Thursday, January 29, 2015
সংলাপ ও আন্দোলন by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
সংলাপ ও আন্দোলন by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক

ফেসবুক রাজনীতি এবং সংলাপ >> ২৩
জানুয়ারি ২০১৫ প্রায় মধ্যরাতে, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেছিলাম।
শিরোনাম ছিল সংলাপের পক্ষে তিনটি যুক্তি। আমার ফেসবুক দেখতে হলে ইংরেজিতে
general.smibrahim@yahoo.com এই ঠিকানায় যেতে পারেন। ফেসবুককে সামাজিক
যোগাযোগের মাধ্যম বলা হয়; কিন্তু এখানে পদ্ধতিটি সামাজিক হলেও কিন্তু
সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-পারিবারিক ইত্যাদি সব রকমের কথাবার্তা চলে। চার
বছর আগে উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ায় যে গণ-আন্দোলন শুরু হয়েছিল;
সেটি একটি ছোট্ট ঘটনাকে ফেসবুকে প্রচার করার মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল।
বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন এই
ফেসবুকের মাধ্যমেই প্রকাশ্যে মতবিনিময় করতে পারছেন। এটি ফেসবুকের প থেকে
একটি বড় উপকারিতা। যদিও বাংলাদেশে অতি সম্প্রতি ফেসবুকে লেখালেখিতে মানুষ
অনেক সাবধান হয়ে গেছে। কারণ অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্যও বা অতি আগ্রহের কারণেও
কোনো উল্টোপাল্টা কথা ফেসবুকে উপস্থাপনের জন্য নিশ্চিত শাস্তির কথা সবাই
জানে। ফেসবুকের আরো উপকারিতা ও অপকারিতা আছে। ফেসবুকের মাধ্যমে
তরুণ-তরুণীদের মধ্যে পরিচয় এবং পরিচয় শেষে বিয়ে-শাদী যেমন হচ্ছে, তেমনি
ফেসবুকের কারণে অনেক পরকীয়া সম্পর্ক সৃষ্টি হচ্ছে, যার পরিণতিতে অনেক
পরিবারও ভেঙে যাচ্ছে। যা হোক, আমাদের দরকার মাধ্যমটির উপকারিতা গ্রহণ করা।
আমার বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের এই মুহূর্তের পরিবেশকে খেয়াল
রেখে। এ সম্পর্কে দু’টি অনুচ্ছেদ পরে আবারো বক্তব্য আছে।
জনাব কোকো এবং নেত্রী সমাচার
২৪ জানুয়ারি দুপুরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আরাফাত রহমান কোনো ইন্তেকাল করেন। তার পরিপ্রেেিত, ওই দিন রাত ৮টার কিছুণ পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। গেটটি খোলা হয়নি, পারস্পরিক সাাৎ হয়নি; ঘটনাটিকে অনেক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বিশ্লেষণ করা যায়। কিন্তু আমি সে দিকে যাবো না। কারণ, অবিতর্কিত এবং বিতর্কিত একাধিক কারণের প্রোপটেই এরূপ হয়েছিল বলে সমঝদার ব্যক্তিরা মনে করেন। ইতোমধ্যে ২৫ জানুয়ারি বিকেলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে বা যে পরিবেশের কারণে আমি ফেসবুকে বক্তব্যটি উপস্থাপন করেছিলাম সেটি এখনো পরিবর্তন হয়নি।
সংলাপ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ
বিগত ২০১৪ সালে অনেকবার অনেক বিএনপি নেতা এবং অনেক পেশাজীবী নেতা একটি আহ্বান উপস্থাপন করেছেন। আহ্বানটি হলো, সরকারি দল ও বিরোধী দল যেন পারস্পরিক সংলাপে বসে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট থেকে উত্তরণ ঘটান। বিরোধী দল বলতে আমি অবশ্যই বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটকে বোঝাচ্ছি। ১ জানুয়ারি ২০১৫ সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন সেখানেও তিনি সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। অপর দিকে, ২০১৪ সাল ধরেই মতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সম্মানিত জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রায় একই সুরে সংলাপ নামক বস্তুকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অনেক রকমের ভাষায় সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যভাবে শুধু সংলাপ প্রত্যাখ্যান করে বক্তব্য রাখেননি, বরং বিএনপিকে মারাত্মক অশোভন ভাষায় আক্রমণ করে সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু গত ৫ জানুয়ারি থেকে আজ অবধি ঘটনার পরিপ্রেেিত বাংলাদেশের সচেতন নাগরিকদের প্রতিনিধিই বা সব প্রকার পেশাজীবী নেতাই দলমত নির্বিশেষে আহ্বান করেই যাচ্ছেন এই মর্মে যে, বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ অবিলম্বে প্রয়োজন। সংলাপ হলেই যে সমস্যার সমাধান হবে তার কোনো গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু সংলাপ ব্যতীত পারস্পরিক মনোভাব জানার, পারস্পরিকভাবে ভদ্র ভাষায় উত্তর দেয়ার, প্রত্যভাবে কথা শোনার ও উত্তর দেয়ার অন্য কোনো পন্থা নেই। যারাই সংলাপ চাচ্ছেন তাদের মধ্যে অনেকেই বলছেন যে, শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া উভয়ের মধ্যে সংলাপ চাই। অন্য অনেকে বলছেন, আগে উভয় পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে সংলাপ চাই, অতঃপর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে চাই। উভয় পকে সংলাপে বসানোর জন্য অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিই বিভিন্ন পদপে নিচ্ছেন। ২৫ জানুয়ারি প্রখ্যাত সম্পাদকদের সাথে সরকারি নেতাদের বৈঠক হয়েছে। সেখানেও সহিংসতা বন্ধে যেমন আহ্বান জানানো হয়েছে, তেমনি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে সংলাপ অনুষ্ঠানের জন্য। অপরপে সরকারি নেতারা বলেই যাচ্ছেন, ঘোষণা করেই যাচ্ছেন যে, সংলাপের প্রয়োজন নেই, কার সাথে সংলাপ হবে, বিএনপির সাথে সংলাপের প্রয়োজন কী, সংলাপে আসার জন্য বিএনপির কী যোগ্যতা আছে (ইংরেজি পরিভাষায় লোকাস স্ট্যান্ডি) ইত্যাদি। এই প্রোপটেই আমি আমার ফেসবুকে ওই অনুচ্ছেদটি উপস্থাপন করেছিলাম। ওই অনুচ্ছেদটির বক্তব্য কিঞ্চিত সম্প্রসারণ করে এখানে আবার উল্লেখ করছি।
সংলাপের পক্ষে তিনটি যুক্তি
‘একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে মাননীয় শেখ হাসিনা সংলাপের উপকারিতা সম্পর্কে সম্যক অবহিত বলেই আমি বিশ্বাস করি। তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচরগণও এর উপকারিতা সম্পর্কে অবগত বলে আমি বিশ্বাস করি। সুতরাং মতাসীন রাজনৈতিক দল বা জোট এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের বিরোধী দল বা জোট এর মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠানে উপকারিতা নিয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। বিদ্যমান সমস্যায় উৎকণ্ঠিত এবং আবেগ তাড়িত হয়ে সংলাপ কামনা করা এক জিনিস এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে সংলাপ কামনা করা কিছুটা ভিন্ন জিনিস। আমি সংলাপ অনুষ্ঠানের অনুকূলে তিনটি ইতিহাসনির্ভর যুক্তি উপস্থাপন করছি।’
সংলাপের পে প্রথম যুক্তি। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক রমনা রেসকোর্সে যে ভাষণ দিয়েছিলেন, সেটি এখন ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। ওই সংপ্তি ভাষণে তৎকালীন মতাসীনদের উদ্দেশ করে অনেক কিছু বলা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর পে ওই আমলের জনসমর্থন এত প্রবল ছিল যে, তিনি বলতেই পারতেন এমনটা ‘আমাদের আন্দোলনের প্রেেিত তোমরা পাকিস্তানি জেনারেলগণ আমাদেরকে পার্লামেন্টে যাওয়ার রাস্তা করে দিতেই হবে। যতণ পার্লামেন্টের অধিবেশন না ডাকছো ততণ রাজনৈতিক আন্দোলন ও অসহযোগ চলতে থাকবে। তোমাদের সঙ্গে কোনো কথা নেই, পার্লামেন্ট অধিবেশন ডাকো তারপর কথা বলব।’ কিন্তু বঙ্গবন্ধু আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি সরকারের সাথে আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রেখেছিলেন। তিনি প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সাথে ঢাকা মহানগরে সংলাপে বসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু অবশ্যই ওই আমলে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং আওয়ামী লীগেরও প্রধান ছিলেন। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা না হলেও একই আওয়ামী লীগের প্রধান। তাই তিনি সংলাপে আসবেন, এটা আমি কামনা করি।
সংলাপের পে দ্বিতীয় যুক্তি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যে গণহত্য পরিচালিত হয়েছিল পাকবাহিনী কর্তৃক, তার জন্য যারা দায়ী ব্যক্তি ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলো তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান, তৎকালীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি নামক রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো। অনেক গবেষক ও সমসাময়িক ভাষ্যকার বলেছেন, জুলফিকার আলী ভুট্টোর একগুঁয়েমির কারণেই, মতালিপ্সার কারণেই, সামরিক জান্তা তাদের প্রদত্ত রাজনৈতিক ওয়াদা থেকে সরে এসেছিল। গণহত্যা পরিচালনার জন্য পাকিস্তানের সামরিক পরিকল্পনায় তাদের রাজনৈতিক উৎসাহ, পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থন দিয়েছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর দু’দিন পরই জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হয়ে গিয়েছিলেন। যেই ভুট্টোর কারণে লাখ লাখ বাঙালি প্রাণ দিলো, সেই জুলফিকার আলী ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু ঢাকা আসার রাজনৈতিক-কূটনৈতিক কিন্তু রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং জুলফিকার আলী ভুট্টো সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ঢাকা এসেছিলেন ১৯৭৪ সালে। বঙ্গবন্ধু ভুট্টোকে ঢাকায় স্বাগত জানিয়েছিলেন, কথা বলেছিলেন। ভুট্টো সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছিলেন। আজকের মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সে সময় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন, মন্ত্রীর মর্যাদায়। তোফায়েল ভুট্টোর সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন। ভুট্টোকে দেয়া লাল গালিচা সংবর্ধনা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে আনুষ্ঠানিকতা ও স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ভুট্টোকে নিন্দাবাদ ও বঙ্গবন্ধুকে জিন্দাবাদ দেয়া জনগণের আওয়াজ শুনতে হলে বা দেখতে হলে ইউটিউব থেকে একটি ভিডিও দেখতে পারেন। ওই ভিডিওর লিংক ২৩ জানুয়ারি আমার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দেয়া আছে। বঙ্গবন্ধু এটুকু কেন করেছিলেন? সম্ভবত দেশ ও মানুষের জন্য মঙ্গলজনক মনে করে।
সংলাপের পে তৃতীয় যুক্তি। ১৯৭২ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি গোপন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দলের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ছিলেন মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ও তার আপন ছোট ভাই জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা (যিনি এখন রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান)। ১৯৭৩-৭৪-৭৫ সালে এই দলটি তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছিল কিন্তু ফল হয়নি। ১৯৭৩ সালে ওই দলটি তাদের গোপন সামরিক বা সশস্ত্র শাখা সৃষ্টি করেছিল; যার নাম ছিল ‘শান্তিবাহিনী’। ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এই শান্তিবাহিনীর মাধ্যমে ওই গোপন রাজনৈতিক দলটি বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গেরিলাযুদ্ধে লিপ্ত হয়। ওই গেরিলা যুদ্ধ দমন বা মোকাবেলার নিমিত্তে অনেক পদপে গ্রহণ করা হয়েছে। ওই যুদ্ধের মাধ্যমে ‘শান্তিবাহিনী’ হাজার হাজার সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করে। অনেক সেনাসদস্য, বিডিআর সদস্য, পুলিশ সদস্য, আনসার-ভিডিপির সদস্যও আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রাণ দিয়েছেন। যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীও অনেক কষ্ট পেয়েছেন, অনেক নিরীহ পাহাড়ি মানুষ মারা গেছেন এবং অনেক শান্তিবাহিনীর সদস্য মারা গেছেন। এতদসত্ত্বেও এরশাদ সরকার (১৯৮২-৯০) এবং বিএনপি সরকারের (১৯৯১-৯৬) প্রতিনিধিগণ, শান্তিবাহিনীর সাথে অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বা সংলাপে মিলিত হয়েছেন। আমি নিজেও একাধিকবার সরকারি প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে ওই সংলাপে অংশগ্রহণ করেছি। ওই সংলাপের ফলেই ১৯৮৮-৮৯ সালে শান্তি স্থাপনের প্রথম পর্যায় সমাপ্ত হয়েছিল। এরপর ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ মতায় এসেছিল। তৎকালীন শান্তি বাহিনী তাৎণিকভাবেই আওয়ামী লীগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং বলে যে, ‘আমাদের সঙ্গে সংলাপে আসুন।’ ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিক্রিয়া দেখাতে বা প্রকাশ করতে দেরি করছিল। ওই দেরি করার প্রোপটে ১৯৯৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর শান্তিবাহিনী ২৬ জন বাঙালি কাঠুরিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল রাঙ্গামাটির উত্তরে গহিন জঙ্গলে। এর পর পরই তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিক্রিয়ায় বলে, সংলাপ হবে। ওই সংলাপের শেষপর্যায়ে ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে সরকার ও শান্তিবাহিনীর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। এখন আমার উপস্থাপনা : ইয়াহিয়া খান, ভুট্টো অথবা শান্তিবাহিনীর সাথে যদি সংলাপ করা যায়, তাহলে কেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের অর্ধেকের নেতা বা নিয়ন্ত্রক বিএনপির সাথে সংলাপ করা যাবে না? সবচেয়ে বড় যুক্তি, সংলাপ থেকে উন্নততর অন্য কোনো মাধ্যম আমার চোখে পড়ছে না। তাই সংলাপই সমস্যা সমাধানের পথিকৃৎ।
ডিজিটাল যুগের আন্দোলন
প্রবাদবাক্য ধার করে বলতে চাই, ‘এখন সেই রামও নেই, সেই অযোধ্যাও নেই।’ অর্থাৎ উদাহরণস্বরূপ আমরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যুগে নেই, আমরা ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের যুগেও নেই, আমরা বিগত আশির দশকের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের যুগেও নেই। এমনকি আমরা ২০০৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের লগি-বৈঠার আক্রমণের দিনগুলোতেও নেই। ইতিহাস ও ভৌগোলিক স্থান মিলালে, আমরা ১৯৮৬ সালের ফেব্র“য়ারি মাসের ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় বাস করছি না যেখানে আন্দোলনের মুখে একনায়ক বা স্বৈরশাসক ফারদিনান্দ মার্কোস দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন সপরিবারে। আমরা ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসের ঢাকা মহানগরেও বাস করছি না, যেখানে (এরশাদ সাহেবের ভাষায়) সামরিক বাহিনীর সমর্থন হারিয়ে প্রেসিডেন্ট এরশাদ পদত্যাগ করেছিলেন। বরং আমরা ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আছি। একই শ্রোতামণ্ডলীর কাছে, যেকোনো একজন বক্তা, একই জোক বা একই কৌতুক যেমন দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার বললে শ্রোতৃমণ্ডলী হাসবে না; তেমনি রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য পদপেগুলোও অভিনব না হলে বা সময়োপযোগী না হলে, ফল দিলেও... গুরুত্বপূর্ণ ফল দেবে না। ঘোষিতভাবেই এখন ‘ডিজিটাল’ যুগ। অতএব সরকারকে রাজনৈতিক দাবি মানায় বাধ্য করার জন্য ডিজিটাল আন্দোলন প্রয়োজন!! ডিজিটাল আন্দোলন কত প্রকার ও কী কী, সেটা কোনো ডিকশনারি বা পাঠ্যবইয়ে নেই। তাই যারা রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, মেধাবী, পরিশ্রমী, আগ্রহী তাদেরই এর রূপরেখা স্থাপন করতে হবে।
আন্দোলনের উপাত্তগুলো
ইংরেজি ‘ইনপুট’ শব্দের বাংলা অনুবাদ : উপাত্ত, অথবা ইংরেজি শব্দÑ জোড়া ‘কন্ট্রিবিউটিং ফ্যাক্টর’-এর বাংলা অনুবাদ : অবদানকারী উপাত্ত, এই কথা ধরে নিয়েই এই অনুচ্ছেদ লিখছি। আন্দোলন পরিচালনা করেণ রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকে সাথে নিয়ে। এরূপ আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলো বা রাজনৈতিক নেতারা বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকেরা (১) কেউ শ্রম দেবেন (২) কেউ মেধা দেবেন (৩) কেউ সময় দেবেন, (৪) কেউ অর্থ দেবেন এবং (৫) কেউ লোকবল দেবেন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বা প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতা এই পাঁচটি উপাদানই সরবরাহ করতে পারবে না। কোনো কোনো উপাদান একদমই পারবে না। আমরা যারা তারুণ্য পার করে ফেলেছি, অথবা আমরা যারা ছোট রাজনৈতিক দলের কর্মী, আমাদের জন্য পাঁচটা উপাত্তই দেয়া সম্ভব নয়। একটি বা একাধিক উপাত্ত দেয়া সম্ভব এবং তাই দিচ্ছি। দিচ্ছি বলতে আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প থেকে বা আমাদেরই মতো সমমনা প্রায় একই প্রকারের সাংগঠনিক অবস্থানের দলগুলোর কথা বলছি। একটি উপাত্ত বা উপাদানের কথা বলব, যেটি চোখে দেখা যায় এমনভাবে সরবরাহ করা যায় না। সেই উপাদানটির নাম মনোবল বা মানসিক শক্তি। রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মীদের মনোবল উঁচু রাখার জন্য বিভিন্ন পদপে নিতে হয়। একটি পদপে হলো আন্দোলনের জন্য আর্থিক খরচ সামলানো, আরেকটি পদপে হলো আন্দোলনে তিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং অন্য আরেকটি পদপে হলো কর্মীদের সাথে যোগাযোগ। আমরা এই উপাদানটিতেও ভূমিকা রাখছি।
বর্তমান আন্দোলনের ল্যবস্তু
বর্তমান আন্দোলনের ল্য হচ্ছে সরকারকে জনগণের দাবি মানতে বাধ্য করা। দাবির সারমর্ম : জনমনে শান্তি, জনপদে শান্তি, জনগণের ভোটের অধিকার ফেরত পাওয়া। সংবিধানে বলা আছে, ‘জনগণই সকল মতার উৎস’ কিন্তু ২০১১ সালে পার্লামেন্ট কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের মতা খর্ব করা হয়েছে। জনগণের এই মতা পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। তাই জনগণকে সম্পৃক্ত করে, জনগণের মনে ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আস্থা সৃষ্টি করে, জনগণের মনোবল চাঙ্গা রেখে, জনগণের কষ্টের মাত্রা ন্যূনতমপর্যায়ে রেখে, রাজনৈতিক কর্মীদের কষ্টকেই সর্বোচ্চমাত্রায় স্থাপন করে... এই আন্দোলন করতে হবে। আন্দোলন ওই দিকেই এগোচ্ছে। আন্দোলনের বিরুদ্ধে বা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক প্রতিরোধ আসবে, তবুও আন্দোলন যেন শান্তিপূর্ণ হয় সেই চেষ্টা থাকবে।
আন্দোলনের পক্ষ-বিপক্ষে বর্ণনা
বিশদলীয় জোট কর্তৃক সূচনা করা আন্দোলনের একটি সুনির্দিষ্টপর্যায়ে এখন আমরা আছি। আন্দোলনে একটি প হচ্ছে ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্বে জনগণ। প্রতিপক্ষ হচ্ছে সরকার এবং সরকারি রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকেরা। ২০ দলীয় জোটের সাথে আছে নিরস্ত্র কর্মী ও জনগণ। সরকারের সাথে আছে তিন প্রকারের আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী- যথা বিজিবি, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি। সরকারের সাথে আছে শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশ ভারতের কিছু রাজনৈতিক অংশ ও কিছু গোয়েন্দা অংশ। সরকারের সাথে আছে, খুশিতে বা অখুশিতে, আমলাতন্ত্র। ২০ দলীয় জোটের দু’টি প্রধান শরিক হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বাকি ১৮টি দলের মধ্যে দু’টি বা তিনটিকে মাঝারি সাইজের দল বা মধ্যমপর্যায়ের শরিক বলা যাবে। বাকিগুলো ছোট বা ক্ষুদ্র শরিক দল। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ুদ্র শরিকদের একটি। ছোট বা ক্ষুদ্র শরিক দলগুলো আন্দোলনে উচ্চমাত্রার দৃশ্যমান অবদান রাখতে পারে না। ওপরের অনুচ্ছেদে যেরূপ পাঁচটি উপাত্তের কথা উল্লেখ করেছি, সেই উপাত্তগুলোর মধ্যে একটি বা দু’টি বা তিনটি উপাত্ত দেয়া সম্ভব। ছোট শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ওইটুকু চেষ্টা করছে। ২০ দলীয় জোটের আন্দোলনের ভেতরে যেমন শরিকদের প থেকে অবদান থাকে, তেমনি প্রত্যেকটি দলের ভেতরেও এরূপ উপাদান লাগে। ভবিষ্যতে একদিন এ প্রসঙ্গে আলোচনা করব।
শেষ দু’টি বক্তব্য
সংলাপের ফলাফল নিয়ে অনেক জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তি সন্দিহান। ২৩ জানুয়ারি আমার ফেসবুকে উপস্থাপিত বক্তব্যের পরিপ্রেেিত তারা বলেন, সরকার সংলাপে সম্ভবত আসবে না অথবা এলেও অবহেলাপূর্ণ মানসিকতা নিয়ে আসবে। তারা সংক্ষেপ কারণগুলোও ব্যাখ্যা করেন। অন্যতম কারণ হচ্ছে সরকারপ বিরোধীপকে অবমূল্যায়ন করেই যাচ্ছে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে সরকার মনে করে যে, সংলাপ সফল হওয়া মানে তাদের মতায় থাকার পরিকল্পনায় আঘাত। তৃতীয় কারণ হচ্ছে সরকার এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে এত বেশি তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে তিলে তিলে ও ক্রমে ক্রমে যে, এরূপ তিক্ত পরিস্থিতিতে ‘চিনির শরবত’ আশা করা বাতুলতা। এত কিছুর পরও, আমার মতে সংলাপ কাম্য।
আজ মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রূহের মাগফিরাত কামনা করে কলাম শেষ করছি। শহীদ জিয়ার পরিবারের শোক, বাংলাদেশের জনগণের বৃহদংশের শোক। প্রার্থনা : এই শোক যেন শক্তিতে পরিণত হয়, যে শক্তি জনগণের কল্যাণের জন্য গণতান্ত্রিক পথে ব্যবহৃত হবে।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:), চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
জনাব কোকো এবং নেত্রী সমাচার
২৪ জানুয়ারি দুপুরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আরাফাত রহমান কোনো ইন্তেকাল করেন। তার পরিপ্রেেিত, ওই দিন রাত ৮টার কিছুণ পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। গেটটি খোলা হয়নি, পারস্পরিক সাাৎ হয়নি; ঘটনাটিকে অনেক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বিশ্লেষণ করা যায়। কিন্তু আমি সে দিকে যাবো না। কারণ, অবিতর্কিত এবং বিতর্কিত একাধিক কারণের প্রোপটেই এরূপ হয়েছিল বলে সমঝদার ব্যক্তিরা মনে করেন। ইতোমধ্যে ২৫ জানুয়ারি বিকেলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে বা যে পরিবেশের কারণে আমি ফেসবুকে বক্তব্যটি উপস্থাপন করেছিলাম সেটি এখনো পরিবর্তন হয়নি।
সংলাপ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ
বিগত ২০১৪ সালে অনেকবার অনেক বিএনপি নেতা এবং অনেক পেশাজীবী নেতা একটি আহ্বান উপস্থাপন করেছেন। আহ্বানটি হলো, সরকারি দল ও বিরোধী দল যেন পারস্পরিক সংলাপে বসে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট থেকে উত্তরণ ঘটান। বিরোধী দল বলতে আমি অবশ্যই বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটকে বোঝাচ্ছি। ১ জানুয়ারি ২০১৫ সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন সেখানেও তিনি সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। অপর দিকে, ২০১৪ সাল ধরেই মতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সম্মানিত জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রায় একই সুরে সংলাপ নামক বস্তুকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অনেক রকমের ভাষায় সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যভাবে শুধু সংলাপ প্রত্যাখ্যান করে বক্তব্য রাখেননি, বরং বিএনপিকে মারাত্মক অশোভন ভাষায় আক্রমণ করে সংলাপকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু গত ৫ জানুয়ারি থেকে আজ অবধি ঘটনার পরিপ্রেেিত বাংলাদেশের সচেতন নাগরিকদের প্রতিনিধিই বা সব প্রকার পেশাজীবী নেতাই দলমত নির্বিশেষে আহ্বান করেই যাচ্ছেন এই মর্মে যে, বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ অবিলম্বে প্রয়োজন। সংলাপ হলেই যে সমস্যার সমাধান হবে তার কোনো গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু সংলাপ ব্যতীত পারস্পরিক মনোভাব জানার, পারস্পরিকভাবে ভদ্র ভাষায় উত্তর দেয়ার, প্রত্যভাবে কথা শোনার ও উত্তর দেয়ার অন্য কোনো পন্থা নেই। যারাই সংলাপ চাচ্ছেন তাদের মধ্যে অনেকেই বলছেন যে, শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া উভয়ের মধ্যে সংলাপ চাই। অন্য অনেকে বলছেন, আগে উভয় পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে সংলাপ চাই, অতঃপর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে চাই। উভয় পকে সংলাপে বসানোর জন্য অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিই বিভিন্ন পদপে নিচ্ছেন। ২৫ জানুয়ারি প্রখ্যাত সম্পাদকদের সাথে সরকারি নেতাদের বৈঠক হয়েছে। সেখানেও সহিংসতা বন্ধে যেমন আহ্বান জানানো হয়েছে, তেমনি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে সংলাপ অনুষ্ঠানের জন্য। অপরপে সরকারি নেতারা বলেই যাচ্ছেন, ঘোষণা করেই যাচ্ছেন যে, সংলাপের প্রয়োজন নেই, কার সাথে সংলাপ হবে, বিএনপির সাথে সংলাপের প্রয়োজন কী, সংলাপে আসার জন্য বিএনপির কী যোগ্যতা আছে (ইংরেজি পরিভাষায় লোকাস স্ট্যান্ডি) ইত্যাদি। এই প্রোপটেই আমি আমার ফেসবুকে ওই অনুচ্ছেদটি উপস্থাপন করেছিলাম। ওই অনুচ্ছেদটির বক্তব্য কিঞ্চিত সম্প্রসারণ করে এখানে আবার উল্লেখ করছি।
সংলাপের পক্ষে তিনটি যুক্তি
‘একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে মাননীয় শেখ হাসিনা সংলাপের উপকারিতা সম্পর্কে সম্যক অবহিত বলেই আমি বিশ্বাস করি। তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচরগণও এর উপকারিতা সম্পর্কে অবগত বলে আমি বিশ্বাস করি। সুতরাং মতাসীন রাজনৈতিক দল বা জোট এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের বিরোধী দল বা জোট এর মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠানে উপকারিতা নিয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। বিদ্যমান সমস্যায় উৎকণ্ঠিত এবং আবেগ তাড়িত হয়ে সংলাপ কামনা করা এক জিনিস এবং যুক্তির ওপর নির্ভর করে সংলাপ কামনা করা কিছুটা ভিন্ন জিনিস। আমি সংলাপ অনুষ্ঠানের অনুকূলে তিনটি ইতিহাসনির্ভর যুক্তি উপস্থাপন করছি।’
সংলাপের পে প্রথম যুক্তি। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক রমনা রেসকোর্সে যে ভাষণ দিয়েছিলেন, সেটি এখন ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। ওই সংপ্তি ভাষণে তৎকালীন মতাসীনদের উদ্দেশ করে অনেক কিছু বলা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর পে ওই আমলের জনসমর্থন এত প্রবল ছিল যে, তিনি বলতেই পারতেন এমনটা ‘আমাদের আন্দোলনের প্রেেিত তোমরা পাকিস্তানি জেনারেলগণ আমাদেরকে পার্লামেন্টে যাওয়ার রাস্তা করে দিতেই হবে। যতণ পার্লামেন্টের অধিবেশন না ডাকছো ততণ রাজনৈতিক আন্দোলন ও অসহযোগ চলতে থাকবে। তোমাদের সঙ্গে কোনো কথা নেই, পার্লামেন্ট অধিবেশন ডাকো তারপর কথা বলব।’ কিন্তু বঙ্গবন্ধু আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি সরকারের সাথে আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রেখেছিলেন। তিনি প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সাথে ঢাকা মহানগরে সংলাপে বসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু অবশ্যই ওই আমলে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং আওয়ামী লীগেরও প্রধান ছিলেন। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা না হলেও একই আওয়ামী লীগের প্রধান। তাই তিনি সংলাপে আসবেন, এটা আমি কামনা করি।
সংলাপের পে দ্বিতীয় যুক্তি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যে গণহত্য পরিচালিত হয়েছিল পাকবাহিনী কর্তৃক, তার জন্য যারা দায়ী ব্যক্তি ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলো তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান, তৎকালীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি নামক রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো। অনেক গবেষক ও সমসাময়িক ভাষ্যকার বলেছেন, জুলফিকার আলী ভুট্টোর একগুঁয়েমির কারণেই, মতালিপ্সার কারণেই, সামরিক জান্তা তাদের প্রদত্ত রাজনৈতিক ওয়াদা থেকে সরে এসেছিল। গণহত্যা পরিচালনার জন্য পাকিস্তানের সামরিক পরিকল্পনায় তাদের রাজনৈতিক উৎসাহ, পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থন দিয়েছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর দু’দিন পরই জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হয়ে গিয়েছিলেন। যেই ভুট্টোর কারণে লাখ লাখ বাঙালি প্রাণ দিলো, সেই জুলফিকার আলী ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু ঢাকা আসার রাজনৈতিক-কূটনৈতিক কিন্তু রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং জুলফিকার আলী ভুট্টো সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ঢাকা এসেছিলেন ১৯৭৪ সালে। বঙ্গবন্ধু ভুট্টোকে ঢাকায় স্বাগত জানিয়েছিলেন, কথা বলেছিলেন। ভুট্টো সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছিলেন। আজকের মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সে সময় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন, মন্ত্রীর মর্যাদায়। তোফায়েল ভুট্টোর সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন। ভুট্টোকে দেয়া লাল গালিচা সংবর্ধনা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে আনুষ্ঠানিকতা ও স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ভুট্টোকে নিন্দাবাদ ও বঙ্গবন্ধুকে জিন্দাবাদ দেয়া জনগণের আওয়াজ শুনতে হলে বা দেখতে হলে ইউটিউব থেকে একটি ভিডিও দেখতে পারেন। ওই ভিডিওর লিংক ২৩ জানুয়ারি আমার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দেয়া আছে। বঙ্গবন্ধু এটুকু কেন করেছিলেন? সম্ভবত দেশ ও মানুষের জন্য মঙ্গলজনক মনে করে।
সংলাপের পে তৃতীয় যুক্তি। ১৯৭২ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি গোপন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দলের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ছিলেন মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ও তার আপন ছোট ভাই জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা (যিনি এখন রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান)। ১৯৭৩-৭৪-৭৫ সালে এই দলটি তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছিল কিন্তু ফল হয়নি। ১৯৭৩ সালে ওই দলটি তাদের গোপন সামরিক বা সশস্ত্র শাখা সৃষ্টি করেছিল; যার নাম ছিল ‘শান্তিবাহিনী’। ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এই শান্তিবাহিনীর মাধ্যমে ওই গোপন রাজনৈতিক দলটি বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গেরিলাযুদ্ধে লিপ্ত হয়। ওই গেরিলা যুদ্ধ দমন বা মোকাবেলার নিমিত্তে অনেক পদপে গ্রহণ করা হয়েছে। ওই যুদ্ধের মাধ্যমে ‘শান্তিবাহিনী’ হাজার হাজার সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করে। অনেক সেনাসদস্য, বিডিআর সদস্য, পুলিশ সদস্য, আনসার-ভিডিপির সদস্যও আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রাণ দিয়েছেন। যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীও অনেক কষ্ট পেয়েছেন, অনেক নিরীহ পাহাড়ি মানুষ মারা গেছেন এবং অনেক শান্তিবাহিনীর সদস্য মারা গেছেন। এতদসত্ত্বেও এরশাদ সরকার (১৯৮২-৯০) এবং বিএনপি সরকারের (১৯৯১-৯৬) প্রতিনিধিগণ, শান্তিবাহিনীর সাথে অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বা সংলাপে মিলিত হয়েছেন। আমি নিজেও একাধিকবার সরকারি প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে ওই সংলাপে অংশগ্রহণ করেছি। ওই সংলাপের ফলেই ১৯৮৮-৮৯ সালে শান্তি স্থাপনের প্রথম পর্যায় সমাপ্ত হয়েছিল। এরপর ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ মতায় এসেছিল। তৎকালীন শান্তি বাহিনী তাৎণিকভাবেই আওয়ামী লীগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং বলে যে, ‘আমাদের সঙ্গে সংলাপে আসুন।’ ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিক্রিয়া দেখাতে বা প্রকাশ করতে দেরি করছিল। ওই দেরি করার প্রোপটে ১৯৯৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর শান্তিবাহিনী ২৬ জন বাঙালি কাঠুরিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল রাঙ্গামাটির উত্তরে গহিন জঙ্গলে। এর পর পরই তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিক্রিয়ায় বলে, সংলাপ হবে। ওই সংলাপের শেষপর্যায়ে ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে সরকার ও শান্তিবাহিনীর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। এখন আমার উপস্থাপনা : ইয়াহিয়া খান, ভুট্টো অথবা শান্তিবাহিনীর সাথে যদি সংলাপ করা যায়, তাহলে কেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের অর্ধেকের নেতা বা নিয়ন্ত্রক বিএনপির সাথে সংলাপ করা যাবে না? সবচেয়ে বড় যুক্তি, সংলাপ থেকে উন্নততর অন্য কোনো মাধ্যম আমার চোখে পড়ছে না। তাই সংলাপই সমস্যা সমাধানের পথিকৃৎ।
ডিজিটাল যুগের আন্দোলন
প্রবাদবাক্য ধার করে বলতে চাই, ‘এখন সেই রামও নেই, সেই অযোধ্যাও নেই।’ অর্থাৎ উদাহরণস্বরূপ আমরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যুগে নেই, আমরা ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের যুগেও নেই, আমরা বিগত আশির দশকের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের যুগেও নেই। এমনকি আমরা ২০০৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের লগি-বৈঠার আক্রমণের দিনগুলোতেও নেই। ইতিহাস ও ভৌগোলিক স্থান মিলালে, আমরা ১৯৮৬ সালের ফেব্র“য়ারি মাসের ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় বাস করছি না যেখানে আন্দোলনের মুখে একনায়ক বা স্বৈরশাসক ফারদিনান্দ মার্কোস দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন সপরিবারে। আমরা ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসের ঢাকা মহানগরেও বাস করছি না, যেখানে (এরশাদ সাহেবের ভাষায়) সামরিক বাহিনীর সমর্থন হারিয়ে প্রেসিডেন্ট এরশাদ পদত্যাগ করেছিলেন। বরং আমরা ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আছি। একই শ্রোতামণ্ডলীর কাছে, যেকোনো একজন বক্তা, একই জোক বা একই কৌতুক যেমন দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার বললে শ্রোতৃমণ্ডলী হাসবে না; তেমনি রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য পদপেগুলোও অভিনব না হলে বা সময়োপযোগী না হলে, ফল দিলেও... গুরুত্বপূর্ণ ফল দেবে না। ঘোষিতভাবেই এখন ‘ডিজিটাল’ যুগ। অতএব সরকারকে রাজনৈতিক দাবি মানায় বাধ্য করার জন্য ডিজিটাল আন্দোলন প্রয়োজন!! ডিজিটাল আন্দোলন কত প্রকার ও কী কী, সেটা কোনো ডিকশনারি বা পাঠ্যবইয়ে নেই। তাই যারা রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ, মেধাবী, পরিশ্রমী, আগ্রহী তাদেরই এর রূপরেখা স্থাপন করতে হবে।
আন্দোলনের উপাত্তগুলো
ইংরেজি ‘ইনপুট’ শব্দের বাংলা অনুবাদ : উপাত্ত, অথবা ইংরেজি শব্দÑ জোড়া ‘কন্ট্রিবিউটিং ফ্যাক্টর’-এর বাংলা অনুবাদ : অবদানকারী উপাত্ত, এই কথা ধরে নিয়েই এই অনুচ্ছেদ লিখছি। আন্দোলন পরিচালনা করেণ রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকে সাথে নিয়ে। এরূপ আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলো বা রাজনৈতিক নেতারা বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকেরা (১) কেউ শ্রম দেবেন (২) কেউ মেধা দেবেন (৩) কেউ সময় দেবেন, (৪) কেউ অর্থ দেবেন এবং (৫) কেউ লোকবল দেবেন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বা প্রত্যেক রাজনৈতিক নেতা এই পাঁচটি উপাদানই সরবরাহ করতে পারবে না। কোনো কোনো উপাদান একদমই পারবে না। আমরা যারা তারুণ্য পার করে ফেলেছি, অথবা আমরা যারা ছোট রাজনৈতিক দলের কর্মী, আমাদের জন্য পাঁচটা উপাত্তই দেয়া সম্ভব নয়। একটি বা একাধিক উপাত্ত দেয়া সম্ভব এবং তাই দিচ্ছি। দিচ্ছি বলতে আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প থেকে বা আমাদেরই মতো সমমনা প্রায় একই প্রকারের সাংগঠনিক অবস্থানের দলগুলোর কথা বলছি। একটি উপাত্ত বা উপাদানের কথা বলব, যেটি চোখে দেখা যায় এমনভাবে সরবরাহ করা যায় না। সেই উপাদানটির নাম মনোবল বা মানসিক শক্তি। রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মীদের মনোবল উঁচু রাখার জন্য বিভিন্ন পদপে নিতে হয়। একটি পদপে হলো আন্দোলনের জন্য আর্থিক খরচ সামলানো, আরেকটি পদপে হলো আন্দোলনে তিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং অন্য আরেকটি পদপে হলো কর্মীদের সাথে যোগাযোগ। আমরা এই উপাদানটিতেও ভূমিকা রাখছি।
বর্তমান আন্দোলনের ল্যবস্তু
বর্তমান আন্দোলনের ল্য হচ্ছে সরকারকে জনগণের দাবি মানতে বাধ্য করা। দাবির সারমর্ম : জনমনে শান্তি, জনপদে শান্তি, জনগণের ভোটের অধিকার ফেরত পাওয়া। সংবিধানে বলা আছে, ‘জনগণই সকল মতার উৎস’ কিন্তু ২০১১ সালে পার্লামেন্ট কর্তৃক পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের মতা খর্ব করা হয়েছে। জনগণের এই মতা পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। তাই জনগণকে সম্পৃক্ত করে, জনগণের মনে ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আস্থা সৃষ্টি করে, জনগণের মনোবল চাঙ্গা রেখে, জনগণের কষ্টের মাত্রা ন্যূনতমপর্যায়ে রেখে, রাজনৈতিক কর্মীদের কষ্টকেই সর্বোচ্চমাত্রায় স্থাপন করে... এই আন্দোলন করতে হবে। আন্দোলন ওই দিকেই এগোচ্ছে। আন্দোলনের বিরুদ্ধে বা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক প্রতিরোধ আসবে, তবুও আন্দোলন যেন শান্তিপূর্ণ হয় সেই চেষ্টা থাকবে।
আন্দোলনের পক্ষ-বিপক্ষে বর্ণনা
বিশদলীয় জোট কর্তৃক সূচনা করা আন্দোলনের একটি সুনির্দিষ্টপর্যায়ে এখন আমরা আছি। আন্দোলনে একটি প হচ্ছে ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্বে জনগণ। প্রতিপক্ষ হচ্ছে সরকার এবং সরকারি রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকেরা। ২০ দলীয় জোটের সাথে আছে নিরস্ত্র কর্মী ও জনগণ। সরকারের সাথে আছে তিন প্রকারের আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনী- যথা বিজিবি, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি। সরকারের সাথে আছে শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশ ভারতের কিছু রাজনৈতিক অংশ ও কিছু গোয়েন্দা অংশ। সরকারের সাথে আছে, খুশিতে বা অখুশিতে, আমলাতন্ত্র। ২০ দলীয় জোটের দু’টি প্রধান শরিক হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বাকি ১৮টি দলের মধ্যে দু’টি বা তিনটিকে মাঝারি সাইজের দল বা মধ্যমপর্যায়ের শরিক বলা যাবে। বাকিগুলো ছোট বা ক্ষুদ্র শরিক দল। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ুদ্র শরিকদের একটি। ছোট বা ক্ষুদ্র শরিক দলগুলো আন্দোলনে উচ্চমাত্রার দৃশ্যমান অবদান রাখতে পারে না। ওপরের অনুচ্ছেদে যেরূপ পাঁচটি উপাত্তের কথা উল্লেখ করেছি, সেই উপাত্তগুলোর মধ্যে একটি বা দু’টি বা তিনটি উপাত্ত দেয়া সম্ভব। ছোট শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ওইটুকু চেষ্টা করছে। ২০ দলীয় জোটের আন্দোলনের ভেতরে যেমন শরিকদের প থেকে অবদান থাকে, তেমনি প্রত্যেকটি দলের ভেতরেও এরূপ উপাদান লাগে। ভবিষ্যতে একদিন এ প্রসঙ্গে আলোচনা করব।
শেষ দু’টি বক্তব্য
সংলাপের ফলাফল নিয়ে অনেক জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তি সন্দিহান। ২৩ জানুয়ারি আমার ফেসবুকে উপস্থাপিত বক্তব্যের পরিপ্রেেিত তারা বলেন, সরকার সংলাপে সম্ভবত আসবে না অথবা এলেও অবহেলাপূর্ণ মানসিকতা নিয়ে আসবে। তারা সংক্ষেপ কারণগুলোও ব্যাখ্যা করেন। অন্যতম কারণ হচ্ছে সরকারপ বিরোধীপকে অবমূল্যায়ন করেই যাচ্ছে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে সরকার মনে করে যে, সংলাপ সফল হওয়া মানে তাদের মতায় থাকার পরিকল্পনায় আঘাত। তৃতীয় কারণ হচ্ছে সরকার এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে এত বেশি তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে তিলে তিলে ও ক্রমে ক্রমে যে, এরূপ তিক্ত পরিস্থিতিতে ‘চিনির শরবত’ আশা করা বাতুলতা। এত কিছুর পরও, আমার মতে সংলাপ কাম্য।
আজ মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রূহের মাগফিরাত কামনা করে কলাম শেষ করছি। শহীদ জিয়ার পরিবারের শোক, বাংলাদেশের জনগণের বৃহদংশের শোক। প্রার্থনা : এই শোক যেন শক্তিতে পরিণত হয়, যে শক্তি জনগণের কল্যাণের জন্য গণতান্ত্রিক পথে ব্যবহৃত হবে।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব:), চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 29
(35)
- রাজধানীতে ৪ বাসে আগুন
- একটি জানাজা এবং... by সাজেদুল হক
- শিক্ষাই দ্বীপবাসীর প্রধান অবলম্বন হতে হবে -কুতুবদি...
- সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকের সমাবেশে ৪ ব্রিটিশ এমপির একা...
- চট্টগ্রামে আহত চবি ছাত্র সাকিবের মৃত্যু- পুলিশি নি...
- বাংলাদেশ পরিস্থিতি: জাতিসংঘের ফের উদ্বেগ- ব্রিফিংয়...
- হামলার জন্যে হিজবুল্লাহকে চড়া মূল্য দিতে হবে : নেত...
- আগুন জ্বালাচ্ছে, দুই দলকে না বলুন: এরশাদ
- ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বরখাস্ত
- কোকোর মৃত্যুর দায় কে নেবে? by সৈয়দা আশিফা আশরাফি প...
- যমুনায় নাব্যতা–সংকট জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন
- মত প্রকাশে বাধা ও বিপন্ন গণতন্ত্র by হারুন-আর-রশিদ
- জনগণ কী বার্তা দিচ্ছে by মাসুদ মজুমদার
- প্রকৃতি- গোলাপ, গাঁদা, কুয়াশার দিন by আশীষ-উর-রহমান
- পৃথিবীর সম্পদ ও এর ভোগব্যবস্থা by এবনে গোলাম সামাদ
- ৮২ বছরের বিলিয়নিয়ারের ঘরে ২৫ বছরের স্ত্রী
- ‘এবার একটু থামুন’ -চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ১৪ দ...
- গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে বার্ন ইউনিট বিনামূল্যে চিকিৎ...
- অবরুদ্ধ গণতন্ত্র, অসহায় মানুষ by ড. আবদুল লতিফ মাসুম
- বিরোধী দলের প্রশংসা, বাধাহীন বিল পাস by হারুন আল রশীদ
- দুঃখ প্রকাশ: নাতনিদের সঙ্গেই সময় কেটেছে শোকগ্রস্ত ...
- ভিন্ন কৌশলে ক্রসফায়ার
- সংবিধান সংশোধন হালকাভাবে কলম চালানোর বিষয় নয় -সং...
- রাজশাহীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কলেজশিক্ষক নিহত
- রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিতে তৈরি হচ্ছে উগ্র মতবাদীরা
- অবরোধ, অসংযম ও আন্দোলন নিয়ে দু’টি কথা by নয়ন বাঙ্গালী
- খুদে বিজ্ঞানীর খোঁজে... by শিহাব জিশান
- পানের হাটে ক্রেতা কম, হতাশ চাষি by রুহুল বয়ান
- সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী
- উইন্ডোজ ১০-এর যত চমক
- সেন্ট মার্টিনে মা লবস্টার নিধন by আব্দুল কুদ্দুস
- সঙ্কট সমাধানে দু’নেত্রীকে স্মারকলিপি বিজিএমইএর
- সংলাপ ও আন্দোলন by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
- গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের আহ্বান
- লাখ লাখ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে by মমতাজ বিলকিস
-
▼
Jan 29
(35)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment