Friday, January 30, 2015
মার্কিন বলয়ে ঝুঁকে গেল মোদির ভারত! by মাসুম খলিলী
মার্কিন বলয়ে ঝুঁকে গেল মোদির ভারত! by মাসুম খলিলী
Friday, January 30, 2015
Anonymous
আন্তর্জাতিক,
আলোচনা,
উপ-সম্পাদকীয়,
নয়া দিগন্ত,
ভারত,
মতামত,
যুক্তরাষ্ট্র

পনেরো
বছর ধরে ধীরে ধীরে সম্পর্ক উষ্ণ করেও সব পক্ষের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে
আসছিল দিল্লি। সেই ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি থেকে সরে এলো ভারত? ওবামার
সফরকালে আমেরিকার সাথে কঠিন সব বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার চুক্তি আর অঙ্গীকার করার
পর এমনটিই ভাবছেন পর্যবেক্ষকেরা। অভিন্ন প্রতিরক্ষা গবেষণা ও সরঞ্জাম
উৎপাদন থেকে শুরু করে নজরদারিবিহীন পরমাণু চুল্লি হস্তান্তর এবং সাগরে
আকাশে যৌথ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সব কিছুতে সাথে সাথে চলার কৌশলগত মৈত্রীÑ সবই
দৃশ্যত সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে হয় আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার
দ্বিতীয় দফা ভারত সফরে। দ্বিতীয়বার সফরের রেকর্ডের পাশাপাশি ভারতীয়
প্রজাতন্ত্র দিবসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম সামরিক কুচকাওয়াজে
অভিবাদন নিলেন বারাক ওবামা। আঞ্চলিক সুহৃদ থেকে আন্তর্জাতিক মিত্রের
মর্যাদাই শুধু ওবামা এবার মোদিকে দেননি, একই সাথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য
সহিষ্ণুতার বার্তাও তিনি দিয়েছেন। বলেছেন, ‘ভারত ততণই সফল, যতণ ধর্মের
ভিত্তিতে নিজেকে ভাগ বিভাজন না করবে। দুই দেশেই নানা জাতি নানা ধর্মের
মানুষ বাস করেন। এই বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।’ ওবামা স্মরণ
করিয়ে দেন, ‘আমরা এমন দেশের বাসিন্দা হতে পেরে গর্বিত, যেখানে রাঁধুনির
নাতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হন, দলিতের ছেলে হন ভারতীয় সংবিধানের রূপকার, আর
চা বিক্রেতা হন প্রধানমন্ত্রী।’
উন্নয়ন আর সুশাসনের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের ‘ঘর ওয়াপসি’র নামে মুসলিম খ্রিষ্টানদের হিন্দু বানানোর কর্মকাণ্ডে এ প্রচেষ্টা চাপা পড়ে যায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে উন্নয়ন যে ব্যাহত হয়, সে ব্যাপারে সম্প্রতি বিজেপির শুভানুধ্যায়ী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী যেভাবে সতর্ক করেন, ওবামার বক্তৃতায় সেই একই সতর্কবাণী উচ্চারিত হয়।
কী পেল ভারত
ওবামার সফরের প্রথম দিনেই দুই নেতা পরমাণু চুক্তির জটিলতা কাটানোর কথা ঘোষণা করেন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার আমলে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি। কিন্তু এ চুক্তিকে বাস্তবায়নপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেনি মনমোহনের সরকার। এ েেত্র এমন কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়, যা অতিক্রম করা হয়ে পড়ছিল সত্যিকার অর্থেই কঠিন। এবার এই কঠিন কাজটিই সম্পন্ন করতে পেরেছে দেশ দু’টি। সমঝোতা অনুসারে যত দ্রুত সম্ভব ভারতের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা বাড়াতে আমেরিকার তৈরি পরমাণু চুল্লি বসানো হবে। পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা সংস্থা একযোগে একটি বীমা তহবিল গঠন করবে। পরমাণু চুল্লির যেকোনো ক্ষতি বা বিপত্তিতে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে। এর ফলে সরবরাহকারীর ওপর কোনো আর্থিক বোঝা আসবে না। আগে চুল্লিতে দুর্ঘটনা হলে বিপুল দায়বদ্ধতার মুখে পড়তে হতো সরবরাহকারী আমেরিকান সংস্থাকে। এ ছাড়া পরমাণু চুল্লি আমেরিকা তৈরি করবে বলে তারা চাইছিল, এখানে যেসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার করা হবে, সেগুলোকে মার্কিন পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখতে। তাদের আশঙ্কা ছিল, এসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে রিসাইকিং মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ওবামা পর্যবেক্ষণের সেই শর্ত থেকে সরে আসেন। ভারতকে পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে (এনএসজি) ঢোকানোর প্রক্রিয়াতেও গতি আনার কথা বলা হয়। পরমাণু চুক্তিটি বাস্তবায়ন হলে মার্কিন বিনিয়োগে ভারতে বৃহৎ পরমাণু চুল্লি তৈরি করা সম্ভব হবে। এর ফলে তেল বা ফসিল-জ্বালানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। কর্মসংস্থানও বাড়বে অনুসারী শিল্পের মাধ্যমে। যে উন্নয়নের ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি ক্ষমতায় এসেছেন, তার অনেকখানি পূরণ হবে।
১০ বছর আগে ভারতের সাথে রামসফেল্ড ও প্রণব মুখার্জি স্বার করেছিলেন প্রতিরা সহযোগিতা চুক্তি। এই চুক্তির মেয়াদ ফুরিয়ে এলেও তা তেমন কার্যকর করা যায়নি। এবার চুক্তিটি আরো ১০ বছরের জন্য নবায়নের সাথে নতুন মাত্রা নিয়ে আসা হয়েছে। এখন দুই দেশের প্রতিরা সহযোগিতা বেচাকেনায় সীমিত থাকবে না। দুই দেশ একসাথে সমরাস্ত্র তৈরি করবে, নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে করবে গবেষণা। যুদ্ধাস্ত্রের প্রযুক্তিই ভারতের হাতে তুলে দেবে আমেরিকা, যার মধ্যে অন্য আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির চালকহীন নজরদারি বিমান (ইউএভি)। এর আগে রাশিয়া উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করলেও ভারতে কেবল সমরাস্ত্র বেচে এসেছে আমেরিকা। এবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সাথে যৌথ উদ্যোগে তৈরী যুদ্ধাস্ত্র ভারত বিদেশেও রফতানি করতে পারবে। মার্কিন সংস্থাগুলো যাতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে, সে জন্য মোদি সরকার ইতোমধ্যে ৪৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগের ছাড়পত্র দিয়ে রেখেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিদায় হওয়ার আগে ওবামা এ ছাড়াও দিয়েছেন সহযোগিতার নানা প্রতিশ্রুতি। বলেছেন, জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য আমেরিকা সমর্থন করবে ভারতকে। পরিকাঠামো থেকে শুরু করে স্মার্ট সিটি, বুলেট ট্রেন থেকে নিরাপত্তা প্রযুক্তি সর্বস্তরে দেয়া হবে ঢালাও সহযোগিতা। অবকাঠামো নির্মাণে চার বিলিয়ন ডলার, অপ্রচলিত শক্তি উৎপাদনের জন্য দুই বিলিয়ন ডলার এবং ুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে আরো দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র। সাময়িক ভিসা নিয়ে যারা যুক্তরাষ্ট্রে কাজের জন্য যাচ্ছেন, তাদের আরো সুবিধা দিতেও ওবামা প্রশাসন রাজি হয়েছে। আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার েেত্র একসাথে চলার অঙ্গীকারও করেছেন তিনি।
আসল লক্ষ্য চীন?
ওবামার নিজের ভাণ্ডার উজাড় করে সহযোগিতা দিতে চাইবার এত সব উদ্যোগ-আয়োজন কেন, সে প্রশ্নের গভীরে অনেকে সেভাবে ঢুকতে চাননি। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা আড়াল করেনি এ রহস্য। ‘আলিঙ্গনের পরে’ শিরোনামে সম্পাদকীয় মন্তব্যে পত্রিকাটি বলেছে, “নরেন্দ্র মোদির স্বহস্তে প্রস্তুত চা পান করিবার জন্য বারো হাজার কিলোমিটার উড়িয়া আসেন নাই, দিল্লির রাজপথে সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী দেখিবার জন্যও নহে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ‘ঐতিহাসিক’ ভারত সফরের পিছনে এক এবং অদ্বিতীয় কারণ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ। স্বার্থ বহুমাত্রিক। প্রথম ও প্রধান মাত্রাটির নাম : চিন। তাহার প্রমাণ রহিয়াছে এই সফর উপলে প্রকাশিত ভারত-মার্কিন যৌথ বিবৃতিতে। পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রপথের এবং আকাশযাত্রার নিরাপত্তা রায় দুই দেশের সহযোগিতার অঙ্গীকারেই বিবৃতি থামে নাই, সরাসরি ‘বিশেষত সাউথ চায়না সি’ অঞ্চলে সহযোগিতায় জোর দিয়াছে। সাউথ চায়না সিতে গত কয়েক বছরে চিনের আগ্রাসী নীতির প্রেেিত এই বিবৃতির তাৎপর্য অতি স্পষ্ট। চিন সেই তাৎপর্য বুঝিতে কিছুমাত্র ভুল করে নাই। বেজিং সচরাচর কোনও বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাইতে অন্তত আঠারো মাস সময় লইয়া থাকে, অথচ ওবামা-মোদি কূটনৈতিক অভিযানকে ‘অগভীর’ বলিয়া বাতিল করিবার জন্য তাহার চব্বিশ ঘণ্টাও লাগে নাই।”
শুধু আনন্দবাজার নয়, ওবামার ভারত সফরের এই বার্তা পাওয়া যায় নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় প্রতিবেদনেও। পত্রিকাটি বলেছে, ‘দুই নেতার যৌথ বিবৃতি চীনকে চঞ্চল করে তুলেছে। ওবামার সফর শেষ হওয়ার আগেই চীন তাই এই সফর নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে, মোদি-ওবামার কাছাকাছি আসাটা তারা মোটেই পছন্দ করছে না। চীন বেশ বুঝতে পারছে, ভারত-আমেরিকা-জাপান অ এশিয়া ও দণি এশিয়ায় তাদের প্রভাব রুখতে সচেষ্ট।’ পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, ‘ওবামার এই সফরে বাণিজ্য জ্বালানি আমেরিকান পারমাণবিক প্রযুক্তি দেয়া একসাথে প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও গবেষণাসহ অনেক কিছু হয়েছে। কিন্তু ওবামা যখন মোদির সাথে আলোচনা শুরু করেন, তার প্রথম ৪৫ মিনিটজুড়ে স্থান ছিল চীনের। এ সময় চীনের উত্থান ও পূর্ব এশিয়ায় দেশটির কৌশলগত অবস্থানের প্রভাব সম্পর্কে মোদির মূল্যায়ন দেখে ওবামা ও তার সফরসঙ্গীরা বিস্মিত হন। এ অঞ্চলে চীনের বর্ধনশীল প্রভাবে মোদিকে উদ্বিগ্ন মনে হয় এবং চীনকে মোকাবেলায় অভিন্ন পদপে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে দুর্বল হয়ে যাওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থা আবার জোরদার করতে পরামর্শ দেন নরেন্দ্র মোদি। এর পাশাপাশি চীনের প্রভাব বিস্তারের েেত্র ভারসাম্য রায় এশিয়া প্রশান্ত মহাসগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগী ফোরাম বা এপেকের আরো বৃহত্তর ভূমিকা পালনের ব্যাপারেও আগ্রহ দেখান তিনি।’ পত্রিকাটিতে বলা হয়, চীনের সাথে ভারতের বৈরিতার লম্বা ইতিহাস রয়েছে কিন্তু ভারত কাজ করেছে সব সময় স্বাধীনভাবে। আমেরিকা অভিন্ন ফ্রন্ট খুলতে চাইলেও তাতে দিল্লি সাড়া দেয়নি। মোদি সম্ভবত সেই রসায়ন পাল্টে দিতে চাইছেন। তিনি ওবামার সাথে যে যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেছেন, তাতে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতিবেশীদের সাথে সঙ্ঘাত উসকে দেয়ার জন্য চীনা সরকারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এসব দেখেশুনে চীন তার ক্ষোভ গোপন করতে বিলম্ব করেনি। মন্তব্য করেছে, ওবামার সফর আসলেই একটি ‘কৃত্রিম পুনর্মিলন’। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য ফাঁদ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছে চীনের গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা। আমেরিকার কর্মকর্তারা অবশ্য বলেছেন, পাশের রাষ্ট্রগুলোর সাথে বিরোধে বেইজিং শক্তি প্রয়োগের নীতি অনুসরণ না করলে ওবামার ভারত সফর নিয়ে চীনের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
চীনের তাৎক্ষণিক আরেকটি পদক্ষেপে তার প্রতিক্রিয়া উপলব্ধি করা যায়। বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার মাত্র এক দিন পর এ ঘোষণা দিয়ে চীন জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জয়ের ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ বছর বড় ধরনের একটি সামরিক কুচকাওয়াজের পরিকল্পনা করছে বেইজিং।
দিল্লি যে বেইজিংয়ের মনোভাব বুঝতে পারেনি তা নয়। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে মন্তব্য, আঞ্চলিক বলয় গঠন ইত্যাদি নিয়ে বেইজিংয়ের ক্ষোভ আর আমেরিকার সাথে যৌথভাবে অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা গবেষণার ব্যাপারে রুশ অসন্তোষ নমনীয় করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে চীন পাঠাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আগামী রোববার সুষমা সেখানে চীনা প্রতিপক্ষ ওয়াং ই’র সাথে উভয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন। তারা রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সাথে ত্রিপক্ষীয় আলোচনাও করবেন। মোদি আমেরিকার সাথে অংশীদারিত্বকে যতই এগিয়ে নিতে চান না কেন, এ মুহূর্তে চীন-রাশিয়াকে হয়তো বেশি বৈরী করতে চাইছেন না। কিন্তু বাস্তবে তা কতটা তিনি পারবেন সেটি নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়।
ওবামার সফর নিয়ে ব্রিটিশ সাময়িকী ইকনোমিস্টের মূল্যায়নটিও তাৎপর্যপূর্ণ। পত্রিকাটি লিখেছে, ‘আগে যে চুলজ্জা, চীনকে না রাগানো ইত্যাদি ব্যাপার ছিল, এখন মোদির আমলে সেটা দৃশ্যত কেটে গেছে।... বর্তমানে ভারত ও আমেরিকা গোয়েন্দা সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দুই দেশই পাকিস্তান নিয়ে কিছু অবিশ্বাসে ভুগছে এবং দেশটিতে ইসলামি চরমপন্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। অন্য দিকে বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক ভারত একসময় তার প্রতিরা সরঞ্জামের সরবরাহের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকলেও এখন ক্রমবর্ধমান হারে আমেরিকা, ইসরাইল ও অন্যান্য দেশের উচ্চপ্রযুক্তির প্রস্তাব পাচ্ছে। গত নভেম্বর দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার রাশিয়া তার প্রতিরামন্ত্রীকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ পাঠিয়েছিল দেশটিতে অস্ত্র বিক্রি শুরুর জন্য। আর এটা ভারতকে রাশিয়ার বিকল্প খোঁজাকে ত্বরান্বিতই করেছে।’
ক্ষুব্ধ পাকিস্তান
ভারতে ওবামার সফরকালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে ক্ষুব্ধ পাকিস্তানও। চার বিলিয়ন ডলার ঋণসহায়তা দানের ঘোষণার পর ওবামা যখন নরেন্দ্র মোদির সাথে করমর্দন করছিলেন, ঠিক সে সময় বেইজিং সফররত পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরিফকে জমকালো সংবর্ধনা দেয় চীন। বেইজিং ঘোষণা করে, পাকিস্তান হলো চীনের সব সময়ের অপরিবর্তনীয় বন্ধু।
পাকিস্তানের আপত্তি আমেরিকার সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে। দেশটির সাবেক ফেডারেল মন্ত্রী খুরশিদ শাহ বলেছেন, আমরা ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের উৎকণ্ঠা হলো দেশটির দ্বিমুখিতা নিয়ে। আমরা আফগানিস্তানের যুদ্ধে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কিভাবেই না তাদের সাহায্য করেছি। যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে গিয়ে পাকিস্তানকে শরণার্থীর বোঝা, হেরোইনের উপদ্রব, কালাশনিকভ এবং উগ্রপন্থার বিস্তৃতির ঝুঁকি বইতে হচ্ছে।
ডেইলি টাইমসের অপ-এড সম্পাদক মেহের তারার লিখেছেন, সন্ত্রাসের ব্যাপারে অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে পাকিস্তানের প্রতি। অথচ আফগানিস্তানকে ব্যবহার করে পাকিস্তানে ভারতের সন্ত্রাসী হামলায় ইন্ধন দেয়ার প্রমাণাদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এরপর আশা করা হয়েছিল সেখানে আমেরিকান বাহিনী প্রত্যাহারে ভারতের ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু এখন আফগানিস্তানেও ভারত-মার্কিন সহযোগিতার কথা বলা হচ্ছে। কাশ্মিরে জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অব্যাহতভাবে অবজ্ঞা করছে ভারত। এই ইস্যুর গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি না করে ভারতকে কোনোভাবেই জাতিসঙ্ঘে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে সমর্থন দেয়া যেতে পারে না। আমেরিকা ভারতকে এশিয়ার সাথে কানেকটিভিটিতে সহায়তার কথা বলছে অথচ পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার ছাড়া সেটি সম্ভব নয়। আর পাকিস্তানকে এ ব্যাপারে কিছু জানানোও হয়নি।
ওবামার সফরকালে ভারতের সাথে যে চুক্তি ও সমঝোতা করা হয়েছে তা কার্যকর হলে এ অঞ্চলে পারস্পরিক সম্পর্কে যে ভারসাম্য ছিল তা আর থাকবে না। ¯œায়ুযুদ্ধকাল থেকে পাকিস্তান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র। এবার ওবামা ভারতকে তার দেশের ‘প্রাকৃতিকভাবে বন্ধু’ বলে অভিহিত করেছেন। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিকল্প হবে চীনের সাথে অধিক মৈত্রী ও নির্ভরতা গড়ে তোলা। রাশিয়ার সাথেও ইসলামাবাদ আরো সম্পর্ক গভীর করতে পারে। দেশটির সাথে সম্প্রতি অস্ত্রশস্ত্র কেনার সমঝোতার বিষয়টি তারই ইঙ্গিতবহ হতে পারে।
বাংলাদেশ প্রসঙ্গ
ওবামার ভারত সফরের আগে লেখা কলামে উল্লেখ করেছিলাম, দুই নেতার বৈঠকে বাংলাদেশ ইস্যু সুনির্দিষ্টভাবে উত্থাপনের সম্ভাবনা নেই। এই ইস্যু সাইডলাইনের বৈঠকে আলোচিত হতে পারে। আর সেটি হলে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণায় এই প্রসঙ্গ আসবে না। প্রতিবেশীদের ব্যাপারে কয়েকটি দেশের কথা সফর দলিলে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হলেও বাংলাদেশ তাতে নেই। তবে এই অঞ্চলের সব বিষয়ে দুই দেশে আলাপ-আলোচনা করে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা আছে। ইউপিএ আমলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এখানে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্রের অবিচ্ছিন্ন চর্চা চেয়েছিল। কংগ্রেস সরকার চেয়েছিল যেভাবে হোক তাদের বিশ্বস্ত দলকে ক্ষমতায় রাখতে। বিজেপি সরকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেও আগের সরকারের নীতিকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয় না। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আকবর উদ্দিনের বিবৃতিতে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এ ছাড়া ওবামা ভারত ছাড়ার পরপরই বাংলাদেশে একতরফা নির্বাচনের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিংকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার স্থলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে। এতে প্রতীয়মান হয়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যেকোনো পরিবর্তনে দুই পক্ষের ঐকমত্য থাকবে, যেটি ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের সময় ছিল না।
রয়ে গেছে সংশয়
মোদি যেভাবে আমেরিকার সাথে চলার চুক্তি করেছেন, সেভাবে এগোনো দেশটির পক্ষে সহজ হবে না। স্নায়ুযুদ্ধের পুরো সময় ভারতের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল সোভিয়েতনির্ভর। এরপর আমেরিকা ও ইসরাইল থেকে উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্র আমদানি করা হলেও সেই নির্ভরতা একেবারে দূর হয়ে গেছে বলা যাবে না। বিগত সরকারের আমলেও প্রতিরক্ষা বিষয়ে নতুন করে চুক্তি হয়েছে রাশিয়ার সাথে। আমেরিকান অংশীদারিত্ব নির্ভরতার ক্ষেত্রে ব্যত্যয় আনতে পারে। তবে রাতারাতি সেটি করা সম্ভব হবে না। প্রজাতন্ত্র দিবসের যে কুচকাওয়াজে ওবামাকে অভিবাদন জানানো হয়, সেখানেও রাশিয়ার তৈরি বিমানই ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য দিকে চীনের সাথে ভারতের বৈরিতার মধ্যেও যে নির্ভরশীলতার সম্পর্ক রয়েছে তাকে সর্বাত্মক শত্রুতায় পরিণত করা সম্ভব হবে না দিল্লির পক্ষে। চীন-ভারত-রাশিয়া এই তিন দেশ হলো ব্রিকসের মূল স্তম্ভ। ব্রিকস ব্যাংক থেকে শুরু করে বিকল্প বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরির সাথে এই তিন দেশ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। চীনের সাথে মিলে ভারতের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কানেকটিভিটি গড়ে তোলার একটি প্রকল্পও রয়েছে। সব মিলিয়ে যতটা উচ্ছ্বাস ওবামার সফর নিয়ে, এখন দেখা যাচ্ছে ততটা সামনে নাও থাকতে পারে। ইউপিএ সরকারের সময়ও সেটিই দেখা গিয়েছিল।
উন্নয়ন আর সুশাসনের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের ‘ঘর ওয়াপসি’র নামে মুসলিম খ্রিষ্টানদের হিন্দু বানানোর কর্মকাণ্ডে এ প্রচেষ্টা চাপা পড়ে যায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে উন্নয়ন যে ব্যাহত হয়, সে ব্যাপারে সম্প্রতি বিজেপির শুভানুধ্যায়ী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী যেভাবে সতর্ক করেন, ওবামার বক্তৃতায় সেই একই সতর্কবাণী উচ্চারিত হয়।
কী পেল ভারত
ওবামার সফরের প্রথম দিনেই দুই নেতা পরমাণু চুক্তির জটিলতা কাটানোর কথা ঘোষণা করেন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার আমলে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি। কিন্তু এ চুক্তিকে বাস্তবায়নপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেনি মনমোহনের সরকার। এ েেত্র এমন কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়, যা অতিক্রম করা হয়ে পড়ছিল সত্যিকার অর্থেই কঠিন। এবার এই কঠিন কাজটিই সম্পন্ন করতে পেরেছে দেশ দু’টি। সমঝোতা অনুসারে যত দ্রুত সম্ভব ভারতের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা বাড়াতে আমেরিকার তৈরি পরমাণু চুল্লি বসানো হবে। পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা সংস্থা একযোগে একটি বীমা তহবিল গঠন করবে। পরমাণু চুল্লির যেকোনো ক্ষতি বা বিপত্তিতে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে। এর ফলে সরবরাহকারীর ওপর কোনো আর্থিক বোঝা আসবে না। আগে চুল্লিতে দুর্ঘটনা হলে বিপুল দায়বদ্ধতার মুখে পড়তে হতো সরবরাহকারী আমেরিকান সংস্থাকে। এ ছাড়া পরমাণু চুল্লি আমেরিকা তৈরি করবে বলে তারা চাইছিল, এখানে যেসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার করা হবে, সেগুলোকে মার্কিন পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখতে। তাদের আশঙ্কা ছিল, এসব তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে রিসাইকিং মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ওবামা পর্যবেক্ষণের সেই শর্ত থেকে সরে আসেন। ভারতকে পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে (এনএসজি) ঢোকানোর প্রক্রিয়াতেও গতি আনার কথা বলা হয়। পরমাণু চুক্তিটি বাস্তবায়ন হলে মার্কিন বিনিয়োগে ভারতে বৃহৎ পরমাণু চুল্লি তৈরি করা সম্ভব হবে। এর ফলে তেল বা ফসিল-জ্বালানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। কর্মসংস্থানও বাড়বে অনুসারী শিল্পের মাধ্যমে। যে উন্নয়নের ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি ক্ষমতায় এসেছেন, তার অনেকখানি পূরণ হবে।
১০ বছর আগে ভারতের সাথে রামসফেল্ড ও প্রণব মুখার্জি স্বার করেছিলেন প্রতিরা সহযোগিতা চুক্তি। এই চুক্তির মেয়াদ ফুরিয়ে এলেও তা তেমন কার্যকর করা যায়নি। এবার চুক্তিটি আরো ১০ বছরের জন্য নবায়নের সাথে নতুন মাত্রা নিয়ে আসা হয়েছে। এখন দুই দেশের প্রতিরা সহযোগিতা বেচাকেনায় সীমিত থাকবে না। দুই দেশ একসাথে সমরাস্ত্র তৈরি করবে, নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে করবে গবেষণা। যুদ্ধাস্ত্রের প্রযুক্তিই ভারতের হাতে তুলে দেবে আমেরিকা, যার মধ্যে অন্য আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির চালকহীন নজরদারি বিমান (ইউএভি)। এর আগে রাশিয়া উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করলেও ভারতে কেবল সমরাস্ত্র বেচে এসেছে আমেরিকা। এবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সাথে যৌথ উদ্যোগে তৈরী যুদ্ধাস্ত্র ভারত বিদেশেও রফতানি করতে পারবে। মার্কিন সংস্থাগুলো যাতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে, সে জন্য মোদি সরকার ইতোমধ্যে ৪৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগের ছাড়পত্র দিয়ে রেখেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগেরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিদায় হওয়ার আগে ওবামা এ ছাড়াও দিয়েছেন সহযোগিতার নানা প্রতিশ্রুতি। বলেছেন, জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য আমেরিকা সমর্থন করবে ভারতকে। পরিকাঠামো থেকে শুরু করে স্মার্ট সিটি, বুলেট ট্রেন থেকে নিরাপত্তা প্রযুক্তি সর্বস্তরে দেয়া হবে ঢালাও সহযোগিতা। অবকাঠামো নির্মাণে চার বিলিয়ন ডলার, অপ্রচলিত শক্তি উৎপাদনের জন্য দুই বিলিয়ন ডলার এবং ুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে আরো দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র। সাময়িক ভিসা নিয়ে যারা যুক্তরাষ্ট্রে কাজের জন্য যাচ্ছেন, তাদের আরো সুবিধা দিতেও ওবামা প্রশাসন রাজি হয়েছে। আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার েেত্র একসাথে চলার অঙ্গীকারও করেছেন তিনি।
আসল লক্ষ্য চীন?
ওবামার নিজের ভাণ্ডার উজাড় করে সহযোগিতা দিতে চাইবার এত সব উদ্যোগ-আয়োজন কেন, সে প্রশ্নের গভীরে অনেকে সেভাবে ঢুকতে চাননি। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা আড়াল করেনি এ রহস্য। ‘আলিঙ্গনের পরে’ শিরোনামে সম্পাদকীয় মন্তব্যে পত্রিকাটি বলেছে, “নরেন্দ্র মোদির স্বহস্তে প্রস্তুত চা পান করিবার জন্য বারো হাজার কিলোমিটার উড়িয়া আসেন নাই, দিল্লির রাজপথে সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী দেখিবার জন্যও নহে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ‘ঐতিহাসিক’ ভারত সফরের পিছনে এক এবং অদ্বিতীয় কারণ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ। স্বার্থ বহুমাত্রিক। প্রথম ও প্রধান মাত্রাটির নাম : চিন। তাহার প্রমাণ রহিয়াছে এই সফর উপলে প্রকাশিত ভারত-মার্কিন যৌথ বিবৃতিতে। পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রপথের এবং আকাশযাত্রার নিরাপত্তা রায় দুই দেশের সহযোগিতার অঙ্গীকারেই বিবৃতি থামে নাই, সরাসরি ‘বিশেষত সাউথ চায়না সি’ অঞ্চলে সহযোগিতায় জোর দিয়াছে। সাউথ চায়না সিতে গত কয়েক বছরে চিনের আগ্রাসী নীতির প্রেেিত এই বিবৃতির তাৎপর্য অতি স্পষ্ট। চিন সেই তাৎপর্য বুঝিতে কিছুমাত্র ভুল করে নাই। বেজিং সচরাচর কোনও বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাইতে অন্তত আঠারো মাস সময় লইয়া থাকে, অথচ ওবামা-মোদি কূটনৈতিক অভিযানকে ‘অগভীর’ বলিয়া বাতিল করিবার জন্য তাহার চব্বিশ ঘণ্টাও লাগে নাই।”
শুধু আনন্দবাজার নয়, ওবামার ভারত সফরের এই বার্তা পাওয়া যায় নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় প্রতিবেদনেও। পত্রিকাটি বলেছে, ‘দুই নেতার যৌথ বিবৃতি চীনকে চঞ্চল করে তুলেছে। ওবামার সফর শেষ হওয়ার আগেই চীন তাই এই সফর নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে, মোদি-ওবামার কাছাকাছি আসাটা তারা মোটেই পছন্দ করছে না। চীন বেশ বুঝতে পারছে, ভারত-আমেরিকা-জাপান অ এশিয়া ও দণি এশিয়ায় তাদের প্রভাব রুখতে সচেষ্ট।’ পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, ‘ওবামার এই সফরে বাণিজ্য জ্বালানি আমেরিকান পারমাণবিক প্রযুক্তি দেয়া একসাথে প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও গবেষণাসহ অনেক কিছু হয়েছে। কিন্তু ওবামা যখন মোদির সাথে আলোচনা শুরু করেন, তার প্রথম ৪৫ মিনিটজুড়ে স্থান ছিল চীনের। এ সময় চীনের উত্থান ও পূর্ব এশিয়ায় দেশটির কৌশলগত অবস্থানের প্রভাব সম্পর্কে মোদির মূল্যায়ন দেখে ওবামা ও তার সফরসঙ্গীরা বিস্মিত হন। এ অঞ্চলে চীনের বর্ধনশীল প্রভাবে মোদিকে উদ্বিগ্ন মনে হয় এবং চীনকে মোকাবেলায় অভিন্ন পদপে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে দুর্বল হয়ে যাওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থা আবার জোরদার করতে পরামর্শ দেন নরেন্দ্র মোদি। এর পাশাপাশি চীনের প্রভাব বিস্তারের েেত্র ভারসাম্য রায় এশিয়া প্রশান্ত মহাসগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগী ফোরাম বা এপেকের আরো বৃহত্তর ভূমিকা পালনের ব্যাপারেও আগ্রহ দেখান তিনি।’ পত্রিকাটিতে বলা হয়, চীনের সাথে ভারতের বৈরিতার লম্বা ইতিহাস রয়েছে কিন্তু ভারত কাজ করেছে সব সময় স্বাধীনভাবে। আমেরিকা অভিন্ন ফ্রন্ট খুলতে চাইলেও তাতে দিল্লি সাড়া দেয়নি। মোদি সম্ভবত সেই রসায়ন পাল্টে দিতে চাইছেন। তিনি ওবামার সাথে যে যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেছেন, তাতে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতিবেশীদের সাথে সঙ্ঘাত উসকে দেয়ার জন্য চীনা সরকারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এসব দেখেশুনে চীন তার ক্ষোভ গোপন করতে বিলম্ব করেনি। মন্তব্য করেছে, ওবামার সফর আসলেই একটি ‘কৃত্রিম পুনর্মিলন’। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য ফাঁদ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছে চীনের গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা। আমেরিকার কর্মকর্তারা অবশ্য বলেছেন, পাশের রাষ্ট্রগুলোর সাথে বিরোধে বেইজিং শক্তি প্রয়োগের নীতি অনুসরণ না করলে ওবামার ভারত সফর নিয়ে চীনের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
চীনের তাৎক্ষণিক আরেকটি পদক্ষেপে তার প্রতিক্রিয়া উপলব্ধি করা যায়। বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার মাত্র এক দিন পর এ ঘোষণা দিয়ে চীন জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জয়ের ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ বছর বড় ধরনের একটি সামরিক কুচকাওয়াজের পরিকল্পনা করছে বেইজিং।
দিল্লি যে বেইজিংয়ের মনোভাব বুঝতে পারেনি তা নয়। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে মন্তব্য, আঞ্চলিক বলয় গঠন ইত্যাদি নিয়ে বেইজিংয়ের ক্ষোভ আর আমেরিকার সাথে যৌথভাবে অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা গবেষণার ব্যাপারে রুশ অসন্তোষ নমনীয় করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে চীন পাঠাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আগামী রোববার সুষমা সেখানে চীনা প্রতিপক্ষ ওয়াং ই’র সাথে উভয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন। তারা রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সাথে ত্রিপক্ষীয় আলোচনাও করবেন। মোদি আমেরিকার সাথে অংশীদারিত্বকে যতই এগিয়ে নিতে চান না কেন, এ মুহূর্তে চীন-রাশিয়াকে হয়তো বেশি বৈরী করতে চাইছেন না। কিন্তু বাস্তবে তা কতটা তিনি পারবেন সেটি নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়।
ওবামার সফর নিয়ে ব্রিটিশ সাময়িকী ইকনোমিস্টের মূল্যায়নটিও তাৎপর্যপূর্ণ। পত্রিকাটি লিখেছে, ‘আগে যে চুলজ্জা, চীনকে না রাগানো ইত্যাদি ব্যাপার ছিল, এখন মোদির আমলে সেটা দৃশ্যত কেটে গেছে।... বর্তমানে ভারত ও আমেরিকা গোয়েন্দা সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দুই দেশই পাকিস্তান নিয়ে কিছু অবিশ্বাসে ভুগছে এবং দেশটিতে ইসলামি চরমপন্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। অন্য দিকে বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক ভারত একসময় তার প্রতিরা সরঞ্জামের সরবরাহের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকলেও এখন ক্রমবর্ধমান হারে আমেরিকা, ইসরাইল ও অন্যান্য দেশের উচ্চপ্রযুক্তির প্রস্তাব পাচ্ছে। গত নভেম্বর দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার রাশিয়া তার প্রতিরামন্ত্রীকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ পাঠিয়েছিল দেশটিতে অস্ত্র বিক্রি শুরুর জন্য। আর এটা ভারতকে রাশিয়ার বিকল্প খোঁজাকে ত্বরান্বিতই করেছে।’
ক্ষুব্ধ পাকিস্তান
ভারতে ওবামার সফরকালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে ক্ষুব্ধ পাকিস্তানও। চার বিলিয়ন ডলার ঋণসহায়তা দানের ঘোষণার পর ওবামা যখন নরেন্দ্র মোদির সাথে করমর্দন করছিলেন, ঠিক সে সময় বেইজিং সফররত পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরিফকে জমকালো সংবর্ধনা দেয় চীন। বেইজিং ঘোষণা করে, পাকিস্তান হলো চীনের সব সময়ের অপরিবর্তনীয় বন্ধু।
পাকিস্তানের আপত্তি আমেরিকার সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে। দেশটির সাবেক ফেডারেল মন্ত্রী খুরশিদ শাহ বলেছেন, আমরা ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের উৎকণ্ঠা হলো দেশটির দ্বিমুখিতা নিয়ে। আমরা আফগানিস্তানের যুদ্ধে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কিভাবেই না তাদের সাহায্য করেছি। যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে গিয়ে পাকিস্তানকে শরণার্থীর বোঝা, হেরোইনের উপদ্রব, কালাশনিকভ এবং উগ্রপন্থার বিস্তৃতির ঝুঁকি বইতে হচ্ছে।
ডেইলি টাইমসের অপ-এড সম্পাদক মেহের তারার লিখেছেন, সন্ত্রাসের ব্যাপারে অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে পাকিস্তানের প্রতি। অথচ আফগানিস্তানকে ব্যবহার করে পাকিস্তানে ভারতের সন্ত্রাসী হামলায় ইন্ধন দেয়ার প্রমাণাদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এরপর আশা করা হয়েছিল সেখানে আমেরিকান বাহিনী প্রত্যাহারে ভারতের ভূমিকা থাকবে না। কিন্তু এখন আফগানিস্তানেও ভারত-মার্কিন সহযোগিতার কথা বলা হচ্ছে। কাশ্মিরে জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অব্যাহতভাবে অবজ্ঞা করছে ভারত। এই ইস্যুর গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তি না করে ভারতকে কোনোভাবেই জাতিসঙ্ঘে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে সমর্থন দেয়া যেতে পারে না। আমেরিকা ভারতকে এশিয়ার সাথে কানেকটিভিটিতে সহায়তার কথা বলছে অথচ পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার ছাড়া সেটি সম্ভব নয়। আর পাকিস্তানকে এ ব্যাপারে কিছু জানানোও হয়নি।
ওবামার সফরকালে ভারতের সাথে যে চুক্তি ও সমঝোতা করা হয়েছে তা কার্যকর হলে এ অঞ্চলে পারস্পরিক সম্পর্কে যে ভারসাম্য ছিল তা আর থাকবে না। ¯œায়ুযুদ্ধকাল থেকে পাকিস্তান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র। এবার ওবামা ভারতকে তার দেশের ‘প্রাকৃতিকভাবে বন্ধু’ বলে অভিহিত করেছেন। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিকল্প হবে চীনের সাথে অধিক মৈত্রী ও নির্ভরতা গড়ে তোলা। রাশিয়ার সাথেও ইসলামাবাদ আরো সম্পর্ক গভীর করতে পারে। দেশটির সাথে সম্প্রতি অস্ত্রশস্ত্র কেনার সমঝোতার বিষয়টি তারই ইঙ্গিতবহ হতে পারে।
বাংলাদেশ প্রসঙ্গ
ওবামার ভারত সফরের আগে লেখা কলামে উল্লেখ করেছিলাম, দুই নেতার বৈঠকে বাংলাদেশ ইস্যু সুনির্দিষ্টভাবে উত্থাপনের সম্ভাবনা নেই। এই ইস্যু সাইডলাইনের বৈঠকে আলোচিত হতে পারে। আর সেটি হলে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণায় এই প্রসঙ্গ আসবে না। প্রতিবেশীদের ব্যাপারে কয়েকটি দেশের কথা সফর দলিলে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হলেও বাংলাদেশ তাতে নেই। তবে এই অঞ্চলের সব বিষয়ে দুই দেশে আলাপ-আলোচনা করে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা আছে। ইউপিএ আমলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এখানে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্রের অবিচ্ছিন্ন চর্চা চেয়েছিল। কংগ্রেস সরকার চেয়েছিল যেভাবে হোক তাদের বিশ্বস্ত দলকে ক্ষমতায় রাখতে। বিজেপি সরকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেও আগের সরকারের নীতিকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয় না। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আকবর উদ্দিনের বিবৃতিতে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এ ছাড়া ওবামা ভারত ছাড়ার পরপরই বাংলাদেশে একতরফা নির্বাচনের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিংকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার স্থলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে। এতে প্রতীয়মান হয়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যেকোনো পরিবর্তনে দুই পক্ষের ঐকমত্য থাকবে, যেটি ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের সময় ছিল না।
রয়ে গেছে সংশয়
মোদি যেভাবে আমেরিকার সাথে চলার চুক্তি করেছেন, সেভাবে এগোনো দেশটির পক্ষে সহজ হবে না। স্নায়ুযুদ্ধের পুরো সময় ভারতের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল সোভিয়েতনির্ভর। এরপর আমেরিকা ও ইসরাইল থেকে উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্র আমদানি করা হলেও সেই নির্ভরতা একেবারে দূর হয়ে গেছে বলা যাবে না। বিগত সরকারের আমলেও প্রতিরক্ষা বিষয়ে নতুন করে চুক্তি হয়েছে রাশিয়ার সাথে। আমেরিকান অংশীদারিত্ব নির্ভরতার ক্ষেত্রে ব্যত্যয় আনতে পারে। তবে রাতারাতি সেটি করা সম্ভব হবে না। প্রজাতন্ত্র দিবসের যে কুচকাওয়াজে ওবামাকে অভিবাদন জানানো হয়, সেখানেও রাশিয়ার তৈরি বিমানই ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য দিকে চীনের সাথে ভারতের বৈরিতার মধ্যেও যে নির্ভরশীলতার সম্পর্ক রয়েছে তাকে সর্বাত্মক শত্রুতায় পরিণত করা সম্ভব হবে না দিল্লির পক্ষে। চীন-ভারত-রাশিয়া এই তিন দেশ হলো ব্রিকসের মূল স্তম্ভ। ব্রিকস ব্যাংক থেকে শুরু করে বিকল্প বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরির সাথে এই তিন দেশ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। চীনের সাথে মিলে ভারতের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কানেকটিভিটি গড়ে তোলার একটি প্রকল্পও রয়েছে। সব মিলিয়ে যতটা উচ্ছ্বাস ওবামার সফর নিয়ে, এখন দেখা যাচ্ছে ততটা সামনে নাও থাকতে পারে। ইউপিএ সরকারের সময়ও সেটিই দেখা গিয়েছিল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 30
(35)
- সুজাতা বরখাস্তের নেপথ্যে- আরো পরিবর্তন আসছে ভারতের...
- সমুদ্র পেরিয়ে স্বপ্নপূরণ
- ‘আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান’ -আব্বাস-সোহেলের যৌথ...
- পুরনো নীতির সঙ্গে নতুন নীতির সংঘর্ষের বলি সুজাতা
- অবরোধের পাশাপাশি রোববার থেকে ৭২ ঘণ্টার হরতাল
- পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫
- রাহুলকে দোষারোপ করে কংগ্রেস ছাড়লেন জয়ন্তী
- পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান- পরিস্থিতি আরো...
- রহমান শেলীর ইজ্জতের রশি
- রাজাকার by শাহাবুদ্দীন নাগরী
- দেশে দেশে বইমেলা by ইমরান মাহফুজ
- অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ পেট্রলবোমা হামলার জবাব নয়: অ্যাম...
- সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল
- মিশরে আইএসের সিরিজ হামলার দাবি: নিহত ২৭, আহত ৬৮
- ‘পরিবর্তনের সূচনা’ by মিজানুর রহমান
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজীবনের জন্য হুমকি?
- কোনোভাবেই সচল রাখা যাচ্ছে না পরিবহন সেক্টর by আবু ...
- জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি- ব্রিফিং-এ বাংলাদেশী শান্তিরক্...
- গলাকাটা মুরগির অর্থহীন নাচানাচি by সিরাজুর রহমান
- দেশ রক্ষায় সমঝোতার বিকল্প নেই- ঐকমত্যের সরকার প্রত...
- সুজাতা সিং বরখাস্ত নানা অঙ্ক
- বিদেশি পণ্যেই বেশি ঝোঁক
- বিব্রত শ্রুতি হাসান
- সিজিএ কার্যালয়ে ১১ খাতে ঘুষ লেনদেন: টিআইবি
- মার্কিন বলয়ে ঝুঁকে গেল মোদির ভারত! by মাসুম খলিলী
- রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনায় ছায়া ফেলেছে...
- গ্রিসের তরুণেরা পারে, আমরা কেন পারি না? by ফারুক ও...
- কোকোর জানাজা : আমার অনুভূতি by প্রফেসর ড. সুকোমল ব...
- নিরাপত্তাবাহিনীর মারাত্মক ঘটনায় চোখ বন্ধ রেখেছে সর...
- প্রতীকী অনশনে এরশাদ- দুই দল আগুন নেভাতে পারবে না
- সমাধান আলোচনার টেবিলে by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- চট্টগ্রামে ১৫০০ কোটি টাকার কাজ বন্ধ, উদ্বিগ্ন ওয়াস...
- ‘নিরাপত্তা বাহিনীর আইন লঙ্ঘনের বিচার করতে ব্যর্থ ব...
- ‘সঙ্কট নিরসনে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের বি...
- গণগ্রেফতার অব্যাহত- অবরোধের ২৪ দিন : লালমনিরহাটে আ...
-
▼
Jan 30
(35)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment