Saturday, October 10, 2015
বাল্যবিবাহ রোধে দ্রুত আইন পাস ও বাস্তবায়ন চাই
বাল্যবিবাহ রোধে দ্রুত আইন পাস ও বাস্তবায়ন চাই
গত
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫, প্রথম আলোর আয়োজনে ‘বাল্যবিবাহ রোধে দ্রুত আইন পাস
ও বাস্তবায়ন চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত
আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত হলো।
** মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ ও ১৮ বছর নিয়ে একটা বিভ্রান্তি আছে। আশা করি নতুন আইনে এ বিভ্রান্তি দূর হবে
** বাল্যবিবাহ বন্ধের জন্য দারিদ্র্য, কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা, যৌন হয়রানি, বখাটেদের উৎপাত ইত্যাদি বন্ধ করতে হবে
** আমাদের স্কুলগুলোয়, সভা-সমাবেশে অভিভাবকদের সবাইকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে
** ১৮ বছরের আগে বিয়ে বাতিল করতে গেলে যেসব সমস্যা হবে, আইনে তা সমাধানের সঠিক নির্দেশনা থাকতে হবে
** ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও বাল্যবিবাহের খসড়া আইন, ২০১৪ একসঙ্গে পাস করতে হবে
** বাল্যবিবাহ বন্ধের জন্য দারিদ্র্য, কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা, যৌন হয়রানি, বখাটেদের উৎপাত ইত্যাদি বন্ধ করতে হবে
** আমাদের স্কুলগুলোয়, সভা-সমাবেশে অভিভাবকদের সবাইকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে
** ১৮ বছরের আগে বিয়ে বাতিল করতে গেলে যেসব সমস্যা হবে, আইনে তা সমাধানের সঠিক নির্দেশনা থাকতে হবে
** ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও বাল্যবিবাহের খসড়া আইন, ২০১৪ একসঙ্গে পাস করতে হবে
আলোচনা
আবদুল কাইয়ুম: ১৮ বছরের নিচে বিয়ে হলে সেটা শিশু বিয়ে বলে গণ্য হবে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ আইন ১৯৮২ সালে সংশোধন করা হয়। এখন আবার এ আইনের একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। খসড়ায় ১৬ বছরে নারীদের বিয়ের কথা না থাকলেও গ্রামের নারীরা মনে করছে যে ১৬ বছরে বিয়ে হতে পারে। বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের বাস। এর ৪৫ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে।
দেশের আইনে ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও উদ্বেগজনক হারে এটা বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু এখনো শিশুর বিয়ের ন্যূনতম বয়সের আইন প্রণীত হয়নি। দেশবাসী চায় সরকার যেন দ্রুত আইনটি প্রণয়ন ও কার্যকর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এখন এ বিষয়ে বলবেন মোহাম্মদ নাসিম।
আবদুল কাইয়ুম: ১৮ বছরের নিচে বিয়ে হলে সেটা শিশু বিয়ে বলে গণ্য হবে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ আইন ১৯৮২ সালে সংশোধন করা হয়। এখন আবার এ আইনের একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। খসড়ায় ১৬ বছরে নারীদের বিয়ের কথা না থাকলেও গ্রামের নারীরা মনে করছে যে ১৬ বছরে বিয়ে হতে পারে। বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের বাস। এর ৪৫ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে।
দেশের আইনে ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও উদ্বেগজনক হারে এটা বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু এখনো শিশুর বিয়ের ন্যূনতম বয়সের আইন প্রণীত হয়নি। দেশবাসী চায় সরকার যেন দ্রুত আইনটি প্রণয়ন ও কার্যকর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এখন এ বিষয়ে বলবেন মোহাম্মদ নাসিম।
মোহাম্মদ নাসিম
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীর ব্যাপক ক্ষমতায়ন হচ্ছে। নারীরা এখন সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করতে পারছেন। একজন নারী শিক্ষিত হলে তিনি সচেতন হবেন। নিজের জীবনের
সব সিদ্ধান্ত তিনি নিতে পারবেন। ১৮ সেপ্টেম্বর একটি খবরের কাগজে দেখলাম,
একটি শিশু সরকারি কর্মকর্তাকে ফোন করে বলছে, ‘আমাকে বাঁচান। আমাকে জোর
করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই যে সচেতনতা, এটাই সবচেয়ে বড় শক্তি। বাল্যবিবাহের
বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন করতে হবে। দেশে অনেক ভালো আইন আছে, কিন্তু আইনের
প্রয়োগ কম। প্রত্যেকে যদি সচেতন হয়, তাহলে আইন লাগবে না। প্রত্যেকে
প্রত্যেকের জায়গা থেকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারবে। আমরা চাই
মানুষের মধ্যে সচেতনতার জাগরণ হোক।
চন্দন জেড গোমেজ
ওয়ার্ল্ড
ভিশন বাংলাদেশ বাল্যবিবাহ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। বর্তমান সরকারও
বাল্যবিবাহ বন্ধে গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ লক্ষ করি।
বাল্যবিবাহ বন্ধে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আমরা কাজ করেছি।
দেশে ১৯২৯ সালের একটি বাল্যবিবাহ আইন আছে। এ আইনকে পর্যালোচনা করে বাল্যবিবাহের সময়োপযোগী একটি আইনের খসড়া তৈরি করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ এ কাজে আমাদের সহায়তা করেছে। এ খসড়া মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে অনুমোদনের উদ্যোগ নিই। প্রধানমন্ত্রী এটি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছেন বলে জানি।
এটি একটি যুগান্তকারী আইনের খসড়া বলে মনে করি। এ আইনের খসড়ার একটি বিষয় নিয়ে সারা দেশে আলোচনা হচ্ছে। বিষয়টি হলো, যদি কোনো ছেলেমেয়ের প্রেম-ভালোবাসা বা অন্য কোনো জটিল পরিস্থিতিতে বাল্যবিবাহ হয়, তাহলে আদালত এ বিয়েকে বৈধ ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু দেশের অনেক মানুষ মনে করছে, সরকার বিয়ের বয়স ১৬ বছর করেছে। এই ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হওয়া দরকার।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী জেনেভা যাবেন। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সেখানে কথা বলবেন। সেখানে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও হয়তো কথা বলবেন। সেভ দ্য চিলড্রেন থেকে একজন নারী যাবেন কেবল এ বিষয়ে কথা বলতে।
বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একটি জরুরি বিষয় হলো কন্যাশিশুর জীবনমানের উন্নয়ন করা। তাই যত দ্রুত সম্ভব আইনটি জাতীয় সংসদের মাধ্যমে পাস করা ও তার বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। এখন বাল্যবিবাহ বন্ধের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও বাল্যবিবাহের খসড়া আইন, ২০১৪ একসঙ্গে পাস করতে হবে। এটা যত দ্রুত করা সম্ভব, ততই দেশের নারীসহ আমাদের সবার জন্য মঙ্গল।
আর নারীদের বিয়ের বয়স ১৬ ও ১৮ বছর নিয়ে একটা বিভ্রান্তি আছে। আমরা আশা করি এটা অবশ্যই দূর হবে। নারীর বিয়ের বয়স যেন ১৮ বছরই থাকে। কারণ, এর আগে নারীর বিয়ে হলে নারী ও শিশুর মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।
দেশে ১৯২৯ সালের একটি বাল্যবিবাহ আইন আছে। এ আইনকে পর্যালোচনা করে বাল্যবিবাহের সময়োপযোগী একটি আইনের খসড়া তৈরি করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ এ কাজে আমাদের সহায়তা করেছে। এ খসড়া মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে অনুমোদনের উদ্যোগ নিই। প্রধানমন্ত্রী এটি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছেন বলে জানি।
এটি একটি যুগান্তকারী আইনের খসড়া বলে মনে করি। এ আইনের খসড়ার একটি বিষয় নিয়ে সারা দেশে আলোচনা হচ্ছে। বিষয়টি হলো, যদি কোনো ছেলেমেয়ের প্রেম-ভালোবাসা বা অন্য কোনো জটিল পরিস্থিতিতে বাল্যবিবাহ হয়, তাহলে আদালত এ বিয়েকে বৈধ ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু দেশের অনেক মানুষ মনে করছে, সরকার বিয়ের বয়স ১৬ বছর করেছে। এই ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হওয়া দরকার।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী জেনেভা যাবেন। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সেখানে কথা বলবেন। সেখানে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও হয়তো কথা বলবেন। সেভ দ্য চিলড্রেন থেকে একজন নারী যাবেন কেবল এ বিষয়ে কথা বলতে।
বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একটি জরুরি বিষয় হলো কন্যাশিশুর জীবনমানের উন্নয়ন করা। তাই যত দ্রুত সম্ভব আইনটি জাতীয় সংসদের মাধ্যমে পাস করা ও তার বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। এখন বাল্যবিবাহ বন্ধের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও বাল্যবিবাহের খসড়া আইন, ২০১৪ একসঙ্গে পাস করতে হবে। এটা যত দ্রুত করা সম্ভব, ততই দেশের নারীসহ আমাদের সবার জন্য মঙ্গল।
আর নারীদের বিয়ের বয়স ১৬ ও ১৮ বছর নিয়ে একটা বিভ্রান্তি আছে। আমরা আশা করি এটা অবশ্যই দূর হবে। নারীর বিয়ের বয়স যেন ১৮ বছরই থাকে। কারণ, এর আগে নারীর বিয়ে হলে নারী ও শিশুর মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।
আল আমিন
আমরা
কোনো শিশুর পেটে শিশু নয়, মায়ের পেটে শিশু দেখতে চাই। আমার একজন সহপাঠী
আছে। তার বয়স মাত্র ১৩ বছর। দেড় বছর হলো তার বিয়ে হয়েছে। মেয়েটি ও আমি
কেরানীগঞ্জে থাকি। আমার পাশের বাসায় মেয়েটি থাকে। তাকে প্রচণ্ড নির্যাতন
করা হয়। সে যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে। তখন এত খারাপ লাগে, যা বলে বোঝাতে
পারব না। তার শরীর শুকিয়ে গেছে। বিভিন্ন রোগেশোকে ভুগছে। অথচ বিয়ের আগে
তার একটি আনন্দময় জীবন ছিল। বাল্যবিবাহ নারীদের কোনো সুফল দিচ্ছে না, এটি
তাদের জীবনে অভিশাপ হয়ে আসছে। বাল্যবিবাহের শাস্তি মাত্র এক হাজার টাকা।
এটি এত কম যে একে কেউ গুরুত্বই দেয় না। জরিমানার পরিমাণ কমপক্ষে লাখ টাকায়
নিতে হবে। বড় রকমের আর্থিক ক্ষতিতে পড়লে বাল্যবিবাহের সাহস পাবে না।
ঘাসফুল শিশু ফোরাম থেকে আমরা কয়েকটি মেয়ের বাল্যবিবাহ রোধ করতে পেরেছি।
তানিয়া আক্তার
আমার
একজন বান্ধবী ছিল। সে খুবই মেধাবী। অল্প বয়সে তার বিয়ে হয় একজন বয়স্ক
মানুষের সঙ্গে। বিয়ের পর স্কুলে গেলে শিক্ষক ও তার অন্য বান্ধবীরা ভালো
ব্যবহার করে না। তাই সে পড়ালেখা বাদ দেয়। মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই আমার
বন্ধবীর শরীর অনেক দুর্বল হয়। আর এখন সে পুষ্টিহীন এক শিশুর মা। বর্তমান
আইনের দুর্বলতা ও দারিদ্র্যের জন্য মা-বাবারা সন্তানদের বিয়ে দেন। কিন্তু
বিয়ের পর তাদের জীবনে আরও দুর্যোগ নেমে আসে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি
নতুন আইন করা প্রয়োজন। নতুন আইন হলে সেখানে শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানা
বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। আর নারীদের বিয়ের বসয় যেন ১৮-এর নিচে না হয়,
সেই দিকটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। স্কুলে যাওয়ার পথে ছেলেরা
মেয়েদের বিরক্ত করে। কুরুচিপূর্ণ কথা বলে। বাড়িতে এসব বললে অভিভাবক উল্টো
মেয়েদেরই দোষ দেন। তাঁরা ভাবেন যে মেয়েদের বিয়ে দিলে তাঁদের আর ঝামেলা
থাকবে না। যৌন হয়রানি বন্ধ করতে পারলে বাল্যবিবাহ কমবে বলে আশা করি।
মো. নিজাম হোসেন
আমি
ঢাকা জেলার যুব ফোরামের সভাপতি। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৪০ জন শিশুকে শিশু
অধিকার সম্পর্কে বুঝিয়েছি। অনেক দিন ধরে শিশু ফোরামের সঙ্গে কাজ করছি।
শিশুদের অনেক অসহায় অবস্থা দেখেছি। মেয়েদের কোনো অভিযোগই বাবা-মা শুনতে
চান না। সব দোষ যেন মেয়েটির। অভিভাবকেরা মনে করেন, মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে
দেওয়াই নিরাপদ। আমরা ঘাসফুল শিশু অধিকারের মাধ্যমে এসব বোঝানোর চেষ্টা
করছি। ছয়টি শিশু ফোরামের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২০ জন মেয়ে ও ২০ জন ছেলে মোট
৪০ জনের সঙ্গে কথা বলি। এরা যদি বলে যে বাবা-মা বিয়ে দিতে চাইছে, সে
ক্ষেত্রে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলি। স্কুলে সমস্যা হলে স্কুল
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। যেখানে তাদের সমস্যা হয়, সেখানে কথা বলে সমাধান
করার চেষ্টা করি।
আমরা অনেক বাল্যবিবাহ ইতিমধ্যে বন্ধ করেছি। বর্তমান আইনের খসড়ায় নাকি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ভীষণ সমস্যার সৃষ্টি করছে। তাই বিয়ের বয়স যদি মেয়েদের ১৮ ও ছেলেদের ২১ বছর হয় এবং শাস্তির বিষয়টি যদি কড়াকড়ি হয়, তাহলে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে আমরা অনেক অগ্রগতি অর্জন করতে পারব।
আমরা অনেক বাল্যবিবাহ ইতিমধ্যে বন্ধ করেছি। বর্তমান আইনের খসড়ায় নাকি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ভীষণ সমস্যার সৃষ্টি করছে। তাই বিয়ের বয়স যদি মেয়েদের ১৮ ও ছেলেদের ২১ বছর হয় এবং শাস্তির বিষয়টি যদি কড়াকড়ি হয়, তাহলে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে আমরা অনেক অগ্রগতি অর্জন করতে পারব।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান
আমাদের
দুটি বিভাগ—একটি হলো আইন ও বিচার বিভাগ, অন্যটি লেজিসলেটিভ অ্যান্ড
পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ। আইনটি যদি ভেটিংয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে
কিছু বলতে পারব না। খসড়া আইনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কেও বলতে পারব না।
আজ থেকে ৮৫ বছর আগে ১৯২৯ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হয়। ১৯৩০ সালের ১ এপ্রিল কার্যকর করা হয়েছিল। আইনটি সংশোধন করা হয় ১৯৮২ সালে। এই সংশোধনীতে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স ২১ ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর বলা আছে। আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে কোনো মতামত দিতে পারি না। এখানে নীতিনির্ধারকেরা রয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে আমার ঘরেও শিশু ছেলেমেয়ে রয়েছে। বর্তমান খসড়া আইনে ১৬ বছর নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তার একটি সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
বিয়ে একটা সামাজিক চুক্তি। প্রেম-ভালোবাসাও একধরনের চুক্তি। চুক্তিতে আসতে পারে কেবল যারা সাবালক তারা। ১৮ বছরের নিচে যারা আছে, তারা তো শিশু, তাদের মধ্যে তো কোনো চুক্তি হতে পারে না। আবেগের মাধ্যমে যে চুক্তি হয়, তার ফল খুব একটা ভালো হতে পারে না। উচ্চ ও মধ্যবিত্তের মধ্যে বাল্যবিবাহ হয় না।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দরিদ্র মানুষের মধ্যে বাল্যবিবাহ হয়। দরিদ্র কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা অভাব ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার জন্য দ্রুত কন্যাকে বিয়ে দিতে চান। গ্রাম ও শহরের বিশেষ একটি জনগোষ্ঠী এই দারিদ্র্যের শিকার। কেন্দ্র ও স্থানীয় প্রশাসন, এনজিও সবাই মিলে যদি এঁদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে পারি, তাহলে বাল্যবিবাহের হার অনেক কমে আসবে।
শেষ কথা হলো, দরিদ্র মানুষকে আর্থিক নিরাপত্তা দিতে ও সচেতন করতে পারলে বাল্যবিবাহের হার অনেক কমে যাবে।
আজ থেকে ৮৫ বছর আগে ১৯২৯ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হয়। ১৯৩০ সালের ১ এপ্রিল কার্যকর করা হয়েছিল। আইনটি সংশোধন করা হয় ১৯৮২ সালে। এই সংশোধনীতে ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স ২১ ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর বলা আছে। আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে কোনো মতামত দিতে পারি না। এখানে নীতিনির্ধারকেরা রয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে আমার ঘরেও শিশু ছেলেমেয়ে রয়েছে। বর্তমান খসড়া আইনে ১৬ বছর নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তার একটি সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
বিয়ে একটা সামাজিক চুক্তি। প্রেম-ভালোবাসাও একধরনের চুক্তি। চুক্তিতে আসতে পারে কেবল যারা সাবালক তারা। ১৮ বছরের নিচে যারা আছে, তারা তো শিশু, তাদের মধ্যে তো কোনো চুক্তি হতে পারে না। আবেগের মাধ্যমে যে চুক্তি হয়, তার ফল খুব একটা ভালো হতে পারে না। উচ্চ ও মধ্যবিত্তের মধ্যে বাল্যবিবাহ হয় না।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দরিদ্র মানুষের মধ্যে বাল্যবিবাহ হয়। দরিদ্র কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা অভাব ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার জন্য দ্রুত কন্যাকে বিয়ে দিতে চান। গ্রাম ও শহরের বিশেষ একটি জনগোষ্ঠী এই দারিদ্র্যের শিকার। কেন্দ্র ও স্থানীয় প্রশাসন, এনজিও সবাই মিলে যদি এঁদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে পারি, তাহলে বাল্যবিবাহের হার অনেক কমে আসবে।
শেষ কথা হলো, দরিদ্র মানুষকে আর্থিক নিরাপত্তা দিতে ও সচেতন করতে পারলে বাল্যবিবাহের হার অনেক কমে যাবে।
ফউজুল আজিম
মহিলা
ও শিশু মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৩ সালে বাল্যবিবাহ আইনটি যুগোপযোগী করার জন্য
আমাদের একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আমরা কাজ শুরু করলাম। ইতিমধ্যে প্রথম
আলোর এক প্রতিবেদনে দেখলাম, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় বাল্যবিবাহ আইনের
খসড়া তৈরি করে ফেলেছে। এটা কম সময়ের মধ্যেই কেবিনেটে উপস্থাপন করা হবে।
মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তেমন কিছু জানতে পারলাম না। আমরা তখন কাজটি বন্ধ রাখি। মন্ত্রিপরিষদ থেকে আমাদের কাছে কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে যে রাজশাহী বিভাগে বাল্যবিবাহের হার ৬০ শতাংশ। এখানে বাল্যবিবাহের চারটি কারণ নির্ণয় করা হয়। এক. কাজি কর্তৃক অতিরিক্ত টাকার লোভে বাল্যবিবাহ রেজিস্ট্রি করা। দুই. জালজালিয়াতির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জন্ম সনদ গ্রহণ। তিন. নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে বেশি বয়স দেখানো। চার. বখাটেদের উৎপাতের জন্য পরিবার থেকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া। আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ ও ১৯৮৫ সালে মোট দুবার এ আইনের সংশোধন হয়।
১৯৩০ সালে যখন বাল্যবিবাহের আইনটি কার্যকর করা হয়, তখন শুধু জরিমানা ছিল। এ জরিমানাকে সবাই একটা বাড়তি খরচ হিসেবে নিত। বিয়ে করে জরিমানা দিত। জরিমানা বাল্যবিবাহ বন্ধে কোনো ভূমিকা রাখেনি। ১৯৪০ সালে জরিমানার সঙ্গে জেল যুক্ত হলো।
এখন ভারত বাল্যবিবাহ আইনে দুই বছর জেল ও এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখেছে। কোনো ধর্মের বিধানমতে, ১৮ বছরের নিচে যদি কোনো বিয়ে হয়েই যায়, তাহলে কী হবে? এটি কি বাতিল হবে? নাকি থেকে যাবে? বা শাস্তি হবে? নতুন খসড়া আইনে এ ক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
কিন্তু ১৯২৯ সালের আইন অনুযায়ী বিয়ে বাতিল হচ্ছে না। কেবল যাঁরা বিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের কিছু শাস্তি হচ্ছে। ভারতের বর্তমান আইনে ১৬ বছরের নিচে বিয়ে হলে সেটা সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে। ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বিয়ে হলে বাতিলযোগ্য বলে গণ্য হবে। বয়স যখন ১৮ হবে, তখন তারা আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে, তারা বিয়েটা রাখবে কি রাখবে না।
আমাদের বর্তমান খসড়া আইনের অনেক দুর্বলতা আছে। এটি তাড়াহুেড়া না করে বেশ সময় নিয়ে সংশোধন করতে হবে। উন্নত দেশগুলোতে একটা আইন ২০ বছর হলে স্বাভাবিকভাবেই সেটা পর্যালোচনায় আসে। আমাদের দেশে তেমন হয় না বিধায় আইনটা একবারে এমনভাবে করতে হবে, যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে।
মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তেমন কিছু জানতে পারলাম না। আমরা তখন কাজটি বন্ধ রাখি। মন্ত্রিপরিষদ থেকে আমাদের কাছে কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে যে রাজশাহী বিভাগে বাল্যবিবাহের হার ৬০ শতাংশ। এখানে বাল্যবিবাহের চারটি কারণ নির্ণয় করা হয়। এক. কাজি কর্তৃক অতিরিক্ত টাকার লোভে বাল্যবিবাহ রেজিস্ট্রি করা। দুই. জালজালিয়াতির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জন্ম সনদ গ্রহণ। তিন. নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে বেশি বয়স দেখানো। চার. বখাটেদের উৎপাতের জন্য পরিবার থেকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া। আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ ও ১৯৮৫ সালে মোট দুবার এ আইনের সংশোধন হয়।
১৯৩০ সালে যখন বাল্যবিবাহের আইনটি কার্যকর করা হয়, তখন শুধু জরিমানা ছিল। এ জরিমানাকে সবাই একটা বাড়তি খরচ হিসেবে নিত। বিয়ে করে জরিমানা দিত। জরিমানা বাল্যবিবাহ বন্ধে কোনো ভূমিকা রাখেনি। ১৯৪০ সালে জরিমানার সঙ্গে জেল যুক্ত হলো।
এখন ভারত বাল্যবিবাহ আইনে দুই বছর জেল ও এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখেছে। কোনো ধর্মের বিধানমতে, ১৮ বছরের নিচে যদি কোনো বিয়ে হয়েই যায়, তাহলে কী হবে? এটি কি বাতিল হবে? নাকি থেকে যাবে? বা শাস্তি হবে? নতুন খসড়া আইনে এ ক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
কিন্তু ১৯২৯ সালের আইন অনুযায়ী বিয়ে বাতিল হচ্ছে না। কেবল যাঁরা বিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের কিছু শাস্তি হচ্ছে। ভারতের বর্তমান আইনে ১৬ বছরের নিচে বিয়ে হলে সেটা সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে। ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বিয়ে হলে বাতিলযোগ্য বলে গণ্য হবে। বয়স যখন ১৮ হবে, তখন তারা আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে, তারা বিয়েটা রাখবে কি রাখবে না।
আমাদের বর্তমান খসড়া আইনের অনেক দুর্বলতা আছে। এটি তাড়াহুেড়া না করে বেশ সময় নিয়ে সংশোধন করতে হবে। উন্নত দেশগুলোতে একটা আইন ২০ বছর হলে স্বাভাবিকভাবেই সেটা পর্যালোচনায় আসে। আমাদের দেশে তেমন হয় না বিধায় আইনটা একবারে এমনভাবে করতে হবে, যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে।
সাবিরা নুপুর
আমি
একসময় সাতক্ষীরা জেলায় কাজ করতাম। একবার একটি ছোট মেেয়কে দেখলাম। মেয়েটি
শাড়ি পরে একটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে বললাম, শাড়ি পরেছ কেন? বলল,
‘আমার বিয়ে হয়েছে, তাই শাড়ি পরেছি।’ বললাম, শ্বশুরবাড়ি যাওনি? বলল, ‘মা
বলেছে আমি এখন ছোট, আরেকটু বড় হলে যাব।’ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি
জেলাতেই একই চিত্র বিদ্যমান।
এই উজ্জ্বল-উচ্ছল মেয়েটির জীবনে কী হবে, সেটা হয়তো কিছুটা অনুমান করতে পারা যায়। এভাবে জীবনের স্বপ্নগুলোকে জীবনের শুরুতে শেষ হতে দিতে পারি না।
সাতক্ষীরার আরেকটি অঞ্চলে শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করছিলাম। সেখানে অনেক কন্যাশিশু আছে। তাদের বাবা-মাকে বললাম কন্যাশিশুদের বিয়ে না দিতে।
তাঁরা বললেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, অভাব-অভিযোগের মধ্যে থাকি। আমাদের কোনো শক্তি নেই। রাতে যখন এলাকার খারাপ ছেলেরা এসে দরজা ধাক্কা দেবে, তখন কি আপনি থাকবেন? আমাদের কি রক্ষা করবেন? সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে আমাদের মেেয়রা বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে।
এমন অনেক প্রশ্ন আমাদের শুনতে হয়। এত বড় সমস্যা হয়তো একটা আইন দিয়ে বন্ধ করা যাবে না। তবে আইন একটা ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
আমাদের সুপারিশ ছিল স্থানীয় প্রশাসন যেন বাল্যবিবাহ বন্ধে ভূমিকা রাখে। ১৮ বছরের আগে বিয়ে বাতিল করতে গেলে যেসব সমস্যা হবে, আইনে তা সমাধানের সঠিক নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন। আমরা আশা করি সুপারিশসহ আইনটি পাস হবে। তাই শিশুবিবাহ বন্ধে আইনটির কার্যকর সংশোধন প্রয়োজন, এটাই আমাদের দিক থেকে সুপারিশ।
এই উজ্জ্বল-উচ্ছল মেয়েটির জীবনে কী হবে, সেটা হয়তো কিছুটা অনুমান করতে পারা যায়। এভাবে জীবনের স্বপ্নগুলোকে জীবনের শুরুতে শেষ হতে দিতে পারি না।
সাতক্ষীরার আরেকটি অঞ্চলে শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করছিলাম। সেখানে অনেক কন্যাশিশু আছে। তাদের বাবা-মাকে বললাম কন্যাশিশুদের বিয়ে না দিতে।
তাঁরা বললেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, অভাব-অভিযোগের মধ্যে থাকি। আমাদের কোনো শক্তি নেই। রাতে যখন এলাকার খারাপ ছেলেরা এসে দরজা ধাক্কা দেবে, তখন কি আপনি থাকবেন? আমাদের কি রক্ষা করবেন? সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে আমাদের মেেয়রা বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে।
এমন অনেক প্রশ্ন আমাদের শুনতে হয়। এত বড় সমস্যা হয়তো একটা আইন দিয়ে বন্ধ করা যাবে না। তবে আইন একটা ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
আমাদের সুপারিশ ছিল স্থানীয় প্রশাসন যেন বাল্যবিবাহ বন্ধে ভূমিকা রাখে। ১৮ বছরের আগে বিয়ে বাতিল করতে গেলে যেসব সমস্যা হবে, আইনে তা সমাধানের সঠিক নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন। আমরা আশা করি সুপারিশসহ আইনটি পাস হবে। তাই শিশুবিবাহ বন্ধে আইনটির কার্যকর সংশোধন প্রয়োজন, এটাই আমাদের দিক থেকে সুপারিশ।
ওয়াসিকা আয়শা খান
আমি
আইনজ্ঞ নই। একজন রাজনৈতিক কর্মী। বাল্যবিবাহের যে আইনটি এখনো আছে, সেখানে
মেয়ে ও ছেলেদের বিয়ের বয়স ১৮ ও ২১ বছর আছে। আমি একজন নারী, আবার একজন
নারীর মা-ও। তাই কোনোভাবেই বাল্যবিবাহকে সমর্থন করতে পারি না। আমাদের
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে। কন্যাশিশুরা শিক্ষিত হচ্ছে।
আমার এলাকার স্কুলগুলোতে এমন ঘটনা ঘটে যে একটি মেয়ে এসএসসি পরীক্ষা
দিচ্ছে। হঠাৎ শেষ পরীক্ষাটি দিল না। কারণ, বাবা-মা মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসী
ভালো পাত্রের সঙ্গে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন।
সব সময় দারিদ্র্য বাল্যবিবাহের কারণ না। সামাজিক অসচেতনতাও বাল্যবিবাহের একটি বড় কারণ। সামাজিক সচেতনতার জায়গায় আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। একজন সাংসদ হিসেবে এখানে আমার বেশ দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের স্কুলগুলোয়, সভা-সমাবেশে অভিভাবকদের সবাইকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
বাড়িতে বাবা-মা তাঁদের ছেলেসন্তান ও মেয়েসন্তানদের কীভাবে মানুষ করেন, কীভাবে তাদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শেখান, সেটি দেখতে হবে বলে মনে করি।
আজ শিশু ফোরামের ছেলেমেয়েরা যেভাবে কাজ করছে, যেভাবে কথা বলছে, তাদের কাজে ও কথায় খুবই অভিভূত। এরা খুবই ভালো কাজ করছে। এদের মতো করে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
আইন তো থাকবেই। আইনের পাশাপাশি আরও অনেক কিছু করতে হবে। সংসদে যখন বিষয়টি আলোচনা হবে, তখন অবশ্যই আমরা কথা বলব, যাতে আইনটি সময় ও যুগোপযোগী হয়। এ ক্ষেত্রে যারা কাজ করছে, তারা একটি ভালো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার যদি এ ক্ষেত্রে কখনো কিছু করার থাকে, আমাকে বললে অবশ্যই আমি আপনাদের পাশে থাকব।
সব সময় দারিদ্র্য বাল্যবিবাহের কারণ না। সামাজিক অসচেতনতাও বাল্যবিবাহের একটি বড় কারণ। সামাজিক সচেতনতার জায়গায় আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। একজন সাংসদ হিসেবে এখানে আমার বেশ দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের স্কুলগুলোয়, সভা-সমাবেশে অভিভাবকদের সবাইকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
বাড়িতে বাবা-মা তাঁদের ছেলেসন্তান ও মেয়েসন্তানদের কীভাবে মানুষ করেন, কীভাবে তাদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শেখান, সেটি দেখতে হবে বলে মনে করি।
আজ শিশু ফোরামের ছেলেমেয়েরা যেভাবে কাজ করছে, যেভাবে কথা বলছে, তাদের কাজে ও কথায় খুবই অভিভূত। এরা খুবই ভালো কাজ করছে। এদের মতো করে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
আইন তো থাকবেই। আইনের পাশাপাশি আরও অনেক কিছু করতে হবে। সংসদে যখন বিষয়টি আলোচনা হবে, তখন অবশ্যই আমরা কথা বলব, যাতে আইনটি সময় ও যুগোপযোগী হয়। এ ক্ষেত্রে যারা কাজ করছে, তারা একটি ভালো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার যদি এ ক্ষেত্রে কখনো কিছু করার থাকে, আমাকে বললে অবশ্যই আমি আপনাদের পাশে থাকব।
নূরজাহান বেগম মুক্তা
বিয়ে
সমাজের সবচেয়ে একটি ভালো সম্পর্ক। তবে বাল্যবিবাহ জীবনের অভিশাপ।
বাল্যবিবাহের জন্য দায়ী হবেন ছেলেমেয়ের অভিভাবক, িবেয়র রেজিস্ট্রার, বয়সের
ক্ষেত্রে মিথ্যা সনদ দানকারী, বিয়ে পড়ানো মৌলভি।
১৯২৯ সাল থেকে আইন আছে। এত বছরে আইন দিয়ে কতটুকু অর্জন করেছি? তাই আইন দিয়ে সবকিছু হবে না। বড় প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা। দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা, যৌন হয়রানি, বখাটেদের উৎপাত ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করতে না পারলে বাল্যবিবাহ বন্ধ হবে না।
গত বছর ফেনীতে এক মেেয়র ১৩ বছরে বিয়ে হচ্ছিল। মেয়ের বাবার কাছে দুটি সনদ দেখতে পাই। একটিতে বয়স ১৩ বছর, অন্যটিতে ২৩ বছর। অভিভাবক জানেন যে বাল্যবিবাহ অপরাধ। সে জন্য তিনি মেয়ের দুটি সনদ সংগ্রহ করেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ মানুষ জানে যে বিয়ের জন্য ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স হবে ১৮। জেনে-বুঝেই কিন্তু সবাই অপরাধ করছে।
শহরের বস্তিগুলোয় বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। ২০০৪ সাল থেকে বাল্যবিবাহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সব শিশুর জন্মনিবন্ধন হচ্ছে না।
২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ৩০৩টি বাল্যবিবাহ হয়েছে। এর মধ্যে মামলা হয়েছে সাতটি। বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে ৩৭টি। বর্তমান আইনে বাল্যবিবাহ দূর করা সম্ভব নয়। নতুন আইনটি পাস করা জরুরি। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মনে করি, এর সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে যুক্ত হতে হবে।
প্রতিটি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী প্রতিনিধিদের নিয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি থাকতে হবে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো ছেলেমেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার হলে প্রতিরোধ কমিটি সেটা প্রতিরোধ করবে।
এখানে স্থানীয় জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মানবাধিকার কর্মী, এনজিও, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা—সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে। নাটক, সিনেমা, যাত্রা, সভা-সমিতি, গণমাধ্যমের সব শাখাসহ সব জায়গায় এ আলোচনা ছড়িয়ে দিতে হবে।
বর্তমান সরকার নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে। তাদের অন্ধকার থেকে আলোতে এনেছে। দেশের সব ক্ষেত্রে আজ নারীদের জয়জয়কার। কোন পেশায় কোথায় নারীরা নেই? নারীদের কোনো ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ এ সরকার করবে না, এটি আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই।
১৯২৯ সাল থেকে আইন আছে। এত বছরে আইন দিয়ে কতটুকু অর্জন করেছি? তাই আইন দিয়ে সবকিছু হবে না। বড় প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা। দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা, যৌন হয়রানি, বখাটেদের উৎপাত ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করতে না পারলে বাল্যবিবাহ বন্ধ হবে না।
গত বছর ফেনীতে এক মেেয়র ১৩ বছরে বিয়ে হচ্ছিল। মেয়ের বাবার কাছে দুটি সনদ দেখতে পাই। একটিতে বয়স ১৩ বছর, অন্যটিতে ২৩ বছর। অভিভাবক জানেন যে বাল্যবিবাহ অপরাধ। সে জন্য তিনি মেয়ের দুটি সনদ সংগ্রহ করেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ মানুষ জানে যে বিয়ের জন্য ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স হবে ১৮। জেনে-বুঝেই কিন্তু সবাই অপরাধ করছে।
শহরের বস্তিগুলোয় বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। ২০০৪ সাল থেকে বাল্যবিবাহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সব শিশুর জন্মনিবন্ধন হচ্ছে না।
২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ৩০৩টি বাল্যবিবাহ হয়েছে। এর মধ্যে মামলা হয়েছে সাতটি। বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে ৩৭টি। বর্তমান আইনে বাল্যবিবাহ দূর করা সম্ভব নয়। নতুন আইনটি পাস করা জরুরি। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মনে করি, এর সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে যুক্ত হতে হবে।
প্রতিটি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী প্রতিনিধিদের নিয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি থাকতে হবে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো ছেলেমেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার হলে প্রতিরোধ কমিটি সেটা প্রতিরোধ করবে।
এখানে স্থানীয় জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মানবাধিকার কর্মী, এনজিও, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা—সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে। নাটক, সিনেমা, যাত্রা, সভা-সমিতি, গণমাধ্যমের সব শাখাসহ সব জায়গায় এ আলোচনা ছড়িয়ে দিতে হবে।
বর্তমান সরকার নারীদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছে। তাদের অন্ধকার থেকে আলোতে এনেছে। দেশের সব ক্ষেত্রে আজ নারীদের জয়জয়কার। কোন পেশায় কোথায় নারীরা নেই? নারীদের কোনো ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ এ সরকার করবে না, এটি আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই।
আবদুল মতিন খসরু
বাল্যবিবাহের
সমস্যাটা অনেক পুরোনো। এ ক্ষেত্রে সবাইকে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর
বিষয়গুলো বোঝাতে হবে। বাল্যবিবাহের কারণে মায়ের ও শিশুর মৃত্যু বেড়ে
যায়, শারীরিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এসব বিষয় সবাইকে বোঝাতে হবে।
নারীদের অনেক বেশি শিক্ষা অর্জন করতে হবে। একজন শিক্ষিত নারী নিজের, পরিবারের ও সমাজের জন্য অনেক কিছু করতে পারেন। শহর থেকে গ্রামে বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। শহরে পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে এ হার বেশি।
বাল্যবিবাহের শিকার নারীদের কোনো অধিকার থাকে না। তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো ক্ষমতা থাকে না। নির্বাক মানুষের জীবনযাপন তাদের করতে হয়। স্বামীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিরুদ্ধে সে কখনোই যেতে পারে না।
কোনো নারী যখন কিছু আয় করতে পারেন, তখন তিনি কথা বলতে পারেন। যেমন আমাদের দেশে যেসব নারী পোশাকশিল্পে কাজ করেন, তাঁরা অনেক বেশি স্বাধীন ও নিরাপদ। নারীদের মধ্যে সবাই একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবেন না। যাঁরা পারবেন না, তাঁরা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হবেন।
আজকের গোলটেবিলের শিশুরা অনেক সুন্দর বক্তব্য দিয়েছে। তাদের কথা শুনে অভিভূত। এই সচেতনতা দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষের নেই। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এ বিষয়টি নিয়ে আসা দরকার। রাজনৈতিক নেতা, মসজিদের ইমাম, গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সবাইকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কমবেশি ভূমিকা রাখতে হবে।
আমার দৃষ্টিতে বাল্যবিবাহ মানবাধিকারের লঙ্ঘন। বাল্যবিবাহ একটা অত্যাচার। এটা একটা জাতীয় সমস্যা। সবাই মিলে এ সমস্যা দূর করতে হবে।
নারীদের অনেক বেশি শিক্ষা অর্জন করতে হবে। একজন শিক্ষিত নারী নিজের, পরিবারের ও সমাজের জন্য অনেক কিছু করতে পারেন। শহর থেকে গ্রামে বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। শহরে পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে এ হার বেশি।
বাল্যবিবাহের শিকার নারীদের কোনো অধিকার থাকে না। তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো ক্ষমতা থাকে না। নির্বাক মানুষের জীবনযাপন তাদের করতে হয়। স্বামীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিরুদ্ধে সে কখনোই যেতে পারে না।
কোনো নারী যখন কিছু আয় করতে পারেন, তখন তিনি কথা বলতে পারেন। যেমন আমাদের দেশে যেসব নারী পোশাকশিল্পে কাজ করেন, তাঁরা অনেক বেশি স্বাধীন ও নিরাপদ। নারীদের মধ্যে সবাই একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবেন না। যাঁরা পারবেন না, তাঁরা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হবেন।
আজকের গোলটেবিলের শিশুরা অনেক সুন্দর বক্তব্য দিয়েছে। তাদের কথা শুনে অভিভূত। এই সচেতনতা দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষের নেই। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এ বিষয়টি নিয়ে আসা দরকার। রাজনৈতিক নেতা, মসজিদের ইমাম, গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সবাইকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কমবেশি ভূমিকা রাখতে হবে।
আমার দৃষ্টিতে বাল্যবিবাহ মানবাধিকারের লঙ্ঘন। বাল্যবিবাহ একটা অত্যাচার। এটা একটা জাতীয় সমস্যা। সবাই মিলে এ সমস্যা দূর করতে হবে।
মিজানুর রহমান
আলোচনার
সব বক্তব্যের সঙ্গে আমি হয়তো একমত নই। আবার খুব বেশি দ্বিমতও নেই। তবে
আমার একটা ভিন্নমত আছে। আইনকে ব্যাখ্যা করতে হয় তিনটি দিক থেকে। আইনে থাকে
একটি ভাব, একটি স্বভাব ও একটি অভাব। বাল্যবিবাহের খসড়ার আইনের ভাবটা কী,
স্বভাব কী ও অভাব কী, সেটা কিছুটা ব্যাখ্যা করি।
আমাদের এ আইনের ভাব হলো পুরোনো আইনের দুর্বলতা কাটিয়ে একটি নতুন আইন করতে হবে। যে আইনটা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। নতুন আইন কেন করতে হবে, এটা এর ভাবের মধ্যে রয়েছে।
আইনের স্বভাবটা কী? কোনো নারী দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে না। এখানে নারীর প্রতি ভীষণ সম্মান দেখানো হয়েছে। আইনটি আবার শিশুবান্ধব। যেমন বাল্যবিবাহের কারণে কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে সে শিশুর নিরাপত্তা দিতে হবে। আগের কোনো আইনে এটি ছিল না। এদিক থেকে চিন্তা করলে আইনটি শিশুবান্ধব। তাহলে আইনটি নারী ও শিশুবান্ধব—এটিই এ আইনের স্বভাব।
এ আইনের সবচেয়ে বড় অভাব হলো, আইনে বলা হয়েছে যে পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স হবে ২১ বছর ও নারীর ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স হবে ১৮ বছর। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা-বাবা চাইলে বা আদালতের সম্মতিতে ১৬ বছরের মেয়েরও বিয়ে হতে পারে। আইনের সব উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এই বিষয়টা।
মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা শঙ্কিত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিভিন্ন কর্মশালার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিয়ে বাল্যবিবাহ আইনের একটি খসড়া প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দিয়েছে।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে চিন্তা করলেও এটা একটা ভয়ানক ক্ষতিকর বিষয় হবে। যেমন একজন শিশুর কি সন্তানধারণের জন্য শারীরিক সক্ষমতা থাকে? একজন শিশু কি মানসিকভাবে প্রস্তুত একটি অপরিচিত সংসারের দায়িত্ব পালনের জন্য?
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটি পরিপত্র জারি করে দেশের সব ডেপুটি কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই পরিপত্রে ‘তবে’ রয়েছে। অর্থাৎ ১৬ বছরে বিয়ে হলে শর্তসাপেক্ষে এটিকে বাধাগ্রস্ত না করার জন্য ডেপুটি কমিশনারদের বলা হয়েছে।
হয়তো চূড়ান্তভাবে ১৬ বছরের এই বিষয়টি থাকবে না। কিন্তু এমন একটি পরিপত্র যখন ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে যায়, তখন কি এই আইনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় না?
এ আইনের মধ্যে একটি আপসকামিতা রয়েছে। যেমন এ খসড়া আইনের এক জায়গায় বলা হয়েছে, এ আইনে কোনো অপরাধ হলে সেটা আমলযোগ্য, আপসযোগ্য ও জামিনযোগ্য। এই আপসকামিতা আইনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এই ‘তবে’ থাকলে আন্তর্জাতিক আইন দেশীয় শিশু সুরক্ষার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হচ্ছে। এখানে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে দারিদ্র্য ও যৌন হয়রানির কথা বলা হয়েছে। এসব নিরসনের দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের।
কার্ল মার্ক্স বলেছেন যে দুই ধরনের জনগোষ্ঠীর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। যাঁরা আর কাজ করতে পারেন না। আর যারা এখনো কাজ করে না। অর্থাৎ যাঁরা বয়স্ক ও শিশু, তাদের দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র যদি বলে এত সমস্যা, আমরা কয়টা করব? রাষ্ট্র তো এ জন্যই যে প্রতিটি কাজ সমান গুরুত্ব দিয়ে লড়তে হবে।
আমাদের এ আইনের ভাব হলো পুরোনো আইনের দুর্বলতা কাটিয়ে একটি নতুন আইন করতে হবে। যে আইনটা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। নতুন আইন কেন করতে হবে, এটা এর ভাবের মধ্যে রয়েছে।
আইনের স্বভাবটা কী? কোনো নারী দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে না। এখানে নারীর প্রতি ভীষণ সম্মান দেখানো হয়েছে। আইনটি আবার শিশুবান্ধব। যেমন বাল্যবিবাহের কারণে কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে সে শিশুর নিরাপত্তা দিতে হবে। আগের কোনো আইনে এটি ছিল না। এদিক থেকে চিন্তা করলে আইনটি শিশুবান্ধব। তাহলে আইনটি নারী ও শিশুবান্ধব—এটিই এ আইনের স্বভাব।
এ আইনের সবচেয়ে বড় অভাব হলো, আইনে বলা হয়েছে যে পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স হবে ২১ বছর ও নারীর ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স হবে ১৮ বছর। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা-বাবা চাইলে বা আদালতের সম্মতিতে ১৬ বছরের মেয়েরও বিয়ে হতে পারে। আইনের সব উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এই বিষয়টা।
মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা শঙ্কিত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিভিন্ন কর্মশালার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিয়ে বাল্যবিবাহ আইনের একটি খসড়া প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দিয়েছে।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে চিন্তা করলেও এটা একটা ভয়ানক ক্ষতিকর বিষয় হবে। যেমন একজন শিশুর কি সন্তানধারণের জন্য শারীরিক সক্ষমতা থাকে? একজন শিশু কি মানসিকভাবে প্রস্তুত একটি অপরিচিত সংসারের দায়িত্ব পালনের জন্য?
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটি পরিপত্র জারি করে দেশের সব ডেপুটি কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই পরিপত্রে ‘তবে’ রয়েছে। অর্থাৎ ১৬ বছরে বিয়ে হলে শর্তসাপেক্ষে এটিকে বাধাগ্রস্ত না করার জন্য ডেপুটি কমিশনারদের বলা হয়েছে।
হয়তো চূড়ান্তভাবে ১৬ বছরের এই বিষয়টি থাকবে না। কিন্তু এমন একটি পরিপত্র যখন ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে যায়, তখন কি এই আইনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় না?
এ আইনের মধ্যে একটি আপসকামিতা রয়েছে। যেমন এ খসড়া আইনের এক জায়গায় বলা হয়েছে, এ আইনে কোনো অপরাধ হলে সেটা আমলযোগ্য, আপসযোগ্য ও জামিনযোগ্য। এই আপসকামিতা আইনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এই ‘তবে’ থাকলে আন্তর্জাতিক আইন দেশীয় শিশু সুরক্ষার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হচ্ছে। এখানে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে দারিদ্র্য ও যৌন হয়রানির কথা বলা হয়েছে। এসব নিরসনের দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের।
কার্ল মার্ক্স বলেছেন যে দুই ধরনের জনগোষ্ঠীর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। যাঁরা আর কাজ করতে পারেন না। আর যারা এখনো কাজ করে না। অর্থাৎ যাঁরা বয়স্ক ও শিশু, তাদের দেখভালের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র যদি বলে এত সমস্যা, আমরা কয়টা করব? রাষ্ট্র তো এ জন্যই যে প্রতিটি কাজ সমান গুরুত্ব দিয়ে লড়তে হবে।
মোহাম্মদ নাসিম: প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মনোযোগ দিয়ে
সবার কথা শুনছিলাম। নিজেও এ অনুষ্ঠান থেকে সমৃদ্ধ হয়েছি বলে মনে করি। বিয়ে
একটা আনন্দের বিষয়। কিন্তু বাল্যবিবাহ কথাটির মধ্যেই নেতিবাচক ভাবনা রয়েছে।
মাত্র তিন দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় দরিদ্র মানুষের মধ্যে রিকশা বিতরণের সময় বলছিলেন, ‘দারিদ্র্যকে জয় করতে হলে শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। রিকশা কারও দারিদ্র্য দূর করতে পারবে না।’
অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক আগে থেকেই মেয়েদের অধিক গুরুত্ব দিয়ে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন। আজ শিক্ষার প্রায় সব ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রের কাজ হচ্ছে সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটা করেছেন। আমাদের দেশে উল্লেখযোগ্য হারে নারী ও শিশুমৃত্যু কমেছে। দ্রুতগতিতে দারিদ্র্য কমেছে। এসব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা বড় রকমের চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু সরকার সেটা করতে পেরেছে।
প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের জন্য কাজ করছেন। অবকাঠামোর উন্নয়ন করছেন। এসব দেশের মানুষের সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করছেন। অনেকের মতো আমিও মনে করি, আইন দিয়ে হয়তো সবকিছু হবে না। আমাদের দেশে অনেক ভালো আইন আছে। কিন্তু আইনের সঠিক প্রয়োগ হয়তো হচ্ছে না।
প্রয়োজন হচ্ছে, মানুষের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চেতনা জাগ্রত করা। ইমাম সাহেবরা তাঁদের জলসাগুলোতে, রাজনৈতিক নেতারা সভা-সমিতিতে, শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের যদি অন্তত এ কথাটুকু বলেন—বাল্যবিবাহ ক্ষতিকর, এটা বন্ধ করতে হবে; তাহলে অনেক কাজ হয়। কারণ, সমাজের মানুষ তাঁদের কথা গ্রহণ করে।
১৮ বছরের নিচে বিয়ে হলে একজন মেয়ে পুষ্টিহীনতায় ভোগে। পুষ্টিহীন শিশুর জন্ম দেয়। বিিভন্ন প্রকার শারীরিক জটিল সমস্যা তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে মা ও শিশুমৃত্যুর ঝঁুকি সৃষ্টি হয়। তাই ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়ের বিয়ে হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি, আপনারা যে ‘যদি’ নিয়ে আলোচনা করছেন, এটা থাকবে না।
মাত্র তিন দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় দরিদ্র মানুষের মধ্যে রিকশা বিতরণের সময় বলছিলেন, ‘দারিদ্র্যকে জয় করতে হলে শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। রিকশা কারও দারিদ্র্য দূর করতে পারবে না।’
অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক আগে থেকেই মেয়েদের অধিক গুরুত্ব দিয়ে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন। আজ শিক্ষার প্রায় সব ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রের কাজ হচ্ছে সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটা করেছেন। আমাদের দেশে উল্লেখযোগ্য হারে নারী ও শিশুমৃত্যু কমেছে। দ্রুতগতিতে দারিদ্র্য কমেছে। এসব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা বড় রকমের চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু সরকার সেটা করতে পেরেছে।
প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের জন্য কাজ করছেন। অবকাঠামোর উন্নয়ন করছেন। এসব দেশের মানুষের সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করছেন। অনেকের মতো আমিও মনে করি, আইন দিয়ে হয়তো সবকিছু হবে না। আমাদের দেশে অনেক ভালো আইন আছে। কিন্তু আইনের সঠিক প্রয়োগ হয়তো হচ্ছে না।
প্রয়োজন হচ্ছে, মানুষের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চেতনা জাগ্রত করা। ইমাম সাহেবরা তাঁদের জলসাগুলোতে, রাজনৈতিক নেতারা সভা-সমিতিতে, শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের যদি অন্তত এ কথাটুকু বলেন—বাল্যবিবাহ ক্ষতিকর, এটা বন্ধ করতে হবে; তাহলে অনেক কাজ হয়। কারণ, সমাজের মানুষ তাঁদের কথা গ্রহণ করে।
১৮ বছরের নিচে বিয়ে হলে একজন মেয়ে পুষ্টিহীনতায় ভোগে। পুষ্টিহীন শিশুর জন্ম দেয়। বিিভন্ন প্রকার শারীরিক জটিল সমস্যা তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে মা ও শিশুমৃত্যুর ঝঁুকি সৃষ্টি হয়। তাই ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়ের বিয়ে হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি, আপনারা যে ‘যদি’ নিয়ে আলোচনা করছেন, এটা থাকবে না।
আব্দুল কাইয়ুম: দেশের আইনে ১৮ বছরের কম বয়সে মেয়েদের
বিয়ে দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও উদ্বেগজনক হারে এটা বেড়ে চলেছে। নাগরিক সমাজ এর
বিরুদ্ধে সোচ্চার। বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক সমস্যা। বাল্যবিবাহের ফলে মাতৃ
ও শিশুমৃত্যুর হার বাড়ে। মাতৃ ও শিশুস্বাস্থে্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব
পড়ে। পুষ্টিহীন শিশুর জন্ম হয়। তাই নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এ বিষয়টি
গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে আশা করি। সবাইকে প্রথম আলোর পক্ষ
থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
যাঁরা অংশ নিলেন
মোহাম্মদ নাসিম : মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মিজানুর রহমান : চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
আবদুল মতিন খসরু : সংসদীয় অনুমিত হিসাব কমিটির সভাপতি ও আইনবিষয়ক কমিটির সদস্য
ওয়াসিকা আয়শা খান : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
নূরজাহান বেগম মুক্তা : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
মো. মোস্তাফিজুর রহমান : যুগ্ম সচিব (মতামত), আইন ও বিচার বিভাগ; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ফউজুল আজিম : মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা, আইন কমিশন (জেলা জজ)
চন্দন জেড গোমেজ : অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর, ওয়ার্ল্ড ভিশন, বাংলাদেশ
সাবিরা নুপুর : ম্যানেজার অ্যাডভোকেসি, ওয়ার্ল্ড ভিশন, বাংলাদেশ
আল আমিন : শিশু প্রতিনিধি, ঘাসফুল শিশু ফোরাম
তানিয়া আক্তার : শিশু প্রতিনিধি, ঘাসফুল শিশু ফোরাম
মো. নিজাম হোসেন : যুব প্রতিনিধি
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
যাঁরা অংশ নিলেন
মোহাম্মদ নাসিম : মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মিজানুর রহমান : চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
আবদুল মতিন খসরু : সংসদীয় অনুমিত হিসাব কমিটির সভাপতি ও আইনবিষয়ক কমিটির সদস্য
ওয়াসিকা আয়শা খান : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
নূরজাহান বেগম মুক্তা : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
মো. মোস্তাফিজুর রহমান : যুগ্ম সচিব (মতামত), আইন ও বিচার বিভাগ; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ফউজুল আজিম : মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা, আইন কমিশন (জেলা জজ)
চন্দন জেড গোমেজ : অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর, ওয়ার্ল্ড ভিশন, বাংলাদেশ
সাবিরা নুপুর : ম্যানেজার অ্যাডভোকেসি, ওয়ার্ল্ড ভিশন, বাংলাদেশ
আল আমিন : শিশু প্রতিনিধি, ঘাসফুল শিশু ফোরাম
তানিয়া আক্তার : শিশু প্রতিনিধি, ঘাসফুল শিশু ফোরাম
মো. নিজাম হোসেন : যুব প্রতিনিধি
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 10
(38)
- উগ্রপন্থার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ -আউটলুক ইন্ডিয়ার...
- মেসেজ পরিষ্কার by সাজেদুল হক
- বাংলাদেশ: ছোট আকারের হামলার হুমকি by জাস্টিন রোওল্যাট
- ‘মৃত্যুদণ্ড অমানবিক ও অবমাননাকর শাস্তি’
- ফেসবুকে ‘লাইক’ দিলেও হতে পারে জেল
- অবশেষে গজদন্তের রানী গ্রেফতার
- আইএস বর্বরতা
- বাম জাগছে: সত্যি না কল্পনা? by হাসান ফেরদৌস
- আইএস বিভ্রান্তি কাটছে না by মো. আসাদুজ্জামান
- অর্থনীতির জন্য নতুন বিপদ সংকেত by মিজান চৌধুরী
- অস্ত্র ব্যবসা : কার বাড়ছে কার কমছে by আসিফ হাসান
- আতঙ্কে বিদেশীরা
- ইসলামি ব্যাংকিং নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন by মো: মিজান...
- সেই আছিরন এই আছিরন by আরিফুল হক
- দ্বার খুললে বিনিয়োগ আসবে -সাক্ষাৎকারে জাহিদ হোসেন
- মেরে পা ভেঙে দিয়েছেন শাহাদাত
- পোশাক শিল্পে একের পর এক ধাক্কা by এমএম মাসুদ
- বাংলাদেশ নিয়ে পশ্চিমা ষড়যন্ত্র! by মাসুদ করিম
- আগ্নেয়াস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ, যুক্তরাষ্ট্রে ফের বিতর...
- নিউইয়র্কের সরকারি স্কুলে বাংলা এখন চতুর্থ প্রধান ভ...
- ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারার অজানা কাহিনী by নূর ইসলাম
- ম্যালেরিয়া নিরাময় খুঁজতে লোকগাথা হাতড়ে বেড়িয়েছেন ন...
- বাল্যবিবাহ রোধে দ্রুত আইন পাস ও বাস্তবায়ন চাই
- কীভাবে জানব হার্ট অ্যাটাক হতে পারে? by আব্দুল কাইয়ুম
- রাশিয়াকে মূল্য দিতে হবে -যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি
- সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দর কি ভূরাজনীতির শিকার? by মইনুল...
- সিলেটে পুলিশের সোর্স রুবেলকে গণপিটুনি by ওয়েছ খছরু
- গণতন্ত্র রক্ষায় সংলাপের জয়- এবার শান্তিতে নোবেল প...
- কাশের দেশে by মো. সাইফুল্লাহ
- উদ্বৃত্তের পরও লবণ আমদানির অনুমতি by মিজান চৌধুরী
- সিলেটে ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার দায়ে যুবলীগ নেতা গ্...
- প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় ব্যান্ডউইথ রপ্তানি by কাজী ...
- চে গুয়েভারা: বিশ্ববিপ্লবের নিঃসঙ্গ শেরপা by মাহমুদ...
- মোহাম্মদ ফরহাদ: বিনম্র শ্রদ্ধা by ফওজিয়া মোসলেম
- ছাত্রলীগের জন্য মেডিকেল কলেজ বন্ধ- প্রশাসন কেন কঠে...
- ইসরায়েলি পুলিশের গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত
- হাসপাতালে কাতরাচ্ছে শাহাদাত
- বাশারের শত্রু–মিত্ররা
-
▼
Oct 10
(38)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment