Wednesday, February 18, 2015
ভাষাসৈনিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক চিন্তা by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
ভাষাসৈনিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক চিন্তা by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক

আজ
বুধবার, ১৮ ফেব্র“য়ারি। মহান একুশে ফেব্র“য়ারি দরজার সামনে কড়া নাড়ছে।
দিবসটিকে উদযাপন ও পালন করতে উন্মুখ হয়ে আছে বাংলাদেশের সর্বত্র এবং
পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙালিরা। শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাবে লাখ
লাখ মানুষ, প্রত্যেক নগরে, শহরে, বন্দরে। অপর দিকে, দেশের রাজনৈতিক ও
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অবনতি হয়ে অনিশ্চিত অবস্থা সৃষ্টির কারণে,
মানুষের মনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে। জনগণের নিরাপত্তা বিঘিœত হচ্ছে।
ঢাকা মহানগরের সাথে অন্যান্য জেলা শহর ও জনপদের যোগাযোগের জন্য আংশিকভাবে
রেলপথ এবং পূর্ণভাবে নৌপথ খোলা আছে। সড়কপথে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে
বিঘিœত। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই এত কিছু হচ্ছে। তাই আজকের কলামে প্রথমে
রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রোপট বা কারণ অতি সংেেপ বিশ্লেষণ করতে চাই। অতঃপর
ভাষার মাসে, সব ভাষাসৈনিকের প্রতি প্রতীকী অর্থে দু’জন নির্দিষ্ট
ভাষাসেনিকের উদ্দেশে দুই-কলম সম্মান জানাতে চাই।
প্রথম বিষয় তথা রাজনৈতিক বিষয়টি জটিল বিধায় আমার সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নিচ্ছি এবং সহজভাবে উপস্থাপনের আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। সম্মানিত পাঠক, আজকের কলামের বিষয়টি নিজ মেধা ও উদারতায় গ্রহণ করবেন বলে আশা রাখি। আজকের কলামের অতিরিক্ত, একই প্রসঙ্গে আরো কিছু কথা আগামী সপ্তাহের কলামে ইনশাআল্লাহ লিখব।
মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় প্রসঙ্গে
কোনো একজন ব্যক্তি এখন থেকে আট-দশ বছর আগে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট-আবেদন দাখিল করেছিলেন (পিটিশন নম্বর ৪১১২ অব ১৯৯৯)। পিটিশনের বা মামলার সারবস্তু হলো এই যে, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কি না।’ ৪ আগস্ট ২০০৪ হাইকোর্ট বিভাগ এই রিট আবেদনের ওপর রায় দিয়েছিলেন। অতঃপর এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। আপিলের দীর্ঘ সময় পর, আদালতীয় সময়ে শুনানি ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় অনেক প ছিল। আদালত আটজন প্রখ্যাত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অর্থাৎ এমিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দেয়। আর তারা এ বিষয়ে বক্তব্যও রেখেছিলেন। ১০ মে ২০১১, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মামলার রায় দেন। সুপ্রিম কোর্টের রেওয়াজ মোতাবেক এই তারিখে প্রদত্ত রায়টি অতি সংপ্তি ছিল। রায় দেয়ার সাত-আট দিন পর প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক অবসরে চলে যান। কম-বেশি ষোলো মাস পর, একই মামলার দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায় প্রকাশ করা হয়।
২০১১ সালের মে-জুন মাসে, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট, সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করে দেয়। তখন হাজারো ব্যক্তি, হাজারো জায়গায় জোরগলায় অথবা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, অতএব পার্লামেন্ট আইন করে সেটা বাতিল করতে বাধ্য। আমি নবীন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বারবার চিন্তা করছি, বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের উৎস কোথায়? আমার মতে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং পার্লামেন্টের কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি শুভঙ্করের ফাঁকি বিদ্যমান। এ নিয়ে আজকের কলামে প্রথমে আমি শুধু সংপ্তি রায়টিকে পুরোপুরি উদ্ধৃত করতে চাই। সংপ্তি রায়টি ইংরেজি ভাষায় দেয়া। আমি সেই ইংরেজি সংপ্তি রায়ের হুবহু ইংরেজি উদ্ধৃত করছি এবং নিজে বাংলা অনুবাদ বা ভাবানুবাদ করে দিচ্ছি।
It is hereby declared :
The appeal is allowed by majority without any order as to costs.
The Constitution (Thirteenth amendment) Act, 1996 (Act 1 of 1996) is prospectively declared void and ultra vires the Constitution.
The election of the Tenth and the Eleventh Parliament may be held under the provisions of the above mentioned Thirteenth Amendment on the age old principles, namely, quod alias non est licitum, necedditas licitum facit (That which otherwise is not lawful, necessity makes lawful), Salus Populi Est Suprema Lex (Safety of the people is the supreme law) Ges Salus Republicae Est Suprema Lex (Safety of the State is the Supreme law).
The parliament, however, in the meantime, is at liberty to bring necessary amendments excluding the provisions of making the former Chief Justices of Bangladesh or the Judges of the Appellate Division as the head of the Non-Party care-taker Government.
The Judgment in detail would follow.
The connected Civil Petition for leave to appeal No. 596 of 2005 is accordingly disposted of.”
বাংলা অনুবাদ :
এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে,
(১) আপিলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তে মঞ্জুর করা হলো, খরচাপাতি সম্বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া।
(২) সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধনী) আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সালের ১ নম্বর আইন) প্রত্যাশিতভাবে বা ভবিষ্যতের জন্য অসাংবিধানিক (তথা সংবিধানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ) এবং অবৈধ (তথা বৈধ কোনো কর্মের সমর্থনে প্রয়োগযোগ্য নয়)।
(৩) দশম এবং এগারোতম পার্লামেন্টের নির্বাচন, উপরে উল্লেখিত ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিধান বা বক্তব্য মোতাবেকই অনুষ্ঠিত করা যেতে পারে তিনটি যুগ-যুগান্তরের পুরনো নীতির ওপর ভিত্তি করে। প্রথম নীতি, সাধারণত যা আইনগত বা আইনগত নয় বা বৈধ নয়, সেটাই প্রয়োজনের কারণে বৈধ হয়। দ্বিতীয় নীতি, জনগণের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ বা চূড়ান্ত আইন। তৃতীয় নীতি, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন।
তবে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের পার্লামেন্ট নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে পারেন, একটি শর্ত বাদ দিয়ে। বাদ দিতে হবে যেই শর্ত সেটা হলো এই যে, বাংলাদেশের কোনো সাবেক প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের কোনো বিচারপতি, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন না। বিস্তারিত রায় যথাসময়ে আসবে। এতদ্বারা, সংশ্লিষ্ট সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নম্বর ৫৯৬ অব ২০০৫-এর বিহিত করা হলো। অনুবাদ শেষ
এই সংপ্তি রায়ের বিশ্লেষণ
প্রথম পয়েন্ট। রায়ে বলা আছে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতিটি, সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ, অতএব ভবিষ্যতের জন্য বাতিলযোগ্য। দ্বিতীয় পয়েন্ট। রায়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি যে, এখনই বাতিল করা হোক। তৃতীয় পয়েন্ট। ভবিষ্যতে বাতিলযোগ্য হলেও, এবং বর্তমানে (২০১১ সাল) সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হলেও, তিনটি প্রাচীন সর্বজনগ্রাহ্য নীতির কারণে আমাদের বক্তব্য হলো এই যে, ত্রয়োদশ সংশোধনীতে দেয়া পদ্ধতির অধীনে আগামী দু’টি পার্লামেন্টের নির্বাচন করা যেতে পারে। চতুর্থ পয়েন্ট। আগামী দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন এই পদ্ধতির অধীনে করার জন্য, ত্রয়োদশ সংশোধনী অর্থাৎ ওই আইনটি, পার্লামেন্ট কর্তৃক সংশোধন করা যেতে পারে। পঞ্চম পয়েন্ট। কতটুকু সংশোধন করবেন বা করবেন না সেটার এখতিয়ার হচ্ছে পার্লামেন্টের, অর্থাৎ পার্লামেন্টের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেয়া হলো। ষষ্ঠ পয়েন্ট। পার্লামেন্ট যখন ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিধান বা বক্তব্য সংশোধন করবে (এই রায়ের পরে), তখন অবশ্যই একটি সংশোধন বাধ্যতামূলকভাবে করবে। বাধ্যতামূলকভাবে করণীয় সংশোধনীটি হলো এই যে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারবেন না।
দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন করার পে মত দেয়ার কারণ
সংপ্তি রায়ে তিনটি নীতির কথা উল্লেখ করা আছে। বাংলা অনুবাদ বা ভাবানুবাদ, এই কলামেই একটু ওপরে দেয়া আছে। কিন্তু মাননীয় প্রধান বিচারপতি আর কোনো ব্যাখ্যা দেননি। হয়তোবা, সংপ্তি রায়ে ব্যাখ্যা দেয়ার জায়গা ছিল না। কতটুকু সংপ্তি হবে বা হবে না এটার এখতিয়ার একান্তভাবেই রায় প্রদানকারী বিচারপতির। কিন্তু আনুমানিক ষোলো মাস পর, যখন পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায় প্রদান বা প্রকাশ করা হয়, তখন দেখা গেল যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা করেছেন, কেন তিনি দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন করার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ের অনুচ্ছেদ নম্বর ১১৮৫ এবং ১১৮৬ দ্রষ্টব্য। ১১৮৫-তে, প্রধান বিচারপতি যা বলেছিলেন সেটা হুবহু এখানে তুলে দিলাম।
লিখিত রায়ের উদ্ধৃতি
উদ্ধৃতি শুরু। ‘অনুচ্ছেদ ১১৮৫। বিজ্ঞ এমিকাস কিউরিগণ সকলেই এই আদালতের সিনিয়র এডভোকেট। তাঁহাদের সুগভীর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা এবং দেশের প্রতি তাঁহাদের দায়িত্ববোধ প্রশ্নাতীত। সংখ্যাগরিষ্ঠ এমিকাস কিউরিগণ কোনো-না-কোনো আকারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বজায় রাখিবার পে মত প্রকাশ করিয়াছেন। তাঁহাদের আশঙ্কা নির্বাচনকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হইতে পারে। তাঁহারা সকলেই দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তাঁহাদের আশঙ্কা আমরা একেবারে অবহেলা করিতে পারি না। যদিও তর্কিত সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, কে অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হইয়াছে এবং ইহা অবশ্যই অবৈধ। তবুও এইরূপ আশঙ্কার কারণে সহস্র বছরের পুরাতন ল্যাটিন ম্যাক্সিম, যেমন, ইড কোড এলিয়াস নন-ইস্ট লিসিটাম, নেসেসিটাস লিসিটাম ফেসিট (দ্যট হুইচ আদারওয়াইজ ইজ নট লফুল, নেসেসিটি মেকস লফুল), সেলাস পপুলি ইস্ট সুপ্রিমা লেক্স (সেইফটি অব দি পিপল ইজ দি সুপ্রিম ল) এবং সেলাস রিপাবলিক্য ইস্ট সুপ্রিমা লেক্স (সেইফটি অব দি স্টেইট ইজ দি সুপ্রিম ল)... ইহার সহায়তা লইতে হইল। অনুচ্ছেদ ১১৮৬। উপরিউক্ত নীতিগুলোর আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সাময়িকভাবে শুধুমাত্র পরবর্তী দু’টি সাধারণ নির্বাচনের েেত্র থাকিবে কি থাকিবে না, সে সম্বন্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুধু জনগণের প্রতিনিধি জাতীয় সংসদ লইতে পারে। অনুচ্ছেদ ১১৮৭। উক্ত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলেই নিজ নিজ কর্তব্য সঠিকরূপে পালন করিতে সম্পূর্ণ সজাগ ও পরিপূর্ণ দায়িত্বশীল হইবেন বলিয়া আশা করা যায়।’ উদ্ধৃতি শেষ।
পার্লামেন্ট কী করল?
প্রথম পয়েন্ট। ২০১১ সালের মে-জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশে পার্লামেন্ট আইন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করে দিলো। দ্বিতীয় পয়েন্ট। যেই কারণগুলোর ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি মহোদয় আরো দু’টি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুপারিশ করেছিলেন, পার্লামেন্ট সেই কারণগুলোকে অবহেলা করলেন। তৃতীয় পয়েন্ট। মেজরিটি সংখ্যক এমিকাস কিউরি (আন-অফিসিয়ালি জানামতে আটজন এমিকাস কিউরির মধ্যে সাত জনই) যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন এবং যেই আশঙ্কাকে প্রধান বিচারপতি অবহেলা করেননি, পার্লামেন্ট কিন্তু অবহেলা করলেন। চতুর্থ পয়েন্ট। সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে, কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির েেত্র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় না। অনুরূপ ন্যায় বিচার, ন্যায় চিন্তা এবং সততার দাবি হলো পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে কোনো আইনকেও মৃত্যুপথে ঠেলে না দেয়া। অর্থাৎ পার্লামেন্ট সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে ফাঁসি দিয়ে দিলো।
দায়দায়িত্ব ও করণীয়
আমার মতে, বর্তমান অরাজক অশান্তিপূর্ণ বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য দায়দায়িত্ব বর্তায় ২০১১ সালের পার্লামেন্টের ওপরে। সেই পার্লামেন্টের লিডার অব দ্য হাউজ ছিলেন শেখ হাসিনা। তাহলে দায়দায়িত্বের চূড়ান্ত অবস্থান হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। যদি ২০১১ সালের পার্লামেন্ট পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ের জন্য অপো করতেন তাহলে তৎকালীন রাজনৈতিক সরকার, লিখিত রায় থেকে দিকনির্দেশনা পেতেন। সংপ্তি রায়ে এবং দীর্ঘ পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট পার্লামেন্টের ওপরেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছিলেন। পার্লামেন্ট, সাদা-কালো-সবুজ-লাল-হলুদ ইত্যাদি যে কোনো রঙের সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং একটি রঙের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পার্লামেন্ট, গরম-ঠাণ্ডা-বাষ্পীয়-বরফীয়-শীতল-নাতিশীতোষ্ণ যেকোনো তাপমাত্রার সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং একটি সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের ফলাফলের জন্য পার্লামেন্টকেই দায়িত্ব নিতে হবে। অতএব ২০১২-১৩-১৪ এবং ২০১৫ সালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং রাজনৈতিক গোলযোগের জন্য পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তই দায়ী। এরূপ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সহজ এবং সরল পথ হলো, পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত আরেকটি ভিন্ন গঠনমূলক বা সংশোধনমূলক সিদ্ধান্ত।
সমস্যার রূপ ও সমাধান
কেউ বলছেন সমস্যাটি আইনশৃঙ্খলাজনিত। কেউ বলছেন সমস্যাটি রাজনৈতিক। আমার মতে, সমস্যার উৎপত্তি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থেকে। ২০১১ সালের মে-জুন-জুলাই মাসের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি বা ২০১৩ সালের ডিসেম্বর-১৪ সালের জানুয়ারির সিদ্ধান্তগুলো অপরিণামদর্শী বলে প্রমাণিত হচ্ছে। রাজনৈতিক সমস্যা থেকেই আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যার উৎপত্তি হচ্ছে। সমাজ দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে হলে, সমস্যার উৎপত্তিস্থলে যেতে হবে। উৎপত্তিস্থল পার্লামেন্ট এবং আইন। তবে যুগপৎ চিকিৎসাও চলে। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য যেমন চেষ্টা করতে হবে সরকারকে, তেমনি রোগের উৎপত্তিস্থলের চিকিৎসার জন্যও পার্লামেন্টকে চেষ্টা করতে হবে। জনগণের বা নাগরিকগণের সচেতন অংশ, বিভিন্ন মাত্রায় বা আঙ্গিকে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতে পারেন। বাংলাদেশের প্রতি বা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা রাখেন, এমন ব্যক্তি বা সংস্থাও অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতে পারেন।
বেঙ্গল রেজিমেন্টের দু’জনের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান আলাদাভাবে স্বাধীন হওয়ার সময় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দু’টি অংশে ভাগ করা হয়েছিল, যার একটি অংশ ভারত পায় এবং আরেকটি অংশ পাকিস্তান পায়। অতঃপর তাদের নাম হয় যথাক্রমে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সেই নতুন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পদাতিক কোর বা পদাতিক বাহিনীতে বাঙালিদের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই হয়। অথচ সেনাবাহিনী একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্থা। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে বাঙালিদের জন্য স্বতন্ত্র একটি রেজিমেন্ট স্থাপন করতে উগগ্রীব হয়ে ওঠেন কিছু সচেতন বাঙালি অফিসার। এরকম দু’জন অফিসারের মধ্যে প্রথমজন হলেন মেজর আব্দুল গণি, সচরাচর শুধু মেজর গণি বলে পরিচিত। দ্বিতীয়জন হলেন মেজর মহম্মদ তহম্মল হোসেন, সমসাময়িকগণের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন মেজর এম টি হোসেন নামে। উভয়েই মরহুম। মেজর গণিকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ইউনিট বা দলটিকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’। সংেেপ এটাকে বলা হয় প্রথম বেঙ্গল রেজিমেন্ট বা আরো সংেেপ, ফার্স্ট বেঙ্গল। এই ব্যাটালিয়নের আনুষ্ঠানিক জন্ম ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৪৮ সালে।
বর্তমানে যেটাকে ঢাকা সেনানিবাস বলা হয়, তার সবচেয়ে উত্তরের অংশকে বলা হয় কুর্মিটোলা। ঢাকা সেনানিবাসে যেই অতি উচ্চমানের বিখ্যাত গলফ কাব আছে, সেই গলফ কাবের নাম কুর্মিটোলা গলফ কাব। কুর্মিটোলা নামে ভৌগোলিক এলাকাটি এখন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত এবং স্বনামধন্য একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটি বা বেইজ। ১৯৪৭-৪৮ সালে এখানে বিমানবাহিনীর স্থাপনা ছিল ন্যূনতম। এই কুর্মিটোলাতেই প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সংগঠিত হয় ও জন্ম লাভ করে। প্রতিষ্ঠা ও সংগঠনের প্রক্রিয়া কয়েক মাস চলার পর, আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের তারিখ ঠিক হয়েছিল ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৪৮। প্রধান অতিথি ছিলেন তখনকার আমলের পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর স্যার ফ্রেডারিক ব্রেবর্ন। আরো উপস্থিত ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন, নূরুল আমিন, প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রী, ওই আমলের পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত জিওসি ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান। অবশ্যই আরো সামরিক অফিসার, জুনিয়র কমিশনড অফিসারসহ, প্রথম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সবাই উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর, চা-চক্র শেষে, বিবিধ বিষয়ে আলাপ করার সময় ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান ইংরেজি ভাষায় বলেন, ‘ফ্রম নাউ অন ওয়ার্ডস বেঙ্গলি সোলজার্স উইল স্পিক ইন উর্দু অ্যান্ড নট ইন বেঙ্গলি।’ এতে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নবনিযুক্ত উপ-অধিনায়ক মেজর এমটি হোসেন ুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করে ইংরেজি ভাষায় বলেন, ‘এক্সকিউজ মি স্যার। ইন ওয়েস্ট পাকিস্তান পাঠান সোলজার্স হ্যাভ বিন এলাউড টু স্পিক ইন পশতু। সিমিলারলি আউয়ার বেঙ্গলি সোলজার্স শুড বি অ্যালাউড টু স্পিক ইন বেঙ্গলি অ্যান্ড উর্দু।’ রাগান্বিত হয়ে ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান ইংরেজিতে বলেন, ‘ননসেন্স। অ্যাবসার্ড। সিট ডাউন।’ এরূপ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় আত্মসম্মানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে, মেজর গণি যুগপৎ ুব্ধ ও আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। তিনি ইংরেজিতে বলেন, ‘এক্সকিউজ মি স্যার। হোয়াটএভার মেজর এমটি হোসেন হ্যাজ সেইড ইজ নট কারেক্ট। উই বেঙ্গলি সোলজার্স উইল নেভার স্পিক ইন উর্দু, বাট ইন আওয়ার মাদার টাংগ বেঙ্গলি।’ মেজর গণির এরূপ শক্তিশালী বক্তব্যে, ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান অধিকতর রাগান্বিত হয়ে বলেন, ‘শাটআপ। সিট ডাউন।’ কিছু দিন পরই তৎকালীন জিওসি আইয়ুব খান হুকুম জারি করেন যে, কোনো বাঙালি সৈনিক জেসিও এবং অফিসার বাংলায় কথা বলতে পারবে না। মেজর গণি ও মেজর হোসেন প্রথম হুকুম অমান্য করে এর প্রতিবাদ জানান। এর প্রতিক্রিয়ায় এই দু’জন অফিসারকেই নির্যাতন সহ্য করতে হয় এবং কিছু দিনের মধ্যেই ব্যাটালিয়ন হতে অন্যত্র বদলি করে দেয়া হয়। ভাষার মাস ফেব্র“য়ারিতে, আমরা মেজর গণি এবং মেজর এমটি হোসেনের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধানিবেদন করছি। মেজর এমটি হোসেনের পরিবারের সাথে আমাদের যোগাযোগ নেই; মেজর গণির পরিবারের সাথে আছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মেজর গণির সম্মানিত স্ত্রী, বেঙ্গল রেজিমেন্টের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ ফাংশনে দাওয়াত পেতেন। মেজর গণি ইন্তেকালের সময় তার বড় ছেলে তাজুল ইসলাম গণি এবং ছোট ছেলে খালেদ গণির বয়স ছিল যথাক্রমে ছয় বছর এবং ছয় মাস। উভয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ছিলেন, যথাক্রমে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর। জনাব তাজ, দেশ-বিখ্যাত ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ছাত্র হিসেবে আমার থেকে দুই বছর ছোট। মাতৃভাষার জন্য উদ্দীপ্ত হওয়া দুই সৈনিক হোসেন এবং গণির সম্মানিত পরিবারবর্গ যেখানেই থাকুন না কেন, তাদের প্রতি অভিনন্দন। মরহুম মেজর আব্দুল গণির জ্যেষ্ঠ সন্তান, তার পিতার জীবনী লেখার নিমিত্তে এখন গবেষণা করছেন। ওই গবেষণা থেকেই ধার করে আমি ওপরের কথাগুলো তুলে ধরেছি। জ্যেষ্ঠ সন্তানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:) ও চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
প্রথম বিষয় তথা রাজনৈতিক বিষয়টি জটিল বিধায় আমার সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নিচ্ছি এবং সহজভাবে উপস্থাপনের আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। সম্মানিত পাঠক, আজকের কলামের বিষয়টি নিজ মেধা ও উদারতায় গ্রহণ করবেন বলে আশা রাখি। আজকের কলামের অতিরিক্ত, একই প্রসঙ্গে আরো কিছু কথা আগামী সপ্তাহের কলামে ইনশাআল্লাহ লিখব।
মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় প্রসঙ্গে
কোনো একজন ব্যক্তি এখন থেকে আট-দশ বছর আগে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট-আবেদন দাখিল করেছিলেন (পিটিশন নম্বর ৪১১২ অব ১৯৯৯)। পিটিশনের বা মামলার সারবস্তু হলো এই যে, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কি না।’ ৪ আগস্ট ২০০৪ হাইকোর্ট বিভাগ এই রিট আবেদনের ওপর রায় দিয়েছিলেন। অতঃপর এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। আপিলের দীর্ঘ সময় পর, আদালতীয় সময়ে শুনানি ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় অনেক প ছিল। আদালত আটজন প্রখ্যাত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অর্থাৎ এমিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দেয়। আর তারা এ বিষয়ে বক্তব্যও রেখেছিলেন। ১০ মে ২০১১, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মামলার রায় দেন। সুপ্রিম কোর্টের রেওয়াজ মোতাবেক এই তারিখে প্রদত্ত রায়টি অতি সংপ্তি ছিল। রায় দেয়ার সাত-আট দিন পর প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক অবসরে চলে যান। কম-বেশি ষোলো মাস পর, একই মামলার দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায় প্রকাশ করা হয়।
২০১১ সালের মে-জুন মাসে, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট, সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করে দেয়। তখন হাজারো ব্যক্তি, হাজারো জায়গায় জোরগলায় অথবা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, অতএব পার্লামেন্ট আইন করে সেটা বাতিল করতে বাধ্য। আমি নবীন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বারবার চিন্তা করছি, বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের উৎস কোথায়? আমার মতে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং পার্লামেন্টের কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি শুভঙ্করের ফাঁকি বিদ্যমান। এ নিয়ে আজকের কলামে প্রথমে আমি শুধু সংপ্তি রায়টিকে পুরোপুরি উদ্ধৃত করতে চাই। সংপ্তি রায়টি ইংরেজি ভাষায় দেয়া। আমি সেই ইংরেজি সংপ্তি রায়ের হুবহু ইংরেজি উদ্ধৃত করছি এবং নিজে বাংলা অনুবাদ বা ভাবানুবাদ করে দিচ্ছি।
It is hereby declared :
The appeal is allowed by majority without any order as to costs.
The Constitution (Thirteenth amendment) Act, 1996 (Act 1 of 1996) is prospectively declared void and ultra vires the Constitution.
The election of the Tenth and the Eleventh Parliament may be held under the provisions of the above mentioned Thirteenth Amendment on the age old principles, namely, quod alias non est licitum, necedditas licitum facit (That which otherwise is not lawful, necessity makes lawful), Salus Populi Est Suprema Lex (Safety of the people is the supreme law) Ges Salus Republicae Est Suprema Lex (Safety of the State is the Supreme law).
The parliament, however, in the meantime, is at liberty to bring necessary amendments excluding the provisions of making the former Chief Justices of Bangladesh or the Judges of the Appellate Division as the head of the Non-Party care-taker Government.
The Judgment in detail would follow.
The connected Civil Petition for leave to appeal No. 596 of 2005 is accordingly disposted of.”
বাংলা অনুবাদ :
এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে,
(১) আপিলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তে মঞ্জুর করা হলো, খরচাপাতি সম্বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া।
(২) সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধনী) আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সালের ১ নম্বর আইন) প্রত্যাশিতভাবে বা ভবিষ্যতের জন্য অসাংবিধানিক (তথা সংবিধানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ) এবং অবৈধ (তথা বৈধ কোনো কর্মের সমর্থনে প্রয়োগযোগ্য নয়)।
(৩) দশম এবং এগারোতম পার্লামেন্টের নির্বাচন, উপরে উল্লেখিত ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিধান বা বক্তব্য মোতাবেকই অনুষ্ঠিত করা যেতে পারে তিনটি যুগ-যুগান্তরের পুরনো নীতির ওপর ভিত্তি করে। প্রথম নীতি, সাধারণত যা আইনগত বা আইনগত নয় বা বৈধ নয়, সেটাই প্রয়োজনের কারণে বৈধ হয়। দ্বিতীয় নীতি, জনগণের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ বা চূড়ান্ত আইন। তৃতীয় নীতি, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন।
তবে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের পার্লামেন্ট নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে পারেন, একটি শর্ত বাদ দিয়ে। বাদ দিতে হবে যেই শর্ত সেটা হলো এই যে, বাংলাদেশের কোনো সাবেক প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের কোনো বিচারপতি, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন না। বিস্তারিত রায় যথাসময়ে আসবে। এতদ্বারা, সংশ্লিষ্ট সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নম্বর ৫৯৬ অব ২০০৫-এর বিহিত করা হলো। অনুবাদ শেষ
এই সংপ্তি রায়ের বিশ্লেষণ
প্রথম পয়েন্ট। রায়ে বলা আছে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতিটি, সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ, অতএব ভবিষ্যতের জন্য বাতিলযোগ্য। দ্বিতীয় পয়েন্ট। রায়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি যে, এখনই বাতিল করা হোক। তৃতীয় পয়েন্ট। ভবিষ্যতে বাতিলযোগ্য হলেও, এবং বর্তমানে (২০১১ সাল) সংবিধানের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হলেও, তিনটি প্রাচীন সর্বজনগ্রাহ্য নীতির কারণে আমাদের বক্তব্য হলো এই যে, ত্রয়োদশ সংশোধনীতে দেয়া পদ্ধতির অধীনে আগামী দু’টি পার্লামেন্টের নির্বাচন করা যেতে পারে। চতুর্থ পয়েন্ট। আগামী দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন এই পদ্ধতির অধীনে করার জন্য, ত্রয়োদশ সংশোধনী অর্থাৎ ওই আইনটি, পার্লামেন্ট কর্তৃক সংশোধন করা যেতে পারে। পঞ্চম পয়েন্ট। কতটুকু সংশোধন করবেন বা করবেন না সেটার এখতিয়ার হচ্ছে পার্লামেন্টের, অর্থাৎ পার্লামেন্টের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেয়া হলো। ষষ্ঠ পয়েন্ট। পার্লামেন্ট যখন ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিধান বা বক্তব্য সংশোধন করবে (এই রায়ের পরে), তখন অবশ্যই একটি সংশোধন বাধ্যতামূলকভাবে করবে। বাধ্যতামূলকভাবে করণীয় সংশোধনীটি হলো এই যে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারবেন না।
দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন করার পে মত দেয়ার কারণ
সংপ্তি রায়ে তিনটি নীতির কথা উল্লেখ করা আছে। বাংলা অনুবাদ বা ভাবানুবাদ, এই কলামেই একটু ওপরে দেয়া আছে। কিন্তু মাননীয় প্রধান বিচারপতি আর কোনো ব্যাখ্যা দেননি। হয়তোবা, সংপ্তি রায়ে ব্যাখ্যা দেয়ার জায়গা ছিল না। কতটুকু সংপ্তি হবে বা হবে না এটার এখতিয়ার একান্তভাবেই রায় প্রদানকারী বিচারপতির। কিন্তু আনুমানিক ষোলো মাস পর, যখন পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায় প্রদান বা প্রকাশ করা হয়, তখন দেখা গেল যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা করেছেন, কেন তিনি দু’টি পার্লামেন্ট নির্বাচন করার জন্য সুপারিশ করেছিলেন। দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ের অনুচ্ছেদ নম্বর ১১৮৫ এবং ১১৮৬ দ্রষ্টব্য। ১১৮৫-তে, প্রধান বিচারপতি যা বলেছিলেন সেটা হুবহু এখানে তুলে দিলাম।
লিখিত রায়ের উদ্ধৃতি
উদ্ধৃতি শুরু। ‘অনুচ্ছেদ ১১৮৫। বিজ্ঞ এমিকাস কিউরিগণ সকলেই এই আদালতের সিনিয়র এডভোকেট। তাঁহাদের সুগভীর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা এবং দেশের প্রতি তাঁহাদের দায়িত্ববোধ প্রশ্নাতীত। সংখ্যাগরিষ্ঠ এমিকাস কিউরিগণ কোনো-না-কোনো আকারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বজায় রাখিবার পে মত প্রকাশ করিয়াছেন। তাঁহাদের আশঙ্কা নির্বাচনকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হইতে পারে। তাঁহারা সকলেই দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তাঁহাদের আশঙ্কা আমরা একেবারে অবহেলা করিতে পারি না। যদিও তর্কিত সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, কে অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হইয়াছে এবং ইহা অবশ্যই অবৈধ। তবুও এইরূপ আশঙ্কার কারণে সহস্র বছরের পুরাতন ল্যাটিন ম্যাক্সিম, যেমন, ইড কোড এলিয়াস নন-ইস্ট লিসিটাম, নেসেসিটাস লিসিটাম ফেসিট (দ্যট হুইচ আদারওয়াইজ ইজ নট লফুল, নেসেসিটি মেকস লফুল), সেলাস পপুলি ইস্ট সুপ্রিমা লেক্স (সেইফটি অব দি পিপল ইজ দি সুপ্রিম ল) এবং সেলাস রিপাবলিক্য ইস্ট সুপ্রিমা লেক্স (সেইফটি অব দি স্টেইট ইজ দি সুপ্রিম ল)... ইহার সহায়তা লইতে হইল। অনুচ্ছেদ ১১৮৬। উপরিউক্ত নীতিগুলোর আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সাময়িকভাবে শুধুমাত্র পরবর্তী দু’টি সাধারণ নির্বাচনের েেত্র থাকিবে কি থাকিবে না, সে সম্বন্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুধু জনগণের প্রতিনিধি জাতীয় সংসদ লইতে পারে। অনুচ্ছেদ ১১৮৭। উক্ত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলেই নিজ নিজ কর্তব্য সঠিকরূপে পালন করিতে সম্পূর্ণ সজাগ ও পরিপূর্ণ দায়িত্বশীল হইবেন বলিয়া আশা করা যায়।’ উদ্ধৃতি শেষ।
পার্লামেন্ট কী করল?
প্রথম পয়েন্ট। ২০১১ সালের মে-জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশে পার্লামেন্ট আইন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করে দিলো। দ্বিতীয় পয়েন্ট। যেই কারণগুলোর ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি মহোদয় আরো দু’টি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুপারিশ করেছিলেন, পার্লামেন্ট সেই কারণগুলোকে অবহেলা করলেন। তৃতীয় পয়েন্ট। মেজরিটি সংখ্যক এমিকাস কিউরি (আন-অফিসিয়ালি জানামতে আটজন এমিকাস কিউরির মধ্যে সাত জনই) যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন এবং যেই আশঙ্কাকে প্রধান বিচারপতি অবহেলা করেননি, পার্লামেন্ট কিন্তু অবহেলা করলেন। চতুর্থ পয়েন্ট। সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে, কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির েেত্র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় না। অনুরূপ ন্যায় বিচার, ন্যায় চিন্তা এবং সততার দাবি হলো পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে কোনো আইনকেও মৃত্যুপথে ঠেলে না দেয়া। অর্থাৎ পার্লামেন্ট সংপ্তি রায়ের ওপর ভিত্তি করে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে ফাঁসি দিয়ে দিলো।
দায়দায়িত্ব ও করণীয়
আমার মতে, বর্তমান অরাজক অশান্তিপূর্ণ বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য দায়দায়িত্ব বর্তায় ২০১১ সালের পার্লামেন্টের ওপরে। সেই পার্লামেন্টের লিডার অব দ্য হাউজ ছিলেন শেখ হাসিনা। তাহলে দায়দায়িত্বের চূড়ান্ত অবস্থান হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। যদি ২০১১ সালের পার্লামেন্ট পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ের জন্য অপো করতেন তাহলে তৎকালীন রাজনৈতিক সরকার, লিখিত রায় থেকে দিকনির্দেশনা পেতেন। সংপ্তি রায়ে এবং দীর্ঘ পূর্ণাঙ্গ লিখিত রায়ে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট পার্লামেন্টের ওপরেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছিলেন। পার্লামেন্ট, সাদা-কালো-সবুজ-লাল-হলুদ ইত্যাদি যে কোনো রঙের সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং একটি রঙের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পার্লামেন্ট, গরম-ঠাণ্ডা-বাষ্পীয়-বরফীয়-শীতল-নাতিশীতোষ্ণ যেকোনো তাপমাত্রার সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং একটি সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের ফলাফলের জন্য পার্লামেন্টকেই দায়িত্ব নিতে হবে। অতএব ২০১২-১৩-১৪ এবং ২০১৫ সালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং রাজনৈতিক গোলযোগের জন্য পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তই দায়ী। এরূপ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সহজ এবং সরল পথ হলো, পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত আরেকটি ভিন্ন গঠনমূলক বা সংশোধনমূলক সিদ্ধান্ত।
সমস্যার রূপ ও সমাধান
কেউ বলছেন সমস্যাটি আইনশৃঙ্খলাজনিত। কেউ বলছেন সমস্যাটি রাজনৈতিক। আমার মতে, সমস্যার উৎপত্তি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থেকে। ২০১১ সালের মে-জুন-জুলাই মাসের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি বা ২০১৩ সালের ডিসেম্বর-১৪ সালের জানুয়ারির সিদ্ধান্তগুলো অপরিণামদর্শী বলে প্রমাণিত হচ্ছে। রাজনৈতিক সমস্যা থেকেই আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যার উৎপত্তি হচ্ছে। সমাজ দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে হলে, সমস্যার উৎপত্তিস্থলে যেতে হবে। উৎপত্তিস্থল পার্লামেন্ট এবং আইন। তবে যুগপৎ চিকিৎসাও চলে। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য যেমন চেষ্টা করতে হবে সরকারকে, তেমনি রোগের উৎপত্তিস্থলের চিকিৎসার জন্যও পার্লামেন্টকে চেষ্টা করতে হবে। জনগণের বা নাগরিকগণের সচেতন অংশ, বিভিন্ন মাত্রায় বা আঙ্গিকে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতে পারেন। বাংলাদেশের প্রতি বা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা রাখেন, এমন ব্যক্তি বা সংস্থাও অনুঘটকের ভূমিকা পালন করতে পারেন।
বেঙ্গল রেজিমেন্টের দু’জনের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান আলাদাভাবে স্বাধীন হওয়ার সময় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দু’টি অংশে ভাগ করা হয়েছিল, যার একটি অংশ ভারত পায় এবং আরেকটি অংশ পাকিস্তান পায়। অতঃপর তাদের নাম হয় যথাক্রমে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সেই নতুন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পদাতিক কোর বা পদাতিক বাহিনীতে বাঙালিদের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই হয়। অথচ সেনাবাহিনী একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্থা। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে বাঙালিদের জন্য স্বতন্ত্র একটি রেজিমেন্ট স্থাপন করতে উগগ্রীব হয়ে ওঠেন কিছু সচেতন বাঙালি অফিসার। এরকম দু’জন অফিসারের মধ্যে প্রথমজন হলেন মেজর আব্দুল গণি, সচরাচর শুধু মেজর গণি বলে পরিচিত। দ্বিতীয়জন হলেন মেজর মহম্মদ তহম্মল হোসেন, সমসাময়িকগণের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন মেজর এম টি হোসেন নামে। উভয়েই মরহুম। মেজর গণিকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ইউনিট বা দলটিকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’। সংেেপ এটাকে বলা হয় প্রথম বেঙ্গল রেজিমেন্ট বা আরো সংেেপ, ফার্স্ট বেঙ্গল। এই ব্যাটালিয়নের আনুষ্ঠানিক জন্ম ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৪৮ সালে।
বর্তমানে যেটাকে ঢাকা সেনানিবাস বলা হয়, তার সবচেয়ে উত্তরের অংশকে বলা হয় কুর্মিটোলা। ঢাকা সেনানিবাসে যেই অতি উচ্চমানের বিখ্যাত গলফ কাব আছে, সেই গলফ কাবের নাম কুর্মিটোলা গলফ কাব। কুর্মিটোলা নামে ভৌগোলিক এলাকাটি এখন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত এবং স্বনামধন্য একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটি বা বেইজ। ১৯৪৭-৪৮ সালে এখানে বিমানবাহিনীর স্থাপনা ছিল ন্যূনতম। এই কুর্মিটোলাতেই প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সংগঠিত হয় ও জন্ম লাভ করে। প্রতিষ্ঠা ও সংগঠনের প্রক্রিয়া কয়েক মাস চলার পর, আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের তারিখ ঠিক হয়েছিল ১৫ ফেব্র“য়ারি ১৯৪৮। প্রধান অতিথি ছিলেন তখনকার আমলের পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর স্যার ফ্রেডারিক ব্রেবর্ন। আরো উপস্থিত ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন, নূরুল আমিন, প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রী, ওই আমলের পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত জিওসি ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান। অবশ্যই আরো সামরিক অফিসার, জুনিয়র কমিশনড অফিসারসহ, প্রথম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সবাই উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর, চা-চক্র শেষে, বিবিধ বিষয়ে আলাপ করার সময় ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান ইংরেজি ভাষায় বলেন, ‘ফ্রম নাউ অন ওয়ার্ডস বেঙ্গলি সোলজার্স উইল স্পিক ইন উর্দু অ্যান্ড নট ইন বেঙ্গলি।’ এতে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নবনিযুক্ত উপ-অধিনায়ক মেজর এমটি হোসেন ুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করে ইংরেজি ভাষায় বলেন, ‘এক্সকিউজ মি স্যার। ইন ওয়েস্ট পাকিস্তান পাঠান সোলজার্স হ্যাভ বিন এলাউড টু স্পিক ইন পশতু। সিমিলারলি আউয়ার বেঙ্গলি সোলজার্স শুড বি অ্যালাউড টু স্পিক ইন বেঙ্গলি অ্যান্ড উর্দু।’ রাগান্বিত হয়ে ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান ইংরেজিতে বলেন, ‘ননসেন্স। অ্যাবসার্ড। সিট ডাউন।’ এরূপ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় আত্মসম্মানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে, মেজর গণি যুগপৎ ুব্ধ ও আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। তিনি ইংরেজিতে বলেন, ‘এক্সকিউজ মি স্যার। হোয়াটএভার মেজর এমটি হোসেন হ্যাজ সেইড ইজ নট কারেক্ট। উই বেঙ্গলি সোলজার্স উইল নেভার স্পিক ইন উর্দু, বাট ইন আওয়ার মাদার টাংগ বেঙ্গলি।’ মেজর গণির এরূপ শক্তিশালী বক্তব্যে, ব্রিগেডিয়ার আইয়ুব খান অধিকতর রাগান্বিত হয়ে বলেন, ‘শাটআপ। সিট ডাউন।’ কিছু দিন পরই তৎকালীন জিওসি আইয়ুব খান হুকুম জারি করেন যে, কোনো বাঙালি সৈনিক জেসিও এবং অফিসার বাংলায় কথা বলতে পারবে না। মেজর গণি ও মেজর হোসেন প্রথম হুকুম অমান্য করে এর প্রতিবাদ জানান। এর প্রতিক্রিয়ায় এই দু’জন অফিসারকেই নির্যাতন সহ্য করতে হয় এবং কিছু দিনের মধ্যেই ব্যাটালিয়ন হতে অন্যত্র বদলি করে দেয়া হয়। ভাষার মাস ফেব্র“য়ারিতে, আমরা মেজর গণি এবং মেজর এমটি হোসেনের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধানিবেদন করছি। মেজর এমটি হোসেনের পরিবারের সাথে আমাদের যোগাযোগ নেই; মেজর গণির পরিবারের সাথে আছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মেজর গণির সম্মানিত স্ত্রী, বেঙ্গল রেজিমেন্টের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ ফাংশনে দাওয়াত পেতেন। মেজর গণি ইন্তেকালের সময় তার বড় ছেলে তাজুল ইসলাম গণি এবং ছোট ছেলে খালেদ গণির বয়স ছিল যথাক্রমে ছয় বছর এবং ছয় মাস। উভয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ছিলেন, যথাক্রমে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর। জনাব তাজ, দেশ-বিখ্যাত ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ছাত্র হিসেবে আমার থেকে দুই বছর ছোট। মাতৃভাষার জন্য উদ্দীপ্ত হওয়া দুই সৈনিক হোসেন এবং গণির সম্মানিত পরিবারবর্গ যেখানেই থাকুন না কেন, তাদের প্রতি অভিনন্দন। মরহুম মেজর আব্দুল গণির জ্যেষ্ঠ সন্তান, তার পিতার জীবনী লেখার নিমিত্তে এখন গবেষণা করছেন। ওই গবেষণা থেকেই ধার করে আমি ওপরের কথাগুলো তুলে ধরেছি। জ্যেষ্ঠ সন্তানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:) ও চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 18
(51)
- আক্রান্ত হলে আত্মরক্ষার অধিকার আছে পুলিশের: আইজিপি
- ‘আদালতের রায় মানলে বিএনপি’র অস্তিত্ব থাকে না’ -প্র...
- ব্রিটেনে বিক্ষোভের মুখে বন্ধ হলো ইসরাইলি অস্ত্র কা...
- রাজধানীতে ৭ গাড়িতে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
- ঢাকা থেকে সারাদেশ বিচ্ছিন্ন : কুটনীতিকদের এফবিসিসিআই
- জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠিকে গতানুগতিক বলছে আ.লীগ by আ...
- নিঃসঙ্গ ‘ফিরোজা’ by মানসুরা হোসাইন
- ‘পদত্যাগ করুন, তবেই নিরাপদ অবতরণের বিষয়টি বিবেচনা ...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই অস্ত্রধারী ...
- দ্বিমুখী ক্ষতিতে প্রান্তিক মানুষ by দেলোয়ার হুসেন ...
- সংলাপ না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে: কাদের...
- ট্রেনের টয়লেটে সন্তান প্রসব
- সব যদি স্বাভাবিক হবে? by সাজেদুল হক
- ‘আমি হিন্দু শিবির নই’ by মাহমুদ মানজুর
- সংলাপে বসুন -হাসিনা–খালেদাকে বান কি মুনের চিঠি by ...
- রাজনৈতিক নেতাদের সৌজন্যবোধ ও ভাষারীতি by সৈয়দ আব...
- বিশ্বের শীর্ষ ধনী পুতিন?
- ভেড়াবর্ষ
- ‘বর্তমান সঙ্কটের মূলে অনির্বাচিত সরকার’ -ইইউ প্রতি...
- মধ্যবর্তী নির্বাচন ও সংবিধান by ইকতেদার আহমেদ
- রাঙ্গামাটি থেকে পাচার হচ্ছে ভারতীয় কাঠ by সুশীল প্...
- আনোয়ারা–বাঁশখালী–চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক- দুই পাশ...
- তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এ বছরেই- কাল আসছেন মমতা ...
- আরডিএর বিপণিবিতান বরাদ্দের আগেই বেদখল
- রাঙ্গুনিয়ায় ট্রাকে হামলা- পেট্রোল বোমায় পুড়ল সেলিম...
- ভারত- ‘সাম্প্রদায়িকতাই আসল সমস্যা’ by কুলদীপ নায়ার
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়- মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা দিচ্ছে...
- বাংলাদেশের বন্ধুরা উদ্বিগ্ন, অনুরোধ করলে সহায়তা দি...
- মুসলিম ব্রাদারহুডের আবেদন : বিশ্বশক্তিগুলোর দায়িত্...
- সংকটের সমাধান কোন পথে? by সামিনা আহমেদ
- ‘ভাষাদূষণ’ একটি নাগরিক কুসংস্কার by শিশির ভট্টাচার...
- অগ্নিদগ্ধের কল্পিত চিঠি by গৌরব জি. পাথাং
- সড়কে দুধ ঢেলে প্রতিবাদ- হায় রে দুর্ভাগা দেশ!
- হরফ নিয়ে সাঁওতালদের বিরোধ by রাজীব নূর
- ভাষাসৈনিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক চিন...
- প্রদীপগুলো জ্বলে উঠুক by ড. মুসতাক আহমেদ
- ‘জঙ্গিবাদ’ আরোপ : ক্ষমতা স্থায়ীকরণে নয়া কৌশল by ড....
- মামলা তুলে নিতে নানা প্রলোভন by কাজী আনিছ
- কথিত বন্দুকযুদ্ধ- গুলিবিদ্ধ ১৫–র ৯ জনই অরাজনৈতিক ব...
- খালেদা-তারানকো ফোনালাপ
- মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট
- ধ্বংসস্তূপে মন্দির, রাস্তা, স্তূপ কমপ্লেক্স- হাজার...
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- একুশে ১৯৭২ by জুলিয়ান ফ্রান্সিস
- অবরোধে বিপর্যস্ত চিংড়ি শিল্প শ্রমিকদের মানবেতর জীব...
- সুন্দরবন- জাতিসংঘের সুপারিশ আমলে নিন
- খালেদা জিয়ার সাথে ইইউ প্রতিনিধিদলের বৈঠক
- গাইবান্ধায় র্যাবের গুলিতে শিবিরকর্মী নিহত
- আন্দোলনের নতুন ছকে বিএনপি by মঈন উদ্দিন খান
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- নেতাকর্মীদের না পেয়ে স্বজনদের হয়রানি by আবু সালেহ আকন
-
▼
Feb 18
(51)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment