বাঙালি-বাংলায় একাকার রবীন্দ্র সরোবর by আবু তালহা

পহেলা বৈশাখ। পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে নিয়ে বারবার ফিরে আসে বাঙালির প্রাণে। যুগ যুগ ধরে বাংলা নববর্ষ এলে সব ভেদাভেদ ভুলে আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠে বাঙালি মন। নতুন বর্ষকে বরণ করতে প্রাণের টানে একত্রিত হয় বাংলা-বাঙালি।
রোববার ভোর থেকেই বাঙালি চিরায়ত বাংলা বর্ষবরণ করতে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস, মাছরাঙা টেলিভিশন এবং ইগলু আইসক্রিমের সহযোগিতায় ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড আয়োজিত ‘ইগলু নওয়াবি মিঠাই বর্ষবরণ ১৪২০’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান-নাচ, বাংলা ঢোল আর বাঁশির সুরের মূর্ছনায় মোহিত রবীন্দ্র সরোবর।Robendro-Sorbor
এ সময় রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী অদিতি মহসিন, নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, লোকগীতি শিল্পী পূর্ণ চন্দ্র রায়, রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী কাদেরী কিবরিয়া ও স্বপ্নীল সাথি এবং ফকির শাহাবুদ্দিন আদি বাঙালি সঙ্গীত, লোকগীতি, নজরুলগীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশ করেন।   
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে সাংসদ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি বলেন, “বাঙালি জীবনের মিলনমেলা পহেলা বৈশাখ নতুন করে আমাদের জীবনে এনে দেয় সুখ-সমৃদ্ধি। এই বৈশাখে আমরা নতুন করে শপথ নেব মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলার।”
ধানমন্ডি ক্লাব লিমেটেডের প্রেসিডেন্ট হারুন অর রশিদ বলেন, “বাঙালি সংস্কৃতির একটি বৃহত্তম উৎসব পহেলা বৈশাখ। দীর্ঘ দিন যাবত ধানমন্ডি ক্লাব এ উৎসব উদযাপন করছে। প্রতি বছরের মতো এবারও গুণী শিল্পীরা গান পরিবেশন করে আমাদের মুগ্ধ করছেন। গত বছরের সব ব্যর্থতা ভুলে বৈশাখে নতুন করে পথ চলার শপথ গ্রহণ করব আমরা।”