Friday, November 2, 2012
কালো নৌকা by আল মাহমুদ
কালো নৌকা by আল মাহমুদ
তখন ভাটার সময়। সমুদ্রে কোনো তোলপাড় নেই। ডাঙা থেকে মাইলখানেক দূরে জেলে নৌকাগুলো দিগন্তের অস্পষ্ট ভ্রূরেখার মতো আবছাভাবে দুলছে। মৃদুগতিতে অল্প অল্প বাতাস বইছে। হাওয়ার স্পর্শ তেমন শীতলও নয়।
আবার তেমন উষ্ণতাও নেই। তবে ডাঙার ভেজা অংশে যেখান থেকে ভাটার টানে সমুদ্র পিছিয়ে গেছে, সে ভেজাবালিতে খালি পা ফেলে হাঁটলে সারা শরীরে বেশ একটা আরামদায়ক শিহরণ লাগে। শাদা কাঁকড়ার ছোট বাচ্চারা পায়ের ওপর দিয়ে ছোটাছুটি করলেও তখন কেউ লাফিয়ে ওঠে না। মনে হয় নুনের হালকা গন্ধ যেন সমদ্রে সূর্যাস্ত উপভোগকারীদের ইন্দ্রিয়ে একধরনের প্রাকৃতিক আমেজ ঢুকিয়ে দিয়েছে।
মেয়েরা শাড়ি টেনে গোড়ালি উদোম করে হাঁটছিল। কেউ কেউ কাদা মাড়িয়ে বাহাদুরি দেখাতে সমুদ্রের জলসীমায় গিয়ে হাঁটুর ওপর ঢেউয়ের বাড়ি লাগাচ্ছে। ছোট ছোট ঢেউ এসে তাদের শাড়ির নিচের দিকটা হাঁটু পর্যন্ত ভিজিয়ে দিচ্ছে। তাদের সঙ্গী পুরুষরা জুতো হাতে ডাঙায় শুকনো বালিতে দাঁড়িয়ে দেখছে। সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক মোহকে উপভোগ করার একটা প্রবণতা কিংবা বলা যায় প্রস্তুতি আছে মানুষের মধ্যে। যা ক্ষণস্থায়ী তন্ময়তা এনে দিয়েছে এইসব নরনারীর মুখে।
সূর্যাস্তের সময় আজকাল বেশ ভিড় জমে এ জায়গাটায়। যারা সমুদ্র আর সূর্যাস্ত দেখে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই বন্দরে ফিরে যেতে চায়, তারাই আসে এ ঘাটে। কিন্তু যাদের হাতে প্রচুর সময় আর টাকা-পয়সা আছে তাদের কথা অবশ্য আলাদা। তারা কঙ্বাজার না গিয়ে এই হোটেল-মোটেলহীন ফৌজদারহাট আসবে কোন দুঃখে।
তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে ফৌজদারহাটের বেলাভূমিতেও কম ভিড় হয় না। বেশ লোক জমে যায়। আজ রোববার বলেই যে এত গাড়ি আর মানুষের মেলা জমেছে তা নয়। মেঘবৃষ্টি না থাকলে প্রায় প্রতিদিনই মানুষ আসে। প্রাইভেট কারও আসে অনেক। আর মানুষের সমাগম দেখে কয়েকটা চায়ের দোকানও ডাঙার শুকনো উঁচু জায়গায় জমিয়ে ব্যবসা ফেঁদেছে। প্রতিদিন সূর্য নিভে গেলে পানির কিনারায় বহুদূর হেঁটে বেড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে মানুষ চায়ের দোকানগুলোতে এসে বসে। চা খায়। অন্ধকার না হওয়া পর্যন্ত আর উঠতে চায় না কেউ।
এ বেলা একে একে জেলে নৌকাগুলো ফিরে আসছে। কোনো কোনো নাও তীরের কাদায় পেট ঠেকিয়ে বাঁকা মাথা উঁচু করে দুলছে। জেলেরা কেউ কেউ পানিতে নেমে ভেজা বালুর ওপর দিয়ে নাও ঠেলে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের ঘিরে দাঁড়িয়েছে সূর্যাস্ত-দর্শকদলের নারী-পুরুষ।
কাছেই জেলেপাড়া। এতক্ষণ এই আবাসস্থলের অস্তিত্বই বোঝা যায়নি। শ্রীহীন কয়েকটা শীর্ণ চালাঘর। খুব নিচু করে তৈরি। দূর থেকে স্তব্ধ কালো রেখার মতো দেখা যায়। এখন এই রেখার ওপর থেকে শাদা-কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাক খেয়ে আকাশে উঠেছে। রান্নার আগুনে যেন সারা পাড়াটা প্রাণস্পন্দনে জেগে উঠল। জেলে-বৌরা ঝাঁকা নিয়ে আস্তে আস্তে পাড়া ছেড়ে নাওগুলোর দিকে আসছে। তাদের পেছনে উলঙ্গ শিশুর দল।
রাসু জলদাসের নৌকাটা প্রথম এসে ডাঙায় ভিড়েছে। জল ঝাড়াই আর মাছের দরদামের ব্যাপারটা সঙ্গী দুজনের ঘাড়ে চাপিয়ে রাসু কাদা পার হয়ে ডাঙায় এসে দাঁড়াল। হাতের দাঁড়টা কাঁধে ফেরে তারপর রওনা দিল পাড়ার দিকে।
সূর্য এখনো নিস্তেজ হয়ে দর্শনীয় হয়ে ওঠেনি। সূর্যাস্ত-দর্শকদের দল এখনো ডাঙার ওপর টেনে আনা জেলে নৌকাগুলোকে ঘিরে দাঁড়িয়ে মজা দেখছে। তাদের চোখে এখনো সূর্যের প্রাত্যহিক মোহময় মৃত্যুকে উপভোগ করার প্রস্তুতি জেগে ওঠেনি। বরং জেলেনীদের ঝাঁকায় শাদা ছোট ইঁচা মাছের সামান্য স্তূপ দেখে সাগরের কৃপণতার ভ্রূ কুঞ্চিত হয়ে উঠেছে।
রাসু জলদাসের হাঁটাটা এখনো দেখার মতো। পঞ্চাশ বছরের সমুদ্রচারী জেলের গায়ে যতটা সামর্থ্য থাকে রাসু তার চেয়েও শক্তিশালী পুরুষ। তার পেশল হাত-পায়ে বার্ধক্য দূরে থাক, মধ্যবয়স্কেরও কোনো চিহ্ন নেই। বিশাল পুরুষ। পাথরের মতো ছাতি। দাঁড়ের কাঠের মতো মোটা কবজির ওপর শিরা ফুলে আছে। লোকে বলে, একটানা সাত দিন নাকি রাসু মাঝি দাঁড় বাইতে পারে, শুধু সময়মতো খেতে দিলেই হলো।
রাসুর হাঁটাটা সত্যিই ভারি মজার। যেন প্রথম হাঁটতে শেখা শিশু পা ফেলছে। প্রতিটি পদক্ষেপ যেন গুনে গুনে পড়ছে। একটু অসাবধান হলেই বুঝি হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত। রাসু হাঁটে অনেকটা পা টিপে টিপে এগিয়ে যাওয়ার মতো করে। তখন তার মাথাটা নত হয়ে থাকে। চোখ থাকে পায়ের সামনের মাটির ওপর। হাঁটার সময় আশপাশে তাকায় না রাসু। সোজা দরিয়া থেকে ঘরের দরজার সামনে দাঁড়ানোর অভ্যেস তার। আগে নাও নিরাপদ ডাঙায় উবুড় করে রেখে আসার সময় দামোদরের মা রাসুর পাশে পাশে হেঁটে এসে ঘরের দরজা খুলে দাঁড়াত। এখন রাসুকেই খুলতে হয়। গতর নুইয়ে দরজার মরচেপড়া তালাটা খুলতে গেলে কোমরের হাড়ে আজকাল মট করে একটা আরামদায়ক শব্দ হয়। আরাম আর ক্লান্তি তখন রাসু জলদাসকে জড়িয়ে ধরে। রাসু বোঝে যে তার সেই গৌরবময় দিনগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে।
দামোদরের মা গত হয়েছে আজ পনেরো-ষোল বছর। সন্দ্বীপ থেকে রাসু সতী জলদাসীকে বিয়ে করে এনেছিল। জেলেদের মেয়েরা এমনিতেই শক্ত-সমর্থ হয়ে থাকে। তার মধ্যে সতী ছিল এক নামডাকঅলা জলদাস পরিবারের মেয়ে। সতীর মতো নারী-শরীর সচরাচর দেখা যায় না। মাছের ঝাঁকা নিয়ে এই কালো কুচকুচে জেলে-বৌ যখন রাসুর পেছনে পেছনে বেলাভূমি পার হয়ে ছুটত, তখন জাল মেরামতের কাজ করতে করতে জেলে যুবারা একবার ঘাড় ফিরিয়ে এই ধাবমান মাৎস্যগন্ধাকে না দেখে পারত না।
সতী যখন মারা যায় দামোদরের বয়স তখন দশ। সে বছর রাসু জলদাস জেলেদের সাথে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেত। কমপক্ষে পনেরো দিন না কাটিয়ে কেউ দরিয়া থেকে ঘরে ফিরত না। এমনি ধরনের এক ক্ষেপ শেষ করে গাঁয়ে ফিরে জেলেরা জানল যে সপ্তাহখানেক আগে কলেরায় তাদের গাঁয়ের অর্ধেক মানুষ উজাড় হয়ে গেছে। মৃতদের মধ্যে নারী আর শিশুর সংখ্যাই ছিল বেশি। কারণ পুরুষ বলতে যারা ছিল তারা সকলেই ছিল সাগরে। জেলেপাড়ায় কান্নার রোল পড়ে গেল। সতীও এই মড়কের শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। সতীর মৃত্যুর চারদিন পর রাসুদের নৌকা এসে ডাঙায় ভেড়ে। খবরটা শুনে রাসু চুপচাপ কতক্ষণ ভেজা বালুর ওপর নত হয়ে বসে থাকে। যতক্ষণ না পাড়ার বিলাপরত আত্মীয়স্বজন দামোদরকে সঙ্গে নিয়ে রাসুর কাছে ছুটে আসে ততক্ষণ রাসু স্বপ্নাচ্ছন্নের মতো মাটির দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। মেয়েরা যখন রাসুর চারদিকে লুটিয়ে পড়ে বিলাপ শুরু করে দিল, তখন রাসু চোখ তুলে হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে থাকা তার ছেলে দামোদরের দিকে তাকাল। ভয়ে হতচকিত বালক দামোদরের দিকে স্তম্ভিতের মতো কতক্ষণ চেয়ে থেকে রাসু ছেলের হাত ধরে ঘরে ফিরে গেল।
ছেলের মুখ চেয়ে রাসু এই মর্মান্তিক আঘাতটা সামলে নিলেও দশ বছর পরে দামোদরের মৃত্যু তাকে মাটির দিকে নুইয়ে দিল। এই দশ বছর সঙ্গীসাথীদের আর আত্মীয়স্বজনের অনেক অনুরোধেও আর বিয়ে করেনি রাসু। বরং ছেলের বয়স কুড়ি পেরোতেই রাসু তার বিয়ের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
দামোদর দেখতে ঠিক রাসুর মতোই। ছেলের বুকের দিকে সোজাসুজি তাকাতে পারত না রাসু। গায়ে-গতরে দামোদর রাসুরও দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াল। কালো পাথরে গড়া যেন এক কান্তিমান অসুরের মূর্তি। রাসু ভাবত ছেলের জন্য সতীর মতো বৌ চাই।
শেষ পর্যন্ত সন্দ্বীপেই দামোদরের সম্বন্ধ পাকা হলো। সতীদের গ্রাম থেকেই কৃষ্ণ জলদাসের মেয়ে কালীকে দামোদরের বৌ করে ঘরে আনল রাসু। কালীকে দেখে গাঁয়ের বয়স্ক জেলেনীরা সতীর কথা বলাবলি করত। বলত, 'সতী আবার দামোদরের বৌ হয়ে জন্মেছে।' জাল, নৌকার কাজ আর শুঁটকির চালানে কালী যখন স্বামী-শ্বশুরকে সাহায্য করত তখন পরিবারে আবার স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে এসেছিল। কিন্তু এ সুখও রাসুর বেশিদিন টিকল না। বঙ্গোপসাগরে এক আকস্মিক তুফানে চৌদ্দজন জেলে যেবার নাওসহ নিখোঁজ হয়ে গেল, সেই দলে ছিল দামোদর। নিখোঁজদের মধ্যে দুই-একজনের লাশ দ্বীপাঞ্চলে ভেসে এলেও দামোদরের কোনো চিহ্ন পাওয়া গেল না।
দামোদর নিখোঁজ হওয়ার মাসখানেক পরে কালীর বাপের বাড়ির লোকজন এসে কালীকে সন্দ্বীপ নিয়ে গিয়েছিল। শোকাহত রাসু জলদাস কালী চলে গেলে ভাবল, 'যাক। মানুষের সাথে আমার আর কোনো সম্বন্ধ রইল না। আমি দরিয়ার জলে হাত ধুয়ে ফেললাম।' রাসু তখন হঠাৎ দরিয়ায় যাওয়া বাড়িয়ে দিল। সে বেশি বেশি গভীর সমুদ্রে বিচরণ শুরু করল। অনেকটা বেপরোয়ার মতো। সঙ্গী জেলেরা বলে, দরিয়ায় যখন ঘূর্ণি দেখা দেয় এবং ঢেউয়ের উচ্ছ্বাস ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে তখন তাকে জোর করে ধরে দাঁড়ে বসিয়ে দেয়।
এভাবে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ এক আকস্মিক ঘটনায় রাসু জলদাস আবার ঘরমুখো হলো। একদিন ভোরে রাসু ঘরের দরজা খুলে দেখে কালী দাঁড়িয়ে আছে। গায়ে কাপড় থাকলেও অসম্বৃত। বাতাসে চুল উড়ছে। শাড়ির আঁচল মাটিতে লুটাচ্ছে। দামোদর নিখোঁজ হওয়ার পরও এত দিন কালী যে বিধবার বেশ নেয়নি, হাতের শাঁখাজোড়া তার প্রমাণ। রাসু কতক্ষণ পাথরের মতো নিশ্চল হয়ে থেকে অনুচ্চ স্বরে বলল, 'তুই কিভাবে এলি? কে নিয়ে এলো?'
রাসুর কথার উত্তর না দিয়ে কালী ফিরে দাঁড়াল। রাসুকে পেছন ফিরে সাগরের দিকে তাকিয়ে রইল।
'বৌমা', রাসু ডাকল। কালী সাড়া না দিয়ে আগের মতোই সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রইল। রাসু বুঝল যে কালীর কিছু একটা হয়েছে। কয়েক দিন আগে অবশ্য রাসু সন্দ্বীপের মাঝিদের মুখে একটা কথা শুনেছিল যে কৃষ্ণ জলদাসের মেয়েটার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু রাসু বিশ্বাস করেনি। মাল্লারা বলেছিল, কালী নাকি ঘরে থাকতে চায় না। দিনরাত সমুদ্রের পারে ছুটে আসে। তাই তাকে বেঁধে রাখতে হয়। রাসু মাল্লাদের গালগল্পকে আমল দেয়নি। রাসু জানত, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে এলে মাল্লারা ডাঙ্গা সম্বন্ধে অনেক বাজে মিথ্যে কথা বলে সময় কাটায়।
রাসু কালীর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। ভোর হয়েছে অনেকক্ষণ। পাড়ার লোকেরা চলাফেরা আরম্ভ করেছে। রাসুর দাওয়ায় কালীকে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পাড়ার জেলে-বৌরা কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এলো। প্রতিবেশী মানু জলদাসের পুত্রবধূ শ্যামা এগিয়ে এসে বলল, 'কী হয়েছে জেঠা, কালীকে কে নিয়ে এসেছে?'
শ্যামার কথার কোনো জবাব না দিয়ে রাসু কালীর দিকে চোখ রেখে বলল, 'কাপড়টা সামলে নে বৌমা।'
ভোরের বাতাসে কালীর বুকের কাপড় সরে গেছে। নাভির নিচে শাড়ির গিঁট শিথিল হয়ে ঝুলছে। সুগঠিত স্তনমণ্ডল নিরাবরণ। রাসুর ডাকে কালী সাগরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে তার দিকে তাকাল। তারপর এমন একটা কাণ্ড করল, যাতে সকলেই হতবাক।
কালী একটানে হঠাৎ গায়ের কাপড় খুলে ফেলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে সকলের সামনে দাঁড়িয়ে রইল। কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থেকে হতভম্ব সকলের লজ্জিত দৃষ্টি থেকে নিজেকে সরিয়ে কালী ঘরের ভেতর ঢুকল। ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে জুড়ে দিল বিলাপ। জেলেপাড়ার সমস্ত নারী-পুরুষ রাসুর দরজায় ভিড় করে দাঁড়াল। সকলেই কালী কিভাবে এসেছে, কে নিয়ে এসেছে এ নিয়ে বলাবলি করতে থাকল। কেউ বলল, সন্দ্বীপের কোনো গয়নায় চেপে এসেছে সে।
যেভাবেই আসুক, রাসু আর কালীকে বাপের বাড়ি পাঠাল না। এমনকি লোকমুখে খবর পাঠানোরও দরকার মনে করল না। এরপর থেকে কালী এখানেই আছে। পাশের ঘরের বৌ শ্যামাই কালীর দেখাশোনা করে। সমস্ত খরচ জোগায় রাসু। তার মাছ ধরার কাজে মনোযোগ কমল না। বলতে গেলে সে এখন সারা দিন টাকা রোজগারের ধান্ধায় ঘোরে।
শ্যামা প্রথম প্রথম কালীকে নিজের ঘরে এনে রেখেছিল। কিন্তু কালীর যখন-তখন নেংটা হয়ে যাওয়া, দিগম্বরী হয়ে পাড়ার মধ্য দিয়ে হেঁটে বেড়ানো আর সুযোগ পেলেই সাগরের দিকে ছুটে যাওয়ার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে দেখে শ্যামা ঘাবড়ে গেল। শ্যামা দেখেছে, কালী যখন নিরাবরণ হয়ে পাড়ার মধ্য দিয়ে কিংবা বেলাভূমির ওপর দিয়ে হাঁটে তখন পুরুষমানুষ মাত্রই তার দিকে নির্লজ্জের মতো তাকিয়ে থাকে। কেউ কেউ তার পিছু পিছু হেঁটে যায় পর্যন্ত। এখন আর শ্যামা কালীকে নিজের পরিবারে রাখতে ভরসা পায় না। বরং রাসুর ঘরেই তাকে তালাবদ্ধ করে রাখে। নাওয়া-খাওয়ার সময় শ্যামা নিজ হাতে কালীকে চান করিয়ে, খাবার খাইয়ে, শাড়ি পরিয়ে দিয়ে যায়। কালী তালাবদ্ধ রাসুর চালায় কখনো বিলাপ আবার কখনো নিচু স্বরে গান গাইতে থাকে। এভাবেই রাসু জলদাসের দিন যাচ্ছে।
কাঁধে দাঁড়টা নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রাসু তার উঠোনে এসে গলা খাঁকারি দিল। পুরুষ মানুষের গলার আওয়াজ পেয়ে পাশের বাড়ি থেকে শ্যামা চাবি নিয়ে হাজির হলো। রাসু শ্যামার হাত থেকে চাবি নিয়ে দাঁড়টা গয়আম গাছের গোড়ায় ঠেকিয়ে রেখে কালীর কথা জিজ্ঞেস করল। শ্যামা যেতে যেতে বলল, 'ঘরেই আছে। বহু কষ্টে চান করিয়ে খাইয়ে দিয়েছি। আজ আবার শাড়ি পরতে চায় না। আমি সাধলাম, আমাকে মারতে আসে।'
শ্যামা চলে গেলে রাসু দরজার তালাটা খুলল। দরজার একটা পাট ধাক্কা দিতেই শায়িত কালীকে দেখল রাসু। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে মাদুরের ওপর শুয়ে আছে।
সূর্যের শেষ রশ্মি এসে পড়েছে ঘরের ভেতর। পড়ন্ত তির্যক আলোয় নিরাবরণ নারী-সৌন্দর্যকে প্রত্যক্ষ করল রাসু। নিঃশ্বাসের দোলায় কালীর বুক দুটি ওঠানামা করছে। নিদ্রিতা কালীর ঠোঁটজোড়া ঈষৎ কুষ্ণিত হয়ে আছে। পিঠে, গলায়, উরতের ফাঁকে ঘামের ফোঁটা চিকচিক করছে। মাথার দিকে তাকালে বোঝা যায়, শ্যামা আজ চুলে তেল দিয়ে যত্নে খোঁপা বেঁধে দিয়েছিল। অসাবধান নিদ্রায় তা পিঠে, বালিশের উপর ছড়িয়ে পড়েছে।
এই প্রথম রাসুর সতীর কথা মনে পড়ল। ভুলে যাওয়া আনন্দের গন্ধ যেন বইতে লাগল বুকের ভিতর। একদৃষ্টে কালীর নগ্নদেহের দিকে তাকিয়ে থেকে রাসু ঘরের ভেতর গিয়ে দরজার পাটটা ধাক্কা মেরে লাগিয়ে দিল। দুয়ার বন্ধের শব্দে কালী চোখ মেলে চাইল।
কালীর ঘুমটা আসলে ব্যতিক্রম। কালী ঘুমায় না। এখানে আসার পর কালীকে চেষ্টা করেও ঘুম পাড়ানো যায়নি। সম্প্রতি শ্যামার সেবাযত্নে কয়েক দিন যাবৎ দুপুরের দিকে কালী আপনমনে বকতে বকতে নেশাগ্রস্তের মতো পড়ে থাকে। আজও কালী এভাবেই পড়ে আছে। এখন রাসুকে দেখে উঠে বসল, তারপর আপনমনে বিড়বিড় করতে লাগল।
রাসু কালীর গা ঘেঁষে মাদুরের ওপর গিয়ে বসল। ঘরের বেড়া থেকে গামছাটা টেনে এনে কালীর দেহের ঘাম মুছে দিতে দিতে বলল, 'ঘুমিয়েছিলি বৌমা?'
কালী কথার জবাব না দিয়ে একদৃষ্টে রাসুর দিকে তাকিয়ে থেকে আবার বিড়বিড় শুরু করল। কী বলে কিছুই বোঝা যায় না। রাসু দড়ি থেকে কালীর শাড়িটা এনে মেলে ধরল, 'পরবি?'
কালী শাড়িটা হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। নেড়েচেড়ে কতক্ষণ দেখল শাড়িটা। কাপড়টা হাতে নিয়েই দুয়ার খুলে বেরিয়ে এলো উঠোনে। শেষে শাড়িটা গয়আম গাছের ডালে ঝুলিয়ে সাগরের দিকে হাঁটা দিল।
কালীর কাণ্ড দেখে রাসু ঘর থেকে দাওয়ায় এসে দাঁড়াল। পেছন থেকে ডাকার আগেই কালী বেলাভূমির ওপর দিয়ে ছোট জেলে নৌকার মতো তরতর করে কোমর আর বুক দুলিয়ে সমুদ্রের জলরেখার কাছে পেঁৗছে গেছে। রাসু কিছুক্ষণ কালীর গতিবিধি লক্ষ করে আবার ঘরের ভেতর ফিরে গেল।
সূর্য এখন তেজ হারিয়ে এক বিপুলাকার গোলক হয়ে গেছে। পশ্চিমাকাশ আর সাগরের জলসীমা পর্যন্ত নিসর্গদৃশ্য গাঢ় লাল রঙে রঞ্চিত। সূর্যাস্ত-দর্শকের দল যারা এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিটিয়ে ঘোরাফেরা করছিল, যেন অজ্ঞাত নির্দেশে তারা পরস্পরের কাছাকাছি এসে দাঁড়াল। পেছন থেকে দেখলে মনে হবে পৃথিবীর সন্তানেরা নিমজ্জমান সৌন্দর্যের কাছে তাদের শেষ আকুতি জানাতে একত্রিত হয়েছে। তাদের ওপর দিয়ে বইছে লবণের গন্ধেভরা বাতাস। কেউ সহজে কোনো শব্দ তুলছে না, বলছে না 'দ্যাখো দৃশ্যটা কত সুন্দর!'
পূর্ব দিগন্তে আচ্ছন্নতা বিলিয়ে সূর্য যখন তার অতিকায় গোলকের মধ্যেই স্বীয় রূপরাশিকে শোষণ করে নিজেরই রিক্ততাকে প্রকট করল, তখন তার প্রান্তভাগ ঢেউয়ের ওপর আপ্লুত। এমন সময় কালী এসে দাঁড়াল সেখানে। দর্শক আর সূর্যের মধ্যবর্তী হয়ে। তারা দেখল, এক দীর্ঘতমা নগ্ন নারীশরীর সুর্যকে ভেদ করে ঢেউয়ের ওপর দণ্ডায়মান। কোমরে একা হাত রেখে অনেকটা নাচের ভঙ্গিতে স্পষ্ট হয়ে উঠল। কিন্তু ডুবন্ত সূর্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে খুব বেশিক্ষণ দাঁড়াল না কালী। সে সূর্যকে রেহাই দিয়ে জলরেখা ধরে আরো উত্তর দিকে চলতে লাগল।
কালীর অঙ্গরেখার আবরণ থেকে মুক্তি পেলেও নিমজ্জমান দিবাকরের দর্শক থাকল কেবলমাত্র কয়েকজন বন্দরের হতবাক নারী আর শিশু। সূর্যাস্ত-দর্শক দলের পুরুষরা তখন নগ্ন কালীর পেছনে পেছনে হাঁটছে। যেন কালী সূর্যের সন্তানদের তার কালো নিটোল দেহনৌকার অদৃশ্য গুণের সাথে বেঁধে আগে আগে চলেছে।
সূর্য যেন আতঙ্কে ঢেউয়ের ভেতরে দ্রুত আবৃত হয়ে যেতে চাইল। এখন বেলাভূমির ওপর হাল্কা অন্ধকার কাঁপছে। খুব মৃদু একধরনের পিটপিট শব্দ হচ্ছে ভেজাবালির ভেতর থেকে। সূর্যের আলো থাকতে যেসব কাঁকড়ার বাচ্চা বালির ওপর ভাটার সময় গর্ত খুঁড়ছিল, এখন তারা বালির গভীরে নড়াচড়া করছে। তাদের আলোড়নেই সিক্ত বালিয়াড়ি থেকে পিটপিট শব্দটা উঠছে।
অন্ধকার আরো গাঢ় হয়ে নামলে সূর্যাস্ত-দর্শকদলের পরিত্যক্ত অংশ অর্থাৎ বন্দর থেকে আগত নারী ও শিশুর দলে গুঞ্জন উঠল। শিশুরা তাদের পিতাদের নাম ধরে জোরে জোরে ডাকল। নারীরা গালাগাল দিতে লাগল তাদের সঙ্গী আর স্বামীদের। শিশুদের আর্তচিৎকারেই হোক অথবা কর্তব্যবোধেই হোক, সূর্যাস্ত-দর্শকদলের পুরুষেরা কালীকে অন্ধকারে রেখে তাদের রোদনরত শিশু ও ক্ষুব্ধ সঙ্গিনীদের কাছে ফিরে এলো। যেন মোহময় কালো নৌকার যাত্রীরা ঢেউয়ের বাড়ি থেকে খেতে ডাঙায় এসে ভিড়েছে। তারা স্ত্রী আর তাদের সঙ্গিনীদের কাছে এসে হাত কচলে বোকার মতো হাসতে হাসতে বলল, 'পাগলিটার কী সাহস, অন্ধকারে দরিয়ায় সাঁতার কাটছে!'
অন্ধকার আরো গভীর হয়ে নামলে সূর্যাস্ত-দর্শকদের দল তাদের ক্ষুব্ধ নারীদের নিয়ে বেলাভূমি শূন্য করে চলে গেল।
অন্ধকারে কালীকে আর দেখা যায় না। দূরে জেলেপাড়ার বাতিগুলো বিন্দুর মতো জ্বলতে লাগল। আর বেলাভূমির ওপর যে চায়ের দোকানগুলো আছে তাতেও লণ্ঠনগুলো জ্বলে উঠেছে।
রাত দশটার দিকে চাঁদ উঠলে রাসু কালীর খোঁজে বেরোল। হাঁটতে হাঁটতে সে চায়ের দোকানগুলোর কাছে এসে অধীর জলদাসের চালায় ঢুকল। অধীর একটা টুল এগিয়ে দিল রাসুকে। রাসুর গম্ভীর ক্লান্ত মুখের দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করল, 'আজ চলবে নাকি জেঠা?'
রাসু মাথা নেড়ে সায় দিলে চৌকির তলা থেকে একটা দেশি মদের পাইট ও গ্লাস এনে তার পায়ের কাছে রাখল। রাসু বোতলটা নিয়ে ডাকল, 'জল দে।'
অধীর পানির জগটা ভর্তি করে নিয়ে এলো।
দিনমান চায়ের ব্যবসা চালালেও রাতে এসব দোকানে দেশি মদের আড্ডা বসে। জেলেপাড়ার যুবক মাঝিরা সন্ধ্যার পর এখানে এসে জমা হয়।
রাসু খুব কমই এদিকে আসে। মদ খেলেও সে পাড়ার ছেলে-ছোকরাদের সাথে বসে না। তাদের সামনে বেসামাল হওয়ার ভয়েই রাসু মদের আড্ডা এড়িয়ে চলে। তবে কখনো মনটা ভালো থাকলে কিংবা শুঁটকির মৌসুমে প্রচুর মাছ ধরা পড়লে রাসু একটু-আধটু মদ খায়। গভীর রাতে অধীরের দোকানে এসে বসে। তখন হয়তো লোকজন বড় বেশি থাকে না কিংবা পাড়ার ছেলেরা বেহেড মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
পাইটটা শেষ করে রাসু যখন উঠল, তখন বেলাভূমি চাঁদের আলোয় দীপ্ত হয়ে উঠেছে। সমুদ্রে ঢেউয়ের দাপানি দূর থেকেও বোঝা যায়। এখন বাতাসে নুনের গন্ধটা ঈষৎ হাল্কা। একটা স্নিগ্ধতা বিচ্ছুরিত হচ্ছে ভেজা বালি থেকে। একটু পরেই জোয়ার এসে বেলাভূমিকে ভাসিয়ে দিয়ে যাবে। জলের উচ্ছ্বাস তখন জেলেপাড়া অবধি পেঁৗছুবে।
রাসু সমুদ্রের জলসীমার কাছে গিয়ে চারদিকে দেখতে লাগল। কালীকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। রাসু একবার ভাবল কালী সম্ভবত ঘরে ফিরে গেছে। কিন্তু উত্তর দিকে একটা ছোট কোষানৌকাকে জলরেখার নিকটবর্তী বালিতে পড়ে আছে দেখে রাসু সেদিকে হাঁটা দিল। জেলেরা জলের এত কাছে তাদের কোষা রেখে যায় না। জোয়ারে নাও একবার ভেসে গেলে আর সহজে পাবার উপায় থাকে না।
রাসু ভাবল, এ নিশ্চয়ই কালীর কাজ। কারো উল্টানো হাল্কা কোষা নাও নিরাপদ ডাঙা থেকে টেনে নামিয়ে এনেছে। রাসু নৌকার কাছে পেঁৗছে দেখে তার সন্দেহ মিথ্যে নয়। নৌকার ওপর কালী বসে আছে। দরিয়ার দিকে মুখ করে পা ছড়িয়ে বসে আছে কালী। তার হাতের ভর পেছন দিকে। বাতাসে চুল উড়ছে।
রাসু কালীর পেছনে দাঁড়াল। আর মুহূর্তে কালীর দেহের গন্ধ, চুলের গন্ধ সাগর জলের মেছো নোনতা গন্ধের সাথে একাকার হয়ে রাসুর মনের ওপর একটা আবর্ত সৃষ্টি করল। দেশি মদের নেশা তখন রাসুকে দাঁড়াতে দিচ্ছে না। এখন হাঁটলে পা টলবে এ কথা জানে রাসু। তাই সে নিঃশব্দে নৌকায় উঠে কালীর পাশে বসল। কালী যেন সমুদ্রের ঢেউয়ে চোখ রেখে বসেছিল তেমনি বসে রইল।
কালী একবারও ফিরে তাকাল না দেখে রাসু তার পিঠে হাত রাখল। স্পর্শ পেয়ে কালী এবার ফিরে দেখল রাসুকে। কিছুক্ষণ নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে কালী আবার সমুদ্রের ঢেউয়ের দিকে দৃষ্টি ফেরাল।
জোয়ারের পানি তখন নৌকার তলদেশ ছুঁইছুঁই করছে। সমুদ্রের দিক থেকে হাওয়ার গতি এখন বেশ জোরালো। কালীর কেশগুচ্ছ বাতাসে লাফিয়ে উঠে রাসুর বকে মুখে ঝাপটা দিতে লাগল। রাসু কালীর পিঠে ধীরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ডাকল, 'কালী।'
কালী ঘাড় ফেরাল।
'তুই দরিয়ার ঢেউয়ে কাকে খুঁজিস, কালী? দামোদরকে?'
কালী শব্দ না করে রাসুর জিজ্ঞাসু মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
'আমি দামোদর, আমার দিকে দেখ কালী। দামোদরকে আমিই জন্ম দিয়েছিলাম। সে তো আমার মতোই ছিল কালী, আমিই ছিলাম। আরো কাছে আয় কালী।'
বলতে বলতে রাসু কালীকে বুকের কাছে টেনে আনল। কালী কতক্ষণ সম্মোহিতের মতো রাসুর দিকে চেয়ে থেকে হঠাৎ তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। আর রাসু দুই হাতে কালীর দেহটাকে জড়িয়ে ধরে নৌকার ভেতরে কাত হয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর উন্মত্তের মতো কালীর গলায় বুকে ঠোঁটের স্পর্শ দিতে দিতে বলল, 'তুই সতী, তুই সতী_তোর বুকে আমার সতীর গন্ধ। তুই সতী হয়ে যা কালী।'
রাসুর শক্ত বাহুর পেষণে কালী একবার শুধু অস্পষ্টভাবে আওয়াজ তুলে উচ্চারণ করল, 'দামোদর।'
জোয়ার তখন নৌকাটাকে ঢেউয়ের ওপর ভাসিয়ে দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের নোনা বাতাসের গতি মধ্যরাতে ডুবন্ত বেলাভূমির ওপর দিয়ে হু হু করে বইতে লাগল। আর বাতাসের সাথে ঘুরপাক খেতে খেতে একটা চালকহীন কালো নৌকা অন্যায় ঢেউয়ের ওপর দুলতে দুলতে নিরুদ্দেশের দিকে ভেসে গেল।
মেয়েরা শাড়ি টেনে গোড়ালি উদোম করে হাঁটছিল। কেউ কেউ কাদা মাড়িয়ে বাহাদুরি দেখাতে সমুদ্রের জলসীমায় গিয়ে হাঁটুর ওপর ঢেউয়ের বাড়ি লাগাচ্ছে। ছোট ছোট ঢেউ এসে তাদের শাড়ির নিচের দিকটা হাঁটু পর্যন্ত ভিজিয়ে দিচ্ছে। তাদের সঙ্গী পুরুষরা জুতো হাতে ডাঙায় শুকনো বালিতে দাঁড়িয়ে দেখছে। সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক মোহকে উপভোগ করার একটা প্রবণতা কিংবা বলা যায় প্রস্তুতি আছে মানুষের মধ্যে। যা ক্ষণস্থায়ী তন্ময়তা এনে দিয়েছে এইসব নরনারীর মুখে।
সূর্যাস্তের সময় আজকাল বেশ ভিড় জমে এ জায়গাটায়। যারা সমুদ্র আর সূর্যাস্ত দেখে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই বন্দরে ফিরে যেতে চায়, তারাই আসে এ ঘাটে। কিন্তু যাদের হাতে প্রচুর সময় আর টাকা-পয়সা আছে তাদের কথা অবশ্য আলাদা। তারা কঙ্বাজার না গিয়ে এই হোটেল-মোটেলহীন ফৌজদারহাট আসবে কোন দুঃখে।
তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে ফৌজদারহাটের বেলাভূমিতেও কম ভিড় হয় না। বেশ লোক জমে যায়। আজ রোববার বলেই যে এত গাড়ি আর মানুষের মেলা জমেছে তা নয়। মেঘবৃষ্টি না থাকলে প্রায় প্রতিদিনই মানুষ আসে। প্রাইভেট কারও আসে অনেক। আর মানুষের সমাগম দেখে কয়েকটা চায়ের দোকানও ডাঙার শুকনো উঁচু জায়গায় জমিয়ে ব্যবসা ফেঁদেছে। প্রতিদিন সূর্য নিভে গেলে পানির কিনারায় বহুদূর হেঁটে বেড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে মানুষ চায়ের দোকানগুলোতে এসে বসে। চা খায়। অন্ধকার না হওয়া পর্যন্ত আর উঠতে চায় না কেউ।
এ বেলা একে একে জেলে নৌকাগুলো ফিরে আসছে। কোনো কোনো নাও তীরের কাদায় পেট ঠেকিয়ে বাঁকা মাথা উঁচু করে দুলছে। জেলেরা কেউ কেউ পানিতে নেমে ভেজা বালুর ওপর দিয়ে নাও ঠেলে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের ঘিরে দাঁড়িয়েছে সূর্যাস্ত-দর্শকদলের নারী-পুরুষ।
কাছেই জেলেপাড়া। এতক্ষণ এই আবাসস্থলের অস্তিত্বই বোঝা যায়নি। শ্রীহীন কয়েকটা শীর্ণ চালাঘর। খুব নিচু করে তৈরি। দূর থেকে স্তব্ধ কালো রেখার মতো দেখা যায়। এখন এই রেখার ওপর থেকে শাদা-কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাক খেয়ে আকাশে উঠেছে। রান্নার আগুনে যেন সারা পাড়াটা প্রাণস্পন্দনে জেগে উঠল। জেলে-বৌরা ঝাঁকা নিয়ে আস্তে আস্তে পাড়া ছেড়ে নাওগুলোর দিকে আসছে। তাদের পেছনে উলঙ্গ শিশুর দল।
রাসু জলদাসের নৌকাটা প্রথম এসে ডাঙায় ভিড়েছে। জল ঝাড়াই আর মাছের দরদামের ব্যাপারটা সঙ্গী দুজনের ঘাড়ে চাপিয়ে রাসু কাদা পার হয়ে ডাঙায় এসে দাঁড়াল। হাতের দাঁড়টা কাঁধে ফেরে তারপর রওনা দিল পাড়ার দিকে।
সূর্য এখনো নিস্তেজ হয়ে দর্শনীয় হয়ে ওঠেনি। সূর্যাস্ত-দর্শকদের দল এখনো ডাঙার ওপর টেনে আনা জেলে নৌকাগুলোকে ঘিরে দাঁড়িয়ে মজা দেখছে। তাদের চোখে এখনো সূর্যের প্রাত্যহিক মোহময় মৃত্যুকে উপভোগ করার প্রস্তুতি জেগে ওঠেনি। বরং জেলেনীদের ঝাঁকায় শাদা ছোট ইঁচা মাছের সামান্য স্তূপ দেখে সাগরের কৃপণতার ভ্রূ কুঞ্চিত হয়ে উঠেছে।
রাসু জলদাসের হাঁটাটা এখনো দেখার মতো। পঞ্চাশ বছরের সমুদ্রচারী জেলের গায়ে যতটা সামর্থ্য থাকে রাসু তার চেয়েও শক্তিশালী পুরুষ। তার পেশল হাত-পায়ে বার্ধক্য দূরে থাক, মধ্যবয়স্কেরও কোনো চিহ্ন নেই। বিশাল পুরুষ। পাথরের মতো ছাতি। দাঁড়ের কাঠের মতো মোটা কবজির ওপর শিরা ফুলে আছে। লোকে বলে, একটানা সাত দিন নাকি রাসু মাঝি দাঁড় বাইতে পারে, শুধু সময়মতো খেতে দিলেই হলো।
রাসুর হাঁটাটা সত্যিই ভারি মজার। যেন প্রথম হাঁটতে শেখা শিশু পা ফেলছে। প্রতিটি পদক্ষেপ যেন গুনে গুনে পড়ছে। একটু অসাবধান হলেই বুঝি হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত। রাসু হাঁটে অনেকটা পা টিপে টিপে এগিয়ে যাওয়ার মতো করে। তখন তার মাথাটা নত হয়ে থাকে। চোখ থাকে পায়ের সামনের মাটির ওপর। হাঁটার সময় আশপাশে তাকায় না রাসু। সোজা দরিয়া থেকে ঘরের দরজার সামনে দাঁড়ানোর অভ্যেস তার। আগে নাও নিরাপদ ডাঙায় উবুড় করে রেখে আসার সময় দামোদরের মা রাসুর পাশে পাশে হেঁটে এসে ঘরের দরজা খুলে দাঁড়াত। এখন রাসুকেই খুলতে হয়। গতর নুইয়ে দরজার মরচেপড়া তালাটা খুলতে গেলে কোমরের হাড়ে আজকাল মট করে একটা আরামদায়ক শব্দ হয়। আরাম আর ক্লান্তি তখন রাসু জলদাসকে জড়িয়ে ধরে। রাসু বোঝে যে তার সেই গৌরবময় দিনগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে।
দামোদরের মা গত হয়েছে আজ পনেরো-ষোল বছর। সন্দ্বীপ থেকে রাসু সতী জলদাসীকে বিয়ে করে এনেছিল। জেলেদের মেয়েরা এমনিতেই শক্ত-সমর্থ হয়ে থাকে। তার মধ্যে সতী ছিল এক নামডাকঅলা জলদাস পরিবারের মেয়ে। সতীর মতো নারী-শরীর সচরাচর দেখা যায় না। মাছের ঝাঁকা নিয়ে এই কালো কুচকুচে জেলে-বৌ যখন রাসুর পেছনে পেছনে বেলাভূমি পার হয়ে ছুটত, তখন জাল মেরামতের কাজ করতে করতে জেলে যুবারা একবার ঘাড় ফিরিয়ে এই ধাবমান মাৎস্যগন্ধাকে না দেখে পারত না।
সতী যখন মারা যায় দামোদরের বয়স তখন দশ। সে বছর রাসু জলদাস জেলেদের সাথে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেত। কমপক্ষে পনেরো দিন না কাটিয়ে কেউ দরিয়া থেকে ঘরে ফিরত না। এমনি ধরনের এক ক্ষেপ শেষ করে গাঁয়ে ফিরে জেলেরা জানল যে সপ্তাহখানেক আগে কলেরায় তাদের গাঁয়ের অর্ধেক মানুষ উজাড় হয়ে গেছে। মৃতদের মধ্যে নারী আর শিশুর সংখ্যাই ছিল বেশি। কারণ পুরুষ বলতে যারা ছিল তারা সকলেই ছিল সাগরে। জেলেপাড়ায় কান্নার রোল পড়ে গেল। সতীও এই মড়কের শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। সতীর মৃত্যুর চারদিন পর রাসুদের নৌকা এসে ডাঙায় ভেড়ে। খবরটা শুনে রাসু চুপচাপ কতক্ষণ ভেজা বালুর ওপর নত হয়ে বসে থাকে। যতক্ষণ না পাড়ার বিলাপরত আত্মীয়স্বজন দামোদরকে সঙ্গে নিয়ে রাসুর কাছে ছুটে আসে ততক্ষণ রাসু স্বপ্নাচ্ছন্নের মতো মাটির দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। মেয়েরা যখন রাসুর চারদিকে লুটিয়ে পড়ে বিলাপ শুরু করে দিল, তখন রাসু চোখ তুলে হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে থাকা তার ছেলে দামোদরের দিকে তাকাল। ভয়ে হতচকিত বালক দামোদরের দিকে স্তম্ভিতের মতো কতক্ষণ চেয়ে থেকে রাসু ছেলের হাত ধরে ঘরে ফিরে গেল।
ছেলের মুখ চেয়ে রাসু এই মর্মান্তিক আঘাতটা সামলে নিলেও দশ বছর পরে দামোদরের মৃত্যু তাকে মাটির দিকে নুইয়ে দিল। এই দশ বছর সঙ্গীসাথীদের আর আত্মীয়স্বজনের অনেক অনুরোধেও আর বিয়ে করেনি রাসু। বরং ছেলের বয়স কুড়ি পেরোতেই রাসু তার বিয়ের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
দামোদর দেখতে ঠিক রাসুর মতোই। ছেলের বুকের দিকে সোজাসুজি তাকাতে পারত না রাসু। গায়ে-গতরে দামোদর রাসুরও দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াল। কালো পাথরে গড়া যেন এক কান্তিমান অসুরের মূর্তি। রাসু ভাবত ছেলের জন্য সতীর মতো বৌ চাই।
শেষ পর্যন্ত সন্দ্বীপেই দামোদরের সম্বন্ধ পাকা হলো। সতীদের গ্রাম থেকেই কৃষ্ণ জলদাসের মেয়ে কালীকে দামোদরের বৌ করে ঘরে আনল রাসু। কালীকে দেখে গাঁয়ের বয়স্ক জেলেনীরা সতীর কথা বলাবলি করত। বলত, 'সতী আবার দামোদরের বৌ হয়ে জন্মেছে।' জাল, নৌকার কাজ আর শুঁটকির চালানে কালী যখন স্বামী-শ্বশুরকে সাহায্য করত তখন পরিবারে আবার স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে এসেছিল। কিন্তু এ সুখও রাসুর বেশিদিন টিকল না। বঙ্গোপসাগরে এক আকস্মিক তুফানে চৌদ্দজন জেলে যেবার নাওসহ নিখোঁজ হয়ে গেল, সেই দলে ছিল দামোদর। নিখোঁজদের মধ্যে দুই-একজনের লাশ দ্বীপাঞ্চলে ভেসে এলেও দামোদরের কোনো চিহ্ন পাওয়া গেল না।
দামোদর নিখোঁজ হওয়ার মাসখানেক পরে কালীর বাপের বাড়ির লোকজন এসে কালীকে সন্দ্বীপ নিয়ে গিয়েছিল। শোকাহত রাসু জলদাস কালী চলে গেলে ভাবল, 'যাক। মানুষের সাথে আমার আর কোনো সম্বন্ধ রইল না। আমি দরিয়ার জলে হাত ধুয়ে ফেললাম।' রাসু তখন হঠাৎ দরিয়ায় যাওয়া বাড়িয়ে দিল। সে বেশি বেশি গভীর সমুদ্রে বিচরণ শুরু করল। অনেকটা বেপরোয়ার মতো। সঙ্গী জেলেরা বলে, দরিয়ায় যখন ঘূর্ণি দেখা দেয় এবং ঢেউয়ের উচ্ছ্বাস ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে তখন তাকে জোর করে ধরে দাঁড়ে বসিয়ে দেয়।
এভাবে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ এক আকস্মিক ঘটনায় রাসু জলদাস আবার ঘরমুখো হলো। একদিন ভোরে রাসু ঘরের দরজা খুলে দেখে কালী দাঁড়িয়ে আছে। গায়ে কাপড় থাকলেও অসম্বৃত। বাতাসে চুল উড়ছে। শাড়ির আঁচল মাটিতে লুটাচ্ছে। দামোদর নিখোঁজ হওয়ার পরও এত দিন কালী যে বিধবার বেশ নেয়নি, হাতের শাঁখাজোড়া তার প্রমাণ। রাসু কতক্ষণ পাথরের মতো নিশ্চল হয়ে থেকে অনুচ্চ স্বরে বলল, 'তুই কিভাবে এলি? কে নিয়ে এলো?'
রাসুর কথার উত্তর না দিয়ে কালী ফিরে দাঁড়াল। রাসুকে পেছন ফিরে সাগরের দিকে তাকিয়ে রইল।
'বৌমা', রাসু ডাকল। কালী সাড়া না দিয়ে আগের মতোই সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রইল। রাসু বুঝল যে কালীর কিছু একটা হয়েছে। কয়েক দিন আগে অবশ্য রাসু সন্দ্বীপের মাঝিদের মুখে একটা কথা শুনেছিল যে কৃষ্ণ জলদাসের মেয়েটার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু রাসু বিশ্বাস করেনি। মাল্লারা বলেছিল, কালী নাকি ঘরে থাকতে চায় না। দিনরাত সমুদ্রের পারে ছুটে আসে। তাই তাকে বেঁধে রাখতে হয়। রাসু মাল্লাদের গালগল্পকে আমল দেয়নি। রাসু জানত, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে এলে মাল্লারা ডাঙ্গা সম্বন্ধে অনেক বাজে মিথ্যে কথা বলে সময় কাটায়।
রাসু কালীর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। ভোর হয়েছে অনেকক্ষণ। পাড়ার লোকেরা চলাফেরা আরম্ভ করেছে। রাসুর দাওয়ায় কালীকে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পাড়ার জেলে-বৌরা কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এলো। প্রতিবেশী মানু জলদাসের পুত্রবধূ শ্যামা এগিয়ে এসে বলল, 'কী হয়েছে জেঠা, কালীকে কে নিয়ে এসেছে?'
শ্যামার কথার কোনো জবাব না দিয়ে রাসু কালীর দিকে চোখ রেখে বলল, 'কাপড়টা সামলে নে বৌমা।'
ভোরের বাতাসে কালীর বুকের কাপড় সরে গেছে। নাভির নিচে শাড়ির গিঁট শিথিল হয়ে ঝুলছে। সুগঠিত স্তনমণ্ডল নিরাবরণ। রাসুর ডাকে কালী সাগরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে তার দিকে তাকাল। তারপর এমন একটা কাণ্ড করল, যাতে সকলেই হতবাক।
কালী একটানে হঠাৎ গায়ের কাপড় খুলে ফেলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে সকলের সামনে দাঁড়িয়ে রইল। কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থেকে হতভম্ব সকলের লজ্জিত দৃষ্টি থেকে নিজেকে সরিয়ে কালী ঘরের ভেতর ঢুকল। ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে জুড়ে দিল বিলাপ। জেলেপাড়ার সমস্ত নারী-পুরুষ রাসুর দরজায় ভিড় করে দাঁড়াল। সকলেই কালী কিভাবে এসেছে, কে নিয়ে এসেছে এ নিয়ে বলাবলি করতে থাকল। কেউ বলল, সন্দ্বীপের কোনো গয়নায় চেপে এসেছে সে।
যেভাবেই আসুক, রাসু আর কালীকে বাপের বাড়ি পাঠাল না। এমনকি লোকমুখে খবর পাঠানোরও দরকার মনে করল না। এরপর থেকে কালী এখানেই আছে। পাশের ঘরের বৌ শ্যামাই কালীর দেখাশোনা করে। সমস্ত খরচ জোগায় রাসু। তার মাছ ধরার কাজে মনোযোগ কমল না। বলতে গেলে সে এখন সারা দিন টাকা রোজগারের ধান্ধায় ঘোরে।
শ্যামা প্রথম প্রথম কালীকে নিজের ঘরে এনে রেখেছিল। কিন্তু কালীর যখন-তখন নেংটা হয়ে যাওয়া, দিগম্বরী হয়ে পাড়ার মধ্য দিয়ে হেঁটে বেড়ানো আর সুযোগ পেলেই সাগরের দিকে ছুটে যাওয়ার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে দেখে শ্যামা ঘাবড়ে গেল। শ্যামা দেখেছে, কালী যখন নিরাবরণ হয়ে পাড়ার মধ্য দিয়ে কিংবা বেলাভূমির ওপর দিয়ে হাঁটে তখন পুরুষমানুষ মাত্রই তার দিকে নির্লজ্জের মতো তাকিয়ে থাকে। কেউ কেউ তার পিছু পিছু হেঁটে যায় পর্যন্ত। এখন আর শ্যামা কালীকে নিজের পরিবারে রাখতে ভরসা পায় না। বরং রাসুর ঘরেই তাকে তালাবদ্ধ করে রাখে। নাওয়া-খাওয়ার সময় শ্যামা নিজ হাতে কালীকে চান করিয়ে, খাবার খাইয়ে, শাড়ি পরিয়ে দিয়ে যায়। কালী তালাবদ্ধ রাসুর চালায় কখনো বিলাপ আবার কখনো নিচু স্বরে গান গাইতে থাকে। এভাবেই রাসু জলদাসের দিন যাচ্ছে।
কাঁধে দাঁড়টা নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রাসু তার উঠোনে এসে গলা খাঁকারি দিল। পুরুষ মানুষের গলার আওয়াজ পেয়ে পাশের বাড়ি থেকে শ্যামা চাবি নিয়ে হাজির হলো। রাসু শ্যামার হাত থেকে চাবি নিয়ে দাঁড়টা গয়আম গাছের গোড়ায় ঠেকিয়ে রেখে কালীর কথা জিজ্ঞেস করল। শ্যামা যেতে যেতে বলল, 'ঘরেই আছে। বহু কষ্টে চান করিয়ে খাইয়ে দিয়েছি। আজ আবার শাড়ি পরতে চায় না। আমি সাধলাম, আমাকে মারতে আসে।'
শ্যামা চলে গেলে রাসু দরজার তালাটা খুলল। দরজার একটা পাট ধাক্কা দিতেই শায়িত কালীকে দেখল রাসু। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে মাদুরের ওপর শুয়ে আছে।
সূর্যের শেষ রশ্মি এসে পড়েছে ঘরের ভেতর। পড়ন্ত তির্যক আলোয় নিরাবরণ নারী-সৌন্দর্যকে প্রত্যক্ষ করল রাসু। নিঃশ্বাসের দোলায় কালীর বুক দুটি ওঠানামা করছে। নিদ্রিতা কালীর ঠোঁটজোড়া ঈষৎ কুষ্ণিত হয়ে আছে। পিঠে, গলায়, উরতের ফাঁকে ঘামের ফোঁটা চিকচিক করছে। মাথার দিকে তাকালে বোঝা যায়, শ্যামা আজ চুলে তেল দিয়ে যত্নে খোঁপা বেঁধে দিয়েছিল। অসাবধান নিদ্রায় তা পিঠে, বালিশের উপর ছড়িয়ে পড়েছে।
এই প্রথম রাসুর সতীর কথা মনে পড়ল। ভুলে যাওয়া আনন্দের গন্ধ যেন বইতে লাগল বুকের ভিতর। একদৃষ্টে কালীর নগ্নদেহের দিকে তাকিয়ে থেকে রাসু ঘরের ভেতর গিয়ে দরজার পাটটা ধাক্কা মেরে লাগিয়ে দিল। দুয়ার বন্ধের শব্দে কালী চোখ মেলে চাইল।
কালীর ঘুমটা আসলে ব্যতিক্রম। কালী ঘুমায় না। এখানে আসার পর কালীকে চেষ্টা করেও ঘুম পাড়ানো যায়নি। সম্প্রতি শ্যামার সেবাযত্নে কয়েক দিন যাবৎ দুপুরের দিকে কালী আপনমনে বকতে বকতে নেশাগ্রস্তের মতো পড়ে থাকে। আজও কালী এভাবেই পড়ে আছে। এখন রাসুকে দেখে উঠে বসল, তারপর আপনমনে বিড়বিড় করতে লাগল।
রাসু কালীর গা ঘেঁষে মাদুরের ওপর গিয়ে বসল। ঘরের বেড়া থেকে গামছাটা টেনে এনে কালীর দেহের ঘাম মুছে দিতে দিতে বলল, 'ঘুমিয়েছিলি বৌমা?'
কালী কথার জবাব না দিয়ে একদৃষ্টে রাসুর দিকে তাকিয়ে থেকে আবার বিড়বিড় শুরু করল। কী বলে কিছুই বোঝা যায় না। রাসু দড়ি থেকে কালীর শাড়িটা এনে মেলে ধরল, 'পরবি?'
কালী শাড়িটা হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। নেড়েচেড়ে কতক্ষণ দেখল শাড়িটা। কাপড়টা হাতে নিয়েই দুয়ার খুলে বেরিয়ে এলো উঠোনে। শেষে শাড়িটা গয়আম গাছের ডালে ঝুলিয়ে সাগরের দিকে হাঁটা দিল।
কালীর কাণ্ড দেখে রাসু ঘর থেকে দাওয়ায় এসে দাঁড়াল। পেছন থেকে ডাকার আগেই কালী বেলাভূমির ওপর দিয়ে ছোট জেলে নৌকার মতো তরতর করে কোমর আর বুক দুলিয়ে সমুদ্রের জলরেখার কাছে পেঁৗছে গেছে। রাসু কিছুক্ষণ কালীর গতিবিধি লক্ষ করে আবার ঘরের ভেতর ফিরে গেল।
সূর্য এখন তেজ হারিয়ে এক বিপুলাকার গোলক হয়ে গেছে। পশ্চিমাকাশ আর সাগরের জলসীমা পর্যন্ত নিসর্গদৃশ্য গাঢ় লাল রঙে রঞ্চিত। সূর্যাস্ত-দর্শকের দল যারা এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিটিয়ে ঘোরাফেরা করছিল, যেন অজ্ঞাত নির্দেশে তারা পরস্পরের কাছাকাছি এসে দাঁড়াল। পেছন থেকে দেখলে মনে হবে পৃথিবীর সন্তানেরা নিমজ্জমান সৌন্দর্যের কাছে তাদের শেষ আকুতি জানাতে একত্রিত হয়েছে। তাদের ওপর দিয়ে বইছে লবণের গন্ধেভরা বাতাস। কেউ সহজে কোনো শব্দ তুলছে না, বলছে না 'দ্যাখো দৃশ্যটা কত সুন্দর!'
পূর্ব দিগন্তে আচ্ছন্নতা বিলিয়ে সূর্য যখন তার অতিকায় গোলকের মধ্যেই স্বীয় রূপরাশিকে শোষণ করে নিজেরই রিক্ততাকে প্রকট করল, তখন তার প্রান্তভাগ ঢেউয়ের ওপর আপ্লুত। এমন সময় কালী এসে দাঁড়াল সেখানে। দর্শক আর সূর্যের মধ্যবর্তী হয়ে। তারা দেখল, এক দীর্ঘতমা নগ্ন নারীশরীর সুর্যকে ভেদ করে ঢেউয়ের ওপর দণ্ডায়মান। কোমরে একা হাত রেখে অনেকটা নাচের ভঙ্গিতে স্পষ্ট হয়ে উঠল। কিন্তু ডুবন্ত সূর্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে খুব বেশিক্ষণ দাঁড়াল না কালী। সে সূর্যকে রেহাই দিয়ে জলরেখা ধরে আরো উত্তর দিকে চলতে লাগল।
কালীর অঙ্গরেখার আবরণ থেকে মুক্তি পেলেও নিমজ্জমান দিবাকরের দর্শক থাকল কেবলমাত্র কয়েকজন বন্দরের হতবাক নারী আর শিশু। সূর্যাস্ত-দর্শক দলের পুরুষরা তখন নগ্ন কালীর পেছনে পেছনে হাঁটছে। যেন কালী সূর্যের সন্তানদের তার কালো নিটোল দেহনৌকার অদৃশ্য গুণের সাথে বেঁধে আগে আগে চলেছে।
সূর্য যেন আতঙ্কে ঢেউয়ের ভেতরে দ্রুত আবৃত হয়ে যেতে চাইল। এখন বেলাভূমির ওপর হাল্কা অন্ধকার কাঁপছে। খুব মৃদু একধরনের পিটপিট শব্দ হচ্ছে ভেজাবালির ভেতর থেকে। সূর্যের আলো থাকতে যেসব কাঁকড়ার বাচ্চা বালির ওপর ভাটার সময় গর্ত খুঁড়ছিল, এখন তারা বালির গভীরে নড়াচড়া করছে। তাদের আলোড়নেই সিক্ত বালিয়াড়ি থেকে পিটপিট শব্দটা উঠছে।
অন্ধকার আরো গাঢ় হয়ে নামলে সূর্যাস্ত-দর্শকদলের পরিত্যক্ত অংশ অর্থাৎ বন্দর থেকে আগত নারী ও শিশুর দলে গুঞ্জন উঠল। শিশুরা তাদের পিতাদের নাম ধরে জোরে জোরে ডাকল। নারীরা গালাগাল দিতে লাগল তাদের সঙ্গী আর স্বামীদের। শিশুদের আর্তচিৎকারেই হোক অথবা কর্তব্যবোধেই হোক, সূর্যাস্ত-দর্শকদলের পুরুষেরা কালীকে অন্ধকারে রেখে তাদের রোদনরত শিশু ও ক্ষুব্ধ সঙ্গিনীদের কাছে ফিরে এলো। যেন মোহময় কালো নৌকার যাত্রীরা ঢেউয়ের বাড়ি থেকে খেতে ডাঙায় এসে ভিড়েছে। তারা স্ত্রী আর তাদের সঙ্গিনীদের কাছে এসে হাত কচলে বোকার মতো হাসতে হাসতে বলল, 'পাগলিটার কী সাহস, অন্ধকারে দরিয়ায় সাঁতার কাটছে!'
অন্ধকার আরো গভীর হয়ে নামলে সূর্যাস্ত-দর্শকদের দল তাদের ক্ষুব্ধ নারীদের নিয়ে বেলাভূমি শূন্য করে চলে গেল।
অন্ধকারে কালীকে আর দেখা যায় না। দূরে জেলেপাড়ার বাতিগুলো বিন্দুর মতো জ্বলতে লাগল। আর বেলাভূমির ওপর যে চায়ের দোকানগুলো আছে তাতেও লণ্ঠনগুলো জ্বলে উঠেছে।
রাত দশটার দিকে চাঁদ উঠলে রাসু কালীর খোঁজে বেরোল। হাঁটতে হাঁটতে সে চায়ের দোকানগুলোর কাছে এসে অধীর জলদাসের চালায় ঢুকল। অধীর একটা টুল এগিয়ে দিল রাসুকে। রাসুর গম্ভীর ক্লান্ত মুখের দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করল, 'আজ চলবে নাকি জেঠা?'
রাসু মাথা নেড়ে সায় দিলে চৌকির তলা থেকে একটা দেশি মদের পাইট ও গ্লাস এনে তার পায়ের কাছে রাখল। রাসু বোতলটা নিয়ে ডাকল, 'জল দে।'
অধীর পানির জগটা ভর্তি করে নিয়ে এলো।
দিনমান চায়ের ব্যবসা চালালেও রাতে এসব দোকানে দেশি মদের আড্ডা বসে। জেলেপাড়ার যুবক মাঝিরা সন্ধ্যার পর এখানে এসে জমা হয়।
রাসু খুব কমই এদিকে আসে। মদ খেলেও সে পাড়ার ছেলে-ছোকরাদের সাথে বসে না। তাদের সামনে বেসামাল হওয়ার ভয়েই রাসু মদের আড্ডা এড়িয়ে চলে। তবে কখনো মনটা ভালো থাকলে কিংবা শুঁটকির মৌসুমে প্রচুর মাছ ধরা পড়লে রাসু একটু-আধটু মদ খায়। গভীর রাতে অধীরের দোকানে এসে বসে। তখন হয়তো লোকজন বড় বেশি থাকে না কিংবা পাড়ার ছেলেরা বেহেড মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
পাইটটা শেষ করে রাসু যখন উঠল, তখন বেলাভূমি চাঁদের আলোয় দীপ্ত হয়ে উঠেছে। সমুদ্রে ঢেউয়ের দাপানি দূর থেকেও বোঝা যায়। এখন বাতাসে নুনের গন্ধটা ঈষৎ হাল্কা। একটা স্নিগ্ধতা বিচ্ছুরিত হচ্ছে ভেজা বালি থেকে। একটু পরেই জোয়ার এসে বেলাভূমিকে ভাসিয়ে দিয়ে যাবে। জলের উচ্ছ্বাস তখন জেলেপাড়া অবধি পেঁৗছুবে।
রাসু সমুদ্রের জলসীমার কাছে গিয়ে চারদিকে দেখতে লাগল। কালীকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। রাসু একবার ভাবল কালী সম্ভবত ঘরে ফিরে গেছে। কিন্তু উত্তর দিকে একটা ছোট কোষানৌকাকে জলরেখার নিকটবর্তী বালিতে পড়ে আছে দেখে রাসু সেদিকে হাঁটা দিল। জেলেরা জলের এত কাছে তাদের কোষা রেখে যায় না। জোয়ারে নাও একবার ভেসে গেলে আর সহজে পাবার উপায় থাকে না।
রাসু ভাবল, এ নিশ্চয়ই কালীর কাজ। কারো উল্টানো হাল্কা কোষা নাও নিরাপদ ডাঙা থেকে টেনে নামিয়ে এনেছে। রাসু নৌকার কাছে পেঁৗছে দেখে তার সন্দেহ মিথ্যে নয়। নৌকার ওপর কালী বসে আছে। দরিয়ার দিকে মুখ করে পা ছড়িয়ে বসে আছে কালী। তার হাতের ভর পেছন দিকে। বাতাসে চুল উড়ছে।
রাসু কালীর পেছনে দাঁড়াল। আর মুহূর্তে কালীর দেহের গন্ধ, চুলের গন্ধ সাগর জলের মেছো নোনতা গন্ধের সাথে একাকার হয়ে রাসুর মনের ওপর একটা আবর্ত সৃষ্টি করল। দেশি মদের নেশা তখন রাসুকে দাঁড়াতে দিচ্ছে না। এখন হাঁটলে পা টলবে এ কথা জানে রাসু। তাই সে নিঃশব্দে নৌকায় উঠে কালীর পাশে বসল। কালী যেন সমুদ্রের ঢেউয়ে চোখ রেখে বসেছিল তেমনি বসে রইল।
কালী একবারও ফিরে তাকাল না দেখে রাসু তার পিঠে হাত রাখল। স্পর্শ পেয়ে কালী এবার ফিরে দেখল রাসুকে। কিছুক্ষণ নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে কালী আবার সমুদ্রের ঢেউয়ের দিকে দৃষ্টি ফেরাল।
জোয়ারের পানি তখন নৌকার তলদেশ ছুঁইছুঁই করছে। সমুদ্রের দিক থেকে হাওয়ার গতি এখন বেশ জোরালো। কালীর কেশগুচ্ছ বাতাসে লাফিয়ে উঠে রাসুর বকে মুখে ঝাপটা দিতে লাগল। রাসু কালীর পিঠে ধীরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ডাকল, 'কালী।'
কালী ঘাড় ফেরাল।
'তুই দরিয়ার ঢেউয়ে কাকে খুঁজিস, কালী? দামোদরকে?'
কালী শব্দ না করে রাসুর জিজ্ঞাসু মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
'আমি দামোদর, আমার দিকে দেখ কালী। দামোদরকে আমিই জন্ম দিয়েছিলাম। সে তো আমার মতোই ছিল কালী, আমিই ছিলাম। আরো কাছে আয় কালী।'
বলতে বলতে রাসু কালীকে বুকের কাছে টেনে আনল। কালী কতক্ষণ সম্মোহিতের মতো রাসুর দিকে চেয়ে থেকে হঠাৎ তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। আর রাসু দুই হাতে কালীর দেহটাকে জড়িয়ে ধরে নৌকার ভেতরে কাত হয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর উন্মত্তের মতো কালীর গলায় বুকে ঠোঁটের স্পর্শ দিতে দিতে বলল, 'তুই সতী, তুই সতী_তোর বুকে আমার সতীর গন্ধ। তুই সতী হয়ে যা কালী।'
রাসুর শক্ত বাহুর পেষণে কালী একবার শুধু অস্পষ্টভাবে আওয়াজ তুলে উচ্চারণ করল, 'দামোদর।'
জোয়ার তখন নৌকাটাকে ঢেউয়ের ওপর ভাসিয়ে দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের নোনা বাতাসের গতি মধ্যরাতে ডুবন্ত বেলাভূমির ওপর দিয়ে হু হু করে বইতে লাগল। আর বাতাসের সাথে ঘুরপাক খেতে খেতে একটা চালকহীন কালো নৌকা অন্যায় ঢেউয়ের ওপর দুলতে দুলতে নিরুদ্দেশের দিকে ভেসে গেল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 02
(63)
- দিনশেষে সায়েদাবাদে বাড়ি ফেরত মানুষের জট by মুনিফ আ...
- প্রেসক্লাব এলাকায় আটক ৩৪- নাশকতার পরিকল্পনা ছিল জা...
- ‘ভারত তাদের নীতি পরিবর্তন করেছে’
- এবার হাতির মুখে কথা! আসিফ আজিজ
- ভিয়েতনামের সঙ্গে ২টি চুক্তি ও ২টি এমওইউ সই by শাম...
- শাঁখারীবাজারঃ হেরিটেজ তালিকা থেকে বাদ না দিলে কঠোর...
- ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন মোবাইল ব্যবহারকারীরা
- সেরা যৌন আবেদনময়ী তারকা মিরান্ডা
- বিনা মস্তিষ্কে ৩ বছরঃ শেষ রক্ষা হলো না
- ছয় বছর পর নিপুণের প্রথম ছবি!
- বৃষ্টি by আলাউদ্দিন আল আজাদ
- কালো নৌকা by আল মাহমুদ
- সাইকেলে চড়ে প্রযুক্তিঃ গ্রামে গ্রামে তথ্য কল্যাণী ...
- বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী মিরান্ডা
- স্রোতস্বিনী ব্র্রহ্মপুত্র মরে যাচ্ছে! by এম.আব্দুল...
- নিপুণের প্রথম ছবি!
- রিমু এবার যাত্রাপালার নায়িকা
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রেজওয়ানের ১৭ বছর...
- এক কোটি রুপিতে নাচবেন নাথালিয়া
- বিয়ে করবেন আগামী বছর
- স্যান্ডির তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০
- চাকরি হারালেন নাফিসের বাবা!
- হুজুর কেবলা by আবুল মনসুর আহমদ
- ছিনতাই by আবু রুশদ
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা by আবু জাফর শামসুদ্দীন
- সিসিমপুর- ইকরির জন্য রুমাল
- আমার গাঁ by শাহানার রশীদ
- মার ছক্কা by আহমেদ সাব্বির
- হ্যালো মিস্টার বিন by শিউল মনজুর
- অভিনন্দন by পবিত্র সরকার
- ভ্রমণ- ভ্যাটিকানের ভেনাস by লতিফুল ইসলাম
- দুই শিল্পীর যুগলবন্দী by আহমেদ মুনির
- চারুশিল্প- সমুদ্র-শহরে আর্টক্যাম্প by আবুল হাসনাত
- চাষির মুখে টপ্পা গাওয়ায় by আবদুশ শাকুর
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার- আযাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ...
- চট্টগ্রামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- নিয়ম না মেনেই চ...
- জোঁক by আবু ইসহাক
- অসুখ by আবদুশ শাকুর
- সত্যের মতো বদমাশ by আবদুল মান্নান সৈয়দ
- কেয়া আমি এবং জার্মান মেজর by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- গন্তব্য by আনোয়ারা সৈয়দ হক
- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিবৃতি- মালালার অবস্থার উন্নত...
- প্রশাসনের আপস প্রস্তাবে রাজি নয় লিমন
- প্রতিক্রিয়া- মেঘকে জিজ্ঞাসাবাদ যদি করতেই হয় তবে......
- তদন্ত চলাকালেই কাজে যোগ দিলেন মসিউর
- হাতিরঝিল প্রকল্প- খেজুর, পামে বিবর্ণ প্রকল্প by ...
- দুধভাতে উৎপাত by আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- প্রসারিত হচ্ছে ইসলাম by জহির উদ্দিন বাবর
- শান্তির বিশ্ব গড়তে ঐক্যবদ্ধ হোন by মুফতি শায়খ আবদু...
- লোহার সেতু by মোঃ মোতাহের হোসেন
- সম্প্রীতি-বিভেদ নয়, ঐক্যই সব ধর্মের সারকথা by গওসল...
- রাজনীতিকরা কি সেলসম্যান? by জর্জ এফ. উইল
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক উদ্যো...
- গাছ কাটা অনুমোদন-উন্নয়নের স্বার্থে সামান্য ছাড়
- অপরাধকর্মে পুলিশ-শর্ষেতেই যখন ভূত
- দীপিতার ঘরে রাত্রি by অমিয়ভূষণ মজুমদার
- হাসপাতালের শয্যা ও ওষুধ-মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে...
- গুরুতর অপরাধে পুলিশ-অবিলম্বে এই প্রবণতা রোধ করতে হবে
- চরাচর-দ্বিতীয় জীবন দান by ফাহমিদা আক্তার রিম্পি
- নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও আমাদের রাজনীতি by দিল...
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, না কেন্দ্রীয় সরকার প...
- বহে কাল নিরবধি-ভারত-চীন যুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তিতে প্...
-
▼
Nov 02
(63)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment