলক কাজ করছেন। শহরাঞ্চলে তাই তাঁদের পরিচিতি নেই। কিন্তু তাঁদের কাজ এবং জীবনধারা সম্পর্কে জেনে ভালো লেগেছে। এ রকম অনেক কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন; নিজেদের মতো জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরা হারিয়ে যাননি। আমাদের পরিচিত পরিবেশ থেকে একটু দূরে আছেন। তাঁদের কাজকর্ম আমাদের গর্বিত করে।
আর এক ধরনের কর্মকর্তা রয়েছেন যাঁরা অবসর জীবনে নিজেদের অনেকটা গুটিয়ে নেন। তাঁদের বেশির ভাগ মোটামুটি সচ্ছল, তবে তাঁরা পরিমিত ব্যয়ে বিশ্বাস করেন। খেয়েপরে ভালোভাবেই চলতে পারেন। তাঁরা ধর্ম-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, কেউ কেউ তাবলিগে যোগ দেন; 'চিল্লায়' অংশ নেন। দৈনন্দিন রুটিন তাঁরা এমনভাবে সাজিয়ে নেন যে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বাইরে আর বিশেষ কিছু করার থাকে না। রাতে এশার নামাজের কিছু পর তাঁরা শুয়ে পড়েন এবং শেষ রাতে বা অতি ভোরে উঠে নামাজ-কালাম পড়ে দিন শুরু করেন। তাঁরা সুখ-শান্তিতে জীবনযাপন করেন। সংসার সমাজের সাত-পাঁচের মধ্যে থাকেন না। বিশ্বাস এবং মূল্যবোধ তাঁদের জীবনে এক ধরনের প্রশান্তি এনে দেয়, যা সত্যিকার অর্থে এক অমূল্য সম্পদ। তাঁদের আমরা আমাদের মধ্যে দেখি না। কিন্তু তাঁরা হারিয়ে গেছেন বা নিঃশেষ হয়ে গেছেন- এমনটি বলা সঠিক হবে না। ধর্মে-কর্মে তত গভীরভাবে ব্যাপৃত না হয়ে যাঁরা পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে নাতি-নাতকুর নিয়ে সময় কাটান তাঁদেরও সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খুব একটা দেখা যায় না। জীবনের এ অংশে এসে পারিবারিক পরিবেশে আয়েশী সময় কাটাতে তাঁরা পছন্দ করেন। নিজের মতো করেই তাঁরা সুখী থাকেন।
সবার শেষে রয়েছেন সেই ক্যাটাগরির কর্মকর্তা, যাঁরা ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে রোগ-শোকের আক্রমণ, আর্থিক অভাব-অনটন। ষাটোর্ধ্ব খুব কম লোকই নিরোগ দেহের অধিকারী। সবাই অল্প-বিস্তর ছোটখাটো রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ভাগ্য-বিড়ম্বিত কয়েকজন কর্মক্ষমতা সংহারক গুরুতর ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। স্ট্রোক, পক্ষাঘাত, ক্যান্সার, কিডনি রোগ, পারকিনসনস, আলঝেইমার, মারাত্মক হৃদরোগ, মানসিক বৈকল্য, স্নায়ু দৌর্বল্য, মারাত্মক ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন এবং আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন। দুঃখজনকভাবে কোনো কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরূপ অবস্থায় বিপর্যস্ত হয়ে যান। কেউ বা শয্যাশায়ী থাকেন। তাঁদের সম্পর্কে লিখতে গেলে মন খারাপ করে। তাই আর লিখছি না। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী সংস্থা মানবিক কারণে তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসা সমীচীন হবে বলে মনে করি।
চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করাকে জীবন বা কর্ম থেকে অবসর নেওয়া মনে করা একটি বিরাট ভুল। দেশের মানুষের আয়ুষ্কাল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে অবসর গ্রহণের পরও ২০-২৫ বছর অনেকেই নানা ধরনের সুন্দর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকছেন। চাকরিজগতের পূর্বতন পরিবেশের সঙ্গে তাঁরা হয়তো বা সম্পৃক্ত থাকছেন না, তবে তাঁরা হারিয়ে যাননি। জীবনসায়াহ্নে কেউ কেউ কর্মে অক্ষম হয়ে পড়লেও চাকরিজীবনে এবং অবসর-উত্তর জীবনে দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁরা যে অবদান রেখে গেছেন, আমরা যেন তা ভুলে না যাই। অন্তত আমাদের জীবদ্দশায় আমাদের মধ্যে তাঁদের বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ববোধ থেকে আমরা যেন বিস্মৃত না হই।
লেখক : পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ও
সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব
কর্মকর্তাদের চাকরি-উত্তর (অবসর) জীবন সম্পর্কে আমার সন্ধিৎসা জাগরূক হয় একটি তালিকার ওপর কয়েক মিনিট চোখ বুলানো থেকে। পুরনো কাগজপত্র গোছাতে গিয়ে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তাদের কয়েকটি তালিকা আমার হাতে পড়ল। তালিকাগুলো প্রায় চার দশক ধরে বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা। সবচেয়ে পুরনো তালিকাটি সত্তরের দশকে তৈরি করা; শেষ তালিকাটি ২০০৫ সালের। তালিকাগুলোতে প্রায় সব ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে। একটি তালিকায় তাঁদের প্রত্যেকের জন্ম তারিখ, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, নিজ জেলাসংক্রান্ত তথ্যসহ চাকরিসংক্রান্ত আরো কিছু তথ্য রয়েছে। তালিকার শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ কর্মকর্তাকে আমি চিনি। তালিকার প্রায় সব কর্মকর্তা অবসর গ্রহণ করেছেন। বেশ কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে প্রয়াত হয়েছেন, যাঁদের কারো কারো জানাজা ও কুলখানিতে আমি উপস্থিত ছিলাম। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোনো তালিকা আমার কাছে ছিল না, যদিও এসব সংস্থার অনেক কর্মকর্তাকেই আমি চিনতাম এবং এখনো চিনি।
তালিকায় চোখ বুলাতে গিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমি অতীতে হারিয়ে গেলাম। আসলে চাকরিতে যোগদানের কয়েক বছরের মধ্যে আমরা চাকরির জগতে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। সিনিয়র, সমবয়সী সহকর্মী এবং জুনিয়রদের নিয়ে রচিত এই জগৎ। পারিবারিক পর্যায়েও মেলামেশা মূলত এ জগতের মানুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, লেখক, সংস্কৃতিকর্মীরা আসা-যাওয়া করেন, কখনো কখনো তাঁদের সঙ্গে আড্ডা চলে। কিন্তু তাঁরা ঠিক আমাদের জগতের লোক হন না। আমাদের সার্কেলে অন্তর্ভুক্ত বড়জোর আধাসরকারি সংস্থা বা বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা। এক কথায়, চাকরিজীবীরা। আজ এত বছর পরও দৃষ্টি মেলে দেখি আমাদের বন্ধু-বান্ধব, আপনজনদের বেশির ভাগই কোনো না কোনো সময় সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেছেন।
তালিকাবদ্ধ চেনা লোকদের কথা মনে করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় কেমন যেন খটকা লাগল। চাকরিজীবনে যেসব কর্মকর্তাকে সতত সঞ্চরমান, সর্বত্র বিরাজমান, চির চঞ্চল, সদা সক্রিয় দেখেছি আজ তাঁদের কোনো খোঁজ নেই বললেই চলে। কাগজ-কলমে দেখা যায় তাঁরা বেঁচে আছেন, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা যেন হারিয়ে গেছেন। বন্ধু-বান্ধব এবং আশপাশের লোককে জিজ্ঞাসা করে দেখেছি তাঁরা তাঁদের অনেকের খোঁজ দিতে পারেন না। তবে কি তাঁরা হারিয়ে গেছেন, না সীমিত পরিসরে কাজকর্মের মধ্যে নিজেদের লুকিয়ে রেখেছেন? এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে অবসর জীবন এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি, সে সম্পর্কে পাঠকরা সাধারণভাবে আগ্রহী হবেন।
ষাটের দশকে সরকারি সংস্থায় অবসর গ্রহণের বয়স ছিল ৫৫ বছর। স্বাধীনতার পর এটি ৫৭ বছর করা হয়েছে। বেসরকারি সেক্টরে এ সীমা ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে নির্ধারিত রয়েছে। সামরিক চাকরির ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের বয়স 'র্যাংক'-এর ওপর নির্ভরশীল, কর্মকর্তারা সাধারণত ৪৮ থেকে ৫৭ বছরের মধ্যে অবসর গ্রহণ করেন। স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য। সমাজের খুব কমসংখ্যক লোকই তাঁদের চিনত, তাঁদের নিয়ে চিন্তাভাবনা করা লোকের সংখ্যা ছিল আরো কম। মধ্যম ও নিম্নস্তরের কর্মকর্তারা অবসরের পর সীমিত পরিবেশে, সীমিত পরিসরে চলাফেরা করতেন। অবসরের পর অল্প কয়েক বছর মাত্র তাঁরা পূর্ণ কর্মক্ষম থাকতেন। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ৭০-৭৫ বছরের আগেই তাঁরা প্রয়াত হতেন। কদাচ দু-একজন মহাপ্রাণ ব্যক্তি ৮০ বছরের বেশি বেঁচে থাকতেন। তাঁদের অর্থবিত্ত এবং সম্পদ ছিল সীমিত; তাঁদের কর্মকাণ্ড, জীবনযাত্রা ছিল সাদাসিধে, কিছুটা বৈচিত্র্যহীন। অবসর গ্রহণের কয়েক বছর পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি কিংবা সমাজজীবনে তাঁদের কর্মকাণ্ড নিয়ে লোকজন মাথা ঘামাত না।
স্বাধীনতার পর, বিশেষ করে গত ২০-৩০ বছরে অবস্থার বড় রকমের পরিবর্তন ঘটেছে। দেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১৫ বছর বেড়ে এখন ৭০-এর কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, কর্মক্ষম বয়সসীমা কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ বছর বেড়ে গেছে। আশির দশকের আগে ষাটোর্ধ্ব খুব কমসংখ্যক লোক পূর্ণমাত্রায় কর্মক্ষম ছিল, এখন বহু লোক ৭০-৭৫ বছর পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকছে। চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত লোকজন স্বাস্থ্যের সম্পর্কে অধিকতর সচেতন বিধায় কর্মক্ষম বয়স্ক লোকদের মধ্যে তাঁদের সংখ্যাই সমধিক। সাবেক সিএসপি অফিসারদের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের (১৯৪৯ ও '৫০ ব্যাচের) কর্মকর্তাদের কেউ আজ বেঁচে নেই। মাত্র দু-তিন বছর আগে তাঁরা প্রয়াত হয়েছেন। পরবর্তী ব্যাচের কর্মকর্তা, যাঁরা প্রায় সবাই সচিব বা সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ এখনো বেঁচে আছেন। ৮০ বছরের কাছাকাছি বা তদূর্ধ্ব বয়সের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সংখ্যা খুব কম নয়। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও এ কথা মোটামুটি প্রযোজ্য। মাত্র কয়েক দিন আগে পুলিশ সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা খালেক, হোসেন আহমেদ এবং পোস্টাল সার্ভিসের আহসান উল্যাহ (সবাই সচিব) প্রয়াত হয়েছেন। আশি-ঊর্ধ্ব (বা আশির কাছাকাছি) ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বজনাব এম কে আনোয়ার, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এয়ার ভাইস মার্শাল খোন্দকার, সাইদুজ্জামান, আনিসুজ্জামান, গোলাম মোস্তফা, আল হুসাইনি, গোলাম কিবরিয়া, ব্যারিস্টার হারুনুর রশিদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, দেলোয়ার হুসেন, সি এম মোরশেদ, রেহমান সোবহান, মোস্তফা নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. নুরুল ইসলাম সামাজিক বলয়ে সক্রিয় এবং দৃশ্যমান রয়েছেন। সর্বজনাব মুজিবুল হক, সুলতানুজ্জামান খান, বিচারপতি সাহাবুদ্দীন এবং কাজী ফজলুর রহমান সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভা-সেমিনারে খুব একটা উপস্থিত থাকেন না; তাঁদের সবাই পূর্ণমাত্রায় কর্মক্ষম নন।
অন্যান্য ক্যাডার বা নন-ক্যাডার কর্মকর্তা যাঁরা সচিব, অতি সচিব, যুগ্ম সচিব, হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছেন, তাঁরা অবসর গ্রহণের পরও অন্তত ১০ বছর পর্যন্ত বেসরকারি সংস্থায় হয় সরাসরি চাকরি করেন অথবা সংযুক্ত থেকে কিছু প্রফেশনাল কাজ করে নিয়মিত আয় উপার্জনের ব্যবস্থা করেন। তবে এ সময় তাঁরা নিয়মিত আয়ের মাধ্যমে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে নিবেদিত থাকেন। প্রচার, প্রসার কিংবা সামাজিক-রাষ্ট্রীয় বলয়ে নিজেদের তাঁরা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান না। তাঁদের প্রায় সবার বাড়ি-গাড়ি, অন্যান্য সম্পদ এবং সঞ্চিত টাকাপয়সা রয়েছে। সংসার চালানোর জন্য এসব যথেষ্ট হলেও এতে তাঁরা আর্থিক দিক থেকে নিরাপদ বোধ করেন না। তাঁরা চান নিয়মিতভাবে প্রাপ্ত মাসিক কিছু অতিরিক্ত আয়। যে সংস্থা থেকে এ আয়ের ব্যবস্থা করা হয়, সে সংস্থার কাজেই তাঁরা সম্পূর্ণভাবে ব্যাপৃত থাকতে পছন্দ করেন। নতুন করে সামাজিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে তাঁরা বাড়তি কোনো কাজ করতে চান না। রাজনীতির ধকল, জেল-জুলুম, হামলা-মামলার কারণে রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁদের প্রায় সবারই ভাবনাচিন্তার বাইরে। চাকরি জগতের ডাকসাইটে কর্মকর্তা, প্রায় সব অনুষ্ঠানে, সভা-সেমিনারে, সামাজিক বলয়ে যাঁদের বলিষ্ঠ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, তাঁরা এখন শহর থেকে দূরে কোনো ফ্যাক্টরিতে বা এনজিওর আঞ্চলিক অফিসে পূর্ণকালীন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। শহরে এসে সামাজিক পর্যায়ে মেলামেশা কিংবা অনুষ্ঠান আয়োজনে চোখে পড়ার মতো সময় নিয়ে উপস্থিত থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয় না। পত্রপত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের সংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় তাঁদের লেখালেখি কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ আমাদের অনেকের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। আমরা তখন মনে করি তাঁরা বোধ হয় হারিয়ে গেছেন। আসলে তাঁরা হারিয়ে যাননি, তাঁদের জীবনধারা বদলে গেছে।
সরকারি-বেসরকারি সব খাতের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জীবনধারায় গত দুই দশকে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে যোগ হয়েছে লম্বা সময় ধরে বিদেশে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অবস্থান। স্বাধীনতার পর এ দেশের হাজার যুবক-যুবতী শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান ব্যাপদেশে বিদেশে গিয়েছে। তাদের এক বিরাট অংশ এখন বিদেশে বসবাস করছে। তাদের মা-বাবা বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বছরে তিন থেকে ছয় মাস বিদেশে গিয়ে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অবস্থান করেন। তাঁরা নিজে এবং ছেলেমেয়েরা উভয়ে এতে খুশি। এ শ্রেণীর কর্মকর্তারা বস্তুত দেশে এবং বিদেশে আসা-যাওয়া করেন। দেশে ফিরে আসার মাস দু-এক পরই তাঁরা আবার বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকেন। দেশের বাসস্থান অনেকটা পান্থনিবাসে পরিণত হয়েছে। এখানকার সমাজ এবং পরিবেশের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিদেশে অবস্থানরত ছেলেমেয়েদের জীবনের সঙ্গে তাঁরা জড়িয়ে পড়েছেন; অনেকে আবার বিদেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছেন। দেশীয় সমাজে, পাড়া-মহল্লায়, আচার-অনুষ্ঠানে তাঁদের খুব একটা দেখা যায় না। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সাবেক সহকর্মী, পড়শি কে কী ভাবল, তাতে তাঁদের কিছু যায় আসে না। তাঁরা হারিয়ে যাননি, ভিন দেশে পরিবর্তিত মনমানসিকতা নিয়ে অবস্থান করছেন। পর্যটক হিসেবে মাঝেমধ্যে দেশে আসেন, কিছুদিন থাকেন, আবার চলে যান। তাঁরা ভালোই আছেন।
কর্মকর্তাদের ছোট একটি অংশ সীমিত পরিসরে সমাজ উন্নয়নমূলক বা জনহিতকর কাজে আত্মনিবেশ করেন। তাঁরা নিজ গ্রামে (এলাকায়) ঘন ঘন গিয়ে স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, হাসপাতাল, পাঠাগার নির্মাণ করেন, গ্রাম-উন্নয়নমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন; ধর্মীয় কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদিতে নেতৃত্ব দেন; রাজধানী বা বড় শহরে খুব কমই অবস্থান করেন। পুরনো সহকর্মী এবং বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আগের মতো মেলামেশা করেন না। গ্রামীণ পরিবেশে প্রায় সব আধুনিক সুবিধা পাওয়া যায় বলে তাঁদের থাকা-খাওয়া, চলাফেরায় তেমন কোনো অসুবিধা হয় না। ভাষাসৈনিকদের ওপর সম্প্র্রতি প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ে আমার এ ধারণা আরো দৃঢ় হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি করেছেন; এখন তাঁদের বয়স আশির বেশি। তাঁরা প্রায় সবাই গ্রামেগঞ্জে সমাজ-উন্নয়নমূলক কাজ করছেন। শহরাঞ্চলে তাই তাঁদের পরিচিতি নেই। কিন্তু তাঁদের কাজ এবং জীবনধারা সম্পর্কে জেনে ভালো লেগেছে। এ রকম অনেক কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন; নিজেদের মতো জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরা হারিয়ে যাননি। আমাদের পরিচিত পরিবেশ থেকে একটু দূরে আছেন। তাঁদের কাজকর্ম আমাদের গর্বিত করে।
আর এক ধরনের কর্মকর্তা রয়েছেন যাঁরা অবসর জীবনে নিজেদের অনেকটা গুটিয়ে নেন। তাঁদের বেশির ভাগ মোটামুটি সচ্ছল, তবে তাঁরা পরিমিত ব্যয়ে বিশ্বাস করেন। খেয়েপরে ভালোভাবেই চলতে পারেন। তাঁরা ধর্ম-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, কেউ কেউ তাবলিগে যোগ দেন; 'চিল্লায়' অংশ নেন। দৈনন্দিন রুটিন তাঁরা এমনভাবে সাজিয়ে নেন যে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বাইরে আর বিশেষ কিছু করার থাকে না। রাতে এশার নামাজের কিছু পর তাঁরা শুয়ে পড়েন এবং শেষ রাতে বা অতি ভোরে উঠে নামাজ-কালাম পড়ে দিন শুরু করেন। তাঁরা সুখ-শান্তিতে জীবনযাপন করেন। সংসার সমাজের সাত-পাঁচের মধ্যে থাকেন না। বিশ্বাস এবং মূল্যবোধ তাঁদের জীবনে এক ধরনের প্রশান্তি এনে দেয়, যা সত্যিকার অর্থে এক অমূল্য সম্পদ। তাঁদের আমরা আমাদের মধ্যে দেখি না। কিন্তু তাঁরা হারিয়ে গেছেন বা নিঃশেষ হয়ে গেছেন- এমনটি বলা সঠিক হবে না। ধর্মে-কর্মে তত গভীরভাবে ব্যাপৃত না হয়ে যাঁরা পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে নাতি-নাতকুর নিয়ে সময় কাটান তাঁদেরও সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খুব একটা দেখা যায় না। জীবনের এ অংশে এসে পারিবারিক পরিবেশে আয়েশী সময় কাটাতে তাঁরা পছন্দ করেন। নিজের মতো করেই তাঁরা সুখী থাকেন।
সবার শেষে রয়েছেন সেই ক্যাটাগরির কর্মকর্তা, যাঁরা ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে রোগ-শোকের আক্রমণ, আর্থিক অভাব-অনটন। ষাটোর্ধ্ব খুব কম লোকই নিরোগ দেহের অধিকারী। সবাই অল্প-বিস্তর ছোটখাটো রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ভাগ্য-বিড়ম্বিত কয়েকজন কর্মক্ষমতা সংহারক গুরুতর ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। স্ট্রোক, পক্ষাঘাত, ক্যান্সার, কিডনি রোগ, পারকিনসনস, আলঝেইমার, মারাত্মক হৃদরোগ, মানসিক বৈকল্য, স্নায়ু দৌর্বল্য, মারাত্মক ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন এবং আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন। দুঃখজনকভাবে কোনো কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরূপ অবস্থায় বিপর্যস্ত হয়ে যান। কেউ বা শয্যাশায়ী থাকেন। তাঁদের সম্পর্কে লিখতে গেলে মন খারাপ করে। তাই আর লিখছি না। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী সংস্থা মানবিক কারণে তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসা সমীচীন হবে বলে মনে করি।
চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করাকে জীবন বা কর্ম থেকে অবসর নেওয়া মনে করা একটি বিরাট ভুল। দেশের মানুষের আয়ুষ্কাল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে অবসর গ্রহণের পরও ২০-২৫ বছর অনেকেই নানা ধরনের সুন্দর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকছেন। চাকরিজগতের পূর্বতন পরিবেশের সঙ্গে তাঁরা হয়তো বা সম্পৃক্ত থাকছেন না, তবে তাঁরা হারিয়ে যাননি। জীবনসায়াহ্নে কেউ কেউ কর্মে অক্ষম হয়ে পড়লেও চাকরিজীবনে এবং অবসর-উত্তর জীবনে দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁরা যে অবদান রেখে গেছেন, আমরা যেন তা ভুলে না যাই। অন্তত আমাদের জীবদ্দশায় আমাদের মধ্যে তাঁদের বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ববোধ থেকে আমরা যেন বিস্মৃত না হই।
লেখক : পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ও
সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
July
(1526)
-
▼
Jul 13
(67)
- অন্ধকারের সিসা সভ্যতা by ড. তুহিন মালিক
- নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি by শেখ মাহবুবল হক
- নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি by শেখ মাহবুবল হক
- মাননীয় কৃষিমন্ত্রী, বিটিবেগুন চাই না by ফরহাদ মজহার
- সংবিধানই সেনাবাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে
- সিরিয়ায় আসাদবিরোধী শীর্ষ কমান্ডার গুলিতে নিহত
- ফাঁস ঠেকাতে টাইপরাইটার কিনছে ক্রেমলিন!
- মার্কিন রাসায়নিক অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে...
- চীনে নতুন আবিষ্কৃত খোদাই লিপি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ
- স্কুলে যাচ্ছে সোয়াতের মেয়েরা
- দ্বৈত পদ বিষয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিই সিদ্ধান্ত নেবে
- মুরসির সমর্থক ও বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ...
- শাহরি রমজান-আল্লাহর প্রেমে মাতোয়ারা হওয়ার মৌসুম b...
- জাতিসংঘে মালালার ভাষণ-বই আর কলমই পারে পৃথিবীকে বদল...
- আটক-আতঙ্কে বিক্ষোভকারীরা-কোটা বাতিল না সংস্কার?
- মানববন্ধনে দুই সংগঠন-মুক্তিযুদ্ধবিরোধী চক্রান্ত থে...
- যোগাযোগমন্ত্রী বললেন-অর্থমন্ত্রীর অবাস্তব অবস্থানে...
- পদ্মার ভয়াল গ্রাসে ভূখণ্ড হারাবে বাংলাদেশ by রফিকু...
- নিষিদ্ধ হচ্ছে দেবোত্তর সম্পত্তি হস্তান্তর by নিখিল...
- পরিবর্তন আসছে আ. লীগে ঈদের পর বিশেষ কাউন্সিল by প...
- ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া, মেজাজ হারাচ্ছে ক্রেতারা-২৪ ঘণ্...
- গোলাম আযম ও মুজাহিদের বিচারের রায় কবে? by এম বদি-উ...
- স্নোডেনের প্রতি কোন দেশের মনোভাব কী
- রাশিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি রাশিয়ায় আশ্র...
- এজেন্ট অরেঞ্জ নিয়ে আদালতের রায় মার্কিন রাসায়নিক অস...
- স্কুলে যাচ্ছে সোয়াতের মেয়েরা
- ফাঁস ঠেকাতে টাইপরাইটার কিনছে ক্রেমলিন!
- ঈদ বাজার ছুটির দিনে বিপণিগুলোতে ভিড়
- জাপার ইফতারে সব দলের উপস্থিতি গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষম...
- শ্রম আইন শ্রমিকবান্ধব করতে আন্দোলনের বিকল্প নেই
- বাজারদর কিছু পণ্যের বাড়তি দাম অব্যাহত
- দোকান আছে মাত্র দুজনের ১২ জনের মধ্যে ১১ জন ডিলার প...
- উদ্বোধনের অপেক্ষায় পড়ে আছে কোটি টাকার যন্ত্র by ...
- বন্যা পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত
- ধর্ম মনুষ্যত্ব অর্জনে রোজার ভূমিকা by মুহাম্মদ আ...
- ভারত জনগণের সন্দেহের চোখে রাজনৈতিক দলগুলো by কুল...
- নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করুন জাহাজভাঙা শ্রমিক
- আপিল বিভাগের রায় দ্রুত কার্যকর হোক অনিয়ন্ত্রিত আবা...
- ঋতুবন্দনা তারে বলা যায় ঘনঘোর বরিষায়... by মাহব...
- মনের জানালা
- বিশেষ রচনা ভূতের সঙ্গেই উঠবোস! by রাজীব হাসান
- মূল রচনা নিখোঁজ ছয় নাবিকের সন্ধানে by মাসুদ মিলাদ
- কা র্য কা র ণ একবার হাঁটবেন না তিনবার? by আব্দুল...
- লেখক হওয়ার পালা আপনার
- মিয়ানমারে দাঙ্গা-২০ বৌদ্ধর কারাদণ্ড
- গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা
- কায়রোতে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ
- 'তথ্য ফাঁস' ঠেকাতে টাইপরাইটার কিনছে রাশিয়া
- 'এখন আর অত উদ্বেগ নেই'
- লাল মসজিদ অভিযান-মোশাররফের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
- তাইওয়ানে ধেয়ে আসছে টাইফুন সৌলিক
- 'রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ঘোষণা দেবে না কংগ্...
- গলছে বরফ, খুলছে বাণিজ্যের নতুন পথ
- এভাবে আর কত দিন
- পাকিস্তানে আগস্টে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাবনা
- ফ্রান্সে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬
- সংকটে জাতীয় পার্টি, চাপে এরশাদ, ভুল না বুঝতে বিএনপ...
- বিল ভরাট, সংরক্ষিত শালবনের গাছও কাটা পড়ছে পূর্বাচল...
- সরকারি চাকরিতে নিয়োগ মেধা নয়, কোটার প্রাধান্য by ...
- মুরসি কোথায়?
- আপাতত রাশিয়ার কাছেই আশ্রয় চাইবেন স্নোডেন
- সুমাত্রায় কারাগারে দাঙ্গা-আগুনে নিহত পাঁচজন পালিয়ে...
- উত্তরাঞ্চলে বন্যা-মানুষের পাশে দাঁড়ান
- গ্যাস সংকট-আবাসিক গ্রাহকদের দুর্ভোগ দূর করুন
- পবিত্র কোরআনের আলো-সব সময় সিজদা একমাত্র আল্লাহর তরে
- ধূমপান নিয়ন্ত্রণ না নিষিদ্ধ by ডক্টর তুহিন মালিক
- মনের কোণে হীরে-মুক্তো-চাকরি শেষে সব কর্মকর্তা কি হ...
-
▼
Jul 13
(67)
-
▼
July
(1526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment